Tag: news in bengali

news in bengali

  • Indian Railways: রেলে এবার ২০ টাকা, ৫০ টাকায় ভরপেট খাবার, ট্রেনেই পাবেন পছন্দের মেনু

    Indian Railways: রেলে এবার ২০ টাকা, ৫০ টাকায় ভরপেট খাবার, ট্রেনেই পাবেন পছন্দের মেনু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জনসাধারণের জন্য স্বল্প মূল্যের খাবারের ব্যবস্থা করতে চলেছে রেল (Indian Railways)। নাম রাখা হয়েছে ইকোনমি মিল (economy meal)। মূলত অসংরক্ষিত কামরা ও দ্বিতীয় শ্রেণীর যাত্রীদের কথা মাথায় রেখে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে ভারতীয় রেলের (Indian Railways)। এই খাবার মিল এবং জল, স্টেশনের কামরাগুলির কাছে অবস্থিত কাউন্টারেই পাওয়া যাবে।

     ১০০টি স্টেশনে মোট ১৫১টি কাউন্টার (Indian Railways)

    রেল (Indian Railways) এই নয়া ভাবনার খাবার আপাতত ৫১টি স্টেশনে পরীক্ষামূলকভাবে চালু করেছিল। তাতে সাড়া মিলেছে ভালই। এখন বেড়ে ১০০টি স্টেশনে মোট ১৫১টি কাউন্টারে ইকোনমি মিল দেওয়া হচ্ছে। যাত্রীরা স্বল্পমূল্যে সরাসরি এই কাউন্টার থেকে তাঁদের খাবার ও জল কিনতে পারবেন। তাঁদের আর হকারের মুখাপেক্ষী থাকতে হবে না। কুড়ি টাকার বিনিময়ে খাবার এবং তিন টাকার বিনিময়ে ২০০ মিলি জল কিনতে পাওয়া যাবে। বিভিন্ন জংশন স্টেশনের প্লাটফর্মে সস্তায় খাবারের স্টল বসানো হয়েছে। চলতি বছরের শেষেই দেড়শটি স্টেশনে এই খাবার কিনতে পাওয়া যাবে বলে রেল সূত্রে খবর।

    ইকোনোমি মিলে কী কী থাকবে?

    আইআরসিটিসি-র সহযোগিতায় এই পরিষেবা চালু করেছে ভারতীয় রেল (Indian Railways)। জানা গিয়েছে ইকোনোমি মিলে পাওয়া যাবে, লুচি তরকারি আর আচার। খিচুড়ি, ছোলা-ভাটুরা, ধোসার মত খাবারও পাওয়া যাবে ৫০ টাকায়। যে কোনও একটি খাবারের প্লেটের দাম মাত্র ৫০ টাকা । ভারতীয় রেল ৫০ টাকার প্লেটে রাজমা ও ভাত, মশলা কুলচা, মশলা ধোসার মত পদ যোগ করতে চলেছে। যে সমস্ত যাত্রীরা বাড়ি থেকে খাবার আনতে ভুলে যান কিংবা দীর্ঘ যাত্রাকালে যাঁদের খাবারের প্রয়োজন তাঁদের জন্য অত্যন্ত উপকারী এই নয়া ব্যবস্থা।

    আরও পড়ুনঃ “রাজ্য সরকার শিক্ষা ব্যবস্থায় দুর্নীতি করেছে”, বিস্ফোরক চাকরি হারা জেলা পরিষদের প্রাক্তন সভাধিপতি

    ৫ টাকায় শুরু হয়েছিল মিল

    প্রসঙ্গত রেলের (Indian Railways) সস্তায় খাবারের ভাবনা অনেক পুরোনো। লালু প্রসাদ যাদব রেলমন্ত্রী থাকাকালীন কয়েক দশক আগেই “জনতা আহার” চালু করেছিলেন। ৫ টাকা থেকে শুরু হওয়া ওই খাবারের দাম এখন ২০ টাকায় ঠেকেছে। কিন্তু ওই খাবারের মান নিয়ে চিরকাল প্রশ্ন ছিল। রেলযাত্রীদের অভিযোগ আজও আছে, ৪টে লুচি আর আলুর তরকারির খবার কিন্তু তাতে পেট ভরে না এবং জিভের স্বাদও মেটানো যায় না। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Akshaya Tritiya 2024: অক্ষয় তৃতীয়া কেন মঙ্গলদায়ক? পুরাণ মতে এই দিনটির গুরুত্ব কী জানুন

    Akshaya Tritiya 2024: অক্ষয় তৃতীয়া কেন মঙ্গলদায়ক? পুরাণ মতে এই দিনটির গুরুত্ব কী জানুন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হিন্দু ক্যালেন্ডার অনুসারে, বৈশাখ মাসের শুক্লপক্ষের তৃতীয়া তিথি জাঁকজমক ভাবে পালিত হয়। সনাতন ধর্মে এই দিন (Hindu religion) অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ দিন বলে বিবেচিত হয়। অক্ষয় তৃতীয়ার (Akshaya Tritiya) দিন থেকে নানা শুভ কাজ শুরু হয়। এছাড়াও অক্ষয় তৃতীয়ার দিনে কেনাকাটা করা বা সোনার গহনা কেনা খুবই মঙ্গল বলে মনে করা হয়। অনেকের বিশ্বাস, অক্ষয় তৃতীয়ার দিনে শুরু করা কাজ শুভ ফল দায়ক হয়। এই কারণেই মানুষ নতুন ব্যবসা শুরু করে এই তিথিতে। পয়লা বৈশাখের মতো এদিনও হালখাতা হয় দোকানে দোকানে। সেই উপলক্ষ্যে লক্ষ্মী-গণেশের পুজো করতে এদিন বিভিন্ন মন্দিরে ভিড় করেন ব্যবসায়ীরা। স্বর্ণ ব্যবসায়ীদের কাছেও সমৃদ্ধির বার্তাবাহক অক্ষয় তৃতীয়ার এই তিথি।

    সোনা-রূপো কেনার রীতি (Akshaya Tritiya 2024)

    অক্ষয় তৃতীয়ায় (Akshaya Tritiya 2024) সবাই যার যার সামর্থ্য অনুযায়ী সোনা ও রূপো কিনে থাকে। ধর্মীয় বিশ্বাস অনুসারে, এই দিনে সোনা কিনলে ঘরে ধন-সম্পদ, সুখ-সমৃদ্ধি আসে। এই দিনে সোনা কিনলে ঘরে অর্থের অভাব হয় না বলেও বিশ্বাস রয়েছে। ব্যক্তি এবং পরিবারের যশ ও খ্যাতি বৃদ্ধি পায়। চলতি বছর ২০২৪ সালের ১০ মে পালিত হবে এই বছরের অক্ষয় তৃতীয়া। কথিত আছে যে অক্ষয় তৃতীয়ার দিনে ধন সম্পদের দেবতা কুবেরকে দেবলোকের অধিপতি নির্বাচন করা হয়। তাই এই দিনে মা লক্ষ্মীর সঙ্গে কুবেরেরও পুজো করা হয়। মনে করা হয় যে অক্ষয় তৃতীয়ায় কুবের দেবের পুজো করলে সংসারে সুখ ও সমৃদ্ধি আসে। এই দিনে দান করলেও তার শুভ প্রভাবে সম্পদ লাভ করা সম্ভব হয়। অক্ষয় তৃতীয়ায় যব দান করা স্বর্ণদানের সমতুল্য বলে বিবেচিত হয়।

    অক্ষয় তৃতীয়ার গুরুত্ব

    অক্ষয় তৃতীয়ার দিনটি (Akshaya Tritiya 2024) যে কোনও ধরনের শুভ কাজ করার জন্য সবচেয়ে উপযুক্ত। বিয়ে, বাগদান, গৃহপ্রবেশ এবং উপনয়নের মতো যে কোনও শুভ কাজ অক্ষয় তৃতীয়ার যে কোনও সময় করা যায়। এই দিনটি এতই শুভ যে এই দিনে কোনও শুভ কাজ করার জন্য পঞ্জিকাতে শুভ সময় দেখার দরকার পড়ে না। এই দিনে যে কোনও সময় যে কোনও শুভ কাজ করা যেতে পারে।

    পুরাণে অক্ষয় তৃতীয়ার বর্ণনা

    পুরাণ অনুসারে অক্ষয় তৃতীয়ায় (Akshaya Tritiya) অক্ষয় পাত্র লাভ করে ছিলেন যুধিষ্ঠির। এই কারণে অক্ষয় তৃতীয়া থেকেই ক্ষেতে বীজ রোপণ করা শুরু করেন কৃষকরা। অন্যদিকে আরেকটি পৌরণিক আরেকটি সূত্রে অনুসারে জানা গিয়েছে, বিষ্ণুর নবম অবতার কৃষ্ণ দ্বাপর যুগে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর সুদামা নামে এক দরিদ্র ব্রাহ্মণ বন্ধু ছিলেন। সুদামা একদিন ভুলবশত কৃষ্ণের সব খাবার খেয়ে ফেলেছিলেন। এরপর তিনি শ্রীকৃষ্ণকে খাবার দিতে একমুঠো চাল নিয়ে তাঁর ঘরে আসেন। বন্ধু সুদামার এই আচরণ মুগ্ধ করেছিল শ্রীকৃষ্ণকে। এরপর শ্রীকৃষ্ণের আশীর্বাদে সুদামার সমস্ত দারিদ্র্য ঘুচে যায়। মনে করা হয় যেদিন এই ঘটনা ঘটেছিল, সেদিন ছিল বৈশাখ মাসের শুক্লপক্ষের তৃতীয়া তিথি। তাই দিনটি বিশেষ শুভ।

    আরও পড়ুনঃ একই স্কুলের ৩৬ জন শিক্ষকের চাকরি গেল, মাথায় হাত প্রধান শিক্ষকের

    খুলে যায় বদ্রীনাথধাম

    উল্লেখ্য অক্ষয় তৃতীয়া (Akshaya Tritiya 2024) থেকেই খুলে যায় চারধামের অন্যতম বদ্রীনাথধাম মন্দিরের দরজা। তার সঙ্গে এদিনই মথুরায় বাঁকে বিহারীর দর্শন পাওয়া যায়। সারা বছর পোশাকের আড়ালে ঢাকা থাকেন বাঁকে বিহারী। এই একদিনই তাঁর চরণ দর্শন করা সম্ভব হয়। এছাড়াও অক্ষয় তৃতীয়ার (Akshaya Tritiya) দিন সূর্যোদয়ের আগে উঠে সমুদ্র, গঙ্গা বা যে কোনও পবিত্র নদীতে বা বাড়িতে স্নান করার পর শান্ত চিত্তে ভগবান বিষ্ণু ও মা লক্ষ্মীর পুজো করার বিধান রয়েছে। সুখ, সৌভাগ্য এবং সমৃদ্ধির জন্য লক্ষ্মীনারায়ণের পাশাপাশি এই দিনে ভগবান শিব এবং মা পার্বতীরও পুজো করা হয়।

    স্কন্দপুরাণ অনুসারে দিনের গুরুত্ব

    শাস্ত্র অনুসারে, এই অক্ষয় তৃতীয়ার মাসে (Akshaya Tritiya 2024) জলের কলস, ছায়াযুক্ত বৃক্ষ রক্ষা ও রোপণ, পশু-পাখিদের খাবারের ব্যবস্থা করা, পথচারীকে জল দেওয়া প্রভৃতি ভালো কাজগুলি মানুষের জীবনকে সমৃদ্ধির পথে নিয়ে যায়। অন্যদিকে স্কন্দপুরাণ অনুসারে এই মাসে জল দান করা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ, অর্থাৎ বহু তীর্থযাত্রা করে যে ফল পাওয়া যায় তা বৈশাখ মাসে জল দান করলেই পাওয়া যায়। এছাড়া যাঁরা ছায়া চান, তাঁদের ছাতা দান এবং যাঁরা পাখা চান, তাঁদের একটি পাখা দান করলে ব্রহ্মা, বিষ্ণু ও শিব এই তিন দেবতার আশীর্বাদ পাওয়া যায়। যিনি পাদুকা দান করেন, তিনি যমদূতদের তুচ্ছ করে বিষ্ণুলোকে যান। এমন কথাও বর্ণিত রয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • IMA vs Patanjali: পতঞ্জলির পর ইন্ডিয়ান মেডিক্যাল অ্যাসোসিয়েশনকে তীব্র ভর্ৎসনা সুপ্রিম কোর্টের

    IMA vs Patanjali: পতঞ্জলির পর ইন্ডিয়ান মেডিক্যাল অ্যাসোসিয়েশনকে তীব্র ভর্ৎসনা সুপ্রিম কোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পতঞ্জলি বনাম ইন্ডিয়ান মেডিক্যাল অ্যাসোসিয়েশন (আইএমএ) মামলায় এবার মুখ পুড়ল চিকিৎসকদের এই সংস্থার। অপ্রয়োজনীয় এবং দামি ঔষধ লেখার জন্য সর্বোচ্চ আদালত (Supreme Court) চিকিৎসকদের সংস্থাকে ভর্ৎসনা করল। প্রশ্ন উঠল আইএমএ-র (IMA vs Patanjali) সদিচ্ছা নিয়েও।

    সুপ্রিম কোর্টের আপত্তি (IMA vs Patanjali)

    মঙ্গলবার মামলার শুনানি চলাকালীন সুপ্রিম কোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ, ইন্ডিয়ান মেডিক্যাল অ্যাসোসিয়েশনে (IMA) নথিভূক্ত চিকিৎসকদের অবাঞ্ছিত কাজকর্ম নিয়ে প্রবল আপত্তি জানিয়েছে। বিশেষ করে এই সংগঠনের  সঙ্গে যুক্ত চিকিৎসকদের কমদামি এবং কার্যকরী বিকল্প থাকা প্রেসক্রিপশনে দামি ওষুধ লেখার বদভ্যাসকে ভর্ৎসনা করেছে সুপ্রিম কোর্ট (S.C.)। এই এই স্বাস্থ্য সংগঠনকে (IMA vs Patanjali) তাঁদের কাজকর্মে সুব্যবস্থা আনার পরামর্শ দিয়েছেন বিচারকেরা।

    আইএমএকে ভর্ৎসনা!

    বিচারপতি হেমা কোহলি এবং এহসানউদ্দিন আমানুল্লার ডিভিশন বেঞ্চে আইএমএ বনাম পতঞ্জলি (IMA vs Patanjali) মামলা চলছে। বেঞ্চ জানিয়েছে, দামি ঔষধ লেখা এবং অপ্রয়োজনীয় ঔষধ লেখার বিষয়ে আইএমএ-কে আরও সক্রিয় ভূমিকা নিয়ে এগুলি বন্ধ করা উচিত। এবিষয়ে সংগঠন নিজেদের দায়িত্ব এড়িয়ে যেতে পারে না। বিশেষ করে আইএমএ যখন পতঞ্জলির দিকে আঙ্গুল তুলছে তখন একটি আঙ্গুল তাঁদের দিকেও ওঠে। পতঞ্জলি আয়ুর্বেদের বিরুদ্ধে বিভ্রান্তিকর বিজ্ঞাপন প্রকাশ করার অভিযোগ উঠেছিল। এর বিরুদ্ধে আইএমএ সর্বোচ্চ আদালতে মামলা করে। এই মামলার শুনানি চলাকালীন আইএমএকে ভর্ৎসনা করা হয়েছে। একদিকে যেমন পতঞ্জলি আয়ুর্বেদকে এফিডেফিট জমা দিয়ে পুনরায় ক্ষমাপ্রার্থনা করে সংবাদমাধ্যমে বিজ্ঞাপন দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে। অন্যদিকে আইএমএ-কেও চিকিৎসকদের অতিরিক্ত অর্থনৈতিক লাভের জন্য চালাকি ছাড়তে বলেছে ডিভিশন বেঞ্চ।

    আরও পড়ুনঃহনুমান জয়ন্তীর কীর্তনে হামলা দুষ্কৃতীদের! পুলিশের ভূমিকায় প্রশ্ন বিজেপির

    বিচারপতির বক্তব্য

    সুপ্রীম কোর্টের বিচারপতি স্পষ্ট ভাষায় আইএমএকে (IMA vs Patanjali) বলেন, “এলোপ্যাথিক ফিল্ডে আপনাদের চিকিৎসকরা বিকল্প আছে তা সত্ত্বেও রোগীর অর্থনৈতিক অবস্থার কথা না ভেবে দামি ঔষধ লিখে যাচ্ছেন। আগে নিজেদের ভুল সংশোধন করার চেষ্টা করুন।” আদালত এফএমসিজি কোম্পানিগুলির কাজকর্মেও ক্ষুব্ধ। অভিযোগ উঠছে নবজাতক শিশু এবং বাচ্চাদের কথা না ভেবেই বিভিন্ন ধরনের খাবার তৈরি করছে এফএমসিজি (FMCG) সংস্থাগুলি। এমনকী বৃদ্ধদের জন্যও যে সামগ্রী তৈরি করা হচ্ছে তা তাদের স্বাস্থ্যের কথা ভেবে হচ্ছে না। গুণমান নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেছে দেশের সর্বোচ্চ আদালত। আদালত কেন্দ্রের কাছে এই সংস্থাগুলির তিন বছরে বিভ্রান্তিকর বিজ্ঞাপন ঘিরে কী ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে তা জানতে চাওয়া হয়েছে। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Calcutta High Court: টেটের প্রশ্নপত্রে ভুল ছিল কি? বিশ্বভারতীকে কমিটি গড়তে বলল হাইকোর্ট

    Calcutta High Court: টেটের প্রশ্নপত্রে ভুল ছিল কি? বিশ্বভারতীকে কমিটি গড়তে বলল হাইকোর্ট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: টেটের প্রশ্নপত্রে সত্যিই ভুল ছিল কিনা, তা জানতে বিশ্বভারতীকে বিশেষজ্ঞ কমিটি গড়তে বলল কলকাতা হাইকোর্ট (Calcutta High Court)। ২০১৭ সালে প্রাইমারি স্কুলে শিক্ষক নিয়োগের পরীক্ষায় বাংলা, পরিবেশ বিজ্ঞান-সহ মোট তিনটি বিষয়ে ২১টি প্রশ্ন ভুল ছিল বলে আদালতের দ্বারস্থ হয়েছিলেন পরীক্ষার্থীরা। তাঁদের দাবি, প্রশ্ন ভুল থাকলে ওই একুশটি প্রশ্নের জন্য বরাদ্দ নম্বর দিতে হবে তাঁদের।

    কী বলল হাইকোর্ট? (Calcutta High Court)

    আবেদনকারীদের সেই বক্তব্যের প্রেক্ষিতেই বুধবার কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি রাজাশেখর মান্থা কমিটি গঠন করতে বলেছেন বিশ্বভারতীকে। আদালতের নির্দেশ, উপাচার্য তাঁর পছন্দ মতো কমিটি গড়বেন। সেই কমিটি সব প্রশ্ন খতিয়ে দেখে আগে চিহ্নিত করবে সঠিক উত্তরগুলি (Calcutta High Court)। পরে খতিয়ে দেখা হবে পরীক্ষার্থীদের উত্তরও। তার ভিত্তিতে পরীক্ষার্থীদের কোন কোন উত্তর বেছে নেওয়া হবে, সেটা নির্ধারণ করবেন এই কমিটির বিশেষজ্ঞরা। এক মাসের মধ্যে রিপোর্ট তৈরি করে মতামত দিতে হবে কমিটিকে। এই মামলার পরবর্তী শুনানি ১১ জুন। সেদিন বিশ্বভারতীর কমিটির রিপোর্ট খতিয়ে দেখে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেবে আদালত।

    মামলাকারীদের দাবি

    ২০১৭ সালের টেটে প্রশ্ন ভুল ছিল এই অভিযোগ তুলে কলকাতা হাইকোর্টে মামলা দায়ের করেন রিয়া বন্দ্যোপাধ্যায়-সহ কয়েকজন চাকরিপ্রার্থী। তাঁদের হয়ে আদালতে সওয়াল করেন আইনজীবী ফিরদৌস শামিম। তাঁর বক্তব্যের নির্যাস, ওই বছরের টেটের প্রশ্নপত্রে ২১টি প্রশ্নে ভুল ছিল। প্রশ্নে যদি ভুল থাকে, তাহলে সবাইকে নম্বর দেওয়া হোক। এই মামলার আগের শুনানিতে কিছুটা অসন্তোষের সুরেই বিচারপতি বলেছিলেন, “একটা প্রশ্নে এত ভুল থাকে কী করে? পরীক্ষার্থীরা কি আইনস্টাইন হয়ে ভুল প্রশ্ন খুঁজে বের করে সঠিক উত্তর দেবেন? বুধবার এই মামলারই শুনানিতে প্রশ্ন ভুলের অভিযোগের সত্যতা যাচাই করার নির্দেশ দিয়েছেন বিচারপতি মান্থা। সেই ভুল খুঁজে বের করতেই বিশ্বভারতীকে কমিটি গঠনের কথা বলেছেন বিচারপতি।

    আরও পড়ুুন: শ্যাম পিত্রোদার ‘উত্তরাধিকার কর’ মন্তব্য ঘিরে উত্তাল রাজনীতি, কংগ্রেসকে তুলোধনা বিজেপির

    মাত্র আটচল্লিশ ঘণ্টা আগেই কলকাতা হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চের নির্দেশে চাকরি খুইয়েছেন ২৩ হাজার ৭৫৩ জন। এঁরা সবাই ২০১৬ সালের এসএসসি প্যানেলে ছিলেন। এই নিয়োগ প্রক্রিয়াটি বাতিল করে দেওয়ায় চাকরি হারিয়েছেন ওই হাজার চব্বিশেক মানুষ। সোমবারের সেই নজিরবিহীন রায়ের পর বুধবার ২০১৭-র টেটে ভুল প্রশ্ন নিয়ে কমিটি গড়ার নির্দেশ সেই কলকাতা হাইকোর্টের (Calcutta High Court)।

    আবারও কি একবার মুখ পুড়বে এসএসসি কর্তৃপক্ষের?

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Hanuman Jayanti: হনুমান জয়ন্তীর কীর্তনে হামলা দুষ্কৃতীদের! পুলিশের ভূমিকায় প্রশ্ন বিজেপির

    Hanuman Jayanti: হনুমান জয়ন্তীর কীর্তনে হামলা দুষ্কৃতীদের! পুলিশের ভূমিকায় প্রশ্ন বিজেপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রামনবমীর (Ram Navami) পর এবার হনুমান জয়ন্তীর (Hanuman Jayanti) অনুষ্ঠানেও দুষ্কৃতীদের হামলা। রামনবমীতে মুর্শিদাবাদে (Murshidabad) হামলা হয়েছিল। এবার হনুমান জয়ন্তীতে ঘটনাস্থল বীরভূম (Birbhum) জেলায়। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় বীরভূম জেলার সিউড়ি (Siuri) বিধানসভার বারুইপুর গ্রামে হরিসভা চলাকালীন হনুমান মন্দিরে হামলা করার অভিযোগ উঠল স্থানীয় দুষ্কৃতী রমজান ও তার ভাইদের বিরুদ্ধে। মন্দিরের একাংশ ক্ষতিগ্রস্ত, স্থানীয় মহিলাদের শ্লীলতাহানি (Molestation) এবং মারধর করার অভিযোগ রয়েছে দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে। স্থানীয় সূত্রে খবর, দুজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। গ্রামবাসীদের দাবি সকল অভিযুক্তকে গ্রেফতার করতে হবে।

    ঠিক কী ঘটেছে?

    জানা গিয়েছে, এদিন সন্ধ্যায় বারুইপুর গ্রামের হনুমান মন্দিরে সন্ধ্যার সময় হরিনাম সংকীর্তন হচ্ছিল। সেই সময় গ্রামেরই দুষ্কৃতী রমজান ও তার সাগরেদদের নিয়েই এসে হরিনাম সংকীর্তন বন্ধ করতে বলে। দীর্ঘদিন ধরে গ্রামের রীতি হিসেবে চলে আসা সংকীর্তনে রমজানের কী সমস্যা জানতে চাওয়া হলে, সে বলে বন্ধ করতে বলেছি তাই বন্ধ করতে হবে। কার সমস্যা কী সমস্যা সেসব পরে হবে। রমজানের গা জোয়ারি কথায় প্রতিবাদের এগিয়ে আসেন সংকীর্তনের উপস্থিত মহিলারা। এরপর দুষ্কৃতীরা উপস্থিত মহিলাদের কাপড় ধরে টানাটানি করে। কয়েকজন জুতো পড়ে মন্দিরে ঢুকে ব্যাপক ভাঙচুর চালায়। মহিলা ও পুরুষ সকলে প্রতিবাদ করে তাঁদের মারধর করে ওই দুষ্কৃতীরা।

    আরও পড়ুনঃ বালুরঘাটে জনসভায় তৃণমূল প্রার্থীর সামনেই সুকান্তর প্রশংসা দেব-এর মুখে

    বিজেপির বক্তব্য

    এরপর গ্রামবাসীরা পুলিশকে ফোন করে। কিন্তু পুলিশ আসতে দেরি করে বলে অভিযোগ। ধরপাকড়ের নামে মাত্র দুজনকে পুলিশ পাকড়াও করে। বাকিরা পালিয়ে যায়। এরপর বিজেপির রাজ্য সাধারণ সম্পাদক জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায় ও স্থানীয় নেতৃবৃন্দ শান্তি রক্ষার্থে গ্রামে উপস্থিত হন। তাঁরা কোনও প্ররোচনায় পা দিতে বারণ করেন। গ্রামবাসীদের সজাগ থাকতে বলেন। প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “পাশেই একটা ফাঁড়ি আছে। কিন্তু ফাঁড়ি দুষ্কৃতীদের ধরবে কী? ওটাই অসামাজিক কাজের আখড়া। দুজনকে ধরা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। আমাদের দাবি এফআইআর দায়ের করে সকলকে গ্রেফতার করতে হবে। দায়সারা তদন্ত করলে চলবে না। আগেও এলাকা অশান্ত করার চেষ্টা হয়েছিল। মুখ্যমন্ত্রীর উস্কানিমূলক কথার জন্য কিছু দুষ্কৃতী সাহস পেয়েছে। এই পরিস্থিতি বাংলার জন্য ক্ষতিকারক।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • BJP: শ্যাম পিত্রোদার ‘উত্তরাধিকার কর’ মন্তব্য ঘিরে উত্তাল রাজনীতি, কংগ্রেসকে তুলোধনা বিজেপির

    BJP: শ্যাম পিত্রোদার ‘উত্তরাধিকার কর’ মন্তব্য ঘিরে উত্তাল রাজনীতি, কংগ্রেসকে তুলোধনা বিজেপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কংগ্রেসের ইস্তাহারে (পোশাকি নাম ‘ন্যায়পত্র’) সম্পদের পুনর্বণ্টনের প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে। আর ইন্ডিয়ান ওভারসিজ কংগ্রেস চেয়ারপার্সন শ্যাম পিত্রোদা (Sam Pitroda) সওয়াল করলেন আমেরিকার মতো ভারতেও চালু হোক উত্তরাধিকার কর। তার পরেই বিজেপি (BJP) তাক করেছে পিত্রোদাকে। পিত্রোদার মন্তব্য একান্তই তাঁর নিজস্ব বলে জানিয়ে দিয়েছে কংগ্রেস।

    পিত্রোদার মন্তব্য

    সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে কংগ্রেসের ইস্তাহার-প্রতিশ্রুতি সম্পর্কে বলতে গিয়ে পিত্রোদা (Sam Pitroda) বলেছিলেন, “সম্পদের পুনর্বণ্টনের যে নীতির কথা বলা হয়েছে ইস্তাহারে, তা ধনীদের জন্য নয়, সাধারণ মানুষের জন্য।” আমেরিকায় চালু উত্তরাধিকার ট্যাক্স ব্যবস্থা সম্পর্কে বলতে গিয়ে পিত্রোদা বলেন, “কারও যদি ১০০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার পরিমাণ সম্পদ থাকে, তাহলে তাঁর মৃত্যুর পর তার মাত্র ৪৫ শতাংশ পেতে পারেন তাঁর উত্তরসূরীরা। বাকি ৫৫ শতাংশ সম্পদ চলে আসবে সরকারের দখলে। এটি একটি সুন্দর আইন। এই আইন আপনাকে বলছে, জীবদ্দশায় আপনি খেটে যে সম্পদ তৈরি করলেন, আপনার মৃত্যুর পর সেই সম্পদের কিছুটা অংশ সাধারণ মানুষের জন্য রেখে গেলেন। তবে পুরোটা নয়, অর্ধেকটা। আমার কাছে বিষয়টা খুব সুন্দর মনে হয়েছে।”

    আরও পড়ুুন: ২জি স্পেকট্রাম কেলেঙ্কারিতে ‘সুপ্রিম’ রায়ে পরিবর্তন চেয়ে শীর্ষ আদালতে কেন্দ্র

    বিজেপির (BJP) নিশানায় কংগ্রেস

    পিত্রোদার (Sam Pitroda) মন্তব্যে দেশজুড়ে উঠেছে সমালোচনার ঝড়। সম্পদ হরণকারীদের (কংগ্রেস) সম্পর্কে পদ্ম-পার্টি (BJP) সতর্ক করে দিয়েছে দেশবাসীকে। ট্যুইট-বার্তায় বিজেপির মুখপাত্র জয়বীর সেরগিল বলেন, “কংগ্রেসকে ভোট দেওয়া = অর্থ হারানো + সম্পদ + যাবতীয় জিনিসপত্র! ভোটাররা সাবধান, এখানে আছে সম্পদ হরণকারীরা।” কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহও নিশানা করেছেন পিত্রোদার মন্তব্যকে। বলেন, “কংগ্রেসের উচিত ইস্তাহারে যে অর্থনৈতিক সার্ভে প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে, তা উইথড্র করা।” কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “শ্যাম পিত্রোদার মন্তব্যে কংগ্রেসের স্বরূপ প্রকাশ্যে চলে এসেছে। যখন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বিষয়টি তুলেছিলেন, তখন রাহুল গান্ধী এবং প্রিয়াঙ্কা গান্ধী ব্যাকফুটে চলে গিয়েছিলেন। আমি আশা করি, ইস্তাহার থেকে কংগ্রেস এটা তুলে নেবে।” বিজেপির তরফে ট্যুইট-বার্তায় শেহজাদ পুন্নাওয়ালা বলেন, “ঘটনাচক্রে, গান্ধীরা বিপুল পরিমাণ সম্পদ করেছেন তাঁদের ছেলেমেয়ে এবং নাতি-নাতনিদের জন্য। কিন্তু তাঁরাই আপনার কষ্টার্জিত সম্পদ কেড়ে নিতে চাইছে (BJP)।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Lok Sabha elections: সকাল সকাল ভোট দিলেই ফ্রিতে আইসক্রিম-জিলিপি, নয়া ভাবনা ইন্দোরে

    Lok Sabha elections: সকাল সকাল ভোট দিলেই ফ্রিতে আইসক্রিম-জিলিপি, নয়া ভাবনা ইন্দোরে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভোট চলাকালীন ভোটারদের বিশেষ ‘পুরস্কার’ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিল মধ্যপ্রদেশের ইন্দোর জেলা প্রশাসন। সকাল সকাল ভোট (Lok Sabha elections) দিলেই ভোটারদের জিলিপি, পোহা, আইসক্রিম দেওয়ার সিদ্ধান্ত ইন্দোরে (Indore)। মঙ্গলবার জেলা শাসক আশিস সিং–এর সভাপতিত্বে দোকান মালিকদের বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। দোকানের মালিকদের মতে, বিনামূল্যে খাদ্য সামগ্রী দেওয়ার এই পদক্ষেপের উদ্দেশ্য হল, ভোটাররা নিজেদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে উৎসাহী করা।

    মধ্যপ্রদেশে দ্বিতীয় দফা ভোটে এই চমক

    উল্লেখ্য আগামী ১৩ মে দ্বিতীয় দফায় মধ্যপ্রদেশের ইন্দোরে রয়েছে ভোট। তালিকায় রয়েছে ২৫.১৩ লক্ষ ভোটারের নাম। আর এই ভোটে যাতে সকল ভোটাররা নিজেদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে আগ্রহী হন, তার জন্য এমন অভিনব চিন্তা ভাবনা করেছে মধ্যপ্রদেশের (Madhya Pradesh) জেলা প্রশাসন। আসলে অনেকেরই এটা প্রথম ভোট, আবার কেউ কেউ আছেন বার্ধক্যের জন্য ভোট দিতে আসেন না। তাই সেই সমস্ত সাধারণ ভোটারদের কথা মাথায় রেখেই এবার এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন জেলা শাসক।

    জেলা শাসকের বক্তব্য

    এ প্রসঙ্গে জেলা শাসক আশিস সিং বলেন, “আমরা ভোটের দিক থেকে ইন্দোর লোকসভা কেন্দ্রকে দেশের এক নম্বর করতে চাই এবং এর জন্য বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানের সাহায্য নেওয়া হয়েছে।” শহরের বিখ্যাত ফুড হাব ‘৫৬ দুকান’-এর ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি গুঞ্জন শর্মা জানিয়েছেন যে ভোটের দিন সকাল ৭ টা থেকে ৯ টার মধ্যে যাঁরা ভোট দেবেন তাঁদের শহরের সবচেয়ে বিখ্যাত জায়গায় বিনামূল্যে পোহা এবং জিলিপি পরিবেশন করা হবে। সঙ্গে থাকবে ফ্রিতে আইসক্রিমও। তবে বিনামূল্যে খাবার পেতে অবশ্যই ভোট দান করে আঙুলের কালির দাগ প্রমাণ হিসেবে দেখাতে হবে। আর তবেই মিলবে ঠান্ডা ঠান্ডা আইসক্রিম ও গরম জিলিপি। তাছাড়া সকাল ৭টা থেকে ৯টার মধ্যে যে কোনও ভোটার ভোট দিলেই তাঁদের বিনামূল্যে দেওয়া হবে চাউমিন এবং মাঞ্চুরিয়ান।

    আরও পড়ুনঃ নিয়োগ দুর্নীতিতে ফের ওএমআর-এর মূল্যায়ন না পরীক্ষা, এসএসসি নিয়ে কী বলছে হাইকোর্ট?

    দিল্লিতেও থাকছে বিশেষ ব্যবস্থা

    কিন্তু এটাই প্রথম নয়। ইন্দোরের (Indore) বিখ্যাত ফুড হাব ‘৫৬ দুকান’-এর মালিকেরা আগের নির্বাচনেও এমন নিয়ম রেখেছিলেন। সকাল সকাল প্রথম দিকে ভোট (Vote) দিতে এসেছিলেন এমন ভোটারদের পোহা এবং জিলিপি সহ বিনামূল্যে স্ন্যাকস দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। ইন্দোরের পাশাপাশি ভোটারদের অনুপ্রাণিত করতে বিশেষ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে দিল্লিতেও। জানা গিয়েছে, দিল্লি (Delhi) মিউনিসিপ্যাল ​​কর্পোরেশন ভোটের দিনে বিভিন্ন রেস্তোরাঁ এবং বাজারে বিভিন্ন জিনিসের ওপর ১০ শতাংশ ছাড় দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। মনে করা হচ্ছে এই সিদ্ধান্তে হয়তো কিছুটা হলেও ভোটাররা অনুপ্রাণিত হয়ে ভোটাধিকারে অংশ গ্রহণ করবেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Supreme Court: ২জি স্পেকট্রাম কেলেঙ্কারিতে ‘সুপ্রিম’ রায়ে পরিবর্তন চেয়ে শীর্ষ আদালতে কেন্দ্র

    Supreme Court: ২জি স্পেকট্রাম কেলেঙ্কারিতে ‘সুপ্রিম’ রায়ে পরিবর্তন চেয়ে শীর্ষ আদালতে কেন্দ্র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক:  এক যুগ আগে দেওয়া হয়েছিল রায়। সুপ্রিম কোর্টের সেই রায়ে কিছু পরিবর্তন চেয়ে সোমবার শীর্ষ আদালতের (Supreme Court) দ্বারস্থ হয়েছে নরেন্দ্র মোদির সরকার। কেন্দ্রের এই পদক্ষেপের পর সুপ্রিম কোর্টে মামলার পক্ষ হওয়ার জন্য আবেদন জানিয়েছেন বিজেপি নেতা সুব্রহ্মণ্যম স্বামীও। ১২ বছর আগে এই স্বামীই ২জি স্পেকট্রাম বণ্টনের পদ্ধতির বিরুদ্ধে মামলা করেছিলেন।

    কেলেঙ্কারির গোড়ার কথা (Supreme Court:) 

    ২০১২ সালে কেন্দ্রে ক্ষমতায় ছিল ইউপিএ সরকার। টেলিকম মন্ত্রী ছিলেন ডি রাজা। সেই সময় এক রায়ে টেলিকম সংস্থাগুলিকে বণ্টন করা সমস্ত ২জি স্পেকট্রাম খারিজ করে দিয়েছিল সুপ্রিম কোর্ট (Supreme Court)। শীর্ষ আদালত জানিয়েছিল, স্পেকট্রামের মতো জাতীয় সম্পদ বণ্টনের ক্ষেত্রে সরকার নির্ধারিত দামের নীতি নেওয়া চলবে না। বেতারতরঙ্গ নিলাম করতে হবে বাধ্যতামূলকভাবে। শীর্ষ আদালতের এই রায়েই কিছু পরিবর্তন চেয়ে আর্জি জানিয়েছে কেন্দ্র।

    কেন পরিবর্তন চাইছে কেন্দ্র?

    কেন রায়ে কিছু পরিবর্তন চাইছে মোদি সরকার? শীর্ষ আদালতে কেন্দ্র জানিয়েছে, ‘সুপ্রিম রায়ে কিছু পরিবর্তন প্রয়োজন কারণ স্পেকট্রামের অ্যাসাইনমেন্ট কেবল বাণিজ্যিক টেলিকমিউনিকেশন সার্ভিসের জন্য প্রয়োজন তা নয়, বাণিজ্যিক নয় এমন ক্ষেত্রেও প্রয়োজন। নিরাপত্তা, সুরক্ষার মতো জনস্বার্থও জড়িয়ে রয়েছে এর সঙ্গে।’ কেন্দ্রের তরফে জানানো হয়েছে, রায়ে কিছু পরিবর্তন চেয়ে যে আবেদন করা হয়েছে, তার সঙ্গে জাতীয় সুরক্ষা, নিরাপত্তার মতো বিষয়গুলি জড়িত রয়েছে। কেন্দ্রের তরফে বলা হয়েছে, মহামান্য আদালতের কাছে এজন্য (এই রায়) অনুরোধ, এই পরিস্থিতিতে রায়ে কিছু পরিবর্তন প্রয়োজন। সরকার এবং জনস্বার্থেই এটা করা প্রয়োজন। প্রযুক্তি কিংবা অর্থনৈতিক কারণে নিলামকে অগ্রাধিকার দেওয়ার প্রয়োজন নেই।

    আরও পড়ুুন: আগামী বছরেই বিশ্বের চতুর্থ বৃহত্তম অর্থনীতিতে পরিণত হবে ভারত, বলছে আইএমএফ

    প্রসঙ্গত, ২০০৮ সালের জানুয়ারি মাসে ২জি-র লাইসেন্স বিলি শুরু হয়। পরের বছরই ২জি স্পেকট্রাম বণ্টনে দুর্নীতি হয়েছে বলে অভিযোগ দায়ের করে একটি স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা। তদন্ত শুরু করে সিবিআই। ২০১০ সালে ক্যাগের রিপোর্ট সামনে আসার পর লাইসেন্স বিলিতে যে গোলমাল হয়েছে, তা পরিষ্কার হয়ে যায়। ২০১১ সালে রাজাকে গ্রেফতার করে সিবিআই। রাজার জমানায় দেওয়া ১২২টি ২জি স্পেকট্রাম লাইসেন্স বাতিল করে সুপ্রিম কোর্ট (Supreme Court)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Iran Pakistan: ফের মুখ পুড়ল পাকিস্তানের, কাশ্মীর ইস্যুতে স্পিকটি নট ইরানের প্রেসিডেন্ট

    Iran Pakistan: ফের মুখ পুড়ল পাকিস্তানের, কাশ্মীর ইস্যুতে স্পিকটি নট ইরানের প্রেসিডেন্ট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভেবেছিলেন ইসলামি দেশের প্রেসিডেন্ট হওয়ায় পাশে পাবেন ইব্রাহিম রাইসিকে। তবে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফের সেই চেষ্টায় কার্যত জল ঢেলে দিলেন ইরানের প্রেসিডেন্ট ইব্রাহিম রাইসি। পাক প্রধানমন্ত্রীকে প্রকারান্তরে বুঝিয়ে দিলেন, কাশ্মীর ইস্যুতে মুখ খুলে নষ্ট করবেন না ভারতের সঙ্গে ইরানের সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক (Iran Pakistan)।

    ব্যর্থ পাকিস্তান (Iran Pakistan)

    বেকারত্ব, দারিদ্র-সহ নানা সমস্যায় জর্জরিত পাকিস্তানের কর্তাদের মূল লক্ষ্যই হল, জনগণের দৃষ্টি ঘোরাতে খেলতে হবে কাশ্মীর তাস। নওয়াজ শরিফ, ইমরান খান এবং শেহবাজ শরিফ-সহ পাকিস্তানের একাধিক প্রধানমন্ত্রী গদি ধরে রাখতে বারংবার খেলে গিয়েছেন এই কাশ্মীর তাস। বিশ্বের দরবারেও নানা সময় তাঁরা ইস্যু করতে চেয়েছেন কাশ্মীরকে। কখনও মুখ পুড়ছে, কখনও আবার মুখ থুবড়ে পড়েছে পাক প্রশাসনের কর্তাদের সেই প্রচেষ্টা। সোমবারও ফের একবার অবতারণা হল সেই দৃশ্যের (Iran Pakistan)। তিনদিনের পাকিস্তান সফরে এসেছেন ইরানের প্রেসিডেন্ট ইব্রাহিম।

    নীরব ইরানের প্রেসিডেন্ট

    সোমবার যৌথ সাংবাদিক সম্মলনে পাক প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ প্যালেস্তাইনের গাজা ভূখণ্ডের সঙ্গে ভারতের কাশ্মীরের যোগসূত্রে টেনে আনেন। পরক্ষণেই ইরানের প্রেসিডেন্টকে তিনি বলেন, “আমার মনে হয় আপনি এবং ইরানের নাগরিকরা কাশ্মীর ইস্যুতে সোচ্চার হবেন।” কিন্তু দেখা গেল, এ বিষয়ে টুঁ শব্দটি পর্যন্ত করলেন না ইরানের প্রেসিডেন্ট। কাশ্মীর ইস্যুতে নীরব থেকে তিনি বুঝিয়ে দিলেন, ধর্ম নিরপেক্ষ রাষ্ট্র ভারতের সঙ্গে ইসলামি দেশ ইরানের যে সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক তৈরি হয়েছে, তা তিনি কোনওভাবেই নষ্ট হতে দেবেন না। আন্তর্জাতিক মহলের মতে, বাণিজ্য ও কূটনৈতিক সম্পর্কের পাশাপাশি সম্প্রতি প্যালেস্তাইন ইস্যুতে ভারত ও ইরানের যে বার্তালাপ হয়েছে, সেই প্রেক্ষিতেই কাশ্মীর ইস্যুতে নীরব থাকাই শ্রেয় বলে মনে করলেন ইব্রাহিম।

    আরও পড়ুুন: “টাকা ফেরত না দিয়ে “চাকরি চোর” মুখ্যমন্ত্রীর বাড়ি ঘেরাও করুন”, বার্তা দিলেন শুভেন্দু

    গত বছর ভারতীয় দূতাবাসের তরফে ইরানকে মনে করিয়ে দেওয়া হয়েছিল, ভারত ও ইরানের সম্পর্ক ঐতিহাসিক। ইরানের রাজধানী তেহরানে ভারতীয় দূতাবাসের তরফে জারি করা বিবৃতিতে বলা হয়েছিল, ভারত ও ইরানের মধ্যে রয়েছে সহস্রাব্দের দীর্ঘ ইতিহাস। এই সম্পর্ক যে শক্ত ভিতের ওপর দাঁড়িয়ে রয়েছে, তার কারণ ঐতিহাসিক ও সভ্যতার দৃঢ় বন্ধন। তাই ইরানের সঙ্গে ভারতের বাণিজ্যিক সহযোগিতা, সাংস্কৃতিক ও পিপল টু পিপল বন্ধন অটুট থাকবে। দুই দেশের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক ও উচ্চস্তরের আলাপ-আলোচনা চলবে বলেও জানানো হয়েছিল সেই বিবৃতিতে (Iran Pakistan)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Patanjali: বিজ্ঞাপন যত বড় ছিল, ততটাই বড় ছাপতে হবে ক্ষমাপ্রার্থনা, পতঞ্জলিকে নির্দেশ সুপ্রিম কোর্টের

    Patanjali: বিজ্ঞাপন যত বড় ছিল, ততটাই বড় ছাপতে হবে ক্ষমাপ্রার্থনা, পতঞ্জলিকে নির্দেশ সুপ্রিম কোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিভ্রান্তিকর বিজ্ঞাপন মামলায় ধমক খেলেন রামদেব। পতঞ্জলি (Patanjali) আয়ুর্বেদ সংস্থাকে আদালত জানিয়েছে যত বড় আকারে বিজ্ঞাপন ছাপা হয়েছিল, ক্ষমাপ্রার্থনার নোটিশও ঠিক ছাপতে হবে তত বড় আকারেই। বাবা রাম দেব যোগ গুরু হওয়ায় তাঁর জন প্রিয়তা অনেক বেশি। তাঁকে অনেক ভারতীয় বিশেষ ভাবে অনুসরণ করেন। কিন্তু পতঞ্জলির ঔষধ নিয়ে সুপ্রিম কোর্টে মামলা দায়ের হওয়ায় বেশ অস্বস্তির মধ্যে রয়েছেন তিনি। এখন ইতিমধ্যে হলফ নামা দিয়ে নিজের আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ পেয়েছেন। তবে এবার তাঁর বিজ্ঞাপন মামলায় কোর্ট কড়া নির্দেশ দিয়েছে। 

    সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ (Patanjali)

    দেশের সর্বোচ্চ আদালত সুপ্রিম কোর্ট (Supreme Court) জানিয়েছে, “উপভোক্তা বিষয়ক মন্ত্রক, তথ্য সম্প্রচার মন্ত্রক এবং রাজ্যের ছাড়পত্র প্রদানকারী দপ্তরকে এই মামলায় প্রয়োজন হলে প্রশ্ন করতে পারে।” এমনকী ইন্ডিয়ান মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশনও (IMA) মামলায় কিছুটা হলেও কোণঠাসা হয়েছে। সুপ্রিম কোর্ট ইন্ডিয়ান মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশনের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্নে তুলেছে। সর্বোচ্চ আদালতের প্রশ্ন, “আইএমএ-র ডাক্তাররাও রামদেবের সেই সমস্ত বিভ্রান্তিকর ওষুধগুলি (Patanjali) প্রচার করেছেন। এটা কেন হল? তাঁরা কি তাঁদের দায় এড়িয়ে যেতে পারেন?”

    আরও পড়ুনঃ জারি হতে পারে অবমাননা রুল, নিয়োগ-মামলায় মুখ্যসচিবকে ‘শেষ সুযোগ’ হাইকোর্টের

    ক্ষমাপ্রার্থনা করেছিলেন রামদেব

    প্রসঙ্গত পতঞ্জলি (Patanjali) আয়ুর্বেদের সংস্থাপক বালকৃষ্ণ এবং রামদেবকে জনসাধারণের জন্য ক্ষমাপ্রার্থনা করে এফিডেফিট দৈনিক পত্রিকায় প্রকাশ করার নির্দেশ দিয়েছে। আরও জানা গেছে এই মামলার পরবর্তী শুনানি ৩০শে এপ্রিল এবং সেদিন দু’জনকেই আদালতে আসার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। প্রসঙ্গত করোনা পর্বে বেশ কয়েকটি ওষুধকে করোনা প্রতিষেধক এবং করোনার সঙ্গে মোকাবিলায় সহযোগী বলে পতঞ্জলি সংস্থার তরফে প্রচার করা হয়েছিল। সেই সময় এই ওষুধগুলি নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক হয়। কীভাবে করোনার প্রতিষেধক আবিষ্কারের আগেই রামদেব পতঞ্জলি সংস্থার তরফে একটি ওষুধকে প্রতিষেধক ভাবে বলে দাবি করে বসলেন, তা নিয়ে সেই সময় বিস্তার সমালোচনা হয়েছিল। এরপরই এই মামলা দেশের সর্বোচ্চ আদালতে গড়ায়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share