Tag: news in bengali

news in bengali

  • Purba Bardhaman: “নরেন্দ্র মোদি শ্রীরামচন্দ্রের অবতার”, ছবিতে দুধ ঢেলে পুজো করা হল বর্ধমানে

    Purba Bardhaman: “নরেন্দ্র মোদি শ্রীরামচন্দ্রের অবতার”, ছবিতে দুধ ঢেলে পুজো করা হল বর্ধমানে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভগবান শ্রীরামচন্দ্রের পর ভগবান হলেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Narendra Modi), ঠিক এমন কথা বলে এক বিজেপি নেতা দুধ ও গঙ্গাজল দিয়ে স্নান করিয়ে পুজো করলেন মোদির। ঘটনা ঘটেছে শুক্রবার, বর্ধমানের (Purba Bardhaman) পূর্বস্থলী ২ নম্বর ব্লকের ছাতনি এলাকায়। একটি বিজয় সম্মেলন অনুষ্ঠানের মধ্যে দিয়ে বিজেপি এই উদ্যোগে নিয়েছে বলে জানা গিয়েছে। এলাকায় ব্যাপক শোরগোল পড়েছে।

    তৃতীয়বার দেশের প্রধানমন্ত্রী হওয়ায় পুজো (Purba Bardhaman)

    এই বিজয় সম্মেলন অনুষ্ঠানের আয়োজন করে ছিলেন পূর্বস্থলী ২ নম্বর ব্লকের তিন নম্বর মণ্ডল বিজেপি সভাপতি অতুল চন্দ্র দাস। পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (Narendra Modi) কাটআউটে দুধ ও গঙ্গা জল ঢেলে পুজো করতেও দেখা যায় বিজেপির কর্মীদের। সভায় আলোচনা হয়, যে সমস্ত এলাকায় বিজেপির ভোট কমেছে, সেই এলাকায় কী ভাবে ভোট বাড়ানো যায়, সেই নিয়েও কাজ করতে হবে। এই সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন পূর্বস্থলী বিধানসভার (Purba Bardhaman) কনভেনার শিব কৃষ্ণ ঘোষ, মণ্ডল সভাপতি অতুলচন্দ্র দাস, মণ্ডলের যুব মোর্চার সভাপতি পিন্টু বারুই, মহিলা মোর্চার সম্পাদিকা প্রতিমা মণ্ডল, মণ্ডলের সাধারণ সম্পাদক সুজিত হালদার সহ আরও অনেকে।

    বিজেপি নেতার বক্তব্য

    পূর্বস্থলীর (Purba Bardhaman) বিজেপি নেতা অতুল চন্দ্র দাস বলেছেন, “আজ আমাদের কাছে অত্যন্ত আনন্দের দিন যে দেশে তৃতীয়বারের জন্য নরেন্দ্র মোদি প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্বভার নিয়েছেন। এই দেশে প্রথমবার ১৯৬২ সালের পর, পরপর তিন বারের জন্য কোনও প্রধানমন্ত্রী একটানা নির্বাচিত হয়েছেন। আমাদের খুশির দিন। তাঁর ছবিতে দুধ এবং গঙ্গা জল দিয়ে স্নান করলাম এবং তাঁকে পুজোও করলাম। আমাদের প্রত্যেকের ইচ্ছে ছিল বিজয় মিছিল করার কিন্তু মিছিল না করে বিজয় সম্মেলনের আয়োজন করেছি। নরেন্দ্র মোদি শ্রীরামচন্দ্রের অবতার, যুগে যুগে যেমন শ্রীচৈতন্যদেব মহাপুরুষ রূপে আবির্ভূত হয়েছেন, ঠিক তেমনি নরেন্দ্র মোদিও মানবরূপে মর্তে জন্ম নিয়েছেন। তাঁর দীর্ঘায়ু কামনা করে নমস্কার জানাই। দেশের জনসাধরণের জন্য মঙ্গল কামনা করি।”

    আরও পড়ুনঃ তৃণমূল কার্যালয়ে দলের কর্মীদের বিরুদ্ধেই হামলার অভিযোগ! গোষ্ঠী কোন্দলে অস্বস্তি

    তৃণমূলের বক্তব্য

    অপর দিকে তৃণমূলের জেলা (Purba Bardhaman) সভাপতি রবীন্দ্রনাথ চট্টোপাধ্যায় কটাক্ষ করে বলছেন, “চ্যালারা এখন দুধ দিয়ে স্নান করিয়ে কী করবেন? এই সরকার বেশিদিন থাকবে না। সরকার অন্যের সমর্থনে রয়েছে। যে কোনও সময়ে পড়ে যেতে পারে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • ITR Filing: ঘনিয়ে আসছে আয়কর রিটার্ন দাখিলের শেষ দিন, জেনে নিন কী কী লাগবে

    ITR Filing: ঘনিয়ে আসছে আয়কর রিটার্ন দাখিলের শেষ দিন, জেনে নিন কী কী লাগবে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: যাঁরা কর দেন, ভারতে তাঁদের প্রতিবছর আয়কর রিটার্ন দাখিল (ITR Filing) করতে হয়। পয়লা এপ্রিল থেকে ৩১ জুলাইয়ের মধ্যে এই কাজ শেষ করতে হয়। এজন্য প্রয়োজনীয় কী কী নথি (Essential Documents) লাগে, কী-ই বা করতে হবে, আসুন জেনে নেওয়া যাক।

    প্রয়োজনীয় নথি (ITR Filing)

    আইটিআর ফাইল করার জন্য সবার আগে প্রয়োজন প্যান ও আধার কার্ড। ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের বিবরণও দিতে হয়। টিডিএসের শংসাপত্র, ট্যাক্স পেমেন্ট চালান, কর সাশ্রয়ী বিনিয়োগের(দান করার ক্ষেত্রে) প্রমাণপত্রও লাগবে।

    বেতনভোগীদের ক্ষেত্রে

    যাঁরা বেতনভোগী, তাঁদের পূরণ করতে হবে ‘ফর্ম ১৬’। আপনি যে প্রতিষ্ঠানে চাকরি করেন, সেই সংস্থা এটি দেবে। লাগবে মাসিক বেতনের স্লিপও। করযোগ্য ভাতার (বাড়ি ভাড়ার মতো যেসব ভাতা পান) যাবতীয় বিবরণও।

    অন্যান্য উৎস থেকে আয়

    ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট ছাড়াও অন্যান্য উৎস থেকে আয়ের নথিও লাগবে। ব্যাঙ্ক স্টেটমেন্ট এবং সেভিংস অ্যাকাউন্ট, ফিক্সড ডিপোজিট ইত্যাদি থেকে অর্জিত সুদও রেকর্ড করতে হবে। অন্তর্ভুক্ত করতে হবে অ্যাকাউন্ট নম্বর, আইএফএসসি কোড এবং ব্যাঙ্কের নাম। ডিভিডেন্ড ওয়ারেন্ট সংক্রান্ত নথিও লাগবে। জমা দিতে হবে ফর্ম ২৬এএস। এখানে টিডিএস অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। লটারি কেনা, এনএসসির মতো অর্জিত সুদের নথি, কৃষি আয় এবং ক্লাবড ইনকামের বিষয়েও রিপোর্ট করতে হবে।

    সম্পত্তি থেকে আয়

    সম্পত্তি থেকে পাওয়া ভাড়ার বিবরণ (ITR Filing) অন্তর্ভুক্ত করানো প্রয়োজন। ব্যাঙ্ক থেকে কোনও লোন নিলে, সে সংক্রান্ত শংসাপত্রে মূল ও সুদের পেমেন্ট দেখানো উচিত। প্রয়োজন হতে পারে মিউনিপ্যাল ট্যাক্স-প্রদত্ত রসিদ। ভাড়া সংক্রান্ত ফর্ম ১৬ এ-ও প্রয়োজন হলে দিতে হতে পারে। হোম লোন নেওয়া থাকলে মালিকানার প্রমাণপত্র পেশ করতে হবে। প্রসঙ্গত, আয়কর আইন ১৯৬১-র ২৪(বি)-র অধীনে হোম লোন চার্জ ছাড়যোগ্য।

    আর পড়ুন: রাজার দেশে লেবার পার্টির জয়, কোন খাতে বইবে ভারত-ব্রিটেন সম্পর্কের জল?

    অতিরিক্ত ছাড়যোগ্য খরচ

    শিশুদের স্কুলের টিউশন ফি(যাঁদের দিতে হয়)-এর রসিদ সঙ্গে রাখুন। জীবন বিমা পলিসিতে করা প্রিমিয়াম পেমেন্টের রসিদ কাছে রাখুন। স্ট্যাম্প ডিউটি এবং সম্পত্তির ওপর দেওয়া রেজিস্ট্রেশন চার্জের রসিদ রাখুন। হোম লোনের (যাঁরা লোন নিয়েছেন) মূল পরিশোধের রেকর্ড ঠিকঠাক রাখুন। ইক্যুইটি লিঙ্কড সেভিংস স্কিম বা মিউচুয়াল ফান্ডে যদি বিনিয়োগ করা থাকে, তারও রেকর্ড (Essential Documents) রাখতে হবে। মনে রাখবেন, ৮০-র অধীনে অনুমোদিত সর্বোচ্চ ছাড় হল ১.৫ লাখ টাকা (ITR Filing)।

     

      দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Assam Flood situation: বিপদসীমার উপর দিয়ে বইছে ব্রহ্মপুত্র! অসমের বন্যায় মৃত বেড়ে ৫২

    Assam Flood situation: বিপদসীমার উপর দিয়ে বইছে ব্রহ্মপুত্র! অসমের বন্যায় মৃত বেড়ে ৫২

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ক্রমশ ভয়াবহ রূপ নিচ্ছে অসমের বন্যা পরিস্থিতি (Assam Flood situation)। লাগাতার বৃষ্টির জেরে ব্রহ্মপুত্র নদ ও তার উপনদীগুলোর জল বেড়ে ফুলে ফেঁপে উঠেছে। ফলে ব্রহ্মপুত্রের জল অসমের বিভিন্ন এলাকাগুলিতে প্রবেশ করেছে৷ এর ফলে বহু গ্রাম এখনও জলের তলায়। রাজ্যে বন্যার কবলে পড়ে বহু মানুষের মৃত্যু হয়েছে৷ প্রাণহানি হয়েছে পশুদেরও৷ এছাড়া বহু মানুষ ঘরছাড়া। বাড়ছে মৃত্যুর সংখ্যাও।

    রাজ্যজুড়ে ২৪ লক্ষেরও বেশি মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত (Assam Flood 2024) 

    সূত্র মারফত জানা গিয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় অসমে বন্যা পরিস্থিতির (Assam Flood situation) আরও অবনতি হয়েছে। এখনও পর্যন্ত ৫২ জনের মৃত্যু হয়েছে এবং কয়েক হাজার মানুষ গৃহহীন হয়েছেন। গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে ২জন প্রাণ হারিয়েছেন। বন্যার দ্বিতীয় পর্যায়ে রাজ্যের ৩৫টি জেলার মধ্যে ৩০টি জেলা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এই ৩০টি জেলার ৩৬১৮টি গ্রামের বিস্তীর্ণ এলাকা বন্যায় তলিয়ে গিয়েছে। রাজ্যজুড়ে সবমিলিয়ে ২৪ লক্ষেরও বেশি মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। বন্যা কবলিত জেলাগুলি হল কামরূপ, করিমগঞ্জ, ধেমাজি, দারাং, ধুবরি, ডিব্রুগড়, কাছাড়, তিনসুকিয়া, লখিমপুর ইত্যাদি। এখনও পর্যন্ত ৪৭ হাজার মানুষকে স্থানান্তরিত করে ত্রাণশিবিরে পাঠানো গিয়েছে। যুদ্ধকালীন তৎপরতায় কাজ করছে রাজ্যের বিপর্যয় মোকাবিলা দফতর। 

    জলের তলায় কাজিরাঙা

    গ্রামের পাশাপাশি কাজিরাঙা জাতীয় উদ্যানের পরিস্থিতিও শোচনীয়। সূত্র মারফত জানা গিয়েছে, উদ্যানের অন্তত ৭০ শতাংশ জমি জলের তলায় চলে গিয়েছে। আতঙ্কে উদ্যান ছেড়ে পালাচ্ছে পশুরা। সরকারি হিসাব বলছে, কাজিরাঙায় চলতি মরসুমে গন্ডার, হরিণ-সহ ৭৭টি পশুর মৃত্যু হয়েছে। তার মধ্যে অন্তত ৬২টি হগ ডিয়ার (পারা হরিণ)। পাশাপাশি এখনও পর্যন্ত যা খবর তাতে, ১৫ হাজারের বেশি পশু বন্যায় (Assam Flood situation)ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ইতিমধ্যেই উদ্ধার করা হয়েছে ৯৪টি পশুকে। তার মধ্যে ৫০টিকে নিরাপদে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। তবে ১১টি পশু চিকিৎসা চলাকালীন মারা গিয়েছে। 
    রাজ্যের শহরাঞ্চলগুলিও গত ৯ দিন ধরে জলের তলায়। শুক্রবার মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মা এ প্রসঙ্গে (Assam Flood 2024) বলেছেন, ”ক্ষতির মোকাবিলা করতে আমরা আপ্রাণ চেষ্টা করছি। মানুষের সমস্যার কথা শুনে সকলে মিলে তার সমাধানের চেষ্টা করছি।”

    আরও পড়ুন: সর্বত্র প্রশ্নফাঁসের প্রমাণ নেই, নিট-ইউজি বাতিলের বিরোধিতা করে সুপ্রিম কোর্টে জানাল কেন্দ্র

    ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস

     অন্যদিকে নতুন করে ফের আতঙ্কে (Assam Flood situation) দিন গুনছে রাজ্যবাসী। কারণ আঞ্চলিক হাওয়া অফিস ৯ জুলাই পর্যন্ত অসমের বিভিন্ন অংশে ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছে৷ অসম ছাড়াও অরুণাচল প্রদেশ, মেঘালয় এবং নাগাল্যান্ডেও খুব ভারী বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। হাওয়া অফিসের তরফে মঙ্গলবার পর্যন্ত উচ্চ ও নিম্ন অসমের বেশ কয়েকটি জেলায় কমলা সতর্কতা জারি করা হয়েছে। ফলে বৃষ্টি না থামলে পরিস্থিতির আরও অবনতি হতে পারে বলে আশঙ্কা স্থানীয় প্রশাসনের।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Ramakrishna 68: “চৈতন্যদেব বলেছিলেন, শুন শুন নিত্যানন্দ ভাই সংসারী জীবের কভু গতি নাই”

    Ramakrishna 68: “চৈতন্যদেব বলেছিলেন, শুন শুন নিত্যানন্দ ভাই সংসারী জীবের কভু গতি নাই”

    পঞ্চম পরিচ্ছেদ

    কীর্তনানন্দে নরেন্দ্র প্রভৃতি সঙ্গে—নরেন্দ্রকে প্রেমালিঙ্গন

     

    মণির চিন্তাগ্নিতে জল পড়িল। তিনি এতক্ষণ ভাবিতেছিলেন, আত্মহত্যা করে করুক, আমি কি করব?

    মণি (শ্রীরামকৃষ্ণের প্রতি)—সংসারে বড় ভয়!

    শ্রীরামকৃষ্ণ (মণি ও নরেন্দ্রাদির প্রতি)—তাই চৈতন্যদেব বলেছিলেন (Kathamrita), শুন শুন নিত্যানন্দ ভাই সংসারী জীবের কভু গতি নাই।

    (মণির প্রতি একান্তে একদিন বলিয়াছিলেন)—ঈশ্বরেতে শুদ্ধাভক্তি যদি না হয়, তাহলে কোন গতি নাই। কেউ যদি ঈশ্বরলাভ করে সংসারে থাকে, তার কোন ভয় নাই। নির্জনে মাঝে মাঝে সাধন করে যদি শুদ্ধাভক্তিলাভ করতে পারে, সংসারের থাকলে তার কোন ভয় নাই! চৈতন্যদেবের সংসারী ভক্তও ছিল। তারা সংসারে নামমাত্র থাকত। অনাসক্ত হয়ে থাকত।

    ঠাকুরদের (Ramakrishna) ভোগারতি হইয়া গেল। অমনি নহবত বাজিতে লাগিল। এইবার তাঁহারা বিশ্রাম করিবেন। ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ আহারে বসিলেন। নরেন্দ্রাদি ভক্তগণ আজও ঠাকুরের কাছে প্রসাদ পাইবেন।

    ষষ্ঠ পরিচ্ছেদ

    শ্রীরামকৃষ্ণ বিঁজয়দিবসে দক্ষিণেশ্বর-মন্দিরে ভক্তসঙ্গে

    ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna) দক্ষিণেশ্বর-মন্দিরে বিরাজ করিতেছেন। বেলা ৯টা হইবে—ছোট খাটটিতে বিশ্রাম করিতেছেন, মেঝেতে মণি বসিয়া আছেন। তাঁহার সহিত কথা (Kathamrita) কহিতেছেন।

    আজ বিজয়া, রবিবার, ২২শে অক্টোবর, ১৮৮২ খ্রিষ্টাব্দ, আশ্বিন শুক্লা দশমী তিথি (৬ই কার্তিক, ১২৮৯)। আজকাল রাখাল ঠাকুরের কাছে আছেন। নরেন্দ্র, ভবনাথ মাঝে মাঝে যাতায়াত করেন। ঠাকুরের সঙ্গে তাঁহার ভাতৃস্পুত্র শ্রীযুক্ত রামলাল ও হাজরা মহাশয় বাস করিতেছেন। রাম, মনোমহন, সুরেশ, মাষ্টার, বলরাম ইঁহারাও প্রায় প্রতি সপ্তাহে—ঠাকুরকে দর্শন করিয়া যান। বাবুরাম সবে দু-একবার দর্শন করিয়াছেন।

    শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna)—তোমার পূজার ছুটি হয়েছে?

    মণি—আজ্ঞা হাঁ। আমি সপ্তমী, অষ্টমী ও নবমী পূজার দিনে কেশব সেনের বাড়িতে প্রত্যহ গিছলাম।

    আরও পড়ুনঃ “সাধন নাই, ভজন নাই, বিবেক-বৈরাগ্য নাই, দু-চারটে কথা শিখেই অমনি লেকচার!”

    আরও পড়ুনঃ “বিবেক, বৈরাগ্যরূপ হলুদ মাখলে তারা আর তোমাকে ছোঁবে না”

    আরও পড়ুনঃ “ধ্যান করবার সময় তাঁতে মগ্ন হতে হয়, উপর উপর ভাসলে কি জলের নিচে রত্ন পাওয়া যায়?”

    আরও পড়ুনঃ “পশ্চিমে বিবাহের সময় বরের হাতে ছুরি থাকে, বাংলাদেশে জাঁতি থাকে”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Bankura: তৃণমূল কার্যালয়ে দলের কর্মীদের বিরুদ্ধেই হামলার অভিযোগ! গোষ্ঠী কোন্দলে অস্বস্তি

    Bankura: তৃণমূল কার্যালয়ে দলের কর্মীদের বিরুদ্ধেই হামলার অভিযোগ! গোষ্ঠী কোন্দলে অস্বস্তি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লোকসভার ভোটে ২৯টি আসন পেয়ে রাজ্যে একক সংখ্যা গরিষ্ঠ পেয়েছে তৃণমূল। কিন্তু তবুও দলের মধ্যে কোন্দল যেন থামছেই না। জেলায় জেলায় একাধিক গোষ্ঠী কোন্দলের খবর উঠে এসেছে। এবার বাঁকুড়ার (Bankura) ওন্দা ব্লকের তৃণমূল কার্যালয়ে তৃণমূল কর্মীদের বিরুদ্ধেই হামলার অভিযোগ উঠেছে। কার্যালয়ে (TMC office) ঢুকে রীতিমতো ভাঙচুরের ঘটনা ঘটিয়েছে দলের কর্মীরাই। ঘটনায় মূল অভিযোগের তির তৃণমূলের প্রাক্তন বিধায়ক অরূপ খাঁ এবং তাঁর অনুগামীদের বিরুদ্ধে।

    মিছিল এবং পাল্টা মিছিলে উত্তাল (Bankura)

    স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, তৃণমূলের ২১ জুলাই নিয়ে সমাবেশের প্রস্তুতি বৈঠক হওয়ার কথা ছিল ওন্দার ওই তৃণমূলের কার্যালয়ে। কিন্তু এলাকার প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক অরূপ খাঁ এবং ওন্দার ব্লক তৃণমূল সভাপতি উত্তম কুমার বীটের মধ্যে গোষ্ঠী কোন্দল চরম আকার নিয়েছে। রীতিমতো দুই তৃণমূল নেতার অনুগামীদের মধ্যে মিছিল এবং পাল্টা মিছিল অনুষ্ঠিত হয়। এরপর দুই মিছিল পরস্পর মুখোমুখি হলেই সাময়িক ভাবে উত্তেজনা শুরু হয়ে যায়। পরিস্থিতি সামাল দিতে রীতিমতো পুলিশ (Bankura) ঘটনাস্থলে এসে উপস্থিত হয়।

    লাঠি, ইট, পাথর ছুড়ে আক্রমণ

    পুলিশ সাময়িক ভাবে পরিস্থিতি সামাল দিলে আবার দুই গোষ্ঠীর মধ্যে সংঘর্ষ বাধে। এক পক্ষ, আরেক পক্ষকে চেয়ার, লাঠি, ইট, পাথর ছুড়ে আক্রমণ করে। এরপর চলে কার্যালয়ে ব্যাপক (TMC office) ভাঙচুর। তবে অবশেষে পুলিশের মধ্যস্থতায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে। কিন্তু দুই পক্ষকে সাংবাদিকরা প্রশ্ন করলে কোনও উত্তর দিতে চাননি কেউই। অপরে জেলা (Bankura) তৃণমূলও তীব্র অস্বস্তির মধ্যে পড়ে গিয়েছে।

    আরও পড়ুনঃ রানিগঞ্জের সিয়ারসোল রাজবাড়ির রথযাত্রা ১৫০ বছরের পুরাতন, জানুন তার ইতিহাস

    আগেও হয়েছে গোষ্ঠী কোন্দল

    তৃণমূলের জেলায় জেলায় (Bankura) গোষ্ঠী কোন্দল অব্যাহত। গত এক সপ্তাহের মধ্যে পুরুলিয়া, দক্ষিণ ২৪ পরগনা, মুর্শিদাবাদ সহ একাধিক জায়গায় তৃণমূলের নবীন এবং প্রবীণ নেতাদের মধ্যে গোষ্ঠী কোন্দল স্পষ্ট দেখা গিয়েছে। পুরুলিয়া লোকসভা নির্বাচনের তৃণমূল প্রার্থী শান্তিরাম মাহাতো দলের কোন্দল নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন। আবার তৃণমূল সাংসদ সৌগত রায়ের গলায় দলের বিরুদ্ধে মন্তব্য শোনা গিয়েছে। কামারহাটির তৃণমূল কাউন্সিলর নিজে দলের নেতাদের বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে তোলাবাজির বিরুদ্ধে মুখ খুলেছেন। একই সঙ্গে বারাকপুর তৃণমূল সাংসদ পার্থ ভৌমিক দলের কর্মীদের তোলাবাজির বিরুদ্ধে বলেছেন যে কেউ ১ টাকা চাইলে জেলে ঢোকাবো। ফলে শাসক দলের অন্দরে কোন্দল এবং বিস্ফোরক মন্তব্যের কারণে চরম অস্বস্তির পরিবেশ তৈরি হয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • NEET-UG 2024: সর্বত্র প্রশ্নফাঁসের প্রমাণ নেই, নিট-ইউজি বাতিলের বিরোধিতা করে সুপ্রিম কোর্টে জানাল কেন্দ্র

    NEET-UG 2024: সর্বত্র প্রশ্নফাঁসের প্রমাণ নেই, নিট-ইউজি বাতিলের বিরোধিতা করে সুপ্রিম কোর্টে জানাল কেন্দ্র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিট-ইউজি ২০২৪ পরীক্ষা (NEET-UG 2024) বাতিলের বিরোধিতা করল কেন্দ্রীয় সরকার। সম্প্রতি সর্বভারতীয় ডাক্তারি প্রবেশিকা পরীক্ষা নিট-ইউজিতে প্রশ্নফাঁসকে কেন্দ্র করে উত্তাল হয়েছিল গোটা দেশ। উঠেছে পরীক্ষা বাতিলের দাবিও। এই নিয়ে সুপ্রিম কোর্টে (Supreme Court) একাধিক মামলা হয়। এবার সেই মামলাতেই কেন্দ্রের তরফে হলফনামা দিয়ে আদালতে জানানো হল, পরীক্ষা বাতিল করার কোনও যুক্তি নেই। কারণ সর্বত্র প্রশ্নফাঁস বা পরীক্ষার গোপনীয়তা ভঙ্গ হয়েছে, এমন কোনও প্রমাণ এখনও মেলেনি। তাই পুরো পরীক্ষা বাতিল হলে লক্ষ লক্ষ সৎ পরীক্ষার্থী বিপদে পড়বেন। 

    সুপ্রিম কোর্টে হলফনামা জমা শিক্ষা মন্ত্রকের (NEET-UG 2024) 

    এবছর নিট-ইউজি পরীক্ষার ফল প্রকাশের পর থেকেই বিতর্ক শুরু হয়। ওঠে পরীক্ষায় অনিয়মের অভিযোগ। ফলে নিটে দুর্নীতির অভিযোগ ওঠায় এ বছরের পরীক্ষা বাতিল ঘোষণা করার দাবি উঠেছে। কিন্তু পরীক্ষা বাতিলের দাবি উঠতেই এর বিরোধিতা করে কেন্দ্রীয় সরকার শুক্রবার সুপ্রিম কোর্টে এক হলফনামা পেশ করে দাবি করে, সিবিআই কথিত অনিয়মের পুঙ্খানুপুঙ্খ তদন্ত পরিচালনা করছে। পরীক্ষার পবিত্রতা নিশ্চিত করতে এবং শিক্ষার্থীদের স্বার্থ রক্ষার্থে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। একইসঙ্গে কেন্দ্র আরও জানিয়েছে, পুরো পরীক্ষা বাতিলের পক্ষে নয় সরকার। পরীক্ষা বাতিল হলে যাঁরা সৎ ভাবে পরীক্ষা দিয়েছিলেন তাঁদের বিপদের দিকে ঠেলে দেওয়া হবে। তাই ইতিমধ্যেই ঘোষিত ফলাফল বাতিল করা যুক্তিসঙ্গত হবে না। 

    আরও পড়ুন: সুপারিশ গেল ইউনেস্কোতে, আন্তর্জাতিক ঐতিহ্যের স্বীকৃতি পাচ্ছে অসমের ‘পিরামিড’ অহম মায়দাম?

    কী জানিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রক? 

    হলফনামায় যেটুকু প্রামাণ্য তথ্য সামনে এসেছে তাতে বাস্তবিক উদ্বেগের কারণ আছে বলে মেনে নিয়েছে কেন্দ্রীয় শিক্ষা মন্ত্রক। সে ব্যাপারে পদক্ষেপের কথাও জানিয়েছে কেন্দ্র। তবে গোটা পরীক্ষা (NEET-UG 2024) বাতিল এবং পুনরায় পরীক্ষা নেওয়ার যে আবেদন এসেছে তা যেন বাতিল করা হয়, এদিন এমনটাই দাবি করেছে শিক্ষা মন্ত্রক। এর পাশাপাশি মন্ত্রক সর্বোচ্চ আদালতকে জানায় যে, দোষীদের বিরুদ্ধে কঠিন শাস্তির ব্যবস্থা করা হবে। প্রশ্নফাঁস বা পরীক্ষার গোপনীয়তা ভঙ্গ হয়ে থাকলে তাদের বিরুদ্ধে কড়া হাতে ব্যবস্থা নেবে সরকার। ইতিমধ্যেই কেন্দ্রীয় সরকার সিবিআই কে কথিত সমস্ত অনিয়মের বিস্তৃত তদন্ত করতে বলেছে। নিট-ইউজি (NEET-UG 2024) প্রশ্নপত্র ফাঁস মামলায় ইতিমধ্যেই ৬ জনকে গ্রেফতার করেছে সিবিআই। আগামী ৮ জুলাই নিট পরীক্ষায় অনিয়মের অভিযোগ সংক্রান্ত একগুচ্ছ মামলার শুনানি হবে শীর্ষ আদালতে (Supreme Court)।

     

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • India UK Relation: রাজার দেশে লেবার পার্টির জয়, কোন খাতে বইবে ভারত-ব্রিটেন সম্পর্কের জল?

    India UK Relation: রাজার দেশে লেবার পার্টির জয়, কোন খাতে বইবে ভারত-ব্রিটেন সম্পর্কের জল?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মিলে গিয়েছে প্রাক নির্বাচনী সমীক্ষা। ব্রিটেনে বিপুল ভোটে জয়ী হয়েছে লেবার পার্টি। হার হয়েছে প্রধানমন্ত্রী ঋষি সুনকের দল কনজারভেটিভ পার্টির (টোরি)। ব্রিটেনের (India UK Relation) পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী হতে চলেছেন লেবার পার্টির কিয়ের স্টার্মার (Keir Starmer)।

    ভারত উদীয়মান অর্থনৈতিক শক্তির দেশ (India UK Relation) 

    গত কয়েক বছরে হাল খারাপ হয়েছে ব্রিটেনের অর্থনীতির। অথচ এই সময় ভারতের অর্থনীতির লেখচিত্র ঊর্ধ্বমুখী। প্রত্যাশিতভাবেই সুনক কিংবা স্টার্মার যিনিই প্রধানমন্ত্রী হবেন, তাঁকেই বজায় রেখে চলতে হবে ভারতের সঙ্গে সুসম্পর্ক। কারণ বর্তমানে ভারত উদীয়মান অর্থনৈতিক শক্তির দেশ। তাই সুনক হেরে গিয়ে স্টার্মার জয়ী হওয়ায়ও ভারত-ব্রিটেন সম্পর্কে বিশেষ প্রভাব পড়বে না বলেই আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশেষজ্ঞদের ধারণা।

    ক্ষমতায় স্টার্মারের দল

    ভারতের মতো বহুদলীয় গণতন্ত্রের দেশ ব্রিটেনও। সে দেশেরই হাউস অফ কমনসে (ভারতের সংসদের নিম্নকক্ষ লোকসভার মতো) বিপুল ভোটে জয়ী হয়ে ক্ষমতায় এসেছে স্টার্মারের দল। এক সময় ব্রিটেনের এই দলের সঙ্গে মধুর সম্পর্ক ছিল ভারতের। পরে ভাঁটা পড়ে সেই সম্পর্কে। লেবার পার্টির রাশ যখন জেরেমি করবিলের হাতে ছিল, তখনই ভারতের সঙ্গে লেবার পার্টির সম্পর্কে চিড় ধরে। ভারত সম্পর্কে বিরূপ মন্তব্য করেছিলেন জেরেমি। তার জেরেই তলানিতে ঠেকে ভারতের সঙ্গে লেবার পার্টির সম্পর্ক। ফলে, ভারতের সঙ্গে লেবার পার্টির সুসম্পর্কের (India UK Relation) বাতাবরণ তৈরি করতে হবে স্টার্মারকে। কারণ নরেন্দ্র মোদির জমানায় তরতরিয়ে উঠেছে ভারতীয় অর্থনীতির গ্রাফ। ব্রিটেনকে সরিয়ে বিশ্বের বৃহত্তম অর্থনীতির দেশের তালিকায় পাঁচ নম্বরে জায়গা করে নিয়েছে ভারত। আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশেষজ্ঞদের মতে, তাই ভারতকে এড়িয়ে কিছুই করার জো নেই স্টার্মারের।

    দলীয় অবস্থান পরিবর্তনের স্টার্মার

    সে কথা ভালো করেই জানেন স্টার্মারও। তাই ২০২০ সালে লেবার পার্টির রাশ হাতে আসার পরে পরেই দলীয় অবস্থান পরিবর্তনের পথে হাঁটতে শুরু করেন ব্রিটেনের হবু প্রধানমন্ত্রী। ভারত-লেবার পার্টির সম্পর্ক মেরামত করতে তিনি প্রথমেই যে কাজটি করেছিলেন, সেটি হল প্রবাসী ভারতীয়দের সঙ্গে যোগাযোগ বাড়ানো। ব্রিটেনের নির্বাচনে প্রবাসী ভারতীয়রা একটা ফ্যাক্টর। তাই ভোট বৈতরণী ভালোভাবে পার হতে গেলে যে তাঁদের উপেক্ষা করা যাবে না, তা বুঝেই সে দেশে বসবাসকারী ভারতীয়দের সঙ্গে যোগাযোগ বাড়াতে শুরু করেছিলেন স্টার্মার (India UK Relation)। দেওয়ালি এবং হোলির মতো হিন্দু-উদযাপিত উৎসবগুলিতেও যোগ দিচ্ছিলেন তিনি (Keir Starmer)। নির্বাচনী প্রচারে বেরিয়েও লেবার পার্টির এই নেতার কথায় বারংবার উঠে এসেছে বৈশ্বিক নিরাপত্তা, জয়বায়ু সুরক্ষা এবং অর্থনৈতিক নিরাপত্তার ভিত্তিতে ভারতের সঙ্গে মজবুত সম্পর্ক গড়ে তোলার কথা। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, এটাই ‘খেয়েছেন’ প্রবাসী ভারতীয়রা। তার জেরেই নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতার চেয়েও বেশি আসন পেয়ে ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রিত্বের হাল ধরতে চলেছেন স্টার্মার।

    আন্তর্জাতিক মঞ্চে বাড়ছে ভারতের গুরুত্ব

    কনজার্ভেটিভ পার্টির জমানায় যেখানে ব্রিটেন ক্রমশই তলিয়ে গিয়েছে, প্রায় (প্রায় বললাম এই কারণে যে কনজার্ভেটিভ পার্টি ব্রিটেন শাসন করেছে ১৪ বছর, আর মোদি ১০ বছর) সেই একই সময় ভারতের হাল ধরেছেন বিজেপি নেতৃত্বাধীন এনডিএর নেতা নরেন্দ্র মোদি। তার পর থেকেই আন্তর্জাতিক মঞ্চেও ভারতের উত্থান লক্ষ্যণীয়। আন্তর্জাতিক মহলের মতে, বর্তমানে আন্তর্জাতিক মঞ্চে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে ভারত (India UK Relation)। তাই ভারতের সঙ্গে ভেঙে যাওয়া সম্পর্ক দ্রুত মেরামত করাই যে তাঁর অন্যতম প্রধান লক্ষ্য হবে, তা বুঝেছিলেন স্টার্মার। নির্বাচনের ফল বের হওয়ার পর জনগণের উদ্দেশে দেওয়া ভাষণেও তিনি বলেছেন, “পরিবর্তনের কাজ আজ থেকেই শুরু হবে (ওয়াকিবহাল মহলের মতে, হয়ত প্রেক্ষাপট ভিন্ন, তবে তাঁর এই সংক্ষিপ্ত বাক্যে লুকিয়ে রয়েছে অনেক ইঙ্গিত। যারই একটি হল ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক মেরামত।)।”

    স্টার্মারকে শুভেচ্ছা মোদির

    এদিকে, ব্রিটেনের হবু প্রধানমন্ত্রী স্টার্মারকে শুভেচ্ছা জানালেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এক্স হ্যান্ডেলে তিনি লিখেছেন, “ভারত-ব্রিটেন দ্বিপাক্ষিক কৌশলগত সম্পর্ক আরও মজবুত হবে।”

    স্টার্মারের লক্ষ্য

    ভারতের সঙ্গে লেবার পার্টির সম্পর্কের সেতুবন্ধন করার পাশাপাশি অভিবাসন নীতি ও বাণিজ্য চুক্তির মতো বৈদেশিক নীতিগুলিতে গুরুত্ব দেওয়াও লক্ষ্য স্টার্মারের (Keir Starmer)। অভিবাসন হ্রাসের প্রয়োজনীয়তা নিয়েও ঐক্যমত্যে আসতে হবে তাঁকে। ব্রিটেনের শিল্পক্ষেত্রে কর্মরত ভারতীয়দের অস্থায়ী ভিসার বিষয়ে আলোচনা করে ভারসাম্যমূলক আইন প্রণয়ন করাও একটি গুরুত্বপূর্ণ কাজ হবে স্টার্মারের। এফটিএ নিয়েও পদক্ষেপ করতে হবে ১০ নম্বর ডাউনিং স্ট্রিটের হবু বাসিন্দাকে। ২০২২ সালের জানুয়ারি মাসে এফটিএ নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছিল ভারত-ব্রিটেনের। এনিয়ে ১৪ রাউন্ড বৈঠকও হয়ে গিয়েছে। এই বিষয়টিকেও এগিয়ে নিয়ে যেতে হবে স্টার্মারকে (India UK Relation)। ইন্টারন্যাশনাল ইনস্টিটিউট ফর স্ট্র্যাটেজিক স্টাডিজের সিনিয়র ফেলো রাহুল রায়চৌধুরী যথার্থই বলেছেন, “নয়া লেবার সরকারের কাছে ভারতের গুরুত্ব একটুও কমবে না বলেই আমার বদ্ধমূল ধারণা।”

    আর পড়ুন: ব্রিটেনের ‘হাউস অফ কমনসে’ রেকর্ড সংখ্যক ভারতীয় বংশোদ্ভূত, তালিকায় কারা?

    লেবার পার্টির তরফেও বলা হয়েছে, তারা ভারতের সঙ্গে নয়া কৌশলগত অংশীদারিত্ব খুঁজবে। এর মধ্যে যেমন রয়েছে এফটিএ, তেমনি রয়েছে নিরাপত্তা, শিক্ষা, প্রযুক্তি এবং অবশ্যই জলবায়ু পরিবর্তন। কিছুদিন আগে স্বয়ং স্টার্মারই (Keir Starmer) বলেছিলেন, “যখন দুটি জাতির ইতিহাস আমাদের মতোই জড়িয়ে থাকে, তখন এটি একটি দীর্ঘ ছায়া ফেলতে পারে। তবে আজকের ভারতে আমি সেই (India UK Relation) ছায়া দেখতে পাচ্ছি না।” ভারতকে যে যথেষ্ট গুরুত্ব দিচ্ছে ব্রিটেন, তার আরও প্রমাণ হল, লেবার দলের তরফে জানানো হয়েছে, নতুন সরকার গঠনের একমাসের মধ্যে ভারত সফরে আসবেন নবনিযুক্ত ব্রিট বিদেশ সচিব ডেভিড ল্যামি। গতকালই, ডেভিডকে মনোনীত করেছেন স্টার্মার। এর পরই, বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর ল্যামিকে অভিনন্দন-বার্তা পাঠিয়েছেন। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Asansol: রানিগঞ্জের সিয়ারসোল রাজবাড়ির রথযাত্রা ১৫০ বছরের পুরনো, জানুন তার ইতিহাস

    Asansol: রানিগঞ্জের সিয়ারসোল রাজবাড়ির রথযাত্রা ১৫০ বছরের পুরনো, জানুন তার ইতিহাস

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আগামীকাল ৭ জুলাই, শ্রীশ্রী জগন্নাথদেবের রথযাত্রা। পশ্চিম বর্ধমান জেলায় যে কয়েকটি ঐতিহ‍্যবাহী রথ ও রথের মেলা রয়েছে, তার মধ‍্যে অন‍্যতম রানিগঞ্জের (Asansol) সিয়ারসোল রাজবাড়ির রথযাত্রা। প্রায় ১৫০ বছরের প্রাচীন এই রথ। শুধুমাত্র একটি পুজো অর্চনা নয় বরং রানিগঞ্জ সহ সামগ্রিক খনি অঞ্চলের এক ঐতিহ‍্য মণ্ডিত সাংস্কৃতিক বহিঃপ্রকাশ। এখানে আশেপাশের জেলা থেকে প্রচুর ভক্ত সমাগম হয়। এই রথযাত্রাকে কেন্দ্র করে প্রস্তুতি এখন চরম তুঙ্গে।

    কে প্রচলন করেছিলেন রথযাত্রা (Asansol)?

    কথিত আছে কয়লা শিল্পের প্রসারকে কেন্দ্র করে আজ থেকে প্রায় ২০০ বছর আগে রানিগঞ্জের (Asansol) সিয়ারসোল অঞ্চলে হাজির হয়েছিলেন আলেকজাণ্ডার কোম্পানির অন‍্যতম কর্মচারী গোবিন্দ প্রসাদ পণ্ডিত। পরবর্তী ক্ষেত্রে তিনি সিয়ারসোল মৌজার জমির ব‍্যবস্থাপনা গ্রহণ করেন। ১৮৬০ সালে গোবিন্দ পণ্ডিত রানিগঞ্জের পুরানো রাজবাড়ি অঞ্চলে গোবিন্দ প‍্যালেস নির্মাণ করেন। যা বর্তমানে খণ্ডহরে পরিণত হয়েছে। গোবিন্দ পণ্ডিতের মেয়ে হরসুন্দরী দেবী ব্রিটিশরাজের পক্ষ থেকে মহারাণী উপাধি পেয়ে ১৮৭৭ সালে তাঁদের কুলদেবতা দামোদরচন্দ্র জিউ-এর পূজা অর্চনা উপলক্ষে রানিগঞ্জে রথযাত্রার প্রচলন করেন। তবে সেই সময় রথটি কাঠের নির্মিত ছিল। হরসুন্দরী দেবীর বিবাহ হয়েছিল সিঙ্গুরের মতিলাল মালিয়ার সাথে। সেই থেকে রানিগঞ্জে মালিয়া পরিবারের বসতি। হরসুন্দরী দেবীর সময়ে বানানো কাঠের রথটি পরবর্তী ক্ষেত্রে আগুন লেগে পুড়ে গেলে, ১৯২৩ সালে রাজা প্রমথনাথ মালিয়া কলকাতার এক সংস্থার মাধ‍্যমে নয়টি গম্বুজ বিশিষ্ট নবরত্ন মন্দিরের আদলে বর্তমানের পিতলের রথটি নির্মাণ করেন।

    ত্রিতল বিশিষ্ট রথ

    আসানসোলের (Asansol) রানিগঞ্জের ত্রিতল এই রথটি (Rath Yatra of Searsole Rajbari) প্রায় ৩০ ফুট উঁচু ও ৮-১০টন ভারী। রথ যাত্রা উৎসবের পূণ‍্য তিথিতে রথের তৃতীয় স্তরে আরূঢ় হন রাজ পরিবারের কুল দেবতা দামোদরচন্দ্র জিউ। এরপরেই ভক্তগণ এই রথের দড়ি টেনে নিয়ে যান। যদিও বর্তমানে এই রথ লরির সাথে বেঁধে চালিত হয়। দূরদূরান্ত থেকে প্রচুর ভক্ত সমাগম হন এই রথ যাত্রার মেলায়।

    আরও পড়ুনঃ কামদুনিকাণ্ডে নির্যাতিতার ছোটভাইকে ‘প্রাণে মারার হুমকি’, শোরগোল

    আয়োজকদের বক্তব্য

    বিগত কুড়ি বছর ধরে রানিগঞ্জের (Asansol) এই ঐতিহ‍্যবাহী রথযাত্রা কর্মসূচি ও মেলার আয়োজন করে আসছে সিয়ারসোল স্পোর্টস এণ্ড কালচার‍্যাল সংস্থা। সংস্থার পক্ষ থেকে হৃদয়লাল চট্টোপাধ‍্যায় বলেছেন, “আগে এখানকার রথের মেলায় কৃষি ভিত্তিক সরঞ্জাম পাওয়া গেলেও বর্তমানে তার পরিমাণ কমে এসেছে। এর প্রধান কারণ কৃষি ভিত্তিক এলাকা বর্তমানে খনি শিল্পাঞ্চলে পরিণত হয়েছে। তবে রানিগঞ্জের ঐতিহ‍্য মণ্ডিত রথযাত্রা উপলক্ষ‍্যে প্রচুর মানুষের সমাগম ঘটে। রথযাত্রার (Rath Yatra of Searsole Rajbari) দিনগুলিতে প্রতিদিনই দামোদরচন্দ্র জিউ-এর পূজা অর্চনার ব‍্যবস্থা থাকে। এই মুহূর্তে রথযাত্রা আয়োজন উপলক্ষ‍্যে জোর কদমে প্রস্তুতি চলছে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Assam Maidams: সুপারিশ গেল ইউনেস্কোতে, আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি পাচ্ছে অসমের ‘পিরামিড’ অহম মায়দাম?

    Assam Maidams: সুপারিশ গেল ইউনেস্কোতে, আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি পাচ্ছে অসমের ‘পিরামিড’ অহম মায়দাম?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সম্ভবত চলতি বছরের শেষেই অসমের মুকুটে জুড়তে চলেছে নয়া পালক। ইউনেস্কোর বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থানের (UNESCO World Heritage) মর্যাদা পেতে চলেছে অহম আমলের ‘মায়দাম'(Assam Maidams) বা সমাধিস্থল, সম্প্রতি এমনটাই জানিয়েছেন অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মা। জানা গিয়েছে, ইউনেস্কোর বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থানে অহম আমলের ‘মায়দাম’-কে সুপারিশ করেছে ফ্রান্সের সংস্থা আইসিওএসএমওএস (International Council on Monuments and Sites)। আর অসমের এই সমাধিস্থলগুলিকে বিশ্ব ঐতিহ্যের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করার ফলে রাজ্যের সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের রক্ষণাবেক্ষণ এবং প্রচারের জন্য আরও ভালো তহবিল পাওয়া যাবে। এছাড়াও সরকারী ও আন্তর্জাতিক সহায়তার ফলে এই সমাধিস্থলগুলি সংরক্ষণ ও সুরক্ষার জন্য প্রযুক্তিগত সহযোগিতাও পাওয়া যাবে। 

    কী এই ‘মায়দাম’? (Assam Maidams) 

    অনেকটা পিরামিডের মতই আকার। এটি আসলে অহম রাজপরিবারের সমাধিস্থল। অসমে প্রায় ৬০০ বছর শাসন করেছিল অহম রাজবংশ। আজকের অসম আগে পরিচিত ছিল অহম হিসাবে। এবার সেই অহম রাজপরিবারের ‘কবরস্থান’ বা ‘মায়দাম’ ইউনেস্কোর বিশ্ব ঐতিহ্যশালী স্থান ( UNESCO World Heritage Site) তকমা পেতে চলেছে। অনেকে এটিকে আবার ‘অসমের পিরামিড’-ও বলে। বিশেষত ইট, পাথর বা মাটি দিয়ে তৈরি ফাঁপা খিলানের উপরে একটি ঢিবি তৈরি করে এই অষ্টভুজাকার সমাধিস্থলগুলি তৈরি করা হত। প্রাথমিকভাবে আসামের ছাড়াইদেও জেলায় এই সমাধিস্থলগুলি পাওয়া যায়। জানা গিয়েছে, ছাড়াইদেওতে ৯০ টিরও বেশি রাজকীয় সমাধির ঢিবির রয়েছে।  

    ইতিহাস

    উল্লেখ্য, ২০১৪ সালে ছাড়াইদেও জেলায়, অহম সাম্রাজ্যের ‘ঢিপি সমাধি ব্যবস্থা’ ( mound burial system) ইউনেস্কোর বিশ্ব ঐতিহ্যশালী স্থানে তকমা পাওয়ার জন্য প্রথম তালিকাভুক্ত হয়। জানা গিয়েছে, ১২২৮ থেকে ১৮২৬ সাল পর্যন্ত অহম রাজারা অসমে রাজত্ব করেন। ৫৯৮ বছরের শাসনকালে এই বংশে রাজা হিসাবে সিংহাসনে বসেন ৩৯ জন। এরপর ১৮২৬ সালে ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির সঙ্গে একটি চুক্তির মাধ্যমে তাঁদের রাজত্বের অবসান হয়। 

    আরও পড়ুন: দ্বিপাক্ষিক প্রতিরক্ষা সহযোগিতাকে আরও মজবুত করার ডাক ভারত-অস্ট্রেলিয়ার

    মায়দাম সংরক্ষণের ব্যবস্থা  

    আইসিওএসএমওএস (ICOMOS) রিপোর্ট অনুসারে অসমের সমাধিস্থলগুলির (Assam Maidams) ঐতিহ্য সংরক্ষণের প্রচেষ্টার মূল্যায়ন করে ৩২১-পাতার একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। যেখানে এই সমাধিস্থলগুলি সংরক্ষণের জন্য প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের আধিকারিকেরা উদ্বেগ প্রকাশ করে জানিয়েছেন, প্রতিনিয়ত ভারী বৃষ্টিপাত, মাটির ক্ষয় এই সমাধিস্থলগুলির ধ্বংসের কারন হয়ে দাঁড়াচ্ছে। তাই সমাধিস্থলগুলির সংরক্ষণে মাটির ক্ষয় রোধ করার জন্য কাজ চলছে। উল্লেখ্য, অসমের এই সমাধিস্থলগুলকে মিশরীয় ফারাওদের পিরামিডগুলির সাথে তুলনা করা হয়। আর এবছর ইউনেস্কোর বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থান (UNESCO World Heritage) হিসেবে এই সমাধিস্থল নির্বাচিত হলে, আসামে তিনটি বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থান থাকবে। বাকি দুটি কাজিরাঙ্গা জাতীয় উদ্যান এবং মানস জাতীয় উদ্যান। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Kamduni Rape: কামদুনিকাণ্ডে নির্যাতিতার ছোটভাইকে ‘প্রাণে মারার হুমকি’, শোরগোল

    Kamduni Rape: কামদুনিকাণ্ডে নির্যাতিতার ছোটভাইকে ‘প্রাণে মারার হুমকি’, শোরগোল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বার বার প্রাণে মারার হুমকি দেওয়া হচ্ছে কামদুনিকাণ্ডের (Kamduni Rape) নির্যাতিতার ছোট ভাইকে। এমনটাই অভিযোগ তুলছেন নিপীড়িত পরিবার। এদিন পরিবারের তরফ থেকে দাবি করা হয়, রীতিমতো কাজ করার জায়গায় গিয়ে দুষ্কৃতীরা নজরদারি চালাচ্ছে। পুলিশের কাছে অভিযোগ জানিয়েও কোনও লাভ হচ্ছে না, পুলিশ কার্যত নিষ্ক্রিয়। এই ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।

    অভিযুক্তরাই হুমকি দিচ্ছে (Kamduni Rape)!

    কামদুনি ধর্ষণকাণ্ডে চার জনকে ফাঁসি ও যাবজ্জীবনের শাস্তি থেকে মুক্তির নির্দেশ দিয়েছিল কলকাতা হাইকোর্ট। এই নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে সুপ্রিম কোর্টে আবেদন করেছে রাজ্য এবং কামদুনির নির্যাতিতার (Victim) পরিবার। গত বছর সুপ্রিম কোর্ট এই মুক্তির রায়ের উপর কিছু শর্ত আরোপ করেছিল। যার মধ্যে ছিল, অভিযুক্তরা নিজেদের গতিবিধি সম্পর্কে রাজারহাট থানাকে নিয়মিত জানাবে। একই ভাবে নির্যাতিতার পরিবারের (Kamduni Rape) সঙ্গে কোনও রূপ যোগাযোগ করতে পারবে না।

    পরিবারের ছোট ভাইয়ের অভিযোগ

    কামদুনিকাণ্ডের (Kamduni Rape) নির্যাতিতার (Victim) ছোট ভাইয়ের অভিযোগ, “আমাকে খুন করার ছক করা হচ্ছে। আদালত যাদের মুক্তি দিয়েছে তারাই এই কাজ করছে। একদিন কর্মস্থল, ক্ষুদ্র ও কুটীর শিল্প দফতর থেকে ফিরছিলাম, হঠাৎ শুনতে পাই আমি সামনেই আছি। লাঙলাপোতা মোড়ে লোকজন জড়ো করে ওই দিন আমাকে খুনের পরিকল্পনা করা হচ্ছিল। দুই-তিনজন আমার সামনে এসে দাঁড়িয়ে হুমকি দিচ্ছিল। এরপর আত্মীয়দের ডেকে, তাঁদের সাহায্যে বাড়িতে ফিরি। আবার লোকসভা ভোটের সময় আমাকে হুমকি দিয়ে বলা হয়, আমি ভোট দিতে গেলে আমাকে মারা হবে। কিন্তু ঘটনার বিবরণ জানিয়ে থানায় অভিযোগ করলে থানা থেকে জিডি নম্বর পর্যন্ত দেওয়া হয়নি।” অপর দিকে কামদুনির (Kamduni Rape) প্রতিবাদী টুম্পা কয়াল জানিয়েছেন, “গত ২৩ জুন, আমার স্বামী বিশ্বজিৎ মণ্ডলের উপর হামলা করে কিছু দুষ্কৃতীরা। শনিবার বিকেলে আকন্দকেশরী সেতু থেকে ঘটনাস্থল পর্যন্ত পদযাত্রা করা হবে।”

    আরও পড়ুনঃসোনারপুরে বিজেপি কর্মীর ওপর হামলা, স্ত্রী-পুত্রকে ধারালো অস্ত্রের কোপ, অভিযুক্ত তৃণমূল

    পুলিশের বক্তব্য

    এই বিষয়ে বিধাননগর কমিশনারেটের অধীন নিউটাউনের উপ—নগরপাল মানব সিংলার দাবি, “পুলিশের কাছে সেই ভাবে হুমকির (Kamduni Rape) কোনও অভিযোগ নেই। এমন তো হওয়ার কথা নয়, রাজারহাট থানার সঙ্গে কথা বলব।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share