Tag: news in bengali

news in bengali

  • Union Budget 2024: তৃতীয় মোদি সরকারের প্রথম পূর্ণাঙ্গ বাজেট পেশ বাদল অধিবেশনেই, কবে জানেন?

    Union Budget 2024: তৃতীয় মোদি সরকারের প্রথম পূর্ণাঙ্গ বাজেট পেশ বাদল অধিবেশনেই, কবে জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চলতি বছর ছিল অষ্টাদশ লোকসভা নির্বাচন। তাই পয়লা ফেব্রুয়ারি যে বাজেট পেশ হয়েছিল, তা পূ্র্ণাঙ্গ বাজেট নয়, ভোট অন অ্যাকাউন্ট। ইতিমধ্যেই ফল বেরিয়েছে নির্বাচনের। প্রধানমন্ত্রী পদে আবারও শপথ নিয়েছেন নরেন্দ্র মোদি। অর্থমন্ত্রী যথারীতি নির্মলা সীতারামন। ২২ জুলাই সংসদের বাদল অধিবেশনে কেন্দ্রীয় পূর্ণাঙ্গ বাজেট (Union Budget 2024) পেশ করতে পারেন তিনি।

    পূর্ণাঙ্গ বাজেট (Union Budget 2024)

    এবার বাজেট পেশ করলে এটি হবে তাঁর সপ্তমবার বাজেট পেশ করা। পূর্ণাঙ্গ বাজেটটি পেশ হবে ২০২৪-২৫ অর্থবর্ষের জন্য। কেন্দ্রীয় বাজেটের আগেই পেশ হবে অর্থনৈতিক সমীক্ষা। এটি পেশ হবে ৩ জুলাই। সংসদের বিশেষ অধিবেশনে পেশ করা হবে এই অর্থনৈতিক সমীক্ষা। গত রবিবারই তৃতীয়বারের জন্য প্রধানমন্ত্রী পদে শপথ নিয়েছেন নরেন্দ্র মোদি। এই তৃতীয় দফার (Union Budget 2024) প্রথম পূর্ণাঙ্গ বাজেট হতে চলেছে এটি। সংসদের বাদল অধিবেশন শুরু হবে ২২ জুলাই। চলবে অগাস্টের ৯ তারিখ পর্যন্ত। দ্বিতীয় দফায় অর্থমন্ত্রী হয়ে সীতারামণ প্রথম অফিসে গিয়েছেন ১২ জুন। অফিসে গিয়ে প্রথম দিনই তিনি জানিয়ে দিয়েছিলেন এবারের বাজেটে ভারতীয় অর্থনীতির কোন কোন দিশা থাকবে।

    ‘কোয়ারেন্টাইন’ পর্বে যাচ্ছে নর্থ ব্লক

    জানা গিয়েছে, নর্থ ব্লকে (অর্থমন্ত্রক যেখানে রয়েছে) ইতিমধ্যেই সাজো সাজো রব। বৃহস্পতিবার থেকে জুলাইয়ে বাজেট পেশ না হওয়া ইস্তক ‘কোয়ারেন্টাইন’ পর্বে চলে যাবে নর্থ ব্লক। প্রসঙ্গত, ১ ফেব্রুয়ারি অন্তর্বর্তী বাজেট পেশ করেছিলেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী সীতারামন। মোদি মন্ত্রিসভায় বরাবরই গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে সীতারামনকে। ২০১৭ সালে তিনি ছিলেন মহিলা প্রতিরক্ষামন্ত্রী। তার আগে ছিলেন ইন্ডাস্ট্রি অ্যান্ড কমার্স মিনিস্টার। প্রয়াত অর্থমন্ত্রী অরুণ জেটলি অসুস্থ হওয়ার পর অর্থমন্ত্রকের দায়িত্ব দেওয়া হয় সীতারামনকে। সেই থেকে তিনিই পেশ করে চলেছেন কেন্দ্রীয় বাজেট।

    আরও পড়ুন: জি৭ সম্মেলনে যোগ দিতে ইটালিতে মোদি, বৈঠক করবেন পোপ, বিশ্বনেতাদের সঙ্গেও

    স্বাধীনতা-উত্তর ভারতে তিনিই প্রথম মহিলা অর্থমন্ত্রী। তাঁর আগে অবশ্য কিছু দিনের জন্য অতিরিক্ত দায়িত্ব হিসেবে অর্থমন্ত্রকের দায়িত্ব সামলেছিলেন প্রয়াত প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী। তাঁর আমলে একের পর স্ট্রাইকিং সিদ্ধান্ত নিয়েছেন সীতারামন। ভারতীয় অর্থনীতির হাল ফেরাতে তিনি কর্পোরেট ট্যাক্সকে ৩০ শতাংশ থেকে কমিয়ে ২২ শতাংশ করেছিলেন (Union Budget 2024)। করোনা অতিমারি পর্বে ২০ লাখ কোটি টাকার বিশেষ অর্থনৈতিক প্যাকেজও ঘোষণা করেছিলেন তিনি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, Facebook, Twitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Ramakrishna 46: “তিনি দাঁড়াইলে ঠাকুর বলিলেন, বলরাম! তুমি? এত রাত্রে?”

    Ramakrishna 46: “তিনি দাঁড়াইলে ঠাকুর বলিলেন, বলরাম! তুমি? এত রাত্রে?”

    সপ্তম পরিচ্ছেদ

    ঠাকুর অহেতুক কৃপাসিন্ধু

    শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna) এখনও দাঁড়াইয়া রহিয়াছেন কেন? মূলমন্ত্র করে জপিতেছেন; জপিতে জপিতে ভাবাবিষ্ট হইয়াছেন। অহেতুক কৃপাসিন্ধু! বুঝি যাইবার সময় মহাত্মা বিদ্যাসাগরের আধ্যাত্মিক মঙ্গলের জন্য মার কাছে প্রার্থনা করিতেছেন।

    ঠাকুর ভক্তসঙ্গে সিঁড়ি দিয়া নামিতেছেন। একজন ভক্তের হাত ধরিয়া আছেন। বিদ্যাসাগর স্বজনসঙ্গে আগে আগে যাইতেছেন—হাতে বাতি, পথ দেখাইয়া আগে আগে যাইতেছেন। শ্রাবণ কৃষ্ণষষ্ঠী, এখনও চাঁদ উঠে নাই। তমসাবৃত উদ্যানভূমির মধ্য দিয়া সকলে বাতির ক্ষীনালোক লক্ষ্য করিয়া ফটকের দিকে আসিতেছেন।

    শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna) ভক্তসঙ্গে ফটকের কাছে যাই পৌঁছিলেন, সকলে একটি সুন্দর দৃশ্য দেখিয়া দাঁড়িয়া পড়িল। সম্মুখে বাঙালীর পরিচ্ছদধারী একটি গৌরবর্ণ শ্মশ্রুধারী পুরুষ, বয়স আন্দাজ ৩৬/৩৭, মাথায় শিখদিগের ন্যায় শুভ্র পাগড়ি, পরনে কাপড়, মোজা, জামা। চাদর নাই। তাঁহারা দেখিলেন, পুরুষটি শ্রীরামকৃষ্ণকে দর্শন করিবামাত্র মাটিতে উষ্ণীষসমেত মস্তক অবলুণ্ঠিত করিয়া ভূমিষ্ঠ হইয়া রহিছেন। তিনি দাঁড়াইলে ঠাকুর বলিলেন, বলরাম! তুমি? এত রাত্রে?

    বলরাম (সহাস্যে)—আমি অনেকক্ষণ এসেছি, এখানে দাঁড়িয়েছিলাম।

    শ্রীরামকৃষ্ণ—ভিতরে কেন যাও নাই?

    বলরাম–আজ্ঞা, সকলে আপনার কথাবার্তা শুনিছেন, মাঝে গিয়া বিরক্ত করা।

    (এই বলিয়া বলরাম হাসিতে লাগিলেন।)

    ঠাকুর (Ramakrishna) ভক্তসঙ্গে গাড়িতে উঠিতেছেন।

    বিদ্যাসাগর (মাস্টারের প্রতি মৃদুস্বরে)—ভাড়া কি দেব?

    মাস্টার—আজ্ঞা না, ও হয়ে গেছে।

    বিদ্যাসাগর ও অন্যান্য সকলে ঠাকুরকে প্রণাম করিলেন।

    গাড়ি উত্তরাভিমুখে হাঁকাইয়া দিল। গাড়ি দক্ষিণেশ্বর কালীবাড়িতে যাইবে। এখনও সকলে গাড়ির দিকে তাকাইয়া দাঁড়াইয়া আছেন। বুঝি ভাবিতেছেন, এ মহাপুরুষ কে? যিনি ঈশ্বরকে ভালবাসেন, আর যিনি জীবের ঘরে ঘরে ফিরছেন, আর বলছেন, ঈশ্বরকে ভালবাসাই জীবনের উদ্দেশ্য।

     

    আরও পড়ুনঃ“গীতা গীতা দশবার বলতে গেলে, ত্যাগী ত্যাগী হয়ে যায়”

    আরও পড়ুনঃ “পাপ করলে তার ফল পেতে হবে! লঙ্কা খেলে তার ঝাল লাগবে না?”

    আরও পড়ুনঃ “ব্যাকুলতা না এলে কিছুই হয় না, সাধুসঙ্গ করতে করতে ঈশ্বরের জন্য প্রাণ ব্যাকুল হয়”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, Facebook, Twitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • PM Modi: জি৭ সম্মেলনে যোগ দিতে ইটালিতে মোদি, বৈঠক করবেন পোপ, বিশ্বনেতাদের সঙ্গেও

    PM Modi: জি৭ সম্মেলনে যোগ দিতে ইটালিতে মোদি, বৈঠক করবেন পোপ, বিশ্বনেতাদের সঙ্গেও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জি৭ সম্মেলনে যোগ দিতে ইটালির আপুলিয়ায় পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। শুক্রবারই তিনি পৌঁছেছেন ইটালির এই শহরে। সম্মেলনে যোগ দেওয়ার পাশাপাশি উপস্থিত রাষ্ট্রনেতাদের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠকও করবেন প্রধানমন্ত্রী। এক্স হ্যান্ডেলে প্রধানমন্ত্রী লিখেছেন, “জি৭ সম্মেলনে যোগ দিতে ইটালিতে পৌঁছালাম। বিশ্বনেতাদের সঙ্গে ফলপ্রসূ আলোচনার জন্য মুখিয়ে রয়েছি। উজ্জ্বল ভবিষ্যতের লক্ষ্যে আমরা একসঙ্গে বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ ও আন্তর্জাতিক সহযোগিতা নিয়ে আলোচনা করব।”

    মেলোনির আমন্ত্রণ (PM Modi)

    অষ্টাদশ লোকসভা নির্বাচনে জয়ী হওয়ার পর মোদিকে ফোনে অভিনন্দন জানিয়েছিলেন ইতালির প্রধানমন্ত্রী জর্জিয়া মেলোনি। সেই সময়ই তিনি ভারতের প্রধানমন্ত্রীকে জি৭ সম্মেলনে যোগ দেওয়ার আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন। সেই আমন্ত্রণই গ্রহণ করে ইতালি পাড়ি দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী (PM Modi)। তৃতীয়বার প্রধানমন্ত্রী পদে শপথ নেওয়ার পর এটাই মোদির প্রথম বিদেশ সফর। জি৭-এ-র সদস্য দেশগুলি হল আমেরিকা, ব্রিটেন, জার্মানি, জাপান, কানাডা, ফ্রান্স এবং ইটালি। এই সম্মেলনে ভারত আমন্ত্রিত সদস্য।

    সম্মেলনে যোগ দেবেন পোপ

    এবার সম্মেলনে যোগ দেবেন পোপ ফ্রান্সিসও। তিনিই প্রথম পোপ, যিনি যোগ দিচ্ছেন জি৭ এর সম্মেলনে। ভ্যাটিকেনের তরফে জারি করা বিবৃতিতে বলা হয়েছে, এআইয়ের এথিক্যাল ইমপ্লিকেশন সম্পর্কিত বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনায় অংশ নেবেন পোপ। মোদি ছাড়াও পোপ দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করবেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন, ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি এবং ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রঁর সঙ্গে। জি৭ সম্মেলন শুরু হয়েছে ১৩ জুন। শেষ হবে এ মাসেরই ১৫ তারিখে।

    আরও পড়ুন: নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় পার্থর আরও বেনামি সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত ইডির

    এদিকে, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির খাবারের ব্যবস্থা করছে নমস্তে ইন্ডিয়ান রেস্টুরেন্ট নামের একটি রেস্তরাঁ। বিশ্বনেতাদের সম্মানে যে নৈশভোজের আয়োজন করেছেন ইটালির প্রধানমন্ত্রী, সেখানেই খাবার পরিবেশন করবে এই রেস্তরাঁ। ইটালিতে ভারতীয় খাবার পরিবেশনে সিদ্ধহস্ত এই রেস্তরাঁ। এদের গ্রিন চাটনির সঙ্গে মুচমুচে সামোসা, সুগন্ধী বিরিয়ানি, ক্রিমি সারসোঁ দা সাগ, পনির কারি, আলু গোবি, মাটন কারি, বাটার নান, চিকেন কারি এবং পোলাও সে দেশে খুবই জনপ্রিয়। নারকেলের নাড়ুকেও ইটালিতে জনপ্রিয় করেছে এই রেস্তরাঁ। এনিয়ে পঞ্চমবার জি৭ সম্মেলনে যোগ দিলেন নরেন্দ্র মোদি। বিশ্ব নেতৃত্বের কাছে তিনি যে ক্রমেই গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছেন, মোদিকে (PM Modi) মেলোনির আমন্ত্রণই এর সব চেয়ে বড় প্রমাণ।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, Facebook, Twitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Nisith Pramanik: কোচবিহারে আক্রান্ত নেতা-কর্মীদের পাশে থেকে তৃণমূলকে কড়া হুঁশিয়ারি নিশীথের

    Nisith Pramanik: কোচবিহারে আক্রান্ত নেতা-কর্মীদের পাশে থেকে তৃণমূলকে কড়া হুঁশিয়ারি নিশীথের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শাসক দলের দুষ্কৃতীদের দ্বারা আক্রান্ত বিজেপি নেতা-কর্মীদের পাশে থাকার আশ্বাস দিয়াছেন বিজেপি নেতা নিশীথ প্রামাণিক (Nisith Pramanik)। গতকাল বৃহস্পতিবার কোচবিহারের একাধিক হিংসা কবলিত এলাকায় প্রাক্তন বিজেপি সাংসদ সহ জেলা সভাপতি সুকুমার রায়, বিধায়ক নিখিলরঞ্জন দে, জেলা সম্পাদক বিরাজ বসুদের এক বিশেষ প্রতিনিধি দল হিংসা কবলিত এলাকার একাধিক জায়গায় পরিদর্শন করেন। তাঁরা গ্রামের মানুষের সঙ্গে কথা বলেন। একই সঙ্গে বিজেপির পঞ্চায়েত সদস্য প্রধানদের সঙ্গে দেখা করে সবরকম সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছে জেলা বিজেপি।

    কী বললেন নিশীথ প্রামাণিক (Nisith Pramanik)?

    প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী তথা কোচবিহারের প্রাক্তন সাংসদ নিশীথ প্রমাণিক (Nisith Pramanik) বলেন, “গতকাল বৈঠক করে আমরা রাস্তায় নেমেছি। তৃণমূলের দুষ্কৃতীরা সাধারণ মানুষের উপর অত্যচার করছে। বাড়িঘর ভাঙচুর এবং সম্পত্তি লুট করছে। আমরা অত্যাচারিত মানুষের পাশে সবসময় রয়েছি। প্রত্যেক আক্রান্ত কর্মীরা আমাদের ভাই, তাঁদের পরিবার আমাদের পরিবার। আমরা দলের পক্ষ থেকে সকলের পাশে রয়েছি। তৃণমূলের যে নেতারা চাঁদাবাজি করছে। দরকার হলে আমরাও তাঁদের ঘেরাও করব। জবাব চাইব আমরাও। চোখে চোখ রেখে লড়াই করব সকলে।” আবার কোচবিহার জেলা সভাপতি সুকুমার রায় বলেন, “ভোটের পর থেকেই উত্তরববঙ্গে মানুষ আক্রান্ত হচ্ছেন। সকল বিজেপি কর্মীদের একসঙ্গে একত্রিত হয়ে সংগঠিত হয়ে লড়াই করতে হবে। রাজনৈতিক ভাবে গণতান্ত্রিক উপায়ে আমাদের আন্দোলন করতে হবে।” আবার রুইডাঙা গ্রামপঞ্চায়েত প্রধান অশ্বিনী বর্মণ বলেছেন, “তৃণমূলের চোখ রাঙানি উপেক্ষা করতে বলা হয়েছে। দল সকলের পাশে রয়েছে।”

    আরও পড়ুন: লন্ডন উইম্বলডন প্রতিযোগিতায় লাইন আম্পায়ার শ্রীরামপুরের দুই যুবক

    তৃণমূলের বক্তব্য

    তৃণমূলের উত্তরবঙ্গ উন্নয়নমন্ত্রী উদয়ন গুহ বলেছেন, “জামাই ষষ্ঠী করার জন্য আমাদের প্রাক্তন এমপি নিশীথ (Nisith Pramanik) জেলায় ফিরছেন। ভোটে পরাজিত হয়ে পরের দিনই দিল্লি চলে গিয়েছিলেন। আজকে সংবাদপত্রে দেখেছিলাম, নিশীথ প্রামাণিক নাকি মাথাভাঙ্গায় আসবেন। মাথাভাঙ্গা মহকুমায় এসে নাকি আক্রান্তদের বাড়িতে দেখা করবেন। তবে যেখানে খুশি যেতে পারেন। তিনি নিরাপত্তা বাহিনী নিয়ে আসবেন আবার চলেও যাবেন। নিজের বাহিনীগুলিকে মানুষের নিরাপত্তায় ব্যবহার করুক, তাহলে উপকার হবে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, Facebook, Twitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Lok Sabha Election Results: তৃণমূলের আট মন্ত্রী হেরেছেন নিজের বিধানসভা কেন্দ্রে! কী বলছে দল?

    Lok Sabha Election Results: তৃণমূলের আট মন্ত্রী হেরেছেন নিজের বিধানসভা কেন্দ্রে! কী বলছে দল?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সদ্য শেষ হয়েছে ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচন (Lok Sabha Election Results)। সেই নির্বাচনের ফলাফলে রাজ্যে তৃণমূল সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেলেও একাধিক বিধানসভায় হার হয়েছে তৃণমূলের। রিপোর্ট অনুযায়ী জানা গিয়েছে, রাজ্যে তৃণমূলের আট মন্ত্রী হেরেছেন তাঁদের বিধানসভা কেন্দ্রে। একইসঙ্গে নির্বাচনকালে জেলবন্দি চার বিধায়কের (TMC Ministers Defeated) এলাকায় দুটিতে হার হয়েছে তৃণমূলের। 

    রাজ্যের আট মন্ত্রীর বিধানসভায় হার তৃণমূলের (Lok Sabha Election Results)

    রাজ্যের এই মন্ত্রীদের মধ্যে সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য হলেন শিল্পমন্ত্রী শশী পাঁজা এবং দমকলের স্বাধীন দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী সুজিত বসু। রিপোর্ট অনুযায়ী শশী পাঁজার বিধানসভা কেন্দ্র শ্যামপুকুরে (TMC Ministers Defeated) এগিয়ে রয়েছে বিজেপি। শ্যামপুকুর পড়ে উত্তর কলকাতা লোকসভা কেন্দ্রের মধ্যে। উত্তর কলকাতা লোকসভায় তৃণমূল প্রার্থী সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায় জিতলেও শশীর শ্যামপুকুরে এগিয়ে রয়েছেন বিজেপির তাপস রায়। অন্যদিকে, কলকাতা লাগোয়া বিধাননগর বিধানসভাতেও পিছিয়ে রয়েছে তৃণমূল। সেখানকার বিধায়ক রাজ্যের মন্ত্রী সুজিত বসু। বারাসত লোকসভার মধ্যে অন্তর্গত বিধাননগর। বারাসত লোকসভা থেকে নির্বাচিত হয়েছেন তৃণমূল প্রার্থী কাকলি ঘোষ দস্তিদার। তিনি ওই কেন্দ্রে এই নিয়ে টানা চার বার জিতলেন। কিন্তু কাকলি লোকসভায় জিতলেও সুজিত বসুর বিধানসভা কেন্দ্রে তৃণমূল ১১ হাজার ভোটে পিছিয়ে। 

    এছাড়াও কৃষ্ণনগর লোকসভায় (Lok Sabha Election Results) জিতেছেন তৃণমূলের মহুয়া মৈত্র। কিন্তু দেখা যাচ্ছে কৃষ্ণনগর দক্ষিণ বিধানসভায় তৃণমূল পিছিয়ে রয়েছে ৯ হাজার ভোটে। কৃষ্ণনগর দক্ষিণের বিধায়ক উজ্জ্বল বিশ্বাস রাজ্যের বিজ্ঞান-প্রযুক্তিমন্ত্রী। অন্যদিকে রাজ্যের শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী সত্যজিৎ বর্মনের বিধানসভা কেন্দ্র হেমতাবাদে ৮ হাজার ভোটে পিছিয়ে রয়েছে তৃণমূল (TMC Ministers Defeated)। উত্তরবঙ্গের মালদহে দুই মন্ত্রী তাজমুল হোসেন এবং সাবিনা ইয়াসমিনের বিধানসভা কেন্দ্রেও পিছিয়ে তৃণমূল। একইসঙ্গে পূর্ব মেদিনীপুর জেলার দুই মন্ত্রী অখিল গিরি এবং বিপ্লব রায়চৌধুরির বিধানসভাতেও পিছিয়ে রয়েছে তৃণমূল। 

    আরও পড়ুন: বাংলাদেশ জেতায় ছিটকে গেল শ্রীলঙ্কা, আফগানদের জয়ে নিউজিল্যান্ডের বিদায়

    জেলবন্দি চার বিধায়কের এলাকায় দুটিতে হার তৃণমূলের (Arrested TMC MLA) 

    এই আট মন্ত্রীর পাশাপাশি জেলবন্দি চার বিধায়কের এলাকাতেও দুটিতে হার হয়েছে তৃণমূলের (Lok Sabha Election Results) । রাজ্যের নিয়োগ ও রেশন দুর্নীতি মামলায় জেলে যেতে হয়েছে তৃণমূলের চার জন বিধায়ককে। এক জন অবশ্য তাঁর এলাকায় ভোটের পরেই জামিন পেয়েছেন। তিনি বড়ঞার বিধায়ক জীবনকৃষ্ণ সাহা। কিন্তু এখনও জেলবন্দি (Arrested TMC MLA) রয়েছেন তিন জন। তাঁরা হলেন- পার্থ চট্টোপাধ্যায়, জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক এবং মানিক ভট্টাচার্য। এই চার বিধায়কের বিধানসভাতে লোকসভার ফলাফল খতিয়ে দেখলে দেখা যাচ্ছে, চার জনের মধ্যে দুজন বিধায়কের বিধানসভায় তৃণমূল পিছিয়ে রয়েছে।   

    রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক হাবরার বিধায়ক। হাবরা বারাসত লোকসভার অন্তর্গত। বারাসত লোকসভায় এ বার নিয়ে টানা চার বার জিতলেন তৃণমূলের কাকলি ঘোষ দস্তিদার। তবে জ্যোতিপ্রিয় তথা বালুর হাবরায় কাকলি পিছিয়ে রয়েছেন ২০ হাজার ভোটে (TMC Ministers Defeated)। আর এই একই ছবি বড়ঞাতেও। কারন, জীবনকৃষ্ণের বড়ঞা পড়ে বহরমপুর লোকসভার মধ্যে। এই লোকসভা কেন্দ্রে কংগ্রেসের অধীর চৌধুরীকে হারিয়ে এ বারই প্রথম সেখানে জয় পেয়েছে তৃণমূল। বহরমপুর লোকসভায় (Lok Sabha Election Results) এবারের তৃণমূল প্রার্থী ছিল প্রাক্তন ক্রিকেটার ইউসুফ পাঠান। তবে লোকসভা কেন্দ্রে জিতলেও দেখা যাচ্ছে বড়ঞায় ৫০০ ভোটে পিছিয়ে রয়েছে তৃণমূল। 

    একাধিক বিধানসভায় পরাজয়ে কী সাফাই দিল তৃণমূল? 

    কেন ধরে রাখতে পারলেন না নিজেদের বিধানসভা, সেই প্রশ্নে একেক জন মন্ত্রী একেক রকম যুক্তি দিয়েছেন। হেমতাবাদের সত্যজিৎ এ প্রসঙ্গে সরাসরিই বলেছেন, ‘‘আমাদের জেলা পরিষদের সভাধিপতিকে নিয়ে বিস্তর ক্ষোভ রয়েছে। এসসি সংরক্ষিত পদে এসটি-কে বসিয়ে দেওয়া হয়েছে। সেই ক্ষোভের কারণে রাজবংশী ভোট আমরা পাইনি।’’ আবার মোথাবাড়ির সাবিনার বক্তব্য, ‘‘ভোটের (Lok Sabha Election Results) দুদিন আগে সংখ্যালঘু ভোটের মন বদল হয়ে গিয়েছিল। কিন্তু কোথাও দিদি (মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়) বা তৃণমূলের বিরুদ্ধে ক্ষোভ নেই। মালদহ দক্ষিণে কংগ্রেসের পক্ষে কোতোয়ালি বাড়ির আবেগ কাজ করেছে।’’ অন্যদিকে কৃষ্ণনগর দক্ষিণের বিধায়ক তথা রাজ্যের মন্ত্রী উজ্জ্বলের বক্তব্য, ‘‘আগের লোকসভাতেও কৃষ্ণনগর দক্ষিণে আমরা পিছিয়ে ছিলাম। সে সব মেরামত করেই আমাকে বিধানসভায় জিততে হয়েছিল।’’ একইসঙ্গে এ প্রসঙ্গে মন্ত্রী তথা রামনগরের বিধায়ক অখিল গিরি স্পষ্টই জানিয়েছেন, এই হারের ‘কারণ’ খুঁজতে রবিবার তিনি পর্যালোচনা বৈঠক করবেন। সেই বৈঠকে ডাকা হয়েছে বুথ স্তরের নেতাদেরও। অতএব গোটা রাজ্যের ফলাফল (TMC Ministers Defeated) গভীর ভাবে বিশ্লেষণ করলে দেখা যাবে ওপর ওপর তৃণমূল নিজেদের যতই শক্তিশালী ভাবুক না কেন তাদের ভিত বহু জায়গায় এখনও নড়বড়ে। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, Facebook, Twitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Kuwait Fire: কুয়েত থেকে ৪৫ দেহ নিয়ে ফিরল বায়ুসেনার বিমান, ক্ষতিপূরণ ঘোষণা অনাবাসীর

    Kuwait Fire: কুয়েত থেকে ৪৫ দেহ নিয়ে ফিরল বায়ুসেনার বিমান, ক্ষতিপূরণ ঘোষণা অনাবাসীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সময়ের সঙ্গে সঙ্গে বেড়েছে মৃতের সংখ্যা। দেহ ভারতে ফেরাতে উদ্যোগী হয়েছে নরেন্দ্র মোদির সরকার। শুক্রবার সকালে কুয়েতের বহুতলে অগ্নিকাণ্ডের (Kuwait Fire) ঘটনায় মৃতদের দেহ আনতে পাঠানো হয়েছিল ভারতীয় বায়ুসেনার সি-১৩০জে নামের একটি বিশেষ বিমান। এই বিমানে করেই ফিরিয়ে আনা হয়েছে ৪৫ জনের দেহ।

    ফিরল দেহ (Kuwait Fire)

    কুয়েতের দুর্ঘটনার পরে জরুরি বৈঠকে বসেছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সেখানে সিদ্ধান্ত হয় কুয়েতে যাবেন ভারতের নয়া বিদেশ প্রতিমন্ত্রী কীর্তি বর্ধন সিং। শুক্রবার সকালে তিনি কুয়েতে পৌঁছেও গিয়েছিলেন। শনিবার ফিরলেন দেহ নিয়ে। কুয়েতে গিয়ে মন্ত্রী দেখা করেছিলেন হাসপাতালে ভর্তি অগ্নিদগ্ধ (Kuwait Fire) ভারতীয়দের সঙ্গে। মন্ত্রীর সঙ্গে তখন ছিলেন ভারতীয় দূতাবাসের আধিকারিকরা। এদিন দেহ নিয়ে বিমানটি কোচি বিমানবন্দর ছুঁতেই অ্যাম্বুলেন্সে করে সেগুলি নিয়ে যাওয়া হয়।

    মৃতদের মধ্যে একজন বাংলার

    কুয়েতের অগ্নিকাণ্ডে যে পঁয়তাল্লিশজনের মৃত্যু হয়েছে, তাঁদের মধ্যে একজন পশ্চিমবঙ্গের বাসিন্দা। কেরলের বাসিন্দা ২৩ জন। মৃতদের মধ্যে ৭ জনের বাড়ি তামিলনাড়ুতে। উত্তরপ্রদেশ এবং অন্ধ্রপ্রদেশের তিনজন করেও রয়েছেন। ওড়িশার দু’জনেরও মৃত্যু হয়েছে। পশ্চিমবঙ্গ, বিহার, হরিয়ানা, ঝাড়খণ্ড, কর্ণাটক, মহারাষ্ট্র এবং পাঞ্জাবের একজন করেও রয়েছেন মৃতদের মধ্যে। কোচি থেকে বিমানটিকে উড়িয়ে নিয়ে যাওয়া হয় দিল্লিতে।

    আরও পড়ুন: তিস্তা পাড়ে বন্যার শঙ্কা, গঙ্গা পাড় শুকনো! দক্ষিণবঙ্গে আর কবে ঢুকবে বর্ষা?

    মৃত ভারতীয়দের পরিবারের পাশে দাঁড়িয়েছেন সংযুক্ত আরব আমিরাতের লুলু গ্রুপের চেয়ারম্যান, অনাবাসী ভারতীয় ব্যবসায়ী এমএ ইউসুফ আলি। নিহতদের প্রত্যেকের পরিবারকে ৫ লাখ টাকা করে ক্ষতিপূরণ দেওয়ার কথা ঘোষণা করেছেন তিনি। প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিল থেকে আগেই মৃতদের পরিবারকে দু’লাখ টাকা করে ক্ষতিপূরণ দেওয়ার কথা ঘোষণা করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। দিয়েছিলেন মৃতদের পরিবারের পাশে থাকার আশ্বাসও।

    প্রসঙ্গত, বুধবার ভোরে আগুন লাগে কুয়েতের এক বহুতলে। এই বহুতলে ছিলেন ১৯৫ জন শ্রমিক। এঁদের সিংহভাগই ভারতীয়। অগ্নিকাণ্ডের জেরে মৃত্যু হয় ৪৯ জনের। কুয়েত সরকার জানিয়েছে, ৪৫ জন ভারতীয়ের মৃতদেহ চিহ্নিত করা হয়েছে। আশঙ্কাজনক অবস্থায় এলাকার বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন আরও প্রায় ৫০ জন (Kuwait Fire)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, Facebook, Twitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Loksabha Election 2024 Result: ঘরের বুথেই ধরাশায়ী সুদীপ, তাপসের ওয়ার্ডে ফুটল পদ্ম

    Loksabha Election 2024 Result: ঘরের বুথেই ধরাশায়ী সুদীপ, তাপসের ওয়ার্ডে ফুটল পদ্ম

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২০১৯-এর লোকসভা ভোটের তুলনায় ব্যবধান কমলেও কলকাতা উত্তর লোকসভা আসনে বিজেপি প্রার্থী তাপস রায়কে হারিয়ে জয়ী হয়েছেন তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী সুদীপ বন্দোপাধ্যায়। তবে (Loksabha Election 2024 Result) ফলাফল বিশ্লেষণ করলে দেখা যাবে সাংসদ সুদীপ নিজের বুথেই পরাজিত হয়েছেন। নিজের ঘরের এলাকাতেই সুদীপের জনপ্রিয়তা কমে যাওয়ায় চিন্তায় তৃণমূল শিবির। কলকাতা উত্তর লোকসভা কেন্দ্রের চৌরঙ্গী বিধানসভার ৫৩ নম্বর ওয়ার্ডের ক্যালকাটা বয়েজ স্কুলের ১৭১ নম্বর বুথের ভোটার সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়। এই বুথে তৃণমূলের প্রাপ্ত ভোট ২৪৫। উল্টোদিকে বিজেপি প্রার্থী তাপস রায়ের প্রাপ্ত ভোট ২৪৯। অর্থাৎ চারটি ভোটে তৃণমূল প্রার্থীর সুদীপকে পরাজিত করেছেন বিজেপি প্রার্থী তাপস রায়।

    কলকাতায় আরও বহু জায়গায় পিছিয়ে তৃণমূল (Loksabha Election 2024 Result)

    তবে শুধু সুদীপ একা ঘরে হেরেছেন এমন নয় কলকাতার ৪ জন মেয়র পরিষদ ও একাধিক বরো চেয়ারম্যান লোকসভার বুথভিত্তিক ফলাফলের নিরিখে (Loksabha Election 2024 Result) পরাজিত হয়েছেন তাঁদের নিজের ওয়ার্ডে। সেখানে এগিয়েছে বিজেপি। কলকাতা পুরসভার ৪৫টি ওয়ার্ডে বিজেপি এগিয়ে আছে। কলকাতা পুরনিগমের অধীনে ১৪৪ টি ওয়ার্ডের মধ্যে বিজেপি এগিয়ে ৪৫টি ওয়ার্ডে। একটি মাত্র ওয়ার্ডে এগিয়ে সিপিএম। তৃণমূলের হেরে যাওয়া ওয়ার্ডগুলির মধ্যে একাধিক হেভিওয়েট কাউন্সিলর আছেন। তাঁদের মধ্যে রয়েছেন মেয়র পারিষদ সদস্য সন্দীপন সাহা, দেবাশিস কুমার, অসীম বসু ও সন্দীপ রঞ্জন বক্সি। পরাজিত বরো চেয়ারম্যানদের তালিকায় আছেন সুশান্ত ঘোষ, দেবলীনা বিশ্বাস, জুঁই বিশ্বাস, সাধনা বসু, সুদীপ পল্লে ও সুস্মিতা ভট্টাচার্য। পরাজিত হয়েছেন বিধায়ক পরেশ পাল। তবে তাপস রায়ের ওয়ার্ডে ফুটেছে পদ্ম।

    ফলাফল নিয়ে অখুশি তৃণমূল শিবির

    নির্বাচন শুরু হওয়ার আগে থেকেই সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে মুখ খুলতে দেখা গেছে কুণাল ঘোষকে। অথচ ঘরের বুথে সুদীপ পরাজিত হওয়ার পর কুণাল ঘোষের সাবধানী প্রতিক্রিয়া, “আমরা এখনও (Loksabha Election 2024 Result) বুথভিত্তিক তথ্য সংগ্রহ করছি। সব তথ্য এখনও আমার হাতে আসেনি। যেখানে ভালো ফল করেছি, সেখানে আরও ভালো ফল করতে হবে। যেখানে খারাপ ফল হয়েছে, সেখানে কী কারণে খারাপ ফল হল তা খুঁজে বের করে, মেরামত করতে হবে। সূত্রের খবর, দল জিতলেও বেশি ব্যবধান দিতে না পারায় কলকাতা উত্তরের ২০ নম্বর ওয়ার্ডের পুরপ্রতিনিধি তৃণমূলের বিজয় উপাধ্যায় পদত্যাগ করতে চেয়েছেন। এই ওয়ার্ডে মাত্র ২১৭ ভোটে এগিয়ে আছেন সুদীপ। পুরনির্বাচনে বিজয় সাড়ে ৯ হাজার ভোটে জিতেছিলেন।

    আরও পড়ুন: বিজেপির ওপর আস্থায় গোঁসা, শহরের বরাদ্দ বন্ধ করলেন উদয়ন!

    তাহলে জয়ের ব্যবধান হঠাৎ এত কমে গেল কেন? জিজ্ঞাসা করায় বিজয় বলেন, “আমাকে দিদি ওখানে পাঠিয়েছিলেন। আমি ওখানে ভোটে জয়ী হয়েছিলাম। অথচ লোকসভায় (Loksabha Election 2024 Result) ব্যবধান কমে ২১৭ হয়ে গিয়েছে। আমি এটা মেনে নিতে পারছি না। আমি প্রত্যেক বাড়ি বাড়ি গিয়ে কথা বলেছি। প্রত্যেকে আমার কাজে খুশি। তাহলে ভোট দেবে না কেন? সেই জন্য আমার অনেক কষ্ট হয়েছে। আমি আমার পদ থেকে ইস্তফা দিতে চাই । দলীয় সূত্রে খবর, কলকাতা পুরসভার মেয়র ফিরহাদ হাকিম, চেয়ারপার্সন মালা রায়ের কাছে পদত্যাগ পত্র পাঠিয়েছেন বিজয়। দলীয় স্তরেও তিনি পদত্যাগ পাঠিয়েছেন বলে খবর।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, Facebook, Twitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Wimbledon 2024: উইম্বলডন প্রতিযোগিতায় লাইন আম্পায়ার শ্রীরামপুরের দুই যুবক

    Wimbledon 2024: উইম্বলডন প্রতিযোগিতায় লাইন আম্পায়ার শ্রীরামপুরের দুই যুবক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: টেনিস প্রেমীদের পছন্দের প্রতিযোগিতা হল উইম্বলডন (Wimbledon 2024)। এবার এই উইম্বলডন খেলার লাইন আম্পায়ারিং করানোর জন্য লন্ডন পাড়ি দিতে চলেছেন হুগলির শ্রীরামপুরের দুই যুবক। আগামী ২০ জুন লন্ডনের উদ্দেশে যাত্রা করবেন তাঁরা। খেলায় লাইন আম্পায়ার হিসাবে খেলা পরিচালনার দায়িত্বে থাকবেন সৈকত রায় এবং সোমনাথ মান্না।

    তাবড় তাবড় টেনিস প্লেয়াররা প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন (Wimbledon 2024)

    উইম্বলডন চ্যাম্পিয়নশিপে (Wimbledon 2024) সারা বিশ্বের তাবড় তাবড় টেনিস প্লেয়াররা প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। রাফায়েল নাদাল, পিট সাম্প্রাস, ইভান ল্যান্ডল, বরিস বেকার, রজার ফেডেরার, নোভাক জকোভিচ, ভেনাস উইলিয়ামস, সেরেনা উইলিয়াম প্রমুখ খেলোয়াড়রা খেলেছেন। প্রত্যেকের লক্ষ্য থাকে উইম্বলডনের গ্র্যান্ডস্ল্যাম জেতার। এবার এই খেলা পরিচালনার গুরুদায়িত্ব পালন করবেন বঙ্গের দুই সন্তান। শ্রীরামপুরে এখন উৎসবের আবহ।

    ২০১০ থেকে তার যাত্রা শুরু সৈকতের

    দীর্ঘ দশবছরের বেশি সময় ধরে এই খেলার প্রতিযোগিতায় আম্পায়ারিং (Wimbledon 2024) করে আসছেন সৈকত রায়। শ্রীরামপুরে মাসির বাড়ি সংলগ্ন এলাকার বাসিন্দা তিনি। প্রথম জীবনে মূলত হাত খরচ চালানোর জন্য লন টেনিসের লাইনে আম্পায়ারিং করা শুরু করেছিলেন। ১৯৯৮ সালে কলকাতায় একটি প্রতিযোগিতার কাজে এসেছিলেন উইম্বলডনের মূল রেফারি জেরি আমস্ট্রং। সেখানে জেরির সঙ্গে আলাপ হয় সৈকতের। সেই সময় জেরি তাঁকে অনুপ্রেরণা দেন, এরপর থেকে এই লাইন আম্পায়ারিংকেই পেশা হিসাবে যেন গ্রহণ করেন তিনি। তার ঠিক ১০ বছর পর লন্ডনে যাওয়ার ডাক আসে। ২০১০ থেকে তাঁর যাত্রা শুরু হয়। এরপর থেকে তাঁকে আর পিছনের দিকে তাকাতে হয়নি। একাধিক বার বড় বড় প্রতিযোগিতায় পরিচালনার দায়িত্ব পেয়েছেন তিনি। পরিবারে খুশির আবহ।

    আরও পড়ুন: আন্তর্জাতিক র‌্যাঙ্কিংয়ে এক লাফে ৪৯ ধাপ এগিয়ে গেল খড়্গপুর আইআইটি

    ১ জুলাই খেলা শুরু লন্ডনে

    অপর দিকে ২০১১ সাল থেকে উইম্বলডন (Wimbledon 2024) খেলায় লাইন আম্পায়ার হিসাবে কাজ করে আসছেন শ্রীরামপুরের নাগরার আরেকম বাসিন্দা সোমনাথ মান্না। তিনিও এই বছর ২০ জুন তারিখে যাত্রা করবেন। সৈকত এবং সোমনাথ উভয়ের জন্য গর্বিত গোটা শ্রীরামপুরবাসী। এই বছর উইম্বলডন খেলা শুরু হতে চলেছে ১ জুলাই। গোটা বিশ্বের তারকা লন টেনিস প্লেয়ারদের খেলা পরিচালনার দায়িত্ব পালন করবেন এই দুই বঙ্গ সন্তান। খুব স্বাভাবিকভাবেই এই প্রতিযোগিতার দিকে নজর থাকবে সারা বিশ্ব টেনিস প্রেমীদের।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, Facebook, Twitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • T20 World Cup 2024: বাংলাদেশ জেতায় ছিটকে গেল শ্রীলঙ্কা, আফগানদের জয়ে নিউজিল্যান্ডের বিদায়

    T20 World Cup 2024: বাংলাদেশ জেতায় ছিটকে গেল শ্রীলঙ্কা, আফগানদের জয়ে নিউজিল্যান্ডের বিদায়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ১৯ জুন থেকে শুরু হচ্ছে এ বারের টি-২০ বিশ্বকাপের (T20 World Cup 2024) সুপার এইট পর্ব। আর তার আগেই জোড়া আনন্দের স্বাদ পেল বাংলাদেশ। সেন্ট ভিনসেন্টে গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে নেদারল্যান্ডসকে ২৫ রানে হারাল বাংলাদেশ। ফলে এক দিকে নেদারল্যান্ডসকে হারিয়ে চলতি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সুপার এইটের (Super 8 of T20 World Cup) পথে আরও এক ধাপ এগিয়ে গেল তারা, অন্য দিকে বাংলাদেশের জয়ের ফলে বিশ্বকাপ থেকে বিদায় নিল শ্রীলঙ্কা। বাংলাদেশের এই জয়ের ফলে বিশ্বকাপের সুপার এইটের পথে আরও এক ধাপ এগিয়ে গেলেন নাজমুল হাসান শান্তরা। এবার গ্রুপের শেষ ম্যাচে নেপালকে হারাতে পারলেই সুপার এইটে পাকা হয়ে যাবে তাঁদের জায়গা।  

    সুপার এইটে যাওয়ার সুযোগ সবচেয়ে বেশি কার? (T20 World Cup 2024) 

    শ্রীলঙ্কার এখনও একটি ম্যাচ বাকি। নেদারল্যান্ডসের বিরুদ্ধে সেই ম্যাচ জিতলে তাদের সর্বোচ্চ পয়েন্ট হবে ৩। ইতিমধ্যেই বাংলাদেশের পয়েন্ট ৪। অর্থাৎ, বাংলাদেশ শেষ ম্যাচে হারলেও শ্রীলঙ্কার পক্ষে সুপার এইটে (Super 8 of T20 World Cup) যাওয়া সম্ভব নয়। অর্থাৎ, শেষ ম্যাচ খেলার আগেই বিশ্বকাপ থেকে বিদায় হয়ে গেল শ্রীলঙ্কা। বাংলাদেশ যদি তাদের শেষ ম্যাচে নেপালকে হারাতে পারে তা হলেই সুপার ৮-এ উঠে যাবে। আর যদি তারা নেপালের কাছে হারে, সে ক্ষেত্রে সুযোগ থাকবে নেদারল্যান্ডসের। তবে শেষ ম্যাচে শ্রীলঙ্কাকে হারাতে পারলে নেট রানরেটের বিচারে সুপার ৮-এ যেতে পারে তারা। অর্থাৎ, পরিস্থিতি বিচার করলে দ্বিতীয় দল হিসাবে এই গ্রুপ থেকে শেষ আটে যাওয়ার সুযোগ সবচেয়ে বেশি বাংলাদেশের।

    আরও পড়ুন: বৃষ্টি-ধসে বিপর্যস্ত সিকিম, বিপর্যস্ত লাচুং-লাচেন, আটকে ১৫০০ পর্যটক, বিচ্ছিন্ন যোগাযোগ

    সুপার এইটে নিজেদের জায়গা পাকা করে ফেলল আফগানিস্তান 

    শ্রীলঙ্কার পাশাপাশি এবারের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ (T20 World Cup 2024) থেকে ছিটকে গেল নিউজিল্যান্ডও। শুক্রবার আফগানিস্তান জেতার সঙ্গে সঙ্গেই বিদায় হয়ে গেল কিউইদের। পাপুয়া নিউ গিনিকে ৭ উইকেটে হারিয়ে দিল আফগানিস্তান। সেই সঙ্গে সুপার এইটে (Super 8 of T20 World Cup) নিজেদের জায়গা পাকা করে ফেললেন রশিদ খানেরা। এই দুই দল একে অপরের বিরুদ্ধে খেলবে ২০ জুন। অর্থাৎ ভারতের গ্রুপের তিনটি দল নিশ্চিত হয়ে গেল। আগেই ভারত এবং অস্ট্রেলিয়া নিজেদের জায়গা পাকা করে নিয়েছিল। এ বার আফগানিস্তানও ঢুকে পড়ল ওই গ্রুপে। বাকি রইল একটি দল। এবার গ্রুপ ডি থেকে কোন দল এই গ্রুপে জায়গা পায় সে দিকেই নজর রয়েছে সবার। তবে বৃহস্পতিবার নেদারল্যান্ডসকে হারিয়ে দেওয়ায় কিছুটা ভাল জায়গায় রয়েছে বাংলাদেশ। 
    তবে উল্লেখ্য, গ্রুপ সি থেকে আফগানিস্তান ছাড়াও যোগ্যতা অর্জন করেছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। ওই গ্রুপ থেকে নিউজিল্যান্ড ছাড়াও ছিটকে গিয়েছে উগান্ডা এবং পাপুয়া নিউ গিনি। যদিও কিউইদের এখনও দুটি ম্যাচ (T20 World Cup 2024) বাকি। উগান্ডা এবং পাপুয়া নিউ গিনির বাকি একটি করে ম্যাচ। তবে সেই সব ম্যাচ জিতলেও এই তিন দলের পক্ষে সুপার এইটে জায়গা করে নেওয়া সম্ভব হবে না।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, Facebook, Twitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • IIT Kharagpur: আন্তর্জাতিক র‌্যাঙ্কিংয়ে এক লাফে ৪৯ ধাপ এগিয়ে গেল খড়্গপুর আইআইটি

    IIT Kharagpur: আন্তর্জাতিক র‌্যাঙ্কিংয়ে এক লাফে ৪৯ ধাপ এগিয়ে গেল খড়্গপুর আইআইটি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এবার আন্তর্জাতিক র‌্যাঙ্কিংয়ে (Global Ranking) এক লাফে ৪৯ ধাপ এগিয়ে গেল খড়্গপুর আইআইটি (IIT Kharagpur)। যদিও করোনাকালে এই প্রতিষ্ঠানের মান নিয়ে উঠেছিল অনেক প্রশ্ন। ২০২২ সালের তুলনায় গত বছরও পিছিয়ে ছিল এই প্রতিষ্ঠান। ক্রমশ পিছিয়ে যাচ্ছিল প্রযুক্তি বিদ্যার এই বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠানের মান। এইবার ধাপ এগিয়ে যাওয়ায় মান বাড়ল বাংলার। একই ভাবে প্রতিষ্ঠানের পড়ুয়ারাও ব্যাপক উচ্ছ্বসিত। 

    দেশের মধ্যে স্থান চতুর্থ (IIT Kharagpur)

    খড়্গপুর আইআইটি (IIT Kharagpur) দেশের মধ্যে নিজেদের চতুর্থস্থান ধরে রেখেছে। সদ্য প্রকাশিত হয়েছে ‘কিউএস ওয়ার্ল্ড র‌্যাঙ্কিং- ২০২৫’। সেই র‌্যাঙ্কিংয়ে আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে এই প্রতিষ্ঠানের র‌্যাঙ্কিং হয়েছে ২২২ তম স্থান। সেই দিক থেকে প্রযুক্তিবিদ্যার অন্যতম সেরা প্রতিষ্ঠান ৪৯ ধাপ এগিয়ে গিয়েছে। গতবার খড়্গপুর আইআইটির র‌্যাঙ্ক ছিল ২৭১। দেশের মধ্যে নিজেদের স্থান ধরে রেখেছে এই আইআইটি। দেশের সেরা বিশ্ববিদ্যালয়গুলির মধ্যে গত বছরের মতোই এইবারেও চতুর্থ স্থানে রয়েছে বাংলার এই আইআইটি। এই বছরের দেশের সমস্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মধ্যে প্রথম স্থানে রয়েছে আইআইটি বম্বে। দ্বিতীয় এবং তৃতীয়স্থানে রয়েছে আইআইটি দিল্লি এবং আইআইটি বেঙ্গালুরু। আর চতুর্থ স্থানে রয়েছে খড়্গপুর আইআইটি। এই বারে দেশের ১১টি আইআইটির মধ্যে খড়্গপুর আইআইটি রয়েছে তৃতীয় স্থানে।

    কর্তৃপক্ষের বক্তব্য

    এই বিষয়ে খড়্গপুর আইআইটির (IIT Kharagpur) নির্দেশক বীরেন্দ্রকুমার তিওয়ারি বলেছেন, “এই ভাবেই প্রযুক্তিগত সম্প্রসারণের সুযোগ অর্জন ও মানব-মেশিন সমন্বয় তৈরি করতে হবে। আর এই ভাবেই আমরা উন্নত ভবিষ্যতের দিকে এগিয়ে যাবো।” তবে কিউএস ওয়ার্ল্ড র‌্যাঙ্কিং অনুযায়ী এই মান নির্ধারণ হয়েছিল প্রাতিষ্ঠানিক মান, নিয়োগ-কর্তার মান, ছাত্র-শিক্ষক অনুপাত, আন্তর্জাতিক শিক্ষকের সংখ্যা, আন্তর্জাতিক গবেষণা, বিদেশী পড়ুয়ার মতো বেশকিছু মানদণ্ড। খড়্গপুর আইআইটি গত বছর পেয়েছিল ৩৭.৪ শতাংশ নম্বর, আর এইবারে সেই মানদণ্ডে দাঁড়িয়েছে ৪৩.৭ শতাংশ নম্বর।

    আরও পড়ুন: কুয়েতের বহুতলে বিধ্বংসী আগুনে মৃত মেদিনীপুরের দ্বারিকেশ!

    পড়ুয়াদের বক্তব্য

    খড়্গপুর আইআইটির (IIT Kharagpur) কম্পিউটার সায়েন্স বিভাগের এক তৃতীয় বর্ষের ছাত্র বলেছেন, ‘‘আমাদের আইআইটি আন্তর্জাতিক এই কিউএস র‌্যাঙ্কিং (Global Ranking) অনেক এগিয়ে গিয়েছে। এটা আমাদের কাছে অত্যন্ত খুশি খবর। কিন্তু যদি এক-একটি মানদণ্ড বিশ্লেষণ করা যায়, তা হলে দেখা যাবে কয়েকটি জায়গায় আমরা অনেক পিছিয়ে রয়েছি। আগামী দিনে ছাত্র-শিক্ষক-গবেষক সকলকে আরও ভালো কাজের কথা নিয়ে ভাবতে হবে।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, Facebook, Twitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share