Tag: news in bengali

news in bengali

  • Colour Change Of Ocean: রং বদলাচ্ছে সমুদ্র, নীল থেকে হয়ে যাচ্ছে সবুজ, কেন জানেন?

    Colour Change Of Ocean: রং বদলাচ্ছে সমুদ্র, নীল থেকে হয়ে যাচ্ছে সবুজ, কেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সমুদ্রের জলের রং নীল। সেই নীল জলই কোনও এক অদৃশ্য কারণে (Mystery) হয়ে যাচ্ছে সবুজ (Colour Change Of Ocean)। আমাদের বাসযোগ্য এই গ্রহ পৃথিবীর ৭০ শতাংশেরও বেশি এলাকাজুড়ে রয়েছে সাগর-মহাসাগর। সেই বিপুল জলরাশির রং-ই যাচ্ছে বদলে। ব্রিটেনের ন্যাশনাল ওসানোগ্রাফি সেন্টারের বিজ্ঞানী বিবি ক্যালের এক গবেষণায়ই উঠে এসেছে সমুদ্র-জলের এই রং বদলের তথ্য।

    ক্যালের গবেষণাপত্র (Colour Change Of Ocean)

    নাসা অ্যাকোয়া স্যাটেলাইট থেকে কুড়ি বছরের তথ্য নিয়ে ক্যালে যে গবেষণাপত্রটি প্রকাশ করেছেন, তাতে দেখা যাচ্ছে, রং বদলাচ্ছে সমুদ্রের মোট জলের ৫৬ শতাংশ। এই পরিমাণ জলরাশিরই রং নীল থেকে হয়ে যাচ্ছে সবুজ। এই ঘটনা ঘটছে বিশেষ করে নিরক্ষরেখার কাছে দক্ষিণ ভারত মহাসাগরে। অ্যাকোয়া উপগ্রহে এমওডিআইএস নামের স্পেকট্রোরেডিওমিটার গবেষকরা ২০০২ সাল থেকে কুড়ি বছরের ডেটা বিশ্লেষণ করে জানিয়েছেন, সমুদ্র-জলের এই রং-বদলের কারণ ফাইটোপ্ল্যাঙ্কটনের বাড়বাড়ন্ত। সমুদ্রের নীচে রয়েছে জলজ উদ্ভিদের বিশাল সাম্রাজ্য। রয়েছে সামুদ্রিক জীবজগৎও।

    আর পড়ুন: রথযাত্রায় জগন্নাথদেবকে দেওয়া হয় বিশেষ ছাপ্পান্ন ভোগ, কী এর মাহাত্ম্য?

    ফাইটোপ্লাঙ্কটনের উপস্থিতি!

    এইগুলি সবুজ রং তৈরি করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। কারণ (Colour Change Of Ocean) এই প্রাণীগুলি ত্যাগ করে কার্বন ডাই অক্সাইড। তাই ফাইটো ফুলের উত্থান ঘটে। এই ফাইটোপ্লাঙ্কটনে সবুজ রয়ের ক্লোরোফিল থাকে। সেই কারণেই রং বদলাচ্ছে সমুদ্র। নীল থেকে জলের রং হচ্ছে সবুজ। সাউদাম্পটনের ন্যাশনাল ওশানোগ্রাফি সেন্টারের বিজ্ঞানী ক্যালে বলেন, “এই রংয়ের বর্ণনা মানুষের ভাষায় করা যায় না। এই রং মানুষ ভালোভাবে দেখতেও পান না। তবে ম্যান্টিস চিংড়ি বা প্রজাপতি দেখতে পারে সমুদ্রজলের এই নয়া রং।”

    সমুদ্রজলে ক্লোরোফিলের বাড়বাড়ন্তকে মোটেই সহজভাবে নিচ্ছেন না বিজ্ঞানীরা। তাঁদের মতে, সমুদ্রজলের নীচে বেড়ে যাচ্ছে উষ্ণতা। এজন্য আদতে দায়ী মানুষ। তাদের তৈরি করা দূষণের কারণেই পরিবর্তন ঘটছে জলবায়ুর। জলবায়ুর পরিবর্তনের ফলেই ক্লোরোফিল বাড়ছে সমুদ্রে থাকা বিভিন্ন জলজ উদ্ভিদের। তারই প্রভাব পড়ছে জলে। যার জেরে রং বদলাচ্ছে সমুদ্র। প্রসঙ্গত, ইউরোপিয় ইউনিয়নের কোপারনিকাস ক্লাইমেট সার্ভিসের একটি রিপোর্টেও প্রকাশিত হয়েছিল (Mystery) সমুদ্রের জলের রং বদলের এই তথ্য (Colour Change Of Ocean)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Kargil War: কার্গিল যুদ্ধের নায়ক বীর যোগেন্দ্র সিং যাদবকে চেনেন?

    Kargil War: কার্গিল যুদ্ধের নায়ক বীর যোগেন্দ্র সিং যাদবকে চেনেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শ্রীনগর থেকে কার্গিল এবং তার বাইরে ভ্রমণ করার সময় অন্যতম দ্রষ্টব্য স্থান হল দ্রাস। এখানে কার্গিল যুদ্ধের স্মৃতিসৌধ নির্মাণ করা হয়েছে। বর্তমানে এটি একটি অন্যতম দর্শনীয় স্থান হয়ে উঠেছে। শহর থেকে কয়েক কিলোমিটার দূরে বাঁদিকে দেখা যায় একটি উঁচু পাহাড়। এটাই টাইগার হিল। ২৫ বছর আগে কার্গিল যুদ্ধের (Kargil War) সময়, এই পর্বত এবং তার চারপাশে মাইলের পর মাইল বিস্তীর্ণ এলাকা তখন পরিণত হয়েছিল রণাঙ্গনে। এই কার্গিল যুদ্ধেরই অন্যতম নায়ক যোগেন্দ্র সিং যাদব। আসুন, জেনে নিই তাঁর টাইগার হিল জয়ের কাহিনি। 

    কার্গিল যুদ্ধ কেন প্রয়োজন ছিল? (Kargil War)

    ভারতীয় সেনাবাহিনীর জন্য টাইগার হিল দখল করা গুরুত্বপূর্ণ ছিল। কারণ এটি শ্রীনগর-কারগিল-লে লাদাখ মহাসড়কের জন্য সংযোগকারী একটি স্থান। এই রাস্তায় যানচলাচল, ওপর থেকে বোমাবর্ষণ এবং শত্রুদের ওপর নজর রাখার জন্য অত্যন্ত প্রয়োজনীয় ছিল টাইগার হিল। তখনকার লে-লাদাখের জন্য এই সড়ক একপ্রকার লাইফলাইন ছিল। কিন্তু তা পাকিস্তান জোর করে দখল করে নিয়েছিল। এই জায়গা ভারতের কাছে ফিরে পাওয়া ছিল একটি কঠিন কাজ। তাই ১৮ জনের একটি বাহিনীর ইউনিটকে এখানে বিশেষ অভিযানে পাঠানো হয়েছিল। ৩ জুলাই,, ১৯৯৯ সালে এই অপারেশন (Kargil War) শুরু হয়েছিল। যার নেতৃত্ব দিয়েছিলেন যোগেন্দ্র সিং যাদব।

    টাইগার হিল দখল ছিল মূল লক্ষ্য

    যাদবের অবদানের কথা মাথায় রেখে তাঁকে দেশের সর্বোচ্চ সামরিক সম্মান পরমবীর চক্র দেওয়া হয়েছিল। পুরস্কার দেওয়ার সময় ভুল করে বলা হয়েছিল, যোগেন্দ্রকে মরণোত্তর পরমবীর চক্র সম্মান দেওয়া হচ্ছে। সকলে তাই তাঁকে মৃত বলেই মনে করেছিলেন। পরে ভ্রম সংশোধন করা হয়। গুরুতর আঘাত পাওয়ায় একটি সামরিক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন তিনি। পরে সুস্থও হয়ে উঠেছিলেন। তাঁর মৃত্যু সংবাদের জন্য বিভ্রান্তি তৈরি হয়েছিল। গ্রেনেডিয়ার যোগেন্দ্র ১৯৯৯ সালের ৩-৪ জুলাই রাতে টাইগার হিল দখলের দায়িত্বপ্রাপ্ত দল প্লাটুনের নেতৃত্বে ছিলেন। পাহাড়ের শীর্ষে পৌঁছানোর পথটি ছিল খাড়া, তুষারাবৃত, পাথুরে। গ্রেনেডিয়ার যোগেন্দ্র ঝুঁকি রয়েছে জেনেও পিছপা হননি। তাঁর নেতৃত্বেই ওপরে ওঠার চেষ্টা করে বাহিনী। তাঁদের গতি রুদ্ধ করতে শত্রুরা (Kargil War) স্বয়ংক্রিয় গ্রেনেড, রকেট ও আর্টিলারি ফায়ার করে। শহিদ হন এক কমান্ডার সহ মোট তিনজন। এরপর প্লাটুনটি সাময়িক বন্ধ হয়ে যায়।

    পরমবীরচক্রের সর্বকনিষ্ঠ প্রাপক 

    পরিস্থিতির গুরুত্ব অনুধাবন করে, গ্রেনাডিয়ার যাদব শত্রুদের মোকাবিলা করতে শত্রুরা যেখানে অবস্থান করছে, সেখান পর্যন্ত হামাগুড়ি দিয়ে ওপরে উঠেছিলেন। সেই সময়ই পান একাধিক আঘাত। শত্রুপক্ষ পাথর বর্ষণ করছিল ওপর থেকে। এমতাবস্থায় বন্দুক দিয়ে ক্রমাগত গুলি চালিয়ে চার শত্রু সৈন্যকে বধ করেছিলেন যোগেন্দ্র। একাধিক আঘাত সত্ত্বেও, রণক্ষেত্র থেকে নিজেকে সরিয়ে নিতে অস্বীকার করেছিলেন তিনি। তাঁর অসম সাহস এবং বীরত্বপূর্ণ কাজের জন্যই টাইগার হিল দখল মুক্ত (Kargil War) হয়েছিল। চরম প্রতিকূল পরিস্থিতিতেও সাহস, অদম্য বীরত্ব, দৃঢ়তা এবং সংকল্পের প্রতি নিষ্ঠা প্রদর্শন করেছিলেন তিনি। যোগেন্দ্র এখনও পর্যন্ত পরমবীর চক্রের সর্বকনিষ্ঠ প্রাপক। তিনি যখন এই পুরস্কার পেয়েছিলেন তখন তাঁর বয়স ছিল মাত্র ১৯।

    যোগেন্দ্রের বাবাও সেনাকর্মী ছিলেন

    ২০২০ সালে, অমিতাভ বচ্চন কৌন বনেগা ক্রোড়পতির একটি বিশেষ শো হোস্ট করেছিলেন। এই অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন যাদবকে। যাদব ওই শো-য়ে ২৫ লক্ষ টাকা জয়ী হয়েছিলেন। সেই অর্থ তিনি দান করেছিলেন সেনা কল্যাণ তহবিলে। কার্গিল যুদ্ধের (Kargil War) ঘটনা নিয়ে বলিউডে কয়েকটি সিনেমাও তৈরি হয়েছে। যাদবের জন্ম ১০ মে, ১৯৮০ সাল। উত্তর প্রদেশের বুলন্দশহর জেলার ঔরঙ্গাবাদের আহির এলাকায় তাঁর গ্রামের বাড়ি। তাঁর বাবা করণ সিং যাদব কাজ করেছিলেন কুমায়ুন রেজিমেন্টে। অংশগ্রহণ করেছিলেন ১৯৬৫ এবং ১৯৭১ সালের যুদ্ধে।

    আরও পড়ুন: জম্মু-কাশ্মীরের কুলগামে গুলির লড়াই, খতম ৪ জঙ্গি, শহিদ ২ জওয়ান

    ৬০ ফুট উপরে উঠে যুদ্ধ করেছিলেন

    টাইগার হিলে তিনটি শত্রু বাঙ্কার দখলমুক্ত (Kargil War) করার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল যাদবের ইউনিট ১৮ গ্রেনেডিয়ারকে। এই বাঙ্কারগুলি ছিল ১০০০ ফুট (৩০০ মিটার) খাড়া পাহাড়ের ওপরে। এই অভিযানে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন যাদব। তিনিই প্রথম চড়েছিলেন খাড়া পাহাড়ে। দড়ি ফেলে উঠতে সাহায্য করেছিলেন সতীর্থদের। ওপরে ওঠা এবং শত্রু দমনে দৃঢ় সঙ্কল্পবদ্ধ হয়ে উঠেছিলেন যোগেন্দ্র। যুদ্ধের তাঁর কুঁচকি এবং কাঁধে একাধিক গুলি লাগে। সেই অবস্থায়ও পিছু না হটে পাহাড়ের ৬০ ফুট (১৮ মিটার) ওপরে উঠে শীর্ষে পৌঁছেছিলেন। বাঙ্কারগুলি দখল করলে, হার স্বীকার করে পাক সেনা। ১২-১৩ জুন, ১৯৯৯ সালে টোলোলিং দখল করার পর টাইগার হিলের ওপর নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করে শ্রীনগর-কারগিল সড়ককে আয়ত্তে আনে ভারতীয় সেনা। যোগেন্দ্রদের অদম্য সাহস এবং বীরত্বের কারণে ভারতীয় সেনা কার্গিল জয় করে। টাইগার হিলের দখল পায়। এই বছর, কার্গিল জয়ের ২৫ বছর পূর্তি।  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Robot Committed Suicide: কাজের চাপ সহ্য করতে না পেরে আত্মহত্যা করল রোবট!

    Robot Committed Suicide: কাজের চাপ সহ্য করতে না পেরে আত্মহত্যা করল রোবট!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কাজের চাপে আত্মহত্যা (Robot Committed Suicide) করতে বাধ্য হল রোবট! ঘটনায় হইচই বিশ্বজুড়ে। দক্ষিণ কোরিয়ার (South Korea) গুমি সিটি কাউন্সিল এলাকার ঘটনা। ২৬ জুন এই কাউন্সিল ঘোষণা করে, সাইবর্গ (রোবটটির নাম) সাড়ে ছ’ফুট উঁচু সিঁড়ি থেকে লাফিয়ে নীচে পড়ে যায়। পরে উদ্ধার হয় তার ‘দেহ’। সাইবর্গ সিটি কাউন্সিল অফিসার হিসেবে কাজ করছিল। সংবাদ সংস্থা জানিয়েছে, রোবটটির মৃত্যু আদতে ‘আত্মহত্যা’ কিনা, তা জানা প্রয়োজন। ২০২৩ সালের অগাস্ট মাসে সিটি কাউন্সিলের অফিসার নির্বাচিত করা হয়েছিল এই রোবটটিকে। লিফ্ট ডেকে নিজেই ফ্লোরে চলাফেরা করতে পারত সাইবর্গ।

    কী বলছেন সাইবর্গের সহকর্মীরা? (Robot Committed Suicide)

    রোবটটির জন্ম ক্যালিফোর্নিয়া-ভিত্তিক রুট স্টার্টআপ বিয়ার রোবোটিক্সে। সিটি কাউন্সিলের এক কর্মকর্তা বলেন, “এটি দৈনিক নথি সরবরাহ, শহরে প্রচার এবং তথ্য সরবরাহে সহায়তা করত। অন্য যে কোনও স্থায়ী কর্মচারীর মতো সাইবর্গ সকাল ৯টা থেকে সন্ধে ৬টা পর্যন্ত কাজ করত। এর সিভিল সার্ভিস অফিসার কার্ডও ছিল।” সাইবর্গের (Robot Committed Suicide) এক ‘সহকর্মী’ বলেন, “রোবটটি ছিল পরিশ্রমী কর্মীর মতো। এই মুহূর্তে গুমি সিটি কাউন্সিল অন্য কোনও রোবট অফিসার আনার কথা ভাবছে না।” দক্ষিণ কোরিয়ায় রোবোটিক প্রযুক্তি ব্যবহারের রমরমা। ইন্টার ন্যাশনাল ফেডারেশন অফ রোবোটিক্সের মতে, এ দেশে বিশ্বের সর্বোচ্চ রোবট ঘনত্ব রয়েছে। প্রতি দশজন মানব কর্মচারীর জন্য একটি করে শিল্প রোবট রয়েছে।

    কীভাবে আত্মহত্যা করতে পারে?

    রোবট একটি মেশিন। তার আবেগ থাকার কথা নয়। নেইও। সে কীভাবে আত্মহত্যা করতে পারে? প্রযুক্তিবিদদের মতে, রোবটটি আত্মহত্যা করেনি। প্রযুক্তিগত সমস্যার কারণেই সেটির ‘মৃত্যু’ হয়েছে। জানা গিয়েছে, রোবটটি এমন প্রযুক্তিতে তৈরি করা হয়েছিল, যাতে সেটি কোনও অবস্থায়ই সিঁড়ির দিকে যেতে না পারে। তবে সাইবর্গ কীভাবে সিঁড়ির দিকে গেল, পড়েই বা গেল কীভাবে, সে প্রশ্ন উঠছে। সাইবর্গ যখন ‘আত্মহত্যা’ করে, তখন সেখানে উপস্থিত ছিলেন ওই কাউন্সিলের কয়েকজন কর্মী। তাঁরা জানান, সে এমনভাবে (South Korea) পাক খাচ্ছিল, যে তাকে আটকানো সম্ভব হয়নি। সেন্সর এড়িয়ে সিঁড়ির দিকে এগিয়ে যায় সে। সেখান থেকে পড়েই মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ে সাইবর্গ (Robot Committed Suicide)।

    আর পড়ুন: রথযাত্রায় জগন্নাথদেবকে দেওয়া হয় বিশেষ ছাপ্পান্ন ভোগ, কী এর মাহাত্ম্য?

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • India Russia Relation: রাশিয়া-ভারত বার্ষিক সম্মেলনে যোগ দিচ্ছেন মোদি, কী কী বিষয়ে আলোচনা হবে জানেন?

    India Russia Relation: রাশিয়া-ভারত বার্ষিক সম্মেলনে যোগ দিচ্ছেন মোদি, কী কী বিষয়ে আলোচনা হবে জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চাকরির খোঁজে গিয়ে না জেনেই ভারতীয়রা জড়িয়ে যাচ্ছেন রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধে। যা নিয়ে ক্ষুব্ধ নয়াদিল্লি (India Russia Relation)। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির আসন্ন রাশিয়া সফরে এই বিষয়ে আলোচনা হতে পারে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে। বিদেশ সচিব বিনয় কাটোয়া এ খবর জানান। ৮ জুলাই দু’দিনের সরকারি (Annual Summit) সফরে রাশিয়া যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সেখানে রাশিয়ার প্রসিডেন্টের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে বসবেন তিনি। এই বৈঠকেই বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হতে পারে।

    ভারতীয়দের জুড়ে দেওয়া হচ্ছে যুদ্ধে (India Russia Relation)

    মোটা অঙ্কের মাইনের টোপ দিয়ে ভারত (India Russia Relation) থেকে রাশিয়ায় নিয়ে যাওয়া হচ্ছে কর্মপ্রার্থীদের। পরে তাঁদেরই প্রশিক্ষণ দিয়ে ভিড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে রাশিয়ান বাহিনীর সঙ্গে। এঁদের সিংহভাগকেই মোতায়েন করা হচ্ছে রাশিয়া-ইউক্রেন সীমান্ত প্রহরায়। নিজেদের অজান্তেই কর্মপ্রার্থীরা জড়িয়ে পড়ছেন রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধে। কেবল কর্মপ্রার্থীরা নন, রাশিয়ায় যাঁরা পড়াশোনা করতে যাচ্ছেন, তাঁদেরও বিপথে চালিত করে লাগিয়ে দেওয়া হচ্ছে যুদ্ধে। কেবল ভারত নয়, পড়শি দেশ নেপাল থেকেও লোকজনকে চাকরির টোপ দিয়ে যুতে দেওয়া হচ্ছে যুদ্ধে। গত মে মাসেই এই পাচার চক্রে জড়িত সন্দেহে চারজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। অথচ এই ঘটনারও মাস তিনেক আগে ভারত সরকার দেশবাসীকে জানিয়ে দিয়েছিল তাঁরা যেন কোনওভাবেই রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধে জড়িয়ে না পড়েন। পরিসংখ্যান বলছে, তার পরেও রুশ সেনা বাহিনীতে নাম লিখিয়েছেন অনেক ভারতীয়।

    আর পড়ুন: রথযাত্রায় জগন্নাথদেবকে দেওয়া হয় বিশেষ ছাপ্পান্ন ভোগ, কী এর মাহাত্ম্য?

    আসছে অকাল মৃত্যুর খবরও 

    যুদ্ধক্ষেত্রে গিয়ে অকালে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ার খবরও আসছে। চলতি বছরের ২১ ফেব্রুয়ারি বছর তেইশের এক তরুণের মৃত্যু হয় রাশিয়া-ইউক্রেন রণাঙ্গনে। তিনি ছিলেন গুজরাটের বাসিন্দা। গত ডিসেম্বরেই সিকিউরিটি হেল্পার হিসেবে তিনি যোগ দিয়েছিলেন রাশিয়ান বাহিনীতে। এই তালিকায় রয়েছে ভারতেরই আরও কয়েকজন। বিদেশ সচিব জানিয়েছেন, মোদি এবং রাশিয়ান প্রেসিডেন্ট আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক স্বার্থ নিয়ে আলোচনা করবেন। দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক নিয়েও আলোচনা হবে দুই রাষ্ট্রপ্রধানের। তিনি জানান, শিক্ষা, সংস্কৃতি, বিনিয়োগ, প্রতিরক্ষা এবং পিপল টু পিপল বন্ধন নিয়েও আলোচনা হবে। তিনি বলেন, “ভারত-রাশিয়া বার্ষিক সম্মেলন (Annual Summit) হচ্ছে তিন বছর পর। তাই আমরা একে ভীষণ গুরুত্ব দিচ্ছি (India Russia Relation)।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Cataract Surgery: ছানি অস্ত্রোপচারকাণ্ডে অসুস্থ আরও ৪, অস্বস্তিতে স্বাস্থ্য ভবন

    Cataract Surgery: ছানি অস্ত্রোপচারকাণ্ডে অসুস্থ আরও ৪, অস্বস্তিতে স্বাস্থ্য ভবন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মেটিয়াবুরুজে (Metiaburuz) ছানি অস্ত্রোপচারকাণ্ডে ক্রমেই অস্বস্তি বেড়ে চলেছে স্বাস্থ্য ভবনের। গত ২৪ ঘণ্টায় সংক্রমণের শিকার হয়েছেন আরও চার রোগী। সব মিলিয়ে সরকারি হাসপাতালে ছানি অপারেশন (Cataract Surgery) করিয়ে এ পর্যন্ত সংক্রমণের শিকার হলেন ২০ জন। শনিবার আরও দুই রোগী সংক্রমণের উপসর্গ নিয়ে গিয়েছেন আরআইওতে। ঘটনায় প্রশ্নের মুখে ছানি অপারেশন থিয়েটারের প্রোটোকল। মেটিয়াবুরুজের ওই হাসপাতালে ওটির প্রোটোকল মানা হয়নি বলেই অভিযোগ। অস্ত্রোপচারে ব্যবহৃত ওষুধের গুণমান নিয়েও উঠছে প্রশ্ন। আতশ কাচের তলায় অপারেশন থিয়েটারের নিয়মিত স্যানিটাইজেশন, গজ এবং তুলোও।

    কী বলছেন বিশেষজ্ঞরা? (Cataract Surgery)

    রিজিওনাল ইনস্টিটিউট অফ অপথ্যালমোলজি (আরআইও)-র প্রাক্তন (Cataract Surgery) অধিকর্তা গৌতম ভাদুড়ি বলেন, “ব্যাকটেরিয়া ইনফেকশন হলে রাতারাতি তা ছড়িয়ে পড়ে। এখানে তো অনেকে দু’দিন পরে আসছেন। হতে পারে ফাঙ্গাল ইনফেকশন।” তিনি বলেন, “ফ্লুইডের বোতল থেকে ফ্লুইড নিয়েই ছানি অপারেশন করা হয়। সেই সময় পরিষ্কার করা, ছানি বের করতে জলের একটা বড় ভূমিকা থাকে। সেই জল যদি স্বচ্ছ না থাকে, তাতে যদি ছত্রাক থাকে, তা দেখা সম্ভব নয় যে চিকিৎসক অপারেশন করছেন, তাঁর পক্ষে। কারণ এই জল আসে সিলড বোতলে।”

    ফ্লুইডের গুণমান নিয়ে প্রশ্ন

    চিকিৎসকদের একাংশের মতে, ছানি অস্ত্রোপচারকাণ্ডে যে ফ্লুইড ব্যবহার করা হয়েছিল তার গুণমানেই সমস্যা রয়েছে। তাঁদের যুক্তি, গত ছ’মাস ধরে একাধিক মেডিক্যাল কলেজ এবং হাসপাতাল এই ফ্লুইডের গুণমান নিয়ে সরব হয়েছে। গত ২৫ জুন এনআরএসে ফ্লুইডের পার্শ্ব প্রতিক্রিয়ায় অর্থো-ওটিতে স্থগিত রাখা হয়েছিল অস্ত্রোপচার। ঘটনাচক্রে এদিনই ঘটেছিল মেটিয়াবুরুজের হাসপাতালে ছানি অপারেশনকাণ্ড। অভিযোগ পেয়ে তড়িঘড়ি সেন্ট্রাল মেডিক্যাল স্টোরের তরফে ছানি অপারেশনে ব্যবহৃত ফ্লুইডের গুণমান যাচাই করতে পাঠানো হয়েছে ব্যাচের নমুনা।

    আর পড়ুন: “যাঁরা ইসলাম ধর্মে জন্মাননি, তাঁরা দুর্ভাগা”, ‘হাকিমি’ মন্তব্যে তোপ বিজেপির

    জানা গিয়েছে, এই নমুনা পাঠানো হয়েছে এনএবিএল, রাজ্য ড্রাগ রিসার্চ ল্যাবরেটরি এবং পূর্ব ভারতের সেন্ট্রাল ড্রাগ ল্যাবরেটরিতে (Metiaburuz)। স্বাস্থ্যভবন সূত্রে খবর, একটি নির্দিষ্ট সংস্থার ফ্লুইডের গুণমান নিয়েই যাবতীয় অভিযোগ উঠেছে (Cataract Surgery)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

     

  • Puri Chappanna Bhog: রথযাত্রায় জগন্নাথদেবকে দেওয়া হয় বিশেষ ছাপ্পান্ন ভোগ, কী এর মাহাত্ম্য?

    Puri Chappanna Bhog: রথযাত্রায় জগন্নাথদেবকে দেওয়া হয় বিশেষ ছাপ্পান্ন ভোগ, কী এর মাহাত্ম্য?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রথের দিনগুলিতে (Rath Yatra 2024) পুরীতে তুমুল আয়োজন পুরীর জগন্নাথধামে৷ রথযাত্রার একাধিক উপাচারের অন্যতম আকর্ষণ হল জগন্নাথদেবকে ৫৬ ভোগ (Puri Chappanna Bhog) নিবেদন। ৫৬ ভোগের রাজকীয় সেই খাবারের পদগুলি থেকে নিয়ম সবক্ষেত্রেই পাওয়া যায় পুরাণকথার একাধিক আঙ্গিক। কিন্ত কেন দেওয়া হয় এই বিশেষ ভোগ? 

    ৫৬ ভোগ নিয়ে কী বলছে পুরাণ? (Puri Chappanna Bhog)

    পুরাণ মতে, যশোদা বালক কৃষ্ণকে আট প্রহর খেতে দিতেন। কিন্তু, একটা সময় ইন্দ্রের রোষে পড়ে মহাপ্রলয়ের সৃষ্টি হয়েছিল। সেই সময় প্রাণীদের রক্ষা করতে নিজের কনিষ্ঠ আঙুলে গোবর্ধন পাহাড় তুলে নিয়েছিলেন তিনি। সাতদিন ওইভাবেই তিনি ছিলেন। খাবার ও জল কোনও কিছুই মুখে দেননি। প্রলয় বন্ধ হওয়ার পর সেই পাহাড় নামিয়ে রেখেছিলেন। এদিকে যে ছেলে দিনে আটবার খাবার খেত তাকে টানা সাতদিন অনাহারে থাকতে দেখে কেঁদে উঠেছিল যশোদার মন। তখন ব্রজবাসী-সহ যশোদা সাতদিন ও আট প্রহরের হিসেবে কৃষ্ণের জন্য ৫৬টি পদ পরিবেশন করেছিলেন। আর সেই থেকেই নারায়ণের ছাপ্পান্ন ভোগ (Puri Chappanna Bhog) চলে আসছে।

    মর্ত্যে এসে চার ধাম যাত্রা করেন ভগবান বিষ্ণু…

    এও কথিত আছে, ভগবান বিষ্ণু মর্ত্যলোকে এসে তাঁর চার ধামে যাত্রা করেন। এই চার ধাম হল- বদ্রীনাথ ধাম, দ্বারিকা ধাম, পুরী ধাম এবং রামেশ্বরম। প্রথমে হিমালয়ের শিখরে অবস্থিত বদ্রীনাথ ধামে স্নান করেন, তারপর গুজরাটের দ্বারিকা ধামে গিয়ে বস্ত্র পরিধান করেন, ওড়িশার পুরী ধামে ভোজন করেন আর সবশেষে রামেশ্বরমে গিয়ে বিশ্রাম নেন। আর পুরী ধামে যেখানে তিনি ভোজন করেন সেখানে ভোগের কোনও চমক থাকবে না এটা কখনও হয়। পুরাণ মতে, ভগবান বিষ্ণুর অষ্টম অবতার কৃষ্ণের সঙ্গে বিশেষভাবে যুক্ত করা হয় জগন্নাথদেবকে। জগন্নাথের মধ্যে বিষ্ণুর সকল অবতারের চিহ্ন আছে। আর সেই কারণে তাঁকেও অর্পণ করা হয় ছাপান্ন ভোগ। 

    কী কী পদ থাকে এই ছাপ্পান্ন ভোগে? 

    জগন্নাথকে দেওয়া ৫৬ ভোগে (Puri Chappanna Bhog) রাখা হয়— ১) উকখুড়া অর্থাৎ মুড়ি, ২) নাড়িয়া কোড়া অর্থাৎ নারকেল নাড়ু, ৩) খুয়া অর্থাৎ খোয়া ক্ষীর, ৪) দই, ৫) পাচিলা কদলি অর্থাৎ পাকা কলা, ৬) কণিকা অর্থাৎ সুগন্ধী ভাত, ৭) টাটা খিচুড়ি অর্থাৎ শুকনো খিচুড়ি, ৮) মেন্ধা মুণ্ডিয়া অর্থাৎ বিশেষ ধরণের কেক, ৯) বড়া কান্তি অর্থাৎ বড় কেক, ১০) মাথা পুলি অর্থাৎ পুলি পিঠে, ১১) হামসা কেলি অর্থাৎ মিষ্টি কেক, ১২) ঝিলি অর্থাৎ এক ধরণের প্যান কেক, ১৩) এন্ডুরি অর্থাৎ নারকেল দিয়ে তৈরি কেক, ১৪) আদাপচেদি অর্থাৎ আদা দিয়ে তৈরি চাটনি, ১৫) শাক ভাজা, ১৬) মরিচ লাড্ডু অর্থাৎ লঙ্কার লাড্ডু, ১৭) করলা ভাজা, ১৮) ছোট্ট পিঠে, ১৯) বরা অর্থাৎ দুধ তৈরি মিষ্টি, ২০) আরিশা অর্থাৎ ভাত দিয়ে তৈরি মিষ্টি, ২১) বুন্দিয়া অর্থাৎ বোঁদে, ২২) পাখাল অর্থাৎ পান্তা ভাত, ২৩) খিরি অর্থাৎ পায়েস, ২৪) কাদামবা অর্থাৎ বিশেষ মিষ্টি ২৫) পাত মনোহার মিষ্টি ২৬) তাকুয়া মিষ্টি, ২৭) ভাগ পিঠে, ২৮) গোটাই অর্থাৎ নিমকি, ২৯) দলমা অর্থাৎ ভাত ও সবজি, ৩০) কাকারা মিষ্টি ৷ ৩১) লুনি খুরুমা অর্থাৎ নোনতা বিস্কুট, ৩২) আমালু অর্থাৎ মিষ্টি লুচি, ৩৩) বিড়ি পিঠে, ৩৪) চাড়াই নাডা মিষ্টি, ৩৫) খাস্তা পুরি, ৩৬) কদলি বরা, ৩৭) মাধু রুচি অর্থাৎ মিষ্টি চাটনি, ৩৮) সানা আরিশা অর্থাৎ রাইস কেক, ৩৯) পদ্ম পিঠে, ৪০) পিঠে, ৪১) কানজি অর্থাৎ চাল দিয়ে বিশেষ মিষ্টি. ৪২) দাহি পাখাল অর্থাৎ দই ভাত, ৪৩) বড় আরিশা, ৪৪) ত্রিপুরি, ৪৫) সাকারা অর্থাৎ সুগার ক্যান্ডি, ৪৬) সুজি ক্ষীর, ৪৭) মুগা সিজা, ৪৮) মনোহরা মিষ্টি, ৪৯) মাগাজা লাড্ডু, ৫০) পানা, ৫১) অন্ন, ৫২) ঘি ভাত, ৫৩) ডাল, ৫৪) বেসর অর্থাৎ সবজি বিশেষ, ৫৫) মাহুর অর্থাৎ লাবরা, ৫৬) সাগা নাড়িয়া অর্থাৎ নারকেলের দুধ দিয়ে মাখা ভাত। (Rath Yatra 2024)

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Firhad Hakim: “যাঁরা ইসলাম ধর্মে জন্মাননি, তাঁরা দুর্ভাগা”, ‘হাকিমি’ মন্তব্যে তোপ বিজেপির

    Firhad Hakim: “যাঁরা ইসলাম ধর্মে জন্মাননি, তাঁরা দুর্ভাগা”, ‘হাকিমি’ মন্তব্যে তোপ বিজেপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “যাঁরা ইসলাম ধর্ম নিয়ে জন্মাননি, তাঁরা দুর্ভাগা।” কথাগুলি যিনি বললেন তিনি সাধারণ কোনও মানুষ নন, তিনি কলকাতার মেয়র (Firhad Hakim)। রাজ্যের মন্ত্রীও বটে। আজ্ঞে হ্যাঁ, তৃণমূল পরিচালিত মন্ত্রিসভার সদস্য ফিরহাদ হাকিমই দিন তিনেক আগে ‘অল ইন্ডিয়া কোরান কম্পিটিশনে’ কথাগুলি বলেছিলেন বলে অভিযোগ। রাজ্যের এক মন্ত্রীর এহেন ‘অপমানজনক’ ও ‘বিভাজনমূলক’ কথাবার্তায় হইচই রাজ্যজুড়ে। এই অনুষ্ঠানেই মুখ্যমন্ত্রী তথা তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঘনিষ্ঠ এই নেতা বলেন, “যাঁরা ইসলাম ধর্ম নিয়ে জন্মাননি, তাঁরা দুর্ভাগা। তাঁরা দুর্ভাগ্য নিয়েই জন্মেছেন। তাঁদের ইসলাম ধর্মে দীক্ষিত করতে হবে আমাদের।”

    ফিরহাদকে তোপ সুকান্তের (Firhad Hakim)

    ফিরহাদের এহেন মন্তব্যে হাতে অস্ত্র পেয়ে গিয়েছে বিজেপি (BJP)। পদ্ম শিবিরের রাজ্য সভাপতি তথা বালুরঘাটের সাংসদ সুকান্ত মজুমদার সোশ্যাল মিডিয়ায় লিখেছেন, “ফিরহাদ হাকিম যে মন্তব্য করেছেন, সেটা অত্যন্ত নিন্দনীয়। (উনি) ইঙ্গিত দিয়েছেন যে যাঁরা মুসলিম হয়ে জন্মগ্রহণ করেননি, তাঁরা দুর্ভাগ্য নিয়ে জন্মগ্রহণ করেছেন। (আর ইঙ্গিত করেছেন যে) আল্লাহকে খুশি করার উপায় হল ইসলামে ধর্মান্তরিত হওয়া। এই মন্তব্য অত্যন্ত আপত্তিকর এবং বিভাজনকারী। এই ধরনের মন্তব্যে ধর্মীয় স্বাধীনতা ও সাম্যের নীতি ক্ষুণ্ণ হয়।”

    বিস্ফোরক মালব্যও

    ফিরহাদের (Firhad Hakim) মন্তব্যকে কেন্দ্র করে তৃণমূলকে এক হাত নিয়েছেন বিজেপির (BJP) আইটি সেলের প্রধান অমিত মালব্যও। এক্স হ্যান্ডেলে তিনি লিখেছেন, “তৃণমূল যে বাংলায় চূড়ান্তভাবে তুষ্টিকরণের রাজনীতি করে, তা ওপেন-সিক্রেট। পার্টির (পড়ুন, তৃণমূলের) এই নিরন্তর তু্ষ্টিকরণের রাজনীতির উদাহরণ এটি। নির্বাচনে জয় এবং নির্বাচনোত্তর হিংসাই তৃণমূলকে সাহসী করে তুলেছে। তাই এরা আগের চেয়েও বিস্ফোরক সব মন্তব্য করছে।

    আর পড়ুন: ইরানের নয়া প্রেসিডেন্ট হচ্ছেন মাসুদ, কেমন হবে দিল্লির সঙ্গে সম্পর্ক?

    তৃণমূলের জেসিবির সেই তরুণকে প্রকাশ্যে রাস্তায় ফেলে মারের ঘটনা শারিয়া আইনের সঙ্গে সম্পৃক্ত। এই ঘটনাকে আবার সমর্থন করেছেন চোপড়ার বিধায়ক তৃণমূলের হামিদুর রহমান। এই কাজ একটি মুসলিম রাষ্ট্রে পরিচিত ঘটনা। এই ঘটনা তৃণমূলের লুকোনো অ্যাজেন্ডার বহিঃপ্রকাশ। তৃণমূলের হেভিওয়েট নেতা তথা কলকাতার মেয়র ফিরহাদ হাকিমও প্রকাশ করে ফেললেন দলের লুকোনো অ্যাজেন্ডা (Firhad Hakim)।…”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Barrackpore: টানা ৩ বছর সহবাস করেও অস্বীকার! তৃণমূল কাউন্সিলরের কুকীর্তি ফাঁস যুবতীর

    Barrackpore: টানা ৩ বছর সহবাস করেও অস্বীকার! তৃণমূল কাউন্সিলরের কুকীর্তি ফাঁস যুবতীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এক তরুণীকে বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে দীর্ঘ তিন বছর ধরে সহবাস করেছেন তৃণমূল নেতা। বিয়ে করার প্রতিশ্রুতি দিলেও তা ভঙ্গ করেছেন। চাঞ্চল্যকর অভিযোগটি উঠেছে উত্তর বারকপুর (Barrackpore) পুরসভার ১১ নম্বর ওয়ার্ডের শাসকদলের কাউন্সিলর (TMC Councilor) প্রসূন সরকার ওরফে শুভদীপ সরকারের বিরুদ্ধে। তবে এই অভিযুক্ত তৃণমূল নেতা, যুবনেতা দেবরাজ চক্রবর্তীর ঘনিষ্ঠ বলে পরিচিত। যদিও তৃণমূল নেতার পরিবারের পক্ষ থেকে অভিযোগ অস্বীকার করা হয়েছে। তবে অভিযোগে তৃণমূল অত্যন্ত চাপের মুখে। এলাকায় শোরগোল পড়েছে।

    অভিযোগকারিণী মহিলার বক্তব্য (Barrackpore)

    অভিযোগকারিণী মহিলা বলেছেন, “গত তিন বছর আগে তৃণমূল কাউন্সিলর (Barrackpore) প্রসূনের সঙ্গে তাঁর পরিচয় হয়েছিল। প্রথমে কাউন্সিলর প্রেমের প্রস্তাব দেন কিন্তু তাতে আমি রাজি না হলে আমাকে ব্যাপক ধমক-চমক দেন। এরপর সম্পর্ক করতে চেয়ে বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিলে আমি সম্পর্কে রাজি হই। পরবর্তীতে আমাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক শুরু হয়। আমাদের মধ্যে দুজনের ঘনিষ্ঠতার অনেকটা বেড়ে যায়। আমার দুর্বলতার সুযোগ নিয়ে বেশ কয়েকবার সহবাসও করে ওঁই কাউন্সিলর। এরপর পরবর্তী সময়ে তাঁর ফোন থেকে জানতে পারি, তিনি বিবাহিত এবং তাঁর একটি ছেলে সন্তানও রয়েছে। কিন্তু বাচ্চার পরিচয় জানতে চাইলে অস্বীকার করেন তিনি। আমি জানতে পারি আগেও তিনি ৩টি বিয়ে করেছেন, আমি ৪ নম্বর হতে পারতাম। তাঁর পরিবারে জানালে, পরিবারের লোক আমাকে গুরুত্ব দেননি। এরপর আমি থানায় অভিযোগ দায়ের করেছি। আমার সঙ্গে হওয়া অন্যায়ের বিরুদ্ধে ন্যায়ের বিচার চাই।”

    আরও পড়ুনঃ “নরেন্দ্র মোদি শ্রীরামচন্দ্রের অবতার”, ছবিতে দুধ ঢেলে পুজো করা হল বর্ধমানে

    তৃণমূল কাউন্সিলরের পরিবারের বক্তব্য

    শুক্রবার দুপুরে নির্যাতিতা তরুণী বারাকপুর (Barrackpore) মহিলা থানায়, ওঁই তৃণমূল কাউন্সিলরের (TMC Councilor) বিরুদ্ধে একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। অপর দিকে অভিযুক্ত কাউন্সিলরের পরিবারের পক্ষ থেকে বাবা বলেছেন, “একটি মেয়ে, প্রসূনের বিরুদ্ধে আমাদের কাছে অভিযোগ করেছেন কিন্তু এসব একতরফা অভিযোগ। আমার ছেলে বিবাহিত, ওঁর একটা ছেলে সন্তান আছে। ওঁই মেয়ের অভিযোগের ভিত্তি নেই। মেয়েটির মানসিক চিকিৎসা করা দরকার।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Masoud Pezeshkian: ইরানের নয়া প্রেসিডেন্ট হচ্ছেন মাসুদ, কেমন হবে দিল্লির সঙ্গে সম্পর্ক?

    Masoud Pezeshkian: ইরানের নয়া প্রেসিডেন্ট হচ্ছেন মাসুদ, কেমন হবে দিল্লির সঙ্গে সম্পর্ক?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এবার কট্টরপন্থার বেড়াজাল ভেঙে সংস্কারের পথে হাঁটতে চলেছে ইরান (Iran)! সম্প্রতি সে দেশে হয়েছিল প্রেসিডেন্ট নির্বাচন। জয়ী হয়েছেন সংস্কারপন্থী মাসুদ পেজেস্কিয়ান (Masoud Pezeshkian)। দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে গোল দিলেন কট্টরপন্থী সঈজ জালিলিকে। ইরানকে প্রগতিশীল দেশ হিসেবে তুলে ধরতে চাইছেন এশিয়ার এই দেশটির হবু প্রেসিডেন্ট। তাঁর জমানায় ভারত-ইরান সম্পর্কের আরও উন্নতি হবে বলেই মনে করছেন আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশেষজ্ঞরা।

    সংস্কারপন্থী প্রেসিডেন্ট (Masoud Pezeshkian)

    মাসুদ পেশায় কার্ডিয়াক সার্জেন। এই চিকিৎসক কাম রাজনীতিককেই দেশের প্রেসিডেন্ট হিসেবে বেছে নিয়েছেন ইরানিরা। ইরানের অভ্যন্তরীণ নীতির পাশাপাশি আন্তর্জাতিক সম্পর্কেও সংশোধন করার পক্ষে নানা সময় সওয়াল করতে দেখা গিয়েছে তাঁকে। তবে প্রেসিডেন্ট হওয়ার পর এ কাজে তিনি কতটা সফল হবেন, তা বলবে সময়। কারণ এ দেশের সর্বোচ্চ শাসক ধর্মীয় নেতা আয়াতোল্লা আলি খামেনেই। এতদিন পর্যন্ত প্রেসিডেন্টের চেয়ারে যিনি বসেছেন, তাঁর টিকি বাঁধা ছিল খামেনেইয়ের কাছে। তাই ঘোড়া (পড়ুন খামেনেইকে) ডিঙিয়ে নয়া প্রেসিডেন্ট (Masoud Pezeshkian) আদৌ খাস খেতে পারবেন কিনা, তা নিয়ে সংশয়ে রয়েছেন ইরানেরই সিংহভাগ ভোটার। তবে তাঁরাও যে সংস্কারের পথেই হাঁটতে চান, প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের ফলেই মিলেছে তার প্রমাণ।

    ইরান-ভারত সুসম্পর্ক

    ইরান-ভারত সুসম্পর্ক দীর্ঘদিনের। অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে পারস্পরিক বোঝাপড়া রয়েছে। ইরানের চাবাহার বন্দর নিয়ে দু’পক্ষে যে বোঝাপড়া হয়েছে, তার কোনও ব্যত্যয় ঘটবে না বলেই ধারণা আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশেষজ্ঞদের। অপরিশোধিত তেল আমদানিতেও সব সময় ভারতের পাশে দাঁড়িয়েছে ইরান। পশ্চিমি নিষেধাজ্ঞার মুখে পড়েও ভারতকে তেল জুগিয়ে চলেছে তারা। রাশিয়ার সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ ব্যবস্থা গড়ে তুলতে ভারত যে ইন্টারন্যাশনাল নর্থ সাউথ ট্রান্সপোর্ট করিডর গড়ে তুলতে আগ্রহী, সেটিরও সংযোগস্থল হওয়ার কথা ইরান। বিশেষজ্ঞদের মতে, এক্ষেত্রেও ভারতের পথের কাঁটা হয়ে দাঁড়াবে না ইরান।

    আর পড়ুন: সূর্যালোক ও বায়ু থেকে বোতলজাত জল উৎপাদন! বিরাট দাবি মার্কিন সংস্থার

    প্রসঙ্গত, গত ১৯ মে কপ্টার দুর্ঘটনায় মৃত্যু হয় ইরানের প্রেসিডেন্ট ইব্রাহিম রইসির। তার পরেই হয় অকাল নির্বাচন। যে নির্বাচনে জিতে ইরানের (Iran) প্রেসিডেন্ট হতে চলেছেন মাসুদ। ইরানের প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট মহম্মদ খাতমি সরকারের স্বাস্থ্যমন্ত্রী ছিলেন মাসুদ। 

    ইরানের সমাজ জীবনে মাসুদ (Masoud Pezeshkian) কতটা বদল আনতে পারেন, এখন সেটাই দেখার।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Puri Ratna Bhandar: রথযাত্রার পরেই খুলবে পুরীর রত্নভান্ডারের দরজা! কবে? সিদ্ধান্ত ৯ জুলাই

    Puri Ratna Bhandar: রথযাত্রার পরেই খুলবে পুরীর রত্নভান্ডারের দরজা! কবে? সিদ্ধান্ত ৯ জুলাই

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রথযাত্রার পরেই সম্ভবত খুলবে জগন্নাথের শ্রীমন্দিরের রত্নভান্ডারের (Puri Ratna Bhandar) তালা। শনিবার রত্নভাণ্ডার সম্পর্কিত নতুন তদারকি কমিটির বৈঠক হয়েছে। ওড়িশা হাইকোর্টের প্রাক্তন বিচারপতি বিশ্বনাথ রথের (Justice Biswanath Rath) নেতৃত্বে ১৬ সদস্যের নতুন কমিটির ওই বৈঠকে ঠিক হয়েছে আগামী ৯ জুলাই এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে, তার পরেই চূড়ান্ত হবে কবে খুলবে এই ‘রহস্যময়’ রত্নভান্ডার। 

    তালা ভেঙে খোলা হতে পারে রত্নভান্ডার (Puri Ratna Bhandar) 

    এ প্রসঙ্গে বিচারপতি রথ (Justice Biswanath Rath) স্পষ্টভাবে জানান, রত্নভাণ্ডারের ডুপ্লিকেট চাবি কোষাগারেই রয়েছে। শ্রীজগন্নাথ মন্দির কর্তৃপক্ষের মুখ্য প্রশাসক ৯ জুলাই উচ্চপর্যায়ের কমিটির কাছে সেই চাবি তুলে দেবেন। তবে দীর্ঘদিন অব্যবহারে জীর্ণ তালা যদি সেই চাবিতে না খোলা যায়, তাহলে তালা ভাঙা হবে। এবিষয়ে একটি কার্যাবলি প্রস্তুত করে তা সরকারের কাছে জমা দেওয়া হবে। বিচারপতি আরও জানান, রত্নাবলির মূল্য নির্ধারণ ও কোনটি কোন ধাতু বা রত্ন, তা চেনার কাজে সাহায্য করার জন্য জহুরির সাহায্য নেওয়া হবে। তবে তাঁর দৃঢ় বিশ্বাস উল্টোরথের আগেই রত্নভাণ্ডার খোলার চেষ্টা করা হবে। উল্লেখ্য, হাইকোর্টের নির্দেশ মেনে গত ফেব্রুয়ারি মাসে বিজেডি সরকার রত্নভান্ডারের (Puri Ratna Bhandar) মূল্যবান সামগ্রীর তালিকা প্রস্তুতের জন্য ১২ সদস্যের কমিটি গঠন করেছিল। নেতৃত্বে ছিলেন সুপ্রিম কোর্টের প্রাক্তন বিচারপতি অরিজিৎ পাসায়াত। শুক্রবার তাদের বৈঠক হওয়ার কথা ছিল। তবে তার আগেই নতুন প্যানেলের কথা জানায় বিজেপি সরকার।

    আরও পড়ুন: বিপদসীমার উপর দিয়ে বইছে ব্রহ্মপুত্র! অসমের বন্যায় মৃত বেড়ে ৫২

    রহস্যময় রত্নভান্ডার 

    পুরীর জগন্নাথ মন্দিরের গর্ভগৃহের কাছেই রয়েছে রত্নভান্ডার (Puri Ratna Bhandar)। এটাই মন্দিরের সবথেকে দামি প্রকোষ্ঠ। যুগ যুগ ধরে এখানে জমা হয়ে রয়েছে, জগন্নাথদেব, বলভদ্র ও সুভদ্রার রত্নরাজি। এই  রত্নভান্ডার নিয়ে নানা বিষ্ময়কর বিশ্বাস রয়েছে। ভক্তদের বিশ্বাস, পুরীর জগন্নাথ মন্দিরের রত্নভান্ডারে যা সম্পত্তি রয়েছে, তা দেশ-বিদেশের কোথাও নেই। মনে করা হয়, পুরীর রত্নভান্ডারে এমন সব মণিমাণিক্য আছে, যার দিকে তাকালেই নাকি চোখে ঝলমলিয়ে ওঠে। বৈদুর্যমণি, নীলকণ্ঠমণি-সহ একাধিক মূল্যবান রত্ন রয়েছে জগন্নাথধামের ভান্ডারে, এমনই দাবি পাণ্ডাদের। নীলাচলবাসীর বিশ্বাস মহাপ্রভুর এই বিপুল ঐশ্বর্যর পাহারায় রয়েছে বিষধর সাপ। তবে এ সবই গল্পকথা নাকি আসলেই সব সত্যি, তা জানা যাবে রত্ন ভান্ডার খুললেই।  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share