Tag: news in bengali

news in bengali

  • Derek O’Brien: রাজ্যসভা থেকে সাসপেন্ড তৃণমূলের ডেরেক, কী বললেন চেয়ারম্যান?

    Derek O’Brien: রাজ্যসভা থেকে সাসপেন্ড তৃণমূলের ডেরেক, কী বললেন চেয়ারম্যান?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘ঘুষ নিয়ে প্রশ্ন’কাণ্ডের জেরে দিন দুয়েক আগে লোকসভার সাংসদ পদ খারিজ হয়েছে কৃষ্ণনগরের সাংসদ তৃণমূলের মহুয়া মৈত্রর। সেই ঘটনার রেশ পুরোপুরি মিলিয়ে যাওয়ার আগেই এবার শীতকালীন অধিবেশনের জন্য সাসপেন্ড করা হল সেই তৃণমূলেরই রাজ্যসভার সাংসদ ডেরেক ও’ব্রায়েনকে (Derek O’Brien)। অভিযোগ, সভার মধ্যে ডেরেক নিয়ম বিরুদ্ধ আচরণ করেছেন।

    কী বললেন চেয়ারম্যান?

    বুধবার লোকসভায় দর্শক গ্যালারি থেকে লাফ দিয়ে নিচে পড়ে দুই হানাদার। তা নিয়ে উত্তাল দেশের রাজনীতি। বৃহস্পতিবার রাজ্যসভার অধিবেশন শুরু হতেই লোকসভার ওই ঘটনা নিয়ে আলোচনার দাবি জানান ডেরেক। তাতে রাজি হননি রাজ্যসভার চেয়ারম্যান তথা উপরাষ্ট্রপতি জগদীপ ধনখড়। তিনি জানান, লোকসভায় নিরাপত্তা লঙ্ঘনের বিষয়ে একটি উচ্চ পর্যায়ের তদন্ত শুরু করা হয়েছে। পুলিশের কাছে দায়ের হয়েছে মামলাও। তার পরেও হট্টগোল করতে থাকেন ডেরেক। তখনই চেয়ারম্যান তাঁকে অধিবেশন কক্ষ ছেড়ে বেরিয়ে যেতে বলেন। চেয়ার থেকে উঠে দাঁড়িয়ে ধনখড়কে ক্ষুব্ধস্বরে বলতে শোনা যায়, “ডেরেক ও’ব্রায়েনকে (Derek O’Brien) এখনই অধিবেশন কক্ষ থেকে বেরিয়ে যেতে বলা হচ্ছে। ডেরেক বলেছেন, উনি চেয়ারের নির্দেশ অমান্য করবেন…বলেছেন উনি নিয়ম মানবেন না। এই আচরণ কাম্য নয়। অত্যন্ত লজ্জার বিষয়। এটা ওঁর অভ্যাসে পরিণত হয়েছে।”  

    সাসপেন্ড ডেরেক

    পরে অসংসদীয় আরচণের অভিযোগে পুরো শীতকালীন অধিবেশন থেকেই সাসপেন্ড করা হয় তৃণমূলের এই নেতাকে। ধনখড় বলেন, “এটি একটি লজ্জাজনক ঘটনা। সতর্কবার্তা সত্ত্বেও ও’ব্রায়েন এবং অন্য বিরোধী সাংসদরা বিক্ষোভ চালিয়ে যান রাজ্যসভায়। তাই তৃণমূল সাংসদকে বহিষ্কার করা হয়েছে।” ডেরেককে সাসপেন্ড করায় আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে রাজ্যসভার পরিস্থিতি। চেয়ারম্যানের নির্দেশের তীব্র প্রতিবাদ জানান বিজেপি বিরোধী সাংসদদের একটা অংশ। লোকসভার নিরাপত্তা লঙ্ঘনে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকে জবাবদিহি করতে হবে বলেও জানান তাঁরা। এর পর সভা মুলতুবি ঘোষণা করেন (Derek O’Brien) রাজ্যসভার চেয়ারম্যান।

    আরও পড়ুুন: ‘ঘুষ নিয়ে প্রশ্ন’কাণ্ডে সুপ্রিম কোর্টেও ধাক্কা খেলেন তৃণমূলের মহুয়া!

    এদিকে, এদিন মন্ত্রিসভার প্রবীণ মন্ত্রীদের নিয়ে বৈঠকে বসেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। বুধবার ঘটে যাওয়া লোকসভাকাণ্ডের পুঙ্খানুপুঙ্খ বিবরণও শোনেন মন দিয়ে। কারণ মধ্যপ্রদেশ ও ছত্তিসগড়ের মুখ্যমন্ত্রীরা শপথ নিয়েছেন বুধবার। সেই অনুষ্ঠানে যোগ দিতে গিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী। তাই অনুপস্থিত ছিলেন লোকসভায়।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Mahua Moitra: ‘ঘুষ নিয়ে প্রশ্ন’কাণ্ডে সুপ্রিম কোর্টেও ধাক্কা খেলেন তৃণমূলের মহুয়া!

    Mahua Moitra: ‘ঘুষ নিয়ে প্রশ্ন’কাণ্ডে সুপ্রিম কোর্টেও ধাক্কা খেলেন তৃণমূলের মহুয়া!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘ঘুষ নিয়ে প্রশ্ন’কাণ্ডের জেরে লোকসভা থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে কৃষ্ণনগরের সাংসদ তৃণমূলের মহুয়া মৈত্রকে (Mahua Moitra)। সংসদের এই সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টে আবেদন করেছিলেন তৃণমূলের এই নেত্রী। মামলাটি জরুরি ভিত্তিতে শুনানির আর্জিও জানিয়েছিলেন কংগ্রেস ছেড়ে তৃণমূলে ভিড়ে যাওয়া মহুয়া। সেই অনুমতি দিতে অস্বীকার করেছে দেশের শীর্ষ আদালত।

    মহুয়াকে ‘সুপ্রিম’ ধাক্কা

    এই মামলার শুনানি যাতে বৃহস্পতি-শুক্রবারের মধ্যেই করা যায় তা নিয়ে বুধবার সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড়ের এজলাসে আবেদন করেন মহুয়ার আইনজীবী অভিষেক মনু সিংভি। প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বাধীন বেঞ্চ সাফ জানিয়ে দিয়েছে, মামলাটি জরুরি শুনানির জন্য নথিভুক্ত নাও হতে পারে। সিংভিকে এ বিষয়ে ইমেল করতে বলেছেন প্রধান বিচারপতি। তার পরেই বিষয়টি ভেবে দেখবেন বলে মহুয়ার (Mahua Moitra) আইনজীবীকে জানিয়েছেন প্রধান বিচারপতি।

    কী বললেন প্রধান বিচারপতি?

    কৃষ্ণনগরের সদ্য প্রাক্তন সাংসদের অভিযোগ, অসাংবিধানিক প্রক্রিয়ায় সাংসদ পদ খারিজ করা হয়েছে তাঁর। এই অভিযোগ তুলেই সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন মহুয়া। দুদিন আগেই ফাইল করা হয়েছিল মামলাটি। বুধবার প্রথমে মামলাটির জরুরি শুনানির জন্য বিচারপতি সঞ্জয় কিষান কওলের নেতৃত্বাধীন বেঞ্চে আবেদন করেছিলেন মহুয়ার আইনজীবী। বিচারপতি কৌল এ ব্যাপারে প্রয়োজনীয় নির্দেশের জন্য আবেদনটি প্রধান বিচারপতির এজলাসে মেনশন করতে বলেন। বিচারপতি কৌল এও জানিয়েছিলেন, তিনি মামলাটি নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন। এর পরেই মহুয়ার আইনজীবী যান প্রধান বিচারপতির এজলাসে। প্রধান বিচারপতি তাঁকে বলেন, “এই মামলার নির্যাস সম্বলিত একটি ইমেল আমায় করুন। সেটা খতিয়ে দেখার পর ঠিক হবে শুনানির দিন।”

    আরও পড়ুুন: আঁটসাঁট হচ্ছে সংসদের নিরাপত্তা বলয়, কী ব্যবস্থা হচ্ছে জানেন?

    প্রসঙ্গত, ১৫ ডিসেম্বর থেকে শীতের ছুটির জন্য বন্ধ হয়ে যাচ্ছে সুপ্রিম কোর্ট। সেই কারণেই জরুরি ভিত্তিতে মামলাটির শুনানি চেয়েছিলেন মহুয়া। ঘুষ নিয়ে লোকসভায় প্রশ্ন করেছিলেন মহুয়া। এমনই অভিযোগ তুলেছিলেন সাংসদ নিশাকান্ত দুবে। অভিযোগের সত্যতা প্রমাণে মহুয়াকে তলব করে লোকসভার এথিক্স কমিটি। মাঝ পথে সেই কমিটির বৈঠক ছেড়ে চলে এসেছিলেন কৃষ্ণনগরের সদ্য প্রাক্তন এই সাংসদ। বৈঠক শেষে এথিক্স কমিটি মহুয়াকে সংসদ থেকে বহিষ্কারের সুপারিশ করে। ৮ ডিসেম্বর লোকসভা থেকে মহুয়াকে বহিষ্কার করার প্রস্তাব পাশ হয় ধ্বনিভোটে। তার পরেই আদালতের দ্বারস্থ হন এই তৃণমূল নেত্রী (Mahua Moitra)।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Parliament Security Breach: আঁটসাঁট হচ্ছে সংসদের নিরাপত্তা বলয়, কী ব্যবস্থা হচ্ছে জানেন?

    Parliament Security Breach: আঁটসাঁট হচ্ছে সংসদের নিরাপত্তা বলয়, কী ব্যবস্থা হচ্ছে জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সংসদে বজ্র আঁটুনির গেরো যে ফস্কা ছিল, বুধবার লোকসভার ঘটনাই তার প্রমাণ (Parliament Security Breach)। অধিবেশন চলাকালীন দর্শক গ্যালারি থেকে লাফ দিয়ে নিচে পড়ে দুই ব্যক্তি। দুই হানাদারকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তবে নিরাপত্তার ফোকর গলে কীভাবে ওই দুই ব্যক্তি রং বোমা (স্মোক গ্রেনেড) নিয়ে ঢুকে পড়ল লোকসভার অন্দরে, সে প্রশ্ন উঠছে। ঘটনায় জাতীয় নিরাপত্তা নিয়েও উঠেছে প্রশ্ন। এহেন পরিস্থিতিতে এদিন দুপুরেই সংসদ ভবনের নিরাপত্তা নিয়ে আলোচনা করতে হয় সর্বদল বৈঠক। পরে সংসদ সচিবালয়ের তরফে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে চিঠি দিয়ে সংসদ ভবনের নিরাপত্তা ব্যবস্থা আঁটসাঁট করতে দেওয়া হয়েছে গুচ্ছ প্রস্তাব। এর মধ্যে রয়েছে লোকসভায় যাঁরা ঢুকবেন, বিমানবন্দরের ধাঁচে তাঁদের শরীর পরীক্ষা করতে বডি স্ক্যানার বসানো, সাংসদ, সংসদ কর্মী, সাংবাদিক এবং দর্শকদের জন্য আলাদা প্রবেশপথ নির্দিষ্ট করার প্রস্তাবও দেওয়া হয়েছে।

    এদিন হানাদারেরা লাফ দিয়েছিল (Parliament Security Breach) দর্শক গ্যালারি থেকে। তাই মূল অধিবেশন কক্ষ ও দর্শক আসনের মধ্যে বসানো হবে কাচের দেওয়াল। দর্শকরা যাতে বেপরোয়া আচরণ করতে না পারেন, তাই অধিবেশন চলাকালীন বাড়ানো হচ্ছে নিরাপত্তারক্ষীর সংখ্যা। সাংসদদের নিরাপত্তায় এসব ব্যবস্থা যতক্ষণ না বাস্তবায়িত হচ্ছে, ততক্ষণ পর্যন্ত দর্শকদের পাশ দেওয়া হবে না। দর্শকদের যখন ফের নতুন করে পাস দেওয়া হবে, তখন তাঁদের ঢুকতে হবে সংসদের চতুর্থ গেট দিয়ে। সাংসদদের প্রবেশের জন্য স্মার্ট কার্ড চালুর প্রস্তাবও দেওয়া হয়েছে সচিবালয়ের তরফে।

    প্রসঙ্গত, বুধবার সংসদ ভবনের ভেতরে যে দুই হানাদারকে ধরা হয়েছে, তাদের একজন লখনউয়ের সাগর শর্মা, অন্যজন মাইসুরুর ডি মনোরঞ্জন। সংসদের বাইরে থেকে যাদের ধরা হয়েছে, তাদের একজন মহারাষ্ট্রের লাটুরের অমল শিণ্ডে ও হরিয়ানার হিসারের নীলম দেবী। এই চারজনকেই গ্রেফতার করা হয়েছে। ঘটনায় আরও দুজনের নাম উঠে এসেছে। এরা হল, ললিত ঝা ও ভিকি শর্মা। এদের মধ্যে শেষোক্ত জনকে বৃহস্পতিবার সকালে পাকড়াও করা হয়। প্রতিবেদন লেখার সময় পর্যন্ত ললিত অধরা।

    আরও পড়ুুন: সংসদের ঘটনায় তদন্তের নির্দেশ স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের, গ্রেফতার পঞ্চম অভিযুক্ত

    এদিকে, লোকসভাকাণ্ডে (Parliament Security Breach) উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন স্পিকার ওম বিড়লা। তিনি বলেন, “আজ যে ঘটনা ঘটল, তা আমাদের সবার কাছে উদ্বেগের। গুরুতরও। উচ্চ পর্যায়ের তদন্তও চলছে। সেই অনুযায়ী ব্যবস্থাও নেওয়া হবে।”

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Sukanta Majumdar: “মমতার বকেয়া দাবির খতিয়ানের ফাইল ভুয়ো”, বোমা ফাটালেন সুকান্ত

    Sukanta Majumdar: “মমতার বকেয়া দাবির খতিয়ানের ফাইল ভুয়ো”, বোমা ফাটালেন সুকান্ত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বকেয়া দাবির খতিয়ানের ফাইল ভুয়ো।” বুধবার এমনই বিস্ফোরক দাবি করলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)। কেন্দ্রের বিরুদ্ধে বঞ্চনার অভিযোগ তুলে দিল্লিতে ধর্নায় বসেছিল তৃণমূল। তার পর এবার দাবি আদায়ে পথে নামছেন খোদ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

    মোদি-মমতা বৈঠক

    ২০ ডিসেম্বর দিল্লিতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে বৈঠকে বসবেন মমতা। সেখানে একশো দিনের কাজের টাকা, বাংলার বাড়ি, স্বাস্থ্য ক্ষেত্রে বকেয়া-সহ বিভিন্ন বিষয়ে খতিয়ান তুলে ধরতে চাইছেন মুখ্যমন্ত্রী। কারণ, তৃণমূলের বঞ্চনার অভিযোগ খারিজ করে কেন্দ্রের তরফে জানানো হয়েছিল, আগের বরাদ্দের হিসেব জমা দিলেই ফের বরাদ্দ মিলবে। সেই কারণেই রীতিমতো খতিয়ান তৈরি করে দিল্লি নিয়ে যাচ্ছেন মুখ্যমন্ত্রী।

    সুকান্তর কটাক্ষ-বাণ

    মুখ্যমন্ত্রীর এহেন উদ্যোগকেই কটাক্ষ করেছেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত (Sukanta Majumdar)। তাঁর মতে, প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে মুখ্যমন্ত্রীর দেখা করাই সার হবে। আদতে কোনও লাভ হবে না। যে ইস্যুতে তিনি প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে যাচ্ছেন, তা আদৌ সফল হবে না। এজন্য রাজ্য সরকারকে আগের দেওয়া টাকার হিসেব দিতে হবে কেন্দ্রকে। সুকান্ত জানান, ওই হিসেব মিললেই পরের কিস্তির টাকা হাতে পাবে রাজ্য। বালুরঘাটের সাংসদের কটাক্ষ, “প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করতে গেলে ভাল খাওয়ানো হয়, ভাল চা দেওয়া হয়। সেগুলি খেয়েই চলে আসবেন মুখ্যমন্ত্রী।”

    আরও পড়ুুন: মোদির পরেই রাজ্যে আসছেন শাহ-নাড্ডা, কেন জানেন?

    এর পরেই মুখ্যমন্ত্রীর তৈরি করা খতিয়ানকে ভুয়ো বলে দাগিয়ে দেন সুকান্ত। তিনি বলেন, “সিপিআইএমের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ তুলে অনেক কথা বলতেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। হাতে মোটা ফাইল নিয়ে দেখাতেন সিপিআইএম নেতাদের দুর্নীতির প্রমাণ এতে রয়েছে বলে।” বিজেপির রাজ্য সভাপতির প্রশ্ন, “মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ক্ষমতায় আসার পর কতজন সিপিআইএম নেতার বিরুদ্ধে তদন্ত হয়েছে? কতজন গ্রেফতার হয়েছেন? এর পরেই সুকান্ত (Sukanta Majumdar) বলেন, “সিপিআইএমের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ যেমন ভুয়ো ছিল, তেমনি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বকেয়া দাবির খতিয়ানের ফাইলও ভুয়ো।”

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     
     
  • PM Modi: মোদির পরেই রাজ্যে আসছেন শাহ-নাড্ডা, কেন জানেন?  

    PM Modi: মোদির পরেই রাজ্যে আসছেন শাহ-নাড্ডা, কেন জানেন?  

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নতুন বছরের মার্চেই হতে পারে লোকসভা নির্বাচন। তার আগে বাংলায় পায়ের নীচের মাটি আরও শক্ত করতে চাইছে বিজেপি। এ রাজ্যে লোকসভার আসন রয়েছে ৪২টি। তার মধ্যে অন্তত ৩৫টি আসনের লক্ষ্যমাত্রা নিয়ে এগোতে চাইছেন গেরুয়া নেতৃত্ব। তাই ২২ ডিসেম্বর সংসদের শীতকালীন অধিবেশন শেষ হলেই কোমর কষে ঝাঁপিয়ে পড়তে চাইছেন তাঁরা।

    মোদির পরেই রাজ্যে শাহ-নাড্ডা 

    ২৪ ডিসেম্বর ‘লক্ষ কণ্ঠে গীতা পাঠে’র অনুষ্ঠানে যোগ দিতে কলকাতায় আসছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। মোদির সফর শেষে কলকাতায় আসবেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। কিছু দিন আগেই বিজেপির প্রতিবাদ সভায় যোগ দিতে এসেছিলেন তিনি। তার পর ফের আসছেন। গেরুয়া শিবির সূত্রে খবর, শাহের সফরের সময়ই রাজ্যে আসতে পারেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডা। বিজেপির এই দুই হেভিওয়েট নেতার সফরের মূল লক্ষ্যই হল, বঙ্গ বিজেপির নেতাদের সঙ্গে বসে লোকসভা নির্বাচনের রণকৌশল ছকে ফেলা।

    সল্টলেকে বিজেপির বিশেষ বৈঠক

    মঙ্গলবারই বিজেপির (PM Modi) সল্টলেকের অফিসে বসেছিল রাজ্য নেতৃত্বের বিশেষ বৈঠক। রাজ্য নেতাদের পাশাপাশি বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন দলের সাধারণ সম্পাদক সুনীল বনসলও। হাজির ছিলেন রাজ্যের পর্যবেক্ষক মঙ্গল পাণ্ডে এবং দুই সহ পর্যবেক্ষক আশা লাকড়া ও অমিত মালব্য। বৈঠকে লোকসভা নির্বাচনের প্রস্তুতি নিয়েও আলোচনা হয়। চূড়ান্ত ভোটার তালিকা তৈরিতে দলীয় কর্মীরা কতটা অংশ নিয়েছেন, তা নিয়েও আলোচনা হয়। বুথস্তরে সংগঠনের হালহকিকৎ নিয়েও আলোচনা হয়েছে। যেসব বুথে সংগঠন দুর্বল, সেখানে কীভাবে তাকে চাঙা করা যায়, রাজ্য নেতৃত্বকে তাও ভাবতে বলেছেন কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব। জানুয়ারির মধ্যেই বুথ সশক্তিকরণ কর্মসূচি শেষ করার নির্দেশও দেওয়া হয়েছে এদিনের বৈঠকে।

    আরও পড়ুুন: সংসদে প্রশ্ন করছিলেন বাংলার বিজেপি সাংসদ, তখনই লাফ দিল ওরা! জানেন কারা তারা?

    সূত্রের খবর, বৈঠক চলাকালীনই কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব জানিয়ে দেন, খুব তাড়াতাড়িই রাজ্য সফরে আসবেন শাহ ও নাড্ডা। এই নেতারাই দফায় দফায় করবেন সাংগঠনিক বৈঠক। সংগঠন মজবুত করতে ৪২টি লোকসভা কেন্দ্র ও ২৯৪টি বিধানসভা এলাকার প্রতিটিতে একজন করে মোট ৩৩৬ জন বিস্তারক নিয়োগ করেছে বিজেপি। সোম ও মঙ্গলবার তাঁদের প্রশিক্ষণও শেষ হয়েছে। এই বিস্তারকদের সঙ্গেও বৈঠক (PM Modi) করতে পারেন শাহ ও নাড্ডা।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • National Anthem Disrespect Case: মুখ পুড়েছে সিঙ্গল বেঞ্চে, জাতীয় সঙ্গীত অবমাননা মামলায় ডিভিশন বেঞ্চে রাজ্য

    National Anthem Disrespect Case: মুখ পুড়েছে সিঙ্গল বেঞ্চে, জাতীয় সঙ্গীত অবমাননা মামলায় ডিভিশন বেঞ্চে রাজ্য

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিজেপি বিধায়কদের নাকাল করতে গিয়ে মুখ পুড়েছে কলকাতা হাইকোর্টের সিঙ্গল বেঞ্চে। তার পরেও অবশ্য জাতীয় সঙ্গীত অবমাননা মামলায় (National Anthem Disrespect Case) হাল ছাড়তে নারাজ রাজ্য সরকার। আজ, বুধবার সিঙ্গল বেঞ্চের রায়ের বিরুদ্ধে ডিভিশন বেঞ্চে গেল রাজ্য সরকার। হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি টিএস শিবজ্ঞানম ও বিচারপতি হিরণ্ময় ভট্টাচার্যের ডিভিশন বেঞ্চের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছিল রাজ্য সরকার। সেখানে মিলেছে মামলা দায়ের করার অনুমতি। শুনানির সম্ভাবনা আগামী সপ্তাহে।

    বিচারপতি সেনগুপ্তের নির্দেশ

    প্রসঙ্গত, ৭ ডিসেম্বর বিচারপতি জয় সেনগুপ্ত বিধানসভায় বিজেপি বিধায়কদের বিরুদ্ধে জাতীয় সঙ্গীত অবমাননার মামলায় ১০ জানুয়ারির মধ্যে হলফনামা পেশ করতে বলেছিলেন  রাজ্য সরকারকে। ১৭ জানুয়ারি পর্যন্ত মামলাকারীদের বিরুদ্ধে কোনও কঠোর পদক্ষেপ করা যাবে না বলেও নির্দেশ দিয়েছিল আদালত। কলকাতা পুলিশের সব তদন্তে স্থগিতাদেশও দিয়েছিলেন বিচারপতি সেনগুপ্ত। সেই (National Anthem Disrespect Case) নির্দেশের বিরুদ্ধেই এদিন প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বে ডিভিশন বেঞ্চে আবেদন জানিয়েছে রাজ্য সরকার।

    জাতীয় সঙ্গীত অবমাননা মামলা

    ঘটনার সূত্রপাত গত বুধবার। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে বিধানসভায় আম্বেদকরের মূর্তির পাদদেশে ধর্নায় বসেছিলেন শাসক দলের মন্ত্রী-বিধায়করা। ওই সময় মিটার পঞ্চাশেক দূরে বিধানসভার সিঁড়িতে বসে বিক্ষোভ প্রদর্শন করছিলেন পদ্ম-বিধায়করা। সরকার বিরোধী স্লোগানও দিচ্ছিলেন। অভিযোগ, তৃণমূল বিধায়করা যখন জাতীয় সঙ্গীত গাইছিলেন, তখনও বিজেপি বিধায়করা স্লোগান দিচ্ছিলেন বলে অভিযোগ। এর পরেই ১২ জন বিজেপি বিধায়কের বিরুদ্ধে স্পিকারের কাছে অভিযোগপত্র পেশ করা হয় তৃণমূলের তরফে। এই ১২ জনের তালিকায় নাম ছিল আলিপুরদুয়ারের দলবদলু (পদ্ম প্রতীকে জিতে ভিড়েছেন ঘাসফুল শিবিরে) সুমন কাঞ্জিলালও। পরে অবশ্য তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয় তাঁর নাম।

    আরও পড়ুুন: সংসদে প্রশ্ন করছিলেন বাংলার বিজেপি সাংসদ, তখনই লাফ দিল ওরা! জানেন কারা তারা?

    স্পিকার এই ১১ জন বিধায়কের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র পাঠিয়ে দেন লালবাজারে। পরে তাঁদের নোটিশ পাঠায় কলকাতা পুলিশ। এর পরেই হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন বিজেপি বিধায়করা। ওই মামলার শুনানিতে রাজ্য সরকারকে ভর্ৎসনা করে বিচারপতি সেনগুপ্ত বলেছিলেন, এটি একটি ছেলেমানুষি মামলা। তখনই তিনি জানিয়ে দিয়েছিলেন জাতীয় সঙ্গীত অবমাননা মামলায় (National Anthem Disrespect Case) এখনই কোনও পদক্ষেপ করা যাবে না।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

  • Lok Sabha: সংসদে প্রশ্ন করছিলেন বাংলার বিজেপি সাংসদ, তখনই লাফ দিল ওরা! জানেন কারা তারা?

    Lok Sabha: সংসদে প্রশ্ন করছিলেন বাংলার বিজেপি সাংসদ, তখনই লাফ দিল ওরা! জানেন কারা তারা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “লোকসভার (Lok Sabha) প্রশ্নোত্তর পর্বে স্পিকারের অনুমতি নিয়ে আমি প্রশ্ন উত্থাপন করছিলাম। তিরিশ সেকেন্ড মতো বলেছি, তখনই পিছনে আমার ডান দিকের গ্যালারি থেকে এক যুবক চেম্বারে ঝাঁপ দেন। আমি ঘাড় ঘুরিয়ে তাঁকে দেখি। কিন্তু নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে প্রশ্নপাঠ শেষ করতে হয় বলে প্রথমে থামিনি। ফের স্পিকারের দিকে তাকিয়ে প্রশ্ন পাঠ করতে থাকি। তখন দেখি আমার সামনে থাকা সাংসদরা হইহই করে ওই যুবককে ধরতে ছোটেন। এগিয়ে আসেন নিরাপত্তাকর্মীরাও। এর মধ্যে এক যুবতী গ্যালারি থেকে ঝাঁপ দেন। সবাই মিলে দুজনকে ধরে ফেলেন। তবে তাঁরা আগে থেকে জুতোয় রাখা কোনও রাসায়নিক কক্ষে ছড়িয়ে দিয়েছিলেন। যার জেরে অধিবেশন কক্ষ ধোঁয়ায় ভরে যায়। এর মধ্যেই অধিবেশন মুলতুবি করে দেন স্পিকার।” বুধবার লোকসভায় ভয়ঙ্কর সেই অভিজ্ঞতার কথা শোনালেন মালদহ উত্তরের সাংসদ বিজেপির খগেন মুর্মু।

    হানাদারদের পরিচয়

    জানা গিয়েছে, এদিন জিরো আওয়ারে যারা দর্শক গ্যালারি থেকে লাফিয়ে পড়েছিলেন তাঁরা হলে মহারাষ্ট্রের অমল শিন্ডে ও হরিয়ানার নীলম সিংহ। লাফ দেওয়ার সময়ও তারা স্লোগান দিচ্ছিল ‘তানাশাহি নেহি চলেগা’। এদিনই ছিল সংসদ হানার বর্ষপূর্তি। থতমত খেয়ে যান সাংসদরা। সাহস করে তাদের ধরে ফেলেন লোকসভার দুই সাংসদ। একজন বহুজন সমাজবাদী পার্টির সাংসদ মালুক নাগর এবং অন্যজন রাষ্ট্রীয় লোকতান্ত্রিক পার্টির সাংসদ হনুমান বেনিওয়াল। দিল্লি পুলিশের হাতে আটক হয়েছে সাগর শর্মা নামে আরও একজন।

    ভিজিটর পাস কোথায় পেলেন?

    সে-ই পুরো ঘটনায় নেতৃত্ব দিচ্ছিল বলে অভিযোগ। সাগর এক সংসদ সদস্যের কাছ থেকে ভিজিটর পাস জোগাড় করেছিল। তারই সঙ্গে নীলম কৌর নামেও একজন ঢোকার চেষ্টা করেছিল সংসদে। দুই দলের দুই সাংসদের হাতে ধরা পড়ার আগেই জুতোয় রাখা কোনও রাসায়নিক ছড়িয়ে দেয় হানাদারেরা। মুহূর্তের মধ্যে ধোঁয়ায় ঢেকে যায় অধিবেশন কক্ষ (Lok Sabha)। অধিবেশন মুলতুবি করে দেন স্পিকার। সাংসদ কংগ্রেসের কার্তি চিদম্বরম জানান, তিনি প্রথমে ভেবেছিলেন দর্শক গ্যালারি থেকে কেউ পড়ে গিয়েছেন। দ্বিতীয় ব্যক্তি লাফ দেওয়ার পর তিনি বুঝতে পারেন নিরাপত্তা লঙ্ঘন করে কেউ ঢুকে পড়েছে (Lok Sabha)।

    আরও পড়ুুন: আইসিইউ থেকে কার্ডিওলজি বিভাগে, ‘কাকু’র ‘নাগাল’ পেতে আইনি পরামর্শ নিচ্ছে ইডি!

    সভায় ছিলেন কংগ্রেস নেতা অধীর চৌধুরীও। তিনি বলেন, “দুই যুবক গ্যালারি থেকে ঝাঁপ দিয়েছিলেন। তাঁরা এমন কিছু একটা ছুড়েছিলেন, যা থেকে গ্যাস নির্গত হচ্ছিল। আমাদের দুই সাংসদের হাতে ধরা পড়েন তাঁরা। পরে নিরাপত্তাকর্মীরা তাঁদের বের করে নিয়ে যান।” এদিনই ছিল সংসদে হামলার ২২ বছর পূর্তি। সেদিনই কীভাবে ওই দুই ব্যক্তি ‘স্মোক গ্রেনেড’ নিয়ে নিরাপত্তার বলয় পেরিয়ে ঢুকে পড়ল সংসদের অন্দরে, তা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন। সাংসদদের নিরাপত্তায় যে ফোকর রয়েছে, তাও একবার চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিল সংসদের (Lok Sabha) এদিনের ঘটনা।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Kalighater Kaku: আইসিইউ থেকে কার্ডিওলজি বিভাগে, ‘কাকু’র ‘নাগাল’ পেতে আইনি পরামর্শ নিচ্ছে ইডি!

    Kalighater Kaku: আইসিইউ থেকে কার্ডিওলজি বিভাগে, ‘কাকু’র ‘নাগাল’ পেতে আইনি পরামর্শ নিচ্ছে ইডি!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শেষমেশ এসএসকেএম হাসপাতালের আইসিইউ থেকে বের করা হল সুজয়কৃষ্ণ ভদ্র ওরফে ‘কালীঘাটের কাকু’কে (Kalighater Kaku)। মঙ্গলবার রাতে তাঁকে সেখান থেকে বের করা হয়। তবে ‘কাকু’র এই সুস্থতা আশ্বস্ত করতে পারছে না ইডিকে। তাই ‘কাকু’কে কীভাবে এসএসকেএম থেকে বের করে আনা যায়, সে ব্যাপারে আইনজ্ঞের পরামর্শ নিচ্ছে ইডি।

    পথ খুঁজছে ইডি

    গ্রেফতার হওয়ার পর থেকে বারেবারেই ‘অসুস্থ’ হয়ে পড়ছেন ‘কাকু’। মঙ্গলবার আচমকা অসুস্থ হয়ে পড়ায় তাঁকে স্থানান্তরিত করা হয় আইসিইউতে। সুস্থ হওয়ায় বুধবার তাঁকে বের করা হয় সেখান থেকে। তাই ‘কাকু’কে এসএসকেএমের ‘খপ্পর’ থেকে বের করার পথ খুঁজছে ইডি। সূত্রের খবর, এ ব্যাপারে আইনি পরামর্শ নিতে শুরু করেছেন ইডির আধিকারিকরা। কেননা, একমাত্র আদালতের অনুমতি মিললেই ‘কাকু’কে নিয়ে যাওয়া যেতে পারে অন্যত্র।

    কার্ডিওলজির কেবিনে কাকু

    এসএসকেএম হাসপাতাল সূত্রে খবর, মঙ্গলবার দুপুরে বৈঠকে বসে ‘কাকু’র চিকিৎসায় গঠিত তিন সদস্যের একটি মেডিক্যাল বোর্ড। সেখানে ‘কাকু’র অ্যাঞ্জিওগ্রাফি সহ আরও বেশ কিছু শারীরিক পরীক্ষার রিপোর্ট নিয়ে আলোচনা হয়। সূত্রের খবর, এই বৈঠকেই স্থির হয় আইসিইউ থেকে বের করে ‘কাকু’কে কার্ডিওলজি বিভাগের কেবিনে স্থানান্তরিত করা হবে। সেই মতো রাতে স্থানান্তরিত করা হয় ‘কাকু’কে (Kalighater Kaku)।

    আরও পড়ুুন: আমেরিকাতেও ছড়িয়েছে গ্যাংস্টার-সন্ত্রাসবাদী আঁতাত, এফবিআইকে জানালো এনআইএ

    ‘কাকু’র কণ্ঠস্বরের নমুনা পেতে চাইছে ইডি

    নিয়োগ কেলেঙ্কারি মামলায় ইডির হাতে গ্রেফতার হয়েছেন তৃণমূলের সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় ঘনিষ্ঠ এই ‘কাকু’। অভিষেকের সংস্থায় তদন্ত করতে গিয়ে একটি কণ্ঠস্বরের হদিশ পায় ইডি। তদন্তকারীদের অনুমান, গলার স্বরটি ‘কাকু’রই। বিষয়টি কলকাতা হাইকোর্টের গোচরে আসার পরেই ‘কাকু’র কণ্ঠস্বরের নমুনা পরীক্ষার নির্দেশ দেয় আদালত। সেই স্বরের নমুনা পেতেই হন্যে হচ্ছেন ইডির আধিকারিকরা। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ ‘কাকু’কে না ছাড়ায় তাঁর কণ্ঠস্বরের নমুনা সংগ্রহ করা যাচ্ছে না। রাজনৈতিক মহলের সিংহভাগের মতে, কাকু মুখ খুললে জালে আটকে পড়বে অনেক রাঘব বোয়াল। তাই কাকুর স্বরের নমুনা যাতে কোনওভাবেই সংগ্রহ করা না যায়, তার ব্যবস্থা করতেই নাড়া হচ্ছে যাবতীয় কলকাঠি। যার জেরে মাস দুয়েকেরও বেশি সময় ধরে ‘কাকু’ (Kalighater Kaku) রয়েছেন এসএসকেএমের নিরাপদ ঘেরাটোপে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     
     
  • Parliament Security Breach: লোকসভায় তুলকালাম! গ্যালারি থেকে ঝাঁপ দিয়ে ‘স্মোক ক্যান’ খুলে হামলা, ধৃত ২

    Parliament Security Breach: লোকসভায় তুলকালাম! গ্যালারি থেকে ঝাঁপ দিয়ে ‘স্মোক ক্যান’ খুলে হামলা, ধৃত ২

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অধিবেশন চলাকালীন সংসদে তুলকালাম। ২২ বছর পর সংসদে ফিরল আতঙ্ক (22 Years of Parliament Attack)। সংসদ হামলার পূর্তির দিনেই বহিরাগতের হামলায় সাময়িক স্থগিত হয়ে গেল সংসদের কাজ (Parliament Security Breach)।

    ঝাঁপ দিয়েই এগনোর চেষ্টা

    ১৩ ডিসেম্বর। ২০০১ সালে এই দিনেই সংসদ ভবনে হয়েছিল সন্ত্রাসবাদী হামলা (22 Years of Parliament Attack)। ২২ বছর পর একই দিনে, ফের আতঙ্ক ছড়াল সংসদের অন্দরে। প্রাণ বাঁচাতে হুড়োহুড়ি পড়ে গেল সাংসদদের মধ্যে। এদিন নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী চলছিল সভার কাজ। আচমকা দর্শকাসন থেকে ঝাঁপ দিলেন ২ জন (Parliament Security Breach)। জুতোর ভেতর থেকে বের করলেন ‘স্মোক ক্যান’। সেই ক্যান থেকে নির্গত হতে থাকে হলুদ ধোঁয়া। লোকসভার ভেতর তখন চারদিকে ধোঁয়ায় ধোঁয়াক্কার অবস্থা।

    আতঙ্কিত হয়ে পড়েন সাংসদরা

    এই পরিস্থিতিতে স্তম্ভিত ও আতঙ্কিত হয়ে পড়েন উপস্থিত সাংসদরা। ভিডিওতে দেখা যায় এক বহিরাগত ব্যক্তি ঝাঁপ দিয়ে এগনোর চেষ্টা করছেন স্পিকারের দিকে। উপস্থিত সাংসদরা তাঁকে ঘিরে ধরেন। তাঁদের আটক করা হয়। পরে তাঁদের গ্রেফতার করে পুলিশ (Parliament Security Breach)। একইভাবে, সংসদ ভবনের বাইরেও একজন বহিরাগত স্মোক ক্যান খুললে গোটা চত্বর ধোঁয়ায় ঢেকে যায়। 

    লোকসভায় কংগ্রেসের দলনেতা অধীর চৌধুরী এ প্রসঙ্গে বলেন, ‘‘দু’জন গ্যালারি থেকে হঠাৎ ঝাঁপিয়ে পড়েন। তাঁদের হাতে কিছু ছিল। হলুদ রঙের গ্যাস বেরোচ্ছিল তা থেকে। সাংসদেরাই তাঁদের ধরে ফেলেন। পরে নিরাপত্তারক্ষীরা হামলাকারীদের ধরে বার করে আনেন।’’ এই ঘটনায় সভার কাজ দুপুর ২টো পর্যন্ত স্থগিত রাখা হয়।

    হুমকি দিয়ে রেখেছিলেন পান্নুন

    সংসদ হামলার বর্ষপূর্তির দিনই সংসদে হামলা চালানোর হুমকি সম্প্রতি দিয়ে রেখেছিলেন খালিস্তানি জঙ্গি নেতা গুরপাতবন্ত সিং পান্নুন। আর ঠিক এদিনই সংসদে হামলা হল (Parliament Security Breach)। গোটাটাই কি কাকতালীয়, নাকি এর সঙ্গে জড়িত খালিস্তানিরা? সব কিছু খতিয়ে দেখছে পুলিশ। দিল্লি পুলিশ জানিয়েছে, এক মহিলা সব ২ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। 

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • ISRO: ২০৪০ সালের মধ্যেই চাঁদে মানুষ পাঠাবে ভারত, ঘোষণা ইসরো প্রধানের

    ISRO: ২০৪০ সালের মধ্যেই চাঁদে মানুষ পাঠাবে ভারত, ঘোষণা ইসরো প্রধানের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চন্দ্রযান ৩-এর মাধ্যমে চাঁদের দক্ষিণ মেরুতে পা রেখে ইতিহাস নির্মাণ করেছে ইসরো (ISRO)। এই সাফল্যে সারা বিশ্বের নজর কেড়েছে ভারত। এরপর সূর্যের উপর নজর রাখতে সাফল্যের সঙ্গে আদিত্য-এল ১ উৎক্ষেপণ সম্পূর্ণ করেছে ইসরো। তাতেও বিরাট সাফল্য বলে দেখছেন বিশ্বের মহাকশ বিজ্ঞানীরা। এবার ইসরোর কর্ণধার এস সোমনাথ জানালেন, ভারতের গগনযান মিশনের চার মহাকাশচারী– ভারতীয় বায়ুসেনার চারজন পাইলটকে এই কাজের জন্য বেছে নেওয়া হয়েছে। প্রশিক্ষণের কাজ শুরু হয়েছে তাঁদের। একইসঙ্গে তাঁর ঘোষণা, “২০৪০ সালের মধ্যে ভারতের মহাকাশচারীরা চাঁদের বুকে পদার্পণ করবেন।”

    কী বলা হয়েছে ইসরোর পক্ষ থেকে (ISRO)?

    ইসরোর (ISRO) চেয়ারম্যান এস সোমনাথ মঙ্গলবার জানিয়েছেন, “ভারতীয় চারজন বায়ুসেনা অফিসারকে নির্বাচিত করা হয়েছে। দুই থেকে তিনজন মহাকাশচারীকে ‘লো আর্থ অরবিট’ বা পৃথিবীর কক্ষপথের নিম্নভাগে পাঠানো হবে। সেখানে দুই-তিন দিন কাটানোর পর আবার তাঁদের সুরক্ষিত ভাবে ফিরিয়ে আনা হবে। এটা হবে ভারতের জন্য প্রথম মহাকাশে মানুষ পাঠানোর অভিযান। ইতিমধ্যে বেঙ্গালুরুতে অ্যাস্ট্রোনট ট্রেনিং ফেসিলিটিতে প্রশিক্ষণের কাজ শুরু করা হয়েছে।” এই প্রসঙ্গে ইসরোর কর্ণধার এস সোমনাথ আরও বলেন, “গগনযান অভিযানের জন্য ভারত এখন প্রস্তুত। পৃথিবীর কক্ষপথের নিম্নভাগে প্রথমে মহাকাশচারীদের পাঠানো হবে, এরপর নির্ধারিত স্থানে নামিয়ে আনার কাজ করা হবে।”

    আর কী জানা গিয়েছে?

    ইসরোর (ISRO) সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, এলভিএমথ্রি লঞ্চ ভেহিক্যলের উপর একটি অরবিটাল মডিউল নির্মাণ করা হবে। এই যন্ত্রের মাধ্যমেই মহাকাশচারীরা মহাকাশে যাত্রা করবেন। এই লঞ্চ ভেহিক্যলকে অত্যন্ত নিরপাদ এবং সুরক্ষিত থাকবে বলে জানা গিয়েছে। আরবিটাল মডিউলটিতে একটি ক্রু মডিউল এবং একটি সার্ভিস মডিউল থাকবে। মহাকাশের শূন্যে যাত্রা করার জন্য থাকবে সবরকম ব্যবস্থা। সেই সঙ্গে মহাকাশচারীদের জন্য লাইফ সাপোর্টের ব্যবস্থাও থাকবে।

    ক্রু মডিউলটির ভিতরের পরিবেশ থাকবে পৃথিবীর মতো। আর তাতে করেই নিরাপদে বায়ুমণ্ডলে প্রবেশ করতে পারবেন মহাকাশযাত্রীরা। সেই সঙ্গে থাকবে একটি ক্রু এসকেপ সিস্টেম, বিপদ বুঝে তার মাধ্যমে দ্রুত অবতরণ করতে পারবেন মহাকাশচারীরা। মূল অভিযানের আগে আরও দুটি পরীক্ষা হবে, তবে সেখানে মানুষ থাকবে না বলে জানা গিয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share