Tag: news in bengali

news in bengali

  • India-Bangladesh Relation: দুঃসময়ে পাশে ভারত, ইরান যুদ্ধের আবহে বাংলাদেশে ৫০০০ টন ডিজেল পাঠাল দিল্লি

    India-Bangladesh Relation: দুঃসময়ে পাশে ভারত, ইরান যুদ্ধের আবহে বাংলাদেশে ৫০০০ টন ডিজেল পাঠাল দিল্লি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দুর্দিনে বাংলাদেশকে সাহায‍্যের হাত বাড়িয়ে দিল ভারত (India-Bangladesh Relation)। যুদ্ধ চলছে মধ্য প্রাচ্যে। গোটা বিশ্বেই প্রায় জ্বালানি সঙ্কটের এক প্রবল সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। ইরান ও পশ্চিম এশিয়ার সংঘাতের কারণে জ্বালানি সঙ্কটে বাংলাদেশও। ভারতেও গ্যাসের সমস্যা উত্তরোত্তর বাড়ছে। তবে এই পরিস্থিতির মধ্যেও বাংলাদেশের হাত ছাড়ল না ভারত। দুঃসময়ে সে দেশে পাঁচ হাজার টন ডিজেল পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিল কেন্দ্র। এই জ্বালানি সরবরাহ করা হচ্ছে বাংলাদেশ-ভারত ফ্রেন্ডশিপ পাইপলাইন-এর মাধ্যমে।

    সরাসরি পাইপলাইনের মাধ্যমে জ্বালানি

    রিপোর্ট অনুযায়ী, ভারত থেকে ৫,০০০ টন ডিজেল পাঠানো হয়েছে, যা দুই দেশের মধ্যে নিয়মিত জ্বালানি চুক্তির অংশ। বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশনের চেয়ারম্যান মুহাম্মদ রেজানুর রহমান নিশ্চিত করেছেন যে, এই ডিজেল সরবরাহ ১,৮০,০০০ টন বার্ষিক ডিজেল সরবরাহ চুক্তির অংশ। তিনি বলেন, “আমাদের ভারতের সঙ্গে চুক্তি রয়েছে এবং আগামী ছয় মাসে অন্তত ৯০,০০০ টন ডিজেল আমদানি করতে হবে। এই ৫,০০০ টন তারই অংশ।” বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশন (বিপিসি)-এর এক কর্তা জানিয়েছেন, সোমবার বিকেল ৩টে বেজে ২০ মিনিটে ভারতের অসমের নুমালিগড় তৈলশোধনাগার থেকে ডিজেল পাম্পিং শুরু হয়েছে। পাইপলাইনের মাধ্যমে পাঠানো এই জ্বালানি প্রায় ৪৪ ঘণ্টার মধ্যে বাংলাদেশের দিনাজপুর জেলার পর্বতপুরী ডিপোতে পৌঁছানোর কথা রয়েছে। তিনি আরও জানান, আন্তর্জাতিক বাজারে অস্থিরতার মধ্যে দেশের জ্বালানি সরবরাহ স্থিতিশীল রাখতে এই পাইপলাইন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। ভারত থেকে সরাসরি পাইপলাইনের মাধ্যমে জ্বালানি আমদানি হওয়ায় পরিবহণ খরচ ও সময় দুটোই কমছে।

    ভারত-বাংলাদেশ ফ্রেন্ডশিপ পাইপলাইন প্রকল্প

    ভারত ডিজেল সরবরাহ করছে ভারত-বাংলাদেশ ফ্রেন্ডশিপ পাইপলাইনের মাধ্যমে, যা ২০১৭ সালে কার্যকর করা হয়। উল্লেখ্য, ইউনূসের সময় বিবিধ ইস্যুতে ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্কের মধ্যে টানাপোড়েন তৈরি হয়। সেই সময় ডিজেলের রফতানি বন্ধ রাখা হয়েছিল ভারতের পক্ষ থেকে। পরবর্তীতে তারেক রহমান প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর দু’দেশের সম্পর্ক ধীরে-ধীরে মজবুত হচ্ছে। আর এরই মধ্যে বাংলাদেশে ডিজেল পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে জ্বালানি সহযোগিতা জোরদার করতে তৈরি হয়েছিল ভারত-বাংলাদেশ ফ্রেন্ডশিপ পাইপলাইন প্রকল্প। এটি দুই দেশেরই অর্থনৈতিক ও জ্বালানি নিরাপত্তার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখে। এর মাধ্যমে নিয়মিতভাবে ডিজেল সরবরাহ করা সম্ভব হয়। বাংলাদেশ অতিরিক্ত ডিজেল চাইলেও ভারতের সরকার বলেছে, তা বাজার ও জ্বালানি সরবরাহ পরিস্থিতির ওপর নির্ভর করবে। মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনার কারণে বিশ্বজুড়ে তেলের সরবরাহে চাপ তৈরি হয়েছে। হরমুজ প্রণালী দিয়ে বিশ্বের প্রায় ২০ শতাংশ তেল যায়। যুক্তরাষ্ট্র এবং ইরানের মধ্যে উত্তেজনা বাড়ায় বাংলাদেশ ও অন্যান্য দেশগুলোর জ্বালানি বাজারও প্রভাবিত হয়েছে।

  • West Bengal Assembly Election: দিল্লিতে কেন্দ্রীয় কমিটির সঙ্গে বৈঠকে বঙ্গ বিজেপি, কী নিয়ে আলোচনা?

    West Bengal Assembly Election: দিল্লিতে কেন্দ্রীয় কমিটির সঙ্গে বৈঠকে বঙ্গ বিজেপি, কী নিয়ে আলোচনা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলায় ভোটের (West Bengal Assembly Election) বাদ্যি বেজে গিয়েছে। এখন সবার মুখে শুধুই ভোট-ঘোষণা ও প্রার্থী বাছাইয়ের কথা। রাজ্য নেতৃত্বরাও তাদের ভোট প্রচারে ব্যস্ত। এই আবহে আজ, বুধবারই বঙ্গ বিজেপি (Bengal Bjp) নেতৃত্বের সঙ্গে বৈঠকে বসতে চলেছে বিজেপির কেন্দ্রীয় কমিটি (BJP Central Committee)। দিল্লির বিজেপির সদর দফতরে এই বৈঠক বসতে চলেছে বিজেপির কেন্দ্রীয় কমিটি। বৈঠকে উপস্থিত থাকবেন রাজ্য বিজেপির সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য সহ রাজ্য সংগঠনের একাধিক পদস্থ নেতৃত্ব। নির্বাচনী রণকৌশল সহ কথা হতে পারে প্রার্থী তালিকা নিয়েও।

    প্রার্থী তালিকা নিয়ে প্রাথমিক আলোচনা

    মঙ্গলবারই পরিবর্তন যাত্রার সমাপ্তির ঘোষণা করা হয়েছে। ১৪ তারিখ শনিবার ব্রিগেডে আসছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তারই মধ্যে বুধবার বঙ্গ বিজেপির শীর্ষ নেতৃত্বের সঙ্গে বৈঠকে বিজেপি-র কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিটি। দলীয় সূত্রে খবর, বিধানসভা নির্বাচনে রণকৌশল নির্ধারণই এই বৈঠকের অন্যতম লক্ষ্য। দলীয় সংগঠকে আরও শক্তিশালী করতে বুথস্তরে কর্মসূচি জোরদার করা ও বিরোধী রাজনৈতিক পরিস্থিতি বিশ্লেষণ-সব কিছু নিয়ে আলোচনা হবে। সেইসঙ্গে সম্ভাব্য প্রার্থী তালিকা নিয়েও প্রাথমিক পর্যায়ের আলোচনা হতে পারে। মার্চ মাসের শেষের দিকেই রাজ্যের নির্বাচনেই নির্ঘণ্ট ঘোষণা হয়ে যাবে। সে ক্ষেত্রে ২৯৪ জন প্রার্থী বাছাই করে মার্চের শেষ থেকেই রাজ্য জুড়ে প্রচার পর্বে ঝাঁপিয়ে পড়তে তৎপর বঙ্গ বিজেপি শিবির। তারই রূপরেখা তৈরি হয়ে যেতে পারে বুধবারের বৈঠক।

    জেলার রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা

    রাজ্য নেতৃত্বের কাছ থেকে জেলার রাজনৈতিক পরিস্থিতি এবং সংগঠনের প্রস্তুতি সম্পর্কের রিপোর্ট চাইতে পারে কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব। কোথায় প্রচার জোরদার করতে হবে, কোন আসনে কোন দল শক্তিশালী তা নিয়েও আলোচনা হতে পারে। সেই বুঝেই প্রাথমিক ভাবে স্থির করা হতে পদ্ম শিবিরের প্রার্থীর নামও। রাজ্যে ‘পরিবর্তন যাত্রা’র ফল নিয়েও আলোচনা হতে পারে। সূত্রের খবর, নির্বাচনের প্রস্তুতি হিসেবে করা ‘পরিবর্তন যাত্রা’র ফল নিয়ে আলোচনা হতে পারে এই বৈঠকে। প্রাথমিক ভাবে জানা যাচ্ছে, দিল্লিতে বিজেপির সদর দফতরেই বিকেল ৩টে নাগাদ এই বৈঠকের আয়োজন করা হয়েছে। বৈঠকে উপস্থিত থাকতে পারেন রাজ্য বিজেপির সাংসদ শমীক ভট্টাচার্য-সহ রাজ্য সংগঠনের একাধিক পদাধিকারীরা। অন্যদিকে, কেন্দ্রীয় কমিটির থেকে উপস্থিত থাকবেন নিতিন নবীন, অমিত শাহের মতো বিজেপির শীর্ষ কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব।

    ‘পরিবর্তন যাত্রা’ কর্মসূচি

    মার্চ মাসের শুরু থেকেই জেলায় জেলায় জনসংযোগে বাড়তি নজর দিয়েছিল পদ্ম শিবির। রাজ্যের শীর্ষ বিজেপি নেতারা তো ছিলেনই, বাইরের রাজ্যের বিধায়ক, মন্ত্রীদের নিয়ে এসে রাজ্য জুড়ে চলল ‘পরিবর্তন যাত্রা’ কর্মসূচি। রাজ্যে ভোটের দিনক্ষণ ঘোষণা হওয়ার আগেই পরিবর্তন যাত্রার মধ্য দিয়ে নেতারা গোটা রাজ্য একবার চষে ফেলেছেন এবং কর্মীদের সঙ্গে একদফা দেখাসাক্ষাৎ, আলাপ-আলোচনা সেরে নিয়েছেন। যা ‘ফাইনাল ম্যাচ’ শুরুর আগে ‘ওয়ার্ম-আপ’ হিসাবে কাজ করবে। প্রত্যেকটি জেলা তো বটেই, ‘যাত্রা’য় অধিকাংশ বিধানসভা কেন্দ্রও ছুঁয়ে ফেলেছেন বিজেপি নেতৃত্ব। জমায়েত বা কর্মসূচির চেহারা যেমনই হোক, সর্বত্র দলের কর্মীদের অন্তত রাস্তায় নামাতে পেরেছেন তাঁরা। ভোটের আগে কর্মীদের মধ্যে যে উৎসাহ জাগানো জরুরি ছিল, ‘পরিবর্তন যাত্রা’ তা পেরেছে বলে বিজেপি নেতৃত্ব মনে করছেন।

    রাজ্যে পরিস্থিতি নিয়ে শঙ্কিত

    ইতিমধ্যেই কলকাতায় জাতীয় নির্বাচন কমিশনের পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চের সঙ্গে দেখা করে গুরুত্বপূর্ণ দাবি জানিয়েছে রাজ্য বিজেপি। বিজেপি চাইছে ২০২৬ সালের পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচন যেন তিনটির বেশি দফায় না হয়। পাশাপাশি, রাজ্যে একটি হিংসাত্মক কার্যকলাপমুক্ত নির্বাচন নিশ্চিত করতে কমিশনকে উপযুক্ত পদক্ষেপ করার কথাও বলা হয়েছে। বিধানসভা ভোটের আগে রাজ্যের নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে বিজেপি একটি ১৬-দফা দাবি সনদ জমা দিয়েছে। বিজেপি প্রতিনিধি দলের একটি গুরুত্বপূর্ণ উদ্বেগ ছিল রাজ্যে বর্তমানে মোতায়েন প্রায় ৪০০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনীর ব্যবহার এবং পরিচালনা নিয়ে। দলের পক্ষ থেকে এসব বাহিনীর সদ্ব্যবহারের ক্ষেত্রে রাজ্য পুলিশের ভূমিকার সমালোচনাও করা হয়েছে। দলীয় সূত্রে খবর, রাজ্য পুলিশ যেভাবে কেন্দ্রীয় বাহিনীকে ব্যবহার করছে, তাতে রাজ্য বিজেপি নেতৃত্ব অসন্তুষ্ট। একটি সহিংসতামুক্ত ও নির্ভীক পরিবেশ তৈরি করতে চাইলে, ভোটারদের ভোটদানে বাধাদানকারী রাজ্য পুলিশ ও সরকারি কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে কমিশনকে অবশ্যই ব্যবস্থা নিতে হবে। রাজ্য বিজেপি নেতৃত্বের অভিযোগ, স্পর্শকাতর এলাকার পরিবর্তে ইচ্ছাকৃতভাবে তুলনামূলক শান্ত এলাকায় রুট মার্চ চালানো হচ্ছে।

    তৎপরতা বাড়াচ্ছে গেরু শিবির

    সম্প্রতি দুদিনের রাজ্য সফরে এসে নির্বাচন কমিশন (Election Commission) বুঝিয়ে দিয়ে গিয়েছে সুষ্ঠু, অবাধ ভোট হবে বাংলায়। তার জন্য প্রশাসনকে কড়া নির্দেশ দিয়েছেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার (Chief Election Commissioner Gyanesh Kumar)। এবার শুধু নির্বাচনের নির্ঘন্ট ঘোষণার পালা। ভোটমুখী এই বঙ্গে আরও তৎপরতা বাড়াতে চলেছে বিজেপিও (Bjp)। বিশেষজ্ঞমহলের মতে, এখনও ভোট ঘোষণা হয়নি। সবে মাত্র একগুচ্ছ নির্দেশ দিয়ে আর বাংলার পরিস্থিতি খতিয়ে দেখে দিল্লি পাড়ি দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। ভোট ঘোষণার আগে নিজেদের আরেকটু ঝালাই করে নিচ্ছে গেরুয়া শিবির। রাজনৈতিক মহলের মতে, বিধানসভা নির্বাচনের এখনও কিছুটা সময় থাকলেও বিজেপি এখন থেকেই সংগঠনকে প্রস্তুত করার কৌশল নিচ্ছে। সেই কারণেই কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের সঙ্গে এই বৈঠককে ভবিষ্যৎ নির্বাচনী প্রস্তুতির গুরুত্বপূর্ণ ধাপ হিসেবে দেখা হচ্ছে। বৈঠকের পর রাজ্য রাজনীতিতে নতুন বার্তা বা কৌশলের ইঙ্গিত মিলতে পারে।

  • Harish Rana Case: ১৩ বছর কোমায় থাকা যুবককে নিষ্কৃতিমৃত্যুর অনুমতি, হরিশ রানা মামলায় ঐতিহাসিক রায় সুপ্রিম কোর্টের

    Harish Rana Case: ১৩ বছর কোমায় থাকা যুবককে নিষ্কৃতিমৃত্যুর অনুমতি, হরিশ রানা মামলায় ঐতিহাসিক রায় সুপ্রিম কোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতে প্যাসিভ ইউথেনেশিয়া (Passive Euthanasia) বা নিষ্কৃতিমৃত্যু নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ ও ঐতিহাসিক রায় দিল সুপ্রিম কোর্ট (Supreme Court)। ১৩ বছর ধরে কোমায় থাকা ৩২ বছর বয়সি হরিশ রানাকে (Harish Rana Case) চিকিৎসা প্রত্যাহারের অনুমতি দিয়েছে দেশের সর্বোচ্চ আদালত। এর ফলে কার্যত ‘মর্যাদার সঙ্গে মৃত্যু’ (Death with Dignity) পাওয়ার পথ খুলে গেল তাঁর সামনে। আদালতের নির্দেশে এটি দেশের প্রথম প্যাসিভ ইউথেনেশিয়া সংক্রান্ত ঘটনা হিসেবে ধরা হচ্ছে। এই রায় দেন বিচারপতি জেবি পারদিওয়ালা এবং বিচারপতি কেভি বিশ্বনাথন–এর বেঞ্চ। আবেগঘন পর্যবেক্ষণে আদালত ২০১৮ সালের ঐতিহাসিক রায়ের বিভিন্ন দিক আরও স্পষ্ট করে দেয়, যেখানে প্যাসিভ ইউথেনেশিয়াকে (Supreme Court Passive Euthanasia) আইনি স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছিল।

    ফিডিং টিউবের মাধ্যমে খাবারও চিকিৎসার অংশ: আদালত

    হরিশ রানা মামলায় (Harish Rana Case) একটি গুরুত্বপূর্ণ আইনি প্রশ্ন ছিল—ফিডিং টিউবের মাধ্যমে দেওয়া খাবার ও পুষ্টি কি চিকিৎসার অংশ হিসেবে ধরা হবে কি না। সুপ্রিম কোর্ট জানিয়েছে, চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে টিউবের মাধ্যমে দেওয়া পুষ্টি ও জলও চিকিৎসারই অংশ। ফলে যদি প্রাথমিক ও দ্বিতীয় মেডিক্যাল বোর্ড মনে করে যে এই চিকিৎসা চালিয়ে যাওয়া রোগীর স্বার্থে নয়, তাহলে তা বন্ধ করা যেতে পারে।

    জীবন ও মৃত্যু নিয়ে আদালতের আবেগঘন পর্যবেক্ষণ

    রায় ঘোষণার (Supreme Court Passive Euthanasia)  সময় বেঞ্চ জীবন ও মৃত্যুর জটিলতা নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ মন্তব্য করে। আদালত মার্কিন ধর্মপ্রচারক হেনরি ওয়ার্ড বিচারের উক্তি উদ্ধৃত করে জানায়— “ঈশ্বর মানুষকে জিজ্ঞেস করেন না সে জীবন গ্রহণ করবে কি না। জীবন গ্রহণ করতেই হয়, প্রশ্ন হল কীভাবে।” এছাড়া উইলিয়াম শেক্সপিয়ারের বিখ্যাত ‘To be or not to be’ দ্বিধার কথাও উল্লেখ করেন বিচারপতিরা।

    কী ঘটেছিল হরিশ রানার সঙ্গে

    ২০১৩ সালে একটি বহুতলের চতুর্থ তলা থেকে পড়ে গুরুতরভাবে আহত হন হরিশ রানা (Harish Rana Case)। তখন তাঁর বয়স ছিল মাত্র ২০ বছর। দুর্ঘটনার পর থেকেই তিনি পারসিস্টেন্ট ভেজিটেটিভ স্টেটে (Persistent Vegetative State) চলে যান এবং সম্পূর্ণ কোয়াড্রিপ্লেজিয়ায় (Quadriplegia) আক্রান্ত হন। মেডিক্যাল রিপোর্ট অনুযায়ী, তাঁর ঘুম ও জেগে ওঠার চক্র থাকলেও কোনও অর্থপূর্ণ নড়াচড়া বা প্রতিক্রিয়া নেই। দুর্ঘটনার পর থেকে অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে বসানো ফিডিং টিউবের সাহায্যে তাঁকে খাবার দেওয়া হচ্ছিল।

    আদালতের দ্বারস্থ হন বাবা-মা

    বছরের পর বছর কোনও উন্নতি না হওয়ায় হরিশ রানার (Harish Rana Case) বাবা-মা আদালতের দ্বারস্থ হন। তাঁদের দাবি ছিল, তাঁদের ছেলে কৃত্রিমভাবে বাঁচিয়ে রাখা হয়েছে এবং এই চিকিৎসা চালিয়ে যাওয়ার আর কোনও বাস্তব উপকার নেই। সব দিক বিবেচনা করে সুপ্রিম কোর্ট চিকিৎসা প্রত্যাহারের অনুমতি দেয় (Supreme Court Passive Euthanasia)।

    গুরুত্বপূর্ণ পর্যবেক্ষণ

    রায়ে আদালত স্পষ্ট জানিয়েছে, এ ধরনের ক্ষেত্রে মূল প্রশ্ন মৃত্যু নয়, বরং চিকিৎসা চালিয়ে যাওয়া রোগীর সর্বোত্তম স্বার্থে কি না। আদালতের মতে, যতক্ষণ চিকিৎসা রোগীর উপকারে আসে ততক্ষণ তা চালিয়ে যাওয়া চিকিৎসকদের দায়িত্ব। কিন্তু যখন চিকিৎসা কেবলমাত্র আরোগ্যের কোনও সম্ভাবনা ছাড়াই জৈবিক জীবন দীর্ঘায়িত করে, তখন সেই চিকিৎসা বন্ধ করার সিদ্ধান্ত নেওয়া যেতে পারে। আইন বিশেষজ্ঞদের মতে, এই রায় ভবিষ্যতে ভারতে প্যাসিভ ইউথেনেশিয়া সংক্রান্ত মামলাগুলিতে (Supreme Court Passive Euthanasia)  গুরুত্বপূর্ণ দিশা দেখাবে। বিশেষ করে এমন রোগীদের ক্ষেত্রে, যাঁরা দীর্ঘদিন ভেজিটেটিভ স্টেটে থেকে শুধুমাত্র চিকিৎসা প্রযুক্তির সাহায্যে বেঁচে আছেন, সেখানে এই রায় একটি সুস্পষ্ট আইনি কাঠামো তৈরি করল।

  • IPL 2026: জ্বলছে পশ্চিম এশিয়া, দেশে জ্বালানি সংকট! পিছিয়ে যাবে আইপিএল? বিসিসিআই বলল…

    IPL 2026: জ্বলছে পশ্চিম এশিয়া, দেশে জ্বালানি সংকট! পিছিয়ে যাবে আইপিএল? বিসিসিআই বলল…

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গোটা দেশে এলপিজি সংকট। আমেরিকা-ইরানের লড়াইয়ের ফলে হরমুজ প্রণালী বন্ধ করেছে ইরান। যার জেরে জ্বালানি সরবরাহ ধাক্কা খেয়েছে। বেঙ্গালুরু, চেন্নাই, মুম্বইয়ের মতো প্রথমসারির শহরে একাধিক রেস্তোরাঁ সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই আবহে আগামী ২৮ মার্চ থেকে শুরু হতে চলা আইপিএল টুর্নামেন্ট আয়োজন নাও হতে পারে বা পিছিয়েও যেতে পারে। এই টুর্নামেন্টে অংশ নিয়ে বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে প্লেয়াররা আসবেন। তাঁদের থাকা, যাতায়াত সবেতেই লাগবে জ্বালানি।

    হোটেলে পর্যাপ্ত জ্বালানির অভাব

    আইপিএল চেয়ারম্য়ান অরুণ ধূমাল জানিয়েছেন, পুরো পরিস্থিতির ওপর নজর রাখা হচ্ছে। সেই মতই সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। আইপিএল আয়োজনের সময় দেশের তো নয়, বিদেশের প্রচুর প্লেয়ার আসেন। তাঁদের থাকা-খাওয়ার বন্দোবস্ত করা হয় বিভিন্ন শহরের ফাইভ স্টার হোটেলগুলোতে। এছাড়াও অনেকের পরিবার-পরিজনরাও আসেন। হোটেলে পর্যাপ্ত জ্বালানির ব্যবস্থা না থাকলে তা বড় সমস্যা হয়ে দাঁড়াবে। মুম্বই, বেঙ্গালুরু, চেন্নাইয়ের মত বড় বড় শহরে গত কয়েক দিন ধরে এলপিজি জ্বালানির সংকট দেখা গিয়েছে।

    যুদ্ধে জ্বলছে পশ্চিম এশিয়া

    যুদ্ধে জ্বলছে পশ্চিম এশিয়া। হরমুজ প্রণালীতে আটকে আছে বহু জাহাজ। প্রভাব পড়েছে অপরিশোধিত তেল সরবরাহে। এই পরিস্থিতিতে জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে ‘নিয়ন্ত্রণ’-এর রাস্তায় হেঁটেছে কেন্দ্র। বাণিজ্যিক গ্যাসের জোগানে টান পড়ায় মুম্বইয়ের অন্তত ২০ শতাংশ হোটেল এবং রেস্তরাঁ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে বলে দাবি করেছে, সেখানকার হোটেল এবং রেস্তোরাঁগুলির সংগঠন ‘আহার’। সংগঠনের দাবি, জোগান স্বাভাবিক না-হলে, কয়েক দিনের মধ্যে শহরের অন্তত ৫০ শতাংশ হোটেল-রেস্তোরাঁ বন্ধ করে দিতে হবে। বাণিজ্য নগরীর পাশাপাশি, এলপিজি সঙ্কটে ভারতের সিলিকন ভ্যালিও। বেঙ্গালুরুতেও দেখা দিয়েছে বাণিজ্যিক সিলিন্ডারের আকাল।

    আইপিএল-এর প্রস্তুতি শুরু

    ইতিমধ্যেই আইপিএল-এর একাধিক ফ্র্যাঞ্চাইজ়ি তাদের ক্যাম্পেইন শুরু করে দিয়েছে। চেন্নাই সুপার কিংস প্রতিদিন ১০ জন প্লেয়ারকে ট্রেনিং দিচ্ছে।পাঞ্জাব কিংসও ১০ জন প্লেয়ারকে নিয়ে প্রস্তুতি শুরু করে দিয়েছে। সমস্যাটা শুধু এলপিজি সরবরাহ নিয়ে নয়। আসল সমস্যাটা হচ্ছে পরিকাঠামো নিয়ে। জ়িম্বাবোয়ে, দক্ষিণ আফ্রিকা, ওয়েস্ট ইন্ডিজ়ের প্লেয়াররা এখনও বাড়ি ফিরতে পারেননি, আর তাঁরা না ফিরলে কী ভাবে আইপিএল-এ অংশগ্রহণ করবেন সেই প্রশ্নটাও থাকছে। পাশাপাশি দুবাইয়ে যেভাবে মাঝেমধ্যেই যাত্রিবাহী বিমান বন্ধ থাকছে তাতে প্লেয়ারদের ভারতে আসাটাও বড় প্রশ্নের মুখে। এই পরিস্থিতিতে বোর্ড কী সিদ্ধান্ত নেয় সেই দিকে নজর সকলের।

    বিধানসভা নির্বাচন নিয়েও সমস্যা

    একাধিক রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচনের জন্য আইপিএলের পূর্ণাঙ্গ সূচি তৈরি করতে সমস্যায় পড়েছেন ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিসিআই) কর্তারা। যদিও ২৮ মার্চ থেকে আইপিএল শুরু হওয়া নিশ্চিত। প্রাথমিক ভাবে প্রথম ২০ দিনের সূচি প্রকাশ করা হবে। পশ্চিমবঙ্গ, অসম, তামিলনাড়ু এবং কেরলে বিধানসভা নির্বাচন হবে। নির্বাচন কমিশন এখনও নির্ঘণ্ট প্রকাশ করেনি। এই পরিস্থিতিতে আইপিএলের সূচি নিয়ে সমস্যায় পড়েছে বিসিসিআই। নির্বাচনের সময় আইপিএলের ম্যাচের নিরাপত্তা নিয়ে সমস্যা হয়। তাই সব দিক খতিয়ে দেখে সিদ্ধান্ত নিতে চাইছেন বিসিসিআই কর্তারা।

  • Inspiring Story: দেশের জন্য মন কাঁদে, মোটা অঙ্কের চাকরির হাতছানি এড়িয়ে দেশেই ফিরলেন বিশ্ববিশ্রুত বাঙালি বিজ্ঞানী

    Inspiring Story: দেশের জন্য মন কাঁদে, মোটা অঙ্কের চাকরির হাতছানি এড়িয়ে দেশেই ফিরলেন বিশ্ববিশ্রুত বাঙালি বিজ্ঞানী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উত্তরপ্রদেশের প্রয়াগরাজের হরিশ্চন্দ্র রিসার্চ ইনস্টিটিউটে গিয়েছেন কখনও? গেলেই হয়তো দেখবেন, আপনার পাশ দিয়ে অতি সাধারণ পোশাক পরে সাইকেল চালিয়ে চলে গেলেন একজন মানুষ (Inspiring Story)। এই ইনস্টিটিউটের বিজ্ঞানী  তিনি। আপনি ভাবতেই পারবেন না যে আপনি পৃথিবীর অন্যতম সেরা একজন পদার্থবিদের পাশ দিয়ে চলে গেলেন, কিংবা সেই সাইকেল চালানো মানুষটি একজন কোটিপতি। ইনি প্রফেসর অশোক সেন (Indian Scientist Ashoke Sen)। একজন ভারতীয় বিজ্ঞানী যিনি নোবেল পুরস্কারের চেয়েও তিনগুণ বেশি অর্থমূল্যের একটি পুরস্কার পেয়েছেন, তবুও তিনি অত্যন্ত সহজ-সরল জীবন যাপন করেন।

    কলকাতায় বেড়ে ওঠা অশোকের

    ১৯৫৬ সালে কলকাতায় জন্মগ্রহণ করেন অশোক। তাঁর বাবা ছিলেন স্কটিশ চার্চ কলেজের পদার্থবিজ্ঞানের শিক্ষক। মা গৃহিণী। ছোটবেলা থেকেই তাঁদের পরিবারে বিজ্ঞানকে খুব সম্মান করা হত। ছোটবেলায় অশোক কোনও বিস্ময়কর প্রতিভাধর শিশু ছিলেন না, তিনি ছিলেন শুধুই কৌতূহলী। তিনি একাদশ শ্রেণি পর্যন্ত বাংলা মাধ্যমের স্কুলে পড়াশোনা করেছিলেন, বোর্ডের পরীক্ষাও বাংলায় দিয়েছিলেন। কলেজে ওঠার পর তাঁকে পদার্থবিজ্ঞানের উত্তর ইংরেজিতে লেখা অনুশীলন করতে হয়, কারণ পরীক্ষাগুলি সেই ভাষায় হত। এটি সহজ ছিল না। তিনি ধীরে ধীরে শিখে নেন। কলকাতার প্রেসিডেন্সি কলেজ থেকে স্নাতক হওয়ার পর তিনি একটি নতুন প্রতিষ্ঠানের কথা শোনেন, আইআইটি কানপুর। সেখানে যাওয়া মানে ছিল বাড়ি ছেড়ে অচেনা শহরে চলে যাওয়া, কিন্তু তাতে ছিল বড় সুযোগ। এক বন্ধুকে নিয়ে তিনি সেই ঝুঁকি নেন, ভর্তি হন আইআইটি কানপুরে। সেই সিদ্ধান্তই বদলে দেয় তাঁর জীবন (Inspiring Story)।

    দেশের জন্য মন কাঁদে

    আইআইটির পাঠ চুকিয়ে উচ্চশিক্ষার জন্য বিদেশে গিয়েছিলেন তিনি। প্রথমে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে পিএইচডি করেন, পরে গবেষণার জন্য গিয়েছিলেন বিশ্বের নামী গবেষণাগারগুলিতে। এর মধ্যে রয়েছে ফার্মিল্যাব এবং স্ট্যানফোর্ড। তাঁর সামনে ছিল অসংখ্য সুযোগ (Indian Scientist Ashoke Sen)। তিনি চাইলে আমেরিকায় মোটা অঙ্কের বেতনের চাকরি নিয়ে স্বচ্ছন্দে জীবন কাটাতে পারতেন। কিন্তু অশোকের মন কাঁদত ভারতের জন্য। তাই বিদেশে থাকার অনেক আকর্ষণীয় প্রস্তাব পাওয়া সত্ত্বেও, তিনি দেশে ফিরে আসার সিদ্ধান্ত নেন। আটের দশকের শেষ দিকে তিনি মুম্বইয়ের টাটা ইন্সটিটিউট অফ ফান্ডামেন্টাল রিসার্চে যোগ দেন। ১৯৯৫ সালে তিনি আসেন প্রয়াগরাজের এই প্রতিষ্ঠানে। বড় শহরের কোলাহল থেকে দূরে তিনি পুরোপুরি গবেষণার কাজে ডুবে যান।

    স্ট্রিং থিওরি

    সেই সময় বিজ্ঞানীরা স্ট্রিং থিওরি নামে একটি জটিল তত্ত্ব নিয়ে লড়াই করছিলেন, যা মহাবিশ্বের মৌলিক নিয়ম ব্যাখ্যা করার চেষ্টা করে। নয়ের দশকে প্রফেসর সেনের কাজ ছিল যুগান্তকারী। তিনি নতুন ধারণা দেন, যার মধ্যে রয়েছে বিখ্যাত ‘সেন কনজেকচার’-ও। এই ধারণা স্ট্রিং থিওরির বিভিন্ন রূপকে একসঙ্গে যুক্ত করতে সাহায্য করে (Indian Scientist Ashoke Sen)। তাঁর গবেষণা এতটাই গুরুত্বপূর্ণ ছিল যে বিজ্ঞানীরা একে “সেকেন্ড সুপারস্ট্রিং রেভেলিউশন” বলে অভিহিত করেন (Inspiring Story)। সহজ কথায়, তাত্ত্বিক পদার্থবিজ্ঞানের নিয়মকেই নতুনভাবে লিখতে সাহায্য করেছেন অশোক। ২০১২ সালে প্রফেসর সেন একটি ফোন কল পান, যা যে কাউকে বিস্মিত করবে। তাঁকে ‘ব্রেকথ্রু প্রাইজ ইন ফান্ডামেন্টাল ফিজিক্সে’র প্রথম বিজয়ী ঘোষণা করা হয়। পুরস্কারের অর্থ? তিন মিলিয়ন ডলার। তুলনা করলে দেখা যায়, এটি নোবেল পুরস্কারের অর্থমূল্যের প্রায় তিন গুণ। প্রতিদিন সাইকেল চালিয়ে অফিসে যাওয়া সেই অধ্যাপকই রাতারাতি হয়ে গেলেন কোটিপতি। সবাই ভাবল তাঁর জীবন বদলে যাবে। তিনি কি দামী গাড়ি কিনবেন? বড় বাড়ি বানাবেন? হয়তো বিলাসবহুল জীবন কাটাবেন?

    অচেনা অশোক

    কিন্তু তাঁরা অশোককে (Indian Scientist Ashoke Sen) চিনতেন না। তিনি পুরস্কারের বড় একটি অংশ দান করে দেন ছাত্রদের সাহায্য এবং ভারতে বৈজ্ঞানিক গবেষণার কল্যাণে। আর পরের দিনই তিনি আবার সাইকেলে চেপে তাঁর ছোট, সাধারণ অফিসে চলে যান। সেখানে তিনি আবার চক হাতে নেন এবং ব্ল্যাকবোর্ডে সমীকরণ লেখা শুরু করেন (Inspiring Story)। তাঁর কাছে আসল আনন্দ ছিল কাজের মধ্যেই, মহাবিশ্ব কীভাবে কাজ করে সেই রহস্যের সমাধান করার নিঃশব্দ আনন্দে। লাখ লাখ ডলার ছিল শুধু একটি উপায়, যাতে তরুণ বিজ্ঞানীরা তাঁদের স্বপ্ন পূরণ করতে পারেন । অশোকের গল্প আমাদের একটি গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা দেয়। এমন এক পৃথিবীতে যেখানে মানুষ সম্পদ আর বাহাদুরি দেখাতেই ব্যস্ত, সত্যিকারের মহত্ত্ব প্রায়ই নীরব রূপে আসে। এটি এমন এক মানুষের মধ্যে দেখা যায়, যিনি চাইলে অনেক গাড়ির মালিক হতে পারতেন (Inspiring Story) কিন্তু বেছে নেন সাইকেল, যিনি পৃথিবীর যে কোনও বোর্ডরুমে বসতে পারতেন, কিন্তু বেছে নেন ধুলোমাখা একটি ব্ল্যাকবোর্ড (Indian Scientist Ashoke Sen)।

  • India Nepal Relation: “ভারত ও নেপালের সম্পর্ককে নয়া উচ্চতায় পৌঁছবে” প্রধানমন্ত্রী মোদিকে ধন্যবাদ জানালেন বলেন্দ্র শাহ

    India Nepal Relation: “ভারত ও নেপালের সম্পর্ককে নয়া উচ্চতায় পৌঁছবে” প্রধানমন্ত্রী মোদিকে ধন্যবাদ জানালেন বলেন্দ্র শাহ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নেপালে নতুন সূর্যোদয়। এতদিন ধরে ক্ষমতার রাশ ধরে থাকা রাজনৈতিক দলগুলিকে কার্যত ধুয়ে মুছে দিয়েছে নেপালের (India Nepal Relation) নয়া রাজনৈতিক দল রাষ্ট্রীয় স্বতন্ত্র পার্টি (আরএসপি)। প্রায় দুই তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে ক্ষমতায় আসছেন নেপালের জেন-জি মুখ বালেন শাহ (Balen Shah To PM Modi)। নেপালের প্রধানমন্ত্রী হচ্ছেন ৩৫ বছরের বলেন্দ্র। তাঁর জয় কার্যত নিশ্চিত হওয়ার পর সোমবার বলেন্দ্রকে ফোন করে অভিনন্দন জানান ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। মঙ্গলবার নেপালের রাষ্ট্রীয় স্বাধীন পার্টির নেতা, বলেন্দ্র প্রধানমন্ত্রী মোদিকে তার শুভেচ্ছার জন্য ধন্যবাদ জানিয়েছেন। পুরুষদের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ জয়ের জন্য শাহ ভারত ক্রিকেট দলকেও শুভেচ্ছা জানিয়েছেন।

    ভারতকে অভিনন্দন বালেন শাহ-র

    প্রধানমন্ত্রী মোদির অভিনন্দন জানিয়ে লেখা পোস্টের জবাবে শাহ লিখেছেন, “শুভেচ্ছার জন্য ধন্যবাদ। আমি আমার আস্থা প্রকাশ করছি যে আমরা আগামী দিনে নেপাল ও ভারতের মধ্যে বিদ্যমান ঐতিহাসিক, ঘনিষ্ঠ এবং বহুমাত্রিক সম্পর্ককে আরও শক্তিশালী, গভীর এবং আরও ফলাফলমুখী করার জন্য একসঙ্গে কাজ করব।” টি-২০ বিশ্বকাপ জয়ের জন্য ভারতকে অভিনন্দন জানিয়ে শাহ বলেন, টানা দুইবার সফলভাবে বিশ্বকাপ শিরোপা জয়ের জন্য ভারত সরকার এবং ভারতীয় জনগণকে আন্তরিক অভিনন্দন। এর আগে, সোমবার প্রধানমন্ত্রী মোদি বালেনের পাশাপাশি আরএসপির চেয়ারম্যান রবি লামিছানের সঙ্গেও কথা বলেন। সেই ফোনালাপের কথা এক্স হ্যান্ডেলে শেয়ার করেন প্রধানমন্ত্রী মোদি। লেখেন, “আরএসপির চেয়ারম্যান রবি লামিছানে এবং অন্যতম নেতা বলেন্দ্র শাহের সঙ্গে কথা হয়েছে। জয়ের জন্য দু’জনকেই অভিনন্দন জানিয়েছি। নতুন সরকারকে শুভেচ্ছা জানানোর পাশাপাশি আমরা দুই দেশের পারস্পরিক সমৃদ্ধি, অগ্রগতি এবং কল্যাণের জন্য একসঙ্গে কাজ করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। আমি নিশ্চিত আমাদের যৌথ প্রচেষ্টা আগামী বছরগুলিতে ভারত ও নেপালের সম্পর্ককে নয়া উচ্চতায় পৌঁছে দেবে।”

    নেপালের জেন-জি মুখ বালেন শাহ

    উল্লেখ্য, গত বছরের সেপ্টেম্বরে জেন জি আন্দোলনের জেরে ওলি প্রধানমন্ত্রীর পদ ছেড়ে পালিয়ে যান। এরপর দেশের সুপ্রিম কোর্টের প্রাক্তন প্রধান বিচারপতি সুশীলা কারকি অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধানমন্ত্রী হিসাবে শপথ নেন। বিভিন্ন স্তরে আলাপ-আলোচনা শেষে সে দেশের নির্বাচন কমিশন ৫ মার্চ পার্লামেন্ট নির্বাচনের দিন ঘোষণা করে। সেইমতো বৃহস্পতিবার নেপালে ১৬৫টি আসনে ভোট গ্রহণ হয়। লড়াইয়ে ছিল ৬৫টি রাজনৈতিক দল। রাজনৈতিক বিশ্লেষক মহলে এবারের নির্বাচনে কোনও দলের একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে সন্দেহ ছিল। কেউ ভাবতে পারেননি প্রাক্তন র‍্যাপার বালেন শাহের নেতৃত্বে নবগঠিত রাষ্ট্রীয় স্বতন্ত্র পার্টি (আরএসপি) সংসদীয় নির্বাচনে প্রথম সারির প্রার্থী হিসেবে আবির্ভূত হবে। কিন্তু সেটাই হতে চলেছে। কারণ, নেপালের জেন জি-র বড় অংশের পছন্দ ছিলেন বালেন শাহ। কমিশনের রিপোর্ট বলছে, ১৬৫ আসনের মধ্যে ১২৫ আসনে জয় পেয়েছে আরএসপি। ওলির দল কমিউনিস্ট পার্টি অফ নেপাল ৮টি আসন জয়ের পথে। নেপালি কংগ্রেসও দুই অঙ্ক পার করতে পারেনি।

  • Early Diabetes: কৈশোর পেরিয়েই ডায়াবেটিসে আক্রান্ত হচ্ছেন ভারতীয় মহিলারা! কীভাবে সুস্থ থাকবেন?

    Early Diabetes: কৈশোর পেরিয়েই ডায়াবেটিসে আক্রান্ত হচ্ছেন ভারতীয় মহিলারা! কীভাবে সুস্থ থাকবেন?

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    ভারতে বাড়ছে ডায়াবেটিসের বোঝা! আর গত কয়েক বছরে ভারতীয় মহিলাদের মধ্যে ডায়াবেটিস আক্রান্তের সংখ্যা কয়েক গুণ বেড়েছে। কৈশোর পার করার পরেই ভারতীয় মেয়েদের শরীরে ডায়াবেটিস হানা দিচ্ছে। আর সে সম্পর্কে সম্পূর্ণ অজ্ঞাত থাকাই, ভারতীয় মহিলাদের ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। এমনটাই জানাচ্ছেন চিকিৎসকদের একাংশ। আগামী কয়েক বছরে ভারতীয় মহিলাদের সুস্থ জীবন যাপনের পথে সবচেয়ে বড় অন্তরায় হয়ে উঠবে ডায়াবেটিস। এমনটাই আশঙ্কা করছেন বিশেষজ্ঞরা।

    কী বলছে সাম্প্রতিক তথ্য?

    ভারতের স্বাস্থ্য মন্ত্রকের তরফে জানানো হয়েছে, ভারতে সবচেয়ে বেশি বিপজ্জনক অসংক্রমিত রোগের তালিকায় প্রথম সারিতেই রয়েছে ডায়াবেটিস। এই রোগে আক্রান্তের সংখ্যা ক্রমশ বাড়ছে। তথ্য অনুযায়ী, ভারতে ১০ কোটি মানুষ টাইপ টু ডায়াবেটিসে আক্রান্ত। ১৫ বছরের উর্ধ্বে ভারতীয় মহিলাদের প্রায় ৫ শতাংশ ডায়াবেটিস আক্রান্ত। ভারতে মোট মহিলা মৃত্যুর ৫ শতাংশ ডায়াবেটিসের কারণে মারা যান। ভারতীয় গর্ভবতী মহিলাদের মধ্যে প্রায় ১৬ শতাংশের গর্ভকালীন ডায়াবেটিস ধরা পড়ে। অর্থাৎ পরিসংখ্যান জানান দিচ্ছে, এ দেশে মহিলাদের মধ্যে ডায়াবেটিসের প্রকোপ বাড়ছে। যা আগামী প্রজন্মের জন্যও বিপজ্জনক হয়ে উঠছে। বয়ঃসন্ধিকাল থেকেই এই রোগে আক্রান্ত হলে পরবর্তী জীবনে একাধিক জটিলতা তৈরি হতে পারে। সুস্থ জীবন যাপনের পথে অন্তরায় হয়ে ওঠে।

    কেন ভারতীয় মহিলাদের মধ্যে ডায়াবেটিসের প্রকোপ বাড়ছে?

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, ভারতীয় মহিলাদের জীবন যাপন ও খাদ্যাভ্যাসের ধরনের জেরেই ডায়াবেটিসের প্রকোপ বাড়ছে। তাঁরা জানাচ্ছেন, ভারতীয় মহিলাদের শারীরিক কার্যকলাপ কমছে। অর্থাৎ নিয়মিত পর্যাপ্ত সময় ব্যায়াম করা, যোগাভ্যাস করা কিংবা নিয়মিত হাঁটার অভ্যাস থাকছে না। এর ফলে স্থুলতা বাড়ছে। তাছাড়া চটজলদি প্যাকেটজাত খাবারে অনেকেই কম বয়স থেকেই অভ্যস্থ হয়ে উঠছে। এর ফলে রক্তে শর্করার পরিমাণ বেড়ে যাচ্ছে। হরমোন ঘটিত ভারসাম্যের অভাব দেখা দিচ্ছে। এগুলো ডায়াবেটিসের ঝুঁকি বাড়িয়ে দেয়।

    মহিলাদের ডায়াবেটিস চিকিৎসায় সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ কী?

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, ভারতীয় মহিলাদের ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ, রোগ নির্ণয় না হওয়া। তাঁরা জানাচ্ছেন, অধিকাংশ ভারতীয় মহিলার ডায়াবেটিস পরীক্ষা হয় না। ফলে, তিনি আক্রান্ত কিনা সে সম্পর্কে ওয়াকিবহাল থাকেন না। তাই রোগের চিকিৎসাও হয় না। স্ত্রীরোগ বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, ভারতীয় মহিলাদের একাংশ গর্ভবতী হওয়ার পরে জানতে পারেন, তিনি ডায়াবেটিস আক্রান্ত! এক স্ত্রীরোগ বিশেষজ্ঞ বলেন, “অনেকক্ষেত্রে হয়তো মহিলা বয়ঃসন্ধিকাল থেকে ডায়াবেটিস আক্রান্ত। কিন্তু সে রোগ সম্পর্কে জানেন না। কারণ তাঁর কোনো পরীক্ষা হয়নি। গর্ভবতী হওয়ার ক্ষেত্রে জটিলতা হওয়ার জন্য তিনি পরীক্ষা করে রোগ সম্পর্কে জানতে পারলেন। ফলে অনেকটাই দেরি হয়ে যায়। চিকিৎসাও জটিল হয়ে যায়! ” চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, বয়ঃসন্ধিকালে একাধিক লক্ষণ ডায়াবেটিস আক্রান্ত জানান দেয়। কিন্তু সে সম্পর্কে সজাগ না থাকলে বিপদ বাড়ে!

    কীভাবে ডায়াবেটিসের প্রকোপ কমাবেন?

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, ভারতীয় মহিলাদের দীর্ঘ সুস্থ জীবন‌ যাপনের জন্য নিয়মিত ডায়বেটিস পরীক্ষা করানো জরুরি। তাঁদের পরামর্শ, বয়স ২৫ পার হলেই ভারতীয় মহিলাদের বছরে অন্তত একবার রক্ত পরীক্ষা করানো জরুরি। শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রয়েছে কিনা, সে সম্পর্কে ওয়াকিবহাল থাকা প্রয়োজন। রোগ নির্ণয় হলে তবেই চিকিৎসা সম্ভব। তাছাড়া প্রথম থেকেই নিয়মিত শারীরিক কসরতের দিকে নজরদারি প্রয়োজন। বিশেষত শহুরে মেয়েদের শারীরিক কসরতের সুযোগ কমছে। তাই প্রতিদিন নিয়ম করে এক ঘণ্টা যোগাভ্যাস কিংবা হাঁটার মতো এমন কিছু কার্যকলাপ করা জরুরি, যাতে ক্যালোরি ক্ষয় হয়। খাদ্যাভাসের ক্ষেত্রেও সুষম আহারের দিকে নজর দেওয়া প্রয়োজন। পেট ভরানোর জন্য অতিরিক্ত পরিমাণে ভাত বা রুটি খাওয়া নয়। ভাত-রুটির পরিমাণ নিয়ন্ত্রণে রেখে সব্জি, ডাল, প্রোটিন জাতীয় খাবার খাওয়া দরকার। বাড়ির তৈরি খাবার খেলে তবেই শরীরের একাধিক রোগের ঝুঁকি কমবে।

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

  • Daily Horoscope 11 March 2026: সঙ্গীতচর্চায় নতুন রাস্তা খুলতে পারে এই রাশির জাতকদের

    Daily Horoscope 11 March 2026: সঙ্গীতচর্চায় নতুন রাস্তা খুলতে পারে এই রাশির জাতকদের

    চাকরি থেকে ব্যবসা, বন্ধু থেকে ব্যক্তিগত জীবন, ভ্রমণ থেকে স্বাস্থ্য—কী বলছে ভাগ্যরেখা? কেমন কাটতে পারে দিন?

    মেষ

    ১) কর্মদক্ষতায় চাকরির স্থানে সুনাম অর্জন করতে পারবেন।

    ২) বিষয়সম্পত্তি নিয়ে সংসারে অশান্তি হতে পারে।

    ৩) দিনটি প্রতিকূল।

    বৃষ

    ১) কোনও ভয় আপনাকে চিন্তায় ফেলতে পারে।

    ২) স্ত্রীর জন্য বিশেষ কাজের সুযোগ পাবেন।

    ৩) দিনটিতে বিবাদে জড়াবেন না।

    মিথুন

    ১) মাতৃস্থানীয়া কারও সঙ্গে মতবিরোধ হতে পারে।

    ২) সঙ্গীতচর্চায় নতুন রাস্তা খুলতে পারে।

    ৩) দিনটি প্রতিকূল।

    কর্কট

    ১) কোনও ভালো জিনিস নষ্ট হওয়ার যোগ।

    ২) বন্ধুদের দিক থেকে ক্ষতি হতে পারে।

    ৩) সবাই আপনার প্রশংসা করবে।

    সিংহ

    ১) অভিজ্ঞ ব্যক্তির পরামর্শে আইনি সুরক্ষা পেতে পারেন।

    ২) প্রতিযোগিতায় জেতার আশা রাখতে পারেন।

    ৩) ধৈর্য্য ধরতে হবে বেশি।

    কন্যা

    ১) মাত্রাছাড়া আবেগ আপনার ক্ষতি ডেকে আনতে পারে।

    ২) কর্মক্ষেত্রে জটিলতা কাটতে পারে।

    ৩) সবাইকে বিশ্বাস করবেন না।

    তুলা

    ১) কর্মক্ষেত্রে দায়িত্ব পালন নিয়ে ঝামেলা বাধতে পারে।

    ২) শরীরের সমস্যায় বহু অর্থ ব্যয় হতে পারে।

    ৩) দিনটি প্রতিকূল।

    বৃশ্চিক

    ১) সকলের সঙ্গে কথা খুব বুঝে বলবেন।

    ২) সন্তানদের নিয়ে সংসারে কলহ সৃষ্টি হতে পারে।

    ৩) ধর্মস্থানে যেতে পারেন।

    ধনু

    ১) শারীরিক সমস্যা থেকে মুক্তি পাবেন।

    ২) ঘরের পরিবেশ অনুকূল থাকলেও বাইরে পরিবেশ খুব একটা উপযুক্ত হবে না।

    ৩) সংযমী হতে হবে।

    মকর

    ১) চাকরির ক্ষেত্রে দিনটি খুব ভালো।

    ২) সন্তানদের বিষয়ে উদ্বেগ থাকবে।

    ৩) আধ্যাত্মিকতায় মনোনিবেশ।

    কুম্ভ

    ১) কর্মক্ষেত্রে কেউ আপনাকে ঠকাতে পারে।

    ২) সাংসারিক সমস্যার সমাধান হতে পারে।

    ৩) বন্ধুদের সাহায্য পাবেন।

    মীন

    ১) অতিরিক্ত ক্রোধের জন্য হাতে আসা কাজ নষ্ট হতে পারে।

    ২) উচ্চশিক্ষার পরিকল্পনায় সফল হবেন।

    ৩) ভালো-মন্দ মিশিয়ে কাটবে দিনটি।

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না।

  • Ramakrishna 599: “ছোকরাদের অত ভালবাসি কেন, জান? ওরা খাঁটি দুধ, একটু ফুটিয়ে নিলেই হয়—ঠাকুর সেবায় চলে”

    Ramakrishna 599: “ছোকরাদের অত ভালবাসি কেন, জান? ওরা খাঁটি দুধ, একটু ফুটিয়ে নিলেই হয়—ঠাকুর সেবায় চলে”

    ৫২ শ্যামপুকুর বাটীতে ভক্তসঙ্গে ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ

    দ্বাদশ পরিচ্ছেদ

    ১৮৮৫, ২৩শে অক্টোবর
    ছোট নরেন প্রভৃতির ভাবাবস্থা — সন্ন্যাসী ও গৃহস্থের কর্তব্য

    গান সমাপ্ত হইল। ভক্তেরা অনেকে ভাবাবিষ্ট। নিস্তব্ধ হইয়া বসিয়া আছেন। ছোট নরেন ধ্যানে মগ্ন। কাষ্ঠের ন্যায় বসিয়া আছেন।

    শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna) ছোট নরেনকে দেখাইয়া, ডাক্তারকে—এ অতি শুদ্ধ। বিষয়-বুদ্ধির লেশ এতে লাগে নাই।

    ডাক্তার নরেনকে দেখিতেছেন। এখনও ধ্যানভঙ্গ হয় নাই।

    মনোমোহন (ডাক্তারের প্রতি, সহাস্যে)—আপনার ছেলের কথায় বলেন, ‘ছেলেকে যদি পাই, বাপকে চাই না।’

    ডাক্তার—অই তো!—তাইতো বলি, তোমরা ছেলে নিয়েই ভোলো! (অর্থাৎ ঈশ্বরকে ছেড়ে অবতার বা ভক্তকে নিয়ে ভোলো।)

    শ্রীরামকৃষ্ণ (সহাস্যে)—বাপকে চাই না—তা বলছি না।

    ডাক্তার—তা বুঝিছি!—এরকম দু-একটা না বললে হবে কেন?

    শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna)—তোমার ছেলেটি বেশ সরল। শম্ভু রাঙামুখ করে বলেছিল। ‘সরলভাবে ডাকলে তিনি শুনবেনই শুনবেন।’ ছোকরাদের অত ভালবাসি কেন, জান? ওরা খাঁটি দুধ, একটু ফুটিয়ে নিলেই হয়—ঠাকুর সেবায় চলে।

    “জোলো দুধ অনেক জ্বাল দিতে হয় — অনেক কাঠ পুড়ে যায়।

    “ছোকরারা যেন নূতন হাঁড়ি—পাত্র ভাল—দুধ নিশ্চিন্ত হয়ে রাখা যায়। তাদের জ্ঞানোপদেশ দিলে শীঘ্র চৈতন্য (Kathamrita) হয়। বিষয়ী লোকদের শীঘ্র হয় না। দই পাতা হাঁড়িতে দুধ রাখতে ভয় হয়, পাছে নষ্ট হয়!

    “তোমার ছেলের ভিতর বিষয়বুদ্ধি—কামিনী-কাঞ্চন—ঢোকে নাই।”

    ডাক্তার—বাপের খাচ্চেন, তাই! —

    “নিজের করতে হলে দেখতুম, বিষয়বুদ্ধি ঢোকে কি না।।

    সন্ন্যাসী ও নারীত্যাগ — সন্ন্যাসী ও কাঞ্চনত্যাগ 

    শ্রীরামকৃষ্ণ — তা বটে, তা বটে। তবে কি জানো, তিনি বিষয়বুদ্ধি থেকে অনেক দূর, তা না হলে হাতের ভিতর। (সরকার ও ডাক্তার দোকড়ির প্রতি) কামিনী-কাঞ্চনত্যাগ আপনাদের পক্ষে নয়। আপনারা মনে ত্যাগ করবে। গোস্বামীদের তাই বললাম — তোমরা ত্যাগের কথা কেন বলছো? — ত্যাগ করলে তোমাদের চলবে না — শ্যামসুন্দরের সেবা রয়েছে।

    “সন্ন্যাসীর পক্ষে ত্যাগ। তারা স্ত্রীলোকের চিত্রপট পর্যন্ত দেখবে না। মেয়েমানুষ তাদের পক্ষে বিষবৎ। অন্ততঃ দশহাত অন্তরে, একান্তপক্ষে একহাত অন্তরে থাকবে। হাজার ভক্ত স্ত্রীলোক হলেও তাদের সঙ্গে বেশি আলাপ করবে না।

  • Pakistan: মেরামতির চেষ্টা ব্যর্থ, গুরুত্বপূর্ণ কমান্ড-অ্যান্ড-কন্ট্রোল কেন্দ্র ভাঙল পাকিস্তান

    Pakistan: মেরামতির চেষ্টা ব্যর্থ, গুরুত্বপূর্ণ কমান্ড-অ্যান্ড-কন্ট্রোল কেন্দ্র ভাঙল পাকিস্তান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গুরুত্বপূর্ণ একটি কমান্ড-অ্যান্ড-কন্ট্রোল কেন্দ্র মেরামত ও পুনরুদ্ধারের চেষ্টা করছিল পাক বিমানবাহিনী (PAF)। তাদের সেই চেষ্টা ব্যর্থ হয়েছে। তাই কেন্দ্রটি (Pakistan) ভেঙে দেওয়া হয়েছে বলে উপগ্রহ চিত্রে ইঙ্গিত মিলেছে। এই কেন্দ্রটি পাকিস্তানের প্রধান মুরিদ বিমানঘাঁটি, যা চকওয়াল এলাকার কাছে অবস্থিত (Operation Sindoor)।

    মুরিদ এয়ার বেসে মেরামত (Pakistan)

    সংবাদ মাধ্যমের কাছে থাকা ভ্যান্টরের ২৮ ফেব্রুয়ারির একটি স্যাটেলাইট ছবিতে দেখা গিয়েছে, মুরিদ এয়ার বেসে মেরামতের কাজ সফল হয়নি। ভবনের মাঝের অংশটি আগে বিমান হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল এবং পরে ত্রিপল দিয়ে সেটি ঢেকে রাখা হয়েছিল। এখন সেখানে অনিয়মিত গোলাপি-লাল ধ্বংসাবশেষ এবং মাটি দেখা যাচ্ছে, যা সফলভাবে পুনর্নির্মাণের বদলে ভবন ভেঙে ফেলা বা ধসে পড়ার ইঙ্গিত বলেই ধারণা ওয়াকিবহাল মহলের। ২০২৫ সালের মে মাসের হামলার দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব প্রায় দশ মাস পরেও স্পষ্টভাবে দৃশ্যমান। স্যাটেলাইট চিত্র বিশ্লেষক ডেমিয়েন সাইমন বলেন, “সাম্প্রতিক ছবিতে এখন নিশ্চিত হয়েছে যে ভবনটি সম্পূর্ণভাবে ভেঙে ফেলা হয়েছে।” তিনি বলেন, “এটি ইঙ্গিত করে যে হামলার প্রভাব শুধু ছাদেই সীমাবদ্ধ ছিল না, বরং ভবনের অভ্যন্তরীণ কাঠামোর গভীর অংশ পর্যন্ত পৌঁছেছিল। প্রায় ৩৫×৩০ মিটার আকারের এই কাঠামোটি ভেঙে ফেলার সিদ্ধান্ত থেকেই বোঝা যায় যে বিমান হামলার ফলে ভবনের ভেতরে গুরুতর ক্ষতি হয়েছিল, যার ফলে এটি মেরামতের অযোগ্য হয়ে পড়ে, নিরাপদও নয়।”

    পাকিস্তানের বিমানঘাঁটিতে হামলা

    ২০২৫ সালের ১০ মে ভোর ২টা থেকে ৫টার মধ্যে ভারতীয় বিমানবাহিনী পাকিস্তানের দশটি বিমানঘাঁটিতে হামলা চালায় (অপারেশন সিঁদুর), যার মধ্যে মুরিদও ছিল। কয়েক ঘণ্টা পরেই পাকিস্তান যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব দিয়ে সংঘাত বন্ধে আলোচনা শুরু করে (Operation Sindoor)। এই প্রতিবেদনে যে কাঠামোটির কথা বলা হয়েছে, সেটি এই ঘাঁটির ভেতরে থাকা একটি কমপ্লেক্স থেকে পরিচালিত মানববিহীন আকাশযানের (UAV) জন্য একটি কমান্ড-অ্যান্ড-কন্ট্রোল কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহৃত হত বলেই অনুমান। একই ঘাঁটিতে ভারতীয় বিমানবাহিনী একটি ভূগর্ভস্থ কাঠামোয়ও হামলা চালিয়েছিল বলে মনে করা হচ্ছে (Pakistan)।

    গোলাবারুদের আঘাতে তৈরি গর্ত

    এর আগে সংবাদ মাধ্যমের একটি প্রতিবেদনে দেখা যায়, ওই ভূগর্ভস্থ কাঠামোর দুটি প্রবেশপথের একটির মাত্র ৩০ মিটার দূরে প্রায় ৩ মিটার প্রশস্ত গোলাবারুদের আঘাতে তৈরি একটি গর্ত রয়েছে। সাইমন বলেন, “ভারতের মে ২০২৫-এর বিমান হামলার পর সংগৃহীত স্যাটেলাইট ছবিতে দেখা যাচ্ছে যে ভবনের ছাদ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। পরে ক্ষয়ক্ষতির মূল্যায়ন চলাকালীন সেটি ত্রিপল দিয়ে ঢেকে রাখা হয়। ডিসেম্বর ২০২৫-এর পরে তোলা ছবিতে দেখা যায় পুরো কাঠামোটি ত্রিপল ও রিপেয়ারিং নেট দিয়ে ঢেকে রাখা হয়েছে, যা মেরামতের কাজ শুরু হওয়ার ইঙ্গিত দেয় (Operation Sindoor)।”

    ক্ষয়ক্ষতির ছবি স্পষ্ট

    ১০ মে ২০২৫-এর স্যাটেলাইট ছবিতে হামলার কিছুক্ষণ পরেই কেন্দ্রীয় ভবনগুলিতে স্পষ্ট ক্ষয়ক্ষতির ছবি দেখা যায়। ক্ষতির ধরন, ছাদে নির্দিষ্ট জায়গায় প্রবেশ করে ভেতরে ধস নামা, ইঙ্গিত দেয় যে এটি শুধু সাধারণ বিস্ফোরণের ফল নয়। বরং এটি এমন পেনিট্রেটর ওয়ারহেড ব্যবহারের সম্ভাবনা দেখায় যা শক্ত কংক্রিট ভেদ করে ভেতরে বিস্ফোরণ ঘটানোর জন্য তৈরি। সামরিক কমান্ড সেন্টারের মতো শক্তভাবে সুরক্ষিত টার্গেটে সাধারণত এই ধরনের অস্ত্রই ব্যবহৃত হয় (Pakistan)।

    স্ক্যাল্প মিসাইল

    ভারতীয় বিমানবাহিনী কখনও প্রকাশ্যে বলেনি কোন টার্গেটে তারা কোন অস্ত্র ব্যবহার করেছে। তবে ক্ষতির ধরন এবং নিয়ন্ত্রণরেখা (LoC) এবং আন্তর্জাতিক সীমান্ত থেকে দূরত্ব বিবেচনায় ধারণা করা হচ্ছে যে ভারতীয় আকাশসীমা থেকেই রাফাল যুদ্ধবিমান থেকে নিক্ষেপ করা স্ক্যাল্প (SCALP) এয়ার-টু-সারফেস প্রিসিশন মিসাইল ব্যবহার করা হয়ে থাকতে পারে (Operation Sindoor)। স্ক্যাল্প মিসাইল প্রায় ৪৫০ কেজি ওজনের বহু-ধাপবিশিষ্ট পেনিট্রেটর ব্যবস্থায় সজ্জিত হতে পারে। প্রথম ধাপটি একটি প্রাথমিক শেপড চার্জ, যা শক্ত কংক্রিটের মতো বাহ্যিক স্তর ভেঙে একটি প্রবেশপথ তৈরি করে। এরপর প্রধান বিস্ফোরক বহনকারী দ্বিতীয় ধাপটি কাঠামোর গভীরে ঢুকে বিস্ফোরিত হয়, ফলে ভেতরে শার্পনেল ও অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি করে ব্যাপক ক্ষতি করে (Pakistan)।

    মেরামতের চেষ্টাও ব্যর্থ

    ২০২৫ সালের ২ জুন, অর্থাৎ হামলার প্রায় তিন সপ্তাহ পরের স্যাটেলাইট ছবিতে দেখা গিয়েছে ক্ষতিগ্রস্ত কেন্দ্রীয় ভবনের একটি অংশ সবুজ ত্রিপল দিয়ে ঢেকে রাখা হয়েছে, যা প্রাথমিক পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা ও ক্ষয়ক্ষতির মূল্যায়নের ইঙ্গিত দেয়। তখনও বড় ধরনের পুনর্নির্মাণ শুরু হয়নি। ডিসেম্বরের স্যাটেলাইট ছবিতে দেখা গিয়েছে, ক্ষতিগ্রস্ত অংশটি বড় লাল ত্রিপল দিয়ে পুরোপুরি ঢেকে রেখে মেরামতের চেষ্টা চলছিল। তবে কোনও নতুন স্থায়ী ছাদ বা কাঠামোগত মেরামতের স্পষ্ট চিহ্ন দেখা যায়নি, যা ধীরগতির বা জটিল পুনর্নির্মাণের ইঙ্গিত দেয় (Operation Sindoor)। এই প্রতিবেদনে প্রকাশিত নতুন স্যাটেলাইট ছবিটি দেখাচ্ছে যে শেষ পর্যন্ত সেই মেরামতের চেষ্টাও ব্যর্থ হয়েছে (Pakistan)।

     

LinkedIn
Share