Tag: news in bengali

news in bengali

  • Ramakrishna 146: “হাজার বছরের অন্ধকার ঘর—আলো নিয়ে গেলে একক্ষণে আলো হয়ে যায়!”

    Ramakrishna 146: “হাজার বছরের অন্ধকার ঘর—আলো নিয়ে গেলে একক্ষণে আলো হয়ে যায়!”

    শ্রীরামকৃষ্ণ ভক্তসঙ্গে দক্ষিণেশ্বর-মন্দিরে ও বলরাম-মন্দিরে

    প্রথম পরিচ্ছেদ

    ১৮৮৩, ২৫শে ফেব্রুয়ারি

    নির্জনে সাধন—ফিলজফি—ঈশ্বরদর্শন 

    ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna) সেই পূর্ব পরিচিত ঘরে মধ্যাহ্নে সেবার পর ভক্তসঙ্গে বসিয়া আছেন। আজ ২৫শে ফেব্রুয়ারি, ১৮৮৩ খ্রীষ্টাব্দ (রবিবার, ১৪ই ফাল্গুন, কৃষ্ণা তৃতীয়া)।

    রাখাল, হরিশ, লাটু, হাজরা আজকাল ঠাকুরের পদছায়ায় সর্বদা বাস করিতেছেন। কলিকাতা হইতে রাম, কেদার, নিত্যগোপাল, মাস্টার প্রভৃতি ভক্তেরা আসিয়াছেন (Kathamrita)। আর চৌধুরী আসিয়াছেন।

    চৌধুরীর সম্প্রতি পত্নীবিয়োগ হইয়াছে। মনের শান্তির জন্য তিনি ঠাকুরকে দর্শন করিতে কয়বার আসিয়াছেন। তিনি চারটা পাশ করিয়াছেন—রাজ সরকারের কাজ করেন।

    শ্রীরামকৃষ্ণ (রাম প্রভৃতি ভক্তদের প্রতি)—রাখাল, নরেন্দ্র, ভবনাথ এরা নিত্য সিদ্ধ—জন্ম থেকেই চৈতন্য আছে। লোকশিক্ষার জন্যই শরীরধারণ।

    আর-একথাক আছে কৃপাসিদ্ধ। হঠাৎ তাঁর কৃপা হল—অমনি দর্শন আর জ্ঞানলাভ। যেমন হাজার বছরের অন্ধকার ঘর—আলো নিয়ে গেলে একক্ষণে আলো হয়ে যায়!—একটু একটু করে হয় না

    যাঁরা সংসারে আছে তাদের সাধন করতে হয়। নির্জনে গিয়ে ব্যাকুল হয়ে তাঁকে ডাকতে হয়।

    (চৌধুরীর প্রতি)—পাণ্ডিত্য দ্বারা তাঁকে পাওয়া যায় না।

    আর তাঁর বিষয় কে বিচার করে বুঝবে? তাঁর পাদপদ্মে ভক্তি যাতে হয়, তাই সকলের করা উচিত।

    ভীষ্মদেবের ক্রন্দন—হার-জিত—দিব্যচক্ষু ও গীতা 

    তাঁর অনন্ত ঐশ্বর্য—কি বুঝবে? তাঁর কার্যই বা কি বুঝতে পারবে?

    ভীষ্মদেব যিনি সাক্ষাৎ অষ্টবসুর একজন বসু—তিনিই শরশয্যায় শুয়ে কাঁদতে লাগলেন। বললেন—কি আশ্চর্য! পাণ্ডবদের সঙ্গে স্বয়ং ভগবান সর্বদাই আছেন, তবু তাদের দুঃখ-বিপদের শেষ নাই! ভগবানের কার্য কে বুঝবে!

    কেউ মনে করে আমি একটু সাধন-ভজন করেছি, আমি জিতেছি। কিন্তু হার-জিত তাঁর হাতে। এখানে একজন মাগী (বেশ্যা) মরবার সময় সজ্ঞানে গঙ্গালাভ করলে।

    চৌধুরী—তাঁকে কিরূপে দর্শন (Kathamrita) করা যায়?

    শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna)—এ-চক্ষে দেখা যায় না। তিনি দিব্যচক্ষু দেন, তবে দেখা যায়। অর্জুনকে বিশ্বরূপ-দর্শনের সময় ঠাকুর দিব্যচক্ষু দিছলেন।

    তোমার ফিলজফিতে (Philosophy) কেবল হিসাব কিতাব করে! কেবল বিচার করে! ওতে তাঁকে পাওয়া যায় না।

    আরও পড়ুনঃ “ধ্যান করবার সময় তাঁতে মগ্ন হতে হয়, উপর উপর ভাসলে কি জলের নিচে রত্ন পাওয়া যায়?”

    আরও পড়ুনঃ “একটা ঢোঁড়ায় ব্যাঙটাকে ধরেছে, ছাড়তেও পাচ্ছে না—গিলতেও পাচ্ছে না…”

    আরও পড়ুনঃ “বিবেক, বৈরাগ্যরূপ হলুদ মাখলে তারা আর তোমাকে ছোঁবে না”

    আরও পড়ুনঃ “ধ্যান করবার সময় তাঁতে মগ্ন হতে হয়, উপর উপর ভাসলে কি জলের নিচে রত্ন পাওয়া যায়?”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • India China Relation: দলাই লামার নামে অরুণাচলের অনামী পর্বতশৃঙ্গের নামকরণ ভারতের, রেগে লাল চিন

    India China Relation: দলাই লামার নামে অরুণাচলের অনামী পর্বতশৃঙ্গের নামকরণ ভারতের, রেগে লাল চিন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বৃহস্পতিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ভারতীয় সেনার একটি পর্বতারোহী দল অরুণাচল প্রদেশের একটি অনামী পর্বতশৃঙ্গ জয় করে। শুধু জয় করাই নয়, ওই শৃঙ্গের নামকরণও করে দলটি। জানা গিয়েছে, তিব্বতের ষষ্ঠ দলাই লামার নামে ওই পর্বতের নাম রাখা হয়। এতেই রেগে লাল চিন। নামকরণের পর থেকেই চিনের মাথা ব্যাথা শুরু হয়ে গিয়েছে।

    ষষ্ঠ দলাই লামার নামে শৃঙ্গ (India china Relation)

    প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের অধীনে ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অফ মাউন্টেনিয়ারিং অ্যান্ড অ্যাডভেঞ্চার স্পোর্টস বা নিমাস-এর একটি অভিযান করা হয় অরুণাচলে। সেখানে কর্নেল রণবীর সিং জামওয়ালের নেতৃত্বাধীন পর্বতারোহী দলটি অরুণাচলে ২০ হাজার ৯৪২ ফুট উচ্চতার একটি নামহীন শৃঙ্গ জয় করে। এরপর এই শৃঙ্গের নাম রাখা হয় ষষ্ঠ দালাই লামা সাংগ্যাং গ্যাতসো-র নামে। তিনি ১৬৮২ সালে মন তাওয়াং অঞ্চলে জন্মগ্রহণ করেছিলেন। ভারতের প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের (India china Relation) পক্ষ থেকে একটি প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, “ষষ্ঠ দলাই লামা সাংগ্যাং গ্যাতসোর নামানুসারে পর্বত শিখরটির নামকরণ করা হল। এই নামের অর্থ ছিল, নিরন্তর জ্ঞান এবং মনপা সম্প্রদায়ের প্রতি গভীর ভাবে শ্রদ্ধা ভাব জানানো।” অরুণাচল (Arunachal) প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী পেমা খান্ডু পর্বতারোহণকারী নিমাস দলকে কৃতিত্বের জন্য অভিনন্দন জানিয়েছেন৷ তিনি নিজের এক্স হ্যান্ডেলে লিখেছেন, “এই অভিযানের পরিচালক রণবীর জামওয়ালের নেতৃত্বে, তারা সফলভাবে অরুণাচল প্রদেশের মোন তাওয়াং অঞ্চলের গোরিচেন ম্যাসিফে একটি অজেয় শৃঙ্গজয় করেছে। ৬,৩৩৮ মিটার উঁচুতে পৌঁছানো একটি উল্লেখযোগ্য চিত্তাকর্ষক নজির।”

    আরও পড়ুনঃভারতে মিরাজ-রাফাল রক্ষণাবেক্ষণ কেন্দ্র খুলতে চায় ফরাসি সংস্থা দাসোল

    চিনের বক্তব্য

    এই ঘটনায় প্রতিক্রিয়া দেয় বেজিং। চিনের (India china Relation) বিদেশ দফতরের মুখপাত্র জিয়ান বলেন, “ভারতের এই নির্দিষ্ট নামকরণ সম্পর্কে আপত্তি রয়েছে। এই এলাকার অঞ্চলটি চিনের জায়গায়। চিন ধারাবাহিক ভাবে নিজেদের দখলে রেখেছে।” এখানেই থামেননি লিন জিয়ান। বেইজিংয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে অরুণাচলকে ফের একবার চিনের ভূখণ্ড বলে দাবি করে তিনি আরও বলেন, “চিনা জাংনান ভূখণ্ডে তথাকথিত অরুণাচল প্রদেশকে স্থাপন করা ভারতের বেআইনি কাজ। ভারতের দাবিকে মান্যতা দেয় না চিন।”

    বেজিংয়ের দাবি খারিজ ভারতের

    যদিও, বেজিংয়ের দাবি পত্রপাঠ বিদায় করে দিয়েছে ভারত। বিদেশমন্ত্রকের তরফে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, অরুণাচল প্রদেশের ভারতের অবিচ্ছেদ্য অঙ্গ। এরপর থেকে ভারত এবং চিনের (India china Relation) মধ্যে উত্তেজনার পারদ চড়তে শুরু করে। ঘটনায় ব্যাপক শোরগোল পড়েছে। প্রসঙ্গত, ২০১৭ সাল থেকে অরুণাচল প্রদেশের একাধিক জায়গাগুলির নাম পরিবর্তন করে চলেছে বেজিং। সময়ে সময়ে ভারত ভূখণ্ডকে নিজের বলে দাবি করে থাকে চিন। পাল্টা বার বার চিনের অনৈতিক দাবিকে খারিজ করে দিয়ে থাকে ভারত। ভারত সরকার সবসময় এই বার্তা চিনকে দিয়ে থাকে যে অরুণাচল প্রদেশ, ভারতের অবিচ্ছেদ্য অঙ্গ হিসেবে ছিল, আছে এবং থাকবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Kolkata Tram: তুলে দেওয়া হচ্ছে কলকাতার ঐতিহ্যবাহী ট্রাম! ডিপোর জমিতে প্রোমোটিংয়ে নজর তৃণমূলের?

    Kolkata Tram: তুলে দেওয়া হচ্ছে কলকাতার ঐতিহ্যবাহী ট্রাম! ডিপোর জমিতে প্রোমোটিংয়ে নজর তৃণমূলের?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ১৮৭৩ সালে শহর কলকাতার (Kolkata) বুকে ঘোড়ার মাধ্যমে শুরু হয়েছিল ট্রামের (Kolkata Tram) পথ চলা। দেড়শো বছর পরে তা বন্ধ হচ্ছে। ঐতিহ্যবাহী ট্রাম চলাচকে ধরে রাখতে সম্পূর্ণ ব্যর্থ বর্তমান মমতা-সরকার। আগামীদিনে ইতিহাসের পাতায় একমাত্র দেখা মিলবে শহর কলকাতার (Kolkata) এই ঐতিহ্যবাহী ট্রামের। বিশ্বের যে বড় বড় শহরে এখনও রমমরিয়ে চলে ট্রাম সেগুলি হল— লিয়ঁ- ফ্রান্স, ভিয়েনা- অস্ট্রিয়া, জুরিখ- সুইৎজারল্যান্ড, লিসবন- পর্তুগাল, বুদাপেস্ট- হাঙ্গেরি, প্রাগ- চেকিয়া, মেলবোর্ন- অস্ট্রেলিয়া। এরসঙ্গে ছিল কলকাতা। তবে তৃণমূল জমানায় তা উঠে যাচ্ছে। তবে কেন এই ট্রাম (Kolkata Tram) বন্ধ করা হচ্ছে, তার কোনও স্পষ্ট জবাব অবশ্য রাজ্য সরকার দিতে পারেনি। সবই ভাসাভাসা বিবৃতি দিচ্ছেন শাসক দলের নেতা-মন্ত্রীরা। 

    আদালতে চলছে জোড়া মামলা

    সম্প্রতি ট্রাম নিয়ে কলকাতা হাইকোর্টে একটি জনস্বার্থ মামলায় রাজ্য পরিবহণ দফতরের মন্ত্রী স্নেহাশীষ চক্রবর্তী জানিয়েছেন, গতির সঙ্গে তাল রাখতে গিয়ে শহরে একটি মাত্র রুট ছাড়া আর কোথাও ট্রাম চালানো হবে না। তাঁর যুক্তি, সবার ট্রামের প্রতি আবেগ থাকলেও রাস্তাকে যানজট মুক্ত করতেই শহরের বুকে আর ট্রাম চালানো যাবে না। ট্রাম গবেষক ও ট্রাম-প্রেমী ডক্টর দেবাশীষ ভট্টাচার্য জানান, বর্তমানে কলকাতা হাইকোর্টে ট্রাম নিয়ে দুটি মামলা চলছে। একটিতে, আদালতের তরফে বলা হয়েছিল যে, যতদিন পর্যন্ত এই মামলার শুনানি চলবে, ততদিন ট্রামের কোনও লাইনের উপরে পিচ ঢালা যাবে না ৷ কিন্তু, সম্প্রতি দেখা গিয়েছে কালিঘাট থেকে হাজরা মোড় পর্যন্ত পিচ ঢেলে ট্রাম লাইন বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। যা আদালত অবমাননার সামিল। 

    বিজেপি নেতার ট্যুইট

    ট্রাম (Kolkata Tram) বন্ধ হওয়ার পরে ডিপোর কাঠা-কাঠা জমির ভবিষ্যৎ কী হবে? এনিয়েও কেউ কেউ প্রশ্ন তুলছেন।  বিরোধীদের কটাক্ষ, শহরের ইতিহাসকে নষ্ট করতে উঠেপড়ে লেগেছে মমতা-সরকার। ট্রাম তুলে দিয়ে ফাঁকা ডিপোর জমিতে জমিয়ে প্রোমোটিংই লক্ষ্য এখন শাসক দলের। কারণ, এর আগেও ট্রামের জমিতে রসগোল্লা হাব এবং জামাকাপড়ের হাব হওয়ার কথা শোনা গিয়েছিল। গেরুয়া শিবিরের নেতা আইনজীবী তরুণজ্যোতি তেওয়ারি এ নিয়েই এক্স হ্যান্ডেলে একটি পোস্ট করেছেন এবং সেখানে লিখছেন, ‘‘ট্রাম ডিপোর জমিগুলি কাকে দেওয়া হবে সেটা ঠিক করে নিয়েছে তো তৃণমূল? একটা অজুহাত দেওয়া হবে জানি যে জনগণের স্বার্থে ডিপোর জায়গাগুলি কোনও না কোনও সংস্থাকে দেওয়া হবে। ঠিক যেমন সিইএসসি-কে দেওয়া হয়েছিল কোয়েস্ট মলের জায়গায়। গোয়েঙ্কাদের ব্যবসায়ী স্বার্থ চরিতার্থ হয় কিন্তু জনগণের কোন স্বার্থে লেগেছে সেটা আজও বুঝতে পারলাম না।’’

    রাজ্যের বিরুদ্ধে ক্ষোভ ক্যালকাটা ট্রাম ইউজার্স অ্যাসোসিয়েশনের

    ট্রামকে তুলে দেওয়ার এই গুপ্ত সরকারি প্রয়াসের বিরুদ্ধে সরব হয়েছেন অনেকে। তাঁদের অভিযোগ, একের পর এক ট্রাম কোম্পানির জমি নয় বিক্রি হচ্ছে, না হলে বিভিন্ন হাব তৈরি করতে অধিগ্রহণ করা হচ্ছে। কোথায় ব্রিজের ক্ষতি হওয়ার দোহাই দিয়ে উপড়ে ফেলা হচ্ছে ট্রামের ট্র্যাক। কখনও আবার অজুহাত দেওয়া হচ্ছে এই বলে যে, ট্রাম যানজটের সৃষ্টি করে বলে বন্ধ করা হয়েছে এর পরিষেবা। ক্ষোভ দেখা গিয়েছে ট্রাম ইউজার্স অ্যাসোসিয়েশনের থেকেও। ক্যালকাটা ট্রাম ইউজার্স অ্যাসোসিয়েশনের সদস্য সাগ্নিক গুপ্ত বলেন, ‘‘ট্রাম বন্ধ হয়ে যেতে পারে খবরটা ছড়িয়ে পড়ার পরেই সাধারণ মানুষ এমনকি যাঁরা কলকাতায় (Kolkata) থাকেন না, তাঁরাও অ্যাসোসিয়েশনের সঙ্গে যোগাযোগ করেছেন এবং তাঁরা তাঁদের ক্ষোভ উগড়ে দিয়েছেন। সবাই কলকাতা পুলিশ এবং কলকাতা কর্পোরেশনকেই দায়ী করছেন। যেমন, দুর্গাপুজো বা হাওড়া ব্রিজ- শহর কলকাতার একটা সিগনেচার, তেমনই ট্রামও (Kolkata Tram) কলকাতার সিগনেচার। আজ বিশ্বের সাড়ে চারশোটা শহরে রমরম করে ট্রাম চলছে। তারা তো অনেক উন্নত দেশ৷ তাহলে নিশ্চই পরিবহণ মাধ্যম হিসেবে ট্রামের উপকারিতা রয়েছে বলেই তারা চালাচ্ছে। অথচ কলকাতায় ট্রাম (Kolkata Tram) যা একটি পরিবেশ বান্ধব যান এবং এত কম খরচে শহরের এক প্রান্ত থেকে আরেক প্রান্তে যাত্রীদের পৌঁছে (Kolkata) দিচ্ছে, এর উপকারিতাগুলি কেন চোখে পড়ছে না রাজ্য পরিবহণ দফতরের?’’

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Bangladesh: পুজোর আগে ফের দুর্গার প্রতিমা ভাঙচুর বাংলাদেশে! গ্রেফতার মুসলিম যুবক

    Bangladesh: পুজোর আগে ফের দুর্গার প্রতিমা ভাঙচুর বাংলাদেশে! গ্রেফতার মুসলিম যুবক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশে (Bangladesh) অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান মহম্মদ ইউনূসের রাজত্বে হিন্দু নির্যাতন এখনও অব্যাহত। বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নামে হাসিনা সরকারের পতন ঘটার পর থেকে মৌলবাদী কট্টর মুসলমানদের আগ্রাসনের (Hindu torture) শিকার হচ্ছে সেদেশের হিন্দুরা। হাতে মাত্র আর কয়েকদিন বাকি দুর্গাপুজোর। ইতিমধ্যে দেশের নানা প্রান্ত থেকে বারবার হিন্দু মন্দির এবং দুর্গা মূর্তির ভাঙচুরের খবর উঠে আসছে। বুধবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ময়মনসিংহ জেলার গৌরীপুর শহরে একজন কট্টরপন্থী মুসলিম যুবক দেবী দুর্গা এবং অন্যান্য হিন্দু দেবতার মূর্তি ভাঙচুর করেছে। অভিযুক্তের নাম ইয়াসিন মিয়াঁ (২২)। বৃহস্পতিবার সকালে তাকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। উল্লেখ্য, সম্প্রতি ঢাকার উত্তরায় দুর্গাপুজো না করার দাবি নিয়ে জামাত শিবিরের সমর্থকরা বিরাট মিছিল করেছে রাজপথে। সেখানে হিন্দুদের উদ্দেশ্য করে চরম হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে। সামজিক মাধ্যমে এই ভিডিও ব্যাপকভাবে ভাইরাল হয়েছে। তার পরই এই হামলার খবর। ফলে, দুর্গাপুজো নিয়ে চরম আতঙ্কে রয়েছেন বাংলাদেশের হিন্দুরা।

    গোবিন্দজিউ মন্দিরে ঢুকে মূর্তি ভাঙচুর (Bangladesh)!

    স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, অভিযুক্ত ইয়াসিন মিয়াঁ বুধবার ভোররাতে গৌরীপুর (Bangladesh) শহরে গোবিন্দজিউ মন্দিরের প্রাঙ্গণে ঢুকে পড়ে। এরপর গত ২০ দিন ধরে যে দেবী দুর্গার মূর্তিগুলি তৈরি করা হচ্ছিল, তা নির্বিচারে ভাঙচুর করা হয়। মূর্তিগুলিকে ভাঙার সময় স্থানীয় ডলি রানী নামে এক হিন্দু মহিলা, এই অপকর্ম করতে দেখে ফেলেন। ঘটনাস্থলের দৃশ্য দেখে অত্যন্ত ভয় (Hindu torture) পেয়ে যান তিনি। খবর পেয়ে, অভিযুক্তকে ধরে ফেলেন দুই স্থানীয় অখিল চন্দ্র বিশ্বশর্মা এবং বিপুল ঘোষ। এরপর অভিযুক্তকে পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হয়।

    অভিযুক্ত মানসিক ‘প্রতিবন্ধী’-র তত্ত্ব!

    চলতি বছরের ৯ অক্টোবর থেকে হিন্দুদের দুর্গাপুজো শুরু হবে। গৌরীপুরের (Bangladesh) গোবিন্দজিউ মন্দিরে বড় করে দুর্গাপুজো হয়। এখানকার হিন্দুরা এই পুজোতে একত্রিত হন। ওই মন্দিরে মৃৎশিল্পীরা আরও একাধিক মূর্তি তৈরি করছিলেন। ইতিমধ্যে ধৃত মুসলিম ব্যক্তিকে এখন পুলিশ জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেছে। জানা গিয়েছে, আবদুর হান্নানের ছেলে ইয়াসিনের বাড়ি গৌরীপুর উপজেলার গজান্দার গ্রামে। তবে অভিযুক্তের মা মিনা আখতার দাবি করেছেন, ছেলে মানসিক প্রতিবন্ধী। উল্লেখ্য, যখনই মন্দির ভাঙা হয় আর অভিযুক্তদের ধরা হয়, তখনই প্রতিবন্ধী বা বিকারগ্রস্তের তত্ত্ব দিয়ে তাদের বাঁচানোর চেষ্টা করা হয়। এমনটাই স্থানীয় হিন্দুদের অভিযোগ। এ বিষয়ে কথা বলতে গিয়ে বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের (গৌরীপুর উপজেলা) সভাপতি বলেন, “নির্মীয়মাণ সব মাটির মূর্তিগুলিকেই কমবেশি ভাঙা হয়েছে। কেন এটা করা হল বুঝতে পারছি না। আমি আমার জীবনে এমন ঘটনা আগে দেখিনি। হিন্দুদের বিরুদ্ধে গভীর ষড়যন্ত্র (Hindu torture) চলছে।”

    আরও পড়ুনঃ রাষ্ট্রপুুঞ্জের নিরাপত্তা পরিষদে ভারতের স্থায়ী সদস্যপদের দাবিকে জোরালো সমর্থন ফ্রান্সের

    লাগাতার হিন্দুদের উপর হামলা

    বাংলাদেশের (Bangladesh) প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ক্ষমতাচ্যুত করার পর থেকে হিন্দু পরিবার থেকে শুরু করে মন্দির, দোকানপাট ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে অন্তত ২০৫টি হামলার ঘটনা ঘটেছে। খুলনা শহরের সোনাডাঙ্গা আবাসিক এলাকায় মিথ্যা অভিযোগে উৎসব মন্ডল নামে এক হিন্দু ছেলেকে উগ্র মুসলিম জনতা কীভাবে প্রায় পিটিয়ে মেরে ফেলেছিল (Hindu torture) সেই কথাও সংবাদ মাধ্যমে প্রকাশ্যে এসেছে। বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নামে কীভাবে মুসলিম ছাত্ররা ৬০ জনের বেশি হিন্দু শিক্ষক, অধ্যাপক এবং সরকারী কর্মকর্তাদের পদ থেকে পদত্যাগ করতে বাধ্য করা হয়েছে, সেই কথাও দেশের হিন্দু নির্যাতনের চিত্রকে স্পষ্ট করেছে।

    জামাত শিবিরে যোগ দিতে চাপ হিন্দুদের

    মানবাধিকার কর্মী এবং নির্বাসিত বাংলাদেশি ব্লগার আসাদ নূর সম্প্রতি জানান, হিন্দু সংখ্যালঘু সম্প্রদায়কে এখন ‘জামাতে ইসলামি’তে যোগ দিতে বাধ্য করা হচ্ছে। একই ভাবে হিন্দুদের উপর আক্রমণের ঘটনার কথা তুলে ধরে সামজিক মাধ্যমে সরব হয়েছেন বিশিষ্ট সাহিত্যিক তসলিমা নাসরিন। গত ৬ সেপ্টেম্বর, বাংলাদেশের চট্টগ্রাম শহরের কদম মোবারক এলাকায় গণেশের মূর্তি নিয়ে শোভাযাত্রার সময় হিন্দু ভক্তদের উপর হামলা করেছিল কট্টরপন্থীরা। একই ভাবে পুজো করতে গেলে পুজো উদ্যোগতাদের কাছে ৫ লক্ষ করে টাকার দাবিও করছে বিএনপি এবং জামাত শিবির। উল্লেখ্য কয়েক বছর চট্টগ্রাম, কুমিল্লা, যশোর, বরিশালের দুর্গাপুজোর উপর ব্যাপক ভাবে আক্রমণ করেছিল দুষ্কৃতীরা। ইসকনের একাধিক ভক্তকে হত্যা করার ঘটনাও ঘটানো হয়েছিল। রাজনৈতিক ভাবে অস্থির বাংলাদেশে সবথেকে বেশি নির্যাতনের শিকার হচ্ছেন কেবল মাত্র হিন্দুরা। অপর দিকে, সেনাবাহিনী এবং ইউনূস প্রশাসন এই বিষয়ে নির্বাক।  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Income Tax Rule: ১ অক্টোবর থেকে বদলে যাবে আয়করের একাধিক নিয়ম, জানেন তো?

    Income Tax Rule: ১ অক্টোবর থেকে বদলে যাবে আয়করের একাধিক নিয়ম, জানেন তো?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আগামী ১ অক্টোবর থেকে বদলে যাবে আয়কর (Income Tax Rule) সংক্রান্ত সমস্ত নিয়ম। শেয়ার বাজার ফিউচার ও অপশন ট্রেডিং সিকিউরিটিজ ট্রান্সাকশন ট্যাক্স, টিডিএস রেট সহ যাবতীয় আয়করের সমস্ত ক্ষেত্রে ‘বিবাদ সে বিশ্বাস ২০২৪’ স্কিমে বদল আনা হয়েছে। এই সংক্রান্ত পরবর্তী মাস থেকে কার্যকর হবে। কোন কোন ক্ষেত্রে কী কী পরিবর্তন হচ্ছে জেনে নেওয়া প্রয়োজন।

    শেয়ার বাজার ফিউচার করে বদল (Income Tax Rule)

    উল্লেখ্য ২০২৪-২৫ অর্থবর্ষের জন্য পূর্ণাঙ্গ বাজেট সংসদে পেশ করেছিলেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন। সেখানে আয়কর (Income Tax Rule) বিষয়ে বেশ কিছু নিয়ম বদলের কথা জানিয়েছেন তিনি। এবার তা কার্যকর হতে চলেছে। নির্মলা জানিয়েছিলেন, শেয়ার বাজার ফিউচার ও অপশন ট্রেডিং সিকিউরিটিজ ট্রান্সাকশন ট্যাক্স (এসটিটি) দিতে হয় যাঁদের, তাঁদের ট্যাক্স রেটে বদল আসছে। এত দিন পর্যন্ত ০.১ শতাংশ এসটিটি নেওয়া হত, এখন থেকে ০.২ শতাংশ করা হয়েছে। ফলে ট্রেডার ডেরিভেটিভ বাজার ট্রেড করার জন্য আরও বেশি করে কর দিতে হবে। সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ বোর্ড অফ ইন্ডিয়া (SEBI) বোনাস শেয়ারের লেনদেনকে বৃদ্ধি করার জন্য একটি নতুন কাঠামো বাস্তবায়ন করেছে। শেয়ার বাইব্যাকের ক্ষেত্রে শেয়ারহোল্ডারদের শেয়ার সারেন্ডার করলে যে লাভ হত, তার উপর এখন থেকে ট্যাক্স দিতে হবে। শেয়ার কেনা বা বিনিয়োগ করার ক্ষেত্রে খরচের বিষয়কে সমানে রেখে মূলধনের লাভ-ক্ষতি গণনা করা হবে। এর ফলে যাঁরা বিনিয়োগ করবেন, তাঁদের উপর কর বৃদ্ধি হবে।

    ফ্লোটিং রেট বন্ড টিডিএস

    বাজেট ঘোষণা করে বলা হয়েছিল, কেন্দ্র বা রাজ্যের বন্ড বা ফ্লোটিং রেটে ১০ শতাংশ হারে টিডিএস দিতে হবে। এই পরিবর্তনের মধ্যে বন্ডে বিনিয়োগ থেকে ১০ হাজার টাকার বেশি আয় হলে ১০ শতাংশ হারে টিডিএস (Income Tax Rule) দিতে হবে। তবে আয় ১০ হাজার টাকার কম হলে কোনও টিডিএস দিতে হবে না। একই ভাবে টিডিএস রেটে বদলের ক্ষেত্রেও কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী ঘোষণা করেছিলেন। আয়করের ১৯ ডিএ, ১৯৪ এইচ, ১৯৪-১ বি, ১৯৪ এম ধারার অধীনে টিডিএস-এর হার ৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে ২ শতাংশ করা হয়েছে। একই ভাবে ই-কমার্স অপারেটারদের জন্য টিডিএস-এর হার ১ শতাংশ থেকে কমিয়ে ০.১ শতাংশ করা হয়েছে। সিবিডিটি ঘোষণা করেছে, আয়কর সম্পর্কিত মুলতুবি মামলা নিষ্পত্তির জন্য ‘বিবাদ সে বিশ্বাস ২০২৪’ নামে প্রকল্প চালু হবে।

    আধারে পরিবর্তন

    প্যান কার্ডের (Income Tax Rule) অপব্যবহার এবং ডুপ্লিকেশন রোধ করার জন্য আয়কর রিটার্ন জমা দেওয়ার ক্ষেত্রে বা প্যানের জন্য আবেদন সময় আধার নম্বরের বদলে আধার এনরোলমেন্ট নম্বর দেওয়ার নিয়ম আর কার্যকর থাকবে না। আগামী ১ অক্টোবর, ২০২৪ থেকে প্যান-এর জন্য আবেদন করার সময় বা আয়কর রিটার্ন দাখিল করার সময় আধার তালিকাভুক্তি আইডি ব্যবহার করার অনুমতি দেওয়া হবে না।

    টিকিটবিহীন যাত্রীদের জন্য ড্রাইভ

    ভারতীয় রেল টিকিটবিহীন যাত্রীদের বিরুদ্ধে একটি বিশেষ ড্রাইভ চালু করবে। অতিরিক্ত ভিড়ের জন্য উৎসবের সপ্তাহগুলিতে যাত্রীদের চাহিদা পূরণ করতে এই ব্যবস্থা করা হবে। বিনা টিকিটে ভ্রমণ রোধ করতে এবং কঠোর টিকিট-চেকিং পদ্ধতি প্রয়োগ করতে এই উদ্যোগটি চালু করছে ভারতীয় রেল। ফলে যাত্রীদের টিকিট না কাটার প্রবণতাকে অনেকটাই রোখা যাবে বলে মনে করা হচ্ছে। ফলে সরকারের আয় (Income Tax Rule) বৃদ্ধি হবে।

    আরও পড়ুনঃ পুজোর আগে খুশির খবর, অসংগঠিত ক্ষেত্রে শ্রমিকদের ন্যূনতম পারিশ্রমিক বাড়াল কেন্দ্র

    সুকন্যা সমৃদ্ধি অ্যাকাউন্ট সচল হবে (National Small Savings)

    কেন্দ্রীয় অর্থ দফতর পোস্ট অফিসের মাধ্যমে জাতীয় ক্ষুদ্র সঞ্চয় স্কিমের (এনএসএস) অধীনে ত্রুটিপূর্ণ ভাবে খোলা অ্যাকাউন্টগুলিকে ঠিক করার জন্য নির্দেশিকা জারি করেছে। ত্রুটিযুক্ত অ্যাকাউন্টগুলি ত্রুটিমুক্ত করার জন্য সংশ্লিষ্ট দফতরের কাছে এই বিষয়ে তথ্য জমা দিতে হবে। এনএসএস অ্যাকাউন্ট (National Small Savings), অপ্রাপ্তবয়স্কদের নামে খোলা পিপিএফ অ্যাকাউন্ট, একাধিক পিপিএফ অ্যাকাউন্ট, এনআরআইদের দ্বারা পিপিএফ অ্যাকাউন্টের এক্সটেনশন সহ ছয়টি মূল বিভাগের জন্য নির্দিষ্ট নির্দেশিকা তৈরি করা হয়েছে। বাবা-মা অভিভাবকদের পরিবর্তে অন্য কোনও ব্যক্তির দ্বারা খোলা সুকন্যা সমৃদ্ধি অ্যাকাউন্ট (SSA) সচল করা হবে। ফলে সরকারের কর (Income Tax Rule) গ্রহণে স্বচ্ছতা আসবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • JP Nadda: ‘‘ছদ্ম-মাওবাদীদের মুখপাত্র হয়ে উঠেছে কংগ্রেস, ফেরাতে চায় ৩৭০ ধারা’’, তোপ নাড্ডার

    JP Nadda: ‘‘ছদ্ম-মাওবাদীদের মুখপাত্র হয়ে উঠেছে কংগ্রেস, ফেরাতে চায় ৩৭০ ধারা’’, তোপ নাড্ডার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ছদ্ম-মাওবাদীদের মুখপাত্রের মতো কাজ করছে কংগ্রেস (Congress)। গতকাল বৃহস্পতিবার ঠিক এই ভাষাতেই শতাব্দী-প্রাচীন দলটিকে আক্রমণ করলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী তথা বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডা (JP Nadda)। প্রসঙ্গত, গতকালই জেপি নাড্ডা হাজির ছিলেন ওড়িশায় এবং সেখানেই তিনি কংগ্রেস এবং ন্যাশনাল কনফারেন্সকে তীব্র ভাষায় আক্রমণ শানান। তিনি বলেন, ‘‘তারা (কংগ্রেস) আবার ৩৭০ ধারাকে নতুন করে ফিরিয়ে আনার দাবি তুলছে। তার মানে তারা বলতে চাইছে, দেশে দুটি সংবিধান থাকা উচিত।’’

    ৩৭০ ধারা বিলোপের দাবিতে আন্দোলন শুরু ১৯৫২-৫৩ সালে, সফল হয়েছে  ২০১৯ সালে

    প্রসঙ্গত, জেপি নাড্ডা (JP Nadda) তাঁর ভাষণে বলেন, ‘‘কংগ্রেস (Congress) ছদ্ম-মাওবাদীদের মুখপাত্র হয়ে গিয়েছে। তাদের মধ্যে জাতীয়তাবাদের বিন্দুমাত্র অস্তিত্ব নেই। তারা সেই সমস্ত দলের সঙ্গে জোট করছে, যারা জম্মু-কাশ্মীরে ৩৭০ ধারাকে ফিরিয়ে আনতে চায়। কিন্তু আপনারা বিজেপির দিকে তাকিয়ে দেখুন। বিজেপিই হল একমাত্র জাতীয়তাবাদী দল। ১৯৫২ সালে নির্বাচনে ভারতীয় জনসঙ্ঘ বলেছিল যে দেশে দুটি সংবিধান থাকা উচিত নয় এবং ঠিক এই কারণে শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় নিজের জীবন পর্যন্ত উৎসর্গ করেছিলেন। ৩৭০ ধারা বিলোপের দাবিতে আমরা আন্দোলন শুরু করেছিলাম ১৯৫২-৫৩ সালে,  তা সফল হয়েছে  ২০১৯ সালে নরেন্দ্র মোদির সুযোগ্য নেতৃত্বের কারণেই।’’ 

    বিজেপি হল একমাত্র দল যারা গণতন্ত্র ও জাতীয়তাবাদের কথা বলে

    তিনি (JP Nadda) আরও বলেন, ‘‘শুধুমাত্র ৩৭০ ধারার কারণেই ভারতের অজস্র আইন জম্মু-কাশ্মীরে প্রযোজ্য হত না। সেখানকার তপশিলি জাতি এবং বাল্মিকী সম্প্রদায় সংরক্ষণও পেত না। পাকিস্তান থেকে আসা উদ্বাস্তু মনমোহন সিং দেশের প্রধানমন্ত্রী হতে পেরেছেন। পাকিস্তানের করাচি থেকে আসা উদ্বাস্তু লালকৃষ্ণ আডবাণী দেশের উপ-প্রধানমন্ত্রী হতে পেরেছেন। কিন্তু পাকিস্তান থেকে আসা কোনও উদ্বাস্তু জম্মু-কাশ্মীরে এতদিন ভোট পর্যন্ত দিতে পারতেন না। এই প্রথমবার, তাঁরা জীবনে প্রথম ভোটদান করছেন।’’ তিনি (JP Nadda) আরও বলেন, ‘‘দেশে সর্বমোট ৫ হাজারেরও বেশি রাজনৈতিক দল রয়েছে, যার মধ্যে ৫০টি সক্রিয় রাজনৈতিক দল। কিন্তু বিজেপি হল একমাত্র দল যারা গণতন্ত্র ও জাতীয়তাবাদের কথা বলে এবং আদর্শবাদী দল।’’

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • RG Kar: জুনিয়র ডাক্তারদের নয়া সাত দফা দাবিতে নেই ‘নির্যাতিতার বিচার’, উঠছে একাধিক প্রশ্ন

    RG Kar: জুনিয়র ডাক্তারদের নয়া সাত দফা দাবিতে নেই ‘নির্যাতিতার বিচার’, উঠছে একাধিক প্রশ্ন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জুনিয়র ডাক্তারদের (Junior Doctor) নয়া সাত দফা দাবিতে কোথাও উল্লেখ নেই আরজি করের (RG Kar) নির্যাতিতার বিচার! এখানেই উঠছে প্রশ্ন। কেউ কেউ বলছেন, ‘‘তবে কি জুনিয়র ডাক্তাররা ধরেই নিয়েছেন যে নির্যাতিতা বিচার পেয়ে গিয়েছেন?’’ অনেকে আবার বলছেন, ‘‘প্রথম থেকে লাইভ স্ট্রিমিংয়ের দাবিতে অনড় থাকা জুনিয়র ডাক্তাররা কোনও অদৃশ্য মায়াজালে আবদ্ধ হয়ে সরাসরি সম্প্রচার ছাড়াই রাজ্যের সঙ্গে বৈঠক করেন। সেই মায়াজালই কি সাত দফা দাবি থেকে উধাও করে দিল নির্যাতিতার বিচার?’’ সেই মায়াজালই কি তাঁদের উস্কানি দিল বিজেপিকে আক্রমণ করতে! কারণ নজিরবিহীনভাবে জুনিয়র ডাক্তাররা আক্রমণ শানিয়েছেন বিজেপিকে। সাংবাদিক সম্মেলনে তাঁদের দাবি, কোনও রাজনৈতিক দলকে তাঁরা সংকীর্ণ স্বার্থে এই আন্দোলন (RG Kar) ব্যবহার করতে দেবেন না। এখানেও একাধিক প্রশ্ন উঠছে।

    ব্যাপক জন আন্দোলনকে,  জুনিয়র ডাক্তারদের সংকীর্ণ প্রতিবাদে পরিণত করার চেষ্টা! 

    আরজি কর (RG Kar) কাণ্ডে যেভাবে উত্তাল হয়েছে বাংলা, সর্বস্তরের মানুষ দলমত নির্বিশেষে (তৃণমূল বাদে) রাস্তায় নেমেছেন, তাতে জন আন্দোলনে পরিণত হয়েছে আরজি কর কাণ্ড। সেখানে এই আন্দোলনকে শুধুমাত্র কি জুনিয়র ডাক্তারদের আন্দোলন বলা যায়? জুনিয়র ডাক্তারদের (Junior Doctor) মুখে আরও শোনা গিয়েছে, ‘‘হাথরস, কাঠুয়া, উন্নাওতে যাঁরা ধর্ষকদের মালা পরিয়েছেন, তাঁরাই এ রাজ্যে ক্ষমতা দখলের জন্য আরজি কর (RG Kar) আন্দোলনকে ব্যবহার করতে চাইছেন।’’ কিন্তু কবে কোন বিজেপি নেতা কোথায় ধর্ষকদের মালা পরিয়েছেন তার ছবি-প্রমাণ কিছু দেখাতে পারেননি জুনিয়র ডাক্তাররা। ধর্ষকদের মালা পরানোর মিথ্যাচার তাঁরা করলেও বিজেপি শাসিত রাজ্যে যৌন নিগ্রহকাণ্ডে অভিযুক্তকে এনকাউন্টার করার বিষয়টি তাঁরা সুকৌশলে এড়িয়ে গিয়েছেন। তাঁদের সাংবাদিক বৈঠকে কামদুনি-হাঁসখালি-কালিয়াগঞ্জ কাণ্ড একবারের জন্যও উঠে আসেনি! কারণ কি সেই মায়াজাল? একাধিক প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছে এভাবেই। ব্যাপক জন আন্দোলনকে, জুনিয়র ডাক্তারদের সংকীর্ণ প্রতিবাদে পরিণত করার লক্ষ্য়েই কি তাঁরা এতকিছু করছেন? এমন প্রশ্নও উঠছে।

    জুনিয়র ডাক্তারদের সাতটি দাবি

    ১. সরকারি হাসপাতালে থ্রেট কালচারের জড়িতদের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য কেন্দ্রীয় স্তরে অনুসন্ধান কমিটি গঠন।

    ২. প্রতিটি মেডিক্যাল কলেজে ডাক্তারির স্নাতক পড়ুয়া এবং আবাসিক ডাক্তারদের নিয়ে অভ্যন্তরীণ অনুসন্ধান কমিটি গঠন।

    ৩. মেডিক্যাল কলেজগুলিতে গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে নির্বাচনের আয়োজন করা।

    ৪.  যে সকল ব্যক্তির বিরুদ্ধে থ্রেট কালচারকে প্রশ্রয় দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে, তাঁদের বিরুদ্ধে রাজ্যের অনুসন্ধান কমিটি গঠন।

    ৫.সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ মোতাবেক প্রতিটি মেডিক্যাল কলেজে জুনিয়র ডাক্তার, সিনিয়র ডাক্তার, নার্সিং এবং অন্য স্বাস্থ্যকর্মীদের প্রতিনিধিদের নিয়ে টাস্ক ফোর্স কিংবা নজরদারি কমিটি গঠন।

    ৬. কলেজ কাউন্সিল, অভ্যন্তরীণ কমিটি, রোগী কল্যাণ সমিতি, র‌্যাগিং প্রতিরোধ কমিটিকে সাতদিনের ভিতর সক্রিয় করা। এরপাশাপাশি এই কমিটিগুলিতে জুনিয়র ডাক্তার, সিনিয়র ডাক্তার, নার্স এবং অন্য স্বাস্থ্যকর্মীদের প্রতিনিধিত্ব রাখা।

    ৭. সার্ভিস রুল অনুযায়ী চিকিৎসক এবং স্বাস্থ্যকর্মীদের জন্য স্বচ্ছ এবং যথাযথ বদলি নীতি কার্যকর করা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • PM Modi: কলকাতাকে ‘পরম রুদ্র সুপার কম্পিউটার’ উপহার মোদির, সহজ হবে জটিল গবেষণা

    PM Modi: কলকাতাকে ‘পরম রুদ্র সুপার কম্পিউটার’ উপহার মোদির, সহজ হবে জটিল গবেষণা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (PM Modi) কাছ থেকে পরম রুদ্র সুপার কম্পিউটার উপহার পেল কলকাতা। একই ধরনের সুপার কম্পিউটার দেওয়া হয়েছে পুণে এবং দিল্লিতেও। জানা গিয়েছে, জাতীয় সুপার কম্পিউটিং মিশনের আওতায় ১৩০ কোটি টাকা খরচে এই তিনটি সুপার কম্পিউটার তৈরি করা হয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার ২৬ সেপ্টেম্বর এই তিনটি সুপার কম্পিউটার উন্মোচন করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এই কম্পিউটারগুলি বৈজ্ঞানিক গবেষণাকে আরও এগিয়ে নিয়ে যাবে। জানা যাচ্ছে, কলকাতার সত্যেন্দ্রনাথ বোস সেন্টারে পরম রুদ্র কম্পিউটার ব্যবহার করে পদার্থবিদ্যা, সৃষ্টিতত্ত্ব সমেত অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে গবেষণা চালানো হবে। এদিন একইসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি আবহাওয়া এবং জলবায়ু গবেষণায় সাহায্যকারী হাই পারফরম্যান্স কম্পিউটিং সিস্টেমেরও উদ্বোধন করেন। এই প্রকল্পে বিনিয়োগ করা হয়েছে ৮৫০ কোটি টাকা।

    কী বললেন প্রধানমন্ত্রী (PM Modi)?

    বৃহস্পতিবার সুপার কম্পিউটারগুলি লঞ্চ করার সময়, প্রধানমন্ত্রী মোদি (PM Modi) বলেন, ‘‘বিজ্ঞান, প্রযুক্তি এবং গবেষণার ক্ষেত্রে এটা ভারতের জন্য এক উল্লেখযোগ্য দিন। বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির উপর জোর দিচ্ছে ভারত। আমাদের ইঞ্জিনিয়ার এবং বিজ্ঞানীরা সফলভাবে তিনটি পরম রুদ্র সুপারকম্পিউটার তৈরি করেছেন। এখন কলকাতা, দিল্লি এবং পুনেতে এগুলিকে মোতায়েন করা হয়েছে। আমি (PM Modi) এই কৃতিত্বের জন্য সমস্ত ভারতীয়দের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাই এবং এটি ভারতের যুবদের উৎসর্গ করছি। তারা দেশীয় কম্পিউটিং প্রযুক্তির অগ্রগতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।’’

    কী কী কাজ করবে এই সুপার কম্পিউটার (PM Modi)

    বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, পরম রুদ্র সিস্টেমগুলি (Param Rudra Supercomputers) অত্যাধুনিক হার্ডওয়্যার এবং সফ্টওয়্যার দ্বারা তৈরি করা হয়েছে। এই প্রকল্পের বেশিরভাগ সরঞ্জাম ভারতেই তৈরি করা হয়েছে বলে জানা যাচ্ছে। হাই-স্পিড কম্পিউটেশন এবং সিমুলেশনের জন্য এই সুপার কম্পিউটারগুলিকে নকশা করা হয়েছে। জানা যাচ্ছে, আবহাওয়ার পূর্বাভাস থেকে জলবায়ুর মডেল তৈরি, রাসায়নিক আবিষ্কার, পদার্থ বিজ্ঞান, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা— একাধিক বিষয়ে গবেষণা চালাতে সক্ষম হবে এই কম্পিউটারগুলি। শুধু তাই নয়, গবেষকদের যে কোনও জটিল সমস্যা সমাধান করতে সাহায্য করবে এই কম্পিউটারগুলি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • RG Kar: শুক্রবার ডাক্তারদের গণ কনভেনশন, আমন্ত্রিত বিশিষ্টরা, তৈরি হবে আগামী আন্দোলনের রূপরেখা

    RG Kar: শুক্রবার ডাক্তারদের গণ কনভেনশন, আমন্ত্রিত বিশিষ্টরা, তৈরি হবে আগামী আন্দোলনের রূপরেখা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি কর (RG Kar) কাণ্ডের বিচার, ডাক্তারদের নিরাপত্তা সহ আন্দোলনের আগামী পরিকল্পনা ঠিক করতে, শুক্রবার একটি গণ কনভেনশন করছেন জুনিয়র ডাক্তাররা (WBJDF)। জানা গিয়েছে, এসএসকেএম হাসপাতালের অডিটোরিয়ামেই এই কর্মসূচি আয়োজিত হচ্ছে। শুক্রবার বিকাল ৪টে থেকে শুরু হবে এই কর্মসূচি। সূত্র মারফত জানা গিয়েছে, গণ কনভেনশনের আলোচ্যসূচি কী কী হবে, তা নিয়ে একপ্রস্থ আলোচনাও সেরে ফেলেছেন ডাক্তাররা। আন্দোলনরত জুনিয়র ডাক্তারদের মারফত জানা গিয়েছে, আগামী দিনের কর্মসূচি স্থির করার পাশাপাশি হাসপাতালে হাসপাতালে থ্রেট কালচার নিয়েও কথা হবে শুক্রবারের কর্মসূচিতে। ইতিমধ্যে আন্দোলনের গুঁতোয় মমতা সরকারের তরফে পাওয়া প্রতিশ্রুতিগুলি কতটা কার্যকর হয়েছে, তাও দেখবেন জুনিয়র ডাক্তাররা।

    আন্দোলনে (RG Kar) বাধা দেওয়া নিয়েও আলোচনা

    প্রসঙ্গত, জুনিয়র ডাক্তারদের (WBJDF) আন্দোলনে প্রথম থেকেই বাধা দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে শাসক দলের বিরুদ্ধে। অগাস্ট মাসে ধর্ষণ-খুনের ঘটনার পরেই হামলা চালানো হয় আরজি করে। প্রতিবাদ কর্মসূচিতে বারবার বাধা দেওয়ার যে অভিযোগ উঠছে, সে বিষয়টিও উঠে আসতে পারে আলোচনায়। প্রসঙ্গত, আরজি করকাণ্ডের প্রতিবাদে বুধবার কলকাতার একটি মলে কর্মসূচি করার কথা ছিল এসএসকেএমের জুনিয়র ডাক্তারদের (RG Kar)। কিন্তু অভ্যন্তরীণ কারণ দেখিয়ে তাঁদের সেই কর্মসূচি করতে দেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ। শুধু তাই নয়, জুনিয়র ডাক্তারেরা দাবি করেছেন, তাঁদের বলা হয়েছে, “আপনাদের প্রতিবাদ তো বন্ধ হয়ে গিয়েছে। তা হলে এখনও কেন এই সব ভিত্তিহীন কর্মসূচি চালিয়ে যাচ্ছেন?”

    ২৩টি সরকারি মেডিক্যাল কলেজ থেকেই প্রতিনিধিরা থাকবেন

    জানা গিয়েছে, রাজ্যের ২৩টি সরকারি মেডিক্যাল কলেজের জুনিয়র ডাক্তারদের মঞ্চ ওয়েস্ট বেঙ্গল জুনিয়র ডক্টর্‌স ফ্রন্টের প্রতিনিধিরা থাকবেন এই কনভেনশনে। পাশাপাশি যে সমস্ত বিশিষ্টজনেরা শুরু থেকে আন্দোলনের পাশে থেকেছেন, তাঁদেরকেও আমন্ত্রণ জানানো হবে বলে জানিয়েছেন জুনিয়র ডাক্তাররা। নাগরিক সমাজের ‘সমমনস্ক’ মানুষদের আমন্ত্রণ জানানো হবে বলে জানা গিয়েছে। এ ছাড়া কয়েকজন সিনিয়র ডাক্তারকেও আমন্ত্রণ জানানো হবে বলে জানা গিয়েছে। সব মিলিয়ে  ২৫-৩০ জন অতিথিকে আমন্ত্রণ জানানো হতে পারে বলে জানা যাচ্ছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Tiljala Murder: ৭ বছরের শিশুকে ধর্ষণ করে খুন, তিলজলাকাণ্ডে অভিযুক্তকে ফাঁসির সাজা শোনাল আদালত

    Tiljala Murder: ৭ বছরের শিশুকে ধর্ষণ করে খুন, তিলজলাকাণ্ডে অভিযুক্তকে ফাঁসির সাজা শোনাল আদালত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তিলজলায় (Tiljala Murder) সাত বছরের শিশুকে যৌন নির্যাতন করে খুন করার ঘটনায়, দেড় বছর আগে উত্তাল হয়েছিল বাংলা। নৃশংস এই ঘটনাকে বিরলের মধ্যে বিরলতম আখ্যা দিয়ে অভিযুক্তকে ফাঁসির সাজা শোনাল আদালত। মামলার শুনানি চলাকালীন মোট ৪৫ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করে আদালত (Alipore court)। বৃহস্পতিবার আলিপুরের বিশেষ পকসো আদালতে ওই মামলার রায় ঘোষণা করা হয়েছে। প্রসঙ্গত, ২০২৩ সালের ২৬ মার্চ তিলজলায় এই ঘটনা ঘটেছিল। ওই দিন সকালেই শিশুটি একতলায় ময়লা ফেলতে নেমেছিল। তার পর থেকে শিশুটি নিখোঁজ হয়ে যায়। পরে ওই আবাসনের তিনতলার একটি ফ্ল্যাট থেকে শিশুটির দেহ উদ্ধার করে পুলিশ। গ্যাস সিলিন্ডারের পাশে বস্তায় শিশুটির দেহ রাখা ছিল।

    কী বলল আদালত (Tiljala Murder)?

    তদন্তে উঠে আসে, নিজের যৌন লালসার জন্য জোর করে অভিযুক্ত ঘরে ঢোকায় শিশুটিকে। দেওয়ালে মাথা ঠুকে, দু’ ধরনের হাতুড়ি ব্যবহার করে মৃত্যু নিশ্চিত করা হয়। অভিযুক্তের উদ্দেশে বিচারক বলেন, ‘‘আপনি নিষ্ঠুরতম কাজ করেছেন, নিজের বিকৃত লালসা মিটিয়েছেন। আপনি একজন ডেলিভারি বয়। আপনারা গায়ে অনেক শক্তি। আপনি এক অসহায় বাচ্চার সঙ্গে যা করেছেন, তা প্রতিরোধ করার ক্ষমতা নেই। আপনি অমানবিক, নিষ্ঠুর কাজ করেছেন, এই ধরনের অপরাধ খুব একটা দেখা যায় না। আপনারা উদ্দেশ্য ছিল, অপরাধ করে পালিয়ে যাওয়া। আপনাকে সংশোধনাগারে পাঠিয়ে সংশোধন করা যাবে না। এই অপরাধ (Tiljala Murder) বিরল নয়, বিরলতম, সাংঘাতিক ও নিষ্ঠুর হত্যাকাণ্ড।’’

    কী বললেন সরকারি আইনজীবী

    সরকারি আইনজীবী মাধবী ঘোষ মাইতি বলেন, ‘‘বড়দের কারও সঙ্গে নির্যাতনের (Tiljala Murder) ঘটনা ঘটলে অনেকে তাঁর পোশাক বা চরিত্রের দিকে আঙুল তোলেন। এটা তো সাত বছরের একটা ফুটফুটে মেয়ে! তার খেলা করার বয়স। তাকে এমন নৃশংস ভাবে হত্যা করা হয়েছে। মুখ চেপে ওকে ঘরের মধ্যে ঢুকিয়ে নেওয়া হয়েছিল। সেখানে ধর্ষণ করা হয়। মেয়েটির বাঁচার অদম্য ইচ্ছা ছিল। সে আসামির হাতে কামড়ে দিয়েছিল। পালানোর জন্য ছটফট করেছিল। কিন্তু অত বড় মানুষের সঙ্গে সে পেরে ওঠেনি। তাই এটা বিরলের মধ্যে বিরলতম ঘটনা।’’ 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ। 

LinkedIn
Share