Tag: news in bengali

news in bengali

  • ITR Filing: ঠিকমতো আয়কর রিটার্ন দাখিল করেছেন কিনা, যাচাই করেন? জানুন বিশদে

    ITR Filing: ঠিকমতো আয়কর রিটার্ন দাখিল করেছেন কিনা, যাচাই করেন? জানুন বিশদে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হাতে আর মাত্র কয়েকটা দিন। ঘনিয়ে আসছে সময়। চলতি মাসের ৩১ তারিখের মধ্যেই দাখিল করতে হবে আয়কর রিটার্ন (ITR Filing)। ট্যাক্স ফাইলিংয়ের (Tax Return) একটি অংশ হল ইনকাম ট্যাক্স রিটার্ন জমা দেওয়া। আইটি রিটার্ন দাখিল করা হয়েছে কিনা, তা জানার জন্য হাতে সময় থাকে মাত্র ৩০ দিন। এই পর্বটি বৈধ। তার পরেই যদি দাখিল করা হয় আইটি রিটার্ন, তবে তা বৈধ বলা যাবে না।

    আয়কর রিটার্ন দাখিল যাচাইকরণ (ITR Filing)

    প্রশ্ন হল, কোনও একজন আয়কর দাতা কীভাবে জানবেন তিনি আয়কর রিটার্ন দাখিল (ITR Filing) করেছেন কিনা? এর একাধিক উপায় রয়েছে। এগুলির মধ্যে অন্যতম হল আধার ওটিপি, নেট ব্যাঙ্কিং কিংবা সরাসরি আইটিআর-ফাইভ ফর্ম দাখিল করে। একবার আপনি যদি যাচাই করে নিতে পারেন, আপনার আইটি রিটার্ন দাখিল হয়েছে কিনা, তাহলে আয়কর দফতর সেটি রিভিউ করবে। পরে ইমেলের মাধ্যমে ১৪৩(১) ধারায় আপনাকে একটি নোটিশ পাঠানো হবে। তখনই আপনি জানতে পারবেন, আপনার আইটি দাখিল হয়েছে, কি হয়নি।

    অনলাইন যাচাইকরণ

    এই যে নোটিশটি আপনি পাবেন, সেটাই আপনাকে জানিয়ে দেবে আপনার প্রসেসিং স্টেটাস, আপনার কোনও ট্যাক্স লায়াবিলিটিজ রয়েছে কিনা কিংবা আপনি কত টাকা ফেরত পাবেন। আইটি রিটার্ন দাখিল (ITR Filing) যাচাইয়ের জন্য সরকার অনেকগুলো অপশন দিয়েছ। যাঁরা অনলাইনে যাচাই করবেন, তাঁদের ওটিপি পাঠানোর ব্যবস্থাও করা হয়েছে সরকারের তরফে। তবে এসবই করা হবে আইটি রিটার্ন দাখিল করার পর। মনে রাখতে হবে আইটি রিটার্ন দাখিল প্রসেসের চূড়ান্ত ধাপ হল এই অনলাইন যাচাইকরণ।

    আরও পড়ুন: বিক্রেতাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার ক্ষমতা নেই টাস্ক ফোর্সের, কবুল ‘নিধিরাম’দের

    আইটি রিটার্ন দাখিল করেছেন কিনা, তা যাচাই করা না হলে সমস্যায় পড়তে হতে পারে আয়কর দাতাকে। নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে যাচাই করা না হলে আপনার আইটি রিটার্ন অবৈধ বলে গণ্য হতে পারে, দিতে হতে পারে জরিমানা, আয়কর দফতরের তরফে আপনাকে নোটিশও পাঠানো হতে পারে। সেন্ট্রাল বোর্ড অফ ডিরেক্ট ট্যাক্সেস (CBDT) আরও তিরিশ দিন বাড়িয়েছে আইটি রিটার্ন দাখিল ভেরিফিকেশনের জন্য। এর আগে রিটার্ন দাখিলের জন্য সময় দেওয়া হয়েছিল ১২০ দিন। যাচাইকরণের দিন (Tax Return) বাড়িয়ে দেওয়া হল আরও ৩০ দিন (ITR Filing)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Shravani Mela: শ্রাবণ মাসে তারকেশ্বরে নামবে ভক্তদের ঢল, বিশেষ ট্রেন চালাবে রেল

    Shravani Mela: শ্রাবণ মাসে তারকেশ্বরে নামবে ভক্তদের ঢল, বিশেষ ট্রেন চালাবে রেল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শ্রাবণ মাস (Shravani Mela) জুড় ভক্ত সমাগম হয় তারকেশ্বরে। বিভিন্ন প্রান্ত থেকে তারকেশ্বরের শিব মন্দিরে (Tarakeswar Temple) ভোলে বাবার মাথায় জল ঢালতে দূর-দূরান্ত থেকে হাজির হন ভক্তরা। এবার তাঁদের সুবিধার্থে পূর্ব রেলের তরফে বিশেষ ট্রেনের ঘোষণা করা হল। যাত্রীদের সুবিধার্থে হাওড়া-তারকেশ্বর (Howrah-Tarakeshwar) রুটে এবং শেওড়াফুলি-তারকেশ্বর রুটে (Sheoraphuli-Tarakeshwar) এই ট্রেন চালানো হচ্ছে। জুলাই মাসের ১৭, ২১, ২২, ২৮, ২৯ এবং অগাস্টের ৪, ৫, ১১, ১২, ১৫, ১৮ এবং ১৯ তারিখে বিশেষ ট্রেন (Special Trains) চালাবে পূর্ব রেল। সংশ্লিষ্ট দিনগুলিতে ১২টি ট্রেন চলবে দুই রুটে। 

    হাওড়া-তারকেশ্বর শাখায় স্পেশাল ট্রেন (Special Trains)

    বিভিন্ন রাজ্য থেকে আসা (Shravani Mela) ভক্তদের সুবিধার্থে এবার পূর্ব রেলওয়ের হাওড়া বিভাগ ৬ জোড়া অতিরিক্ত স্পেশাল ট্রেন (Special Trains) চালানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এই বিশেষ ট্রেনগুলি হাওড়া-তারকেশ্বর শাখায় প্রত্যেক রবিবার, সোমবার এবং অন্যান্য উৎসবের দিনগুলিতে চলবে । হাওড়া থেকে তারকেশ্বর পর্যন্ত যাত্রীদের নিয়ে যাওয়ার জন্য, স্পেশাল ট্রেনগুলি হাওড়া থেকে ভোর ০৪:০৫ মিনিটে এবং দুপুর ১২:৫০ মিনিটে ছাড়বে এবং যথাক্রমে ভোর ০৫:৩৫ মিনিটে এবং ০২:২০ মিনিটে তারকেশ্বরে পৌঁছবে । একই ভাবে পুজো শেষে তারকেশ্বর থেকে হাওড়ায় ফেরত আসার জন্য, স্পেশাল ট্রেনগুলি তারকেশ্বর থেকে সকাল ১০:৫৫ এবং রাত ০৯:১৭-তে ছাড়বে এবং যথাক্রমে দুপুর ১২:৩০ এবং রাত ১০:৪৫-এ হাওড়া পৌঁছবে।

    শেওড়াফুলি এবং তারকেশ্বরের মধ্যে চলবে স্পেশাল ট্রেন (Shravani Mela)

    শেওড়াফুলি এবং তারকেশ্বরের মধ্যেও ইএমইউ স্পেশাল ট্রেনের ব্যবস্থা করেছে পূর্ব রেল। ইএমইউ স্পেশাল শেওড়াফুলি থেকে সকাল ০৬:৫৫ মিনিটে, সকাল ০৯:২০ মিনিটে, বিকেল ০৪:২০ মিনিটে এবং সন্ধ্যা ০৭:৪০ মিনিটে ছাড়বে এবং সেগুলি তারকেশ্বরে পৌঁছবে যথাক্রমে সকাল ০৭:৪৫, সকাল ১০:১৫, বিকেল ০৫:১০ এবং রাত ০৮:৩০ মিনিটে । তারকেশ্বর থেকে ট্রেনগুলি ফের ভোর ০৫:৫৫ মিনিটে, সকাল ০৮:১০, দুপুর ০২:৫০ এবং সন্ধ্যা ০৬:৪০ মিনিটে ছাড়বে এবং সেগুলি যথাক্রমে সকাল ০৬:৪৫ মিনিটে, সকাল ০৯:০৩ মিনিটে, বিকেল ০৩:৪০ মিনিটে এবং সন্ধ্যা ০৭:৩০ মিনিটে শেওড়াফুলিতে পৌঁছবে।

    আরও পড়ুন: শুরু হয়েছে শ্রাবণ, মহাদেবের প্রিয় মাসে কী কী উৎসব রয়েছে?

    এছাড়াও জসিডিহ এবং বৈদ্যনাথ ধামের মধ্যে শ্রাবণ (Shravani Mela) উপলক্ষে তিন জোড়া অতিরিক্ত (Special Trains) ট্রেন চালানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে রেল। আপ ও ডাউন লাইনে এই বিশেষ ট্রেনগুলি রুটের সব স্টেশনে থামবে বলে জানানো হয়েছে।

     

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Wagh Nakh: কড়া নিরাপত্তায় লন্ডন থেকে ভারতে ফিরল ছত্রপতি শিবাজির বাঘ নখ

    Wagh Nakh: কড়া নিরাপত্তায় লন্ডন থেকে ভারতে ফিরল ছত্রপতি শিবাজির বাঘ নখ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতে ফিরেছে ছত্রপতি শিবাজির (Chhatrapati Shivaji) ব্যবহৃত বাঘ নখ (Wagh Nakh)। মুঘল সেনাপতি আফজল খাঁকে এই গুপ্ত অস্ত্র দিয়েই হত্যা করেছিলেন শিবাজি। লন্ডন থেকে এ দেশে বাঘ নখ এলেও, তা চিরকালের জন্য আসছে না। এসেছে মাত্র তিন বছরের জন্য। তিন বছর পরেই বাঘ নখ ফিরে যাবে লন্ডনের ভিক্টোরিয়া অ্যান্ড অ্যালবার্ট সংগ্রহশালায়।

    কী বলছেন মহারাষ্ট্রের মন্ত্রী? (Wagh Nakh)

    মহারাষ্ট্রের সংস্কৃতিমন্ত্রী সুধীর মুঙ্গান্তিওয়ার বলেন, “সেই বাঘ নখ ভারতে চলে এসেছে। তিন বছরের জন্য এ দেশে থাকবে। শিবাজির ব্যবহৃত এই নখ রাখা হবে সাতারায় শিবাজি সংগ্রহশালায়।” মন্ত্রী বলেন, “এ বছর আমরা ছত্রপতি শিবাজির রাজ্যাভিষেকের সাড়ে তিনশো বছর পূর্তি পালন করছি। রাজ্যজুড়ে বিভিন্ন অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হবে। যে বাঘ নখ দিয়ে শিবাজি মহারাজ মুঘল সেনাপতিকে হত্যা করেছিলেন, সেই বাঘ নখটি আমরা সর্বসাধারণকে দেখার সুযোগ করে দিতে চাই। তাই এটিকে সংগ্রহশালায় রাখা হবে।”

    বাঘ নখ ফেরাতে স্বাক্ষরিত মউ

    মন্ত্রী জানান, প্রথমে তাঁরা ভেবেছিলেন রাজ্যের প্রতিটি জেলায় এই বাঘ নখ প্রদর্শনের ব্যবস্থা করবেন। কিন্তু সমঝোতা স্মারকের কিছু বাধ্যবাধকতার জন্যই তা সম্ভব হচ্ছে না। তাই বাঘ নখটি রাখা হচ্ছে শিবাজি সংগ্রহশালায়ই। প্রসঙ্গত, গত অক্টোবরে মহারাষ্ট্র সরকারের সঙ্গে মউ স্বাক্ষরিত হয়েছিল লন্ডনের ভিক্টোরিয়া অ্যান্ড অ্যালবার্ট সংগ্রহশালা কর্তৃপক্ষের। সেই চুক্তি অনুযায়ী, তিন বছরের জন্য শিবাজির বাঘ নখ নিয়ে আসা হচ্ছে ভারতে।

    আরও পড়ুন: ‘সংরক্ষণ বিল পেশে ব্যর্থ হলে কর্নাটক ফুঁসবে’, কংগ্রেসকে হুঁশিয়ারি পদ্মের

    জানা গিয়েছে, কড়া বুলেটপ্রুফ নিরাপত্তায় শিবাজির ব্যবহৃত ওই অস্ত্র (Wagh Nakh) ভারতে নিয়ে আসা হয়েছে। সংস্কৃতিমন্ত্রী জানান, লন্ডন মিউজিয়াম কর্তৃপক্ষ প্রথমে বাঘ নখটি এক বছরের জন্য ভারতে রাখার অনুমতি দিয়েছিলেন। মহারাষ্ট্র সরকার অনেক বুঝিয়ে তাঁদের রাজি করিয়েছেন সেটি এ দেশে তিন বছর রাখার জন্য। রাজ্যের শাসক দলের দাবি, অনেক চেষ্টার পর শেষমেশ বাঘ নখ মহারাষ্ট্রে নিয়ে আসা হয়েছে (Chhatrapati Shivaji)। এর যাবতীয় ক্রেডিট প্রাপ্য রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী একনাথ শিন্ডের সরকারের (Wagh Nakh)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • BJP: ‘সংরক্ষণ বিল পেশে ব্যর্থ হলে কর্নাটক ফুঁসবে’, কংগ্রেসকে হুঁশিয়ারি পদ্মের

    BJP: ‘সংরক্ষণ বিল পেশে ব্যর্থ হলে কর্নাটক ফুঁসবে’, কংগ্রেসকে হুঁশিয়ারি পদ্মের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “বেসরকারি সংস্থায় কন্নড়ভাষীদের নিয়োগ সংরক্ষণের বিল (Job Reservation Bill) বিধানসভায় পেশ করতে ব্যর্থ হলে কর্নাটকবাসীর ক্রোধের জন্য প্রস্তুত থাকতে হবে রাজ্যের কংগ্রেস সরকারকে।” বৃহস্পতিবার এমনই হুঁশিয়ারি দিয়েছে সে রাজ্যের বিরোধী দল বিজেপি (BJP)। শিল্প, কারখানা এবং অন্যান্য সংস্থান বিল, ২০২৪-এ স্থানীয় প্রার্থীদের অগ্রাধিকার দেওয়ার ক্ষেত্রে ইউ-টার্ন নেওয়ায় মুখ্যমন্ত্রী কংগ্রেসের সিদ্দারামাইয়ার তীব্র সমালোচনা করে পদ্ম শিবির।

    বেসরকারি চাকরিতে কন্নড়ভাষীদের জন্য সংরক্ষণ! (BJP)

    বেসরকারি চাকরিতে কন্নড়ভাষীদের সংরক্ষণের জন্য নয়া আইন চালুর ইঙ্গিত দিয়েছিল কর্নাটক সরকার। বুধবারই এক্স হ্যান্ডেলে মুখ্যমন্ত্রী সিদ্দারামাইয়া এ সংক্রান্ত একটি পোস্টও করেছিলেন। লিখেছিলেন, “কর্নাটকে ‘সি’ এবং ‘ডি’ গ্রুপের একশো শতাংশ সরকারি চাকরিই কন্নড়ভাষীদের জন্য সংক্ষরণ করা হবে। মুখ্যমন্ত্রীর এই ঘোষণার পরে পরেই বেসরকারি চাকরিতে স্থানীয়দের সংরক্ষণের জন্য নয়া আইন চালুর ইঙ্গিত দেন সে রাজ্যের শ্রমমন্ত্রী সন্তোষ লাড। তিনি জানিয়েছিলেন, প্রস্তাবিত বিলে বেসরকারি সংস্থাগুলির জন্য ৭০ শতাংশ কর্মী ও ৫০ শতাংশ আধিকারিকের পদ কন্নড়ভাষীদের জন্য সংরক্ষিত রাখা বাধ্যতামূলক করা হবে। শ্রমমন্ত্রী বলেছিলেন, “মন্ত্রিসভার বৈঠকে এই প্রস্তাব পাশ হয়েছে। বিলটি শীঘ্রই পেশ করা হবে বিধানসভায়।”

    পিছু হটল রাজ্য সরকার 

    মুখ্যমন্ত্রীর এই পোস্ট এবং পরে শ্রমমন্ত্রীর এই ঘোষণার পরেই শোরগোল শুরু (BJP) হয় রাজ্যে। কর্নাটকের উত্তর-পশ্চিম প্রান্তের মারাঠিভাষী অঞ্চল এবং পূর্বের তেলগুপ্রধান অঞ্চল থেকে আসে বিক্ষোভের খবর। আপত্তি তোলেন কর্পোরেট সংস্থার কর্তারা। তার জেরেই পিছু হটে রাজ্য সরকার। তড়িঘড়ি পোস্টটি মুছে দেন মুখ্যমন্ত্রী। রাজ্য সরকারের তরফে জানিয়ে দেওয়া হয়, বিধানসভায় পেশ করার আগে আরও একবার বিলটি নিয়ে পর্যালোচনা করবে রাজ্য সরকার।

    আরও পড়ুন: বিক্রেতাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার ক্ষমতা নেই টাস্ক ফোর্সের, কবুল ‘নিধিরাম’দের

    কংগ্রেস সরকার পিছু হটায় হাত শিবিরকে নিশানা করেছেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি বিওয়াই বিজয়েন্দ্র। এক্স হ্যান্ডেলে তিনি লিখেছেন, “কন্নড়ভাষীদের চাকরি দিতে কেন বিলটি নিয়ে এসেছিলেন? কেনই বা সেটি স্থগিত করে দিলেন? কন্নড়ভাষীদের জীবন নিয়ে কেন ছিনিমিনি খেলছেন? কন্নড়ভাষীদের অপমান করার কোনও প্রয়োজন কি ছিল? সরকার কন্নড়ভাষীদের জন্য সংরক্ষণ সংক্রান্ত বিলটি পেশ করুক। বিলটি নিয়ে গ্রামাঞ্চলে লাখ লাখ কর্মপ্রার্থী আশায় বুক বেঁধেছিলেন। যোগ্যতা থাকা সত্ত্বেও তাঁরা চাকরি পাননি। তাই বিলটি পেশ না করা হলে জনগণের ক্রোধের মুখোমুখি হতে হবে রাজ্য সরকারকে।” বিল স্থগিত করে দেওয়ার বিষয়টিকে ‘কাপুরুষোচিত’ বলেও উল্লেখ করেন এই পদ্ম-নেতা। বিষয়টিকে (Job Reservation Bill) ‘নাটকবাজি’ বলে উল্লেখ করেছেন বিজেপি (BJP) নেতা সিটি রবি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Jammu-Kashmir: ফের ভূস্বর্গে গুলির লড়াই! জঙ্গি সংঘর্ষে ডোডায় আহত দুই জওয়ান

    Jammu-Kashmir: ফের ভূস্বর্গে গুলির লড়াই! জঙ্গি সংঘর্ষে ডোডায় আহত দুই জওয়ান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের রক্তাক্ত ভূস্বর্গ। বৃহস্পতিবার জম্মু-কাশ্মীরের ডোডা জেলায় জঙ্গিদের সঙ্গে যুদ্ধে গুরুতর আহত হয়েছেন দুই সেনা। জানা গিয়েছে, সম্প্রতি সেনার উপর জঙ্গিদের হামলার পর বিশাল সংখ্যায় সেনা মোতায়েন করা হয়েছিল ওই অঞ্চলে। জঙ্গিদের নিকেশ করতে গোটা এলাকা ঘিরে ফেলে চিরুনি তল্লাশি শুরু করেছিল সেনাবাহিনী। আর সেই তল্লাশি অভিযানেই জঙ্গিদের মুখোমুখি সংঘর্ষে আহত হলেন দুই সেনা।   

    ঠিক কী ঘটেছিল? 

    জানা গিয়েছে, বৃহস্পতিবার জম্মু-কাশ্মীরের ডোডা জেলার কাস্তিগড় এলাকার জদ্দন বাটা গ্রামে রাত ২টোর দিকে এনকাউন্টার শুরু হয়। ঘটনার আগে ওই জেলার একটি সরকারি স্কুলে প্রতিষ্ঠিত একটি অস্থায়ী নিরাপত্তা শিবিরে গুলি চালায় জঙ্গিরা। এরপর নিরাপত্তা বাহিনী পাল্টা জবাব দেয় এবং দুই পক্ষের মধ্যে এক ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে গুলি বিনিময় চলে। সে সময়েই জঙ্গিদের গুলিতে দুই সৈন্য সামান্য আহত হয়েছেন। এ প্রসঙ্গে কর্মকর্তারা বলেছেন, ”জঙ্গিদের তাড়ানোর চেষ্টা চলছে। তাই নিরাপত্তা বাহিনী, জম্মু কাশ্মীর পুলিশ এবং কেন্দ্রীয় সশস্ত্র পুলিশ বাহিনীর সদস্যরা এলাকায় ব্যাপক তল্লাশি চালাচ্ছে।”
    উল্লেখ্য, এর আগে সোমবার ও মঙ্গলবার মাঝরাতে জঙ্গিদের গুলিতে একজন ক্যাপ্টেনসহ চার সেনা সদস্য নিহত হওয়ার পর দেশ ও পার্শ্ববর্তী বনাঞ্চলে এই তল্লাশি অভিযান শুরু হয়। বৃহস্পতিবার চতুর্থ দিনেও অভিযান চলে। আর তখনই ঘটে এই ঘটনা।    

    আরও পড়ুন: প্রায় ২০০ বন্যপ্রাণীর মৃত্যুর আশঙ্কা! বন্যায় বিপর্যস্ত কাজিরাঙা

    জঙ্গি নিকেশে চলছে একের পর এক অভিযান  

    নিরাপত্তা বাহিনী এবং জম্মু-কাশ্মীর পুলিশ জঙ্গিদের নির্মূল করার জন্য একের পর এক যৌথ অভিযান পরিচালনা করছে। পুলিশের মতে এই জঙ্গিরা সীমান্তের ওপার থেকে অনুপ্রবেশ করে উধমপুর, ডোডা এবং কিশতওয়ার জেলায় একের পর এক হামলা চালাচ্ছে। এখনও পর্যন্ত সব মিলিয়ে এই বছরের শুরু থেকে জম্মু প্রদেশের ছয়টি জেলায় জঙ্গি হামলায় ১১ জন নিরাপত্তা কর্মী, একজন গ্রাম প্রতিরক্ষা রক্ষী এবং পাঁচ জঙ্গি সহ মোট ২৭ জন নিহত হয়েছে। নিহতদের মধ্যে রিয়াসি জেলার শিব খোরি মন্দির থেকে ফিরে আসা সাতজন তীর্থযাত্রীও রয়েছে। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Price Hike: বিক্রেতাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার ক্ষমতা নেই টাস্ক ফোর্সের, কবুল ‘নিধিরাম’দের

    Price Hike: বিক্রেতাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার ক্ষমতা নেই টাস্ক ফোর্সের, কবুল ‘নিধিরাম’দের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ঢাল নেই, তরোয়াল নেই, নিধারাম সর্দার! এক কথায়, এই হচ্ছে রাজ্য সরকারের তৈরি টাস্ক ফোর্সের (Task Force) অবস্থা। মুখ্যমন্ত্রীর কথা মতো রাজ্যের বিভিন্ন বাজারে হানা দিচ্ছেন টাস্ক ফোর্সের সদস্যরা। তাতে কাজও হচ্ছে। তবে, সেটা সাময়িক। টাস্ক ফোর্সের লোকজনকে দেখলেই কাঁচা আনাজের দাম (Price Hike) কমিয়ে দিচ্ছেন বিক্রেতারা। টহলদারি শেষে তাঁরা যখন ফিরে যাচ্ছেন, তার পরের দিনই ফের অগ্নিমূল্য শসা-বেগুন-সহ বিভিন্ন সবজির দাম। কোনও কোনও বাজারের ক্রেতাদের আবার অভিযোগ, টাস্ক ফোর্স বাজার ছাড়লেই যে পাঁচ-দশ টাকা দাম কমানো হয়েছিল, সেই দামই ফের নেওয়া হচ্ছে ক্রেতাদের কাছ থেকে।

    অগ্নিমূল্য কাঁচা আনাজের দাম

    সপ্তাহ দুয়েক ধরে অগ্নিমূল্য কাঁচা আনাজের দাম। ঝিঙে-ঢেঁড়শের মতো মরশুমি সবজির দামও সাধারণ মানুষের ক্রয় ক্ষমতার বাইরে। দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধিতে রাশ টানতে ৯ জুলাই বৈঠকে বসেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী তথা তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ১০ দিনের মধ্যে দাম কমানোর নির্দেশ দেন তিনি। ঠিক হয়, বাজারে হানা দেবে টাস্ক ফোর্স। গড়া হয় ফোর্সও। মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশ মেনে রাজ্যের বিভিন্ন বাজারে হানাও দিচ্ছেন তাঁরা। তার পরেও কাঁচা আনাজের দর কমছে কই? ১৯ জুলাই, শুক্রবার শেষ হচ্ছে মুখ্যমন্ত্রীর দেওয়া সেই সময়সীমা। তার মধ্যেই রাতারাতি সবজির দাম চলে আম-আদমির নাগালের মধ্যে, এমনটা ভাবতে পারছেন না বাজার বিশেষজ্ঞরাও।

    নিধিরাম সর্দার

    তাঁদের একটা বড় অংশের মতে, বাজারের এই অগ্নিমূল্যের কারণ খুচরো বিক্রেতাদের বেশি লাভের (Price Hike) চাহিদা। তাঁদের দাবি, সেই কারণেই পাইকারি বাজারের সঙ্গে খুচরো বাজারের জিনিসপত্রের দামের ফারাক বিস্তর। বাজারে হানা দিলেও, তাঁদের হাতে যে কোনও ক্ষমতাই নেই, তাঁরা যে আক্ষরিক অর্থেই ‘নিধিরাম সর্দার’, তা মেনে নিচ্ছেন টাস্ক ফোর্সের সদস্যরাও। টাস্ক ফোর্সের অন্যতম সদস্য রবীন্দ্রনাথ কোলে বলেন, “বিক্রেতাদের বিরুদ্ধে কোনও পদক্ষেপ করার ক্ষমতা আমাদের নেই।” অতএব, কাঁচা আনাজের বাজার নিয়ন্ত্রণ করছেন খুচরো বিক্রেতারা। তার জেরে নিত্যদিন মধ্যবিত্তের নাগালের বাইরে চলে যাচ্ছে সবজি।

    আরও পড়ুন: বঙ্গোপসাগরে ঘনাচ্ছে নিম্নচাপ, দক্ষিণবঙ্গে টানা বৃষ্টির পূর্বাভাস

    রবিবার একুশে জুলাই। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, তার আগে টাস্ক ফোর্স গড়ে সবজির দাম কমিয়ে ‘হিরো’ হতে চেয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। তবে তা যে সহজ নয়, তা হাড়ে হাড়ে বুঝছেন স্বয়ং তৃণমূল নেত্রীও। কারণ টাস্ক ফোর্সের হানার জেরে দর কমলে খবর পেতেন তিনিও। শুক্রবার টাস্ক ফোর্সকে (Task Force) বেঁধে দেওয়া তাঁর সময়সীমা শেষ হলে, তিনি কী করেন, এখন সেটাই দেখার (Price Hike)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Assam Flood: প্রায় ২০০ বন্যপ্রাণীর মৃত্যুর আশঙ্কা! বন্যায় বিপর্যস্ত কাজিরাঙা

    Assam Flood: প্রায় ২০০ বন্যপ্রাণীর মৃত্যুর আশঙ্কা! বন্যায় বিপর্যস্ত কাজিরাঙা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বন্যায় (Assam Flood) বিপর্যস্ত অসম। ভাসছে কাজিরাঙা ন্যাশনাল পার্ক। কাজিরাঙার একটা বড় অংশই এখন জলমগ্ন। ডুবেছে ৩৭ নম্বর জাতীয় সড়কের একাংশও। ইতিমধ্যেই গন্ডার, বুনো মহিষ, বিভিন্ন প্রজাতির হরিণ-সহ অন্তত ২০০ বন্যপ্রাণীর মৃত্যু (Wild Animals Died) হয়েছে বলে সরকারি সূত্রের খবর। তাদের মধ্যে অন্তত ১০টি একশৃঙ্গ গন্ডার রয়েছে।

    বনদফতর সূত্রে খবর (Wild Animals Died) 

    সোমবার বনদফতর একটি বিবৃতিতে জানিয়েছে, বন্যায় (Assam Flood) ১৯৮টি বন্যপ্রাণীর মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে ১০টি একশৃঙ্গ গণ্ডার, ১৭৯টি বিলুপ্তপ্রায় প্যারা হরিণ, বারশিঙ্গা হরিণ, একটি ম্যাকাও, দুটি অন্য প্রজাতির পাখি, একটি পেঁচা এবং ২টি সাম্বর হরিণ। তবে জানা গিয়েছে, ২টি বরা হরিণের মৃত্যু জলে ডুবে হয়নি। বন্যার কবল থেকে বাঁচার জন্য জঙ্গলঘেঁষা জাতীয় সড়ক পার হওয়ার সময় গাড়ির ধাক্কায় মৃত্যু হয়েছে। প্রতি বারই এমন পরিস্থিতিতে জাতীয় উদ্যানের বন্যাপ্লাবিত অঞ্চল থেকে কার্বি পাহাড় পাড়ি দেয় বন্যপ্রাণীরা। তাদের অনেকে জাতীয় সড়কে গাড়ির ধাক্কায় প্রাণ হারায়। অন্যদিকে বন্যপ্রাণীদের উদ্ধারে অসমের বিভিন্ন বন্যপ্রাণপ্রেমী সংস্থার স্বেচ্ছাসেবকেরা ইতিমধ্যেই হাজির হয়েছেন কাজিরাঙায়।

    আরও পড়ুন: বিশ্বেমঞ্চে ‘মেক ইন ইন্ডিয়া’র জয়জয়কার, সাফল্যকে স্বাগত জানালেন প্রধানমন্ত্রী

    বন্যায় ঘরছাড়া বহু পশু (Assam Flood) 

    ১৯৮টি বন্যপ্রাণীর মৃত্যুর পাশাপাশি ঘরছাড়া বহু পশু। প্রতি বছরই নিয়ম করে বন্যায় ওলটপালট হয়ে যায় অসমের কাজিরাঙা জাতীয় উদ্যানের ‘জীবনচক্র’। এ বারের বর্ষাতেও তার ব্যতিক্রম হল না। দুকূল ছাপিয়ে চলে আসা ব্রহ্মপুত্রের জলে ডুবেছে জঙ্গলের বিস্তীর্ণ এলাকা (Assam Flood)। কাজিরাঙা জাতীয় উদ্যান ও ব্যাঘ্রপ্রকল্প কর্তৃপক্ষ জানিয়েছেন, গত দুদিনে বন্যা পরিস্থিতির সামান্য উন্নতি হয়েছে। তবে বনকর্মীদের ৪৬টি ক্যাম্প এখনও জলের তলায়। ১৩০০ বর্গ কিলোমিটারের কাজিরাঙা বিশ্বে একশৃঙ্গ গন্ডারের সবচেয়ে বড় আবাসভূমি। সংখ্যায় তারা আড়াই হাজারেরও বেশি। সেই সঙ্গে ১৩৫টি রয়্যাল বেঙ্গল টাইগারও রয়েছে অসমের এই অরণ্যে। বন্যায় তাদের অনেকেই ঘরছাড়া।

    অন্যদিকে, বন্যার (Assam Flood) ফলে ব্রহ্মপুত্রের পাশাপাশি রাজ্যের একাধিক নদীতে বাড়ছে জলস্তর। এর ফলে নতুন করে প্লাবিত হয়েছে একাধিক এলাকা। বিপদ সীমার উপর দিয়ে বইছে কাছাড়ের বরাক নদী। সব মিলিয়ে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে অসমের ২৯টি জেলা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Weather Update: বঙ্গোপসাগরে ঘনাচ্ছে নিম্নচাপ, দক্ষিণবঙ্গে টানা বৃষ্টির পূর্বাভাস

    Weather Update: বঙ্গোপসাগরে ঘনাচ্ছে নিম্নচাপ, দক্ষিণবঙ্গে টানা বৃষ্টির পূর্বাভাস

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিম্নচাপের জেরে দক্ষিণবঙ্গে টানা বৃষ্টির পূর্বাভাস (Weather Update)। ১৯ জুলাই, শুক্রবার নিম্নচাপ তৈরি হবে বঙ্গোপসাগরে। উত্তর-পশ্চিম ও পশ্চিম-মধ্য বঙ্গোপসাগরে তৈরি হওয়া নিম্নচাপটি মূলত (Heavy Rain) অবস্থান করবে উত্তর অন্ধ্রপ্রদেশ ও দক্ষিণ ওড়িশা সংলগ্ন উপকূলে। তার জেরে রবি ও সোমবার বাড়বে নিম্নচাপের প্রভাবে বৃষ্টির পরিমাণ। হাওয়া অফিসের পূর্বাভাস, দক্ষিণবঙ্গে আগামী ২৪ ঘণ্টায় প্রায় সর্বত্রই হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।

    ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস (Weather Update)

    বৃষ্টি হতে পারে পশ্চিম মেদিনীপুর, হাওড়া এবং কলকাতায়ও। শনিবার থেকে সোমবার পর্যন্ত দক্ষিণবঙ্গের বেশিরভাগ জেলায়ই ভারী বৃষ্টি হবে বলে জানিয়েছেন আবহাওয়া দফতরের পূর্বাঞ্চলীয় অধিকর্তা সোমনাথ দত্ত। হাওয়া অফিসের পূর্বাভাস, আগামিকাল পূর্ব মেদিনীপুর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনায় ভারী বৃষ্টি হবে। বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে দক্ষিণবঙ্গের বাকি জেলাগুলিতেও। শনিবার দুই মেদিনীপুর, দুই চব্বিশ পরগনা, হাওড়া, হুগলি এবং কলকাতায় ভারী বৃষ্টি হতে পারে। ভারী বৃষ্টি হতে পারে উত্তরবঙ্গের কালিম্পং ও জলপাইগুড়ি জেলায়ও।

    কোন কোন জেলায় বৃষ্টি?

    ২১ জুলাই, রবিবার দক্ষিণবঙ্গের উপকূল ও পশ্চিমের জেলাগুলিতেও রয়েছে ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস। কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের বেশিরভাগ জেলায়ই হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে হাওয়া অফিসের তরফে (Weather Update)। দক্ষিণ ২৪ পরগনা, দুই মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম, পুরুলিয়া, বাঁকুড়া ও পশ্চিম বর্ধমান জেলায় ভারী বৃষ্টির সতর্কবার্তা দেওয়া হয়েছে। এদিন ভারী বৃষ্টি হবে উত্তরবঙ্গের দার্জিলিং, কালিম্পং ও আলিপুরদুয়ারেও। আজ, বৃহস্পতিবার থেকেই বৃষ্টির দাপট কমবে উত্তরবঙ্গে। তবে ১৯ জুলাই পর্যন্ত উত্তরের সব জেলায় হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। শনিবার থেকে আবারও বৃষ্টির পরিমাণ বাড়বে উত্তরবঙ্গে। রবিবার রয়েছে ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস। 

    আরও পড়ুন: প্যারিস অলিম্পিক্সের সুরক্ষায় ভারতের সারমেয়কুল, কেন জানেন?

    বুধবার কলকাতা ও শহরতলির সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল স্বাভাবিকের চেয়ে ০.৬ ডিগ্রি বেশি। সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল স্বাভাবিকের চেয়ে ১.৫ ডিগ্রি বেশি। বাতাসে আপেক্ষিক আদ্রতার সর্বোচ্চ (Heavy Rain) পরিমাণ ছিল ৯২ শতাংশ, সর্বনিম্ন ৬৯ শতাংশ। গত চব্বিশ ঘণ্টায় বৃষ্টিপাতের পরিমাণ ছিল ২৪.২ মিলিমিটার (Weather Update)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • PM Sheikh Hasina: কোমলমতি শিক্ষার্থীদের পাশে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী, দিলেন বড় আশ্বাস

    PM Sheikh Hasina: কোমলমতি শিক্ষার্থীদের পাশে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী, দিলেন বড় আশ্বাস

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশের অগ্নিগর্ভ পরিস্থিতিতে জাতির উদ্দেশে ভাষণ দিলেন বাংলাদেশের (Bangladesh) প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা (PM Sheikh Hasina)। বুধবার সন্ধ্যায় তিনি বলেন, “সরকারি চাকরিতে কোটা সংস্কারের দাবিতে বাংলাদেশজুড়ে যে সঙ্কট চলছে, আইনি প্রক্রিয়ায় তার সমাধানের সুযোগ রয়েছে। উচ্চ আদালত থেকে ন্যায় বিচারই পাবে ছাত্রসমাজ। আদালতের রায়ে হতাশ হবেন না শিক্ষার্থীরা।” সংরক্ষণ নিয়ে সংঘর্ষ ও হতাহতের ঘটনায় বিচার বিভাগীয় তদন্তের আশ্বাসও দেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী।

    উত্তাল বাংলাদেশ (PM Sheikh Hasina)

    সরকারি চাকরিতে নিয়োগের ক্ষেত্রে সংরক্ষণ ব্যবস্থা বাতিলের দাবিতে ছাত্র-যুব আন্দোলনের জেরে উত্তাল বাংলাদেশ। রাজধানী ঢাকা-সহ সে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে মঙ্গলবার আন্দোলনকারীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষে মৃত্যু হয়েছে অন্তত ছ’জনের। আন্দোলনের জেরে বুধবার থেকে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে বাংলাদেশের সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। এহেন আবহে এদিন সন্ধ্যায় প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন ‘গণভবন’ থেকে জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেন হাসিনা। বলেন, “হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ আদালতে আদালতে আপিল করেছে সরকার। তার ভিত্তিতে ধার্য হয়েছে শুনানির দিনও। শিক্ষার্থীদের বক্তব্য জানানোর সুযোগ করে দিয়েছে আদালত। এই আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে সমস্যা সমাধানের সুযোগ রয়েছে। তা সত্ত্বেও রাস্তায় আন্দোলনে নেমে দুষ্কৃতীদের সংঘাতের সুযোগ করে দেবে না বাংলাদেশ সরকার।”

    কী বললেন হাসিনা?

    বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী (PM Sheikh Hasina) বলেন, “সর্বোচ্চ আদালতের রায় আসা পর্যন্ত সবাইকে ধৈর্য ধরে অপেক্ষা করার অনুরোধ জানাচ্ছি।” তিনি বলেন, “আমি দ্ব্যর্থহীনভাবে ঘোষণা করছি, যারা হত্যাকাণ্ড, লুটপাট ও সন্ত্রাসমূলক কর্মকাণ্ড চালিয়েছে, এরা যেই হোক না কেন, তারা যেন উপযুক্ত শাস্তি পায়, সেই ব্যবস্থা করা হবে।” প্রধানমন্ত্রী বলেন, “সংরক্ষণ আন্দোলনের সুযোগ নিয়ে দেশে সন্ত্রাসবাদী কর্মকাণ্ড শুরু হয়েছে। এর ফলে কোমলমতি শিক্ষার্থীদের আন্দোলনে যা ঘটনা ঘটেছে, তা খুবই বেদনাদায়ক ও দুঃখজনক। অহেতুক কতগুলো মূল্যবান জীবন ঝরে গেল। তাঁদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানাচ্ছি।”

    আরও পড়ুন: প্যারিস অলিম্পিক্সের সুরক্ষায় ভারতের সারমেয়কুল, কেন জানেন?

    এদিকে, বুধবারও অশান্তির খবর এসেছে রাজধানী ঢাকার পাশাপাশি বরিশাল, সিলেট এবং কুমিল্লা থেকেও। সংঘর্ষ রুখতে অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়-সহ দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ক্যাম্পাস খালি করতে গিয়ে আন্দোলনকারীদের বাধার (Bangladesh) মুখে পড়ে পুলিশ। কাঁদানে গ্যাসের সেল ফাটিয়ে পরিস্থিতি আনা হয় (PM Sheikh Hasina) নিয়ন্ত্রণে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • PM Modi: বিশ্বেমঞ্চে ‘মেক ইন ইন্ডিয়া’র জয়জয়কার, সাফল্যকে স্বাগত জানালেন প্রধানমন্ত্রী

    PM Modi: বিশ্বেমঞ্চে ‘মেক ইন ইন্ডিয়া’র জয়জয়কার, সাফল্যকে স্বাগত জানালেন প্রধানমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘মেক ইন ইন্ডিয়া’র (Make In India) আওয়াজ তুলেছিলেন তিনিই। তারপর যমুনা দিয়ে বয়ে গিয়েছে অনেক জল। সাফল্যের মুখ দেখেছে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ‘মেক ইন ইন্ডিয়া’ উদ্যোগ। আন্তর্জাতিক মঞ্চেও ভারতীয় অর্থনীতির জয়গাথা গাইছে এই ‘মেক ইন ইন্ডিয়া’। প্রত্যাশিতভাবেই যারপরনাই খুশি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এক্স হ্যান্ডেলে তাঁর একটি পোস্ট রিপোস্ট করেছে ‘মাইগভইন্ডিয়া’। তাতে বলা হয়েছে, কীভাবে ভারতে তৈরি হস্তশিল্প প্রভাব ফেলছে তামাম বিশ্বে।

    ‘মাইগভইন্ডিয়া’র পোস্ট (PM Modi)

    বিভিন্ন সংবাদ প্রতিবেদন তুলে ধরে ‘মাইগভইন্ডিয়া’র পোস্টে লেখা হয়েছে, “ফ্রম লোকাল ক্র্যাফ্ট টু গ্লোবাল ইমপ্যাক্ট: দ্য মেড ইন ইন্ডিয়া সাকসেস স্টোরি। মেড ইন ইন্ডিয়ার উদ্যোগ দেখিয়ে দিচ্ছে ভারতে তৈরি বিভিন্ন প্রোডাক্টের ব্যাপক সাফল্য। ভারতীয় সাইকেল থেকে ডিজিটাল পেমেন্ট, ভারত তার প্রোডাক্ট দিয়ে বিশ্বে ঝড় তুলেছে। মেড ইন্ডিয়ার যাত্রা সম্পর্কে জানুন। কারণ এটি আন্তর্জাতিক বাজার ধরে ফেলেছে, আকর্ষণ করেছে বিশ্বের নজর।”

    আমূলের জনপ্রিয়তা

    সংবাদ মাধ্যমের রিপোর্ট তুলে ধরে ‘মাইগভইন্ডিয়া’ জানাচ্ছে, রাশিয়ান সৈনরা ব্যবহার করছেন মেড ইন্ডিয়া বুট। বিশ্বে (PM Modi) কাশ্মীরি উইলো ব্যাটের কী বিপুল জনপ্রিয়তা, তারও উল্লেখ করা হয়েছে। ভারতের প্রথম কো-অপারেটিভ সোশ্যাইটি কীভাবে বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে পড়েছে, তা-ও জানানো হয়েছে। বলা হয়েছে, ‘আমূল ভারতের ইউনিক ফ্লেভার তুলে ধরেছে বিশ্বে। তারা আমেরিকায়ও প্রোডাক্ট লঞ্চ করছে। এই যে আন্তর্জাতিক প্রসার, এটা প্রমাণ করে ভারতীয় ডেয়ারি প্রোডাক্টের বিশ্বজনীন আবেদন। বিশ্বজুড়ে ভারতের স্বাদ ছড়িয়ে দিতে উদ্যোগী হয়েছে আমূল।’

    আরও পড়ুন: প্যারিস অলিম্পিক্সের সুরক্ষায় ভারতের সারমেয়কুল, কেন জানেন?

    ইউনিফায়েড পেমেন্ট সিস্টেমেরও জয়গান গাওয়া হয়েছে। বলা হয়েছে, ‘ইউপিআই সিস্টেম বর্তমানে একটি বৈশ্বিক ঘটনা হয়ে দাঁড়িয়েছে। এটি ব্যবহার করে বিভিন্ন দেশে চলছে ডিজিটাল লেনদেন।’ প্রসঙ্গত, ২০১৪ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর লঞ্চ হয় মেক ইন ইন্ডিয়া উদ্যোগ। বিনিয়োগ, আবিষ্কার, উন্নত পরিকাঠামো গড়ে তোলার পাশাপাশি ভারতকে একটি ম্যানুফ্যাকচারিং, ডিজাইন এবং ইননোভেশন হাবে পরিণত করাই ছিল এর উদ্দেশ্য।

    ‘মেক ইন ইন্ডিয়া’র সাফল্যগাথার কথা শোনা গিয়েছিল মার্কিন সংস্থা ব্লুমবার্গ নিউজেও। তারা জানিয়েছিল, মার্কিন কোম্পানি অ্যাপলের প্রতি সাতটা আইফোনের মধ্যে একটি তৈরি হচ্ছে ভারতেই (Make In India)। উল্লেখ্য যে, বর্তমানে অ্যাপলের আইফোন ১২ থেকে আইফোন ১৫ মডেল তৈরি হচ্ছে ভারতেই (PM Modi)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

LinkedIn
Share