Tag: news in bengali

news in bengali

  • RG Kar: ছাত্র সমাজের ‘নবান্ন অভিযান’ নিয়ে দিশাহারা পুলিশ, ফের দমনের চেষ্টায় নোটিশ

    RG Kar: ছাত্র সমাজের ‘নবান্ন অভিযান’ নিয়ে দিশাহারা পুলিশ, ফের দমনের চেষ্টায় নোটিশ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি করকাণ্ডের (RG Kar) প্রতিবাদে উত্তাল হয়ে উঠেছে কলকাতা সহ গোটা দেশ। এই অবস্থায় নির্যাতিতার জন্য ন্যায় বিচার চেয়ে ২৭ অগাস্ট মঙ্গলবার নবান্ন অভিযানের ডাক দিয়েছে ‘পশ্চিমবঙ্গ ছাত্র সমাজ’। তবে কোনও ছাত্র সংগঠনের পক্ষে ডাকা হয়নি এই অভিযান (Nabanna Abhijan)। তাঁদের দাবি, মূলত সাধারণ সমাজের প্রতিনিধি তাঁরা। কলেজ স্কোয়্যার এবং সাঁতরাগাছিতে দুপুর ১ টায় জমায়েত হবে বলে জানা গিয়েছে। কিন্তু এই অভিযানে কত লোক হবে, রুট কী হবে, সেই বিষয়ে কোনও ইঙ্গিত মেলেনি। ফলে হাওড়া পুলিশ আন্দোলনের স্বরূপ সম্পর্কে বিড়ম্বনায় রয়েছে। যেহেতু কোনও সংগঠনের পক্ষে মিছিল ডাকা হয়নি, তাই হাওড়া পুলিশ কমিশনারেটের পক্ষ থেকে শনিবার একটি নোটিশ দেওয়া হয়েছে। শুক্রবার কলকাতা প্রেস ক্লাবে সাংবাদিক বৈঠক করা তিন আয়োজককেই এই নোটিশ পাঠিয়েছে তারা। পুলিশের এই পদক্ষেপকে ছাত্র সমাজের একাংশ দমন নীতির সুকৌশল বলে উল্লেখ করেছে।

    পুলিশের আশঙ্কার সাত প্রশ্ন

    আরজি কর (RG Kar) ইস্যুতে ‘পশ্চিমবঙ্গ ছাত্র সমাজ’ নামে যে তিনজন নবান্ন অভিযানের ডাক দিয়েছেন, তাঁদেরকে পুলিশ নোটিশ পাঠিয়ে মোট সাতটি প্রশ্ন করেছে। পুলিশ কার্যত বড় জমায়েত (Nabanna Abhijan) হতে পারে বলে অনুমান করছে। পুলিশ জানিয়েছে, সাংবাদিক বৈঠক থেকে তারা জানতে পেরেছে যে রাজ্যের বিভিন্ন জায়গা থেকে বহু মানুষ মঙ্গলবার এই প্রতিবাদ অভিযানে যোগদান করবে। কোন এলাকায় কারা নেতৃত্ব দিচ্ছে? কত মানুষ জমায়েত হবে? কোথা থেকে কোন পথ অনুসরণ করে মিছিল করে নবান্নে যাওয়ার পরিকল্পনা করা হয়েছে? কেমন করে এবং কত সময় ধরে এই অভিযান নেওয়া হবে? ঠিক কাদের সঙ্গে যোগাযোগ করা হবে, এই বিষয়েও জানতে চাওয়া হয়েছে। আগে থেকে যাতে পার্কিং-এর ব্যবস্থা করা যায় সেই জন্য কত গাড়ি আসবে, এই সব বিষয়ে জানতে চাওয়া হয়েছে। পুলিশ আরও জানিয়েছে, রাজ্যের প্রধান সচিবালয় নবান্ন এলাকায় সব সময় ভারতীয় নাগরিক সংহিতার ১৬৩ (ফৌজদারি কার্যবিধির ১৪৪) ধারা বলবৎ থাকে। যারা এদিনের কর্মসূচিতে যোগদান করবে তারা যেন আইন মেনে চলে এবং শান্তিশৃঙ্খলা বজায় রাখে।

    আয়োজকের বক্তব্য

    এদিকে পুলিশের এই নোটিশ সম্পর্কে পশ্চিমবঙ্গ ছাত্র সমাজের পক্ষে আয়োজক শুভঙ্কর বলেন, “আমাকে পুলিশ অনেকবার ফোন করেছে। পুলিশ কমিশনার প্রবীণ ত্রিপাঠী স্বয়ং কথা বলেছেন। বিষয় সম্পর্কে আমরা জানিয়ে দেব। তবে কত সংখ্যা হবে, এই মুহূর্তে বলা সম্ভবপর নয়। তবে ন্যায় বিচারের (RG Kar) জন্য প্রচুর মানুষ যোগদান (Nabanna Abhijan) করবেন। পুলিশ অযথা বাধা প্রদান না করে, আমাদের সঙ্গে সহযোগিতা করলে ভালো হবে।”

    আরও পড়ুন: সন্দীপের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করল সিবিআই

    নিরাপত্তায় ২১০০ পুলিশ

    আরজি কর (RG Kar) ইস্যুতে ছাত্র অভিযানের (Nabanna Abhijan) কথা মাথায় রেখে পুলিশ যে আশঙ্কিত, তা বলার অপেক্ষা রাখে না। ইতিমধ্যে নবান্নের নির্দেশে জানা গিয়েছে, পুলিশ সুপার, ডিসিপি বা কমান্ডান্ট পদমর্যাদার ১৩ জন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার, এডিসিপি পদের ১৫ জন, ডেপুটি পুলিশ সুপার বা এসিপি পদের ২২ এবং ২৬ জন ইনস্পেক্টর আন্দোলন ঠেকাতে নামানো হবে। পুলিশ কর্মীদের শিলিগুড়ি, আলিপুরদুয়ার, নদিয়া, দুই মেদিনীপুর, হুগলি, বীরভূম, মুর্শিদাবাদ, ঝাড়গ্রাম, হাওড়া, সুন্দরবন এলাকা থেকে আনা হচ্ছে। একই সঙ্গে র‌্যাফ, ইএফআর, স্ট্রাকো বাহিনীর জওয়ান-সহ প্রায় ২১০০ পুলিশকর্মী নিযুক্ত থাকবেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Sunita Williams: ৮ দিন পেরিয়ে ৮ মাস! সুনীতারা পৃথিবীতে ফিরবেন ফেব্রুয়ারিতে, জানাল নাসা

    Sunita Williams: ৮ দিন পেরিয়ে ৮ মাস! সুনীতারা পৃথিবীতে ফিরবেন ফেব্রুয়ারিতে, জানাল নাসা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আট দিনের মহাকাশ সফরে গিয়েছিলেন বুচ উইলমোর ও সুনীতা উইলিয়ামস (Sunita Williams)। কিন্তু ৮ দিন এবার বেড়ে দাঁড়াল ৮ মাসে। ফেব্রুয়ারির আগে তাঁরা ফিরতে পারবেন না পৃথিবীতে। প্রসঙ্গত, গত জুন মাসেই মহাকাশে পাড়ি দেন দুই নভোচর। দীর্ঘ প্রায় দুই মাস ধরে মহাকাশেই আটকে রয়েছেন নাসার (NASA) বুচ উইলমোর ও সুনীতা উইলিয়ামস। গতকাল শনিবারই নাসার তরফে আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হয়েছে যে দুই মহাকাশচারীকে বাদ দিয়েই পৃথিবীতে ফিরে আসবে স্টারলাইনার স্পেসক্রাফ্ট। আগামী বছর ফেব্রুয়ারিতে পৃথিবীতে ফিরবেন দুই মহাকাশচারী সুনীতা উইলিয়ামস (Sunita Williams) ও বুচ উইলমোর। ইলন মাস্কের সংস্থা স্পেস এক্সের ড্রাগন ক্যাপসুলে করে তাঁদের ফিরিয়ে আনা হবে বলে জানিয়েছে নাসা।

    বিপত্তির কারণ

    প্রসঙ্গত, চলতি বছরের জুন মাসেই আন্তর্জাতিক স্পেস স্টেশনে যান সুনীতা উইলিয়ামস (Sunita Williams) ও বুচ উইলমোর। কিন্তু সেখানে গিয়েই ফেঁসে যান তাঁরা। নাসা জানিয়েছে, বোয়িং সংস্থার যে মহাকাশযান স্টারলাইনার পাঠানো হয়েছে, তার প্রপালশনে কিছু সমস্যা দেখা দিয়েছে, এই কারণেই তাঁদের ফিরিয়ে আনতে সমস্যা হচ্ছে। জানা গিয়েছে, মহাকাশ যাত্রার সময়ই ২৮টি থাস্টারের মধ্যে ৫টি ফেল করে এবং হিলিয়াম গ্যাস লিক করতে থাকে। এই অবস্থায় দুই মহাকাশচারীকে নিয়ে ফেরা অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। সেই কারণেই পৃথিবীতে ফাঁকা মহাকাশযানই ফিরিয়ে আনা হবে।

    এখন কী করবেন মহাকাশচারীরা (Sunita Williams)?

    নাসার (NASA) তরফে জানানো হয়েছে, যে বৈজ্ঞানিক গবেষণার কাজে পাঠানো হয়েছিল সুনীতা উইলিয়ামস ও বুচ উইলমোরকে, আপাতত সেই কাজই করবেন তাঁরা। গবেষণার পাশাপাশি রক্ষণাবেক্ষণ ও সিস্টেম টেস্টিং-ও করবেন। বিশ্বের অন্যতম বড় বাণিজ্যিক বিমান প্রস্তুতকারক সংস্থা হল বোয়িং। বিগত কয়েক বছরে একাধিকবার এই সংস্থার তৈরি বিমানের মান নিয়ে প্রশ্নের মুখে পড়েছে। সেই জায়গায় দাঁড়িয়ে সংস্থার আশা-ভরসা ছিল এই স্টারলাইনার প্রোগ্রাম নিয়ে, তবে তাও ব্যর্থ হল।

    কী জানালেন নাসার আধিকারিক?

    নাসার অন্যতম আধিকারিক বিল নেলসন বলেন, ‘‘সংশ্লিষ্ট মহাকাশযানটি ঝুঁকিপূর্ণ, তাই বুচ এবং সুনীতাকে রেখে চালক ছাড়াই পৃথিবীতে ফিরিয়ে আনা হবে বোয়িং এর স্টারলাইনারকে।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • RG Kar: সন্দীপ ঘোষের বাড়ি সহ একযোগে ১৫ জায়গায় হানা, তেড়েফুঁড়ে নামল সিবিআই

    RG Kar: সন্দীপ ঘোষের বাড়ি সহ একযোগে ১৫ জায়গায় হানা, তেড়েফুঁড়ে নামল সিবিআই

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি কর (RG Kar) কাণ্ডে তেড়েফুঁড়ে নামল সিবিআই। রবিবার সাত সকালে প্রাক্তন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষের বেলেঘাটার বাড়ি সহ আরও ১৫ জায়গায় হানা দিল কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা। উল্লেখযোগ্যভাবে কেষ্টপুর, হাওড়া, এন্টালিতে সিবিআইয়ের একটি করে দল গিয়েছে। কেষ্টপুরে রয়েছে আরজি করের ফরেন্সিক মেডিসিন বিভাগের কর্তা দেবাশিস সোমের বাড়ি, সেখানে হানা দিয়েছে সিবিআই। এর পাশাপাশি এন্টালিতে রয়েছে হাসপাতালের প্রাক্তন সুপার সঞ্জয় বশিষ্ঠের বাড়ি, সেখানেও গিয়েছে কেন্দ্রীয় সংস্থা। অন্যদিকে হাওড়াতে বিপ্লব সিংহ নামের এক ব্যক্তির বাড়িতে হাজির হয়েছে সিবিআই। জানা গিয়েছে, ওই ব্যক্তি হাসপাতালে চিকিৎসা সামগ্রী সরবরাহকারী হিসেবে কাজ করেন। আরজি করের আর্থিক দুর্নীতির তদন্তে (RG Kar) প্রত্যেককেই বাড়িতে গিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেছেন সিবিআই আধিকারিকেরা। জানা গিয়েছে, বেলগাছিয়ার জে কে ঘোষ রোডে এক ক্যাফে মালিকের বাড়িতেও পৌঁছেছে সিবিআই। এছাড়া, সিবিআইয়ের (CBI) একটি দল রবিবার সকালে পৌঁছেছে আরজি কর হাসপাতালে।

    শনিবারই সন্দীপের বিরুদ্ধে (RG Kar) প্রথম এফআইআর করে সিবিআই 

    আরজি কর হাসপাতালে (RG Kar) আর্থিক দুর্নীতির একাধিক অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ, প্রাক্তন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষের তত্ত্বাবধানে চলেছে একের পর এক অনিয়ম ও দুর্নীতি। কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশ মতো তার তদন্ত করছে সিবিআই। শনিবারই আরজি করের মামলায় সন্দীপ ঘোষের বিরুদ্ধে প্রথম এফআইআর করেছে কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা। জানা গিয়েছে, কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার দুর্নীতি দমন শাখা ওই এফআইআর দায়ের করেছে। তার পর রবিবার সকাল থেকেই সিবিআই (CBI) পদক্ষেপ করতে শুরু করল।

    বাড়ির বাইরে অপেক্ষায় সিবিআই, ৭৫ মিনিট পরে দরজা খোলেন সন্দীপ

    রবিবার সকালে সন্দীপ ঘোষের বেলেঘাটার বাড়িতে সিবিআইয়ের সাত আধিকারিকের একটি দল পৌঁছায়। ঘড়ির কাঁটায় তখন সকাল পৌনে ৭টা। সন্দীপের চার তলা বাড়ির দরজা ভিতর থেকে বন্ধ ছিল। দরজার বাইরে দাঁড়িয়ে ডাকাডাকি করতে থাকেন সিবিআই আধিকারিকরা। তবে কোনও সাড়াশব্দ পাওয়া যায়নি। বাজানো হয় কলিং বেলও। তবে তাতেও দরজা খোলেননি সন্দীপ। এরই মধ্যে বাড়ির বাইরে স্থানীয়দের ভিড় জমতে শুরু করে। প্রায় এক ঘণ্টা অপেক্ষা করার পর সিবিআই সন্দীপের সঙ্গে ফোনে যোগাযোগ করার চেষ্টা করে। তবে ফোন তোলেননি সন্দীপ। অবশেষে দীর্ঘ ৭৫ মিনিট পর দরজা খোলেন সন্দীপ।

     

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Central Government: মোদির মাস্টারস্ট্রোক, ইউনিফায়েড স্কিমের ঘোষণা, পেনশন হবে বেতনের ৫০ শতাংশ

    Central Government: মোদির মাস্টারস্ট্রোক, ইউনিফায়েড স্কিমের ঘোষণা, পেনশন হবে বেতনের ৫০ শতাংশ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শনিবারই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে মন্ত্রিসভার (Central Government) বৈঠকে নতুন পেনশন প্রকল্পের অনুমোদন মিলেছে। নয়া ইউনিফাইয়েড পেনশন স্কিম (ইউপিএস) চালু হবে আগামী ২০২৫ সালের ১ এপ্রিল থেকে (Unified Pension Scheme)। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব এ বিষয়ে সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন, নতুন এই প্রকল্প চালু হলে প্রায় ২৩ লাখ কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মচারী উপকৃত হবেন। প্রসঙ্গত, দেশ জুড়ে কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মচারীদের জন্য ন্যাশনাল পেনশন স্কিম (এনপিএস) চালু রয়েছে, এর পাশাপাশি নয়া পেনশন স্কিম চালু হচ্ছে আগামী অর্থবছর থেকেই। নয়া পেনশন প্রকল্পের দাবি উঠছিল অনেক দিন ধরেই। শনিবার সেই দাবিতেই সিলমোহর দিল মোদি মন্ত্রিসভা। তবে পেনশভোগীদের জন্য এনপিএস স্কিম উঠে যাচ্ছে না। অবসরের পরে কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মচারীরা (Central Government) এনপিএস বা ইউপিএস-যে কোনও একটি প্রকল্প বেছে নিতে পারবেন।

    নয়া পেনশন স্কিমে কী কী সুবিধা, জেনে নিন (Central Government)

    ১) নয়া পেনশন স্কিমের মাধ্যমে কোনও কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মচারী (Central Government) অবসরের আগের ১২ মাসে যে বেসিক-পে পেতেন, তার ৫০ শতাংশ পেনশন হিসেবে পাবেন।  তবে ওই কর্মীকে কমপক্ষে ২৫ বছর কাজ করতে হবে। তবেই এই প্রকল্পের আওতায় সুবিধা পাবেন কর্মচারীরা।

    ২) নয়া নিয়মে যদি কোনও পেনভোগীর মৃত্যু হয়, তখন সেই কর্মী মৃত্যুকালীন সময়ে যে পেনশন পেতেন, তার ৬০ শতাংশ পাবেন মৃতের পরিবারের সদস্য।

    ৩) নয়া পেনশন স্কিম অনুযায়ী যদি কোনও কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মচারী ১০ বছর চাকরি করে ছেড়ে দেন, তবে তিনি প্রতি মাসে ১০ হাজার টাকা করে পেনশন পাবেন।

    ৪) নয়া পেনশন স্কিমের অধীনে অবসরপ্রাপ্ত কেন্দ্রীয় সরকারের কর্মীরা মুদ্রাস্ফীতি সূচকের সুবিধা পাবেন অর্থাৎ এর মানে হল মুদ্রাস্ফীতি অনুযায়ী ডিয়ারনেস রিলিফের টাকা দেওয়া হবে, যা অল ইন্ডিয়া কনজিউমার প্রাইস ইনডেক্স ফর ইন্ডাস্ট্রিয়াল ওয়ার্কার্স-এর উপর ভিত্তি করে হবে।

    ৫) গ্রাচুইটি ছাড়াও অবসর গ্রহণের সময় একক পরিমাণ অর্থ প্রদান করা হবে। কর্মচারীদের প্রতি ছয় মাসের চাকরির জন্য মূল বেতন এবং মহার্ঘ্যভাতার একের দশ অংশ হিসেবে গণনা করা হবে।

    কী বললেন প্রধানমন্ত্রী?

    তাঁর সরকারের এই নয়া পেনশন স্কিম নিয়ে আশাবাদী প্রধানমন্ত্রীও। নয়া এই পেনশন নীতি কেন্দ্রীয় সরকারী কর্মচারীদের (Central Government) মর্যাদাকে বৃদ্ধি করবে এবং আর্থিক নিরাপত্তা দেবে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তিনি বলেন, ‘‘আমরা গর্বিত যে সরকারি কর্মচারীদের কঠিন পরিশ্রমের মাধ্যমে দেশ এগিয়ে চলেছে, নয়া ইউনিফাইয়েড পেনশন স্কিম (Unified Pension Scheme) প্রত্যেক কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মচারীকে মর্যাদা এবং আর্থিক সুরক্ষা প্রদান করবে।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Terrorist Module: আল কায়েদার স্লিপার সেল ঝাড়খণ্ডে, ধৃত ১৪

    Terrorist Module: আল কায়েদার স্লিপার সেল ঝাড়খণ্ডে, ধৃত ১৪

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কুখ্যাত জঙ্গি গোষ্ঠী আল কায়েদার স্লিপার সেল গ্রেফতার। ঝাড়খণ্ড (Jharkhand) পুলিশের অ্যান্টি টেররিস্ট স্কোয়াড (ATS) সূত্রে খবর, সে রাজ্যের লোহারদাগা-সহ ১৪টি এলাকায় তল্লাশি অভিযান চালানো হয়। তখন ধরা পড়ে আল কায়েদা ইন্ডিয়ান সাব-কন্টিনেন্টের স্লিপার সেল (Terrorist Module)।

    আল কায়েদার একটি বড় নেটওয়ার্ক (Terrorist Module)

    ঝাড়খণ্ডে আল কায়েদার একটি বড় নেটওয়ার্ক তৈরি হচ্ছে বলে সূত্র মারফত খবর পায় সে রাজ্যের পুলিশ। একই খবর পান গোয়েন্দারাও। জঙ্গিদের গ্রেফতারে বুধবার গভীর রাতে বৈঠকে বসেন পদস্থ আধিকারিকরা। পরে রাজ্যের ১৪টি জায়গায় একযোগে তল্লাশি চালায় ঝাড়খণ্ড পুলিশের অ্যান্টি টেররিস্ট স্কোয়াড। গ্রেফতার করা হয় আল কায়েদার স্লিপাল সেল এবং আরও ১২জনকে। লোহারদাগার কুডু থানা এলাকায় তল্লাশি চালিয়ে এটিএস গ্রেফতার করে আরও একজনকে। সব মিলিয়ে গ্রেফতার করা হয় ১৪ জনকে।

    কে এই ইশতিয়াক?

    জানা গিয়েছে, আল কায়েদা ইন্ডিয়ান সাব-কন্টিনেন্টের এই মডিউল অপারেট করতেন রাঁচির বাসিন্দা ইশতিয়াক। রাজস্থান থেকে উত্তরপ্রদেশ। এই পুরো এলাকাটা ইশতিয়াকের অধীনে (Terrorist Module)। রাজস্থান থেকে উত্তরপ্রদেশের বিস্তীর্ণ এলাকায় সে বিস্তার করেছে এই মডিউল। রাঁচির প্রেস্টিজিয়াস মেডিক্যাল কলেজ-হাসপতালে চাকরি করতেন। ২২ অগাস্ট গ্রেফতার করা হয় ইশতিয়াককে। তার পরেই হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ বরখাস্ত করেন তাঁকে।

    জানা গিয়েছে, অভিযানের সময় বিশেষ সেল রাজস্থান, ঝাড়খণ্ড ও অন্যান্য রাজ্য থেকে সব মিলিয়ে প্রথমে আটজনকে আটক করে। তাদের জেরা করেই জানা যায় ইশতিয়াকের নাম। এই মডিউলের চাঁই পেশায় চিকিৎসক ইশতিয়াকই। এটিএসের দাবি, তিনি খিলাফত ঘোষণা করেছিলেন। দেশের ভিতরে গুরুতর জঙ্গি কার্যকলাপ পরিচালনার পরিকল্পনাও তিনি করেছিলেন বলে অভিযোগ।

    আরও পড়ুন: কলকাতায় এল বিশেষ সিবিআই দল, সন্দীপ ঘোষ সহ ৬ জনের পলিগ্রাফ টেস্ট শুরু

    জমি কেলেঙ্কারিতে যুক্ত

    চিকিৎসক ইশতিয়াকের গুণপনার শেষ নেই। সন্দেহভাজন এই জঙ্গি রাঁচির জমি কেলেঙ্কারির সঙ্গে সরাসরি জড়িত বলে সন্দেহ তদন্তকারীদের। এই ঘটনায় বরইতু থানা এলাকার বাসিন্দা বাবলু খানকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তলব করা হয়েছিল ইডির দফতরে। এটিএসের হাতে গ্রেফতার হওয়া চিকিৎসক ইশতিয়াক বাবলুর হাসপাতালের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। এদের দুজনের পারিবারিক সম্পর্কও রয়েছে বলে দাবি গোয়েন্দাদের।

    ভারতকে ইসলামিক কান্ট্রি বানানোর চেষ্টা

    ইশতিয়াক পেশায় রেডিওলজিস্ট। পড়াশোনা করেছেন রাঁচিরই আরআইএমএসে, মেডিসিন নিয়ে। তিন বছর ধরে তিনি মেডিক্যাল হাসপাতালে পূর্ণ সময় চাকরি করেছেন। ইশতিয়াক হাজারিবাগে একটা ক্লিনিকও চালান। তিনি ভারতকে ইসলামিক কান্ট্রি বানানোর চেষ্টা করছিলেন। বৃহস্পতিবার লোহারদাগার কুদুর হেনজলা কাউখাপে হানা দিয়েছিল এটিএস। আলতাফ ওরফে ইলতাফের খোঁজেই হানা দিয়েছিল এটিএস। তার বাড়ি থেকে দুটি অস্ত্র ও বেশ কিছু আপত্তিকর নথি বাজেয়াপ্ত করেছে সরকার। এর পাশাপাশি এটিএসের টিম রাঁচির ছানহো এলাকার কয়েকটি জায়গায় তল্লাশি চালায়। এটিএস আটক করেছে বালসোকারার মহম্মদ মোদাব্বির, রিজওয়ান, চাটওয়ালের মুফতি রহমতুল্লাহ মাঝিরি এবং পিপরাতলির মতিউর রহমানকে।

    গ্রেফতার হল যারা 

    এটিএস দল একই সঙ্গে পাকরিও গ্রামের শাহবাজ আনসারির বাড়িতেও তল্লাশি চালায়। তল্লাশি চালানোর সময় আটক করা হয় মহম্মদ মোদাব্বির, মহম্মর রিজওয়ান, মুফতি এবং মতিউর রহমানকে। এলাকার একটি মাদ্রাসা থেকে গ্রেফতার করা হয় মুফতি রহমতউল্লাকে। পাকরিও এলাকায় যখন তল্লাশি চালানো হয়, তখন বাড়িতে ছিলেন না এনামূল আনসারি ও শাহবাজ। পরিবারের সদস্যরা জানান, শেহবাজের ছেলে জেয়েরাত আনসারি পরীক্ষা দিতে দিল্লিতে গিয়েছে। আর শাহবাজ এবং এনামূল আনসারি গিয়েছে তবলিঘি জামাতে।

    কী বলছে পুলিশ

    দিল্লি পুলিশের তরফে জারি করা বিবৃতিতে বলা হয়েছে, বর্তমানে ওই জঙ্গি (Terrorist Module) গোষ্ঠীর নেতৃত্ব দেওয়া হচ্ছিল ঝাড়খণ্ড থেকে। ভারতে একাধিক জঙ্গি কার্যকলাপের পরিকল্পনা ছিল ওই গোষ্ঠীর। পুলিশের দাবি, রাঁচির ইশতিয়াকের হাতে নিয়ন্ত্রিত এই জঙ্গি গোষ্ঠীর সদস্যরা প্রত্যেকেই প্রশিক্ষিত। একাধিক জায়গায় তাদের অস্ত্র প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে বলে পুলিশ সূত্রে খবর। তদন্তকারীরা জেনেছেন, জঙ্গি সন্দেহে ধৃতেরা প্রত্যেকেই ঝাড়খণ্ডের বাসিন্দা। এদের কেউ গাড়ির নম্বর প্লেট বসানোর কাজ করত, কেউ আবার গাড়ি মেরামতির কাজ করত। আর ইশতিয়াকের আদত বাড়ি জামশেদপুরে। তিনি রেডিওলজিস্ট। মতিউর রহমান কাপড়ের দোকান চালাত। সে প্রায়ই তাহরিরের জন্য যেত। এই সময় আলতাফের সংস্পর্শে আসে লোহারদাগার অটোচালক। 

    ধৃতদের কাছ থেকে একটি একে ৪৭ রাইফেল, একটি .৩৮ বোরের রিভলভার, একটি লোহার এলবো পাইপ, একটি গ্রেনেড এবং বেশ কিছু কার্তুজ বাজেয়াপ্ত হয়েছে (Terrorist Module)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Ramakrishna 112: “শ্রীরামকৃষ্ণ সংসারী বদ্ধজীবের কথা বলিতেছেন, তারা যেন গুটিপোকা…”

    Ramakrishna 112: “শ্রীরামকৃষ্ণ সংসারী বদ্ধজীবের কথা বলিতেছেন, তারা যেন গুটিপোকা…”

    সার্কাস রঙ্গালয়ে—গৃহস্থের ও অন্যান্য কর্মীদের কঠিন সমস্যা ও শ্রীরামকৃষ্ণ

    প্রথম পরিচ্ছেদ

    সংসারী বদ্ধজীব

    জাতিভেদ সমন্ধে কথা পড়িল। ঠাকুর (Ramakrishna) বলিলেন (Kathamrita), এক উপায়ে জাতিভেদ উঠে যেতে পারে। সে উপায়—ভক্তি। ভক্তের জাতি নাই। ভক্তি হলেই দেহ, মন, আত্মা—সব শুদ্ধ হয়। গৌর, নিতাই হরিনাম দিতে লাগলেন, আর আচণ্ডালে কোল দিলেন। ভক্তি থাকতে চণ্ডাল, চণ্ডাল নয়। অস্পৃশ্য জাতি ভক্তি থাকলে শুদ্ধ, পবিত্র হয়। অনেকগুলি ভক্ত সমবেত হইয়াছেন, তাঁহাদের সহিত ঈশ্বরীয় অনেক কথা হইতেছে। মুখে অন্য কথা কিছুই নাই, কেবল ঈশ্বরীয় কথা।

    শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna) সংসারী বদ্ধজীবের কথা বলিতেছেন (Kathamrita)। তারা যেন গুটিপোকা, মনে করলে কেটে বেরিয়ে আসতে পারে; কিন্তু অনেক যত্ন করে গুটি তৈয়ার করেছে, ছেড়ে আসতে পারে না; তাতেই মৃত্যু হয়। আবার যেন ঘুনির মধ্যে মাছ; যে-পথে ঢুকেছে, সেই পথ দিয়ে বেরিয়ে আসতে পারে, কিন্তু জলের মিষ্ট শব্দ আর অন্য অন্য মাছের সঙ্গে ক্রীড়া, তাই ভুলে থাকে, বেরিয়ে আসবার চেষ্টা করে না। ছেলেমেয়ের আধ-আধ কথাবার্তা যেন জলকল্লোলের মধুর শব্দ। মাছ অর্থাৎ জীব, পরিবারবর্গ। তবে দু-একটা দৌড়ে পালায়, তাদের বলে মুক্তজীব।

    ঠাকুর (Ramakrishna) গান গাহিতেছেন

    এমনি মহামায়ার মায়া রেখচ কি কুহক করে।

    ব্রহ্মা বিষ্ণু অচৈতন্য জীবে কি জানিতে পারে।

    বিল করে ঘুনি পাতে মীন প্রবেশ করে তাতে।

    গতায়াতের পথ আছে তবু মীন পালাতে নারে।।

     

    আরও পড়ুনঃ “গৌর, নিতাই হরিনাম দিতে লাগলেন, আর আচণ্ডালে কোল দিলেন”

    আরও পড়ুনঃ “বিবেক, বৈরাগ্যরূপ হলুদ মাখলে তারা আর তোমাকে ছোঁবে না”

    আরও পড়ুনঃ “ধ্যান করবার সময় তাঁতে মগ্ন হতে হয়, উপর উপর ভাসলে কি জলের নিচে রত্ন পাওয়া যায়?”

    আরও পড়ুনঃ “পশ্চিমে বিবাহের সময় বরের হাতে ছুরি থাকে, বাংলাদেশে জাঁতি থাকে”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: “দ্রুততার সঙ্গে দেহ পুড়িয়ে ফেলা হয়, তত্ত্বাবধানে ছিলেন তৃণমূল বিধায়ক”, বিস্ফোরক শুভেন্দু

    Suvendu Adhikari: “দ্রুততার সঙ্গে দেহ পুড়িয়ে ফেলা হয়, তত্ত্বাবধানে ছিলেন তৃণমূল বিধায়ক”, বিস্ফোরক শুভেন্দু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “অতি দ্রুততার সঙ্গে দেহ পুড়িয়ে ফেলা হয়। সম্পূর্ণ তত্ত্ববাধানে ছিলেন তৃণমূল বিধায়ক।” ঠিক এই অভিযোগ করে আরজি কর হত্যাকাণ্ডের ধামাচাপা দেওয়ার প্রসঙ্গে বিস্ফোরক অভিযোগ করলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। ধর্ষণ করে হত্যার ঘটনায় গোটা দেশ এখন ক্ষোভে ফুঁসছে। পুলিশের কাছ থেকে তদন্তভার গিয়েছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার কাছে। মৃতার বাবা-মাও পুলিশের বিরুদ্ধেও অভিযোগ তুলেছেন। তৃণমূলের বিরুদ্ধে বিরোধী রাজনৈতিক দল থেকে শুরু করে ছাত্রসমাজ, বিভিন্ন সামাজিক সংগঠন মাঠে ময়দানে, রাস্তায় নেমে ন্যায় বিচারের জন্য আন্দোলন করছেন।

    ঠিক কী বলেলন শুভেন্দু (Suvendu Adhikari)?

    নন্দীগ্রামের বিধায়ক তথা রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) সামজিক মাধ্যমে মমতার বিরুদ্ধে বিস্ফোরক মন্তব্য করেছেন। তিনি বলেন, “শ্মশানে গোটা অপারেশন হয়েছে পুলিশের নির্দেশনায়। অতি দ্রুততার সঙ্গে দেহ পুড়িয়ে ফেলা হয়েছে। মমতার নির্দেশে ঘটনাস্থলে ছিলেন পানিহাটির তৃণমূল বিধায়ক নির্মল ঘোষ। মহিলা চিকিৎসকের দেহ দাহ করা হয় ব্যরাকপুর কমিশনারেট এলাকায় অথচ আশ্চর্য জনক ভাবে দেখা যায় বিষয়টির পরিচালনা করেন ডিসি নর্থ অভিষেক গুপ্ত। তাঁর সঙ্গে ছিলেন কলকাতা পুলিশের দুই আইসি। সম্পূর্ণ ঘটনায় নজর রেখেছিলেন রাজ্য পুলিশের ডিজি। এই ঘটনার সঙ্গে যুক্ত প্রত্যেকের ভূমিকা খতিয়ে দেখা হোক। আর তাহলেই ধামাচাপা দেওয়ার বিষয় প্রকাশ্যে সামনে আসবে।” ঠিক এই ভাবেই তৃণমূল সরকার এবং পুলিশকে নিশানা করে সিবিআইকে দ্রুত তদন্তের জন্য আবেদন করেছেন তিনি।

    পুলিশ একটা চাপ তৈরি করেছিল!

    একইভাবে তড়িঘড়ি দাহ করা নিয়ে মুখ খুলেছেন নির্যাতিতা মহিলার বাবা-মা। মৃত ডাক্তারের বাবা-মা বলেন, মেয়ের সৎকারের সময় পুলিশ একটা চাপ তৈরি করেছিল। রাস্তায় জ্যাম ছিল, ধীরে ধীরে গাড়ি চলছিল। কিন্তু পুলিশ গাড়ির চালককে তাড়া দিচ্ছিলেন। প্রায় ৫০ কিমি বেগে শববাহী গাড়ি নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছিল পুলিশ। বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার বলেছেন, “কীভাবে শ্মাশানঘাটে আগে থেকে লাইন দেওয়া দুটি মৃতদেহ পেরিয়ে দাহ করে দেওয়া হল নির্যাতিতার দেহ, কেন এতো তাড়াহুড়ো?” উল্লেখ্য একইভাবে শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) ঘোলা থানা পর্যন্ত বিশাল পদযাত্রা করে প্রতিবাদ করেন। তাঁর সঙ্গে ছিলেন অর্জুন সিং, কৌস্তভ বাগচি। এই পদযাত্রা থেকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পদত্যাগের দাবি আরও জারালো করেন। এরপর ধর্নামঞ্চে যান তিনি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Cocktail drugs banned: ১৫৬টি ককটেল ওষুধ নিষিদ্ধ করল কেন্দ্র, জানেন তালিকায় কী কী?  

    Cocktail drugs banned: ১৫৬টি ককটেল ওষুধ নিষিদ্ধ করল কেন্দ্র, জানেন তালিকায় কী কী?  

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জ্বর, সর্দি-কাশি, মাথা ব্যথা, পায়ে যন্ত্রণা, অ্যালার্জির জন্য ডাক্তারের পরামর্শ না নিয়েই ফটাফট ওষুধ খাচ্ছেন? ডেকে আনছেন বড় বিপদ! ফের আরও একবার বাজার চলতি বহু ওষুধ নিষিদ্ধ ঘোষণা করে দিল কেন্দ্র। গুণমান পরীক্ষায় ব্যর্থ হওয়ায় এবার ১৫৬টি ককটেল ওষুধ বাতিল (Cocktail drugs banned) করে দিল কেন্দ্র সরকার। গত ১২ অগাস্ট ১৫৬টি ওষুধ বাতিলের নির্দেশিকা জারি করেছে সরকার। বৃহস্পতিবার থেকেই ওষুধগুলি নিষিদ্ধ (Drugs banned by Centre) করা হয়েছে। কেন্দ্রের তরফে জানানো হয়েছে, এই ওষুধগুলি শরীরের জন্য বিপজ্জনকও হতে পারে। 

    ককটেল ওষুধ কী

    ষে ওষুধগুলিতে (Cocktail drugs banned) নির্দিষ্ট অনুপাতে দুই বা ততোধিক ফার্মাসিউটিক্যাল উপাদানের সংমিশ্রণ থাকে, সেগুলিকে এফডিসি ওষুধ বলে। চলতি ভাষায় এদের ‘ককটেল’ ওষুধও বলা যায়। সাধারণত ককটেল ওষুধ বলতে বোঝায়, একটি ওষুধের মধ্যে অনেকগুলি ওষুধের সংমিশ্রণ থাকা। কিন্তু সম্প্রতি বিশেষজ্ঞ কমিটি পরীক্ষা করে জানিয়েছে, যে ওষুধগুলি একাধিক ওষুধের সংমিশ্রণ দিয়ে তৈরি হয়, তা রোগীদের পক্ষে বিপজ্জনক। সেই রিপোর্ট আসার পর মোদি সরকার ওই ওষুধ নিষিদ্ধ করার সিদ্ধান্ত নেয়। প্রসঙ্গত, ২০২৩ সালের জুন মাসেও ৩৪৪টি ড্রাগ কম্বিনেশনের ১৪টি ককটেল ওষুধ নিষিদ্ধ করেছিল কেন্দ্র। যে ওষুধগুলি নিষিদ্ধ করা হয়েছিল তার মধ্যে ছিল হার্টের ওষুধ, ডায়াবেটিস, প্রেসার থেকে শুরু করে মাল্টিভিটামিনের নানা ওষুধ।

    আরও পড়ুন: ‘‘ভারতীয় সংস্কৃতির অঙ্গ’’, পুতিন ও জেলেনস্কিকে মোদির আলিঙ্গন নিয়ে কৌশলী জয়শঙ্কর

    কোন কোন ওষুধ বাতিল

    এই ১৫৬টি ওষুধের (Cocktail drugs banned) তালিকায় রয়েছে অ্যাসিক্লোফেন্যাক ৫০ এমজি + প্যারাসিটামল ১২৫ এমজি, মেফেনামিক অ্যাসিড + প্যারাসিটামল ইনজেকশন, সেটিরিজাইন এইচসিএল + প্যারাসিটামল + ফেনিলেফ্রিন, এইচসিএল লিভোসেট্রিজাইন + ফেনিলেফ্রিন এইচসিএল + প্যারাসিটামল, প্যারাসিটামল + ক্লোরফেনির্মাইন মালেট + ফেনিল প্রোপানোলামিন এবং ক্যামিলোফিন ডাইহাইড্রোক্লোরাইড ২৫ এমজি + প্যারাসিটামল ৩০০ এমজি। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, যেখানে উল্লেখিত ওষুধগুলি নিরাপদ বিকল্প পাওয়া যায়, সেখানে এই ফিক্সড ডোজ সংমিশ্রনের ওষুধের ব্যবহার মানুষের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে। এফডিসি অর্থাৎ ককটেল ওষুধ মানুষের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ, তাই বৃহত্তর জনস্বার্থে ড্রাগস এন্ড কসমেটিক অ্যাক্ট-এ ওষুধগুলি (Drugs banned by Centre) বাতিল করা হল। অভিযোগ, উপযুক্ত বৈজ্ঞানিক তথ্য ছাড়াই অনেক ওষুধ কোম্পানি এই ওষুধ তৈরি করছে। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

     

     

  • Rhumi-1: ভারতের প্রথম পুনর্ব্যবহারযোগ্য রকেট ‘রুমি-১’ পাড়ি দিল মহাকাশে

    Rhumi-1: ভারতের প্রথম পুনর্ব্যবহারযোগ্য রকেট ‘রুমি-১’ পাড়ি দিল মহাকাশে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতের মহাকাশ গবেষণার সাফল্যের মুকুটে ফের যোগ হল একটি পালক। শনিবার সকালে চেন্নাইয়ের ইস্ট রোড উপকূল থেকে মহাকাশে পাড়ি দিল ভারতের প্রথম হাইব্রিড রিউজেবল বা পুনর্ব্যবহারযোগ্য রকেট (Reusable Hybrid Rocket)। মোবাইল লঞ্চারের মাধ্যমে মহাকাশে উৎক্ষেপণ করা এই রকেটের পোশাকি নাম ‘রুমি-১’ (Rhumi-1)। জানা গিয়েছে, এই রকেটের মাধ্যমেই মহাকাশে পাঠানো হয়েছে ৩টি কিউব স্যাটেলাইট, ৫০টি পিকো স্যাটেলাইট। এই মহাকাশ অভিযানের নাম দেওয়া হয়েছে ‘মিশন রুমি ১’। ক্ষুদ্র উপগ্রহগুলিকে একটি সাবঅরবিটাল ট্র্যাজেক্টরিতে প্রতিস্থাপন করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। এই স্যাটেলাইটগুলি বিশ্ব উষ্ণায়ন এবং জলবায়ু পরিবর্তনের গবেষণার উদ্দেশ্যে ডেটা সংগ্রহ করবে।

    স্পেস জোন ইন্ডিয়া এই রুমি-১ (Rhumi-1) নামক হাইব্রিড রকেটটিকে মহাকাশে পাঠিয়েছে

    জানা গিয়েছে, তামিলনাড়ুর স্টার্ট-আপ কোম্পানি স্পেস জোন ইন্ডিয়া এই রুমি-১ (Rhumi-1) নামক হাইব্রিড রকেটটিকে মহাকাশে পাঠিয়েছে। এই মহাকাশ অভিযানের উদ্যোক্তা হলেন স্পেস জোন ইন্ডিয়ার প্রতিষ্ঠাতা আনন্দ মেগালিঙ্গমের। অভিযানে তাঁকে দিশা দেখিয়েছেন ইসরোর প্রাক্তন অধিকর্তা মিলস্বামী আন্নাদুরা। প্রসঙ্গত, স্পেস জোন ইন্ডিয়া হল একটি অ্যারো-টেকনোলজি কোম্পানি যা চেন্নাইতে অবস্থিত এবং এর লক্ষ্য হল স্বল্পমূল্যের এবং পুনর্ব্যবহারযোগ্য সামগ্রী দিয়ে রকেট তৈরি করা। এর পাশাপাশি, এই সংস্থা প্রশিক্ষণও দেয় অ্যারো ডাইনামিক নীতি, স্যাটেলাইট টেকনোলজি, ড্রোন টেকনোলজি, রকেট টেকনোলজি (Reusable Hybrid Rocket) প্রভৃতি বিষয়ে। এর পাশাপাশি এই সমস্ত বিষয়গুলিতে কেরিয়ার তৈরি করলে কী কী সুফল মিলবে তাও বলে এই সংস্থা। বিভিন্ন বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, ইঞ্জিনিয়ারিং, আর্ট এবং সায়েন্স কলেজ, বেসরকারি এবং সরকারি স্কুলকে যুক্ত করে কাজ করে থাকে স্পেস জোন ইন্ডিয়া (SZI)।

    আরও পড়ুন: ঔপনিবেশিকতার চিহ্ন! ডাক্তারদের সমাবর্তনে কালো পোশাক বাতিল কেন্দ্রের

    ভারতের প্রথম পুনর্ব্যবহারযোগ্য রকেট রুমি-১-এর খুঁটিনাটি (Rhumi-1)

    জানা গিয়েছে, রকেটের এয়ারফ্রেমে কার্বন ফাইবার, কাচের ফাইবার ব্যবহার করা হয়েছে। এছাড়া, রকেটে পাইরো টেকনিক পদ্ধতির সাহায্যে প্যারাশ্যুট ডেপ্লয়মেন্ট সিস্টেমও রয়েছে। হাইব্রিড প্রপালশন সিস্টেমও রয়েছে (Reusable Hybrid Rocket)। জ্বালানি হিসাবে নাইট্রাস অক্সাইড আর ওয়াক্স ফুয়েল সলিড ফুয়েল ব্যবহার করা হয়েছে। ট্রাইনাইট্রোটোলুইন (TNT) এই রকেটের ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয়নি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Janmashtami 2024: শ্রীকৃষ্ণের জন্মাষ্টমীতে ‘দহি হান্ডি’ উৎসবের আধ্যাত্মিক ও সামাজিক তাৎপর্য কী জানেন

    Janmashtami 2024: শ্রীকৃষ্ণের জন্মাষ্টমীতে ‘দহি হান্ডি’ উৎসবের আধ্যাত্মিক ও সামাজিক তাৎপর্য কী জানেন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হিন্দু ক্যালেন্ডার অনুসারে ভাদ্র মাসে কৃষ্ণপক্ষের অষ্টমীতে পালিত হয় ভগবান শ্রীকৃষ্ণের জন্মাষ্টমী (Janmashtami 2024)। সারা ভারত জুড়ে উত্সাহের সঙ্গে পালিত হয় এই উৎসব। কৃষ্ণ হলেন ভগবান বিষ্ণুর অষ্টম অবতার। এই বছর জন্মাষ্টমী পালিত হবে সোমবার, ২৬ অগাস্ট। দহি হান্ডি উতসব পালিত হবে মঙ্গলবার, ২৭ অগাস্ট। জন্মাষ্টমীর সঙ্গে যুক্ত অনেক রীতিনীতির মধ্যে একটি হল দহি হান্ডি (Dahi Hand) উৎসব। গুজরাট, মহারাষ্ট্র সহ একাধিক রাজ্যে পালিত হয় এই উৎসব। আসুন জেনে নিই এই উৎসবের তাৎপর্য।

    কৃষ্ণের তরুণ বয়সের প্রতীক (Janmashtami 2024)

    জন্মাষ্টমীর (Janmashtami 2024) দহি হান্ডি (Dahi Hand) উৎসব হল কৃষ্ণের তরুণ বয়সের প্রতীক। হাঁড়িতে দই রেখে সেই হাঁড়ি ভাঙা। সংক্ষেপে এমন উৎসবের নামই হল দহি-হান্ডি উৎসব। এই উপলক্ষে একরকম প্রতিযোগিতাও চলে। যারা অংশ গ্রহণ করে, তারা মজার ছলে কৌতুকপূর্ণ এবং দুষ্টু প্রকৃতির ভাবনাগুলিকে ফুটিয়ে তোলে। হিন্দু পৌরাণিক কাহিনী অনুসারে, কৃষ্ণ মাখন বেশ পছন্দ করতেন, প্রায়শই কৃষ্ণ গোকুলের গ্রামবাসীদের বাড়ি থেকে মাখন চুরি করতেন। মাখনের প্রতি ভালবাসা এতটাই তীব্র যে, বন্ধুদের সঙ্গে মিলে মানুষের পিরামিড তৈরি করতেন। একটি মাটির পাত্রে অর্থৎ হান্ডিতে মাখন এবং দই রেখে উঁচু থেকে ঝুলিয়ে রাখা হতো। এরপর মানুষের পিরামিড বেয়ে উঠে হান্ডি ভাঙা হয়। এই খেলা বেশ জনপ্রিয় ছিল। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে যুগের পরিবর্তনে, মাখন চুরির কৌতুকপূর্ণ খেলাটি মহারাষ্ট্র, গুজরাট এবং ভারতের অন্যান্য অংশে অত্যন্ত উত্সাহের সঙ্গে পালিত হয়। এই উৎসবে হাজার হাজার কৃষ্ণভক্ত যোগদান করে থাকেন।

    দহি হান্ডির তাৎপর্য

    দহি হান্ডি (Janmashtami 2024) উদযাপনের গভীর প্রতীকী অর্থ রয়েছে। হান্ডি ভাঙার অর্থ হল মন্দের উপর ভালোর জয়কে চিহ্নিত করা। সামাজিক রীতিনীতির অনমনীয়তার উপর কৃষ্ণের ঐশ্বরিক বিজয়কে কৌতুকের সঙ্গে প্রতিধ্বনিত করা। এই উত্সবে মানুষের দলগত কাজ, ঐক্য এবং সাহসের মূল্যবোধের উপরও জোর দেওয়া হয়। কারণ যুবকদের দল, কৃষ্ণের নাম গোবিন্দ নামে পরিচিত হয়। মাটির পাত্র ভাঙার জন্য মানব পিরামিডের নির্মাণ করা হয়।

    দল এবং একতা

    শ্রীকৃষ্ণের জন্মাষ্টমীতে (Janmashtami 2024) দহি হান্ডির ঐতিহ্যের মধ্যে সহযোগিতা এবং সম্মিলিত প্রচেষ্টার গুরুত্বকে বিশেষ ভাবে প্রদর্শন করা হয়। গোবিন্দরা অর্থাৎ স্থানীয় যারা যোগদান করে, তারা একত্রে কাজ করে একটি সাধারণ লক্ষ্য অর্জনের প্রচেষ্টা করে থাকে। এই সবটাই একতার মধ্যে থাকা শক্তির প্রতীক। সাহস ও অধ্যবসায় ছাড়া উঁচুতে রাখা মাটির পাত্র ভাঙা সহজ কাজ নয়। পিরামিডগুলি বেশ লম্বা হতে পারে এবং কাজটির জন্য প্রচুর শারীরিক শক্তি, ভারসাম্য এবং সংকল্পের প্রয়োজন হয়। ফলে সাহস এবং অধ্যবসার মাধ্যমে কীভাবে প্রতিবন্ধকতাকে কাটিয়ে শক্তি সঞ্চয় করা যায়, সেটাই প্রমাণ করা হয় এই খেলায়। কৃষ্ণ (Janmashtami 2024) স্বয়ং সমস্যা থেকে জয় পেতে শক্তির প্রতীক ছিলেন।

    আধ্যাত্মিক তাৎপর্য

    এই উৎসবের (Janmashtami 2024) গভীরে রয়েছে আধ্যাত্মিক উচ্চতার রূপক। হান্ডি অহংকে প্রতিনিধিত্ব করে, যা ভাঙা কঠিন। তাই ভাঙার স্তরে পৌঁছানোর জন্য গোবিন্দকে আত্ম-উপলব্ধির মধ্যে দিয়ে মানব মনকে যাত্রা করাতে হয়। আবার মাটির পাত্রের মধ্যে থাকা দই ঐশ্বরিক আনন্দের মাধুর্যকে নির্দেশ করে, যা একজন ব্যক্তি অহং-কে ভেঙে দেয়। ফলে নিজের আত্মাকে উপলব্ধি করা এবং পরিচালনার জন্য মনকে অনুভব করা প্রয়োজন।

    আধুনিক সময়ে কৃষ্ণের জন্মাষ্টমী

    সমসাময়িক সময়ে, দহি হান্ডি (Janmashtami 2024) একটি উৎসবমুখর পরিবেশে একটি প্রতিযোগিতামূলক ক্রীড়ায় পরিণত হয়েছে। অনেক রাজ্যে দহি হান্ডি প্রতিযোগিতার আয়োজন হয়ে থাকে। যেখানে গোবিন্দদের দল সর্বোচ্চ পিরামিড গঠনের জন্য প্রতিযোগিতা করে এবং বিজয় সুনিশ্চিত করে পুরস্কার অর্জন করে থাকে। প্রতিযোগিতাটি সঙ্গীত, নৃত্য এবং “গোবিন্দ আলা রে” গানের সাথে একটি প্রাণবন্ত আনন্দময় পরিবেশ তৈরি করে থাকে। ভক্তরাও দারুণ উপভোগ করে থাকেন। জন্মাষ্টমীর ধর্মীয় উৎসব এখন একটি সামাজিক মাত্রাও অর্জন করেছে। আয়োজকদের দেওয়া পুরস্কারের অর্থ প্রায়ই জনকল্যাণ প্রকল্পের জন্য ব্যবহার করা হয়। শ্রীকৃষ্ণের জন্মাষ্টমী এবং দহি হান্ডি প্রথা শুধু ধর্মীয় উৎসব (Dahi Hand) নয়, তার থেকেও চেয়েও বেশি পরিমাণে সামজিক উৎসবে পরিণত হয়েছে। মানুষের জীবন, আনন্দ এবং আধ্যাত্মিক জ্ঞানের প্রবহমান ধারাকে নিশ্চিত করে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share