Tag: news in bengali

news in bengali

  • Lok Sabha Election 2024 Phase 3: গণতন্ত্রের উৎসবে সামিল প্রধানমন্ত্রী মোদি, ভোট দিলেন, সঙ্গে বার্তাও

    Lok Sabha Election 2024 Phase 3: গণতন্ত্রের উৎসবে সামিল প্রধানমন্ত্রী মোদি, ভোট দিলেন, সঙ্গে বার্তাও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশ জুড়ে চলছে তৃতীয় দফার ভোটগ্রহণ (Lok Sabha Election 2024 Phase 3)। আজ, মঙ্গলবার চব্বিশের লোকসভা নির্বাচনে ১০ রাজ্য এবং ১ কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের মোট ৯৪টি কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ হবে। এদিন সকালেই গুজরাটের গান্ধিনগরের নিশান হায়ার সেকেন্ডারি স্কুলে ভোট দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Narendra Modi Casts Vote)। তাঁর সঙ্গে ছিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ৷

    মোদির বার্তা

    এদিন সকালে তৃতীয় দফার ভোটগ্রহণ (Lok Sabha Election 2024 Phase 3) পর্বে দেশবাসীক রেকর্ড সংখ্যক ভোটদানের আহ্বান জানান মোদি৷ লেখেন, ‘আজ যাঁরা ভোট দেবেন, তাঁদের সবাইকে রেকর্ড সংখ্যক ভোট দেওয়ার আহ্বান জানাচ্ছি৷ তাঁদের সক্রিয় অংশগ্রহণ অবশ্যই নির্বাচনকে আরও প্রাণবন্ত করে তুলবে৷’

    এদিন সকাল ৭টা নাগাদ ভোট দেওয়ার জন্য গুজরাটের রাজভবন থেকে বের হন প্রধানমন্ত্রী৷ গান্ধিনগরের বুথের বেশ কিছুটা দূরেই থেমে যায় তাঁর কনভয়৷ সেখান থেকে খালি পায়ে হেঁটেই বুথের ভিতরে প্রবেশ করেন মোদি৷ সেখানে আগে থেকেই পৌঁছে গিয়েছিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ৷  প্রধানমন্ত্রী পৌঁছনোর পরে তাঁকে সঙ্গে নিয়েই দু’জনে ভোটগ্রহণ কেন্দ্রের ভিতরে যান। সকাল  ৭টা বেজে ৪৩ মিনিটে ভোট দান (Narendra Modi Casts Vote) করেন প্রধানমন্ত্রী৷ 

    বিলোলেন অটোগ্রাফ

    প্রধানমন্ত্রী ভোট (Lok Sabha Election 2024 Phase 3) দিতে যাওয়ার পথে নিশান হাইস্কুলের বাইরে থাকা আমজনতার ভিড় থেকে বারবার আওয়াজ উঠছিল ‘ওয়ান অটোগ্রাফ প্লিজ’৷ প্রধানমন্ত্রী তাতে সাড়া দিয়ে আমজনতার থেকে দেওয়া এক সাদা পেপারে নাম লিখলেন, ‘নরেন্দ্র মোদি’৷ পাশে ছিলেন অমিত শাহ ৷

    ভোট দেওয়ার পর মোদি বুথ কেন্দ্রের বাইরে বেরিয়ে গণতান্ত্রিক অধিকার প্রয়োগের প্রমাণও দেখান৷ ভোট দেওয়ার পরে সংবাদমাধ্যমের উদ্দেশে কথা বলার সময় প্রধানমন্ত্রী বলেন,“আজ লোকসভা নির্বাচনের তৃতীয় দফার ভোট। আমি দেশবাসীর কাছে আবেদন জানাচ্ছি, তাঁরা যেন বেশি সংখ্যায় ভোট দেন। সকলে মিলে গণতন্ত্রকে উৎসবের ন্যায় পালন করুন৷ আমাদের দেশে ‘দান’-এর গুরুত্ব অপরিসীম এবং সেই চেতনাকে সঙ্গী করেই যথাসম্ভব বেশি ভোটদানের আহ্বান রাখছি দেশবাসীর কাছে। ৪ দফা ভোট এখনও বাকি। গুজরাটের একজন ভোটার হিসেবে, এটাই একমাত্র জায়গা যেখানে আমি নিয়মিত ভোট দিযে আসছি এবং অমিত ভাই এখান থেকে ভারতীয় জনতা পার্টির প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন… ’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Lok Sabha Election 2024: তৃতীয় দফার ভোট শুরু, জানুন ভাগ্য পরীক্ষায় কারা রয়েছেন

    Lok Sabha Election 2024: তৃতীয় দফার ভোট শুরু, জানুন ভাগ্য পরীক্ষায় কারা রয়েছেন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আজ ৭ মে। শুরু হয়ে গিয়েছে তৃতীয় দফার লোকসভা নির্বাচন। এদিন ভোট গ্রহণ চলছে দেশের ৯৩টি আসনে (Lok Sabha Election 2024)। যদিও এদিন নির্বাচন হওয়ার কথা ছিল ৯৪টি আসনে। তবে সুরাট কেন্দ্রে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয়ী হয়েছেন বিজেপি প্রার্থী। যে আসনগুলিতে এদিন ভোটগ্রহণ চলছে সেগুলি ছড়িয়ে রয়েছে ১২টি রাজ্য ও ১টি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলজুড়ে।

    নির্বাচন হবে সাত দফায় (Lok Sabha Election 2024)

    প্রসঙ্গত, অষ্টাদশতম লোকসভা নির্বাচন হচ্ছে সাত দফায়। ইতিমধ্যেই হয়ে গিয়েছে দুটি দফায় ভোট গ্রহণ। প্রথম দফার নির্বাচন হয়েছে ১৯ এপ্রিল। সেদিন ভোট গ্রহণ হয়েছে ১০২টি আসনে। দ্বিতীয় দফার নির্বাচন হয়েছে ২৬ এপ্রিল। এই দফায় নির্বাচন হয়েছে ৮৯টি আসনে। সাত দফায় সব মিলিয়ে নির্বাচন হওয়ার কথা ৫৪৩টি আসনে।

    ভোট হচ্ছে কোথায়?

    তৃতীয় দফায় ভোট গ্রহণ চলছে গুজরাটের ২৬টি আসনে (Lok Sabha Election 2024), মহারাষ্ট্রের ১১টি আসনে, কর্নাটকের ১৪টি আসনে, ছত্তিশগড়ের ৭টি আসনে, উত্তরপ্রদেশের ১০টি আসনে, মধ্যপ্রদেশের ৮টি আসনে, বিহারের ৫টি আসনে, অসমের চারটি আসনে, পশ্চিমবঙ্গের ৪টি আসনে, জম্মু-কাশ্মীরের একটি আসনে, গোয়ার ২টি আসনে এবং কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের ২টি কেন্দ্রে। গুজরাটের সবকটি আসনেই নির্বাচন চলছে এদিন। নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, এই দফায় ভাগ্য পরীক্ষা হচ্ছে ১ হাজার ৩৫১ জন প্রার্থীর। প্রথম দফায় লড়াইয়ের ময়দানে ছিলেন ১ হাজার ৬২৫ জন। তার পরের দফায় ভাগ্য যাচাই করেছেন ১ হাজার ১৯৮ জন প্রার্থী।

    আরও পড়ুুন: ভারত জেনোফোবিক! মার্কিন প্রেসিডেন্টকে মুখের মতো জবাব দিলেন জয়শঙ্কর

    এদিন যাঁদের ভাগ্য পরীক্ষা হচ্ছে, তাঁদের মধ্যে রয়েছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ, জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়া, মনসুখ মাণ্ডব্য, প্রহ্লাদ জোশী, এসপি সিং বাঘেল, শিবরাজ সিং চৌহ্বান, বাসবরাজ বোম্মাই, অখিলেশ যাদব, ডিম্পল যাদব, সুপ্রিয়া সুলে প্রমুখ। উল্লেখ্য যে, মহারাষ্ট্রের ওসমানাবাদ কেন্দ্র মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন ৭৭ জন প্রার্থী। এদিনের পর হবে চতুর্থ দফার নির্বাচন। সেটি হবে ১৩ মে। তার পর নির্বাচন হবে আরও তিন দফায়। এগুলি হল ২০ মে, ২৫ মে এবং ১ জুন। নির্বাচনের ফল বের হবে ৪ জুন (Lok Sabha Election 2024)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Lok Sabha Election 2024: তৃতীয় দফায় মালদা-মুর্শিদাবাদের চার কেন্দ্রে ভোট, মোতায়েন ৪০৬ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী

    Lok Sabha Election 2024: তৃতীয় দফায় মালদা-মুর্শিদাবাদের চার কেন্দ্রে ভোট, মোতায়েন ৪০৬ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আজ, মঙ্গলবার হতে চলেছে লোকসভা নির্বাচনের তৃতীয় দফার (Lok Sabha Elections 2024) ভোটগ্রহণ। রাজ্যে চারটি লোকসভায় ভোটগ্রহণ হতে চলেছে। এদিনের ভোটে ভাগ্য নির্ধারণ হতে চলেছে চারটি লোকসভা কেন্দ্রের মোট ৫৭ জন প্রার্থীর। মালদা জেলার দুটি আসন মালদা উত্তর ও মালদা দক্ষিণের  পাশাপাশি ভোট হবে মুর্শিদাবাদ জেলার দুটি আসন মুর্শিদাবাদ এবং জঙ্গিপুর লোকসভায়। ২০১৯ সালের লোকসভা নির্বাচনে মুর্শিদাবাদ ও জঙ্গিপুরে জিতেছিলেন তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী। আর মালদা উত্তরে জয়ী হয়েছিলেন বিজেপি প্রার্থী ও দক্ষিণে জিতেছিল কংগ্রেস।

    চারটি লোকসভায় কত স্পর্শকাতর বুথ রয়েছে (Lok Sabha Elections 2024)

    রাজ্যে লোকসভা নির্বাচনের (Lok Sabha Elections 2024) জন্য বর্তমানে ৫৯৬ কোম্পানি সেন্ট্রাল আর্মড পুলিশ ফোর্স রয়েছে। তার মধ্যে ৪০৬ কোম্পানিকে মোতায়েন করা হবে নির্বাচন সংক্রান্ত নিরাপত্তার কাজে। আর বাকি কোম্পানিগুলোকে রিজার্ভে ও স্ট্রংরুমগুলির নিরাপত্তার দায়িত্বে রাখা হবে। যে ৪০৬টি কোম্পানি বাহিনীকে নিরাপত্তার দায়িত্বে রাখা হচ্ছে তার মধ্যে ২৫৬টি বাহিনীকে চারটি লোকসভা কেন্দ্রের ভোটগ্রহণ কেন্দ্রে মোতায়েন করা হবে। আর বাকি বাহিনীগুলিকে মোতায়েন রাখা হবে কুইক রেসপন্স টিমের অংশ হিসেবে। কারণ, জঙ্গিপুরে রয়েছে সবথেকে বেশি ৭৬২টি স্পর্শকাতর বুথ। এই কেন্দ্রের ৪১ শতাংশ বুথই স্পর্শকাতর। মুর্শিদাবাদ কেন্দ্রে রয়েছে ৭১৫টি। সবমিলিয়ে এই লোকসভায় ৩৭ শতাংশ স্পর্শকাতর বুথ। কমিশনের তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে থাকা মালদা দক্ষিণে রয়েছে ৭০২টি। এই লোকসভায় ৪০ শতাংশ বুথ স্পর্শকাতর। আর মালদা উত্তরে রয়েছে ৬৫১টি। এই লোকসভায় ৩৬ শতাংশ স্পর্শকাতর বুথ রয়েছে।

    তৃতীয় দফায় ১৩ জন কোটিপতি

    রাজ্যে তৃতীয় দফা ভোটে (Lok Sabha Elections 2024) চারটি লোকসভা আসনের প্রার্থীদের মধ্যে কোটিপতি ১৩ জন। মনোনয়নপত্র পেশের সময় তাঁরা যে হলফনামা দিয়েছেন তাতেই তাঁদের মোট স্থাবর- অস্থাবর সম্পদের ওই আর্থিক হিসেব জানানো হয়েছে। তাঁদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য মুর্শিদাবাদ আসনের সিপিএম প্রার্থী ও পার্টির রাজ্য সম্পাদক মহম্মদ সেলিম। তাঁর মোট সম্পদের পরিমাণ ১ কোটি ৬৮ লক্ষ ৫১ হাজার টাকা। সম্পদের নিরিখে এক নম্বরে আছেন জঙ্গিপুরের তৃণমূল প্রার্থী খলিলুর রহমান। তাঁর মোট সম্পদের পরিমাণ ৫১ কোটি ৪৩ লক্ষ ৪৬ হাজার টাকা। সম্পদের নিরিখে দ্বিতীয় স্থানে ওই আসনের আইএসএফ প্রার্থী সাহাজান বিশ্বাস। তাঁর সম্পদের মোট অর্থমূল্য ১৬ কোটি ৬০ লক্ষ টাকা। তার পরেই আছেন মুর্শিদাবাদ কেন্দ্রের তৃণমূল প্রার্থী আবু তাহের খান। আবুর সম্পদের পরিমাণ ৩ কোটি ৮৪ লক্ষ টাকা।

    মালদার দুই কেন্দ্রের মোট ৯৫০টি বুথ ক্রিটিক্যাল

    মালদা জেলায় দুটি ডিসিআর সেন্টার। উত্তর মালদা কেন্দ্রের ডিসিআর সেন্টার করা হয়েছে মালদা কলেজে এবং দক্ষিণ মালদা কেন্দ্রের ডিসিআর সেন্টার করা হয়েছে মালদা পলিটেকনিক কলেজে। উত্তর এবং দক্ষিণ মালদা লোকসভা কেন্দ্র মিলিয়ে মোট ১৪টি বিধানসভা কেন্দ্র। মোট বুথের সংখ্যা ৩৭৮৬টি। দুই কেন্দ্রের মোট ৯৫০টি বুথকে ক্রিটিক্যাল বুথ হিসাবে চিহ্নিত করা হয়েছে। দুটি কেন্দ্রে মহিলা পরিচালিত বুথের সংখ্যা প্রায় ৬০টি। দক্ষিণ মালদা লোকসভা কেন্দ্রের অধীনে রয়েছে সাতটি বিধানসভা। এই কেন্দ্রে পুরুষ ভোটার রয়েছে ৮ লক্ষ ৯৮ হাজার ৪৪৩। মহিলা ভোটার রয়েছে ৮ লক্ষ ৮১ হাজার ৩৪৫। তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার রয়েছে ৪৮ জন। দক্ষিণ মালদা লোকসভা কেন্দ্রে মোট বুথের সংখ্যা ১৭৫৯। এই লোকসভা কেন্দ্রের অধীনেই পড়ে ইংরেজবাজার পুরসভা। আর এই পুরসভার ২৯টি ওয়ার্ডে রয়েছে রেকর্ড মোট ২১৫টি বুথ।

    উত্তর মালদায় ভোটার সংখ্যা কত জানেন?

     উত্তর মালদা লোকসভা কেন্দ্রে মোট সাতটি বিধানসভার মধ্যে রয়েছে- পুরাতন মালদা, হবিবপুর, গাজোল, চাচোল, রতুয়া, মালতিপুর এবং হরিশ্চন্দ্রপুর। এই সাতটি বিধানসভা মিলিয়ে সংশ্লিষ্ট লোকসভা কেন্দ্রের মোট ভোটার সংখ্যা রয়েছে ১৮ লক্ষ ৫৮হাজার ১১৬। তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার রয়েছে ৫৫ জন। পুরুষ ভোট রয়েছে ৯ লক্ষ ৪৪ হাজার ৩৩৩। মহিলা ভোটার রয়েছে ৯ লক্ষ ১৩ হাজার ৭২৮ জন। উত্তর মালদা লোকসভা কেন্দ্রের পুরাতন মালদা পুরসভাটি শহরকেন্দ্রিক। এই পুরসভার ২০টি ওয়ার্ডে মোট ৬১টি বুথ রয়েছে।

    জঙ্গিপুরে ১৪ জন প্রার্থীর ভাগ্য নির্ধারণ হতে চলেছে

    জেলা প্রশাসন সূত্রে খবর, জঙ্গিপুর লোকসভা কেন্দ্রে মোট ১৮৫১টি ভোটগ্রহণ কেন্দ্র রয়েছে। মালদা দক্ষিণ কেন্দ্রের দু’টি বিধানসভা ফরাক্কা ও সামশেরগঞ্জ রয়েছে এই মুর্শিদাবাদেই। আর এই দুই বিধানসভায় মোট ৪৮৩ ভোটগ্রহণ কেন্দ্র রয়েছে। জঙ্গিপুর কেন্দ্রে মোট ১৪ জন প্রার্থীর ভাগ্য নির্ধারণ করবেন ১৮ লাখ ১ হাজার ৭১৪ জন ভোটার।

    ভোটের আগের দিন মুর্শিদাবাদে বোমা উদ্ধার

    মুর্শিদাবাদ লোকসভাতে মোট বুথের সংখ্যা ১৯৩৮ । পুরুষ ভোটার সংখ্যা ৮, ৬২, ১৭৭। মহিলা ভোটার সংখ্যা ৯, ২৫, ৮৮৬। তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার সংখ্যা ২৮জন। মোট ভোটার সংখ্যা ১৮ লক্ষ ৮৮ হাজার ০৯১ জন। মুর্শিদাবাদ লোকসভা কেন্দ্রে ১১৪ কোম্পানি মোতায়েন করা হয়েছে। মুর্শিদাবাদ লোকসভা কেন্দ্রে মোট ১৯৩৮ টি বুথে ভোটগ্রহণ (Lok Sabha Elections 2024) হবে। যার মধ্যে চারটি অক্সিলারি বুথ রয়েছে।  মুর্শিদাবাদ লোকসভার মধ্যে মুর্শিদাবাদ, ভগবানগোলা, হরিহরপাড়া, রানিনগর, জলঙ্গি, ডোমকল ও নদিয়া জেলার করিমপুর নিয়ে গঠিত এই লোকসভা কেন্দ্র। মুর্শিদাবাদ বিধানসভা একমাত্র গেরুয়া শিবির বিজেপির দখলে থাকলেও বাকি ছ’টা আসন রয়েছে ঘাস ফুল শাসক দলের। ভোটের আগের দিনও বোমা উদ্ধার হয়েছে। সাগরপাড়া থানার কাঁটাবাড়ি এলাকায় বোমা উদ্ধার হয়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Climate Change: জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব পড়বে অর্থনীতিতে, ক্ষতির পরিমাণ শুনলে চোখ কপালে উঠবে

    Climate Change: জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব পড়বে অর্থনীতিতে, ক্ষতির পরিমাণ শুনলে চোখ কপালে উঠবে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দ্রুত বদলে যাচ্ছে জলবায়ু (Climate Change)। যার ভয়ঙ্কর প্রভাব পড়তে চলেছে প্রকৃতির ওপর। যে এলাকা এক সময় হা-বৃষ্টি, হা-বৃষ্টি করে কাটাত, সেখানে এখন বৃষ্টি হচ্ছে ঝমঝমিয়ে। আর অঝোর ধারার বৃষ্টিতে বানভাসি হত যে অঞ্চল, সেখানে এখন প্রায়ই হচ্ছে খরা। জলবায়ুর পরিবর্তন যে হচ্ছে, তার আরও প্রমাণ বরফ গলছে সুমেরু-কুমেরুর। জলবায়ুর এই পরিবর্তনের জেরে ভয়াবহ ক্ষতির সম্মুখীন হতে চলেছে বিশ্ব অর্থনীতি। ২০৫০ সালের মধ্যে বিশ্ব অর্থনীতিতে বার্ষিক ক্ষতির পরিমাণ গিয়ে দাঁড়াবে ৩৮ ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলারে। সম্প্রতি ‘নেচার’ পত্রিকায় প্রকাশিত একটি সমীক্ষা থেকেই জানা গিয়েছে জলবায়ু পরিবর্তনের এই ভয়ঙ্কর প্রভাবের কথা। পত্রিকার রিপোর্ট থেকে জানা গিয়েছে, এখন থেকেই যদি কার্বন ডাই অক্সাইড নির্গমনে ব্যাপকভাবে রাশ টানা না হয়, তাহলে জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত হবে বিশ্ব অর্থনীতি।

    কী বলছেন বিজ্ঞানীরা? (Climate Change)

    গত চার দশক ধরে বিশ্বব্যাপী ১ হাজার ৬০০টিরও বেশি অঞ্চল থেকে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে তৈরি করা হয়েছে রিপোর্টটি (Climate Change)। এটিতে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির ওপর পরিবর্তনশীল জলবায়ু পরিস্থিতির ভবিষ্যতের প্রভাবগুলি বিশ্লেষণ করা হয়েছে। পটসডাম ইনস্টিটিউট ফর ক্লাইমেট ইমপ্যাক্ট রিসার্চের প্রধান লেখক তথা বিজ্ঞানী ম্যাক্সিমিলিয়ান কোটজ বিষয়টি ব্যাখ্যা করতে গিয়ে বলেছেন, “অধিকাংশ অঞ্চলের জন্য গতিশীল আয় হ্রাস অনুমান করা হয়েছে, যার মধ্যে রয়েছে উত্তর আমেরিকা ও ইউরোপ। এরাই সব চেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। দক্ষিণ এশিয়া ও আফ্রিকার কৃষিতে জলবায়ু পরিবর্তনের সব চেয়ে গুরুতর প্রভাব পড়েছে। তার ধাক্কা লেগেছে ফলন, উৎপাদনশীলতা, শ্রম এবং পরিকাঠামোর ওপর।” তিনি বলেন, “আমাদের সমীক্ষায় দেখা গিয়েছে ২০৪৯ সালের মধ্যে অতীত নির্গমনের কারণে গড় আয় কমে যাবে ১৯ শতাংশ। গ্লোবাল জিডিপি হ্রাস পাবে ১৭ শতাংশ।”

    কী বলছেন গবেষক দলের প্রধান?

    গবেষক দলের নেতৃত্ব দিয়েছিলেন লিওনি ওয়েঞ্জ। তাঁর সতর্কবার্তা, “আগামী পঁচিশ বছরের মধ্যে জার্মানি, ফ্রান্স এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মতো উন্নততম দেশগুলি-সহ প্রায় সমস্ত দেশেই ব্যাপক অর্থনৈতিক ক্ষতি আসন্ন। অতীতের নির্গমন ও তাদের প্রভাব প্রশমিত করার জন্য জরুরি অভিযোজন প্রচেষ্টার প্রয়োজন।” জানা গিয়েছে, যে বিপুল ক্ষতির ভবিষ্যদ্বাণী করা হচ্ছে, তা বর্তমানে যে পরিমাণ কার্বন নির্গমন হচ্ছে, তার চেয়ে প্রায় ছ’গুণ বেশি হবে। এই কার্বন নির্গমন কমাতে না পারলে সমূহ বিপদ। তবে কার্বন নির্গমন কমাতে পারলে গড় তাপমাত্রা রাখা যাবে দু’ডিগ্রি নীচে (Climate Change)।

    কে দায়ী জানেন?

    বিশ্ব অর্থনীতির যে ক্ষতির কথা বলা হচ্ছে, তার জন্য সিংহভাগ দায়ী গড় তাপমাত্রা বৃদ্ধি। এর পাশাপাশি রয়েছে ঝড় এবং বৃষ্টি। অদূর ভবিষ্যতে এই ক্ষতির পরিমাণ বৃদ্ধি পেতে পারে ৫০ শতাংশ। কেবল তাই নয়, এক অঞ্চল থেকে অন্যত্র এই ক্ষতির পরিমাণ কমবেশি হতে পারে। গবেষকরা দেখেছেন, জলবায়ু পরিবর্তনের জেরে গোটা বিশ্ব কমবেশি ভুগলেও, সুফল কুড়োতে পারে মেরু অঞ্চলের কাছাকাছি থাকা এলাকাগুলির মানুষজন। তাপমাত্রার বিশেষ কিছু হেরফের না হওয়ারই ফসল ঘরে তুলবেন এই অঞ্চলের লোকজন।

    সব চেয়ে বেশি ক্ষতি ট্রপিক্যাল এরিয়ায়

    মেরু অঞ্চলের লোকজন যখন জলবায়ু পরিবর্তনের সুফল ঘরে তুলবেন, তখন ভয়ঙ্কর ক্ষতির সম্মুখীন হবেন নিরক্ষরেখার কাছাকাছি অঞ্চলের দেশগুলির বাসিন্দারা। কারণ এই অঞ্চলগুলিতে বৈশ্বিক নির্গমন কম। বর্তমানে রোজগারও কম। পটসডাম ইনস্টিটিউটের রিসার্চ ডিপার্টমেন্ট কমপ্লেক্সিটি সায়েন্সের প্রধান তথা সহকারি লেখক অ্যান্ডারস লেভারমান বলেন, “জলবায়ু বৈষম্যের যে প্রভাব পড়ছে তামাম বিশ্বে, তার ওপর আলোকপাত করা হয়েছে আমাদের গবেষণায়। আমরা প্রায় সব জায়গায়ই ক্ষতি দেখতে পেয়েছি। তবে ট্রপিক্যাল এরিয়ার দেশগুলি সব চেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হবে। কারণ তারা এমনিতেই উষ্ণমণ্ডলের অধীন। তাই তাপমাত্রার বৃদ্ধি তাদের পক্ষে হবে ভয়ঙ্কর ক্ষতিকর।”

    আরও পড়ুুন: “বাংলায় অনুপ্রবেশকারীরা তৃণমূলের ভোট ব্যাঙ্ক”, বিস্ফোরক অমিত শাহ

    জলবায়ু পরিবর্তনের জন্য সব চেয়ে কম দায়ী যেসব দেশ, তাদের যে ইনকাম লসের কথা বলা হয়েছে, তা উচ্চ আয়ের দেশগুলির চেয়ে ৬০ শতাংশ বেশি, ৪০ শতাংশ বেশি উচ্চতর নির্গমন করে এমন দেশগুলির চেয়ে। তারা হচ্ছে সেই দেশ, যাদের সম্পদের ওপর জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবও পড়ে কম। ওয়েঞ্জ বলেন, “এই অদূর-মেয়াদি ক্ষতির কারণ হল আমাদের অতীতের নির্গমন। আমাদের প্রয়োজন আরও অনেক বেশি অ্যাডাপটেশন প্রচেষ্টা, যদি আমরা এর ন্যূনতমও এড়িয়ে চলতে চাই। আমাদের নির্গমন উল্লেখযোগ্যভাবে কমাতে হবে এবং তা কমাতে হবে এখনই। যদি তা না হয়, তাহলে এই শতাব্দীর দ্বিতীয়ার্ধে অর্থনৈতিক ক্ষতি হবে আরও অনেক বেশি। ২১০০ সালের মধ্যে বিশ্বে এর গড় পরিমাণ হবে ৬০ শতাংশ।” লিভারম্যান বলেন, “এই বিশাল ক্ষতির হাত থেকে বাঁচতে হলে আমাদের নির্ভর করতে হবে রিনিউয়েবল এনার্জির ওপর। এতে একদিকে যেমন আমাদের নিরাপত্তা বাড়বে, তেমনি সাশ্রয় হবে অর্থ। তা না হলে ভয়ঙ্কর বিপর্যয়ের সম্মুখীন হতে হবে আমাদের। এই গ্রহের তাপমাত্রার পারদ এক জায়গায় দাঁড়িয়ে থাকবে তখনই, যখন আমরা তেল, গ্যাস এবং কয়লা পোড়ানো বন্ধ করব (Climate Change)।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

     

  • Sandeshhkhali Incident: ফের সন্দেশখালিতে সিবিআই! কার বাড়িতে ঢুকল এবার?

    Sandeshhkhali Incident: ফের সন্দেশখালিতে সিবিআই! কার বাড়িতে ঢুকল এবার?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কখনও গুলি, বন্দুক উদ্ধার আবার কখনও স্টিং অপারেশন। সপ্তাহে অন্তত একবার সংবাদ শিরোনামে উঠে এসেছে সন্দেশখালি (Sandeshkhali)। সেই জানুয়ারি মাস থেকে সংবাদ শিরোনামে রয়েছে উত্তর ২৪ পরগনা জেলার বসিরহাট মহকুমার এই প্রত্যন্ত এলাকা। সোমবার ৩ সদস্যের প্রতিনিধি দল হাজির হয়েছে সন্দেশখালিতে। এবার জমি মাফিয়ার খপ্পড়ে পড়া দিনু মন্ডল ও হান্নান গাজির বাড়িতে উপস্থিত হন সিবিআইয়ের (CBI) তদন্তকারী দলের সদস্যরা।

    দিনু মণ্ডলের বাড়িতে সিবিআই

    এদিন সিবিআই আধিকারিকদের একটি দল ন্যাজাট থানার শিরিষতলায় দীনু মণ্ডলের বাড়িতে উপস্থিত হন। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার সূত্রে খবর শেখ শাহজাহানদের দল বলের বিরুদ্ধে বলপূর্বক (Sandeshkhali Incident) জমি দখলের অভিযোগ ছিল। এর মধ্যে একটি অভিযোগ করেছিলেন দীনু মন্ডল। এদিন তাঁর বাড়িতে জমি সংক্রান্ত নথিপত্র খতিয়ে দেখতে উপস্থিত হন তদন্তকারিরা। স্থানীয় সূত্রে খবর কাগজপত্র দেখানোর পর দিনু মন্ডল নিজের জমিও ঘুরিয়ে দেখান সিবিআই আধিকারিকদের।

    আরও পড়ুন: ভোটের আবহে ২৩টি দেশের ৭৫ জন প্রতিনিধি ভারতে এলেন

    হান্নান গাজির বাড়িতেও সিবিআই

    উল্লেখ্য বসিরহাটে (Basirhat) জমি দখল মামলার তদন্তভার বর্তমানে রয়েছে সিবিআই আধিকারিকদের হাতে। গোয়েন্দা সংস্থা সূত্রের খবর ইমেলের মাধ্যমে বলপূর্বক জমি দখলের (Sandeshkhali Incident)  অভিযোগ জানিয়েছিলেন তদন্তকারীরা। এদিন ন্যাজাট থানার ঝুপখালি এলাকার হান্নান গাজি নামে এক ব্যক্তির বাড়িতেও উপস্থিত হন সিবিআই আধিকারিকরা। সেখানেও জমি জমা দখল সংক্রান্ত অভিযোগ ছিল। অভিযোগ খতিয়ে দেখেন তদন্তকারিরা। গত মাসে কলকাতা হাইকোর্ট নির্দেশ দিয়েছিল সন্দেশখালিতে নারী নির্যাতন এবং জমি সংক্রান্ত মামলার তদন্তভার সিবিআইকে গ্রহণ করতে হবে। এরপর অনলাইনে পোর্টাল খুলে ই-মেল মারফত অভিযোগ গ্রহণ শুরু হয়। প্রায় একশোর কাছাকছি অভিযোগ দায়ের হয়। সেই সমস্ত অভিযোগের তদন্ত নেমেছেন সিবিআই আধিকারিকরা। গত বৃহস্পতিবার সন্দেশখালি কাণ্ডে (Sandeshkhali Incident) কলকাতা হাইকোর্টে রিপোর্ট জমা দিয়েছে সিবিআই। প্রধান বিচারপতি টি এস শিবজ্ঞানম এবং বিচারপতি হিরণ্ময় ভট্টাচার্যের ডিভিশন বেঞ্চে তদন্তের স্ট্যাটাস রিপোর্ট মুখ বন্ধ খামে জমা দেওয়া হয়েছে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Locket Chatterjee: পান্ডুয়ায় বোমা বিস্ফোরণের ঘটনায় এনআইএ তদন্ত চেয়ে পথে নামলেন লকেট

    Locket Chatterjee: পান্ডুয়ায় বোমা বিস্ফোরণের ঘটনায় এনআইএ তদন্ত চেয়ে পথে নামলেন লকেট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হুগলির পান্ডুয়ায় বোমা বিস্ফোরণে (Pandua Bomb Blast) বালকের মৃত্যুর ঘটনায় এবার এনআইএ (NIA) তদন্তের দাবি জানিয়ে পথে নামলেন হুগলির বিজেপি প্রার্থী লকেট চট্টোপাধ্যায়। তাঁর অভিযোগ, পুলিশ শুধু বলে যাচ্ছে, তদন্ত হচ্ছে। কিন্তু তিন-চার ঘণ্টা কেটে গেলেও এখনও পুলিশের বম্ব স্কোয়াড এসে পৌঁছল না ঘটনাস্থলে। লকেটের (Locket Chatterjee) পাশাপাশি এদিন ঘটনার প্রতিবাদে জিটি রোড অবরোধ করলেন বিজেপির নেতা-কর্মীরা। উল্লেখ্য চলতি মাসের ২০ তারিখ পঞ্চম দফায় হুগলি লোকসভা কেন্দ্রে ভোট। আর তার আগে এই ঘটনায় তোলপাড় হচ্ছে এলাকা। ভোটের আবহে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজাও।

    ঠিক কী ঘটেছিল? 

    সোমবার অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সভা রয়েছে পান্ডুয়ায়। সেই সভাস্থল থেকে কিছুটা দুরেই ঘটল ভয়াবহ ঘটনা। স্থানীয় সূত্রে খবর, সোমবার সকাল সাড়ে ৮টা নাগাদ পান্ডুয়ার তিন্না এলাকার একটি পুকুরপাড় থেকে হঠাৎই প্রচন্ড বিস্ফোরণের শব্দ শোনেন স্থানীয় বাসিন্দারা। তড়িঘড়ি পুকুর পাড়ে ছুটে এলে তারা দেখতে পান তিনটি বাচ্চা গুরুতর জখম অবস্থায় পড়ে রয়েছে। মৃত কিশোরের নাম রাজ বিশ্বাস। আহত দুই জন রুপম বল্লভ ও সৌরভ চৌধুরী। প্রত্যেকেরই বয়স ১১ থেকে ১৩ এর মধ্যে। এই ঘটনার পরেই এলাকায় যান লকেট (Locket Chatterjee)। ঘটনাস্থল ঘুরে দেখেন। এর পরেই বিস্ফোরণের ঘটনায় এনআইএ (NIA) তদন্তের দাবিতে তিন্না মোড়ের কাছে অবস্থান বিক্ষোভ শুরু করেন বিজেপি প্রার্থী। 

    লকেটের বক্তব্য (Locket Chatterjee) 

    লকেটে বক্তব্য, ‘‘আজ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সভা রয়েছে পান্ডুয়ায়। তাই আমাকে উঠে যেতে বলছে। কিন্তু আমি কী করে উঠব? ওই শিশুর মা আমাকে জিজ্ঞেস করছিলেন, এর পর কী হবে? আমাকে বলছিলেন, ধীরে ধীরে আপনারাও চলে যাবেন তো। পুলিশকে কোনও বিশ্বাস নেই। আমি ঢুকতে গেলাম, বলল ওদিকে যাবেন না। আরও বোম থাকতে পারে, তাহলে বোম স্কোয়াড কোথায়? দু ঘণ্টা আগে থেকে বলছে যে বোম স্কোয়াড এসে গিয়েছে, কিন্তু বোম স্কোয়াড আসেনি। আদৌ বোম স্কোয়াড আসবে? এনআইএ তদন্ত করতে হবে। আশপাশে এ ভাবে বোমা ছড়িয়ে রয়েছে? ভাবতেই পারছি না।’’

    আরও পড়ুন: ঝাড়খণ্ডের মন্ত্রীর পিএ-র পরিচারকের বাড়ি থেকে ২৫ কোটি টাকা উদ্ধার ইডির!

    শমীক ভট্টাচার্যের বক্তব্য 

    লকেটের পাশাপাশি এই ঘটনা প্রকাশ্যে আসতেই বিজেপি নেতা শমীক ভট্টাচার্য বলেছেন, ‘‘গত ১৪ মাসে বোমা বিস্ফোরণে (Pandua Bomb Blast) এই নিয়ে ৯ জন কিশোর বা শিশু মারা গিয়েছে। কেউ বল ভেবে খেলতে গিয়ে অধিকাংশ ক্ষেত্রে মারা গিয়েছে। শৌচাগারে গিয়ে মারা গিয়েছে। জঙ্গলে পা পড়ে বিস্ফোরণ হয়েছে, সেখানে মারা গিয়েছে। আমরা কোন রাজ্য বসবাস করছি? বারুদের স্তূপের উপর পশ্চিমবঙ্গ। কারণ যে রাজনৈতিক দলটিকে দুভার্গ্যবশত তৃতীয়বারের জন্য ক্ষমতায় নিয়ে আসা হয়েছে, তাঁদের রাজনীতির ভিতটাই বোমা, হিংসা,সন্ত্রাস, দখলদারি। আজকে তাঁদের কারণে গোটা পশ্চিমবঙ্গে এই অবস্থা তৈরি হয়েছে। বগটুইয়ের ঘটনার পর মুখ্যমন্ত্রী বলেছিলেন সমস্ত অফিসারদের ছুটি বাতিল করে দিয়ে, ১৫ দিন সময় দিলাম, সমস্ত অস্ত্র উদ্ধার করো। আর তারপরে কতগুলি বিস্ফোরণ পশ্চিমবঙ্গে হয়েছে?!’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Election Commission of India: ভোটের আবহে ২৩টি দেশের ৭৫ জন প্রতিনিধি ভারতে এলেন

    Election Commission of India: ভোটের আবহে ২৩টি দেশের ৭৫ জন প্রতিনিধি ভারতে এলেন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিশ্বের সর্ব্বৃহত গণতান্ত্রিক দেশের গণতন্ত্রের উৎসবের (Loksabha Election 2024) সাক্ষী থাকতে ভারতে আসছেন বিদেশি প্রতিনিধিদল। প্রতিনিধিরা বিভিন্ন দলে বিভক্ত হয়ে ছয়টি রাজ্যে যাবেন। এই রাজ্যগুলি হল মহারাষ্ট্র, গোয়া, গুজরাট, কর্নাটক, মধ্যপ্রদেশ এবং উত্তরপ্রদেশ। এই রাজ্যগুলির বিভিন্ন নির্বাচনী এলাকায় নির্বাচন ও সংশ্লিষ্ট প্রস্তুতি পর্যবেক্ষণ করতে পারবে তাঁরা (Election Commission of India)। বিদেশি প্রতিনিধিরা ভারতের নির্বাচনী ব্যবস্থার সূক্ষ্মতা এবং ভারতীয় নির্বাচনের সেরা অনুশীলনগুলির সাথে পরিচিত হবেন।

    ২৩টি দেশের ৭৫ জন প্রতিনিধি ভারতে এসেছেন

    ভারতের নির্বাচন কমিশনের (Election Commission of India) ঐতিহ্য বজায় রেখে স্বচ্ছতার সংস্কৃতি গড়ে তোলা এবং গণতান্ত্রিক দেশগুলির মধ্যে নির্বাচনী অনুশীলনে উচ্চমান বজায় রাখার স্বার্থে ২৩টি দেশের ৭৫ জন প্রতিনিধি ভারতীয় সাধারণ নির্বাচন দেখতে ভারতে রয়েছেন। ইন্টারন্যাশনাল ইলেকশন ভিজিটরস প্রোগ্রামের (IEVP) অংশ হিসেবে তাঁরা ভারতে এসেছেন। নয়াদিল্লিতে মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক শ্রী রাজীব কুমার এবংইলেকশন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার এবং সুখবীর সিং সান্ধুর উপস্থিতিতে অনুষ্ঠানটির উদ্বোধন করা হয়েছিল। প্রতিনিধিরা ভারতের তৃতীয় ও চতুর্থ দফায় নির্বাচনে প্রক্রিয়ায় উপস্থিত থাকবেন বলে জানিয়েছেন। তবে চীন ও পাকিস্তানকে আমন্ত্রণ জানানো হয়নি।

    প্রধানমন্ত্রীর কর্মসূচিতেও অংশ নেওয়ার সম্ভাবনা

    জানা গিয়েছে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (PM Narendra Modi) সমাবেশেও বিদেশী কূটনীতিকদের অংশ নেওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে তাঁরা প্রচারে শরিক হবেন না। বিজেপি (BJP) বিদেশি কূটনৈতিক প্রতিনিধিদের ভারতে আমন্ত্রণ জানিয়েছে। ভারতে কীভাবে ভোট গ্রহণ হয় কতটা নিরপেক্ষ ভোট পরিচালনা হয় এগুলি দেখানো হবে বিদেশি প্রতিনিধি দলকে। পাশাপাশি রাজনৈতিক দলের প্রচার কর্মসূচিও দেখতে পাবেন তাঁরা। নয়া দিল্লিতে আলোচনার পর তারা বিভিন্ন দলে বিভক্ত হয়ে বিভিন্ন রাজ্যে গণতন্ত্রের সবচেয়ে থেকে বড় উৎসবের (Loksabha Election 2024) সাক্ষী হতে পারবেন।

    আরও পড়ুন: ভারত জেনোফোবিক! মার্কিন প্রেসিডেন্টকে মুখের মতো জবাব দিলেন জয়শঙ্কর

    শুভেচ্ছা জানিয়েছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন

    ভারতীয় জনতা পার্টির বৈদেশিক কূটনৈতিক শাখা সূত্রে জানা গিয়েছে, বিজেপির প্রচার কর্মসূচির সাক্ষী হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। জানা গিয়েছে ভুটান, মঙ্গোলিয়া, অস্ট্রেলিয়া, মাদাগাস্কার, ফিজি, কিরঘিজস্তান, রাশিয়া, মলদোভা, টিউনিসিয়া, সেশেলস, কম্বোডিয়া, নেপাল, ফিলিপিন্স, শ্রীলঙ্কা, জিম্বাবোয়ে, বাংলাদেশ, কাজাখস্তান, জর্জিয়া, চিলি, উজবেকিস্তান, মালদ্বীপ, পাপুয়া নিউগিনি এবং নামিবিয়ার প্রতিনিধিরা উপস্থিতি নিশ্চিত করেছেন। ইউরোপীয় ইনিয়নের রাজনৈতিক দলগুলিকেও আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। তবে ইউরোপীয় ইউনিয়নে বর্তমানে নির্বাচন প্রক্রিয়ার চলার কারণে তারা আসতে পারছেন না বলে জানিয়েছেন। তাঁরা ভারতকে (Loksabha Election 2024) সুস্থ নির্বাচন পরিচালনার জন্য শুভেচ্ছা বার্তা পাঠাবেন। একইভাবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র থেকেও রাজনৈতিক দলগুলির প্রতিনিধিদের আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে দিল্লিতে। একটি দল প্রধানমন্ত্রীর নরেন্দ্র মোদির একটি সমাবেশে অংশ নিতে পারেন বলে জানা গিয়েছে (Election Commission of India)। এর আগে হিমাচল প্রদেশ, মধ্যপ্রদেশ এবং ছত্রিশগড়ের বিধানসভা নির্বাচনের সময়ও বিদেশি প্রতিনিধি এবং কূটনীতিকদের বিজেপির প্রচার পর্ব দেখার জন্য আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। ভারতের মত সর্ববৃহৎ গণতান্ত্রিক দেশে কীভাবে নির্বাচনী প্রক্রিয়া পরিচালনা করা হয় এবং কীভাবে ভোটারদের কিভাবে ভোট দেওয়ার জন্য উৎসাহিত করা হয় সেগুলির উপর আকর্ষণ রয়েছে প্রতিনিধিদের।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • T20 World Cup 2024: টি-২০ বিশ্বকাপে জঙ্গি হামলার হুঁশিয়ারি! নিরাপত্তা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন

    T20 World Cup 2024: টি-২০ বিশ্বকাপে জঙ্গি হামলার হুঁশিয়ারি! নিরাপত্তা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: টি-২০ বিশ্বকাপ (T20 World Cup 2024) শুরু হতে আর একমাসও বাকি নেই। আর এরই মধ্যে জঙ্গি হামলার হুঁশিয়ারি দিয়েছে পাকিস্তানের (Pakistan) একটি জঙ্গি সংগঠন। ফলে নিরাপত্তা নিয়ে ইতিমধ্যেই প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।

    ১ জুন থেকে শুরু হতে চলেছে ২০ ওভারের (T20 World Cup 2024) বিশ্ব যুদ্ধ। আর এই বিশ্বকাপের লড়াইয়ের আগে এবার ওয়েস্ট ইন্ডিজ ও আমেরিকায় জঙ্গি হামলা হতে পারে বলে হুমকি দেওয়া হয়েছে। জানা গেছে বিশ্বকাপ চলাকালীন হতে পারে জঙ্গি হামলা। 

    জঙ্গি হামলার হুঁশিয়ারি (T20 World Cup 2024) 

    ক্রিকেট ওয়েবসাইট ‘ক্রিকবাজ’-এর রিপোর্ট অনুযায়ী,উত্তর পাকিস্তানের প্রো-ইসলামিক স্টেট (IS) এবার লক্ষ্য করছে খেলাধুলোর অনুষ্ঠানগুলিকে। আইএস-র পাকিস্তান-আফগানিস্তান শাখা আইএস-খোরাসান থেকে ভিডিওর মাধ্যমে নাশকতার বার্তা ছড়াচ্ছে। সেখানে বিভিন্ন দেশের জঙ্গিকাণ্ডের খবর তুলে ধরা হয়েছে। সেই সঙ্গে তাদের সমর্থকদের যুদ্ধে যোগ দেওয়ার আহ্বান জানাচ্ছে। এক্ষেত্রে তাদের মূল লক্ষ্য ক্যারিবিয়ান দ্বীপপুঞ্জের স্টেডিয়ামগুলি।

    ওয়েস্ট ইন্ডিজের বার্তা

    ওয়েস্ট ইন্ডিজ ক্রিকেট বোর্ড এ প্রসঙ্গে জানিয়েছে, বিশ্বকাপে অংশ নেওয়া দেশের ক্রিকেটার ও সাপোর্ট স্টাফ এবং দর্শকদের নিরাপত্তার দায়িত্ব তাদের। সেই কাজ তারা করবে। ওয়েস্ট ইন্ডিজ ক্রিকেট বোর্ডের সিইও জনি গ্রেভস বলেন, “আমরা আইসিসির সঙ্গে প্রতিনিয়ত যোগাযোগ রাখছি। যে কয়েকটি মাঠে বিশ্বকাপ (T20 World Cup 2024) হবে সেই স্টেডিয়ামগুলি সহ স্টেডিয়াম সংলগ্ন বিভিন্ন হোটেলে যাতে নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা থাকে তা নিশ্চিত করা হবে। আমি সব দেশকে জানিয়ে দিতে চাই, যে ক্রিকেটার, সাপোর্ট স্টাফ ও দর্শকদের নিরাপত্তা আমাদের প্রধান লক্ষ্য।”

    আরও পড়ুন: ভোটের আগে আবাসের টাকা পাইয়ে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি তৃণমূলের, কমিশনে যাবে বিজেপি

     
    উল্লেখ্য, এই প্রথম কোনও বিশ্বকাপে (T20 World Cup 2024) ২০টি দেশ খেলবে। ক্যারিবিয়ান দ্বীপপুঞ্জের ম্যাচগুলি হবে অ্যান্টিগা ও বারবুডা, গায়ানা, সেন্ট লুসিয়া, সেন্ট ভিনসেন্ট এবং গ্রেনাডাইনস এবং ওয়েস্ট ইন্ডিজের ত্রিনিদাদ ও টোবাগোতে। আমেরিকার ফ্লোরিডা, নিউ ইয়র্ক এবং টেক্সাসে শহরেও হবে টি-টোয়েন্টির মহাযুদ্ধ। ৫ জুন নিউ ইয়র্কে ভারতের প্রথম ম্যাচ আয়ারল্যান্ডের সঙ্গে। আর ৯ জুন নিউ ইয়র্কে রয়েছে ভারত (India) ও পাকিস্তানের (Pakistan) হাই টেনশনের ম্যাচ। তবে এই ম্যাচের দর্শকদের উন্মাদনার পাশাপাশি নিরাপত্তার দিকেও নজরে থাকবে আয়োজকদের।   

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • S Jaishankar: ভারত জেনোফোবিক! মার্কিন প্রেসিডেন্টকে মুখের মতো জবাব দিলেন জয়শঙ্কর

    S Jaishankar: ভারত জেনোফোবিক! মার্কিন প্রেসিডেন্টকে মুখের মতো জবাব দিলেন জয়শঙ্কর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “ভারত জেনোফোবিক (যারা বিদেশিদের ভয় পায়)। কারণ তারা অভিবাসীদের স্বাগত জানায় না।” দিন কয়েক আগে একথা বলেছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। সম্প্রতি এক সংবাদ মাধ্যমে সাক্ষাৎকার দিতে গিয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্টের মন্তব্যের কড়া প্রতিক্রিয়া দিলেন বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর (S Jaishankar)। তিনি বলেন, “সমাজের সর্বস্তরের মানুষের জন্যই খোলা রয়েছে ভারতের দ্বার।”

    জয়শঙ্করের জবাব (S Jaishankar)

    মার্কিন প্রেসিডেন্ট এও বলেছিলেন, “ভারতের অর্থনীতির ভিত নড়বড়ে। খুব ভালো করছে না। যদিও মার্কিন অর্থনীতির নিত্য শ্রীবৃদ্ধি হচ্ছে।” এরও উত্তর দিয়েছেন ভারতের বিদেশমন্ত্রী। জয়শঙ্কর (S Jaishankar) বলেন, “প্রথমত, আমাদের অর্থনীতি বিপর্যস্ত হচ্ছে না। ভারত সব সময়ই একটি অনন্য দেশ। তার আতিথেয়তার জন্য পরিচিত। বিশ্বের ইতিহাসে ভারতই এমন একটি দেশ, যা সর্বদা অভিবাসীদের সাহায্য করেছে। বিভিন্ন সমাজের মানুষ ভারতে আসেন।” ভারত যে বিশ্বের দ্রুত বর্ধনশীল অর্থনীতির অন্যতম প্রধান দেশ, তাও মনে করিয়ে দিয়েছেন জয়শঙ্কর। তিনি বলেন, “গত কয়েক বছর ধরে ভারতের অর্থনীতি দ্রুত বর্ধনশীল। বিশ্বের বৃহত্তম অর্থনীতির দেশের তালিকায় ভারতের ঠাঁই হয়েছে পঞ্চম স্থানে। এই দশকের শেষের মধ্যেই ভারত উঠে আসবে এই তালিকার তিন নম্বরে।”

    কী বলেছিলেন বাইডেন?

    ২ মে এক নির্বাচনী জনসভায় আমেরিকার অর্থনৈতিক বিকাশ নিয়ে মন্তব্য করতে গিয়ে বাইডেন বলেছিলেন, “আমাদের অর্থনীতির বিকাশের অন্যতম কারণ হলেন আপনারা এবং আরও অনেকে। কেন? কারণ আমরা বিদেশিদের স্বাগত জানাই। আমরা এটা নিয়ে ভাবি। কিন্ত চিনের অর্থনীতি কেন এভাবে থমকে গেল? কেন জাপান সমস্যার মুখে পড়ছে? কেন রাশিয়া? কেন ভারত? কারণ তারা জেনোফোবিক। তারা বিদেশিদের চায় না।”

    আরও পড়ুুন: ধেয়ে আসছে কালবৈশাখী, ঝমঝমিয়ে বৃষ্টি কোথায়, কখন জানেন?

    মার্কিন প্রেসিডেন্টকে সপাটে এরই উত্তর দিয়েছেন জয়শঙ্কর। বলেন, “তামাম বিশ্বে ভারতীয় সমাজ এমন একটি সমাজ, যেটা ভীষণ মুক্তমনা। ভিন্ন ভিন্ন সমাজ থেকে মানুষ ভারতে আসেন।” সিএএ-র প্রসঙ্গও উল্লেখ করেছেন জয়শঙ্কর। বলেন, “এই আইনের মাধ্যমে পাকিস্তান, আফগানিস্তান কিংবা বাংলাদেশ থেকে আসা হিন্দু, খ্রিস্টান, বৌদ্ধ, জৈন, শিখ এবং পারসিদের ভারতীয় নাগরিকত্ব দেওয়ার কথা বলা হয়েছে।” বিদেশিদের এ দেশে স্বাগত জানাতেই যে এহেন বড় পদক্ষেপ, তাও মনে করিয়ে দেন ভারতের বিদেশমন্ত্রী (S Jaishankar)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Economist Surjit Bhalla: “মোদি সরকারের আমলেই সব চেয়ে বেশি চাকরি হয়েছে”, দাবি অর্থনীতিবিদের

    Economist Surjit Bhalla: “মোদি সরকারের আমলেই সব চেয়ে বেশি চাকরি হয়েছে”, দাবি অর্থনীতিবিদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২০১৭ সালের সেপ্টেম্বর থেকে ২০১৮-র ডিসেম্বর – ব্যবধান মাত্র ১৬ মাস। এই সময়সীমায় চাকরি হয়েছে প্রায় দু’কোটি (Economist Surjit Bhalla)। ২০১৯ সালেই এই দাবি করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তাঁর দাবি যে নিছক দাবিই নয়, তা জানিয়ে দিলেন বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ তথা আন্তর্জাতিক মুদ্রা ভাণ্ডারের (আইএমএফ) ভূতপূর্ব এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর সুরজিত ভাল্লা। তাঁর দাবি, নরেন্দ্র মোদির জমানায় ব্যাপক চাকরির সৃষ্টি হয়েছে। গত সাত-আট বছরে সংখ্যাটা ছুঁয়েছে প্রায় ১০ মিলিয়ন।

    দুই জমানার তুলনা (Economist Surjit Bhalla)

    ইউপিএ জমানার তুলনায় এনডিএ আমলে যে বেশি চাকরি হয়েছে, তাও মনে করিয়ে দেন এই বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ (Economist Surjit Bhalla)। তিনি বলেন, “২০০৪ সাল থেকে ২০১৩ পর্যন্ত ইউপিএ জমানায় খুব কম চাকরি হয়েছিল।” সেই সময়টাকে তিনি ভূষিত করেছেন ‘জবলেস গ্রোথ’ পর্ব হিসেবে। 

    কী বললেন অর্থনীতিবিদ?

    সংবাদ মাধ্যমে সাক্ষাৎকার দিতে গিয়ে ভাল্লা বলেন, “চাকরি সৃষ্টির ক্ষেত্রে মোদি সরকার রেকর্ড ছুঁয়েছে। ভারতের ইতিহাসে এর আগে পর্যন্ত এত কর্মসংস্থানের রেকর্ড নেই।” এর পরেই তিনি বলেন, “গত সাত-আট বছরে চাকরি হয়েছে ১০ মিলিয়নেরও বেশি।” ভাল্লা প্রধানমন্ত্রীর ইকনমিক অ্যাডভাইসরি কাউন্সিলের সদস্য ছিলেন। তিনি বলেন, “অটল বিহারী বাজপেয়ীর জমানা এবং নরেন্দ্র মোদির আমল এই দুই প্রধানমন্ত্রীর কার্যকালেই দেশে সব চেয়ে বেশি কর্মসংস্থান হয়েছে।” প্রসঙ্গত, সম্প্রতি আন্তর্জাতিক লেবার অর্গানাইজেশনের একটি রিপোর্টে দাবি করা হয়েছে, ২০২২ সালে ভারতে মোট জনসংখ্যার প্রায় ৮৩ শতাংশ তরুণই বেকার।

    আরও পড়ুুন: ধেয়ে আসছে কালবৈশাখী, ঝমঝমিয়ে বৃষ্টি কোথায়, কখন জানেন?

    ভাল্লা বলেন, “আপনারা যদি ২৯ বছরের ঊর্ধ্বে তরুণদের ডেটা দেখেন, ভারতে বেকারত্বের হারের দিকে তাকান, যে দেশ বিশ্বের সবচেয়ে জনবহুল দেশ, দেখবেন যেখানে ওয়ার্কফোর্সও প্রায় এক শতাংশ, একে বেকারত্ব বলা যায় না।” তিনি বলেন, “বিশ্বের সর্বত্রই তরুণদের মধ্যে ফ্রিকশনাল বেকারত্ব উচ্চতর। ২০১৪ সালে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে কেন্দ্রের ক্ষমতায় আসে বিজেপি। উনিশের সাধারণ নির্বাচনেও আবারও ক্ষমতায় আসে মোদি সরকার। তাঁর আমল থেকেই বাড়ছে কর্মসংস্থান (Economist Surjit Bhalla)।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

LinkedIn
Share