Tag: news in bengali

news in bengali

  • PM Modi: তামিলনাড়ুর জনসভায় আবেগপ্রবণ হয়ে পড়লেন মোদি, কেন জানেন?

    PM Modi: তামিলনাড়ুর জনসভায় আবেগপ্রবণ হয়ে পড়লেন মোদি, কেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পার্টি কর্মীদের আত্মবলিদানের কথা বলতে গিয়ে ভেঙে পড়লেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। মঙ্গলবার তামিলনাড়ুর সালেম শহরের জনসভায় যোগ দেন প্রধানমন্ত্রী। সেখানেই খুন হওয়া পার্টি কর্মী, বিশেষত সালেমের অডিটর রমেশের (মুসলমানদের হাতে খুন হয়েছিলেন তিনি)কথা বলতে গিয়ে ভেঙে পড়েন মোদি।

    আবেগপ্রবণ প্রধানমন্ত্রী

    দলের প্রতি অডিটর রমেশের অবদানের কথা বলতে গিয়ে আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েন প্রধানমন্ত্রী। এদিনের বক্তৃতায় প্রধানমন্ত্রী স্মরণ করেছেন বিজেপির ভূতপূর্ব সভাপতি প্রয়াত কেএন লক্ষ্মণকে। তামিলনাড়ুতে বিজেপির সংগঠন গড়ার ক্ষেত্রে তাঁর অবদান কম নয়। লক্ষ্মণের মতো পার্টি কর্মীরা কীভাবে জরুরি অবস্থার সময় প্রতিবাদ করেছিলেন, কীভাবেই বা লক্ষ্মণ জনকল্যাণমূলক বিভিন্ন কাজ করেছিলেন, সেকথাও স্মরণ করিয়ে দেন প্রধানমন্ত্রী (PM Modi)। এই প্রসঙ্গেই প্রধানমন্ত্রীর মুখে চলে আসে অডিটর রমেশের নাম। তিনি বলেন, “আমি স্মরণ করি অডিটর রমেশকে। তিনি পার্টি নিবেদিত প্রাণ ছিলেন। তিনি সুবক্তা ছিলেন। ছিলেন কঠোর পরিশ্রমী। আমি তাঁকে শ্রদ্ধা জানাই।”

    অডিটর রমেশ

    বছর চুয়ান্নর ভি রমেশ এলাকায় অডিটর রমেশ নামেই পরিচিত ছিলেন। ২০১৩ সালের জুলাই মাসের এক রাতে পার্টি অফিসের কাজ সেরে বাড়ি ফেরার সময় সালেম শহরে বাড়ির অদূরে আততায়ীদের হাতে খুন হন তিনি। চারজন দুর্বৃত্ত নৃশংসভাবে কুপিয়ে খুন করে তাঁকে। রমেশ ছিলেন বিজেপির তামিলনাড়ু ইউনিটের সাধারণ সম্পাদক। তাঁকে নিয়ে ২০১৩ সালের জুলাই পর্যন্ত তামিলনাড়ুতে চারজন বিজেপি নেতা খুন হয়েছিলেন। সেই সময় গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন মোদি। দোষীদের চরমতম সাজা দাবি করেছিলেন তিনি। ঘটনায় পুলিশ ফকরুদ্দিন ও বিলাল মালিক নামে দুই অভিযুক্তকে হেফাজতে নিয়েছিল।

    আরও পড়ুুন: বানচাল নাশকতার ছক, ছত্তিশগড়-মহারাষ্ট্র সীমানায় পুলিশের গুলিতে নিহত চার মাওবাদী

    কট্টর হিন্দুত্ববাদের জন্য ব্যাপকভাবে পরিচিত ছিলেন রমেশ। তামিলনাড়ু রাজ্য বিজেপির সাধারণ সম্পাদক হয়েছিলেন দু’বার। রমেশের ভাই শেষাদ্রি এবিভিপির জাতীয় সম্পাদক ছিলেন। খুন হওয়ার এক সপ্তাহ আগে সুবক্তা রমেশকে তামিলনাড়ু রাজ্যের মুখপাত্রের পদে বসানো হয়। ২০১৩ সালে খুন হওয়ার আগেও একাধিকবার হামলা হয়েছিল রমেশের ওপর। বরাত জোরে প্রতিবারই বেঁচে গিয়েছিলেন তিনি। ২০১১ সালে আগুন লাগিয়ে দেওয়া হয় তাঁর গাড়িতে। সেবারও বেঁচে গিয়েছিলেন তিনি। তবে (PM Modi) ২০১৩ সালে এড়াতে পারলেন না আততায়ীদের থাবা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

     
  • Calcutta High Court: “অবৈধ বাড়ি ভাঙার নির্দেশে কোনও স্থগিতাদেশ নয়”, বললেন বিচারপতি সিনহা

    Calcutta High Court: “অবৈধ বাড়ি ভাঙার নির্দেশে কোনও স্থগিতাদেশ নয়”, বললেন বিচারপতি সিনহা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “বেআইনিভাবে নির্মাণের অভিযোগে বাড়ি ভাঙার নির্দেশের ওপর কোনওরকম স্থগিতাদেশ নয়। স্থগিতাদেশের কোনও আবেদনই শুনব না। যে আদালতই নির্দেশ দিক, সেটাই বহাল থাকবে।” মঙ্গলবার এমনই মন্তব্য করলেন বিচারপতি অমৃতা সিনহা। আদালত জানিয়েছে, আগে মানুষের জীবন সুরক্ষিত হোক, আদালত এই ধরনের মামলায় কোনও হস্তক্ষেপই করবে না। বাড়ি ভাঙার নির্দেশের বিরুদ্ধে কোনও মামলার অনুমতিও নয়। মঙ্গলবার বিচারপতি সিনহার এজলাসে এ সংক্রান্ত তিনটি মামলার আবেদন এসেছিল। একটি মামলাও গৃহীত হয়নি।

    বিচারপতি সিনহার প্রশ্ন (Calcutta High Court)

    এদিন ইকবালপুরের একটি বেআইনি নির্মাণ মামলার শুনানি হচ্ছিল বিচারপতি (Calcutta High Court) অমৃতা সিনহার এজলাসে। বাড়িটির বাইরের অংশ ভাঙার নির্দেশ দিয়েছিল আদালত। এই মামলায় পুরসভা ৩০ দিন সময় চেয়েছিল। এর পরেই বিচারপতি সিনহার প্রশ্ন, একটা বাড়ির বাইরের অংশ ভাঙতে ৩০ দিন সময় লাগে? বাড়ি ভাঙার নির্দেশ কার্যকর করতে প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি আছে কিনা, তা জানাতে পুরকমিশনারের হলফনামা তলব করেছে আদালত। ৯ এপ্রিল ওই হলফনামা জমা দেওয়ার নির্দেশ দেন বিচারপতি সিনহা। তিনি বলেন, “যখন একটা বিল্ডিং ভাঙে তখন কয়েক সেকেন্ড সময় লাগে। আর সেই বাড়ি ভাঙতে এখানে ৩০ দিন সময় লাগবে কেন?”

    বহুতল বিপর্যয়ে ভয়ঙ্কর ছবি

    গার্ডেনরিচে (Calcutta High Court) বহুতল বিপর্যয়ের পর উঠে আসছে ভয়ঙ্কর সব ছবি। একটি বহুতলের ওপর হেলে পড়েছে আর একটি বহুতল। দুই বহুতলের মাঝে ফাঁক মাত্র এক আঙুলের। ৯টি প্রাণের বিনিময়ে নড়েচড়ে বসেছে কলকাতা পুরসভাও। থানাগুলিকেও নজরদারির নির্দেশ দিয়েছে পুলিশের হেড কোয়ার্টার লালবাজার। এহেন আবহেই এমন পর্যবেক্ষণ বিচারপতি সিনহার। বিচারপতি বলেন, “বাইরের অংশের কলাম আর বিম ভাঙার নির্দেশ দেওয়া ছিল। বাইরের দেওয়াল ভাঙতেও এত সময়! কেন? প্রশ্ন বিচারপতি সিনহার। তার পরেই তিনি (Calcutta High Court) বলেন, “যখন একটা বিল্ডিং ভাঙে তখন কয়েক সেকেন্ড সময় লাগে, আর সেই বাড়ি ভাঙতে এখানে ৩০ দিন সময় লাগবে কেন?

    আরও পড়ুুন: সিএএ-তে স্থগিতাদেশ নয়, তিন সপ্তাহে কেন্দ্রের জবাব তলব সুপ্রিম কোর্টের

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

     
     
  • Himanta Biswa Sarma: “অসমে ৩-৬ লাখ মানুষ আবেদন করবেন সিএএতে”, বললেন হিমন্ত

    Himanta Biswa Sarma: “অসমে ৩-৬ লাখ মানুষ আবেদন করবেন সিএএতে”, বললেন হিমন্ত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “অসমে ৩ থেকে ৬ লাখ মানুষ সিএএ-র জন্য আবেদন করবেন।” জানিয়ে দিলেন অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মা (Himanta Biswa Sarma)। সপ্তাহখানেক আগেই দেশজুড়ে লাগু হয়েছে সিএএ। নাগরিকত্ব সংশোধনী এই আইনকে হাতিয়ার করেই ভোট কুড়োতে ময়দানে নেমে পড়েছে বিজেপি বিরোধী বিভিন্ন রাজনৈতিক দল। তবে সিএএ যে নাগরিকত্ব দেওয়ার জন্য, কেড়ে নেওয়ার জন্য নয়, তা বারংবার জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহও। তার পরেও সিএএ নিয়ে রাজনীতি করতে মানুষকে ভুল বোঝানো হচ্ছে বলে অভিযোগ।

    প্রসঙ্গ এনআরসি (Himanta Biswa Sarma)

    সংবাদ মাধ্যমে সাক্ষাৎকার দিতে গিয়ে অসমের মুখ্যমন্ত্রী (Himanta Biswa Sarma) বলেন, “অন্ততঃ পক্ষে পাঁচ লাখ বাংলাভাষী হিন্দু, দু’লাখ আদিবাসী অসমিয়া এবং দেড় লাখ গোর্খা এনআরসিতে বাদ পড়েছেন। এঁদের মধ্যে তিন থেকে ছ’লাখ মানুষ নাগরিকত্ব পেতে সিএএতে আবেদন করবেন।” তিনি জানান, এনআরসিতে অনেকেই বাদ পড়েছেন। নাগরিকত্ব প্রমাণে প্রয়োজনীয় তথ্য দিতে না পারায় বাদ পড়েছেন তাঁরা। তাই সিএএতে আবেদন করার বদলে তাঁরা যাবেন ফরেনার্স ট্রাইব্যুনালে।

    প্রসঙ্গ সিএএ

    হিমন্ত জানান, সিএএ লাগু হয়েছে গত সপ্তাহে। ১৯ এপ্রিলের মধ্যে আবেদন করতে হবে। আমাদের হাতে প্রায় ৪০ দিন সময় রয়েছে। প্রকৃত ছবিটা বুঝতে এই সময়টা যথেষ্ট। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “ইতিমধ্যেই সিএএতে গুজরাটে নাগরিকত্ব পেয়েছে ১৩টি হিন্দু পরিবার। কিন্তু অসমে এখনও পর্যন্ত খুব বেশি মানুষ আবেদন করেননি। অনেক পরিবার, বিশেষত হিন্দু বাঙালি, বাংলাদেশ থেকে অসমে ঢুকেছিল ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চের পরেও। তাঁদের মধ্যেই অনেকে ফিরে গিয়েছেন।” প্রসঙ্গত, ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চের পরে যাঁরা অসমে এসেছেন, তাঁদের শরণার্থী বলে গণ্য করছে না অসম সরকার।

    আরও পড়ুুন: গ্যাস, জ্বালানির পর এবার ডালের দাম কমাতেও উদ্যোগী মোদি সরকার

    হিমন্ত বলেন, “এরকম অনেক পরিবার রেশন কার্ড নিতে অস্বীকার করেছিলেন। তাই তাঁদের কাছে নথি বলতে রয়েছে কেবল রিফিউজি রেজিস্ট্রেশন কার্ড, যেটা ইস্যু করেছিলেন সীমান্ত কর্তৃপক্ষ। কিন্তু প্রতীক হাজেলা (প্রাক্তন এনআরসি কো-অর্ডিনেটর) এনআরসি আপডেট করার সময় এই কার্ড গ্রহণ করেননি। তাই অনেক নাম বাদ গিয়েছে, প্রায় ১৬ লাখ। এনআরসির ফাইনাল ড্রাফট যা প্রকাশিত হয়েছিল ২০১৯ সালের অগাস্ট মাসে, তাতে এঁদের নাম ছিল না।” তিনি (Himanta Biswa Sarma) বলেন, “তাই আমার মনে হয় সিএএতে আবেদন করবেন এ রাজ্যের ৩ থেকে ৬ লাখ মানুষ।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

     

  • PM Modi: গ্যাস, জ্বালানির পর এবার ডালের দাম কমাতেও উদ্যোগী মোদি সরকার

    PM Modi: গ্যাস, জ্বালানির পর এবার ডালের দাম কমাতেও উদ্যোগী মোদি সরকার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লোকসভা নির্বাচনের আগে ফি-বার জিনিসপত্রের দাম বাড়িয়ে দেয় এক শ্রেণির অসাধু ব্যবসায়ী। তার জেরে নাভিশ্বাস ওঠার জোগাড় হয় মধ্যবিত্ত পরিবারের। এবার যাতে সেই পরিস্থিতির সৃষ্টি না হয়, তাই আগাম পদক্ষেপ নিতে শুরু করেছে নরেন্দ্র মোদির (PM Modi) নেতৃত্বাধীন কেন্দ্রের বিজেপি সরকার।

    ডাল-ভাতের জোগাড়

    কিছুদিন আগেই কমানো হয়েছে গ্যাসের দাম। তার পরে পরেই কমানো হয়েছে পেট্রল-ডিজেলের মতো নিত্য প্রয়োজনীয় দুই জ্বালানির দর। এই দুই ইন্ধনের দরই কমানো হয়েছে লিটার পিছু দু’টাকা করে। এবার সরকার উদ্যোগী হয়েছে ডালের দাম কমাতে। দেশের সাধারণ মানুষ যাতে অন্তত দু’বেলা ডাল-ভাত খেতে পারেন, তা নিশ্চিত করতেই ডালের মূল্যবৃদ্ধি রুখতে কোমর কষে নেমেছে সরকার (PM Modi)। চলতি বছর ডালের উৎপাদন কম হয়েছে। অর্থনীতির চাহিদা-জোগানের তত্ত্ব মেনেই বেড়ে যাওয়ার কথা ডালের দাম। তাই সরাসরি চাষিদের কাছ থেকেই সরকার ৬ লাখ টন ডাল কেনার পরিকল্পনা করেছে। জানা গিয়েছে, এর মধ্যে অড়হর ডাল কেনা হবে ৪ লাখ টন, বাকিটা মুসুর ডাল।

    ডালের দর কেমন?

    ক্রেতা সুরক্ষা মন্ত্রকের ওয়েবসাইটে দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ১৭ মার্চ দেশে অড়হর ডালের গড় দর কেজি প্রতি ১৫০.২২ টাকা। সর্বোচ্চ দর ১৯৯ টাকা। সর্বনিম্ন কেজি প্রতি ৮৭ টাকা। ছোলার ডালের কেজি প্রতি গড় দর ৮২.৯৬ টাকা, সর্বোচ্চ দাম ১৪০ টাকা। সর্বনিম্ন দর কেজি প্রতি ৬০ টাকা। বিউলির ডালের গড় দাম কেজি প্রতি ১২৩.৭২ টাকা। যদিও এই ডাল বিক্রি হচ্ছে ১৭৪ টাকা কেজি দরে। বিউলির ডাল যখন সস্তা হয়, তখন দর দাঁড়ায় ৬৮ টাকা প্রতি কেজি। মুগ ডাল কেজি প্রতি বিক্রি হচ্ছে ১১৭.৩৬ টাকা দরে। সর্বোচ্চ দর ১৬৬ টাকা, সর্বনিম্ন ৮৯ টাকা। মসুর ডালের গড় দর ৯৩.৬৩ টাকা কেজি। চলতি বছর মসুর ডাল সব চেয়ে সস্তা হয়েছিল ১৭ মার্চ। সেদিন এই ডাল বিক্রি হয়েছিল ৭০ টাকা প্রতি কেজি। সব চেয়ে দামি মুগ ডাল বিক্রি হচ্ছে কেজি প্রতি ১৫৭ টাকায় (PM Modi)।

    আরও পড়ুুন: প্রধানমন্ত্রী মোদিকে কৃতজ্ঞতা বুলগেরিয়ার প্রেসিডেন্টের, “বন্ধুরা এর জন্যই”, বললেন জয়শঙ্কর

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • PM Modi: “একসঙ্গে কাজ করতে মুখিয়ে রয়েছি”, পুতিনকে শুভেচ্ছা জানিয়ে বললেন মোদি

    PM Modi: “একসঙ্গে কাজ করতে মুখিয়ে রয়েছি”, পুতিনকে শুভেচ্ছা জানিয়ে বললেন মোদি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “আপনার সঙ্গে কাজ করতে মুখিয়ে রয়েছি।” সোমবার রাশিয়ার পুনর্নির্বাচিত প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনকে শুভেচ্ছা জানিয়ে এই কথাগুলিই বললেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। ৮৭ শতাংশেরও বেশি ভোট পেয়েছেন পুতিন।

    পুতিনকে শুভেচ্ছা মোদির (PM Modi)

    ষষ্ঠবারের জন্য রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট পদে শপথ নিতে চলেছেন তিনি। ৪ শতাংশের সামান্য কিছু বেশি ভোট পেয়েছেন পুতিনের নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী রুশ কমিউনিস্ট পার্টির প্রার্থী নিকোলাই খারিতনভ। প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে বিপুল ভোটে জয়ের জন্য পুতিনকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সোমবার এক্স হ্যান্ডেলে তিনি (PM Modi) লিখেছেন, “রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট পদে পুনর্নির্বাচিত হওয়ার জন্য ভ্লাদিমির পুতিনকে শুভেচ্ছে জানাই। আগামী বছরগুলিতে ভারত-রাশিয়া মৈত্রী ও কৌশলগত অংশীদারিত্বকে আরও এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য আমি তাঁর সঙ্গে কাজ করতে মুখিয়ে রয়েছি।”

    রাশিয়ার সংবিধান

    রাশিয়ায় প্রেসিডেন্ট পদের মেয়াদ ছ’বছর। ২০১৮ সালে ৭৭ শতাংশ ভোট পেয়ে প্রেসিডেন্ট হয়েছিলেন পুতিন। তখনই জানিয়ে দিয়েছিলেন, ২০২৪ সালের পর আর রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট থাকবেন না তিনি। যদিও এবারের নির্বাচনেও প্রার্থী হয়েছিলেন তিনি। রাশিয়ার সংবিধান অনুযায়ী টানা দু’বারের বেশি প্রেসিডেন্ট পদে থাকা যেত না। ফের প্রেসিডেন্ট পদে লড়াই করতে ২০২১ সালেই এই আইন পরিবর্তন করেছিলেন কেজিবির প্রাক্তন প্রধান পুতিন। প্রথম মেয়াদে টানা দু’বার প্রেসিডেন্ট হয়েছিলেন তিনি। আর দ্বিতীয় মেয়াদে তিনি প্রেসিডেন্ট হলেন টানা তৃতীয়বার। অর্থাৎ ২০৩০ সাল পর্যন্ত রাশিয়ার কর্তা তিনিই।

    প্রসঙ্গত, পুতিনের আগে সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের প্রেসিডেন্ট পদে দীর্ঘ সময় ধরে ছিলেন জোসেফ স্তালিন ও লিওনিদ ব্রেজনেভ। টানা ২৪ বছর ক্ষমতায় ছিলেন তাঁরা। তাঁদের সেই রেকর্ড ভেঙে নয়া রেকর্ড গড়তে চলেছেন পুতিন। এহেন পুতিনকেই শুভেচ্ছা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। পুতিনের মুখে মোদি-স্তুতি শোনা গিয়েছে বহুবার। আসন্ন লোকসভা নির্বাচনে মোদির সাফল্যও কামনা করেছিলেন পুতিন। গত ডিসেম্বরে রাশিয়া সফরে গিয়েছিলেন বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর। সেই সময় রাশিয়ার বিদেশমন্ত্রী সের্গেই লাভরভ জানিয়েছিলেন এবার ‘মেক ইন ইন্ডিয়া’ প্রকল্পে ভারতে অত্যাধুনিক অস্ত্র তৈরি করবে রাশিয়া (PM Modi)।

    আরও পড়ুুন: বিহারে আসনরফা চূড়ান্ত, কত আসনে লড়বে বিজেপি, জানেন?

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

  • Lok Sabha Elections 2024: বিহারে আসনরফা চূড়ান্ত, কত আসনে লড়বে বিজেপি, জানেন?

    Lok Sabha Elections 2024: বিহারে আসনরফা চূড়ান্ত, কত আসনে লড়বে বিজেপি, জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মহাগটবন্ধনের সরকারের মুখ্যমন্ত্রিত্ব ছেড়ে নীতীশ কুমার ফিরেছেন এনডিএ শিবিরে। তাই প্রয়োজন ছিল বিজেপির সঙ্গে নীতীশের দলের আসন রফার। সেই রফা হয়ে গেল। জানা গিয়েছে, আসন্ন লোকসভা নির্বাচনে (Lok Sabha Elections 2024) বিহারের ১৭টি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবে বিজেপি।

    কার ভাগে ক’টি আসন?

    আর এনডিএর শরিক জনতা দল ইউনাইটেড লড়বে ১৬টি কেন্দ্রে। সোমবার বিজেপি-জেডিইউয়ের আসন রফার এই খবর জানিয়েছেন বিজেপির জাতীয় সাধারণ সম্পাদক বিনোদ তাওদে। এনডিএর আর এক শরিক লোক জনশক্তি পার্টি (রামবিলাস) লড়বে ৫টি আসনে। এদিন সংবাদ মাধ্যমে তাওদে বলেন, “বিজেপি ১৭টি আসনে লড়বে। জনতা দল ইউনাইটেড প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবে ১৬টি আসনে। লোক জনশক্তি পার্টি (রামবিলাস) লড়বে ৫টি আসনে। একটি আসনে লড়বে রাষ্ট্রীয় লোক মোর্চা।” বিহার (Lok Sabha Elections 2024) লোকসভার আসন সংখ্যা ৪০। বিজেপির বিহারের প্রেসিডেন্ট রাজু তিওয়ারি বলেন, “লোক জনশক্তি পার্টি (রামবিলাস)-কে পাঁচটি আসন ছাড়া হয়েছে। বিহারের ৪০টি লোকসভা আসনেই আমরা জিতব।”

    নীতীশের ঘরওয়াপসি

    চলতি বছরের জানুয়ারি মাসেই এনডিএ শিবিরে ফিরে এসেছেন নীতীশ কুমার। দেড় বছর আগে এনডিএ সঙ্গ ছেড়ে তিনি ভিড়েছিলেন মহাগটবন্ধনের সরকারে। ঘরওয়াপসি হল জানুয়ারিতে। চলতি মাসের প্রথম দিকে ঔরঙ্গাবাদে এনডিএর একটি সমাবেশে যোগ দিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সেখানেই নীতীশ ঘোষণা করেন, তিনি চিরকালের জন্য এনডিএতে থাকবেন। ওই সমাবেশে জনতা দল ইউনাইটেড সুপ্রিমো বলেছিলেন, “আপনি (প্রধানমন্ত্রী) আগেও এসেছিলেন। আমি কিছুদিনের জন্য অদৃশ্য (এনডিএ থেকে) হয়ে গিয়েছিলাম। কিন্তু এখন আমি আপনার সঙ্গে রয়েছি। আমি আপনাকে আশ্বস্ত করছি এই বলে যে, আমি আর এখান-সেখান হব না। আমি আপনার সঙ্গেই থাকব।”

    আরও পড়ুুন: “দায়বদ্ধতা থেকেই সিএএ চালু করা হয়েছে”, আমেরিকাকে ‘বার্তা’ জয়শঙ্করের

    উনিশের লোকসভা নির্বাচনে বিজেপি এবং জনতা দল ইউনাইটেড প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিল ১৭টি করে আসনে। সেবার ৪০টি আসনের মধ্যে এনডিএ জিতেছিল ৩৯টিতে। ২০২২ সালে বিজেপি নেতৃত্বাধীন এনডিএ ছেড়ে তিনি হাত ধরেছিলেন লালুপ্রসাদ যাদবের আরজেডির। জানুয়ারিতে ফিরেছেন এনডিএ শিবিরে (Lok Sabha Elections 2024)।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • India Bangladesh Relation: ইদের আগে পাঠানো হবে বাংলাদেশে, ১৬৫০ টন পেঁয়াজ কিনছে কেন্দ্র

    India Bangladesh Relation: ইদের আগে পাঠানো হবে বাংলাদেশে, ১৬৫০ টন পেঁয়াজ কিনছে কেন্দ্র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ১৬৫০ টন পেঁয়াজ কিনবে সরকার। ‘দ্য ন্যাশনাল কো-অপারেটিভ এক্সপোর্ট লিমিটেডে’র মাধ্যমে ওই পরিমাণ পেঁয়াজ কেনার পরিকল্পনা করেছে ভারত (India Bangladesh Relation)। সরকারি রফতানিকারী ওই সংস্থা ব্যবসায়ীদের কাছে ২৯ টাকা কেজি দরে পেঁয়াজ কিনবে। সেই পেঁয়াজই ইদের আগে পাঠানো হবে বাংলাদেশে। প্রসঙ্গত, গত ডিসেম্বরের ৮ তারিখ থেকে ৩১ মার্চ পর্যন্ত পেঁয়াজ রফতানিতে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছিল ভারত।

    পেঁয়াজ রফতানির ওপর নিষেধাজ্ঞা (India Bangladesh Relation)

    গত মাসেই কেন্দ্রীয় ভোক্তা বিষয়ক অধি দফতরের সচিব রোহিতকুমার সিংহ বলেছিলেন, “আমরা বাংলাদেশে ৫০ হাজার টন, মরিশাসে ১ হাজার ২০০ টন, বাহারাইনে ৩ হাজার টন এবং ভুটানে ৫৬০ টন পেঁয়াজ রফতানির অনুমতি দিয়েছি। ব্যবসায়ীদের ৩১ মার্চ পর্যন্ত এই পরিমাণ পেঁয়াজ রফতানি করার অনুমতি দেওয়া হয়েছে এবং এই লক্ষ্যে কাজও চলছে।” তিনি বলেন, “বিদেশ মন্ত্রণালয়ের সুপারিশের ভিত্তিতে বাংলাদেশে পেঁয়াজ রফতানির অনুমতি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। অভ্যন্তরীণ সরবরাহ বাড়াতে ও নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্যবৃদ্ধি নিয়ন্ত্রণে পেঁয়াজ রফতানির ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছিল কেন্দ্র।”

    কোন কোন দেশে পাঠানো হবে পেঁয়াজ?

    যেসব দেশ (India Bangladesh Relation) পেঁয়াজ কিনতে চেয়ে কূটনৈতিক স্তরে আবেদন করেছিল, সেই সব দেশকেই পেঁয়াজ পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে ভারত। এই তালিকায় সর্বাগ্রে রয়েছে বাংলাদেশ। জানা গিয়েছে, সরকার কেবল বাংলাদেশেই ৫০ হাজার টন পেঁয়াজ রফতানি করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল। বাকি ১৪ হাজার ৪০০ টন পেঁয়াজ সংযুক্ত আরব আমিরশাহিতে পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছিল।

    আরও পড়ুুন: “ফাটা রেকর্ড বাজিয়ে চলেছেন রাষ্ট্রসংঘের কিছু প্রতিনিধি”, পাকিস্তানকে নিশানা ভারতের

    রমজান মাসে পেঁয়াজের চাহিদা বাড়ে ইসলামিক দেশগুলিতে। মুসলমান অধ্যুষিত দেশগুলিতেও এই সময় পেঁয়াজের চাহিদা থাকে তুঙ্গে। বাংলাদেশ, মধ্য প্রাচ্য এবং দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশগুলিতে ব্যাপক চাহিদা থাকে পেঁয়াজের। বর্তমানে মহারাষ্ট্রের নাসিকে পাইকারি বাজারে পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে কেজি প্রতি ৭ থেকে ১৬ টাকা দরে। রবি মরশুমে ফসল কাটা হলে দাম আরও কমবে বলেই দাবি বাজার বিশেষজ্ঞদের। বাংলাদেশের বাজারে বর্তমানে পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৮০-৯০ টাকা কেজি দরে। তবে ভারত ঠিক কত দামে সে দেশে পেঁয়াজ বিক্রি করবে, তা জানা যায়নি (India Bangladesh Relation)। সিএএ লাগু হওয়ার পর বাংলাদেশে ক্রমেই চড়া হচ্ছে ভারত-বিরোধী সুর। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, তা সত্ত্বেও পেঁয়াজ পাঠিয়ে পড়শি এই দেশের দিকে বন্ধুত্বের হাত বাড়িয়ে দিল মোদির ভারত।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

  • PM Modi: “১০০ দিনের রোডম্যাপ তৈরি করুন”, নির্বাচনের আগেই মন্ত্রীদের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

    PM Modi: “১০০ দিনের রোডম্যাপ তৈরি করুন”, নির্বাচনের আগেই মন্ত্রীদের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সবে মাত্র কাঠি পড়েছে লোকসভা নির্বাচনের ঢাকে। রাজনীতির কারবারিরা ব্যস্ত কোন দল কত আসন পাবে, তার চুলচেরা হিসেব নিকেশ করতে। অথচ ক্ষমতায় ফিরে আগামী ১০০ দিনে কী কী কাজ অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে করতে হবে, মন্ত্রীদের তার রোডম্যাপ তৈরি করতে বললেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)।

    জয়ের ব্যাপারে নিশ্চিত মোদি (PM Modi)

    লোকসভা নির্বাচনে এবারও যে বিজেপি নেতৃত্বাধীন এনডিএ-ই ক্ষমতায় ফিরবে, সে ব্যাপারে একপ্রকার নিশ্চিত প্রধানমন্ত্রী। বিভিন্ন সময় তাঁকে তা বলতেও শোনা গিয়েছে। সূত্রের খবর, সেই কারণেই মন্ত্রীদের রোডম্যাপ তৈরি করার নির্দেশ দিয়েছেন তিনি। কেবল একশো দিনের রোডম্যাপ নয়, রবিবার মন্ত্রিসভার ওই বৈঠকে আগামী পাঁচ বছর কী কী কাজ করা হবে, তারও রোডম্যাপ তৈরির নির্দেশ প্রধানমন্ত্রী (PM Modi) দিয়েছেন তাঁদের। সরকারি নীতিগুলি কীভাবে বাস্তবে রূপদান করা যায়, তা নিয়েও মন্ত্রকের অফিসারদের সঙ্গে কথা বলতে মন্ত্রীদের নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। 

    মন্ত্রিসভার সদস্যদের নির্দেশ

    এদিন মন্ত্রিসভার বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী মন্ত্রিসভার সদস্যদের বলেছেন, আগামী পাঁচ বছরে সরকারি নীতিগুলি কীভাবে কার্যকর করা যায়, তা নিয়ে প্রত্যেক মন্ত্রী আলোচনা করবেন সংশ্লিষ্ট মন্ত্রকের আধিকারিকদের সঙ্গে। তার পরেই প্রত্যেক মন্ত্রীকে তৈরি করতে হবে একটি করে রোডম্যাপ। আগামী পাঁচ বছরে কীভাবে কাজ করবে তাঁদের মন্ত্রক, সেই বিষয়টিই বিস্তারিত তুলে ধরা হবে এই রোডম্যাপে।

    সতীর্থ মন্ত্রীদের এই নির্দেশের পাশাপাশি নির্বাচনের নির্ঘণ্টও রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর কাছে পাঠিয়েছে মন্ত্রিসভা। জানা গিয়েছে, আগামী ২০ মার্চ জারি হতে পারে লোকসভা নির্বাচনের প্রথম বিজ্ঞপ্তি। লোকসভা নির্বাচন হবে সাত দফায়। প্রথম দফার নির্বাচন হবে ১৯ এপ্রিল। ভোট হবে ১০২টি কেন্দ্রে।

    আরও পড়ুুন: ‘তৃণমূল পরিচয় দিয়ে ভোট চাইতে লজ্জা পাচ্ছেন কর্মীরা’, বিস্ফোরক তৃণমূল বিধায়ক

    লোকসভা নির্বাচনের নির্ঘণ্ট ঘোষণা হওয়ার ঢের আগেই দলীয় নেতাদের ৩৭০ আসনের লক্ষ্যমাত্রা বেঁধে দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। বাকি ৩০টি আসন পেতে হবে এনডিএর অন্যান্য শরিকদের। বাংলায় লোকসভার আসন রয়েছে ৪২টি। এর সবক’টিই যাতে বিজেপির ঝুলিতে যায়, বাংলা সফরে এসে বঙ্গ বিজেপির নেতাদের সেই টার্গেটও ঠিক করে দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী (PM Modi)।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • PM Modi: মোদিকে দেখতে বিদ্যুতের টাওয়ারে, “দয়া করে নেমে আসুন”, অনুরোধ প্রধানমন্ত্রীর

    PM Modi: মোদিকে দেখতে বিদ্যুতের টাওয়ারে, “দয়া করে নেমে আসুন”, অনুরোধ প্রধানমন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রী (PM Modi) এসেছেন। সর্বত্র ঠাঁই নাই, ঠাঁই নাই রব। অগত্যা প্রিয় প্রধানমন্ত্রীকে এক ঝলক দেখবেন বলে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে  বেশ কয়েকজন তরতরিয়ে উঠে পড়লেন সমাবেশস্থল আলোকিত করতে যে অস্থায়ী টাওয়ার বানানো হয়েছিল, তাতে। ঘটনাটি নজরে পড়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির। নেমে আসতে বললেন অত্যুৎসাহী দলীয় কর্মী-সমর্থকদের। প্রধানমন্ত্রীর এই তৎপরতার জন্য এড়ানো গেল বড় ধরনের দুর্ঘটনা।

    কী বললেন প্রধানমন্ত্রী? (PM Modi)

    রবিবার সন্ধ্যায় অন্ধ্রপ্রদেশের পালনাডু জেলায় এনডিএ-র প্রজাগালমে (যৌথ সমাবেশ) যোগ দিতে গিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী। প্রধানমন্ত্রী (PM Modi) মঞ্চে ওঠা মাত্রই তাঁকে দেখতে অস্থায়ী টাওয়ারে উঠে পড়েন বেশ কয়েকজন। টাওয়ার ভেঙে পড়ার পাশাপাশি তড়িদাহতও হতে পারতেন ওঁরা। নজরে পড়া মাত্রই বক্তৃতা থামাতে বলেন জন সেনা সভাপতি পবন কল্যাণকে। মাইকের সামনে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আরে আপনারা ওখানে কী করছেন? ওখানে বিদ্যুতের তার রয়েছে। আপনাদের জীবন আমাদের কাছে অত্যন্ত দামী। দয়া করে নেমে আসুন। সংবাদ মাধ্যমের লোকজন আপনাদের ফোটো তুলে নিয়েছেন। এবার তো নেমে আসুন। এখানে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। আপনারা (পুলিশ) দয়া করে এসব লক্ষ্য করুন। যদি কোনও অঘটন ঘটে, সেটা আমাদের পক্ষে বেদনাদায়ক হবে।”

    অন্ধ্রে সমীকরণ

    এর পরেই দেখা যায়, বাধ্য ছাত্রের মতো টাওয়ার থেকে একে একে নামছেন ওই দলীয় কর্মীরা। টাওয়ার খালি হতেই নিজের আসনে ফিরে যান প্রধানমন্ত্রী। ফের বলতে শুরু করেন জন সেনা সভাপতি। ১০ বছর আগে এন চন্দ্রবাবু নাইডুর হাত ধরে অন্ধ্রপ্রদেশে পা রাখে বিজেপি। ১৪-র বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপির সঙ্গে জোট গড়ে নির্বাচনে যায় চন্দ্রবাবুর দল টিডিপি। পরে অন্ধ্রপ্রদেশের বিশেষ মর্যাদার দাবিতে মতানৈক্যের জেরে ২০১৮ সালে বিজেপি সঙ্গ ত্যাগ করে টিডিপি। তার পরের নির্বাচনে একলা চলো নীতি নেয় টিডিপি। গোহারা হারে চন্দ্রবাবুর দল। তার পর ফের বিজেপির হাত ধরে ঘুরে দাঁড়াতে চাইছেন অন্ধ্রপ্রদেশের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী প্রয়াত এনটি রামা রাওয়ের জামাই চন্দ্রবাবু। টিডিপির পাশাপাশি বিজেপির হাত ধরেছে জন সেনাও (PM Modi)।

    আরও পড়ুুন: সিকিম-অরুণাচলে বিধানসভা ভোটের ফল ঘোষণার দিন এগোল, কেন জানেন?

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Assembly Polls 2024: সিকিম-অরুণাচলে বিধানসভা ভোটের ফল ঘোষণার দিন এগোল, কেন জানেন?

    Assembly Polls 2024: সিকিম-অরুণাচলে বিধানসভা ভোটের ফল ঘোষণার দিন এগোল, কেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাদ্যি বেজে গিয়েছে লোকসভা নির্বাচনের। দেশজুড়ে নির্বাচন হবে সাত দফায়। এই সময়ের মধ্যে বিধানসভা নির্বাচন (Assembly Polls 2024) হবে উত্তর-পূর্বের দুই রাজ্যে। এই রাজ্যগুলি হল, অরুণচল প্রদেশ ও সিকিম। এই দুই রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচনের ফল প্রকাশিত হবে ২ জুন। রবিবার এই খবর জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন। আগে ঠিক ছিল, লোকসভা নির্বাচনের ফল যেদিন ঘোষণা হবে, সেই ৪ জুন ফল ঘোষণা হবে এই দুই রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচনেরও। পরে ঠিক হয়, সিকিম, অরুণাচল প্রদেশের ফল প্রকাশ করা হবে দুদিন (Assembly Polls 2024) আগেই।

    এগিয়ে এল ফল প্রকাশের দিন (Assembly Polls 2024)

    কেন এই দুই রাজ্যের ফল প্রকাশের দিন এগিয়ে আনা হল? জানা গিয়েছে, এই দুই রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচনের মেয়াদ শেষ হবে ২ জুন। ৪ জুন ফল ঘোষণা হলে, পরিস্থিতি দাঁড়াবে এই যে দু’দিন রাজ্যে বিধানসভাই থাকবে না। এই পরিস্থিতি এড়াতেই ফল ঘোষণার দিন এগিয়ে আনা হয়েছে। দু’তারিখই ফল ঘোষণা করা হলে রাজ্য বিধানসভাহীন হল, এমন পরিস্থিতি তৈরি হবে না। কারণ সেদিনই বিধায়ক নির্বাচিত হয়ে যাবে।

    নির্বাচন কবে?

    তবে নির্বাচন কমিশন সাফ জানিয়ে দিয়েছে, এই দুই রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচনের ফল ঘোষণার দিন এগিয়ে নিয়ে আসা হলেও, লোকসভা নির্বাচনের যে সূচি এ রাজ্যের জন্য ঘোষণা করা হয়েছে, তার হেরফের হবে না। ১৯ এপ্রিল শুরু হয়ে যাবে লোকসভা নির্বাচন। ভোট হবে সাত দফায়। লোকসভার ৫৪৩টি আসনে নির্বাচন হবে। অরুণাচল প্রদেশে লোকসভার আসন ২টি। আর সিকিমে রয়েছে একটি। এই তিন আসনেই ভোট হবে ১৯ এপ্রিল, প্রথম দফায়। এই দুই রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচনও হবে এই দিনই।

    আরও পড়ুুন: বাকি আসনের প্রার্থী ঘোষণা শীঘ্রই? রাজ্যের ৪ শীর্ষ নেতাকে দিল্লি তলব বিজেপির

    ২০১৪-র বিধানসভা নির্বাচনে অরুণাচল প্রদেশে সরকার গড়ে কংগ্রেস। পরে মুখ্যমন্ত্রী পেমা খান্ডু সিংহভাগ বিধায়ককে নিয়ে যোগ দেন বিজেপিতে। উনিশের বিধানসভা নির্বাচনে এ রাজ্যে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পায় বিজেপি। আর উনিশের নির্বাচনে সিকিমে পঁচিশ বছরের মুখ্যমন্ত্রী পবনকুমার চামলিংয়ের দল সিকিম ডেমোক্রেটিক ফ্রন্টকে গদিচ্যুত করে সিকিম ক্রান্তিকারী মোর্চার প্রধান প্রেম সিংহ তামাং (Assembly Polls 2024)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share