Tag: news in bengali

news in bengali

  • Bharat innovates 2026: ‘ভারত ইনোভেটস ২০২৬’-এর উদ্বোধন মোদি-ম্যাক্রঁর, ফ্রান্স সফরে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে যোগ ভারতের প্রধানমন্ত্রীর

    Bharat innovates 2026: ‘ভারত ইনোভেটস ২০২৬’-এর উদ্বোধন মোদি-ম্যাক্রঁর, ফ্রান্স সফরে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে যোগ ভারতের প্রধানমন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আজ, রবিবার ‘ভারত ইনোভেটস ২০২৬’-এর (Bharat innovates 2026) উদ্বোধন করছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রঁ। ফ্রান্সের নিস শহরে আয়োজন করা হয়েছে এই অনুষ্ঠানের। ভারতের শিক্ষা মন্ত্রকের উদ্যোগে আয়োজিত (Universities Investors) এই আন্তর্জাতিক উদ্ভাবনী সম্মেলন ভারতের ডিপ-টেক স্টার্টআপ ও উদ্ভাবনকে বৈশ্বিক বিনিয়োগকারীদের সামনে তুলে ধরার একটি গুরুত্বপূর্ণ মঞ্চ হিসেবেই বিবেচিত হচ্ছে।

    প্রধানমন্ত্রীর সফরের মূল লক্ষ্য (Bharat innovates 2026)

    শনিবারই নিসে পৌঁছন প্রধানমন্ত্রী। তাঁর এই ফ্রান্স সফরে নিস, এভিয়াঁ এবং প্যারিসে একাধিক কর্মসূচিতে অংশ নেওয়ার কথা। সফরের মূল লক্ষ্য ভারত-ফ্রান্স দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে আরও শক্তিশালী করা এবং বহুপাক্ষিক সহযোগিতার নয়া দিগন্ত উন্মোচন করা। চলতি সফরে প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রঁর সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর দ্বিপাক্ষিক বৈঠকও হবে। ফেব্রুয়ারি মাসে হওয়া বৈঠকের পর থেকে এই দুই দেশের সহযোগিতার অগ্রগতি পর্যালোচনা করার পাশাপাশি ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা নিয়েও আলোচনা করবেন দুই নেতা। আন্তর্জাতিক বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়েও হবে মতবিনিময়।

    ‘ভারত ইনোভেটস ২০২৬’

    ‘ভারত ইনোভেটস ২০২৬’-এ অংশ নিচ্ছেন প্রায় ১২০ জন ভারতীয় উদ্ভাবক, প্রায় ১৫টি উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠান (HEI), ৫০০-রও বেশি বিনিয়োগকারী, শীর্ষ কর্পোরেট সংস্থা, ভেঞ্চার ক্যাপিটাল ফার্ম, বিশ্বখ্যাত সিইও এবং শিল্পক্ষেত্রের নেতারা। এই সম্মেলনে (Bharat innovates 2026) অ্যাডভান্সড কম্পিউটিং, সেমিকন্ডাক্টর, মহাকাশ প্রযুক্তি, বায়োটেকনোলজি, শক্তি, স্বাস্থ্যসেবা এবং উৎপাদন শিল্প-সহ মোট ১৩টি গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রে ভারতের উদ্ভাবনী সক্ষমতা ও ডিপ-টেক ইকোসিস্টেম তুলে ধরা হবে। ফ্রান্স সফরে রওনা হওয়ার আগে প্রধানমন্ত্রী জানিয়েছিলেন, প্রেসিডেন্ট ম্যাক্রোঁর সঙ্গে ‘ভারত ইনোভেটস ২০২৬’-এর উদ্বোধনের অপেক্ষায় রয়েছেন তিনি। তাঁর কথায়, “ভারত-ফ্রান্স ইনোভেশন বর্ষ ২০২৬-এর প্রেক্ষাপটে এই অনুষ্ঠান ভারতের উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে উঠে আসা উদ্ভাবনকে বৈশ্বিক বিনিয়োগের সঙ্গে যুক্ত করার ক্ষেত্রে বড় ভূমিকা নেবে।”

    উদ্ভাবনী ইকোসিস্টেম

    এই প্রথম আয়োজিত ‘ভারত ইনোভেটস ২০২৬’ ভারতীয় স্টার্টআপ ও ডিপ-টেক উদ্ভাবকদের আন্তর্জাতিক বিনিয়োগকারী ও শিল্পমহলের সঙ্গে যুক্ত করবে। সম্মেলনে গবেষণা ও উন্নয়ন, প্রযুক্তি সহযোগিতা, স্টার্টআপ সম্প্রসারণ, সীমান্ত-পার বিনিয়োগ এবং উদীয়মান প্রযুক্তির যৌথ উন্নয়ন নিয়ে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণা হচ্ছে বলেই আশা ওয়াকিবহাল মহলের। অনুষ্ঠানের মাধ্যমে ভারত ও ফ্রান্সের উদ্ভাবনী ইকোসিস্টেমের মধ্যে নতুন প্রাতিষ্ঠানিক অংশীদারিত্ব, প্রযুক্তি বিনিময়, যৌথ গবেষণা এবং উৎপাদন সহযোগিতার নতুন সুযোগ তৈরি হবে বলেও জানানো হয়েছে। এর পাশাপাশি সুগম হবে ভারতীয় উদ্ভাবনকে (Bharat innovates 2026) আন্তর্জাতিক বাজারে পৌঁছে দেওয়া, প্রযুক্তি স্থানান্তর এবং বৈশ্বিক সম্প্রসারণের পথও।

    মোদির সফর

    উল্লেখ্য, ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে মুম্বইয়ে মোদি-ম্যাক্রঁ যৌথভাবে ‘ভারত-ফ্রান্স ইনোভেশন বর্ষ ২০২৬’-এর সূচনা করেছিলেন। নিসে পৌঁছনোর পর (Universities Investors) ভারতের প্রধানমন্ত্রীকে ঐতিহ্যবাহী ভারতীয় নৃত্যের বিশেষ পরিবেশনার মাধ্যমে স্বাগত জানানো হয়। ‘Echoes of Tradition, Spirits of Innovation’ শীর্ষক সেই অনুষ্ঠানে কথক, ওডিশি ও ভরতনাট্যম পরিবেশন প্রমাণ করে যে, ভারতের সমৃদ্ধ সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য ও আধুনিক উদ্ভাবনী চেতনা একসূত্রে গাঁথা। ফ্রান্স সফর শেষে প্রধানমন্ত্রী দু’দিনের রাষ্ট্রীয় সফরে যাবেন স্লোভাক প্রজাতন্ত্রে। সেখান (Bharat innovates 2026) থেকে এভিয়াঁয় পৌঁছে ১৬ ও ১৭ জুন অনুষ্ঠিত জি৭ সম্মেলনে অংশ নেবেন তিনি।

     

  • Trinamool Crisis: অমিত সকাশে তৃণমূলের সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়, বুয়া-সঙ্গ ছাড়লেন মানস ভুঁইয়া, কোন দিকে গড়াচ্ছে বঙ্গ রাজনীতির জল?

    Trinamool Crisis: অমিত সকাশে তৃণমূলের সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়, বুয়া-সঙ্গ ছাড়লেন মানস ভুঁইয়া, কোন দিকে গড়াচ্ছে বঙ্গ রাজনীতির জল?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নয়াদিল্লিতে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের (Amit Shah) সঙ্গে বৈঠক করলেন তৃণমূল কংগ্রেসের (Trinamool Crisis) বর্ষীয়ান সাংসদ সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়। বাংলার শাসক এবং শাসিত দুই দলের এই দুই প্রতিনিধির এই বৈঠক ঘিরে তোলপাড় রাজ্য রাজনীতি। শনিবার এই বৈঠকের আগে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ভূপেন্দ্র যাদবের সঙ্গেও সাক্ষাৎ করেন সুদীপ। সেই বৈঠকে তাঁর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন বিদ্রোহী তৃণমূল সাংসদ শতাব্দী রায়।

    তৃণমূলে ফের ‘রামধাক্কা’ (Trinamool Crisis)

    সুদীপের এই বৈঠকের কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই তৃণমূলে লাগে আরও এক ‘রামধাক্কা’। তৃণমূলের প্রবীণ নেতা তথা প্রাক্তন মন্ত্রী মানস ভুঁইয়া দল ছাড়েন। বছর চুয়াত্তরের মানস জানান, বর্তমানে দলে যে সঙ্কট চলছে, তাতে তিনি অসন্তুষ্ট। তাই দল ছেড়েছেন তিনি। তবে ভবিষ্যতে কোন রাজনৈতিক পথে বাঁক নেবেন তিনি, তা স্পষ্ট করেননি পোড়খাওয়া এই রাজনীতিক। এদিকে, সোমবার লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লার সঙ্গে বৈঠকে বসতে চলেছেন তৃণমূলের ২০ জন বিদ্রোহী সাংসদ। সেখানে তাঁরা পৃথক সংসদীয় গোষ্ঠীর স্বীকৃতি এবং আলাদা আসন বিন্যাসের দাবি জানাবেন বলে খবর।

    বিদ্রোহ চারিদিকে

    বিদ্রোহী শিবিরের সাংসদ জগদীশ চন্দ্র বর্মা বসুনিয়ার দাবি, তৃণমূলের ২৮ জন লোকসভা সাংসদের মধ্যে ইতিমধ্যেই ১৯ জন তাঁদের পাশে রয়েছেন। সুদীপ তাঁদের সঙ্গে যোগ দিলে সংখ্যাটা বেড়ে হবে ২০। বিদ্রোহী শিবিরের নেত্রী কাকলি ঘোষ দস্তিদার জানিয়েছেন, পৃথক গোষ্ঠী হিসেবে স্বীকৃতি পেলে তাঁরা সংসদে বিজেপি নেতৃত্বাধীন এনডিএ সরকারকে সমর্থন করবেন। এহেন পরিস্থিতিতে তৃণমূল নেতা কুণাল ঘোষ সুদীপের তীব্র সমালোচনা করেছেন। তাঁর অভিযোগ, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সুদীপকে সম্মান ও গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব দিলেও, তিনি সেই বিশ্বাসের মর্যাদা রাখেননি। কুণালের দাবি, ক্ষমতা ও পদলাভের লোভ থেকেই সুদীপ দলীয় নেতাদের দূরে সরিয়ে দিয়েছেন। তাই বহু গুরুত্বপূর্ণ নেতা দল ছাড়তে বাধ্য হয়েছেন।

    কুণালের নিশানায়

    তিনি আরও (Trinamool Crisis) দাবি করেন, সম্প্রতি মমতার বাসভবনে সিআইডি অভিযানের সময় সুদীপ তাঁকে ফোন করে তাঁর অবস্থান জানতে চেয়েছিলেন এবং জানিয়েছিলেন যে তাঁর স্ত্রী নয়না সেখানে আসবেন। কিন্তু শেষ পর্যন্ত সুদীপ আসেননি। কুণাল বলেন, “দিদির বাড়িতে না গিয়ে সুদীপদা এখন বিজেপির দরজায় পৌঁছে গিয়েছেন (Amit Shah)।” সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়কে “বিশ্বাসঘাতক” বলেও আক্রমণ করেন কুণাল। তাঁর অভিযোগ, তিনি শুধু দলের নেতৃত্বকেই নয়, ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে যাঁরা তাঁর হয়ে কাজ করেছেন এবং তাঁকে ভোট দিয়েছেন, তাঁদের সঙ্গেও বিশ্বাসঘাতকতা করেছেন। তৃণমূলের বর্ষীয়ান সাংসদ সৌগত রায় জানান, কয়েকদিন আগেও সুদীপ দল ছাড়ছেন না বলে আশ্বস্ত করেছিলেন তাঁকে। পরে ভূপেন্দ্র যাদবের সঙ্গে সুদীপকে বৈঠক করতে দেখে তিনি অত্যন্ত মর্মাহত বলে জানান সৌগত।

    ডামাডোলের বাজারে সংগঠন সাজাচ্ছেন মমতা!  

    এদিকে, দলের এই ডামাডোলের বাজারের মধ্যেই সাংগঠনিক স্তরে একাধিক পরিবর্তনের কথা ঘোষণা করেছে তৃণমূল। সায়নী ঘোষের পরিবর্তে অর্ণব বন্দ্যোপাধ্যায়কে যুব সভাপতির দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে (Trinamool Crisis)। মহিলা সংগঠনের নতুন সভানেত্রী হয়েছেন আলিফা আহমেদ। উত্তর কলকাতা সাংগঠনিক জেলার সভাপতি পদ থেকে সুদীপকে সরিয়ে সেখানকার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে কুণালকে। সংখ্যালঘু সেলের সভাপতি হয়েছেন মুসারফ হোসেন। এরই মধ্যে রাজ্য বিধানসভায়ও সামনে চলে এল তৃণমূলে বড় ভাঙনের ছবি। দলের ৮০ জন বিধায়কের মধ্যে ৬৪ জন আলাদা গোষ্ঠী গঠন করে স্পিকারের স্বীকৃতি পেয়েছেন। সেই গোষ্ঠীর নেতা হিসেবে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়কে বিরোধী দলনেতা ঘোষণা করা হয়েছে। যদিও এই স্বীকৃতিকে চ্যালেঞ্জ করে কলকাতা হাইকোর্টে মামলা দায়ের করেছে মমতার নেতৃত্বাধীন তৃণমূল শিবির (Trinamool Crisis)।

    কোথাকার জল কতদূর গড়ায়, এখন সেটাই দেখার (Amit Shah)।

     

  • Women’s T20 World Cup 2026: মেয়েদের টি২০ বিশ্বকাপে রবিবার মুখোমুখি ভারত-পাকিস্তান

    Women’s T20 World Cup 2026: মেয়েদের টি২০ বিশ্বকাপে রবিবার মুখোমুখি ভারত-পাকিস্তান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মেয়েদের টি২০ বিশ্বকাপে রবিবার মুখোমুখি ভারত-পাকিস্তান। ক্রিকেটের মহাযুদ্ধের মঞ্চে মুখোমুখি হতে চলেছে দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী দেশ। মহিলা টি২০ বিশ্বকাপ ২০২৬ (Women’s T20 World Cup 2026)-এর গ্রুপ-১-এর এক রোমাঞ্চকর ম্যাচে রবিবার বার্মিংহামের ঐতিহ্যবাহী এজবাস্টন স্টেডিয়ামে পাকিস্তানের (India-Pakistan) বিরুদ্ধে মাঠে নামছে ভারতীয় মহিলা ক্রিকেট দল। ‘উইমেন ইন ব্লু’-দের এই হাই-ভোল্টেজ অভিযানকে ঘিরে বিশ্বজুড়ে ক্রিকেটপ্রেমীদের মধ্যে তুমুল উত্তেজনার সৃষ্টি হয়েছে। ভারতীয় সময় অনুযায়ী, আজ, শনিবার সন্ধে ৭টা ৩০টায় শুরু হবে এই হাইভোল্টেজ ম্যাচ।

    বিশ্বজয়ের লক্ষ্য হরমনপ্রীতদের (Women’s T20 World Cup 2026)

    গত বছর ওয়ান-ডে বিশ্বকাপ জিতে দীর্ঘদিনের আইসিসি ট্রফির খরা কাটিয়েছে ভারত (India-Pakistan)। এবার সেই আত্মবিশ্বাসকে সঙ্গী করেই ২০ ওভারের বিশ্বমঞ্চে ট্রফি (Women’s T20 World Cup 2026) জয়ের অধরা স্বপ্ন পূরণ করতে নামছেন হরমনপ্রীত কৌর এবং স্মৃতি মন্ধনারা। এর আগে ভারতীয় দল পাঁচবার টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে উঠলেও এবং একবার ফাইনালে খেললেও ট্রফি ঘরে তুলতে পারেনি। এবার সেই অপ্রাপ্তি ঘোচাতে মরিয়া দল।

    পরিসংখ্যানের লড়াইয়ে ভারত এগিয়ে

    যদিও আইসিসি (Women’s T20 World Cup 2026) র‍্যাঙ্কিংয়ে ৩ নম্বরে থাকা ভারতের সাম্প্রতিক ফর্ম কিছুটা ওঠানামার মধ্য দিয়ে গিয়েছে, তবুও চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী পাকিস্তানের বিরুদ্ধে মনস্তাত্ত্বিক দিক থেকে অনেকটাই এগিয়ে থাকবে তারা। হেড-টু-হেড রেকর্ডের দিকে তাকালে দেখা যাবে, দুই দলের মধ্যে হওয়া ১৬টি টি-টোয়েন্টি ম্যাচের মধ্যে ভারত জিতেছে ১৩টিতে, আর পাকিস্তান জয় পেয়েছে মাত্র ৩টি ম্যাচে। তবে বিশ্বকাপে ভারতের ৬টি জয়ের বিপরীতে পাকিস্তানের (India-Pakistan) যে ৩টি জয় রয়েছে, তার মধ্যে ২টি-ই এসেছে এই বৈশ্বিক টুর্নামেন্টে। ফলে র‍্যাঙ্কিংয়ে ৮ নম্বরে থাকা পাকিস্তানকেও হালকাভাবে নিচ্ছে না ভারতী।

    সরাসরি সম্প্রচার

    ভারতের (India-Pakistan) ক্রিকেট অনুরাগীরা এই টানটান উত্তেজনার ম্যাচটি টেলিভিশনে স্টার স্পোর্টস (Star Sports) নেটওয়ার্কের বিভিন্ন চ্যানেলে এবং ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে ‘জিওহটস্টার’ (JioHotstar)-এর মাধ্যমে সরাসরি লাইভ স্ট্রিমিং দেখতে পাবেন। এই হাই-প্রোফাইল ম্যাচের (Women’s T20 World Cup 2026) মধ্যে দিয়ে ভারত বিশ্বকাপে সূচনা করতে পারে কি না, সেদিকেই তাকিয়ে ক্রীড়ামোদীরা।

  • India Russian Oil Imports: রুশ তেল কেনা নিয়ে ভারতের পাশে ফিনল্যান্ড, কী বললেন মন্ত্রী এলিনা ভালতোনেন?

    India Russian Oil Imports: রুশ তেল কেনা নিয়ে ভারতের পাশে ফিনল্যান্ড, কী বললেন মন্ত্রী এলিনা ভালতোনেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাশিয়া থেকে তেল আমদানির বিষয়ে ভারতের অবস্থানের পক্ষে অপ্রত্যাশিত সমর্থন জানাল (India Russian Oil Imports) ফিনল্যান্ড। সে দেশের বিদেশমন্ত্রী এলিনা ভালতোনেন সাফ জানিয়ে দেন (Finland), পশ্চিমী দেশগুলির নির্ধারিত তেলের মূল্যসীমা (Oil Price Cap) মেনেই ভারত রাশিয়ার কাছ থেকে অপরিশোধিত তেল কিনেছে এবং সেটাই ছিল ওই নীতির মূল উদ্দেশ্য।

    ভারতের পাশে ফিনল্যান্ড (India Russian Oil Imports)

    ফিনল্যান্ডের ‘কুলতারান্তা টকস’-এ আয়োজিত এক আলোচনায় ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর, ফিনল্যান্ডের বিদেশমন্ত্রী এলিনা ভালতোনেন এবং সংযুক্ত আরব আমিরশাহির সহকারী বিদেশমন্ত্রী লানা নুসেইবেহ অংশ নেন। সেখানে ভালতোনেন জানান, কখনওই বিশ্বকে রুশ তেল কেনা থেকে বিরত রাখা পশ্চিমী দেশগুলির আরোপিত মূল্যসীমার লক্ষ্য ছিল না। তিনি বলেন, “আমি বলতে চাই, ভারত মূল্যসীমার আওতায় থেকেই তেল কিনেছে। আমরা যখন এই মূল্যসীমা চালু করি, তখন বিশ্বের অন্যান্য দেশকে রাশিয়ার তেল কেনা থেকে নিষিদ্ধ করিনি। উদ্দেশ্য ছিল, তেলের বৈশ্বিক সরবরাহ স্বাভাবিক রাখা এবং একই সঙ্গে রাশিয়ার অতিরিক্ত মুনাফা সীমিত করা।”

    জয়শঙ্করের সাফ কথা

    এদিকে, রাশিয়া থেকে তেল আমদানি নিয়ে সমালোচনার জবাবে ভারতের অবস্থান স্পষ্ট করে দেন বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর। তিনি জানান, ভারতের জ্বালানি আমদানির সিদ্ধান্ত রাজনৈতিক অবস্থানের ভিত্তিতে নয়, বরং মূল্য ও প্রাপ্যতার ওপর নির্ভর করে (India Russian Oil Imports)। জয়শঙ্কর বলেন, “আমি তেল কিনি দাম এবং প্রাপ্যতার ভিত্তিতে।” তিনি মনে করিয়ে দেন, ২০২২ সালে ইউক্রেন যুদ্ধ শুরুর পর রাশিয়ার ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপের ফলে বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে বড় পরিবর্তন এসেছিল। সেই সময় ইউরোপীয় দেশগুলি মধ্যপ্রাচ্যের বিপুল পরিমাণ তেল কিনতে শুরু করায় ভারতের জন্য বিকল্প উৎস খুঁজে নেওয়া প্রয়োজন হয়ে পড়ে এবং পরিস্থিতির কারণেই রাশিয়ার দিকে ঝুঁকতে হয়। ভারতের বিদেশমন্ত্রীর দাবি, সেই সময় বৈশ্বিক তেলের বাজার স্থিতিশীল রাখতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রও ভারতকে রাশিয়ার তেল কেনার পরামর্শ দিয়েছিল। তিনি বলেন, “এখানে কোনও বড় নীতিগত প্রশ্ন জড়িত আছে বলে ভান করার প্রয়োজন নেই।”

    কড়া জবাব ভারতের

    ইউরোপের সমালোচনারও কড়া জবাব দেন জয়শঙ্কর। তিনি (India Russian Oil Imports) বলেন, “ইউরোপের অনেক দেশ এমন অস্ত্র বিক্রি করেছে, যা বহু বছর ধরে ভারতের বিরুদ্ধে ব্যবহৃত হয়েছে। তার জেরে ভারত কখনওই ইউরোপের নিরাপত্তাকে বিপন্ন করেনি। বিষয়টি মনে রাখা উচিত।” তিনি এও জানান, বর্তমানে ভারতের সবচেয়ে বড় তেল সরবরাহকারী দেশ রাশিয়া হলেও, সবচেয়ে বড় গ্যাস সরবরাহকারী আমেরিকা (Finland)। চলতি বছরের ফেব্রুয়ারির শেষ পর্যন্ত এটা ছিল কাতার। তবে উপসাগরীয় অঞ্চলের সঙ্গে ভারতের সম্পর্ক শুধু জ্বালানির মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয় বলেও জানিয়ে দেন জয়শঙ্কর।

    বিশ্লেষকদের মতে, ফিনল্যান্ডের এই মন্তব্য ভারতের দীর্ঘদিনের অবস্থানকে আরও শক্তিশালী করেছে। কারণ, নয়াদিল্লি বরাবর দাবি করে আসছে, তারা পশ্চিমী দেশগুলির নির্ধারিত কাঠামোর মধ্যেই রাশিয়ার তেল কিনেছে (Finland) এবং আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজারের ভারসাম্য রক্ষায়ও সেই নীতি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে (India Russian Oil Imports)।

     

  • Bangladesh: বাংলাদেশে হিন্দুদের ওপর চাপ বাড়ছেই, এবার মৌলবাদী হুমকির মুখে থমকে গেল রামের মূর্তি নির্মাণ

    Bangladesh: বাংলাদেশে হিন্দুদের ওপর চাপ বাড়ছেই, এবার মৌলবাদী হুমকির মুখে থমকে গেল রামের মূর্তি নির্মাণ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশে সংখ্যালঘু হিন্দু সম্প্রদায়ের ওপর ক্রমাগত বাড়তে থাকা অসহিষ্ণুতা ও প্রাতিষ্ঠানিক নিপীড়নের আরও এক উদ্বেগজনক ছবি চলে এল সামনে। কট্টরপন্থী মৌলবাদী গোষ্ঠীগুলির তীব্র বিরোধিতা, উস্কানিমূলক বিক্ষোভ এবং হিংসাত্মক হুমকির মুখে একটি মন্দিরে শ্রীরামচন্দ্রের মূর্তি (Bhagwan Ram Murti) নির্মাণ কাজ বন্ধ করে দিতে বাধ্য হয়েছেন উদ্যোক্তারা। ঘটনাটি ওপার বাংলায় হিন্দুদের ধর্মীয় স্বাধীনতা ও অস্তিত্ব রক্ষার লড়াইকে কেন্দ্র করে আন্তর্জাতিক মহলে নতুন করে তীব্র উদ্বেগের জন্ম দিয়েছে।

    উল্লেখ্য, হাসিনা সরকারের পতনের পর থেকে বাংলাদেশে লাখ লাখ হিন্দুর জীবন অস্তিত্বের সঙ্কটে। লাগাতার মৌলবাদীদের আক্রমণের খাঁড়া নেমে এসেছে সে দেশের হিন্দুদের ওপরে। মন্দির, মঠ, সম্পত্তি, বাড়ি, দোকান সব কিছু ভেঙে গুঁড়িয়ে দিয়ে, আগুন লাগিয়ে হত্যা কিংবা ধর্ষণের মতো নানা ঘটনা ঘটানো হয়। এর জেরে ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্কের ব্যাপক অবনতি ঘটে। বিএনপি সরকারের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তারেক জিয়া চেয়ারে বসলেও, জামাতের মৌলবাদী কার্যকলাপ থেকে বাংলাদেশ এখনও মুক্ত হতে পারেনি।

    ঘটনার সূত্রপাত ও মৌলবাদী তৎপরতা (Bangladesh)

    স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, বাংলাদেশের (Bangladesh) একটি ঐতিহ্যবাহী হিন্দু মন্দিরের অভ্যন্তরে সম্প্রদায়ের মানুষের নিজস্ব উদ্যোগে এবং ধর্মীয় রীতি মেনে ভগবান রামের একটি মূর্তি স্থাপনের কাজ শুরু হয়েছিল। কিন্তু এই নির্মাণকাজের খবর প্রকাশ্যে আসতেই কোমর বেঁধে মাঠে নামে স্থানীয় বেশ কয়েকটি উগ্রপন্থী ও মৌলবাদী ইসলামি সংগঠন। মসজিদ ও সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে এই মূর্তি নির্মাণের বিরুদ্ধে তীব্র উস্কানিমূলক প্রচার শুরু হয়।

    পরিস্থিতি দ্রুত জটিল আকার ধারণ করে যখন মৌলবাদীরা দলবদ্ধ হয়ে মন্দির প্রাঙ্গনের (Bhagwan Ram Murti) বাইরে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করে। প্রত্যক্ষদর্শীদের অভিযোগ, বিক্ষোভকারীরা প্রকাশ্য দিবালোকে হুমকি দেয় যে, যদি অবিলম্বে রামমূর্তির নির্মাণের কাজ বন্ধ করা না হয়, তবে মন্দির ভেঙে গুঁড়িয়ে দেওয়া হবে। মন্দিরের পুরোহিত এবং মূর্তি গড়ার কারিগরদের প্রাণনাশের হুমকিও দেওয়া হয় বলে অভিযোগ।

    প্রশাসনের ভূমিকা ও হিন্দুদের আতঙ্ক

    ঘটনার জেরে এলাকায় ব্যাপক উত্তেজনা ছড়ায়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ ও স্থানীয় প্রশাসন হস্তক্ষেপ করে। যদিও উগ্রপন্থীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার বদলে, নিরাপত্তার অজুহাত দেখিয়ে প্রশাসন মন্দির কমিটিকে রামমূর্তি (Bhagwan Ram Murti) নির্মাণের কাজ সাময়িকভাবে বন্ধ রাখার নির্দেশ দেয়। প্রশাসনের (Bangladesh) এই একতরফা সিদ্ধান্তে স্থানীয় হিন্দু সম্প্রদায়ের মধ্যে গভীর হতাশা, ক্ষোভ এবং তীব্র আতঙ্কের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয় এক হিন্দু নেতা বলেন, “আমরা আমাদের নিজস্ব উপাসনালয়ে, নিজেদের অর্থ ও জমিতে আরাধ্য দেবতার মূর্তি স্থাপন করতে পারছি না। প্রশাসনের এই নির্দেশ আসলে মৌলবাদীদের অন্যায় দাবির কাছে মাথানত করার শামিল। এভাবে চলতে থাকলে এ দেশে আমাদের ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান পালন করাই অসম্ভব হয়ে পড়বে।”

    ধারাবাহিক হিন্দু-বিদ্বেষের প্রতিফলন

    আন্তর্জাতিক মানবাধিকার কর্মী এবং রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, বাংলাদেশে (Bangladesh) রামমূর্তি নির্মাণের কাজ বন্ধ হয়ে যাওয়া কোনও বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়। সাম্প্রতিক মাসগুলিতে ওপার বাংলায় হিন্দু বিরোধী হিংসা, মঠ-মন্দির (Bhagwan Ram Murti) ভাঙচুর, উৎসব পালনে জোরপূর্বক বাধা দেওয়া এবং প্রতিমা অপবিত্রকরণের ঘটনা আশঙ্কাজনকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। কট্টরপন্থীদের এই ক্রমবর্ধমান দাপট এবং তাদের প্রতি প্রশাসনের পরোক্ষ নমনীয়তা দেশটির ধর্মনিরপেক্ষ ভাবমূর্তিকে সম্পূর্ণ ধূলিসাৎ করে দিচ্ছে বলেই ধারণা বিশেষজ্ঞদের।

    আন্তর্জাতিক স্তরে নিন্দার ঝড়

    এই ঘটনার নিন্দা করে বিশ্ব হিন্দু পরিষদ-সহ একাধিক আন্তর্জাতিক সনাতনী সংগঠন বাংলাদেশ (Bangladesh) সরকারের কাছে তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছে। তাদের বক্তব্য, একটি স্বাধীন ও গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে সংখ্যালঘু নাগরিকরা যদি নিজেদের ধর্মীয় মৌলিক অধিকার থেকে বঞ্চিত হন, তবে তা আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সনদের চরম লঙ্ঘন। অবিলম্বে দোষীদের চিহ্নিত করে গ্রেফতার করার এবং পূর্ণ নিরাপত্তা-সহ মূর্তির (Bhagwan Ram Murti) কাজ ফের শুরু করার দাবিও জানানো হয়েছে।

    ভবিষ্যতের অন্ধকার মেঘ

    বর্তমানে ওই মন্দির চত্বর ও সংলগ্ন এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি। পুলিশি টহলদারি বাড়ানো হলেও, হিন্দুদের (Bhagwan Ram Murti) মন থেকে ভয় দূর হচ্ছে না। রামমূর্তির এই অসমাপ্ত কাঠামোটি এখন বাংলাদেশে (Bangladesh) হিন্দুদের বিপন্ন অস্তিত্ব এবং হারিয়ে যাওয়া ধর্মীয় স্বাধীনতার এক নীরব প্রতীক হয়ে দাঁড়িয়েছে। ওপার বাংলার বর্তমান সরকার এই ক্রমবর্ধমান মৌলবাদ দমন করে হিন্দুদের নিরাপত্তা দিতে পারবে কি না, আপাতত তা-ই তুলে দিয়েছে এক অতিকায় প্রশ্নচিহ্ন।

  • IAF Jet Crashes: অসমে দুর্ঘটনার কবলে ভারতীয় বায়ুসেনার বিমান, হত ৫ সেনাকর্মী

    IAF Jet Crashes: অসমে দুর্ঘটনার কবলে ভারতীয় বায়ুসেনার বিমান, হত ৫ সেনাকর্মী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রুটিন মহড়া চলাকালীন অবতরণের সময় দুর্ঘটনার কবলে ভারতীয় বায়ুসেনার এএন-৩২ পরিবহণ বিমান (IAF Jet Crashes)। শনিবার অসমের (Assam) জোরহাট এয়ার ফোর্স স্টেশনে ঘটা এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছেন বায়ুসেনার পাঁচ কর্মী। বরাত জোরে বেঁচে গিয়েছেন বিমানের কো-পাইলট। চিকিৎসা চলছে তাঁর। বায়ুসেনার পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, দুর্ঘটনার পরপরই বিমানটিতে আগুন ধরে যায়। সঙ্গে সঙ্গে ঘটনাস্থলে দমকল ও উদ্ধারকারী দল পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। শুরু হয় উদ্ধার অভিযান। দুর্ঘটনার পর বায়ুসেনার পদস্থ আধিকারিকরা ঘটনাস্থলে পৌঁছন।

    দুর্ঘটনায় হত ৫জনের পরিচয় (IAF Jet Crashes)

    দুর্ঘটনায় নিহতদের পরিচয় প্রকাশ করেছে বায়ুসেনা। নিহতরা হলেন স্কোয়াড্রন লিডার প্রশান্ত সিং, ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট শুভম কুমার, সার্জেন্ট জিতেন্দ্র শর্মা, অগ্নিবীরবায়ু খেমারাম কুমাওয়াত এবং অগ্নিবীরবায়ু দানিশ আলম। বায়ুসেনা নিহতদের পরিবারের প্রতি গভীর শোক প্রকাশ করেছে, দিয়েছে এই কঠিন সময়ে তাঁদের পাশে থাকার আশ্বাস। দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ জানতে ইতিমধ্যেই একটি কোর্ট অফ ইনকোয়ারি গঠন করা হয়েছে। তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত দুর্ঘটনার সঠিক কারণ সম্পর্কে কোনও মন্তব্য করা হয়নি।

    কী বললেন অসমের মুখ্যমন্ত্রী?

    এএন-৩২ বিমান মূলত সেনা ও সামরিক সরঞ্জাম পরিবহণের কাজে ব্যবহৃত হয়। প্রতিকূল আবহাওয়া, দুর্গম পার্বত্য এলাকা এবং দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ায়ও এই বিমান উদ্ধার অভিযান চালায় এবং রসদ পৌঁছে দেয়। বিমানটি প্রায় সাড়ে ৭ টন পর্যন্ত জিনিসপত্র বহন করতে পারে। ক্ষমতা রাখে একসঙ্গে প্রায় ৫০ জন সেনাকর্মী পরিবহণেরও। জোরহাট বায়ুসেনা ঘাঁটি উত্তর-পূর্ব ভারতের (IAF Jet Crashes) অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সামরিক বিমানঘাঁটি। অসম-সহ সমগ্র উত্তর-পূর্বাঞ্চলে সামরিক অভিযান, রসদ সরবরাহ এবং কৌশলগত কার্যক্রমে এই ঘাঁটির গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে (Assam)। অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মা বলেন, “জোরহাটে বায়ুসেনার একটি বিমান দুর্ঘটনার কবলে পড়েছে। বিস্তারিত তথ্যের জন্য অপেক্ষা করছি (IAF Jet Crashes)।”

     

  • Amul: পশ্চিমবঙ্গে আমূলের ৭০০ কোটি টাকার মেগা প্রকল্প! রবিবার কারখানার শিলান্যাস, আসতে পারেন শাহ

    Amul: পশ্চিমবঙ্গে আমূলের ৭০০ কোটি টাকার মেগা প্রকল্প! রবিবার কারখানার শিলান্যাস, আসতে পারেন শাহ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কাটতে চলেছে রাজ্যে শিল্পায়নের খরা! বঙ্গে ডাবল ইঞ্জিন সরকার তৈরি হতেই হইহই করে শুরু হয়ে গেল শিল্পায়নের কাজ। পশ্চিমবঙ্গে দুগ্ধ শিল্পের হতশ্রী দশা ঘোচাতে বিপুল পরিমাণ বিনিয়োগের কথা ঘোষণা করল দেশের শীর্ষস্থানীয় দুগ্ধ সমবায় সংস্থা ‘আমূল’ (Amul)। রাজ্যের শিল্প ও কৃষি অর্থনীতিতে বড়সড় গতি আনতে প্রায় ৭০০ কোটি টাকা (৭৪.৮ মিলিয়ন মার্কিন ডলার) ব্যয়ে (700-cr Dairy Plant) একটি অত্যাধুনিক ডেয়ারি প্ল্যান্ট তৈরি করতে চলেছে তারা। ১৪ জুন, রবিবার এই মেগা প্রকল্পের শিলান্যাস হবে। উপস্থিত থাকার কথা কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের। তিনিই এই প্রকল্পের সূচনা করবেন বলেই আশা উদ্যোক্তাদের। প্রথমে বাম জমানা এবং পরে তৃণমূলের গত ১৫ বছরের রাজত্বে একের পর এক কারখানা বন্ধ হয়ে যাওয়ায় রাজ্যে দেখা দেয় শিল্পের খরা। বঙ্গে প্রথম বিজেপি সরকার আসতেই কাটতে চলেছে হা-শিল্প দশা। রাজ্যের উন্নয়নের জন্য এটি একটি উল্লেখযোগ্য সূচনা বলেই ধারণা ওয়াকিবহাল মহলের।

    শিল্পের নয়া গন্তব্য হাওড়া (Amul)

    গুজরাট কো-অপারেটিভ মিল্ক মার্কেটিং ফেডারেশন (GCMMF), যারা ‘আমূল’ (Amul) ব্র্যান্ডের পরিচালক, তারা জানিয়েছে, পশ্চিমবঙ্গের হাওড়া জেলায় এই বিশাল প্ল্যান্টটি গড়ে তোলা হবে। ভৌগোলিক অবস্থান এবং উন্নত যোগাযোগ ব্যবস্থার কারণে হাওড়াকেই এই বিনিয়োগের জন্য বেছে নেওয়া হয়েছে। এই প্রকল্পটি শুধুমাত্র একটি কারখানা নয়, বরং এটি পূর্ব ভারতের দুগ্ধ বিপণন ব্যবস্থার প্রধান কেন্দ্র (Hub) হিসেবে কাজ করবে।

    উৎপাদন ক্ষমতায় বড় চমক

    আমূল কর্তৃপক্ষের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, এই নতুন প্ল্যান্টটি যখন পূর্ণ মাত্রায় কাজ শুরু করবে, তখন এর উৎপাদন ক্ষমতা হবে ঈর্ষণীয়। ‘আমূল’ (Amul) জানিয়েছে, প্রতিদিন প্রায় ১৫ লাখ লিটার তরল দুধ প্রক্রিয়াকরণ করার ক্ষমতা থাকবে এই কেন্দ্রে। তবে শুধু তরল দুধ নয়, বাঙালির খাদ্যতালিকায় দুগ্ধজাত পণ্যের চাহিদার কথা মাথায় রেখে এখানে প্রতিদিন ১০ লাখ কেজি দই, মিষ্টি দই, ইয়োগার্ট, লস্যি এবং ঘোল বাটারমিল্ক (700-cr Dairy Plant) উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নেওয়া হয়েছে। প্রক্রিয়াজাতকরণের এই বিশাল পরিকাঠামো রাজ্যের সাধারণ মানুষের কাছে টাটকা ও উন্নতমানের দুগ্ধজাত পণ্য পৌঁছে দিতে বড় ভূমিকা পালন করবে।

    কর্মসংস্থান ও গ্রামীণ অর্থনীতিতে প্রভাব

    এই ৭০০ কোটি টাকার বিনিয়োগ (700-cr Dairy Plant) পশ্চিমবঙ্গের শিল্পমহলে এক ইতিবাচক বার্তা নিয়ে এসেছে। বাজার বিশেষজ্ঞদের মতে, এই প্রকল্পটি সরাসরি কয়েক হাজার মানুষের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করবে। পরোক্ষভাবে লাভবান হবেন রাজ্যের হাজার হাজার দুগ্ধ খামারি ও পশুপালক। ‘আমূল’ (Amul)-এর সমবায় মডেল অনুযায়ী, স্থানীয় চাষিদের কাছ থেকে সরাসরি দুধ সংগ্রহ করা হবে, যার ফলে গ্রামীণ অর্থনীতিতে অর্থের জোগান বাড়বে এবং পশুপালকরা তাঁদের পণ্যের ন্যায্য ও সঠিক মূল্য নিশ্চিতভাবে পাবেন।

    প্রযুক্তির মেলবন্ধন ও ‘সরলাবেন’

    ‘আমূল’ (Amul) কেবল ইঁট-পাথরের কারখানা তৈরি করেই ক্ষান্ত থাকছে না, দুগ্ধ চাষের আধুনিকীকরণে তারা নিয়ে আসছে এআই (AI) প্রযুক্তি। দুগ্ধ খামারিদের প্রযুক্তিগত সহায়তা দিতে তারা ‘সরলাবেন’ (Sarlaben) নামক একটি এআই-চালিত ডিজিটাল অ্যাসিস্ট্যান্ট সেবা চালু করতে চলেছে। এই ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে পশুপালকরা পশুর স্বাস্থ্য, খাদ্যাভ্যাস এবং দুধের গুণমান (700-cr Dairy Plant) বৃদ্ধি সংক্রান্ত যে কোনও সমস্যার সমাধান নিমেষের মধ্যে ঘরে বসেই পেয়ে যাবেন।

    পূর্ব ভারতে আমূলের মাস্টারপ্ল্যান

    গত কয়েক বছর ধরেই ‘আমূল’ (Amul) উত্তর ও পূর্ব ভারতে তাদের ব্যবসার পরিধি বাড়ানোর পরিকল্পনা করছিল। পশ্চিমবঙ্গের এই ৭০০ কোটি টাকার (700-cr Dairy Plant) প্রকল্প সেই পরিকল্পনারই অংশ। এর মাধ্যমে তারা বিহার, ওডিশা এবং উত্তর-পূর্ব ভারতের রাজ্যগুলিতে তাদের সাপ্লাই চেন আরও মজবুত করতে পারবে।

    শিল্পায়নের পথে বড় মাইলফলক

    সব মিলিয়ে, ১৪ জুনের এই শিলান্যাস অনুষ্ঠান পশ্চিমবঙ্গের শিল্পায়নের পথে এক বড় মাইলফলক হতে চলেছে। একদিকে অত্যাধুনিক পরিকাঠামো নির্মাণ এবং অন্যদিকে প্রান্তিক কৃষকদের জন্য আধুনিক প্রযুক্তির প্রয়োগ—এই দুইয়ের মিশেলে আমূল রাজ্যে এক নতুন দুগ্ধ বিপ্লবের ডাক দিয়েছে। রাজ্যে তৃণমূলের বিসর্জন হতেই একের পর এক বিনিয়োগ আসছে বলে মনে করছে বিজেপির একটা বড় অংশ। সিঙ্গুর থেকে টাটা বিতাড়িত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই রাজ্যে শিল্পায়নের কফিনে পোঁতা হয়ে গিয়েছিল শেষ পেরেকটি। তৃণমূলের আমলে বছর বছর ঘটা করে বিশ্ব বাণিজ্য সম্মলেন হলেও, তার ছাপ বিশেষ পড়েনি। তবে মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার পর থেকেই বঙ্গে শিল্প এবং কর্মসংস্থান নিয়ে ব্যাপক আলো দেখিয়ে আসছেন শুভেন্দু অধিকারী। টাটাকে বাংলায় এনে ফের কারখানা গড়ার ইঙ্গিতও দিয়েছে পদ্ম সরকার।

  • India’s Protest: ৩ ভারতীয় নাবিকের মৃত্যুর পর নয়া নাটক! মার্কিন হামলার বিরুদ্ধে সরব ভারত, পিঠ বাঁচাতে পাল্টা দাবি ট্রাম্পের

    India’s Protest: ৩ ভারতীয় নাবিকের মৃত্যুর পর নয়া নাটক! মার্কিন হামলার বিরুদ্ধে সরব ভারত, পিঠ বাঁচাতে পাল্টা দাবি ট্রাম্পের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মধ্যপ্রাচ্যে ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার আবহে ভারতীয় নাবিকদের নিরাপত্তা নিয়ে নতুন বিতর্ক তৈরি হয়েছে। গত কয়েক দিনে ওমান উপসাগর এলাকায় ভারতীয় নাবিকদের নিয়ে চলাচলকারী তিনটি বাণিজ্যিক ট্যাঙ্কার— এমটি মার্টিভেক্স (MT Marivex), এমটি সেটেবলো (MT Settebello) এবং এমটি জলভীর (MT Jalveer)— হামলার মুখে পড়ে। এর মধ্যে এমটি সেটেবলো-তে হামলায় তিন ভারতীয় নাবিকের মৃত্যু হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে ভারত সরকার কড়া প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে। নয়াদিল্লি ইতিমধ্যেই দু’বার মার্কিন চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্স জেসন মিকসকে তলব করেছে। বিদেশ মন্ত্রক স্পষ্ট জানিয়েছে, বাণিজ্যিক জাহাজের উপর এই ধরনের হামলা অবিলম্বে বন্ধ করতে হবে এবং অঞ্চলে শান্তি ফিরিয়ে আনতে হবে।

    ভারতের তীব্র প্রতিক্রিয়া

    গত চার-পাঁচ দিনে ওমান উপকূলের কাছে তিনটি বাণিজ্যিক জাহাজে হামলা চালিয়েছিল মার্কিন বাহিনী। সেই হামলায় তিন ভারতীয় নাবিকের মৃত্যু হয়। মার্কিন বাহিনীর এই ভূমিকায় অসন্তোষ প্রকাশ করেছে ভারত। মার্কিন হানার তীব্র নিন্দা করেন বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর। শুক্রবার এই ঘটনা নিয়ে মার্কিন বিদেশসচিব মার্কো রুবিয়োর সঙ্গে কথা বলেন তিনি। উদ্বেগ প্রকাশের পাশাপাশি হামলার তীব্র নিন্দাও করেছেন জয়শঙ্কর। গত বুধবার নয়াদিল্লিতে মার্কিন দূতাবাসের শীর্ষ কূটনীতিককে তলবও করা হয়। কিন্তু তার পরেও বৃহস্পতিবার আরও একটি বাণিজ্যিক জাহাজে হামলা চালানোর অভিযোগ ওঠে মার্কিন বাহিনীর বিরুদ্ধে। বিদেশমন্ত্রী এস. জয়শঙ্কর ১২ জুন এক্স (সাবেক টুইটার)-এ জানান, তিনি মার্কিন বিদেশসচিব মার্কো রুবিওর সঙ্গে কথা বলেছেন। জয়শঙ্কর লেখেন, “ওমান উপসাগরে মার্কিন হামলায় তিন ভারতীয় নাবিকের মৃত্যু নিয়ে ভারতের তীব্র আপত্তির কথা আমি পুনরায় জানিয়েছি। বাণিজ্যিক জাহাজের বিরুদ্ধে এ ধরনের প্রাণঘাতী পদক্ষেপ কোনওভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।”

    মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পাল্টা দাবি

    ভারতের কড়া অবস্থানের পর মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (CENTCOM) এবং মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন, ইরান নাকি হরমুজ প্রণালী দিয়ে যাওয়া জাহাজগুলির উপর একাধিক ড্রোন হামলার চেষ্টা করেছিল। মার্কিন বাহিনী সেই সমস্ত ড্রোন গুলি করে নামিয়েছে। সেন্টকম (CENTCOM) এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, “ইরান একাধিক একমুখী আক্রমণাত্মক ড্রোন ব্যবহার করে বাণিজ্যিক জাহাজগুলিকে লক্ষ্যবস্তু করার চেষ্টা করেছিল। মার্কিন বাহিনী সবকটি ড্রোন ধ্বংস করেছে এবং হরমুজ প্রণালী দিয়ে জাহাজ চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে।” এরপর প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প আরও এক ধাপ এগিয়ে দাবি করেন, ইরানের লক্ষ্য ছিল ‘ভারতীয় জাহাজ’। তবে উল্লেখযোগ্য বিষয় হল, সংশ্লিষ্ট জাহাজগুলি ভারতের মালিকানাধীন ছিল না। এমটি জলভীর (MT Jalveer) ছিল গিনি-বিসাউ পতাকাবাহী ট্যাঙ্কার এবং এমটি মার্টিভেক্স (MT Marivex) ও এমটি সেটেবলো (MT Settebello) ছিল পালাউ-নিবন্ধিত জাহাজ। যদিও ওই জাহাজগুলির ক্রুদের মধ্যে বহু ভারতীয় নাবিক ছিলেন।

    ট্রাম্পের পোস্ট ঘিরে বিতর্ক

    আরব দুনিয়ায় উত্তেজনার আবহে নতুন বিতর্কের জন্ম দিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তাঁর দাবি, হরমুজ প্রণালী ছেড়ে বেরিয়ে আসা ভারতীয় জাহাজগুলিকে লক্ষ্য করে মানববিহীন উড়ন্ত যানের মাধ্যমে হামলার চেষ্টা চালিয়েছিল ইরান। সোশ্যাল মিডিয়ায় করা এক পোস্টে ট্রাম্প অভিযোগ করেন, আগের রাতে ভারতীয় জাহাজগুলির বিরুদ্ধে যে হামলার চেষ্টা হয়েছিল, তা ব্যর্থ করে দেওয়া হয়েছে। তবে ঘটনাটি অত্যন্ত উদ্বেগজনক। শুধু জাহাজে হামলার অভিযোগই নয়, ইরানের সঙ্গে সম্ভাব্য সমঝোতা নিয়েও কড়া ভাষায় সরব হয়েছেন ট্রাম্প। তাঁর দাবি, যে খসড়া সমঝোতার কথা ইরানের পক্ষ থেকে প্রকাশ্যে আনা হয়েছে, তার সঙ্গে প্রকৃত আলোচনার কোনও মিল নেই। ইরানের বিরুদ্ধে অসততার অভিযোগ তুলে তিনি বলেন, তেহরানের সঙ্গে সদিচ্ছার ভিত্তিতে আলোচনা করা অত্যন্ত কঠিন।

    ট্রাম্পের দাবি খারিজ করল ইরান

    তবে, মার্কিন দাবিকে সরাসরি প্রত্যাখ্যান করেছে ইরান। ভারতে অবস্থিত ইরানের কনস্যুলেট এক বিবৃতিতে বলেছে, “হরমুজ প্রণালীতে ভারতীয় জাহাজকে লক্ষ্য করে ইরান ড্রোন হামলা চালিয়েছে— মার্কিন প্রেসিডেন্টের এই অভিযোগ সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। গত এক সপ্তাহে তিনটি জাহাজে হামলা ও তিন ভারতীয় নাবিকের মৃত্যুর ঘটনায় আন্তর্জাতিক সমালোচনা থেকে নজর ঘোরানোর চেষ্টা করছে ওয়াশিংটন।” ইরানের বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র এসমাইল বাঘাইয়ের বক্তব্য উদ্ধৃত করে তেহরান আরও দাবি করেছে, ভারতীয় নাবিকদের মৃত্যুর ঘটনার দায় এড়াতেই নতুন এই অভিযোগ সামনে আনা হচ্ছে।

    উত্তপ্ত হরমুজ ও ওমান উপসাগর

    বর্তমানে হরমুজ প্রণালী এবং ওমান উপসাগর ঘিরে পরিস্থিতি অত্যন্ত স্পর্শকাতর। আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ এই সমুদ্রপথে সামরিক উত্তেজনা ক্রমশ বাড়ছে। ভারত শুরু থেকেই সংঘাতের বদলে শান্তি ও সংলাপের পক্ষে সওয়াল করে আসছে। এদিকে ভারতীয় নাবিকদের প্রাণহানির ঘটনাকে কেন্দ্র করে কূটনৈতিক চাপও বাড়ছে। বিশেষজ্ঞদের একাংশের মতে, বাণিজ্যিক জাহাজে হামলা আন্তর্জাতিক সামুদ্রিক আইন ও নৌ-নিরাপত্তার প্রশ্নে গুরুতর উদ্বেগের কারণ হয়ে উঠেছে। তবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের দাবি এবং ইরানের পাল্টা বক্তব্যের মধ্যে সত্যতা নিয়ে এখনও বিতর্ক অব্যাহত রয়েছে। ফলে মধ্যপ্রাচ্যের এই সংঘাতময় পরিস্থিতি আগামী দিনে কোন দিকে মোড় নেয়, সেদিকেই নজর আন্তর্জাতিক মহলের।

     

     

     

     

  • PM Modi: কূটনৈতিক সফরে ইউরোপের উদ্দেশে রওনা দিলেন প্রধানমন্ত্রী, বৈঠক করবেন মাক্রঁর সঙ্গেও

    PM Modi: কূটনৈতিক সফরে ইউরোপের উদ্দেশে রওনা দিলেন প্রধানমন্ত্রী, বৈঠক করবেন মাক্রঁর সঙ্গেও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক সফরে ইউরোপের উদ্দেশে রওনা দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। ১৩ থেকে ১৯ জুন পর্যন্ত চলা এই সফরে তিনি ফ্রান্স ও স্লোভাকিয়া সফরের পাশাপাশি জি-৭ শীর্ষ সম্মেলনেও (G7 Summit) অংশ নেবেন। ভারতের কৌশলগত অংশীদারিত্ব আরও জোরদার করা, প্রযুক্তি এবং উদ্ভাবন খাতে সহযোগিতা বৃদ্ধি এবং বৈশ্বিক নানা ইস্যুতে ভারতের ভূমিকা তুলে ধরাই প্রধানমন্ত্রীর এই সফরের মূল লক্ষ্য।

    মাক্রঁর সঙ্গে বৈঠক (PM Modi)

    সফরের প্রথম পর্যায়ে ফ্রান্সের নিস শহরে ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল মাক্রঁর সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে বসবেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী। দুই রাষ্ট্রপ্রধান ভারত-ফ্রান্স বিশেষ বৈশ্বিক কৌশলগত অংশীদারিত্বের বিভিন্ন দিক পর্যালোচনা করবেন। এর পাশাপাশি যৌথভাবে উদ্বোধন করবেন ‘ভারত ইনোভেটস’ কর্মসূচি, যেখানে ভারত ও ফ্রান্সের পাশাপাশি অন্যান্য দেশের স্টার্টআপ এবং ভেঞ্চার ক্যাপিটাল সংস্থাগুলি অংশ নেবে। উদীয়মান প্রযুক্তি ও উদ্যোক্তা খাতে দুই দেশের সহযোগিতা আরও বাড়ানোর লক্ষ্যেই এই উদ্যোগ।

    মোদি যাবেন স্লোভাকিয়ায়

    ফ্রান্স সফরের পর প্রধানমন্ত্রী যাবেন স্লোভাকিয়ায়। সেখানকার প্রধানমন্ত্রী রবার্ট ফিকোর আমন্ত্রণে ওই দেশে যাবেন মোদি। ১৯৯৩ সালে স্বাধীনতার পর এই প্রথম কোনও ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী স্লোভাকিয়া সফরে যাচ্ছেন, যা দুই দেশের সম্পর্কের ক্ষেত্রে ঐতিহাসিক গুরুত্ব বহন করছে। সফরে তিনি প্রধানমন্ত্রী রবার্ট ফিকো এবং প্রেসিডেন্ট পিটার পেলেগ্রিনির সঙ্গে বৈঠক করবেন। বাণিজ্য, বিনিয়োগ, অটোমোবাইল শিল্প এবং রেলওয়ে উৎপাদন-সহ একাধিক ক্ষেত্রে সহযোগিতা বাড়ানোর বিষয়টি আলোচনায় গুরুত্ব পাবে। ভারত ও স্লোভাকিয়ার মধ্যে সাম্প্রতিক উচ্চপর্যায়ের কূটনৈতিক যোগাযোগের ধারাবাহিকতায় এই সফরকে বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। এর আগে রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু ২০২৫ সালের এপ্রিলে স্লোভাকিয়া সফর করেন। ওই বছরই স্লোভাক প্রেসিডেন্ট পিটার পেলেগ্রিনি ভারতের এআই ইমপ্যাক্ট সামিটে অংশ নিতে ভারত সফর করেন (PM Modi)।

    জি-৭ শীর্ষ সম্মেলনে অংশ নেবেন প্রধানমন্ত্রী

    সফরের তৃতীয় পর্যায়ে ১৬ ও ১৭ জুন ফ্রান্সের এভিয়ানে অনুষ্ঠিত জি-৭ শীর্ষ সম্মেলনে অংশ নেবেন মোদি। সেখানে জি-৭ সদস্য দেশ, আমন্ত্রিত অংশীদার রাষ্ট্র এবং আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রতিনিধিদের সঙ্গে আন্তর্জাতিক সংহতি পুনর্গঠন, ভারসাম্যপূর্ণ ও স্থিতিশীল অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি এবং এআইয়ের নিরাপদ ও কার্যকর ব্যবহারের মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে মতবিনিময় করবেন তিনি। এর পাশাপাশি বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রনেতাদের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠকের সম্ভাবনাও রয়েছে (G7 Summit)। সফরের শেষে ১৮ জুন প্যারিসে অনুষ্ঠিত ইউরোপের বৃহত্তম প্রযুক্তি ও স্টার্টআপ সম্মেলন ‘ভিভাটেক’-এ যোগ দেবেন প্রধানমন্ত্রী। মত বিনিময় করবেন ফ্রান্সে বসবাসকারী প্রবাসী ভারতীয়দের সঙ্গেও। ভারত সরকারের মতে, ‘ভারত ইনোভেটস’ এবং ‘ভিভাটেক’-এ প্রধানমন্ত্রীর অংশগ্রহণ ভারতের উদ্ভাবন, ডিজিটাল রূপান্তর এবং স্টার্টআপ ইকোসিস্টেমের বৈশ্বিক অবস্থানকে আরও শক্তিশালী করবে এবং ইউরোপের সঙ্গে প্রযুক্তিগত সহযোগিতার নতুন দিগন্ত খুলে দেবে।

    ভারত-ফ্রান্স সম্পর্ক

    বিশ্লেষকদের মতে, ভারত ও ফ্রান্সের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে প্রতিরক্ষা, প্রযুক্তি, বাণিজ্য এবং জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় ঘনিষ্ঠ সহযোগিতা রয়েছে (PM Modi)। এবারের বৈঠকে দুই দেশের অংশীদারিত্ব আরও বাড়ানোর পাশাপাশি নতুন কৌশলগত সহযোগিতার ক্ষেত্র নিয়েও আলোচনা হতে পারে। এর ফলে দুই দেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক নতুন উচ্চতায় পৌঁছানোর সম্ভাবনা রয়েছে (G7 Summit)। বিদেশমন্ত্রকের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ১৯৯৩ সালে স্লোভাকিয়ার স্বাধীনতার পর এই প্রথম কোনও ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী যাচ্ছেন সেই দেশ সফরে। তাই এই সফরকে দুই দেশের কূটনৈতিক ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবেই বিবেচনা করা হচ্ছে। বিশ্লেষকদের ধারণা, ইউরোপের এই দেশের সঙ্গে ভারতের অর্থনৈতিক ও কৌশলগত অংশীদারিত্ব শক্তিশালী করার দিকেও বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হবে।

    নয়া সহযোগিতার দোর খুলবে

    সফর শুরুর আগে এক বিবৃতিতে প্রধানমন্ত্রী জানান, ইউরোপ এবং জি-৭ এর সদস্য দেশগুলির সঙ্গে ভারতের ক্রমবর্ধমান সম্পৃক্ততা এই সফরের মাধ্যমে আরও সুদৃঢ় হবে। এর পাশাপাশি ইউরোপীয় দেশগুলির সঙ্গে বহুমাত্রিক অংশীদারিত্ব সম্প্রসারণে ভারতের প্রতিশ্রুতির কথাও মনে করিয়ে দেন তিনি (PM Modi)। বিদেশমন্ত্রকের তরফে জানানো হয়েছে, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির এই সফরে ফ্রান্স, স্লোভাকিয়া এবং জি-৭ এর সদস্য  দেশগুলির সঙ্গে সহযোগিতার নয়া ক্ষেত্র তৈরি হবে। বিশেষ করে বৈশ্বিক অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা, প্রযুক্তিগত উদ্ভাবন, কৌশলগত নিরাপত্তা এবং আন্তর্জাতিক সহযোগিতার বিভিন্ন বিষয়ে যৌথ উদ্যোগ বাড়ানোর সুযোগ সৃষ্টি হবে। আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশেষজ্ঞদের মতে, বর্তমান বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে ইউরোপীয় দেশগুলির সঙ্গে ভারতের সম্পর্ক ক্রমেই আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে। তাঁদের মতে, এই সফর শুধু দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে আরও শক্তিশালী করবে না, বরং (G7 Summit) আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক প্রাঙ্গনেও ভারতের ভূমিকা আরও দৃঢ় করবে এবং ভবিষ্যতে নয়া সহযোগিতার দোর খুলে দেবে। সব মিলিয়ে, প্রধানমন্ত্রীর (PM Modi) এই ইউরোপ সফরকে ভারতীয় কূটনীতির একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় হিসেবেই দেখা হচ্ছে।

     

  • Rebel TMC MPs: তৃণমূলে বড় ভাঙনের ইঙ্গিত! ১৯ সাংসদের সমর্থন নিয়ে সোমে স্পিকারের দোরে যাওয়ার পরিকল্পনা ‘বিদ্রোহী’ শিবিরের

    Rebel TMC MPs: তৃণমূলে বড় ভাঙনের ইঙ্গিত! ১৯ সাংসদের সমর্থন নিয়ে সোমে স্পিকারের দোরে যাওয়ার পরিকল্পনা ‘বিদ্রোহী’ শিবিরের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরও প্রবল হল তৃণমূল কংগ্রেসে (Rebel TMC MPs) বড়সড় ভাঙনের জল্পনা। দলের ২৮ লোকসভা সাংসদের মধ্যে ১৯ জনের সমর্থন পাওয়ার দাবি করে বিদ্রোহী শিবির জানিয়েছে, তারা সোমবারই লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লার (Om Birla) সঙ্গে দেখা করে নিজেদের আলাদা গোষ্ঠী হিসেবে স্বীকৃতি চাইবে। তারা নিজেদের ‘আসল তৃণমূল কংগ্রেস’ হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার আবেদনও জানাবে।

    বিদ্রোহীদের বক্তব্য (Rebel TMC MPs)

    বিদ্রোহী সাংসদদের অন্যতম জগদীশ চন্দ্র বর্মা বসুনিয়ার দাবি, তাঁদের গোষ্ঠী কাকলি ঘোষ দস্তিদারকে লোকসভায় নেতা এবং শতাব্দী রায়কে উপনেতা হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার দাবি জানাবে। তাঁর বক্তব্য, রবিবার দিল্লিতে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর উপস্থিতিতে বিদ্রোহী সাংসদদের একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। বসুনিয়ার দাবি, এখনও পর্যন্ত ১৯ জন সাংসদ তাঁদের সঙ্গে রয়েছেন এবং আরও কেউ যোগ দিতে চাইলে, দরজা খোলা রয়েছে। তাঁদের লক্ষ্য, এনডিএর অংশ হয়ে সংসদে শাসক জোটের পাশে বসা এবং উন্নয়নের স্বার্থে কেন্দ্রের পাশে থাকা নিশ্চিত করা।

    অভিষেকের জন্যই দল গাড্ডায়!

    তাঁর অভিযোগ, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় দলের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার পর থেকেই তৃণমূলের অভ্যন্তরে অসন্তোষ বাড়তে থাকে। বসুনিয়ার কথায়, “আগে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে সব কিছু ঠিকঠাক চলছিল। পরে দল কর্পোরেট সংস্থার মতো পরিচালিত হতে শুরু করে এবং নেতা-কর্মীদের সঙ্গে দূরত্ব তৈরি হয়।” এই কারণেই বহু নেতা ও সাংসদ ক্ষুব্ধ বলেও দাবি (Rebel TMC MPs) তাঁর। তৃণমূলের বিদ্রোহী শিবিরের বক্তব্য, পশ্চিমবঙ্গে বিজেপি ক্ষমতায় এসেছে এবং কেন্দ্রে বিজেপি নেতৃত্বাধীন সরকার রয়েছে। ফলে নিজেদের লোকসভা কেন্দ্রের উন্নয়নের জন্য কেন্দ্রের সহযোগিতা পাওয়া জরুরি বলেই তাঁরা এনডিএর পাশে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। বসুনিয়া এও (Om Birla) জানান, প্রথমে স্পিকারের কাছে আলাদা ব্লক হিসেবে স্বীকৃতি চাওয়া হবে। এরপর প্রয়োজনে নির্বাচন কমিশনের কাছেও ‘আসল তৃণমূল’ হিসেবে স্বীকৃতির দাবি জানানো হবে (Rebel TMC MPs)।

    বিদ্রোহ চারিদিকে!

    এদিকে তৃণমূলের অন্দরে অস্বস্তি আরও বেড়েছে। প্রবীণ তৃণমূল সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় শুক্রবার কালীঘাটে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বৈঠকে অনুপস্থিত ছিলেন। এর আগেই তিনি প্রকাশ্যে মন্তব্য করেছিলেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় এবং দীর্ঘদিনের বিশ্বস্ত নেতাদের মধ্যে একজনকে বেছে নিতে হবে। তৃণমূলের আর এক বর্ষীয়ান নেতা অনুব্রত মণ্ডলও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বের সমালোচনা করেছেন। ছাব্বিশের নির্বাচনে দলের ভরাডুবির জন্য রাজনৈতিক পরামর্শদাতা সংস্থা আইপ্যাককেও দায়ী করেছেন (Om Birla) তিনি। উল্লেখ্য, বিদ্রোহী শিবিরের তরফে এসব দাবি করা হলেও (Rebel TMC MPs), শনিবার দুপুর পর্যন্তও এ বিষয়ে কোনও প্রতিক্রিয়া প্রকাশ্যে আসেনি তৃণমূলের পক্ষ থেকে।

     

LinkedIn
Share