Tag: news in bengali

news in bengali

  • PM Modi: “জয়ী হয়েছে সব কা সাথ, সবকা বিকাশের ভাবনা”, প্রত্যয়ী প্রধানমন্ত্রী

    PM Modi: “জয়ী হয়েছে সব কা সাথ, সবকা বিকাশের ভাবনা”, প্রত্যয়ী প্রধানমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তিন রাজ্যে গেরুয়া ঝড়। নেপথ্যের কারিগর তিনিই। তার পরেও জনতার কাছে নতজানু হলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। রবিবাসরীয় সন্ধ্যায় বিজেপির সদর দফতরে তিনি এলেন। মঞ্চে উঠেই জয়গান গাইলেন ‘সব কা সাথ সবকা বিকাশের’।

    সব কা সাথ সবকা বিকাশের ভাবনা

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আজ সব কা সাথ সবকা বিকাশের ভাবনা জিতেছে। আজ সততা জিতেছে। সমস্ত ভোটারদের প্রণাম করি। মধ্যপ্রদেশ, রাজস্থান ও ছত্তিশগড়ের মানুষ বিজেপিকে ভালবাসা দিয়েছে। তেলঙ্গনায়ও বিজেপির প্রতি সমর্থন প্রতিনিয়ত বাড়ছে। আমাদের সৌভাগ্য যে এত ভালবাসা পেয়েছি, বিশ্বাস পেয়েছি। এরপর আমার দায়িত্ব আরও বেড়ে গেল। আজও আমার মনে এই ভাবনা রয়েছে।” তিনি বলেন, “এই নির্বাচনে দেশকে জাতি দিয়ে ভাগ করার চেষ্টা করা হয়েছিল। আমি বলেছিলাম ৪ জাতি আমার জন্য সব থেকে বড়। নারী, যুবক, কৃষক ও গরিব পরিবাররা আমাদের ওপর ভরসা রেখেছে। এই চার জাতিকে শক্ত করলেই দেশ শক্ত হবে। এই চার জাতিই বিজেপির ওপর ভরসা রেখেছে। এই জয়ে মহিলারা নিজেদের জয় দেখছেন।”

    “আজকের হ্যাট্রিক চব্বিশের হ্যাট্রিক”

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আজকের হ্যাট্রিক চব্বিশের হ্যাট্রিককে নিশ্চিত করেছে। অনিয়ম, তোষণ ও পরিবারতন্ত্র নিয়ে সাধারণ মানুষ জিরো টলারেন্স নীতি নিয়েছে। কেন্দ্র সরকারের দুর্নীতির বিরুদ্ধে লড়াই মানুষ সমর্থন করছে।” তিনি (PM Modi) বলেন, “দুর্নীতির বিরুদ্ধে মানুষ ভোটবাক্সে জবাব দিয়েছেন।” প্রধানমন্ত্রীর নিশানায় চলে এসেছে ‘ইন্ডি’ জোটও। তিনি বলেন, “যারা দুর্নীতিগ্রস্তদের সঙ্গে জোট বাঁধছে তাদের জবাব দেবে মানুষ।” উন্নয়নের প্রসঙ্গ টেনে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আপনার স্বপ্ন আমার সংকল্প। আপনাদের স্বপ্নপূরণ আমাদের সংকল্প তপস্যা। আজ গ্রামে গ্রামে অপটিক্যাল ফাইবার পৌঁছেছে। সমস্ত গরিব মানুষকে আগামী পাঁচ বছর বিনামূল্যে রেশন দেওয়া হবে। প্রতিটি বাড়িতে জল পৌঁছে দেওয়া হবে। আজ দেশ এগিয়ে যাচ্ছে। আমি পিছনে হঠতে শিখিনি।”

    আরও পড়ুুন: পদ্মময় গোবলয়ের তিন রাজ্য, কেবল দক্ষিণেই মুখরক্ষা কংগ্রেসের

    তিনি (PM Modi) বলেন, “ভারতের মানুষ স্থায়ী সরকার চান। স্থায়িত্ব চান সবাই। ভারতের কোনও নাগরিক আমাদের উন্নয়নযাত্রায় পিছিয়ে পড়বেন না। সবার জন্য সরকার। সবার জন্য উন্নয়ন। সবাই বলছে, মোদির গ্যারান্টি দেওয়া গাড়ি সবার দ্বারে দ্বারে আসছে। দেশের সফলতার গাড়ি হবে। এটাও মোদির গ্যারান্টি। যেখানে বিশ্বাস খতম হয়, সেখানে মোদির গ্যারান্টি শুরু হয়।”

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Sikkim Flood: হড়পা বানে ভেসে যাওয়া ৭৭ জনের পরিবারকে ক্ষতিপূরণ দিচ্ছে সিকিম সরকার

    Sikkim Flood: হড়পা বানে ভেসে যাওয়া ৭৭ জনের পরিবারকে ক্ষতিপূরণ দিচ্ছে সিকিম সরকার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মাস দুয়েক আগে প্রকৃতির তাণ্ডবে বিপর্যস্ত হয়েছিল উত্তর-পূর্বের পাহাড়ি রাজ্য সিকিম। হড়পা বানের (Sikkim Flood) তোড়ে ভেসে গিয়েছিলেন ৭৭ জন মানুষ। বিপর্যয়ের দু’ মাস পরেও হদিশ মেলেনি তাঁদের। নিখোঁজ এই মানুষরা সম্ভবত মারা গিয়েছেন। শনিবার এ কথা জানালেন সিকিমের মুখ্য সচিব ভিবি পাঠক।

    ক্ষতিপূরণ দেওয়ার সিদ্ধান্ত সরকারের

    নিখোঁজ এই মানুষদের পরিবারকে ক্ষতিপূরণ দিতে চলেছে সরকার। এছাড়াও ওই পরিবারগুলি পাবে আরও বেশ কিছু সুযোগ-সুবিধা। প্রকৃতির রোষের শিকার হয়েছিল উত্তরাখণ্ড এবং হিমাচল প্রদেশও। সেখানেও নিখোঁজদের জীবিত নেই ধরে নিয়ে ক্ষতিপূরণ দিয়ে দিয়েছে সরকার। এবার সেই পথেই হাঁটছে সিকিম সরকার। চুংথাং হিমালয়ে রয়েছে দক্ষিণ লোনাক হ্রদ। অক্টোবরের ৪ তারিখে হিমবাহী এই হ্রদের ওপর ভেঙে পড়ে মেঘ। তার জেরে ব্যাপক বৃষ্টি হয় সিকিমে।

    হড়পা বান 

    পাহাড়ি নদীতে নামে হড়পা বান। বানের তোড়ে ভেসে যান অনেক মানুষ। প্রচুর মানুষকে উদ্ধার করা গেলেও ৭৭ জন মানুষের খোঁজ মেলেনি এখনও। দুটি দেহ উদ্ধার হয়েছিল অনেক পরে। যদিও (Sikkim Flood) দেহ শনাক্ত করা যায়নি। প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিল থেকে নিখোঁজদের পরিবারকে ২ লক্ষ টাকা করে ক্ষতিপূরণ দেওয়া হচ্ছে। রাজ্য সরকারের তরফ থেকে দেওয়া হচ্ছে আরও ৪ লক্ষ করে টাকা। মুখ্য সচিব বলেন, “উত্তরাখণ্ড ও হিমাচল প্রদেশে যেভাবে নিখোঁজ মানুষদের পরিবারকে ক্ষতিপূরণ দেওয়া হয়েছে, আমরাও সেই পদ্ধতিতে ক্ষতিপূরণ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। নিখোঁজদের ডেথ সার্টিফিকেট দেওয়ার পর তাঁদের পরিবার পাবে অন্যান্য সুযোগ-সুবিধাও।

    আরও পড়ুুন: সরকারি মঞ্চে অভিষেকের ছবি! প্রশাসনের ভূমিকায় উঠছে প্রশ্ন

    জানুয়ারির মধ্যেই এই সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে বলে আশা করি।” তিনি জানান, যাঁদের পরিবারের লোকজন নিখোঁজ, তাঁদের প্রথমে স্থানীয় থানায় নিখোঁজ ডায়েরি করতে হবে। তার পর যাবতীয় খোঁজখবর নেওয়া হবে। তার পরেই দেওয়া হবে ডেথ সার্টিফিকেট। সেই সার্টিফিকেট দাখিল করলেই মিলবে ক্ষতিপূরণ। মুখ্যসচিব জানান, নিখোঁজদের মধ্যে যাঁরা সিকিমের স্থায়ী বাসিন্দা নন, তাঁদের পরিবারকে তাঁদের রাজ্যের স্থানীয় থানায় নিখোঁজ ডায়েরি করতে হবে। সেটাই এ রাজ্যে চলে আসবে পরীক্ষার জন্য (Sikkim Flood)।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     
     
  • Modi-Hasina: ‘‘মোদি-হাসিনা জমানা ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্কের সোনালী যুগ’’, বললেন আন্দালিব ইলিয়াস

    Modi-Hasina: ‘‘মোদি-হাসিনা জমানা ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্কের সোনালী যুগ’’, বললেন আন্দালিব ইলিয়াস

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বর্তমান সময়কে ভারত ও বাংলাদেশের সম্পর্কের (Indo-Bangla Relation) সোনালী অধ্যায় বলে উল্লেখ করলেন বাংলাদেশের ডেপুটি হাই কমিশনার আন্দালিব ইলিয়াস। তাঁর মতে, ভারতে নরেন্দ্র মোদি ও বাংলাদেশে শেখ হাসিনা (Modi-Hasina) — এই দুই প্রধানমন্ত্রীর জমানাতেই সুদিন দেখছে ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্ক। 

    ১৬ ডিসেম্বর ভারত ও বাংলাদেশের কাছে ঐতিহাসিক

    ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর ভারত ও বাংলাদেশের কাছে ঐতিহাসিক দিন। পাকিস্তানের বিরুদ্ধে ভারতের যুদ্ধজয় এবং স্বাধীন বাংলাদেশ গঠন— এই জোড়া ঘটনার বর্ষপূর্তি উপলক্ষে প্রতি বছরের মতো এবছরও ঘটা করে উদযাপন করতে চলেছে ভারতীয় সেনা। সেই উপলক্ষে শনিবার ভারতীয় সেনা আয়োজিত বিজয় দিবস-এর (Vijay Diwas 2023) কার্টেন রেইজার অনুষ্ঠানে অংশ নিতে কলকাতায় ইস্টার্ন কমান্ডের সদর ফোর্ট উইলিয়ামে এসেছিলেন বাংলাদেশের ডেপুটি হাই কমিশনার আন্দালিব ইলিয়াস। সেখানেই তিনি ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্ক (Indo-Bangla Relation) নিয়ে মতামত ব্যক্ত করেন।

    আরও পড়ুন: ’৭১-এর যুদ্ধজয়ের ৫২ বছর, বিজয় দিবস অনুষ্ঠানে থাকবেন বাংলাদেশের ৩০ মুক্তিযোদ্ধা

    মোদি-হাসিনা জমানায় স্থলসীমান্ত সমস্যার সমাধান

    আন্দালিবের মতে, বর্তমান সময়ে একটি সোনালী অধ্যায়ের মধ্যে দিয়ে চলছে ভারত এবং বাংলাদেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক (Indo-Bangla Relation)। নিজের বক্তব্যের সমর্থনে তিনি দীর্ঘদিন ধরে চলতে থাকা স্থলসীমান্ত সমস্যার সমাধানের কথা উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, ‘‘এটা ভারত ও বাংলাদেশের সম্পর্কের সোনালী অধ্যায়। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার (Modi-Hasina) মধ্যে ব্যক্তিগত পারস্পরিক শ্রদ্ধার সম্পর্ক রয়েছে। যখন দুই রাষ্ট্রনেতার মধ্যে শ্রদ্ধা ও বিশ্বাসের সম্পর্ক থাকে, তখন অনেক সমস্যার সমাধান সম্ভব হয়। দুদেশের রাষ্ট্রপ্রধানদের মধ্যে এখন আন্তরিকতার সম্পর্ক রয়েছে। মোদি এবং হাসিনা (Modi-Hasina) দুজনই বেশ কিছুদিন ধরেই ক্ষমতায় রয়েছেন। এই সময়ে বেশ কয়েকটি বড় সমস্যার সমাধান হয়েছে। যেমন, দীর্ঘদিন ধরে চলে আসা স্থলসীমান্ত সমস্যার সমাধান হয়েছে। এখন ভারত-বাংলাদেশ বাণিজ্য নিয়ে আলোচনা করছে।’’

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Garisenda Tower: পিসার পর এবার হেলছে গ্যারিসেন্ডা টাওয়ার, ইতালির আকাশে সিঁদুরে মেঘ

    Garisenda Tower: পিসার পর এবার হেলছে গ্যারিসেন্ডা টাওয়ার, ইতালির আকাশে সিঁদুরে মেঘ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের খবরের শিরোনামে ইতালি। আবারও খবরের কেন্দ্রে একটি টাওয়ার। ফি বছর তামাম বিশ্ব থেকে লক্ষ লক্ষ পর্যটক আসেন ইতালির পিসার হেলানো টাওয়ার দেখতে। এবার সেই ইতালিতেই হেলে পড়ছে আরও একটি টাওয়ার। সেটি হল বোলোগনা এলাকার গ্যারিসেন্ডা টাওয়ার (Garisenda Tower)। হাজার বছরের পুরানো এই টাওয়ার হুড়মুড়িয়ে ভেঙে পড়তে পারে যে কোনও সময়। তাতেই বাড়ছে আশঙ্কা।

    ঘনীভূত হচ্ছে আশঙ্কার মেঘ

    পিসার বিখ্যাত টাওয়ার প্রায় আটশো বছরের পুরানো। ১৮৬ ফুট উঁচু এই টাওয়ার নির্মাণের কিছুদিন পরেই হেলতে শুরু করে। টাওয়ারটির হেলে যাওয়া রুখতে চেষ্টার কসুর করছেন না বিজ্ঞানীরা। তার পরেও ক্রমেই হেলছে পিসার টাওয়ার। এহেন আবহে ইতালি সরকারের মাথাব্যথার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে হাজার বছরের পুরানো গ্যারিসেন্ডা টাওয়ার। টাওয়ারটি ১৫০ ফুট উঁচু। চতুর্দশ শতক থেকেই সেটি হেলে রয়েছে ৪ ডিগ্রি। আর তার চেয়ে বয়সে প্রায় দু’ শতাব্দী ছোট পিসার টাওয়ার হেলে রয়েছে ৫ ডিগ্রি (Garisenda Tower)। তবে পিসার টাওয়ারের চেয়ে দ্রুত হেলছে গ্যারিসেন্ডা টাওয়ার। তাই ঘনীভূত হচ্ছে আশঙ্কার মেঘ। ত্রস্ত এলাকাবাসী।

    কী বলছে সেন্সর?

    দুর্ঘটনা এড়াতে টাওয়ারটির চার পাশে কর্ডন তৈরির সিদ্ধান্ত নিয়েছে প্রশাসন। টাওয়ারটি যাতে আচমকাই হুড়মুড়িয়ে ভেঙে না পড়ে, সেই চেষ্টাও করছেন বিজ্ঞানীরা। তবে তাতে কতটা কাজ হবে, আদৌ হবে কিনা, তা নিয়ে সন্দিহান বিজ্ঞানীদেরই একাংশ। সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে গ্যারিসেন্ডা টাওয়ারের কাছে যেতে দেওয়া হচ্ছে না পর্যটকদের। অবশ্য এই প্রথম নয়, ২০১৯ সালেই গ্যারিসেন্ডা টাওয়ার ভেঙে পড়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছিল। তখনই সরকারকে টাওয়ারটির হালহকিকত জানাতে পেশ করা হয়েছিল ২৭ পাতার একটি রিপোর্ট। নজরদারি চালাতে তখনই বসানো হয়েছিল সেন্সর। সেই মেশিনই জানিয়ে দিচ্ছে গ্যারিসেন্ডা টাওয়ারের শেষের সে দিন আসতে খুব বেশি দেরি নেই। যে কোনও দিনই ভেঙে পড়তে পারে ইতালির অন্যতম এই গর্ব।

    আরও পড়ুুন: “চোরেরা কী করে তাড়াতাড়ি জেলে যায় সেই কাজেই আমরা ব্যস্ত” হুঁশিয়ারি শুভেন্দুর

    তবে ইতালির বিজ্ঞানীদের একটা বড় অংশের দাবি, গ্যারিসেন্ডা টাওয়ারটি নিয়ে এখনই এত আতঙ্কিত হওয়ার কোনও কারণ নেই। কারণ, সেন্সর এখনও রেড অ্যালার্ট দেয়নি। যা দিয়েছে, তা হল হলুদ অ্যালার্ট। যার অর্থ, টাওয়ারটির ধূলিসাৎ হওয়া রুখতে এখনও বেশ কিছুটা সময় পাবেন বিজ্ঞানীরা (Garisenda Tower)।

    ইতিহাসের পতন রোখা যাবে কি!

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Indias GST: ভারতে জিএসটি আদায়ে ‘নভেম্বর বিপ্লব’, কী বললেন আইএমএফ কর্তা?

    Indias GST: ভারতে জিএসটি আদায়ে ‘নভেম্বর বিপ্লব’, কী বললেন আইএমএফ কর্তা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কী বলবেন একে? নভেম্বর ‘বিপ্লব’? কারণ এই নভেম্বর মাসেই জিএসটি (Indias GST) আদায়ে হয়েছে রেকর্ড। গত নভেম্বরের তুলনায় এবার জিএসটি আদায় হয়েছে ১৫ শতাংশ বেশি। রাজকোষে জমা পড়েছে ১ লাখ ৬৭ ৯২৯ কোটি টাকা। ডিসেম্বরের প্রথম দিনেই জানা গেল, চলতি আর্থিক বছরে এখনও পর্যন্ত এটাই সর্বাধিক জিএসটি আদায়।

    আইএমএফ কর্তার বক্তব্য 

    প্রত্যাশিতভাবেই ভারতের অর্থনৈতিক স্বাস্থ্য নিয়ে আশাবাদী আন্তর্জাতিক মুদ্রা ভাণ্ডারের (আইএমএফ) এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর তথা ভারত সরকারের প্রাক্তন মুখ্য অর্থনৈতিক উপদেষ্টা কেভি সুব্রহ্মনীয়ন। তিনি বলেন, “এ পর্যন্ত যা দেখা যাচ্ছে, তাতে আগামী দেড় থেকে দু’ বছরের মধ্যে জিএসটি আদায়ের পরিমাণ দাঁড়াবে ফি মাসে প্রায় দু’ লক্ষ কোটি টাকা। আমার মনে হয়, জিএসটি সংগ্রহ ভালই চলছে। যেসব নীতি লাগু হয়েছে, সে সবেরই সুফল ফলতে শুরু করেছে। তাই সামগ্রিকভাবে আমার মনে হয় কর সংক্রান্ত যেসব নীতি নেওয়া হয়েছে, তার জেরে জিএসটি আদায়ে এই পারফরমেন্স।”

    জিএসটি আদায়ের ছবি

    জানা গিয়েছে, নভেম্বরে মোট জিএসটি আদায়ের মধ্যে সিজিএসটি বাবদ সরকারি কোষাগারে জমা হয়েছে ৩০ হাজার ৪২০ কোটি টাকা। এসজিএসটি এবং আইজিএসটি বাবদ আদায় হয়েছে ৩৮ হাজার ২২৬ কোটি ও ৮৭ হাজার ৯ কোটি টাকা। আইজিএসটিতে আদায় হওয়া করের মধ্যে আমদানি পণ্যের থেকে মিলেছে ৩৯ হাজার ১৯৮ কোটি টাকা। সেস বাবদ আদায় হয়েছে ১২ হাজার ২৭৪ কোটি টাকা। এর মধ্যে আমদানি পণ্যের থেকে পাওয়া টাকার পরিমাণ ১ হাজার ৩৬ কোটি টাকা। প্রসঙ্গত, এ নিয়ে ষষ্ঠবার জিএসটি (Indias GST) বাবদ রাজকোষে জমা পড়ল ১.৬০ লাখ কোটি টাকা।

    আরও পড়ুুন: “৭-৮টা সন্তান দিন রাশিয়ার মহিলারা”! কেন এরকম আর্জি রুশ প্রেসিডেন্ট পুতিনের?

    সুব্রহ্মনীয়ন বলেন, “দ্বিতীয় ত্রৈমাসিকে জিএসটি আদায়ের পরিমাণ ৭.৬ শতাংশ দেখে আমি তৃপ্ত। প্রথম ত্রৈমাসিকে এর পরিমাণ ছিল ৭.৮ শতাংশ। বৃদ্ধির হার ছিল ৭.২ শতাংশ। তাহলে দেখা গেল, গড়ে চলতি বছরের প্রথমার্ধে ভারতের অর্থনীতি বেড়েছে ৭.৭ শতাংশ। অথচ এই সময় বিশ্ব অর্থনীতি নানা সমস্যার সম্মুখীন। আমার মনে হয়, এটি ভারতীয় অর্থনীতির (Indias GST) একটি আশ্চর্যজনক পারফরমেন্স।”

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     
  • Vijay Diwas 2023: ’৭১-এর যুদ্ধজয়ের ৫২ বছর, বিজয় দিবস অনুষ্ঠানে থাকবেন বাংলাদেশের ৩০ মুক্তিযোদ্ধা

    Vijay Diwas 2023: ’৭১-এর যুদ্ধজয়ের ৫২ বছর, বিজয় দিবস অনুষ্ঠানে থাকবেন বাংলাদেশের ৩০ মুক্তিযোদ্ধা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর। ভারতের সামরিক ইতিহাসের পাতায় এক সোনালি অধ্যায়। পাকিস্তানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ জয় করে নিজের নাম সামরিক ইতিহাসের পাতায় স্বর্ণাক্ষরে খোদাই করেছিল ভারত। ৯৩ হাজার পাকিস্তানি সেনা এদিন আত্মসমর্পণ করেছিল ভারতের সামনে। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ বাদ দিলে এটাই বিশ্বে এখনও পর্যন্ত যে কোনও যুদ্ধে সবচেয়ে বড় আত্মসমর্পণের ঘটনা। এদিন জন্ম নিয়েছিল স্বাধীন বাংলাদেশ (Bangladesh Liberation War)। তাই প্রতি-বছর ঘটা করে এই ঐতিহাসিক দিনটিকে স্মরণ করা হয় দুই বাংলায়। ১৬ ডিসেম্বর একদিকে যেমন স্বাধীনতা দিবস হিসেবে উদযাপন করে পদ্মা-পারের দেশ। তেমনই, এপারে তা পালিত হয় পাকিস্তানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে বিজয়ের দিবস (Vijay Diwas 2023) হিসেবে। 

    শহিদ স্মরণ ও যুদ্ধজয় উদযাপন

    ১৯৭১ সালের যুদ্ধ জয়কে প্রতি বছর উদযাপন করে আসছে ভারতীয় সেনা। এবছর বিজয় দিবস ৫২ বছরে পদার্পণ করল। ১৯৭১ সালের যুদ্ধে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের (অধুনা বাংলাদেশ) বিরুদ্ধে লড়াইয়ে অবতীর্ণ হয়েছিল ভারতীয় সেনা। মুক্তিযোদ্ধাদের কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে পাক-বাহিনীকে পরাস্ত করছিল। সেই যুদ্ধে ভারতীয় সেনার কৌশল ও রণনীতি তৈরি ও পরিচালিত হয়েছিল সেনার পূর্বাঞ্চলীয় সদর কলকাতার ফোর্ট উইলিয়াম থেকে (Bangladesh Liberation War) তৎকালীন পূর্বাঞ্চলীয় সেনাপ্রধান লেফটেন্যান্ট জেনারেল জগজিৎ সিং অরোরার নেতৃত্বে। ’৭১-এর যুদ্ধে যে সকল ভারতীয় জওয়ান শহিদ হয়েছেন, তাঁদের সাহসিকতাকে কুর্নিশ জানাতে এবং যুদ্ধে প্রাণের বলিদান দেওয়া বাংলাদেশের মুক্তিযোদ্ধাদের স্মরণ করতে ফি-বছর ভারতীয় সেনার ইস্টার্ন কমান্ডের তরফে শ্রদ্ধার্ঘ দেওয়া হয় (Vijay Diwas 2023)। একইসঙ্গে, পাকিস্তানের বিরুদ্ধে যুদ্ধজয়ও ঘটা করে পালনও করা হয় এই দিনে। 

    আসছেন ৩০ মুক্তিযোদ্ধার প্রতিনিধিদল

    এবছরও তার অন্যথা হচ্ছে না। সেনার পূর্বাঞ্চলীয় দফতর থেকে জানানো হয়েছে, এবছরও বিশেষ অনুষ্ঠানের মাধ্যমে শহিদ-স্মরণ ও যুদ্ধজয় উদযাপন করা হবে। প্রতি বছরের মতো, এবারও বিজয় দিবসের মাধ্যমে বাংলাদেশের স্বাধীনতা প্রাপ্তির বর্ষপূর্তি (Bangladesh Liberation War) পালিত হবে এখানে। এর জন্য প্রতিবেশী রাষ্ট্র থেকে ৩০ জন মুক্তিযোদ্ধা কলকাতায় আসছেন ভারতীয় সেনার এই অনুষ্ঠানে অংশ নিতে (Vijay Diwas 2023)। এছাড়া আসছেন বাংলাদেশ সামরিক বাহিনীর ৬ জন কর্মরত আধিকারিক। সেনার তরফে জানানো হয়েছে, বাংলাদেশের ওই প্রতিনিধি দল ১৪ তারিখ কলকাতায় পৌঁছবেন। পরের দু’দিন তাঁরা বিভিন্ন কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করবেন।

    একগুচ্ছ অনুষ্ঠান আয়োজনে সেনা

    সেনা জানিয়েছে, বিজয় দিবস (Vijay Diwas 2023) উপলক্ষে বাহিনীর তরফে একগুচ্ছ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। ১৫ তারিখ আরসিটিসি মাঠে মিলিটারি ট্যাটু প্রদর্শিত হবে। এখানে বিভিন্ন সামরিক কসরত ও ক্রীড়া আয়োজিত হবে। আকাশে কেরামতি দেখাবে সামরিক কপ্টার। পরের দিন, অর্থাৎ, ১৬ তারিখ সকালে ফোর্ট উইলিয়ামের বিজয় স্মারকে শহিদ বীরদের উদ্দেশে শ্রদ্ধা জানানো হবে (Bangladesh Liberation War)। অনুষ্ঠানের পৌরহিত্য করবেন সেনার পূর্বাঞ্চলীয় প্রধান জিওসি-ইন-সি লেফটেন্যান্ট জেনারেল আর পি কলিতা। অনুষ্ঠানে অংশ নেবেন ভারতীয় সামরিক বাহিনীর বর্তমান ও অবসরপ্রাপ্ত কর্তারা। এছাড়া, উপস্থিত থাকবেন বাংলাদেশের মুক্তিযোদ্ধারা। বিকেলে, ভিক্টোরিয়া মেমোরিয়ালে একটি সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে আয়োজিত হবে। 

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Assam Divas: মহা সমারোহে পালিত হল অসম দিবস, জানেন দিনটির গুরুত্ব?

    Assam Divas: মহা সমারোহে পালিত হল অসম দিবস, জানেন দিনটির গুরুত্ব?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শনিবার মর্যাদা সহকারে পালিত হল অসম দিবস (Assam Divas)। অহোম রাজা সুকাফা-র সম্মানে ফি বছর ২ ডিসেম্বর মর্যাদা সহকারে পালিত হয় দিনটি। অসম দিবস উপলক্ষে রাজ্যবাসীকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মা। শ্রদ্ধা জানিয়েছেন গ্রেটার অসমের রূপকার সুকাফা-কে। অসম দিবস সুকাফা নামেও পরিচিত। ১৯৯৬ সালে এই উৎসবের সূচনা করেন অসমিয়ারা। তাঁদের কাছে আজও সুকাফা ঈশ্বরের দূত হিসেবে বিবেচিত হন।

    গ্রেটার অসমের প্রতিষ্ঠাতা

    এক্স হ্যান্ডেলে মুখ্যমন্ত্রী লিখেছেন, “মহান সারগাদেও চাওলুঙ্গ সুকাফা গ্রেটার অসমের প্রতিষ্ঠাতা। তিনি ঐক্যের আদর্শ, সুশাসন এবং ঐক্যের ভিত্তিতে প্রতিষ্ঠা করেছিলেন গ্রেটার অসম। এই যুগনায়কের দেখানো পথেই যেন আমরা প্রত্যেকেই বৃহত্তর অসমের বন্ধনকে আরও শক্ত করতে পারি।” সুকাফা কেবল রাজাই ছিলেন না, তিনি সাম্রাজ্যের স্থপতিও (Assam Divas) ছিলেন। ১২২৮ সালে জন্ম গ্রহণ করেছিলেন তিনি। চুকাফা পাটকাই পর্বত পেরিয়ে অসমে প্রবেশ করে অহোম সাম্রাজ্য প্রতিষ্ঠা করেন। তাঁর সাম্রাজ্যে যে কেবল রাজনৈতিক স্থায়িত্ব ছিল তাই নয়, হয়েছিল সাংস্কৃতিক আত্তীকরণও। যা এই অঞ্চলের বিভিন্ন জাতিগোষ্ঠীর ওপর ব্যাপক প্রভাব ফেলেছিল।

    গুরুত্বপূর্ণ অবদান

    অহোম সাম্রাজ্য প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর টিকেছিল প্রায় ছ’শো বছর। অসমের বিভিন্ন সম্প্রদায়কে এক ছাতার তলায় নিয়ে আসতে এই সাম্রাজ্যের অবদান গুরুত্বপূর্ণ। ঐক্য এবং ন্যায়বিচারের ওপর দাঁড়িয়েছিল সুকাফার সুশাসন। ‘দ্য অহোম’ গ্রন্থের লেখক অরূপ দত্তের মতে, সুকাপা ছিলেন অহোমদের নেতা। তিনি ত্রয়োদশ শতাব্দিতে আপার বর্মা থেকে ৯ হাজার অনুগামীকে সঙ্গে নিয়ে অসমের ব্রহ্মপুত্র উপত্যকায় পৌঁছন। বর্তমানে অহোমদের সংখ্যা ৪০ থেকে ৫০ লক্ষ। তাঁর গ্রন্থ থেকেই জানা যায়, সুকপা এখানকার জনজাতিদের সঙ্গে বিশেষত, সুটিয়া, মোরান ও কাচারি সম্প্রদায়ের সঙ্গে সুসম্পর্ক গড়ে তুলেছিলেন। অন্তর্বিবাহের প্রক্রিয়াও এঁদের মিশে যেতে সাহায্য করেছিল।

    আরও পড়ুুন: দুবাইয়ে মোদি-মুইজ্জু বৈঠক, কী কী বিষয়ে আলোচনা হল জানেন?

    ১৯৯৬ সাল থেকে অহোম দিবস পালন শুরু হয়। সে বছর থেকেই বিভিন্ন ক্ষেত্রে কৃতীদের এই পুরস্কার দেওয় হয়। চলতি বছর এই পুরস্কার পাচ্ছেন বর্ষীয়ান সাংবাদিক ধীরেন্দ্রনাথ বেজবরুয়া। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “আজ অসম দিবস। আমি অহোম সাম্রাজ্যের প্রতিষ্ঠাতাকে শ্রদ্ধা জানাই। অসমবাসীকেও শুভেচ্ছা জানাই। তাঁর মহান আদর্শ আমাদের সুন্দর ও সমৃদ্ধশালী অসম গড়তে প্রাণিত করবে।” জোরহাটকে সুকাফা ক্ষেত্র বলে গণ্য করেন অসমিয়ারা। এদিন দিনভর সেখানে (Assam Divas) হয়েছে নানা সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

  • PM Modi: দুবাইয়ে মোদি-মুইজ্জু বৈঠক, কী কী বিষয়ে আলোচনা হল জানেন?

    PM Modi: দুবাইয়ে মোদি-মুইজ্জু বৈঠক, কী কী বিষয়ে আলোচনা হল জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারত-মালদ্বীপ সম্পর্কের বন্ধন আরও দৃঢ় করতে শুক্রবার সম্মত হলেন দুই দেশের রাষ্ট্রপ্রধানরা। দুবাইতে হয়েছে রাষ্ট্রসংঘের জলবায়ু সম্মেলন। এই সম্মেলনেই মুখোমুখি হয়েছিলেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi) ও মালদ্বীপের প্রেসিডেন্ট মোহামেদ মুইজ্জু। সেখানেই দুই রাষ্ট্রপ্রধানের বৈঠক হয়। ওই বৈঠকে দুই রাষ্ট্রপ্রধানের মধ্যে বিভিন্ন ক্ষেত্রে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক নিয়ে আলোচনা হয়। কোর গ্রুপ গঠন নিয়েও হয়েছে আলোচনা।

    মুইজ্জুকে অভিনন্দন-বার্তা

    প্রসঙ্গত, মাস কয়েক আগে মালদ্বীপের ক্ষমতায় আসেন মুইজ্জু। তার পরেই তাঁকে অভিনন্দন জানিয়েছিলেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী। অভিনন্দন-বার্তায় তিনি (PM Modi) লিখেছিলেন, “মালদ্বীপের রাষ্ট্রপতি হিসেবে নির্বাচিত হওয়ার জন্য মুইজ্জুকে অভিনন্দন জানাই। ভারত মহাসাগরীয় অঞ্চলের সার্বিক সহযোগিতা বৃদ্ধি ও ভারত-মালদ্বীপের দীর্ঘদিনের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও ঘনিষ্ঠ ও সুদৃঢ় করার জন্য ভারত অঙ্গীকারবদ্ধ।”

    কী লিখলেন প্রধানমন্ত্রী?

    মালদ্বীপের প্রেসিডেন্টের সঙ্গে বৈঠক শেষে এক্স হ্যান্ডেলে প্রধানমন্ত্রী লিখেছেন, “প্রেসিডেন্ট মুইজ্জু এবং আমি আজ একটি ফলপ্রসূ বৈঠক করেছি। বিভিন্ন ক্ষেত্রে কীভাবে ভারত-মালদ্বীপের বন্ধুত্ব আরও সমৃদ্ধ করা যায়, তা নিয়ে আলোচনা হয়েছে। আমাদের দেশের লোকের স্বার্থেই কীভাবে এক সঙ্গে কাজ করা যায়, সেদিকেই আমরা তাকিয়ে রয়েছি।” প্রধানমন্ত্রী অফিসের তরফেও জানানো হয়েছে, অর্থনৈতিক সম্পর্ক, পারস্পরিক সহযোগিতা বাড়ানো ও দুই দেশের বাসিন্দাদের বন্ধন আরও দৃঢ় করতে ভারত-মালদ্বীপের সম্পর্ক শক্তপোক্ত করতে আলোচনায় বসেছিলেন (PM Modi) দুই দেশের রাষ্ট্রপ্রধানরা।

    মুইজ্জুরের আগে মালদ্বীপের প্রেসিডেন্ট ছিলেন আবদুল্লা ইয়ামিন। তিনি ছিলেন চিনের ঘনিষ্ঠ। ২০১৩ সাল থেকে তাঁর পাঁচ বছরের জমানায় চিন-মালদ্বীপ সম্পর্ক বেশ গাঢ় হয়। পরে প্রেসিডেন্ট হন ইব্রাহিম মোহম্মদ সোলিহ। তাঁর আমলে ভারত-মালদ্বীপ সম্পর্কের উন্নতি হয়। গত সেপ্টেম্বরে পালাবদল ঘটে মালদ্বীপে। ক্ষমতায় আসেন মুইজ্জু। তার পর ফের এই দ্বীপরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পর্ক উন্নত করতে উদ্যোগী হয় ভারত।

    আরও পড়ুুন: “৭-৮টা সন্তান দিন রাশিয়ার মহিলারা”! কেন এরকম আর্জি রুশ প্রেসিডেন্ট পুতিনের?

    ভারতের বিদেশমন্ত্রকের তরফে জানানো হয়েছে, দুই রাষ্ট্র প্রধানের মধ্যে অর্থনৈতিক সম্পর্ক, জলবায়ু পরিবর্তন, ক্রীড়া, দুই দেশের নাগরিকদের মধ্যে সম্পর্ক, উন্নয়ন নিয়ে পারস্পরিক সহযোগিতা ইত্যাদি বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়। কীভাবে দুই দেশের মধ্যে সম্পর্ক আরও গাঢ় করা যায়, তা নিয়েও আলোচনা হয়েছে। তাই দুই রাষ্ট্রপ্রধান চেয়েছেন একটি কোর গ্রুত গঠন (PM Modi) করতে। প্রসঙ্গত, এর ঠিক আগের দিনই মালদ্বীপ থেকে ৭৭ জন সৈনিককে ফেরত নিয়ে ভারতকে অনুরোধ করেছিল মালদ্বীপ সরকার।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     
  • Mizoram Assembly Polls: রাত পোহালেই ভোট গণনা চার রাজ্যে, পিছল মিজোরামের ফল ঘোষণার দিন  

    Mizoram Assembly Polls: রাত পোহালেই ভোট গণনা চার রাজ্যে, পিছল মিজোরামের ফল ঘোষণার দিন  

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাত পোহালেই পাঁচ রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচনের ফল ঘোষণা হওয়ার কথা ছিল। হ্যাঁ, ছিল। তবে এখন আর তা হচ্ছে না। এতে অবশ্য হতাশ হওয়ার কিছু নেই। পূর্ব নির্ধারিত সূচি মেনে রবিবার ভোট গণনা হবে রাজস্থান সহ চার রাজ্যের। বাদ থাকবে উত্তর-পূর্বের পাহাড়ি রাজ্য মিজোরাম (Mizoram Assembly Polls)। এ রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচনের ফল গণনা হবে সোমবার। আজ, শুক্রবার বিবৃতি দিয়ে এ কথা জানাল নির্বাচন কমিশন। রবিবারের পরিবর্তে সোমবার ফল ঘোষণার আবেদন জানিয়েছিল মিজোরামের বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও সংগঠন। তাদের সেই আর্জি মেনেই এ রাজ্যের ভোট গণনা হবে ৪ ডিসেম্বর, সোমবার।

    মিজো নাগরিক সংগঠনের দাবি

    প্রসঙ্গত, নির্বাচনের নির্ঘণ্ট ঘোষণার পরেই মিজোরামের বিভিন্ন সামাজিক সংগঠন ও গির্জাগুলির যৌথমঞ্চ দাবি জানিয়েছিল, রবিবার যেন সেখানে ভোট গণনা না হয়। এ নিয়ে নির্বাচন কমিশনের দ্বারস্থ হয়েছিল মিজো নাগরিক সংগঠন। কমিশনের তরফে জারি করা বিবৃতিতে বলা হয়েছে, বিভিন্ন পক্ষ থেকে গণনার দিন ৩ ডিসেম্বর, রবিবারের (Mizoram Assembly Polls) পরিবর্তে অন্য দিন করার অনুরোধ জানানো হয়েছিল। কারণ রবিবার মিজোরামবাসীর কাছে বিশেষ দিন। এই অনুরোধ বিবেচনা করে কমিশন সিদ্ধান্ত নিয়েছে, মিজোরামে বিধানসভা নির্বাচনের ভোট গণনার দিন ৩ ডিসেম্বর, রবিবারের পরিবর্তে হবে ৪ ডিসেম্বর, সোমবার।

    পাঁচ রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচন

    চলতি মাসেই শেষ হয়েছে রাজস্থান, ছত্তিশগড়, মধ্যপ্রদেশ, তেলঙ্গনা ও মিজোরাম বিধানসভার নির্বাচন। ফল ঘোষণা হওয়ার কথা ছিল ৩ ডিসেম্বর। কিন্তু মিজো নাগরিক সংগঠনের আর্জি মেনেই বদল হয়েছে ফল ঘোষণার দিন। সংগঠনের দাবি, মিজোরামের ৮৮ শতাংশ মানুষই খ্রিস্টান। রবিবার গির্জায় প্রার্থনা করতে যান তাঁরা। তাই এদিন ভোট গণনা হলে, সমস্যায় পড়বেন তাঁরা। মিজোরামের ১৫টি গির্জার যৌথ মঞ্চও এ ব্যাপারে আলাদা করে বার্তা দিয়েছিল কমিশনকে। কমিশনকে করা আবেদন যাতে মঞ্জুর হয়, সেজন্য গত রবিবার বিশেষ প্রার্থনাও হয়েছে মিজোরামের (Mizoram Assembly Polls) বিভিন্ন গির্জায়। প্রসঙ্গত, ২৩ নভেম্বর নির্বাচন হওয়ার কথা ছিল রাজস্থানে। সেদিন ওই রাজ্যে প্রচুর বিয়ে ও সামাজিক অনুষ্ঠান থাকায় দিন পরিবর্তনের দাবি ওঠে বিভিন্ন মহলে। তার জেরেই ২৩ তারিখের পরিবর্তে রাজস্থানে নির্বাচন হয় ২৫ নভেম্বর।

    আরও পড়ুুন: মোদির সঙ্গে সেলফি তুলে উচ্ছ্বসিত ইতালির প্রধানমন্ত্রী, ভাইরাল ‘মেলোডি’

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

  • PM Modi: মোদির সঙ্গে সেলফি তুলে উচ্ছ্বসিত ইতালির প্রধানমন্ত্রী, ভাইরাল ‘মেলোডি’

    PM Modi: মোদির সঙ্গে সেলফি তুলে উচ্ছ্বসিত ইতালির প্রধানমন্ত্রী, ভাইরাল ‘মেলোডি’

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিশ্ব নেতাদের মধ্যে তাঁর তুঙ্গ জনপ্রিয়তার কথা সুবিদিত। এটা যে নিছক সংবাদ মাধ্যমের গালগল্প নয়, শুক্রবার ফের তা একবার দেখল তামাম বিশ্ব।  দুবাইতে চলছে রাষ্ট্রসংঘের জলবায়ু সম্মেলন। শুক্রবার এই সম্মেলনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে রাষ্ট্র ও সরকারের প্রধানদের জন্য উচ্চস্তরের সেগমেন্টে ভাষণ দেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। এদিন রাতেই দেশে ফিরেছেন তিনি। মোদি ছাড়াও এদিনের অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছিলেন বিশ্বের একাধিক রাষ্ট্রপ্রধান।

    মোদির সঙ্গে সেলফি

    এই সম্মেলনের ফাঁকেই মুখোমুখি চলে আসেন মোদি আর ইতালির প্রধানমন্ত্রী জর্জিয়া মেলোনি। ভারতের প্রধানমন্ত্রীকে কাছে পেয়ে ফোন বের করে তাঁর সঙ্গে সেলফি তুলে নেন মেলোনি। ইনস্টাগ্রামে ছবিটি দিয়ে হ্যাশট্যাগে ইতালির প্রধানমন্ত্রী লিখেছেন, “মেলোডি”। ‘মোদি’ ও ‘মেলোনি’ শব্দ যোগ করে তিনি বানিয়ে ফেলেছেন ‘মেলোডি’। যা নিয়ে বিস্তর হইচই নেট মাধ্যমে। মোদি-মেলোনির এই যুগলবন্দি (‘মেলোডি’র ছবি) ইতিমধ্যেই ব্যাপক ভাইরাল হয়েছে। ‘মেলোডি’ পোস্ট করে ইনস্টাগ্রামে ইতালির প্রধানমন্ত্রী লিখেছেন, “সিওপি ২৮ এ ভাল বন্ধুরা # মেলোডি।” 

    এক্স হ্যান্ডেলে প্রধানমন্ত্রী যা লিখলেন

    এদিকে, এক্স হ্যান্ডেলে ভারতের প্রধানমন্ত্রী লিখেছেন, “সিওপি ২৮ সামিটের ফাঁকে ইতালির প্রধানমন্ত্রী জর্জিয়া মেলোনির সঙ্গে সাক্ষাৎ হল। মজবুত ভবিষ্যৎ ও সমৃদ্ধি পেতে ইতালি ও ভারতের যৌথ উদ্যোগে আমি বিশ্বাস করি।” দুবাইয়ের এই সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীর (PM Modi) সঙ্গে সাক্ষাৎ হয়েছে ব্রিটেনের রাজা তৃতীয় চার্লসেরও। ব্রিটেনের রাজার সঙ্গে তাঁর কী কী বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে, তাও জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। তাঁর মতে, জলবায়ু পরিবর্তনের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে একটি গুরুত্বপূর্ণ কণ্ঠস্বর তিনি (রাজা তৃতীয় চার্লস)।

    এক্স হ্যান্ডেলে প্রধানমন্ত্রী লিখেছেন, “দুবাইয়ে আজ আমার একটি সুযোগ হয়েছিল রাজা চার্লসের সঙ্গে কথপোকথনের। তিনি সব সময়ই জলবায়ু পরিবর্তন নিয়ে আলোচনায় আগ্রহী ছিলেন। কীভাবে এই পরিস্থিতির উন্নতি ঘটানো যায়, তা নিয়েও। জলবায়ু পরিবর্তনের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে একটি গুরুত্বপূর্ণ কণ্ঠস্বর তিনি।” প্রসঙ্গত, এ নিয়ে তৃতীয়বার মোদি যোগ দিলেন ‘ওয়ার্ল্ড ক্লাইমেট অ্যাকশান সামিটে’। প্রধানমন্ত্রী হিসেবে মোদি প্রথম এই সম্মেলনে যোগ দেন ২০১৫ সালে। ২০২১ সালে গ্লাসগো সম্মেলনেও যোগ দিয়েছিলেন তিনি (PM Modi)। এবার যোগ দিলেন দুবাই সম্মেলনে।

    আরও পড়ুুন: “ধনী দেশগুলির উচিত কার্বন নির্গমন পুরোপুরি কমানো”, দুবাইতে বললেন প্রধানমন্ত্রী

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

LinkedIn
Share