Tag: news in bengali

news in bengali

  • PM Modi: “আত্মোৎসর্গ থেকেই শক্তি পাই”, গেটসের কাছে ‘রহস্য’ ফাঁস করলেন মোদি

    PM Modi: “আত্মোৎসর্গ থেকেই শক্তি পাই”, গেটসের কাছে ‘রহস্য’ ফাঁস করলেন মোদি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “অল্প বিশ্রামেই চাঙা হয়ে যাই। আমার শরীর তৈরি এভাবেই।” হাসতে হাসতে জবাব দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। যাঁকে জবাবটা দিলেন, তিনিও বিশ্বখ্যাত ব্যক্তিত্ব, মাইক্রেসফটের সহ প্রতিষ্ঠাতা বিল গেটস।

    ফিট থাকার কৌশল (PM Modi)

    বিশ্বের সব চেয়ে পরিশ্রমী নেতাদের একজন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। বিল গেটসের সঙ্গে সাক্ষাৎকার পর্বে প্রধানমন্ত্রীর ফিট থাকার কৌশল জানতে চান মাইক্রেসফট কর্তা। এই প্রশ্নের উত্তর দিতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আমি অটোপাইলট মোডে বিশ্রাম নিয়ে নিই। শারীরিক শক্তি থেকে এই এনার্জি আসে না। আত্মোৎসর্গ ও আবেগ থেকে আসে এই এনার্জি। আমার কাজই আমাকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে। আমার শরীর সেই ভাবেই তৈরি হয়ে গিয়েছে। গভীর রাত পর্যন্ত পড়াশোনা করি। তারপর ভোরে উঠে পড়ি। বিশ্রামের জন্য আলাদা করে আর সময় বের করতে হয় না।” এর পরেই তিনি (PM Modi) বলেন, “অটোপাইলট মোডেই বিশ্রাম হয়ে যায়।”

    প্রধানমন্ত্রীর ডেইলি রুটিন

    শরীরের ফিটনেস প্রসঙ্গে তাঁর হিমালয়ে কাটানো দিনগুলির কথা স্মরণ করিয়ে দেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, “হিমালয়ে কাটানোর সময় ব্রাহ্ম মুহূর্তে স্নান করতাম আমি। এখনও সেই অভ্যাসই রয়ে গিয়েছে আমার। ভোর ৩টে ২০ থেকে ৩টে ৪০ মিনিটের মধ্যে স্নান করে সারাদিনের জন্য তৈরি হয়ে যাই। এই নিয়মানুবর্তিতাই আমার শরীরকে মজবুত করেছে।” প্রধানমন্ত্রীর কথায় উঠে এসেছে মিলেট প্রসঙ্গও। তিনি বলেন, “মিলেট স্বাস্থ্যগুণে ভরপুর। আন্তর্জাতিক মানের সংস্থাও এই ধরনের শস্য দিয়ে তৈরি খাবার বিক্রি করছে। মিলেট জাতীয় শস্য শুষ্ক মাটিতেও চাষ করা যায়। এজন্য সার লাগে না। ফলে চাষের দিক থেকেও সুবিধাজনক মিলেট।”

    আরও পড়ুুন: “দুর্নীতির বিরুদ্ধে লড়াই, প্রতিপক্ষ হিসাবে কাউকে ভাবছি না”, বললেন অমৃতা রায়

    কৃত্রিম বুদ্ধমত্তা (এআই) নিয়েও কথা হয় মোদি ও গেটসের মধ্যে। এআই প্রযুক্তি ব্যবহার করে জি২০ সম্মেলনে তাঁর বক্তৃতাকে বিভিন্ন ভাষায় অনুবাদ করায় সুবিধা হয়েছে বলেও জানান প্রধানমন্ত্রী। এআইয়ের সাহায্যে ডিপফেক ছবি তৈরি করা হচ্ছে বলেও জানান প্রধানমন্ত্রী। এই প্রযুক্তির অপব্যবহারের মোকাবিলায় উপযুক্ত ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বানও জানান তিনি। বিশ্বে এই প্রযুক্তি ব্যবহার করার জন্য কিছু নিয়ম নির্ধারণ করা উচিত বলেও মনে করেন প্রধানমন্ত্রী (PM Modi)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     
     

       

  • China: জঙ্গি হামলায় মৃত ৫ চিনা ইঞ্জিনিয়র, পাকিস্তানে বাঁধের কাজ বন্ধ

    China: জঙ্গি হামলায় মৃত ৫ চিনা ইঞ্জিনিয়র, পাকিস্তানে বাঁধের কাজ বন্ধ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পড়তির দিকে পাকিস্তান-চিন সম্পর্ক! দু’দুটো বাঁধ নির্মাণের কাজ চলাকালীন আচমকাই মাঝ পথে কাজ বন্ধ করে দিয়েছে চিন (China)। যার জেরে মাথায় হাত পাক সরকারের। কিছুদিন আগেই পাকিস্তানে বাঁধ নির্মাণ চলার সময় হঠাৎই আত্মঘাতী হামলা চালায় জঙ্গিরা। ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় পাকিস্তানের এক গাড়ির ড্রাইভার সহ মোট ছ’জনের।

    বাঁধ নির্মাণের কাজ বন্ধ (China)

    এঁদের মধ্যে বাকিরা চিনের ইঞ্জিনিয়র। তার পরেই বাঁধ নির্মাণের কাজ বন্ধ করে দেয় চিনা নির্মাণ সংস্থা। কাজ শুরু করার আগে পাকিস্তান কর্তৃপক্ষের তরফে নিরাপত্তাও দাবি করা হয়। প্রসঙ্গত, এই বাঁধ নির্মাণের কাজে সঙ্গে জড়িত রয়েছেন প্রায় ১ হাজার ২৫০ জন চিনা (China) নাগরিক। জানা গিয়েছে, আত্মঘাতী বিস্ফোরণটি ঘটে ২৬ মার্চ, মঙ্গলবার। এদিন বাঁধ নির্মাণের কাজ যখন চলছিল পুরোদমে, তখন আচমকাই দাসু বাঁধের সাইটে ঢুকে পড়ে একটি গাড়ি। দ্রুত গতিতে ছুটে আসা গাড়িটি একটি জায়গায় ধাক্কা মারে।

    উপযুক্ত নিরাপত্তার দাবি

    কান ফাটানো আওয়াজে কেঁপে ওঠে গোটা এলাকা। ঘটনাস্থলেই প্রাণ হারান পাঁচজন চিনা ইঞ্জিনিয়র। সাইট পরিদর্শন করছিলেন তাঁরা। পাকিস্তানের এক গাড়ি চালকেরও মৃত্যু হয় বিস্ফোরণে। বাঁধ নির্মাণের কাজ করছিল চিনের গেঝৌবা গোষ্ঠী। সঙ্গে সঙ্গে কাজ বন্ধের কথা ঘোষণা করে দেয় তারা। পাক সরকারের তরফে উপযুক্ত নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা না হলে যে কাজ শুরু হবে না, তাও জানিয়ে দেয় এই চিনা কোম্পানি। জানা গিয়েছে, দাসু বাঁধ প্রজেক্টে কাজ করছিলেন সাড়ে সাতশোর কাছাকাছি চিনা ইঞ্জিনিয়র। অন্য নির্মীয়মাণ বাঁধটির কাজ দেখাশোনা করছিলেন পাঁচশোর মতো চিনা ইঞ্জিনিয়র।

    আরও পড়ুুন: রবিবারই ভারতরত্ন দেওয়া হবে আডবাণীকে, বাড়িতে গিয়ে দিয়ে আসবেন রাষ্ট্রপতি

    খাইবার পাখতুনখাওয়া ইন্টিরিয়রের প্রবীণ আধিকারিক বলেন, “আত্মঘাতী বিস্ফোরণে নিহত হয়েছেন চিনের পাঁচ ইঞ্জিনিয়র। তাই চিনা গেঝৌবা গ্রুপ কোম্পানি কাজ বন্ধ করে দিয়েছে। মঙ্গলবারের হামলার পরের দিন থেকেই বন্ধ রয়েছে বাঁধ নির্মাণের কাজ। সরকারের তরফে উপযুক্ত নিরাপত্তা দাবি করেছে ওই নির্মাণ সংস্থা।” জানা গিয়েছে, চিনের তরফেও পাকিস্তান সরকারকে আবেদন করা হয়েছে এই মর্মে যে তারা যেন পাকিস্তানে থাকা চিনা নাগরিকদের জন্য পর্যাপ্ত নিরাপত্তার ব্যবস্থা করে (China)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • LK Advani: রবিবারই ভারতরত্ন দেওয়া হবে আডবাণীকে, বাড়িতে গিয়ে দিয়ে আসবেন রাষ্ট্রপতি

    LK Advani: রবিবারই ভারতরত্ন দেওয়া হবে আডবাণীকে, বাড়িতে গিয়ে দিয়ে আসবেন রাষ্ট্রপতি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রবীণ রাজনীতিক এলকে আডবাণীকে (LK Advani) ভারতরত্ন সম্মান দেওয়া হবে রবিবার। যদিও তাঁকে যে ভারতরত্ন সম্মানে ভূষিত করা হবে, তা জানানো হয়েছিল চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি মাসের গোড়ার দিকে। আডবাণীকে যে ভারতরত্ন পুরস্কারের জন্য মনোনীত করা হয়েছে, সে খবর দেশবাসীকে শোনান প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। পরে তিনি নিজে গিয়ে অভিনন্দন জানিয়েছিলেন আডবাণীকে। করেছিলেন ট্যুইটও। রাত পোহালে রবিবার সেই সম্মানই তুলে দেওয়া হবে প্রবীণ এই রাজনীতিকের হাতে।

    আডবাণীকে ভারতরত্ন (LK Advani)

    সূত্রের খবর, রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু স্বয়ং যাবেন আডবাণীর (LK Advani) বাসভবনে। সেখানেই দেশের সর্বোচ্চ নাগরিক সম্মানে সম্মানিত করা হবে তাঁকে। জানা গিয়েছে, অসুস্থ আডবাণীকে সম্মানিত করতেই তাঁর বাসভবনে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন রাষ্ট্রপতি। একান্তই ঘরোয়া এই অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রপতির পাশাপাশি উপস্থিত থাকবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ এবং বিজেপির জাতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডা।

    আডবাণীর অবদান

    অধুনা পাকিস্তানের করাচিতে জন্ম আডবাণীর। তিন দশকের কাছাকাছি সময় যুক্ত ছিলেন সংসদীয় রাজনীতিতে। প্রথমে হয়েছিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। পরে একবার উপপ্রধানমন্ত্রী  হন। অটল বিহারী বাজপেয়ী যখন প্রধানমন্ত্রী ছিলেন, তখনই উপপ্রধানমন্ত্রী ছিলেন আডবাণী। আডবানিকে ভারতরত্ন পুরস্কার দেওয়ার সিদ্ধান্তের কথা ঘোষণা করার সময় প্রধানমন্ত্রী তাঁর সঙ্গে আডবাণীর তোলা একটি পুরানো ছবিও শেয়ার করেছিলেন।

    এক্স হ্যান্ডেলে প্রধানমন্ত্রী লিখেছিলেন, “আমি অত্যন্ত আনন্দের সঙ্গে জানাচ্ছি যে, শ্রী লালকৃষ্ণ আডবাণীজিকে ভারতরত্ন সম্মানে ভূষিত করা হচ্ছে। আমি তাঁকে অভিনন্দন জানিয়েছি। তিনি দেশের অন্যতম সম্মানীয় রাষ্ট্রনায়ক। দেশের উন্নতির প্রতি তাঁর অবদান অনস্বীকার্য।” প্রধানমন্ত্রী এও লিখেছিলেন, “তৃণমূল স্তর থেকে কাজ শুরু করে তিনি (আডবাণী) দেশের ডেপুটি প্রধানমন্ত্রীর পদ সামলেছেন। দেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এবং তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন তিনি। তাঁর সংসদীয় পরামর্শ চিরকালই মহামূল্যবান। অন্তর্দৃষ্টিতে পূর্ণ সেই পরামর্শ বরাবরই আমাদের সমৃদ্ধ করে।”

    আরও পড়ুুন: “ভারত এমন দেশ নয়, যাকে অন্যের উপদেশ নিতে হবে”, বললেন ধনখড়

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Jagdeep Dhankhar: “ভারত এমন দেশ নয়, যাকে অন্যের উপদেশ নিতে হবে”, বললেন ধনখড়

    Jagdeep Dhankhar: “ভারত এমন দেশ নয়, যাকে অন্যের উপদেশ নিতে হবে”, বললেন ধনখড়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “ভারতের বিচারব্যবস্থা অত্যন্ত সুদৃঢ়। এর মধ্য স্বচ্ছতা রয়েছে। এই ব্যবস্থা স্বাধীনও।” কথাগুলি বললেন উপরাষ্ট্রপতি জগদীপ ধনখড় (Jagdeep Dhankhar)। দিল্লি আবগারি নীতি মামলায় ইডির হাতে গ্রেফতার হয়েছেন দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল। তার প্রেক্ষিতে মন্তব্য করেছে আমেরিকা, জার্মানি এবং রাষ্ট্রসংঘ। এই আবহে ধনখড়ের মন্তব্য যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বলে ধারণা ওয়াকিবহাল মহলের।

     কী বললেন ধনখড়?

    বার অ্যাসোসিয়েশন আয়োজিত অনুষ্ঠানে ধনখড় বলেন, “পৃথিবীতে অনেক মানুষ আছেন, যাঁরা আমাদের দেশের বিচার ব্যবস্থা নিয়ে বক্তৃতা দিয়ে বেড়ান।” এর পরেই তিনি বলেন, “ভারতের বিচারব্যবস্থা যথেষ্ট শক্তিশালী।” জাতীয়তাবাদের প্রতি দেশবাসীকে দায়বদ্ধ হওয়ার পরামর্শও এদিনের অনুষ্ঠানে দেন ধনখড় (Jagdeep Dhankhar)। বলেন, “আমরা এমন কোনও দেশ নয়, যাদের অন্যের কাছ থেকে উপদেশ নিতে হবে। যুব সমাজ যাতে বিষয়টি নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়া এবং অন্যান্য প্লাটফর্মে সরব হয়, সেই পরামর্শও দেন উপরাষ্ট্রপতি।” যেসব দেশ অজ্ঞানতাবশত ভারত সম্পর্কে মন্তব্য করছে, তাদের কাছে এ দেশের মহিমা প্রচার করার বার্তাও দেন ধনখড়।

    ভারতের বিচারব্যবস্থা

    ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অফ পাবলিক অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের একটি অনুষ্ঠানেও যোগ দেন উপরাষ্ট্রপতি। সেখানে তিনি বলেন, “ভারত গণতান্ত্রিক দেশ। এ দেশের বিচারব্যবস্থা দাঁড়িয়ে রয়েছে শক্ত ভিতের ওপর। এই ব্যবস্থা কোনও ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর সঙ্গে আপোস করতে পারে না। আমাদের দেশের বিচারব্যবস্থার প্রতি শ্রদ্ধাশীল হতে হবে আমাদের, যাতে করে দেশ বিরোধী শক্তি মিথ্যে প্রচার করতে না পারে। দেশে যে গণতন্ত্র রয়েছে, তাকেও আগলে রাখতে হবে আমাদের।”

    আরও পড়ুুন: এবার উপগ্রহের মাধ্যমে দেশে টোল সংগ্রহ হবে, জানালেন গড়করি

    উপরাষ্ট্রপতি বলেন, “এটা (কেজরিওয়ালকে গ্রেফতার) তাদের (বিচারব্যবস্থার) কাজ। কিন্তু যদি একদল লোক যাদের না আছে রেজিস্ট্রেশন কিংবা তারা কোনও স্বীকৃতিপ্রাপ্ত রাজনৈতিক দল কোনও রাজনৈতিক দলের মতো আচরণ করে, তাহলে আমরা কী করব? তাদের ধর্তব্যের মধ্যে আনার প্রয়োজন নেই। তাদের ট্রাকশান দেওয়া হয়েছে। আমাদের অবশ্যই এর ঊর্ধ্বে উঠতে হবে।” প্রসঙ্গত, কেজরিওয়াল গ্রেফতার হওয়ার পরে পরেই মন্তব্য ধেয়ে আসে আমেরিকা, জার্মানি এবং রাষ্ট্রসংঘের তরফে। তার প্রেক্ষিতে আমেরিকা ও জার্মানির ভারতে নিযুক্ত রাষ্ট্রদূতদের ডেকে সমঝে দেয় নয়াদিল্লি (Jagdeep Dhankhar)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

     
     
  • LCA Tejas Mark-1A: আকাশে ডানা মেলল এলসিএ মার্ক-১এ, প্রথম উড়ান তেজস-এর নতুন সংস্করণের

    LCA Tejas Mark-1A: আকাশে ডানা মেলল এলসিএ মার্ক-১এ, প্রথম উড়ান তেজস-এর নতুন সংস্করণের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রতীক্ষার অবসান। আকাশে ডানা মেলল দেশীয় তেজস মার্ক-১এ যুদ্ধবিমান (LCA Tejas Mark-1A) । বৃহস্পতিবার, প্রথম পরীক্ষামূলক উড়ান সফলভাবে সম্পন্ন করেছে এই লাইট কমব্যাট এয়ারক্র্যাফট বা সংক্ষেপে এলসিএ। এবার ভারতীয় বায়ুসেনায় (Indian Air Force) হাতে আসা থেকে মাত্র এক ধাপ দূরে তেজস-এর নতুন সংস্করণ। 

    ডানা মেলল এলসিএ মার্ক-১এ

    বৃহস্পতিবার, বেঙ্গালুরুতে অবস্থিত রাষ্ট্রায়ত্ত যুদ্ধবিমান প্রস্তুতকারী সংস্থা হিন্দুস্থান অ্যারোনটিক্স লিমিটেড (হ্যাল)-এর তত্ত্বাবধানে এই উড়ান পরীক্ষা সম্পন্ন হয়। সংস্থার আধিকারিকরা সেই খবর সংবাদমাধ্যমকে দেন। জানা গিয়েছে, প্রথমবার আকাশে উড়ে প্রায় ১৫ মিনিট চক্কর কাটে এলসিএ মার্ক-১এ (LCA Tejas Mark-1A)। বস্তুত, ৮৩টি মার্ক-১এ বিমানের জন্য হ্যাল-এর সঙ্গে ৪৮ হাজার কোটি টাকার চুক্তি করেছে বায়ুসেনা। আরও ৯৭টি যুদ্ধবিমান কেনার জন্য ৬৫ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ করেছে কেন্দ্র।

    আরও পড়ুন: মার্চ মাসেই প্রথম ‘তেজস মার্ক-১এ’ হাতে পাচ্ছে বায়ুসেনা?

    চলতি মাসের শেষেই হস্তান্তর!

    সূত্রের খবর, চলতি মাসের শেষেই সম্ভবত এই সংস্করণের প্রথম বিমানটি তুলে দেওয়া হবে বায়ুসেনার (Indian Air Force) হাতে। খবর মিলেছে, আগামী ৩১ মার্চ এই হস্তান্তর প্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে। সেদিন এলসিএ মার্ক-১এ যুদ্ধবিমানের টুইন-সিটার বা দুই আসন-বিশিষ্ট ভার্সান বায়ুসেনার হাতে তুলে দেওয়া হবে। তেমনটা হলে, স্বদেশীয় যুদ্ধবিমান প্রকল্পের জন্য তা হতে চলেছে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। কারণ, এলসিএ তেজস মার্ক-১এ (LCA Tejas Mark-1A) মূলত হল চতুর্থ প্রজন্মের যুদ্ধবিমান। তবে, বিশ্বের বহু চতুর্থ প্রজন্মের যুদ্ধবিমানের তুলনায় তেজস মার্ক-১এ হতে চলেছে বেশি ক্ষমতাশালী ও উন্নত।

    চতুর্থ প্রজন্মের যুদ্ধবিমান তেজস মার্ক-১এ

    ২০১৬ সাল থেকেই ভারতীয় বায়ুসেনায় অন্তর্ভুক্ত হয়ে রয়েছে তেজসের মার্ক-১ সংস্করণ। বর্তমানে, বায়ুসেনায় তেজস মার্ক-১ যুদ্ধবিমানের দুটি স্কোয়াড্রন রয়েছে— একটি ১৮ নম্বর এবং দ্বিতীয়টি ৪৫ নম্বর স্কোয়াড্রন। একবার মার্ক-১এ সংস্করণ (LCA Tejas Mark-1A) অন্তর্ভুক্ত হলে বায়ুসেনার শক্তি ও সংখ্যা— দুটোই অনেকটা বেড়ে যাবে। বাহিনীতে মার্ক-১এ যুদ্ধবিমান অন্তর্ভুক্ত হলে তা ‘যুগান্তকারী’ হবে বলে উল্লেখ করেন বায়ুসেনা (Indian Air Force) প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল ভিআর চৌধুরি। 

    আধুনিকীকরণের পথে ভারতীয় বায়ুসেনা

    বর্তমানে, ভারত-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে দেশের বায়ুসেনায় এলসিএ মার্ক-১এ যুদ্ধবিমানের অন্তর্ভুক্তি অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ ও সময়োপযোগী বলেই মনে করছেন প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞরা। তাঁদের মতে, ধুঁকতে থাকা মিগ সিরিজের যুদ্ধবিমানগুলিকে অবসরে পাঠানোর পর ভারতীয় বায়ুসেনায় এখন যুদ্ধবিমানের বিপুল ঘাটতি রয়েছে। দেশীয় চতুর্থ প্রজন্মের উন্নত এলসিএ মার্ক-১এ (LCA Tejas Mark-1A) বিমান সেই ঘাটতি অনায়াসে পূরণ করতে পারবে। ভারতীয় বায়ুসেনা (Indian Air Force) এখন আধুনিকীকরণের পথে। তারা চাইছে দ্রুত ফাইটার ফ্লিটের সংখ্যা বাড়াতে। সেই লক্ষ্য পূরণ  করতে বায়ুসেনার প্রধান ভরসা দেশীয় তেজস মার্ক-১এ।

    তেজসের জনপ্রিয়তা আরও বাড়বে…

    ইতিমধ্যেই, বাহিনীতে বিপুল জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে এলসিএ তেজস। বিভিন্ন দেশ এই বিমান কেনার বিষয়ে তাদের আগ্রহ প্রকাশ করেছে। এবার নতুন এলসিএ মার্ক-১এ (LCA Tejas Mark-1A) যুদ্ধবিমানগুলি সেই আকর্ষণ আরও বাড়াবে বলেই মনে করছে তথ্যাভিজ্ঞ মহল। তেজস-এর বর্তমান সংস্করণের মতো একই (চতুর্থ) প্রজন্মের হলেও তুলনায় মার্ক-১এ তার পূর্বসূরির চেয়ে ঢের বেশি উন্নত, আধুনিক ও শক্তিশালী হতে চলেছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • MGNREGA Wages: একশো দিনের কাজের মজুরি বাড়াল কেন্দ্র, কার্যকর ১ এপ্রিল থেকে, কত হল জানেন?

    MGNREGA Wages: একশো দিনের কাজের মজুরি বাড়াল কেন্দ্র, কার্যকর ১ এপ্রিল থেকে, কত হল জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: একশো দিনের কাজ প্রকল্পে মজুরি (MGNREGA Wages) বাড়াল কেন্দ্র। ২৭ মার্চ এ বিষয়ে নোটিশ জারি করা হয়েছে কেন্দ্রের তরফে। মহাত্মা গান্ধী ন্যাশনাল রুরাল এমপ্লয়মেন্ট গ্যারান্টি অ্যাক্টে যেসব অদক্ষ শ্রমিক কাজ করবেন, তাঁদেরই দেওয়া হবে নয়া হারে এই মজুরি। ২০২৪-২৫ অর্থবর্ষেই মিলবে নয়া হারে মজুরি। এপ্রিলের প্রথম দিন থেকেই এই হারে মজুরি মিলবে বলে নোটিশ জারি করে জানিয়ে দিয়েছে রুরাল ডেভেলপমেন্ট মন্ত্রক।

    কোন রাজ্যে কত মজুরি? (MGNREGA Wages)

    একশো দিনের কাজের (MGNREGA Wages) এই প্রকল্পে বিভিন্ন রাজ্যে আলাদা আলাদা হারে মজুরি দেওয়া হয়। উত্তরপ্রদেশ এবং উত্তরাখণ্ডে দিন প্রতি দেওয়া হয় ২৩০ থেকে ২৩৭ টাকা। নাগাল্যান্ড এবং অরুণাচল প্রদেশে মেলে প্রতিদিন ২৩৪ টাকা করে। সব চেয়ে বেশি মজুরি দেয় হরিয়ানা। সেখানে প্রতিদিন মেলে ৩৭৪ টাকা করে। গোয়ায় আবার প্রতিদিন ৩৫৬ টাকা করে দেওয়া হচ্ছে চলতি অর্থবর্ষ থেকেই। নয়া ব্যবস্থায় এই প্রকল্পে কর্নাটকে মিলবে প্রতিদিন ৩৪৯ টাকা করে। আগে দেওয়া হত ৩১৬ টাকা করে। এখানে মজুরি বেড়েছে ১০.৪৪ শতাংশ। 

    বৃদ্ধির হার (শতাংশে)  

    অন্ধ্রপ্রদেশ ও তেলঙ্গনায় মজুরি হিসেবে মিলবে দৈনিক ৩০০ করে টাকা। আগে এখানে দেওয়া হত ২৭২ টাকা করে। বৃদ্ধির হার ১০.২৯ শতাংশ। মধ্যপ্রদেশ ও ছত্তিশগড়ে মজুরি বাড়ানো হয়েছে ১০ শতাংশ করে। ২২১ টাকা থেকে দৈনিক মজুরি বেড়ে হয়েছে ২৪৩ টাকা। একশো দিনের কাজ প্রকল্পে ৫ শতাংশের নীচে মজুরি বেড়েছে হরিয়ানা, অসম, মণিপুর, অরুণাচল প্রদেশ, নাগাল্যান্ড, রাজস্থান, কেরল এবং লাক্ষাদ্বীপে। নোটিশ থেকে জানা গিয়েছে, গোটা দেশে মজুরি বাড়ানো হয়েছে গড়ে ৭ শতাংশ। এতদিন যেখানে মিলত দিন প্রতি গড়ে ২৬৭.৩২ টাকা, সেখানে এখন মিলবে ২৮৫.৪৭ টাকা করে (MGNREGA Wages)।

    প্রসঙ্গত, কিছুদিন আগেই ন্যূনতম মজুরির বদলে কেন্দ্র লিভিং ওয়েজ চালু করতে চলেছে বলে খবর প্রকাশিত মাধ্যমে। ২০২৫ সালের মধ্যেই চালু হয়ে যাবে লিভিং ওয়েজ। তার আগেই একশো দিনের কাজ প্রকল্পে এক ধাক্কায় অনেকটাই মজুরি বাড়িয়ে দিল কেন্দ্র। যেহেতু লোকসভা ভোট ঘোষণা হয়ে গিয়েছে, ফলত এই নোটিশ জারি করার আগে নির্বাচন কমিশনের অনুমতি নিতে হয়েছে কেন্দ্রকে। মজুরি বাড়ানোর ক্ষেত্রে বিবেচনা করা হয়েছে সংশ্লিষ্ট রাজ্যের মূল্যসূচক এবং সে রাজ্যে মুদ্রাস্ফীতির হারের কথা।

    আরও পড়ুুন: “যথেষ্ট অর্থ নেই”, তাই নির্বাচনে লড়ছেন না অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন!

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

     

     

  • Lok Sabha Elections 2024: “যথেষ্ট অর্থ নেই”, তাই নির্বাচনে লড়ছেন না অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন!

    Lok Sabha Elections 2024: “যথেষ্ট অর্থ নেই”, তাই নির্বাচনে লড়ছেন না অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তিনি দেশের অর্থমন্ত্রী। দেশের যাবতীয় প্রয়োজনে টাকা জোগান তিনি। সেই তিনিই কিনা আসন্ন লোকসভা নির্বাচনে (Lok Sabha Elections 2024) লড়ছেন না টাকার অভাবে! শুনে যতই চোখ কপালে উঠুক না কেন, ঘোর বাস্তব এটাই। দেশের অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন।

    কী বললেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী? (Lok Sabha Elections 2024)

    ‘টাইমস নাও সামিট ২০২৪’ এ অংশ নিয়ে তিনি বলেন, “বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডা আমায় অন্ধ্রপ্রদেশ কিংবা তামিলনাড়ু থেকে লোকসভা নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার প্রস্তাব দিয়েছিলেন। কিন্তু নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে হলে যে পরিমাণ টাকার প্রয়োজন, তা আমার নেই। তাই ওঁর প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করে দিয়েছি আমি।” কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী বলেন, “নাড্ডাজির প্রস্তাব পাওয়ার পর আমি এক সপ্তাহ থেকে ১০ দিন সময় নিয়েছিলাম। তারপর বললাম, না, নির্বাচনে লড়ার মতো অর্থ আমার নেই।”

    পদ্ম-পার্টিকে ধন্যবাদ

    বিজেপি তাঁর সিদ্ধান্তকে সম্মান জানানোয় পদ্ম-পার্টিকে ধন্যবাদ দিয়েছেন নির্মলা। বলেন, “আমি কৃতজ্ঞ যে (Lok Sabha Elections 2024) তারা আমার যুক্তিগুলি মেনে নিয়েছে। তাই আমি এবার নির্বাচনে লড়ছি না।” দেশের অর্থমন্ত্রী হয়েও তাঁর কাছে নির্বাচনে লড়ার মতো প্রয়োজনীয় অর্থ নেই কেন? প্রশ্ন শুনে নির্মলা বলেন, “দেশের অর্থ আমার ব্যক্তিগত নয়। আমার বেতন এবং সঞ্চয় অল্প। সেটা দেশের অর্থ নয়।”

    আরও পড়ুুন: “চিন-ভারত সম্পর্ক স্বাভাবিক হবে যদি…”, কী শর্ত দিলেন জয়শঙ্কর?

    মনে রাখতে হবে, নির্মলা রাজ্যসভার সদস্য। সেখানে দল কাউকে মনোনীত করে পাঠায়। আর লোকসভা নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে হলে প্রচুর অর্থের প্রয়োজন হয়। তবে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা না করলেও, তিনি যে বিজেপির হয়ে প্রচার করবেন, তা জানিয়ে দিয়েছেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী। তিনি বলেন, “আমি অনেক মিডিয়া প্রোগ্রামে অংশ নেব। প্রার্থীদের সঙ্গেও থাকব। প্রচারেও থাকব।” লোকসভা নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা না করার আরও একটি কারণ দেখিয়েছেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী। বলেন, “নির্বাচনে জয়ের জন্য আরও অনেক ফ্যাক্টর কাজ করে। আমাকে ভাবতে হয়েছে অন্ধ্রে দাঁড়াব নাকি তামিলনাড়ুতে। এর বাইরেও বহু প্রশ্ন রয়েছে। আপনি এই সম্প্রদায়ের নাকি অন্য সম্প্রদায়ের। এই ধর্মের নাকি অন্য ধর্মের। এই জাতির নাকি অন্য জাতির। আমার মনে হল, এসব আমার দ্বারা হবে না (Lok Sabha Elections 2024)।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

     

  • Lok Sabha Elections 2024: ১৩টি রাজ্য, কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে নির্বাচন ইনচার্জ, সহ-ইনচার্জ নিয়োগ বিজেপির

    Lok Sabha Elections 2024: ১৩টি রাজ্য, কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে নির্বাচন ইনচার্জ, সহ-ইনচার্জ নিয়োগ বিজেপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লোকসভার ৫৪৩টি আসনে হবে নির্বাচন (Lok Sabha Elections 2024)। তার মধ্যে পেতে হবে ৪০০টি আসন। এর মধ্যে আবার বিজেপিকে একাই পেতে হবে অন্তত ৩৭০টি আসন। বাকি ৩০টি পেতে হবে এনডিএর অন্য শরিক দলগুলিকে। এই লক্ষ্যমাত্রা বেঁধে দিয়েছেন নরেন্দ্র মোদি স্বয়ং। তাই ৪০০ আসনের লক্ষ্যেই ঝাঁপাচ্ছে গেরুয়া শিবির।

    কে, কোথাকার দায়িত্বে? (Lok Sabha Elections 2024)

    এজন্য দেশের ১৩টি রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলিতে নির্বাচন ইনচার্জ ও সহ-ইনচার্জ নিয়োগ করেছে বিজেপি। পদ্ম শিবিরের তরফে (Lok Sabha Elections 2024) জানানো হয়েছে, অসমের ইনচার্জ নিয়োগ করা হয়েছে ক্যাপ্টেন অভিমন্যুকে। ছত্তিশগড়ের জন্য নিতিন নবীনকে। দিল্লির ইনচার্জ ওপি ধনখড়, মহারাষ্ট্রের জন্য দীনেশ শর্মা, মেঘালয়ের জন্য এম ছুবা আও, মণিপুরের জন্য অজিত ঘোপছেদে, মিজোরামের জন্য দেবেশ কুমার, নাগাল্যান্ডের জন্য নলীন কোহলি, তেলঙ্গানার জন্য অভয় পালিত এবং ত্রিপুরার জন্য অবিনাশ রাই খান্নাকে নিয়োগ করা হয়েছে। রাজ্যসভার সদস্য তথা উত্তরপ্রদেশের ভূতপূর্ব উপমুখ্যমন্ত্রী দীনেশ শর্মাকে মহারাষ্ট্রের ইলেকশন ইনচার্জ করা হয়েছে। 

    সহ-ইনচার্জ কারা?

    বিহারের বিধায়ক সঞ্জীব চৌরাশিয়া এবং সাংসদ রমেশ বিধুরি এবং সঞ্জয় ভাটিয়াকে উত্তরপ্রদেশের সহ-ইনচার্জ নিয়োগ করেছে বিজেপি। কর্নাটকের প্রাক্তন বিজেপি প্রেসিডেন্ট নলিন কুমার কাটিলকে কেরলের কো-ইনচার্জ করা হয়েছে। আন্দামান-নিকোবরের সহ-ইনচার্জ হয়েছেন রঘুনাথ কুলকার্নি, দিল্লির অলক গুর্জর। মহারাষ্ট্রের জন্য নিয়োগ করা হয়েছে নির্মল কুমার সুরানা এবং জীবন সিং পাওয়াইয়া। 

    আরও পড়ুুন: লোকসভা ভোটের আগে পাঞ্জাবে ‘রামধাক্কা’, আপ ছেড়ে বিজেপিতে সাংসদ, বিধায়ক

    এবার সাত দফায় হবে লোকসভা নির্বাচন (Lok Sabha Elections 2024)। প্রথম দফার নির্বাচন শুরু হবে ১৯ এপ্রিল। ভোট গণনা হবে ৪ জুন।আসন্ন লোকসভা নির্বাচনে বিজেপির জয় এক প্রকার নিশ্চিত। তবে কীভাবে আরও বেশি করে আসন নিয়ে ফেরা যায়, সেই জন্যই যাবতীয় পদক্ষেপ করছেন বিজেপির ভোট ম্যানেজাররা। সংসদে বিজেপির প্রতিনিধিত্ব যত বেশি হবে, ততই অনায়াসে পাশ করানো যাবে সেই সব বিল, যেগুলি প্রতিশ্রুতি দিয়েছে বিজেপি। তাই নিয়োগ করা হয়েছে ইনচার্জ ও কো-ইনচার্জ।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

     

  • S Jaishankar: “চিন-ভারত সম্পর্ক স্বাভাবিক হবে যদি…”, কী শর্ত দিলেন জয়শঙ্কর?

    S Jaishankar: “চিন-ভারত সম্পর্ক স্বাভাবিক হবে যদি…”, কী শর্ত দিলেন জয়শঙ্কর?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রতিবেশীর সঙ্গে ভালো সম্পর্ক রাখতে চায় ভারত। একথা বারংবার জানিয়ে দিয়েছেন বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর (S Jaishankar)। চিন-ভারত সম্পর্ক কীভাবে স্বাভাবিক হবে, তাও জানিয়ে দিলেন তিনি। বিদেশমন্ত্রী বললেন, “চিনের সঙ্গে ভারতের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক স্বাভাবিক হবে তখনই, যখন চিন সীমান্তে কী পরিমাণ সৈন্য মোতায়েন করছে তার ওপর। অদূর ভবিষ্যতে বেজিংয়ের সঙ্গে নয়াদিল্লির সম্পর্কের পূর্বশর্তও হবে এটাই।” তিনি বলেন, “ভারতীয় নাগরিকদের প্রতি আমার প্রথম কর্তব্য হল সীমান্ত সুরক্ষিত রাখা। এই বিষয়ে আমি কোনও কম্প্রোমাইজ করব না।”

    কী বললেন জয়শঙ্কর? (S Jaishanka)

    সম্প্রতি সিঙ্গাপুর, ফিলিপিন্স এবং মালয়েশিয়া সফরে গিয়েছেন জয়শঙ্কর। সব শেষে তিনি গিয়েছেন কুয়ালালামপুরে। সেখানেই প্রবাসী ভারতীয়দের সঙ্গে এক আলোচনায় যোগ দেন তিনি। প্রত্যাশিতভাবেই ওঠে চিন প্রসঙ্গ। তখনই কীভাবে পড়শি দেশ চিনের সঙ্গে ভারতের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের উন্নতি হবে, তা জানিয়ে দেন জয়শঙ্কর (S Jaishankar)। ভারতের বিদেশমন্ত্রী বলেন, “প্রতিটি দেশ চায় তার প্রতিবেশীর সঙ্গে সুসম্পর্ক রাখতে। কে চায় না? কিন্তু প্রতিটি সম্পর্কের একটা ভিত্তি থাকে। আমরা এখনও চিনের সঙ্গে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছি।”

    ‘আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছি’

    তিনি বলেন, “আমি চিনের বিদেশমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলেছি। আমরা সময়ে সময়ে সাক্ষাৎ করি। আমাদের সৈন্যরাও ও দেশের সৈন্যদের সঙ্গে আলোচনায় বসে প্রায়ই। কিন্তু একটা ব্যাপারে আমরা খুব পরিষ্কার, সেটা হল আমাদের একটা চুক্তি রয়েছে। প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখা রয়েছে। আমাদের একটা ঐতিহ্য রয়েছে। তাই আমরা প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখা বরাবর সেনা মোতায়েন করি না। আমাদের উভয়পক্ষেরই এই দূরত্বটা বজায় রাখা উচিত। আমাদের যেখানে সেনা মোতায়েন করার কথা, আমরা সেখানেই সেনা মোতায়েন করি। চিনেরও তাই করা উচিত। আমরা চাই দুই দেশের সম্পর্কে ফিরে আসুক স্বাভাবিকতা।”

    আরও পড়ুুন: লোকসভা ভোটের আগে পাঞ্জাবে ‘রামধাক্কা’, আপ ছেড়ে বিজেপিতে সাংসদ, বিধায়ক

    বিদেশমন্ত্রী বলেন, “এই স্বাভাবিকতা ফিরতে গেলে সেনা মোতায়েনের যে শর্ত আমাদের রয়েছে, তা মেনে চলতে হবে। একমাত্র তাহলেই ভারত-চিন দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কে স্বাভাবিকতা ফিরবে।” জয়শঙ্কর বলেন, “এ বিষয়ে (সেনা মোতায়েনের বিষয়ে) আমরা খুব, খুব সৎ। চিনের ক্ষেত্রে সীমান্ত সমস্যা থাকায় দুই দেশের সম্পর্কের উন্নতি হচ্ছে না বলেই মনে করেন বিদেশমন্ত্রী। যদিও ভারত সম্পর্কের উন্নতিতে খুবই আন্তরিক বলেও জানান তিনি (S Jaishankar)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

     

  • Lok Sabha Elections 2024: লোকসভা ভোটের আগে পাঞ্জাবে ‘রামধাক্কা’, আপ ছেড়ে বিজেপিতে সাংসদ, বিধায়ক

    Lok Sabha Elections 2024: লোকসভা ভোটের আগে পাঞ্জাবে ‘রামধাক্কা’, আপ ছেড়ে বিজেপিতে সাংসদ, বিধায়ক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: স্বরাজ্যে ‘রামধাক্কা’ খেল আম আদমি পার্টি। তাও আবার লোকসভা নির্বাচনের (Lok Sabha Elections 2024) মুখে। পাঞ্জাবের সবেধন নীলমণি সাংসদ আপের সুশীল কুমার রিঙ্কু (জলন্ধরের সাংসদ) হাতে তুলে নিলেন গেরুয়া ঝান্ডা। তিনি একা নন, জলন্ধর পশ্চিমের বিধায়ক আপের শীতল অঙ্গুরালও যোগ দিয়েছেন পদ্ম শিবিরে। আপ ছেড়ে সাংসদ ও বিধায়কের পদ্ম শিবিরে যোগদানের অনুষ্ঠান হয় দিল্লিতে, বুধবার।

    আপ সরকারের প্রতি মোহভঙ্গ! (Lok Sabha Elections 2024)

    গত বিধানসভা নির্বাচনে পাঞ্জাবের কংগ্রেস সরকারকে উৎখাত করে ক্ষমতায় আসে আপ। সেই প্রথম দিল্লির বাইরে রাজত্ব পায় আপ সুপ্রিমো অরবিন্দ কেজরিওয়ালের দল। লোকসভা নির্বাচনের (Lok Sabha Elections 2024) মুখে এক সাংসদ ও এক বিধায়কের বিজেপি শিবিরে যোগ দেওয়ার ঘটনাটিকে পাঞ্চাবের আপ সরকারের প্রতি মোহভঙ্গ হিসেবেই দেখছে রাজনৈতিক মহলের একটা বড় অংশ। বিজেপির জাতীয় সাধারণ সম্পাদক বিনোদ তাওদে সুশীল ও শীতলকে স্বাগত জানান গেরুয়া শিবিরে। বিজেপিতে যোগদানের এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিজেপির পাঞ্জাব রাজ্য সভাপতি সুনীল কুমার জাখর ও কেন্দ্রীয় মন্ত্রী হরদীপ সিং পুরী।

    বিজেপিতে আপ সাংসদও

    পাঞ্জাব থেকে আপের একমাত্র সাংসদ ছিলেন সুশীল। অংসদীয় আচরণের জন্য সংসদের বাদল অধিবেশনে সাসপেন্ড করা হয় তাঁকে। আপের আগে কংগ্রেসেই ছিলেন সুশীল। তিনি কংগ্রেসের তিনবারের কাউন্সিলরও ছিলেন। জলন্ধর পশ্চিমের বিধায়কও হয়েছিলেন ‘হাত’ প্রতীকে লড়ে। ২০২৩ সালে যোগ দেন আম আদমি পার্টিতে। জলন্ধর লোকসভা কেন্দ্রের উপনির্বাচনে প্রার্থী হয়ে সংসদে পা রাখেন আপের প্রতিনিধি হয়ে।

    আরও পড়ুুন: কেজরিওয়ালের জামিনের আবেদন খারিজ দিল্লি হাইকোর্টে, অতঃ কিম?

    পাঞ্জাবের আপ সরকারের প্রতি মোহভঙ্গ হওয়ায়ই যে তিনি বিজেপি শিবিরে যোগ দিয়েছেন, দ্ব্যর্থহীনভাবে তা জানিয়ে দিয়েছেন সুশীল। তিনি বলেন, “উপনির্বাচনে যেসব প্রতিশ্রুতি আমরা দিয়েছিলাম, তা পূরণ করতে পারিনি। কারণ আমার সরকার আমায় সাহায্য করেনি। দিল্লিতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের কাজের ধরন আমায় মুগ্ধ করেছে। জলন্ধরের উন্নয়ন সংক্রান্ত যে কোনও কাজ নিয়ে আমি কেন্দ্রের দ্বারস্থ হয়েছি। কেন্দ্র তা অনুমোদন করেছে। আমি কোন পার্টির তা বিচার করেনি। আদমপুর বিমানবন্দরেও বিমান ওঠানামা শুরু হয়েছে।”

    তিনি বলেন, “জলন্ধরে বন্দে ভারত ট্রেন থামছে। আদমপুর ও জলন্ধরে রেলওয়ে ওভারব্রিজ চাই। কেন্দ্রের সাহায্যে এটাও করব। আমার নিজের কোনও লোভ নেই। কিন্তু জলন্ধরবাসীর জন্য আমার অনেক কিছু চাওয়ার আছে (Lok Sabha Elections 2024)।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share