Tag: news in bengali

news in bengali

  • Bangladesh Protest: বাংলাদেশের আন্দোলনের প্রভাব বঙ্গের মাছ বাজারে, লোকসানের অঙ্ক শুনলে চমকে যাবেন…

    Bangladesh Protest: বাংলাদেশের আন্দোলনের প্রভাব বঙ্গের মাছ বাজারে, লোকসানের অঙ্ক শুনলে চমকে যাবেন…

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কোটা সংস্কারের (Bangladesh Protest) দাবিতে আন্দোলন চলছে বাংলাদেশে। এর প্রভাব পড়েছে এপার বাংলার মাছ বাজারে। হাওড়া, পাইকপাড়া, বারাসত সহ বিভিন্ন পাইকারি বাজারে বাংলাদেশ থেকে বিপুল পরিমাণে মাছ আমদানি (Fish Supply) করা হত। বিগত ৩-৪ দিন ধরে তা বন্ধ। ফলে ইলিশ সহ বাংলাদেশ থেকে আমদানি করা অন্যান্য মাছের যোগানেও টান পড়েছে। প্রতিদিন কোটি কোটি টাকার লোকসান হচ্ছে, এপার বাংলার মাছ ব্যবসায়ীদের।

    কোটি কোটি টাকার ক্ষতি (Bangladesh Protest)

    আন্দোলনের জেরে (Bangladesh Protest) বাংলাদেশ থেকে বাতিল হয়েছে ট্রেন। বন্ধ সে দেশের ইন্টারনেট পরিষেবা। জারি হয়েছে কারফিউ। স্থল বন্দর হয়ে জিনিসপত্রের আমদানি-রফতানি বন্ধ হয়ে গিয়েছে। বাংলাদেশ থেকে পুরোপুরি বন্ধ ইলিশ মাছের আমদানি। প্রতিদিন প্রায় ১০০ টন মাছ আমদানি হত বাংলাদেশ থেকে। ইলিশ মাছ ছাড়াও ট্যাঙরা, ভেটকি, পাবদা, পাঙাস, পমফ্রেট সহ বিভিন্ন ধরনের মাছ বাংলাদেশ থেকে আমদানি করা হয় হাওড়ার মাছ বাজারে। অন্যান্য মাছ বাজারেও টন-টন মাছ আসত প্রতিদিন। বিগত ৩-৪ দিন ধরে সেই আমদানি বন্ধ।

    সংগঠনের বক্তব্য (Fish Supply)

    ফিশ ইমপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের সম্পাদক সৈয়দ আনোয়ার মাকসুদ বলেন, “বাংলাদেশ থেকে মাছ আসা বন্ধ হয়ে গিয়েছে। বাংলাদেশে ইন্টারনেট পরিষেবা পুরোপুরি বন্ধ থাকায় অনলাইনে সে দেশের ব্যবসায়ীদের টাকা পাঠানো যাচ্ছে না। নতুন অর্ডারও দেওয়া যাচ্ছে না। বাংলাদেশ (Bangladesh Protest)থেকে এ রাজ্যেও গাড়ি আসার সংখ্যা কমে গিয়েছে। ফলে সমস্যায় পড়ছেন মাছের ব্যবসায়ীরা। প্রতিদিন গড়ে আড়াই কোটি টাকার লোকসান হচ্ছে। বর্ষাকালে বাংলাদেশ থেকে পদ্মার ইলিশ (Fish Supply) আমদানি করা হয়। অন্যান্য নদীর ইলিশও আসে ভারতে। কিন্তু এবার ইলিশের আমদানির জন্য চিঠি লেখার কাজ শুরু হলেও, ইলিশ পাওয়া যাবে কি না তা এখনও নিশ্চিত নয়।

    আরও পড়ুন: সংরক্ষণ ব্যবস্থায় সংস্কার হবে, হাইকোর্টের রায় খারিজ করে জানাল বাংলাদেশের সুপ্রিম কোর্ট

    এভাবে অশান্তি চলতে থাকলে এবার ওপার বাংলার ইলিশ নাও আসতে পারে।” আপাতত পরিস্থিতি (Bangladesh Protest) কবে স্বাভাবিক হয়, সেদিকেই তাকিয়ে রয়েছেন মাছ ব্যবসায়ীরা।

     

     

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Assembly By-Election 2024: বিজেপি ৫২, তৃণমূল ৯৭১! উপ নির্বাচনে শাসকের ভোট লুটের অজস্র নগ্ন ছবি প্রকাশ্যে

    Assembly By-Election 2024: বিজেপি ৫২, তৃণমূল ৯৭১! উপ নির্বাচনে শাসকের ভোট লুটের অজস্র নগ্ন ছবি প্রকাশ্যে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উপনির্বাচনেও ফাঁকা বুথ (Empty Booth), কিন্তু এতো ভোট কারা দিলেন? এই ভূতুড়ে ভোটারদের ঘিরে প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছে। রানাঘাট দক্ষিণের উপনির্বাচনের (Assembly By-Election 2024) চিত্রটাই ছিল ঠিক এমনই। জ্ঞানদাসুন্দরী প্রাথমিক বিদ্যালয় ছিল ১২৭ নম্বর বুথ। এই ভোটকেন্দ্রে সিপিএম পেয়েছে ৮ ভোট, বিজেপি পেয়েছে মাত্র ৫২ ভোট। অপর দিকে তৃণমূল প্রার্থী পেয়েছেন ৯৭১ ভোট। বুথে মোট ভোটারদের ৯৩.৬৪ শতাংশ একক ভাবে পেয়েছে রাজ্যের শাসক দল। এই প্রাপ্ত ভোটের পরিমাণ দেখেই উঠছে প্রশ্ন। আবার কুঞ্জবিহারী দাস প্রাথমিক বিদ্যালয়ের রুম নম্বর ২। সেখানে সিপিএম পেয়ছে ১১ এবং বিজেপি পেয়েছে ৬৪, তৃণমূলের ভোট ৫০৯। বুথে ভোট পড়ার পরিমাণ ৮৫.৯৮ শতাংশ। এই দুই বুথ থেকেই বোঝা যাচ্ছে কীভাবে ভোট হয়েছে। যদিও বিজেপির অভিযোগ, এটাই হল তৃণমূলের ‘ডায়মন্ড হারবার মডলে।’

    মাণিকতলায় তৃণমূলের ভোট শতাংশ (Assembly By-Election 2024)

    নির্বাচন কমিশনের তথ্যের সূত্র দেখে জানা গিয়েছে, রাণাঘাট দক্ষিণের অন্তত ১৪টি ভোটকেন্দ্রে দেখা গিয়েছে তৃণমূলের প্রাপ্ত ভোট (Assembly By-Election 2024) ৮০ শতাংশ। আবার মাণিকতলায় গত লোকসভার ভোটে তৃণমূলের থেকে বিজেপি এগিয়ে ছিল প্রায় সাড়ে ৩ হাজার ভোটে। ১৬ এবং ৩১ নম্বর ওয়ার্ডে এগিয়ে ছিল বিজেপি। আবার উপনির্বাচনে ১৬ নম্বর ওয়ার্ডে থেকেই তৃণমূলের লিড ৩৫৭০ ভোটে। ৬৩ নম্বর বুথে বিজেপি প্রার্থী কল্যাণ চৌবে মাত্র ১০০ ভোট পেলেও, সিপিএম ২৮, কিন্তু তৃণমূলের সুপ্তি পাণ্ডে পেয়েছেন ৭১৬ ভোট। আবার ৭৫ নম্বর বুথে বিজেপি পেয়েছে ৬৭ ভোট, সিপিএম পেয়েছে ৯ ভোট আর তৃণমূল ৪৭৬ ভোট। একই কেন্দ্র ১৪৫, ১৪৬, ১৪৭, ১৪৮ নম্বর বুথে বিজেপি, সিপিএমের ভোট একই। কিন্তু তৃণমূলের ভোটের ক্রমটা ৩৪২, ৩৯২, ৩৬২, ৩৬৭, ৩৪৯। দেখেই যেন মনে হবে কেউ তৃণমূলের জন্য ভোটের নম্বর মনগড়া বসিয়েছেন। তাই প্রশ্ন উঠেছে তৃণমূলের ভোট (Empty Booth) নিয়ে।

    বাগদা এবং রায়গঞ্জে ভোটের পরিমাণ

    আবার বাগদা কেন্দ্রের ২৩৩, ২৩৫, ২৪০, ২৭৮ নম্বর বুথে ভোট লুট (Assembly By-Election 2024) হয়েছে বলে দাবি করেছে বিজেপি। ২৩৫ নম্বর বুথে তৃণমূল প্রার্থী মধুপর্ণা ঠাকুর পেয়েছেন ৮৪৪ ভোট। ফরওয়ার্ড ব্লকের গৌর বিশ্বাস ৩০ এবং বিজেপির বিনয় বিশ্বাস ১০। একই ভাবে ২৩৩ নম্বর বুথে তৃণমূল ৬৭৮, ফরওয়ার্ড ব্লক ৪৭ এবং বিজেপি ৫৫। আবার ২৪০ নম্বর বুথে তৃণমূল ২৮১, ফরওয়ার্ড ব্লকের ২ এবং বিজেপি ৩৪। তাই ভোট কীভাবে হয়েছে, তা নিয়ে শাসকের বিরুদ্ধে অভিযোগে সরব হয়েছে বিজেপি। রায়গঞ্জের লোকসভা নির্বাচনে বিজেপি পেয়েছিল ৯৩ হাজার ৪০২ ভোট, আর তৃণমূল কংগ্রেস পেয়েছিল ৪৬ হাজার ৬৬৩ ভোট। এক মাস পরে উপনির্বাচনে বিজেপির হয়ে গেল ৩৬ হাজার ৪০২ ভোট আর তৃণমূল পেয়েছে ৮৬ হাজার ৪৭৯ ভোট। এই ভোট গ্রহণ এবং ফলে বিরোধীরা শাসক দলের ষড়যন্ত্র মনে করছে।

    আরও পড়ুনঃ কেউ পাননি ভাতা কারও কপালে জোটেনি ডিম-ভাত! ক্ষোভ উগরে দিলেন তৃণমূল কর্মীরাই

    শুভেন্দুর বক্তব্য

    রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী বলেছেন, “রাণাঘাট দক্ষিণে ৭০ হাজার, বাগদায় ২০ হাজার এবং রায়গঞ্জে ৫০ হাজার ভোটারকে ভোট (Assembly By-Election 2024) দিতে দেয়নি তৃণমূল। মাণিকতলায় ৮টি ওয়ার্ডে লুট করেছে তৃণমূল। সেই সঙ্গে হিন্দুদের ভোট দিতে দেয়নি।” অপর দিকে তৃণমূলের মুখপাত্র কুণাল ঘোষ বলেছেন, “কাউকে কোথাও ভোটে বাধা দেওয়া হয়নি। বিজেপির অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Sarco Pod: যন্ত্রণাবিহীন মৃত্যুর যন্ত্র সারকো-পড ঘিরে ফিরল গ্যাস চেম্বার বিতর্ক

    Sarco Pod: যন্ত্রণাবিহীন মৃত্যুর যন্ত্র সারকো-পড ঘিরে ফিরল গ্যাস চেম্বার বিতর্ক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরামদায়ক মৃত্যুর খোঁজ মিলেছে সুইজারল্যান্ডে (Switzerland) । নাম দেওয়া হয়েছে ‘দ্য সুইসাইড পড’। গোলাকার কফিন আকৃতির পোর্টেবল যন্ত্রটি সাহায্য করবে কষ্টবিহীন স্বেচ্ছামৃত্যুতে। ২০১৯ সালে যন্ত্রটির প্রথম প্রোটোটাইট তৈরি করে ‘এক্সিট ইন্টারন্যাশনাল’ নামে একটি সংস্থা। মূলত দুরারোগ্য ব্যাধিতে যারা ভুগছেন তাঁদের স্বেচ্ছামৃত্যুর বন্দোবস্ত করার উদ্দেশ্যেই এই মৃত্যু যন্ত্র আবিষ্কার করা হয়। ২০২১ সালে আইনি ছাড়পত্র পেয়েছে স্বেচ্ছামৃত্যুর যন্ত্র ‘সারকো-পড’ (Sarco Pod) ।  

    বোতাম টিপলেই স্বেচ্ছামৃত্যু (Sarco Pod)

    দাবি করা হয়েছে, কফিন আকৃতির এই মেশিনে শুয়ে একটি বোতাম টিপলেই মাত্রই ধীরে ধীরে যন্ত্রণা বিহীন ভাবে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়বে স্বেচ্ছামৃত্যু চাওয়া ব্যক্তি। বোতামে চাপ দিলেই সারকো পডে (Sarco Pod) ভরে যাবে লিকুইড নাইট্রোজেন। দ্রুত নামবে অক্সিজেনের মাত্রা। কয়েক মুহূর্তের অস্বস্তির পরেই জ্ঞান হারাবেন ঐ ব্যাক্তি। মিনিট দশকের মধ্যে হাইপক্সিয়া এবং হাইপোক্যাপনিয়ায় মারা যাবেন ওই ব্যক্তি। প্রাথমিকভাবে ‘সারকো-পড’ ব্যবহারের ন্যূনতম বয়সসীমা ৫০ বছর নির্ধারণ করা হয়েছে। কবে এবং কাকে প্রথমে এই যন্ত্র ব্যবহার করতে দেওয়া হবে তা জানানো হয়নি।

    যন্ত্রণাবিহীন মৃত্যু দেবে ‘সারকো-পড’ (Switzerland)

    মৃত্যু যে একেবারে যন্ত্রণাদায়ক হবেনা এমনটা অবশ্য দাবি করছে না। কয়েক সেকেন্ড পর অস্বস্তির পর জ্ঞান হারাবেন (Sarco Pod) স্বেচ্ছামৃত্যু চাওয়া ব্যক্তি জ্ঞান হারানোর পর অবশ্য যন্ত্রণা ভোগ করতে হবে না। ‘সারকো-পডের’ মধ্যে ঢুকে নিজের মৃত্যু নিশ্চিত করতে গেলে তিনটি ধাপ পের হতে হবে। প্রথমে স্বেচ্ছামৃত্যুতে আগ্রহী ব্যক্তিকে তাঁর সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করার সুযোগ দেওয়া হবে। ওই ব্যক্তি সিদ্ধান্তে অনড় থাকলে কয়েকটি প্রশ্নের উত্তর দিতে হবে। এর পর স্বেচ্ছামৃত্যুর প্রক্রিয়া শুরু হয়ে যাবে।

    ফিরবে গ্যাস চেম্বারের স্মৃতি

    সুইজারল্যান্ড (Switzerland) সরকারের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, সে দেশে স্বেচ্ছামৃত্যু ১৯৪২ থেকে বৈধ ভাবে শুরু হয়। বছরে মোটামুটি ১৩০০ জন স্বেচ্ছামৃত্যু গ্রহণ করে থাকেন। স্বেচ্ছামৃত্যু জনপ্রিয় হলে সেই ট্রেন্ড আরও বাড়বে। অনেক দেশেই স্বেচ্ছামৃত্যু অবৈধ। অনেকেই সুইজারল্যান্ডে গিয়ে স্বেচ্ছামৃত্যু গ্রহণ করে থাকেন। কিন্তু বিতর্ক ‘সারকো-পড’ (Sarco Pod) নিয়েও কম নয়। কারণ এই মেশিন এক ধরনের গ্যাস চেম্বার। নাজি বাহিনী যেভাবে গ্যাস চেম্বারে ঢুকিয়ে মারত, এই নয়া যন্ত্র গ্যাস চেম্বারে ঢুকিয়ে নিজেকে মেরে ফেলার সমান। ‘সারকো-পড’ ব্যবহার করা নিষিদ্ধ করার দাবি জানিয়ে সরব হয়েছে বেশ কয়েকটি মানবাধিকার সংগঠন। তাঁদের বক্তব্য, এই যন্ত্র দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সেই গ্যাস চেম্বারের স্মৃতি ফিরিয়ে আনবে। মেশিনের বোতাম কার কন্ট্রোলে থাকবে তা নিয়েও প্রশ্ন রয়েছে।

    মৃত্যু যন্ত্র তৈরি করতে সময় লেগেছে ১২ বছর

    এই মেশিনের আবিষ্কারক ফিলিপ নিৎস্কে। তাঁকে ‘ডক্টর ডেথ’ বলে ডাকা হয়। মৃত্যুকে অকারণে গ্ল্যামার দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে তাঁর বিরুদ্ধে। (Sarco Pod) যন্ত্রটির আবিষ্কারক পিলিপ বলছেন মাত্র ৩০ সেকেন্ডের মধ্যেই ২১ শতাংশ থেকে ০.৫ শতাংশে নেমে আসবে অক্সিজেনের মাত্রা। খুব সহজেই অবচেতন অবস্থায় স্বেচ্ছামৃত্যু পাবেন আবেদনকারী ব্যক্তি।

    আরও পড়ুন: পাকিস্তানে বাড়ল হিন্দু জনসংখ্যা, জানেন কত?

    যন্ত্রণা একেবারে যাতে কম হয় তা নিশ্চিত করবে এই যন্ত্র। এই যন্ত্রের মাধ্যমে জীবনের ইতি টানতে গেলে খরচ করতে হবে ২০ ডলার। ভারতীয় মুদ্রায় ২ হাজার টাকার একটু কম। এই যন্ত্র তৈরি করতে সময় লেগেছে ১২ বছর। খরচ হয়েছে ৭.১০ লক্ষ ডলার।  প্রয়োজনে এই যন্ত্র বাড়িতে নিয়ে গিয়েও স্বেচ্ছামৃত্যু ঘটানো যেতে পারে।

     

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Jammu And Kashmir: ভূস্বর্গে ঢুকেছে পাক জঙ্গি, ব্যবস্থা নিতে মোতায়েন ৫০০ কমান্ডো

    Jammu And Kashmir: ভূস্বর্গে ঢুকেছে পাক জঙ্গি, ব্যবস্থা নিতে মোতায়েন ৫০০ কমান্ডো

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জম্মু-কাশ্মীরে (Jammu And Kashmir) অনুপ্রবেশ করেছে প্রশিক্ষিত পাকিস্তানি জঙ্গি। সেই কারণেই আরও আঁটসাঁট করা হল ভূস্বর্গের নিরাপত্তা ব্যবস্থা। প্রতিরক্ষা মন্ত্রক সূত্রে খবর (Indian Army), প্রায় ৫০০ প্যারা স্পেশাল ফোর্স কমান্ডো মোতায়েন করা হয়েছে। জানা গিয়েছে, সম্প্রতি পাকিস্তান থেকে ভারতে অনুপ্রবেশ করেছে ৫০ থেকে ৫৫ জন প্রশিক্ষিত জঙ্গি। এলাকায় অশান্তির ছক কষেছে তারা। এদেরই দমন করতে মোতায়েন করা হচ্ছে ওই কমান্ডোদের।

    গোয়েন্দা তৎপরতা তুঙ্গে (Jammu And Kashmir)

    অভিযান চালানোর আগে জঙ্গিদের অবস্থান সম্পর্কে জানতে তথ্য সংগ্রহ করছেন গোয়েন্দা দফতরের আধিকারিকরা। এই অঞ্চলে বাড়ানো হয়েছে গোয়েন্দাদের তৎপরতাও। এই জঙ্গিদের কারা সাহায্য করছে, কোথা থেকেই বা রসদ জোগাড় করছে, সেসবও জানার চেষ্টা করছেন গোয়েন্দারা। ভারতীয় সেনার তরফে টহলদারির জন্য অতিরিক্ত বাহিনীও মোতায়েন করা হয়েছে। এই বাহিনীতে রয়েছেন সাড়ে ৩ থেকে ৪ হাজার দক্ষ সেনা। জঙ্গি দমনের ছকও কষে নিয়েছে নিরাপত্তা বাহিনী।

    জঙ্গি মোকাবিলায় গুচ্ছ ব্যবস্থা

    জানা গিয়েছে, অত্যাধুনিক অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত ও উন্নত কমিউনিকেশন ডিভাইস রয়েছে এই জঙ্গিদের হাতে। তাদের হাতে চলে এসেছে আফগানিস্তানে নেটো ও মার্কিন সেনার ফেলে যাওয়া অত্যাধুনিক সব অস্ত্র (Jammu And Kashmir)। জঙ্গিদের সেই অস্ত্রচালনার প্রশিক্ষণ দিচ্ছেন পাকিস্তানের প্রাক্তন সেনাকর্তারা। এদের মোকাবিলায় তাই মোতায়েন করা হয়েছে দক্ষ সেনা। এই এলাকায় সন্ত্রাস-বিরোধী পরিকাঠামোও সম্প্রতি গড়ে তুলেছে ভারতীয় সেনা। যাতে রয়েছে রাষ্ট্রীয় রাইফেলসের দুটি ব্যাটেলিয়ন – রোমিও এবং ডেল্টা ফোর্স। এর পাশাপাশি রয়েছে বিভিন্ন রেগুলার ইনফ্যান্ট্রি ডিভিশনও।

    আরও পড়ুন: ‘‘জনজাতিদের জমি ও অধিকার রক্ষা করবে বিজেপি’’, ঝাড়খণ্ডে বললেন অমিত শাহ

    জম্মু-কাশ্মীরে শুরু হয়েছে উন্নয়ন যজ্ঞ। জঙ্গি কার্যকলাপ ছড়িয়ে দিয়ে সেই উন্নয়ন যজ্ঞই ব্যাহত করতে চাইছে পাকিস্তান। আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশেষজ্ঞদের মতে, সেই কারণেই ভারতে জঙ্গি ঢুকিয়ে অশান্তি জিইয়ে রাখতে চায় পাক সরকার। এতে লাভ হয় দু’দিক থেকে। এক, ‘হা-ভাতে’র দেশ পাকিস্তানে অনায়াসেই মেলে জঙ্গি হওয়ার জন্য তাজা রক্ত। আর দুই, ‘যুদ্ধ যুদ্ধ খেলা’ চালিয়ে গেলে দেশে বয়ে যায় দেশপ্রেমের বন্যা। তখন আর অনাহার-অপুষ্টি নিয়ে (Indian Army) বিশেষ মাথা ঘামায় না কেউ। তাই ভূস্বর্গে (Jammu And Kashmir) নিরন্তর জ্বলতে থাকে অশান্তির গনগনে আগুন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Madhya Pradesh: স্ত্রী ও বাবা-মায়ের মধ্যে আর্থিক সাহায্যের সমান ভাগ, ‘নেক্সট টু কিন’ প্রকল্পে বড় ঘোষণা মধ্যপ্রদেশে

    Madhya Pradesh: স্ত্রী ও বাবা-মায়ের মধ্যে আর্থিক সাহায্যের সমান ভাগ, ‘নেক্সট টু কিন’ প্রকল্পে বড় ঘোষণা মধ্যপ্রদেশে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: স্ত্রী এবং বাবা-মায়ের মধ্যে আর্থিক সাহায্যের সমান ভাগের কথা জানিয়ে ‘নেক্সট টু কিন’ বিতর্কের মধ্যে মধ্যপ্রদেশ (Madhya Pradesh) সরকার বড় সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলে জানা গিয়েছে। সম্প্রতি ভারতীয় সেনাকর্মী অংশুমান সিং-এর মরণোত্তর সম্মান ‘কীর্তি চক্র’ নিয়ে তাঁর বাবা-মা দাবি করেছিলেন, এই সম্মাননা নিয়ে পুত্রবধূ বাড়ি থেকে চলে গিয়েছেন। একই ভাবে ‘নেক্সট অফ কিন’ নীতি বদলের কথাও তুলেছেন তাঁরা। ঠিক এমন অবস্থায় মধ্যপ্রদেশের মোহন যাদবের সরকার ঘোষণা করেছেন, কর্তব্যরত অবস্থায় কোনও পুলিশকর্মীর মৃত্যু হলে আর্থিক সহায়তা তাঁর স্ত্রীর সঙ্গে বাবা-মাকেও দেওয়া হবে। রাজ্যের পুলিশ বিভাগে এই নির্দেশ কার্যকর হবে।

    ‘নেক্সট অফ কিন’ প্রকল্পে সরকারের ঘোষণা (Madhya Pradesh)

    মধ্যপ্রদেশের বীরগতি প্রাপ্ত জওয়ান অংশুমানের বাবা-মা ‘নেটক্স অফ কিন’ প্রকল্পে বদলের দাবি করেছিলেন। মাত্র কয়েক দিনের মাথায় মধ্যপ্রদেশ সরকার এই নির্দেশিকা জারি করেছে। এই প্রকল্পে বলা হয়েছে, কোনও পুলিশকর্মী যদি কর্তব্যরত অবস্থায় মৃত্যু হয়, তাহলে পরিবারকে আর্থিক সাহায্য দেওয়া হবে। এই আর্থিক সাহায্যের পরিমাণ ১ কোটি টাকা। এতদিন পর্যন্ত পুলিশ কর্মী বিবাহিতা হলে এই আর্থিক সাহায্যের সম্পূর্ণ টাকা পেতেন কেবলমাত্র তাঁর স্ত্রী। কিন্তু এবার থেকে নতুন ঘোষণায় স্ত্রী এবং বাবা-মায়ের মধ্যে সমান ভাবে ভাগ করে দেওয়া হবে। বাবা-মা পাবেন ৫০ লাখ এবং স্ত্রী পাবেন ৫০ লাখ টাকা। একই সঙ্গে বিশেষ সম্মান পেলে তার উপরও অধিকার থাকবে বাবা-মায়ের।

    আরও পড়ুনঃ নিট প্রশ্ন ফাঁসের ‘মাস্টারমাইন্ড’ শশী সহ আরও দুই ‘সলভার’ কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার জালে

    নমিনির নিয়মে পুনর্বিবেচনা করুক

    মাত্র কয়েকদিন আগেই ক্যাপ্টেন অংশুমান সিং-এর (Madhya Pradesh) কীর্তি সম্মান নিয়ে ব্যাপক ভাবে চর্চা হয়েছিল। ২০২৩ সালের জুলাই মাসে সিয়াচিনের এক ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে উদ্ধার করতে গিয়ে ঝাপিয়ে পড়েছিলেন তিনি। উদ্ধার কাজ করতে গিয়ে নিজে নিহত হয়েছিলেন। এরপর এই বছর ৫ জুলাই তাঁর এই কাজের সম্মানে ‘কীর্তি চক্র’ প্রদান করেন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু। এই সম্মান গ্রহণ করতে রাষ্ট্রপতি ভবনে গিয়েছিলেন অংশুমানের স্ত্রী স্মৃতি এবং মা মঞ্জু। এরপর এই সম্মান পুরস্কার নিজের বাবার বাড়ি নিয়ে চলে যান স্মৃতি। পাল্টা সরব হন অংশুমানের বাবা-মা। বাবা প্রতাপ সিং বলেছেন, “আমরা চাই সরকার নমিনির নিয়মে পুনর্বিবেচনা করুক। অভিভাবকদের যাতে কষ্ট করতে না হয়।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Economic Survey: বাজেটের আগেই সংসদে পেশ হবে অর্থনৈতিক সমীক্ষার রিপোর্ট

    Economic Survey: বাজেটের আগেই সংসদে পেশ হবে অর্থনৈতিক সমীক্ষার রিপোর্ট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২৩ জুলাই সংসদে পেশ হবে তৃতীয় মোদি সরকারের প্রথম পূর্ণাঙ্গ বাজেট (Budget 2024)। তার আগের দিন সোমবার সংসদে অর্থনৈতিক সার্ভে (Economic Survey) রিপোর্ট পেশ করবেন অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামণ। ভারতীয় অর্থনীতির রিপোর্ট কার্ডও বলা যেতে পারে একে। গত অর্থবর্ষে দেশের বৃদ্ধির হার কেমন ছিল, তাও জানা যাবে এই ইকনোমিক সার্ভে থেকে।

    ইকনোমিক সার্ভের রিপোর্ট (Economic Survey)

    প্রতি বছর কেন্দ্রীয় বাজেট পেশের আগেই পেশ হয় ইকনোমিক সার্ভের রিপোর্ট। তা থেকেই জানা যায় দেশের অর্থনীতির হাল কেমন, সমৃদ্ধিই বা কেমন, আর্থিক নীতিতে কোনও বদল হল কিনা, এই সব। সার্ভে রিপোর্টটি বানিয়েছে মুখ্য অর্থনৈতিক উপদেষ্টা ভি অনন্ত নাগেশ্বরণের নেতৃত্বে বিশেষজ্ঞদের একটি দল। ইকনোমিক এই সমীক্ষার রিপোর্ট থেকেই জানা যায় দেশে কর্মসংস্থানের হার কত, জিডিপি গ্রোথই বা কেমন, মুদ্রাস্ফীতি এবং বাজেটে ঘাটতির পরিমাণ সম্পর্কে।

    অর্থনৈতিক বৃদ্ধির হার

    ভারতের গায়ে সেঁটে গিয়েছে দ্রুততম অর্থনৈতিক উন্নয়নশীল দেশের তকমা। বিশ্বের বৃহত্তম অর্থনীতির দেশের তালিকায় ভারতের জায়গা হয়েছে পাঁচে। দীর্ঘকাল যে জায়গাটা দখলে রেখেছিল ইংল্যান্ড। বিভিন্ন সমীক্ষার সার্ভে রিপোর্ট বলছে, অচিরেই জাপানকে সরিয়ে ভারত চলে আসবে ওই তালিকার চার নম্বরে। আন্তর্জাতিক মুদ্রা ভান্ডারের ভবিষ্যদ্বাণী, ২০২৫ অর্থবর্ষে ভারতের (Economic Survey) অর্থনৈতিক বৃদ্ধির হার ৬.৮ শতাংশ থেকে বেড়ে হবে ৭ শতাংশ। চলতি বছরের জুন মাসে রিজার্ভ ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়াও জানিয়েছিল, অর্থনৈতিক বৃদ্ধির হার ৭ শতাংশ থেকে বেড়ে হবে ৭.২ শতাংশ। রিজার্ভ ব্যাঙ্ক দেখেছে, ভারতে জিডিপি বৃদ্ধির হার হতে চলেছে ৮ শতাংশ। আরবিআইয়ের গভর্নর শক্তিকান্ত দাস বলেন, “২০২৩-২৪ অর্থবর্ষে বৈশ্বিক বৃদ্ধিতে ভারতের অবদান ছিল ১৮.৫ শতাংশ।”

    আরও পড়ুন: “পৃথিবী ছিল না, নিবিড় আঁধার, তখন কেবল মা নিরাকার মহাকালী—মহাকালের সঙ্গে বিরাজ করছিল”

    বাজেট অধিবেশনে ৬টি বিল

    এদিকে, ২২ জুলাই, সোমবার শুরু হওয়া বাজেট অধিবেশনে ৬টি বিল পাশ করানোর পরিকল্পনা করেছে কেন্দ্রের এনডিএ সরকার। সংসদের এই অধিবেশন চলবে ১২ অগাস্ট পর্যন্ত। সংসদের উভয় কক্ষেই পেশ হবে নয়া বিলগুলি। এই বিলগুলি হল, অর্থনৈতিক বিল, বিপর্যয় মোকাবিলা (সংশোধনী) বিল, বয়লার্স বিল, বায়ুযান বিধেয়ক বিল (Budget 2024), কফি (প্রচার ও উন্নয়ন) বিল এবং রাবার (প্রচার ও উন্নয়ন) বিল (Economic Survey)।

     

     দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • NEET-UG: নিট প্রশ্ন ফাঁসের ‘মাস্টারমাইন্ড’ শশী সহ আরও দুই ‘সলভার’ কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার জালে

    NEET-UG: নিট প্রশ্ন ফাঁসের ‘মাস্টারমাইন্ড’ শশী সহ আরও দুই ‘সলভার’ কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার জালে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিট (NEET-UG) পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসকাণ্ডে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার জালে এবার মাস্টারমাইন্ড। গতকাল শনিবার সিবিআই (CBI) এক বিটেক উত্তীর্ণ এবং দুই এমবিবিএস পড়ুয়াকে গ্রেফতার করেছে। তাদের মধ্যে প্রধান অভিযুক্ত হল প্রথম জন এবং বাকি দ্বিতীয়রা নিটের প্রশ্ন ফাঁসের ক্ষেত্রে সমাধানকারী বা সলভার হিসেবে ভূমিকা পালন করেছিল। সম্প্রতি ডাক্তারি প্রবেশিকার সর্ব ভারতীয় পরীক্ষার প্রশ্ন ফাঁসের কেলেঙ্কারিতে গোটা দেশ উত্তাল হয়ে গিয়েছিল।

    মাস্টার মাইন্ড শশী (NEET-UG)!

    সংবাদসংস্থা সূত্রে জানা গিয়েছে, যে ডাক্তারি পড়ুয়াদের গ্রেফতার করা হয়েছে তারা রাজস্থানের ভরত মেডিক্যাল কলেজের ছাত্র। ধৃতরা হল কুমার মঙ্গলম বিষ্ণোই এবং দীপেন্দুর কুমার। টেকনিক্যাল সার্ভেল্যান্স টিম হাজারিবাগে ঘটনার দিন তাদের উপস্থিতির প্রমাণ পেয়েছে। প্রশ্ন ফাঁসের (NEET-UG) মাস্টারমাইন্ড হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে বিটেক ছাত্র শশী কুমার পাসওয়ানকে। গোটা প্রশ্নপত্র ফাঁসকাণ্ডের কিংপিন হিসেবে অভিযুক্ত এই পড়ুয়া। ধৃত এই যুবক জামশেদপুরের ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অফ টেকনোলজিতে পড়াশুনা করত। এই শশী সম্পূর্ণ দুর্নীতিকাণ্ডের প্রধানচক্রী। ইতিমধ্যে তাদের হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসবাদ শুরু করা হয়েছে। এখনও পর্যন্ত তদন্তকারী সংস্থা মোট গ্রেফতার করেছে ২১ জন অভিযুক্তকে।

    আরও পড়ুনঃ অগ্নিগর্ভ বাংলাদেশ, নিরাপদে থাকতে ভারতে আসছেন বহু বাংলাদেশি

    ৫ মে হয়েছিল নিট পরীক্ষা

    ৫ মে সারা দেশে নিট ইজি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হওয়ার তারিখে হাজারীবাগে দুই সলভার উপস্থিত থাকার প্রমাণ মিলেছে। জামশেদপুরের ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অফ টেকনোলজি থেকে বি টেক (ইলেক্ট্রিক্যাল) পাসআউট কুমার এবং রকির সঙ্গে এই শশীর কার্যকলাপের বিষয়ে যোগসূত্র উঠে এসেছে। তবে বিহার পুলিশ এই মামলার তদন্ত সিবিআইকে (CBI) হস্তান্তর করার পর গ্রেফতারি আরও বেড়েছে। সিবিআই আগেই পঙ্কজ কুমারকে গ্রেফতার করে ছিল, যিনি প্রশ্ন ফাঁসে করেছিলেন এবং রাজু সিং  নামক ব্যক্তি প্রক্রিয়ায় তাকে সাহায্য করেছিল। রকিকে অবশ্য আগেই এজেন্সি গ্রেফতার করেছে।

    নিট ইউজি, এনটিএ-এর মাধ্যমে এমবিবিএস, বিডিএস, এবং আয়ুষ অন্যান্য সম্পর্কিত কোর্সে সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে ভর্তির জন্য প্রবেশিকার পরীক্ষা নিয়ে থাকে। এ বছর ৫ মে ৫৭১টি শহরের ৪ হাজার ৭৫০টি কেন্দ্রে পরীক্ষা (NEET-UG) অনুষ্ঠিত হয়। ২৩ লাখেরও বেশি প্রার্থী পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিলেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Bangladesh Tensions: অশান্ত বাংলাদেশ থেকে ত্রিপুরায় আরও পড়ুয়া, মানবিক সাহায্য সরকারের

    Bangladesh Tensions: অশান্ত বাংলাদেশ থেকে ত্রিপুরায় আরও পড়ুয়া, মানবিক সাহায্য সরকারের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ছাত্র বিক্ষোভের জেরে অশান্ত বাংলাদেশ (Bangladesh Tensions)। দেশজুড়ে (Indian Students) জারি করা হয়েছে কারফিউ। অশান্তির আঁচ থেকে বাঁচতে প্রায় প্রতিদিনই ভারতে ফিরছেন সে দেশে পড়তে যাওয়া ছাত্রছাত্রীরা। শনিবারও ত্রিপুরায় ফিরলেন বাংলাদেশে পড়তে যাওয়া ভারতীয় ছাত্রছাত্রীরা। এই দফায় ফিরলেন ৩৭৯জন।

    কী বলছেন ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী? (Bangladesh Tensions)

    এনিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করেছেন ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী মানিক সাহা। লিখেছেন, “অনেক ভারতীয় পড়ুয়া ত্রিপুরা হয়ে বাংলাদেশ থেকে ফিরছেন দেশে। তাঁদের পরিবহণ এবং থাকা-খাওয়ার ব্যবস্থাও করেছে ত্রিপুরা সরকার। অন্যান্য প্রয়োজনীয় সাহায্যও করা হচ্ছে সরকারের তরফে। মানবিক দিক থেকেই এটা করা হচ্ছে।” প্রতি বছর ভারত থেকে বহু ছাত্রছাত্রী বাংলাদেশে পড়তে যান। সংরক্ষণকে কেন্দ্র করে ছাত্র বিরোধী আন্দোলনের জেরে অশান্ত হয়ে উঠেছে ভারতের পড়শি এই দেশ। বিক্ষোভ সামাল দিতে দেশজুড়ে কারফিউ জারি করেছে শেখ হাসিনা সরকার।

    পড়ুয়াদের বক্তব্য

    খালি করে দেওয়া হয়েছে সে দেশের বিভিন্ন স্কুল-কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ের হস্টেল। বাধ্য হয়ে দেশে ফিরছেন ভারতীয় পড়ুয়ারা। ত্রিপুরা তো বটেই, কাশ্মীর, উত্তরপ্রদেশ, হরিয়ানা এবং অন্যান্য রাজ্য থেকে পড়তে যাওয়া ছাত্রছাত্রীরাও ফিরছেন আগরতলা ইন্টিগ্রেটেড চেক পোস্ট (ICP) হয়ে। ভারতে ফিরতে যাওয়া পড়ুয়াদের স্বাগত জানাচ্ছে বিএসএফ। আখুরা ইন্টিগ্রেটেড চেক পোস্ট পার হয়ে বাংলাদেশ থেকে ফিরতে হয় ভারতে। বাংলাদেশের (Bangladesh Tensions) এই আখুরার সঙ্গেই যোগ রয়েছে ত্রিপুরার রাজধানী আগরতলার।

    আরও পড়ুন: ‘‘জনজাতিদের জমি ও অধিকার রক্ষা করবে বিজেপি’’, ঝাড়খণ্ডে বললেন অমিত শাহ

    যাঁরা এই চেক পোস্ট দিয়ে ভারতে ফিরছেন, তাঁদের দেওয়া হচ্ছে গরম খাবার, পানীয় জল। তাঁদের বিশ্রামের ব্যবস্থাও করা হয়েছে। আখুরা চেক পোস্ট দিয়ে ত্রিপুরায় আসা এক ভারতীয় ছাত্র বলেন, “কলেজের প্রিন্সিপাল এবং ভারতীয় হাই কমিশন আমাদের দেশে ফেরার অনুমতি দিয়েছে। আমরা নিরাপদেই ভারতে ফিরেছি।” বিএসএফের গোকুলনগর সেক্টর হেডকোয়ার্টারের ডেপুটি ইন্সপেক্টর জেনারেল রাজীব অগ্নহোত্রী বলেন, “বাংলাদেশের বর্তমান পরিস্থিতিতে অনেক ভারতীয় পড়ুয়া সে দেশ থেকে ভারতে ফিরছেন। এঁদের অনেকেই চলে এসেছেন, শীঘ্রই আসবেন আরও (Indian Students) কিছু। বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের সঙ্গে নিরন্তর যোগাযোগ রেখে চলেছে বিএসএফ (Bangladesh Tensions)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Nipah Virus: কেরলে ফিরে এল নিপা ভাইরাসের আতঙ্ক, রাজ্যে জারি অ্যালার্ট

    Nipah Virus: কেরলে ফিরে এল নিপা ভাইরাসের আতঙ্ক, রাজ্যে জারি অ্যালার্ট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কেরলে ছড়াচ্ছে নিপা ভাইরাসের আতঙ্ক। মল্লপুরম এলাকায় ১৪ বছর বয়সী এক কিশোর নিপা (Nipah Virus) আক্রান্ত হয়েছে। এই ভাইরাস যাতে ছড়িয়ে না পড়ে, তার জন্য রাজ্য জুড়ে অ্যালার্ট করা হয়েছে। কেরলের (Kerala) স্বাস্থ্যমন্ত্রী বীনা জর্জ শনিবার রাজ্যের স্বাস্থ্য আধিকারিক, প্রশাসনিক আধিকারিক ও চিকিৎসকদের সঙ্গে একটি উচ্চপর্যায়ের বৈঠক করেছেন। ভাইরাস যাতে মহামারির আকার না নেয়, তার জন্য কী কী করনীয়, তা আলোচনা হয় এই বৈঠকে। মল্লপুরমের সরকারি বিশ্রামাগারে ২৪ ঘন্টার কন্ট্রোল রুম খোলা হয়েছে।

    মল্লপুরমে নিপা ঠেকাতে উদ্যোগে (Nipah Virus)

    জানা গিয়েছে, ওই কিশোরের সংস্পর্শে যারা এসেছিলেন, তাঁদের তালিকা তৈরি করা হয়েছে এবং তাঁদেরও রক্তের নমুনা সংগ্রহ করা হবে। মল্লপুরমের যে জায়গায় নিপা ভাইরাসের সব থেকে বেশি ছড়িয়ে পড়ার প্রবণতা রয়েছে, তার তিন কিলোমিটার এলাকাকে সীমাবদ্ধ অঞ্চল ঘোষণা করার চিন্তা ভাবনা করছে প্রশাসন। ওই এলাকা থেকে বেরোনো এবং এলাকায় প্রবেশের ক্ষেত্রে বেশ কিছু নিষেধাজ্ঞা জারি করার চিন্তা ভাবনা চলছে। ইতিমধ্যেই একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে, যার সদস্যরা (Nipah Virus) ভাইরাস ছড়িয়ে পড়ার উপর নজর রাখবে। একইসঙ্গে এই ভাইরাসকে ঠেকানোর জন্য করনীয় পদক্ষেপের তালিকা তৈরি করা হচ্ছে।

    বাদুড়ের সংস্পর্শ এড়ানোর নির্দেশ (Kerala)

    জেনে গিয়েছে, যে কিশোরের শরীরে ভাইরাসের উপস্থিতি পাওয়া গেছে তাঁকে বর্তমানে ভেন্টিলেশনে রাখা হয়েছে। তাঁর শারীরিক অবস্থার আরও অবনতি হলে তাঁকে কোঝিকোড় মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হতে পারে। রাজ্যের (Kerala) স্বাস্থ্যমন্ত্রী বীনা জর্জ ঘোষণা করেছেন, নিপা ভাইরাস (Nipah Virus) ঠেকানোর জন্য যে পরিকল্পনা করা হয়েছে, তা সেপ্টেম্বর মাসে জোরদার করা হবে। একই সঙ্গে যে সকল এলাকায় বাদুড় এবং চামচিকির বসবাস সেখান থেকে মানুষকে দূরে সরে যেতে বলা হয়েছে।  তাঁদের বাসস্থান নষ্ট করতে নিষেধ করা হয়েছে।

    আরও পড়ুন: নয়া আতঙ্ক চণ্ডীপুরা ভাইরাস! সংক্রমণ ছড়াচ্ছে শিশুর শরীরে, জানেন কী এটি?

    বাদুড়ের এবং চামচিকির সংস্পর্শ ঠেকানোর পাশাপাশি, তাঁদের খাওয়া ফল মানুষকে খেতে নিষেধ করা হয়েছে। প্রসঙ্গত ২০১৮ সালে নিপা ভাইরাসের জেলে কোঝিকোড় এবং মল্লপুরমে ১৭ জনের মৃত্যু হয়েছিল। এবারও যাতে সেই পরিস্থিতির পুনরাবৃত্তি না হয় তার জন্য আগেভাগেই চেষ্টা চালাচ্ছে প্রশাসন।

     

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • ITR Filing: ডেডলাইন পার হওয়ার আগেই দাখিল করুন আয়কর রিটার্ন, না হলে জরিমানা

    ITR Filing: ডেডলাইন পার হওয়ার আগেই দাখিল করুন আয়কর রিটার্ন, না হলে জরিমানা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ঘনিয়ে আসছে রিটার্ন দাখিলের (ITR Filing) ডেডলাইন। এই ডেডলাইন পার হয়ে যাওয়ার পর যিনি রিটার্ন দাখিল (Income Tax) করবেন, তাঁকে গুণতে হবে জরিমানা। মনে রাখতে হবে, রিটার্ন দাখিল করা কর্তব্যের মধ্যেই পড়ে। ইনকাম ট্যাক্স রিটার্ন হল সংক্ষিপ্ত নথি, যা থেকে জানা যায় আয়কর দাতা একটা অর্থবর্ষে কত টাকা রোজগার করেছেন।

    রিটার্ন দাখিল (ITR Filing)

    এই রিটার্ন দাখিল করলেই স্পষ্ট হয়ে যাবে, আয়কর দাতাকে কত কর দিতে হয়েছে, কিংবা আয়কর দফতর থেকে তিনি কিছু ফেরত পাবেন কিনা। আয়কর দফতর বিভিন্ন রোজগারের মানুষের জন্য নানা রকম কর দেওয়ার ব্যবস্থা করেছে। কোনও ব্যক্তি যদি রিটার্ন দাখিল না করেন, তাহলে তাঁকে জরিমানা দিতে হবে। আয়কর দাতাদের রিটার্ন দাখিলের বিষয়টি মনে করিয়ে দিতে আয়কর দফতর মেসেজ পাঠায়। রিটার্ন দাখিল করতে গিয়ে কোনও সমস্যায় পড়লে কিংবা ইচ্ছে করে রিটার্ন দাখিল না করলে, জরিমানা দিতে হবে।

    গুণতে হবে জরিমানা

    অর্থবর্ষ শেষ হয়েছে ৩১ মার্চ, ২০২৪। তবে চলতি অর্থবর্ষে আইটি রিটার্ন দাখিলের সময়সীমা ৩১ জুলাই। রিটার্ন দাখিল (ITR Filing) করাটা বেশ সমস্যার, বিশেষত যাঁরা একা একাই ট্যাক্স দেন (অর্থাৎ, কোম্পানি নয়, ট্যাক্স দিতে হয় ব্যক্তি মানুষকে)। অফিস-কাছারির কাজ শেষ করে প্রয়োজনীয় নথি জোগাড় করে রিটার্ন দাখিল করাটা বেশ চাপের। এই সব করতে গিয়েই অনেকে ডেডলাইন মিস করে ফেলেন। পরে যখন রিটার্ন দাখিল করেন, তখন দিতে হয় গচ্চা।

    আরও পড়ুন: “অসমে দ্রুত বাড়ছে মুসলমান, জীবন-মরণের সমস্যা”, বললেন হিমন্ত

    রোজগারের বহরের ভিত্তিতে ঠিক হয়, জরিমানা বাবদ আপনাকে দিতে হবে ঠিক কত টাকা। কাউকে দিতে হবে হাজার টাকা, কারও ক্ষেত্রে আবার জরিমানার পরিমাণ দাঁড়াবে গিয়ে পাঁচ হাজার টাকায়। এর পর রয়েছে সুদ। তিনি কত দেরিতে রিটার্ন দাখিল করছেন, তার ওপর ভিত্তি করে দিতে হবে সুদ। মনে রাখতে হবে, যাঁদের বার্ষিক রোজগার পাঁচ লাখ টাকার নীচে, রিটার্ন দাখিলে দেরি হলে তাঁদের জরিমানা দিতে হবে এক হাজার টাকা। পাঁচ লাখ টাকার ওপর বার্ষিক আয় হলে, জরিমানার পরিমাণ বেড়ে দাঁড়াবে পাঁচ হাজার টাকা। তাই ডেডলাইন (Income Tax) পার হওয়ার আগেই দাখিল করুন রিটার্ন (ITR Filing)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share