Tag: news in bengali

news in bengali

  • Waqf Board: ‘‘গোটা ভারতকেই ওয়াকফ সম্পত্তি করে ফেলুন’’, আইনজীবীকে কটাক্ষ বিচারপতির

    Waqf Board: ‘‘গোটা ভারতকেই ওয়াকফ সম্পত্তি করে ফেলুন’’, আইনজীবীকে কটাক্ষ বিচারপতির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লোকসভায় বৃহস্পতিবারই পেশ করা হয়েছে ওয়াকফ সংশোধনী বিল। কিন্তু এরই মধ্যে ওয়াকফ বোর্ডের (Waqf Board) বিরুদ্ধে আর্কিওলজিক্যাল সার্ভে অফ ইন্ডিয়ার একটি আবেদনের শুনানি চলাকালীন মধ্যপ্রদেশ হাইকোর্টের (Madhya Pradesh High Court) বিচারপতির একটি ভিডিও ভাইরাল হয়েছে সমাজ মাধ্যমে। ওই ভিডিওতে বিচারপতি এই মামলার সঙ্গে যুক্ত আইনজীবীকে কটাক্ষ করে বলছেন, ”পুরে ভারত কো ওয়াকফ সম্পত্তি বানা দো” অর্থাৎ ”গোটা ভারতকেই ওয়াকফ সম্পত্তি করে ফেলুন।” একইসঙ্গে ওই আইনজীবীকে বিচারপতি এদিন প্রশ্ন করেছিলেন যে, কীভাবে একটি বিজ্ঞপ্তি সরকারের সংরক্ষিত সম্পত্তিকে ওয়াকফ সম্পত্তি হিসাবে বৈধতা দিতে পারে? এছাড়াও ভাইরাল ওই ভিডিওতে বিরক্ত বিচারককে বলতে শোনা যায়, ”তাজ মহলকেও ওয়াকফ সম্পত্তি বলে দাবি করুন, আপনাকে কে বাধা দিচ্ছে!” 

    আগে কী ঘটেছিল? 

    উল্লেখ্য, ১১ বছর আগে ওয়াকফ বোর্ড (Waqf Board) ২০১৩ সালের জুলাই মাসে মধ্যপ্রদেশের বুরহানপুরে শাহ সুজা এবং নাদির শাহের সমাধির মালিকানা দাবি করে একটি বিজ্ঞপ্তি জারি করেছিল। সে সময় ওয়াকফ বোর্ডের সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে মামলা করেছিল আর্কিওলজিক্যাল সার্ভে অফ ইন্ডিয়া। সেই মামলারই শুনানির সময়, বিচারপতি আইনজীবীকে প্রশ্ন করেছিলেন, কিসের ভিত্তিতে সরকারের প্রাচীন সম্পত্তিকে ওয়াকফ সম্পত্তি হিসাবে দাবি করা হচ্ছে? যার জবাবে আইনজীবী বলেন, ”এটি একটি বিজ্ঞপ্তির ভিত্তিতে দাবি করা হয়েছে।”   

    আরও পড়ুন: ওয়াকফ সংশোধনী বিলে কেন্দ্রকে সমর্থন এনডিএ জোট সঙ্গীদের, কী বলল তারা?

    ক্ষুব্ধ বিচারপতির মন্তব্য 

    আইনজীবীর এই উত্তর শুনেই বিচারপতি ক্ষুব্ধ হয়ে পাল্টা বলেন, ”আমার শুধু একটা প্রশ্ন আছে… আগামিকাল যদি আগরওয়ালজির (যে কোনও একজন ব্যক্তি) সম্পত্তির ওপর বিজ্ঞপ্তি বের হয়, তাহলে সেটাও কি ওয়াকফ সম্পত্তি ঘোষণা করা হবে? তাহলে তো এবার ওয়াকফ বোর্ড (Waqf Board) যে কোনও সরকারি অফিসকে তার সম্পত্তি হিসাবে ঘোষণা করতে পারে!..”  

    এরপর মধ্যপ্রদেশ হাইকোর্ট বুরহানপরের ঐতিহাসিক স্মৃতিস্তম্ভগুলির উপর ওয়াকফ বোর্ডের (Waqf Board) সমস্ত দাবিকে বাতিল করেছে এবং ১৯০৪ সালে তৈরি প্রাচীন স্মৃতিস্তম্ভগুলিকে আইনের অধীনে সুরক্ষিত সম্পত্তি হিসাবে ঘোষণা করেছে৷ এছাড়াও আদালতের (Madhya Pradesh High Court) তরফে জানানো হয়েছে, ১৯৮৯ সালে জারি করা একটি বিজ্ঞপ্তি, আইনি অনুমতি ছাড়াই কোনও সম্পত্তিকে ওয়াকফ সম্পত্তি হিসাবে বৈধতা দিতে পারবে না৷ 
       

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Rice ATM: চাল চুরি, কালোবাজারি রুখতে অভিনব উদ্যোগ বিজেপির, ওড়িশায় চালু ‘রাইস এটিএম’

    Rice ATM: চাল চুরি, কালোবাজারি রুখতে অভিনব উদ্যোগ বিজেপির, ওড়িশায় চালু ‘রাইস এটিএম’

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ওড়িশার ভুবনেশ্বরে (Bhubaneswar) চাল বণ্টনের জন্য ভারতের প্রথম ‘রাইস এটিএম’ (Rice ATM) চালু করা হয়েছে। পাবলিক ডিস্ট্রিবিউশন সিস্টেম (পিডিএস)-এর অধীনে এই বণ্টন ব্যবস্থার প্রবাহকে আরও গতি প্রদান করার প্রয়াসে বৃহস্পতিবার এই এটিএম-এর সফল পূর্বক উদ্বোধন করা হয়েছে। তবে এই ‘রাইস এটিএম’ মেশিনটি মঞ্চেশ্বরের একটি গুদামে স্থাপনা করা হয়েছে। এই অনুষ্ঠানে রাজ্যের খাদ্য সরবরাহ ও উপভোক্তা বিষয়ক মন্ত্রী কৃষ্ণচন্দ্র পাত্র উপস্থিত ছিলেন। তিনি বলেছেন, “এক দেশ এক রেশন কার্ড প্রকল্পে এই ব্যবস্থা চালু করা হয়েছে।”

    ‘রাইস এটিএম’ কীভাবে কাজ করে (Rice ATM)?

    পিডিএস-এর আওতায় যোগ্য রেশন কার্ড (Rice ATM) ধারকদের মধ্যে চাল বিতরণের কাজকে সহজ করার জন্য রাইস এটিএম তৈরি করা হয়েছে। এই মেশিনটি জনপ্রতি ২৫ কেজি পর্যন্ত চাল বিতরণ করতে পারবে। প্রথমে গ্রাহকদের মেশিনের টাচস্ক্রিন ডিসপ্লেতে রেশন কার্ড নম্বর টাইপ করতে হবে। এরপর বায়োমেট্রিক যাচাইকরণ সম্পূর্ণ করতে হবে আর ঠিক তারপরেই এটিএম থেকে নির্ধারিত চাল বের হতে শুরু করবে। গ্রাহকদের জন্য চাল বিতরণের এই ব্যবস্থা সময়কে যেমন সাশ্রয় করবে, তেমনি বিতরণ কেন্দ্রে দীর্ঘ লাইনে অপেক্ষা করতে হবে না। আবার একই সঙ্গে চাল চুরি ও কালোবাজারি রোধ করতে ব্যাপক সহায়ক হবে।

    আরও পড়ুনঃ“ওরা হিন্দু, ওদের শেষ করে দাও”! মুসলিম যুবকদের প্রাণঘাতী হামলা, গুরুতর আহত ৪

    ‘এক দেশ এক রেশন কার্ড প্রকল্পের অধীন’

    ওড়িশার খাদ্য সরবরাহ ও উপভোক্তা বিষয়ক মন্ত্রী কৃষ্ণচন্দ্র পাত্র এই বিষয়ে বলেন, “রাইস এটিএম (Rice ATM) ভারতে এই প্রথম চালু করা হয়েছে। রাইস এটিএমের লক্ষ্য ভর্তুকিযুক্ত চালের কালোবাজারি রোধ করা। সুবিধাভোগীরা যে কোনও মানুষের সহযোগিতা ছাড়াই সঠিক পরিমাণে চাল পাবেন এবার থেকে। এই রাইস এটিএম প্রাথমিকভাবে ভুবনেশ্বরে (Bhubaneswar) চালু করা হল, এরপর রাজ্যের ৩০টি জেলায় প্রসারিত করা হবে। এই মডেলটি ‘এক দেশ এক রেশন কার্ড প্রকল্পে’র অধীনে, পরবর্তী সময়ে অন্যান্য রাজ্যেও প্রসারিত হবে। স্বয়ংক্রিয় চালের এটিএমের মাধ্যমে ভর্তুকিযুক্ত রেশন পেতে সহায়ক হবে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Waqf Amendment Bill: ওয়াকফ সংশোধনী বিলে কেন্দ্রকে সমর্থন এনডিএ জোট সঙ্গীদের, কী বলল তারা?

    Waqf Amendment Bill: ওয়াকফ সংশোধনী বিলে কেন্দ্রকে সমর্থন এনডিএ জোট সঙ্গীদের, কী বলল তারা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ওয়াকফ সংশোধনী বিলকে (Waqf Amendment Bill) বিরোধীরা যতই হইচই করুক না কেন, এই ইস্যুতে বিজেপিকে পূর্ণ সমর্থন জানাল এনডিএর সহযোগী দলগুলি (NDA)। তেলুগু দেশম পার্টি, শিবসেনা এবং লোক জনশক্তি পার্টি বৃহস্পতিবার লোকসভায় ওয়াকফ সংশোধনী বিলকে সমর্থন জানিয়েছে। সহযোগী দলগুলির দাবি, এতে ওয়াকফের কর্মপদ্ধতিতে স্বচ্ছতা আসবে। মসজিদ পরিচালনা কিংবা মুসলিমদের ধর্মীয় স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ করার কোনও উদ্দেশ্য নেই এই বিলে।

    জনতা দল ইউনাইটেডের সমর্থন (Waqf Amendment Bill)

    সংখ্যালঘু বিষয়ক মন্ত্রী কিরেন রিজিজু বৃহস্পতিবার ওয়াকফ সংশোধনী বিল (Waqf Amendment Bill) সংসদে পেশ করেন এবং বিরোধী দলগুলি এই বিলের প্রস্তাবিত সংশোধনের বিরোধিতা করে এবং একে যৌথ সংসদীয় কমিটিতে পাঠানোর প্রস্তাব করে। সরকার পক্ষ তা মেনে নেয়। সরকারের তরফে বিলটি লোকসভায় পেশ করার পর সাংসদদের বক্তৃতার সময়, (NDA) জনতা দল ইউনাইটেডের নেতা এবং কেন্দ্রীয় মন্ত্রী রাজীব রঞ্জন সিং ‘ললন’ জোর দিয়ে বলেন, “এই বিলটি কোনওভাবেই মুসলিম বিরোধী নয়। বিলের পক্ষে তিনি বলেন, “বেশ কয়েকজন সাংসদ দাবি করছেন, ওয়াকফ আইন সংশোধন মুসলিম বিরোধী। কিন্তু এটা কোনও ভাবেই মুসলিম বিরোধী নয়। এখানে অযোধ্যার উদাহরণ দেওয়া হচ্ছে। একটি মন্দির এবং প্রতিষ্ঠানের মধ্যে পার্থক্য বুঝতে পারছে না বিরোধীরা। এই বিলটি আইনে পরিণত হলে, ওয়াকফের কাজকর্মে স্বচ্ছতা আসবে। ওয়াকফ বোর্ড কিভাবে গঠিত হয়েছিল, তা সকলেই জানে।”

    বিল সম্পর্কের মন্ত্রীর অবস্থান

    সংসদে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বলেন, “আইনের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠিত কোনও প্রতিষ্ঠান স্বৈরাচারী হয়ে উঠলে, স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে আইন আনার অধিকার সরকারের রয়েছে। বিরোধী দলগুলির নিন্দা করে তিনি বলেন, “এক্ষেত্রে কোনও (Waqf Amendment Bill) সাম্প্রদায়িক বিভাজন নেই। বিরোধীরা গুজব ছড়াচ্ছেন।” ১৯৮৪ সালের শিখ-বিরোধী দাঙ্গা নিয়ে কংগ্রেসকে কটাক্ষ করে তিনি প্রশ্ন করেন, “কে হাজার হাজার শিখকে হত্যা করেছে?” বিল আসা উচিত এবং স্বচ্ছতা আনা উচিত,” জোরগলায় বলেন কিরেন।

    টিডিপি-র বক্তব্য (NDA)

    তেলুগু দেশম পার্টির (টিডিপি) সাংসদ জিএম হরিশ বালাযোগী জানিয়েছেন,  (Waqf Amendment Bill) বিলটি যৌথ সংসদীয় কমিটিতে পাঠানো হলে, তাঁর দল আপত্তি করবে না। তিনি স্পষ্ট ভাষায় বলেন,  “সরকার যে উদ্দেশ্য নিয়ে এই বিল এনেছে, আমি তার প্রশংসা করি। করদাতাদের উদ্দেশ্য রক্ষা করা দরকার।

    আরও পড়ুন: গরীব ও মুসলিম মহিলাদের ক্ষমতায়ণের জন্যই ওয়াকফ সংশোধনী, দাবি কেন্দ্রের

    যখন উদ্দেশ্য এবং ক্ষমতার অপব্যবহার হয়, তখন সংস্কার আনা এবং ব্যবস্থায় স্বচ্ছতা প্রবর্তন করা সরকারের দায়িত্ব। ”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Paris Olympics 2024: এল ব্রোঞ্জ পদক, প্যারিস অলিম্পিক্সে পুনর্জন্ম ভারতীয় হকির, কোন পথে সাফল্য?

    Paris Olympics 2024: এল ব্রোঞ্জ পদক, প্যারিস অলিম্পিক্সে পুনর্জন্ম ভারতীয় হকির, কোন পথে সাফল্য?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অলিম্পিক্সে ফের বাজিমাত। প্যারিস অলিম্পিক্স (Paris Olympics 2024) হকিতে ব্রোঞ্জ আনল ভারতীয় পুরুষ দল। এ দিন ব্রোঞ্জের ম্যাচে স্পেনের বিরুদ্ধে পিছিয়ে পড়েও ২-১ ব্যবধানে জিতে যায় ভারত। এর আগে টোকিও অলিম্পিক্সেও ব্রোঞ্জ এসেছিল ভারতীয় হকি দলের (Indian Hockey Team) ঝুলিতে। এবার প্যারিসও ব্রোঞ্জ এল। একই সঙ্গে এবারের অলিম্পিক্সে চতুর্থ পদক জিতে নিল ভারত। হকিতে অলিম্পিক্সের মঞ্চে এই নিয়ে ১৩তম পদক জিতে নিল ভারতীয় হকি দল। ১৯৬৮ ও ১৯৭২ পরপর দুবার অলিম্পিক্সে পদক জিতেছিল ভারত।  এর পর ৫২ বছর পর ফের টানা দুটো অলিম্পিক্সে পদক জিতল টিম ইন্ডিয়া। 

    পুনর্জন্ম ভারতীয় হকির (Indian Hockey Team) 

    স্বাধীনতার আগে এবং পরে হকিতে ভারতের অভূতপূর্ব সাফল্য নজর এড়ায়নি কারওরই। বেশির ভাগ খেলার মতো এটিও ব্রিটিশদের থেকেই শিখেছিল ভারত। তবে ভারতীয়েরা এটি রপ্ত করে নিয়েছিলেন নিজের মতো করে। অলিম্পিক্সে কোনও খেলাধুলোয় ভারতের সর্বাধিক সাফল্য বলতে গেলে সবার আগে আসবে হকির নাম। ক্রিকেট নয়, ভারতকে সর্বপ্রথম গোটা বিশ্বে পরিচিতি দিয়েছিল যে খেলা, তা হকি। তবে এই খেলায় একচ্ছত্র আধিপত্য দেখানোর পর সত্তরের দশক থেকে ভারত হকিতে দুর্বল হতে শুরু করে। ১৯৮০ সালে শেষ বার সোনা। তারপরে ৪১ বছরের খরা কাটিয়ে টোকিয়োয় পদক জয়। আর এবার প্যারিসের সাফল্য প্রমাণ করল, ভারতীয় হকি আবার ঠিক দিকেই এগোচ্ছে। খেলাধুলোর টেকনিক্যাল দিকগুলির কথা বাদ দিলে বলতে হয়, আত্মবিশ্বাস ফিরিয়ে আনাই ভারতের সাফল্যের অন্যতম কারণ। 

    কোন পথে এল সাফল্য? (Paris Olympics 2024) 

    প্যারিসে যাওয়ার আগে ভারতীয় দল তিন দিন কাটিয়ে এসেছে আল্পস পর্বতে। বিখ্যাত অভিযাত্রী মাইক হর্নের অনুপ্রেরণা শুনেছেন মনপ্রীত সিংরা। জীবনের কঠিনতম সময়েও কী ভাবে বেঁচে থাকা যায়, সেই গল্প তিরের মতো গেঁথে যায় প্রত্যেকের হৃদয়ে। সঙ্গে ছিলেন মনোবিদ প্যাডি আপটন। দু’জনেই অতীতে ভারতীয় ক্রিকেট দলের হয়ে কাজ করেছেন। হকিতে এই জুটি ভারতীয় খেলোয়াড়দের আত্মবিশ্বাসই বদলে দিয়েছে। 

    আরও পড়ুন: জীবনের সেরা থ্রো করেও অধরা সোনা, রুপো জয়ের পর নীরজকে শুভেচ্ছা মোদির

    প্রধানমন্ত্রীর ফোন 

    পদক (Paris Olympics 2024) জয়ের পরই নরেন্দ্র মোদি ফোনে কথা বলেন ভারতীয় হকি টিমের সঙ্গে। হরমনপ্রীতকে ফোনে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘কাপ্তান সাহাব’, শুরুতেই এই কথা শুনে মুখে গর্বের হাসি খেলে যায় হরমনপ্রীত সিংয়ের। সতীর্থরাও হেসে ওঠেন। ভারতীয় হকি টিমের ক্যাপ্টেন হরমনপ্রীত সিং মোদির এ কথাতে যেন একটু লজ্জাও পেলেন। প্রধানমন্ত্রী এদিন আরও যোগ করেন, ”আপনার নেতৃত্ব এবং পুরো টিমের চেষ্টাতেই পদক এসেছে। আমার সম্পূর্ণ বিশ্বাস রয়েছে, হকিতে আমাদের যে সোনালি অধ্যায় ছিল, তা আবারও আপনারা ফেরাতে চলেছেন।” 

    খেলোয়াড়দের জন্য নগদ পুরস্কার ঘোষণা 

    উল্লেখ্য, প্যারিস অলিম্পিকে (Paris Olympics 2024) ভারতীয় খেলোয়াড়দের ব্রোঞ্জ পদক জয়ের স্বীকৃতিস্বরূপ পুরুষ হকি দলের খেলোয়াড়ের জন্য ১৫ লাখ টাকা এবং সাপোর্ট স্টাফেদের প্রতিটি সদস্যের জন্য ৭.৫ লাখ টাকা নগদ পুরস্কার ঘোষণা করেছে হকি ইন্ডিয়া। এ প্রসঙ্গে হকি ইন্ডিয়ার সেক্রেটারি জেনারেল ভোলা নাথ সিং বলেছেন, “ভারতীয় পুরুষ হকি দল আবারও প্যারিসে তাদের অসাধারণ কৃতিত্বের মাধ্যমে দেশকে গর্বিত করেছে। দলের একতা, দক্ষতা এবং অধ্যবসায় সারা দেশের লাখ লাখ হকি ভক্তদের জন্য আনন্দ নিয়ে এসেছে। আমি ক্যাপ্টেন হরমনপ্রীত সিং, কিংবদন্তী পিআর শ্রীজেশ এবং পুরো হকি স্কোয়াডকে তাদের ঐতিহাসিক কৃতিত্বের জন্য আন্তরিক অভিনন্দন জানাতে চাই। ভারতে হকির আরও উন্নতির জন্য আমরা সব সময় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।”   

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Tiger: ভারতের তৃতীয় বৃহত্তম ব্যাঘ্র সংরক্ষণ কেন্দ্র হবে ছত্তিশগড়ে, ছাড়পত্র দিল বিজেপি সরকার

    Tiger: ভারতের তৃতীয় বৃহত্তম ব্যাঘ্র সংরক্ষণ কেন্দ্র হবে ছত্তিশগড়ে, ছাড়পত্র দিল বিজেপি সরকার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ছত্তিশগড়ে (Chhattisgarh) ভারতের তৃতীয় বৃহত্তম ব্যাঘ্র (Tiger) সংরক্ষণ কেন্দ্র হবে। বিগত কংগ্রেস সরকারের আমলে এই প্রকল্প দীর্ঘদিন আটকে ছিল। এবার রাজ্যের বিজেপি সরকার তাতে অনুমোদন দিয়েছে। বন্যপ্রাণী ও পরিবেশপ্রেমীরা সরকারের এই সিদ্ধান্তে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন। বর্তমানে অন্ধ্রপ্রদেশের নাগার্জুন সাগর শ্রীশৈলম টাইগার রিজার্ভ ভারতের বৃহত্তম ব্যাঘ্র সংরক্ষণ কেন্দ্র। ঠিক তার পরেই রয়েছে অসমের মানস টাইগার রিজার্ভ কেন্দ্র। এটি আনুমানিক ২৮৩৭.১৫ বর্গ কিলোমিটার এলাকার।

    ২৮২৯.৩৮০ বর্গ কিমি জমি বরাদ্দ (Tiger)

    রাজ্যের (Chhattisgarh) মুখ্যমন্ত্রী বিষ্ণু দেও সাইয়ের নেতৃত্বে মন্ত্রিসভা গুরু ঘাসীদাস-তামর পিংলা টাইগার (Tiger) রিজার্ভের জন্য মোট ২৮২৯.৩৮০ বর্গ কিমি জমি বরাদ্দ করেছে। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “ব্যাঘ্র সংরক্ষণ কেন্দ্র গঠনের জন্য দেওয়া অঞ্চলটি বেশ সুরক্ষিত। এখানকার প্রাকৃতিক পরিবেশ এবং আবাসস্থল বাঘের জন্য ভীষণ উপযুক্ত। ফলে বাঘের সংখ্যা দ্রুত বৃদ্ধি পাবে বলে আশা করা হচ্ছে। গুরু ঘাসীদাস জাতীয় উদ্যান এবং তামোর পিংলা অভয়ারণ্যের অঞ্চলগুলিকে একত্রিত করে নতুন ব্যাঘ্র অভয়ারণ্য কেন্দ্র প্রতিষ্ঠিত হবে। একই ভাবে মানেন্দ্রগড়-চিরমিরি-ভরতপুর, কোরিয়া, সুরাজপুর এবং বলরামপুর জেলাগুলি অন্তর্ভুক্ত করা হবে।”

    আরও পড়ুনঃ হিন্দুদের নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করার আহ্বান, ইউনূসকে শুভেচ্ছা মোদির

    সর্বশেষ গণনায় বাঘের সংখ্যা রাজ্যে ১৭

    ভারতে যাতে বাঘের (Tiger) সংখ্যা বৃদ্ধি পায়, তা নিয়ে কেন্দ্রীয় সরকারের পক্ষ থেকে একাধিক প্রকল্পের বাস্তবায়নের চেষ্টা করা হচ্ছে। দেশের তৃতীয় বৃহত্তম ব্যাঘ্র সংরক্ষণ অভয়ারণ্য কেন্দ্র হিসেবে ছত্তিশগড়কে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। আর তাই এই রাজ্যের বিজেপি সরকার দেশে বাঘের সংখ্যা বৃদ্ধির প্রচেষ্টাকে সামনে রেখে প্রকল্পের ছাড়পত্র দিয়েছে। উল্লেখ্য আগেই ন্যাশনাল টাইগার কনজারভেশন অথরিটির পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রক অনুমোদন দিয়েছে। এবার এই প্রকল্পের বাস্তবায়নে আর কোনও বাধা রইল না।

    বিগত কয়েক বছরে ক্রমেই ছত্তিশগড়ে বাঘের সংখ্যা হ্রাস পাচ্ছিল। এই পটভূমিতে সরকারের অনুমোদন অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক বলে মনে করছে পরিবেশ বিজ্ঞানীদের একাংশ। সর্বশেষ গণনার প্রতিবেদন অনুযায়ী এই রাজ্যে বাঘের সংখ্যা মাত্র ১৭। অথচ ২০১৪ সালের গণনায় এই সংখ্যা ছিল ৪৬। ফলে ব্যাঘ্র বিশেষজ্ঞদের কপালে চিন্তার ভাঁজ পড়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Ramakrishna 98: “তাঁর কাছে জোর কর, তিনি তো পর নন, তিনি আপনার লোক”

    Ramakrishna 98: “তাঁর কাছে জোর কর, তিনি তো পর নন, তিনি আপনার লোক”

    সিঁথি ব্রাহ্মসমাজ-দর্শন ও শ্রীযুক্ত শিবনাথ প্রভৃতি ব্রাহ্মভক্তদিগের সহিত কথোপকথন ও আনন্দ

    তৃতীয় পরিচ্ছেদ

    ক্লৈব্যং মাস্ম গমঃ পার্থ নৈতিৎ ত্বয্যুপপদ্যতে

      ক্ষুদ্রং হৃদয়দৌর্বল্যং ত্যক্তোত্তিষ্ঠ পরন্তপ।।

    গীতা—২/৩/

    শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna)—ভক্তির তমঃ যার হয়, তার বিশ্বাস জ্বলন্ত। ঈশ্বরের কাছে সে রূপ ভক্ত জোর করে। যেন ডাকাতি করে ধন কেড়ে লওয়া। মারো কাটো বাঁধো! এইরূপ ডাকাত-পড়া ভাব।

    ঠাকুর ঊর্ধব দৃষ্টি, তাঁহার প্রেমরসাভিসিক্ত কণ্ঠে গাহিতেছেনঃ (Kathamrita)

    গয়া গঙ্গা প্রভাসাদি কাশী কাঞ্চী কেবা চায়।

    কালী কালী কালী বলে আমার অজপা যদি ফুরায়।।

    ত্রিসন্ধ্যা যে বলে কালী, পূজা সন্ধ্যা সে কি চায়।

    সন্ধ্যা তার সন্ধানে ফেরে, কভু সন্ধি নাহি পায়।।

    দয়া ব্রত দান আদি, আর কিছু না মনে লয়।

    মদনের যাগযজ্ঞ, ব্রহ্মময়ীর রাঙা পায়।।

    কালীনামের এত গুণ, কেবা জানতে পারে তায়।

    দেবাদিদেব মহাদেব, যাঁর পঞ্চমুখে গুণ গায়।।

    ঠাকুর ভাবোন্মত্ত, যেন অগ্নিমন্ত্রে দীক্ষিত হইয়া গাহিতেছেনঃ

    নামমাহাত্ম্য ও পাপ—তিন প্রকার আচার্য

    আমি দুর্গা দুর্গা বলে মা যদি মরি।

    আখেরে এ-দীনে, না তারো কেমনে, জানা (Kathamrita) যাবে গো শঙ্করী।

    কি! আমি তাঁর না করেছি—আমার আবার পাপ! আমি তাঁর ছেলে। তাঁর ঐশ্বর্যের অধিকারী! এমন রোখ হওয়া চাই!

    তমোগুণকে মোড় ফিরিয়ে দিলে ঈশ্বরলাভ (Ramakrishna) হয়। তাঁর কাছে জোর কর, তিনি তো পর নন, তিনি আপনার লোক। আবার দেখ, এই তমোগুণকে পরের মঙ্গলের জন্য ব্যবহার করা যায়। বৈদ্য তিনপ্রকার। উত্তম বৈদ্য, মধ্যম বৈদ্য, অধম বৈদ্য। যে বৈদ্য এসে নাড়ী টিপে ঔষধ খেও হে এই কথা বলে চলে যায়, সে-অধম বৈদ্য—রোগী খেলে কিনা এ-খবর সে লয় না। যে বৈদ্য রোগীকে ঔষধ খেতে অনেক করে বুঝায়—যে মিষ্ট কথাতে বলে, ওহে ঔষধ না খেলে কেমন করে ভাল হবে। লক্ষ্মীটি খাও, আমি নিজে ঔষধ মেড়ে দিচ্ছি খাও—সে মধ্যম বৈদ্য। আর যে বৈদ্য, রোগী কোনও মতে খেলে না দেখে বুকে হাঁটু দিয়ে, জোর করে ঔষুধ খাইয়ে দেয়—সে উত্তম বৈদ্য। এই বৈদ্যের তমোগুণ, এ-গুণে রোগীর মঙ্গল হয়, অপকার হয় না।

     

    আরও পড়ুনঃ “সংসারীর তমোগুণের লক্ষণ—নিদ্রা, কাম, ক্রোধ, অহংকার”

    আরও পড়ুনঃ “বিবেক, বৈরাগ্যরূপ হলুদ মাখলে তারা আর তোমাকে ছোঁবে না”

    আরও পড়ুনঃ “ধ্যান করবার সময় তাঁতে মগ্ন হতে হয়, উপর উপর ভাসলে কি জলের নিচে রত্ন পাওয়া যায়?”

    আরও পড়ুনঃ “পশ্চিমে বিবাহের সময় বরের হাতে ছুরি থাকে, বাংলাদেশে জাঁতি থাকে”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Bangladesh Crisis: ‘‘ধর্ষণ করছে, মেরে ফেলার হুমকিও দিচ্ছে’’, বাংলাদেশি হিন্দু নারীদের মুখে দুর্দশার কথা

    Bangladesh Crisis: ‘‘ধর্ষণ করছে, মেরে ফেলার হুমকিও দিচ্ছে’’, বাংলাদেশি হিন্দু নারীদের মুখে দুর্দশার কথা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শেখ হাসিনা পদত্যাগ করার পর থেকেই বাংলাদেশের পরিস্থিতি (Bangladesh Crisis) যেন ক্রমাগত খারাপ হচ্ছে। বর্তমানে দেশের দখল নিয়েছে সেনাবাহিনী। কিন্তু তাতে অবস্থার যে খুব একটা উন্নতি হয়েছে এমনটা নয়। দেশজুড়ে সংখ্যালঘু হিন্দুদের বাড়িঘর, মন্দির এবং ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে হামলা চালানো হয়েছে। এমনকী, বর্বরোচিত অত্যাচারের হাত থেকে বাদ যাননি হিন্দু সম্প্রদায়ের মহিলারাও (Hindu women in Bangladesh)। জানা গিয়েছে, বাংলাদেশের হিন্দু নারীদের ওপর ব্যপক অত্যাচার চলছে। শ্লীলতাহানি ও ধর্ষণের মত অভিযোগও উঠেছে। 

    হিন্দু সম্প্রদায়ের মহিলাদের ওপর অত্যাচার (Bangladesh Crisis)

    এই চরম অস্থিরতার সময় বাংলাদেশি হিন্দু নারীদের ওপর যেভাবে অত্যাচার চলেছে এবার সেই প্রসঙ্গে মুখ খুললেন নির্যাতিতারা। ৮ অগাস্ট স্যোশাল মিডিয়ায় শেয়ার করা একটি ভিডিওতে বাংলাদেশের পিরোজপুর জেলার বিভিন্ন এলাকার বেশ কয়েকজন হিন্দু মহিলা (Hindu women in Bangladesh) তাঁদের দুর্দশার কথা বর্ণনা করেছেন। তাঁদের মধ্যে একজন ভুক্তভোগী বলেন, ”ওরা তলোয়ার ও ধারালো অস্ত্র নিয়ে এসেছিল। বাড়ি থেকে সব নিয়ে গেছে। প্রাণ বাঁচানোর জন্য, আমাদের কাছে যা ছিল সবই দিয়েছি।” আরেক মহিলা বলেন, ”রাতে, ওরা এসেছিল। আমাদের বাড়িঘর ভাংচুর করে সবকিছু লুট করে নিয়ে গেছে। আমি লুকিয়ে ছিলাম। কিন্তু ওরা আমার ভাইয়ের স্ত্রীকে ধরে অন্য ঘরে নিয়ে যায়। তাঁকে ধর্ষণ করে। পরে আমরা তাঁকে উদ্ধার করি। সে সময় তাঁর মুখ কাপড় দিয়ে বাঁধা ছিল। ওরা তাঁর গলা কেটে ফেলতে চেয়েছিল। ওকে বাঁচানোর জন্য আমরা আমাদের সব সোনার গয়না দিয়ে দিয়েছি।”     

    অন্যদিকে, তৃতীয় আরেক মহিলা (Hindu women in Bangladesh) অনুরূপ ঘটনার বর্ণনা দিয়ে বলেছেন, ”আমরা রাতে ঘুমাচ্ছিলাম। তখনই ওরা এসেছিল। ওদের সঙ্গে অস্ত্রশস্ত্র ছিল। ওরা আমাদেরকে সতর্ক করে বলেছিল, ‘আমাদের পঞ্চাশ জন লোক তোমার বাড়ি ঘেরাও করে রেখেছে, তোমার পালানোর কোনও পথ নেই।’ এরপর ওরা সবকিছু লুট করেছে। আমাকে ধরে বিছানায় নিয়ে গিয়ে মেরে ফেলার হুমকিও দেয়। আমি তাদের কাছে অনুরোধ করেছিলাম যে হয় আমাকে রেহাই দাও অথবা আমাকে মেরে ফেলো। এরপর ওরা আমাকে কান্না থামানোর জন্য হুমকি দিতে থাকে। আমাদের কাছে যা কিছু মূল্যবান জিনিসপত্র ছিল সব দিতে বলেছিল ওরা। নিজের প্রাণ বাঁচাতে তাই আমি বাধ্য হয়ে আমার সমস্ত গয়না ওদের দিয়ে দিয়েছিলাম। সেসব নিয়ে বাড়ি থেকে চলে যায় ওরা।” 

    হিন্দুদের ওপর হামলা অব্যাহত, ভাঙচুর মন্দিরে (Bangladesh Crisis)

    প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পদত্যাগ করার পর বাংলাদেশের পরিস্থিতি অন্যদিকে মোড় নিতে শুরু করেছে। অশান্তির সঙ্গে সঙ্গে এবার সাম্প্রদায়িক সংঘর্ষের অভিযোগ ও উঠতে শুরু করেছে। হিন্দু মহিলাদের নির্যাতনের পাশাপাশি জলছে সংখ্যালঘুদের ঘর। একাধিক মন্দিরে ও হামলা চালানো হয়েছে। এ প্রসঙ্গে বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদ দাবি করে, সেদেশের ২৯টি জেলায় সংখ্যালঘুদের ওপরে হামলা চালানো হয়েছে। অরাজনৈতিক সাধারণ মানুষের বাড়ি, ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানে ভাঙচুর চালানো হয়েছে বলে অভিযোগ। ভাঙা হয়েছে মন্দিরও।  

    জানা গিয়েছে, নাটোর, ঢাকার ধামরাই, পটুয়াখালির কলাপাড়া, শরিয়তপুর ও ফরিদপুরের একাধিক মন্দিরে ভাঙচুর (Bangladesh Crisis) করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে ফেনি শহরের দুর্গামন্দির, দিনাজপুরের পার্বতীপুর কালীমন্দির সহ আরও পাঁচটি মন্দির, যেখানে হামলা ও ভাঙচুর করা হয়। এছাড়াও ঠাকুরগাঁওয়ের পীরগঞ্জের ২ নম্বর ইউনিয়নের শ্মশান মন্দিরে হামলা চালিয়ে অগ্নিসংযোগ করা হয় এবং নেত্রকোনা শহরে রামকৃষ্ণ মিশন এবং ইস্কন মন্দিরে ভাঙচুর চালায় বিক্ষোভকারীরা। পুড়িয়ে ছাই হয়ে যায় জগন্নাথ বিগ্রহ। একইসঙ্গে যশোর, নোয়াখালি, মেহেরপুর, চাঁদপুর ও খুলনার একাধিক বাড়িঘরে হামলা চলেছে। 

    এমনকী, দিনাজপুরে হিন্দুদের ৪০টি দোকান ভাঙচুর করা হয়। যশোরে অন্তত ৫০টি হিন্দু বাড়িতে হামলা চালায় উন্মত্ত জনতা। ভাঙচুর, লুটপাট, ডাকাতির মতো ঘটনার পর আগুন লাগিয়ে দেওয়া হয় বাড়িগুলিতে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, দোকানে ভাঙচুর করে মালপত্র লুট করা হয়। এহেন পরিস্থিতিতে সংখ্যালঘুদের আশ্বস্ত করতে জেলায়-জেলায় হেল্পলাইন নম্বর চালু করেছে বাংলাদেশ সেনা। 

    ভারত আসতে চাইছেন বাংলাদেশি হিন্দুরা

    এদিকে, সংখ্যালঘুদের ওপর হামলার ঘটনার (Bangladesh Crisis) পরেই আতঙ্কে ভারত বাংলাদেশ বর্ডারের কাছে বহু বাংলাদেশি জড়ো হয়েছিলেন বলে খবর।  বুধবার দুপুর ১ টা নাগাদ প্রায় ৩০০ বাংলাদেশি ভারতে অনুপ্রবেশ করার চেষ্টা করেন। তবে কাঁটাতার পেরিয়ে বাংলাদেশ থেকে ভারতে আসার আগেই তাদের আটকে দিতে সক্ষম হয়েছে বিএসএফ। শরণার্থীদের নিজেদের দেশে ফিরে যেতে অনুরোধ করলে শরণার্থীরা জানান, বিএসএফ পারলে গুলি করে তাঁদের মেরে দিক, কিন্তু তাঁরা দেশে ফিরে যাবেন না। এ প্রসঙ্গে, হলদিবাড়ি ছিটমহলের বাসিন্দা জয়প্রকাশ রায় বলেন, ‘‘মহিলারা আর্তনাদ করছেন। বাঁচান বাঁচান বলে চিৎকার করছেন। একটু আশ্রয় চাইছেন। এ দৃশ্য দেখা যায় না!’’ 

    আরও পড়ুন: ‘‘বাঁচান, আশ্রয় দিন…’’! ভারত-সীমান্তে ভিড় বাংলাদেশি শরণার্থীদের, রুখল বিএসএফ

    কী জানাল ভারতের বিদেশমন্ত্রক?   

    বাংলাদেশে সংখ্যালঘুদের উপর অত্যাচার (Bangladesh Crisis)প্রসঙ্গে ভারতের বিদেশমন্ত্রকের তরফে বলা হয়েছে যে, গোটা বিষয়গুলি সম্পর্কে কেন্দ্র অবগত। একাধিক পদক্ষেপ করা হয়েছে। তবে আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি পুরোটা না ফেরা পর্যন্ত উদ্বেগ রয়েছে। আইন ও সরকারের দায়িত্ব হল সমস্ত নাগরিকদের সুরক্ষা যাতে বজায় থাকে। এটা সেই দেশের স্বার্থরক্ষার জন্য দরকার। বৃহত্তরক্ষেত্রে এটা দরকার। 

    বাংলাদেশের এই পরিস্থিতি প্রসঙ্গে বিজেপি নেতা দিলীপ ঘোষ মন্তব্য করে বলেন, ”কোনও ইসলামিক দেশে গণতন্ত্র সফল হয় না, এটা তার প্রমাণ। কিছু গণ্ডগোল হলেই ওখানে হিন্দুদের ওপরে অত্যাচার হয়। তারা পালিয়ে আসেন। আবার সেটা হচ্ছে। কিন্তু তাঁদের হয়ে কেউ কথা বলছে না। কেউ জামাতিদের কথা বলছে, কেউ স্বৈরতন্ত্রের কথা বলছে। বাংলাদেশে হিন্দুদের ওপর অত্যাচার হলে এখানে তার প্রতিক্রিয়া হওয়ার সম্ভবনা রয়েছে। বাংলাদেশের জনগণের সেখানে সরকার বদলের অধিকার রয়েছে। কিন্তু তা বলে প্রতিবার সরকার বদলের সঙ্গে সঙ্গে হিন্দুদের ওপর অত্যাচার বন্ধ করতে হবে।” 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Delhi Police: স্বাধীনতা দিবসের আগে ১৫ জঙ্গির ছবি প্রকাশ দিল্লি পুলিশের, সঙ্গে পুরস্কার ঘোষণা

    Delhi Police: স্বাধীনতা দিবসের আগে ১৫ জঙ্গির ছবি প্রকাশ দিল্লি পুলিশের, সঙ্গে পুরস্কার ঘোষণা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: স্বাধীনতা দিবস উদযাপনের আগে, দেশের রাজধানীতে নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে আরও জোরদার করেছে দিল্লি পুলিশ (Delhi Police)। তারই অঙ্গ হিসেবে শহরজুড়ে কুখ্যাত আল কায়দা এবং খালিস্তানি জঙ্গিদের নাম ও ছবি সমেত পোস্টার সাঁটিয়ে দেওয়া হয়েছে। সন্ত্রাসীদের ধরতে পুলিশের এই কৌশল বিশেষ সহায়ক হবে বলে মনে করা হচ্ছে। তাই সাধারণ মানুষকে তথ্য দেওয়ার জন্য উৎসাহিত করা হয়েছে। সন্ত্রাস দমনে এই প্রচেষ্টাকে সাধুবাদ জানিয়েছেন দিল্লিবাসীর একাংশ।

    ছয়জন আল-কায়দা জঙ্গির তল্লাশি (Delhi Police)

    দিল্লি পুলিশ (Delhi Police) বলেছে, “যাঁরা সন্ত্রাসীদের সম্পর্কে কোনও তথ্য দিতে এগিয়ে আসবেন, তাঁদের উপযুক্ত সম্মানে সম্মানিত করা হবে। তবে তথ্যদাতাদের নাম গোপন রাখা হবে। জনগণের মধ্যে সচেতনতা বাড়াতে এবং সন্ত্রাসীদের ধরপাকড় করতে এই ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।” খান মার্কেটের মহিলা পুলিশ থানার ভারপ্রাপ্ত সাব-ইন্সপেক্টর কোমল শাক্য বলেন, “নাগরিকদের মধ্যে সচেতনতা তৈরির জন্য এটি করা হয়েছে। এখন পোস্টারে মোট পনেরো জন সন্ত্রাসীকে চিহ্নিত করে নাম ও ছবি প্রকাশ করা হয়েছে। উল্লেখ্য তাদের মধ্যে ছয়জন আল-কায়দার সঙ্গে যুক্ত। দেশের নিরাপত্তার কথা ভেবে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।”

    আরও পড়ুনঃলোকসভায় পেশ ওয়াকফ সংশোধনী বিল, কী কী নতুন বৈশিষ্ট্য আছে?

    পাঞ্জাবের ২৮টি জেলায় চলছে তল্লাশি

    দিল্লি পুলিশের (Delhi Police) সঙ্গে পাঞ্জাব পুলিশও অত্যন্ত সক্রিয় হয়ে সন্ত্রাস-বিরোধী অভিযানে নেমে পড়েছে। পাঞ্জাব পুলিশের ডিজিপি গৌরব যাদবের নির্দেশে ২৮টি পুলিশ জেলায় একযোগে দুপুর ১টা থেকে বিকাল ৩টে পর্যন্ত অভিযান চালানো হয়েছে। সন্দেহজনক এলাকাগুলিতে কুকুরদের সহায়তায় তল্লাশি চালানোর কথা বলে এসপি পদমর্যাদার কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। একইসঙ্গে পুলিশের টিমগুলি নিজ নিজ জেলার সমস্ত বাসস্ট্যান্ডে পুঙ্খানুপুঙ্খ তল্লাশি অভিযান চালাবে বলে জানানো হয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Odisha: বাংলাদেশি অবৈধ অনুপ্রবেশ আটকাতে সমুদ্র উপকূলে নিরাপত্তা আঁটসাঁট করল ওড়িশা

    Odisha: বাংলাদেশি অবৈধ অনুপ্রবেশ আটকাতে সমুদ্র উপকূলে নিরাপত্তা আঁটসাঁট করল ওড়িশা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশিদের অবৈধ অনুপ্রবেশ প্রতিরোধ করতে ওড়িশা (Odisha) উপকূল বরাবর নিরাপত্তা বৃদ্ধি করেছে ওড়িশা সরকার। সমুদ্র উপকূলে ৪৮০ কিলোমিটার পর্যন্ত এলাকায় নজরদারি বৃদ্ধি করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। অশান্ত-বিধ্বস্ত বাংলাদেশ থেকে বিশেষ করে অপরাধীদের অবৈধ প্রবেশ ঠেকাতে এই সিদ্ধান্ত।

    ছোট নৌকা ব্যবহার করে হতে পারে অনুপ্রবেশ (Odisha)

    ওড়িশা পুলিশের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (আইন শৃঙ্খলা) সঞ্জয় কুমার বলেছেন, “বাংলাদেশ উপকূল থেকে ওড়িশা প্রায় ২০০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত। ওই দেশ থেকে অবৈধভাবে অনুপ্রবেশকারীরা (Bangladeshis) ছোট নৌকা ব্যবহার করে এই রাজ্যে প্রবেশ করতে পারে। আবার বিভিন্ন মাধ্যমে প্রাপ্ত তথ্যে জানা গিয়েছে, বাংলাদেশে অস্থিরতার সময়, অনেক থানা এবং কারাগারে হামলা চালিয়েছিল দুষ্কৃতীরা। বহু অপরাধীকে কারাগার ভেঙে মুক্ত করে দেওয়া হয়েছে। ফলে ঘোষিত দুষ্কৃতীরা নাশকতা মূলক উপাদান নিয়ে ভারতে ঢোকার চেষ্টা করতে পারে। তাই ভারতের নিরাপত্তা এবং সুরক্ষার কথা ভেবে উপকূলের দিকে নজরদারি রাখা হয়েছে।”

    কোস্টগার্ড ও নৌবাহিনীর নজরদারি

    এডিজি (Odisha) সঞ্জয় কুমার আরও বলেছেন, “আমরা ১৮টি মেরিন পুলিশ স্টেশনকে হাই অ্যালার্টে রেখেছি। এডিজির পক্ষ থেকে উপকূলের নিরাপত্তার জন্য একটি নিয়ন্ত্রণ কক্ষও খোলা হয়েছে। একাধিক স্থানে সুরক্ষাকর্মী, নৌকা এবং অন্যান্য সরঞ্জাম মোতায়েন করা হয়েছে। পুলিশ উপকূলের কোস্টগার্ড ও নৌবাহিনীর সঙ্গে ইতিমধ্যে যোগাযোগ রেখে চলেছে। তবে আমাদের সীমান্ত ভারত ও বাংলাদেশ-বিরোধী কার্যকলাপের জন্য ব্যবহার করা উচিত নয়। অতিরিক্ত তথ্য পেতে আমরা সোশ্যাল মিডিয়া এবং অন্যান্য চ্যানেলগুলিতে নিবিড় নজর রাখছি।”

    আরও পড়ুনঃ ‘‘কুস্তির কাছে আমি হেরে গেলাম’’, ক্ষমা চেয়ে অবসর ঘোষণা বিনেশ ফোগাটের

    উপকূলরেখার গ্রামগুলিতে চলছে নজরদারি

    রাজ্য (Odisha) সরকার সমস্ত উপকূলীয় জেলার পুলিশ সুপারদের টহলদারি জোরদার করতে বলেছে। বিশেষ করে রাতের বেলায় অবৈধ অনুপ্রবেশকারীদের (Bangladeshis) প্রবেশ রোধে নজর দেওয়া হয়েছে। কেন্দ্রপাড়া, জগৎসিংহপুর এবং ভদ্রকের মতো জেলাগুলিতে এই আশঙ্কা সব থেকে বেশি। পাশাপাশি জেলা প্রশাসন, রাজস্ব দফতর এবং বন দফতরের আধিকারিকদের উপকূলরেখার কাছাকাছি গ্রামে মানুষের চলাচলের উপর নজর রাখতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • PM Modi: শনিবার ধস-বিধ্বস্ত ওয়েনাড় যাচ্ছেন মোদি, খতিয়ে দেখবেন হাল হকিকত

    PM Modi: শনিবার ধস-বিধ্বস্ত ওয়েনাড় যাচ্ছেন মোদি, খতিয়ে দেখবেন হাল হকিকত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে ধস-বিধ্বস্ত ওয়েনাড়ে (Wayanad Landslide) যাবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। শনিবার তিনি ক্ষতিগ্রস্ত অঞ্চল পরিদর্শন করবেন বলে সূত্রের খবর। এ পর্যন্ত কেরলের পাহাড় ঘেরা এই অঞ্চলে ৪১৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। বিশেষ বিমানে প্রধানমন্ত্রী নয়াদিল্লি থেকে কান্নুর বিমানবন্দরে পৌঁছবেন তিনি। সেখান থেকে (PM Modi) হেলিকপ্টারে ওয়েনাড় পরিদর্শন করবেন বলে জানা যাচ্ছে।  

    রাজ্য সরকারের সঙ্গে আলোচনা করবেন প্রধানমন্ত্রী (Wayanad Landslide)

    ভূমিধসের পর, নিখোঁজ ব্যাক্তিদের খোঁজে অনুসন্ধান দশম দিনে পৌঁছল। বৃহস্পতিবার অনুসন্ধান অভিযানগুলি সানরাইজ ভ্যালিতে কেন্দ্রীভূত করা হয়। জীবিত কিংবা মৃতদের খোঁজার কাজ ত্বরাণ্বিত করতে অনুসন্ধানকারী পুলিশ কুকুরের দলকে কাজে লাগানো হচ্ছে। সামগ্রিক এলাকা ছয় ভাগে বিভক্ত করে চুরামালা, মুন্ডাকাই ও সামালিমাত্তম এলাকায় নিয়মিত অনুসন্ধান চালানো হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী (PM Modi) সফরের সময় ক্ষতিগ্রস্তদের অবস্থা মূল্যায়ন করবেন এবং বেলি ব্রিজ হয়ে চুরামালা সহ ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শন করবেন বলে ঠিক করা হয়েছে। তিনি অস্থায়ী শিবির পরিদর্শন করার পর, (Wayanad Landslide) চলমান ত্রাণ ব্যবস্থা নিয়ে বিশদে আলোচনা করবেন রাজ্য সরকারের প্রতিনিধিদের সঙ্গে। যদিও আবহাওয়া পরিস্থিতির উপর নির্ভর করবে প্রধানমন্ত্রীর সফরসূচি।

    কেন্দ্রের ভূমিকার প্রশংসা (PM Modi)

    ৩০ জুন প্রথম দিকে এই ভূমিধসের সূত্রপাত। এরপর ধসের ভয়াবহ প্রভাব হয় (Wayanad Landslide) বিভিন্ন এলাকায়। ইতিমধ্যে ১৬টি শিবিরে প্রায় দুই হাজার মানুষ আশ্রয় নিয়েছেন। অনেকের ঘরবাড়ি সম্পূর্ণ ভেঙে তছনছ হয়ে গিয়েছে। সর্বস্ব খুইয়েছেন বহু মানুষ। প্রসঙ্গত, রাজ্য সরকার ওয়েনাড় ভূমিধসকে জাতীয় বিপর্যয় ঘোষণা করার দাবি জানিয়েছে। লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে সাহায্যের হাত বাড়ানোর আবেদন জানিয়েছেন। দ্রুত হস্তক্ষেপের জন্য কেরলের মুখ্যমন্ত্রী পিনরাই বিজয়ন (PM Modi) কেন্দ্রীয় সরকারের প্রশংসা করেছেন। ইতিমধ্যেই ত্রাণ ও উদ্ধার অভিযানের জন্য কেন্দ্রের তরফ থেকে সমস্ত রকম ভাবে সহযোগিতা করা হয়েছে।

    আরও পড়ুন: প্রবল বৃষ্টিতে ধসে পড়ল রাজস্থানের বিখ্যাত ‘সোনার কেল্লা’-র দেওয়ালের একাংশ

    কেরলের মুখ্যমন্ত্রীর পাশাপাশি বিরোধী দলগুলিও রাজনীতির ঊর্ধ্বে উঠে রাজ্যের পাশে দাঁড়ানোর জন্য কেন্দ্রীয় সরকারের প্রশংসা করেছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share