Tag: news in bengali

news in bengali

  • Arijit Singh: পিছনে ফেললেন টেলর সুইফ্টকে, ফলোয়ার সংখ্যায় স্পটিফাই-তে এক নম্বর বাংলার অরিজিৎ

    Arijit Singh: পিছনে ফেললেন টেলর সুইফ্টকে, ফলোয়ার সংখ্যায় স্পটিফাই-তে এক নম্বর বাংলার অরিজিৎ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জনপ্রিয়তার বিচারে মার্কিন সঙ্গীতশিল্পী টেলর সুইফ্টকে (Taylor Alison Swift) পিছনে ফেললেন মুর্শিদাবাদের ছেলে অরিজিৎ সিং (Arijit Singh)। গান শোনার প্ল্যাটফর্ম স্পটিফাই-তে এতদিন সবচেয়ে ‘ফলোড’ ছিলেন ১৪টি গ্র্যামির অধিকারিণী টেলর সুইফ্ট। এবার সংখ্যার বিচারে টেলর সুইফ্টকে হারিয়ে সারা বিশ্বে এক নম্বর স্থানে উঠে এলেন অরিজিৎ।

    বিশ্বজয়ী অরিজিৎ-এর কত ফলোয়ার (Arijit Singh)?

    স্পটিফাই হল গান শোনার অন্যতম প্রধান এবং বহুল জনপ্রিয় প্ল্যাটফর্ম। শ্রোতারা এই প্ল্যাটফর্মে গান শোনার পাশাপাশি, সঙ্গীত শিল্পীদের ‘ফলো’-ও করতে পারেন। ফলে সেই অনুরাগীদের সংখ্যার সাপেক্ষে টেলর সুইফ্টকে হারিয়ে বিশ্বের প্রথম স্থান দখল করেছেন বাংলার জিয়াগঞ্জের ছেলে অরিজিৎ (Arijit Singh)। এই সময়, তাঁর মোট ফলোয়ার সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১১ কোটি ৭২ লক্ষ ১১ হাজার ১৫৪ জন। অপর দিকে, দ্বিতীয় স্থানে থাকা টেলর সুইফ্টকে ফলো করার সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১১ কোটি ৭১ লক্ষ ৮৯ হাজার ৯৯৯ জন। তালিকায় তৃতীয় স্থানে রয়েছেন, এড শেরন। তাঁর অনুরাগীর সংখ্যা ১১ কোটি ৫০ লক্ষের কাছাকাছি। চতুর্থ এবং পঞ্চম স্থানে রয়েছেন যথাক্রমে অ্যারিয়ানা গ্র্যান্ডে ও বিলি আইলিশ। এখনও তাঁরা ১০ কোটি সংখ্যায় পৌঁছাতে পারেননি। তবে বছর খানেক আগে এই তালিকায় ছিলেন এড শেরন। আবার গত বছর অগাস্ট মাসে অরিজিৎ-এর স্পটিফাইতে সংখ্যা ছিল সাড়ে ৮ কোটি। কিন্তু তাঁকে গত ফেব্রুয়ারি মাসে পেছনে ফলে এগিয়ে যান টেলর সুইফ্ট (Taylor Alison Swift)। কিন্তু তার ছয় মাসের মধ্যেই আবার টেলরকে পেছনে ফেলে এক নম্বরে পৌঁছে গেলেন অরিজিৎ।

    আরও পড়ুনঃ এসসি-এসটি’র মধ্যে পৃথক ‘ক্রিমি লেয়ার’ হবে কি? অবস্থান স্পষ্ট করল কেন্দ্র

    ‘তুম হি হো’ গানে ব্যাপক সাফল্য পান

    বলিউডের বিখ্যাত তরুণ সঙ্গীতশিল্পী অরিজিৎ সিং-এর (Arijit Singh) জনপ্রিয়তা ব্যাপক। তাঁর জন্ম জিয়াগঞ্জের এক সাধারণ মধ্যবিত্ত পরিবারে। সেখানেই তাঁর বড় হওয়া এবং স্কুল জীবন। প্রেমে বিরহের গানে আপামর যুব সমাজের মনকে হরণ করেছেন তিনি। তবে তিনি চেনা-পরিচিত আড়ম্বরের জীবনকে খুব একটা পছন্দ করেন না। গুরুকুল নামে এক রিয়ালিটি শো-তে প্রথমে যোগ দিয়েছিলেন। তবে সেরার সেরা তকমা না পেলেও থেমে থাকেননি তিনি। মুম্বইয়ের সঙ্গীত নির্দেশক প্রীতমের কাছে কাজ শিখেছেন। নিজেকে সেখানে পরিশ্রম করে তৈরি করেছেন। ‘আশিকি ২’ সিনেমার ‘তুম হি হো’ গান করে ব্যাপক সাফল্য পান। এরপর আর পিছনে তাকাতে হয়নি অরিজিৎ-কে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Ashwini Vaishnaw: এসসি-এসটি’র মধ্যে পৃথক ‘ক্রিমি লেয়ার’ হবে কি? অবস্থান স্পষ্ট করল কেন্দ্র

    Ashwini Vaishnaw: এসসি-এসটি’র মধ্যে পৃথক ‘ক্রিমি লেয়ার’ হবে কি? অবস্থান স্পষ্ট করল কেন্দ্র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “বিআর আম্বেডকরের দেওয়া সংবিধানে এসসি-এসটিদের জন্য সংরক্ষণে ক্রিমি লেয়ারের কোনও বিধান নেই।” উপশ্রেণি সংরক্ষণ নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের রায়ের প্রেক্ষিতে কথাগুলি বললেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব (Ashwini Vaishnaw)। গত সপ্তাহে সাব কোটা মামলায় রায় দিতে গিয়ে দেশের শীর্ষ আদালত সাফ জানিয়ে দিয়েছে (Supreme Court), রাজ্যগুলির এই ক্ষমতা রয়েছে যে, সুবিধাবঞ্চিত গোষ্ঠীগুলিকে আরও উন্নীত করার লক্ষ্যে তফশিলি জাতি ও উপজাতিদের জন্য সংরক্ষিত বিভাগের মধ্যে কোটা বরাদ্দ করতে পারবে।

    কী বললেন অশ্বিনী বৈষ্ণব? (Ashwini Vaishnaw)

    কেন্দ্রীয় মন্ত্রিপরিষদে গৃহীত সিদ্ধান্ত সম্পর্কে সাংবাদিকদের অবহিত করছিলেন কেন্দ্রীয় তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব। তিনি বলেন, “কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা সংবিধানের প্রদত্ত এসসি এবং এসটিদের জন্য সংরক্ষণের উপ-শ্রেণিকরণের বিষয়ে সুপ্রিম কোর্টের রায়ের ওপর বিশদ আলোচনা করেছে। তবে, তাকে এখনই কার্যকর না করার সিদ্ধান্ত হয়েছে।” এর পরেই মন্ত্রী বলেন, “বিআর আম্বেডকরের দেওয়া সংবিধান অনুযায়ী, এসসি-এসটি সংরক্ষণে ক্রিমি লেয়ারের কোনও বিধান নেই।” তিনি বলেন, “সুপ্রিম কোর্ট বলেছিল, রাজ্যগুলিকে অবশ্যই এসসি-এসটিতে ক্রিমি লেয়ার চিহ্নিত করতে হবে। সংরক্ষণের সুবিধা থেকে বাদ দিতে হবে তাদের। কিন্তু এনডিএ সরকার সংবিধানের প্রতি দায়বদ্ধ।” তিনি বলেন, “এসসি-এসটি সংরক্ষণের বিধান হওয়া উচিত সংবিধান মেনে।”

    বৈঠকে মন্ত্রিসভা

    দেশের শীর্ষ আদালতের রায় নিয়ে শুক্রবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সভাপতিত্বে বৈঠকে বসে কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা। এই বৈঠকেই সংবিধানে প্রদত্ত এসসি-এসটিদের জন্য সংরক্ষণের উপ শ্রেণিকরণের বিষয়ে সুপ্রিম কোর্টের সিদ্ধান্ত নিয়ে বিশদে আলোচনা হয়। এই বৈঠকেই স্পষ্ট করে দেওয়া হয়েছে, যেহেতু আম্বেডকরের সংবিধানে এসসি-এসটি’র জন্য সংরক্ষণ ব্যবস্থায় ক্রিমি লেয়ারের কোনও বিধান নেই, সেহেতু সংবিধান অনুযায়ীই সংরক্ষণের ব্যবস্থা থাকা উচিত।

    আরও পড়ুন: ৮টি বড় রেল প্রকল্পের অনুমোদন দিল মোদি সরকার, খরচ হবে ২৪,৬৫৭ কোটি

    চলতি মাসের শুরুর দিকে, সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড়ের নেতৃত্বে (Ashwini Vaishnaw) সুপ্রিম কোর্টের সাত বিচারপতির বেঞ্চ এসসি-এসটি বিভাগে কোটা যুক্ত করার অনুমোদন দেয়। শীর্ষ আদালত জানিয়েছিল, এসসি-এসটি ক্যাটেগরির মধ্যে একটি নয়া সাব ক্যাটেগরি তৈরি করা যেতে পারে। এর অধীনে সবচেয়ে পিছিয়ে পড়া শ্রেণির জন্য আলাদা সংরক্ষণের ব্যবস্থা করা যেতে পারে (Supreme Court)। শুক্রবার, বিজেপির এসসি-এসটি সম্প্রদায়ের এক প্রতিনিধি দল দেখা করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে। প্রধানমন্ত্রীকে স্মারকলিপিও দেন তাঁরা। প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ শেষে সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করেন বিজেপি সাংসদ ফাগ্গান সিং কুলাস্তে। সেখানে তিনি বলেন, “প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি আশ্বাস দিয়েছেন যে তিনি ক্রিমি লেয়ার প্রস্তাব বাস্তবায়ন করবেন না।” এক্স হ্যান্ডেলে তিনি লিখেছেন, “প্রধানমন্ত্রী মোদির সঙ্গে আমাদের বৈঠকের সময় আমরা এসসি/এসটি সংরক্ষণের বিষয়ে সুপ্রিম কোর্টের বিচারকদের দ্বারা প্রকাশিত ব্যক্তিগত মতামত নিয়ে  আলোচনা করেছি, যা এসএস/এসটি সম্প্রদায়ের ক্রিমি লেয়ারকে চিহ্নিত করার ও তাদের সংরক্ষণের সুবিধা থেকে বাদ দেওয়ার প্রস্তাব করেছে।”

    তিনি বলেন, “আমরা প্রধানমন্ত্রীকে এই প্রস্তাব বাস্তবায়ন না করার জন্য অনুরোধ করেছি। বৈঠকে আমরা এ বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর কাছে একটি স্মারকলিপিও জমা দিয়েছিলাম। প্রধানমন্ত্রী আমাদের মতামতের সঙ্গে এক মত হয়েছেন। এবং এটি বাস্তবায়ন না করার অঙ্গীকার করেছেন।” তিনি বলেন, “আমরা এই প্রস্তাব বাস্তবায়ন না করার জন্য প্রধানমন্ত্রীকে অনুরোধ করেছি। বৈঠকে আমরা এ বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর কাছে স্মারকলিপিও দিয়েছি।”

    অশ্বিনীর মতো প্রায় একই বক্তব্য শোনা গিয়েছে কেন্দ্রীয় আইনমন্ত্রী অর্জুন রাম মেঘওয়ালের গলায়ও। শুক্রবার লোকসভায় তিনি বলেন, “এসসি/এসটির উপ শ্রেণিবিভাগে ক্রিমি লেয়ারের উল্লেখটি সুপ্রিম কোর্টের বিচারকের একটি পর্যবেক্ষণ, সিদ্ধান্তের অংশ নয়। সদস্যদের সমাজকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করা উচিত নয়।”

    ২০০৫ সালের এক রায়ে সুপ্রিম কোর্ট বলেছিল, এসসি-এসটির মধ্যে শ্রেণি বিভাজনের এক্তিয়ার কোনও রাজ্যের সরকারের নেই। বৃহস্পতিবার প্রধান বিচারপতি চন্দ্রচূড়ের বেঞ্চ সেই রায় খারিজ করে দিয়েছেন। তাৎপর্যপূর্ণভাবে এই মামলায় কেন্দ্রীয় সরকারের তরফেও এসসি-এসটির মধ্যে তুলনামূলকভাবে পিছিয়ে পড়া অংশকে আলাদাভাবে চিহ্নিত করে বিশেষ সংরক্ষণের সুবিধা দেওয়ার সুপারিশ করা হয়েছিল।

    সুপ্রিম কোর্টের রায়ে বলা হয়েছে, উপশ্রেণি চিহ্নিতকরণের বিষয়টি ভারতীয় সংবিধানের ১৪ নম্বর অনুচ্ছেদে উল্লিখিত সমতার নীতি লঙ্ঘন করছে না। তবে প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বাধীন সাত বিচারপতির বেঞ্চ এই রায়ের ক্ষেত্রে ঐকমত্যে পৌঁছায়নি বৃহস্পতিবার। বেঞ্চের ছয় বিচারপতি এসসি-এসটির মধ্যে অতি পিছিয়ে পড়া অংশকে চিহ্নিত করে কোটার মধ্যে কোটার সুবিধা দেওয়ায় ছাড়পত্র দিলেও (Supreme Court) ভিন্নমত প্রকাশ করেছেন (Ashwini Vaishnaw) বিচারপতি বেলা ত্রিবেদী।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • R.G. Kar Medical College: আরজি করে মহিলা চিকিৎসককে ‘ধর্ষণ করে খুন’! মমতাকে আক্রমণ বিজেপির

    R.G. Kar Medical College: আরজি করে মহিলা চিকিৎসককে ‘ধর্ষণ করে খুন’! মমতাকে আক্রমণ বিজেপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি কর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে (R. G. Kar Medical College) কর্তব্যরত মহিলার চিকিৎসকের রহস্যজনক মৃত্যুর ঘটনায় চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে। বিজেপির নেতা অমিত মালব্যর দাবি, “ধর্ষণ করে মহিলা ডাক্তারকে খুন করা হয়েছে। মমতার সরকার ঘটনাটি ধামাচাপা দিতে চাইছে।” ইতিমধ্যে জুনিয়র ডাক্তারেরা প্রতিবাদ জানিয়ে বিচারবিভাগীয় তদন্তের দাবি তুলে কর্মবিরতির ডাক দিয়েছে। জানা গিয়েছে, কেবলমাত্র জরুরি বিভাগেই পরিষেবা চলছে। ঘটনায় রাজ্য স্বাস্থ্য দফতর এবং হাসপাতালের প্রশাসন কাঠগড়ায়।

    পুলিশকে ধামাচাপা দিতে বলা হয়েছে! (R. G. Kar Medical College)

    বিজেপি নেতা অমিত মালব্য তাঁর এক্স হ্যান্ডলে একটি পোস্ট করে বলেন, “কলকাতার শীর্ষস্থানীয় সরকারি হাসপাতালে এক মহিলা চিকিৎসককে ধর্ষণ করে হত্যা করা হয়েছে। ডিউটি ​​রুম থেকে মহিলার নগ্নদেহ উদ্ধার হয়েছে। মমতার সরকার অপরাধ আড়াল করার চেষ্টা করছে। কলকাতা পুলিশকে ধামাচাপা দিতে বলা হয়েছে। খুনের ঘটনাকে আত্মহত্যা হিসেবে দেখাতে বলা হয়েছে। সংবাদ মাধ্যমেকে ঢুকতে দেওয়া হচ্ছে না।” আবার বিজেপি নেত্রী অগ্নিমিত্রা পল বলেন, “রাজ্যের কোনও মহিলা সুরক্ষিত নয়। রাজ্যের কাছে অত্যন্ত লজ্জাজনক এবং দুর্ভাগ্যজনক ঘটনা ঘটেছে। কলেজের (R. G. Kar Medical College) সেমিনার হলে মহিলা ডাক্তারকে ধর্ষণ করে নির্মমভাবে খুন করা হয়েছে।” এদিকে ঘটনার কথা জানাজানি হতে হাসপাতালের বাইরে বিজেপি নেতা সজল ঘোষের নেতৃত্বে বিরাট বিক্ষোভ প্রদর্শন করা হয়।

    মৃত চিকিৎসকের পরিবারের দাবি খুন

    চিকিৎসকের মায়ের দাবি, তাঁর মেয়েকে খুন করা হয়েছে। ‘অর্ধনগ্ন’ অবস্থায় তাঁর মেয়ের দেহ পড়েছিল বলেও দাবি করেছেন তিনি। মহিলা বলেন, ‘‘আমার মেয়েটাকে খুন করে ফেলেছে এরা। অর্ধনগ্ন অবস্থায় পড়ে ছিল দেহ। গায়ে কাপড় ছিল না। চশমাটা ভেঙে গিয়েছিল। মুখে আঘাতের চিহ্ন ছিল। রাতে ও একাই ছিল সেমিনার হলে। ভিতরে কোনও সিসি ক্যামেরা নেই।’’

    হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের বক্তব্য

    হাসপাতালের (R. G. Kar Medical College) সুপার সঞ্জয় বশিষ্ট জানিয়েছেন, মহিলা চিকিৎসকের মৃত্যুর ঘটনায় ম্যাজিস্ট্রেটকে দিয়ে তদন্ত করানো হবে। তবে ইতিমধ্যে ১১ জনের সদস্য নিয়ে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। ময়না তদন্তের সময় ভিডিওগ্রাফি করা হবে। তবে তিনি ধর্ষণ নিয়ে কোনও মন্তব্য করতে চাননি। অপর দিকে গোটা ঘটনার তদন্তে কলকাতা পুলিশের আধিকারিকরা উপস্থিত হয়েছেন। ঘটনার খবর পেয়ে কলকাতা পুলিশের কমিশনার বিনীত গোয়েল, স্বাস্থ্য সচিব নারায়ণ স্বরূপ নিগম পৌঁছে গিয়েছেন। ঘটনা কীভাবে ঘটল সেই বিষয়ে তদন্ত চলছে বলে জানিয়েছেন তিনি।

     

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Waqf Act: ওয়াকফ আইন অপব্যবহার করে কীভাবে হয়েছে ‘জমি জবরদখল’? রইল ১৫টি উদাহরণ

    Waqf Act: ওয়াকফ আইন অপব্যবহার করে কীভাবে হয়েছে ‘জমি জবরদখল’? রইল ১৫টি উদাহরণ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ওয়াকফ বোর্ড আইনে সংশোধন আনছে কেন্দ্রীয় সরকার। কেন্দ্রের দাবি, কোনও ধর্মীয় সংগঠনের স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ করা এই সংশোধনীর উদ্দেশ্য নয়। নতুন সংশোধনীতে প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে, ওয়াকফ সম্পত্তি বাধ্যতামূলকভাবে ডিস্ট্রিক্ট কালেকটরের অফিসে রেজিস্ট্রেশন করাতে হবে, যাতে সম্পত্তির সঠিক মূল্যায়ন হয়। এতদিন পর্যন্ত কোনও নথি না থাকলেও, মৌখিকভাবে ওয়াকফ সম্পত্তি চিহ্নিত করা যেত। সংশোধনীতে বলা হয়েছে, ওয়াকফনামা অর্থা নথি না থাকলে সেই জমি বিতর্কিত বলেই ধরে নেওয়া হবে।

    ওয়াকফ সম্পত্তি 

    সেই স্থাবর বা অস্থাবর সম্পত্তিকেই ওয়াকফ সম্পত্তি বলা হয়, যা দলিলের মাধ্যমে আল্লার নামে করে দেওয়া হয়। সেই সম্পত্তি চ্যারিটির বা সেবার কাজে ব্যবহার করা হয়। নথিপত্রের যুগ শুরু হওয়ার অনেক আগে থেকে এই পদ্ধতি প্রচলিত আছে। সাধারণত কোনও জনসেবার কাজে ব্যবহৃত হয় এই জমি। অথবা কেউ উত্তরসূরী হিসেবে ব্যক্তিগত কাজে ব্যবহার করেন। এই সম্পত্তি কখনও হস্তান্তর করা যায় না। সাধারণত, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, কবর, মসজিদের জন্য, গরিব মানুষকে আশ্রয় দেওয়ার জন্য জমি ব্যবহার করা হয়।

    ওয়াকফ বোর্ড

    ওয়াকফ সম্পত্তি যাদের দায়িত্বে থাকে, আইনি ভাষায় তারাই ওয়াকফ বোর্ড। ১৯৬৪ সালে তৈরি হয় সেন্ট্রাল ওয়াকফ কাউন্সিল। দেশজুড়ে ওয়াকফ বোর্ডগুলি এই কাউন্সিলের নজরদারিতে চলে। সম্পত্তি নিয়ে ওয়াকফ বোর্ড ছাড়াও রাজ্য সরকার, কেন্দ্রীয় সরকারের সঙ্গেও সম্পত্তির বিষয়ে কথা বলে এই কাউন্সিল। প্রয়োজনীয় নির্দেশও দিতে পারে। ওয়াকফ বোর্ড কেমন কাজ করছে, তাদের ব্যাপারে অডিট রিপোর্টও তৈরি করতে পারে এই কাউন্সিল। ১৯৯৫ সালে একটি আইন তৈরি হয়, যা সংশোধন হয় ২০১৩ সালে। সেই আইনে ওয়াকফ বোর্ডকেই ক্ষমতা দেওয়া হয়, যাতে তারাই ওয়াকফ সম্পত্তি চিহ্নিত করতে পারে।

    আরও পড়ুন: গরীব ও মুসলিম মহিলাদের ক্ষমতায়ণের জন্যই ওয়াকফ সংশোধনী, দাবি কেন্দ্রের

    ওয়াকফ আইনের অপব্যবহার 

    ভারতে ওয়াকফ সম্পত্তি পরিচালনার জন্য প্রণীত ওয়াকফ আইন নিয়ে বেশ কিছু বিতর্ক এবং অপব্যবহারের অভিযোগ উঠেছে। ওয়াকফ আইন অপব্যবহার করে জমি জবরদখলের অভিযোগ উঠেছে এমন ১৫টি ঘটনা উল্লেখ করা হল—

    তামিলনাড়ু: তিরুচিরাপল্লিতে পুরো একটি গ্রাম এবং একটি ১৫০০ বছরের পুরনো হিন্দু মন্দিরের মালিকানা দাবি করে ওয়াকফ বোর্ড, যা স্থানীয় গ্রামবাসীদের হতবাক করে দেয়।

    হরিয়ানা (জথলানা গ্রাম, যমুনানগর জেলা): কোনও মুসলিম বসতি বা মসজিদের ইতিহাস না থাকলেও একটি গুরুদ্বারের জমি ওয়াকফ বোর্ডের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

    সুরাট, গুজরাট (২০২১): মুঘল সম্রাট শাহজাহান তাঁর কন্যাকে ওয়াকফ সম্পত্তি হিসাবে দান করেছিলেন বলে দাবি করে সুরাট পুরসভা সদর দফতরকে ওয়াকফ সম্পত্তি ঘোষণা করা হয়, যদিও এটি প্রায় ৪০০ বছর আগের ঘটনা।

    তাজ মহল (২০১৮): সুন্নি ওয়াকফ বোর্ড দাবি করে যে তাজ মহলকে তাদের সম্পত্তি হিসাবে তালিকাভুক্ত করা উচিত, যদিও তাদের কোনও স্বাক্ষরিত মালিকানার দলিল ছিল না।

    উত্তর প্রদেশ (২০২২): সুন্নি সেন্ট্রাল ওয়াকফ বোর্ড দাবি করে যে যেখানে জ্ঞানব্যাপী মসজিদ আজ দাঁড়িয়ে আছে সেই জমি ওয়াকফ সম্পত্তি, যা মন্দির পক্ষ থেকে আদালতে প্রত্যাখ্যান করা হয়।

    লখনউ, উত্তর প্রদেশ: একটি শিবালয় (শিব মন্দির) শিয়া সেন্ট্রাল ওয়াকফ বোর্ডের সাথে যোগসাজশে ওয়াকফ সম্পত্তি হিসাবে নিবন্ধিত করা হয়, যদিও মন্দিরটি ১৮৬২ সাল থেকে রেকর্ডে ছিল এবং ওয়াকফ বোর্ডের প্রতিষ্ঠা ১৯০৮ সালে হয়েছিল।

    দেবভূমি দ্বারকা, গুজরাট (২০২১-২০২২): ওয়াকফ বোর্ড বেট দ্বারকার দুটি দ্বীপের মালিকানা দাবি করে, যা গুজরাট উচ্চ আদালত প্রত্যাখ্যান করেছে।

    ঔরঙ্গাবাদ, মহারাষ্ট্র (২০১৪): ওয়াকফ বোর্ড ঔরঙ্গাবাদ পুরসভাকে একটি বিতর্কিত জমি দাবি করে নোটিশ পাঠায়, যেখানে রাস্তা প্রশস্তকরণের জন্য জমি অধিগ্রহণের চেষ্টা চলছে।

    হায়দরাবাদ, তেলঙ্গানা (২০১৩): তেলঙ্গানা ওয়াকফ বোর্ড হায়দরাবাদ পুর কর্পোরেশনের একটি রাস্তা প্রশস্তকরণের প্রচেষ্টাকে বিরোধিতা করে, দাবি করে যে জমিটি ওয়াকফ সম্পত্তি।

    পুণে এবং পারভানি, মহারাষ্ট্র (২০১৮): একটি পাইলট প্রকল্পে শুধু দুইটি জেলাতেই ১৭০০টিরও বেশি নতুন ওয়াকফ সম্পত্তি শনাক্ত করা হয়।

    পাঞ্জাব: ভারতে মোট ১৬,৯৩৭টি ওয়াকফ বোর্ডের সম্পত্তির মধ্যে ৫,৬১০টি পাঞ্জাবে রয়েছে, যেখানে সর্বাধিক অনধিকার প্রবেশ ঘটেছে।

    মহারাষ্ট্র (২০১৭): রাজ্য সরকার একটি মুসলিম সংস্থার সাবেক প্রধানকে বরখাস্ত করে, যার দায়িত্ব ছিল জমি দান করা। সন্দেহ হয় যে, ধর্মীয় বা দাতব্য উদ্দেশ্যে বরাদ্দকৃত ওয়াকফ জমি অবৈধভাবে বিক্রি করা হয়েছে।

    দিল্লি (২০২৪): দিল্লি উচ্চ আদালত বিতর্কিত ওয়াকফ সম্পত্তিতে অনুমোদনহীন নির্মাণের কথা উল্লেখ করে, যেখানে দিল্লি ওয়াকফ বোর্ড ১২৩টি সম্পত্তির দাবি করে, যদিও কেন্দ্র তা বাতিল করে দেয়।

    হালদ্বানি, উত্তরাখণ্ড (২০২৪): ওয়াকফ বোর্ড সুপ্রিম কোর্টে একটি আবেদন করে যে জমিটি রেলওয়ের বলে উত্তরাখণ্ড উচ্চ আদালত ঘোষণা করেছে, সেই জমির কিছু অংশ তাদের।

    পুঞ্চ, জম্মু ও কাশ্মীর (২০১৪): রাজ্য সরকার জানায় যে, ৩৬০ ক্যানালেরও বেশি ওয়াকফ জমি বাণিজ্যিক মূল্যসহ সেনাবাহিনীর দখলে রয়েছে, যার মধ্যে মাত্র ২১ ক্যানালের জন্য ভাড়া দেওয়া হচ্ছে।

    এই ঘটনাগুলি ওয়াকফ আইন এবং এর প্রয়োগ নিয়ে বিতর্ক বাড়িয়ে তুলেছে। নয়া সংশোধনী এই বিতর্কিত বিষয়গুলির মীমাংসা করবে , বলে অনুমান।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Maulana Yasoob Abbas: ”ওয়াকফ বোর্ড দুর্নীতিগ্রস্ত সংস্থা”, অভিযোগ অল ইন্ডিয়া শিয়া পার্সোনাল ল’ বোর্ডেরই

    Maulana Yasoob Abbas: ”ওয়াকফ বোর্ড দুর্নীতিগ্রস্ত সংস্থা”, অভিযোগ অল ইন্ডিয়া শিয়া পার্সোনাল ল’ বোর্ডেরই

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বৃহস্পতিবার দুপুরেই সংসদে ওয়াকফ বিল পেশ হয়েছে। পেশ করেছেন কেন্দ্রীয় সংখ্যালঘু বিষয়ক মন্ত্রী কিরেণ রিজিজু। রিপোর্ট অনুযায়ী, কেন্দ্র আগামী সংসদ অধিবেশনে এই আইনে ৪০টি সংশোধনী আনতে পারে। কিন্তু ওয়াকফ বিল পেশ হতেই এবার অল ইন্ডিয়া শিয়া পার্সোনাল ল’ বোর্ডের মৌলানা ইয়াসুব আব্বাস (Maulana Yasoob Abbas) ওয়াকফ বোর্ডকে (Waqf Board) একটি দুর্নীতিগ্রস্ত সংস্থা বলে তীব্র আক্রমণ করলেন।  

    ঠিক কী জানিয়েছেন তিনি? (Maulana Yasoob Abbas) 

    অল ইন্ডিয়া শিয়া পার্সোনাল ল’ বোর্ডের সাধারণ সম্পাদক মাওলানা ইয়াসুব আব্বাস ওয়াকফ বোর্ডের তীব্র নিন্দা করে অভিযোগ করেন, ”বোর্ডের মধ্যে এক মাফিয়া জমি সংক্রান্ত বিষয়ে ব্যাপকভাবে জড়িত। তারা বিভিন্ন সম্পত্তির ওয়াকফ নম্বর মুছে জমি বিক্রি করার জন্য জাল দলিল তৈরি করে। এই সব মানুষের কারণে গোটা ওয়াকফ বোর্ড (Waqf Board) বিশাল ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছে।”

    আরও পড়ুন: ডিপি-তে তেরঙ্গা, এক্স হ্যান্ডেলে ছবি বদল প্রধানমন্ত্রীর, কী বার্তা দিলেন নাগরিকদের?

    ওয়াকফ আইন বাতিল করার আহ্বান   

    সম্প্রতি কেন্দ্র ওয়াকফ বোর্ডের ক্ষমতা হ্রাস করার জন্য ওয়াকফ আইন সংশোধন করার প্রস্তুতি নিচ্ছে। কিন্তু সাধারণ নাগরিক এই আইনটিকে সম্পূর্ণরূপে বাতিল বাতিল করার আহ্বান জানিয়েছে। সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মে এক নাগরিক অভিযোগ করেছেন, ওয়াকফ বোর্ড ভারত জুড়ে জমি দখল করার জন্য তার কর্তৃত্বের অপব্যবহার করেছে। তিনি তাঁর পোস্টে লিখেছেন, ”ওয়াকফ আইন শুধু সংশোধন করা উচিত নয়, বাতিল করা উচিত। ওয়াকফ বোর্ড (Waqf Board) ভারত জুড়ে জমি দখল করার ক্ষমতার অপব্যবহার করেছে। উদাহরণস্বরূপ, ওয়াকফ বোর্ড তামিলনাড়ুর পুরো তিরুচেন্দুরাই গ্রামের মালিকানা দাবি করেছে, যেখানে ১৫০০ বছরের পুরানো মানেন্দিয়াভল্লি সামেথা চন্দ্রশেখর স্বামী মন্দির রয়েছে।”

    এ প্রসঙ্গেই অন্য একজন সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারী অনুপম মজুমদার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে ওয়াকফ বোর্ড বাতিল করার আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি বলেন, ”আইনের সংশোধনী কোনও পার্থক্য করবে না। দক্ষিণ ভারত ইতিমধ্যেই ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে।” 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Ramakrishna 99: “জ্ঞান সূর্য উঠলে সে বরফ গলে যায়, তখন আর ঈশ্বরকে ব্যক্তি বলে বোধ হয় না”

    Ramakrishna 99: “জ্ঞান সূর্য উঠলে সে বরফ গলে যায়, তখন আর ঈশ্বরকে ব্যক্তি বলে বোধ হয় না”

    সিঁথি ব্রাহ্মসমাজ-দর্শন ও শ্রীযুক্ত শিবনাথ প্রভৃতি ব্রাহ্মভক্তদিগের সহিত কথোপকথন ও আনন্দ

    তৃতীয় পরিচ্ছেদ

    ক্লৈব্যং মাস্ম গমঃ পার্থ নৈতিৎ ত্বয্যুপপদ্যতে

         ক্ষুদ্রং হৃদয়দৌর্বল্যং ত্যক্তোত্তিষ্ঠ পরন্তপ।।

    গীতা—২/৩/

    বৈদ্যের মতো আচার্যও (Ramakrishna) তিনপ্রকার। ধর্মোপদেশ দিয়ে শিষ্যদের আর কোন খবর লয় না–সে আচার্য অধম। যিনি শিষ্যদের মঙ্গলের জন্য তাদের বরাবর বুঝান, যাতে তারা উপদেশগুলি (Kathamrita) ধারণা করতে পারে, অনেক অনুনয়-বিনয় করেন, ভালোবাসা দেখান– তিনি মধ্যম থাকের আচার্য। আর যখন শিষ্যেরা কোনও মতে শুনছে না দেখে কোন আচার্য জোর পর্যন্ত করেন, তাঁরে বলি উত্তম আচার্য।

    চতুর্থ পরিচ্ছেদ

    যতো বাচো নিবর্তন্তে। অপ্রাপ্য মনসা সহ।

    (তৈত্তিরীয় উপনিষদ—২/৪)

    ব্রহ্মের স্বরূপ মুখে বলা যায় না

    একজন ব্রাহ্মভক্ত জিজ্ঞাসা করিলেন, ঈশ্বর সাকার না নিরাকার?

    শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna)—তাঁর ইতি করা যায় না। তিনি নিরাকার আবার সাকার। ভক্তের জন্য তিনি সাকার। যারা জ্ঞানী অর্থাৎ জগৎকে যাদের স্বপ্নবৎ মনে হয়েছে, তাঁদের পক্ষে তিনি নিরাকার। ভক্ত জানে আমি একটি জিনিস, জগৎ একটি জিনিস। তাই ভক্তের কাছে ঈশ্বর ব্যক্তি হয়ে দেখা দেন। জ্ঞানী—যেমন বেদান্তবাদী—কেবল নেতি নেতি বিচার করে। বিচার করে জ্ঞানীর বোধে বোধে হয় যে, আমি মিথ্যা, জগৎও মিথ্যা—স্বপ্নবৎ। জ্ঞানী ব্রহ্মকে বোধ বোধ করে। তিনি যে কি, মুখে বলতে পারে না।

    কিরকম জান? যেন সচ্চিদানন্দ-সমুদ্র-কুল-কিনারা নাই—ভক্তিহিমে স্থানে স্থানে জল বরফ হয়ে যায়-বরফ আকারে জমাট বাঁধে। অর্থাৎ ভক্তের কাছে তিনি ব্যক্তভাবে, কখন কখন সাকার রূপ ধরে থাকেন। জ্ঞান সূর্য উঠলে সে বরফ গলে যায়, তখন আর ঈশ্বরকে ব্যক্তি বলে বোধ হয় না।–তাঁর রূপও দর্শন হয় না। কি তিনি মুখে বলা (Kathamrita) যায় না। কে বলবে? তিনিই নাই। তাঁর আমি আর খুঁজে পান না।

    আরও পড়ুনঃ “বিবেক, বৈরাগ্যরূপ হলুদ মাখলে তারা আর তোমাকে ছোঁবে না”

    আরও পড়ুনঃ “ধ্যান করবার সময় তাঁতে মগ্ন হতে হয়, উপর উপর ভাসলে কি জলের নিচে রত্ন পাওয়া যায়?”

    আরও পড়ুনঃ “পশ্চিমে বিবাহের সময় বরের হাতে ছুরি থাকে, বাংলাদেশে জাঁতি থাকে”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Har Ghar Tiranga: জাতীয় পতাকা উত্তোলন করলেই মিলবে কেন্দ্রের সার্টিফিকেট! জেনে নিন কীভাবে

    Har Ghar Tiranga: জাতীয় পতাকা উত্তোলন করলেই মিলবে কেন্দ্রের সার্টিফিকেট! জেনে নিন কীভাবে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতীয় জনতা পার্টি ৭৭তম স্বাধীনতা দিবস উদযাপনের জন্য ৯ আগস্ট থেকে ‘হর ঘর তিরঙ্গা’ (Har Ghar Tiranga) ২০২৪ প্রচারের তৃতীয় সংস্করণ শুরু করেছে। ২৮ জুলাই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Narendra Modi) ‘মন কী বাত’ অনুষ্ঠান থেকে ‘হর ঘর তিরঙ্গা’ অভিযান সহ ভারতীয় পতাকার সম্মানের উদ্দেশ্যে দেশব্যাপী প্রচারের আহ্বান জানিয়েছিলেন।

    ‘হর ঘর তিরঙ্গা’কে গণ-আন্দোলনে পরিণত করার উদ্যোগ (Har Ghar Tiranga)

    প্রধানমন্ত্রী (Narendra Modi) তাঁর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের পোস্টে লিখেছেন, স্বাধীনতা দিবস আসন্ন। ফের ‘হর ঘর তিরঙ্গা’ (Har Ghar Tiranga) অভিযানকে গণ-আন্দোলনে পরিণত করতে হবে। আমি নিজের প্রোফাইল পিকচার বদল করছি এবং দেশবাসীর কাছে আশা করছি, আপনারাও আপনাদের প্রোফাইল পিকচার বদলে দেবেন। আপনারা সেলফি তুলে ‘হর ঘর তিরঙ্গা’ ডটকমে পাঠান এবং সার্টিফিকেট ডাউনলোড করুন।

    প্রধানমন্ত্রীর আহবান (Narendra Modi)

    প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Narendra Modi) জুলাই মাসে ‘মন কি বাত’-এর ১১২ তম সংস্করণে ‘হর ঘর তিরঙ্গা’ (Har Ghar Tiranga) অনুষ্ঠানকে একটি জাতীয় উৎসবে উদযাপন করার আহ্বান জানিয়েছেন। বিজেপির সাধারণ সম্পাদক তরুণ চুগ এক বিবৃতিতে বলেন, “বিজেপি ১১ অগাস্ট থেকে ১৩ অগাস্ট পর্যন্ত প্রতিটি বিধানসভা কেন্দ্রে তিরঙ্গা যাত্রা করবে। ১৪ অগাস্ট সমস্ত জেলা জুড়ে একটি নীরব পদযাত্রার সঙ্গে দেশভাগের স্মরণ দিবস পালন করবে। ১৩, ১৪ এবং ১৫ তারিখ জাতীয় পতাকা সমস্ত বাড়ি এবং ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে উত্তোলন করার আহ্বান জানানো হচ্ছে। পুরো দেশকে গেরুয়া, সাদা এবং সবুজ সাগরে পরিণত করতে চাই আমরা। বিজেপির সমস্ত নেতাকর্মী জনপ্রতিনিধি এবং সাধারণ মানুষকে স্বাধীনতা দিবসের অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।” আপাতদৃষ্টিতে জনসাধারণকে স্বাধীনতার আনন্দে যুক্ত করার অনুষ্ঠান মনে হলেও আসলে দলের তরফ থেকে দেশের প্রতিটি বুথে পৌঁছানোই লক্ষ্য, এমনটাই মত ওয়াকিবহাল মহলের।

    আরও পড়ুন: ডিপি-তে তেরঙ্গা, এক্স হ্যান্ডেলে ছবি বদল প্রধানমন্ত্রীর, কী বার্তা দিলেন নাগরিকদের?

    এবার দেখে নিন হর ঘর তিরঙ্গা শংসাপত্রটি কীভাবে ডাউনলোড করবেন

    প্রথমে, www.harghartiranga.com ওয়েবসাইটে যেতে হবে। যেখানে হোমপেজে একটি ‘অংশগ্রহণ করতে ক্লিক করুন’ ট্যাব রয়েছে, সেটিতে ক্লিক করে নিজের নাম, ফোন নম্বর, রাজ্য এবং দেশ লিখতে হবে। বিস্তারিত লেখার পরে, “আমি শপথ করছি যে আমি তেরঙ্গা উত্তোলন করব, আমাদের স্বাধীনতা সংগ্রামী এবং সাহসী পুত্রদের আত্মাকে সম্মান করব এবং ভারতের উন্নয়ন ও অগ্রগতির জন্য নিজেকে উৎসর্গ করব।” অঙ্গীকার গ্রহণে ক্লিক করুন এবং আপনাকে একটি পৃষ্ঠায় পুনঃনির্দেশিত করা হবে। যেখানে আপনি তেরঙ্গার সঙ্গে আপনার সেলফি আপলোড করতে পারবেন। যখন পোর্টাল আপনাকে সাইটে ছবি ব্যবহার করার অনুমতি চাইবে তখন সাবমিট বাটনে ক্লিক করুন। এই পর্ব সম্পূর্ণ হলে, আপনি সার্টিফিকেট ডাউনলোড করতে পারেন এবং প্রচারে আপনার অংশগ্রহণ প্রমাণ করতে পারেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Delhi Police: নাম-ছবি দিয়ে পোস্টার সাঁটিয়েছিল পুলিশ, ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই দিল্লিতে ধৃত আইএস জঙ্গি

    Delhi Police: নাম-ছবি দিয়ে পোস্টার সাঁটিয়েছিল পুলিশ, ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই দিল্লিতে ধৃত আইএস জঙ্গি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দিল্লি শহরজুড়ে জঙ্গিদের নাম-ছবি দিয়ে পোস্টার সাঁটিয়েছিল পুলিশ (Delhi Police)। ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই হাতেনাতে পাকড়াও এক আইএস জঙ্গি (ISIS militant)। পুলিশের বিশেষ দল স্বাধীনতা দিবস উদযাপনের আগেই যে কুখ্যাত দুষ্কৃতীকে গ্রেফতার করেছে, তার নাম রিজওয়ান আলি। বৃহস্পতিবার, ১৫ জন জঙ্গির নাম ও ছবি সমেত পোস্টার সাঁটিয়ে দিয়েছিল দিল্লি পুলিশ। তার মধ্যে ৬ জঙ্গি ছিল আল কায়েদার। তালিকায় ছিল কয়েকজন খালিস্তান জঙ্গি। এছাড়া, বাকিরা ছিল অন্যান্য নিষিদ্ধ সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত সক্রিয় জঙ্গি। পুলিশকে যে কোনও তথ্য দিলে পুরস্কার দেওয়ার কথাও ঘোষণা করা হয়েছিল। ফলে অভিনব প্রচারে হাতেনাতে সাফল্য পেল পুলিশ।

    রিজওয়ানের মাথার দাম ছিল ৩ লক্ষ টাকা (Delhi Police)

    জানা গিয়েছে, গোপন তথ্যের ভিত্তিতে বৃহস্পতিবার রাজধানীর গঙ্গাবক্স মার্গের কাছে রাত ১১ টার সময় এই আইএস জঙ্গিকে গ্রেফতার করেছে দিল্লি পুলিশ (Delhi Police)। সেই সঙ্গে তার কাছ থেকে একটি ৩০ বোরের স্টার পিস্তল, ৩টি তাজা কার্তুজ এবং ২টি মোবাইল উদ্ধার করেছে। দিল্লির দরিয়াগঞ্জ এলাকায় আত্মগোপন করে ছিল এই জঙ্গি। এই কুখ্যাত জঙ্গির (ISIS militant) মাথায় ৩ লক্ষ টাকা পুরস্কার ঘোষণা করা হয়েছিল। জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা (এনআইএ) তার সন্ত্রাসী কার্যকলাপে জড়িত থাকার বিষয়ে আগেই প্রমাণ সংগ্রহ করে পুলিশকে দিয়েছিল। পুলিশ জানিয়েছে, রিজওয়ান আইসিসের পুণে মডিউলের অংশ হিসেবে সক্রিয় ভাবে কাজ করছিল। অনেক দিন ধরে পলাতক ছিল। তার ছবি ও নাম সমেত পোস্টার সাঁটিয়ে প্রচার করতেই সাফল্য মিলেছে।

    আরও পড়ুনঃ ভারতের তৃতীয় বৃহত্তম ব্যাঘ্র সংরক্ষণ কেন্দ্র হবে ছত্তিশগড়ে, ছাড়পত্র দিল বিজেপি সরকার

    আল কায়েদা, খালিস্তানি জঙ্গির খোঁজে তল্লাশি

    শহরজুড়ে দিল্লি পুলিশ (Delhi Police) নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে আরও জোরদার করতে, আল কায়েদা এবং খালিস্তানি জঙ্গি সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত বিভিন্ন জঙ্গিদের নাম-ছবি দিয়ে পোস্টার লাগিয়ে দিয়েছে ইতিমধ্যে। সেই সঙ্গে সন্ত্রাসীদের ধরতে সহায়তা করার জন্য মানুষকে সজাগ থাকার কথাও বলা হয়েছে। আবার জঙ্গিদের সম্পর্কে তথ্য দেওয়ার কথা জানিয়ে পুরস্কারের ঘোষণা করা হয়েছে। অপর দিকে দিল্লির মতো পঞ্জাব পুলিশও ২১টি জেলায় তল্লাশি অভিযান চালানোর কাজ চালিয়ে যাচ্ছে। শহরের জনবহুল জায়গায়গুলিতে চলছে কড়া নজরদারি। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • PM Modi: ডিপি-তে তেরঙ্গা, এক্স হ্যান্ডেলে ছবি বদল প্রধানমন্ত্রীর, কী বার্তা দিলেন নাগরিকদের?

    PM Modi: ডিপি-তে তেরঙ্গা, এক্স হ্যান্ডেলে ছবি বদল প্রধানমন্ত্রীর, কী বার্তা দিলেন নাগরিকদের?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সামনেই ১৫ অগাস্ট। আর দেশের ৭৭তম স্বাধীনতা দিবসের ছদিন আগেই এবার নিজের মাইক্রোব্লগিং সাইটে ডিপি বদলে তেরঙ্গার ছবি দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। একইসঙ্গে দেশের নাগরিকদের তৃতীয় বারের মত ‘হর ঘর তিরঙ্গা’ (Har Ghar Tiranga Campaign) প্রচারাভিযানকে গণ আন্দোলনে পরিণত করার আহ্বান জানালেন তিনি। 

    এক্স হ্যান্ডেলে পোস্ট প্রধানমন্ত্রীর (PM Modi) 

    এ প্রসঙ্গে এক্স হ্যান্ডেলে পোস্ট করে প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, ”সামনেই স্বাধীনতা দিবস। আসুন আমরা আবার ‘হর ঘর তিরাঙ্গা’-কে একটি স্মরণীয় গণআন্দোলনে পরিণত করি। আমি আমার প্রোফাইল ছবি পরিবর্তন করেছি এবং আমি চাই আপনারাও সকলে এই একইভাবে প্রোফাইল ছবি পরিবর্তন করে তেরঙ্গা উদযাপনে আমার সঙ্গে যোগ দিন।” 

    কেন্দ্রীয় সংস্কৃতি ও পর্যটন মন্ত্রী গজেন্দ্র সিং শেখাওয়াত জানিয়েছেন, স্বাধীনতা দিবস উদযাপনের অংশ হিসাবে আগামী ৯ থেকে ১৫ অগাস্ট তৃতীয় বারের মত উদযাপিত হবে ‘হর ঘর তিরঙ্গা’। একইসঙ্গে নিজ নিজ বাড়িতে তেরঙ্গা উত্তোলন করে তার সঙ্গে একটি সেলফি তুলে harghartiranga.com পোর্টালে সেই ছবি আপলোড করতে দেশের সকল মন্ত্রী ও নাগরিকদের আহ্বান জানান তিনি। 

    অন্যতম আকর্ষণ ‘তিরঙ্গা বাইক র‍্যালি’

    এই প্রচারের অন্যতম আকর্ষণ হল সংসদ ও সদস্যদের একটি বিশেষ ‘তিরঙ্গা বাইক র‍্যালি’, যেটি ১৩ অগাস্ট দিল্লিতে অনুষ্ঠিত হবে। র‌্যালিটি ভারত মণ্ডপম প্রগতি ময়দান থেকে শুরু হয়ে মেজর ধ্যানচাঁদ স্টেডিয়ামে পৌঁছে শেষ হবে।    

    আরও পড়ুন: ‘‘গোটা ভারতকেই ওয়াকফ সম্পত্তি করে ফেলুন’’, আইনজীবীকে কটাক্ষ বিচারপতির

    এ প্রসঙ্গে মন্ত্রী গজেন্দ্র সিং বলেন, ২০২২ সালে আজাদি কা অমৃত মহোৎসবের পৃষ্ঠপোষকতায় চালু হওয়া ‘হর ঘর তিরঙ্গা’ (Har Ghar Tiranga Campaign) প্রচারাভিযান একটি গণ আন্দোলনে পরিণত হয়েছিল, যা সারা দেশে সমাজের বিভিন্ন অংশ কর্তৃক গৃহীত হয়েছে। ২০২২ সালে ২৩ কোটিরও বেশি বাড়িতে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়েছিল এবং ৬ কোটি মানুষ harghartiranga.com-এ পতাকার সঙ্গে সেলফি তুলে আপলোড করেছিলেন। আর ২০২৩ সালে এইচজিটি প্রচারের আওতায় ১০ কোটিরও বেশি সেলফি আপলোড করা হয়েছিল।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • World’s richest cat: ৮৫২ কোটির মালিক! গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসধারী এই বিড়ালটিকে চেনেন?

    World’s richest cat: ৮৫২ কোটির মালিক! গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসধারী এই বিড়ালটিকে চেনেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আপনি কি ধনী বিড়াল নালাকে চেনেন? এই বিড়াল এখন বিশ্বের সবচেয়ে ধনী হিসেবে পরিচিত। মোট ৮৫২ কোটি টাকার মালিক সে। প্রতি ইনস্টাগ্রাম পোস্টে সে ১২ লক্ষ টাকা আয় করে থাকে। একই ভাবে বছরের সেরা টিকটকার হিসেবে খ্যাতি অর্জন করেছে বিড়ালটি। ইতিমধ্যে গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসে (Guinness World Records) নাম লিখিয়েছে এই নালা (World’s richest cat)।

    নালার ৪৫ লক্ষ ফলোয়ার (World’s richest cat)!

    ভারিসিরি মাথাচিত্তিফান ওরফে পুকি নামে এক তরুণী লস অ্যাঞ্জেলেস থেকে নালা নামক এই বিড়ালকে (World’s richest cat) উদ্ধার করেছিলেন। সেই সময় নালার বয়স ছিল মাত্র চার মাস। পুকি অবশ্য ২০১২ সাল থেকে ইনস্টাগ্রামে সামাজিক মাধ্যমে বিভিন্ন বিষয় বিনিময় করতেন। এরপর নালাকে সামনে রেখে নানা বিষয় উপস্থাপন করা শুরু করেন। তাঁর করা নানা পোস্ট সময়ের সঙ্গে তাল মিলিয়ে দর্শকদের আকর্ষণের কেন্দুবিন্দু হয়ে উঠতে শুরু করে। নালার ইনস্টাগ্রাম খ্যাতি (Guinness World Records) অত্যন্ত আশ্চর্যজনক সাফল্যের শিখরে পৌঁছে গিয়েছে। বর্তমানে তার ৪৫ লক্ষের বেশি ফলোয়ার এবং ৭২৬৭টি আকর্ষণীয় পোস্ট রয়েছে। প্রত্যেক পোস্ট দেখার জন্য অনুগামীরা আগ্রহী হয়ে অপেক্ষা করে থাকেন।

    আরও পড়ুনঃ ‘‘গোটা ভারতকেই ওয়াকফ সম্পত্তি করে ফেলুন’’, আইনজীবীকে কটাক্ষ বিচারপতির

    বছরের সেরা টিকটকারের খেতাব

    পুকি একটি টিভি চ্যানেলে সাক্ষাৎকার দিয়ে জানিয়েছেন, “আমি কোনওদিন ভাবতে পারিনি নালা দর্শকদের মধ্যে এত জনপ্রিয় হয়ে উঠবে। আমি নিজে আর কোনও পেশার সঙ্গে যুক্ত নই। সারাদিন নালার পোস্টগুলিকে নিয়েই কাজ করে থাকি। নালা ইন্টারনেটের দুনিয়ায় প্রথম বিড়ালদের মধ্যে ছিল। অনেকে তার পোস্টের মাধ্যমে কথা বলে পরিচয় করে থাকেন। তবে নালার জনপ্রিয়তা সোশ্যাল মিডিয়ার বাইরেও প্রসারিত হয়েছে। তাকে সামনে রেখে ‘ক্যাট ফুড’ ব্র্যান্ড মার্কেটিং করার কাজও হয়েছে। একই ভাবে চার জন মানব প্রতিযোগীকে ছাপিয়ে বছরের সেরা টিকটকারের খেতাব (Guinness World Records) অর্জন করেছে নালা (World’s richest cat)। আমার আর্থিক সাফল্যের পিছনে ওর প্রভাব রয়েছে যথেষ্ট। আমার ব্যক্তিগত জীবনসঙ্গী শ্যাননের সঙ্গে ইনস্টাগ্রামের মাধ্যমেই আলাপ হয়েছিল, কিন্তু মাধ্যম ছিল নালা। অসুস্থ বিড়াল উদ্ধারের জন্য নালাকে সমানে রেখে অনেক সামাজিক কাজ করতে হয়।   

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share