Tag: news in bengali

news in bengali

  • Tarkeshwar: হাথরসকাণ্ডের পর সর্তকতা, শ্রাবণী মেলা উপলক্ষে তারকেশ্বরকে মুড়ে ফেলা হল সিসিটিভিতে

    Tarkeshwar: হাথরসকাণ্ডের পর সর্তকতা, শ্রাবণী মেলা উপলক্ষে তারকেশ্বরকে মুড়ে ফেলা হল সিসিটিভিতে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হাথরসে ধর্মীয় সভায় দুর্ঘটনার কথা গোটা দেশকে চিন্তায় ফেলেছে। এই দিকে সমানেই তারকেশ্বরে শ্রাবণী মেলা, হাতে গোনা আর মাত্র কয়েকটা দিন। ইতিমধ্যে ব্লক প্রশাসন, পুরসভা এবং রেলের সমন্বয়ে প্রস্তুতির কাজ শুরু হয়ে গিয়েছে। পূণ্যার্থীদের সুরক্ষার কথা ভেবে সবরকম ব্যবস্থা গ্রহণের কাজ শুরু হয়েছে। তারকেশ্বরকে মুড়ে ফেলা হল সিসিটিভিতে। থাকছে কঠোর নিরাপত্তার পরিকাঠামো এবং সর্তকতা মূলক ব্যবস্থা। এ বছর এই তারকেশ্বর (Tarkeshwar) মেলা শুরু হবে ২১ জুলাই গুরু পূর্ণিমার দিন থেকে, আর চলবে ১৯ অগাস্ট রাখি পূর্ণিমা পর্যন্ত। এক মাস শৈব উপাসকেরা বাবা তারকনাথের মাথায় জল ঢালবেন।

    রাস্তায় বসানো হয়েছে সিসিটিভি (Tarkeshwar)

    শ্রাবণী মেলায় শিব ভক্তরা, গঙ্গা থেকে জল কাঁধে করে বহন করে ভোলা মহেশ্বরের মাথায় জল ঢেলে থাকেন। হুগলি নদীর শেওড়াফুলির ঘাট থেকে জল সংগ্রহ করে লক্ষ লক্ষ ভক্ত তারকেশ্বর (Tarkeshwar) মন্দিরে জল ঢালেন। দেশ-বিদেশ থেকে প্রচুর ভক্তরা এই অনুষ্ঠানে যোগদান করে থাকেন। শ্রীরামপুর-তারকেশ্বরের (Tarkeshwar) ১২ নম্বর রুটে পা ফেলার জায়গা থাকে না। এই এক মাসের মধ্যে শনি, রবি এবং সোমবারের দিনগুলিতে ব্যাপক ভক্তের সমাগম হয়। এক এক দিনে প্রায় ১০ লক্ষের বেশি ভক্তের সমাগম হয়। এই ভিড় সামাল দিতে প্রশাসনকে একেবারে নাজেহাল হতে হয়। তাই এবছর আগাম সতর্কতা এবং নিরাপত্তার কথা ভেবে প্রশাসন অত্যন্ত তৎপর হয়েছে। মানুষের সুরক্ষার কথা ভেবে একাধিক পদক্ষেপ গ্রহণ করতে চলেছে প্রশাসন। আজ প্রশাসনের পক্ষ থেকে বড় বৈঠক করা হয়েছে। ভক্তদের কথা মাথায় রেখে মূল মন্দিরের প্রবেশ দ্বার বৃদ্ধির কথা ভাবা হয়েছে। একই ভাবে নজরদারি কড়া করতে রাস্তায় রাস্তায় সিসিটিভি বসিয়ে ঢেকে ফেলা হয়েছে।

    আরও পড়ুনঃ বেআইনি জমি দখলের অভিযোগে দিল্লি থেকে গ্রেফতার শিলিগুড়ির তৃণমূল নেতা!

    ২৪ ঘণ্টা আলো ও পর্যাপ্ত পানীয় জলের ব্যবস্থা

    বৈঠকে এ বছর সংখ্যায় বেশি পরিমাণে পুলিশ মোতায়েনের কথা বলা হয়েছে। শহরের বেশ কিছু জায়গায় বসানো হবে স্বাস্থ্য শিবির কেন্দ্র। একই ভাবে অপ্রীতিকর পরিস্থিতি আটকাতে বৃদ্ধি করা হবে দমকল ইঞ্জিনের সংখ্যা। ২৪ ঘণ্টা আলো এবং পর্যাপ্ত পানীয় জলের ব্যবস্থা করা হবে। ভক্তদের জন্য করা হবে বিশ্রামাগার। এদিন পুরসভার পক্ষ থেকে পুরপ্রধান উত্তম কুণ্ডু এই প্রশাসনিক বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন। একই ভাবে তারকেশ্বর (Tarkeshwar) ব্লকের আধিকারিক সীমা চন্দ্র, থানার ইনচার্জ তন্ময় বাগ এবং রেল, স্বাস্থ্য, বিদ্যুৎ এবং দমকল বিভাগের আধিকারিকরা উপস্থিত ছিলেন। অতিরিক্ত ভিড় এবং উৎসবের আনন্দ যাতে মর্মান্তিক দুর্ঘটনার শিকার না হয়, তাই রাজ্য প্রশাসন আগে থেকেই সতর্কতা অবলম্বন করেছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Rath Yatra 2024: পুরীর রথযাত্রায় তিন দেবদেবীর রথের আলাদা মাহাত্ম্য আছে, জানেন কি?

    Rath Yatra 2024: পুরীর রথযাত্রায় তিন দেবদেবীর রথের আলাদা মাহাত্ম্য আছে, জানেন কি?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সংস্কৃত ভাষায় রথ (Rath Yatra 2024) মানে গাড়ি এবং যাত্রা মানে মিছিল। ক্ষণিকের জন্য জগন্নাথদেবকে রথের উপর দর্শন করাকে বহু পুণ্য কর্মের ফল হিসেবে বিবেচনা করা হয়। বিশ্বাস, এই রথযাত্রা এতটাই পবিত্র যে, কেউ যদি এই দিনে রথ অথবা রথের রশি স্পর্শ করেন, তাহলে বহু পুণ্য কর্মের ফল লাভ করতে পারেন।

    পুরীর রথযাত্রার বিশেষত্ব

    জগন্নাথদেবের রথযাত্রায় আজও আমরা দেখে থাকি, প্রতিবছর রথযাত্রার উদ্বোধন করেন সেখানকার রাজা। রাজত্ব না থাকলেও বংশ পরম্পরাক্রমে পুরীর রাজপরিবারের নিয়মানুযায়ী, যিনি রাজা উপাধিপ্রাপ্ত হন, তিনিই এই যাত্রার সূচনা করেন। জগন্নাথ, বলরাম ও দেবী সুভদ্রার পরপর তিনটি রথের সামনে এসে পুষ্পাঞ্জলি প্রদান ও সোনার ঝাড়ু দিয়ে রথের সম্মুখভাগ ঝাঁট দেওয়ার পরই পুরীর রথের রশিতে টান পড়ে। শুরু হয় জগন্নাথদেবের রথযাত্রা (Rath Yatra Chariots)।

    পুরীর রথযাত্রা (Rath Yatra 2024) উৎসব হচ্ছে, বড় ভাই বলরাম বা বলভদ্র ও বোন সুভদ্রাকে সঙ্গে নিয়ে শ্রীকৃষ্ণের বৃন্দাবন যাত্রার স্মারক। তিন জনের জন্য আলাদা আলাদা তিনটি রথ। রথযাত্রা উৎসবের মূল দর্শনীয় জিনিস হল এই রথ তিনটি। প্রথমে যাত্রা শুরু করে বড় ভাই বলভদ্রের রথ। তারপর সুভদ্রা এবং শেষে জগন্নাথ।

    পুরীর এই রথ তিনটির আলাদা আলাদা নাম। জগন্নাথ দেবের রথ — নন্দী ঘোষ, বলরামের রথ — তালধ্বজ ও সুভদ্রার রথ — দর্পদলন নামে পরিচিত। প্রতি বছর উল্টোরথের পর রথ তিনটি ভেঙে ফেললেও রথের পার্শ্বদেবদেবীর মূর্তি, সারথি ও ঘোড়াগুলিকে সযত্নে তুলে রাখা হয়। 

    এক নজরে রথ তিনটির (Rath Yatra Chariots) পরিচয়…

    নন্দীঘোষ (জগন্নাথ): কথিত আছে, এই রথটি (Rath Yatra 2024) দেবরাজ ইন্দ্র শ্রীজগন্নাথদেবকে প্রদান করেছিলেন। এই রথ নির্মাণে ছোট বড় ৮৩২টি কাঠের টুকরো লাগে। উচ্চতা ৪৪’২” বা ১৩.৫ মিটার। দৈর্ঘ্য ৩৪’৬” এবং প্রস্থ ৩৪’৬”। আগে ১৮টি চাকা থাকলেও, বর্তমানে ১৬টি থাকে। রথের ধ্বজার নাম ত্রৈলোক্যমোহিনী ও রশির নাম শঙ্খচূড় নাগিনী। দ্বারপাল ব্রহ্মা ও ইন্দ্র। রথে উপস্থিত নয় জন পার্শ্ব দেবগণ হলেন — বরাহ, গোবর্ধন, কৃষ্ণ/গোপীকৃষ্ণ, নৃসিংহ, রাম, নারায়ণ, ত্রিবিক্রম, হনুমান ও রুদ্র। এঁদের সঙ্গে রয়েছেন ধ্যানমগ্ন ঋষিরা — নারদ, দেবল, ব্যাসদেব, শুক, পরাশর, বশিষ্ঠ, বিশ্বামিত্র ও মরীচি। লাল ও হলুদ কাপড়ে মোড়া এই রথে (Jagannath Chariot) কালো রঙের চারটি ঘোড়া হল— শঙ্খ, বলাহক, শ্বেত ও হরিদাক্ষ। রথের সারথি দ্বারুজ ও রক্ষক গরুড়। রথের কলসের নাম হিরন্ময়। রথের দ্বারপাল জয়, বিজয়। রথের রজ্জুর নাম শঙ্খচূড়। রথের নেত্রর নাম তৈলক্ষ মোহিনী। রথের অধীশ্বর প্রভু জগন্নাথ।

    তালধ্বজ (বলভদ্র/বলরাম): ৭৬৩টি ছোট বড় কাঠের টুকরো দিয়ে নির্মিত এই রথ। এই রথের (Rath Yatra 2024) উচ্চতা ৪৪’ বা ১৩.২ মিটার। দৈর্ঘ্য ও প্রস্থ যথাক্রমে ৩৩’ x ৩৩’। আগে ১৬টি থাকলেও এখন চাকার সংখ্যা ১৪টি। ধ্বজার নাম উন্মনী এবং রশির নাম বাসুকী নাগ। ন’জন পার্শ্বদেবতা হলেন — গণেশ, কার্তিক, সর্বমঙ্গলা, প্রলম্ব, হলায়ুধ, মৃত্যুঞ্জয়, নাটেশ্বর, মহেশ্বর ও শেষদেব। দ্বারপাল রুদ্র ও সাত্যকি। সারথি মাতলি এবং রক্ষক বাসুদেব। রথের শ্বেতবর্ণের চারটি ঘোড়ার নাম তীব্র, ঘোর, শ্রম (স্বর্ণনাভ) ও দীর্ঘ (দীর্ঘশর্মা)। সুদর্শন চক্রের পাশে দুটি পাখির (কাকাতুয়া) নাম স্বধা ও বিশ্বাস। রথটি সবুজ ও লাল কাপড়ে মোড়া। রথের ধ্বজার/পতাকার নাম উন্মনী। 

    দর্পদলন (সুভদ্রা): ৫৯৩টি টুকরো কাঠ দিয়ে তৈরি এই রথের (Rath Yatra 2024) উচ্চতা ৪২’৩” বা ১২.৯ মিটার এবং দৈর্ঘ্য – প্রস্থ ৩১’৬” x ৩১’৬”। চাকার সংখ্যা ১২। ধ্বজার নাম নাদম্বিক এবং রশির নাম স্বর্ণচূড় নাগ। ধ্বজার পাশের পাখি দুটির নাম শ্রুতি ও স্মৃতি। রথটি (Rath Yatra Chariots) লাল ও কালো কাপড়ে ঢাকা। ন’জন পার্শ্বদেবী হলেন — চণ্ডী, চামুণ্ডা, মঙ্গলা, উগ্রতারা, বনদুর্গা, শুলিদুর্গা, শ্যামাকালী, বিমলা ও বরাহি। দ্বারপালিকা — ভূদেবী ও শ্রীদেবী। সারথি অর্জুন আর রক্ষক জয়দুর্গা। লাল রঙের ঘোড়া চারটির নাম রচিকা, মোচিকা, জিতা ও অপরাজিতা। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Ramakrishna 67: “সাধন নাই, ভজন নাই, বিবেক-বৈরাগ্য নাই, দু-চারটে কথা শিখেই অমনি লেকচার!”

    Ramakrishna 67: “সাধন নাই, ভজন নাই, বিবেক-বৈরাগ্য নাই, দু-চারটে কথা শিখেই অমনি লেকচার!”

    পঞ্চম পরিচ্ছেদ

    কীর্তনানন্দে নরেন্দ্র প্রভৃতি সঙ্গে—নরেন্দ্রকে প্রেমালিঙ্গন

    ব্রাহ্মসমাজ, বক্তৃতা সমাজ সংস্কার (Social Reforms)-আগে ঈশ্বরলাভ, পরে লোকশিক্ষা প্রদান

    যদি হৃদয়মন্দিরে মাধব প্রতিষ্ঠা করতে চাও, যদি ভগবানলাভ (Ramakrishna) করতে চাও, শুধু ভোঁ ভোঁ করে শাঁখ ফুঁকলে কি হবে! আগে চিত্তশুদ্ধি। মন শুদ্ধ হলে ভগবান পবিত্র আসনে এসে বসবেন। চামচিকার বিষ্ঠা থাকলে মাধবকে আনা যায় না। এগার জন চামচিকে একাদশ ইন্দ্রিয়—পাঁচ জ্ঞানেন্দ্রিয়, পাঁচ কর্মেন্দ্রিয় আর মন। আগে মাধব প্রতিষ্ঠা, তারপর ইচ্ছা হয় বক্তৃতা লেকচার দিও!

    আগে ডুব দাও। ডুব দিয়ে রত্ন তোল, তারপর অন্য কাজ।

    কেউ ডুব দিতে চায় না। সাধন নাই, ভজন নাই, বিবেক-বৈরাগ্য নাই, দু-চারটে কথা শিখেই অমনি লেকচার!

    লোকশিক্ষা দেওয়া কঠিন।… ভগবানকে দর্শনের পর যদি কেউ তাঁর আদেশ পায়, তাহলে লোকশিক্ষা দিতে পারে।

    অবিদ্যা স্ত্রী—আন্তরিক ভক্তি হলে সকলে বশে আসে।

    কথা (Kathamrita) কহিতে কহিতে ঠাকুর উত্তরের বারান্দার পশ্চিমাংশে আসিয়া দাঁড়াইলেন। মণি কাছে দাঁড়াইয়া। ঠাকুর বারবার বলিতেছেন, বিবেক-বৈরাগ্য না হলে ভগবানকে পাওয়া যায় না। মণি বিবাহ করিয়াছেন, তাই ব্যাকুল হইয়া ভাবিতেছেন, কি হইবে! বয়েস ২৮, কলেজে পড়িয়া ইংরেজী লেখাপড়া কিছু শিখিয়াছেন। ভাবিতেছেন, বিবেক-বৈরাগ্য মানে কি কামিনী-কাঞ্চন ত্যাগ?

    মণি (শ্রীরামকৃষ্ণের প্রতি)—স্ত্রী যদি বলে, আমায় দেখছ না, আমি আত্মহত্যা করব, তাহলে কি হবে?

    শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna) (গম্ভীরস্বরে)—অমন স্ত্রী ত্যাগ করবে, যে ঈশ্বরের পথে বিঘ্ন করে। আত্মহত্যাই করুক, আর যাই করুক।

    যে ঈশ্বরের পথে বিঘ্ন দেয়, সে অবিদ্যা স্ত্রী।

    গভীর চিন্তামগ্ন হইয়া মণি দেওয়ালে ঠেসান দিয়া একপাশে দাঁড়াইয়া রহিলেন। নরেন্দ্রাদি ভক্তগণও ক্ষণকাল অবাক হইয়া রহিলেন।

    ঠাকুর তাঁহাদের সহিত একটু কথা কহিতেছেন (Kathamrita), হঠাৎ মণির কাছে আসিয়া একান্তে আস্তে আস্তে বলিতেছেন, কিন্তু যার ঈশ্বরে আন্তরিক ভক্তি আছে, তার সকলেই বশে আসে—রাজা, দুষ্ট লোক স্ত্রী। নিজের আন্তরিক ভক্তি থাকলে স্ত্রীও ক্রমে ঈশ্বরের পথে যেতে পারে। নিজে ভাল হলে ঈশ্বরের ইচ্ছাতে সেও ভাল হতে পারে।

    আরও পড়ুনঃ “বিবেক, বৈরাগ্যরূপ হলুদ মাখলে তারা আর তোমাকে ছোঁবে না”

    আরও পড়ুনঃ “ধ্যান করবার সময় তাঁতে মগ্ন হতে হয়, উপর উপর ভাসলে কি জলের নিচে রত্ন পাওয়া যায়?”

    আরও পড়ুনঃ “পশ্চিমে বিবাহের সময় বরের হাতে ছুরি থাকে, বাংলাদেশে জাঁতি থাকে”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • TMC leader arrested: বেআইনি জমি দখলের অভিযোগে দিল্লি থেকে গ্রেফতার শিলিগুড়ির তৃণমূল নেতা!

    TMC leader arrested: বেআইনি জমি দখলের অভিযোগে দিল্লি থেকে গ্রেফতার শিলিগুড়ির তৃণমূল নেতা!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জমি দখল নিয়ে কড়া বার্তা দিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এবার শিলিগুড়ির তৃণমূলনেতাকে গ্রেফতার (TMC leader arrested) করেছে পুলিশ। তৃণমূল নেতার নাম গৌতম গোস্বামী, তাঁকে দিল্লি থেকে আটক করেছে শিলিগুড়ি কমিশনারেটের পুলিশ। তিনি ডাবগ্রাম-ফুলবাড়ি ব্লকের তৃণমূল সহ-সভাপতি ছিলেন। বিজেপি জমি মাফিয়াদের বিরুদ্ধে তীব্র কটাক্ষ করে আইন অনুযায়ী শাস্তির দাবি তুলেছে। ঘটনায় রাজ্য রাজনীতিতে শোরগোল পড়েছে।  

    পুলিশ কমিশনারেটের বক্তব্য (TMC leader arrested)

    শিলিগুড়ি (Siliguri) পুলিশ কমিশনারেট সি সুধাকর বলেছেন, “দিল্লিতে আমাদের দল গিয়ে গৌতম গোস্বামীকে গ্রেফতার করেছে। তদন্ত চলছে, এই মুহূর্তে সব কিছু বলা সম্ভবপর নয়।” তবে পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, “মেয়র গৌতম দেবের ঘনিষ্ঠ বলে পরিচিত ছিলেন দেবাশিষ প্রামাণিক, তাঁকে গ্রেফতার করার পরেই শহর ছেড়ে ছিলেন গৌতম গোস্বামী। তখন থেকে তাঁর খোঁজ চলছিল। শিলিগুড়ি থেকে তিনি প্রথমে যান কলকাতায়, এরপর হায়দরাবাদ হয়ে বেঙ্গালুরু হয়ে দিল্লিতে যান। ঠিক তারপর খবর পেয়ে স্পেশাল অপারেশন চালিয়ে গ্রেফতার (TMC leader arrested) করা হয়।”

    বিজেপি বিধায়কের বক্তব্য

    তৃণমূল নেতা গ্রেফতারের পর ডাবগ্রাম-ফুলবাড়ির (Siliguri) বিধায়ক শিখা চট্টোপাধ্যায় বলেছেন, “দেবাশিষ প্রামাণিক এবং গৌতম গোস্বামীকে গ্রেফতার (TMC leader arrested) করে চোখে ধুলো দেওয়া হচ্ছে। তাঁদের মাথায় কাঁঠাল ভেঙে বড় নেতারা পার হওয়ার চেষ্টা করছেন। একের পর এক সরকারি-বেসরকারি জমি দখল করছেন তাঁরা। উত্তরকন্যার পাশে বিঘের পর বিঘে সরকারি জমি দখল করে রেখেছে। কাদের নির্দেশে এই অবৈধ দখল চলছে, তা নিয়ে তদন্ত হওয়া দরকার। জমিকাণ্ডে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইন অনুসারে উপযুক্ত ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।”

    আরও পড়ুনঃ পুরুলিয়া লোকসভায় হারের চর্চায় তৃণমূলের অন্দরে দলীয় সংঘাতের চিত্র প্রকাশ্যে!

    তৃণমূলের বক্তব্য

    জলপাইগুড়ি জেলা তৃণমূলের সভানেত্রী মহুয়া গোপ বলেছেন, “আমাদের দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যা নির্দেশ দিয়েছেন তা অক্ষরে অক্ষরে পালন হবে। এই ধরনের কাজে যাঁরা যুক্ত তাঁদের শাস্তি (TMC leader arrested) হওয়া উচিত।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Purulia: পুরুলিয়া লোকসভায় হারের চর্চায় তৃণমূলের অন্দরে দলীয় সংঘাতের চিত্র প্রকাশ্যে!

    Purulia: পুরুলিয়া লোকসভায় হারের চর্চায় তৃণমূলের অন্দরে দলীয় সংঘাতের চিত্র প্রকাশ্যে!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পুরুলিয়ায় (Purulia) লোকসভা নির্বাচনে হারের চর্চায় তৃণমূলের অন্দরে দলীয় সংঘাতের কথা উঠে আসল। তৃণমূলের শাখা সংগঠনগুলির মধ্যে কোন্দল, সমন্বয়ের অভাব, এবং বুথস্তরে জনপ্রতিনিধিদের জনসংযোগ বিচ্ছিন্ন হওয়াই অন্যতম বিপর্যয়ের কারণ বলে উল্লেখ করা হয়েছে। গত বুধবার দলের জেলা কমিটির পর্যালোচনায় এমন তথ্যই উঠে এসেছে। ফলে তৃণমূলের গোষ্ঠী কোন্দল আরও একবার প্রকাশ্যে এসেছে।

    বৈঠকে গরহাজির একাধিক তৃণমূল নেতা (Purulia)!

    তৃণমূল সূত্রে জানা গিয়েছে, লোকসভা ভোটের দায়িত্বে থাকা ব্লক ও শহর কমিটির সভাপতি এবং জেলা তৃণমূলের প্রাথমিক পর্যালোচনা করে রিপোর্ট জমা দিয়েছে রাজ্য নেতৃত্বের কাছে। দলের নির্বাচন পর্যবেক্ষক তন্ময় ঘোষ বলেছেন, “কিছু ত্রুটি আমাদের নজরে এসেছে। দলের কাছে পেশ করা রিপোর্টে সবটাই জানানো হবে। রিপোর্টের প্রেক্ষিতে রাজ্য তৃণমূল নেতৃত্ব নিশ্চই সিদ্ধান্ত নিয়ে উপযুক্ত পদক্ষেপ নেবেন।” উল্লেখ্য এদিন পুরুলিয়ায় (Purulia) বৈঠকে গরহাজির থেকে বিতর্ক বাড়িয়েছেন লোকসভা প্রার্থী শান্তিরাম মাহাতো, লোকসভার নির্বাচনী কোর কমিটির চেয়ারম্যান সুজয় বন্দ্যোপাধ্যায়, ছাত্র, যুব এবং শ্রমিক সংগঠনের নেতারা। ইচ্ছে করেই তাঁরা বৈঠক এড়িয়ে গিয়েছেন। ফলে এই কোন্দলের কারণে দল নির্বাচনে হেরেছে বলে মনে করেছেন দলেরই একাংশ।

    বিক্ষুব্ধ তৃণমূল নেতার বক্তব্য

    জেলার (Purulia) এক তৃণমূল (TMC) নেতার বক্তব্য, “আজকের বৈঠকে কিছু মঞ্চপ্রেমী নেতা-নেত্রী ও অনেক শাখা সংগঠনের প্রধানদের দেখতে পেলাম না। এর কারণ কী? লোকসভা নির্বাচনে হারের লজ্জা না কি গ্লানি? জেলা তৃণমূলের কর্মী হিসাবে আমি মনে করি অবিলম্বে পুরুলিয়া জেলা কমিটিতে বড় পরিবর্তন করার প্রয়োজন রয়েছে। মঞ্চে ওঠা তথাকথিত নেতাদের বাদ দিয়ে কাজের নেতাদের স্থান দিন।” একই ভাবে বৈঠকে বুথস্তরে আর্থিক সহায়তা ঠিক করে পৌঁছায়নি বলে অভিযোগ উঠেছে।

    আরও পড়ুনঃ হকার উচ্ছেদে অক্ষত পার্টি অফিস! তৃণমূলের কার্যালয় বলেই কি ছাড়? শোরগোল বোলপুরে

    কী বললেন শান্তিরাম?

    বৈঠকে যোগদান না করে পুরুলিয়ার (Purulia) প্রার্থী শান্তিরাম বলেছেন, “আমি মানসিক ভাবে বিপর্যস্ত বলেই বৈঠকে যাইনি। অন্তর্ঘাতের বিষয়টি যখন উঠে এসেছে তখন বিষয়কে গুরুত্ব দিয়ে দেখা উচিত।” আবার সুজয় বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছেন, “এই দিন যে সাংগঠনিক বৈঠক বলা হচ্ছে, তা ভোটের আগেই করা উচিত ছিল। যদি ২১ জুলাইের প্রস্তুতি এবং ফলাফল পর্যালোচনার বিষয় আলোচনায় থাকত, তবে যেতাম।” আবার এই বিষয়ে তৃণমূল (TMC) জেলা সভাপতি সৌমেন বেলথরিয়া বলেছেন, “সুজয় বাবু সহ একাধিক নেতাকে আমি ফোন করে মিটিং-এর কথা বলেছিলাম। তবুও কেন আসেননি আমার কাছে স্পষ্ট নয়।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Bangladeshi Infiltrators: সাঁওতাল মেয়েদের ধর্মান্তরণ! অবৈধ বাংলাদেশিদের তাড়ানোর নির্দেশ ঝাড়খণ্ড হাইকোর্টের

    Bangladeshi Infiltrators: সাঁওতাল মেয়েদের ধর্মান্তরণ! অবৈধ বাংলাদেশিদের তাড়ানোর নির্দেশ ঝাড়খণ্ড হাইকোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এবার বাংলাদেশিদের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নিল ঝাড়খণ্ড আদালত। সম্প্রতি ঝাড়খণ্ড হাইকোর্ট (Jharkhand Highcourt) রাজ্য সরকারকে নির্দেশ দিয়েছে, যে বাংলাদেশিরা (Bangladeshi Infiltrators) অবৈধভাবে ভারতে প্রবেশ করেছে, যত দ্রুত সম্ভব তাদের চিহ্নিত করে ফেরত পাঠাতে হবে। এ প্রসঙ্গে বিচারপতি সুজিত নারায়ণ প্রসাদ ও বিচারপতি এ কে রাইয়ের বেঞ্চ ড্যানিয়েল ড্যানিশের আবেদনের শুনানির পর ৩ জুলাই এই রায় দেন, যেখানে আদালতকে বলা হয়েছিল যে, বাংলাদেশ সংলগ্ন সাঁওতাল পরগনা সহ বিভিন্ন অঞ্চলে প্রতিবেশী দেশের নিষিদ্ধ সংগঠনগুলো এসটি (তফসিলি উপজাতি)-দের ধর্মান্তরিত করছে। রাজ্যের মেয়েদের ইসলামের নামে বিয়ে করে নিজেদের ধর্মে রূপান্তরিত করছে। এরম ঘটনা একটা নয় একাধিক। ঘটনাগুলো পরিকল্পিতভাবে পরিচালিত হচ্ছে তাই যত দ্রুত সম্ভব এগুলির অবসান ঘটানো জরুরি।    

    ঠিক কী জানিয়েছে আদালত? (Bangladeshi Infiltrators)

    আদালত তরফে জানা গিয়েছে, ঝাড়খণ্ডের সাঁওতাল পরগনার জেলাগুলিতে হঠাৎ করেই উল্লেখযোগ্যভাবে মাদ্রাসার সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে। নতুন করে সেখানে ৪৬টি মাদ্রাসা গড়ে উঠেছে। আর নবনির্মিত সেই মাদ্রাসাগুলিকে ব্যবহার করা হচ্ছে দেশবিরোধী কার্যকলাপের জন্য। এছাড়াও বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীরা স্থানীয় নারীদের শোষণের পাশাপাশি জমিও দখল করছে। তাই এবার পরিস্থিতি এর থেকে খারাপ হওয়ার আগে আদালত (Jharkhand Highcourt) সরকারকে দুই সপ্তাহেরও কম সময়ের মধ্যে এ বিষয়ে একটি চার্জশিট জমা দিতে বলেছে, যেখানে বাংলাদেশের কতজন অনুপ্রবেশকারীকে চিহ্নিত করা গিয়েছে, তাদের কতজনকে আটকানো হয়েছে এবং কতজনকে ফেরত পাঠানো হয়েছে তা উল্লেখ করার নির্দেশ দিয়েছে।  

    একইসঙ্গে এর পাশাপাশি আরও জানা গিয়েছে, বাংলাদেশি (Bangladeshi Infiltrators) নিষিদ্ধ সংগঠনটি সাঁওতাল পরগনার অনেক অংশে স্থানীয় আদিবাসী মেয়েদের ফাঁদে ফেলে ‘লাভ-জিহাদ’-এর অধীনে বিয়ে করছে। বিয়ের পরে, তারা মেয়েদের পঞ্চায়েত নির্বাচনে প্রার্থী হিসাবে দাঁড় করিয়ে তাদের মাধ্যমে সরকারী তহবিল বন্ধ করে দেশবিরোধী কার্যকলাপ প্রচার করে।

    আরও পড়ুন: গবেষণায় উঠে এল বিরাট তথ্য! ভারতের বড় শহরগুলিতে ৭ শতাংশ মৃত্যুর কারণ বায়ু দূষণ

    ভারতীয়দের ধর্মান্তরণ অবিলম্বে বন্ধ করা উচিত

    যদিও এর আগে এলাহাবাদ হাইকোর্ট ধর্মান্তরের বিষয়ে মতামত প্রকাশ করে সতর্ক করেছিল যে, এইভাবে ধর্মান্তরিত হলে জাতির সংখ্যাগরিষ্ঠ জনসংখ্যা শেষ পর্যন্ত সংখ্যালঘুতে পরিণত হবে। এ প্রসঙ্গে বিচারপতি রোহিত রঞ্জন আগরওয়ালের বেঞ্চ তাৎপর্যপূর্ণ বিবৃতি দিতে জানিয়েছিল যে, ‘ভারতীয়দের ধর্মান্তরণ অবিলম্বে বন্ধ করা উচিত।’ 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Bolpur: হকার উচ্ছেদে অক্ষত পার্টি অফিস! তৃণমূলের কার্যালয় বলেই কি ছাড়? শোরগোল বোলপুরে

    Bolpur: হকার উচ্ছেদে অক্ষত পার্টি অফিস! তৃণমূলের কার্যালয় বলেই কি ছাড়? শোরগোল বোলপুরে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সরকারি জমিতে অবৈধ দখল বিষয়ে কড়া অবস্থান নিয়ে উচ্ছেদের নির্দেশ দিয়েছেন। এরপর থেকে কলকাতা সহ জেলায় জেলায় পুরসভা এবং পুলিশ প্রশাসন হকার উচ্ছেদ অভিযানে নেমে পড়েছে, কিন্তু এই উচ্ছেদ অভিযানে তৃণমূল কার্যালয় এখনও অক্ষত রয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার বোলপুরে (Bolpur) উচ্ছেদ অভিযানে ফুটপাত থেকে সরকারি জায়গা উদ্ধার করতে গেলে, তৃণমূলের দলীয় কার্যালয়কে উচ্ছেদ না করার অভিযোগ করে সরব হয়েছে বিজেপি। তৃণমূলের কার্যালয় বলেই কি ছাড়? এই প্রশ্ন উঠেছে এলাকায়।

    অবৈধ নির্মাণ ছিল তৃণমূল কার্যালয় (Bolpur)!

    বৃহস্পতিবার বোলপুর শহর জুড়ে চলেছে বেআইনি উচ্ছেদ অভিযান। দখল করা রাস্তার জমি পুনরুদ্ধার কাজে নেমেছে পুরসভা। শান্তিনিকেতনের ভুবনডাঙায় পে-লোডার নামিয়ে ভেঙে দেওয়া হয়েছে বহু দোকান। কিন্তু রাস্তার উপরে নির্মাণ করা তৃণমূলের পার্টি অফিসকে ভাঙা হয়নি। বিরোধীদের অবশ্য অভিযোগ, সরকারি জমি দখল করে এই অবৈধ নির্মাণ হয়েছিল। সমস্ত দোকান ভাঙা হলেও এই তৃণমূল কার্যালয়ে হাত দেওয়া হয়নি!

    প্রশাসনকে ধিক্কার বিজেপির

    বিজেপির বোলপুর (Bolpur) সাংগঠনিক জেলা সভাপতি সন্ন্যাসীচরণ মণ্ডল বলেছেন, “এই কাজ অত্যন্ত বেআইনি। তৃণমূলের দলীয় কার্যালয় (Tmc party office) রেখে দিয়ে বাকি সমস্ত কিছু ভেঙে গুঁড়িয়ে দেওয়া হল, এই ঘটনা অত্যন্ত অন্যায়। ভাঙলে এক সঙ্গে সব ভেঙে দেওয়া উচিত। পুরসভার ওয়ার্ডগুলিতে তৃণমূলের ফল খারাপ হওয়ায় এই ভাবে মানুষের উপর অত্যাচার করা হচ্ছে। আমি বোলপুর পুরসভা ও প্রশাসনকে ধিক্কার জানাই।”

    আরও পড়ুনঃকুলপিতে সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে তৃণমূল বিধায়ক ও ব্লক সভাপতির মধ্যে প্রকাশ্যে কাজিয়া!

    পুর-প্রতিনিধির বক্তব্য

    বোলপুর (Bolpur) পুরসভার পুর-প্রতিনিধি এবং দলীয় কার্যালয়ের (Tmc party office) দায়িত্বে থাকা সুকান্ত হাজরা বলেছেন, “ইতিমধ্যেই আমরা দলীয় কার্যালয়ের উপর টিনের ছাউনি থেকে শুরু করে ভিতরের জিনিসপত্র সরাতে শুরু করে দিয়েছি। দোকান যখন ভাঙা পড়েছে, ঠিক এই পার্টি অফিসও ভাঙা পড়বে। বিরোধীদের উচিত রাজনীতি না করে অবৈধ দখলের বিরুদ্ধে আমাদের পাশে দাঁড়ানো।” আবার বোলপুরের পুরপ্রধান পর্ণা ঘোষ বলেছেন, “দলীয় পার্টি অফিস হোক বা অন্য নির্মাণ, যা কিছুই সরকারি জায়গা দখল করে থাকবে, সেটাই ভাঙা পড়বে। এখানে রাজনীতির কোনও যোগ নেই।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • South 24 Parganas: কুলপিতে সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে তৃণমূল বিধায়ক ও ব্লক সভাপতির মধ্যে প্রকাশ্যে কাজিয়া!

    South 24 Parganas: কুলপিতে সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে তৃণমূল বিধায়ক ও ব্লক সভাপতির মধ্যে প্রকাশ্যে কাজিয়া!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দক্ষিণ ২৪ পরগনায় (South 24 Parganas) একটি সংবর্ধনাকে কেন্দ্র করে তৃণমূলের গোষ্ঠী কোন্দল ফের প্রকাশ্যে এসেছে। কুলপিতে প্রকাশ্য সংবর্ধনা সভায় বিধায়ক ও ব্লক তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতির কাজিয়া প্রকাশ্যে এসেছে। ঘটনায় ব্যাপক শোরগোল পড়েছে এলাকায়। উল্লেখ্য পঞ্চায়েত নির্বাচন এবং লোকসভা নির্বাচনের আগেও একাধিক বার মাদার বনাম যুব তৃণমূলের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে।

    দলের শৃঙ্খলা নিয়ে দ্বন্দ্ব (South 24 Parganas)!

    কুলপিতে মথুরাপুর (South 24 Parganas) লোকসভা কেন্দ্রের সাংসদের সংবর্ধনা সভায় তৃণমূল বিধায়ক ও ব্লক সভাপতির গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব প্রকাশ্যে এসেছে। বৃহস্পতিবার দিন কুলপির পথের সাথী গেস্ট হাউসে নবনির্বাচিত সাংসদ বাপি হালদারের সংবর্ধনা সভা আয়োজন করা হয়। একদিকে যখন বিধায়ক দলের শৃঙ্খলা ও সাম্প্রদায়িকতা নিয়ে ব্লক সভাপতির নাম না করেই একাধিক বক্তব্য রাখলেন, ঠিক উল্টোদিকে ব্লক সভাপতিও বিধায়কের নাম না করে দলের শৃঙ্খলা নিয়ে পাল্টা প্রশ্ন তুললেন। ফলে উভয়ের দ্বন্দ্ব প্রকাশ্যে।

    তৃণমূল বিধায়কর বক্তব্য

    কুলপি (South 24 Parganas) বিধানসভার বিধায়ক যোগরঞ্জন হালদার বলেছেন, “দলের মধ্যে থেকে কেউ কেউ আমার বিরুদ্ধে সাম্প্রদায়িকতার তকমা লাগাচ্ছে। আমি যদি সাম্প্রদায়িক হতাম তাহলে চারবারের বিধায়ক হতে পারতাম না। মানুষ সব জানে আমি তাঁদের জন্য কী করেছি। দল থাকলে তবেই কর্মীরা থাকবে, দলের মধ্যে থাকলে শৃঙ্খলা মেনে চলতে হবে সকলকে।” কিন্তু সাংবাদিকরা প্রশ্ন করলে বিধায়ক বলেন, “এখানে তৃণমূলের কোন গোষ্ঠীদ্বন্দ নেই, তবে সম্প্রদায়িকতার বিষয়ে কেউ কেউ অপপ্রচার করে করছেন।”

    তৃণমূল ব্লক সভাপতির বক্তব্য

    অন্যদিকে কুলপি (South 24 Parganas) বিধানসভার ব্লক তৃণমূল কংগ্রেসের (TMC) সভাপতি সুপ্রিয় হালদার, বিধায়কের নাম না করে দলের সাংসদের সামনেই বলেন, “দলের মধ্যে থেকে পঞ্চায়েত নির্বাচন, বিধানসভা নির্বাচন ও লোকসভা নির্বাচনকে কেউ যদি আলাদা আলাদা করে গুরুত্ব দিয়ে দেখেন, তা হলে মানা হবে না। কোনও ব্যক্তির জন্য যদি অপর কোনও ব্যক্তির সম্মানহানি হয়, সেই বিষয়টিও বিধায়ক ও সাংসদকে গুরুত্ব দিয়ে দেখতে হবে। এলাকায় শান্তি শৃঙ্খলা রক্ষা কমিটি গঠন করা একান্ত প্রয়োজন।” দ্বন্দ্ব নিয়ে সাংবাদিকরা প্রশ্ন করলে তিনি আরও বলেন, “যাঁরা দলের মধ্যে থেকে ভুল কাজ করছে সেই বিষয়টি আমি বিধায়কের কাছে তুলে ধরতে চেয়েছি। অন্যদিকে দল যাঁকেই টিকিট দিক না কেন, দলের মধ্যে থেকে শৃঙ্খলা পরায়ণ হয়ে কাজ করা উচিত তাঁর।”

    তৃণমূল সাংসদের বক্তব্য

    তবে এই বিষয়ে মথুরাপুর (South 24 Parganas) লোকসভা কেন্দ্রের সাংসদ বাপি হালদার বলেছেন, “দল বড় হলে তার মধ্যে সমস্যা থাকতে পারে, তবে তা নিজেদের মধ্যে মিটিয়ে নিতে হবে। অন্যদিকে যাঁরা দলের মধ্যে থেকে বিজেপির হয়ে ভোট করিয়েছেন, তাঁদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেবে দল।”

    আরও পড়ুনঃ চোপড়াকাণ্ডে সিবিআই তদন্তের দাবি জানালেন শুভেন্দু

    বিজেপির বক্তব্য

    তবে এই বিষয়ে কটাক্ষ করতে ছাড়েনি বিজেপি। কুলপি (South 24 Parganas) ব্লকের শ্রমিক ইউনিয়নের বিজেপি সভাপতি স্বপন হালদার বলেছেন, “বিধায়ক ও ব্লক সভাপতির মধ্যে লেনদেনের ভাগ-বাটোয়ারা ঠিকঠাক না হওয়ার জন্যই এই ঘটনা ঘটছে। তৃণমূল কংগ্রেস (TMC) সর্বোচ্চ তোলাবাজের দল। আর সেখানে বিধায়ক বেশি খাবে, নাকি ব্লক সভাপতি বেশি খাবে তা নিয়েই এই দ্বন্দ্ব।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Air Pollution: ভারতের বড় শহরগুলিতে ৭ শতাংশ মৃত্যুর কারণ বায়ুদূষণ! গবেষণায় উঠে এল বিরাট তথ্য

    Air Pollution: ভারতের বড় শহরগুলিতে ৭ শতাংশ মৃত্যুর কারণ বায়ুদূষণ! গবেষণায় উঠে এল বিরাট তথ্য

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গবেষণায় উঠে এল বিরাট তথ্য। দূষণের (Air Pollution) কারণে প্রতি বছর ভারতে মৃত্যু হচ্ছে ৩৩ হাজার মানুষের। সম্প্রতি ‘দ্য ল্যানসেট প্ল্যানেটারি হেলথ জার্নাল’-এ প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে দূষণ সংক্রান্ত সমীক্ষার রিপোর্টে এমনই উদ্বেগজনক তথ্য উঠে এসেছে। জানা গিয়েছে, কলকাতা সহ ভারতের বড় বড় ১০টি শহরে (Indian Cities) প্রতি বছর বায়ুদূষণের বলি হচ্ছেন হাজার হাজার মানুষ। তাই দূষিত বায়ুর (Air Pollution) বিপদ থেকে নাগরিকদের বাঁচানোর জন্য অবশ্যই হু-র দেওয়া নির্দেশিকা মেনে চলা উচিত ভারতের, এমনটাই জানানো হয়েছে ওই প্রতিবেদনে। গবেষণাটি সাসটেইনেবল ফিউচার কোলাবোরেটিভ, অশোকা ইউনিভার্সিটি, সেন্টার ফর ক্রনিক ডিজিজ কন্ট্রোল, সুইডেনের ক্যারোলিনস্কা ইনস্টিটিউট, হার্ভার্ড এবং বোস্টন বিশ্ববিদ্যালয় এবং অন্যান্য গবেষকদের দ্বারা পরিচালিত হয়েছিল।

    ঠিক কী জানানো হয়েছে ওই প্রতিবেদনে? 

    সমীক্ষায় দাবি করা হয়েছে, ভারতের বড় বড় ১০টি শহরে বায়ুদূষণের (Air Pollution) কারণে প্রতিবছর ৩৩ হাজার মানুষের মৃত্যু হয়। ওই ১০টি গুরুত্বপূর্ণ শহরে বায়ুদূষণের কারণে দৈনিক মৃত্যুর হার ৭ শতাংশেরও বেশি। এই শহরগুলির (Indian Cities) তালিকায় রয়েছে কলকাতা, আমেদাবাদ, ব্যাঙ্গালুরু, চেন্নাই, দিল্লি, হায়দরাবাদ, মুম্বই, পুণে, সিমলা, এবং বারাণসী। সমীক্ষায় দেখা গেছে, বায়ুদূষণের কারণে মৃত্যুর নিরিখে শীর্ষে রয়েছে ভারতের রাজধানী শহর দিল্লি, যেখানে প্রতি বছর ১২ হাজার মানুষের মৃত্যু ঘটে। এরপর দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে মুম্বই। এখানে মৃত্যু সংখ্যা ৫ হাজার ১০০। আর কলকাতায় সেই সংখ্যা ৪ হাজার ৭০০। অন্যদিকে,  চেন্নাইয়ে বায়ুদূষণের কারণে বছরে ২ হাজার ৯০০ জন মানুষ মারা যান। বেঙ্গালুরুতে সেই সংখ্যা ২ হাজার ১০০ এবং বারাণসীতে ৮৩০। মৃত্যুর নিরিখে তালিকায় সবচেয়ে নিচে রয়েছে সিমলা, যেখানে বছরে বায়ুদূষণের কারণে মৃত্যুর সংখ্যা সবচেয়ে কম, মাত্র ৫৯।  

    আরও পড়ুন: শিবের মাথায় জল দেবেন ভক্তরা, কানওয়ার যাত্রার রাস্তায় মাংস বিক্রি বন্ধ করলেন যোগী

    এর থেকে বাঁচার উপায় কী? (Air Pollution) 

    এ প্রসঙ্গে হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্যতম সহ-লেখক জোয়েল শোয়ার্টজ এক বিবৃতিতে বলেছেন, ”এই মুহূর্তে দাঁড়িয়ে ভারতের যা পরিস্থিতি সেখানে বায়ুদূষণ নিয়ন্ত্রণই একমাত্র পথ। একমাত্র বায়ুদূষণ নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমেই প্রতি বছর কয়েক হাজার জীবন বাঁচাতে পারে। অন্যান্য দেশে যেভাবে দূষণ নিয়ন্ত্রণ হয়, সে সব পদ্ধতিগুলি ভারতে জরুরীভাবে প্রয়োগ করা প্রয়োজন।” বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ‘হু’ জানিয়েছে যে, পৃথিবীতে প্রায় সকলেই বায়ুদূষণের (Air Pollution) প্রস্তাবিত পরিমাণের চেয়ে বেশি পরিমাণে দূষিত বায়ু গ্রহণ করে, যা স্ট্রোক, হৃদরোগ, ফুসফুসের ক্যান্সার এবং অন্যান্য শ্বাসযন্ত্রের রোগের কারণ হয়ে দাঁড়ায়। আর এর ফলেই উত্তরোত্তর বৃদ্ধি পাচ্ছে মৃত্যুর হার। 
      

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  •  Assam-Manipur floods: অসম-মণিপুরের বন্যা পরিস্থিতি আরও সংকটজনক, মৃত বেড়ে ৪৮

     Assam-Manipur floods: অসম-মণিপুরের বন্যা পরিস্থিতি আরও সংকটজনক, মৃত বেড়ে ৪৮

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অসম ও মণিপুরের (Assam-Manipur floods) বন্যা পরিস্থিতি আরও সংকটজনক! লাগাতার ভারী বর্ষণে উত্তর-পূর্বের এই দুটি রাজ্যে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪৮। এই দুই রাজ্যে মানুষ প্রাণ যেমন হারিয়েছে, তেমনি বন্যায় ঘরবাড়ি, চাষের জমি এবং গবাদিপশুর ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার খবর পাওয়া গিয়েছে। হাজার হাজার মানুষকে ত্রাণ শিবিরে স্থানান্তরিত করা হয়েছে। ইতিমধ্যে সরকারের পক্ষ থেকে ত্রাণ এবং উদ্ধার কাজে নেমেছে প্রশাসন। 

    উত্তর-পূর্ব রাজ্যগুলিতে লাল সতর্কতা (Assam-Manipur floods)!

    অসমএবং মণিপুর (Assam-Manipur floods) উভয় রাজ্যের নানা জায়গায় ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টিপাত এখনও অব্যাহত রয়েছে। ভারতের আবহাওয়া দফতর (IMD) এই সপ্তাহে সমস্ত উত্তর-পূর্ব রাজ্যগুলির জন্য লাল সতর্কতা জারি করেছে৷ ইতিমধ্যে নৌকায় করে সেনাবাহিনী, অসম রাইফেলস, রাজ্য পুলিশ, মণিপুর ফায়ার সার্ভিস, এনডিআরএফ এবং এসডিআরএফ কর্মীরা সহ স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবকরা বন্যা-দুর্গত মানুষকে উদ্ধার করার পাশাপাশি প্যাকেটজাত পানীয় জলের বোতল এবং খাবার বিতরণ করছে।

    ১৬ লক্ষের বেশি মানুষ ক্ষতিগ্রস্থ!

    এখনও পর্যন্ত অসমে (Assam-Manipur floods) ৪৬ জন এবং মণিপুরে ২ জনের মৃত্যু হয়েছে। বুধবার অসমে বন্যায় ডুবে আটজনের মৃত্যু হয়েছে। অসমের সামগ্রিক বন্যা পরিস্থিতি এখনও সংকটজনক, কারণ ২৯টি জেলার ১৬.২৫ লাখেরও বেশি মানুষ বন্যার কবলে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ইতিমধ্যে, মণিপুরের ২০০০ জনেরও বেশি মানুষকে বন্যা কবলিত এলাকা থেকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। ২৮০০টি গ্রাম এখনও প্লাবিত হয়েছে এবং বন্যার জলে (Heavy Rain) ৩৯৪৫১.৫১ হেক্টর চাষের জমি প্লাবিত হয়ে রয়েছে। আসামে ৩.৮৬ লাখেরও বেশি মানুষকে, ২৪টি বন্যা কবলিত জেলায় প্রশাসনের দ্বারা নির্মিত ৫১৫টি ত্রাণ শিবির কেন্দ্রে আশ্রয় দেওয়া হয়েছে।

    আরও পড়ুনঃ হাথরস কাণ্ডে গ্রেফতার ৬, মধুকরকে ধরতে লাখ টাকার পুরষ্কার

    ইম্ফল নদীর বাঁধ ভেঙে গিয়েছে

    গত ২৪ ঘণ্টায় বন্যার জল (Heavy Rain) মণিপুর ও অসম (Assam-Manipur floods) উভয় রাজ্যে শতাধিক রাস্তা, কয়েক ডজন সেতু এবং হাজার হাজার ঘরবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত করেছে। ব্রহ্মপুত্র নদ ও এর উপনদীর জলের স্তর এই সপ্তাহে বিপদসীমা অতিক্রম করেছে, যার ফলে আশেপাশের এলাকায় ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞ চলছে। ইম্ফল নদীর পশ্চিমের সিংজামেই ওইনাম থিঙ্গেলে তার বাঁধ ভেঙ্গেছে। বৃষ্টির মধ্যে কংবা ইরং এবং ইম্ফল পূর্বের কেইরাওয়ের কিছু অংশে কংবা নদী বন্যার জলে ফুলে ফেঁপে উঠেছে। একই ভাবে উত্তর-পূর্ব রাজ্য যেমন মেঘালয় এবং অরুণাচল প্রদেশও ত্রাণ পাঠিয়ে দুর্গতদের পাশে দাঁড়িয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share