Tag: news in bengali

news in bengali

  • North Korea: যে দেশে মেয়েরা ভোগের বস্তু! প্রতি বছর ২৫ জন কুমারী মেয়েকে বেছে নেন কিম

    North Korea: যে দেশে মেয়েরা ভোগের বস্তু! প্রতি বছর ২৫ জন কুমারী মেয়েকে বেছে নেন কিম

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ঘোষিত কমিউনিস্ট দেশ উত্তর কোরিয়া। এখানে মেয়েরা ভোগের বস্তু! যেখানে ভারতে নারীকে মায়ের আসনে বসিয়ে পুজো করার রীতি রয়েছে সেখানে উত্তর কোরিয়া একনায়ক কিম জং উন নিজের যৌন তৃপ্তির জন্য মেয়েদের ব্যবহার করছে দিনের পর দিন। সম্প্রতি উত্তর কোরিয়া (North Korea) থেকে পালিয়ে আসা ইওনমি পার্ক নামে এক তরুণী কিম জং উন সম্পর্কে এক চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশ করেছেন। তিনি দাবি করেছেন, কিম জং উন যৌন তৃপ্তির জন্য প্রতিবছর প্রায় ২৫ জন কুমারী মেয়েকে বেছে নেন। উল্লেখ্য, এখানে মহিলাদের চেহারা, শরীরের গঠন ও পারিবারিক রাজনৈতিক অবস্থানের ভিত্তিতে বাছাই করা হয়।  

    কোন মেয়েদের টার্গেট করা হয়? (North Korea) 

    ইওনমি জানান যে, কিমের “প্লেজার স্কোয়াড” এর জন্য তাঁকে দুবার বাছাই করা হয়েছিল। কিন্তু তার পারিবারিক অবস্থানের কারণে শেষ পর্যন্ত তাকে আর নির্বাচিত করা হয়নি। জানা গেছে, কিম সেখানকার (North Korea) প্রতিটি স্কুল ও স্কুলের শ্রেণিকক্ষে থাকা প্রতিটি মেয়েকে দেখে তার মধ্যে থেকে সুন্দরী মেয়ে খুঁজে পেলে প্রথমেই তাঁর পারিবারিক অবস্থান ও দলের প্রতি আনুগত্যের বিষয়ে খোঁজ নেন। এক্ষেত্রে পরিবারের কেউ উত্তর কোরিয়া থেকে পালিয়ে গেলে কিংবা দক্ষিণ কোরিয়া বা অন্য কোন দেশে আত্মীয়-স্বজন আছে এমন মেয়েদেরকে প্লেজার স্কোয়াডে (Pleasure Squad) নেওয়া হয় না।  

    আরও পড়ুন: ফের অতি বৃষ্টিতে জলে ডুবল বিমানবন্দর! মরুদেশ দুবাইতে বাতিল বহু ফ্লাইট

    কুমারিত্বের পরীক্ষা 

    ইওনমি আরও দাবি করেন, মেয়েরা একবার নির্বাচিত হলে, তারা কুমারী কিনা তা নিশ্চিত করার জন্য ডাক্তারি পরীক্ষা করানো হয়। যদি পরীক্ষার ফলে কোনরকম ত্রুটি থাকে তবে সেই মেয়ে কিমের “প্লেজার স্কোয়াড” থেকে তৎক্ষণাৎ বাতিল হয়ে যায়। অবশেষে কঠোর পরীক্ষার পর উত্তর কোরিয়া (North Korea) জুড়ে শুধুমাত্র বাছাই করা কিছু মেয়েকেই পিয়ং ইয়ং এ পাঠানো হয়। যেখানে তাদের একমাত্র উদ্দেশ্য কিমের যৌন সঙ্গিনী হওয়া। 

    পার্ক জানান, “প্লেজার স্কোয়াড” এ বাছাই হওয়ার পর মেয়েদের কিম (Kim Jong-un) ও তাঁর সহযোগীদের সঙ্গে যৌনমিলনে বাধ্য করা হত। তাদের একমাত্র লক্ষ্য ছিল ওই পুরুষদের খুশি করা। মেয়েদের ইচ্ছের কোন তোয়াক্কা করা হত না। বিদ্রোহ করলে একটাই শাস্তি, কঠিন মৃত্যু।  

    কিমের সেবা করার জন্য সবচেয়ে আকর্ষণীয় মেয়েদের নির্বাচন করা হলেও তাঁদের চোখে প্লেজার স্কোয়াডের দ্বিতীয় শ্রেণীর মেয়েদের নিম্নপদস্থ জেনারেল এবং রাজনীতিবিদদের সন্তুষ্ট করার জন্য নিয়োগ করা হত। মেয়েদের যখন কুড়ির ওপরে বয়স হয়ে যায়, তখন তাদের মেয়াদ শেষ হয়ে যায় এবং তখন তারা প্রায়শই নেতাদের দেহরক্ষীর সাথে বিয়ে করে। 

    এই “প্লেজার স্কোয়াডের” উৎপত্তি হয়েছিল ১৯৭০ দশকে, কিম জং উনের (Kim Jong-un) বাবার সময়কালে। যিনি বিশ্বাস করতেন, “যৌন ঘনিষ্ঠতা তাঁকে অমরত্ব দেবে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

  • Lok Sabha Election 2024: রাস্তার কাজে দুর্নীতির অভিযোগ, ফের প্রচারে বেরিয়ে তোপের মুখে শতাব্দী

    Lok Sabha Election 2024: রাস্তার কাজে দুর্নীতির অভিযোগ, ফের প্রচারে বেরিয়ে তোপের মুখে শতাব্দী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাস্তার কাজের মান নিয়ে ফের তোপের মুখে শতাব্দী রায়। গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুরে সিউড়ি ১ ব্লকের আলুন্দা পঞ্চায়েতে নির্বাচনী (Lok Sabha Election 2024) প্রচারে গিয়েছিলেন তিনি। তাঁর সঙ্গে ছিলেন স্থানীয় তৃণমূল কর্মীরা। কিন্তু রাস্তায় নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহার করা হয়েছে এবং মানুষের প্রয়োজনীয় বিষয়গুলিকে পূরণ না করার অভিযোগে আগেও সরব হয়েছেন জেলার মানুষ। যদিও এদিনের অভিযোগের কথা গুরুত্ব দিতে নারাজ ছিল এই তৃণমূল প্রার্থী। পাল্টা এলাকার মানুষের দাবি ভোটে বোঝাবো।

    প্রচারে ফের তোপের মুখে (Lok Sabha Election 2024)!

    স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, বীরভূমের ইটাগড়িয়া বাসস্ট্যান্ড সংলগ্ন এলাকায় নির্বাচনী (Lok Sabha Election 2024) প্রচারে পৌঁছালে স্থানীয় কয়েকজন যুবক, তৃণমূল প্রার্থী শতাব্দী বলেন সিউড়ি-সাঁইথিয়া রাস্তা সারাইয়ের ক্ষেত্রে নিম্নমানের নির্মাণ সামগ্রী ব্যবহার করা হয়েছে বলে তোপ দাগেন। এখনেই শেষ নয়, রাস্তার পিচ তুলে নিয়ে দেখান বলেও জানা গিয়েছে। এলাকার মানুষের আরও অভিযোগ ছিল, দীর্ঘ দিন ধরে বেহাল অবস্থায় ছিল এই রাস্তা। কিছু দিন আগে পূর্ত দফতর কাজ শুরু করেছিল। কিন্তু এই কাজ নিয়ম মেনে করা হচ্ছে না। আবার স্থানীয় বাসিন্দা ইয়াকুবউদ্দিন বলেন, “রাস্তায় পিচ কি কখনও হাতে করে তুলে দেওয়া যায়? এই কাজে প্রচুর দুর্নীতি হয়েছে। এই বিষয়ে আমরা তাঁকে বললাম। কোনও কাজ হবে না বলে মনে করছি। ভোটে আমরাও বোঝাবো।”

    পূর্ত দফতরের বক্তব্য

    পূর্ত দফতরের এক্সিকিউটিভ ইঞ্জিনিয়ার উৎপল চৌধুরী বলেন, “বিভিন্ন জায়গায় স্থানীয় মানুষেরা নানা কারণে কাজ আটকে রেখেছেন, না হলে কাজ কয়েক মাস আগেই শেষ হয়ে যাওয়ার কথা। যেখানে কাজ হয়ে গিয়েছে সেখানে কোনও ত্রুটি নেই।”

    আরও পড়ুনঃ “নামটা শাহজাহান বলেই কী বাঁচানোর চেষ্টা!,” সংখ্যালঘু ইস্যুতে তৃণমূলকে তোপ মোদির

    তৃণমূলের বক্তব্য

    আবার তৃণমূলের জেলা সহ সভাপতি মলয় মুখোপাধ্যায় বলেন, “এখন জেলায় প্রচুর তাপমাত্রা রয়েছে। ফলে নতুন কাজ হওয়া রাস্তায় পিচ কিছুটা নরম হয়ে গিয়েছে। ফলে ভুল ত্রুটি ধরতে যাওয়াটা ঠিক নয়।” অবশ্য শতাব্দী যদিও তৃণমূলের পক্ষ থেকে মানুষের এই অভিযোগ বা তোপকে মানতে নারাজ।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Mumbai Hospital: মুম্বই হাসপাতালে ফোনের টর্চ ব্যবহার করে প্রসব, মা ও শিশুর মৃত্যু!

    Mumbai Hospital: মুম্বই হাসপাতালে ফোনের টর্চ ব্যবহার করে প্রসব, মা ও শিশুর মৃত্যু!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মুম্বই হাসপাতালে (Mumbai Hospital) ফোনের টর্চ ব্যবহার করে প্রসব করায় মা ও শিশুর মৃত্যু হয়েছে। পরিবারের তরফে চিকিৎসকের বিরুদ্ধে অভিযোগ করায় ইতিমধ্যে মুম্বই নাগরিক সংস্থা তদন্ত শুরু করেছে ঘটনার। ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চাল্য তৈরি হয়েছে। অপরে পরিবারের সদস্যরা কয়েকদিন ধরে হাসপাতালের বাইরে বিক্ষোভ করায় অবশেষে বৃহন্মুম্বাই মিউনিসিপ্যাল ​​কর্পোরেশন (বিএমসি) অবশেষে তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে বলে জানা গিয়েছে।

    দেশের আর্থিক রাজধানীতে ঘটনা (Mumbai Hospital)?

    জানা গিয়েছে, মুম্বই হাসপাতালের (Mumbai Hospital) ডাক্তারেরা সেলফোন টর্চ ব্যবহার করে সিজারিয়ান ডেলিভারি অর্থাৎ সন্তান প্রসাব করার পরেই গর্ভবতী মা এবং তার শিশুর মৃত্যু হয়েছে। ঘটনাটি যথেষ্ট মর্মান্তিক। কিন্তু দেশের আর্থিক রাজধানী মুম্বই শহরে ভারতের সবচেয়ে ধনী নাগরিক সংস্থা বৃহন্মুম্বাই মিউনিসিপ্যাল ​​কর্পোরেশন দ্বারা পরিচালিত হয় এই হাসপাতাল। এই সংস্থা যার বাজেট ৫২০০০ কোটির বেশি। এখানে স্বাস্থ্যের জন্য বরাদ্দকৃত পরিমাণ ১২ শতাংশ বা ৬,২৫০ কোটি টাকা। এই রকম একটি জায়গায় এই ঘটনা অত্যন্ত মর্মান্তিক। পরিবারে তীব্র শোকের ছায়া।

    পরিবারের অভিযোগ

    খুসরুদ্দিন আনসারি, যিনি বিশেষভাবে সক্ষম এবং একটি পা নেই। তাঁর ২৬ বছর বয়সী স্ত্রী সাহিদুনকে তাঁর প্রসবের জন্য মুম্বই (Mumbai Hospital) সুষমা স্বরাজ মাতৃসদনে ভর্তি করান। এই দম্পতির বিয়ে হয়েছিল মাত্র ১১ মাস। পরিবারের মূল অভিযোগ, সোমবার প্রসূতি রুমে বিদ্যুৎ চলে যায় এবং তিন ঘণ্টা জেনারেটর চালু হয়নি। তারা জানান, মা ও সন্তানের মৃত্যুর পরও অন্ধকারে আরেকটি প্রসব করানো হয়। ২৯ এপ্রিল সকাল ৭ টায় স্ত্রী সাহিদুনকে প্রসবের জন্য হাসপাতলে নিয়ে যাওয়া হয়। এরপর তাঁকে সারাদিন রেখে দেওয়া হয়। পরে রাত ৮টা পর্যন্ত পরিবারকে বলা হয়েছিল সবকিছু ঠিক আছে। এমনকী প্রসব স্বাভাবিক হবে বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকেরা। কিন্তু পরিবারের লোকজন তার সাথে দেখা করতে গিয়ে দেখেন সে রক্তে ঢেকে আছে।

    আরও পড়ুনঃ পুলিশের সামনেই বিজেপি প্রার্থী সুভাষের র‍্যালির ওপর হামলা, অভিযুক্ত তৃণমূল

    স্বামীর বক্তব্য

    মৃত সাহিদুনের স্বামী আনসারি বলেন, “প্রসবের জন্য স্বাক্ষর নিতে এসে বলা হয় সব ঠিক আছে, একটি সি-সেকশন প্রয়োজন। তখনই বিদ্যুৎ চলে যায়, কিন্তু তখনও এই হাসপাতাল আমাদের অন্য হাসপাতালে (Mumbai Hospital) পাঠায়নি। এরপর অপারেশন থিয়েটারে নিয়ে যাওয়া হয় এবং ফোনের টর্চের সাহায্যে ডেলিভারি করে, কিন্তু ততক্ষণে আমার শিশুটি মারা গিয়েছে। ডাক্তার তখনও বলেছিল মা বেঁচে যাবে। এরপর আমাদের সাইন হাসপাতালে রেফার করে দেয় কিন্তু ততক্ষণে আমার স্ত্রীও মারা গিয়েছেন। সেখানেও অক্সিজেন পাওয়া যায়নি। আজ আমি যেমন কষ্ট পাচ্ছি, ডাক্তার ও স্টাফদের কষ্ট হওয়া উচিত, তাদের শাস্তি হওয়া উচিত। এই হাসপাতাল বন্ধ করা উচিত।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

  • UAE weather: ফের অতি বৃষ্টিতে জলে ডুবল বিমানবন্দর! মরুদেশ দুবাইতে বাতিল বহু ফ্লাইট

    UAE weather: ফের অতি বৃষ্টিতে জলে ডুবল বিমানবন্দর! মরুদেশ দুবাইতে বাতিল বহু ফ্লাইট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারী বৃষ্টিতে বিমানবন্দর বন্ধ হয়ে যাওয়ার ঘটনার দুই সপ্তাহ কাটতে না কাটতেই আবারও সংযুক্ত আরব আমিরশাহিতে (UAE) ভারী বৃষ্টি ও বজ্রপাত (UAE weather) হলো। টানা বৃষ্টিতে বৃহস্পতিবার অনেক আন্তর্জাতিক বিমান বাতিল (Flights cancelled in Dubai) করা হয়েছে। অতিবৃষ্টির জেরে ভেসে যাচ্ছে একের পর এক শহর। বন্যার তোড়ে রাস্তা ডুবে গিয়েছে। ফলে বিশ্বের অন্যতম ব্যস্ত বিমানবন্দর দুবাইতে বাতিল হল বহু বিমান। জানা গেছে প্রায় ১৩টি ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে। এছাড়া মাঝপথ থেকে ঘুরিয়ে দেওয়া হয়েছে কয়েকটি বিমান। 

    বাড়িতেই থাকার অনুরোধ প্রশাসনের

    ইতিমধ্যেই অরেঞ্জ এলার্ট জারি (UAE weather) হয়েছে একাধিক এলাকায়। ফলে দুবাই (Dubai) ছাড়াও সংযুক্ত আরব আমিরশাহির অন্যান্য শহরগুলিতেও বাসিন্দাদের নিজেদের বাড়িতেই থাকার অনুরোধ করেছে প্রশাসন। এই আবহে ওয়ার্ক ফ্রম হোম নীতি গ্রহণ করেছে বহু সংস্থা। স্কুলগুলি অনলাইনে ক্লাস নিচ্ছে। 

    তৈরি বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী (UAE weather) 

    জানা গেছে বুধবার ভোররাত থেকেই বজ্রবিদ্যুৎসহ তুমুল বৃষ্টিপাত শুরু হয়। ফলে একটানা ঝড় বৃষ্টির (UAE weather) প্রভাবে পরিস্থিতি খারাপ হতে থাকে। তবে সরকার জানিয়েছেন যে কোন রকমের জরুরি অবস্থার মোকাবিলার জন্য তৈরি আছে বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী। এছাড়াও সবসময় দেশের (Dubai) পরিস্থিতির ওপর নজর রাখছে দুবাই পুলিশ ও ন্যাশনাল সেন্টার অফ মেটিওরোলজির (NCM) টিম। 

    আরও পড়ুন: ভোটবঙ্গে ফের শহরে প্রধান নরেন্দ্র মোদি! রাত্রিবাস রাজভবনে

    মরু দেশে হঠাৎ কেন এত বৃষ্টিপাত? 

    দেশের আবহাওয়া বিভাগ বলছে, গত ৭৫ বছরে এত পরিমাণ বৃষ্টিপাত হয়নি। শুষ্ক জলবায়ু ও গ্রীষ্মের প্রচণ্ড দাবদাহের জন্য পরিচিত সংযুক্ত আরব আমিরশাহি সহ উপসাগরীয় দেশগুলি। তবে সেই মরুদেশেই দেখা দিয়েছে বন্যা। ফলে প্রশ্ন উঠেছে, মরু দেশে (Dubai) হঠাৎ কেন এত বৃষ্টিপাত? এর জন্য ‘ক্লাউড সিডিং’ কে দায়ী করছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ। যদিও এ দাবির সঙ্গে দ্বিমত পোষণ করে সংযুক্ত আরব আমিরশাহির আবহাওয়া বিভাগ দাবি করেছে, জলবায়ু পরিবর্তনের (UAE weather) কারণে এমন প্রাকৃতিক দুর্যোগের (Flights cancelled in Dubai) মধ্যে পড়েছে দুবাই।

    প্রসঙ্গত, এর আগে গত ১৬ ও ১৭ এপ্রিল রেকর্ড ভাঙা ভারী বৃষ্টিপাতে তলিয়ে যায় সংযুক্ত আরব আমিরশাহি (UAE)। যেখানে মরু দেশটিতে এক বছরের গড় বৃষ্টিপাত হয় ৯৪ মিলিমিটার, সেখানে দুদিনে বৃষ্টিপাত হয়েছে ২৫৯ দশমিক ৫ মিলিমিটার।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

  • India Pakistan Relation: ভারতীয়র হৃদযন্ত্রে পাক তরুণীর প্রাণরক্ষা, তা নিয়ে হিন্দু-বিরোধী মন্তব্য সেদেশের মৌলবীর

    India Pakistan Relation: ভারতীয়র হৃদযন্ত্রে পাক তরুণীর প্রাণরক্ষা, তা নিয়ে হিন্দু-বিরোধী মন্তব্য সেদেশের মৌলবীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গত জানুয়ারি মাসে এক পাকিস্তানি তরুণীর দেহে প্রতিস্থাপন করা হয়েছিল ভারতীয় ব্যক্তির হৃদযন্ত্র। চেন্নাইয়ের একটি হাসপাতালে চিকিৎসকরা সফলভাবে ওই তরুণীর শরীরে হৃদযন্ত্র বসাতে সক্ষম হন। যার ফলে, নতুন জীবন লাভ করেন ওই পাক তরুণী। এমনকী, অস্ত্রোপচার খরচসাপেক্ষ হলেও, তা মকুব করে দেওয়া হয়। আর সেই নিয়ে প্রতিক্রিয়া দিতে গিয়ে বিদ্বেষমূলক ও হিন্দু-বিরোধী মন্তব্য করে বসলেন প্রতিবেশী দেশের এক মৌলবী (Pakistani Imam)।

    পাকিস্তানি ধর্মগুরুর ধর্মীয় সুড়সুড়ি…

    এমনিতেই ভারত-পাক দুই দেশের সম্পর্ক (India Pakistan Relation) তলানিতে। সেই পরিবেশের মধ্যেও এই ঘটনা যখন চারদিকে প্রশংসিত হচ্ছে, ঠিক তখনই এবিষয়ে প্রতিক্রিয়া দিয়ে গিয়ে ধর্মীয় সুড়সুড়ি দেওয়ার কথা বললেন পাকিস্তানি ধর্মগুরু (Pakistani Imam)। ওই পাক ইমামের মতে, দাতা হিন্দু (ইমামের কথায় ‘বিধর্মী’) হওয়ায় কোনও পুণ্যলাভ হবে না ওই ব্যক্তির। তাঁর এই কাজ গৃহীত হবে না। কারণ, পাক ইমামের মতে, পুণ্য অর্জন করতে হলে নাকি মুসলিম হয়ে মরতে হয়। ইমামের ভাবখানা এমন যেন মেয়েটি হৃদযন্ত্র গ্রহণ করে দয়া করেছে। তাঁর মতে, মেয়েটি সাহসী। এর কারণ হিসেবে ইমাম জানান, এতদিন ওই হৃদপিণ্ড হিন্দু দেহে থাকায় ঈশ্বরের কাছে ঝুঁকত। এবার ওই মেয়েটির জন্য হিন্দু হৃদপিণ্ড আল্লার সামনে ঝুঁকবে।

    এগোচ্ছে ভারত, পিছোচ্ছে পাকিস্তান

    পাক ইমামের (Pakistani Imam) এই মন্তব্য সমাজমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। যদিও, সেই ভিডিওর সত্যতা যাচাই করেনি মাধ্যম। তবে, নেটিজেনদের তোপের মুখে পড়েন ওই পাক ইমাম। ইমামের বক্তব্যের মধ্যেই স্পষ্ট হয়ে উঠেছে এক শ্রেণি পাকিস্তানিদের ভারত-বিদ্বেষ (India Pakistan Relation)। ইমাম মোয়াজ্জেম কিংবা পাক জনগণের একটা বড় অংশ ভারত এবং ইসলাম ব্যতীত অন্য ধর্ম সম্পর্কে কী মত পোষণ করেন তা তাঁদের ভাষাতেই বহিঃপ্রকাশ পায়। আজ ভারত একদিকে যেখানে উন্নতির পথে এগিয়ে চলেছে, সেখানে অন্ধ ভারত-বিরোধিতা ও ধর্মীয় গোঁড়ামির কারণে ক্রমশ পিছিয়ে যেতে যেতে কার্যত দেউলিয়া হয়ে গিয়েছে পাকিস্তান। 

    কী হয়েছিল পাক তরুণীর

    প্রসঙ্গত, ২০১৯ সালে প্রথম বার ভারতে এসেছিলেন পাক তরুণী আয়েশা রেশান। সেই সময় একবার হার্ট অ্যাটাক হয়েছিল তাঁর। পাঁচ বছর ধরে হৃদযন্ত্রের সমস্যায় ভুগছিলেন ১৯ বছর বয়সি আয়েশা। চলতি বছরের জানুয়ারি মাসের ৩১ তারিখ চেন্নাইয়ের একটি হাসপাতালে তাঁর শরীরে ৬৯ বছর বয়সি এক ব্রেন ডেথ রোগীর হার্ট বসানো হয় (India Pakistan Relation)। ওই রোগীর দেহ দিল্লি থেকে উড়িয়ে চেন্নাই নিয়ে আসা হয়েছিল।

    তরুণীর পরিবার কী বলছে

    আয়েশার মা সনোবর রেশান তাঁর মেয়েকে কার্যত জীবনদান দেওয়ার জন্য ভারতীয় চিকিৎসকদের ধন্যবাদ জানিয়েছেন। তিনি বলেছেন, “নিজের মেয়েকে একটু একটু করে মৃত্যুর দিকে এগিয়ে যেতে দেখতে বড় কষ্ট হচ্ছিল। খুব কষ্ট পাচ্ছিল ও। ওর এই অবস্থা আমরা খুব কষ্ট পাচ্ছিলাম। আমরা ভারতীয় চিকিৎসকদের দ্বারস্থ হই। আমার মেয়ে এখন সুস্থ। আমাদের বিল মেটাবার খুব বেশি সক্ষমতা ছিল না। তবুও চিকিৎসকরা আমাদের ভারতে আসতে বলেন এবং তারা চিকিৎসা করে আমার মেয়েকে বাঁচিয়ে তুলেছেন।” জানা গিয়েছে, এখন অনেকটাই সুস্থ রয়েছেন পাকিস্তানের (India Pakistan Relation) সিন্ধু প্রদেশের বাসিন্দা ওই তরুণী। ভালোভাবে দৈনন্দিন কাজকর্ম করতে পারছেন ওই ছাত্রী। বর্তমানে করাচিতে পড়াশোনা চালাচ্ছেন ওই তরুণী। ভবিষ্যতে আয়েশা একজন ফ্যাশন ডিজাইনার হতে চান। 

    উদার মনের পরিচয় ভারতীয় চিকিৎসকদের

    অঙ্গদানের ক্ষেত্রে ভারতে অনেক নিয়ম কানুন আছে। কিন্তু পাকিস্তানি তরুণীর ভারতীয় চিকিৎসকরা অনেক উদার মনের পরিচয় দিয়েছেন। সম্পূর্ণ বিনামূল্যে অঙ্গদানের প্রক্রিয়া সহ ওই পরিবারের চিকিৎসার খরচ মকুব করে দেওয়া হয়। হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে, হার্ট ট্রান্সপ্লান্টের (Heart Transplant Cost) ক্ষেত্রে ৩৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত খরচ হয়ে থাকে। চিকিৎসার আয়েশার চিকিৎসার বিপুল খরচ বহন করেছিল ভারতীয় (India Pakistan Relation) একটি স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা। ওই স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা চেন্নাইয়ের চিকিৎসক এবং রোগীরা মিলে তৈরি করেছেন। 

    ভারত ও পাকিস্তানের তফাত কোথায়

    অথচ, ইমাম (Pakistani Imam) যে বক্তব্য রাখলেন তাতে পরবর্তীতে কোন পাকিস্তানি রোগী ভারতে (India vs Pakistan) সাহায্যপ্রার্থী হলে চিকিৎসকরা সে বিষয়ে নতুন করে ভাববেন। যদিও ভারত “বসুধৈব কুটুম্বকম” তত্ত্বে বিশ্বাসী। যে কারণে, শত বৈরিতা সত্ত্বেও, পাক তরুণীর জন্য হৃদয় উজাড় করে দিয়েছে ভারত। সেখানে, শুধু ঘৃণা আর বিদ্বেষ নিয়েই বেঁচে রয়েছে প্রতিবেশী। আর এখানেই তফাত ভারত ও পাকিস্তানের (India Pakistan Relation)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Indian Air Force: চিন্তিত চিন-পাক! ভারতীয় বায়ুসেনা, নৌসেনায় অন্তর্ভুক্ত হল ‘র‌্যাম্পেজ’ মিসাইল, কী বিশেষত্ব?

    Indian Air Force: চিন্তিত চিন-পাক! ভারতীয় বায়ুসেনা, নৌসেনায় অন্তর্ভুক্ত হল ‘র‌্যাম্পেজ’ মিসাইল, কী বিশেষত্ব?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ক্ষেপণাস্ত্রের সম্ভারে আরও শক্তিবৃদ্ধি হল ভারতীয় বায়ুসেনা (Indian Air Force) ও নৌসেনার। ভারতের হাতে চলে এল দূরপাল্লার আকাশ থেকে ভূমিতে নিক্ষেপযোগ্য সুপারসনিক ‘র‌্যাম্পেজ’ মিসাইল (Rampage Missile)। সদ্য এই মিসাইল ব্যবহারের উদাহরণ রেখেছে ইজরায়েলি বায়ুসেনা। ইরানের টার্গেটে তাক করার সময় এই ব়্যাম্পেজ মিসাইলকে তারা ব্যবহার করেছে। এবার সেই ক্ষেপণাস্ত্র ভারতের হাতেও। 

    এই মিসাইলের বিশেষত্ব হল…

    র‌্যাম্পেজ মিসাইলটি তৈরি করেছে ইজরায়েল অ্যারোস্পেস ইন্ডাস্ট্রিজ এবং ইজরায়েলি মিলিটারি ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড। মার্ক-২ প্রজন্মের ২৫০ কিলোমিটার পাল্লার এই ক্ষেপণাস্ত্রটি একদিকে যেমন উচ্চগতি সম্পন্ন, ঠিক তেমনভাবে কাজেও অত্যন্ত পারদর্শী (Rampage Missile)। সামরিক পরিভাষায় একে বলা হয়— ‘হাই-স্পিড লো ড্র্যাগ’। এই মিসাইলের বিশেষত্ব হল— এটি জিপিএস/আইএনএস নেভিগেশন সিস্টেম অনুসরণ করতে সক্ষম। অত্যাধুনিক প্রযুক্তি থাকায় শত্রুর জ্যামারেও এর কোনও ক্ষতি হয় না। ক্ষেপণাস্ত্রটি নিজের লক্ষ্যে অবিচল থাকে। সর্বোপরি, যে কোনও প্রতিকূল আবহাওয়ায় এটি সমান কার্যকর।

    আরও শক্তিশালী সুখোই-৩০, মিগ-২৯

    বায়ুসেনা (Indian Air Force) সূত্রে খবর, বাহিনীর প্রধান রুশ-নির্মিত সুখোই-৩০এমকেআই যুদ্ধবিমানে এই অত্যাধুনিক মিসাইলকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এর পাশাপাশি, বায়ুসেনার মিগ-২৯ ও জাগুয়ার যুদ্ধবিমানেও এই ক্ষেপণাস্ত্রের অন্তর্ভুক্তিকরণ প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে। একইভাবে, নৌসেনায় ব্যবহৃত মিগ-২৯কে যুদ্ধবিমানেও এই মিসাইল (Rampage Missile) ফিট করে দেওয়া হয়ে গিয়েছে। এর ফলে, এখন থেকে কমিউনিকেশন সেন্টার (সামরিক তথ্যের আদানপ্রদান কেন্দ্র), রেডার স্টেশন, বায়ুসেনা ঘাঁটি সহ শত্রুর গুরুত্বপূর্ণ জায়গাগুলিকে অতি সহজেই টার্গেট করতে পারবে ভারতীয় যুদ্ধবিমানগুলি।

    জরুরি ভিত্তিতে কেনা হয়েছে ইজরায়েলি ক্ষেপণাস্ত্র

    ২০২০ সালে চিনের সঙ্গে মুখোমুখি সংঘাতের পর— অত্যাবশ্যকীয়, অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং সংবেদনশীল অস্ত্র-সরঞ্জাম কেনার ক্ষেত্রে সামরিক বাহিনীকে জরুরি ক্ষমতা প্রদান করেছিল প্রতিরক্ষামন্ত্রক। তার ওপর ভিত্তি করেই এই র‌্যাম্পেজ মিসাইলগুলি কিনেছে বায়ুসেনা (Indian Air Force) ও নৌসেনার এভিয়েশন বিভাগ। সূত্রের খবর, বর্তমানে ব্যবহৃত ‘স্পাইস-২০০০’ ক্ষেপণাস্ত্রের তুলনায় অধিক দূরের লক্ষ্যবস্তুকে নিশানা করতে সক্ষম র‌্যাম্পেজ (Rampage Missile)। এখানে বলে রাখা প্রয়োজন, ২০১৯ সালে বালাকোট এয়ার স্ট্রাইকের সময় স্পাইস-২০০০ ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করেছিল ভারতীয় বায়ুসেনা।

    ব্রহ্মসের নতুন জুড়িদার…

    সুখোই-৩০ যুদ্ধবিমানগুলির আধুনিকীকরণ প্রক্রিয়া বেশ কিছুদিন ধরেই শুরু করেছে বায়ুসেনা (Indian Air Force)। এই প্রক্রিয়ার অন্তর্গত রুশ-নির্মিত এই যুদ্ধবিমানগুলির অস্ত্রসম্ভার ও বহন করার ক্ষমতা বৃদ্ধির ওপর জোর দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি, অত্যাধুনিক যন্ত্রাংশ এই যুদ্ধবিমানে মোতায়েন করে এর জীবনকাল ও ক্ষিপ্রতা এবং মারণক্ষমতা — সব উন্নত করা হয়েছে। এই প্রক্রিয়ার অন্তর্গত সুখোই-৩০ যুদ্ধবিমানে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে বিশ্বের সেরা ৪০০ কিমি পাল্লার ব্রহ্মস সুপারসনিক ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্রও। এটিও আকাশ থেকে ভূমি ক্ষেপণাস্ত্র। এবার তার জুড়ি হিসেবে যোগ দিল র‌্যাম্পেজ (Rampage Missile)। পাশাপাশি, ভবিষ্যতে ভারতেও যাতে এই ক্ষেপণাস্ত্রের উৎপাদন করা যায়, তার সম্ভাবনাও রয়েছে। 

    নতুন ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষা আন্দামানেও

    অন্যদিকে, র‌্যাম্পেজ মিসাইল (Rampage Missile) কেনার পাশাপাশি ভারত নিজস্ব সর্বাধুনিক প্রযুক্তিসম্পন্ন ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষা-নিরীক্ষাও চালিয়ে যাচ্ছে। সাম্প্রতিককালে, আন্দামান ও নিকোবর দ্বীপপুঞ্জে ‘রক্স’ (ক্রিস্টাল মেজ-২) নামের এমনই একটি নতুন-প্রজন্মের ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষা চালায় বায়ুসেনা (Indian Air Force)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • ECI: তৃতীয় দফায় আরও কড়া কমিশন, তাপপ্রবাহ নিয়ে জারি গাইডলাইন

    ECI: তৃতীয় দফায় আরও কড়া কমিশন, তাপপ্রবাহ নিয়ে জারি গাইডলাইন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তৃতীয় দফায় (Phase Three Voting) আরও কড়া মনোভাব নিল নির্বাচন কমিশন (ECI)। প্রয়োজনে আরও ভোট কর্মীর সংখ্যা বাড়ানোর চিন্তা ভাবনা রয়েছে কমিশনের। প্রথম ও দ্বিতীয় দফায় তাপপ্রবাহ (Heatwave Warning) নিয়ে জাতীয় নির্বাচনের কমিশনের একাধিক গাইডলাইন মানা হয়নি এমনই অভিযোগ উঠেছে। এই কারণে জেলা স্তরের নির্বাচনের সঙ্গে যুক্ত আধিকারিকদের সতর্কবার্তা দিলেন মুখ্য নির্বাচনী অধিকারিক।

    কেন ক্ষুব্ধ নির্বাচন কমিশন

    লোকসভা নির্বাচনে মাত্র দুটি পর্ব শেষ হয়েছে। শুক্রবার ১৩ টি রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল মিলিয়ে ভোট হয়েছে দ্বিতীয় দফায় ৮৮টি আসনে ভোট (Loksabha Election 2024) গ্রহণ হয়। এই তালিকায় পশ্চিমবঙ্গের, দার্জিলিং, রায়গঞ্জ ও বালুরঘাট কেন্দ্র ছিল। তৃতীয় দফায় তাপপ্রবাহ নিয়ে স্পষ্ট নির্দেশিকা জারি করেছে কমিশন (ECI)। এপ্রিল মাসের তুলনায় মে মাসে গরম আরও বেড়েছে। এএকথা ভালভাবেই জানে জাতীয় নির্বাচন কমিশন। প্রথম দুই দফার তুলনায় অনেকটাই কম ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছেন। সর্বসাকুল্যে  ৬৬ শতাংশের কিছু বেশি ভোটার ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছেন। পশ্চিমবঙ্গে (West Bengal) শতকরা বিচারে ৮০ শতাংশের কাছাকাছি ভোট প্রয়োগ হয়ে থাকে। ৬৬ শতাংশ ভোটদানের মোটেও খুশি নয় নির্বাচন কমিশন। যে কারণে, তৃতীয় দফার ভোটগ্রহণের (Phase Three Voting) আগে রাজ্যগুলির মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের নির্দেশ, “প্রয়োজনে আরও পদক্ষেপ নিতে হবে । যে সকল জায়গায় তাপপ্রবাহ (Moderate Heatwave Warning) সীমা ছাড়িয়ে যাচ্ছে সেখানে অ্যাম্বুলেন্সের ব্যবস্থা করা নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বুথগুলিতে সেক্টর অফিসারদের এই মর্মে পর্যালোচনা করতে হবে। প্রয়োজন হলে ভোটকর্মীর সংখ্যা বাড়ানোর নির্দেশ দিয়েছেন নির্বাচন কমিশন (ECI)। ওআরএস, পানীয় জল মেডিকেল কিট ও বয়স্কদের জন্য আলাদা লাইনের ব্যবস্থা করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

    নেওয়া হবে এই ব্যবস্থা

    তৃতীয় দফায় (Phase Three Voting) মোট ৪০২ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী (Central Force) মোতায়েন করা হবে। এই পর্বে ভোট হবে জঙ্গিপুর, মুর্শিদাবাদ (Murshidabad), মালদা (Malda) উত্তর ও দক্ষিণ লোকসভা কেন্দ্রে। ৭ মে তৃতীয় দফায় বাংলার এই চার আসনে ভোটগ্রহণ হবে। প্রসঙ্গত বিভিন্ন জায়গায় ভোটারদের একাংশের জন্য আইসক্রিমের ব্যবস্থা করেছিল নির্বাচন কমিশন। যদিও বাংলায় আইসক্রিমের দেখা মেলেনি। সংবাদ সংস্থা এএনআই সূত্রে জানা গিয়েছে মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক রাজীব কুমার তার সহযোগী জ্ঞানেশ কুমার এবং সুখবিন্দর সিং সন্ধু মোট ২৬৫ জন অবজারভারকে এই পর্বে নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় (ECI) নজর রাখার নির্দেশ দিয়েছেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Amit Shah: “মোদি সরকারের আমলে আকাশ ছুঁয়েছে শেয়ার মার্কেট”, বললেন শাহ

    Amit Shah: “মোদি সরকারের আমলে আকাশ ছুঁয়েছে শেয়ার মার্কেট”, বললেন শাহ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গত দশ বছরে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (PM Modi) আমলে ভারতের অর্থনীতিতে এক আমুল পরিবর্তণ এসেছে। শেয়ার বাজার আকাশ ছুঁয়েছে। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে এমনি জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah)। 

    স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্য (Amit Shah)

    এদিন অমিত শাহ বলেন, প্রধানমন্ত্রী যখন ক্ষমতায় এসেছিলেন তখন ভারতের অর্থনীতি প্রায় ভেঙ্গে পড়েছিল। কর্মক্ষেত্রে উৎপাদন কমে গেছিল, ফলে রপ্তানীর পরিমাণও কমে গেছিল। সে সময় মুদ্রাস্ফীতি ছিল আকাশ ছোঁয়া। তবে প্রধানমন্ত্রী ক্ষমতায় আসার পর থেকে ধীরে ধীরে উন্নতির পথে এগিয়েছে ভারতের অর্থনীতি। 

    আরও পড়ুন: চিনের তৈরি হাম্বানটোটা বিমানবন্দরের রাশ ভারত-রুশ সংস্থার হাতে, বোধোদয় শ্রীলঙ্কার!

    মোদিজির আমলের দশ বছর স্বর্ণাক্ষরে লেখা থাকবে

    এদিন সাক্ষাৎকারে তিনি  আরও বলেন, ১৩০ কোটির দেশ ভারতবর্ষ (India) বর্তমানে ধীরে ধীরে উন্নতির পথে এগিয়ে চলেছে। উচ্চশিক্ষা হোক কিংবা অর্থনৈতিক দিক। ৩৭০ ধারার অবসান হোক কিংবা তিন তালাক। রামের জন্মভূমি থেকে দেশের ফৌজদারি আইনে মৌলিক পরিবর্তন। মোদিজির আমলের এই দশ বছর প্রতিটি ক্ষেত্রেই স্বর্ণাক্ষরে লেখা থাকবে। একই সঙ্গে অমিত শাহ (Amit Shah) এদিন জানিয়েছেন যদি এবার তৃতীয়বারের মতো মোদিজি ক্ষমতায় আসেন তাহলে এক থেকে দুই বছরের মধ্যেই ভারত থেকে নকশালবাদ বিলুপ্ত হবে।

    ভোট প্রসঙ্গেও মত প্রকাশ শাহের 

    পাশাপাশি এদিন ভোট প্রসঙ্গেও মত প্রকাশ করেন তিনি। ৩৭০-এর লক্ষ্যে বিজেপি কি সঠিক পথে হাঁটছে? এই প্রশ্নের জবাবে অমিত শাহ (Amit Shah) বলেন, “একদম সঠিক ট্র্যাকে রয়েছে। গণনার দিন দুপুর সাড়ে ১২টার মধ্যে এনডিএ ৪০০ পেরিয়ে যাবে। মোদিজি আবার প্রধানমন্ত্রী হবেন”। সঙ্গে তিনি আরও বলেন, “আমার দলের একটা টিম এবং আমি বিশদ বিশ্লেষণ করেছি। প্রথম দুই দফার ভোটে ১০০ আসন নিয়ে আমরা তৃতীয় দফার দিকে এগোচ্ছি। ৪০০-র লক্ষ্য অতিক্রম করতে কোনও সমস্যা হবে বলে মনে হচ্ছে না”।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

  • Sri Ramakrishna Kathamrita 10: “দুষ্ট লোকের হাত থেকে রক্ষার জন্য একটু তমোগুণ দেখানো দরকার!”

    Sri Ramakrishna Kathamrita 10: “দুষ্ট লোকের হাত থেকে রক্ষার জন্য একটু তমোগুণ দেখানো দরকার!”

    ৬ষ্ঠ পরিচ্ছেদ

    {গৃহস্থ তমোগুণ}

    শ্রীরামকৃষ্ণ (Sri Ramakrishna Kathamrita)–লোকের সঙ্গে বাস করতে গেলেই দুষ্ট লোকের হাত থেকে আপনাকে রক্ষা করবার জন্য একটু তমোগুণ দেখানো দরকার! কিন্তু সে অনিষ্ট করবে বলে উলটে তার অনিষ্ট করা উচিত নয়।

    “এক মাঠে এক রাখাল গরু চরাত। সেই মাঠে একটা ভয়ানক বিষাক্ত সাপ ছিল। সকলেই সেই সাপের ভয়ে অত্যন্ত সাবধানে থাকত। একদিন একটি ব্রহ্মচারী (Sri Ramakrishna Kathamrita) সেই মাঠের পথ দিয়ে আসছিল। রাখালেরা দৌড়ে এসে বললে, ঠাকুর মহাশয়! ওদিক দিয়ে যাবেন না। ওদিকে একটা ভয়ানক বিষাক্ত সাপ আছে। ব্রহ্মচারী বলেলে, বাবা তা হোক; আমার তাতে ভয় নাই, আমি মন্ত্র জানি! এই কথা বলে ব্রহ্মচারী সেইদিকে চলে গেল। রাখালেরা ভয়ে কেউ সঙ্গে গেল না। এদিকে সাপটা ফণা তুলে দৌড়ে আসছে, কিন্তু কাছে না আসতে আসতে ব্রহ্মচারী যেই একটি মন্ত্র পড়লে, আমনি সাপটা কেঁচোর মতন কাছে পড়ে রইল। ব্রহ্মচারী বললে, ওরে তুই কেন পরের হিংসা করে বেড়াস; আয় তোকে মন্ত্র দিব। এই মন্ত্র জপলে তোর ভগবানলাভ হবে, আর হিংসা প্রবৃত্তি থাকবে না।’ এই বলে সে সাপকে মন্ত্র দিল। সাপটা মন্ত্র পেয়ে গুরুকে প্রণাম করলে আর জিজ্ঞাসা করলে ঠাকুর! কি করে সাধনা করব, বলুন? গুরু বললেন, এই মন্ত্র জপ কর, কারও হিংসা করো না। ব্রহ্মচারী যাবার সময়ে বললে, আমি আবার আসব।’

    এই রকম কিছুদিন যায়। রাখালেরা দেখে যে, সাপটা আর কামড়াতে আসে না! ঢ্যালা মারে তবুও রাগ হয় না, যেন কেঁচোর মতন হয়ে গেছে। একদিন একজন রাখাল কাছে গিয়ে ল্যাজ ধরে খুব ঘুরপাক দিয়ে তাকে আছড়ে ফেলে দিলো। সাপটার মুখ দিয়ে রক্ত উঠতে লাগল, আর সে অতেচন হয়ে পড়ল। নড়ে না চড়ে না। রাখালেরা (Sri Ramakrishna Kathamrita) মনে করলে যে, সাপটা মরে গেছে। এই মনে করে তারা সব চলে গেল।

    অনেক রাত্রে সাপের চেতনা হল। সে আস্তে আস্তে (Sri Ramakrishna Kathamrita) অতি কষ্টে তার গর্তের ভিতর চলে গেল। শরীর চূর্ণ—নড়বার শক্তি নাই। অনেকদিন পরে যখন অস্থিচর্মসার তখন বাহিরে আহারের চেষ্টায় রাত্রে এক-একবার চরতে আসত; ভয়ে দিনের বেলা আসত না, মন্ত্র লওয়া অবধি আর হিংসা করে না। মাটি, পাতা, গাছ থেকে পড়ে গেছে এমন ফল খেয়ে প্রাণধারণ করত।

    তথ্যসূত্রঃ শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণকথামৃত, ৬ষ্ঠ পরিচ্ছেদ, তৃতীয় দর্শন

    আরও পড়ুনঃ “দু-চারটা মাছ এমন সেয়ানা যে, কখনও জালে পড়ে না”

    আরও পড়ুনঃ “ঈশ্বরে ভক্তিলাভ না করে যদি সংসার করতে যাও তাহলে আরও জড়িয়ে পড়বে”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Sri Ramakrishna Kathamrita11: “আমি কামড়াতে বারণ করেছি, ফোঁস করে তাঁদের ভয় দেখাস নাই কেন?”

    Sri Ramakrishna Kathamrita11: “আমি কামড়াতে বারণ করেছি, ফোঁস করে তাঁদের ভয় দেখাস নাই কেন?”

    ৬ষ্ঠ পরিচ্ছেদ

    প্রায় এক বৎসর পরে ব্রহ্মচারী (Sri Ramakrishna Kathamrita) সেইপথে আবার এলো। এসেই সাপের সন্ধান করলে। রাখালেরা বললে, সে সাপটা মরে গেছে। ব্রহ্মচারীর কিন্তু ও-কথা বিশ্বাস হল না! সে জানে, যে মন্ত্র ও নিয়েছে তা সাধন না হলে দেহত্যাগ হবে না। খুঁজে খুঁজে সেই দিকে তার নাম ধরে ডাকতে লাগল। সে গুরুদেবের আওয়াজ শুনে গর্ত থেকে বেড়িয়ে এল ও খুব ভক্তিভাবে প্রণাম করলে। ব্রহ্মচারী জিজ্ঞাসা করলে, তুই কেমন আছিস? সে বললে, আজ্ঞে ভালো আছি। ব্রহ্মচারী বললে, তবে তুই এত রোগা হয়ে গিছিস কেন? সাপ বললে, ঠাকুর আপনি আদেশ করেছেন—কারও হিংসা করো না, তাই পাতাটা ফলটা খাই বলে বোধ হয় রোগা হয়ে গিছি! ওর সত্ত্বগুণ হয়েছে কি না, তাই কারু উপর ক্রোধ নাই। সে ভুলেই গিয়েছিল যে, রাখালেরা মেরে ফেলবার যোগাড় করেছিল। ব্রহ্মচারী বলেন, শুধু না খাওয়ার দরুন এরূপ অবস্থা হয় না। অবশ্য আরও কারণ আছে ভাবে দেখে। সাপটার মনে পড়ল যে, রাখালেরা আছাড় মেরেছিল। তখন সে বললে, ঠাকুর মনে পড়েছে বটে, রাখালেরা একদিন আছাড় মেরেছিল। তখন সে বললে, ঠাকুর মনে পড়েছে বটে, রাখালেরা একদিন আছাড় মেরেছিল। তারা অজ্ঞান, জানে না যে আমার মনের কি অবস্থা; আমি যে কাহাকেও কামড়াব না বা কোনরূপ অনিষ্ট করব না, কেমন করে জানবে? ব্রহ্মচারী (Sri Ramakrishna Kathamrita) বললে, ছি! তুই এত বোকা, আপনাকে রক্ষা করতে জানিস না; আমি কামড়াতে বারণ করেছি, ফোঁস করে তাঁদের ভয় দেখাস নাই কেন?

    দুষ্টু লোকের কাছে ফোঁস করতে হয়, ভয় দেখাতে হয়, পাছে অনিষ্ঠ করে। তাদের গায়ে বিষ ঢালতে নাই, অনিষ্ট করতে নাই। 

    ঈশ্বরের (Sri Ramakrishna Kathamrita) সৃষ্টিতে নানারকম জীবন্ত, গাছপালা আছে। জানোয়ারের মধ্যে ভাল আছে মন্দ আছে। বাঘের মতো হিংস্র জন্তু আছে। গাছের মধ্যে অমৃত ন্যায় ফল হয় এমন আছে; আবার বিষফলও আছে। তেমনি মানুষের মধ্যে ভাল আছে, মন্দও আছে; অসাধুও আছে; সংসারী জীব আছে আবার ভক্ত আছে।

    আরও পড়ুনঃ “দু-চারটা মাছ এমন সেয়ানা যে, কখনও জালে পড়ে না”

    আরও পড়ুনঃ “ভালো লোকের সঙ্গে মাখামাখি চলে, মন্দ লোকের কাছ থেকে তফাত থাকতে হয়”

     

    তথ্যসূত্রঃ শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণকথামৃত, ৬ষ্ঠ পরিচ্ছেদ, তৃতীয় দর্শন

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share