Tag: news in bengali

news in bengali

  • Ramakrishna 33: “এই জগতে বিদ্যামায়া অবিদ্যামায়া দুই-ই আছে, জ্ঞান-ভক্তি আছে, আবার কামিনী-কাঞ্চনও আছে”

    Ramakrishna 33: “এই জগতে বিদ্যামায়া অবিদ্যামায়া দুই-ই আছে, জ্ঞান-ভক্তি আছে, আবার কামিনী-কাঞ্চনও আছে”

    তৃতীয় পরিচ্ছেদ

    ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ(Ramakrishna)—জ্ঞানযোগ বা বেদান্ত বিচার

    বিদ্যাসাগর মহাপণ্ডিত। যখন সংস্কৃত কলেজে পড়িতেন, তখন নিজের শ্রেণীর সর্বোৎকৃষ্ট ছাত্র ছিলেন। প্রতি পরীক্ষায় প্রথম হইতেন এবং স্বর্ণপদকাদি (Medal) বা ছাত্রবৃত্তি পাইতেন। ক্রমে সংস্কৃত কলেজের প্রধান অধ্যাপক হইয়াছিলেন। তিনি সংস্কৃত ব্যাকরণ ও সংস্কৃত কাব্যে বিশেষ পারদর্শিতা লাভ করিয়াছিলেন। অধ্যবস্যায় গুণে চেষ্টা করিয়া ইংরেজি শিখিয়াছিলেন।

    ধর্ম-বিষয়ে বিদ্যাসাগর কাহাকেও শিক্ষা দিতেন না। তিনি দর্শনাদি গ্রন্থ পড়িয়াছিলেন। মাস্টার একদিন জিজ্ঞাসা করিয়াছিলেন, আপনার হিন্দুদর্শন কিরূপ লাগে? তিনি বলিয়াছিলেন, আমার তো বোধ হয়, ওরা যা বুঝাতে গেছে বুঝাতে পারে নাই। হিন্দুদের ন্যায় শ্রাদ্ধাদি ধর্মকর্ম সমস্ত করিতেন, গলায় উপবীত ধারণ করিতেন, বাঙলায় যে-সকল পত্র লিখিতেন, তাহাতে শ্রীশ্রীহরিশরনম ভগবানের এই বন্দনা আগে করিতেন।

    মাস্টার আর একদিন তাঁহার মুখে শুনিয়াছিলেন, তিনি ঈশ্বর সমন্ধে কিরূপ ভাবেন। বিদ্যাসাগর বলিয়াছেন, তাঁকে তো জানবার জো নাই! এখন কর্তব্য কি? আমার মতে কর্তব্য, আমাদের নিজের এরূপ হওয়া উচিত যে, সকলে যদি হয়, পৃথিবী স্বর্গ হয়ে পড়বে। প্রত্যেকের চেষ্টা করা উচিত যাতে জগতের মঙ্গল হয়।

    বিদ্যা ও অবিদ্যার কথা কহিতে কহিতে ঠাকুর ব্রহ্মজ্ঞানের কথা কহিতেছেন। বিদ্যাসাগর মহাপণ্ডিত। ষড় দর্শন পাঠ করিয়া দেখিয়াছেন, বুঝি ঈশ্বরের বিষয় কিছুই জানা যায় না।

    শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna)—ব্রহ্ম—বিদ্যা ও অবিদ্যার পার। তিনি মায়াতীত।

    এই জগতে (Ramakrishna) বিদ্যামায়া অবিদ্যামায়া দুই-ই আছে; জ্ঞান-ভক্তি আছে আবার কামিনী-কাঞ্চনও আছে, সৎও আছে, অসৎও আছে। ভালও আছে আবার মন্দও আছে। কিন্তু ব্রহ্ম নির্লুপ্ত।

    আরও পড়ুনঃ “বিদ্যাসাগরের অনেক গুণ…দয়া সর্বজীবে, বিদ্যাসাগর দয়ার সাগর”

    আরও পড়ুনঃ “দক্ষিণেশ্বরের পরমহংস সামান্য নহেন, এক্ষণে পৃথিবীর মধ্যে এত বড় লোক কেহ নাই”

    আরও পড়ুনঃ “দু-চারটা মাছ এমন সেয়ানা যে, কখনও জালে পড়ে না”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • West Bengal BJP leaders: আরও ২৮ রাজ্য বিজেপি নেতাকে ‘এক্স’ ক্যাটাগরির নিরাপত্তা, অনুমোদন কেন্দ্রের

    West Bengal BJP leaders: আরও ২৮ রাজ্য বিজেপি নেতাকে ‘এক্স’ ক্যাটাগরির নিরাপত্তা, অনুমোদন কেন্দ্রের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আগামী শনিবার ১ জুন রাজ্যে রয়েছে শেষ তথা সপ্তম দফার ভোট। বারাসত, দমদম, বসিরহাট, জয়নগর, মথুরাপুর, ডায়মন্ড হারবার, যাদবপুর, কলকাতা দক্ষিন ও কলকাতা উত্তর এই ৯ কেন্দ্রে ভোট রয়েছে শেষ দফায়। আর এরই মধ্যে পশ্চিমবঙ্গের আরও ২৮ জন বিজেপি নেতাকে (West Bengal BJP leaders) ‘এক্স’ ক্যাটাগরির নিরাপত্তা (‘X’ category security) দিচ্ছে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক। জানা গিয়েছে পশ্চিমবঙ্গের সন্দেশখালি, দুই ২৪ পরগণা, মেদিনীপুরের বিজেপি নেতা কর্মীদের এই নিরাপত্তা দেওয়া হয়েছে। লোকসভা নির্বাচনের দিনক্ষণ ঘোষণার পর থেকেই পশ্চিমবঙ্গে প্রায় ৫০ জনেরও বেশি বিজেপি নেতাদের কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক বিশেষ নিরাপত্তা দিচ্ছে। রাজ্যে বর্তমানে ১২৫ জনের থেকে বেশি বিজেপি নেতৃবৃন্দ এবং কর্মীকে কেন্দ্রের নিরাপত্তা দেওয়া হয়েছে বলে জানানো হয়েছে। 

    এক্স ক্যাটেগরি নিরাপত্তার আওতায় কারা? 

    উল্লেখ্য, এর আগে উত্তর কলকাতা লোকসভা কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী তাপস রায়কে এক্স ক্যাটেগরির নিরাপত্তা (‘X’ category security) দিয়েছিল কেন্দ্রীয় সরকার। কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা পেয়েছেন উত্তর কলকাতা বিজেপির জেলা সভাপতি তমোঘ্ন ঘোষও। এছাড়াও বসিরহাটের বিজেপি প্রার্থী রেখা পাত্রকে এক্স ক্যাটাগরির নিরাপত্তা দিয়েছে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক। আর এবার শেষ দফা ভোটের আগে রাজ্যের আরও ২৮ জন বিজেপি নেতা-কর্মীদের (West Bengal BJP leaders) এক্স ক্যাটেগরি সুরক্ষা প্রদানে অনুমোদন দিল স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক। 

    আরও পড়ুন: কয়লা কারবারের সঙ্গেও যুক্ত ‘সন্দেশখালির ত্রাস’? শাহজাহানের বিরুদ্ধে নতুন তথ্য ফাঁস ইডির

    প্রাণের ঝুঁকি এড়াতে নিরাপত্তা প্রদান

    যদিও আগে থেকেই বিজেপির সমস্ত সাংসদ, বিধায়ক ও রাজ্য স্তরের নেতাদের এক্স ক্যাটেগরির নিরাপত্তা (‘X’ category security) দেওয়া হয়েছে। লোকসভা নির্বাচন যত এগোচ্ছে, ততই বিভিন্ন জায়গা থেকে কমবেশি রাজনৈতিক উত্তেজনার খবর পাওয়া যাচ্ছে। আহত হয়েছেন বেশ কয়েকজন। ইতিমধ্যেই প্রথম ছয় দফার ভোট শেষ হয়েছে। বাকি আর এক দফা। এই পরিস্থিতিতে ভোটের আগে বিজেপি প্রার্থীদের (West Bengal BJP leaders) নতুন করে এই নিরাপত্তা প্রদানের বিষয়টি বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করা হচ্ছে। প্রত্যেকের প্রাণের ঝুঁকি ও তাঁদের উপর আক্রমণ আসতে পারে আশঙ্কা করে এই নিরাপত্তা দেওয়া হয়েছে বলে জানানো হয়েছে। 
     

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Sheikh Shahjahan: কয়লা কারবারের সঙ্গেও যুক্ত ‘সন্দেশখালির ত্রাস’? শাহজাহানের বিরুদ্ধে নতুন তথ্য ফাঁস ইডির

    Sheikh Shahjahan: কয়লা কারবারের সঙ্গেও যুক্ত ‘সন্দেশখালির ত্রাস’? শাহজাহানের বিরুদ্ধে নতুন তথ্য ফাঁস ইডির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আবারও সংবাদ শিরোনামে ‘সন্দেশখালির ত্রাস’ শেখ শাহজাহান (Sheikh Shahjahan)। বিঘার পর বিঘা জমি দখল করে মাছের ভেড়ি তৈরি, এলাকায় অত্যাচারের অভিযোগের পাশাপাশি এ বার শাহজাহানের নতুন কীর্তি প্রকাশ করল ইডি (ED)। কেন্দ্রীয় সংস্থার দাবি, শাহজাহান কয়লার কারবারের সঙ্গেও যুক্ত ছিলেন।

    কয়লার কারবারে শাহজাহান যোগ (Sheikh Shahjahan)

    ইডির তদন্তে জানা গিয়েছে, কয়লার কারবারে শাহজাহান যোগের প্রমাণ পেয়েছেন তদন্তকারীরা। শাহজাহান বেআইনি ভাবে কয়লা থেকেও তোলা আদায় করতেন বলে অভিযোগ। কয়লার জোগানে শাহজাহান এবং তাঁর দলবলকে টাকা দিতে হত। কর হিসাবেই ওই টাকা তাঁরা নিতেন বলে অভিযোগ। এছাড়াও শাহজাহান শেখ সাবিনা ফিশার সাপ্লায়ার, শেখ সাবিনা মাছের আড়তের মাধ্যমেও দুর্নীতি করেছেন বলে ইডির (ED) অভিযোগ। মার্কেট থেকে কমিশন এবং ভাড়া বাবদ টাকা তুলতেন তিনি। এ ছাড়াও অভিযোগের তালিকায় রয়েছে ইটভাটার দুর্নীতি। ইডির চার্জশিটেও তার উল্লেখ আছে বলে সূত্রের খবর। এ ছাড়া, জমি সংক্রান্ত যে কোনও লেনদেনের ক্ষেত্রেও শাহজাহানেরা টাকা তুলতেন বলে জানতে পেরেছে ইডি। সম্প্রতি এলাকায় তদন্তে গিয়ে শাহজাহান (Sheikh Shahjahan) ও তার সাগরেদদের আরও সম্পত্তির খবর জানতে পারে তদন্তকারীরা। এ ব্যাপারে তদন্তকারী সংস্থার কাছে কয়েকজন অভিযোগও জমা করেছিল। এবার তদন্তে নেমে সে বিষয়েই আদালতে চার্জশিট দাখিল করল ইডি (ED)।

    আরও পড়ুন: প্রাক বর্ষার বৃষ্টি শুরু রাজ্যে! শনিতে বৃষ্টির পূর্বাভাস জেলায় জেলায়

    শাহজাহানের বিরুদ্ধে অতিরিক্ত চার্জশিট দাখিল 

    বৃহস্পতিবার কলকাতার সিবিআই আদালতে ইডির তরফে নতুন করে অতিরিক্ত চার্জশিট দাখিল করা হল। ইডির দাবি, জমি-ভেড়ি দখল, জোর করে টাকা আদায়-সহ বিভিন্নভাবে সন্দেশখালিতে অপরাধের সাম্রাজ্য গড়ে তুলেছিল শাহজাহান, তার ভাই এসকে আলমগীর, শিব প্রসাদ হাজরা এবং দিদার বক্স মোল্লা। এর আগে গত ২৭ মে আদালতে জমা দেওয়া চার্জশিটে তদন্তকারী সংস্থা ইডি জানিয়েছিল, জমি দখল এবং তোলাবাজি করে প্রায় ২৬১ কোটি টাকার সম্পত্তি করেছেন শাহজাহান (Sheikh Shahjahan)। তবে এই সম্পত্তির পরিমাণ আরও বাড়তে পারে বলে তখনই জানিয়েছিলেন আধিকারিকরা। এদিন জমা দেওয়া অতিরিক্ত চার্জশিটে তদন্তকারী সংস্থার (ED) দাবি, শাহজাহান ও তাঁর সাঙ্গপাঙ্গোদের মোট সম্পত্তির পরিমাণ প্রায় ২৮৮.২০ কোটি টাকা। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Calcutta High Court: রেখা পাত্র এবং  আরও ৫ বিজেপি কর্মীকে স্বস্তি দিয়ে জামিনের নির্দেশ কলকাতা হাইকোর্টের

    Calcutta High Court: রেখা পাত্র এবং আরও ৫ বিজেপি কর্মীকে স্বস্তি দিয়ে জামিনের নির্দেশ কলকাতা হাইকোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আগামী ১ জুন  শনিবার সপ্তম দফা অর্থাৎ শেষ দফার নির্বাচন। গতকাল বৃহস্পতিবার শেষ হয়েছে লোকসভার নির্বাচনী শেষ প্রচার। ইতিমধ্যেই কলকাতা হাইকোর্টে (Calcutta High Court) বিরাট স্বস্তি পেলেন বসিরহাটের বিজেপি প্রার্থী রেখা পাত্র এবং ৫ বিজেপি কর্মী। গতকাল তাঁদের সকলকে জামিনের নির্দেশ দিয়েছে আদালত। উল্লেখ্য সন্দেশখালি নারী নির্যাতনের মূলচক্রী তৃণমূল নেতা শেখ শাহজাহানের বিরুদ্ধে অন্যতম প্রধান প্রতিবাদী চরিত্র ছিলেন রেখা পাত্র। তাঁকেই বসিরহাট লোকসভার প্রার্থী করে বিজেপি বিরাট চমক দিয়েছে।

    ৬ মে অস্ত্র নিয়ে আক্রমণ করেছিল তৃণমূল (Calcutta High Court)

    গত ফেব্রুয়ারি মাসের মাঝামাঝি থেকে সন্দেশখালিতে নারী নির্যাতনের বিরুদ্ধে ক্ষোভের আন্দোলন উত্তাল হয়ে উঠেছিল। কিন্তু লোকসভার মধ্যেই আরেকবার নতুন করে উত্তেজনা ছড়ায় সন্দেশখালিতে। গত ৬ মে অস্ত্র নিয়ে বিজেপি কর্মীদের উপর তৃণমূলের স্থানীয় নেতৃত্ব হামলা করেছিল। এই ঘটনায় পুলিশের কাছে অভিযোগ জানালেও কাউকে গ্রেফতার করেনি। প্রতিবাদে থানার সামনে বসে অবস্থান বিক্ষোভ করে বিজেপির কর্মীরা। এরপর এক অভিযুক্তের বাড়িতে ৪০-৫০ জন মিলে লাঠি নিয়ে আক্রমণ করে। এমনকী মারধরের ঘটনাও ঘটে। এই ঘটনাকে ঘিরে পুলিশ পাল্টা রেখা পাত্র এবং আরও কিছু বিজেপি কর্মীর বিরুদ্ধে মামলা করে। এরপর মামলায় জামিন নিতে হাইকোর্টের (Calcutta High Court) দ্বারস্থ হয় বিজেপি। অবশেষে স্বস্তি মিলেছে হাইকোর্টে।

    আইনজীবীর বক্তব্য

    মামলার শুনানিতে রাজ্যের আইনজীবী বলেন, “পুলিশ স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে মামলা দায়ের করেছে। প্রচুর অস্ত্র উদ্ধার হয়েছে। মূল অভিযুক্তরা এখনও গ্রেফতার হয়নি। আবার যে ব্যক্তির বাড়িতে মারধর করা হয়েছে সেই ঘটনায় এখনও পুলিশ কাউকে গ্রেফতার করতে পারেননি। তাই যাঁদের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে তাঁদেরকে স্বস্তি দিয়ে আদালতে (Calcutta High Court) জামিন মঞ্জুর করেছে কলকাতা হাইকোর্ট। রেখা পাত্রের সঙ্গে আরও পাঁচ সঙ্গীর নাম হল অজিত সর্দার, গীতা বর, সুপ্রকাশ মণ্ডল, উৎপল মাইতি এবং সুদেব দে। প্রত্যেকেই জামিন পেয়েছেন।”

    হাইকোর্টের বক্তব্য

    কলকাতা হাইকোর্ট (Calcutta High Court) এইদিন জামিন দেওয়ার সময় বক্তব্য ছিল, “অস্ত্র নিয়ে হামলা অত্যন্ত দুঃখজনক। এতে যে এখনও পর্যন্ত কোনও গ্রেফতারি হয়নি সেটাও দুর্ভাগ্যজনক বিষয়।” দ্রুত এই বিষয়ে পুলিশকে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন বিচারপতি। সেই সঙ্গে রেখা পাত্র এবং আরও ৫ বিজপি কর্মীর বিরুদ্ধে এফআইআরের বিরুদ্ধে স্থগিতাদেশ দেওয়া হয়েছে।   

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ। 

  • Weather Update: প্রাক বর্ষার বৃষ্টি শুরু রাজ্যে! শনিতে বৃষ্টির পূর্বাভাস জেলায় জেলায়

    Weather Update: প্রাক বর্ষার বৃষ্টি শুরু রাজ্যে! শনিতে বৃষ্টির পূর্বাভাস জেলায় জেলায়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্য জুড়েই প্রাক বর্ষার বৃষ্টি (Pre Monsoon Rainfall) শুরু। মৌসুমী বায়ু এগিয়ে আসায় রাজ্যে জলীয় বাষ্প ঢুকছে প্রচুর পরিমাণে। ফলে আপাতত কদিন প্রাক বর্ষার এই বৃষ্টি চলবে রাজ্যজুড়ে। এমনটাই জানিয়েছে আবহাওয়া দফতর (Weather Update)। সুতরাং উইকেন্ডেও দক্ষিণবঙ্গ জুড়ে ঝড়-বৃষ্টির দাপট থাকবে। শুধু শনি-রবি নয়, বরং জুন মাসের ৩ ও ৪ তারিখেও কলকাতা সহ দক্ষিণবঙ্গে বৃষ্টি চলবে বলেই আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস। জারি হয়েছে হলুদ সতর্কতাও। 

    রাজ্যজুড়ে প্রাক বর্ষার বৃষ্টি শুরু

    বৃহস্পতিবার ৩০ মে নির্ধারিত সময়ে কেরলে প্রবেশ করেছে বর্ষা। ফলে এর প্রভাবে শনিবার থেকে উত্তর এবং দক্ষিণবঙ্গে বিক্ষিপ্ত বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে (Weather Update)। আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, দেশের দক্ষিণ প্রান্তে বর্ষা এসে গিয়েছে। সব কিছু ঠিক থাকলে এ বার নির্ধারিত সময়ের আগেই রাজ্যে ঢুকবে মৌসুমি বায়ু। তাই হঠাৎ এই বৃষ্টিকে প্রাক্-বর্ষার বৃষ্টি (Pre Monsoon Rainfall) বলছে হাওয়া অফিস। 

    প্রাক বর্ষার বৃষ্টিতে ভিজল কলকাতাও

    বৃহস্পতিবার রাত থেকেই দফায় দফায় বৃষ্টি শুরু হয়েছে কলকাতা সহ পার্শ্ববর্তী এলাকায়। এর ফলে রাতের তাপমাত্রা প্রায় ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস কমে গিয়েছে। সর্বনিম্ন তাপমাত্রা অনেকটা কমে যাওয়ায় সকাল থেকে রেহাই মিলেছে গরম থেকে। পূর্বাভাস অনুযায়ী আগামী চার-পাঁচ দিন বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে কলকাতায় (Kolkata Rainfall)।

    কোন কোন জেলায় বৃষ্টির পূর্বাভাস? (Weather Update)

    আলিপুর আবহাওয়া দফতরের পূর্বাঞ্চলীয় অধিকর্তা সোমনাথ দত্ত জানিয়েছেন, ‘শনি, রবি, সোম এবং মঙ্গলবার দক্ষিণবঙ্গের সমস্ত জেলাতেই বিক্ষিপ্তভাবে বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে।’ কলকাতার পাশাপাশি উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনাতে শনিবার ঝোড়ো হাওয়া বইতে পারে ঘণ্টায় ৪০ কিলোমিটার বেগে। শনিবার থেকে ঝড়-বৃষ্টি (Pre Monsoon Rainfall) আরও বেশি পরিমাণে শুরু হবে।  কলকাতার পাশাপাশি  বীরভূম, পশ্চিম বর্ধমান , দুই মেদিনীপুর, দুই  ২৪ পরগনা, হাওড়া, হুগলি ও ঝাড়গ্রামের কিছু কিছু জায়গাতে আগামী দু তিন দিন বজ্রবিদ্যুৎসহ বৃষ্টিপাত এবং ঝোড়ো হাওয়া বইতে পারে। 

    আরও পড়ুন: হাসিমারা থেকে ২৯০ কিমি দূরে ‘স্টেলথ’ যুদ্ধবিমান মোতায়েন চিনের! কী প্রস্তুতি ভারতের?

    উত্তরের আবহাওয়া 

    দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলির পাশাপাশি উত্তরের আলিপুরদুয়ার, কোচবিহার ও জলপাইগুড়ি এই তিন জেলায় বৃষ্টি (West Bengal weather) বেশি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এছাড়াও দার্জিলিং ও কালিম্পঙে ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে (Pre Monsoon Rainfall)। শনিবার থেকে উত্তর দিনাজপুরেও ভারী বৃষ্টির সম্ভবনা রয়েছে (Weather Update)। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • India China Border: হাসিমারা থেকে ২৯০ কিমি দূরে ‘স্টেলথ’ যুদ্ধবিমান মোতায়েন চিনের! কী প্রস্তুতি ভারতের?

    India China Border: হাসিমারা থেকে ২৯০ কিমি দূরে ‘স্টেলথ’ যুদ্ধবিমান মোতায়েন চিনের! কী প্রস্তুতি ভারতের?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পশ্চিমবঙ্গের হাসিমারা (Hasimara Airbase) থেকে প্রায় ২৯০ কিলোমিটার এবং সিকিম থেকে মাত্র ১৫০ কিলোমিটার দূরে তিব্বতের শিগাৎসে বিমানবন্দরে নিজেদের অত্যাধুনিক জে-২০ যুদ্ধবিমান (J-20 Stealth Fighter Jet) মোতায়েন করেছে চিন (India China Border)। 

    উপগ্রহ চিত্রে ধরা পড়ল কোন ছবি

    ‘অল সোর্স অ্যানালিসিস’ (All Source Analysis) নামক একটি সংস্থা সম্প্রতি নিজেদের এক্স (সাবেক ট্যুইটার) হ্যান্ডলে একটি উপগ্রহ চিত্র প্রকাশ করেছে। ২৭ মে তোলা ওই ছবিতে দেখা যাচ্ছে, একটি বিমানবন্দরে সারি সারি দাঁড়িয়ে রয়েছে অনেক যুদ্ধবিমান। প্রকাশিত ছবিতে চিহ্নিত করে দেখিয়ে দেওয়া হয়েছে যে, বাঁদিকে একটু বড় আকারের ৬টি যুদ্ধবিমান সারি দিয়ে রয়েছে। তার পাশেই তুলনামূলকভাবে ছোট আকারে আরও ৮টি যুদ্ধবিমান রয়েছে। ছবির ডানদিকে, একটি বড় আকারের সামরিক নজরদারি বিমানও দেখা গিয়েছে।

    কে এই ‘অল সোর্স অ্যানালিসিস’?

    ‘অল সোর্স অ্যানালিসিস’ জানিয়েছে, ছবিটি ভারতের সীমান্ত ঘেঁষা (India China Border) চিন-পরিচালিত তিব্বতের শিগাৎসে বিমানবন্দরের। সংস্থার দাবি, প্রকাশিত ছবির বাঁদিকে রাখা ৬টি হল চিনা বায়ুসেনার (পিএলএএএফ) অত্যাধুনিক জে-২০ যুদ্ধবিমান (J-20 Stealth Fighter Jet)। পাশে রয়েছে ৮টি জে-১০ যুদ্ধবিমান। একেবারে ডানদিকে রয়েছে চিনা বায়ুসেনার কেজে-৫০০ অ্যাওয়াক্স নজরদারি বিমান। এখানে বলে রাখা প্রয়োজন, ‘অল সোর্স অ্যানালিসিস’ হল একটি ভূ-মহাকাশীয় নজরদারি (Geo-spatial intelligence) সংস্থা। পৃথিবীর কক্ষপথে মোতায়েন কৃত্রিম উপগ্রহের তোলা ছবি ব্যবহার করে ভূ-মহাকাশীয় পরিস্থিতি বিশ্লেষণ করাই এই সংস্থার কাজ। দীর্ঘদিন ধরে তারা এই কাজ করে চলেছে। ফলে ধরে নেওয়া যেতেই পারে, এই সংস্থার প্রকাশিত ছবি ও তথ্য সত্যি ও নির্ভরযোগ্য।

    জে-২০ যুদ্ধবিমান মোতায়েন তাৎপর্যপূর্ণ

    শিগাৎসে হল তিব্বতের দ্বিতীয় বৃহত্তম শহর। ১২,৪০৮ ফুট উচ্চতায় অবস্থিত এই বিমানবন্দরটি বিশ্বের উচ্চতম বিমানবন্দরগুলির মধ্যে একটি। একাধারে অসামরিক ও সামরিক ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয় এই বিমানবন্দর (Shigatse Airbase)। সাধারণত, এই বিমানবন্দরে সারা বছর জে-১০ এবং কেজে-৫০০ মোতায়েন থাকে। এতে নতুনত্বের কিছু নেই। কিন্তু, এখন ৬টি ‘স্টেলথ’ (চিনের দাবি তেমনটাই) জে-২০ যুদ্ধবিমান (J-20 Stealth Fighter Jet) মোতায়েন হওয়ার বিষয়টি তাৎপর্যপূর্ণ বটে। কারণ, সাধারণত চিন তাদের সবচেয়ে আধুনিক এই বিমানগুলিকে পূর্ব সীমান্তে, তথা পূর্ব চিন সাগরের দিকে মোতায়েন করে রাখে। সেখান থেকে ভারতের সীমান্ত (India China Border) ঘেঁষে তিব্বতে এই বিমানগুলিকে কেন চিন এখন মোতায়েন করেছে, সেই নিয়ে বিশেষজ্ঞদের মনে প্রশ্ন উঠছে। 

    রাফাল রয়েছে, তাই চিন্তিত নয় ভারত

    এই নিয়ে সরাসরি কোনও মন্তব্যে নারাজ ভারতীয় বায়ুসেনা। তবে, সূত্রের খবর, ভারত এই নিয়ে বেশি চিন্তিত নয়। কারণ, হাসিমারায় ডগ-ফাইটে পারদর্শী অত্যাধুনিক ১৮টি ফরাসি রাফাল যুদ্ধবিমানের একটি গোটা স্কোয়াড্রন মোতায়েন করে রেখেছে ভারত। ফলে, চিন কোনও কিছু হঠকারিতা করলে, তার সমুচিত জবাব দিতে তৈরি ভারত ও ভারতীয় বায়ুসেনা। ফ্রান্স থেকে ৩৬টি রাফাল যুদ্ধবিমান কিনেছে ভারত। এর মধ্যে একটি স্কোয়াড্রন বিশিষ্ট ১৮টি যুদ্ধবিমান রয়েছে পাক-সীমান্ত লাগোয়া আম্বালা বায়ু-ঘাঁটিতে। বাকি ১৮টিকে নিয়ে গঠিত দ্বিতীয় স্কোয়াড্রন রয়েছে হাসিমারা বেসে। তবে, বর্তমানে দুই বেস থেকে চারটি করে বিমান রয়েছে আলাস্কায়। সেখানে মার্কিন বায়ুসেনার সঙ্গে যৌথ মহড়া চলছে।

    তিব্বতে বিপুল পরিকাঠামো তৈরি করছে চিন

    এমন এই প্রথম নয় যে চিন তিব্বতে জে-২০ যুদ্ধবিমান (J-20 Stealth Fighter Jet) মোতায়েন করল। এর আগেও করেছিল, তবে সংখ্যায় কম। অল সোর্স অ্যানালিসিস-এর আরও দাবি, গত ৫ বছর ধরে ভারত-সীমান্ত (India China Border) লাগোয়া তিব্বতে প্রতিনিয়ত বায়ুসেনার ক্ষমতা বৃদ্ধি করে চলেছে চিন। নতুন নতুন বায়ু ঘাঁটি নির্মাণ থেকে শুরু করে বর্তমান ঘাঁটিগুলির পরিকাঠামো বৃদ্ধি করছে বেজিং। পাশাপাশি, এই সব ঘাঁটিগুলিতে জে-২০ ফাইটার এবং এইচ-৬ বোমারু বিমান এখন মোতায়েন করা শুরু করেছে। 

    জে ২০-র জবাবে এস-৪০০ রয়েছে ভারতের

    তবে, পিছিয়ে নেই ভারতও। ড্রাগনের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে চিন-সীমান্তে নিজেদের সামরিক পরিকাঠামো কয়েকগুণ বাড়িয়ে নিয়েছে ভারত। বিমান ঘাঁটিগুলিকে আরও মজবুত ও সুরক্ষিত করা হয়েছে। বিমান সুরক্ষিত রাখার জন্য শক্তিশালী শেল্টার নির্মাণ, ঘাঁটির নিরাপত্তায় চারদিকে ভূমি থেকে আকাশ ক্ষেপণাস্ত্র (Surface-To-Air Missile) মোতায়েন করা হয়েছে। চিন লাগোয়া পূর্ব সীমান্তের বিভিন্ন জায়গায় রুশ নির্মিত এই মুহূর্তে বিশ্বের সেরা দূরপাল্লার সারফেস-টু-এয়ার এস-৪০০ মিসাইল মোতায়েন রয়েছে। এই মিসাইল যে কোনও স্টেলথ বিমানকে ট্র্যাক করে ধ্বংস করতে পারদর্শী। প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখায় (India China Border) চিন জে-২০ (J-20 Stealth Fighter Jet) নিয়ে আগ্রাসী হলেই ভারত সঙ্গে সঙ্গে এস-৪০০ (S-400) নিক্ষেপ করে জবাব দিতে প্রস্তুত।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • CAA: নিউ বারাকপুরের হিন্দু শরণার্থী সিএএ-তে নাগরিকত্ব পেয়ে ধন্যবাদ জানালেন প্রধানমন্ত্রীকে

    CAA: নিউ বারাকপুরের হিন্দু শরণার্থী সিএএ-তে নাগরিকত্ব পেয়ে ধন্যবাদ জানালেন প্রধানমন্ত্রীকে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশে ২০১৯ সালে দ্বিতীয়বার বিজেপি ক্ষমতায় আসার পর উদ্বাস্তু বাংলাদেশী হিন্দুদের জন্য নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন (CAA) পাশ হয়। এরপর ২০২৪ সালে এই আইনের বাস্তবায়ন শুরু হয়। লোকসভা ভোটের মধ্যেই পাকিস্তান এবং আফগানিস্তান থেকে আসা শরণার্থীদের ভারত সরকার সিএএতে নাগরিকত্ব প্রদান করা শুরু করেছে। একই ভাবে পশ্চিমবঙ্গে বাংলাদেশ থেকে আসা হিন্দু শরণার্থী উদ্বাস্তুদের মধ্যে বেশ কিছু মানুষকে নাগরিকত্ব দেওয়া হয়। এবার নাগরিকত্ব পেলেন নিউ বারাকপুরের বাসিন্দা।

    কেন বাংলাদেশ থেকে আসতে হয়েছিল (CAA)?

    নাগরিকত্ব পেয়ে হিন্দু যুবক বলেন, “আমি দেবপ্রসাদ গাইন, নিউ বারাকপুর লেনিনগড়ে থাকি। ২০০৫ সালে আমি বাংলাদেশ থেকে ভারতে পালিয়ে চলে এসেছিলাম। ২০০৪ সালে তৎকালীন বাংলাদেশে বিএনপির নেতৃত্বে একটি সরকার ক্ষমতায় আসে। এই সরকার এসে দেশে ব্যাপক হিংসা শুরু করে। নির্বিচারে শুরু হয় হিন্দু নিধন। মিথ্যা অভিযোগ দিয়ে হিন্দুদেরকে ফাঁসিয়ে অত্যাচার করা হত। নিজের জন্ম ভিটায় ছিল না নিজের ধর্মপালনের অধিকার। হিন্দুদের ওপর অত্যাচারের বিরুদ্ধে আমরা প্রতিবাদ করলে আমাদের চরমপন্থী হিসাবে চিহ্নিত করে মেরে ফেলার ষড়যন্ত্র করা হত। তাই আমি দেশ ছেড়ে পালিয়ে ভারতে আসতে বাধ্য হয়েছি। কিন্তু পালিয়ে আসার পরও আমাদের সুখ ছিল না। সবসময় মনে হতো এই বুঝি ভারতের পুলিশ আমাদের ধরে নিয়ে চলে যাবে। এই বুঝি আবার বাংলাদেশে ফেরত পাঠানো হবে। এই রকম দিনের পর দিন ২০ বছর ধরে আমরা আতঙ্কের মধ্যে ছিলাম। কিন্তু দেশের প্রধানমন্ত্রী-স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আমাদের জন্য নাগরিকত্ব সংশোধনী আইনের (CAA) মাধ্যমে আমাদের সম্মানের সঙ্গে বেঁচে থাকার অধিকার দিয়েছেন। আমি ধন্যবাদ জানাই।”

    আরও পড়ুনঃ “নাগরিকত্বের কাগজ হাতে পেয়ে খুব ভালো লাগছে, মাথা উঁচু করে বাঁচব”, বললেন নদিয়ার বিকাশ

    নাগরিকত্ব পাওয়ার পর কী বললেন?

    নাগরিকত্ব পেয়ে এই হিন্দু যুবক আরও বলেন, “ভারত সরকার আমাদের জন্য একটা সুন্দর ব্যবস্থা চালু করেছে। এই ব্যবস্থা হল সিএএ (CAA)। এর মাধ্যমে হিন্দু, বৌদ্ধ, শিখ, জৈন, খ্রিস্টান, পার্সিদের জন্য নাগরিকত্বের বিশেষ ব্যবস্থা চালু করা হয়েছে। এই পাঁচটি ধর্মের মানুষ, যাঁরা কেবলমাত্র ইসলাম ধর্মপ্রধান দেশ বাংলদেশ, পাকিস্তান এবং আফগানিস্তান থেকে নিজেদের অস্তিত্বের সঙ্কটের জন্য ভারতে এসেছেন, তাঁদের নাগরিকত্ব দেওয়া হবে। আমরা ধর্মীয় অত্যাচারের শিকার হয়েছি। রাতের অন্ধকারে বাংলাদেশ থেকে পালিয়ে নদীতে সাঁতার কেটে সীমান্ত পার হয়ে এই পশ্চিমবঙ্গে এসেছি। সেই দিন কিছুটা মুক্তি পেলেও আজ নাগরিকত্ব পেয়ে সম্মান ফিরে পেলাম। তবে অনেকে বিভ্রান্তি তৈরি করছেন। আদতে কোনও ব্যক্তির নাগরিকত্ব বাতিল হবে না। সিএএতে আমি আবেদন করেছি কিন্তু আমার ভোটার কার্ড, আধার কার্ড, প্যান কার্ড বাতিল হয়নি। আমরা এবার সরকারি মান্যতায় নাগরিকত্ব পেয়েছি। সব কাগজপত্র ঠিক থাকবে, শুধু অতিরিক্ত নাগরিকত্ব সংশোধনী আইনের আওতায় সনদপত্র পাওয়া যাবে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Chhota Rajan: হোটেল মালিককে খুনের মামলায় অবশেষে দোষী সাব্যস্ত মাফিয়া ছোটা রাজন

    Chhota Rajan: হোটেল মালিককে খুনের মামলায় অবশেষে দোষী সাব্যস্ত মাফিয়া ছোটা রাজন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২০০১ সালে মুম্বাইয়ে ব্যবসায়ী জয়া শেট্টি খুনের মামলায় বৃহস্পতিবার গ্যাংস্টার ছোটা রাজন (Chhota Rajan) ওরফে রাজেন্দ্র সদাশিব নিকালজিকে ‘দোষী’ ঘোষণা করল আদালত। অর্থাৎ প্রায় আড়াই দশকের পুরনো খুনের মামলায় ছোটা রাজনকে দোষী সাব্যস্ত করেছে মুম্বইয়ের (Mumbai) আদালত। তবে এই মামলায় তার কী শাস্তি হতে চলেছে তা অবশ্য এখনও যায়নি। জানা গিয়েছে, আগামিকাল অর্থাৎ শুক্রবার এই মামলায় সাজা ঘোষণা করবে আদালত। 

    কে এই জয়া শেট্টি? 

    জয়া শেট্টি ছিলেন সেন্ট্রাল মুম্বইয়ের (Mumbai) গোল্ডেন ক্রাউন হোটেলের মালিক। ২০০১ সালে ৪ মে নিজের হোটেলের মধ্যে ঢুকে তাঁকে গুলি করে খুন করে দুই দুষ্কৃতী। তদন্তে জানা যায়, ছোটা রাজনকে (Chhota Rajan) টাকা দিতে রাজি না হওয়ায় তাঁকে খুন করা হয়। পুলিশ জানতে পারে, মাফিয়াদের তরফে হুমকি মেলার পর পুলিশি নিরাপত্তা দেওয়া হয়েছিল জয়াকে। তবে খুন হওয়ার ২ মাস আগে তাঁর নিরাপত্তা তুলে নেওয়া হয়েছিল। সেই মামলার তদন্তে নেমে মুম্বই পুলিশ জানতে পারে এই হত্যা মামলায় সরাসরি যোগ রয়েছে রাজনের। 
    যদিও এর আগে এই মামলার শুনানিতে রাজনের (Chhota Rajan) এক সহযোগীকে বেকসুর খালাস করেছিল আদালত। তদন্তে জানা যায়, রাজনের নির্দেশে ৩ জনকে সঙ্গে নিয়ে জয়া শেট্টিকে খুন করে সমীর অশোক মালিক। এই মামলায় অজয় মোহিতে, প্রমোদ ধোন্ডে এবং রাহুল পানসারেকে আগেই দোষী সাব্যস্ত করেছিল আদালত। আর এবার দোষী সাব্যস্ত হল ছোটা রাজন।

    আরও পড়ুন: জুনের শুরুতেই ভিজবে রাজ্য! উত্তরবঙ্গে জারি কমলা সতর্কতা, দক্ষিণে কী পূর্বাভাস?

    জেলে বন্দি রাজনকে আবারও খুনের মামলায় দোষী সাব্যস্ত করল বিচারপতি 

    প্রসঙ্গত, কয়েক মাস আগেই নেটফ্লিক্সে একটি ওয়েব সিরিজ মুক্তি পেয়েছিল যার বিরুদ্ধে বম্বে হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিল রাজন। হনসল মেহতা পরিচালিত ‘স্কুপ’ সিরিজ সাংবাদিক জ্যোতির্ময় দে খুনের ঘটনা নিয়ে তৈরি। সিরিজে তার ছবি এবং গলার স্বর ব্যবহারের বিরোধিতা করেছিল ছোটা রাজন। এই খুনের মামলায় অন্যতম অভিযুক্ত ছিলেন আরেক সাংবাদিক জিগনা ভোরা। ২০১৮ সালে তিনি বেকসুর খালাস পান তবে, ছোটা রাজনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড হয়। আর এরই মধ্যে বৃহস্পতিবার তিহাড় জেলে বন্দি রাজনকে (Chhota Rajan) আবারও একটি খুনের মামলায় দোষী সাব্যস্ত করল বিচারপতি এ এম পাতিল।  

     

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Bangladesh MP Murder: মাংসপিণ্ড কার? জানতে ডিএনএ টেস্ট, বাংলাদেশের সাংসদ খুনে নেপাল রওনা সিআইডি-র

    Bangladesh MP Murder: মাংসপিণ্ড কার? জানতে ডিএনএ টেস্ট, বাংলাদেশের সাংসদ খুনে নেপাল রওনা সিআইডি-র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিউটাউনের ফ্ল্যাট থাকা সঞ্জীবা আবাসনের ফ্ল্যাটের সেপটিক ট্যাংক থেকে উদ্ধার হওয়া মাংসের দলা ও চুল সংসদ আনোয়ারুল আজিম আনোয়ারের কি না তা নিশ্চিত করতে ডিএনএ টেস্ট (DNA Test) করা হবে। এর জন্য সংসদের মেয়ে ও ভাই আসছেন কলকাতায় এমনটাই গোয়েন্দা সূত্রে খবর। বাংলাদেশের সাংসদ আনোয়ারুল আজিম আনোয়ারের দেহের খোঁজ করছে পুলিশ। টুকরো করা যে মাংস উদ্ধার হয়েছে তা সাংসদের (Bangladesh MP Murder Case) হলেও দেহের বাকি অংশ কোথায় তা জানতে চান গোয়েন্দারা।

    নেপালে রওনা দিচ্ছে সিআইডি

    এদিকে বাংলাদেশের সাংসদ খুনের ঘটনায় এবার নেপালে রওনা দিচ্ছে সিআইডির একটি বিশেষ প্রতিনিধি দল। চলতি সপ্তাহেই ওই দল নেপালের উদ্দেশ্যে রওনা দেবে বলে ভবানী ভবন সূত্রের খবর। এই খুনের ঘটনায় সিয়াম নামে এক ব্যক্তির খোঁজ চালাচ্ছে গোয়েন্দারা।

    আরও পড়ুন: কলকাতায় বাংলাদেশি সাংসদ হত্যাকাণ্ডে নেওয়া হবে ইন্টারপোলের সাহায্য

    বিধাননগর কমিশনারেটের গোয়েন্দা বিভাগের হাত থেকে ইতিমধ্যেই আধিকারিকভাবে সিআইডি তদন্তভার গ্রহণ করেছে। বাংলাদেশের গোয়েন্দা বিভাগও এই ঘটনায় তদন্ত চালাচ্ছে। জানা গিয়েছে খুনের ঘটনায় জিহাদকে সাহায্য করেছিল সিয়াম নামে ওই অভিযুক্ত। ঘটনার পর থেকে সেই নেপালে গা ঢাকা দিয়েছে বলে সিআইডির অনুমান।

    মাংসপিণ্ডের ডিএনএ পরীক্ষা করা হবে

    সাংসদ খুনের ঘটনায় বাংলাদেশ পুলিশের ডিবি প্রধান হারুন ওর রশিদের নেতৃত্বে সে দেশের গোয়েন্দারা এ শহরে এসেছেন। অভিযুক্তকে জেরা করে তদন্তকারীরা (Bangladesh MP Murder Case) জানতে পেরেছেন নিউটাউনের ফ্ল্যাট সংলগ্ন সেপটিক ট্যাংকে কিছু দেহাংশ থাকলেও থাকতে পারে।  এর পরেই সেই রাতে সেখানে তদন্ত চালিয়ে প্রায় চার কেজি মাংস এবং সঙ্গে কিছু চুল উদ্ধার হয়। সেগুলি ফরেনসিক পরীক্ষার জন্য পাঠিয়েছে সিআইডি। পরীক্ষা সম্পন্ন হলে ডিএনএ পরীক্ষা করা হবে সেই অংশের। ডিএনএ পরীক্ষার রিপোর্ট মেলানোর জন্য সাংসদদের কন্যা ও তাঁর ভাই আসছেন কলকাতায়। ডিএনএ পরীক্ষার রিপোর্ট সামনে এলেই জানা যাবে উদ্ধার হওয়া মাংস সাংসদের দেহের কি না।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: “তৃণমূল চোর আর হাজি নুরুল দাঙ্গাবাজ”, সপ্তম দফার ভোটপ্রচারে আক্রমণ শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: “তৃণমূল চোর আর হাজি নুরুল দাঙ্গাবাজ”, সপ্তম দফার ভোটপ্রচারে আক্রমণ শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে সপ্তদফার নির্বাচনে ভোট গ্রহণের আগে বসিরহাটে নির্বাচনী প্রচার সভা করলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। রাজ্যের তৃণমূল শাসনে ভোট লুট, দুর্নীতি, নারী নির্যাতন সহ একাধিক বিষয়ে মমতার সরকারকে তীব্র আক্রমণ করেন তিনি। শুভেন্দু বলেন, “তৃণমূল চোর আর হাজি নুরুল দাঙ্গাবাজ”। লোকসভার আগে থেকেই তৃণমূল নেতা শেখ শাহজাহানের নারী নির্যাতনের বিরুদ্ধে সন্দেশখালি ক্ষোভের আগুনে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছিল। দেশের প্রধানমন্ত্রী এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী একাধিক ইস্যুতে তৃণমূল সরকারের নারী নির্যাতনের বিরুদ্ধে নিশানা করেছেন।

    কী বললেন শুভেন্দু (Suvendu Adhikari)?

    বসিরহাটে লোকসভার ভোট প্রচারের মঞ্চ থেকে শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) বলেন, “ভাইপো হেলিকপ্টারে এসে সভা করে গিয়েছেন এই মাঠে, তাই আর কেউ সভা করতে পারবে না। মামার বাড়ির আবদার! রাজা প্রতাপাতিদ্যের বংশধর মনে করছিলেন নিজেকে। এমনটা ভেবে ছিলেন কিন্তু বাস্তবে হয়নি। শেষ পর্যন্ত বিজেপির সভা হয়েছে। অর্জুনের লক্ষ্য ভেদ করতে হবে। সকলে ভোট দিতে পারবেন। তৃণমূলের দিন শেষ। দেগঙ্গায় অশান্তির মূলের হাজি নুরুল। এই এলাকার এক নেতা জেলের ভিতরে আছেন। পুলিশের গাড়িতে কান্না করছিলেন। হাজার হাজার মানুষকে কাঁদিয়েছেন। তিনি আবার বলেছিলেন বসিরহাট জেতার জন্য নাকি তাঁকে জেলে ঢোকানো হয়েছে। নদীর ওপারে আছেন আরেক ছোট ভাই। শওকত মোল্লা, তিনিও ব্যাগ গোছাচ্ছেন যাবেন জেলে। মাঠে কেউ নেই, আছে মাত্র পুলিশ। আজ রাতে যদি কোনও গ্রামে রাতে পুলিশ ঢুকলে, শঙ্খ বাজাবেন মায়েরা। যুবকরা বাঁশি বাজাবেন। তৃণমূল মুখে আওয়াজ করবে কিন্তু টাচ্‌ করতে পারবে না।”

    আরও পড়ুনঃ মহিলাদের ফোন নম্বর ও ব্যক্তিগত তথ্য হাতিয়ে নিচ্ছে তৃণমূল, বিস্ফোরক সুকান্ত

    আর কী বললেন?

    শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) ভোট প্রচারে বলেন, “আগে ভোট দিয়ে তারপর ভোট প্রদান করবেন। বুথে বুথে কেন্দ্রীয় বাহিনী পর্যাপ্ত পরিমাণে থাকবে। আমার নম্বর দেওয়া আছে। হোয়াটস্যাপে কল করবেন। ছবি ভিডিও পাঠাবেন। বুথ নম্বর, থানা উল্লেখ করে নাম ফোন নম্বর দিয়ে আমাকে মেসেজ করবেন। সকলকে একসঙ্গে একত্রিত হয়ে লড়াই করতে হবে। পোলিং এজেন্টের বিকল্প ব্যবস্থা রাখতে হবে। সকাল সাড়ে দশটার মধ্যে ভোট দিতে হবে। বিশ্বাসযোগ্য লোক ছাড়া কেউ যেন নাম জানতে না পারেন। আইপ্যাকের চোরেরা টাকার অফার করতে পারে। আবার পুলিশ জোর করে তুলে নিয়ে গিয়ে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত বসিয়ে রাখতে পারে। তাই সকলকে সাবধানে থাকতে হবে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share