Tag: news in bengali

news in bengali

  • Lok Sabha Election 2024: বঙ্গে বাড়তে চলেছে বিজেপির আসন, ইঙ্গিত একাধিক বুথফেরত সমীক্ষায়

    Lok Sabha Election 2024: বঙ্গে বাড়তে চলেছে বিজেপির আসন, ইঙ্গিত একাধিক বুথফেরত সমীক্ষায়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পয়লা জুন, শনিবার শেষ হল অষ্টাদশ লোকসভা নির্বাচন। নির্বাচন হয়েছে ৫৪৩টি আসনে। এর মধ্যে রয়েছে পশ্চিমবঙ্গের ৪২টি আসনও। গত মার্চ মাসে নির্বাচনের (Lok Sabha Election 2024) নির্ঘণ্ট ঘোষণার পরে পরেই বিজেপি দাবি করেছিল, বাংলায় এবার আসন বাড়বে পদ্ম-পার্টির। বাংলায় যে এবার আরও বেশি কেন্দ্রে পদ্ম ফুটবে, সে ব্যাপারে আশাবাদী খোদ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিও।

    আইবি-র রিপোর্ট (Lok Sabha Election 2024)

    শেষ দফার নির্বাচনের আগে রাজ্যে প্রচারে এসে তিনি বলেছিলেন, “দেশের মধ্যে পারফরমেন্সে এগিয়ে বঙ্গ বিজেপি।” যদিও রাজ্যের শাসক দল তৃণমূলের দাবি, এবারও রাজ্যে ভালো করবে ঘাসফুল শিবির। ভোট কূশলী প্রশান্ত কিশোর অবশ্য দাবি করেছিলেন, বাংলায় এক নম্বর দল হবে বিজেপি। এদিকে, আইবি-র তরফে যে রিপোর্ট মুখ্যমন্ত্রীকে দেওয়া হয়েছে, সেখানেও বলা হয়েছে বিজেপি পেতে পারে ২৮-৩০টি আসন। তবে এ রাজ্যে ঠিক কারা এগিয়ে, পিছিয়েই বা কারা, কী বলছে এক্সিট পোল, আসুন (Lok Sabha Election 2024) জেনে নেওয়া যাক।

    কী বলছে সমীক্ষা?

    সি ভোটারের সমীক্ষায় প্রকাশ, বাংলায় বিজেপি পেতে পারে ২৩-২৭টি আসন, তৃণমূলের ঝুলিতে যেতে পারে ১৩-১৭টি আসন, বাম-কংগ্রেস পেতে পারে ১-৩টি আসন। ‘জন কি বাতে’র সমীক্ষা অনুযায়ী, গেরুয়া ঝুলিতে যেতে পারে ২১-২৬টি আসন, তৃণমূল পেতে পারে ১৬-১৮টি আসন, বাম-কংগ্রেস জোটের দখলে যেতে পারে ৩টি আসন। নিউজ ১৮ মেগা এক্সিট পোলের সমীক্ষায় পশ্চিমবঙ্গে বিজেপি পেতে পারে ২১-২৪টি আসন।

    আর পড়ুন: তৃতীয় বার মোদি সরকার, ক্ষমতায় ফিরছে বিজেপিই, বলছে এক্সিট পোল

    রিপাবলিক ম্যাট্রিজের সমীক্ষা অনুযায়ী, পদ্ম ফুটতে পারে ২১-২৫টি আসনে, আর ঘাসফুল মাথা তুলতে পারে ১৬-২০টি আসনে। রিপাবলিক পি এমএআরকিউয়ের সমীক্ষা বলছে, বিজেপি পেতে পারে ২২টি আসন, তৃণমূল ২০টি। ইন্ডিয়া নিউজ-ডি ডাইনামিক্সের সমীক্ষায় প্রকাশ, বিজেপি পাবে ২১টি আসন, তৃণমূলের ঝুলিতে ১৯টি। এনডিটিভি ইন্ডিয়া-জন কি বাতের দাবি, বিজেপি পাবে ২১-২৬টি আসন, তৃণমূল ১৬-১৮টি। বিভিন্ন সমীক্ষা থেকে দেখা যাচ্ছে, এ রাজ্যে বিজেপি পেতে পারে ৪২.৫ শতাংশ ভোট, তৃণমূল পেতে পারে ৪১.৫ শতাংশ ভোট, বাম-কংগ্রেস জোট পেতে পারে ১৩.২ শতাংশ ভোট (Lok Sabha Election 2024)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Lok Sabha Election 2024: তৃতীয় বার মোদি সরকার, ক্ষমতায় ফিরছে বিজেপিই, বলছে এক্সিট পোল

    Lok Sabha Election 2024: তৃতীয় বার মোদি সরকার, ক্ষমতায় ফিরছে বিজেপিই, বলছে এক্সিট পোল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পয়লা জুন শেষ হল সপ্তম তথা শেষ দফার নির্বাচন। অষ্টাদশ লোকসভা নির্বাচনের (Lok Sabha Election 2024) ফল বের হবে ৪ জুন। স্বাভাবিকভাবেই দেশবাসীর উত্তেজনা তুঙ্গে। দিল্লির কুর্সিতে কারা, বিজেপি নাকি বিজেপি-বিরোধী ২৬টি রাজনৈতিক দলের জোট ‘ইন্ডি’? নির্বাচনের নির্ঘণ্ট ঘোষণার পর থেকে বিজেপির দাবি, পদ্ম-নেতৃত্বাধীন এনডিএ পাবে ৪০০টি আসন। আর ইন্ডিয়া ব্লকের দাবি, ক্ষমতায় আসবে তারাই। আসুন, দেখে নেওয়া যাক সমীক্ষকরা কী বলছেন।

    ক্ষমতায় আসছে এনডিএ (Lok Sabha Election 2024)

    রিপাবলিক ভারত ও ম্যাট্রিজের সমীক্ষা অনুযায়ী (Lok Sabha Election 2024) এনডিএ পেতে পারে ৩৫৩-৩৬৮টি আসন। ‘ইন্ডি’ জোট পেতে পারে ১৫৪টি কেন্দ্রের রাশ। বাকিদের ঝুলিতে যেতে পারে ৪৩-৪৮টি আসন। রিপাবলিক টিভি-পি মার্কের সমীক্ষা অনুযায়ী, এনডিএ পেতে পারে ৩৫৯টি আসন। ‘ইন্ডি’ জোট পেতে পারে ১৫৪টি আসন। ৩০টি আসন পেতে পারে অন্যরা। ম্যাট্রিজের বুথ ফেরত সমীক্ষা বলছে, এনডিএ পাবে ৩৫৩-৩৬৮টি আসন। ‘ইন্ডি’ জোটের দখলে যেতে পারে ১১৮-১৩৩টি আসনের রাশ।

    কী বলছে সমীক্ষা?

    ‘জন কি বাতে’র সমীক্ষায় প্রকাশ, এনডিএ পেতে পারে ৩৬২-৩৯২টি আসন। ‘ইন্ডি’ জোট পেতে পারে ১২৫টি আসন। অন্যদের হাতে যেতে পারে ৪৭টি আসনের রাশ। বিজেপির নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বাধীন এনডিএ-ই যে ফের বসতে চলেছেন দিল্লির মসনদে, তা জানিয়েছে এনডি টিভির সমীক্ষাও। তাদের দাবি, এনডিএ পাবে ৩৫০টি আসন। ‘ইন্ডিয়া’ ব্লকের দখলে যেতে পারে ১২৫-১৫০টি আসনের রাশ।

    সমীক্ষার ফল যা-ই বলুক না কেন, ক্ষমতায় আসার ব্যাপারে আশাবাদী ‘ইন্ডি’ জোট। এদিনই বৈঠক বসেছিল ‘ইন্ডি’ জোটের। এই বৈঠকে কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়্গে বলেন, “জোটের নেতাদের সঙ্গে কথা বলে যে তথ্য উঠে আসছে তাতে নিশ্চিতভাবে বলতে পারি ২৯৫টি আসন পেতে চলেছে ইন্ডি জোট। এর চেয়ে কম হবে না, বরং বেশিই হবে।” রিপাবলিক পিএমএআরকিউয়ের সমীক্ষায় প্রকাশ, বিজেপি নেতৃত্বাধীন এনডিএ পেতে পারে ৩৫৯টি, ‘ইন্ডি’ জোটের দখলে যেতে পারে ১৫৪টি, অন্যরা পেতে পারে ৩০টি আসন।

    আর পড়ুন: ৪৫ ঘণ্টা পর ধ্যান ভঙ্গ মোদির, ফিরলেন কন্যাকুমারী

    ইন্ডিয়া নিউজ-ডি ডাইনামিক্সের সমীক্ষায় দাবি, এনডিএ পাবে ৩৭১টি আসন, ‘ইন্ডি’ জোট পাবে ১২৫টি আসন, অন্যরা পাবে ৩০টি। স্কুল অফ পলিটিক্সের রিপোর্টে দাবি করা হয়েছে, এনডিএ পাবে ৩৬৭-৪০৩টি আসন। ‘ইন্ডি’ জোটের ঝুলিতে যেতে পারে ১২৯-১৬১টি আসন। অন্যরা পেতে পারে ৭-১৮টি আসন (Lok Sabha Election 2024)।

    দৈনিক ভাস্করের সমীক্ষা বলছে, এনডিএ পেতে পারে ২৮১-৩৫০টি আসন, ইন্ডি জোট পেতে পারে ১৪৫-২০১টি আসন। অন্যরা পেতে পারে ৩৩-৪৯টি আসন। টাইমস নাও-বুলস আইয়ের সমীক্ষায় প্রকাশ, এনডিএ পেতে পারে ৩৫৩-৩৬৮টি আসন, ইন্ডি জোট পেতে পারে ১১৮-১৩৩টি আসন, অন্যরা পেতে পারে ৪৩-৪৮টি আসন। নিউজ নেশনের সমীক্ষায় দাবি, এনডিএ পেতে পারে ৩৪০-৩৭৮টি আসন, ইন্ডি জোট পেতে পারে ১৫৩-১৬৯টি আসন, অন্যরা পেতে পারে ২১-২৩টি আসন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • POK: পাক অধিকৃত কাশ্মীর বিদেশি ভূখণ্ড, আদালতে কবুল পাক সরকারের

    POK: পাক অধিকৃত কাশ্মীর বিদেশি ভূখণ্ড, আদালতে কবুল পাক সরকারের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “কাশ্মীরের (POK) যে অংশ থেকে কাশ্মীরি কবি ও সাংবাদিক আহমেদ ফারহাদ শাহকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ, তা কাশ্মীরের অংশ নয়, বিদেশি ভূখণ্ড।” শুক্রবার ইসলামাবাদ আদালতে জমা দেওয়া হলফনামায় এ কথা কবুল করে নিলেন পাক সরকারের অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল।

    ভারতের দাবি (POK)

    পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী পদে রয়েছেন শাহবাজ শরিফ। তাঁর সরকারের অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেলের এহেন স্বীকারোক্তিতে যারপরনাই উল্লসিত ভারত। কারণ ভারত বরাবরই দাবি করে আসছে, পাক অধিকৃত কাশ্মীর ভারতেরই অবিচ্ছেদ্য অঙ্গ। জোর করে দখল করে রেখেছে পাকিস্তান। এদিন শরিফ সরকারের অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেলের এহেন স্বীকারোক্তিতে আদতে ভারতের দাবিই মান্যতা পেল বলে ধারণা কূটনৈতিক মহলের।

    পাক আদালতের প্রশ্ন

    ১৯৪৭ সালের ১৫ অগাস্ট স্বাধীন হয় ভারত (POK)। তখনও রাজন্যশাসিত রাজ্য ছিল জম্মু-কাশ্মীর। রাজা হরি সিংহ। স্বাধীনতা লাভের পর জম্মু-কাশ্মীরের একাংশ জোর করে দখল করে নিয়েছিল পাকিস্তান। পরে কাশ্মীরের ভারতভুক্তিতে সায় দেন হরি সিংহ। এর পরেই পাক সেনার দখল করা ভূখণ্ডের একটা অংশ দখলমুক্ত করে ভারতীয় সেনা। পাকিস্তানের দখলে থেকে যায় বাকি অংশটা। এই অংশই ভারতে পাক অধিকৃত কাশ্মীর নামে পরিচিত। এই অংশেই বাস করেন স্বাধীনতাপন্থী সাংবাদিক তথা কবি ফারহাদ।

    গ্রেফতারির পর ফারহাদকে আদালতে হাজির করানোর নির্দেশ দেয় ইসালামাবাদ হাইকোর্ট। সেখানেই সরকারের তরফে যুক্তি দেওয়া হয়, পাক অধিকৃত কাশ্মীর যেহেতু বিদেশি ভূখণ্ড, তাই ফারহাদকে হাজির করানো যাবে না ইসালামাবাদ হাইকোর্টে। এর পরেই মোক্ষম প্রশ্নটি ছুড়ে দেয় আদালত, “যদি সেটি বিদেশি ভূখণ্ডই হবে তবে কোন অধিকারে সেখানে প্রবেশ করে শিবির তৈরি করে পাক সেনা ও রেঞ্জার্স বাহিনী? কোন অধিকারে গ্রেফতার করে বিদেশি নাগরিককে?”

    আর পড়ুন: সন্দেশখালিতে ভোট লুট করল তৃণমূল! ভাঙচুর করা হল বাইক, রক্ত ঝরল বিজেপি নেতা-কর্মীর

    গত ১৪ মে রাওয়ালপিণ্ডি থেকে নিখোঁজ হয়ে যান ফারহাদ। তাঁকে অপহরণ করা হয়েছে বলে অভিযোগ। পরের দিন ইসলামাবাদ হাইকোর্টে মামলা দায়ের করেন ফারহাদের স্ত্রী উরুজ জাইনাব। বুধবার অ্যাটর্নি জেনারেল মনসুর উসমা আওয়া ফারহাদের গ্রেফতারির খবর জানান। তিনি এও জানান, পাক অধিকৃত কাশ্মীরের পুলিশের হেফজতেই রয়েছেন ওই সাংবাদিক (POK)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Mithun Chakraborty: ‘‘আমি বিজেপির ক্যাডার, লিডার নই’’, ৪০ মিনিট লাইনে দাঁড়িয়ে ভোট দিলেন ‘মহাগুরু’

    Mithun Chakraborty: ‘‘আমি বিজেপির ক্যাডার, লিডার নই’’, ৪০ মিনিট লাইনে দাঁড়িয়ে ভোট দিলেন ‘মহাগুরু’

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “এবার ছবির কথা বলব। রাজনীতির কথা বলব না।” পয়লা জুন, লোকসভা নির্বাচনের শেষ দফায় ভোটাধিকার প্রয়োগ করার পর কথাগুলি বললেন অভিনেতা কাম রাজনীতিক বিজেপি নেতা মিঠুন চক্রবর্তী (Mithun Chakraborty)। তিনি বলেন,  ‘‘আমি বিজেপির ক্যাডার, লিডার নই”।

    ভোটের লাইনে মিঠুন

    বেলগাছিয়ার ২৪৮ নম্বর বুথের ভোটার মিঠুন। সকালেই চলে যান বুথে। লাইনে দাঁড়িয়ে পড়েন আর পাঁচজন সাধারণ মানুষের মতো। ঠায় চল্লিশ মিনিট লাইনে দাঁড়িয়ে ভোট দিলেন ‘অন্যায় অবিচারে’র নায়ক। যদিও তাঁকে এগিয়ে গিয়ে আগে ভোট দিয়ে দেওয়ার অনুরোধ করেছিলেন লাইনে দাঁড়ানো বেশ কয়েকজন ভোটার। তবে এই সুযোগ নিতে রাজি হননি এই অভিনেতা-রাজানীতিক। এদিকে, রূপোলি পর্দার ‘মহাগুরু’কে হাতের কাছে পেয়ে যথারীতি এল সেলফি তোলার আবেদন। মিঠুন তাতে রাজি হলে বাধ সাধেন তিন নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর, তৃণমূলের দেবিকা চক্রবর্তী। তাঁর অভিযোগ, ভোটারদের প্রভাবিত করছেন মিঠুন। ততক্ষণাৎ অভিনেতা-কাম রাজনীতিক (Mithun Chakraborty) বলেন, “আমি লাইনে দাঁড়িয়ে ভোট দিয়েছি। এই বিষয়ে আমি কিছু বলব না। আমি কাউকে চিনি না।”

    কী বললেন অভিনেতা-রাজনীতিক?

    এর পরেই বিজেপির এই তারকা নেতা বলেন, “নির্বাচনের ডিউটি ছিল ৩০ মে পর্যন্ত। দলের নির্দেশ ছিল। আমি পূরণ করেছি। এবার আমার কাজ হল পেশাগত জীবনে চলে যাওয়া। শনিবার থেকে আমি আমার পেশাগত জীবনে ঢুকছি। এদিন থেকেই আমি ছবির কাজ করব।” পদ্ম শিবিরের এই তারকা রাজনীতিক বলেন, “আমি কোনও সময় দুটো কাজ এক সঙ্গে করি না। তাই এবার থেকে ছবির কথা বলব, রাজনীতির কথা নয়।”

    আর পড়ুন: শেষ দফা ভোটে অশান্ত ভাঙড়, জয়নগর, আক্রান্ত বিজেপি, জলে ফেলা হল ইভিএম

    একুশের বিধানসভা নির্বাচনের আগে বিজেপি আয়োজিত ব্রিগেডের জনসভায় ধুতি-পাঞ্জাবি পরিহিত মিঠুন হাতে তুলে নিয়েছিলেন গেরুয়া ঝান্ডা। তার আগে তিনি ছিলেন তৃণমূলের রাজ্যসভার সাংসদ। পদ্ম-পার্টিতে যোগ দিয়েই জোর কদমে জনসভা করতে শুরু করেন মিঠুন। বিজেপি সূত্রে খবর, সেই সময় এক এক দিনে মিঠুন সভা করেছিলেন চার-পাঁচটি করে। অষ্টাদশ লোকসভা নির্বাচনেও রাজ্যে সভা-সমাবেশ-মিছিল এবং রোড-শো করেছেন মিঠুন। তবে বিধানসভা নির্বাচনের তুলনায় কম। গেরুয়া শিবির সূত্রে খবর, শারীরিক অসুস্থতার কারণেই এবার তুলনামূলকভাবে কম সভা করেছেন মিঠুন (Mithun Chakraborty)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

     
     
  • TMC: নির্বাচনী প্রচারে ৫২১ বার কপ্টার ব্যবহার করেছে তৃণমূল!

    TMC: নির্বাচনী প্রচারে ৫২১ বার কপ্টার ব্যবহার করেছে তৃণমূল!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তিনি মা-মাটি-মানুষের নেত্রী! থাকেন টালির চালের বাড়িতে। তৃণমূল নেত্রীর এই ছবি দেখিয়েই ঘাসফুল প্রতীককে গরিবের দল বলে দিব্যি চালিয়ে যাচ্ছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দল (TMC)! অথচ অষ্টাদশ লোকসভা নির্বাচনে এই দলই সব চেয়ে বেশি হেলিকপ্টার ব্যবহার করেছে বলে খবর।

    কপ্টার ব্যবহারে এগিয়ে তৃণমূল (TMC)

    নির্বাচন কমিশন সূত্রে খবর, চলতি নির্বাচনে বাংলায় নির্বাচনী প্রচারে তৃণমূল হেলিকপ্টার ব্যবহার করেছে ৫২১বার। আর রাজ্যে তার বিরোধী দল বিজেপি ব্যবহার করেছে মাত্রই ১২৪ বার। কংগ্রেস ব্যবহার করেছে দু’বার। নির্দল প্রার্থীরা কপ্টার ব্যবহার করেছেন কংগ্রেসের মতোই, দু’বার। বাংলায় একবারও কপ্টার ব্যবহার করেনি বামেরা। একটা আঞ্চলিক দল(তৃণমূল অবশ্য দাবি করে তারা সর্বভারতীয় দল। তবে সর্বভারতীয় দল হতে গেলে যে মানদণ্ডের চৌকাঠ পেরতে হয়, তা পেরতে পারেনি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দল।) তৃণমূলের (TMC) কপ্টার ব্যবহারের বহর দেখে চক্ষু চড়কগাছ রাজনৈতিক মহলের।

    রাজ্যে প্রচারে রেকর্ড 

    কমিশন সূত্রে খবর, ৬৭৬ বার কপ্টার ব্যবহারের অনুমতি চেয়েছিল তৃণমূল। তবে এতবার অনুমতি দেওয়া হয়নি। কপ্টার ব্যবহারের অনুমতি দেওয়া হয়েছে ৫২১ বার। গত ১৬ মার্চ অষ্টাদশ লোকসভা নির্বাচনের নির্ঘণ্ট ঘোষণা করেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার রাজীব কুমার। নির্বাচন হচ্ছে সাত দফায়। পয়লা জুন সপ্তম দফার নির্বাচন। ৩০ মে ছিল প্রচারের শেষ দিন। পঁচাত্তর দিন ধরে চলা নির্বাচনী প্রচারেও এগিয়ে বাংলা। কমিশন সূত্রে খবর, এই পঁচাত্তর দিনে বাংলায় সব মিলিয়ে প্রায় এক লাখ সভা, মিছিল হয়েছে। দেশে যা নজিরবিহীন। কমিশন সূত্রে খবর, দেশের কোথাও আর এত সভা-সমাবেশ-মিছিল হয়নি।

    আর পড়ুন: শেষ দফা ভোটে অশান্ত ভাঙড়, জয়নগর, আক্রান্ত বিজেপি, জলে ফেলা হল ইভিএম

    জানা গিয়েছে, বাংলায় কর্মসূচি করতে চেয়ে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের তরফে আবেদন জমা পড়েছিল ১৯ হাজার ২৭৬টি। এর মধ্যে অনুমতি দেওয়া হয়েছিল ৯৫ হাজার আবেদনের। এ রাজ্যে সব চেয়ে বেশি প্রচার হয়েছে পশ্চিম মেদিনীপুর জেলায়। সেখানে সভা-সমাবেশ-মিছিল হয়েছে ১০ হাজার ৬৮৮টি। এই তালিকায় পশ্চিম মেদিনীপুরের পরেই রয়েছে উত্তর ২৪ পরগনা জেলা। অন্যান্য জেলায় সভা-সমাবেশ-মিছিল হয়েছে তুলনায় কম (TMC)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

  • CAPF: ভোট-হিংসায় রাশ টানতে ফলাফলের পরেও রাজ্যে মোতায়েন থাকবে বাহিনী, জানাল কমিশন

    CAPF: ভোট-হিংসায় রাশ টানতে ফলাফলের পরেও রাজ্যে মোতায়েন থাকবে বাহিনী, জানাল কমিশন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভোট পরবর্তী হিংসার জন্য গোটা দেশে খ্যাতি রয়েছে বাংলার! বিরোধীদের এহেন অভিযোগ দীর্ঘদিনের। সেই হিংসা ঠেকাতে রাজ্যে মোতায়েন থাকবে ৪০০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী (CAPF)। নির্বাচন কমিশনের তরফে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, পশ্চিমবঙ্গে বাহিনী থাকবে ৬ জুন পর্যন্ত। প্রসঙ্গত, অষ্টাদশ লোকসভা নির্বাচনে ফল বের হবে ৪ জুন।

    রাজ্য চলছে শেষ দফার নির্বাচন (CAPF)

    পয়লা জুন, শনিবার লোকসভা নির্বাচন হচ্ছে দেশের বিভিন্ন আসনে। রাজ্যের ৯টি আসনেও চলছে নির্বাচন। ১৭ হাজার ৪৭০টি বুথে চলছে ভোটগ্রহণ। এর মধ্যে স্পর্শকাতর বুথ রয়েছে ৩ হাজার ৭৪৮টি। কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন থাকছে ৯৬৭ কোম্পানি। ৩৩ হাজার ২৯২ জন রাজ্য পুলিশ কর্মীও মোতায়েন করা হয়েছে নির্বাচনে (CAPF)। কমিশন জানিয়েছে, সপ্তম তথা শেষ দফায় সাধারণ পর্যবেক্ষক রয়েছেন ১০জন। পুলিশ পর্যবেক্ষক ৫জন। খরচ সংক্রান্ত পর্যবেক্ষকের সংখ্যা ১১ জন। বৃহস্পতিবার পর্যন্ত কমিশনে জমা পড়েছে ৪০ হাজার ৪৬২টি অভিযোগ। এর মধ্যে ৩৫ হাজার ৯৮৬টি অভিযোগের ব্যবস্থা নিয়েছে কমিশন।

    বিধানসভা নির্বাচনে হিংসা

    একুশের বিধানসভা নির্বাচনের স্মৃতি এখনও ফিকে হয়ে যায়নি। সেই নির্বাচনে বাংলার বিভিন্ন পকেটে হিংসার ঘটনা ঘটেছিল। ভোট মিটে যাওয়ার পরেও বিরোধীদের ওপর অত্যাচার হয়েছিল বলে অভিযোগ করেছিলেন বিরোধীরা। এনিয়ে কলকাতা হাইকোর্টে মামলাও দায়ের হয়েছিল। অষ্টাদশ লোকসভা নির্বাচনেও ভোট হয়ে যাওয়ার পর কয়েকটি কেন্দ্রে অশান্তি হয়েছে বলে জেনেছে কমিশন। রাজনৈতিক মহলের মতে, তার পরেই ভোটের ফল বেরনোর দু’দিন পর পর্যন্ত রাজ্যে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কমিশন।

    আর পড়ুন: “পুলিশ গ্রিন করিডর করে টাকা এনেছে”, তৃণমূলের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক বিজেপি প্রার্থী

    কমিশন সূত্রে জানা গিয়েছে, রাজ্যে যে ৪০০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী থাকবে, তার মধ্যে সিআরপিএফ-ই ১১৫ কোম্পানি, বিএসএফ ১১৮ কোম্পানি, সিআইএসএফ ৭১ কোম্পানি, আইটিবিপি ৩৬ কোম্পানি, এসএসবি ৬০ কোম্পানি। এদিকে, শেষ দফার নির্বাচনে ওয়েবকাস্টিংয়ের ওপর আরও বেশি করে জোর দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। ভোটগ্রহণ পর্বে ক্যামেরা নিয়ে কোনও গাফিলতি বরদাস্ত করা হবে না বলেও প্রিসাইডিং অফিসারদের সাফ জানিয়ে দেওয়া হয়েছে কমিশনের তরফে (CAPF)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Malda: ডাইনি সন্দেহে দুই কানে শিক ঢুকিয়ে অর্ধনগ্ন করে নির্যাতন মহিলাকে, অভিযুক্ত তৃণমূল

    Malda: ডাইনি সন্দেহে দুই কানে শিক ঢুকিয়ে অর্ধনগ্ন করে নির্যাতন মহিলাকে, অভিযুক্ত তৃণমূল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গ্রামের পঞ্চায়েত সদস্যার দীর্ঘদিন ধরেই শরীর খারাপ। নানা প্রকার ওষুধ খেয়েও কোনও রকম ভালো হওয়ার লক্ষণ দেখা যাচ্ছিল না। তাই সন্দেহ হয় গ্রামেরই এক মহিলার ওপর। সমস্ত রাগ গিয়ে পরে ওঁই মহিলার ওপর। গুজব রটে যায় এই মহিলা নাকি ডাইনি! এরপর শুরু হয় ব্যাপক অত্যাচার। মহিলার দুই কানে লোহার শিক ঢুকিয়ে অর্ধনগ্ন করে ব্যাপক নির্যাতন করা হয়। ঘটনায় কাঠগড়ায় তোলা হয়েছে তৃণমূলের এই পঞ্চায়েত সদস্যা এবং তাঁর স্বামীকে। ঘটনা ঘটেছে মালদায় (Malda)।

    পুলিশ সূত্রে খবর (Malda)

    ঘটনা সম্পর্কে স্থানীয় পুলিশ জানিয়েছে, মালদার (Malda) এই তৃণমূল পঞ্চায়েত সদস্যা অনেক দিন ধরে অসুস্থ। কিন্তু এই অসুস্থতার সন্দেহে দায়ী করা হয় ওই নির্যাতিতা মহিলাকে। এরপর কিছু তৃণমূল কর্মীরা মহিলাকে পাশের গ্রামের এক তান্ত্রিকের কাছে নিয়ে যায়। সেই সঙ্গে নিয়ে যাওয়া হয় প্রতিবেশী আরও এক মহিলাকে। এরপর তান্ত্রিক অনেক সময় ধরে তুকতাক করে নির্যাতিতা মহিলার দুই কানে শিক ঢুকিয়ে দেয়। সেই সঙ্গে তাঁকে ডাইনি অপবাদ দেওয়া হয়। এরপর শুরু হয় তার ওপর ব্যাপক অত্যাচার, মারধর। বর্তমানে নির্যাতনের শিকার মহিলাকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। ইতিমধ্যে তান্ত্রিকসহ মোট ১৭ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে স্থানীয় (Malda) পুলিশের কাছে। কিন্তু পুলিশ এখনও পর্যন্ত কাউকে গ্রেফতার করেনি।

    নির্যাতিতার বক্তব্য

    নির্যাতনের শিকার ওই মহিলা (Malda) বলেছেন, “তৃণমূল পঞ্চায়েত সদস্যার স্বামী এবং দলের লোকজন আমাকে ব্যাপক মারধর করেছে। আমার গলা টিপে ধরে খুনের চেষ্টা করা হয়েছে। পাশের প্রতিবেশী বাঁচাতে গেলে আমাদের দুইজনকেই অর্ধনগ্ন করে মারধর করা হয়। মারে আমরা ব্যাপক আহত হয়েছি। আমি ন্যায় বিচার চাই।”

    আরও পড়ুনঃ ভোটের আগে আরও চাপে তৃণমূল, আরাবুল ঘনিষ্ঠ ইব্রাহিম মোল্লা গ্রেফতার

    বিজেপি-তৃণমূলের বক্তব্য

    এই বিষয়ে মালদার (Malda) বিজেপি বিধায়ক গোপাল চন্দ্র সাহা তৃণমূলকে আক্রমণ করে বলেছেন, “ঘটনায় তৃণমূল নেতা জড়িত রয়েছেন বলেই পুলিশ কাউকে গ্রেফতার না করে আড়াল করতে চাইছেন।” অপর দিকে তৃণমূলের পক্ষ থেকে অস্বীকার করা হয়েছে। তৃণমূলের অঞ্চল সভাপতি দিলীপ হেমব্রম বলেছেন, “এ ঘটনার সঙ্গে তৃণমূলের পঞ্চায়েত সদস্যা কোনও ভাবে জড়িত নন, যদি জড়িত থাকেন তাহলে দল তাঁর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Air Hostess Arrested: পায়ুদ্বার থেকে উদ্ধার তাল তাল সোনা! কেরল থেকে গ্রেফতার কলকাতার বিমানসেবিকা

    Air Hostess Arrested: পায়ুদ্বার থেকে উদ্ধার তাল তাল সোনা! কেরল থেকে গ্রেফতার কলকাতার বিমানসেবিকা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিমানসেবিকার পায়ুদ্বার থেকে উদ্ধার হল তাল তাল সোনা। দুই-পাঁচগ্রাম সোনা নয় উদ্ধার হল প্রায় এক কেজি সোনা। অভিযোগ, পায়ুদ্বারের মধ্যে লুকিয়ে সোনা পাচারের চেষ্টা করছিলেন কলকাতার বিমানসেবিকা (Air Hostess Arrested) সুরভি খাতুন। এর আগে যাত্রীদের বিরুদ্ধে একাধিকবার সোনা পাচারের অভিযোগ প্রকাশ্যে এসেছে। তবে এবার সোনা পাচারের অভিযোগ উঠল বিমানসেবিকার বিরুদ্ধে। কেরল (Kerala) থেকে গ্রেফতারির পর বিমানসেবিকাকে ম্যাজিস্ট্রেটের আদালতে পেশ করা হয়েছে। আপাতত ১৪ দিনের জেল হেফাজতে পাঠানো হয়েছে তাঁকে। বর্তমানে কান্নুরের মহিলা জেলে রয়েছেন তিনি।

    ঠিক কী ঘটেছিল? (Air Hostess Arrested)

    ভেবেছিলেন কেউ কিচ্ছুটি ঘুণাক্ষরেও টের পাবেন না। বিমান সংস্থার পোশাকে গটগট হেঁটে যাচ্ছিলেন। পেশায় বিমানসেবিকা হওয়ায় যাত্রীদের চেকিং হলেও তাঁকে কখনও এক মুহূর্তের জন্যও লাইনে দাঁড়াতে হয়নি। ভেবেছিলেন এটাই তো সুযোগ। তবে কপাল সঙ্গ দিলনা। দূর থেকে দেখে বোঝার উপায় না থাকলেও বিমানবন্দর আধিকারিক ও নিরাপত্তা কর্মীদের চোখ এড়িয়ে যেতে পারলেন না সুরভি। তল্লাশি চলল আলাদা ঘরে ডেকে। আর তাতে যা বেরিয়ে এল তা দেখে চোখ কপালে উঠল পুলিশ থেকে শুরু করে উপস্থিত সকলের। বিমানসেবিকার পায়ুদ্বার থেকে উদ্ধার হল ৯৬০ গ্রাম সোনা। 

    এ যেন সিনেমারই মতো

    এ ঘটনা যেন সিনেমারই মতো। সম্প্রতি মুক্তি পেয়েছিল বলিউডের ছবি ‘ক্রু’। করিনা কাপুর খান, তব্বু এবং কৃতী শ্যানন অভিনীত এই ছবিতে সোনা পাচারের ঘটনাকে তুলে ধরা হয়েছিল। ছবিতে করিনা, তব্বু, এবং কৃতী বিমানসেবিকার চরিত্রে অভিনয় করেছিলেন। ছবিতে দেখানো হয়েছে, যে বিমান সংস্থায় তাঁরা কাজ করছেন, সেটি দেউলিয়া হয়ে গিয়েছে। সেই বিমান সংস্থার মালিক সোনা পাচারে যুক্ত। রুজিরুটি চালাতে ওই তিন চরিত্র শেষে সোনা পাচারে যুক্ত হয়। তবে এয়ার ইন্ডিয়া এক্সপ্রেসের বিমান সেবিকা যেভাবে সোনা পাচার করেছেন, তার সঙ্গে ছবির সেভাবে কোনও মিল নেই। মিল একটাই যে, ছবিতে বিমানসেবিকারা সোনা পাচার করেছিলেন, আর এক্ষেত্রেও সোনা পাচারে নাম জড়াল বিমানসেবিকার।  

    আরও পড়ুন: মোদির ধ্যানকে কটাক্ষ করায় ইন্ডি-জোটকে ধুয়ে দিল বিজেপি, কী বলল?

    মাসকট থেকে কন্নুরে সোনা পাচারের চেষ্টা 

    জানা গিয়েছে, মাসকট থেকে কন্নুরে সোনা পাচারের চেষ্টা করা হচ্ছিল। গত ২৮ মে কোচি বিমানবন্দরে সাধারণ মানুষের ভিড়ে ছদ্মবেশে ছিলেন ডিআরআই আধিকারিকরা। তাঁদের কাছে খবর ছিল, সোনা পাচারের উদ্দেশ্য নিয়ে এক বিমানসেবিকা সেই বিমানবন্দরে নামবেন। এরপর সুরভিকে দেখেই সন্দেহ হয় তাঁদের। সোনা উদ্ধারের পর সঙ্গে সঙ্গেই তাঁকে গ্রেফতার (Air Hostess Arrested) করে পাঠানো হয় ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে। 

    তদন্ত শুরু পুলিশের 

    ডিআরআই আধিকারিকরা জানতে পেরেছেন, এটাই প্রথমবার নয় এর আগেও একাধিকবার এই বিমানসেবিকা সোনা পাচার (Air Hostess Arrested) করেছেন। তদন্তে জানা গিয়েছে, সুরভি কেরলের (Kerala) একটি সোনা পাচার গ্যাংয়ের সঙ্গে জড়িত। ঘটনার পরেই পুঙ্খানুপুঙ্খ তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Lok Sabha Election 2024: রাজ্যে চলছে সপ্তম দফার ভোটগ্রহণ, কোন কেন্দ্রে হেভিওয়েট প্রার্থী কারা?

    Lok Sabha Election 2024: রাজ্যে চলছে সপ্তম দফার ভোটগ্রহণ, কোন কেন্দ্রে হেভিওয়েট প্রার্থী কারা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আজ সপ্তম দফা লোকসভার (Lok Sabha Election 2024) ভোট গ্রহণ পর্ব। এই পর্বে রাজ্যে মোট ৯টি আসনে ভোট গ্রহণ করা হবে। এই কেন্দ্রগুলি হল উত্তর কলকাতা, দক্ষিণ কলকাতা, দমদম, বারাসত, ডায়মন্ড হারবার, মথুরাপুর, বসিরহাট, জয়নগর এবং যাদবপুর। কমিশন কড়া নির্দেশিকা দিয়েছে ওয়েব কাস্টিং নিয়ে। ভোট গ্রহণের সময় ওয়েব কাস্টিংয়ের ক্যামেরা বন্ধ হলে ভোট গ্রহণও বন্ধ হয়ে যাবে। প্রত্যেক কেন্দ্রে ব্যাপক মাত্রায় মোতায়েন করা হয়েছে কেন্দ্রীয় বাহিনী। 

    আসুন জেনে নিই কোন কেন্দ্রে প্রার্থী কারা (Lok Sabha Election 2024)

    উত্তর কলকাতা

    উত্তর কলকাতা কেন্দ্রে তৃণমূলের প্রার্থী (Lok Sabha Election 2024) হলেন তিনবারের সাংসদ সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়। ২০১৯ সালে শেষ লোকসভা নির্বাচনে একাই ৫০% ভোট পেয়েছিলেন সুদীপ। বিজেপির রাহুল সিনহা ৩৭% ভোট পান। বিজেপির এই বারের প্রার্থী তাপস রায়, এবং কংগ্রেস-বাম সমর্থিত প্রার্থী প্রদীপ ভট্টাচার্য।

    দক্ষিণ কলকাতা

    দক্ষিণ কলকাতা বিজেপির প্রার্থী হয়েছেন দেবশ্রী চৌধুরী। তৃণমূলের হেভিওয়েট প্রার্থী হলেন মালা রায়। ২০১৯ সালে এই কেন্দ্রের মোট ৫৬ ওয়ার্ডের মধ্যে বিজেপি ২৬টি ওয়ার্ডে এগিয়ে ছিল।

    দমদম

    দমদম কেন্দ্রে তৃণমূলের প্রার্থী হয়েছেন আগের বারের বিদায়ী সাংসদ সৌগত রায়। তিনি ২০০৯ সালে সিপিএম থেকে ছিনিয়ে নেন এই আসনটি। আবার বরানগর বিধানসভায় তৃণমূল প্রার্থী সায়ন্তিকা ব্যানার্জি। অপরে এই কেন্দ্রে বিজেপির পক্ষ থেকে লোকসভার (Lok Sabha Election 2024)  প্রার্থী শীলভদ্র দত্ত এবং বরানগর বিধানসভার বিজেপি প্রার্থী সজল ঘোষ।

    বারাসত

    বারাসত লোকসভা কেন্দ্রে তৃণমূলের প্রার্থী হয়েছেন কাকালি ঘোষ দস্তিদার। তিনি একই কেন্দ্রের টানা তিনবারের সাংসদ ছিলেন। বিজেপি প্রার্থী হয়েছেন স্বপন মজুমদার এবং বাম প্রার্থী সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়।

    ডায়মন্ড হারবার

    ডায়মন্ড হারবার কেন্দ্রের তৃণমূলের হেভিওয়েট প্রার্থী অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। ২০১৯ সালে ৭.৯০ লাখ ভোটে জায়ী হয়েছিলেন তিনি। অপর দিকে বিজেপি প্রার্থী হয়েছেন অভিজিৎ দাস ওরফে ববি। আবার বাম প্রার্থী প্রতীর উর রহমান।

    মথুরাপুর

    মথুরাপুর কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী হয়েছেন আশোক পুরকায়স্থ। অপরে তৃণমূল প্রার্থী হয়েছেন বাপি হালদার।

    বসিরহাট

    বসিরহাট লোকসভা কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী হয়েছেন প্রতিবাদী চরিত্র রেখা পাত্র, তৃণমূলের প্রার্থী হাজি নুরুল ইসলাম এবং সিপিএম প্রার্থী নীরাপদ সর্দার।

    জয়নগর

    জয়নগর লোকসভার বিজেপি প্রার্থী হয়েছেন প্রতিমা মণ্ডল। বিজেপ প্রার্থী হয়েছেন আশোক কাণ্ডারী।

    যাদবপুর

    যাদবপুর কেন্দ্রে তৃণমূল প্রার্থী হয়েছেন সায়নী ঘোষ, বিজেপির অনির্বাণ গাঙ্গুলি এবং সিপিএমের প্রার্থী সৃজন ভট্টাচার্য।

    আরও পড়ুনঃভোটের আগে আরও চাপে তৃণমূল, আরাবুল ঘনিষ্ঠ ইব্রাহিম মোল্লা গ্রেফতার

    কত বাহিনী এই পর্বে?

    সপ্তমদফার ভোট (Lok Sabha Election 2024) গ্রহণে রাজ্যে বাহিনী মোতায়েনে বিশেষ জোর দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। সবরকম অশান্তিকে আটকাতে মোট ৯৬৭ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। শুধু কলকাতাতেই মোতায়েন করা হয়েছে ২৪৬ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী। বারাসতে থাকছে ৮১ কোম্পানি, বারাকপুরে ৮১ কোম্পানি আর বারুইপুরে থাকছে ১৬০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী। অন্যদিকে বসিরহাটে ১১৬ কোম্পানি, ডায়মন্ডহারবারে ১১০ কোম্পানি, সুন্দরবনে ১১৪ কোম্পানি, বিধাননগরে ৫৯ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হচ্ছে। অবাদ নির্বাচন করাই কমিশনের প্রধান উদ্দেশ্য। আগামী ৪ তারিখ হবে ভোট গণনা।  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • BJP slams INDI Alliance: মোদির ধ্যানকে কটাক্ষ করায় ইন্ডি-জোটকে ধুয়ে দিল বিজেপি, কী বলল?

    BJP slams INDI Alliance: মোদির ধ্যানকে কটাক্ষ করায় ইন্ডি-জোটকে ধুয়ে দিল বিজেপি, কী বলল?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নির্বাচনী প্রচার শেষে কন্যাকুমারীর বিবেকানন্দ রকে ধ্যানে (PM Modi’s meditation) বসেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। আর সেই ঘটনাকে ইস্যু তৈরি করেছে কংগ্রেস এবং ইন্ডি-জোট। আর এবার কংগ্রেস এবং ইন্ডি-জোটের এই আচরণের নিন্দা (BJP slams INDI Alliance) করলেন বিজেপির মুখপাত্র শেহজাদ পুনাওয়ালা। এ প্রসঙ্গে শুক্রবার শেহজাদ পুনাওয়ালা বলেন, “কংগ্রেস এবং ইন্ডি-জোটের সমস্যাটা কি? প্রধানমন্ত্রী যদি কিছু বলেন, তাতে তাদের সমস্যা হয়। তিনি যদি কিছু না বলে ধ্যানের জন্য বিবেকানন্দ রক মেমোরিয়ালে যান, তাহলেও তাদের সমস্যা হয়।” 

    ইন্ডি-জোটের অভিযোগ 

    আসলে পশ্চিমবঙ্গ, বিহার, উত্তর প্রদেশসহ বিভিন্ন রাজ্যের ৫৭ আসনের ভোট রয়েছে আগামী ১ জুন। আর তার আগে লোকসভা ভোটের প্রচারপর্ব শেষ করে কন্যাকুমারীতে ধ্যানে (PM Modi’s meditation) বসেছেন প্রধানমন্ত্রী। যদিও বিরোধীরা মনে করছেন, ভেবেচিন্তেই মোদি ওই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন, যাতে শেষ পর্বের ভোট গ্রহণের সময়ও তিনি প্রচারের আলোয় থাকতে পারেন। কংগ্রেস মনে করছে, এটা হলে প্রধানমন্ত্রী অবশ্যই আদর্শ নির্বাচন আচরণবিধি ভঙ্গ করবেন (BJP slams INDI Alliance)। কারণ, নির্বাচন কমিশনের নিয়ম অনুযায়ী, ৩০ মে সন্ধ্যা থেকেই শুরু হচ্ছে নীরবতা পর্ব বা সাইলেন্স পিরিয়ড। ওই সময়টুকু দেওয়া হয় প্রচার শেষে ভোটাররা যাতে ভোটদান নিয়ে ভাবনাচিন্তা করে সিদ্ধান্ত নিতে পারেন। ইন্ডি জোটের দাবি,  মোদি ধ্যান বসলে দেশের সব টেলিভিশন তা নিয়ে হইচই করবে। প্রত্যক্ষ না হলেও সেটা হবে পরোক্ষ প্রচার। তাতে ভোটাররা প্রভাবিত হবেন। চিন্তা করার অবকাশ পাবেন না। উল্লেখ্য মোদি নিজেই এবারের পর্বে বারানসিতে প্রার্থী। সেখানকার ভোটও হবে শেষ দফায়। কাজেই প্রধানমন্ত্রী নির্বাচনী বিধি ভঙ্গের দায়ে অভিযুক্ত হবেন। 

    আরও পড়ুন: রাজ্যে আরও ২৮ জন বিজেপি নেতাকে ‘এক্স’ ক্যাটাগরির নিরাপত্তা! অনুমোদন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের

    পুনাওয়ালার মন্তব্য

    আর ইন্ডি-জোটের এই মন্তব্যের পরেই এদিন পুনাওয়ালা বলেন, “এটি বিরোধীদের হতাশা এবং “সনাতন বিরোধী” (BJP slams INDI Alliance) মানসিকতার পরিচয়। এই বিরোধীরা রাম মন্দিরেরও বিরোধিতা করেছিল, বলেছিল যে এখানে ভগবান রামের কোনও প্রাসঙ্গিকতা নেই।” পাশাপাশি এদিন তিনি আরও জানান যে, প্রধানমন্ত্রী কেবলমাত্র ধ্যানেই (PM Modi’s meditation) বসেছেন। না তো কোনও রাজনৈতিক প্রচার করছেন না তো জনসংযোগ করছেন। সুতরাং তাঁর এই ধ্যানে বসাকে কেন্দ্র করে ইন্ডি-জোটের দাবিগুলি স্পষ্টতই “সনাতন বিরোধী” মানসিকতার পরিচয়। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share