Tag: news in bengali

news in bengali

  • Rahool-Federation conflict: রাহুল-ফেডারেশন জটে মঙ্গলবারেও স্তব্ধ টলিপাড়া! কাঠগড়ায় তৃণমূল মন্ত্রীর ভাই

    Rahool-Federation conflict: রাহুল-ফেডারেশন জটে মঙ্গলবারেও স্তব্ধ টলিপাড়া! কাঠগড়ায় তৃণমূল মন্ত্রীর ভাই

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: টালিগঞ্জে জট এখনও কাটেনি। সোমাবারের পর মঙ্গলবারও রইল টলিপাড়া স্তব্ধ। বন্ধ শুটিং, বৈঠক পাল্টা বৈঠকেও কোনও সমাধানের ইঙ্গিত মিলছেনা। ভারতলক্ষ্মী স্টুডিওতে গিয়ে দেখা গেল জনশূন্য। সোমবার ১২০ থেকে ১৩০ জন পরিচালক ডিরেক্টরস গিল্ডের পক্ষ থেকে শুটিং ফ্লোরে না যাওয়ার সিদ্ধান্তকে পূর্ণ সমর্থন দেন। প্রতিবাদী পরিচালক রাহুল মুখোপাধ্যায়কে (Rahool-Federation conflict) নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছে বাংলা টলিডের ফেডারেশন। এই ফেডারেশনের মাথায় সভাপতি হিসেবে রয়েছেন রাজ্যের মন্ত্রী অরূপ বিশ্বাসের ভাই স্বরূপ বিশ্বাস। তাঁর অবশ্য স্পষ্ট বক্তব্য, “ফেডারেশনের এখানে কিছু করার নেই। পরিচালকদের সঙ্গে কথা হবে সামনাসামনি। নচেৎ সিদ্ধান্ত আগের জায়গায় স্থির থাকবে।” রাজ্যের বিদ্যুৎ মন্ত্রীর ভাইয়ের বিরুদ্ধে দৌরাত্ম্য এবং আধিপত্য বিস্তারের অভিযোগ রয়েছে। তবে তৃণমূল ঘনিষ্ঠ পরিচালক বা কলাকুশলীরা রাজনৈতিক রঙ না দেখার কথা বলেছেন। অপরে প্রতিবাদী পরিচালকেরা রাহুলের পাশে দাঁড়িয়ে শুটিং বন্ধ রাখার কথা জানিয়েছেন। তবে সেই সঙ্গে তাঁরা এটাও জানিয়েছেন আলোচনার পথ খোলা রয়েছে।

    ফেডারেশনের চাপে বন্ধ কাজ (Rahool-Federation conflict)

    সোমবার রাত ৮টায় ডিরেক্টরস গিল্ডের বৈঠকে পরিচালকদের পক্ষ থেকে যাঁরা উপস্থিত ছিলেন সৃজিত মুখোপাধ্যায়, কৌশিক গঙ্গোপাধ্যায়, অনির্বাণ ভট্টাচার্য, অঞ্জন দত্ত, শিবপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়, অরিন্দম শীল, রাজ চক্রবর্তী। তাঁদের স্পষ্ট বক্তব্য ছিল, “এই বিষয়ে তৃতীয় পক্ষের হস্তক্ষেপ প্রয়োজন। ফ্লোরে কাজ বন্ধ থাকুক এটা কেউ চান না, কিন্তু আমাদের চাপ দিয়ে বন্ধ করানো হয়েছে শুটিং। ফেডারেশনের দৌরাত্ম্যে কাজ রীতিমতো বন্ধ করতে বাধ্য করা হয়েছে।” যদিও সোমবার সকালে প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়ের বাড়িতে ফেডারেশনকে (Rahool-Federation conflict) আলোচনার জন্য আহ্বান জানিয়েছিলেন পরিচালকেরা। কিন্তু শুটিং বন্ধের দায় প্রতিবাদী পরিচালকদের ঘাড়ে চাপিয়েছেন তৃণমূল মন্ত্রীর ভাই স্বরূপ বিশ্বাস। তিনি বলেন, “সম্পূর্ণ বিষয় কিছু পরিচালকদের ষড়যন্ত্র।”

    আরও পড়ুনঃ মাথায় তৃণমূল মন্ত্রীর ভাই, ফেডারেশনের ‘দৌরাত্ম্যে’ টলিপাড়ায় বন্ধ শুটিং

    ফেডারেশন একক ভাবে আইন তৈরি করেছে

    চিত্র পরিচালক অঞ্জন দত্ত বলেছেন, “রাহুলকে কেন্দ্র করে সমস্যার সূত্রপাত হয়েছিল, এখন এর সঙ্গে আরও ৪০০ পরিচালকের সমস্যা যুক্ত হয়েছে। ফেডারেশন (Rahool-Federation conflict) একক ভাবে আইন তৈরি করেছে ফলে বিনিয়োগে সমস্যা হবে।” পরিচালক কৌশিক গঙ্গোপাধ্যায় বলেছেন, “আমরা আর টেকনিশিয়ানরা আলাদা, সেটা আজ প্রথম জানলাম। তবে এখানে আমরা-ওরা তত্ত্ব নিয়ে নয়, সমস্যার সমাধান খুঁজতে একজোট হয়েছি।” আবার রাজ চক্রবর্তী বলেছেন, “ফেডারেশন কাজ বন্ধের বিষয়ে মুখ্যমন্ত্রীর কথা টেনেছে। তবে এই কথা প্রসঙ্গে কাজ বন্ধ করা হয়নি। আমাদের ফ্লোরে না ঢুকতে দিয়ে কাজ বন্ধ করে দিয়েছে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Wayanad landslides: ভারী বৃষ্টিতে কেরলের ওয়েনাড়ে ধস, মৃত্যু ৮০ পার! চাপা পড়ে শতাধিক

    Wayanad landslides: ভারী বৃষ্টিতে কেরলের ওয়েনাড়ে ধস, মৃত্যু ৮০ পার! চাপা পড়ে শতাধিক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারী বৃষ্টিতে বিপর্যস্ত কেরল। মঙ্গলবার ভোর ৩টে নাগাদ কেরলের (Kerala) ওয়েনাড় জেলার পাহাড়ি এলাকায় প্রথম ধস (Wayanad landslides) নামার খবর পাওয়া যায়। এরপর ভোর ৪টে ১০ মিনিটে আরও একটি জায়গায় ধস নামার খবর আসে। শেষ খবর মেলা পর্যন্ত ধসে চাপা পড়ে অন্তত ৮৪ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গিয়েছে। এছাড়াও বৃষ্টিতে ভূমিধসে আটকে প্রায় শতাধিক মানুষ। ইতিমধ্যেই উদ্ধারকাজ শুরু হয়েছে। এনডিআরএফ-এর অতিরিক্ত দলকে ঘটনাস্থলে পৌঁছানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। কেরলের মুখ্যমন্ত্রী পিনারাই বিজয়ন জানিয়েছেন, সংশ্লিষ্ট সব দফতর এবং বিভাগকে উদ্ধারকাজে ঝাঁপিয়ে পড়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। উদ্ধারকাজে গতি আনতে ডেকে পাঠানো হয়েছে সেনাবাহিনীকেও। তবে বৃষ্টির কারণে মাঝেমধ্যেই উদ্ধারকাজ ব্যাহত হচ্ছে।

    উদ্ধারকাজে জাতীয় বিপর্যয় মোকাবিলা দফতর

    গত কয়েক দিন ধরেই ভারী বর্ষণ হচ্ছে ওয়েনাড়ে। তবে মঙ্গলবার ভোরে বৃষ্টির জেরে ধস (Wayanad landslides) নামে ওয়েনাড়ে। ধসের খবর পেয়েই রাজ্য বিপর্যয় মোকাবিলা দফতরের সঙ্গে উদ্ধারকাজে নামে জাতীয় বিপর্যয় মোকাবিলা দফতর। মঙ্গলবার সকালে কেরলের রাজস্বমন্ত্রী কে রাজন জানিয়েছিলেন, আট জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গিয়েছে। তবে বেলা গড়ানোর সঙ্গে বাড়তে থাকতে নিহতদের সংখ্যা। শেষ পাওয়া খবর অনুযায়ী নিহতের সংখ্যা গিয়ে দাঁড়ায় ৮৪-তে। এছাড়াও ধ্বংসস্তূপে আরও অনেকের চাপা পড়ে থাকার আশঙ্কা করছে স্থানীয় প্রশাসন। ভারী বৃষ্টি এবং ধসের কারণে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ওয়েনাড় জেলার মেপ্পাডি, মুন্ডাকাই এবং চুরাল মালা এবং নুলপুঝা।

    জরুরি সহায়তার জন্য চালু হেল্পলাইন নম্বর 

    বিপর্যয়ে আটকে পড়া মানুষদের জন্য জাতীয় স্বাস্থ্য মিশন একটি নিয়ন্ত্রণ কক্ষ স্থাপন করেছে। জরুরি সহায়তার জন্য চালু হয়েছে হেল্পলাইন নম্বরও। সকাল ৭টা ৩০ মিনিটে তামিলনাড়ুর সুলুর থেকে বিমান বাহিনীর দুটি হেলিকপ্টার পাঠানো হয়। ভূমিধসে আহত ১৬ জনকে ওয়েনাডের মেপ্পাদির একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। কেরলের মুখ্যমন্ত্রী পিনারাই বিজয়নও এই বিষয়ে নজর রাখছেন। তিনি বলেছেন, ওয়েনাড়ে ভূমিধসের (Wayanad landslides) পরে সমস্ত সম্ভাব্য উদ্ধার কাজ তৎপরতার সঙ্গে করা হচ্ছে।   

    আরও পড়ুন: মালগাড়ির সঙ্গে ধাক্কা, লাইনচ্যুত হাওড়া-সিএসএমটি এক্সপ্রেসের ১৮টি কামরা

    কেরলের মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে কথোপকথন প্রধানমন্ত্রীর (Kerala) 

    এ প্রসঙ্গে কেরলের মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। মৃতদের পরিবারকে ২ লক্ষ টাকা করে অর্থ সাহায্য দেওয়া হবে বলে জানা গিয়েছে।

    উল্লেখ্য, পরিস্থিতি যাতে আর খারাপ না হয় তার জন্য ইতিমধ্যেই রাজ্য সরকার ৫টি জেলায় রেড অ্যালার্ট জারি করেছে। যে জেলাগুলির জন্য সতর্কতা জারি করা হয়েছে, তার মধ্যে রয়েছে কাসারগোড, কন্নুর, ওয়েনাড়, কোঝিকোড় এবং মাল্লাপুরম। এসব জেলায় বাড়তি সতর্কতা নেওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।   

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Paris Olympics 2024: অলিম্পিক্সে দ্বিতীয় পদক ভারতের, ইতিহাস গড়লেন মনু ভাকের, সঙ্গী সরবজ্যোৎ

    Paris Olympics 2024: অলিম্পিক্সে দ্বিতীয় পদক ভারতের, ইতিহাস গড়লেন মনু ভাকের, সঙ্গী সরবজ্যোৎ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: একই অলিম্পিক্সে (Paris Olympics 2024) দ্বিতীয় ব্রোঞ্জ পদক জয় মনু ভাকেরের। এবারে তাঁর সঙ্গী সরবজ্যোৎ সিং। ব্যক্তিগত বিভাগের পর ১০ মিটার এয়ার পিস্তলের মিক্সড ইভেন্টে ব্রোঞ্জ জিতল ভারত। দক্ষিণ কোরিয়াকে ১৬-১০ স্কোরে হারিয়ে দিলেন মনু ও সরবজ্যোৎ। উল্লেখ্য, চলতি অলিম্পিক্সেই ১০ মিটার এয়ার পিস্তলে ব্রোঞ্জ জিতেছিলেন মনু ভাকের। আবার সেই মনু ভাকেরের (Manu Bhaker) হাত ধরেই পদক পেল ভারত। 

    রেকর্ড গড়লেন মনু ভাকের (Manu Bhaker) 

    স্বাধীনতার আগে ভারতের হয়ে নরমান প্রিচার্ড একই অলিম্পিক্সে দুটি পদক জিতেছিলেন। ১৯০০ সালের অলিম্পিক্সে সেই নজির গড়েছিলেন তিনি। উল্লেখ্য, সেটিও ছিল প্যারিস অলিম্পিক্স। অ্যাথলেটিক্সে রুপো জিতেছিলেন তিনি। প্রিচার্ড ভারতের হয়ে পদক জিতলেও তিনি ছিলেন ব্রিটিশ। তার ১২৪ বছর পর স্বাধীন ভারতে প্রথমবার অলিম্পিক্সে দুটি পদক জিতলেন এক ভারতীয়। সেই অনন্য নজির গড়লেন মনু ভাকের। গত রবিবার প্রথম ভারতীয় মহিলা হিসেবে শুটিং থেকে ব্রোঞ্জ জিতে ইতিহাস তৈরি করেছিলেন মনু ভাকের। এরপর মঙ্গলবার মিক্সড ইভেন্টে (Paris Olympics 2024) সরবজ্যোতের সঙ্গে জুটি বেঁধে ব্রোঞ্জ জিতলেন তাঁরা। 

    আরও পড়ুন: প্যারিসে ইতিহাস মনিকা বাত্রার, এমন কী কীর্তি করলেন এই ভারতীয় প্যাডলার?

    মনু ভাকেরকে শুভেচ্ছা বার্তা প্রধানমন্ত্রীর   

    ভারত দ্বিতীয় পদক জেতার সঙ্গে সঙ্গেই শুভেচ্ছা জানান প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এরআগে মনু ব্যক্তিগত বিভাগে ব্রোঞ্জ পাওয়ার পরেও তাঁকে ফোন করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী। মঙ্গলবার অলিম্পিক্সে (Paris Olympics 2024)  দ্বিতীয় পদক জয়ের পর সমাজমাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী লেখেন, “আমাদের শুটাররা আবার দেশকে গর্বিত করলেন। ১০ মিটার এয়ার পিস্তলের মিক্সড ইভেন্টে ব্রোঞ্জ পাওয়ার জন্য শুভেচ্ছা মনু ভাকের এবং সরবজ্যোৎ সিংকে। দুজনেই দুর্দান্ত প্রতিভা দেখিয়েছেন। ভারত আপনাদের নিয়ে উল্লসিত। মনু পর পর দুটি পদক জিতলেন। খুব ভাল ধারাবাহিকতা দেখালেন তিনি।” 

    প্রসঙ্গত, অলিম্পিক্সে (Paris Olympics 2024) এখনও মহিলাদের ২৫ মিটার এয়ার পিস্তল ইভেন্ট বাকি আছে। সেখানেও লড়বেন মনু। এর আগে টোকিও অলিম্পিক্সে আশা জাগিয়েও পিস্তলের যান্ত্রিক ত্রুটির জন্য তেমন কিছু করতে পারেননি তিনি। তবে এবারের অলিম্পিক্সে মনুর একের পর এক সাফল্যে আশায় বুক বাঁধছেন প্রতিটি ভারতীয়। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Raju Bista: অলিম্পিক্সে দুর্নীতির প্রতিযোগিতা হলে, তৃণমূল কংগ্রেস স্বর্ণ পদক পেত, কটাক্ষ রাজু বিস্তার

    Raju Bista: অলিম্পিক্সে দুর্নীতির প্রতিযোগিতা হলে, তৃণমূল কংগ্রেস স্বর্ণ পদক পেত, কটাক্ষ রাজু বিস্তার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অলিম্পিক্সে দুর্নীতির প্রতিযোগিতা হলে, তৃণমূল কংগ্রেস স্বর্ণ পদক পেত। সংসদে এভাবেই রাজ্যের শাসক দলকে কটাক্ষ করলেন দার্জিলিংয়ের সাংসদ রাজু বিস্তা (Raju Bista) । একইসঙ্গে তাঁর অভিযোগ, “রাজ্যের উপর ৭ লক্ষ কোটি টাকার ঋণের বোঝা চাপিয়েছে তৃণমূল (TMC) । তাঁর আরও অভিযোগ পরিকল্পনা মাফিক দার্জিলিংয়ে বদলে দেওয়া হচ্ছে জনসংখ্যার বিন্যাস। দার্জিলিং, ডুয়ার্স এবং তরাই এলাকায় এই ঘটনা ঘটছে। এর স্থায়ী সমাধানের জন্য কেন্দ্র সরকারকে হস্তক্ষেপের আবেদন জানান তিনি।

    বাংলার অর্থনৈতিক অধঃপতনের জন্য দায়ী তৃণমূল (Raju Bista)

    দার্জিলিঙে দু-বারের সংসদ রাজ্যের শাসক দলকে দুর্নীতির দায়ে অভিযুক্ত করেন এবং এদিন (Raju Bista) সংসদে বলেন, “প্রত্যেকটি সরকারি প্রকল্পে দুর্নীতি করছে শাসক দলের লোকেরা। স্বচ্ছ ভারত মিশন, গ্রাম সড়ক যোজনা এবং প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনায় এই রাজ্যে ব্যাপক দুর্নীতি হয়েছে। এদিন কটাকে সুরে দার্জিলিং-এর সাংসদ বলেন, “যখন দেশ স্বাধীন হয়েছিল, তখন ‘বেস্ট বেঙ্গল’ ছিল আর আজ শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেসের দুর্নীতির জন্য তা ‘ওয়োর্স্ট বেঙ্গল’-এ পরিণত হয়েছে। সংসদের বাজেটের উপর আলোচনা চলাকালীন এই অভিযোগ করেন তিনি।

    ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির সঙ্গে তুলনা (TMC)

    রাজ্যের শাসক দলকে (TMC) ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির সঙ্গে তুলনা করে রাজু। তাঁর অভিযোগ, “যেভাবে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি ভারতকে লুট করার জন্য এদেশে এসেছিল, শাসক দল একইভাবে জনগণের টাকা লুট করছে। রুরাল ইনফ্রাস্ট্রাকচার ডেভেলপমেন্ট, স্বচ্ছ ভারত, এমজিনারেগা, প্রধানমন্ত্রী গ্রাম সড়ক যোজনা, বর্ডার এরিয়া ডেভলপমেন্ট ফান্ড প্রত্যেক প্রকল্পে তৃণমূল কংগ্রেস দুর্নীতি করেছে বলে অভিযোগ দার্জিলিংয়ের সাংসদের (Raju Bista)।

    রাজ্যের ঋণ ৭ লক্ষ কোটি

    রাজ্য যেভাবে মুড়ি-মুড়কির মত ঋণ নিচ্ছে তারও সমালোচনা করেন তিনি। (Raju Bista) বলেন, “সিপিএম ৩৪ বছর রাজত্ব করে ১.৯০ লক্ষ কোটি টাকা ঋণ নিয়েছিল। এবং শাসক দল মাত্র ১ দশকে সেই ঋনের বোঝা বাড়িয়ে ৭ লক্ষ কোটি টাকায় নিয়ে গিয়েছে। রাজ্যকে দেনার দায়ে ডুবিয়ে দিতে চাইছে মমতাজ সরকার। তাঁর অভিযোগ বর্তমান (TMC) সরকারের আমলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হচ্ছে না। রাজ্য শুধু পিছিয়ে যাচ্ছে। রাজ্যের প্রতি ব্যক্তি আয় উত্তর-পূর্বের রাজ্যগুলির তুলনাতেও কম। একটা সময় ছিল যখন ভারতবর্ষের ৩০% উৎপাদন পশ্চিমবঙ্গ থেকে হত। এখন তা কমতে কমতে ৩% এসে ঠেকেছে। বিভিন্ন প্রকল্পের সাথে আধার লিঙ্ক করে দুর্নীতি কিছুটা ঠেকানো গিয়েছে বলে দাবি রাজুর। তাঁর দাবি রাজ্যে আগে ৩.৮৮ কোটি ১০০ দিনের কাজের প্রকল্পের উপভোক্তা ছিলেন। আধার লিঙ্ক করিয়ে দেখা যায় সেই সংখ্যা কমে ২.৫ কোটিতে এসে ঠেকেছে।  অর্থাৎ রাজ্যে ১কোটি ৩৩ লক্ষ ফেক এমজিনারেগা কার্ড বানানো হয়েছিল।

    আরও পড়ুন: বাংলায় দিন বদল হবেই, দিল্লিতে বৈঠকে বিজেপি সাংসদদের উজ্জীবিত করলেন মোদি

    যেগুলি বাংলাদেশিরা ব্যবহার করছিলেন। একইভাবে রাজ্যে যত দুর্নীতি যেমন চিটফান্ড দুর্নীতি, শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি, পুরসভা নিয়োগ দুর্নীতি, রেশন কেলেঙ্কারি, কয়লা কেলেঙ্কারি, ১০০ দিনের কাজে দুর্নীতি, আবাস যোজনায় দুর্নীতি, গরু পাচার, বালি চুরি, কয়লা পাচার সবেতেই তৃণমূল নেতাদের যোগ প্রকাশে এসেছে।

     

     

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Anubrata Mondal: জামিন পেলেও এখনই ছাড়া পাচ্ছেন না কেষ্ট মণ্ডল, থাকতে হবে তিহাড়েই

    Anubrata Mondal: জামিন পেলেও এখনই ছাড়া পাচ্ছেন না কেষ্ট মণ্ডল, থাকতে হবে তিহাড়েই

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গরুপাচার মামলায় জামিন পেয়েছেন অনুব্রত মণ্ডল ওরফে কেষ্ট (Anubrata Mondal)। মঙ্গলবার সুপ্রিম কোর্টে বীরভূমের এই তৃণমূল নেতার জামিন মঞ্জুর করেছেন বিচারপতি বেলা এম ত্রিবেদী এবং সতীশচন্দ্র শর্মার ডিভিশেন বেঞ্চ। এদিন সিবিআইয়ের মামলায় জামিন পেলেও ইডির মামলায় এখনও জেলেই রয়েছেন তিনি। তবে আদালত নির্দেশ দিয়েছে, তাঁর পাসপোর্ট জমা রাখতে হবে, মামলার তদন্তে সহযোগিতা করতে হবে এবং সাক্ষীদের কোনও ভাবেই প্রভাবিত করতে পারবেন না।

    ২০২২ সালে গ্রেফতার হয়েছিলেন(Anubrata Mondal)

    গরুপাচার মামলায় ২০২২ সালে অগাস্ট মাসের মাঝামাঝি সময়ে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সিবিআইয়ের (CBI) হাতে গ্রেফতার হয়েছিলেন বীরভূমের তৃণমূল জেলা সভাপতি অনুব্রত মণ্ডল (Anubrata Mondal)। এরপর তাঁকে প্রথমে আসানসোল সংশোধনাগারে রাখা হয়। তারপর তাঁকে দিল্লির তিহাড় জেলে স্থানান্তর করা হয়। আবার ইডি আর্থিক দুর্নীতি মামলায় ওই বছরের নভেম্বর মাসেই গ্রেফতার করেছিল। এরপর থেকে টানা জেলে বন্দি রয়েছেন এই তৃণমূল নেতা। তবে ইডির দায়ের করা মামলা দ্রুত দিল্লির আদালতে শুনানি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। যদিও আগে বেশ কয়েকবার জামিনের আবেদন করলেও প্রভাবশালী বলে কেষ্টর আবেদন খারিজ হয়ে গিয়েছিল। 

    আরও পড়ুনঃ জমি কাণ্ডে গ্রেফতার হওয়া তৃণমূল নেতা চুটকির কীর্তি জানলে চমকে যাবেন  

    আদালতে সওয়াল-জবাব

    মঙ্গলবার কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার পক্ষ (CBI) থেকে অনুব্রতের (Anubrata Mondal) জামিনের বিরোধিতা করে আইনজীবীরা বলেন, “মামলায় অনুব্রত বেশ প্রভাবশালী নেতা। জামিন পেলে সাক্ষ্য প্রমাণ লোপাট করতে পারেন।” পাল্টা কেষ্টর আইনজীবী মুকুল রহতগি আদালতে বলেছেন, “এই মামলায় অন্যতম অভিযুক্ত এনামুল হক ইতি মধ্যে জামিন পেয়েছেন। কিন্তু কেন আমার মক্কেলকে আটকে রাখা হয়েছে? এখনও বিচার প্রক্রিয়া শুরু হয়নি। অভিযোগ থাকলে আগে বিচার প্রক্রিয়া শুরু করুক।” এই প্রশ্নের উত্তরে বিচারপতি সিবিআইকে প্রশ্ন করেন, “কবে থেকে মামলা শুরু হবে?” উত্তরে সিবিআইয়ের আইনজীবী জানান, খুব দ্রুত মামলা শুরু হবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Assam: “সরকারি কর্মসূচিতে নিরামিষ খাবার”, ভিআইপি সংস্কৃতির অবসানে বিরাট ঘোষণা হিমন্তর

    Assam: “সরকারি কর্মসূচিতে নিরামিষ খাবার”, ভিআইপি সংস্কৃতির অবসানে বিরাট ঘোষণা হিমন্তর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভিআইপি সংস্কৃতির অবসান নিয়ে বিরাট ঘোষণা করলেন অসমের (Assam) মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মা (Himanta Biswa Sarma)। তিনি সোমবার একটি প্রশাসনিক বৈঠকে বলেছেন, “আমাদের সরকার ভিআইপি সংস্কৃতির অবসান ঘটাবে। সরকারি কর্মসূচিতে শুধুমাত্র নিরামিষ খাবার পরিবেশন করা হবে।” একই ভাবে মুখ্যমন্ত্রী কনভয়ের গাড়ি সংখ্যা কমিয়ে এবার থেকে ১০ করা হবে বলেও জানিয়েছেন। তাঁর এই ঘোষণা অসমের জন্য যুগান্তরকারী সিদ্ধান্ত বলে মনে করছেন রাজনীতির একাংশের মানুষ।

    ঠিক কী বলেছেন হিমন্ত বিশ্ব শর্মা (Assam)?

    অসমের (Assam) দিসপুরে সোমাবার জেলা শাসকদের সঙ্গে একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক করেন মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মা (Himanta Biswa Sarma) । তিনি বলেন, “আমি সরকারি অনুষ্ঠানগুলিতে অতিরিক্ত খাবার ব্যবস্থা সম্পর্কে একাধিক অভিযোগ পেয়েছি। তাই আমরা কড়া অবস্থান নিয়ে নিয়ন্ত্রণ করব। আমাদের সরকার ভিআইপি সংস্কৃতির অবসান ঘটাবে। এখন থেকে কেবল মাত্র নিরামিষ এবং সাত্ত্বিক আহার পরিবেশন করা হবে সব অনুষ্ঠানে। সমস্ত সরকারি আধিকারিকদের কাছে আমার স্পষ্ট বার্তা যে কোনও সরকারি কাজের জন্য অপ্রয়োজনীয় খরচ কমাতে হবে। কোনও মন্ত্রী বা পদাধিকারী জেলা বা মহকুমায় গেলে তাঁদেরকে নিজের খরচে হোটেল খাবার খেতে হবে। আমি সম্প্রতি ডিব্রুগড়ে গিয়েছিলাম, সেখানে নিজের খরচে একটি ধাবায় খাবার খেয়েছিলেম। সরকারি অনুষ্ঠানে এবার থেকে সকলের জন্য নিরামিষ খাবারের ব্যবস্থা করতে হবে। তবে অন্যরাজ্য বা বিদেশি অতিথিদের জন্য আমিষ আহারের ব্যবস্থা করা যেতে পারে।”

    আরও পড়ুনঃ পাইন গাছের বর্জ্য ব্যবহার করেই জীবিকা অর্জনের সুযোগ, পথ দেখাচ্ছেন দুই বোন

    ভিআইপি কালচার নিয়ে কী বলেন

    মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মা (Assam) নিজের এক্স হ্যান্ডলে ভিআইপি সংস্কৃতি নিয়ে একটি পোস্টে বলেছেন, “আমাদের সরকার ভিআইপি কালচারকে শেষ করবে। মুখ্যমন্ত্রীর সুরক্ষা ব্যবস্থার সঙ্গে যুক্ত ব্যারিকেডের সংখ্যা কমিয়ে দেব। মুখ্যমন্ত্রীর কনভয়ে জেলাশাসক এবং পুলিশ সুপারের গাড়ির সংখ্যা কম করতে হবে। মোট ১০টি গাড়ির বেশি যেন না রাখা হয়। একই ভাবে অন্য মন্ত্রী এবং রাজনৈতিক ব্যক্তিদের জন্য গাড়ির সংখ্যায় সীমাবদ্ধ করা হয়েছে। তাঁদের কনভয়ে থাকবে একটি করে গাড়ি।”

    তিনি আরও বলেন, “দেশের জিডিপিতে অংশ নেওয়া আমাদের রাজ্যের জেলাগুলির উপর বিশেষ নজর রাখতে হবে। রাজ্যের রিপোর্টের সঙ্গে এবার থেকে জেলার রিপোর্ট তৈরি করতে হবে। আগামী ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে রাজ্যের পঞ্চায়েত নির্বাচন শেষ করে নতুন নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের শপথ গ্রহণ করাতে হবে। একই ভাবে বন্যা কবলিত এলাকায় ১২ অগাস্টের মধ্যে পুনর্বাসন অনুদান পৌঁছে দিতে হবে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Paris Olympics 2024: প্যারিসে ইতিহাস মনিকা বাত্রার, এমন কী কীর্তি করলেন এই ভারতীয় প্যাডলার?

    Paris Olympics 2024: প্যারিসে ইতিহাস মনিকা বাত্রার, এমন কী কীর্তি করলেন এই ভারতীয় প্যাডলার?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্যারিস অলিম্পিক্সে (Paris Olympics 2024) আরেকটি পদক জয়য়ের আশা দেখছে ভারত। দেশের প্রাক্তন এক নম্বর টেবিল টেনিস তারকা মনিকা বাত্রা (Manika Batra) পৌঁছেছেন সিঙ্গেলসের প্রি-কোয়ার্টার ফাইনালে। রাউন্ড অফ ৩২ ম্যাচে তিনি হারিয়েছেন ফ্রান্সের ভারতীয় বংশোদ্ভুত খেলোয়াড় পৃথিকা পাভাদেকে। ভারতের প্রথম মহিলা টেবিল টেনিস খেলোয়াড় হিসেবে মনিকা জায়গা করে নিলেন শেষ ১৬য়। খেলার ফলাফল মনিকার পক্ষে দাঁড়ায় ৪-০।

    মনিকার বক্তব্য (Paris Olympics 2024)

    ম্যাচ প্রসঙ্গে মনিকা (Manika Batra) বলেন, “আমি কোচের সঙ্গে আলোচনা করে ফোরহ্যান্ডে খেলার পরিকল্পনা করেছিলাম। কিন্তু আমি ব্যাকহ্যান্ডে পয়েন্ট পাচ্ছিলাম। তাই আমি কৌশল পরিবর্তন করিনি। আমি ফোরহ্যান্ডেও কয়েকটি শট খেলেছি। আমি চাইনি সে ভাবুক যে আমি কেবল ব্যাকহ্যান্ডে খেলছি। এটি একটি কঠিন ম্যাচ ছিল। সামনের ম্যাচেও আমি আমার সেরাটা দেব।”

    খেলার ফলাফল (Manika Batra)

    মনিকা এদিন জয় ছিনিয়ে নেন ৩৭ মিনিটে। ১৯ বছরের কৃতিকাকে তিনি হারান ১১-৯, ১১-৬, ১১-৯, ১১-৭ গেমে। শেষ আটে ওঠার লড়াইয়ে মনিকার (Manika Batra) প্রতিপক্ষ হবেন হংকংয়ের ঝু চেংজু ও জাপানের মিউ হিরানোর মধ্যে দ্বৈরথে বিজয়ী। ইতিহাসে এই প্রথম কোনও ভারতীয় মহিলা খেলোয়াড় অলিম্পিক্সের (Paris Olympics 2024) কোয়ার্টার ফাইনালে উঠলেন। মনিকার দুর্দান্ত পারফরম্যান্স ভারতের জন্য আরও একটি পদকের আশা জাগিয়েছে।

    সামনে কঠিন প্রতিপক্ষ

    টানা দুটি সেট হারার পর ফরাসি খেলোয়াড় ফিরে আসার চেষ্টা করেন এবং মনিকার (Manika Batra) বিরুদ্ধে চতুর্থ গেমে পয়েন্ট বাঁচান। মনিকা বিরতি নেন এবং তারপর সেট জিতে আবার ফিরে আসেন। পুরো ম্যাচে মনিকার আক্রমণাত্মক খেলার জবাব দিতে পারেননি প্রতিপক্ষ খেলোয়াড় পৃথিকা পাভাদে। মনিকা এর আগে কমনওয়েলথ এবং এশিয়ান গেমসে পদক জিতেছেন এবং এবার অলিম্পিক্সে তাঁর পদকের দিকে তাকিয়ে রয়েছে গোটা দেশ। মনিকা পদক জিতবেনই, এমনই আশা করছে ভারতবাসী।

    আরও পড়ুন: প্রথম রাউন্ডের জয় বাতিল, অলিম্পিক্সে লড়াই কঠিন হল লক্ষ্য সেনের

    তবে পদক জিততে হলে তাঁকে এখনও (Paris Olympics 2024) অনেকটা পথ যেতে হবে এবং সেই পথ খুব একটা সহজ হবে না তা বলাই বাহুল্য।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: ওপার বাংলায় ভারত-বিরোধী স্লোগান! বাংলাদেশ ডেপুটি হাইকমিশনে নালিশ শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: ওপার বাংলায় ভারত-বিরোধী স্লোগান! বাংলাদেশ ডেপুটি হাইকমিশনে নালিশ শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সোমবার কলকাতায় বাংলাদেশ ডেপুটি হাইকমিশনের অফিসে যান রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। বাংলাদেশের (Bangladesh) ডেপুটি হাইকমিশনারের সঙ্গে দেখা করেন তিনি। তাঁর সঙ্গে ছিলেন বিজেপির বিধায়করা। কেন বাংলাদেশ ডেপুটি হাইকমিশনের অফিসে গেলেন শুভেন্দু অধিকারী? এ প্রসঙ্গে তিনি জানিয়েছেন, সম্প্রতি বাংলাদেশে যে অশান্তি চলছিল সেখানে ভারত বিরোধী স্লোগান দেওয়া হয়েছে শুধু তাই নয়, ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সম্বন্ধেও কুরুচিকর স্লোগান দেওয়া হয়েছে৷ 

    এক্স হ্যান্ডেলে কী জানিয়েছেন বিরোধী দলনেতা? (Suvendu Adhikari)

    শুভেন্দু অধিকারীর অভিযোগ, বাংলাদেশ আন্দোলনের সময় এমন অনেক ভিডিও সামনে এসেছে যেখানে দেখা যাচ্ছে বাংলাদেশের মাটিতে দাঁড়িয়ে ভারত-বিরোধী স্লোগান দেওয়া হচ্ছে। তাঁর আরও অভিযোগ, ভারতের প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধে তো বটেই, হিন্দু ধর্মের ভাবাবেগকে আঘাত করেও স্লোগান দেওয়া হয়েছে। সেই কারণেই প্রতিবাদ জানানো হয়েছে। এক্স হ্যান্ডেলে তিনি লিখেছেন, ‘‘বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে বক্তব্য রাখতে আমরা চাইছি না। বিশেষ করে গত কয়েকদিনের ঘটনা নিয়ে। কিন্তু এই ধরনের ভারতবিরোধী, হিন্দু ভাবাবেগ বিরোধী স্লোগানের তীব্র প্রতিবাদ আমরা জানাচ্ছি। আমরা আমাদের মাতৃভূমির এমন অপমান বরদাস্ত করব না। সম্প্রতি বাংলাদেশে অশান্তির কিছু ভিডিও ক্লিপিংসে স্লোগানের ভাষা শুনে উদ্বিগ্ন বিজেপি। তেমনই চারটি ভিডিও ক্লিপিংস জমা দেওয়া হয়েছে ডেপুটি হাইকমিশনারের কাছে।’’

    আরও পড়ুন: বাংলায় দিন বদল হবেই, দিল্লিতে বৈঠকে বিজেপি সাংসদদের উজ্জীবিত করলেন মোদি

    শুভেন্দুর দাবি  

    বিষয়টি নিয়ে তিনি গত শনিবার বাংলাদেশ ডেপুটি হাইকমিশনারকে ই-মেইল করেন। ডেপুটি হাই কমিশনের পক্ষ থেকে শুভেন্দু অধিকারীকে (Suvendu Adhikari) আমন্ত্রণ জানানো হয়। এরপর সেই মতো সোমবার বিকেলে শুভেন্দু ডেপুটি হাইকমিশনের দফতরে প্রবেশ করতে গেলে পুলিশ তাঁকে বাধা দেয় বলে অভিযোগ৷ পুলিশের সঙ্গে বচসাতেও জড়িয়ে পড়েন বিধানসভার বিরোধী দলনেতা। অবশেষে তিনি ২০ জন বিজেপি বিধায়ককে সঙ্গে নিয়েই বাংলাদেশ ডেপুটি হাইকমিশনের অফিসে প্রবেশ করেন। এরপর ডেপুটি হাইকমিশনারের কাছে তিনি দাবি করেন, যারা এই ধরনের স্লোগান দিয়েছে তাদেরকে চিহ্নিত করে আইনি ব্যবস্থা নিতে হবে। বিরোধী দলনেতা জানিয়েছেন, হিন্দুদের সঞ্জীবনী মন্ত্র- ‘হরে কৃষ্ণ হরে রাম’-কে বিকৃত করা হয়েছে। সেই ভিডিও ফুটেজও তুলে দেওয়া হয়েছে ডেপুটি হাইকমিশনারের কাছে। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Delhi IAS Coaching Centre: “কোচিং দিন দিন বাণিজ্যে পরিণত হচ্ছে”, রাজ্যসভায় তোপ জগদীপ ধনখড়ের

    Delhi IAS Coaching Centre: “কোচিং দিন দিন বাণিজ্যে পরিণত হচ্ছে”, রাজ্যসভায় তোপ জগদীপ ধনখড়ের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দিল্লি আইএএস কোচিং সেন্টারের (Delhi IAS Coaching Centre) বেসমেন্টে পড়ুয়া মৃত্যুকাণ্ড নিয়ে রাজনৈতিক চর্চা এখন ব্যাপক তুঙ্গে। রাজেন্দ্রনগরের এই সেন্টারে  জমা জলে ডুবে তিন পড়ুয়ার শনিবার মৃত্যু হয়েছিল। এই মর্মান্তিক মৃত্যু নিয়ে দেশের উপরাষ্ট্রপতি তথা রাজ্যসভার চেয়ারম্যান জগদীপ ধনখড় (Jagdeep Dhankar) ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। তিনি বলেছেন, “কোচিং পুরোপুরি ব্যবসায় পরিণত হয়েছে।” আজ সংসদের রাজ্যসভা এবং লোকসভা উভয়েই কক্ষেই এই বিষয় নিয়ে সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন-উত্তর পর্ব অনুষ্ঠিত হয়। আর তাতেই শাসক-বিরোধীদের বাক্যবাণে দিল্লির পুরনিগমের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। ফলে শোরগোল পড়ে যায়।

    উপরাষ্ট্রপতি কী বলেন (Delhi IAS Coaching Centre)?

    রাজ্যসভার চেয়ারম্যান জগদীপ ধনখড় (Jagdeep Dhankar) কোচিং সেন্টারগুলির (Delhi IAS Coaching Centre) বাণিজ্যিকীকরণ নিয়ে অত্যন্ত উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। সংসদের উচ্চকক্ষে স্বল্প সময়ের জন্য আলোচনার অনুমতি দিয়েছিলেন তিনি। সেখানে তিনি এই প্রসঙ্গে বলেছেন, “কোচিং দিন দিন বাণিজ্যে পরিণত হচ্ছে। সংবাদ মাধ্যম খুললেই প্রথম, দ্বিতীয় পাতাগুলিতে কোচিং সেন্টারের বিজ্ঞাপনে ভরা থাকে। আমি মনে করি স্বল্প সময়ের জন্য পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখে সকল সংসদীয় দলের নেতাদের সঙ্গে পর্যালোচনা করা উচিত।”

    লোকসভায় আলোচনা

    একই ভাবে সংসদের লোকসভায় ‘জিরো আওয়ার’-এ পড়ুয়া মৃত্যুর (Delhi IAS Coaching Centre) বিষয়টি উত্থাপিত হয়। বিজেপি সাংসদ বাঁশুরী স্বরাজ এই ছাত্র মৃত্যুর জন্য দিল্লির আপ সরকারকে অপরাধী হিসাবে উল্লেখ করেছেন। একই ভাবে আপ সরকারকে চূড়ান্ত দায়িত্ব জ্ঞানহীন বলে অবহেলার দায় চাপিয়েছেন। কংগ্রেস নেতা শশী থারুর দিল্লির আরএমএল হাসপাতালে গিয়ে আহতদের চিকিত্সা কেমন চলছে, তার খোঁজ খবর নেন। একই সঙ্গে আর্থিক ক্ষতিপূরণের কথাও জানিয়েছেন। আবার সমাজবাদী পার্টির প্রধান অখিলেশ যাদব এবং বিহারের পূর্ণিয়ার সাংসদ পাপ্পু যাদবও বিষয়টির তদন্তের দাবি করেছেন।

    আরও পড়ুনঃ কোচিং সেন্টারে পড়ুয়া মৃত্যুকাণ্ডে চাঞ্চল্যকর ভিডিও প্রকাশ্যে, গ্রেফতারি বেড়ে ৭

    বুলডোজার অ্যাকশন করালবাগে

    দিল্লির মিউনিসিপ্যাল ​​কর্পোরেশন (এমসিডি) কমিশনার অশ্বনি কুমার, পড়ুয়াদের মৃত্যু (Delhi IAS Coaching Centre) প্রসঙ্গে চাপে পড়ে বলেছেন, “একজন জুনিয়র ইঞ্জিনিয়ারকে বরখাস্ত করা হয়েছে। সেই সঙ্গে একজন সহকারী এই ঘটনার সাথে সম্পর্কিত বলে তাকেও বরখাস্ত করা হয়েছে।” একই ভাবে সোমবার সকালেই পুরনিগমের পক্ষ থেকে করালবাগে বুলডোজার অ্যাকশন চালাতে দেখা গিয়েছে অবৈধ নির্মাণের বিরুদ্ধে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Vastu Tips For Home: কোন দিকে ঠাকুরঘর করলে সংসারে শান্তি আসে? কী বলছে বাস্তুশাস্ত্র?

    Vastu Tips For Home: কোন দিকে ঠাকুরঘর করলে সংসারে শান্তি আসে? কী বলছে বাস্তুশাস্ত্র?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আমাদের সবার জীবনেই বাস্তুশাস্ত্রের (Vastu shastra) প্রচুর অবদান রয়েছে। এই বিষয়টি নিয়ে যাঁরা কিছু জানেন না, তাঁরা হয়ত অবৈজ্ঞানিক বলে উড়িয়ে দেবেন। কিন্তু আদতে এই বাস্তুশাস্ত্রের নিজস্ব কিছু যুক্তি আছে যা অত্যন্ত কার্যকারী। আর বাস্তুশাস্ত্র অনুযায়ী ঠাকুর ঘর সঠিক দিকে হওয়া খুবই জরুরি। বাস্তুশাস্ত্রের (Vastu Tips For Home) সঙ্গে প্রত্যক্ষ যোগ রয়েছে বিজ্ঞানের। বাস্তুশাস্ত্র মতে ঠাকুরঘর উত্তর–পূর্ব কোণ অর্থাৎ যাকে আমরা ঈশান কোণ বলি সেখানেই হওয়া উচিত।  

    ঈশান কোণে ঠাকুরঘর রাখার বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা কী? 

    বাস্তুশাস্ত্র মতে, (Vastu Tips For Home) ওই দিককার অধিষ্ঠাত্রী দেবতা হলেন বৃহস্পতি। ফলত, পুজোপাঠের জন্য বাড়ির উত্তর-পূর্ব দিকে ঘর বানানো সবচেয়ে সঠিক। আর বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা অনুযায়ী, আমাদের দশ দিকের প্রধান দিক হলো উত্তর ও পূর্ব। উত্তর হলো পৃথিবীর উত্তর মেরু অর্থাৎ যেখান থেকে চৌম্বকীয় তরঙ্গের সৃষ্টি হয়ে বাহিত হয় দক্ষিণ দিকে। তবে আমরা এই ম্যাগনেটিক ফিল্ডকে দেখতে পাই না, ঠিক যেভাবে আমরা বিদ্যুৎকেও দেখতে পাই না। কিন্তু বিদ্যুৎ বৈদ্যুতিক তারের মাধ্যমে প্রবাহিত হয়। আমাদের এই ম্যাগনেটিক এনার্জি সর্বদা উত্তর থেকে দক্ষিণ দিকে প্রবাহিত হচ্ছে। আর পূর্ব দিক হল যেদিক থেকে সূর্যদেব উদিত হন এবং পশ্চিম দিকে অস্ত যান। এই পূর্ব দিক হল সোলার এনার্জি বা সৌর শক্তির উৎস। ফলে এই দুটি এনার্জি উত্তর ও পূর্ব কোণ থেকে উৎপন্ন হয়ে দক্ষিণ – পশ্চিম কোণে প্রবাহিত হচ্ছে। তাই বৈজ্ঞানিক মতেই হোক বা বাস্তুশাস্ত্র মতে ঈশান কোণেই ঠাকুর ঘর করা উচিত।

    তবে বাস্তুশাস্ত্র (Vastu shastra) না জানা মানুষের অনেকের কাছে এটা হয়তো অবৈজ্ঞানিক। কিন্তু বাস্তুর (Vastu Tips For Home) আবার নিজস্ব কিছু যুক্তি আছে, যেগুলি অত্যন্ত জরুরি। কারণ জীবনের নানা ওঠাপড়া, সমস্যা থেকে মুক্তিলাভ, সার্বিক উন্নতি— সব কিছুর জন্য আমরা নিজের নিজের দেবতার উপর নির্ভরশীল। তার জন্যই বাড়িতে ঠাকুরঘর বানানো অতি আবশ্যক এবং সেই ঠাকুরঘর বাড়ির সঠিক দিকে থাকা উচিত। কারণ সেটা ভুল হলে জীবনে তার কুপ্রভাব পড়ার আশঙ্কা থাকে। আর সেটা সঠিক হলে সাংসারিক জীবনে সুখশান্তি আসার সম্ভাবনা থাকে ও মানসিক দিকেও শান্তি থাকে।  

    আরও পড়ুন: মোদি সরকারের ‘টপস’ এবং ‘খেলো ইন্ডিয়া’ প্রকল্পের প্রশংসা ব্রোঞ্জ জয়ী মনু ভাকেরের

    কী করবেন, কী করবেন না? (Vastu Tips For Home)  

    ঠাকুর ঘর সবসময় পরিষ্কার ও পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে। সুগন্ধি ধুপ ও ফুল দিয়ে পুজো করতে হবে। যেহেতু ঈশান কোণ পজিটিভ এনার্জিকে সৃষ্টি করে, তাই পুজোপাঠের সময় পুরো বাড়ি পজিটিভ শক্তি দ্বারা ভরে থাকে। আর বাড়িতে পজিটিভ এনার্জি থাকলে শরীর ও মন সুস্থ থাকে। তবে বেডরুম বা শোওয়ার ঘরে ঠাকুর রাখা একদম ঠিক নয়। কিন্তু জায়গা একান্তই না থাকলে শোওয়ার ঘরে ঠাকুর রাখলেও, রাতে সেই জায়গায় পর্দা দেওয়ার ব্যবস্থা করতে হবে। আর বাড়ির ঈশান কোণে কখনওই বাথরুম, কিচেন, সিঁড়ি করবেন না, তার কারণ হল এইগুলি সবসময়ই নেগেটিভ এনার্জি সৃষ্টি করে। আর নেগেটিভ এনার্জি মানুষের শরীর ও মন সুস্থ রাখতে পারে না।

      
     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share