Tag: news in bengali

news in bengali

  • PM Modi: “যাঁরা এটা নিয়ে নাচানাচি করছেন, তাঁদের পস্তাতে হবে”, কাকে খোঁচা মোদির?

    PM Modi: “যাঁরা এটা নিয়ে নাচানাচি করছেন, তাঁদের পস্তাতে হবে”, কাকে খোঁচা মোদির?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “যাঁরা এটা নিয়ে নাচানাচি করছেন এবং অহংকার করছেন, শীঘ্রই তাঁদের পস্তাতে হবে।” সংবাদ মাধ্যমে সাক্ষাৎকার দিতে গিয়ে কথাগুলি বললেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে ইলেক্টোরাল বন্ড সংক্রান্ত যাবতীয় তথ্য প্রকাশ করেছে স্টেট ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়া। তাতে যা তথ্য প্রাকাশ্যে এসেছে, তা নিয়ে তোলপাড় গোটা দেশ। এদিনের সাক্ষাৎকারে এ প্রসঙ্গে বিরোধীদের তাক করেছেন প্রধানমন্ত্রী।

    কী বললেন প্রধানমন্ত্রী? (PM Modi)

    প্রধানমন্ত্রী (PM Modi) বলেন, “আমি কখনওই নির্বাচনে লড়ার কথা ভাবিনি। এটা আমার জীবনে হঠাৎ করেই ঘটেছে। আমি বিভিন্ন নির্বাচনী এলাকা থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছি। সেই জন্যই আজ বলতে পারছি, কে, কাকে কত টাকা দিয়েছে এবং কীভাবে দিয়েছে। তা না হলে জানাই যেত না।” তিনি বলেন, “কোনও সিস্টেমই নিখুঁত হতে পারে না। কিছু ঘাটতি থাকতেই পারে। কিন্তু সেই ত্রুটিগুলি দূর করা যায়।”

    ‘দুর্নীতির বিরুদ্ধে লড়াই থামবে না’

    দুর্নীতির বিরুদ্ধে যে তাঁর লড়াই থামছে না, এদিনের সাক্ষাৎকারে তাও স্পষ্ট করে দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, “ইডি একটি স্বাধীন সংস্থা, স্বাধীনভাবে কাজ করছে। আমরা তাদের কাজে হস্তক্ষেপ করি না। ইডিতে প্রায় সাত হাজার মামলা রয়েছে। এর মধ্যে রাজনীতিবিদদের সংক্রান্ত মামলা তিন শতাংশেরও কম।” তাঁর প্রশ্ন, “আমাদের সরকার ক্ষমতায় আসার পরেই কি ইডি গঠন করা হয়েছিল?”

    আরও পড়ুুন: আরও এক বছর সস্তায় মিলবে গ্যাস, ভর্তুকি কত জানেন?

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আমাদের সরকারের আমলে ২ হাজার ২০০ কোটি টাকা বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। এজেন্সিগুলির কার্যক্রম ফাঁস হয়ে যাচ্ছে না। তাই এসব প্রকাশ্যে আসছে। রাশি রাশি নগদ টাকা বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। ওয়াশিং মেশিনের ভিতরে রাখা নগদ টাকাও উদ্ধার করা হচ্ছে। টাকা থাকছে জলের পাইপ, বিছানার নীচে। কংগ্রেসের এক সাংসদের কাছ থেকে বাজেয়াপ্ত হয়েছে ৩০০ কোটি টাকা। বাংলায় নেতা-মন্ত্রীদের কাছ থেকেও বাজেয়াপ্ত হয়েছে নগদ টাকা। আমার মনে হয় না এ দেশের মানুষ এসব সহ্য করতে প্রস্তুত।” তিনি (PM Modi) বলেন, “বাংলায় আমরা প্রায় ৩ হাজার কোটি টাকা বাজেয়াপ্ত করেছি। এটা কার টাকা? এই টাকা গরিবদের ফেরত দেওয়া যায় কিনা, তা দেখছি। দুর্নীতির বিরুদ্ধে মোদির লড়াই থামবে না।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

     

  • Ujjwala Gas Yojana: আরও এক বছর সস্তায় মিলবে গ্যাস, ভর্তুকি কত জানেন?

    Ujjwala Gas Yojana: আরও এক বছর সস্তায় মিলবে গ্যাস, ভর্তুকি কত জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হাল ফিরছে দেশের অর্থনীতির। অবস্থার উন্নতি হচ্ছে আমজনতার। তাদের আর্থিক স্বাস্থ্য যাতে আরও পোক্ত হয়, তাই আরও এক বছরের জন্য ভর্তুকি বাড়ানো হল এলপিজি সিলিন্ডারে (Ujjwala Gas Yojana)। ১ এপ্রিল থেকে আগামী এক বছর এলপিজি সিলিন্ডার পিছু ভর্তুকি মিলবে ৩০০ টাকা করে।

    মোদি সরকারের উদ্যোগ (Ujjwala Gas Yojana)

    পরিবেশ দূষণ রুখতে এবং হেঁশেলে থাকা মহিলাদের ধোঁয়ার হাত থেকে রেহাই দিতে ঘরে ঘরে গ্যাস সিলিন্ডার পৌঁছে দেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছিল প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সরকার। এই প্রকল্পের পোশাকি নাম উজ্জ্বলা যোজনা। এই প্রকল্পে ১৪.২ কেজির এলপিজি সিলিন্ডারে ভর্তুকি দেওয়া হয় কেন্দ্রের তরফে। বছরে ১২টি সিলিন্ডারে ওই ভর্তুকি মেলে। ভর্তুকির টাকা সরাসরি উপভোক্তাদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টেই জমা পড়ে। উজ্জ্বলা যোজনার (Ujjwala Gas Yojana) মেয়াদ ছিল ২০২৪ সালের ৩১ মার্চ পর্যন্ত।

    বাড়ল ভর্তুকির পরিমাণ

    মার্চ মাসের শুরুতেই কেন্দ্রের অর্থনৈতিক বিষয়ক ক্যাবিনেট কমিটির তরফে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে জানিয়ে দেওয়া হয় ভর্তুকি বৃদ্ধির কথা। জানিয়ে দেওয়া হয়, সিলিন্ডার পিছু ভর্তুকি মিলবে ২০২৫ সালের ৩১ মার্চ পর্যন্ত। গত অক্টোবর মাসেই কেন্দ্রের তরফে ১৪.২ কেজি সিলিন্ডারে ভর্তুকির পরিমাণ ২০০ থেকে বাড়িয়ে ৩০০ টাকা করা হয়েছিল। জানা গিয়েছে, এক বছরে এই প্রকল্পের মেয়াদ বৃদ্ধির ফলে সরকারের কোষাগার থেকে মোট ব্যয় হবে ১২ হাজার কোটি টাকা।

    আরও পড়ুুন: রামনবমীতে কী হবে? কী বলছেন অযোধ্যার রাম মন্দির কর্তৃপক্ষ?

    দেশের দরিদ্র পরিবারের মহিলারাও যাতে গ্যাসে রান্নার সুবিধা ভোগ করতে পারেন, তাই ২০১৬ সালের মে মাসে উজ্জ্বলা যোজনার সূচনা করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। ২০২৪ সালের ১ মার্চ পর্যন্ত এই প্রকল্পে সংযোগ পেয়েছেন ১০.২৭ কোটিরও বেশি মানুষ।

    ৮ মার্চ বিশ্ব নারী দিবস। এই উপলক্ষে কেন্দ্র দাম কমিয়েছিল এলপিজি সিলিন্ডারের। সিলিন্ডার পিছু দাম কমানো হয়েছে ১০০ টাকা করে। দিল্লিতে সিলিন্ডারের দাম হয়েছে ৮০৩ টাকা। কলকাতায় সিলিন্ডার মিলছে ৮২৯ টাকায়। মুম্বই ও চেন্নাইতে সিলিন্ডার মিলছে যথাক্রমে ৮০২ টাকা ও ৮১৮ টাকায় (Ujjwala Gas Yojana)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Ram Navami: রামনবমীতে কী হবে? কী বলছেন অযোধ্যার রাম মন্দির কর্তৃপক্ষ?

    Ram Navami: রামনবমীতে কী হবে? কী বলছেন অযোধ্যার রাম মন্দির কর্তৃপক্ষ?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সামনেই রামনবমী (Ram Navami)। কয়েক লক্ষ ভক্তের সমাগম হবে অযোধ্যায়, রামলালাকে দর্শন করতে। রাম মন্দির তীর্থ ক্ষেত্রের সাধারণ সম্পাদক চম্পত রাই জানান, রামনবমী উপলক্ষে অযোধ্যায় ভক্ত সমাগম হবে ২৫ থেকে ৩০ লাখ। তিনি বলেন, “২৫ থেকে ৩০ লাখ ভক্ত আসবেন বলে আশা করছি। তাই ভাবছি কীভাবে পাঁচ বছরের রামলালাকে বেশিক্ষণ জাগিয়ে রাখা যায়। ভক্তরা তাঁদের এলাকায়ও রামনবমী উৎসব করতে পারেন।”

    কী বলছেন মন্দির কর্তৃপক্ষ? (Ram Navami)

    দাবদাহে পুড়ছে দেশ। প্রখর গ্রীষ্মে তপ্ত উত্তরপ্রদেশের অযোধ্যা নগরীও। তাই ভক্তদের নিয়ে চিন্তিত রাম মন্দির তীর্থ ক্ষেত্রের সাধারণ সম্পাদক। তিনি বলেন, “গরমই আমাদের সামনে সব চেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। ভক্তদের যাতে কোনও অসুবিধা না হয়, তা নিশ্চিত করাই আমাদের লক্ষ্য। বিশেষ করে তাঁরা যাতে খাদ্য ও পর্যাপ্ত পরিমাণে জল পান, তা আমাদের অগ্রাধিকারের তালিকায় রয়েছে। জলের সমস্যা হবে না। কিন্তু খাবারের ব্যবস্থা করা একটা চ্যালেঞ্জ। অযোধ্যায় দর্শনার্থীদের সংখ্যা ক্রমেই বাড়ছে। তা সত্ত্বেও এখনও পর্যন্ত পদদলিত হওয়ার কোনও ঘটনা ঘটেনি। আশা করি, ভবিষ্যতেও ঘটবে (Ram Navami) না।” তিনি বলেন, “আমি দর্শকদের অনুরোধ করব, নিজের নিরাপত্তার কারণে রাম মন্দির পরিদর্শন করার সময় দলবদ্ধভাবে থাকুন। আগত ভক্তদের আমি সঙ্গে ছাতু আনার অনুরোধ করছি। ছাতু খেলে তাঁরা গরমের হাত থেকে রক্ষা পাবেন।”

    আরও পড়ুুন: “দুর্নীতিবাজরা এখন কারাগারের পিছনে”, মিরাটের জনসভায় বললেন মোদি

    রামনবমীর তাৎপর্য 

    চৈত্র মাসের শুক্লপক্ষের নবমী তিথিই হল রামনবমী। হিন্দু বিশ্বাস অনুযায়ী, এদিনই ধরাধামে অবতীর্ণ হয়েছিলেন ভগবান বিষ্ণুর অবতার রাম। তাই এদিন রামের বিগ্রহ দর্শন করলে পুণ্য লাভ হয় বলে লোকবিশ্বাস। সেই কারণেই এদিন অযোধ্যায় ভিড় করবেন লক্ষ লক্ষ ভক্ত। এই ভক্তদের সামাল দেওয়াটাই মন্দির কর্তৃপক্ষের কাছে বড় চ্যালেঞ্জ। কারণ দিন কয়েক আগে প্রচণ্ড গরমে রামলালা দর্শনে এসে অচৈতন্য হয়ে পড়েছিলেন কয়েকজন ভক্ত। সেই কারণেই মন্দির কর্তৃপক্ষের চিন্তা আরও বেড়েছে। আরও একটি কারণে মন্দির কমিটির কপালে চিন্তার ভাঁজ। সেটি হল, এই বিপুল সংখ্যক ভক্তকে রামনবমীর দিনই বিগ্রহ দর্শন করতে দিতে হলে, মন্দিরের দ্বার খোলা রাখতে হবে ২৪ ঘণ্টাই। যেটা দেবতার পক্ষেও কষ্টকর বলে মনে করে মন্দির কমিটি। তাই কীভাবে আগত ভক্তরা এদিন রামলালার দর্শন করবেন, তা নিয়েও ভাবনা চিন্তা করছে মন্দির কমিটি (Ram Navami)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

     
  • PM Modi: “দুর্নীতিবাজরা এখন কারাগারের পিছনে”, মিরাটের জনসভায় বললেন মোদি

    PM Modi: “দুর্নীতিবাজরা এখন কারাগারের পিছনে”, মিরাটের জনসভায় বললেন মোদি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উত্তরপ্রদেশের মিরাট থেকেই লোকসভা নির্বাচনের প্রচার শুরু করে দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। রবিবারের এই সমাবেশে তিনি বলেন, “এই নির্বাচন সরকার তৈরির জন্য নয়, বিকশিত ভারত গড়ার জন্য।”

    ‘দুর্নীতির বিরুদ্ধে লড়াই’ (PM Modi)

    মিরাট লোকসভা কেন্দ্রে বিজেপির প্রার্থী রামায়ণ সিরিয়ালের রামের চরিত্রে অভিনয় করা অরুণ গোভিল। তাঁর সমর্থনে আয়োজিত জনসভায় ‘ইন্ডি’ জোটকেও নিশানা করেন প্রধানমন্ত্রী। গত দশ বছরে তাঁর নেতৃত্বে দেশে কী কী উন্নয়নমূলক কাজ হয়েছে, তার ফিরিস্তি দেন প্রধানমন্ত্রী। পরে বলেন, “গত দশ বছরে আমরা দুর্নীতির বিরুদ্ধে লড়াই শুরু করেছি। আমরা নিশ্চিত করেছি যে কোনও মধ্যস্বত্বভোগী যেন গরিবের টাকা চুরি করতে না পারে। আমি দুর্নীতির বিরুদ্ধে লড়াই করছি। তাই দুর্নীতিবাজেরা এখন কারাগারের পিছনে।” তিনি বলেন, “দশ বছরে উন্নয়নের যে গতি রয়েছে, তা আরও বাড়বে।” প্রধানমন্ত্রী বলেন, “এ তো সবে ট্রেলর মাত্র।”

    ‘ওরা দুর্নীতিগ্রস্তদের বাঁচাতে চায়’

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, “মোদির মন্ত্রই হল দুর্নীতিগ্রস্তদের সরানো। আর ওরা (বিরোধীরা) দুর্নীতিগ্রস্তদের বাঁচাতে চায়। এই নির্বাচনে দুর্নীতির বিরুদ্ধে লড়াই করছে এনডিএ। বিরোধীরা দুর্নীতিবাজদের বাঁচাতে লড়াই করছে।” তিনি বলেন, “আমি শুধু দুর্নীতিবাজদেরই তদন্ত করছি না, এটা আমার গ্যারান্টি যে যারাই আমার দেশের মানুষকে লুট করেছে, আমি আমার জনগণের চুরি করা সম্পদ তাদের ফিরিয়ে দিচ্ছি।” প্রধানমন্ত্রী (PM Modi) বলেন, “ক্ষমতার শীর্ষে থাকা নেতারাও জামিন পাচ্ছেন না। অনেক বড় বড় দুর্নীতিবাজকে আদালত চত্বরে ঘোরাঘুরি করতে হয়েছে। কোথাও খাটের নীচ থেকে গাদা গাদা নোট উদ্ধার হয়েছে। কোথাও আবার ওয়াশিং মেশিন থেকে উদ্ধার হয়েছে নোটের পাহাড়।”

    আরও পড়ুুন: “তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়বে মমতার সরকার”, আক্রমণ বিজেপি প্রার্থী নির্মল সাহার

    বিজেপি বিরোধী ২৬টি রাজনৈতিক দলের জোট ‘ইন্ডি’কেও এদিন আক্রমণ শানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। বলেন, “ইন্ডি জোট কৃষকদের ঘৃণা করে। তারা চৌধুরী চরণ সিংকেও প্রাপ্য সম্মান দেয়নি। লোকসভায় আলোচনার সময় বিরোধীরা কী করেছে, তা গোটা দেশ দেখেছে। যখন আমাদের ছোট ভাই জয়ন্ত চৌধুরী লোকসভায় ভারতরত্ন নিয়ে বলতে উঠেছিলেন, তখন সবাই (বিরোধীরা) তাঁকে থামানোর চেষ্টা করেছিলেন। তাঁকে অসম্মান করার চেষ্টা করেছিলেন। এজন্য কংগ্রেস এবং সমাজবাদী পার্টির উচিত কৃষকদের দোরে দোরে গিয়ে ক্ষমা চাওয়া (PM Modi)।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

     
  • Congress: আরও দু’টি আয়কর নোটিশ কংগ্রেসকে, গাড্ডায় সোনিয়ার দল

    Congress: আরও দু’টি আয়কর নোটিশ কংগ্রেসকে, গাড্ডায় সোনিয়ার দল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরও দু’টি আয়কর নোটিশ পেল কংগ্রেস (Congress)। শনিবার এমনই দাবি করা হয়েছে গ্র্যান্ড ওল্ড পার্টির তরফে। কংগ্রেসের দাবি, ২০১৪-’১৫ ও তার পরের অর্থবর্ষের জন্য আয়কর দফতর জরিমানা ধার্য করেছে ১ হাজার ৭৪৫ কোটি টাকা। এর আগে ১৯৯৪-’৯৫ অর্থবর্ষ এবং ২০১৭-’১৮ থেকে ২০২০-’২১ অর্থবর্ষের জন্যও নোটিশ পাঠিয়েছিল আয়কর দফতর। সব মিলিয়ে কংগ্রেসকে জরিমানা বাবদ আয়কর দফতরে দিতে হবে ৩ হাজার ৫৬৭ কোটি টাকা।

    সোনিয়া গান্ধীর দলকে নোটিশ (Congress)

    বৃহস্পতিবারই ১ হাজার ৮০০ কোটি টাকা চেয়ে আয়কর দফতর নোটিশ পাঠিয়েছিল সোনিয়া গান্ধীর দলকে (Congress)। তার চব্বিশ ঘণ্টার মধ্যেই ফের পাঠানো হল নোটিশ। কংগ্রেসের প্রধান মুখপাত্র জয়রাম রমেশ বলেন, “শনিবার কংগ্রেসের দফতরে আবারও দু’টি আয়কর নোটিশ এসে পৌঁছেছে।” প্রসঙ্গত, শনিবারই কংগ্রেসের প্রাক্তন সভাপতি রাহুল গান্ধী অভিযোগ করেছিলেন, কংগ্রেসকে আর্থিকভাবে পঙ্গু করে দেওয়ার চেষ্টা চলছে। বিরোধী নেতাদের জেলে ভরে নির্বাচনী বন্ডের মাধ্যমে বিজেপি কোটি কোটি টাকা চাঁদা পকেটে পুরে ভোট বৈতরণী পার হতে চাইছে মোদি সরকার।

    অশনি সঙ্কেত দেখছে কংগ্রেস

    তার পরে পরেই আয়কর দফতরের তরফে ফের নোটিশ পাঠানোয় অশনি সঙ্কেত দেখছে কংগ্রেস। শুক্রবার মোদি সরকারের বিরুদ্ধে ‘কর সন্ত্রাসে’র অভিযোগ এনেছিলেন কংগ্রেসের শীর্ষ নেতৃত্ব। রীতিমতো সাংবাদিক বৈঠক করে তাঁরা নিশানা করেছিলেন বিজেপিকে। বলেছিলেন, কর সন্ত্রাস চালাচ্ছে মোদি সরকার।

    জানা গিয়েছে, প্রায় দশ বছরের ফাইল বের করে কংগ্রেসকে নোটিশ পাঠিয়েছে আয়কর দফতর। সেই নোটিশ চ্যালেঞ্জ করে রিঅ্যাসেসমেন্ট দাবি করে মামলা করা হয়েছিল কংগ্রেসের তরফে। বৃহস্পতিবার সেই মামলা খারিজ করে দেয় দিল্লি হাইকোর্ট। তার পরেই ফের পাঠানো হয় নোটিশ। আয়কর বিভাগের একটি সূত্রের দাবি, পর পর কয়েক বছরে নির্বাচনী বন্ড বা অন্যান্য খাতে কংগ্রেস যে অর্থ আয় করেছে, তাতে কর ফাঁকি দেওয়া হয়েছে। কংগ্রেসের (Congress) কাছে সেই টাকাই চাওয়া হয়েছে। পাশাপাশি ধার্য করা হয়েছে জরিমানাও।

    আরও পড়ুুন: “এটা পরিবার বাঁচাও, দুর্নীতি লুকাও সমাবেশ”, ‘ইন্ডি’ জোটকে নিশানা বিজেপির

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • BJP: “এটা পরিবার বাঁচাও, দুর্নীতি লুকাও সমাবেশ”, ‘ইন্ডি’ জোটকে নিশানা বিজেপির

    BJP: “এটা পরিবার বাঁচাও, দুর্নীতি লুকাও সমাবেশ”, ‘ইন্ডি’ জোটকে নিশানা বিজেপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “এটা গণতন্ত্র বাঁচাও সমাবেশ নয়, পরিবার বাঁচাও, দুর্নীতি লুকাও সমাবেশ।” রবিবার এই ভাষায়ই বিজেপি বিরোধী ২৬টি রাজনৈতিক দলের জোট ‘ইন্ডি’কে নিশানা করল বিজেপি (BJP)। এদিন বিজেপির মুখপাত্র সুধাংশু ত্রিবেদী ইন্ডি জোটের বিভিন্ন নেতার বিরুদ্ধে ওঠা দুর্নীতির প্রসঙ্গ টানেন।

    ত্রিবেদীর নিশানায় ইন্ডি জোট (BJP)

    কংগ্রেসের যাঁদের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ রয়েছে, তাঁদের প্রসঙ্গও টানেন। ডিএমকে এবং আরজেডিও নিশানা করেন সুধাংশু। এক সময় অন্না হাজারের নেতৃত্বে ‘দুর্নীতির বিরুদ্ধে ভারত’ শব্দবন্ধে গর্জে উঠেছিল রামলীলা ময়দান। ত্রিবেদী (BJP) বলেন, “এদিন সেই ময়দানের সমাবেশের মূল বক্তব্যই হল, প্রত্যেকেই দুর্নীতির সঙ্গে।” তিনি বলেন, “যিনি অনেক নেতাকে এক সময় চোর বলেছিলেন, তিনিও তাঁদের সঙ্গে হাত মিলিয়েছেন। এটা একটা অদ্ভুত দৃশ্য।” দিল্লির এই ময়দানের সমাবেশে এদিন বিজেপি বিরোধী অন্যান্য কয়েকটি দলের সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন আপ নেতারাও। সুধাংশুর কটাক্ষ-বাণের অভিমুখ যে সেদিকেই, তা বলার অপেক্ষা রাখে না।

    দুর্নীতি মামলা

    তিনি বলেন, “একাধিক দুর্নীতি মামলায় অভিযুক্ত লালুপ্রসাদ যাদবও এখন তাঁদের নেতা। এঁরা সব এক জায়গায় জড়ো হয়েছেন তাঁদের পুরানো পাপ লুকোতে। এবং মনে রাখতে হবে, এঁরা প্রত্যেকেই রাম মন্দির নির্মাণের বিরুদ্ধাচরণ করেছিলেন। এঁদের মধ্যে অনেকে আবার হিন্দুত্ববাদের মূলোৎপাটন করতে চেয়েছিলেন।” বিজেপির এই মুখপাত্র বলেন, “এই রাজনৈতিক দলগুলি ভারতের রাজনীতির বিশ্বাসযোগ্যতাকেই প্রশ্নের মুখে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। এমন একটা সময় তারা এটা করছে, যখন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে রাজনীতিতে একটা বিশ্বাসযোগ্যতা তৈরি হচ্ছে। এবং এই সরকার যখন প্রতিশ্রুতি পূরণ করে চলেছে।” তিনি বলেন, “ওরা হল এমন সব রাজনৈতিক দল, যারা কখনও দেশের উন্নতি চায়নি। আসন্ন লোকসভা নির্বাচনে মানুষ তাদের মুখের মতো জবাব দেবে।”

    আরও পড়ুুন: দাবদাহে পুড়ছে অযোধ্যা, স্বস্তি দিতে রামলালাকে পরানো হচ্ছে সূতির পোশাক

    প্রসঙ্গত, শনিবারই রামলীলা ময়দানে সমাবেশ করেছিলেন ইন্ডি জোটের নেতারা। দিন কয়েক আগে দিল্লি আবগারি নীতি কেলেঙ্কারিতে অভিযুক্ত দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়ালকে গ্রেফতার করে ইডি। তার প্রেক্ষিতেই ‘গণতন্ত্র বাঁচাও’ সমাবেশের আয়োজন করেছিলেন বিরোধীরা (BJP)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

  • PM Modi: “শ্রীলঙ্কাকে কচ্ছতিভু দ্বীপ দিয়েছিল কংগ্রেস, ওদের বিশ্বাস নেই”, তোপ মোদির

    PM Modi: “শ্রীলঙ্কাকে কচ্ছতিভু দ্বীপ দিয়েছিল কংগ্রেস, ওদের বিশ্বাস নেই”, তোপ মোদির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “কংগ্রেসকে বিশ্বাস করবেন না। ওরা শ্রীলঙ্কার হাতে তুলে দিয়েছিল কচ্ছতিভু দ্বীপ।” রবিবার বোমা ফাটালেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। এদিন এক্স হ্যান্ডেলে তিনি লিখেছেন, “চোখ খুলে দেওয়া ও চমকে ওঠার মতো বিষয়। নয়া তথ্য উঠে এসেছে। তাতে ফাঁস হয়ে গিয়েছে, দায়িত্বজ্ঞানহীনভাবে কচ্ছতিভু দান করে দেওয়া হয়েছিল। এতে প্রত্যেক ভারতীয় ক্ষুব্ধ। মানুষ বুঝে গিয়েছে, আমরা কখনও কংগ্রেসকে ভরসা করতে পারব না।”

    আরটিআইয়ে কী জানা গেল? (PM Modi)

    তামিলনাড়ুর বিজেপি প্রধান কে আন্নামালাই তথ্য জানার অধিকার আইনে জানতে চেয়েছিলেন, কীভাবে শ্রীলঙ্কার হাতে ‘মা ভারতীর’ অংশ কচ্ছতিভু দ্বীপ তুলে দিয়েছিলেন ভারতের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী। তথ্য জানার অধিকার আইনে আবেদন করার পর তিনি জানতে পারেন, ১৯৭৪ সালে ইন্দো-শ্রীলঙ্কা সামুদ্রিক চুক্তির মাধ্যমে শ্রীলঙ্কার হাতে ১৬৩ একরের কচ্ছতিভু দ্বীপ তুলে দিয়েছিল ইন্দিরা গান্ধী সরকার। সেই সময় ভারত সরকারের তরফে বলা হয়েছিল, দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের মধ্যে ভারসাম্য বজায় রাখতেই এই সিদ্ধান্ত। তথ্য জানার অধিকার আইনে দ্বীপ হস্তান্তরের বিষয়টি প্রকাশ্যে আসার পর কংগ্রেসকে তোপ দেগেছেন প্রধানমন্ত্রী।

    কচ্ছতিভু দ্বীপ

    তথ্য জানার অধিকার আইনে জানা গিয়েছে, ১৯৬০ সালে ভারতের তৎকালীন অ্যাটর্নি জেনারেল এসম সি সেতালবাদ জানিয়েছিলেন, কচ্ছতিভু দ্বীপের বিষয়টি (PM Modi) নিয়ে দিনের আলোর মতো স্বচ্ছতা না থাকলেও, ওই দ্বীপের ওপর ভারতের বেশি অধিকার আছে। ভারতের হাতেই কচ্ছতিভু দ্বীপ রাখার পক্ষে সওয়াল করেছিলেন সেতালবাদ। ভারতের বিদেশ মন্ত্রকের তৎকালীন যুগ্ম সচিব কে কৃষ্ণ রাও জানিয়েছিলেন, কচ্ছতিভু দ্বীপ নিয়ে শ্রীলঙ্কা যে দাবি করছে, সেটার মজবুত ভিত্তি আছে। তবে কচ্ছতিভু দ্বীপে মাছ ধরার অধিকার পওয়ার জন্য ভারতের হাতে আইনি সুযোগ আছে বলেও সওয়াল করেছিলেন কে কৃষ্ণ রাও। যদিও এখনও কচ্ছতিভু দ্বীপ অঞ্চলে মাছ ধরতে গেলে তামিল মৎস্যজীবীদের ধরপাকড় করে (PM Modi) শ্রীলঙ্কা। অথচ ১৯৭৫ সাল পর্যন্ত এই অঞ্চলে নির্বিঘ্নে মাছ ধরতে পারতেন তামিল মৎস্যজীবীরা। 

    আরও পড়ুুন: অনুব্রতের গড়ে বিজেপির প্রার্থী প্রাক্তন আইপিএস দেবাশিস ধর, প্রধান ইস্যু ‘ল অ্যান্ড অর্ডার’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Punjab Girl Dies: অনলাইনে কেনা জন্মদিনের কেক খেয়ে অসুস্থ বালিকা, হাসপাতালেই নিভল জীবনদীপ

    Punjab Girl Dies: অনলাইনে কেনা জন্মদিনের কেক খেয়ে অসুস্থ বালিকা, হাসপাতালেই নিভল জীবনদীপ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জন্মদিন। কেক কাটছে বছর দশেকের মানভি। হইহই করছে প্রতিবেশীদের বাচ্চারা। সমস্বরে গাইছে, ‘হ্যাপি বার্থ ডে টু ইউ’। অনলাইনে অর্ডার করা (Punjab Girl Dies) কেকের ওপর বড় বড় করে ইংরেজিতে লেখা ‘মানভি’।

    জন্মদিনের পার্টিতে কান্নার সুর (Punjab Girl Dies)

    কেক কাটার আগে প্রথা মেনে মোমবাতিও নিভিয়েছে বছর দশেকের ওই বালিকা। যদিও বার্থ-ডে পার্টিতে উপস্থিত কেউই জানতেন না যে মোমবাতির দীপ নিভে যাওয়ার পরে পরেই নিভে যাবে মানভির জীবনদীপও। জন্মদিনের পার্টির হুল্লোড়ে তখন শোকের পরিবেশ। যে মুখগুলো এতক্ষণ ধরে হ্যাপি বার্থ-ডে গাইছিল, সেই মুখগুলোতেই হাহাকার করা কান্নার সুর। ঘটনাটি তবে (Punjab Girl Dies) খুলেই বলা যাক। পাঞ্জাবের পাতিয়ালার বাসিন্দা বছর দশেকের মানভির জন্মদিনের পার্টি ছিল। জন্মদিন উপলক্ষে অনলাইনে অর্ডার দেওয়া হয়েছিল কেক।

    বরাত জোরে বেঁচে গেল মানভির বোন

    শনিবার সন্ধেয় কেক কাটা হয়। মানভির বাড়ি তখন কচিকাঁচার কলকাকলিতে ভরপুর। ওদিকে হেঁসেলে চলছে রকমারি রান্না। সুগন্ধে ম ম করছে মানভির বাড়ি। মোমবাতি নিভিয়ে কেক কেটে প্রথম টুকরোটি মুখে নেয় মানভি ও তার বোন। উপস্থিত বাচ্চারা অবশ্য কেক খায়নি। কিছুক্ষণের মধ্যেই অসুস্থ হয়ে পড়ে দুই বোন। ঘন ঘন বমি করতে থাকে। দ্রুত তাদের নিয়ে যাওয়া হয় হাসপাতালে। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক মানভিকে মৃত ঘোষণা করেন। মানভির দাদু হারবান লাল বলেন, “মানভির বোন বেঁচে গিয়েছে। গোটা কেকটা ও বমি করে বের করে দিয়েছিল। তাই চিকিৎসকরা ওকে বাঁচাতে পেরেছেন।”

    আরও পড়ুুন: “বিজেপির ভোট কাটতেই সিপিএম প্রার্থী দিয়েছে যাদবপুরে”, বিস্ফোরক শুভেন্দু

    কেক প্রস্তুতকারী সংস্থার বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করা হয়েছে মানভির পরিবারের তরফে। কড়া ব্যবস্থা নেওয়ার আর্জি জানানো হয়েছে রাজ্যের স্বাস্থ্য দফতরের কাছে। যদিও সংস্থার দাবি, মানভির পরিবারে কোনও কেক এদিন সরবরাহ করা হয়নি। অভিযোগ পেয়ে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। পুলিশ জানিয়েছে, মানভির পোস্টমর্টেম হয়েছে। পরীক্ষার জন্য কেকের নমুনা পাঠানো হয়েছে ল্যাবে। পোস্টমর্টেমের রিপোর্টের জন্য অপেক্ষা করছে তারা (Punjab Girl Dies)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     
     
  • Himanta Biswa Sarma: “২০২৬ এর মধ্যে অসম কংগ্রেসে হিন্দু থাকবেন না”, বললেন হিমন্ত

    Himanta Biswa Sarma: “২০২৬ এর মধ্যে অসম কংগ্রেসে হিন্দু থাকবেন না”, বললেন হিমন্ত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “২০২৬ সালের মধ্যে অসম কংগ্রেসে কোনও হিন্দু থাকবেন না।” লোকসভা নির্বাচনের প্রক্কালে কথাগুলি বললেন অসমের মুখ্যমন্ত্রী তথা বিজেপি নেতা হিমন্ত বিশ্ব শর্মা (Himanta Biswa Sarma)। শনিবার গুয়াহাটিতে রাজ্য বিজেপির সদর দফতরে গিয়েছিলেন হিমন্ত। লোকসভা নির্বাচনে দলের প্রস্তুতি কেমন, তা খতিয়ে দেখতেই সদর দফতরে গিয়েছিলেন তিনি। সেখানে দলীয় নেতা-কর্মীদের সঙ্গে বৈঠক করেন অসমের মুখ্যমন্ত্রী। পরে নিশানা করেন কংগ্রেসকে।

    কী বললেন হিমন্ত? (Himanta Biswa Sarma)

    হিমন্ত বলেন, “২০২৬ সালের মধ্যে অসমে কোনও হিন্দু কংগ্রেসে থাকবেন না। আর ২০৩২ সালের মধ্যে প্রায় সব মুসলমানও কংগ্রেস ছেড়ে দেবেন। রাজীব ভবনে মহানগর বিজেপির শাখা খুলব আমরা। আগামিকাল (আজ, রবিবার) অনেক কংগ্রেস নেতা বিজেপিতে যোগ দেবেন।” তিনি বলেন, “গুয়াহাটিতে রাজ্য বিজেপির সদর দফতরে ১২৬টি বিধানসভা কেন্দ্রের প্রভারিষদের সঙ্গে বৈঠক করেছি। এদিনই কংগ্রেসের তিনজন বিজেপিতে যোগ দিয়েছেন। বাকি কয়েকজন যোগ দেবেন রবিবার। আমি মাজুলিতে যাব। পয়লা এপ্রিল সেখানে সাইকেল মিছিল দিয়ে আমি লোকসভা নির্বাচনের প্রচার শুরু করব।”

    ‘মুসলমান সমাজ সংস্কার করার চেষ্টা’

    মুসলমানদের উন্নয়নে যে তাঁর সরকার কাজ করছে, এদিন তাও মনে করিয়ে দেন অসমের মুখ্যমন্ত্রী (Himanta Biswa Sarma)। বলেন, “মুসলমানদের সমাজ সংস্কার করার চেষ্টা আমি করছি। অনেক মুসলমান যুবক আমায় সমর্থন করছেন। সেটা আপনারা ফেসবুকেই দেখতে পাবেন। তাঁরা একে স্বাগতও জানাচ্ছেন। কেউই এখনও এর বিরোধিতা করেননি।” লোকসভা নির্বাচনে বিজেপি জোড়হাট কেন্দ্রে জয়ী হবে বলেও আশাবাদী হিমন্ত। বলেন, “একটা অংশ আমার বিরুদ্ধে বিরূপ পরিবেশ তৈরি করতে চাইছে। কিন্তু আসল সত্যটা সম্পূর্ণ ভিন্ন।”

    কংগ্রেস ছেড়ে বিজেপিতে যোগ

    এদিকে, শনিবারই কংগ্রেস ছেড়ে তিন নেতা যোগ দিলেন অসম বিজেপিতে। এঁরা হলেন অসম প্রদেশ কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক মানস বোরা, গৌরব গগৈ এবং অসম প্রদেশ কংগ্রেসের আর এক সাধারণ সম্পাদক গৌরব সোমানি। দলীয় নেতৃত্বকে পাঠানো ইস্তফাপত্রে মানস লিখেছেন, “আমি মনে করি নতুন সুযোগ কাজে লাগানোর এটাই আমার কাছে সেরা সুযোগ। এলাকাবাসী এবং রাজ্যের কল্যাণেই আমি এই সিদ্ধান্ত নিয়েছি।” ইস্তফাপত্রে সোমানি আবার দুষেছেন (Himanta Biswa Sarma) দলের রাজ্য নেতৃত্বকেই।

    আরও পড়ুুন: “গোপাল ভাঁড়কে খুন করেছিলেন কৃষ্ণচন্দ্র”, দাবি মন্ত্রীর, মামলার হুমকি রানিমার

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     
     
  • Ram Lalla: দাবদাহে পুড়ছে অযোধ্যা, স্বস্তি দিতে রামলালাকে পরানো হচ্ছে সূতির পোশাক

    Ram Lalla: দাবদাহে পুড়ছে অযোধ্যা, স্বস্তি দিতে রামলালাকে পরানো হচ্ছে সূতির পোশাক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দাবদাহে পুড়ছে দেশ। প্রখর গরমে হাঁসফাঁস দশা মানুষের। কষ্ট পান ভগবানও। তাই অযোধ্যায় আজ, ৩০ মার্চ থেকে রাম মন্দিরের বিগ্রহ রামলালাকে (Ram Lalla) পরানো হচ্ছে সূতির পোশাক। রাম জন্মভূমি তীর্থ ক্ষেত্রের তরফে এক্স হ্যান্ডেলে রামলালার সূতির পোশাক পরা ছবি পোস্ট করা হয়েছে। সঙ্গে লেখা হয়েছে, “যে বস্ত্র আজ প্রভু পরেছেন, সেটি হ্যান্ডলুম কটন মলমল, প্রাকৃতিক নীল রংয়ে রাঙানো। বিগ্রহকে সাজানো হয়েছে গোট্টা ফুল দিয়ে।”

    ‘আত্মবৎ’ সেবা (Ram Lalla)

    হিন্দু শাস্ত্রে দেব বিগ্রহকে ‘আত্মবৎ’ সেবার কথা বলা হয়েছে। এর অর্থ হল, ভক্ত তাঁর আরাধ্যকে পুজো করবেন সেইভাবে, যেভাবে তিনি নিজের আত্মার তৃপ্তি সাধন করেন। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, এই ধারণা থেকেই গ্রীষ্মের দাবদাহ থেকে যাতে রামলালাকে (Ram Lalla) কিছুটা স্বস্তি দেওয়া যায়, তাই পরানো হয়েছে সূতির পোশাক। চলতি বছরের ২২ জানুয়ারি উদ্বোধন হয় অযোধ্যার রাম মন্দিরের। সেদিনই মন্দিরের গর্ভগৃহে প্রতিষ্ঠিত হন রামলালা। যেহেতু পাঁচ বছর বয়সের বালকের প্রতিমূর্তি এই বিগ্রহ, তাই নাম রাখা হয় ‘বালক রাম’। ৫১ ইঞ্চির এই মূর্তির রূপ অনিন্দ্যসুন্দর। এই মূর্তিকেই এদিন থেকে পরানো হচ্ছে সূতির পোশাক।

    দোরগোড়ায় রামনবমী

    এদিকে, এগিয়ে আসছে রামনবমী। তার দিন চারেক আগেই বাংলা নববর্ষ। তাই এই মরশুমে অযোধ্যায় নামবে ভক্তের ঢল। সেকথা মাথায় রেখেই শুক্রবার বৈঠকে বসেছিলেন হনুমানগড়ি মন্দির কর্তৃপক্ষ। বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন অযোধ্যার জেলা প্রশাসন ও পুলিশ। এই বৈঠকে পানীয় জলের ব্যবস্থা কী করা যায়, শৌচাগারেরই বা কী হবে, ভক্তদের পা যাতে প্রচণ্ড গরমে পুড়ে না যায়, তা নিয়ে কী করা হবে – এসব নিয়েই হয়েছে আলোচনা। প্রসঙ্গত, এই বৈঠকেরই দিন কয়েক আগে প্রখর তাপ ও জলের অভাবে কয়েকজন ভক্ত অচৈতন্য হয়ে পড়েছিলেন। এই ঘটনার পুনরাবৃত্তি রুখতেই তড়িঘড়ি বৈঠকে বসেছিলেন হনুমানগড়ি মন্দির কর্তৃপক্ষ (Ram Lalla)।

    আরও পড়ুুন: রাজনাথের নেতৃত্বে এবার ইস্তাহার কমিটি বিজেপির, কারা রয়েছেন জানেন?

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

LinkedIn
Share