Tag: news in bengali

news in bengali

  • Nandigram: নন্দীগ্রাম কাণ্ডে কমিশনের অজুহাতে রাজ্যপালকে রিপোর্ট দিতে নারাজ রাজ্য

    Nandigram: নন্দীগ্রাম কাণ্ডে কমিশনের অজুহাতে রাজ্যপালকে রিপোর্ট দিতে নারাজ রাজ্য

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নন্দীগ্রামে (Nandigram) বিজেপি কর্মী খুনের ঘটনায় রাজ্য পুলিশের অ্যাকশন টেকেন রিপোর্ট চেয়ে পাঠালেন রাজ্যপাল সি ভি আনন্দ বোস। প্রসঙ্গত বুধবার রাতে নন্দীগ্রামের সোনাচূড়ায় মনসা বাজার এলাকায় দুষ্কৃতীদের হাতে খুন হন স্থানীয় বিজেপি নেতা সঞ্জয় আড়ির মা রথীবালা আড়ি। নন্দীগ্রামে বিজেপির তফসিলি মোর্চার সম্পাদক সঞ্জয় আড়ি বর্তমানে কলকাতার একটি হাসপাতালে মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছেন।

    রাজ্যপালের বার্তা

    অ্যাকশন রিপোর্ট চাওয়ার পাশাপাশি লোকসভা ভোটে রক্ত স্নান বন্ধ করে আদর্শ আচরণ বিধি মেনে চলার পরামর্শ রাজ্যকে দিয়েছেন রাজ্যপাল। এই ঘটনায় সরাসরি শাসক দলের নেতারা জড়িত বলে অভিযোগ করেছেন শুভেন্দু অধিকারী। এফআইআরেও তাঁদের নাম রয়েছে। আক্রান্ত ব্যক্তির পরিবারের সদস্যরাও সরাসরি স্থানীয় তৃণমূল নেতাদের নাম করে তাঁদের বিরুদ্ধে অভিযোগ করেন। পরিকল্পনা করে এই খুন করা হয়েছে অভিযোগ তাঁদের।

    রাজ্যপালকে রিপোর্ট দিতে অনীহা

    প্রসঙ্গত নন্দীগ্রামে (Nandigram) খুনের ঘটনায় স্বতঃপ্রণোদিত খোঁজখবর শুরু করেছেন রাজ্যপাল। প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতেই অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে রাজ্য প্রশাসন কী পদক্ষেপ করেছে তা জানিয়ে রিপোর্ট জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে রাজভবন। রাজ্য প্রশাসন অবশ্য রাজ্যপালকে রিপোর্ট দেওয়ার মেজাজে নেই।

    আরও পড়ুন: মারে মাথার খুলি ফেটে গিয়েছিল! আশঙ্কাজনক অবস্থায় কেমন আছেন নন্দীগ্রামের বিজেপি নেতা?

    রাজ্য প্রশাসনের যুক্তি লোকসভা নির্বাচন না মেটা পর্যন্ত আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা করার দায়িত্ব নির্বাচন কমিশনের। তাই অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে পুলিশ প্রশাসন এখনও পর্যন্ত কী পদক্ষেপ করেছে তা বলতে পারবে কমিশন। নবান্ন বা রাজ্য প্রশাসন নয়। অর্থাৎ এ বিষয়ে পুলিশ পদক্ষেপ করলেও কী পদক্ষেপ করা হয়েছে তা কমিশনের অজুহাত দেখিয়ে রাজভবনের কাছে পৌঁছে দিতে নারাজ রাজ্য।

    নির্বাচন কমিশনের পদক্ষেপ

    নন্দীগ্রামে (Nandigram) বিজেপির মহিলা কর্মীকে কুপিয়ে খুনের ঘটনায় এখনও পর্যন্ত কী পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে তা জানতে চেয়েছে নির্বাচন কমিশন। কী কারণে মৃত্যু? সে বিষয়েও পূর্ব মেদিনীপুরের জেলাশাসককে দ্রুত রিপোর্ট পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছে কমিশন। একইসঙ্গে অশান্তি প্রবণ অঞ্চলে রুট মার্চ করানোরও নির্দেশ দিয়েছে কমিশন।

    ঠিক কী ঘটেছিল?

    ভোটের আবহে (Lok Sabha Election 2024) বুধবার রাতে নন্দীগ্রামের সোনাচূড়া এলাকায় একটি হামলার ঘটনা ঘটে। বিজেপির অভিযোগ, তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা রাতে এলাকায় হামলা চালায়। এক মহিলা কর্মীকে কুপিয়ে খুন করা হয়। রথীবালা আড়ি নামে ওই বিজেপি (BJP) কর্মীকে লক্ষ্য করে এলোপাথাড়ি কোপ চালাতে থাকে দুষ্কৃতীরা। রক্তাক্ত হয়ে রাস্তায় লুটিয়ে পড়েন তিনি। মাকে বাঁচাতে গিয়ে গুরুতর জখম হন রথীবালার পুত্র সঞ্জয় আড়িও। চিৎকার শুনে গ্রামবাসীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছলে দুষ্কৃতীরা এলাকা ছেড়ে পালিয়ে যায়। জখমদের তৎক্ষণাৎ নিয়ে যাওয়া হয় নন্দীগ্রাম (Nandigram) সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে বৃহস্পতিবার সকাল থেকে উত্তপ্ত নন্দীগ্রাম। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Dooars Jungle Safari: রাজ্যে পর্যটকদের জন্য খারাপ খবর! বন্ধ হল ডুয়ার্সে মহাকাল রুট সাফারি

    Dooars Jungle Safari: রাজ্যে পর্যটকদের জন্য খারাপ খবর! বন্ধ হল ডুয়ার্সে মহাকাল রুট সাফারি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে পর্যটকদের জন্য খারাপ খবর! উত্তরবঙ্গের ডুয়ার্সে (Dooars Jungle Safari) মহাকাল রুটে সাফারি বন্ধের নির্দেশ বন দফতরের। উত্তরে ঘুরতে যাওয়া পর্যটন কেন্দ্রগুলির মধ্যে একটি আকর্ষণীয় জায়গা হল জয়ন্তী-মহাকালের জঙ্গল সাফারি। সারা বছর পর্যটকদের ব্যাপক ভিড় লক্ষ্য করা যায় এই এলাকায়। এবার এই বন্ধের নির্দেশকায় স্থানীয় ব্যবস্যায়ীরা ব্যাপক ক্ষতির সম্মুখীন হবেন বলে জানা গিয়েছে।

    কেন বন্ধের নির্দেশ (Dooars Jungle Safari)?

    বন দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, অনির্দিষ্টকালের জন্য জয়ন্তী-মহাকাল রুটে জঙ্গল সাফারি (Dooars Jungle Safari) বন্ধ করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। জঙ্গলে রাস্তার পরিস্থিতি অত্যন্ত খারাপ। ফলে পর্যটকদের সুরক্ষার কথা ভেবে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে জঙ্গলে হাতির গতিবিধি অনেক বেড়ে গিয়েছে। পরিস্থিতি অনুকুল না হলে আপাতত এই নির্দেশিকা পালন করতে হবে।

    ব্যবসায়ী মহলের প্রতিক্রিয়া

    বন দফতরের এই সিদ্ধান্তে ব্যাপক ভাবে সমস্যায় পড়বেন এলাকার ব্যবসায়ীরা। ডুয়ার্সে (Dooars Jungle Safari) ঘুরতে যাওয়ার মানেই হল মহাকাল মন্দির দর্শন করা। রাস্তা বন্ধ থাকলে স্বাভাবিক ভাবেই ভক্ত এবং পর্যটকদের সংখ্যা কমে যাবে। জয়ন্তী নদীর ধার ধরেই পর্যটকদের ঘুরতে যেতে হয়। বর্ষায় হরপা বানের সম্ভাবনা রয়েছে। আবার নদীর ধারে পশুরা জলপান করতে আসে। তাই যোগাযোগ মাধ্যমের উপর প্রভাব ফেলছে সাময়িক। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের কাজ করা হবে দ্রুত। 

    আলিপুর ট্যুর অপরেটর অ্যাসোসিয়েশনের সম্পাদক বিপ্লব দে সরকার বলেন, “জয়ন্তীর ধারে আসা পর্যটকরা একবার হেলেও মহাকালে যান। মানুষের আবেগ জড়িয়ে থাকে। সাফারি বন্ধ হয়ে গেলে ব্যবসায় একটা বড় প্রভাব পড়বে। পুরো জিপ সাফারি বন্ধ না করে সপ্তাহে দুদিন যাতে চলে সেই বিষয়ে দফতরকে আমরা আবেদন করব।”

    আরও পড়ুনঃমারে মাথার খুলি ফেটে গিয়েছিল! আশঙ্কাজনক অবস্থায় কেমন আছেন নন্দীগ্রামের বিজেপি নেতা?

    প্রশাসনিক আধিকারিকের বক্তব্য

    বক্সা টাইগার রিজার্ভের ডিএফডি (ইস্ট) দেবাশিস শর্মা সংবাদ মাধ্যমে জানিয়েছে, “মহাকাল যাওয়ার রাস্তা বন্ধ থাকলেও জয়ন্তীর অন্যান্য রুটে সাফারি (Dooars Jungle Safari) আগের মতোই চালু থাকবে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Nandigram: মারে মাথার খুলি ফেটে গিয়েছিল! আশঙ্কাজনক অবস্থায় কেমন আছেন নন্দীগ্রামের বিজেপি নেতা?

    Nandigram: মারে মাথার খুলি ফেটে গিয়েছিল! আশঙ্কাজনক অবস্থায় কেমন আছেন নন্দীগ্রামের বিজেপি নেতা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ষষ্ঠ দফার একদিন আগে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে নন্দীগ্রাম (Nandigram)। বিজেপির পতাকা লাগানোকে কেন্দ্র করে পিটিয়ে খুন করা হয়েছে মহিলা বিজেপি কর্মী রথিবালা আড়িকে। একই সঙ্গে বেধরক মারে গুরুতর আহত হয়েছেন রথিবালার ছেলে সঞ্জয় আড়ি। শুধু তাই নয় আরও ৭ জন বিজেপি কর্মীকে ব্যাপক মারধর করা হয়। প্রত্যেকের অবস্থা বর্তমানে আশঙ্কাজনক। এরপরে বিজেপির ক্ষোভের আগুনে আগ্নিগর্ভ হয়ে ওঠে নন্দীগ্রাম। গত বিধানসভা নির্বাচনের পর এই নন্দীগ্রামে তৃণমূলের বিরুদ্ধে খুন-ধর্ষণের ঘটনায় আহতদের দেখতে গিয়েছিলেন তৎকালীন রাজ্যপাল জগদীপ ধনকড়।

    মাথার খুলি ফেটে যায় (Nandigram)!

    তৃণমূল দুষ্কৃতীদের মারের আঘাতে ভয়ঙ্কর ভাবে আহত হন সঞ্জয় আড়ি। তিনি অবশ্য সোনাচূড় (Nandigram) এলাকার বিজেপির এসসি মোর্চার অঞ্চল সভাপতি। বুধবার রাতে বাড়ি থেকে বের করে রড দিয়ে মারা হয়। মা, ছেলেকে বাঁচাতে গেলে এরপর মায়ের উপর চড়াও হয় দুষ্কৃতীরা। রড দিয়ে আঘাত করে মারা হয় মাকে। অপর দিকে আহত সঞ্জয়কে পরের দিন বৃহস্পতিবার কলকাতায় আনা হয় চিকিৎসার জন্য। শারীরিক ভাবে ভীষণ আহত হয়েছেন তিনি। জানা গিয়েছে, মারের আঘাতে তাঁর মাথার খুলি ফেটে যায়। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, মাথায় একাধিক জায়গায় রক্ত জমাট বেঁধে গিয়েছে। তাঁকে সুনন্দ বসুর অধীনে নিউরো সার্জারি বিভাগে ভর্তি করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার বিকেলে চলে অস্ত্রোপচার। ডাক্তার অবশ্য জানিয়েছেন তাঁর মাথায় জমে থাকা জমাট বাঁধা রক্ত বের করা গিয়েছে। আপাতত তাঁকে ২৪ ঘণ্টার জন্য পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে।

    বিজেপির বক্তব্য

    এই ঘটনায় রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী সরাসরি তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোধ্যায়কে দায়ী করেন। ঘটনার আগের দিন এই তৃণমূল নেতা এলাকায় (Nandigram) উস্কানি মূলক ভাষণ দিয়েছিলেন। একই সঙ্গে তৃণমূলকে নিশানা করেন বিজেপির বর্ধমান-দুর্গাপুর লোকসভা কেন্দ্রের প্রার্থী দিলীপ ঘোষ। তিনি বলেন, “দক্ষিণবঙ্গের যেখানে যেখানে ভোট হচ্ছে সেখানে সেখানে তৃণমূল গোলমাল অশান্তি তৈরি করছে। তৃণমূলের কোনও জেতার সুযোগ নেই। ভোটের আগে খুন করে এলাকায় ভয়ের বাতাবরণ তৈরি করছে। একজন ৫৬ বছরের মহিলাকে খুন করা হয়েছে। পশ্চিমবঙ্গের মহিলাদের কোনও সুরক্ষা নেই।”

    আরও পড়ুনঃনন্দীগ্রামে মহিলা বিজেপি কর্মীকে খুনের মামলায় নাম জড়াল একাধিক তৃণমূল নেতার

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Allowance of Imam: চুপিসারে বেড়েছে ইমাম ভাতা! রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে বড় অভিযোগ বিজেপির

    Allowance of Imam: চুপিসারে বেড়েছে ইমাম ভাতা! রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে বড় অভিযোগ বিজেপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভোটের আগে কোনওরকম ঘোষণা ছাড়া কাউকে না জানিয়ে চুপিসারে বেড়েছে ইমাম ভাতা (Allowance of Imam)। রাজ্যে এখন দু দফার ভোট বাকি। আর এই আবহেই রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে একেবারে সরকারি তথ্য সহ বড় অভিযোগ আনল বিজেপি (BJP on Imam Bhata)। বৃহস্পতিবার এক সাংবাদিক বৈঠকে বিজেপি নেতা জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায় দাবি করেন, তৃণমূল সরকারের ১২ বছরের শাসনে রাজ্যে মসজিদের সংখ্যা বেড়েছে প্রায় আড়াই গুণ। একই সঙ্গে করদাতাদের টাকায় কেন ইমাম – মোয়াজ্জেমদের ভাতা দেওয়া হচ্ছে সেই প্রশ্ন তোলেন তিনি। এমনকী, এই ভাতা দিয়ে কী লাভ হচ্ছে তা সমীক্ষা করে দেখার দাবিও জানান তিনি।

    জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায়ের দাবি

    এদিন বিজেপি নেতা বলেন, “রাজ্য সরকার চুপিসারে গত ২ মাস আগে থেকে রাজ্যের প্রায় ৭০ হাজার ইমাম মোয়াজ্জমের ভাতা বাড়িয়ে দিয়েছে। আর এর জন্য রাজ্য সরকারের এ বছর খরচ হতে চলেছে ২০০ কোটি টাকা। এই ভাতা (Allowance of Imam) বাড়ানোর জন্য বাজেটে কোনও প্রভিশন ছিল না। কোনওরকম ঘোষণা ছাড়া কাউকে না জানিয়ে ভোটের ঠিক আগে আগে এই ভাতা বাড়িয়েছে। ভোটের আগে তিনি ঘুষ দিচ্ছেন। ইমাম, মোয়াজ্জেমদের পকেটে টাকা গুঁজে দিয়ে তাদের রাজনীতির ময়দানে নামাচ্ছেন।” একইসঙ্গে তিনি জানান, প্রায় ৪০ হাজার ইমাম মাসে ৩ হাজার টাকা ও ২৭ হাজার মোয়াজ্জেম ১,৫০০ টাকা ভাতা (Allowance of Imam) পাচ্ছেন। ইমাম-মোয়াজ্জেমদের ভাতা দিতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ২০১৫ সাল থেকে এখনও পর্যন্ত প্রায় ১৪০০ কোটি টাকা খরচ করেছেন।  
    যখন ইমাম ভাতা চালু হয়, তখন ১৬ হাজার ইমাম ভাতা পেতেন। একটি মসজিদে একজনই ইমাম ইমামতি করতেন। আর আজকের দিনে দাঁড়িয়ে মসজিদের সংখ্যা সরকারি হিসাবে ৪০ হাজার। অর্থাৎ ১২ বছরে পশ্চিমবঙ্গে মোট ২৪ হাজার মসজিদ তৈরি হয়েছে। যে রাজ্যে পুলিশ রামনবমীর মিছিলকে অনুমতি দেয় না, নতুন দুর্গাপুজোর অনুমতি দেয় না সেখানে রাজ্য সরকারের মসজিদ তৈরির অনুমতি দেওয়ার নীতি কী? এই প্রশ্নও এদিন তিনি তুলেছেন। 

    আরও পড়ুন: সিজোফ্রেনিয়া আসলে কী? জেনে নিন এই রোগের অজানা কিছু তথ্য

    ধর্ম নিয়ে রাজনীতি 

    এদিন সাংবাদিক বৈঠকে জগন্নাথবাবু বলেন, “মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ওবিসি এ শ্রেণিতে ১০ শতাংশ সংরক্ষণ দিয়েছিলেন। আর ওবিসি বি শ্রেণিতে ৭ শতাংশ সংরক্ষণ ছিল সনাতনী ওবিসিদের জন্য। তবে মুসলিমরাও তার সুযোগ পেতেন। কালকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় হাইকোর্টের আদেশকে বিজেপির আদেশ বলে দাবি করে বলেন, এই আদেশ তিনি মানেন না। তিনি মুসলিমদের সংরক্ষণ দেবেন। অবাক করার বিষয়, ওবিসি বি শ্রেণিতে সনাতনী ওবিসিদের জন্য যে ৭ শতাংশ সংরক্ষণ ছিল তা নিয়ে তিনি একটি কথাও বললেন না। হাইকোর্টের রায়ে মুসলিমদের সংরক্ষণ বাতিল হয়ে যাওয়ায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee) ব্যথিত। একই সঙ্গে নির্দ্বিধায় তিনি হিন্দু সন্ন্যাসীদের ওপর আক্রমণ চালাচ্ছেন। ধর্ম নিয়ে রাজনীতি করার অভিযোগ করলেও আসলে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ই ধর্ম নিয়ে রাজনীতি করছেন।”  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Nandigram: নন্দীগ্রামে মহিলা বিজেপি কর্মীকে খুনের মামলায় নাম জড়াল একাধিক তৃণমূল নেতার

    Nandigram: নন্দীগ্রামে মহিলা বিজেপি কর্মীকে খুনের মামলায় নাম জড়াল একাধিক তৃণমূল নেতার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নন্দীগ্রাম (Nandigram) খুনের মামালায় নাম জড়াল বেশকিছু তৃণমূল নেতার নাম। ষষ্ঠ দফা লোকসভা ভোটের আগে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে এলাকা। রাজনৈতিক সংঘর্ষে এলাকা ছাড়া হয়ে রয়েছে বেশ কিছু লোকজন। বিজেপির অভিযোগে তৃণমূল বেশ কোনঠাসা হয়ে পড়েছে। শাসক দল যে অনেকটাই চাপের মুখে তা রাজনীতির একাংশের মানুষও মনে করছেন। আগামীকাল শনিবার ভোট গ্রহণ এলাকায়।

    পিটিয়ে খুন করা হয় (Nandigram)!

    নন্দীগ্রামের (Nandigram) বিজেপি মহিলা কর্মী রথিবালা আড়িকে পিটিয়ে খুন করে জনা ২৫ তৃণমূল দুষ্কৃতী। এই মর্মে মৃতা বিজেপির কর্মীর মেয়ে মঞ্জু আড়ি থানায় এফআইআর দায়ের করেছেন। এই এফআইআরে নাম রয়েছে শেখ সুফিয়ান, নন্দীগ্রাম-১ পঞ্চায়েত সমিতির বিরোধী দলনেতা তথা ব্লক তৃণমূল সহসভাপতি শেখ আল্লারাজি সহ আরও কিছু স্থানীয় তৃণমূল নেতা। গতবুধবার গভীর রাতে সোনাচূড়া, গড়চক্রবেড়িয়া এলাকা উত্তপ্ত হয়ে উঠেছিল। মনসাবাজার এলাকার কাছে হামলার নেতৃত্বে ছিলেন তৃণমূল নেতা দেবু রায়। হামলা করে মারা হয় রথিবালা রায়কে। খুনের সঙ্গে আরও প্রত্যক্ষ ভাবে যুক্ত ছিলেন খোকন সীট, শেখ শামসুল ইসলাম। উল্লেখ্য ২০২১ সালে বিধানসভা নির্বাচনে ভোট পরবর্তী হিংসায় দেবব্রত মাইতি নামে এক বিজেপি কর্মীকে খুন করা হয়েছিল। আদালতের নির্দেশে অভিযুক্ত ১১ জন এখনও জেলার বাইরে।

    শুভেন্দুর বক্তব্য

    রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী তৃণমূলকে আক্রমণ করে বলেন, “দেবু রায়, খোকন সীটেরা গড়চক্রবেড়িয়া থেকে লোক নিয়ে গিয়ে খুন করিয়েছে। এফআইআর দায়েরর পরেও অভিযুক্ত আল্লারাজি নন্দীগ্রাম থানায় গিয়ে আইসির সঙ্গে বৈঠক করেছেন। খুনের মামলায় সিবিআই তদন্ত চাই।”

    আরও পড়ুনঃ মাঝরাতে ছেলেকে বাঁচাতে দৌড়ে গিয়েছিলেন মা, তারপরই খুন! জানা গেল পরিবারের বয়ানে

    তৃণমূলের বক্তব্য

    নন্দীগ্রামের (Nandigram) তৃণমূল নেতা তথা সভাপতি দেবু রায় বলেছেন, “বুধবার রাতের আমাদের এক কর্মী পলাশের টোটো ভাঙচুর করে বিজেপির কর্মীরা। আমরা ২৮৪ নম্বর বুথ পাহারা দিচ্ছিলাম। পরে পুলিশকে খবর দেওয়া হয়। এরপর ২০ মিনিটের মাথায় জানতে পারি বিজেপির এক মহিলা কর্মী অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। যেহেতু আমি দল চালাই তাই আমাকে খুনের মামলায় ফাঁসনো হচ্ছে।” আবার তৃণমূল নেতা শেখ আল্লারাজি বলেছেন, “আমার বাড়ি থেকে ওই এলাকা অনেক দূরে। আমাদের যাতায়েত নেই। গত পঞ্চায়েত নির্বাচনের আগে হলদিয়ায় ডেকে আমাকে বিজেপিতে যোগ দেওয়ার জন্য আহ্বান জানিয়েছিল। আমি রাজি হইনি। তাই ফাঁসানো হচ্ছে।” আবার সুফিয়ান বলেন, “তৃণমূলের কেউ এই ঘটনা জড়িত নন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • World Schizophrenia Day: সিজোফ্রেনিয়া আসলে কী? জেনে নিন এই রোগের অজানা কিছু তথ্য

    World Schizophrenia Day: সিজোফ্রেনিয়া আসলে কী? জেনে নিন এই রোগের অজানা কিছু তথ্য

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শারীরিক রোগ নিয়ে আমাদের দেশের মানুষ যতটা খোলামেলা, ঠিক তার উল্টোটা হয় মানসিক সমস্যার ক্ষেত্রে। আমারা কেবল বাইরে থেকেই নিজেদের উন্নত করেছি। কিন্তু মন এখনও পড়ে পুরনো যুগে। তাইতো মানসিক রোগ নিয়ে আমাদের এখনও ট্যাবু কাটেনি। পরিবারের কেউ মানসিক সমস্যায় আক্রান্ত হলে চিকিৎসা করানোর আগে সমস্যা লুকোতেই ব্যস্ত হয়ে পড়ি আমরা। বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই মানসিক সমস্যাকে সাধারণত কেউ তেমন গুরুত্ব দিতে চান না। যে কারণে মানসিক রোগের চিকিৎসা শুরু হয় একেবারে শেষ মুহূর্তে। আর তখন পরিস্থিতি প্রায় নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়। এমনই এক ভয়ানক মানসিক রোগ হল সিজোফ্রেনিয়া। বর্তমানে গোটা বিশ্বে শুধুমাত্র সিজোফ্রেনিয়াতে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা ২ কোটির বেশি যার বেশীরভাগই মূলত অবহেলার শিকার। তাই সিজোফ্রেনিয়া সম্পর্কে সচেতনতা গড়ে তুলতে প্রতি বছর ২৪ মে বিশ্ব সিজোফ্রেনিয়া দিবস (World Schizophrenia Day) পালন করে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা।

    কাদের হয় এই রোগ? (World Schizophrenia Day) 

    সম্প্রতি এক সমিক্ষায় জানা গিয়েছে, ভারতের মোট জনসংখ্যার প্রায় ১৪ শতাংশ মানুষ সিজোফ্রেনিয়াতে আক্রান্ত। সাধারণ মানুষের গড় আয়ুর তুলনায় সিজোফ্রেনিয়াতে আক্রান্ত রোগীর আয়ু প্রায় ১৫-২০ বছর কমে যায়। অর্থাৎ, সিজোফ্রেনিয়ায় আক্রান্ত হলে রোগীর মৃত্যু সাধারণ মানুষের তুলনায় অনেকটাই আগে হয়। ২০-৪৫ বছর বয়েসি কিশোর-কিশোরী, পুরুষ-মহিলা, যে কেউ এই রোগে আক্রান্ত হতে পারেন।

    কী কারনে হয় সিজোফ্রেনিয়া? 

    ঠিক কী কারণে কেউ সিজোফ্রেনিয়ায় (World Schizophrenia Day) আক্রান্ত হন তার কোনও নির্দিষ্ট কারণ এখনও খুঁজে পাননি বিজ্ঞানীরা। তবে কোনও অভিজ্ঞতার ফলে অত্যধিক মানসিক চাপ থেকে এই রোগের সৃষ্টি হতে পারে। এ ছাড়াও বংশগত কারণ, মস্তিষ্কে রাসায়নিকের ভারসাম্যের অভাব, অনেক সময় ভয়াবহ ভাইরাল ইনফেকশন থেকেও হতে পারে সিজোফ্রেনিয়া। 

    সিজোফ্রেনিয়ার লক্ষণ

    সিজোফ্রেনিয়া (World Schizophrenia Day) রোগের প্রধান লক্ষণগুলি মূলত ৩ ভাবে প্রকাশ পায়—১)চিন্তার মধ্যে অসংলগ্নতা, ২)আচরনগত সমস্যা, ৩)অনুভূতি বিষয়ক সমস্যা। অর্থাৎ কোনও অবাঞ্ছিত বিষয় নিয়ে মনে অযথা সন্দেহ,ভুল জিনিসকে সত্যি ভেবে তার ওপর দৃঢ় বিশ্বাস কিংবা হটাৎ করেই জোরে হেঁসে ওঠা, আবার কোনও কারণ ছাড়াই কেঁদে ফেলা, হঠাত করেই খুব বেশি রেগে যাওয়া বা উত্তেজিত হয়ে ওঠা,কোনও কারণ ছাড়াই এক জায়গায় ঘণ্টার পর ঘণ্টা দাড়িয়ে থাকা,আগে একেবারেই যা করতেন না, সে ধরনের আচরণ করতে থাকা। বিশেষ কোনও কিছুর গন্ধ পেতে থাকা, যদিও সেই গন্ধ অন্যেরা কেউই পাচ্ছেন না অথবা কেউ তার সঙ্গে কথা না বললেও, মনে হতে পারে কেউ যেন তার সঙ্গেই কথা-বার্তা বলছে। সিজফ্রেনিয়ার রোগীরা এ ভাবেই পশুপাখির ডাকও শুনতে পান।

    আরও পড়ুন: ৪০০ পেলেই কাশী-মথুরায় বিতর্কিত জমিতে মন্দির নির্মাণ, ফের হুঁশিয়ারি হিমন্তের

    এই রোগের প্রভাব 

    উপরে উল্লেখিত লক্ষণগুলি যদি কারও মধ্যে ৬ মাসের বেশি সময় দেখতে পাওয়া যায় তাহলে তিনি সিজোফ্রেনিয়াতে আক্রান্ত হতে পারেন। প্রাথমিক পর্যায়ে সিজোফ্রেনিয়ার চিকিৎসা না করানো হলে তা ক্রমেই বড় সমস্যা হয়ে উঠতে পারে। আমাদের দেশে মানসিক রোগ সম্পর্কে ধারণায় স্বচ্ছতার অভাব থাকায় অধিকাংশ ক্ষেত্রেই চরম অবস্থায় পৌঁছে যায় সিজোফ্রেনিয়া (World Schizophrenia Day)। এই রোগে আক্রান্তের ভাবনা-চিন্তা, অনুভূতি, কাজের উপর প্রভাব ফেলে। তাই প্রাথমিক লক্ষণ দেখার সঙ্গে সঙ্গেই মনরোগ বিশেষজ্ঞের শরণাপন্ন হওয়া উচিত। সামান্য অবহেলাও মৃত্যু ডেকে আনতে পারে। তবে সময় মত চিকিৎসা করালে অনেক ক্ষেত্রেই রোগী সুস্থ হয়ে ওঠেন। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: “আইসি মিটিং করেছেন খুনিদের সঙ্গে! মজা দেখাব”, নন্দীগ্রাম থানার পুলিশকে হুঁশিয়ারি শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: “আইসি মিটিং করেছেন খুনিদের সঙ্গে! মজা দেখাব”, নন্দীগ্রাম থানার পুলিশকে হুঁশিয়ারি শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নন্দীগ্রামে থানায় ঢুকে পুলিশকে বিজেপির মহিলা কর্মী খুনের বিরুদ্ধে চরম হুঁশিয়ারি দিলেন বিজেপি নেতা তথা বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। তিনি স্পষ্ট করে বলেন, “আইসি মিটিং করেছেন খুনিদের সঙ্গে! মজা দেখাব”-ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চাল্য ছড়িয়েছে এলাকায়। তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভাইপো অভিষেকের উস্কানি মূলক ভাষণের জন্যই খুনের ঘটনা ঘটেছে, এই অভিযোগ করেন শুভেন্দু। এদিন তৃণমূলের দুষ্কৃতী বাহিনীকে উদ্দেশে করে খুনের বদলা নেওয়া হবে বলে তোপ দাগেন তিনি।

    উল্লেখ্য সকাল থেকেই বিজেপির ক্ষোভের আগুনে অশান্ত হয়ে ওঠে নন্দীগ্রামের মনসা বাজার এলাকা। রাস্তায় গাছ ফেলে আগুন লাগিয়ে বিক্ষোভ দেখায় উত্তেজিত জনতা। পরে পুলিশ এবং কেন্দ্রীয় বাহিনী এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নিয়ে আসে।

    কী বলেন শুভেন্দু (Suvendu Adhikari)?

    গতকাল রাতপাহারা দিতে গিয়ে গোলমালের মধ্যে খুন হন বিজেপি মহিলা কর্মী রথীবালা আড়ি। একই ভাবে গুরুতর জখম হন ছেলে সঞ্জয়। আজ বৃহস্পতিবার থানায় ঢুকে পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন করেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু (Suvendu Adhikari)। নন্দীগ্রাম থানায় কর্তব্যরত পুলিশ অফিসার বলেন, “খুনিরা থানায় এসেছিল। যারা খুন করেছে মাকেই খুন করছে। রথীবালা আড়ি শুধু সঞ্জয় আড়ির মা নন। তিনি আমারও মা। খুনিদের ডেকে কেন মিটিং করা হয়েছে? আইসিকে মজা দেখাব।” এই প্রসঙ্গে তিনি অভিষেককে নিশানা করে আরও বলেন, “আগের দিন বেশ কিছু জায়গায় ভাইপো সভা করে উস্কানি মূলক ভাষণ দিয়ে গিয়েছেন। এই খুনের পিছনে ভাইপোর মদত রয়েছে। একজন তপশিলি সম্প্রদায়ের মহিলাকে খুন করা হয়েছে। এসসি সমাজের মানুষের জীবনের মূল্য এত কম? আমরাও বদলা নেবো। নন্দীগ্রামও সন্দেশখালিতে পরিণত হয়েছে। সিবিআই তদন্তের দাবি করব।”

    তৃণমূলের বক্তব্য

    ঘটনায় নন্দীগ্রামের তৃণমূল নেতা শেখ সুফিয়ানের দাবি, “বিজেপিতে নব্য এবং আদি তৃণমূলের মধ্যে ব্যাপক লড়াই হয়েছে। সেই সংঘর্ষে মারা গিয়েছেন রথীবালা।” কিন্তু বিজেপির দাবি তৃণমূল খুন করেছে। এরপর নন্দীগ্রাম থানায় ঢুকে শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) পুলিশকে হুঁশিয়ারি দেন। 

    আরও পড়ুনঃ রামকৃষ্ণ মিশনে হামলাকারীর ছবিতে মিলল পুলিশকর্তা-তৃণমূল নেতার যোগ!

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Lok Sabha Election 2024: নন্দীগ্রামে বিজেপি কর্মী খুন, জেলাশাসকের থেকে রিপোর্ট চাইল কমিশন

    Lok Sabha Election 2024: নন্দীগ্রামে বিজেপি কর্মী খুন, জেলাশাসকের থেকে রিপোর্ট চাইল কমিশন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ষষ্ঠ দফায় আগামী ২৫ মে তমলুকে ভোটগ্রহণ (Lok Sabha Election 2024)। আর তার আগে নন্দীগ্রামে বিজেপি কর্মী খুনের ঘটনায় পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে। ঘটনায় ইতিমধ্যেই জেলা প্রশাসনের কাছে রিপোর্ট চেয়ে পাঠিয়েছে নির্বাচন কমিশন। বিজেপির মহিলা কর্মীকে কুপিয়ে খুনের ঘটনায় এখনও পর্যন্ত কী পদক্ষেপ-জানতে চাইল নির্বাচন কমিশন। কী কারণে মৃত্যু? সে বিষয়েও পূর্ব মেদিনীপুরের জেলাশাসককে দ্রুত রিপোর্ট পাঠানোর নির্দেশ দিল কমিশন। একইসঙ্গে অশান্তি প্রবণ অঞ্চলে রুট মার্চ করানোরও নির্দেশ দিয়েছে কমিশন।

    ঠিক কী ঘটেছিল? 

    ভোটের আবহে (Lok Sabha Election 2024) বুধবার রাতে নন্দীগ্রামের সোনাচূড়া এলাকায় একটি হামলার ঘটনা ঘটে। বিজেপির অভিযোগ, তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা রাতে এলাকায় হামলা চালায়। এক মহিলা কর্মীকে কুপিয়ে খুন করা হয়। রথীবালা আড়ি নামে ওই বিজেপি (BJP) কর্মীকে লক্ষ্য করে এলোপাথাড়ি কোপ চালাতে থাকে দুষ্কৃতীরা। রক্তাক্ত হয়ে রাস্তায় লুটিয়ে পড়েন তিনি। মাকে বাঁচাতে গিয়ে গুরুতর জখম হন রথীবালার পুত্র সঞ্জয় আড়িও। চিৎকার শুনে গ্রামবাসীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছলে দুষ্কৃতীরা এলাকা ছেড়ে পালিয়ে যায়। জখমদের তৎক্ষণাৎ নিয়ে যাওয়া হয় নন্দীগ্রাম (Nandigram) সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে বৃহস্পতিবার সকাল থেকে উত্তপ্ত নন্দীগ্রাম। এখনও পর্যন্ত ঘটনায় কাউকে গ্রেফতার করা হয়নি বলেই পুলিশ সূত্রে খবর। নন্দীগ্রামের পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে এসপিকে ঘটনাস্থলে যেতে বলা হয়েছে।

    আরও পড়ুন: ভোটব্যাঙ্ক! তৃণমূল জমানায় ওবিসি হয়েছিল যারা, খারিজ করেছে হাইকোর্ট, দেখুন তালিকা

    রিপোর্ট তলব কমিশনের 

    যদিও এই হামলার দায় অস্বীকার করেছে তৃণমূল। তাঁদের অভিযোগ, এলাকায় বিজেপির গোষ্ঠীকোন্দলের কারণেই এই খুন। উল্লেখ্য, নন্দীগ্রাম (Nandigram) এলাকায় প্রচারের শেষ দিন বৃহস্পতিবারই। আর ভোটের (Lok Sabha Election 2024) আগে প্রচারের শেষ দিনে এই অশান্তির ঘটনায় এবার রিপোর্ট চেয়ে পাঠাল কমিশন। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Ramkrisha Mission: রামকৃষ্ণ মিশনে হামলাকারীর ছবিতে মিলল পুলিশকর্তা-তৃণমূল নেতার যোগ!

    Ramkrisha Mission: রামকৃষ্ণ মিশনে হামলাকারীর ছবিতে মিলল পুলিশকর্তা-তৃণমূল নেতার যোগ!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শিলিগুড়ি রামকৃষ্ণ মিশনে (Ramkrisha Mission) হামলার ঘটনায় যুক্ত প্রধান অভিযুক্তদের মধ্যে শুভম মাহাতোর সঙ্গে ভক্তিনগর থানার প্রাক্তন আইসির ছবি ভাইরালের ঘটনায় ব্যাপক শোরগোল পড়েছে। আবার এই শুভেমের সঙ্গে এলাকার তৃণমূল নেতা, ডেপুটি মেয়রের ছবি সমানে এসেছে। ছবিকে ঘিরে বিতর্ক শুরু হয়েছে। তাহলে কি এই হামলার ঘটনায় তৃণমূলের যোগ স্পষ্ট হল? এই প্রশ্ন এখন মানুষের মুখে ঘোরাফেরা করছে।

    পুলিশের সঙ্গে মাফিয়াদের যোগ (Ramkrisha Mission)?

    ছবিতে দেখা গিয়েছে শুভমের সঙ্গে রয়েছেন তৃণমূলের একাধিক নেতা, ডেপুটি মেয়র রঞ্জন সরকার এবং ভক্তি নগর থানার আইসি অমরেন্দ্র সিং। জমি বেচাকেন এবং জবর দখলের কাজ কি একটি যৌথ প্রয়াস? রাজনীতির একাংশের মানুষের মধ্যে এমন প্রশ্ন উঠছে। পুলিশ হলেন সমাজে আইনের রক্ষক। আবার জমি দখলকারী মাফিয়াদের সঙ্গে যদি পুলিশ আধিকারিকের ছবি দেখা যায়, তাহলে আইন রক্ষকদের দায়িত্ববোধ এবং কর্তব্যবোধ নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। রামকৃষ্ণ মিশনে (Ramkrisha Mission) হামলাকারীদের মধ্যে ধৃত ৫ জনের মধ্যে একজন শুভম। আবার ভাইরাল হওয়া ছবির মধ্যে স্থানীয় তৃণমূল নেতা এবং পুলিশ অফিসারের উপাস্থিতে প্রশ্ন উঠছে তাহলে কি প্রশাসন-শাসকদলের পরোক্ষ মদত এই হামলার পিছনে রয়েছে? এলাকার মানুষের মনে ঠিক এমনই প্রশ্ন উঠছে। তবে ডেপুটি মেয়র রঞ্জন সরকারের দাবি, “নেতাদের সঙ্গে বহু মানুষ এসে ছবি তোলেন। কিন্তু দলের সঙ্গে শুভমের কোনও যোগ নেই।”

    আরও পড়ুনঃ “গরু পাচারের টাকা ঢুকেছে দেবের অ্যাকাউন্টে”, বিস্ফোরক দাবি শুভেন্দুর

    একাধিক প্রশ্ন পুলিশের বিরুদ্ধে

    প্রাক্তন আইসির সঙ্গে শুভমের ছবির কোনও ব্যাখ্যা পুলিশ দেয়নি। আবার রামকৃষ্ণ মিশনে (Ramkrisha Mission) হামলার সঙ্গে যুক্ত প্রধান অভিযুক্ত প্রদীপ রায়কে এখনও গ্রেফতার করতে পারেনি পুলিশ। কেন তার বিরুদ্ধে জামিন অযোগ্য ধারায় মামলা দেওয়া হয়নি কেসে? উল্টে প্রদীপ রায় মিশন থেকে চলে যাওয়া এক সন্ন্যাসীর বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করেছে। এই সব প্রশ্নের উত্তর পুলিশ ঠিক করে দিতে পারেনি। আবার পুলিশ নিজেই তদন্ত করে জানিয়েছে, জমির প্রকৃত মালিক মিশন। প্রদীপ জমির মালিক নয়। ফলে তারপরে কেন এখনও অধরা মূল অভিযুক্ত? এই প্রশ্ন আরও জোরাল হচ্ছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Lok Sabha Election 2024: রাম মন্দির উদ্বোধনের পরেই বিরোধীরা হার স্বীকার করে নিয়েছে, দাবি পিকে-র

    Lok Sabha Election 2024: রাম মন্দির উদ্বোধনের পরেই বিরোধীরা হার স্বীকার করে নিয়েছে, দাবি পিকে-র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাম মন্দির উদ্বোধনের পরেই বিরোধীরা হার স্বীকার করে নিয়েছে (Lok Sabha Election 2024)। অন্তত এমনই দাবি করলেন ভোট কুশলী তথা ‘জন সুরাজ পার্টি’র প্রধান প্রশান্ত কিশোর (পিকে)। কেবল তাই নয়, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বাধীন সরকারের বিরুদ্ধে দেশে যে কোনও ক্ষোভ নেই, তা আরও একবার মনে করিয়ে দিয়েছেন পিকে।

    কী বলছেন পিকে? (Lok Sabha Election 2024)

    দিন দুই আগেই সংবাদ মাধ্যমে সাক্ষাৎকার দিতে গিয়েও একই কথা বলেছিলেন পিকে। তিনি এও বলেছিলেন, “বিজেপি যে জিতবে, তা আমি গত পাঁচ মাস ধরে বলে আসছি।” সংবাদ মাধ্যমে সাক্ষাৎকার দিতে গিয়ে এই ভোট কুশলী বলেন, “রাহুল গান্ধী ক্ষমতায় এলে সোনা ফলবে, এমন কথা আমরা শুনিনি। তাঁর সমর্থকরা তা বলতে পারেন, কিন্তু আমি বলছি বৃহত্তর পরিসর সম্পর্কে। দেশের প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধে কোনও ক্ষোভ নেই, নেই তাঁর প্রতিস্পর্ধীকে নিয়ে বিরাট কিছু মাতামাতিও।” প্রধানমন্ত্রী পদপ্রার্থী হিসেবে কাউকে তুলে ধরতে না পারায় বিজেপি-বিরোধী দলের জোটের সমালোচনাও করেন পিকে।

    বিরোধীদের প্রধানমন্ত্রী কে?

    প্রসঙ্গত, ২৬টি রাজনৈতিক দলের জোট ‘ইন্ডি’ যে প্রধানমন্ত্রী পদপ্রার্থী হিসেবে কাউকে তুলে ধরতে ব্যর্থ, সেকথা নানা জনসভায় বলতে শোনা গিয়েছে বিজেপি নেতাদের। শাসক দলের বিরুদ্ধে জোরালো কোনও ইস্যু কিংবা বিশ্বস্ত প্রধানমন্ত্রী পদপ্রার্থী হিসেবে কাউকে তুলে ধরতে না পারাটা বিরোধীদের দুর্বলতা বলেও মনে করেন ‘জন সুরাজ পার্টি’ সুপ্রিমো। তিনি বলেন (Lok Sabha Election 2024), “ভোটারদের একটা অংশের চাহিদা পূরণ করতে পারেনি মোদি সরকার। তাই তাঁদের মধ্যে হতাশা ছিল। সেই সুযোগ কাজে লাগাতে পারেননি বিরোধীরা। নানা সময় আসা সুযোগগুলো কাজে লাগালে অতীতে দুর্বল করে দেওয়া যেত প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে, নড়বড়ে করে দেওয়া যেত বিজেপির অবস্থানকে।”

    আর পড়ুন: “ক্যান্সারের চেয়েও দূরারোগ্য ব্যাধিতে আক্রান্ত ইন্ডি ব্লক”, তোপ মোদির

    পিকে বলেন, “গত জানুয়ারিতে অযোধ্যায় রাম মন্দির উদ্বোধন অনুষ্ঠানের সময়ই কার্যত বিরোধীরা হাতের অস্ত্র ফেলে দিয়েছিল। ফেব্রুয়ারি মাসে যখন তারা গা ঝাড়া দিয়ে উঠল, তখন অনেক দেরি হয়ে গিয়েছে। তার আগেই বিজেপি তার হারানো জমি পুনরুদ্ধার করে নিয়েছে (Lok Sabha Election 2024)।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

LinkedIn
Share