Tag: news in bengali

news in bengali

  • Sheikh Shahjahan: চিংড়ি ব্যবসার আড়ালে ১৩৭ কোটি কালো টাকা সাদা করেছে শাহজাহান!

    Sheikh Shahjahan: চিংড়ি ব্যবসার আড়ালে ১৩৭ কোটি কালো টাকা সাদা করেছে শাহজাহান!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তৃণমূলের নেতা হওয়ার সুবাদে একের এক অন্যায় করে চলেছিল সন্দেশখালির শেখ শাহজাহান (Sheikh Shahjahan)। মাথায় দলীয় নেতার আশীর্বাদী হাত থাকায় ক্রমেই বেপরোয়া হয়ে উঠেছিল তৃণমূলের এই ‘বাদশা’। তদন্তকারীরা জেনেছেন, চিংড়ি মাছের ব্যবসার আড়ালে ১৩৭ কোটি কালো টাকা সাদা করেছে শাহজাহান। সেই টাকা লেনদেনের নথিও সংগ্রহ করেছে ইডি।

    একের পর এক অনৈতিক কাজ!

    জমি দখল, ভেড়ি দখলের মতো কাজও করে শাহজাহান লুটেছিল কোটি কোটি টাকা। শাহজাহান (Sheikh Shahjahan) নিয়ন্ত্রিত এসকে সাবিনা ফিশারিজ সংস্থায় ১০৪ কোটি টাকা ঢুকেছিল ম্যাগনাম এক্সপোর্টসের মাধ্যমে। অনুপ কুমার সোম নামে এক ব্যবসায়ীর কাছ থেকে গত অর্থবর্ষে শাহজাহানের অ্যাকাউন্টে ঢুকেছিল ৩৩ কোটি টাকা। তদন্তকারীরা জেনেছেন, শাহজাহানের চিংড়ি মাছের ব্যবসার প্রায় ৪০ শতাংশ মাছের জোগান আসত অন্যের দখল করা ভেড়ি থেকে। তাঁর নিজের ভেড়ি থেকে আসত ১০ শতাংশ মাছ। আর বাকি ৫০ শতাংশ মাছ শাহজাহান কিনতেন স্থানীয় মাছ ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে।

    মাছ ব্যবসায়ীদের হুমকি দিত শাহজাহান!

    এলাকায় শাহজাহান (Sheikh Shahjahan) যে একছত্র অধিপতি হতে চেয়েছিলেন, তারও প্রমাণ পেয়েছেন তদন্তকারীরা। তাঁরা জেনেছেন, উনিশ সালে স্থানীয় চিংড়ি ব্যবসায়ীদের নিয়ে মিটিং করেন শাহজাহান। সেখানে তাঁদের হুমকি দিয়ে রাখে শাহজাহানের শাগরেদরা। জানিয়ে দেয়, তাঁদের সব মাছ বিক্রি করতে হবে তৃণমূল নেতা (অধুনা বহিষ্কৃত) শাহজাহানকে। অন্যত্র মাছ বিক্রি করলে ব্যবসা বন্ধ করে দেওয়া হবে বলেও হুমকি দেয় শাহজাহান। প্রাণভয়ে শাহজাহানের ঠিক করে দরেই তাকে মাছ বিক্রি করতেন চিংড়ি ব্যবসায়ীরা। ইডি শাহজাহান ঘনিষ্ঠ অন্তত ২০ জনের নাম জানতে পেরেছে, যারা দখল করা ভেড়ির মালিক। তারা সমস্ত চিংড়ি বিক্রি করত শাহজাহানকে। মাছ বিক্রির টাকা পৌঁছে যেত শাহজাহানের দুই ভাই এবং শাগরেদ উত্তম সর্দার ও শিবু হাজরাদের অ্যাকাউন্টে।

    আরও পড়ুুন: “আপনার বাড়ির নাম যদি বদলে দিই, বাড়িটা আমার হয়ে যাবে?”, চিনকে তোপ জয়শঙ্করের

    শাহজাহানের নির্দেশে সেই টাকা ব্যবহার করা হত জমি কিনতে কিংবা অন্য কোনও কাজে। জমি কেনা হত আবু সিদ্দিকি হাফিজিয়া ট্রাস্টের নামে। এই ট্রাস্টটি শাহজাহানের বাবার নামে। জমি দখলের কালো টাকা সাদা করা হয়েছে ওই ট্রাস্টের মাধ্যমে। সোমবার আদালতে ইডির আইনজীবী বলেন, “জমি দখলের কালো টাকা চিংড়ি ব্যবসার লেনদেন হিসেবে দেখানো হত। সেই ব্যবসা শাহজাহানের (Sheikh Shahjahan) মেয়ে শেখ সাবিনার নামে।” ইডির দাবি, চিংড়ি কেনাবেচা করে নয়ছয় করা হয়েছে দুর্নীতির টাকা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

     
  • Birbhum BJP Candidate: তারাপীঠে পুজো দিয়ে ভোটের ময়দানে নামলেন বিজেপি প্রার্থী প্রাক্তন আইপিএস

    Birbhum BJP Candidate: তারাপীঠে পুজো দিয়ে ভোটের ময়দানে নামলেন বিজেপি প্রার্থী প্রাক্তন আইপিএস

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তারাপীঠে পুজো দিয়ে নির্বাচনী প্রচারে নামলেন বীরভূমের (Birbhum) বিজেপি প্রার্থী দেবাশিস ধর (Debasis Dhar)। তাঁর লড়াই তিন বারের তৃণমূল সাংসদ শতাব্দী রায়ের (Satabdi Ray) বিরুদ্ধে। শীতলকুচির (Sitalkuchi) ঘটনা বদলে দিয়েছে এই পুলিশ অফিসারের জীবন। জানা গিয়েছে, তাঁর অজান্তেই গুলি চলে ছিল। এরপর ঘটনায় অভিযুক্ত করে তাঁকে সাসপেন্ড এবং জেরা করা হয়। তারপরেই তিনি বিজেপিতে যোগদান করেন। তবে এই বিজেপি প্রার্থীর (BJP Candidate) তৃণমূলের বিরুদ্ধে অভিযোগ করে বলেন, “বীরভূমে কোনও কাজ করেননি তিন বারের সাংসদ শতাব্দী রায়। রাজ্যের পুলিশ মন্ত্রী আগে ভাগে পদক্ষেপ নিলে বীরভূম নিয়ে এত অভিযোগ উঠত না।”

    কী বললেন দেবাশীষ ধর?

    লোকসভা নির্বাচনী প্রচারে বেরিয়ে এদিন দুর্নীতি নিয়েও রাজ্যকে কটাক্ষ করেন দেবাশিস ধর। তিনি তৃণমূলকে আক্রমণ করে বলেন, “রাজ্য চুরিতে এমন রেকর্ড করে বসে আছে যে আগামী ১০০ বছরে এই রেকর্ড ভাঙা সম্ভব হবে না। রাজ্যে বিজেপি ক্ষমতায় না এলে উন্নয়ন সম্ভব নয়। শীতলকুচির ঘটনার জন্য অনেক মানসিক পরিবর্তন হয়েছে। ওই ঘটনার পর যা হয়েছে তা যদি না ঘটত তাহলে ডিআইজি হতাম, প্রার্থী হতাম না। ২০১১ সাল থেকেই ভুল সিদ্ধান্ত নিচ্ছেন পুলিশমন্ত্রী। তিনি যদি সঠিক সিদ্ধান্ত নিতেন তাহলে রাজ্যে এত রাজনৈতিক হিংসা হত না। এত দুর্নীতিও হত না। রাজ্যে মানিক ভট্টাচার্য্য, পার্থ চট্টোপাধ্যায়, অনুব্রত মণ্ডল অথবা বালুর মত ব্যক্তিদের ছড়াছড়ি হত না। তৃণমূলের তিনবারের সাংসদ কোনও কাজ করেননি। মানুষের কাছে গিয়ে তিনি ধাক্কা খাচ্ছেন। অন্য রাজ্যে গেলে বাঙালি হিসেবে লজ্জা হয়। এ রাজ্যে শিল্প বলতে মদ আর জমি বিক্রি ছাড়া আর কিছুই নেই।”

    তারা মায়ের কাছে মানব সেবার কামনা

    প্রসঙ্গত মঙ্গলবার তারাপীঠে (Tarapith) পুজো দিয়ে প্রচার শুরু করেন বীরভূমের বিজেপি প্রার্থী। মায়ের কাছে কী কামনা করলেন জিজ্ঞেস করায় তিনি বলেন, “প্রার্থনা করেছি এমন কিছু চমৎকার কর যেন জন্ম জন্মান্তর তোমার সেবা করতে পারি। মানুষের হয়ে কাজ করতে এসেছি। প্রশাসনিক পদে থাকা এবং মানুষের জন্য কাজ করা অনেকটাই আলাদা। আমরা ভোটে জয়ী হবো এতে কোনও সন্দেহ নেই। ব্যক্তিগত কোনও লড়াই নেই। সবটাই রাজনৈতিক লড়াই আমাদের। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ইমেজে লড়াই হবে। আমাদের সরকার এলে রাজ্যের প্রশাসনিক সংস্কার হবে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, Facebook, Twitter, Telegram এবং Google News পেজ। 

  • Cyber Crime in Mewat: হরিয়ানার নুহ পুলিশের জালে ৪২ সাইবার দুষ্কৃতী, উদ্ধার প্রচুর মোবাইল ও সিম

    Cyber Crime in Mewat: হরিয়ানার নুহ পুলিশের জালে ৪২ সাইবার দুষ্কৃতী, উদ্ধার প্রচুর মোবাইল ও সিম

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সাইবার অপরাধের (Cyber Crime) বিরুদ্ধে নজির গড়ল হরিয়ানার নুহ পুলিশ। পুলিশের পাতা ফাঁদে ধরা পড়েছে ৪২ জন সাইবার অপরাধী। দেশব্যাপী সাইবার প্রতারণার মামলার বিষয়ে দু’ দিনে নুহ ও মেওয়াতের (mewat) বিভিন্ন অংশে অভিযান চালিয়েছে পুলিশ। ধৃতদের নাম দীন মোহাম্মদ, আসিফ, আরিফ, সরফরাজ, সাকিব, ইজাজ, মুনাজির পবলে সহ আরও অনেক। পুলিশ সূত্রে খবর, গত শনিবার থেকে এই অভিযান চলে রবিবার সন্ধ্যা পর্যন্ত। অভিযান শেষে অভিযুক্তদের কাছ থেকে ৫০টি মোবাইল, জাল আধার কার্ড (fake adhar card), প্রচুর জাল নথি, ৯০ টিরও বেশি সিম কার্ড, নগদ টাকা এবং বেশ কয়েকটি এটিএম কার্ড বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। ধৃতদের বিরুদ্ধে (arrested) আইপিসি ৪১৯, ৪২০, ৪৬৭, ৪৬৮ এবং ৪৭১ ধারা প্রয়োগ করে মামলা রুজু করা হয়েছে। তাদের বেশ কয়েকজনের বিরুদ্ধে আগেও ১৮টি মামলা দায়ের করা হয়েছিল বলে জানা গিয়েছে।

    স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের বিশেষ পোর্টালের মাধ্যমে গ্রেফতার

    পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, শেষ বছরের এপ্রিল মাসের পর সাইবার অপরাধীদের বিরুদ্ধে এটাই সবচেয়ে বড় অভিযান। এর আগে পুলিশ একটি অভিযানে ১৪ টি গ্রাম থেকে ৬৬ জন সাইবার প্রতারণায় অভিযুক্তকে গ্রেফতার করেছিল। সেই অভিযানের সময় ৫০০০ পুলিশ কর্মী মোতায়েন করা হয়েছিল। হরিয়ানা রাজ্যের পুলিশ একটি এক্স হ্যান্ডেলে পোস্টে জানিয়েছে, “কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের ইন্টিগ্রেটেড সাইবার ক্রাইম কোঅর্ডিনেশন সেন্টারের (i4C) বিশেষ প্রতিবিম্ব পোর্টালের (protibimb portal) সহায়তায় গ্রেফতার করা হয়েছে দুষ্কৃতীদের। পোর্টালটি এই বছর চালু হয়েছে। এটি মূলত প্রতারকদের সিম এবং আইএমইআই নম্বর রিয়েল-টাইম ভিত্তিতে চিহ্নিত করে শনাক্ত করতে সাহায্য করে।”

    পুলিশ সুপারের বক্তব্য

    এই প্রসঙ্গে হরিয়ানা রাজ্যের ডিজি শত্রুজিৎ কাপুর বলেন, “প্রতিবিম্ব পোর্টাল পুলিশকে রাজ্য জুড়ে ৫৯৪ টি সাইবার জালিয়াতির অবস্থান সম্পর্কে তথ্য দিয়েছে। এই প্রতারকদের মধ্যে ১০১ জন নুহ এবং পার্শ্ববর্তী শহর আলওয়ার এলাকায় ছিল। সন্দেহভাজনদের রিয়েল-টাইম অবস্থানের ডেটা ও তাদের ফোন নম্বরগুলি স্থানীয় পুলিশ এবং পঞ্চকুলায় অবস্থিত সাইবার ক্রাইম কেন্দ্রে দেওয়া হয়েছিল।” এই প্রসঙ্গে শত্রুজিৎ কাপুর আরও জানিয়েছেন, “ধৃতদের কাছ থেকে একাধিক সিম কার্ড এবং জাল আধার কার্ড উদ্ধার করা হয়েছে। তারা কতগুলি মামলায় জড়িত ছিল তা খুঁজে বের করতে খতিয়ে দেখা হচ্ছে।” সাইবার ক্রাইম থানার এসএইচও, ইন্সপেক্টর বিমল রাই বলেছেন, “পুলিশের যৌথ উদ্যোগে সাইবার প্রতারকদের ধরা হয়েছে। পুলিশ দৃঢ়ভাবে জানিয়েছে, এই জালিয়াতির সাথে যুক্ত আরও অপরাধীদের ধরতে এই অভিযান চলবে।” একই ভাবে নুহ পুলিশ সুপারিনটেনডেন্ট, নরেন্দ্র বিজার্নিয়া সাইবার অপরাধীদের জন্য কঠোর সতর্কতা জারি করেছেন।

    আরও পড়ুনঃ উত্তরবঙ্গের তিন কেন্দ্রে ঝড় তুলবেন মোদি, সভা জলপাইগুড়িতেও

    কীভাবে চলত সাইবার প্রতারণা?

    সূত্রে জানা গেছে, অভিযুক্তরা ভুয়ো বিজ্ঞাপন (fake advertisement), চাকরির (fake job) ভূয়ো প্রস্তাব সহ বিভিন্ন পদ্ধতি ব্যবহার করত। নুহ পুলিশের মুখপাত্র কিশান কুমার বলেছেন, “প্রতারকেরা লোভনীয় বিজ্ঞাপন দিয়ে তাদের টার্গেট খুঁজত। এরপর চাকরি খুঁজতে আসা তরুণীদের ভিডিয়ো কল করে তাদের ছবি অপপ্রয়োগ করে হুমকি ও যৌন নির্যাতন করত। আর যুবকদের লোভনীয় রিটার্নের প্রতিশ্রুতি দিয়ে ঠকানো হত।” 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, Facebook, Twitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • PM Modi in North Bengal: উত্তরবঙ্গের তিন কেন্দ্রে ঝড় তুলবেন মোদি, সভা জলপাইগুড়িতেও

    PM Modi in North Bengal: উত্তরবঙ্গের তিন কেন্দ্রে ঝড় তুলবেন মোদি, সভা জলপাইগুড়িতেও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রাকৃতিক বিপর্যয় এখন রাজনীতির ইস্যু হয়ে দাঁড়িয়েছে। জলপাইগুড়ির (Jalpaiguri) কয়েক মিনিটের ঝড় (Tornado) প্রভাব ফেলেছে রাজনীতির আঙিনায়। এবার প্রধানমন্ত্রী (PM Modi) এই কেন্দ্রে বঙ্গ সফরে বেশি সময় দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বলে বিজেপি (BJP) সূত্রে জানা গিয়েছে। প্রথম দফাতেই জলপাইগুড়ি কেন্দ্রে নির্বাচন (Election) হবে। কিন্তু নির্বাচনের আগে টর্নেডোর তাণ্ডব এখন ইস্যু হয়ে দাঁড়িয়েছে। ভোটের প্রচার (Election Campaign) থমকে গিয়েছে ঝড়ের প্রভাবে। থমকে গিয়েছে স্থানীয় মানুষের স্বাভাবিক জনজীবন। তবে ভোটপ্রচার অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ রাখা সম্ভব নয় রাজনৈতিক দলগুলির পক্ষে। গণতন্ত্রের উৎসব বলে কথা।

    বৃহস্পতিবার কোচবিহারে মোদি

    প্রসঙ্গত রবিবার ঝড়ের খবর পেয়েই জলপাইগুড়ি যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee) এবং অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee), তড়িঘড়ি টুইট করে প্রশাসনিক সাহায্যের আশ্বাস দেন প্রধানমন্ত্রী (Narendra Modi)। উল্লেখ্য ১৯ এপ্রিল কোচবিহার (Coochbehar), আলিপুরদুয়ার (Aliporeduar) ও জলপাইগুড়ি (Jalpaiguri) আসনে নির্বাচন হবে। ভোট প্রচারে ঝড় তুলতে বৃহস্পতিবার কোচবিহারে আসবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। কোচবিহারের রাসলীলা ময়দানে জনসভা করার কথা রয়েছে তাঁর। এরপর রবিবার জলপাইগুড়িতে সভা করবেন প্রধানমন্ত্রী। এদিনই বালুরঘাটেও সভা করার কথা রয়েছে তাঁর।

    রাজ্যে ৩০টির বেশি সভা মোদির

    উত্তরবঙ্গ পাখির চোখ বিজেপির। নিজেদের গড় ধরে রাখার লড়াই চালাচ্ছে বিজেপি। কোচবিহারের প্রার্থী কেন্দ্রীয় মন্ত্রী নিশীথ প্রামাণিক, বালুরঘাটের প্রার্থী বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। জলপাইগুড়ির বিজেপি প্রার্থী জয়ন্ত রায়। তিন হেভিওয়েট কেন্দ্রে প্রধানমন্ত্রীর আগমন ও ভাষণ সহযোগে প্রচারে ঝড় তুলতে চাইছে গেরুয়া শিবির। বিজেপির দাবি, শুধু উত্তরবঙ্গ নয় লোকসভা ভোটে গোটা পশ্চিমবঙ্গে বাড়তি গুরুত্ব দিচ্ছে বিজেপি। ভোট ঘোষণার আগেই রাজ্যে একাধিক সভা করেছেন প্রধানমন্ত্রী। বারাসত, কৃষ্ণনগর ও আরামবাগে সভা করে প্রচারে ঝড় তুলে গিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। আসন্ন লোকসভা নির্বাচন উপলক্ষে রাজ্যে ৩০টির বেশি সভা করার কথা রয়েছে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির। এছাড়াও অমিত শাহ, জেপি নাড্ডা সহ বিজেপির তারকা প্রচারকদের শতাধিক সভা ও মেগা র‍্যালি হবে রাজ্যজুড়ে।

    আরও পড়ুনঃ ভারতে চলবে না পেট্রল-ডিজেল গাড়ি! কী বললেন নিতিন গড়করি?

    উত্তরবঙ্গ বিজপির পাখির চোখ

    বিজেপি সূত্রের খবর, কোচবিহারের রাসলীলা ময়দানে মোদির প্রথম সভা অনুষ্ঠিত হবে বৃহস্পতিবার। এরপর রবিবার রাজ্য বিজেপির সভাপতি সুকান্ত মজুমদারের কেন্দ্র বালুরঘাটে দুপুর ২:৩০ নাগাদ সভা করবেন প্রধানমন্ত্রী। সেখান থেকে তিনি বিকেল চারটে নাগাদ যাবেন জয়ন্ত রায়ের নির্বাচনী কেন্দ্র জলপাইগুড়িতে। সেখানে সভা করবেন তিনি। যেহেতু ২০১৯ এর লোকসভা নির্বাচনে উত্তরবঙ্গে বিজেপি ভালো ফল করেছিল এবং সার্বিকভাবে বিগত বিধানসভা নির্বাচনেও উত্তরবঙ্গ থেকে বেশ কয়েকটি আসন নিজেদের দখলে রাখতে সক্ষম হয় বিজেপি, তাই উত্তরবঙ্গকে এবারও পাখির চোখ করেছে গেরুয়া শিবির। সে কারণেই প্রচারে কোনও রকম খামতি রাখতে চাইছে না বিজেপি। তাই আগেভাগেই উত্তরবঙ্গের সমস্ত আসনে প্রচারে ঝড় তুলে ভোটারদের নিজেদের পক্ষে করার স্ট্র্যাটেজি নিয়েছে পদ্মফুল শিবির।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Whatsapp, Telegram, Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Chhattisgarh: ভোটের আগে বিরাট সাফল্য বাহিনীর, ছত্তিশগড়ে খতম ৯ মাওবাদী, উদ্ধার প্রচুর অস্ত্র

    Chhattisgarh: ভোটের আগে বিরাট সাফল্য বাহিনীর, ছত্তিশগড়ে খতম ৯ মাওবাদী, উদ্ধার প্রচুর অস্ত্র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মাওবাদী দমনে বিরাট বড় সাফল্য বাহিনীর। নির্বাচনের আগে নিরাপত্তাবাহিনীর সঙ্গে গুলির লড়াইয়ে খতম ৯ মাওবাদী। ছত্তিশগড়ের (Chhattisgarh) বিজাপুর জেলার ঘটনা। উদ্ধার হয়েছে প্রচুর অস্ত্রশস্ত্রও। গোটা জঙ্গল ঘিরে চিরুনি-তল্লাশি শুরু করেছে বাহিনী।

    মাওবাদীদের সমূলে উৎখাত করার বার্তা (Chhattisgarh)

    দিন কয়েক আগেই মাওবাদীদের সমূলে উৎখাত করার বার্তা দিয়েছিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। ছত্তিশগড়ের এক জনসভায় তিনি বলেছিলেন, “২০২৪ সালের সাধারণ নির্বাচনের আগে মাওবাদীদের সমূলে উৎপাটিত করা হবে।” তার পর মঙ্গলবার সকাল থেকেই ছত্তিশগড়ে মাও দমনে অভিযানে নামে যৌথবাহিনী। 

    মাওবাদী-বাহিনী এনকাউন্টার

    জানা গিয়েছে, এদিন সকালে পুলিশের কাছে গোপন সূত্রে খবর আসে যে, বিজাপুরের (Chhattisgarh) লেন্দ্রা গ্রামের কাছে মাওবাদীদের জড়ো হয়েছে। সঙ্গে সঙ্গে মাওবাদী দমন অভিযানে নামে বাহিনী। সিআরপিএফের কোবরা ইউনিট, স্পেশাল টাস্ক ফোর্স এবং ছত্তিশগড় পুলিশের ডিসট্রিক্ট রিজার্ভ গার্ডকে নিয়ে তৈরি যৌথবাহিনী এই অভিযান অংশগ্রহণ করে। হেলিকপ্টার, ড্রোন এবং অস্ত্র নিয়ে মাওবাদীদের বিরুদ্ধে এই অভিযান শুরু করে যৌথবাহিনী। দুপক্ষের মধ্যে বেশ কিছুক্ষণ ধরে গুলি বিনিময় হয়। এর পরই জঙ্গলের ভিতর থেকে ৯ মাওবাদীর দেহ উদ্ধার হয়। পাশে থেকে নিরাপত্তা কর্মীরা একটি মেশিনগান এবং অন্যান্য অস্ত্র-সহ বেশ কয়েকটি স্বয়ংক্রিয় অস্ত্র উদ্ধার করেছে। গোটা এলাকায় চিরুনি-তল্লাশি শুরু করেছে যৌথবাহিনী।

    সাম্প্রতিক অতীতে মাওবাদীদের বিরুদ্ধে সাফল্য

    এর আগে ৩০ মার্চ আটচল্লিশ ঘণ্টার জন্য অভিযান চালায় যৌথবাহিনী। দুদিনের এই অভিযানে এনকাউন্টার হয় তিনবার। ২৬ মার্চও ছত্তিশগড়ের (Chhattisgarh) বস্তারে বাহিনীর সঙ্গে মাওবাদীদের এনকাউন্টারে খতম হয় ছয় মাওবাদী। তাদের মধ্যে একজন মহিলাও ছিল। ঘটনাটি ঘটেছিল বিজাপুর জেলার একটি জঙ্গলে। ওই জঙ্গলে মাওবাদীদের একটি দল লুকিয়ে রয়েছে বলে খবর পায় পুলিশ। তার পরেই শুরু হয় অভিযান। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে গুলি ছুড়তে শুরু করে মাওবাদীরা। প্রতিরোধ গড়ে তোলে বাহিনী। দু’পক্ষের লড়াইয়ে নিকেশ হয় এক মহিলা সহ ছয় মাওবাদী।

    আরও পড়ুুন: “আপনার বাড়ির নাম যদি বদলে দিই, বাড়িটা আমার হয়ে যাবে?”, চিনকে তোপ জয়শঙ্করের

    দোরগোড়ায় লোকসভা নির্বাচন। ভোট হবে সাত দফায়। প্রথম দফার নির্বাচন হবে ১৯ এপ্রিল। সেদিন দেশের আরও কয়েকটি কেন্দ্রের সঙ্গে নির্বাচন হবে বস্তার যে লোকসভা কেন্দ্রের অধীন, সেখানেও। নির্বাচনে অশান্তি পাকাতেই এলাকার বিভিন্ন জঙ্গলে জড়ো হয়েছে মাওবাদীরা। মাওবাদীদের সেই চক্র দুরমুশ করতেই অভিযান চালাচ্ছে যৌথবাহিনী (Chhattisgarh)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

     

  • S Jaishankar: “আপনার বাড়ির নাম যদি বদলে দিই, বাড়িটা আমার হয়ে যাবে?”, চিনকে তোপ জয়শঙ্করের

    S Jaishankar: “আপনার বাড়ির নাম যদি বদলে দিই, বাড়িটা আমার হয়ে যাবে?”, চিনকে তোপ জয়শঙ্করের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “আজ যদি আমি আপনার বাড়ির নাম বদলে দিই, তাহলেই কী বাড়িটা আমার হয়ে যায়?” দক্ষিণ গুজরাট চেম্বার অফ কমার্স আয়োজিত একটি অনুষ্ঠানে প্রশ্নটি ছুড়ে দিলেন বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর (S Jaishankar)। অরুণাচল প্রদেশ ভারতেরই অবিচ্ছেদ্য অংশ। অথচ মাঝে মধ্যেই ভারতের এই অঙ্গরাজ্যটির বিভিন্ন অংশের নাম বদলে দিচ্ছে চিন।

    অরুণাচলের নাম বদলাচ্ছে চিন (S Jaishankar)

    ফি বছর মানচিত্র প্রকাশের আগে অরুণাচলের এক একটি এলাকার নাম বদলে দিচ্ছে চিন। সম্প্রতি ফের অরুণাচলের ৩০টি এলাকার নাম বদলে দিয়েছে বেজিং। চিন যে ৩০টি এলাকার নাম পরিবর্তন করেছে, তার মধ্যে রয়েছে ১২টি পর্বত, চারটি নদী, একটি হ্রদ, একটি পর্বত গিরিপথ, ১১টি আবাসিক এলাকা এবং একটি জমি। চিনা ভাষায় জায়গাগুলির নামও লিখে ফেলেছে ড্রাগনের দেশ। এদিনের অনুষ্ঠানে সেই কারণেই চিনকে নিশানা করেন বিদেশমন্ত্রী জয়শঙ্কর (S Jaishankar)।

    কী বললেন জয়শঙ্কর?

    তিনি বলেন, “আজ যদি আমি আপনার বাড়ির নাম বদলে দিই, তাহলেই কী বাড়িটা আমার হয়ে যায়? অরুণাচল প্রদেশ চিরকাল ভারতের ছিল, আছে এবং থাকবে। তাই নাম পরিবর্তনের কোনও প্রভাব পড়বে না। আমাদের বাহিনী মোতায়েন রয়েছে সেখানে (প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখায়)।” ১৯১৭ সালে চিন অরুণাচলের ছ’টি জায়গার জন্য ‘প্রমিত’ নামের একটি প্রাথমিক তালিকা প্রকাশ করেছিল। ২০২১ সালে ১৫টি জায়গার নাম সম্বলিত দ্বিতীয় তালিকা প্রকাশ করে। ২০২৩ সালে আরও একটি তালিকা প্রকাশ করে বেজিং। এতে নাম ছিল ১১টি জায়গার।

    তার পর এবার ফের বদলে ফেলল অরুণাচলের ৩০টি জায়গার নাম। তিনি বলেন, “এটা (অরুণাচলের জায়গার নাম বদল) নতুন কোনও ইস্যু নয়। এটা চিনের দাবির বর্ধিত অংশ। তাদের এই দাবি আগেও হাস্যকর ছিল, এখনও হাস্যকরই রয়েছে।”

    আরও পড়ুুন: “ভোটারদের তেজপাতা মনে করেন মমতা”, শীতলকুচির সভায় বিস্ফোরক শুভেন্দু

    দিন কয়েক আগে বিদেশমন্ত্রকের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়ালও বলেছিলেন, “অরুণাচল ইস্যুতে আমাদের অবস্থান বরাবর স্পষ্ট। তাই চিন যতবার ইচ্ছা, তার ভিত্তিহীন দাবির পুনরাবৃত্তি করতে পারে। তবে কী জানেন, অরুণচল প্রদেশ ভারতের ছিল, আছে এবং ভবিষ্যতেও থাকবে (S Jaishankar)।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Israeli Air Strike: সিরিয়ায় ইরানি দূতাবাসে ক্ষেপণাস্ত্র হানা, হত ১১, কাঠগড়ায় ইজরায়েল

    Israeli Air Strike: সিরিয়ায় ইরানি দূতাবাসে ক্ষেপণাস্ত্র হানা, হত ১১, কাঠগড়ায় ইজরায়েল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দামাস্কাসে ইরানি দূতাবাস লক্ষ্য করে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা। ঘটনায় ইরানের সেনাবাহিনীর এক শীর্ষ কর্তা সহ অন্তত ১১ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে খবর। সিরিয়ার রাজধানীতে এই ঘটনায় ইজরায়েলের (Israeli Air Strike) হাতই দেখছে ইরান। যদিও এ ব্যাপারে মুখে কুলুপ এঁটেছে তেল আভিভ।

    ইরান-ইজরায়েল দ্বন্দ্ব (Israeli Air Strike)

    সিরিয়ার সংবাদ সংস্থা সানা জানিয়েছে, ইজরায়েলি হানার লক্ষ্যই ছিল ইরানের কনস্যুলেট। লেবাননের সশস্ত্র সংগঠন হিজবুল্লা গোষ্ঠীর তরফে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, শত্রুদের শাস্তি ও প্রতিশোধ না নিয়ে ছাড়া হবে না। তারা এও বলেছে, এজন্য (ক্ষেপণাস্ত্র হামলা) তাদের (ইজরায়েলকে) মূল্য চোকাতে হবে। মুসলিম রাষ্ট্র ইরানের সঙ্গে ইহুদি দেশ ইজরায়েলের (Israeli Air Strike) দ্বন্দ্ব নতুন নয়। তবে ইদানিং সমস্যার সূত্রপাত ইজরায়েল-হামাস লড়াইকে কেন্দ্র করে। মুসলিম জঙ্গি গোষ্ঠী হামাস হামলা চালায় ইজরায়েলে। নৃংশসভাবে খুন করে বহু সাধারণ মানুষকে।

    বিভিন্ন সশস্ত্র গোষ্ঠীর পাশে রয়েছে ইরান

    অচিরেই পায়ে পা তুলে এই ‘ঝগড়া’ করার মাশুল গুণতে হয় হামাসকে। হামাসের দখলে থাকা প্যালেস্তাইনের গাজায় পাল্টা হামলা চালায় ইজরায়েল। এই হামাসদের পাশে দাঁড়িয়ে যায় মুসলিম রাষ্ট্র সিরিয়া, ইরান। ইয়েমেনের বিদ্রোহী গোষ্ঠী হুথিও হামাসের পাশে দাঁড়িয়েছে। মহাসাগর দিয়ে চলচলকারী জাহাজের ওপর হামলা চালাচ্ছে তারা। এই হুথির পাশেও দাঁড়িয়েছে ইরান। এরই পাল্টা হিসেবে সিরিয়া ও ইরানের নির্দিষ্ট এলাকায় হামলা চালিয়েছে ইজরায়েলও।

    জানা গিয়েছে, ক্ষেপণাস্ত্র হানায় যে ১১ জনের মৃত্যু হয়েছে, তাঁদের মধ্যে রয়েছেন ইরানের ইসলামিক রেভোলিউশনারি গার্ড কোরের ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মহম্মদ রেজা জাহেদি, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মহম্মদ হাদি হাজি রহিমি-সহ সাত আধিকারিক। বাকিদের মধ্যে দু’জন সিরিয়া ও অন্যজন লিবিয়ার বাসিন্দা। মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন জানান, দামাস্কাসে ইরানের কনস্যুলেটের ওপর ইজরায়েলের হামলা সম্পর্কে তিনি ওয়াকিবহাল।

    আরও পড়ুুন: “ভোটারদের তেজপাতা মনে করেন মমতা”, শীতলকুচির সভায় বিস্ফোরক শুভেন্দু

    কিছু দিন আগেই সিরিয়ার আলেপ্পো প্রদেশে ঘাতক হানা দিয়ে অন্তত ৪০ জনকে খতম করেছিল ইজরায়েল। নিহতদের মধ্যে ইরান সমর্থিত হিজবুল্লা জঙ্গিগোষ্ঠীর সদস্য ও সিরিয়ার সেনাবাহিনীর আধিকারিকরাও ছিলেন বলে খবর। ঘটনার জেরে ক্ষোভ উগরে দেন ইরানের বিদেশমন্ত্রী হোসেন আমির আবেদোল্লাহিয়ান। সিরিয়ার বিদেশমন্ত্রীকে ফোনে তিনি বলেন, “সব রকম আন্তর্জাতিক রীতিনীতি ভেঙে দিয়েছে তেল আভিভ (Israeli Air Strike)।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের WhatsappTelegramFacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     
     
  • GST: মার্চে বাড়ল জিএসটি আদায়ের পরিমাণ, টাকার অঙ্ক শুনলে চোখ কপালে উঠবে

    GST: মার্চে বাড়ল জিএসটি আদায়ের পরিমাণ, টাকার অঙ্ক শুনলে চোখ কপালে উঠবে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চলতি বছরের মার্চ মাসে জিএসটি (GST) বাবদ আদায়ের পরিমাণ বেড়ে হয়েছে ১.৭৮ লাখ কোটি টাকা। গত বছরের মার্চ মাসের তুলনায় বৃদ্ধির পরিমাণ ১১.৫ শতাংশ। সোমবার অর্থমন্ত্রকের তরফে এ খবর জানানো হয়েছে। 

    জিএসটি সংগ্রহের পরিমাণ (GST)

    সদ্য সমাপ্ত অর্থবর্ষে (২০২৩-২৪) গ্রস জিএসটি সংগ্রহের পরিমাণ দাঁড়িয়েছিল ২০.১৪ লাখ কোটি টাকা। আগের অর্থবর্ষের (২০২২-২৩) তুলনায় যার পরিমাণ ১১.৭ শতাংশ বেশি।  ২০২৩-২৪ অর্থবর্ষে গড় মাসিক সংগ্রহ ছিল ১.৬৮ লাখ কোটি। আগের অর্থবর্ষে যা ছিল ১.৫ লাখ কোটি টাকা।

    সেই অর্থে কোনও একটি নির্দিষ্ট মাসে জিএসটি সংগ্রহের পরিমাণের নিরিখে এটি দ্বিতীয় সর্বোচ্চ। এদিন অর্থমন্ত্রকের তরফে জারি করা বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘‘২০২৩ সালের মার্চ মাসের তুলনায় ২০২৪ সালের মার্চ জিএসটি সংগ্রহের পরিমাণ বৃদ্ধি পেয়েছে ১১.৫ শতাংশ। মাসিক ভিত্তিতে এটি এখনও পর্যন্ত দ্বিতীয় সর্বোচ্চ। ২০২৩-২৪ অর্থবর্ষে মোট জিএসটি (GST) সংগ্রহ হয়েছিল ২০.১৪ লাখ কোটি টাকা। এর পরিমাণ তার আগের অর্থবর্ষের তুলনায় ১১.৭ শতাংশ বেশি।’’

    রিফান্ডের ওপর নেট জিএসটি

    জানা গিয়েছে, মার্চ মাসে রিফান্ডের ওপর নেট জিএসটি রাজস্ব এসেছে ১.৬৫ লাখ কোটি টাকা। গত বছর এই সময়ের তুলনায় এটি বৃদ্ধি পেয়েছে ১৮.৪ শতাংশ। উল্লেখ্য যে, এ পর্যন্ত সব চেয়ে বেশি জিএসটি সংগ্রহ হয়েছে গত বছরের এপ্রিলে। টাকার অঙ্কে এর পরিমাণ ১.৮৭ লাখ কোটি। ২০১৭ সালে নরেন্দ্র মোদির সরকার চালু করে জিএসটি। পুরানো পরোক্ষ কর ব্যবস্থার পরিবর্তে নতুন করে এটা চালু করা হয়। ওই বছরের ১ জুলাই চালু হয় জিএসটি। কেন্দ্রের দাবি, ৬ বছর আগে কার্যকর এই জিএসটি দেশবাসীর ওপর করের বোঝা কমাতে সাহায্য করেছে।

    আরও পড়ুুন: “মনে হল রামলালা আমায় বলছেন, দেশের স্বর্ণযুগ শুরু হয়েছে”, বললেন মোদি

    বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, মার্চ মাসে জিএসটি বাবদ সরাসরি কেন্দ্রের ঘরে এসেছে ৩৪ হাজার ৫৩২ কোটি টাকা। রাজ্যগুলির আয় হয়েছে ৪৩ হাজার ৭৪৬ কোটি টাকা। সমন্বিত জিএসটি বাবদ আয় হয়েছে ৮৭ হাজার ৯৪৭ কোটি টাকা। প্রসঙ্গত, গত ফেব্রুয়ারি মাসে জিএসটি সংগ্রহের পরিমাণ ১২.৫ শতাংশ বেড়ে হয়েছিল ১.৬৮ লক্ষ কোটি টাকারও বেশি। অর্থমন্ত্রকের তরফে জারি করা বিবৃতিতে বলা হয়েছিল, গ্রস গুডস অ্যান্ড সার্ভিসেস ট্যাক্স বা জিএসটি ২০২৪ সালের ফেব্রুয়ারিতে সংগ্রহীত রাজস্বের পরিমাণ ১,৬৮,৩৩৭ কোটি টাকা, যা ২০২৩ সালের একই মাসের তুলনায় বৃদ্ধি পেয়েছে ১২.৫ শতাংশ (GST)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappTelegramFacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Imran Khan: তোষাখানা মামলায় স্বস্তি পেলেন সস্ত্রীক ইমরান খান, কেন জানেন?

    Imran Khan: তোষাখানা মামলায় স্বস্তি পেলেন সস্ত্রীক ইমরান খান, কেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তোষাখানা মামলায় (Toshakhana Case) স্বস্তি মিলল প্রাক্তন পাক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের (Imran Khan)। তাঁর স্ত্রী বুসরা বিবিকেও স্বস্তি দিয়েছে ইসালামবাদ হাইকোর্ট। ৩১ জানুয়ারি পাকিস্তানের দুর্নীতি দমন পুনর্বিবেচনা সংক্রান্ত বিশেষ আদালত ইমরান ও তাঁর স্ত্রীকে ১৪ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছিল। সোমবার বিশেষ আদালতের সেই রায়ে স্থগিতাদেশ দিয়েছে ইসলামাবাদ হাইকোর্ট। স্বাভাবিকভাবেই স্বস্তি পেলেন পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফ সুপ্রিমো ইমরান ও তাঁর স্ত্রী।

    ইমরানের সাজা (Imran Khan)

    কারাদণ্ডের পাশাপাশি পাকিস্তানের ওই বিশেষ আদালত নির্দেশ দিয়েছিল, ইমরান বা তাঁর স্ত্রী কেউই ১০ বছরের জন্য সরকারি কোনও পদে বসতে পারবেন না। পাকিস্তানি মুদ্রায় খান দম্পতির প্রায় ৭৯ কোটি টাকাও জরিমানা করা হয়। প্রসঙ্গত, দেশের প্রধানমন্ত্রী থাকার সময় গোপন তথ্য পাচারের অভিযোগ ওঠে ইমরানের (Imran Khan) বিরুদ্ধে। তার জেরে পাকিস্তানের বিশেষ আদালত প্রাক্তন তারকা ক্রিকেটার তথা প্রধানমন্ত্রীকে ১০ বছরের কারাদণ্ড দেয়। পরের দিনই ফের তাঁকে ১৪ বছরের কারাদণ্ডে দণ্ডিত করা হয়।

    তোষাখানা মামলা

    পাকিস্তানের আইন মোতাবেক, বিদেশি রাষ্ট্রনেতাদের কাছ থেকে রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী বা অন্য কোনও মন্ত্রী যদি উপহার পান, তা জমা করতে হবে সরকারি কোষাগারে। দশ হাজার টাকার কম মূল্যের উপহার হলে, প্রধানমন্ত্রী তা নিজের কাছে রাখতে পারেন। এর বেশি মূল্যের কোনও উপহার প্রধানমন্ত্রীর পছন্দ হলে বাজার মূল্যের সমপরিমাণ অর্থ তোষাখানায় জমা করে সেই উপহার নিয়ে নিতে পারেন। কিন্তু পাকিস্তানের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী ইমরান সেই নিয়মের তোয়াক্কাই করেননি বলে অভিযোগ।

    আরও পড়ুুন: “মনে হল রামলালা আমায় বলছেন, দেশের স্বর্ণযুগ শুরু হয়েছে”, বললেন মোদি

    ইমরান গদিচ্যুত হওয়ার পরেই প্রকাশ্যে আসে তোষাখানা মামলা। দুবাইয়ের এক ব্যবসায়ীর দাবি, বিদেশ থেকে উপহার হিসেবে পাওয়া একটি মূল্যবান ঘড়ি প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী তাঁকে বিক্রি করেছেন ২০ লক্ষ ডলারে। ২০১৯ সালে সৌদি আরবের রাজা মহম্মদ বিন সলমন পাকিস্তানের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী ইমরানকে ওই ঘড়িটি উপহার দিয়েছিলেন। গত বছরের অগাস্ট মাসের পাঁচ তারিখে তোষাখানা মামলায় ইমরানকে দোষী সাব্যস্ত করে ইসলামাবাদের বিশেষ আদালত। তিন বছরের কারাদণ্ডও দেয়। এর পরেই গ্রেফতার হন পাকিস্তানের তারকা-রাজনীতিক। পাঠানো হয় গারদে। ইমরানের দলের দাবি, এই মামলার সঙ্গে বুসরা বিবির কোনও সম্পর্কই নেই (Imran Khan)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের WhatsappTelegramFacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

  • PM On Ram Temple: “মনে হল রামলালা আমায় বলছেন, দেশের স্বর্ণযুগ শুরু হয়েছে”, বললেন মোদি

    PM On Ram Temple: “মনে হল রামলালা আমায় বলছেন, দেশের স্বর্ণযুগ শুরু হয়েছে”, বললেন মোদি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “প্রাণপ্রতিষ্ঠার সময় রামলালা আমায় বললেন দেশের স্বর্ণযুগ শুরু হয়েছে। ভারতের সেই সুদিন এসেছে। দেশ এগোচ্ছে।” একটি সংবাদ মাধ্যমে সাক্ষাৎকার দিতে গিয়ে কথাগুলি বললেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM On Ram Temple)। চলতি বছরের ২২ জানুয়ারি প্রাণপ্রতিষ্ঠা হয় অযোধ্যার রাম মন্দিরের। এদিনই মন্দিরের গর্ভগৃহে প্রাণপ্রতিষ্ঠা হয় বিগ্রহের। প্রাণপ্রতিষ্ঠা অনুষ্ঠানে আগাগোড়া উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রী। সেখানেই মন্দিরের বিগ্রহ রামলালা তাঁকে ওই কথাগুলি বলেন বলে দাবি প্রধানমন্ত্রীর।

    কী বললেন প্রধানমন্ত্রী? (PM On Ram Temple)

    তিনি বলেন, “গত দশ বছরের প্রধানমন্ত্রিত্বকালে অনেক জায়গা থেকে আমন্ত্রণ পেয়েছি। কিন্তু শ্রী রাম জন্মভূমি তীর্থক্ষেত্র ট্রাস্টের তরফে যখন আমায় প্রাণপ্রতিষ্ঠার অনুষ্ঠানে যোগ দিতে আমন্ত্রণ জানানো হল, তখন অন্তরের অন্তঃস্থলে থেকে বিচলিত হয়েছিলাম।” প্রধানমন্ত্রী (PM On Ram Temple) বলেন, “ওঁদের (শ্রী রাম জন্মভূমি তীর্থক্ষেত্র ট্রাস্ট কর্তৃপক্ষের) আমন্ত্রণ পাওয়ার পরে আমি যেন কোনও এক আধ্যাত্মিক জগতের বাসিন্দা হয়ে গেলাম। আমি যেন কোনও কিছুর অস্তিত্ব অনুভব করতে শুরু করলাম। আমার কাছে সেই আধ্যাত্মিক সত্তা যেন জীবন্ত হয়ে উঠল।” তিনি বলেন, “তখনই আমি ঠিক করলাম যে আমি প্রাণপ্রতিষ্ঠার আগে ১১ দিনের যে সংযমী জীবন যাপন করতে হয়, তা করব। এই সময় আমি এও স্থির করলাম, ভগবান রামের সঙ্গে যুক্ত দেশের যেসব জায়গা, সেগুলোতে গিয়ে কিছুটা করে সময় কাটাব, বিশেষত দক্ষিণ ভারতে।”

    সংযমী জীবন যাপন প্রধানমন্ত্রীর

    জানা গিয়েছে, ১১ দিনের যে সংযমী জীবন প্রধানমন্ত্রী কাটিয়েছেন, সেই সময় তিনি ঘুমিয়েছেন মেঝেয়। কঠোর উপোস করেছেন। এই পুরো পর্বটায় তিনি খেয়েছেন কেবল ডাবের জল। প্রধানমন্ত্রী বলেন, “এই ক’দিন আমি কেবল আমার অন্তরেই ডুবেছিলাম। শেষমেশ যখন অযোধ্যায় পৌঁছলাম এবং মন্দিরের সিঁড়ির প্রথম ধাপে পা রাখলাম, মনে হল আমি কি প্রধানমন্ত্রী হিসেবে এখানে এসেছি, নাকি একজন সাধারণ নাগরিক হিসেবে দেবদর্শনে এসেছি? আমার মন বলছিল, আমি একজন সাধারণ ভক্ত হিসেবে অযোধ্যায় এসেছি। এ দেশের ১৪০ কোটি মানুষের মতো।”

    ‘বিগ্রহের দু’চোখে ভারতবাসীকে দেখেছি’

    তিনি (PM On Ram Temple) বলেন, “রামলালার মূর্তির দিকে চোখ পড়তেই আমি কেমন ঘোরের মধ্যে চলে গেলাম। পুরোহিতরা আমায় কী করতে বলছেন, সে ব্যাপারে আমার খেয়াল ছিল না। সেই ঘোরের মধ্যেই আমার মনে হল, রামলালা আমায় বলছেন, ভারতের সুবর্ণ যুগ শুরু হয়েছে। সেদিন বিগ্রহের দুচোখে আমি কেবল আমার দেশের ১৪০ কোটি বাসিন্দাকেই দেখেছি।”

    আরও পড়ুুন: জ্ঞানবাপী চত্বরে পুজো-আরতি চলবে, মসজিদ কমিটির আবেদন খারিজ সুপ্রিম কোর্টে

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের WhatsappTelegramFacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

LinkedIn
Share