Tag: news in bengali

news in bengali

  • Andhra Pradesh: হাইওয়েতে উড়ছে টাকা, টেম্পো থেকে উদ্ধার থরে থরে বিপুল টাকা! চাঞ্চল্য

    Andhra Pradesh: হাইওয়েতে উড়ছে টাকা, টেম্পো থেকে উদ্ধার থরে থরে বিপুল টাকা! চাঞ্চল্য

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হাইরোডে যেন টাকা কুড়ানোর ধুম লেগে গেছে। জাতীয় সড়কের উপর দিয়ে যাওয়ার সময় একটি ছোটা হাতি এবং আরেকটি টেম্পোকে ধাক্কা দেয় একটি ট্রাক। এরপর নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে উল্টে যায় টেম্পো। এবার এই টেম্পো থেকে হাওয়ায় উড়তে থাকে টাকা। পরে পুলিশ এসে টেম্পোর ভিতর থেকে উদ্ধার হয় কয়েক বাক্সে কোটি কোটি টাকা। ঘটনায় চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে অন্ধ্রপ্রদেশে (Andhra Pradesh)।

    কোথায় ঘটেছে ঘটনা (Andhra Pradesh)

    স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, আর একদিন বাদেই লোকসভার চতুর্থ দফার নির্বাচন, ইতিমধ্যে অন্ধ্রপ্রদেশের (Andhra Pradesh) জাতীয় সড়ক থেকে উদ্ধার হয়েছে এই বিপুল পরিমাণ টাকা। পূর্ব গোদাবরী জেলার একটি সড়ক দুর্ঘটনার জেরে এই কোটি কোটি টাকার সন্ধান মিলেছে। পুলিশ উল্টে যাওয়া টেম্পো থেকে বাক্সে বন্দি করা থরে থরে টাকা উদ্ধার করে। প্রথমে পথ চলতি মানুষ ঘটনার কথা জানিয়ে পুলিশে খবর দেন। এরপর পুলিশ এসে ওই টেম্পো থেকে ৭ কোটি টাকা উদ্ধার করেন। আরও জানা গিয়েছিল গাড়িটি বিজয়ওয়াড়া থেকে বিশাখাপত্তনমের দিকে যাচ্ছিল। হঠাৎ দুর্ঘটনা ঘটলে এই বিপত্তি ঘটে। ইতিমধ্যে গাড়ির চালককে গুরুতর অবস্থায় গোপালপুরম হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। ইতিমধ্যে পুলিশ সেই টাকা বাজেয়াপ্ত করেছে। কিন্তু টাকার মালিক কে তা এখনও জানা যায়নি।

    আগেও উদ্ধার হয়েছে টাকা

    উল্লেখ্য লোকসভার ভোটে এই ভাবে টাকা উদ্ধারের ঘটনা এই প্রথম নয়, আগেও অনেক নগদ অঙ্কের টাকা উদ্ধার হয়েছে। এই রাজ্য বাংলায় হাওড়া স্টেশন থেকে একাধিক বার রাজধানী এক্সপ্রেস থেকে উদ্ধার করা হয়েছে বিপুল পরিমাণ টাকা। আবার দক্ষিণের এই রাজ্যে গত ১০ মে পুলিশ পাইপ বোঝাই একটি ট্রাক থেকে ৮ কোটি টাকা উদ্ধার করেছে। অন্ধ্রপ্রেদেশের মোট ২৫ টি লোকসভার আসন। আগামীকাল ১৩ মে এই রাজ্যের নির্বাচন। ঘটনায় এলাকায় তীব্র চাঞ্চল্য তৈরি করেছে।

    আরও পড়ুন: কল্যাণের অস্থাবর সম্পত্তি ২৪ কোটির বেশি, রয়েছে দুটি গাড়ি, দিল্লি-কালীঘাটে ফ্ল্যাট   

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Lok Sabha Election 2024: “গণতন্ত্রের জন্য আকাশ পথে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে”, কপ্টারে ভোটকর্মীদের পাঠিয়ে বলল কমিশন

    Lok Sabha Election 2024: “গণতন্ত্রের জন্য আকাশ পথে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে”, কপ্টারে ভোটকর্মীদের পাঠিয়ে বলল কমিশন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গণতন্ত্রের উৎসবে (Lok Sabha Election 2024) যাতে সবাই শামিল হতে পারেন, তাই হেলিকপ্টারে করে ভোট কর্মীদের নিয়ে যাওয়া হচ্ছে বুথে। এ ছবি ঝাড়খণ্ডের মাও অধ্যুষিত সিংভূমের। ঝাড়খণ্ডে নির্বাচন ১৩ মে, সোমবার। এমতাবস্থায় ভোটকর্মীদের বুথে পাঠানোর কাজ শুরু হয়ে গিয়েছে। কোথাও ট্রেনে করে, কোথাও আবার হেলিকপ্টারে করে ভোটকর্মীদের নিয়ে যাওয়া হচ্ছে বুথে।

    বিশেষ ব্যবস্থা (Lok Sabha Election 2024)

    পশ্চিম সিংভূমের ডেপুটি কমিশনার কুলদীপ চৌধুরী বলেন, “শনিবার চক্রধরপুর থেকে রৌরকেল্লায় একটি বিশেষ ট্রেনে করে মোট ৯৫টি পোলিং টিমকে পাঠানো হয়েছিল। মনোহরপুর, জারাইকেলা এবং পোসাইতা স্টেশনে পৌঁছে তাঁরা গাড়ি ধরবেন এবং পায়ে হেঁটে নির্দিষ্ট বুথে পৌঁছবেন।” তিনি জানান, ৭৮টি পোলিং পার্টিকে পাঠানো হয়েছে হেলিকপ্টারে করে। কুলদীপ বলেন, “মাও-অধ্যুষিত এলাকায় তাঁদের পৌঁছে দিতে তিনটি চপারও কাজে লাগানো হয়েছে। মনোহরপুর ও জগন্নাথপুরের প্রত্যন্ত এলাকায় এভাবেই পৌঁছে দেওয়া হয়েছে পোলিং স্টাফদের।” তিনি (Lok Sabha Election 2024) বলেন, “অবাধ ও স্বচ্ছ নির্বাচন করতে আমরা ইভিএমগুলির ওপর লাইভ ট্র্যাকিং করছি। জিপিএস-যুক্ত যানবাহনের মাধ্যমে পোলিং পার্টিদের সঙ্গেও নিয়মিত যোগাযোগ রাখছি।” তিনি জানান, পর্যাপ্ত পরিমাণ নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হয়েছে। ইতিমধ্যেই চক্রধরপুরে পৌঁছে গিয়েছেন বিএসএফ এবং সিএপিএফের জওয়ানরা।

    কী বলছে কমিশন?

    এদিকে, এক্স হ্যান্ডেলে একটি পোস্টে নির্বাচন কমিশনের তরফে একগুচ্ছ ছবি পোস্ট করা হয়েছে। যেখানে দেখা যাচ্ছে, পোলিং পার্টি ও ভোটের সরঞ্জাম পাঠানো হচ্ছে ট্রেনে করে। লেখা হয়েছে, “আমরা প্রস্তুত! আপনিও কি প্রস্তুত। ঝাড়খণ্ডের পশ্চিম সিংভূমের পোলিং পার্টিকে তাদের গন্তব্যে পৌঁছানো হচ্ছে বিশেষ ট্রেনে করে। গণতন্ত্রের জন্য আকাশপথেও নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। পোলিং পার্টিরা ঝাড়খণ্ডের প্রত্যন্ত এলাকায় পৌঁছচ্ছেন। প্রতিটি ভোট যাতে বাক্সে পড়ে, তাই এই ব্যবস্থা। নির্বাচন কমিশনের তরফে বলা হয়েছে, একজন ভোটারও যাতে বাদ না পড়েন, সেজন্য আমরা দায়বদ্ধ। আমরা এমন অনেক জায়গা চিহ্নিত করেছি, যেসব জায়গায় এবারই প্রথম ভোট হচ্ছে। কোথাও আবার ভোট হচ্ছে দু’দশক পরে। কারণ এই সব এলাকায় এক (Lok Sabha Election 2024) সময় দাপিয়ে বেড়াচ্ছিল মাওবাদীরা।”

    আরও পড়ুুন: “পঁচাত্তরের পরেও প্রধানমন্ত্রী থাকবেন মোদিই”, জনসভায় দাবি শাহের

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Anubrata Mondal: অনুব্রতের বাড়িতে উড়ছে ‘জয় শ্রীরাম’ লেখা পতাকা! কটাক্ষ বিরোধীদের

    Anubrata Mondal: অনুব্রতের বাড়িতে উড়ছে ‘জয় শ্রীরাম’ লেখা পতাকা! কটাক্ষ বিরোধীদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বীরভূমের (Bribhum) জেলা তৃণমূল সভাপতি তথা জেলবন্দি অনুব্রত মণ্ডলের (Anubrata Mondal)বোলপুরের বাড়িতে উড়ছে ‘জয় শ্রীরাম’-এর পতাকা। অনুব্রত জেলবন্দি থাকলেও পুলিশের নিরাপত্তাতেই রয়েছে দাপুটে এই তৃণমূল নেতার বাড়ি। কিন্তু তার মধ্যেই শনিবার সকালে দেখা গেল অন্য ছবি। পুলিশের ঘেরাটোপের মধ্যেও অনুব্রতর বাড়ির ছাদে উড়ল গেরুয়া পতাকা। যা নিয়ে ইতিমধ্যেই তৈরি হয়েছে নতুন বিতর্ক। 

    কে লাগাল পতাকা? (Anubrata Mondal)

    এক বছরের বেশির সময় বোলপুরের এই বাড়িতে নেই অনুব্রত (Anubrata Mondal) ও তাঁর কন্যা সুকন্যা। তিহাড় জেলে বন্দি তারা। তাঁর স্ত্রী গত হয়েছেন বেশ কয়েক বছর আগে। তবে কে লাগাল পতাকা? আগে একটা সময় ওই বাড়ির নীচে লাইন পড়ত মানুষের। এখন ফাঁকা পড়ে বাড়ি। নিরাপত্তারক্ষীরাই পাহারা দেন। মাঝে মাঝে আত্মীয়স্বজনরা আসেন। এছাড়া বাড়ির কাজের লোকেরাও মাঝে মধ্যে এসে ঘর পরিষ্কার করেন। তা ছাড়া আর কারও প্রবেশাধিকার নেই ওই বাড়িতে। বেশিরভাগ সময়েই তালবন্ধই হয়ে পড়ে থাকে। তালে  ‘জয় শ্রীরাম’ লেখা পতাকা ছাদের মাথায় কে লাগিয়ে গেল তা নিয়ে জল্পনা তৈরি হয়েছে। নিরপত্তারক্ষীরাও জানিয়েছেন, এ ব্যাপারে তারা কিছু জানেন না।    
    সম্প্রতি বীরভূমে (Bribhum) ভোট প্রচারে এসে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “কেষ্ট (Anubrata Mondal) ও তার মেয়েকে বন্দি করে রাখা হয়েছে, যাতে সে তৃণমূল করতে না পারে…আমি আপনাদের বলছি, দেখে নেবেন ভোটের পর ওদের ছেড়ে দেবে।”

     বিরোধীদের দাবি

    এ প্রসঙ্গে কংগ্রেস, সিপিএমের মতো বিরোধীদের দাবি, বিজেপির সঙ্গে তলায় তলায় বোঝাপড়া রয়েছে তৃণমূল নেতাদের। তারই প্রকাশ হল ছাদের পতাকায়। বীরভূম (Bribhum) সিপিএম এর জেলা সম্পাদক গৌতম ঘোষ বলেন, “ওদের সম্মতিতে এটা ঘটেছে। আমার কাছে যা খবর আছে তাতে মনে হয় ওদের পরিবারের লোকেরা তলে তলে বিজেপি করছে। এখন তৃণমূলের যা অবস্থান তাতে রাম নবমীর পতাকা ওরাই ঝোলাবে। আগে থেকে সবাই বুঝতে পারছেন যে, বিজেপির সঙ্গে যোগাযোগ রাখলেই বেরোনোর ছাড়পত্র পাওয়া যাচ্ছে। সেই কারণেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়েরাও যোগাযোগ রাখছেন। ফলে অনুব্রত (Anubrata Mondal) যদি বিজেপির সঙ্গে যোগাযোগ রেখে বেরিয়ে আসেন, তা হলে অবাক হওয়ার কিছু নেই।” অন্যদিকে কংগ্রেস নেতা জয়দেব মুখোপাধ্যায় সংবাদমাধ্যমকে বলেন, “আগেই বোলপুর এসে অধীর চৌধুরী বলে গিয়েছিলেন যে, অনুব্রত মণ্ডলকে (Anubrata Mondal) জেল থেকে বের হতে গেলে হাতে বিজেপির পতাকা নিয়ে বেরোতে হবে। ফলে সে রকম কোনও ঘটনা ঘটলে অবাক হওয়ার কিছু নেই।”

    আরও পড়ুন: “সকলে টাকা পায়, আমি কেন পাই না?”, ভোটপ্রচারে নেমে ফের বিক্ষোভের মুখে শতাব্দী!

    যদিও  এপ্রসঙ্গে দলের মুখপাত্র জামশেদ আলি খান বলেন, ‘‘অনুব্রত মণ্ডল (Anubrata Mondal) একজন ধর্মপরায়ণ মানুষ। ফলে তাঁর বাড়িতে যদি জয় শ্রীরামের পতাকা ওড়ে, তাতে অবাক হওয়ার কিছু নেই। আর রাম তো কারও একার নয়, বাড়িতে রামের পতাকা ঝুলবে, এতে অবাক হওয়ার কী আছে?’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Yogi Adityanath: “এই নির্বাচন রামভক্ত ও রাম-দ্রোহীদের মধ্যে একপক্ষকে বেছে নেওয়ার”, বললেন যোগী

    Yogi Adityanath: “এই নির্বাচন রামভক্ত ও রাম-দ্রোহীদের মধ্যে একপক্ষকে বেছে নেওয়ার”, বললেন যোগী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “এই নির্বাচন রাম ভক্ত বনাম রাম-দ্রোহীদের মধ্যে একপক্ষকে পছন্দ করে নেওয়ার নির্বাচন।” শনিবার কথাগুলি বললেন উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী তথা বিজেপির তারকা প্রচারকের তালিকায় থাকা নেতা যোগী আদিত্যনাথ (Yogi Adityanath)। কংগ্রেসের নেতৃত্বাধীন বিরোধী জোটকে তিনি ‘রাম-দ্রোহী’ বলে দেগে দিলেন। তাঁর অভিযোগ, গো-হত্যাকারীদের মদত দিয়ে দেশকে ধর্মের ভিত্তিতে বিভাজন করতে চায় তারা। তারা মুসলমানদের জন্য সংরক্ষণের ব্যবস্থাও করতে চায়।

    কী বললেন যোগী? (Yogi Adityanath)

    বিহারের বেগুসরাই লোকসভা কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী কেন্দ্রীয় মন্ত্রী গিরিরাজ সিংহের সমর্থনে আয়োজিত জনসভায় যোগ দিয়েছিলেন যোগী। সেখানেই তিনি বলেন, “যে নির্বাচন চলছে, সেখানে আপনাদের হয় বেছে নিতে হবে রাম ভক্তদের নয়ত রাম-দ্রোহীদের।” এর পরেই তিনি স্লোগান দেন, “যো রাম কো লায়া হ্যাঁয়, হম উনকো লায়া হ্যাঁয় (যিনি রামকে নিয়ে এসেছেন, আমরা তাঁকে নিয়ে আসব)।” উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী (Yogi Adityanath) বলেন, “আমি প্রভু রামের দেশ থেকে এসেছি। আমি জানি, বিহারের বাসিন্দাদের হৃদয়ে অযোধ্যার জন্য একটা বিশেষ জায়গা রয়েছে। কারণ সীতাদেবী জন্মেছিলেন এখানেই।” সমাজবাদী পার্টির (ইন্ডিয়া ব্লকের শরিক) নাম না নিয়েই যোগী বলেন, “রাম-দ্রোহীদের মধ্যে রয়েছে তারাও, যারা রামভক্তদের গুলি করেছিল। এরাই আবার মাফিয়া ডনের মৃত্যুতে কান্নাকাটি করে।”

    কংগ্রেস-সপাকে নিশানা

    প্রসঙ্গত, ১৯৮০ সালে অযোধ্যায় করসেবকদের ওপর গুলি চালায় পুলিশ। সেই সময় উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন সমাজবাদী পার্টির প্রতিষ্ঠাতা প্রয়াত মুলায়ম সিং যাদব। সরাসরি না বলে এদিন এই ঘটনারই উল্লেখ করেন যোগী। বিহারে এনডিএ ক্ষমতায় আসার আগে আইন-শঙ্খলার অবনতির জন্য আরজেডি-কংগ্রেসকেই দায়ী করেন তিনি। বলেন, “ওরা দেশকে ধর্মের ভিত্তিতে ভাগ করার একটা পরিকল্পনা করে এসেছিল। মুসলমানদের জন্য সংক্ষরণ করতে চেয়েছিল। বাবা সাহেব অম্বেডকরের(সংবিধান রচয়িতা) সঙ্গে প্রতারণা করেই ওরা এটা করতে চেয়েছিল।” তাঁর প্রশ্ন, “সংরক্ষণের কোটা যদি ভাগ হয়ে যায় তবে আমাদের দলিত এবং ওবিসিদের কী হবে?” কংগ্রেস যখন ক্ষমতায় ছিল, তখন সাচার কমিটি গড়ে এসব করার ষড়যন্ত্র করেছিল বলেও দাবি করেন উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী (Yogi Adityanath)।

    আরও পড়ুুন: “পঁচাত্তরের পরেও প্রধানমন্ত্রী থাকবেন মোদিই”, জনসভায় দাবি শাহের

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Kalyan Banerjee: কল্যাণের অস্থাবর সম্পত্তি ২৪ কোটির বেশি, রয়েছে দুটি গাড়ি, দিল্লি-কালীঘাটে ফ্ল্যাট

    Kalyan Banerjee: কল্যাণের অস্থাবর সম্পত্তি ২৪ কোটির বেশি, রয়েছে দুটি গাড়ি, দিল্লি-কালীঘাটে ফ্ল্যাট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তৃণমূলের তিনবারের সংসদ এবং হেভি ওয়েট নেতা কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় (Kalyan Banerje)। আগে একবার বিধায়কও ছিলেন। পেশায় তিনি একজন আইনজীবী। হুগলির শ্রীরামপুর লোকসভা কেন্দ্রে তৃণমূলের এই বারের প্রার্থী হয়েছেন তিনি। তাঁর বিরুদ্ধে বিজেপির প্রার্থী হয়েছেন তাঁরই মেয়ের প্রাক্তন জামাই কবীর শঙ্কর বোস। অপরে সিপিএমের প্রার্থী হয়েছেন সিপিএমের প্রার্থী দিপ্সীতা ধর। নিজের মনোনয়ন জমা করে এদিন কল্যাণ নিজের হলফ নামায় সম্পত্তির পরিমাণ জানিয়েছেন।

    সম্পত্তির পরিমাণ কত(Kalyan Banerje)?

    বছর সাতষট্টীর এই আইনজীবী তৃণমূল প্রার্থী কল্যাণ নিজের হলফ নামায় জানিয়েছেন ২০১৮-১৯ অর্থবর্ষ থেকে ২০২২-২৩ অর্থবর্ষ পর্যন্ত আয়ের হিসেব জানিয়েছেন। হলফনামায় তিনি জানিয়েছেন, ২০২২-২৩ অর্থবর্ষে তাঁর আয় ছিল ৪ কোটি ৩২ লক্ষ ৬৩ হাজার ২৬৬ টাকা। তার আগের অর্থবর্ষ অর্থাৎ ২০২১-২২ এ তাঁর আয় ছিল ৪ কোটি ৩২ লক্ষ ৩৩ হাজার ৫৪৪ টাকা। তিনি ৩ কোটি ৪৪ লক্ষ ৯৯ হাজার ১২৩ টাকা আয় করেছিলেন ২০২০-২১ অর্থবর্ষে। ২০১৯-২০ অর্থবর্ষে তাঁর আয় ছিল ২ কোটি ১২ লক্ষ ১৬ হাজার ৩৬৯ টাকা। ২০১৮-১৯ অর্থবর্ষে তিনি ৩ কোটি ৭৯ লক্ষ ৩৭ হাজার ৮২০ টাকা আয় করেছিলেন।

    স্ত্রীর সম্পত্তির পরিমাণ কত?

    কল্যাণ নিজের হলফ নামায় স্ত্রী ছবি বন্দ্যোপাধ্যায়ের আয়ের হিসাবে জানিয়েছেন ২০২২-২৩ অর্থবর্ষে তাঁর স্ত্রীর আয় ছিল ৩ লক্ষ ২৫ হাজার ৬০০ টাকা। ২০২১-২২ অর্থবর্ষে ছবি বন্দ্যোপাধ্যায়ের আয় ছিল ২ লক্ষ  ৮৮ হাজার ৫৩০ টাকা। ২০২০-২১ অর্থবর্ষে ২ লক্ষ ৬০ হাজার ২৫০ টাকা আয় করেছিলেন ছবি বন্দ্যোপাধ্যায়। তার আগের অর্থবর্ষে ২০১৯-২০ তে তাঁর আয় ছিল ২ লক্ষ ৬০ হাজার ২৫৪ টাকা। আর ২০১৮-১৯ অর্থবর্ষে ২ লক্ষ ৭৫ হাজার ১২০ টাকা আয় করেছিলেন ছবিদেবী। মনোনয়ন পেশ করার সময় কল্যাণের (Kalyan Banerje) হাতে নগদ ছিল ৫০ হাজার টাকা। একাধিক ব্যাঙ্কে সেভিংস অ্যাকাউন্ট রয়েছে। একই ভাবে মিউচুয়াল ফান্ডে বিনিয়োগ করেছেন তিনি।

    আরও পড়ুন: “পঁচাত্তরের পরেও প্রধানমন্ত্রী থাকবেন মোদিই”, জনসভায় দাবি শাহের

    রয়েছে দুটি গাড়ি

    হলফ নামায় কল্যাণ (Kaylan Banerje) জানিয়েছেন তাঁর দুটি গাড়ি রয়েছে। একটি গাড়ি ২০২১ সালে ২২ লক্ষ ৬৭ হাজার দিয়ে কিনেছেন। অপর আরেকটি গাড়ি ৪ লাখ ৮১ হাজার টাকা দিয়ে কিনেছেন। তাঁর কাছে ১৫ লক্ষ টাকার সোনা রয়েছে। স্ত্রীর কাছে রয়েছে ২৪ লক্ষ টাকার সোনা। তাঁর বাড়িতে আইনজীবী পেশার কারণে ১ কোটি টাকার বই রয়েছে বলে উল্লেখ করেছেন। সব মিলিয়ে মোট অস্থাবর সম্পত্তির পরিমাণ হল ২৪ কোটি ২০ লক্ষ ১৭ হাজার ৯৩৫ টাকা। স্ত্রীর কাছে মোট অস্থাবর সম্পত্তির পরিমাণ রয়েছে ২ কোটি ৭১ লক্ষ ৪১ হাজার ৫৩৬ টাকা। এছড়াও কালীঘাটে, দিল্লি এবং শ্রীরামপুরে ফ্ল্যাট রয়েছে তাঁর। তিনি ১৯৭৫ সালে বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বি.কম পাশ করেছিলেন। এরপর ১৯৭৯ সালে রাঁচি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এলএলবি ডিগ্রি পাশ করেছেন।  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Amit Shah: “পঁচাত্তরের পরেও প্রধানমন্ত্রী থাকবেন মোদিই”, জনসভায় দাবি শাহের

    Amit Shah: “পঁচাত্তরের পরেও প্রধানমন্ত্রী থাকবেন মোদিই”, জনসভায় দাবি শাহের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “পঁচাত্তর বছর বয়সের পরেও প্রধানমন্ত্রী থাকবেন নরেন্দ্র মোদি।” শনিবার এক নির্বাচনী জনসভায় এ কথা ঘোষণা করলেন মোদির সেনাপতি তথা কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah)। তিনি বলেন, “আমি অরবিন্দ কেজরিওয়াল ও ইন্ডিয়া ব্লককে বলতে চাই যে, বিজেপির সংবিধানে এই জাতীয় কিছুরই (নির্দিষ্ট বয়সসীমা) উল্লেখ নেই। প্রধানমন্ত্রী হিসেবে মোদিই মেয়াদ শেষ করবেন। আগামিদিনেও তিনিই দেশকে নেতত্ব দেবেন। বিজেপির মধ্যে এনিয়ে কোনও বিভ্রান্তি নেই।”

    আগামী বছর ৭৫ মোদি (Amit Shah)

    আগামী বছর ১৭ সেপ্টেম্বর পাঁচাত্তর বছরে পা দেবেন মোদি। তারপর কি তিনি রাজনীতি থেকে অবসর নেবেন? মোদির পরে প্রধানমন্ত্রী হবেন কে? অমিত শাহ? (Amit Shah) শনিবার এমনই একগুচ্ছ প্রশ্ন তুলে কেজরিওয়াল হইচই ফেলে দিয়েছিলেন রাজনৈতিক মহলে। এদিনের জনসভায় কেজরির সেই সব প্রশ্নেরই উত্তর দিলেন শাহ। দিল্লি আবগারি মামলায় ২১ মার্চ গ্রেফতার হয়েছিলেন দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী তথা আম আদমি পার্টির নেতা অরবিন্দ কেজরিওয়াল। পঞ্চাশ দিন পর অন্তর্বর্তী জামিনে ছাড়া পেয়েছেন শুক্রবার।

    আরও পড়ুুন: স্থানীয় বাসিন্দাদের ক্ষোভের আগুনে উত্তাল পাক অধিকৃত কাশ্মীর, পুলিশের গুলিতে নিহত ২

    কী বললেন কেজরিওয়াল?

    শনিবার সাংবাদিক বৈঠকে পদ্ম-পার্টিকেই নিশানা করেন কেজরিওয়াল। বলেন, “ওরা (বিজেপি) প্রশ্ন করছে, বিরোধী জোট ইন্ডিয়ার প্রধানমন্ত্রী মুখ কে? আমি বিজেপিকে জিজ্ঞাসা করতে চাই, তাদের প্রধানমন্ত্রী কে হবেন? আগামী বছর ১৭ সেপ্টেম্বর পঁচাত্তরে পা দেবেন মোদিজি। ২০১৪ সালে তিনি নিজেই নিয়ম করেছিলেন যে পঁচাত্তর বছর বয়সী ব্যক্তিদের অবসর দেবেন। সেই মতো লালকৃষ্ণ আডবাণী, মুরলী মনোহর জোশী, সুমিত্রা মহাজনেরা অবসর নিয়েছিলেন।” আপ সুপ্রিমো আরও বলেন, “তিনি আগামী বছর অবসর নেবেন। তিনি অমিত শাহকে প্রধানমন্ত্রী করার জন্য ভোট চাইছেন। শাহ কি মোদিজির গ্যারান্টি পূরণ করবেন?” দিল্লির মুখ্যমন্ত্রীর এই সব প্রশ্নের জবাবই শাহ দিলেন এদিনের জনসভায়। জানিয়ে দিলেন, প্রধানমন্ত্রী পদে থাকবেন মোদিই। শাহ (Amit Shah) বলেন, “ভবিষ্যতেও দেশকে নেতৃত্ব দেবেন মোদি। এনিয়ে বিজেপির মধ্যে কোনও বিভ্রান্তি নেই।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Satabdi Roy: “সকলে টাকা পায়, আমি কেন পাই না?”, ভোটপ্রচারে নেমে ফের বিক্ষোভের মুখে শতাব্দী!

    Satabdi Roy: “সকলে টাকা পায়, আমি কেন পাই না?”, ভোটপ্রচারে নেমে ফের বিক্ষোভের মুখে শতাব্দী!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তিন দফার ভোট (Lok Sabha Vote 2024) ইতিমধ্যেই শেষ হয়েছে। সামনেই রয়েছে চতুর্থ দফার ভোট। আর চতুর্থ দফার ভোটে অন্যান্য কেন্দ্রের সঙ্গে ভোট রয়েছে বীরভূমেও। তাই ভোটপ্রচারের শেষ দিনে ঝড় তুলেছিলেন বীরভূমের (Birbhum) তৃণমূল প্রার্থী শতাব্দী রায় (Satabdi Roy)। কিন্তু, থমকাতে হল মগদমনগরের রাস্তায়। বিদায়ী সাংসদ এবং লোকসভার প্রার্থী শতাব্দীকে সামনে পেয়ে একের পর এক দাবি শোনাতে থাকেন গ্রামের মহিলারা।

    শতাব্দীকে ঘিরে আবারও বিক্ষোভ (Satabdi Roy)

    বীরভূমের (Birbhum) তৃণমূল প্রার্থী তথা তিনবারের সাংসদ শতাব্দী রায়। এবারের লোকসভা ভোটেও তৃণমূল তাঁকেই প্রার্থী করেছে। তবে এটাই প্রথম নয়। এর আগেও ভোটের ময়দানে প্রচারে নেমে একাধিক জায়গায় বিক্ষোভের মুখে পড়তে হয়েছে বিদায়ী সাংসদকে (Satabdi Roy)। আর এবারও ঘটল সেই একই ঘটনা। প্রচারে নামতেই তাঁকে ছেঁকে ধরলেন গ্রামবাসীরা।

    গ্রামবাসীদের অভিযোগ 

    উল্লেখ্য চতুর্থ দফার ভোট (Lok Sabha Vote 2024) প্রচারের আগে শনিবার প্রচারে নামেন শতাব্দী। কিন্তু মহম্মদবাজার ব্লক এলাকার মগদমনগর গ্রামে ক্ষোভের মুখে পড়তে হয় তাকে (Satabdi Roy)। পানীয় জলের সমস্যা, এলাকায় উন্নয়নে খামতি, রাস্তাঘাট খারাপ-সহ একাধিক অভিযোগ শুনতে তাঁকে। যদিও সকলেরই অভিযোগ মোটামুটি এক—পানীয় জলের সমস্যা। সঙ্গে লক্ষ্মীর ভান্ডারের টাকা না পাওয়ার অভিযোগও উঠল। কেউ কেউ অভিযোগ করলেন, বিভিন্ন সরকারি পরিষেবা পাচ্ছেন না। 
    এ প্রসঙ্গে,স্থানীয় বাসিন্দা অষ্টম শ্রেণির ছাত্রী পিয়া সর্দার বলেন, “সকলে টাকা পায়, আমি কেন টাকা পাই না? আমার স্কুলের সকলে টাকা পায়, অথচ আমি ক্লাস সিক্স থেকে টাকা পাই না। ওনাকে বললাম সেটাই। উনি তো কিছুই বললেন না।” অন্যদিকে এলাকার আরেক মহিলার অভিযোগ, “দিদি (Satabdi Roy)কিছু শোনেই না। কথাই বলতে পারলাম না। আমাদের কথা শুনবে না তো কার কথা শুনবে? কিছুই পাইনি আমরা।”
    যদিও এই বিক্ষোভের পরিস্থিতি এলাকার নেতারা সামাল দেওয়ার চেষ্টা করেন। তবে বিক্ষোভের সময় গাড়ি থেকে নামেননি শতাব্দী (Satabdi Roy)। গাড়িতে সামনের সিটে বসে ছিলেন তিনি।  জানলা দিয়ে মুখ বার করে সবাইকে শান্ত হওয়ার আবেদন করেন তিনি। তবে গ্রামবাসীদের অভিযোগের প্রেক্ষিতে কোনও কথা বলেননি শতাব্দী। তার পর গাড়ির জানলা দিয়ে সবাইকে হাতজোড় করে নমস্কার জানিয়ে এলাকা ছেড়ে বেরিয়ে যান। 

    আরও পড়ুন: রাস্তার কাজে দুর্নীতির অভিযোগ, ফের প্রচারে বেরিয়ে তোপের মুখে শতাব্দী

    রাস্তা ও জল নিয়েই সবচেয়ে বেশি অভিযোগ

    এর আগেও প্রচারে নেমে গ্রামবাসীদের প্রচুর অভিযোগ শুনতে হয়েছিল শতাব্দী রায়কে (Satabdi Roy)। রাস্তা ও জল নিয়েই সবচেয়ে বেশি অভিযোগ এসেছে তৃণমূল পরিচালিত গ্রাম পঞ্চায়েত ও পুরসভাগুলির দিকে। যেখানেই গেছেন শতাব্দীকে সামনে পেয়ে রীতিমতো অভিযোগের ডালা সাজিয়ে ধরেছেন গ্রামবাসীরা। আবাসন প্রকল্পে ন্যায্য প্রাপকেরা বঞ্চিত হয়েছেন এই অভিযোগও এসেছে। দীর্ঘদিন ধরে পানীয় জলের সমস্যার কথা বললেও এই সমস্যার সুরাহা হয়নি এলাকায়। বহু গ্রামে ইটের রাস্তা রয়েছে, নেই কোনও পাকা রাস্তা,এমনও অভিযোগ রয়েছে।      

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • PM Modi: “পাকিস্তান পরমাণু বোমা বানায় বিক্রির জন্য”, আইয়ারকে মুখের মতো জবাব মোদির

    PM Modi: “পাকিস্তান পরমাণু বোমা বানায় বিক্রির জন্য”, আইয়ারকে মুখের মতো জবাব মোদির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের কংগ্রেসকে আক্রমণ শানালেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। শনিবার ওড়িশার কান্ধামালে নির্বাচনী প্রচারে গিয়ে কংগ্রেসকে নিশানা করেন তিনি। বলেন, “পাকিস্তান পরমাণু বোমা তৈরি করে বিক্রির জন্য। কারণ আর্থিক দৈন্য মেটানোই এখন তাদের সামনে বড় চ্যালেঞ্জ।”

    কী বলেছিলেন আইয়ার? (PM Modi)

    প্রধানমন্ত্রীর এহেন মন্তব্যের একটি প্রেক্ষাপট রয়েছে। সেটি হল, ১৫ এপ্রিল কংগ্রেস নেতা মণিশঙ্কর আইয়ার বলেছিলেন, “পাকিস্তান একটি শ্রদ্ধেয় দেশ। তাদের পরমাণু বোমাও রয়েছে। তাই ভারতের অবশ্যই তাদের সঙ্গে আলোচনা শুরু করা প্রয়োজন।” আইয়ারের সেই মন্তব্যকেই হাতিয়ার করে কংগ্রেসকে নিশানা করেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি (PM Modi) বলেন, “পাকিস্তানের পরমাণু বোমা নিয়ে ভারতবাসীকে ভূতের ভয় দেখাচ্ছে কংগ্রেস। কংগ্রেসের এই দুর্বল মনোভাবের ফলেই সীমান্ত পেরিয়ে সন্ত্রাসবাদ চালাচ্ছিল পাকিস্তান। কংগ্রেস লাগাতার নিজের দেশের মানুষকেই ভয় দেখানোর চাল চালছে। ওরা বলে চলেছে, পাকিস্তান সম্পর্কে সাবধান। ওদের হাতে পরমাণু বোমা রয়েছে।”

    মোদির জবাব

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, “এই সব দুর্বল মানুষ ভারতের জোশকে খুন করার চেষ্টা করছে। আজ নয়, কংগ্রেস চিরকাল এটাই করে এসেছে।” এর পরেই তিনি বলেন, “পাকিস্তান এখন এমন একটা দেশে পরিণত হয়েছে যে ওদের নিজেদের পরমাণু বোমা মজুত করার ক্ষমতা নেই। ওরা অন্য দেশকে পরমাণু বোমা বিক্রি করতে চাইছে। কিন্তু কেউ কিনছে না। কারণ সেগুলোর মান খুবই খারাপ।” প্রধানমন্ত্রী বলেন, “ওদের এই ভীরু মনোভাবের কারণেই জম্মু-কাশ্মীরকে জঙ্গিদের উপদ্রব সহ্য করতে হয়েছে।”

    আরও পড়ুুন: “সংখ্যালঘুরা বিপদে রয়েছেন, এ দাবি সর্বৈব মিথ্যা”, বললেন মোদি

    লোকসভা নির্বাচন চলাকালীন আইয়ারের বেফাঁস মন্তব্যে বিপাকে পড়েছে কংগ্রেস। ইতিমধ্যেই আইয়ারের থেকে দূরত্ব তৈরি করতে শুরু করেছে সোনিয়া গান্ধীর দল। দলের নেতা পবন খেরা বলেন, “আইয়ারের এই দৃষ্টিভঙ্গীর সঙ্গে এক মত নয় কংগ্রেস। এটা দলেরও মত নয়। আইয়ার কোনও অধিকারেই দলের তরফে এমন (PM Modi) মন্তব্য করার হকদার নন।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Ramakrishna 13: “দুরন্ত ছেলে বাবার কাছে যখন বসে, যেমন জুজুটি, আবার চাঁদনিতে যখন খেলে, আর এক মূর্তি”

    Ramakrishna 13: “দুরন্ত ছেলে বাবার কাছে যখন বসে, যেমন জুজুটি, আবার চাঁদনিতে যখন খেলে, আর এক মূর্তি”

    ৭ম পরিচ্ছেদ

         নরেন্দ্র–হোমাপাখি

    এই ছেলেটিকে দেখছ, এখানে একরকম। দুরন্ত ছেলে বাবার কাছে যখন বসে, যেমন জুজটি, আবার চাঁদনিতে যখন খেলে, তখন আর এক মূর্তি। এরা নিত্যসিদ্ধের থাকে। এরা সংসারে কখনও বদ্ধ হয় না। একটু বয়স হলেই চৈতন্য হয়, আর ভগবানের দিকে চলে যায়। এরা সংসারে আসে জীবশিক্ষার (Ramakrishna) জন্য। এদের সংসারের বস্তু কিছু ভাল লাগে না-এরা কামিনীকাঞ্চনে কখন আসক্ত হয় না।

    বেদে আছে হোমাপাখির কথা। খুব উঁচু আকাশে সে পাখি থাকে। সেই আকাশেই ডিম পাড়ে। ডিম পাড়লে ডিমটা পড়তে থাকে-কিন্তু এত উঁচু যে, অনেকদিন থেকে ডিমটা পড়তে থাকে। ডিম পড়তে পড়তে ফুটে যায়। তখন ফুটলেই দেখতে পায় যে, সে পড়ে যাচ্ছে, মাটিতে লাগলে একেবারে চুরমার হয়ে যাবে। তখন সে পাখি মার দিকে একেবারে চোঁচা দৌড় দেয়, আর উঁচুতে উঠে যায়।”

    নরেন্দ্র উঠিয়া গেলেন।

    সভামধ্যে কেদার, প্রাণকৃষ্ণ, মাস্টার ইত্যাদি অনেক আছেন।

    শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna)-দেখ নরেন্দ্র গাইতে, বাজাতে, পড়াশুনায়—সব তাতেই ভাল। সেদিন কেদারের সঙ্গে তর্ক করছিল। কেদারের কথাগুলো কচকচ করে কেটে দিতে লাগল। (ঠাকুর ও সকলের হাস্য) (মাস্টারের প্রতি)-ইংরেজিতে কি কোন তর্কের বই আছে গা?

    মাস্টার-আজ্ঞে হাঁ, ইংরেজিতে ন্যায়শাস্ত্র (Logic) আছে।

    শ্রীরামকৃষ্ণ-আচ্ছা, কিরকম একটু বল দেখি।

    মাস্টার এইবার মুশকিলে পড়িলেন। বলিলেন, এরকম আছে সাধারণ সিদ্ধান্ত থেকে বিশেষ সিদ্ধান্তে পৌঁছানো। যেমন-

    সব মানুষ মরে যাবে,

    পণ্ডিতেরা মানুষ,

    অতএব পণ্ডিতেরা মরে যাবে।

    আর একরকম আছে, বিশেষ দৃষ্টান্ত বা ঘটনা দেখে সাধারণ সিদ্ধান্তে (Ramakrishna) পৌঁছেনো। যেমন-

    এ কাকটা কালো,

    ও কাকটা কালো

    (আবার) যত কাক দেখছি সবই কালো,

    এতএব সব কাকই কালো। 

    কিন্তু এরকম সিদ্ধান্ত করলে ভুল হতে পারে, কেননা হয়তো খুঁজতে খুঁজতে আর এক দেশে সাদা কাক দেখা গেল। আর এক দৃষ্টান্ত-যেখানে বৃষ্টি সেইখানেই মেঘ ছিল বা আছে, অতএব এই সাধারণ সিদ্ধান্ত হল যে, মেঘ থেকে বৃষ্টি হয়। আর এক দৃষ্টান্ত—এ-মানুষটির বত্রিশ দাঁত আছে, ও-মানুষটির বত্রিশ দাঁত, আবার যে-কোন মানুষ দেখেছি তারই বত্রিশ দাঁত আছে। অতত্রব সব মানুষেরই বত্রিশ দাঁত আছে।

    এরূপ সাধারণ সিদ্ধান্তের কথা ইংরেজী ন্যায়শাস্ত্র আছে।

    শ্রীরামকৃষ্ণ কথাগুলি শুনিলেন মাত্র। শুনিতে শুনিতে অন্যমনস্ক হইলেন। কাজেই আর এ-বিষয়ে বেশি প্রসঙ্গ হইল না।

    আরও পড়ুনঃ “টাকায় কি হয়? ভাত হয়, ডাল হয়, থাকবার জায়গা হয়–এই পর্যন্ত, ভগবানলাভ হয় না”

    আরও পড়ুনঃ “দুষ্ট লোকের হাত থেকে রক্ষার জন্য একটু তমোগুণ দেখানো দরকার!”

    আরও পড়ুনঃ “দু-চারটা মাছ এমন সেয়ানা যে, কখনও জালে পড়ে না”

     

    তথ্যসূত্রঃ শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণকথামৃত, ৭ম পরিচ্ছেদ

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • S Jaishankar: “পোখরান পরমাণুপরীক্ষা জাতীয় নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করেছে”, স্মৃতিচারণ জয়শঙ্করের

    S Jaishankar: “পোখরান পরমাণুপরীক্ষা জাতীয় নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করেছে”, স্মৃতিচারণ জয়শঙ্করের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “পোখরান পরমাণু পরীক্ষা আমাদের জাতীয় নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করেছে।” কথাগুলি বললেন বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর (S Jaishankar)। শনিবার ১৯৯৮ সালে পোখরান পারমানবিক পরীক্ষার কথা স্মরণ করেন তিনি।

    কী বললেন জয়শঙ্কর? (S Jaishankar)

    এক্স হ্যান্ডেলে তিনি বলেন, “বর্তমান এনডিএ সরকার সেই ভিত্তির ওপর ভিত্তি তৈরি করেছে। দৃঢ়ভাবে সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে লড়াই করছে এবং আমাদের সীমান্ত পরিকাঠামো তৈরি করেছে।” তিনি বলেন, “জাতীয় নিরাপত্তা ইস্যুতে কে, কোথায় দাঁড়িয়ে তা জানতে হবে দেশকে। আমাদের রাজনৈতিক পছন্দগুলি শেষ পর্যন্ত ভারতের ভবিষ্যৎ সম্পর্কে পছন্দ।”

    পোখরান পরীক্ষা

    ১৯৯৮ সালের ১১ ও ১৩ মে রাজস্থানের পোখরানে (S Jaishankar) ধারাবাহিক পারমাণবিক পরীক্ষা করে ভারত। এই পরীক্ষাগুলি শক্তি সিরিজ নাম খ্যাত। প্রথম দিন ৪৫ কোটি থার্মোনিউক্লিয়ার অস্ত্র, একটি ১৫ কোটি ফিশন ডিভাইস এভং ০.২ কোটি সাব কিলোটন ডিভাইস পরীক্ষা করা হয়। এর ঠিক দু’দিন পরে সাব-কিলোটন রেঞ্জের আরও দু’টি পরীক্ষা হয়। পরে বোর-হোল নমুনার রেডিওকেমিক্যাল গবেষণার মাধ্যমে পরীক্ষার ফল নিশ্চিত করে পরমাণু শক্তি কমিশন।

    আরও পড়ুুন: বাংলায় বিজেপির ক্লিন স্যুইপ, ভোটের ফল নিয়ে কী বললেন প্রধানমন্ত্রী মোদি?

    ২০০৯ সালের ১৫ সেপ্টেম্বর পরমাণু শক্তি কমিশনের জারি করা প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ‘১৯৯৮ সালের ২১ মে অনুষ্ঠিত পরমাণু শক্তি কমিশনের বৈঠকে কমিশনকে পরীক্ষার প্রযুক্তিগত বিবরণ সম্পর্কে অবহিত করা হয়েছিল। ২৬ মার্চ, ১৯৯৯ এবং ওই বছররেই ১৮ নভেম্বর অনুষ্ঠিত কমিশনের সভায় বোর-হোল নমুনার রেডিও রাসায়নিক বিশ্লেষণের ফল পুনঃনিশ্চিত করা হয়।’ পরমাণু শক্তি কমিশনের বিবৃতির উপসংহারে বলা হয়েছে, ‘১১ মে, ১৯৯৮ সালে করা থার্মো নিউক্লিয়ার পরীক্ষার ফল নিয়ে পরমাণু শক্তি কমিশনের সন্দেহ করার কোনও কারণ নেই (S Jaishankar)।’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

     

LinkedIn
Share