Tag: news in bengali

news in bengali

  • HS Result 2024: উচ্চ মাধ্যমিকে মেধা তালিকায় প্রথম দশে হুগলির দুই যমজ বোন সোহা-স্নেহা

    HS Result 2024: উচ্চ মাধ্যমিকে মেধা তালিকায় প্রথম দশে হুগলির দুই যমজ বোন সোহা-স্নেহা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উচ্চ মাধ্যমিকের (HS Result 2024) মেধা তালকায় দুই যমজ বোনের বিরাট সাফল্য। একই সঙ্গে পড়াশুনা, একই সঙ্গে টিউশনি পড়তে যেতেন দুই বোন। এবার মেধা তালিকার প্রথম দশে স্থান করে নিয়েছেন দুই বোন। উচ্চ মাধ্যমিকে ফলাফল ঘোষণার পর এই খুশির সংবাদ ফিরে এলো চন্দননগরের ঘোষ পরিবারে। দুই কৃতী ছাত্রী হলেন, স্নেহা ঘোষ এবং সোহা ঘোষ। উচ্চ মাধ্যমিকে চতুর্থস্থান অধিকারিণী হয়েছেন স্নেহা এবং দশমস্থান অধিকারিণী হয়েছেন সোহা। ওপর দিকে উচ্চ মাধ্যমিকে রাজ্যের কোচবিহারের প্রতীচী রায় তালুকদার চতুর্থস্থান অধিকারিণী হয়েছেন। রাজ্যে যুগ্মভাবে মেয়েদের মধ্যে প্রথম হয়েছেন দুই জন। পরিবার এবং এলাকায় ব্যাপক উচ্ছ্বাস এবং খুশির হাওয়া।

    ছাত্রীদের বক্তব্য (HS Result 2024)

    উচ্চ মাধ্যমিকে (HS Result 2024) পাশ করা সোহা এবং স্নেহা নিজেদের অভিজ্ঞতার কথা বলে জানিয়েছেন, “৯৮ শতাংশ নম্বর পাবো ভেবেছি। কিন্তু মেধা তালিকায় থাকব এমনটা ভাবতে পারিনি। সবসময় আমরা বলতাম ৪৯০ এর উপর পাবো। নিজের নাম শুনে অতটাও খুশি হইনি যতটা সোহার নাম শুনে হয়েছি। তবে ও পাশে না থাকলে সম্ভব হতনা।”

    পরিবারের বক্তব্য

    সোহার থেকে এক মিনিটের ছোট হলেন স্নেহা। উচ্চ মাধ্যমিকে (HS Result 2024) স্নেহার প্রাপ্ত নম্বর হল ৪৯৩, আর সোহা পেয়েছেন ৪৮৭। চন্দননগরের কৃষ্ণভাবিনী নারী শিক্ষা মন্দিরে স্কুলের ছাত্রী। তাঁদের বাড়ি চুঁচুড়ার গরবাটি ষষ্ঠীতলার বাসিন্দা তাঁরা। দুই বোনের ফলাফলে পরিবার ব্যাপক খুশি। পরিবারের তরফ থেকে তাঁদের মা জানিয়েছেন, “ভাষা হারিয়ে ফেলেছি আমি। এত ভালো ফলাফল হবে আমি আশা করিনি। আমরা চেষ্টা করতাম সাহায্য করতে। দুই মেয়ে চন্দননগরের কৃষ্ণভাবিনী নারী শিক্ষা মন্দির স্কুলের ছাত্রী। ওঁরা চায় আগামী দিনে অর্থনীতি নিয়ে পড়তে চায়।”

    আরও পড়ুনঃ “সুপ্রিম কোর্টে আমার নাম নিয়ে দুই গালে চড় খেয়ে এসেছে”, তোপ অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের

    কোচবিহারে চতুর্থ প্রতীচী

    উচ্চ মাধ্যমিকে (HS Result 2024) প্রতীচী রায় তালুকদারের প্রাপ্ত নম্বর হল ৪৯৩। কোচবিহারের সুনীতি অ্যাকাডেমিতে পড়াশুনা করতেন তিনি। প্রতিদিন ১০ ঘণ্টা করে পড়াশুনা করতেন প্রতীচী। একই সঙ্গে শরীরীচর্চা, ছবি আঁকা, ব্যাড মিণ্টন, ক্রিকেট খেলতে ভালোবাসে এই কৃতী ছাত্রী। তাঁর পছন্দের গায়িকার তালিকায় রয়েছেন শ্রেয়া ঘোষাল। প্রতীচীর বাবা অবশ্য পেশায় শিক্ষক। ইঞ্জিনিইয়ারিং-এ বিশেষ স্থান নিয়ে আছেন বলে জানা গিয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Online classes: এবার থেকে গরম ও পুজোর ছুটিতেও করাতে হবে অনলাইন ক্লাস! নির্দেশিকা জারি শিক্ষা সংসদের

    Online classes: এবার থেকে গরম ও পুজোর ছুটিতেও করাতে হবে অনলাইন ক্লাস! নির্দেশিকা জারি শিক্ষা সংসদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গরমের ছুটি হোক কিংবা পুজোর ছুটি। ছাত্র ছাত্রী থেকে শুরু করে শিক্ষক শিক্ষিকা-সকলের অপেক্ষায় থাকে বছরের এই দুটি সময়ের জন্য। যে সময় পড়াশোনা থেকে ছুটি পেয়ে সকলেই নিজের মত করে সময় কাটায়, অথবা ঘুরতেও যায়। কারন বছরের এই সময়টাতেই প্রায় একটানা অনেকগুলো দিন ছুটি পাওয়া যায়। তবে এবার থেকে আর নিস্তার নেই গরম ও পুজোর ছুটিতে। গরমের ছুটি হোক বা পুজোর ছুটি, উচ্চ মাধ্যমিক স্তরের শিক্ষক-শিক্ষিকাদের এ বার করাতে হবে ক্লাস। তবে স্কুলে গিয়ে নয়, ক্লাস হবে অনলাইনে (Online classes)। সম্প্রতি উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা সংসদের (WBCHSE) তরফ থেকে দেওয়া বার্ষিক কর্মসূচি তালিকায় এমনই উল্লেখ করা হয়েছে।

    কেন এই সিদ্ধান্ত? (Online classes)

    দেখা যায় দুর্গাপুজো কেটে যাওয়ার পর লক্ষ্মী পুজো থেকে কালীপুজো পর্যন্ত একটা লম্বা ছুটি থাকে। বিশেষত এই সময় যাতে অনলাইনে ক্লাসগুলি (Online classes) করানো যায় তার জন্য স্কুল গুলির কাছে আবেদনে জানিয়েছে শিক্ষা সংসদ। কারণ এই সময় প্রায় ১২ থেকে ১৩ দিনের একটানা ছুটি থাকে। মূলত দীর্ঘ গরমের ছুটি বা পুজোর টানা ছুটি যাতে সিলেবাস শেষের পথে বাধা না হয়ে ওঠে তাই জন্যই শিক্ষা সংসদের তরফে এই ধরনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।  

    চিরঞ্জীব ভট্টাচার্যের বক্তব্য 

    এ প্রসঙ্গে উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা সংসদের (WBCHSE) সভাপতি চিরঞ্জীব ভট্টাচার্য বলেন, “উচ্চ মাধ্যমিকের পাঠ্যক্রমে মাধ্যমিকের তুলনায় বিষয় সংখ্যা অনেক বেশি। সেমেস্টার পদ্ধতিতে প্রথম পরীক্ষা হবে সেপ্টেম্বর মাসে। সময়ের মধ্যে পাঠ্যক্রম শেষ না হলে ছাত্রছাত্রীরা কী ভাবে শিখবে? পরীক্ষাই বা দেবে কী করে? তাই ছাত্রছাত্রীদের স্বার্থে সুবিধা মতো অনলাইন ক্লাস (Online classes) নেওয়ার কথা বলা হয়েছে স্কুলগুলিকে।”
    শিক্ষা সংসদের তরফ থেকে ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষে রাজ্যের সমস্ত উচ্চ মাধ্যমিক স্কুলের প্রধান শিক্ষকদের একাদশ এবং দ্বাদশ শ্রেণির বার্ষিক কর্মসূচির সবিস্তার তালিকা পাঠানো হয়েছে। আর তাতে সব থেকে বেশি জোর দেওয়া হয়েছে ‘টিচিং লার্নিং-এর’ উপর। সেই সূত্রেই ছুটি চলাকালীন অনলাইন ক্লাসের (Online classes) কথা উল্লেখ করা হয়েছে। তবে তা বাধ্যতামূলক নয়। স্কুলগুলি চাইলে এই ক্লাস করাতে পারে।

    আরও পড়ুন: ৫২৫০ নাকি ৮৮৬১! এসএসসি দুর্নীতিতে অযোগ্য প্রার্থী কতজন? সুপ্রিম কোর্টে সংখ্যা বদল কমিশনের

    সেমিস্টার পদ্ধতিতে পড়াশোনা 

    উল্লেখ্য এ বছর থেকে চালু হয়েছে সেমিস্টার পদ্ধতি। প্রথম সেমিস্টারের জন্য ১০০ ঘন্টা আর দ্বিতীয় সেমিস্টারের জন্য ৮০ ঘন্টা দেওয়া হয়েছে স্কুলগুলিকে। অর্থাৎ প্রত্যেক বিষয় ভিত্তিক ১৮০ ঘণ্টা করে ‘কন্টাক্ট আওয়ার’ ধার্য করা হয়েছে। এছাড়াও ২০ ঘন্টা দেয়া হয়েছে হোম অ্যাসাইনমেন্ট, টিউটোরিয়াল এবং রেমেডিয়াল ক্লাসের জন্য। যদিও স্কুলগুলোর জন্য এই নিয়ম (Online classes) বাধ্যতামূলক নয়।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Dev: “কেশপুরে ১০ দিনের মধ্যে খুন হবে বিজেপি, ফাঁসানো হবে তৃণমূলকে!”, দেবের মন্তব্যে পাল্টা এফআইআর হিরণের

    Dev: “কেশপুরে ১০ দিনের মধ্যে খুন হবে বিজেপি, ফাঁসানো হবে তৃণমূলকে!”, দেবের মন্তব্যে পাল্টা এফআইআর হিরণের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক:  আগামী ১০ দিনের মধ্যে বিজেপি কর্মীর একটা খুন হতে পারে কেশপুরে। আর এই খুনের দায় চাপানো হতে পারে তৃণমূলের উপরে। কিন্তু রাজ্যের তৃতীয় দফা নির্বাচনের পর কেন এমন ইঙ্গিত দিলেন ঘাটাল লোকসভা তৃণমূল প্রার্থী দেব (Dev)? অপরে প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় দফায় নির্বাচনের পর তৃণমূলের বিরুদ্ধে ভোট পরবর্তী হিংসার অভিযোগে সরব হয়েছে বিরোধীরা। ঠিক এর মধ্যেও তৃণমূল নেতার মুখে খুনের ইঙ্গিত! ঘটনায় শোরগোল পড়েছে এলাকায়।

    ঠিক কী বলেছেন দেব (Dev)?

    স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, চাঞ্চল্যকর মন্তব্য করে তৃণমূল প্রার্থী দেব বললেন, “আগামী ১০ থেকে ২০ মে-র মধ্যে কেশপুরে খুন হতে পারেন এক বিজেপি কর্মী। প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী এবং তাঁর দলের কর্মীরা ষড়যন্ত্র করে খুন করতে পারেন। এই খুনের দায় তৃণমূলের উপর চাপানোর ষড়যন্ত্র চলছে। বিজেপির প্রার্থী হিরণ এবং দল যে ভাবে ঘটাল লোকসভায় জেতার জন্য পড়ে রয়েছেন তাতে কেশপুরে একটা বড় ঘটনা ঘটতে চলেছে। নিজের লোককে মেরে আমাদের লোকজনকে ফাঁসানোর চেষ্টা করা হচ্ছে। গত দশ বছর ধরে এলাকাকে আমি শান্ত করে রেখেছি। সন্ত্রাস করার চেষ্টা হতে পারে তাই কমিশন এবং সংবাদ মাধ্যমকে জানিয়ে রাখলাম।”

    আরও পড়ুনঃ “সুপ্রিম কোর্টে আমার নাম নিয়ে দুই গালে চড় খেয়ে এসেছে”, তোপ অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের

    গরু পাচারকাণ্ডে অভিযুক্ত দেব!

    এদিকে বিজেপি প্রার্থী হিরণ পাল্টা দেবকে আক্রমণ করে বলেছেন, “আমরা এফআইআর করব। আমি কেশপুরের বিজেপি কর্মীদের উদ্দেশে বলছি, সবাই নিশ্চিন্তে থাকুন। কারও দম নেই যে খুন করবে। তৃণমূল খুনের পরিকল্পনা করছে।”দেবের বিরুদ্ধে গরু পাচারের অভিযোগ নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার আগে থেকেই ছিল। একাধিক বার কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা তাঁকে হাজিরা দিয়ে তলব করেছে। রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী দেবের সিনেমায় গরুপাচারের টাকা বিনিয়োগ করা হয়েছে। গরু পাচারের টাকা এনামূলের মাধ্যমে এসেছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে। একই ভাবে এই ঘটাল কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী হিরণও ধারাবাহিক ভাবে গরু পাচার বিষয়ে দেবকে আক্রমণ করেছেন। তাহলে কী দেব নিজের জন সমর্থন কমে গেছে বুঝতে পেরে আগাম বিস্ফোরক বা উস্কানি মূলক মন্তব্য করে এলাকায় আতঙ্ক সৃষ্টি করছেন? অবশ্য রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের একাংশের মানুষ এমনটাই মনে করছেন।  তাঁর মন্তব্যে রাজনৈতিক হিংসার ইঙ্গিত রয়েছে বলে মনে করছে বিজেপি। ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে।          

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Betul fire incident: ভোটকেন্দ্র থেকে ফেরার পথে বাসে আগুন! পুড়ল একাধিক ইভিএম

    Betul fire incident: ভোটকেন্দ্র থেকে ফেরার পথে বাসে আগুন! পুড়ল একাধিক ইভিএম

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক:  মঙ্গলবার ৭ মে ছিল তৃতীয় দফার নির্বাচন। সারা দেশে নির্বিঘ্নে ভোটদান হলেও ভোট শেষে রাতের অন্ধকারে ঘটল অগ্নিকান্ডের (Betul fire incident) ঘটনা। আগুন লাগার খবর পেতেই ঘটনাস্থলে যায় দমকল। ধীরে ধীরে আগুন নিভিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা হয়। জানা গেছে, বাসে মোট ছটি ইভিএম ছিল। তবে এই ঘটনায় কেউ আহত হননি।  

    ঠিক কী ঘটেছিল? (Betul fire incident)

    ঘটনাটি মঙ্গলবার রাত ১১টা নাগাদ মধ্যপ্রদেশের গোলা গ্রামের কাছে ঘটেছে। ভোট শেষ হওয়ার পর মধ্যপ্রদেশের বেতুল ভোটকেন্দ্র থেকে ইভিএম (Electronic Voting Machines) নিয়ে বাসে ফিরছিলেন পোলিং অফিসারেরা। ঠিক সেই সময় পথে হঠাৎ বাসে আগুন (Betul fire incident)লেগে যায়। হঠাৎ করে আগুন লেগে যাওয়ায় বাস থেকে চালক-সহ সকলে নেমে যান। দুটি ইভিএম মেশিন অক্ষত অবস্থায় বের করা গেলেও বাকি চারটি ইভিএম আগুনে পুড়ে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। 
    জানা গেছে, বেতুলের ২৭৫, ২৭৬, ২৭৭, ২৭৮, ২৭৯ এবং ২৮০ নম্বর বুথের ইভিএম–এর ক্ষতি হয়েছে। ইতিমধ্যেই গোটা ঘটনা নির্বাচন কমিশনকে (Election commission) জানানো হয়েছে। এরপর পরিস্থিতি বিচার করে নির্বাচন কমিশন সিদ্ধান্ত নেবে ওই ছটি বুথে আবারও ভোট হবে কি না। 

    আরও পড়ুন: তৃতীয় দফায় ভোটের হার ৬১.৪৫%, প্রথম সারিতে পশ্চিমবঙ্গ

    উল্লেখ্য, মঙ্গলবার তৃতীয় দফায় যে ৯৩টি আসনে ভোট হয়েছে (Lok Sabha election 2024), তার মধ্যে পশ্চিমবঙ্গের ৪ টির পাশাপাশি গুজরাতের ২৫, কর্নাটকের ১৪, মহারাষ্ট্রের ১১, উত্তরপ্রদেশের ১০, মধ্যপ্রদেশের ৯ টি, ছত্তীসগঢ়ের ৭ টি, বিহারের ৫ টি, অসমের ৪ টি, গোয়ার ২ টি, দাদরা ও নগর হভেলীর ১ টি এবং দমন ও দিউয়ের ১ টি লোকসভা কেন্দ্র রয়েছে। সূত্র মারফত জানা গিয়েছে, বেতুল লোকসভা কেন্দ্র থেকে তৃতীয় দফায় মোট ৭২.৬৫ শতাংশ ভোটার ভোট দিয়েছেন। তবে আগ্নিকান্ডের ঘটনায় (Betul fire incident) ইভিএম মেশিন গুলি ক্ষতিগ্রস্থ হওয়ায় কমিশন আবারও এই কেন্দ্রে পরবর্তীতে ভোটের সিদ্ধান্ত নেবেন কিনা তা সময়ই বলবে। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Abhijit Ganguly: “সুপ্রিম কোর্টে আমার নাম নিয়ে দুই গালে চড় খেয়ে এসেছে”, তোপ অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের

    Abhijit Ganguly: “সুপ্রিম কোর্টে আমার নাম নিয়ে দুই গালে চড় খেয়ে এসেছে”, তোপ অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সুপ্রীম কোর্টে এসএসসি মামলা শুনানিতে প্রাক্তন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের (Abhijit Ganguly) নাম ওঠায় তৃণমূল কংগ্রেসকে তীব্র আক্রমণ করলেন এই প্রাক্তন বিচারপতি। মঙ্গলবার শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি মামালা সুপ্রিম কোর্টে উঠলে কয়েকজন আইনজীবী অভিজিৎবাবুর নাম নিয়ে তাঁর রায়কে পক্ষপাতদুষ্ট বলে মন্তব্য করেন। কিন্তু এই নাম নেওয়ায় প্রধান বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচুড়ের ভর্ৎসনার মুখে পড়তে হয়। পাল্টা বিজেপি প্রার্থী এই অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় তৃণমূলের আইনজীবীদের উদ্দেশ্যে বলেন, “সুপ্রিম কোর্টে আমার নাম নিয়ে দুই গালে চড় খেয়ে এসেছে।”

    কী বললেন প্রধান বিচারপতি (Abhijit Ganguly)?

    মঙ্গলবার, সুপ্রিম কোর্টে প্রধান বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচুড়ের বেঞ্চে এসএসসি মামলার শুনানি ছিল। শুনানির সময় কিছু তৃণমূল সমর্থিত আইনজীবীর পক্ষ থেকে বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়ের (Abhijit Ganguly) নাম তোলা হয়। এমনকী তিনি বিজেপির প্রার্থী হয়েছেন এই বিষয়ে বিচারপতির দৃষ্টি আকর্ষণ করার চেষ্টা করা হয়। এখানেই থেমে থাকেননি আইনজীবীরা, প্রয়োজনে এই প্রাক্তন বিচারপতি তথা বিজেপি প্রার্থীকে শাস্তি দেওয়ার দাবিও করা হয়। এমন কথা শুনেই তীব্র ভর্ৎসনার মধ্যে পড়তে হয় তাঁদের। প্রধান বিচারপতি বলেন, “আমরা মূল বিষয় থেকে সরে যাচ্ছি। এখানে কোনও প্রাক্তন বিচারপতির আচরণ বিশ্লেষণ করা হচ্ছে না।”

    আরও পড়ুনঃ প্রধানমন্ত্রীর চাপেই চাকরিহারাদের পাশে এসএসসি, তোপ শুভেন্দুর

    অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের বক্তব্য

    ঘটনায় বিজেপি প্রার্থী তথা প্রাক্তন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় (Abhijit Ganguly) বলেন, “আজ তৃণমূলের উকিলরা আমার নাম করে সুপ্রিম কোর্টে বলতে গিয়েছিল, বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায় বলে একজন ছিলেন, তিনি বিজেপিতে যোগদান করেছেন। তখন প্রধান বিচারপতি তাঁদের মুখের ওপরে বলে দিয়েছেন, কাদা ছোড়াছুড়িত জায়গা এটা নয়। এখানে কাদা ছুড়বেন না। এতে তৃণমূলের খুব মন খারাপ হয়েছে। কারণ চোরগুলোকে আমিই ধরা শুরু করেছিলাম।”

    এদিন শুনানিতে ২৫৭৫৩ জনের চাকরি খারিজের নির্দেশে স্থগিতাদেশ দিয়েছে আদলত। চাকরিতে এখন বহাল থাকবেন। একই সঙ্গে অযোগ্যদের বেতন ফেরতের নির্দেশে স্থগিতাদেশ দিয়েছে আদলাত। আদালত স্পষ্ট জানিয়েছে যোগ্য এবং অযোগ্যদের মধ্যে পার্থক্য করতে পারলে সম্পূর্ণ প্যানেল বাতিলের প্রয়োজন নেই।     

          

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: প্রধানমন্ত্রীর চাপেই চাকরিহারাদের পাশে এসএসসি, তোপ শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: প্রধানমন্ত্রীর চাপেই চাকরিহারাদের পাশে এসএসসি, তোপ শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এবার প্রধানমন্ত্রীদের চাপেই এসএসসির চাকরিহারাদের মধ্যে যোগ্য শিক্ষকদের পাশে দাঁড়াতে বাধ্য হয়েছে এসএসসি কমিশন। রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) ঠিক এই ভাবেই আক্রমণ করলেন নির্বাচনী সভা থেকে। গতকাল মঙ্গলবার পূর্ব বর্ধমানের পূর্বস্থলী থেকে বিজেপি প্রার্থী অসীম সরকারের সমর্থনে প্রচারেও গিয়ে রাজ্যের শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি নিয়ে তোপ দাগেন রাজ্যের শাসক দল তৃণমূলের বিরুদ্ধে।

    আবার মঙ্গলবার দীর্ঘ শুনানির পর ২০১৬ এসএসসি নিয়োগ দুর্নীতিতে কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশে স্থগিতাদেশ দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। অতিরিক্ত শূন্যপদ তৈরির মন্ত্রিসভার সিদ্ধান্তের ওপরে স্থগিতাদেশ বজায় রেখেছে সুপ্রিম কোর্ট। যোগ্য-অযোগ্য মিলিয়ে মোট ২৫৭৫৩ জনের চাকরি আপাতত বাতিল হচ্ছে না। তবে কেউ অযোগ্য বলে বিবেচিত হলে ওই সময়কালে পাওয়া বেতন সুদ সমেত ফেরত দিতে হবে।

    ঠিক কি বললেন শুভেন্দু (Suvendu Adhikari)?

    পূর্ব বর্ধমানের সভা থেকে শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) বলেন, “প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বলেছেন, বিজেপি যোগ্য চাকরিহারাদের পাশে থাকবে। তাঁদের জন্য বিজেপি বিশেষ লিগাল সেল এবং পোর্টাল খুলবে। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে এই সব কিছু করা হচ্ছে। ঠিক তারপরই এসএসসি সুপ্রিম কোর্টে যোগ্যদের সংখ্যা জানিয়েছেন। তবে আদলাতের পর্যবেক্ষণ নিয়ে কিছু বলার নেই। তবে ২ মে ২০২২ সালে যাঁরা মন্ত্রীসভার বৈঠকে অতিরিক্ত শূন্যপদ তৈরি করে ছিলেন তাঁদের সবার জেলা থাকা উচিত।”

    আরও পড়ুনঃপ্রতারণামূলক বিজ্ঞাপনে তারকারাও সমানভাবে দায়ী, জানাল দেশের শীর্ষ আদালত

    প্রধানমন্ত্রী কী বলেছিলেন?

    গত শুক্রবার, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি নদিয়া, বীরভূম এবং বর্ধমানে বিজেপি প্রার্থীদের সমর্থনে নির্বাচনী সভায় এসএসসি নিয়োগের দুর্নীতি নিয়ে সরব হয়েছিলেন। তিনি নির্বাচনী প্রচার সভায় বলেন, “শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতিতে যাঁরা অকারণে সাজার কবলে পড়েছেন তাঁদের জীবন লন্ডভন্ড হয়ে গিয়েছে। আমি রাজ্য বিজেপি সভাপতিকে পরামর্শ দিতে চাই, দুর্নীতির মধ্যে অনেক যোগ্য রয়েছেন। বাকিদের পাপ এই নির্দোষরা ভোগ করছেন। সৎ এবং যোগ্যদের পাশে পার্টি দাঁড়াবে। আমি রাজ্য বিজেপিকে বলছি, রাজ্য স্তরে একটি লিগাল সেল এবং সোশ্যাল মিডিয়ার প্ল্যাটফর্ম তৈরী করতে হবে। দুর্নীতির শিকার হওয়া প্রার্থীদের পাশে থাকা দরকার।” এই প্রসঙ্গে মোদি আরও বলেন, “যাঁরা দুর্নীতিগ্রস্থ তাঁদের সাজা হোক। কিন্তু অনেক সৎ মানুষ আছেন যাঁদের কাছে আসল ডিগ্রি রয়েছে এখন তাঁরা ফেঁসে গিয়েছেন। সৎ লোকেদের জন্য পশ্চিমবঙ্গ বিজেপি কাজ করবে, এটা মোদীর গ্যারান্টি”। এবার মোদির বক্তব্যকে হাতিয়ার করে শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) ফের রাজ্য সরকারকে আক্রমণ করলেন এদিন।

       

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Supreme Court: প্রতারণামূলক বিজ্ঞাপনে তারকা, প্রভাবীরাও সমানভাবে দায়ী, জানাল শীর্ষ আদালত

    Supreme Court: প্রতারণামূলক বিজ্ঞাপনে তারকা, প্রভাবীরাও সমানভাবে দায়ী, জানাল শীর্ষ আদালত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আবারও শিরোনামে এল পতঞ্জলি মামলা। নিষিদ্ধ করার পরেও বেশ কিছু অনলাইন প্ল্যাটফর্মে দেখা যাচ্ছে সেই নিষিদ্ধ বিজ্ঞাপন। তাই পতঞ্জলিতে বিভ্রান্তিকর বিজ্ঞাপন ও অনলাইন বিজ্ঞাপন সরানোর নির্দেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট (Supreme Court)। পাশাপাশি বিভ্রান্তিকর বিজ্ঞাপনের (Misleading Ads Case) মুখ হওয়ার জন্য মোটা টাকা নিলে তারকারাও সমানভাবে দায়ী থাকবেন বলে মঙ্গলবার এমনই জানায় দেশের সর্বোচ্চ আদালত। 

    সুপ্রিম কোর্টের রায় (Supreme Court)

    কোনও পণ্যের বিষয়ে সমপ্রচারিত বিজ্ঞাপন যদি প্রতারণামূলক (Misleading Ads Case) প্রমাণিত হয়, তাহলে এর সঙ্গে জড়িত তারকা এবং ইনফ্লুয়েন্সাররাও (প্রভাবী) সমানভাবে দায়ী থাকবেন। ৭ মে মঙ্গলবার পতঞ্জলি মামলার শুনানিতে এই রায় দিয়েছেন সুপ্রিম কোর্ট। এদিন পতঞ্জলি আয়ুর্বেদের বিরুদ্ধে প্রতারণামূলক বিজ্ঞাপন প্রচার মামলার শুনানিতে সুপ্রিম কোর্ট (Supreme Court) বলেছে, কোনো বিজ্ঞাপনে অংশ নেওয়ার আগে সম্প্রচারকদের একটি স্ব-ঘোষণা ফর্ম ফাইল করতে হবে, যেখানে বিজ্ঞাপনে প্রাসঙ্গিক নিয়মাবলী মেনে চলার কথা উল্লেখ থাকবে।

    শুনানি চলাকালীন বিভ্রান্তিকর বিজ্ঞাপন (Misleading Ads Case) প্রতিরোধের নির্দেশিকা, ২০২২ সালের কথা উল্লেখ করেন বিচারপতি হিমা কোহলি এবং বিচারপতি এ আমানুল্লাহর বেঞ্চ। তারা বলেন, কোনো পণ্য বা দ্রব্যের প্রচারণার সঙ্গে জড়িত হওয়ার আগে কোনো ব্যক্তিকে অবশ্যই সেগুলো সম্পর্কে যথেষ্ট তথ্য বা অভিজ্ঞতা থাকতে হবে যে, সেটি প্রতারণামূলক নয়।  

    আরও পড়ুন: “স্টিং ভিডিওটি পুরোটাই সাজানো,” বলছেন সন্দেশখালির নির্যাতিতারা

    পতঞ্জলি মামলা

    উল্লেখ্য সম্প্রতি কোভিড-১৯ টিকাকরণ অভিযান এবং আধুনিক ওষুধের বিরুদ্ধে পতঞ্জলি এবং তার প্রতিষ্ঠাতাদের প্রচারের বিরুদ্ধে ইন্ডিয়ান মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশন (IMA)  দ্বারা দায়ের করা একটি আবেদনের শুনানিতে এমনটা জানায় সুপ্রিম কোর্ট (Supreme Court)। আইএমএ অভিযোগ করে, অ্যালোপ্যাথি চিকিৎসা ব্যবস্থা এবং চিকিৎসকদের বিরুদ্ধে বিভ্রান্তিমূলক প্রচার করা হয়েছে পতঞ্জলীর বিজ্ঞাপনে। আইএমএ আরও বলেছিল, পতঞ্জলীর বিজ্ঞাপনে (Misleading Ads Case) ক্রমাগত পদ্ধতিগতভাবে ভুল তথ্য প্রচার করা হয়। পতঞ্জলি পণ্যগুলির ব্যবহার করে, নির্দিষ্ট কিছু রোগ নিরাময় হয় বলে, মিথ্যা দাবি করা হয়। এবার সেই মামলার শুনানিতেই তারকা ও ইনফ্লুয়েন্সারদের সাবধান করল সুপ্রিম কোর্ট। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Lok Sabha Election 2024: তৃতীয় দফায় ভোটের হার ৬১.৪৫%, প্রথম সারিতে পশ্চিমবঙ্গ

    Lok Sabha Election 2024: তৃতীয় দফায় ভোটের হার ৬১.৪৫%, প্রথম সারিতে পশ্চিমবঙ্গ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নির্বিঘ্নেই শেষ হয়েছে ভারতের লোকসভা ভোটের (Lok Sabha Election 2024) তৃতীয় ধাপ। ৭ মে মঙ্গলবার পশ্চিমবঙ্গসহ ভারতের ১০ রাজ্য ও একটি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল মিলিয়ে মোট ৯৩ আসনে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। লোকসভা নির্বাচনের তৃতীয় পর্যায়ে (third phase of Lok Sabha polls) বিকেল ৫টা পর্যন্ত ভোট পড়েছে ৬১.৪৫%। নির্বাচন কমিশনের (Election Commission) তরফে একটি বিবৃতি দিয়ে জানানো হয়েছে, তৃতীয় দফার লোকসভা ভোটও শান্তিপূর্ণ হয়েছে। পশ্চিমবঙ্গে ভোটের সময় অশান্তির অভিযোগ ওঠানো হয়েছিল, কিন্তু সে রাজ্যেও নির্বিঘ্নেই মিটেছে তৃতীয় পর্ব।

    তৃতীয় দফায় যে ৯৩টি আসনে ভোট হচ্ছে, তার মধ্যে পশ্চিমবঙ্গের ৪টির পাশাপাশি গুজরাতের ২৫, কর্নাটকের ১৪, মহারাষ্ট্রের ১১টি, উত্তরপ্রদেশের ১০টি, মধ্যপ্রদেশের ৯টি, ছত্তিশগড়ের ৭টি, বিহারের ৫টি, অসমের ৪টি, গোয়ার ২টি, দাদরা ও নগর হভেলীর ১টি এবং দমন ও দিউয়ের ১টি লোকসভা কেন্দ্র রয়েছে। 

    তৃতীয় দফায় ৬০ শতাংশের বেশি ভোট (Lok Sabha Election 2024) 

    লোকসভা নির্বাচনের তৃতীয় পর্বে বিকেল ৫টা পর্যন্ত ৬১.৪৫% ভোট পড়েছে। বিকেল ৫টা পর্যন্ত বিহারে ৫৬.০১%, ছত্তিশগড়ে ৬৬.৮৭%, মহারাষ্ট্রে ৫৩.৪০%, অসমে ৭৫.২৬%, গোয়ায় ৭৪.২৭%, কর্নাটকে ৬৬.০৫%, মধ্যপ্রদেশে ৫৫.১৩%, উত্তরপ্রদেশে ৬২.২৮%, পশ্চিমবঙ্গে ৭৩.৯৩% এবং গুজরাটে ৫৫.২২% ভোটার তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছেন। 

    উল্লেখ্য বড় বড় রাজ্যগুলিতে যেখানে ভোটের (Lok Sabha Election 2024) হার অত্যধিক পরিমাণে কম, সেখানে কার্যত উলটো পথে হাঁটছে বাংলা। প্রথম তিন দফাতেই অসম ও গোয়ার পর বাংলায় ভোটের হার অন্য রাজ্যগুলির তুলনায় অনেকটাই এগিয়ে। পাশাপাশি মহিলা ভোটারের হারও পুরুষদের তুলনায় বেশি। 

    কোন দফায় কত ভোট পড়ল? 

    প্রসঙ্গত, নির্বাচন কমিশনের ওয়েবসাইটে আপলোড করা তথ্য অনুযায়ী, ৬১.৪৫% ভোট পড়েছে তৃতীয় পর্বে। ২০১৯ সালে যে পরিসংখ্যান ছিল ৬৭.৩৩ শতাংশ। এবারের প্রথম দফার নির্বাচনে ১০২টি কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ (Lok Sabha Election 2024) হয়। ভোটের হার ছিল ৬৬.১৪%। আর দ্বিতীয় দফার নির্বাচনে ভোটের হার ছিল ৬৬.৭১%।

    আরও পড়ুন: নির্বিঘ্নেই সাঙ্গ তৃতীয় দফার ভোট, তৃণমূলের গা-জোয়ারি দেখল বাংলা

    সব মিলিয়ে ২০২৪ সালের লোকসভা ভোটে (Lok Sabha Election 2024) ১১ কোটির বেশি ভোটার দেশের ১ হাজার ৩৫১ জন প্রার্থীর ভাগ্য নির্ধারণ করেছে। এবার ভারতের ৫৪৩ আসনে নির্বাচন হবে সাত ধাপে। চলবে প্রায় দুই মাস ধরে। শুরু হয়েছে ১৯ এপ্রিল। শেষ হবে ১ জুন। ৪ জুন ভোটের ফল ঘোষণা। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Jangipur: “রাস্তায় ফেলে বেধড়ক মেরে মাথা ফাটিয়ে দিল তৃণমূল”, বললেন আক্রান্ত বিজেপি কর্মী

    Jangipur: “রাস্তায় ফেলে বেধড়ক মেরে মাথা ফাটিয়ে দিল তৃণমূল”, বললেন আক্রান্ত বিজেপি কর্মী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভোটের শেষে রক্ত ঝরল জঙ্গিপুর (Jangipur) লোকসভা এলাকায়। বিজেপি কর্মীকে রাস্তায় ফেলে বেধড়ক মেরে মাথা ফাটিয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠল তৃণমূলের বিরুদ্ধে। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় ঘটনাটি ঘটেছে জঙ্গিপুরের গণকর এলাকার। এই ঘটনার প্রতিবাদে বিজেপি প্রার্থী ধনঞ্জয় ঘোষ হামলাকারী তৃণমূলীদের গ্রেফতারের দাবিতে রঘুনাথগঞ্জের দাদা ঠাকুর মোড়ে রাস্তা অবরোধ করেন। সেই অবরোধে পুলিশ নির্বিচারে লাঠিচার্জ করে।

    বিজেপি কর্মীকে রাস্তায় ফেলে বেধড়ক পেটায় তৃণমূল (Jangipur)

    মঙ্গলবার সকালে ভোট গ্রহণ শুরু হওয়ার পর পরই ধনঞ্জয় ঘোষের ওপর হামলা করার অভিযোগ উঠে তৃণমূল নেতার বিরুদ্ধে। অভিযোগ, তৃণমূল নেতা বুথের মধ্যে দাঁড়িয়ে ভোটারদের প্রভাবিত করার চেষ্টা করেছিলেন। বিজেপি প্রার্থী তাঁর প্রতিবাদ করলে তাঁর ওপর হামলা চালানো হয়। এই ঘটনার পর জঙ্গিপুর (Jangipur) লোকসভার একাধিক এলাকা থেকে তৃণমূলের বিরুদ্ধে ছাপ্পা ভোট করার অভিযোগ উঠেছে। বিরোধী এজেন্টদের মারধরের অভিযোগ রয়েছে একাধিক জায়গায়। জানা গিয়েছে, জঙ্গিপুরের গণকর ২৬৮ নম্বর বুথে বিজেপি এজেন্টকে মারধর করে বের করে দেয় তৃণমূলের লোকজন। চোখের সামনে দলীয় এজেন্টকে মারতে দেখেই বিজেপি কর্মী অশোক কর্মকার বুথের মধ্যেই ছুটে যান। বিজেপি কর্মী অশোকবাবু বলেন, আমার অপরাধ আমার দলের এজেন্টকে আমি বাঁচাতে গেছি। এরপরে ওরা বুথ থেকে আমাকে তাড়া করে। রাস্তায় ফেলে বেধড়ক পেঠায়। মেরে আমার মাথা ফাটিয়ে দেয়। তৃণমূল বুথে ভোট লুট করেছে। আমরা নেতৃত্বকে জানিয়েছি।

    পুলিশ বিজেপির অবরোধে লাঠিচার্জ করে

    বিজেপি প্রার্থী (Jangipur) ধনঞ্জয় ঘোষ বলেন, পুলিশ দলদাস হিসেবে কাজ করছে। বুথের মধ্যেই আমাদের দলের এজেন্টকে মেরে বের করে দিয়েছে। দলীয় কর্মীকে মেরে মাথা ফাটিয়ে দিয়েছে। তার প্রতিবাদে আমরা রাস্তা অবরোধ করে দোষীদের গ্রেফতারের দাবি জানাই।  পুলিশ আমাদের ওপর বেধড়ক লাঠিচার্জ করে। বিষয়টি কমিশনে জানিয়েছি। এই ধরনের অন্যায় মেনে নেয়া যায় না।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Jangipur: “বুথ থেকে বের করে দেদার ছাপ্পা দিল তৃণমূল”, জঙ্গিপুরে বিস্ফোরক অভিযোগ বিরোধী এজেন্টের

    Jangipur: “বুথ থেকে বের করে দেদার ছাপ্পা দিল তৃণমূল”, জঙ্গিপুরে বিস্ফোরক অভিযোগ বিরোধী এজেন্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিরোধী এজেন্টকে মেরে বের করে দিয়ে দেদার ছাপ্পা ভোট করার অভিযোগ উঠল তৃণমূলের বিরুদ্ধে। চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটেছে জঙ্গিপুর (Jangipur) লোকসভার খড়গ্রাম ব্লকের পারুলিয়া গ্রাম পঞ্চায়েতের উত্তর গোপীনাথপুর গ্রামের ৩৯ নম্বর বুথে। বিরোধীদের পক্ষ থেকে অভিযোগ জানানো হলেও কাজের কাজ কিছু হয়নি বলে অভিযোগ।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Jangipur)

    দলীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, সকাল থেকে উত্তর গোপীনাথপুরের (Jangipur) ৩৯ নম্বর বুথে শান্তিপূর্ণভাবে ভোটগ্রহণ চলছিল। এদিন দুপুরেব দিকে এই বুথের কংগ্রেসের এজেন্টকে মেরে বের করে দিয়ে ছাপ্পা ভোট করে তৃণমূল কংগ্রেস। ওই বুথের কংগ্রেসের এজেন্ট আবুল বাসারের বলেন, বেলা বারোটা নাগাদ আমাকে তৃণমূলের কর্মীরা ভোট কেন্দ্রে ঢুকে আমাকে মারধর করে বের করে দেয়। পরে, প্রাণনাশের হুমকি দেয়। আমি প্রাণভয়ে ওই বুথ ছেড়ে বেরিয়ে আসি। তারপরই তৃণমূল দেদার ছাপ্পা ভোট দিতে শুরু করে। যদিও তৃণমূলের পঞ্চায়েত সদস্য আবসার সেখ বলেন, এখানে সকাল থেকেই শান্তিপূর্ণভাবে ভোট হয়েছে। সমস্ত দলেরই এজেন্ট বুথের মধ্যে আছেন। তিনি মিথ্যা অভিযোগ করছেন। কারণ, এখানে কংগ্রেসের কোনও অস্তিত্ব নেই। মিথ্যা অভিযোগ করে শান্ত এলাকাকে অশান্ত করার চেষ্টা করছেন।

    আরও পড়ুন: ভোটারদের প্রভাবিত করার চেষ্টা! পুলিশ আধিকারিককে ধমক দিলেন মালদা দক্ষিণের বিজেপি প্রার্থী

    হুমকি উপেক্ষা করে ভোট দিতে যাওয়ায় হামলা তৃণমূলের

    সামশেরগঞ্জের (Jangipur) যোতকাশী গ্রামে ১২৫ নম্বর বুথে কংগ্রেস কর্মীকে মারধরের অভিযোগ উঠল তৃণমূলের বিরুদ্ধে। জানা গিয়েছে, সামশেরগঞ্জের যোতকাশী গ্রামে সোমবার রাতে তৃণমূলের লোকজন বিরোধীদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে ভোট দিয়ে না যাওয়ার জন্য হুমকি দিয়ে আসে। সেই হুমকি উপেক্ষা করে মইদুল সেখ নামে এক কংগ্রেস কর্মী বুথে ভোট দিতে যাচ্ছিলেন। সেই সময় ইব্রাহিম সেখ ও রেজাউল হক নামে দুই তৃণমূল কর্মী প্রথমে ভোট দিতে বাধা দেয়। কংগ্রেস কর্মী আপত্তি জানালে তাঁকে বেধড়ক মারধর করা হয় বলে অভিযোগ। তৃণমূলের হামলার জেরে কংগ্রেস কর্মীর পা ভেঙে যায়। গুরুতর জখম অবস্থায় তাঁকে জঙ্গিপুর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। জানা গিয়েছে, পুলিশ বাড়ি বাড়ি গিয়ে ভোটারদের নিয়ে এসে ভোটকেন্দ্রে পৌঁছে দেয়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।                                                      

LinkedIn
Share