Tag: news in bengali

news in bengali

  • Delhi Congress: দিল্লি কংগ্রেস সভাপতি পদে ইস্তফা লাভলির, গাড্ডায় সোনিয়ার দল

    Delhi Congress: দিল্লি কংগ্রেস সভাপতি পদে ইস্তফা লাভলির, গাড্ডায় সোনিয়ার দল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লোকসভা নির্বাচনের আগে আরও গাড্ডায় কংগ্রেস (Delhi Congress)। দিল্লি কংগ্রেস সভাপতি পদে ইস্তফা দিলেন অরবিন্দর সিং লাভলি। নির্বাচনের মুখে পদ ছাড়ার কারণও ব্যাখ্যা করেছেন অরবিন্দর। বলেন, “দুর্নীতির অভিযোগে জেলে রয়েছেন আম আদমি পার্টির কয়েকজন মন্ত্রী। তা সত্ত্বেও কেজরিওয়ালের দলের সঙ্গে গাঁটছড়া বেঁধেছে কংগ্রেস। লোকসভা নির্বাচনের জন্যই এটা করছে। দলের নিচুতলার কর্মীরা এতে অসন্তুষ্ট।” কংগ্রেসের প্রধান মল্লিকার্জুন খাড়্গেকে লেখা চিঠিতে তিনি লিখেছেন, “যেহেতু তিনি দিল্লির কংগ্রেস কর্মীদের স্বার্থ রক্ষা করতে পারেননি, তাই পার্টির শহর ইউনিটের প্রধান থাকার আর কোনও কারণ তিনি খুঁজে পাচ্ছেন না।”

    কী বললেন অরবিন্দর? (Delhi Congress)

    অরবিন্দর জানান (Delhi Congress), দিল্লি কংগ্রেস ইউনিট এমন একটা পার্টির সঙ্গে মাখামাখি করতে চায়নি, যারা দুর্নীতিতে ভরপুর, মিথ্যার বেসাতি করে, কংগ্রেসের দিকে কেলেঙ্কারির অভিযোগ তোলে। তা সত্ত্বেও দল দিল্লিতে আপের সঙ্গে গাঁটছড়া বেঁধেছে। তাঁর আরও অভিযোগ, পার্টি লোকসভা নির্বাচনের টিকিট দিয়েছেন এমন কয়েকজনকে, যাঁরা কংগ্রেসের দিল্লি ইউনিটে আগন্তুক। এ প্রসঙ্গে তিনি উত্তর-পশ্চিম দিল্লির প্রার্থী উদিত রাজ এবং উত্তর-পূর্ব দিল্লির প্রার্থী কানাহাইয়া কুমারের প্রসঙ্গের উল্লেখ করেন। সূত্রের খবর, উদিত ও কানহাইয়াকে প্রার্থী করায় ক্ষোভে ফুঁসছেন দিল্লি কংগ্রেসের নিচুতলার কর্মীরা। পরিস্থিতি এমনই পর্যায়ে গিয়েছে যে, দিল্লির অনেক নেতাই হয় বিজেপিতে যোগ দেওয়ার পরিকল্পনা করছেন, নয়ত নয়া দল গঠন করতে চাইছেন। রাজনৈতিক মহলের মতে, যদি তা হয়, তাহলে নির্বাচনের আগেই দুরমুশ হয়ে যাবে দিল্লি কংগ্রেসের মেরুদণ্ড।

    আরও পড়ুুন: আজমল কাসভকে ফাঁসিতে লটকানোর নেপথ্য নায়ককেই প্রার্থী করল বিজেপি

    ওগরালেন এক রাশ ক্ষোভ

    দিন কয়েক আগে আপ সুপ্রিমো তথা দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়ালের প্রশংসা করেছিলেন কানহাইয়া কুমার। এদিন তাঁকেও নিশানা করেন অরবিন্দর। বলেন, “এই জাতীয় নিচুমনের চিন্তাভাবনা এবং তথ্যগতভাবে ভুল বিবৃতি কংগ্রেসের দিল্লি ইউনিট মেনে নেবে না। কারণ দলের স্থানীয় কর্মীরা আপের সঙ্গে জোট মেনে নিতে পারছেন না। দিল্লির উন্নয়ন নিয়ে আপ যে মিথ্যা প্রচার করছে, তাও বিশ্বাস করেন না তাঁরা।” কংগ্রেসের অন্তর্দ্বন্দ্বেও যে তিনি বিরক্ত, এদিন তাও জানিয়েছেন অরবিন্দর।  তিনি বলেন, “ডিপিসিসি প্রেসিডেন্ট হিসেবে আমায় নিয়োগ করা হলেও, এআইসিসির সাধারণ সম্পাদক (দিল্লি ইনচার্জ) আমায় কোনও সিনিয়র নেতাকে নিয়োগ করতে দেননি। আমায় প্রতিবন্ধী করে রাখা হয়েছিল।” প্রসঙ্গত, গত অগাস্ট থেকে দিল্লি কংগ্রেসের প্রেসিডেন্ট ছিলেন অরবিন্দর (Delhi Congress)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Electricity Crisis: এপ্রিলেই ভাঙল গত বছরের জুনের রেকর্ড! রাজ্য কি বিদ্যুৎ বিপর্যয়ের মুখে?

    Electricity Crisis: এপ্রিলেই ভাঙল গত বছরের জুনের রেকর্ড! রাজ্য কি বিদ্যুৎ বিপর্যয়ের মুখে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মরুশহরকে টেক্কা দিয়ে রেকর্ড গড়ছে কলকাতার গরম। পাশাপাশি বিদ্যুতের (Electricity Crisis) চাহিদা ব্যাপক আকার নিয়েছে। সিইএসসি এবং বণ্টন সংস্থার সর্বকালীন চাহিদা এখন শীর্ষে। শহর কলকাতার নাগরিকদের একটা বড় অভিযোগ, বিদ্যুৎ বিভ্রাটে ভুগতে হচ্ছে। ঘণ্টার পর ঘণ্টা নেই বিদ্যুৎ। চরম গরমে নাকাল মানুষের জীবন। অথচ বিদ্যুৎ বণ্টন সংস্থার পক্ষ থেকে বিদ্যুৎ জোগানের ঘাটতি নেই বলে জানিয়েছে। কিন্তু মানুষের জীবন নাজেহাল।

    পথ অবরোধ বেলগাছিয়ায় (Electricity Crisis)

    স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, গত কাল শনিবার বিদ্যুৎ বিভ্রাট সমস্যার প্রতিবাদ জানিয়ে বেলগাছিয়া লাল ময়দান এলাকার মানুষ পথ অবরোধ করেছিলেন। সকাল সাড়ে ৮ টা নাগাদ তাঁরা বেলগাছিয়া সেতুর কাছে মূল রাস্তায় বসে প্রতিবাদ করেন। ফলে সাময়িক ভাবে রাস্তায় বেশ কিছু সময়ের জন্য যানজট হয়ে যায়। এমনকী আর জি কর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে যেতে প্রবল সমস্যার মধ্যে পড়তে হয় রোগীদের। অবশেষে সকাল ৯ টার সময় পুলিশ কোনও রকম বুঝিয়ে অবরোধ তুলতে সক্ষম হয়।

    এলাকাবাসীর অভিযোগ

    এলাকার এক বাসিন্দা মহম্মদ এতেশাম নামে এক অবরোধকারী বলেন, “গত তিন দিন ধরে পরিস্থিতি একদম খারাপ। বিদ্যুৎ (Electricity Crisis) এই থাকে এই নেই। সিইএসসি-কে বার বার ফোন করেও লাভ হচ্ছে না। গত বছর এই অবস্থার সম্মুখীন হতে হয়েছিল। বিদ্যুৎ বণ্টনকারী সংস্থার তাতে কিছুই যায় আসে না। এই বছর অভিযোগ জানিয়েও কোনও লাভ হচ্ছে না। তাই মানষ রাস্তায় নেমে প্রতিবাদ করেছেন।” আবার বেলগাছিয়ার মিল্ক কলোনির এক বাসিন্দা অভিযোগ করে বলেন, “আমার বয়স্ক মাকে দিনে চারবার নেবুলাইজার নিতে হয়। বেলা ১১ টায় হঠাৎ বিদ্যুৎ চলে যায়। নেবুলাইজারে ওষুধ তখন অর্ধেক ব্যবহার করা গিয়েছিল। পরে যতক্ষণে বিদ্যুৎ এসেছিল ততক্ষণে সেই ওষুধ ব্যবহার করার সুযোগ হয়নি। তীব্র গরমে প্রশাসনের উচিত মানুষের অসুবিধাগুলিকে নজরে রাখা।”

    রাজ্য বিদ্যুৎ সংস্থাগুলির বক্তব্য

    রাজ্য বিদ্যুৎ সংস্থাগুলির পক্ষ থেকে ডব্লউবিএসইডিসিএল জানিয়েছে, শুক্রবার রাত সাড়ে ১১ টায় বিদ্যুতের মোট চাহিদা পৌঁছেছিল ৯৯৩৫ মেগাওয়াট। যা ছিল সর্বকালীন রেকর্ড। আবার গত বছর সর্বোচ্চ চাহিদা পৌঁছেছিল ৯২০০ মেগাওয়াট। গতবারের ১৮ জুনের চাহিদা এবারে এপ্রিল মাসেই ছাপিয়ে গিয়েছে। আবার শুক্রবার ৩ টে ১৫ মিনিটে সিইএসসি সবথেকে বেশি চাহিদা ছিল ২৭২৮ মেগাওয়াট। যা এই বছরের সবথেকে বেশি চাহিদা। একই ভাবে গত বছর ১৬ জুন এই চাহিদার পরিমাণ ছিল ২৬০৬ মেগাওয়াট। তবে চাহিদা ভালো ভাবেই মেটানো হচ্ছে বলে জানিয়েছে সংস্থা। তবে গরম বাড়লে বিদ্যুৎ চাহিদা বাড়বে এটাও স্বাভাবিক। ফলে গত বছরের চাহিদাকে মাথায় রেখে এই বছর কেন অতিরিক্ত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে না তাই মানুষের মনে বড় প্রশ্ন।

    আরও পড়ুন:চাঁদিফাটা রোদে হিট স্ট্রোক এড়াতে কী কী করবেন? দেখে নিন এক নজরে

    বিদ্যুৎ মন্ত্রীর বক্তব্য

    রাজ্যের বিদ্যুৎ মন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস জানিয়েছেন, “জোগানে (Electricity Crisis) কোনও খামতি নেই। কয়েকমাস আগে থকেই সেই দিকে আমরা নজরে রেখেছি। সিইএসসি সংস্থার সঙ্গে আমাদের কথা হয়েছে। সমস্যা যাতে দ্রুত সমাধান হয় সেই দিকে আমরা নজর দেওয়ার চেষ্টা করব।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Heatwave: রাজ্যে বৃষ্টি দূর অস্ত! দীর্ঘ দগ্ধ দিনের হাত থেকে নিস্তার কবে?

    Heatwave: রাজ্যে বৃষ্টি দূর অস্ত! দীর্ঘ দগ্ধ দিনের হাত থেকে নিস্তার কবে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বৃষ্টির পথ চেয়ে গোটা দক্ষিণবঙ্গ। কিন্তু এখনই বৃষ্টির কোনো রকম আশা দেখাতে পারছেনা আলিপুর আবহাওয়া দফতর। আপাতত এই পরিস্থিতিই চলবে আরও বেশ কয়েকদিন। মে মাসের শুরুতেও থাকবে এই দহন-জ্বালা। রবিবারেও দক্ষিণবঙ্গের ৭ জেলায় তীব্র তাপপ্রবাহের (Heatwave) সতর্কতা জারি করা হয়েছে। দক্ষিণবঙ্গের পাশাপাশি তাপপ্রবাহের থাবা রয়েছে উত্তরবঙ্গেও। রবিবার উত্তরবঙ্গের ৩টি জেলায় তাপপ্রবাহ চলবে।

    উত্তরে বৃষ্টির পূর্বাভাস (Heatwave)

    দার্জিলিং-কালিম্পংয়ে অবশ্য হালকা বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। জলপাইগুড়িতেও ঝড়বৃষ্টি হতে পারে। ৩০ থেকে ৪০ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়া দিতে পারে। তবে বৃষ্টি হলেও জলপাইগুড়িতে স্বস্তি মিলবে না। অন্যদিকে দক্ষিণদিনাজপুর, আলিপুরদুয়ার, কোচবিহারে তাপপ্রবাহের হলুদ সতর্কতা জারি করেছে আবহাওয়া দফতর।

    তাপপ্রবাহের পরিস্থিতি অব্যহত

    তবে রাজ্যের পশ্চিমাঞ্চলের জেলাগুলিতে দুর্বিষহ (Heatwave) পরিস্থিতি তৈরি হবে বলে জানিয়েছে হাওয়া অফিস। আগামী ১ মে পর্যন্ত দক্ষিণবঙ্গের জেলায়-জেলায় তাপপ্রবাহের দাপট জারি থাকবে। কোথাও তীব্র তাপপ্রবাহের জেরে নাভিশ্বাস ওঠার জোগাড় হবে, কোথাও আবার টানা তাপপ্রবাহের জেরে আরও নাকাল পরিস্থিতি তৈরি হবে। দক্ষিণবঙ্গে ১-২ ডিগ্রি সেলসিয়াস বাড়বে তাপমাত্রা। আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস, কলকাতা (kolkata) সহ গোটা দক্ষিণবঙ্গ জুড়ে তাপপ্রবাহ চলবে। অতি তীব্র তাপপ্রবাহ টের পাওয়া যেতে পারে পূর্ব মেদিনীপুর, পশ্চিম মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম, পূর্ব বর্ধমান, পশ্চিম বর্ধমান, বীরভূম এবং বাঁকুড়া। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে এই জেলাগুলিতে বইবে লু। এর ফলে চরমে উঠবে আবহাওয়া। পশ্চিমের সব জেলাতেই শুকনো গরমের সতর্কতা জারি। কলকাতা সহ উপকূল ও সংলগ্ন জেলাগুলিতে দুপুরে লু এর পরিস্থিতি বাকি সময়ে গরম ও আর্দ্রতাজনিত অস্বস্তিও থাকবে বলে জানিয়েছে আলিপুর আবহাওয়া দফতর।

    আরও পড়ুন: কলাইকুন্ডায় তাপমাত্রা ৪৬ ছুঁইছুঁই! তীব্র তাপপ্রবাহে দক্ষিণবঙ্গে ত্রাহি ত্রাহি রব

    বৃষ্টিপাতের কোনও সম্ভাবনা নেই

    উল্লেখ্য, পশ্চিমাঞ্চলের একাধিক জেলায় তাপপ্রবাহের (Heatwave) কারণে ৪৪ ডিগ্রিতে পৌঁছে গিয়েছে তাপমাত্রা (Temperature)। আপাতত এই তাপপ্রবাহের পরিস্থিতি থেকে মুক্তির কোনও আশা নেই। অর্থাৎ তাপমাত্রা বাড়বে বই কমবে না। তবে শুধু পশ্চিমাঞ্চলই নয় দক্ষিণবঙ্গেও  (South bengal) এপ্রিল ও মে মাস জুড়ে চলবে তাপপ্রবাহের মতো পরিস্থিতি। ফলে দীর্ঘ দগ্ধ দিনের হাত থেকে এখনই নিস্তার নেই। নেই বৃষ্টিপাতের সম্ভবনাও।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Lok Sabha Elections 2024: আজমল কাসভকে ফাঁসিতে লটকানোর নেপথ্য নায়ককেই প্রার্থী করল বিজেপি

    Lok Sabha Elections 2024: আজমল কাসভকে ফাঁসিতে লটকানোর নেপথ্য নায়ককেই প্রার্থী করল বিজেপি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জঙ্গি আজমল কাসভকে মনে আছে? মুম্বইয়ে ২৬/১১ জঙ্গি হামলার একমাত্র জীবিত জঙ্গি ছিল সে। ওই হামলায় নিহত হয়েছিলেন (Lok Sabha Elections 2024) ১৬৪জন। এই কাসভকেই ফাঁসিতে লটকানোর নেপথ্য নায়ক ছিলেন যিনি, সেই উজ্জ্বল দেওরাও নিকমকে লোকসভা নির্বাচনে প্রার্থী করল বিজেপি। উত্তর-মধ্য মুম্বই কেন্দ্রের পদ্ম-প্রার্থী তিনি। রাজনৈতিক মহলের মতে, নিকমকে টিকিট দিয়ে এই কেন্দ্রে বিরোধীদের কার্যত দাঁড়িয়ে গোল দিল বিজেপি।

    নায়ক নিকম

    স্মৃতির সরণী বেয়ে ফিরে যাই চলুন ২০০৮ সালের ২৬ নভেম্বর থেকে ২৯ নভেম্বর, এই তিন দিনে। পাক মদতপুষ্ট জঙ্গিদের ধারাবাহিক বিস্ফোরণে কেঁপে ওঠে বাণিজ্য নগরী মুম্বই। নিহত হয়েছিলেন ১৬৪জন। জখম হয়েছিলেন অন্তত ৩০৮ জন। গোটা বিশ্বে তোলপাড় করা এই ঘটনায় গ্রেফতার করা হয়েছিল কাসভকে। সেই সময় সরকারি আইনজীবী ছিলেন নিকম। ওই ঘটনায় দোষী সাব্যস্ত হওয়ায় ফাঁসি হয়েছিল কাসভের। কাসভকে ফাঁসিকাঠে চড়ানোর নেপথ্য (Lok Sabha Elections 2024) নায়ক ছিলেন নিকমই। কেবল কাসভই নন, নিকমের ফোকরহীন যুক্তির জেরে ফাঁসির সাজা হয়েছে আরও ৩৬ জনের। যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত হয়েছেন ৬২৮ জন। আইনজীবী মহলে নিকমকে সন্ত্রাসবাদী কার্যকলাপ সংক্রান্ত মামলার ‘মাস্টার’ বলা হয়। এহেন নিকমকেই প্রার্থী করে রাজনৈতিক মহলে আলোড়ন ফেলে দিয়েছে বিজেপি।

    অকপট নিকম 

    তিনি যে রাজনীতির জগতের লোক নন, অকপটে সে কথা স্বীকারও করেছেন নিকম। বলেন, “আমি জানি, আমি রাজনীতির জগতের লোক নই। বছরের পর বছর ধরে আপনারা আমায় আদালতে লড়াই করতে দেখেছেন। বিজেপি আমায় এই দায়িত্ব দিয়েছে। সেজন্য আমি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির কাছে কৃতজ্ঞ। বিজেপি সভাপতি জেপি নাড্ডা, মহারাষ্ট্র বিজেপির প্রধান চন্দ্রশেখর বাওয়ানকুলে, উপ মুখ্যমন্ত্রী দেবেন্দ্র ফড়নবীশ, মুম্বই বিজেপির প্রধান আশিস শেলারের কাছেও আমি কৃতজ্ঞ।”

    আরও পড়ুুন: “প্রথম দু’দফার ফল হতে চলেছে ২-০”, মহারাষ্ট্রে বললেন মোদি

    এর পরেই রাজনীতিতে নবাগত নিকম বলেন, “রাজনীতির জগতের লোক না হলেও, আপনাদের মাধ্যমে আমি প্রত্যেককে বলতে চাই, দেশের সংবিধান, আইন এবং সুরক্ষাই থাকবে আমার অগ্রাধিকারের তালিকায়। যে লোকসভা কেন্দ্র থেকে আমায় লড়তে বলা হয়েছে, সেটি মুম্বইয়ের খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি আসন। এই আসনে এক সময় লড়তেন প্রয়াত মনোহর জোশী, রামদাস আটাওয়ালা এবং পুনম মহাজন। এঁরা সংসদে বারাংবার সরব হয়েছেন নানা ইস্যুতে।” প্রসঙ্গত, ২০১৬ সালে পদ্মশ্রী সম্মানে ভূষিত হয়েছিলেন নিকম (Lok Sabha Elections 2024)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

     

  • Heatwave Alert: কলাইকুন্ডায় তাপমাত্রা ৪৬ ছুঁইছুঁই! তীব্র তাপপ্রবাহে দক্ষিণবঙ্গে ত্রাহি ত্রাহি রব

    Heatwave Alert: কলাইকুন্ডায় তাপমাত্রা ৪৬ ছুঁইছুঁই! তীব্র তাপপ্রবাহে দক্ষিণবঙ্গে ত্রাহি ত্রাহি রব

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দাবদাহে (Heatwave Alert) জ্বলছে দক্ষিণবঙ্গ। বেশিরভাগ জেলায় বইছে লু। আগামী ৭ দিন গরম থেকে রেহাই নেই রাজ্যবাসীর। হু হু করে চড়ছে তাপমাত্রার (Temperature) পারদ। আর এরই মধ্যে রেকর্ড গড়ল রাজ্য। শনিবার দেশের উষ্ণতম স্থান ছিল কলাইকুণ্ডা। তাপমাত্রা ৪৬ ডিগ্রি ছুঁই ছুঁই। পশ্চিম মেদিনীপুরের খড়গপুরের কাছে কলাইকুন্ডায় (kalaikunda Weather Update) এদিন তাপমাত্রার পারদ উঠে গিয়েছিল ৪৫.৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। যা স্বাভাবিকের চেয়ে ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস বেশি। এই নিয়ে পর পর দুই দিন দেশের উষ্ণতম শহর কলাইকুন্ডা।

    দেশের মধ্যে সর্বাধিক তাপমাত্রা (Heatwave Alert) 

    উল্লেখ্য, গত কয়েকদিনে পশ্চিম মেদিনীপুরের কলাইকুন্ডার তাপমাত্রা (Heatwave Alert) দেশের মধ্যে সর্বাধিক বলে জানিয়েছে হাওয়া অফিস। আগামীকাল থেকে আরও পারদ চড়বে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে হাওয়া অফিস। আগামী কয়েকদিনে আরও ২ থেকে ৩ ডিগ্রি তাপমাত্রা বৃদ্ধির পূর্বাভাস আবহাওয়া দফতরের।

    শনিবারও জ্বালাপোড়া গরম জেলায় জেলায়

    অন্যদিকে কলাইকুন্ডা (kalaikunda Weather Update) পাশাপাশি তাপপ্রবাহের (Heatwave Alert) পরিস্থিতি চলবে কলকাতাতেও। শনিবার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৪১.১ ডিগ্রি। এর আগে ৪৪ বছর আগে ১৯৮০ সালের এপ্রিল মাসে শহর কলকাতার তাপমাত্রা ছুঁয়েছিল ৪১.৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এছাড়াও শনিবার বর্ধমান, ব্যারাকপুর, ঝাড়গ্রাম শহরে দিনের তাপমাত্রা (Temperature) ৪৩ ডিগ্রির গণ্ডি ছাড়িয়ে গিয়েছিল। শ্রীনিকেতন, কৃষ্ণনগর, আসানসোল, পুরুলিয়া, সিউড়ির তাপমাত্রা ছিল ৪২-এরও বেশি। আপাতত দক্ষিণবঙ্গে আগামী ৭ দিন বৃষ্টির (Rain fall) সম্ভাবনা নেই বলেই মনে করছে আবহাওয়া দফতর।

    আরও পড়ুন: সন্দেশখালিতে রোহিঙ্গা ক্যাম্প ছিল শাহজাহানের, মনে করিয়ে দিলেন দিলীপ ঘোষ

    আবহাওয়া দফতরের সতর্কবার্তা

    কলাইকুন্ডার তাপমাত্রার (kalaikunda Weather Update) কথা মাথায় রেখে এমত পরিস্থিতিতে (Heatwave Alert) আবহাওয়া দফতরের সতর্কবার্তা, প্রয়োজন ছাড়া সকাল ১১ টা থেকে বিকেল ৪ টে পর্যন্ত রোদে বেরোবেন না। বেরোলেও সাথে ছাতা, টুপি সানগ্লাস এবং পর্যাপ্ত জল নিয়ে বেরোতে হবে। সাদা বা হালকা রঙের সুতির জামা পরতে হবে। সর্বোপরি নিজেকে সুস্থ রাখতে হবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Lok Sabha Elections 2024: “প্রথম দু’দফার ফল হতে চলেছে ২-০”, মহারাষ্ট্রে বললেন মোদি

    Lok Sabha Elections 2024: “প্রথম দু’দফার ফল হতে চলেছে ২-০”, মহারাষ্ট্রে বললেন মোদি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রথম দু’দফার ফল হতে চলেছে ২-০। বিজেপি নেতৃত্বাধীন এনডিএ সব আসন পাবে। শূন্য হাতে ফিরতে হবে ইন্ডিয়া ব্লককে। শনিবার নির্বাচনের ফলের যে ভবিষ্যদ্বাণী করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, এই হল তার নির্যাস (Lok Sabha Elections 2024)। মহারাষ্ট্রের কোলাপুরে বিজেপি আয়োজিত নির্বাচনী জনসভায় যোগ দেন প্রধানমন্ত্রী। সেখানেই নিশানা করেন ইন্ডিয়া ব্লককে। তিনি বলেন, “কোলাপুরকে মহারাষ্ট্রের ফুটবল হাব বলা হয়। ফুটবল স্থানীয় যুবকদের ভীষণ প্রিয়। গত দু’দফার নির্বাচনের ফল যদি আমি ফুটবলের ভাষায় প্রকাশ করি, তাহলে বলতে হয় বিজেপি নেতৃত্বাধীন এনডিএ ২-০-তে লিড করছে।”

    ইন্ডি জোটকে নিশানা মোদির (Lok Sabha Elections 2024)

    বিরোধীরা দেশবিরোধী এবং তুষ্টিকরণের রাজনীতি (Lok Sabha Elections 2024) করছেন বলেও এদিন অভিযোগ করেন প্রধানমন্ত্রী। বলেন, “ডিএমকে, কংগ্রেসের কাছে যাদের গুরুত্ব খানিক বেশি, তারা সনাতন ধর্মকে গালাগাল দিচ্ছে। তারা সনাতন ধর্মকে ডেঙ্গি, ম্যালেরিয়া বলছে। আর ইন্ডি জোট তাদের মহারাষ্ট্রে আমন্ত্রণ জানাচ্ছে। যারা সনাতন ধর্মকে ধ্বংস করার কথা বলে, তাদের সম্মানিত করছে। এসব দেখলে বালাসাহেব (ঠাকরে) অবশ্যই দুঃখিত হতেন।”

    উদ্ধব-শিবিরকেও আক্রমণ

    শিবসেনার উদ্ধব ঠাকরে শিবিরকেও এদিন নিশানা করেছেন প্রধানমন্ত্রী। বলেন, “ওরা (উদ্ধব ঠাকরে শিবির) ডিএমকের সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে লড়াই করছে।” প্রধানমন্ত্রীর সমালোচনায় উঠে এসেছে ইন্ডিয়া ব্লক এবং মহা বিকাশ আগাড়ির প্রসঙ্গও। তিনি বলেন, “ভোটব্যাঙ্কের রাজনীতি করতে গিয়ে তারা ঔরঙ্গজেবের অনুগামীদের সঙ্গেও জোট করছে। সিএএ প্রত্যহারের যে প্রতিশ্রুতি বিরোধীরা দিয়েছেন, এদিন তাকেও একহাত নেন প্রধানমন্ত্রী। অযোধ্যায় রাম মন্দির নির্মাণের অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ পেয়েও না যাওয়ায়ও এদিন বিরোধীদের সমালোচনা করেন প্রধানমন্ত্রী। বলেন, “তারা (মন্দির কর্তৃপক্ষ) সব কিছু ভুলে গিয়েছিলেন (রাম মন্দির নিয়ে কংগ্রেসের অবস্থান)। কংগ্রেসের দুয়ারে গিয়ে ২২ জানুয়ারি উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকার আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন। তারা তা পত্রপাঠ খারিজ করে দিয়েছে। কেউ যদি ভগবান রামকেই প্রত্যাখ্যান করেন, তাহলে আপনি কী করবেন?”

    আরও পড়ুুন: “অভিষেক এইট ফেল”, বিস্ফোরক দাবি ডায়মন্ড হারবারের বিজেপি প্রার্থী ববির

    কংগ্রেসের ইস্তাহারে (পোশাকি নাম ‘ন্যায়পত্র’) সম্পদের পুনর্বণ্টনের যে প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে, তাকেও কটাক্ষ করেছেন প্রধানমন্ত্রী। বলেন, “এই দল (কংগ্রেস) চিরকাল বাবাসাহেবকে (সংবিধান রচয়িতা, ভীম রাও আম্বেডকর) অশ্রদ্ধা করে আসছে। এখন তারা দলিত ও বঞ্চিতদের জন্য সংরক্ষণও কেড়ে নিতে চাইছে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Sri Ramakrishna Kathamrita: “ঠাকুর মাঝে মাঝে যেন অন্যমনস্ক হইতেছেন! পরে শুনিলেন, এরই নাম ভাব”

    Sri Ramakrishna Kathamrita: “ঠাকুর মাঝে মাঝে যেন অন্যমনস্ক হইতেছেন! পরে শুনিলেন, এরই নাম ভাব”

     

    এটি রাসমণির দেবালয়

    সিধুর সঙ্গে ঘরের বাহিরে আসিতে না আসিতে আরতির মধুর শব্দ হইতে লাগিল। এককালে কাঁসর, ঘণ্টা, খোল, করতালি বাজিয়ে উঠল। বাগানের দক্ষিণসীমান্ত হইতে নহবতের মধুর শব্দ আসিতে লাগিল। সেই শব্দ ভাগীরথীবক্ষে যেন ভ্রমণ করিতে করিতে অতিদূরে গিয়া কোথায় মিশিয়া যাইতে লাগিল। মন্দ মন্দ কুসুমগন্ধবাহী বসন্তানিল! সবে জ্যোৎস্না উঠিতেছে। ঠাকুরদের আরতির যেন চতুর্দিকে আয়োজন হইতেছে! মাস্টার দ্বাদশ শিবমন্দিরে, শ্রীশ্রী রাধাকান্তের মন্দিরে ও শ্রীশ্রীভবতারিণীর মন্দিরে আরতি দর্শন করিয়া পরম প্রীতিলাভ করিলেন। সিধু বলিলেন, “এটি রাসমণির দেবালয়। এখানে নিত্যসেবা। অনেক অতিথি, কাঙাল আসে।”

    কথা কহিতে কহিতে ভবতারিণীর মন্দির হইতে বৃহৎ পাকা উঠানের মধ্য দিয়া পাদচারণ করিতে করিতে দুইজনে আবার ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণের ঘরের সম্মুখে আসিয়া পড়িলেন। এবার দেখিলেন, ঘরের দ্বার দেওয়া (Sri Ramakrishna Kathamrita)। 

    এইমাত্র ধুনা দেওয়া হইয়াছে। মাস্টার ইংরেজী পড়িয়াছেন, ঘরে হঠাৎ প্রবেশ করিতে পারিলেন না। দ্বারদেশে বৃন্দে (ঝি) দাঁড়াইয়াছিল। জিজ্ঞাসা করিলেন, “হ্যাঁ গা, সাধুটি কি এখন এর ভিতর আছেন?”

    বৃন্দে– হ্যাঁ এই ঘরের ভিতর আছেন।

    মাস্টার– ইনি এখানে কত দিন আছেন –

    মাস্টার—আচ্চা, ইনি এখানে কতদিন আছেন?

    বৃন্দে—তা অনেকদিন আছেন –

    মাস্টার—আচ্ছা, ইনি কি খুব বই-টই পড়েন?

    বৃন্দে– আর বাবা বই-টই পড়েন?

    বৃন্দে—আর বাবা বই-টই! সব ওঁর মুখে!

    মাস্টার সবে পড়াশুনা করে এসেছেন। ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ বই পড়েন না শুনে আর অবাক্‌ হলেন।

    মাস্টার—সবে পড়াশুনা করে এসেছেন। ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ বই পড়েন না শুনে আরও অবাক্‌ হলেন।

    মাস্টার—আচ্ছা, ইনি বুঝি এখন সন্ধ্যা করবেন?—আমরা কি এ-ঘরের ভিতর যেতে পারি?—তুমি একবার খবর কিবে?

    বৃন্দে—তোমার যাও না বাবা। গিয়ে ঘরে বস।

    তখন তাঁহার ঘরে প্রবেশ করিয়া দেখেন, ঘরে আর অন্য কেহ নাই। ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ ঘরে একাকী তক্তপোশের উপর বসিয়া আছেন। ঘরে ধুনা দেওয়া হইয়াছে ও সমস্ত দরজা বন্ধ। মাস্টার প্রবেশ করিয়াই বদ্ধাঞ্জলি হইয়া প্রণাম করিলেন। ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ বসিতে অনুজ্ঞা করিলেন তিনি ও সিধু মেঝেতে বসিলেন। ঠাকুর জিজ্ঞাসা করিলেন, “কোথায় থাক, কি কর, বরাহনগরে কি করতে এসেছ” ইত্যাদি। মাস্টার সমস্ত পরিচয় দিলেন। কিন্তু দেখিতে লাগিলেন যে, ঠাকুর মাঝে মাঝে যেন অন্যমনস্ক হইতেছেন (Sri Ramakrishna Kathamrita)। পরে শুনিলেন, এরই নাম ভাব। যেমন কেহ ছিপ হাতে করিয়া মাছ ধরিয়া মাছ ধরিতে বসিয়াছে। মাছ আসিয়া টোপ খাইতে থাকিলে ফাতনা যখন নড়ে, সে ব্যক্তি যেমন শশব্যস্ত হইয়া ছিপ হাতে করিয়া ফাতনার দিকে একদৃষ্টে একমনে চাহিয়া থাকে, কাহারও সহিত কথা কয় না; এ- ঠিক সেইরূপ ভাব। পরে শুনিলেন ও দেখিলেন, ঠাকুর সন্ধ্যারপর এই রূপ ভাবান্তর হয়, কখন কখন তিনি একেবারে বাহ্যশূন্য হন!

    মাস্টার – আপনি এখন সন্ধ্যা করবেন, তবে এখন আমরা আসি।

    শ্রীরামকৃষ্ণ (ভাবস্থ)– না – সন্ধ্যা — তা এমন কিছু নয়।

    আর কিছু কথাবার্তার পর মাস্টার প্রণাম করিয়া বিদয় গ্রহণ করিলেন। ঠাকুর বলিলেন, “আবার এস”।

    মাস্টার ফিরিবার সময় ভাবিতে লাগিলেন, “এ সৌম্য কে? যাঁহার কাছে ফিরিয়া যাইতে ইচ্ছা করিতেছে। বই না পড়িলে কি মানুষ মহৎ হয়?—কি আশ্চর্য, আবার আসিতে ইচ্ছা হইতেছে। ইনি বলিয়াছেন, “আবার এস! কাল কি পরশু সকালে আসিব (Sri Ramakrishna Kathamrita)।”  

     

    তথ্যসূত্রঃ শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণকথামৃত, ২য় পরিচ্ছেদ, প্রথম দর্শন

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Pakistan Economy: পাকিস্তানে গাড়ি বিক্রির অবস্থা বেহাল! পাততাড়ি গোটাচ্ছে বহু সংস্থা

    Pakistan Economy: পাকিস্তানে গাড়ি বিক্রির অবস্থা বেহাল! পাততাড়ি গোটাচ্ছে বহু সংস্থা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সন্ত্রাসবাদের সঙ্গে চরম অর্থনৈতিক মন্দা। আইএমএফের গ্রে  লিস্ট থেকে সাময়িক স্বস্তি পেলেও অর্থনৈতিক সংকটে ভুগছে পাকিস্তান। পাকিস্তানের অর্থনৈতিক সংকটের প্রভাব পড়েছে গাড়ি শিল্পে। হু হু করে কমছে পাকিস্তানের (Pakistan) গাড়ি বিক্রি। পাকিস্তানের গাড়ি বিক্রির পরিমান এতটাই কমে গেছে যে সে দেশে সারা মাসে যত গাড়ি বিক্রি হয়, ভারতে (India) তা বিক্রি হয় মাত্র কয়েক ঘণ্টায়। এর থেকেই বোঝা যাচ্ছে যে পাকিস্তানের (Pakistan Economy) কী হাল।

    পাকিস্তান অটোমেটিভ ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যাসোসিয়েশনের বক্তব্য (Pakistan Economy)

    ২০২৩ সালের এপ্রিল মাসে গোটা পাকিস্তানে (Pakistan Economy) গাড়ি বিক্রি মাত্র ২৮৪৪টি। এই সংখ্যা ভারতের যে কোন মেট্রো শহরের ঝাঁ চকচকে একটি মাত্র  শোরুমের এক মাসের বিক্রির সমান। যদিও ২০২৩ সালের শেষে হতাশাজনক এই পারফরম্যান্স কাটিয়ে উঠে পাকিস্তানে ২০২৪ সালে এখনও পর্যন্ত গাড়ি বিক্রির সংখ্যা কিছুটা বৃদ্ধি পেয়েছে। প্রতিবেশী দেশে যাত্রীবাহী গাড়ি বিক্রির সংখ্যা ছিল ৫ হাজারের নীচে। চলতি বছরে বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৭৬৭২ ইউনিট। পাকিস্তান অটোমেটিভ ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যাসোসিয়েশন সম্প্রতি এই তথ্য প্রকাশ করেছে।

    ব্যাপক মুদ্রাস্ফীতি

    একদিকে চরম অর্থনৈতিক সংকট পাকিস্থানে (Pakistan Economy) । অন্য দিকে মুদ্রাস্ফীতি। পাকিস্তান এখন চারিদিক থেকে কোনঠাসা। নেতারা এদেশ ওদেশ করছেন বেলআউট প্যাকেজের জ্জন্য। খাবার এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের দাম সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে চলে গেছে। ক্রয় ক্ষমতা কমে যাচ্ছে নিম্নবিত্ত ও মধ্যবিত্তের।

    আরও পড়ুন: আগ্নেয়াস্ত্র, বিষ্ফোরক উদ্ধারে নামানো হল রোবট, এনএসজি কমান্ডো, আরও চাপে শাহজাহান

    বন্ধ হচ্ছে করাচির গাড়ি শো-রুম

    সারা বিশ্বের মানুষ যখন ক্রমবর্ধমান মুদ্রাস্ফীতির সঙ্গে লড়াই করছে তখন পাকিস্তানের (Pakistan Economy) ক্রেতারাও এই চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন হয়েছে। কিন্তু পাকিস্তানের অবস্থা নতুন করে আর বলার অপেক্ষা রাখে না। সোসাইটি অফ ইন্ডিয়ান অটোমোবাইল ম্যানুফ্যাকচারার্স (SIAM) দ্বারা প্রকাশিত এক তথ্য অনুসারে দেখা গেছে  শেষ আর্থিক বছরে দেশে ৩ লক্ষ ৬৯ হাজারেরও বেশি গাড়ি বিক্রি হয়েছে। প্রতিদিন প্রায় ১২ হাজারটিরও বেশি গাড়ি বিক্রি হয়েছে ভারতে। দক্ষিণ এশিয়া অঞ্চলের মোটর গাড়ি প্রস্তুতকারকদের মধ্যে প্রতিযোগিতা বাড়ছে প্রতিনিয়ত। কিন্তু পাকিস্তানে তাঁরা কোন আশা দেখছে না। ইদানিংকালে পরিস্থিতির উন্নতি না করতে পেরে বেশ কয়েকটি গাড়ি নির্মাতারা ইতিমধ্যেই তাদের পাততাড়ি গোটাতে শুরু করে দিয়েছে। বন্ধ হয়ে গেছে দেশের করাচি, পেশাওয়ার, ইসলামাবাদের মত শহরে অনেক গাড়ির শোরুম ও সার্ভিস সেন্টার।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Barrackpore: নৈহাটির মাতৃসদনে টাকা ঢেলছে সন্দেশখালির সংস্থা! পার্থ- শাহজাহান যোগ নিয়ে বিস্ফোরক অর্জুন

    Barrackpore: নৈহাটির মাতৃসদনে টাকা ঢেলছে সন্দেশখালির সংস্থা! পার্থ- শাহজাহান যোগ নিয়ে বিস্ফোরক অর্জুন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ব্যরাকপুরের (Barrackpore) তৃণমূল প্রার্থী পার্থ ভৌমিকের (Partha Bhowmick) সঙ্গে সন্দেশখালির (Sandeshkhali) যোগের প্রমাণ রয়েছে তাঁর হাতে ফের বিস্ফোরক মন্তব্য করলেন অর্জুন সিং (Arjun Singh)। সন্দেশখালির একটি বেসরকারি সংস্থা ওএনজিসি’র সিএসআর ফান্ডের টাকা নৈহাটির মাতৃসদনে বিনিয়োগ করেছে। সন্দেশখালির ওই স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার সঙ্গে শেখ শাহজাহান ঘনিষ্ঠরা যুক্ত দাবি অর্জুন সিংয়ের।

    এক্স হ্যান্ডেলে অর্জুনের বক্তব্য (Barrackpore)

    সামাজিক মাধ্যম এক্স হ্যান্ডেলে ব্যরাকপুরের (Barrackpore) প্রার্থী অর্জুন উল্লেখ করেছেন, “ওএনজিসির ‘সিএসআর’ ফান্ডের টাকায় বেশ কিছু জিনিস দান করা হয়েছিল সন্দেশখালির একটি স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা ‘মা সারদা ওমেন এন্ড রুরাল ওয়েলফেরায় সোসাইটিকে’। ওই স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা সেই জিনিসগুলি আবার নৈহাটি পুরসভার হাসপাতাল মাতৃসদনকে দান করেছে। এদিন  বিকেলে হালিশহরে ভোট প্রচারে বেরিয়ে বিজেপি প্রার্থী অর্জুন সিং এই ঘটনা সংবাদ মাধ্যমের সামনে তুলে ধরেন। তাঁর প্রশ্ন ওয়েলফেয়ার সোসাইটি রাজ্যের কোনও সরকারি হাসপাতালকে সেগুলো না দিয়ে নৈহাটির মাতৃসদন হাসপাতালকে কেন প্রদান করেছে? এতেই নৈহাটির সঙ্গে সন্দেশখালি যোগের প্রমান ধরা পড়েছে। শিবু হাজরা নৈহাটির কাঁপা চাকলা গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায় জমি কিনেছে দাবি করেন অর্জুন। তিনি আরও জানান আগামী দিনে পার্থ ভৌমিকের সঙ্গে শেখ শাহজাহানের সরাসরি যোগাযোগ প্রমাণ করে দেবেন।

    আরও পড়ুন: ভোটের মুখে এবার উত্তপ্ত ডায়মন্ড হারবার, চলল গুলি, পড়ল বোমা, আহত শিশু-সহ ২

    বিজেপির অভিযোগ

    ব্যরাকপুরের (Barrackpore) প্রার্থী বিজেপি অর্জুন আরও বলেন, “নৈহাটি পুরসভার মাতৃসদন হাসপাতাল রোজগারের একটা কেন্দ্রে হিসেবে পরিণত হয়েছে। অন্য হাসপাতালে যাতে রোগী না নিয়ে যাওয়া হয় তাঁর জন্য চিকিৎসকদের ভয় দেখানো হচ্ছে। তাঁদের বাধ্য করা হচ্ছে এখানে ডিউটি করার জন্য।”  পাল্টা নৈহাটি পুরসভার স্বাস্থ্য দফতরের চেয়ারম্যান ইন কাউন্সিল সনৎ দে বলেন, “ কে আমাদের সরঞ্জাম দিল আমরা দেখতে যাব কেন? ওএনজিসি কাকে টেন্ডার দেবে সেটা তাঁদের ব্যাপার। আমরা তাঁদের (ongc) কাছে ডায়েলিসিসের বিভিন্ন সরঞ্জাম সাহায্য হিসেবে চেয়েছিলাম। কিছু জিনিসের প্রয়োজন ছিল। সেটা পেয়েছি। কিভাবে ওএনজিসি ওই সংস্থার সঙ্গে যোগাযোগ করল সেটা তাঁদের ব্যাপার।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Birbhum BJP Candidate: বিজেপি প্রার্থী দেবাশিস ধরের  মনোনয়ন বাতিল, লড়াইয়ে এবার দেবতনু

    Birbhum BJP Candidate: বিজেপি প্রার্থী দেবাশিস ধরের মনোনয়ন বাতিল, লড়াইয়ে এবার দেবতনু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে পুরো দমে চলছে ভোটের হাওয়া। আর এরই মধ্যে এবার বীরভূমের (Birbhum) বিজেপি প্রার্থী দেবাশিস ধরের (Debasish Dhar) মনোনয়ন বাতিল করল নির্বাচন কমিশন। আগামী ১৩ মে, চতুর্থ দফায় ভোটগ্রহণ বীরভূম কেন্দ্রে। আর তার আগে শুক্রবার নির্বাচন কমিশনের (Election Commission) তরফ থেকে এই প্রাক্তন আইপিএসের প্রার্থী (Birbhum BJP Candidate) পদ বাতিল করা হয়েছে।

    ঠিক কী কারনে মনোনয়ন বাতিল (Birbhum BJP Candidate)?

    জানা গিয়েছে, রাজ্য সরকারের তরফে ‘নো ডিউজ’ সার্টিফিকেট না দেওয়ায় বাতিল করা হয়েছে প্রাক্তন আইপিএস দেবাশিসের (Birbhum BJP Candidate) মনোনয়ন। মনোনয়ন (Nomination) বাতিল হওয়া প্রসঙ্গে দেবাশিস জানিয়েছেন, যত দ্রুত সম্ভব এই বিষয়টি নিয়ে আদালতের দ্বারস্থ হবেন তিনি।

    নতুন প্রার্থীর নাম ঘোষণা বিজেপির

    তবে কোনও পরিস্থিতিতেই জমি ছাড়তে নারাজ বিজেপি। দেবাশিসের (Birbhum BJP Candidate) মনোনয়ন বাতিল হতেই তড়িঘড়ি ওই আসনে নতুন প্রার্থীর নাম ঘোষণা করা হয়েছে। নয়া প্রার্থীর নাম দেবতনু ভট্টাচার্য। ২০২১ সালের আগে বিজেপিতে যোগ দিয়েছিলেন দেবতনু। বিজেপি সূত্রে খবর, এ বারের লোকসভা ভোটে বর্ধমান পূর্ব কেন্দ্রের সাংগঠনিক কাজকর্ম করছিলেন দেবতনু। বুধবার পূর্ব বর্ধমানের পূর্বস্থলী, কালনা, কাটোয়ায় সাংগঠনিক বৈঠকেও ছিলেন তিনি। এরপর বৃহস্পতিবার বিজেপির তরফ থেকে তাঁকে সিউড়িতে চলে আসতে বলা হয়। তারপর ওই দিন তিনি মনোনয়নপত্র জমা দেন।

    আরও পড়ুন:”বিজেপিকে ভোট দিন”, তৃণমূল প্রার্থীর নামে বিতর্কিত লিফলেটে শোরগোল বালুরঘাটে

    আঁচ আগেই পেয়েছিল বিজেপি

    যদিও এমন কিছু যে ঘটতে পারে তার আঁচ আগেই টের পেয়েছিল বিজেপি। বিজেপি (BJP) সূত্রে দাবি করা হয়েছিল, দেবাশিসের (Birbhum BJP Candidate) প্রার্থিপদ নিয়ে কিছু সমস্যা রয়েছে। মূলত নথিপত্র সংক্রান্ত সমস্যা। সেই কারণেই বিকল্প হিসাবে দেবতনুর নাম ভাবা হয়েছে। জানা গেছে, বৃহস্পতিবার দুপুরে সাঁইথিয়ার পুনুর গ্রামে ঢোল বাজিয়ে প্রচারে মেতেছিলেন দেবাশিস। ঠিক সেই সময়েই বীরভূম আসনে পদ্ম প্রতীকেই মনোনয়নপত্র জমা দেন দেবতনু ভট্টাচার্য। এ প্রসঙ্গে বিজেপির রাজ্য সাধারণ সম্পাদক জগন্নাথ চট্টোপাধ্য়ায় জানিয়েছিলেন, “কোনও ষড়যন্ত্র করা হতে পারে, তাই এই সিদ্ধান্ত।” আর তার ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই বাতিল হল দেবাশিস ধরের প্রার্থী পদ।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share