Tag: news in bengali

news in bengali

  • Bilkis Bano: বিলকিস বানো মামলায় গুজরাট জেলে আত্মসমর্পণ ১১ দণ্ডিতেরই

    Bilkis Bano: বিলকিস বানো মামলায় গুজরাট জেলে আত্মসমর্পণ ১১ দণ্ডিতেরই

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিলকিস বানো (Bilkis Bano) মামলায় গুজরাট জেলে আত্মসমর্পণ করল সাজা প্রাপ্ত ১১ জনই। ধর্ষকদের দু’ দিনের মধ্যে আত্মসমর্পণ করার নির্দেশ দিয়েছিল সুপ্রিম কোর্ট। আত্মসমর্পণের জন্য বাড়তি সময় চেয়েছিল গুজরাট হিংসায় খুন ও গণধর্ষণকাণ্ডের অপরাধীরা। সেই আবেদন খারিজ হয়ে যায় দেশের শীর্ষ আদালতে।

    আত্মসমর্পণ অপরাধীদের

    তার পর রবিবার রাতে আত্মসমর্পণ করে  ধর্ষকরা। এদিন গুজরাটের পঞ্চমহল জেলা গোধরা সাব-জেলে গিয়ে আত্মসমর্পণ করে তারা। রাত সাড়ে ১১টা নাগাদ দুটি গাড়িতে করে গোধরা জেলের কাছে এসে উপস্থিত হয় বিলকিস বানো মামলার ১১ জন ধর্ষক। তার পরেই করে আত্মসমর্পণ। প্রসঙ্গত, আত্মসমর্পণের জন্য সুপ্রিম কোর্টের সময়সীমা শেষ হয়েছে রবিবারই।

    মুক্তি দিয়েছিল গুজরাট সরকার

    বিলকিসকাণ্ডে (Bilkis Bano) ১১ জন সাজাপ্রাপ্তকে মুক্তি দিয়েছিল গুজরাট সরকার। ৮ জানুয়ারি, সুপ্রিম কোর্ট জানিয়ে দেয়, গুজরাট সরকারের ওই সিদ্ধান্ত এক্তিয়ার-বহির্ভূত। বিচারপতি বিভি নাগরত্ন ও বিচারপতি উজ্জ্বল ভুয়ানের পর্যবেক্ষণ ছিল, জালিয়াতি করে মুক্তি দেওয়া হয়েছে ধর্ষকদের। কারণ ধর্ষকদের মুক্তি দেওয়া সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার এক্তিয়ারই ছিল না গুজরাট সরকারের। আদালতের নির্দেশ, খুন ও ধর্ষণে দোষী সাব্যস্ত হওয়া ১১জনকেই জেলে ফিরতে হবে দু’ সপ্তাহের মধ্যে। ধর্ষকদের কয়েকজন শীর্ষ আদালতে জানান, আত্মসমর্পণের জন্য তাঁদের আরও কিছুটা সময় দেওয়া হোক। দোষীদের সেই আবেদন খারিজ করে সুপ্রিম কোর্ট সাফ জানিয়ে দিয়েছে, তাদের কোনও বাড়তি সময় দেওয়া হবে না। নির্ধারিত দিনেই জেলে ফিরতে হবে তাদের।

    আরও পড়ুুন: “এই অনুষ্ঠান দেশের উন্নয়নকে নিয়ে যাবে নয়া উচ্চতায়”, বললেন প্রধানমন্ত্রী

    প্রসঙ্গত, গুজরাট হিংসা-পর্বে পাঁচ মাসের অন্তঃসত্ত্বা বিলকিস বানোকে গণধর্ষণ করা হয়। তাঁর এক শিশু সন্তান-সহ পরিবারের ৭জনকে নৃশংসভাবে খুন করা হয়। ওই ঘটনায় যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত হয় ১২জন। এদের মধ্যে ১১জনকে বাইশের স্বাধীনতা দিবসে জেলে ভালো আচরণ করার যুক্তি দিয়ে মুক্তি দিয়ে দেয় গুজরাট সরকার। তার আগে এ ব্যাপারে সুপ্রিম কোর্টের ছাড়পত্র জোগাড় করে গুজরাট সরকার। পরে শীর্ষ আদালত জানায়, মুক্তির সিদ্ধান্ত নেওয়ার এক্তিয়ার নেই গুজরাট সরকারের। অপরাধীদের ফিরতে (Bilkis Bano) হবে গারদেই।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Ram Mandir: “এই অনুষ্ঠান দেশের উন্নয়নকে নিয়ে যাবে নয়া উচ্চতায়”, বললেন প্রধানমন্ত্রী

    Ram Mandir: “এই অনুষ্ঠান দেশের উন্নয়নকে নিয়ে যাবে নয়া উচ্চতায়”, বললেন প্রধানমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “এই অনুষ্ঠান দেশের উন্নয়নের যাত্রাকে নিয়ে যাবে নয়া উচ্চতায়।” রবিবার কথাগুলি বললেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। প্রাণ প্রতিষ্ঠার (Ram Mandir) অনুষ্ঠানকে ঐতিহাসিক মুহূর্ত বলেও আখ্যায়িত করলেন তিনি।

    কী লিখলেন প্রধানমন্ত্রী?

    সোমবার, ২২ জানুয়ারি উদ্বোধন হবে অযোধ্যায় রাম মন্দিরের। এদিন মন্দিরের গর্ভগৃহে প্রতিষ্ঠিত হবেন ভগবান রাম। এই অনুষ্ঠানে যজমানের ভূমিকা পালন করবেন প্রধানমন্ত্রী। তার আগে তাঁকে শুভেচ্ছা-বার্তা পাঠিয়েছেন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু। রাষ্ট্রপতির চিঠির জবাব দিতে গিয়ে এক্স হ্যান্ডেলে প্রধানমন্ত্রী লেখেন, “অযোধ্যা ধামে রামলালার প্রাণ প্রতিষ্ঠার উৎসবে শুভকামনার জন্য আপনাকে অনেক ধন্যবাদ। আমার বিশ্বাস, এই ঐতিহাসিক মুহূর্ত ভারতীয় সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যকে আরও সমৃদ্ধ করবে। এই অনুষ্ঠান দেশের উন্নয়নের যাত্রাকে পৌঁছে দেবে নতুন উচ্চতায়।”

    কী লিখেছিলেন রাষ্ট্রপতি?

    প্রধানমন্ত্রীকে লেখা রাষ্ট্রপতির চিঠিতে ছিল ব্রতচারণে মোদির অটুট নিষ্ঠার ভূয়সী প্রশাংসার কথা। রাষ্ট্রপতি লিখেছেন, “আপনি ১১ দিন ধরে যা ব্রত পালন (Ram Mandir) করেছেন, তা শুধু পবিত্র আচারই নয়, ভগবান শ্রীরামের প্রতি আত্মত্যাগ এবং তাঁর কাছে আত্মসমর্পণ করাও।” মহাত্মা গান্ধীর উল্লেখ করে রাষ্ট্রপতি লিখেছেন, “গান্ধীজিও ভাগবান রামের বড় ভক্ত ছিলেন। অযোধ্যার মহোৎসব ভারতের চিরন্তন আত্মার বহিঃপ্রকাশ।”

    তিনি লিখেছেন, “আপনি ভগবান রামের জন্মভূমিতে প্রাণ প্রতিষ্ঠার অনুষ্ঠানে নবনির্মিত মন্দিরে যাওয়ার জন্য প্রস্তুত হচ্ছেন। আমি মনে করতে পারি কীভাবে ধাপে ধাপে আজ আপনি পবিত্রভূমে পৌঁছচ্ছেন।” তিনি আরও লিখেছেন, “আমাদের জাতির এই পুনরুত্থানের সাক্ষী হতে পারায় আমরা খুব ভাগ্যবান।”

    আরও পড়ুুন: “মোদি প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর আত্মমর্যাদা বেড়েছে হিন্দুদের”, বললেন শঙ্করাচার্য

    সোমবার, ২২ জানুয়ারি অযোধ্যার মন্দিরে শুরু হয়েছে প্রাণ প্রতিষ্ঠার অনুষ্ঠান। আচার পালন শুরু হয়েছে ১৬ তারিখ থেকে। এদিন হবে মূল পর্বের অনুষ্ঠান। প্রাণ প্রতিষ্ঠার অনুষ্ঠানটি শুরু হবে এদিন দুপুর ১২টা ৫ মিনিটে। তার আগে থেকেই চলছে পুজোআচ্চা। প্রাণ প্রতিষ্ঠার অনুষ্ঠানে (Ram Mandir) উপস্থিত থাকার কথা হাজার তিনেক ভিভিআইপির। তাঁদের নিরাপত্তায় সতর্ক প্রশাসন।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

     

  • Shankaracharya: “মোদি প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর আত্মমর্যাদা বেড়েছে হিন্দুদের”, বললেন শঙ্করাচার্য

    Shankaracharya: “মোদি প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর আত্মমর্যাদা বেড়েছে হিন্দুদের”, বললেন শঙ্করাচার্য

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “নরেন্দ্র মোদি প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর আত্মমর্যাদা বেড়েছে হিন্দুদের।” রবিবার কথাগুলি বললেন শঙ্করাচার্য অভিমুক্তেশ্বরানন্দ সরস্বতী। তিনি যে প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধে নন, বরং তাঁর একজন ভক্ত, তাও জানিয়ে দেন এই শঙ্করাচার্য। স্বাধীনতার পর থেকে দেশে এ পর্যন্ত যত জন প্রধানমন্ত্রী হয়েছেন, তাঁর মধ্যে একমাত্র মোদিই হিন্দুদের পাশে দাঁড়িয়েছেন বলেও দাবি করেন তিনি।

    কী বলছেন শঙ্করাচার্য

    অভিমুক্তেশ্বরানন্দ বলেন, “সত্যটা হল এই যে নরেন্দ্র মোদি প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর আত্মমর্যাদা জাগরিত হয়েছে হিন্দুদের। এটা ছোটখাট কোনও একটি বিষয় নয়। আমরা সব সময় বলেছি, আমার মোদির বিরুদ্ধে নই, বরং তাঁর ভক্ত।” তিনি (Shankaracharya) বলেন, “আমরা তাঁকে শ্রদ্ধা করি কারণ, স্বাধীনতার পর থেকে আর কোনও প্রধানমন্ত্রী এত সাহস দেখাননি। এর আগে হিন্দুদের পাশে কে দাঁড়িয়েছে? আমরা কারও সমালোচনা করছি না। তবে এটা ঠিক যে তিনিই (মোদি) প্রথম প্রধানমন্ত্রী, যিনি হিন্দুদের আবেগকে সমর্থন করেন।”

    ৩৭০ ধারাকেও স্বাগত

    সম্প্রতি রাম মন্দির নিয়ে শঙ্করাচার্যদের বক্তব্যকে বিকৃত করে কয়েকটি সংবাদমাধ্যমে খবর প্রকাশিত হয় বলে অভিযোগ। এ প্রসঙ্গে শঙ্করাচার্য অভিমুক্তেশ্বরানন্দ বলেন, “আপনারা, যাঁরা সংবাদমাধ্যম, তাঁদের একমাত্র কাজই হল আমাদের মোদি-বিরোধী বলে প্রতিপন্ন করা। আমায় বলুন, যখন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী কাশ্মীরে ৩৭০ ধারা রদ করেছিলেন, তখন আমরা তাকে স্বাগত জানাইনি? আমরা স্বচ্ছ ভারত অভিযানকেও স্বাগত জানিয়েছি। প্রকাশ্যে তাঁর প্রশংসা করেছি। আমরা তাঁর কাজে খুশি হয়েছি। হিন্দুদের বিশ্বাস বিকশিত হতে সাহায্য করছেন তিনি। মোদির কাজকর্মের অভিমুখ সেই দিকেই।”

    আরও পড়ুুন: রাম মন্দিরের নির্মাণ ‘জাতীয় গর্বের জাগরণ’, অযোধ্যায় পৌঁছে জানালেন মোহন ভাগবত

    ২২ জানুয়ারি সোমবার অযোধ্যায় শুরু হয়েছে রাম মন্দির প্রতিষ্ঠার অনুষ্ঠান। এদিনই শুভক্ষণে গর্ভগৃহে প্রাণ প্রতিষ্ঠা হবে রামলালার প্রস্তরমূর্তির। অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তিনিই এই অনুষ্ঠানের যজমান। সেজন্য গত ১১ দিন ধরে কঠোর সংযম পালন করছেন তিনি। প্রাণ প্রতিষ্ঠার কাজ করছেন পুরোহিত লক্ষ্মীকান্ত দীক্ষিতের নেতৃত্বে একটি দল। অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়েছেন দেশ-বিদেশের হাজার আটেক আমন্ত্রিত অতিথি (Shankaracharya)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

     
     
  • Ram Mandir: রাম মন্দির উদ্বোধনের পর আয় বাড়বে যোগী রাজ্যের, কত হবে জানেন?

    Ram Mandir: রাম মন্দির উদ্বোধনের পর আয় বাড়বে যোগী রাজ্যের, কত হবে জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: যে মন্দিরকে ঘিরে বহু বিতর্ক হয়েছে, যে মন্দির (Ram Mandir) তৈরি করতে গিয়ে দিতে হয়েছে আত্মবলিদান, সেই মন্দিরই হাল ফেরাবে উত্তরপ্রদেশের অর্থনীতির। অন্তত স্টেট ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়ার রিপোর্ট থেকে তা-ই জানা গিয়েছে। এই রিপোর্টে বলা হয়েছে, অযোধ্যার রাম মন্দির এবং অন্যান্য পর্যটনস্থলগুলি থেকে রাজস্ব আয় হতে পারে ২০-২৫ হাজার কোটি টাকা।

    এসবিআইয়ের রিপোর্ট

    রবিবার এসবিআইয়ের তরফে প্রকাশ করা হয় রিপোর্টটি। সেখানে দেখা গিয়েছে, কেন্দ্রের পিলগ্রিমেজ রিজুভেনেশন অ্যান্ড স্পিরিচুয়াল হেরিটেজ অগমেন্টেশন ড্রাইভ প্রকল্পে আদতে লাভবান হতে চলেছে উত্তরপ্রদেশই। এ রাজ্যের বাজেট থেকে জানা গিয়েছে, ২০২৪ অর্থবর্ষে সরকারের কোষাগারে রাজস্ব জমা হবে ২.৫ লাখ কোটি টাকা। এর সঙ্গে পর্যটন বাবদ আয় ধরলে টাকার অঙ্কটা হবে স্ফীতকায়। যা আদতে শক্ত করবে রাজ্যের অর্থনীতির ভিত।

    বাড়বে পর্যটক

    এসবিআইয়ের রিপোর্ট থেকে জানা গিয়েছে, ২০২২ সালের তুলনায় ২০২৩-এ উত্তরপ্রদেশে পর্যটকের সংখ্যা হয়েছে দ্বিগুণ। রিপোর্টে বলা হয়েছে, অযোধ্যায় রাম মন্দির উদ্বোধনের পর এবং উত্তরপ্রদেশ সরকারের পদক্ষেপের ফলে আমরা আশা করছি, উত্তরপ্রদেশে পর্যটকরা যা ব্যয় করবেন, তার পরিমাণ চলতি বছরের শেষে পেরিয়ে যাবে ৪ লাখ কোটি টাকার গণ্ডি। রিপোর্ট (Ram Mandir) থেকেই জানা গিয়েছে, ২০২২ সালে দেশের পর্যটকদের কাছ থেকে উত্তরপ্রদেশ সরকারের রোজগার হয়েছিল ২.২ লাখ কোটি টাকা। ওই বছর যোগী রাজ্যে বেড়াতে আসা ভিনদেশিদের থেকে সরকার আয় করেছিল ১০ হাজার কোটি টাকা। সব মিলিয়ে ওই বছর অযোধ্যা দর্শনে এসেছিলেন ২.২১ কোটি পর্যটক।

    আরও পড়ুুন: ৮ লক্ষ প্রদীপশিখায় রামের ছবি, তৃণমূল নেতার উদ্যোগে বিস্মিত ভাটপাড়া

    রাম মন্দির উদ্বোধনের পরে যে এই সংখ্যাটা আরও বাড়বে, সে ব্যাপারে নিশ্চিত উত্তরপ্রদেশ সরকার। সেই কারণেই রাম জন্মভূমিতে তৈরি হয়েছে আস্ত একটি বিমানবন্দর। ঢেলে সাজানো হয়েছে অযোধ্যা রেলস্টেশনকেও। সরকারের আশা, রাম মন্দির দর্শনের পর রামের স্মৃতিবিজড়িত স্থানগুলি দর্শন করবেন পর্যটকরা। কেবল তাই নয়, রামের সঙ্গে সম্পৃক্ত রয়েছে নেপাল এবং শ্রীলঙ্কাও। নেপালে রামের শ্বশুরবাড়ি। আর লঙ্কায় রাবণ-বধ করেছিলেন ভগবান। এই তিন দেশের সহযোগিতায় যদি একটি ট্যুরিস্ট ম্যাপ তৈরি করা যায়, তাহলে পর্যটকের আনাগোনা আরও বাড়বে বলেই আশা সংশ্লিষ্টমহলের (Ram Mandir)।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • NAM Summit: দেশের অর্থনীতির হাল ফেরাচ্ছেন ভারতীয়রা, স্বীকার করলেন উগান্ডার প্রেসিডেন্ট

    NAM Summit: দেশের অর্থনীতির হাল ফেরাচ্ছেন ভারতীয়রা, স্বীকার করলেন উগান্ডার প্রেসিডেন্ট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ক্রমেই বদলাচ্ছে দেশের অর্থনীতির হাল। তাতে সব চেয়ে বেশি অবদান যাঁদের, তারা ভারতীয় অভিবাসী। এই ভারতীয়দের জন্যই যে বদলাচ্ছে দেশের অর্থনৈতিক চিত্র, সেকথা মনে করিয়ে দিলেন উগান্ডার প্রেসিডেন্ট ইয়েওরি মুসেভানি। পূর্ব আফ্রিকার একটি দেশ উগান্ডা। রাজধানী কাম্পালা। এখানেই এবার হচ্ছে নন অ্যালায়েড মুভমেন্টের ১৯তম সামিট (NAM Summit)।

    প্রেসিডেন্টের স্বীকারোক্তি

    এই সম্মেলনে ভাষণ দিতে গিয়েই প্রেসিডেন্ট মুক্তকণ্ঠে স্বীকার করে নেন ভারতীয় অভিবাসীদের অবদান। প্রেসিডেন্ট বলেন, “আমি লোকজনকে জিজ্ঞাসা করছিলাম ভারতীয় অভিবাসীরা আমাদের দেশে কতগুলো কল-কারাখানা বানিয়েছেন। তারা আমায় বলল, তাঁরা (ভারতীয় অভিবাসীরা) ফিরে আসার পর থেকে এ পর্যন্ত প্রায় ৯০০ কল-কারখানা স্থাপন করেছেন।” ভারতীয় অভিবাসীদের দেশ থেকে তাড়ানো যে ঠিক হয়নি, তাও স্বীকার করে নিয়েছেন প্রেসিডেন্ট ইয়েওরি মুসেভানি। উগান্ডা থেকে এশিয়ান, বিশেষত ইন্ডিয়ান-উগান্ডানদের তাড়ানো হয়েছিল ইদি আমিনের শাসনকালে। এদিন সে প্রসঙ্গ টেনে মুসেভানি বলেন, “সরকার কাজটি (ইন্ডিয়ান-উগান্ডানদের তাড়ানো) ভুল করেছিল।”

    কী বললেন মুসেভেনি?

    উগান্ডার প্রেসিডেন্ট বলেন, “নন-অ্যালায়েড মুভমেন্টের (NAM Summit) অন্তর্ভুক্ত দেশগুলিও কখনও কখনও ভুল করেছিল। এই যেমন উগান্ডায় করেছিল।” প্রসঙ্গত, আমিনের শাসনকালে ভারত-উগান্ডা সম্পর্ক তলানিতে এসে ঠেকেছিল। যার জেরে এক সময় উগান্ডার সঙ্গে সম্পর্ক ছেদ করে ভারত। আমিনের সিদ্ধান্তের প্রভাব যে উগান্ডার অর্থনীতিতে পড়েছিল, তাও মনে করিয়ে দেন প্রেসিডেন্ট। বলেন, “নন-অ্যালায়েড মুভমেন্টে আপনাদের একজন নেতা ছিলেন, যিনি দেশীয় অর্থনীতির বারোটা বাজিয়ে ছেড়েছিলেন। যাঁদের দেশ থেকে তাড়ানো হয়েছিল, চিনি, হোটেল এবং ইস্পাত উৎপাদন-সহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে তাঁদের অবদান কম নয়।”

    আরও পড়ুুন: অযোধ্যায় ফিরছেন রাম, পুরুষোত্তমের পদধূলি ধন্য জায়গাগুলি জানেন?

    মুসেভেনি বলেন, “আমাদের (নন-অ্যালায়েড মুভমেন্ট) দেশগুলিতে বিনিয়োগের পরিবেশ খতিয়ে দেখা হয়। আমরা এই সব লোকদের দেশ থেকে তাড়িয়ে দিয়েছিলাম। পরে সরকারে ফেরে আমার দল। তারপর ফিরিয়ে আনা হয় তাঁদের। আমরা আমাদের এশিয়ান নাগরিক বা অ-নাগরিকদের সম্পত্তি ফিরিয়ে দিয়েছি। অথচ এঁদেরই তাড়িয়ে দিয়েছিলেন ইডি আমিন। আমরা তাঁদের ফিরিয়ে এনেছি। এনিয়ে পার্লামেন্টে উত্তপ্ত বাক্য বিনিময়ও হয়েছিল। কেউ বলছিলেন, কাজটি ঠিক হবে না। আমরা বলছিলাম, না, তাঁদের অবশ্যই সম্পত্তি ফেরত দেওয়া হবে। সেই মতো সম্পত্তি ফেরতও দেওয়া হয়েছে।” নন-অ্যালায়েড মুভমেন্ট (NAM Summit) প্রতিষ্ঠায় ভারতের অবদানও স্বীকার করেছেন উগান্ডার প্রেসিডেন্ট।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Ram Temple: অযোধ্যায় ফিরছেন রাম, পুরুষোত্তমের পদধূলি ধন্য জায়গাগুলি জানেন?

    Ram Temple: অযোধ্যায় ফিরছেন রাম, পুরুষোত্তমের পদধূলি ধন্য জায়গাগুলি জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তিনি পুরুষোত্তম। তিনি (Ram Temple) অবতার। দুষ্ট দমন করে শিষ্ট পালন করতেই তিনি ধারণ করেছিলেন পার্থিব দেহ। যে শরীর ধারণ করলে কষ্ট পায় জীব, সেই পঞ্চভৌতিক শরীর ধারণ করে দুঃখ-কষ্ট-বিরহ-দহনজ্বালা তিনি সয়েছেন আর পাঁচটা সাধারণ মানুষের মতো।

    ভগবান রাম

    ভারতভূমে প্রতিষ্ঠা করেছেন রামরাজ্য। তাই তিনি হয়েছেন মহাকাব্যের কেন্দ্রীয় চরিত্র। এই চরিত্রের পায়েই প্রণতি স্বীকার করেন আসমুদ্রহিমাচলবাসী। আবার নিছকই মহাকাব্যীয় কল্প-চরিত্র বলে গল্পকথা রটিয়ে দেয় অর্বাচিনের দল। এহেন মর্যাদা পুরুষোত্তম রামের জন্য তৈরি হয়েছে আস্ত একটি মন্দির। বানর সেনার সেতু বন্ধনের মতো যে মন্দির তৈরিতে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে সাহায্য করেছেন তামাম ভারতবাসী। যে মন্দিরে ২২ জানুয়ারি, সোমবার প্রতিষ্ঠিত হবে তাঁর বালকরূপের প্রতিমূর্তি। রচনা হবে নয়া ইতিহাস। যে ইতিহাসের সাক্ষী থাকবেন দেশ-বিদেশের হাজার আটেক মানুষ। তাঁরা সবাই (Ram Temple) যে ভক্ত, তা নন। তবে তাঁদের প্রত্যেকের কাছে রাম মর্যাদা পুরুষোত্তম।

    পুরুষোত্তমের পদধূলি ধন্য ‘মহাভারত’

    এহেন অবতার পুরুষোত্তমের পদধূলিতে ধন্য হয়েছে ‘মহাভারত’। অযোধ্যায় তিনি প্রকাশিত হন সেই কোন ইতিহাসের কালে। তারপর তাঁর দৃপ্ত পদচারণা অখণ্ড ভারতে। যে ভারতভূম ছিল তাঁর এক সময়ের লীলাভূমি, সেখানেই তিনি ছিলেন নিজ ভূমে পরদেশির মতো। তারপর সরযূ নদী দিয়ে বয়ে গিয়েছে সময়ের স্রোত। প্রধানমন্ত্রী হয়েছেন নরেন্দ্র মোদি। আক্ষরিক অর্থেই এবার রাজপ্রাসাদে ঠাঁই পেতে চলেছেন ভগবান রাম।

    অযোধ্যা

    তাঁর শৈশবের লীলাভূমি অযোধ্যা (Ram Temple) এখন ফৈজাবাদ জেলার অন্তর্ভুক্ত। এই অযোধ্যায়ই কেটেছিল তাঁর শৈশব-বাল্য-কৈশোর। পরে বিয়ে হয় তাঁর। সীতাকে বিয়ে করতে তিনি গিয়েছিলেন নেপালের জনকপুরে। পরে পিতা দশরথের প্রতিজ্ঞা পালনে তিনি হন বনবাসী। তাঁর সঙ্গ নেন স্ত্রী সীতা ও ভাই লক্ষ্মণ। এর পর লঙ্কার রাবণ কর্তৃক অপহৃত হন সীতা।

    অশোকবন

    একদা রাজনন্দিনীর ঠাঁই হয় রাবণের অশোক বনে। বানর সেনার সহায়তায় সেখানে গিয়ে সীতাকে উদ্ধার করেন রাম। এজন্য তুমুল যুদ্ধ হয় লঙ্কায়। যে যুদ্ধে হত হন রাবণ। আসুরিক শক্তি অবনত হয় পুরুষোত্তম রামের পায়ে। সীতা এলিয়ার গ্রামের এই অশোক বনে রয়েছে সীতা আম্মার মন্দির।

    চিত্রকূট-পঞ্চবটী

    রামের (Ram Temple) পদধূলিতে ধন্য হয়েছে মধ্যপ্রদেশও। এখানে চিত্রকূট পাহাড়ের কাছে নদী তীরে লক্ষ্মণ তৈরি করেছিলেন কুটির। এখানেই রামের সঙ্গে সাক্ষাৎ হয়েছিল ভাই ভরতের। এখান থেকেই রামের পাদুকা নিয়ে ভারত ফিরে যান অযোধ্যায়। নাসিকের পঞ্চবটী বনে রাম-সীতার বসবাসের জন্য কুটির তৈরি করেছিলেন লক্ষ্মণ। এখান থেকেই অপহৃত হন সীতা। অন্ধ্রপ্রদেশের লেপাক্ষীও ধন্য হয়েছে রামের পদধূলিতে। এখানেই সীতা চুরির ঘটনার কথা রাম জানতে পারেন ভক্ত জটায়ূর কাছে। এখানেই ডানা কাটা অবস্থায় পড়েছিলেন জটায়ূ। এখানেই শাপোদ্ধার হয় শবরীর, রামের অপেক্ষায় এক যুগ ধরে পাথর হয়ে পড়েছিলেন যিনি।

    আরও পড়ুুন: গোধরা গণহত্যায় হত ৫৮ করসেবকের পরিবারের সদস্যদের আমন্ত্রণ অযোধ্যায়

    রামেশ্বরম

    তামিলনাড়ুর রামেশ্বরম এবং ধনুষ্কোটিও রয়েছে রামের লীলাভূমির তালিকায়। ভক্ত হনুমান যখন সীতাকে অশোক বনে খুঁজে পেলেন, তখন রাম এই জায়গাটিতে একটি ধনুক পুঁতে রাখেন। সীতা উদ্ধারে লঙ্কায় যেতে বানর সেনার সাহায্যে এখানেই হয়েছিল সেতুবন্ধন। রাবণকে পরাস্ত করে দিভিরুমপোলা এলাকা থেকেই সীতাকে সঙ্গে নিয়ে অযোধ্যার দিকে রওনা দেন রাম। শ্রীঙ্গভেরপুরে গঙ্গা পার হন রাম-লক্ষ্মণ-সীতা। গঙ্গা পেরিয়ে রাম-লক্ষ্মণ-সীতা পৌঁছান প্রয়াগের ত্রিবেণী সঙ্গমে। এখানেই ভরদ্বাজ ঋষির সঙ্গে সাক্ষাৎ হয় রামের। পরে ভাই ও স্ত্রীকে সঙ্গে নিয়ে রাম চলে যান চিত্রকূট পর্বতের দিকে। রামটেক এখানে ঋষি অগস্ত্যর কাছে ব্রহ্মাস্ত্রের বিষয়ে জানেন রাম।

    দণ্ডকারণ্য

    সেখান থেকে তাঁরা চলে যান ছত্তিশগড়ের দণ্ডকারণ্যে। আশীর্বাদ নেন অত্রি ঋষির। তাঁর স্ত্রী অনসূয়া সীতার হাতে তুলে দেন তাঁর হারানো গয়নার কয়েকটি। দণ্ডকারণ্যের পর তাঁরা যান কর্নাটকের কিষ্কিন্ধ্যায়। এখানেই রাম-লক্ষ্মণের সঙ্গে সাক্ষাৎ হয় বালি ও সুগ্রীবের। কিষ্কিন্ধ্যার হৃত সাম্রাজ্য ফেরত পেতে সুগ্রীবকে সাহায্যও করেছিলেন রাম। লঙ্কায় যাওয়ার যে সেতু তৈরি করা হয়েছিল, সেই সেতু রাম সেতু নামে পরিচিত। ভান্ডারদারা, তুলজাপুর, সুরিবানা, কোপ্পালের ধুলোয়ও রয়েছে মর্যাদা পুরুষোত্তমের পদচিহ্ন। তিরুচিরাপল্লি, রামপদ এবং রামনাথপূরম ধন্য হয়েছে তাঁর পদধূলিতে।  সুভেলায় সেনাদের একত্রিত করেছিলেন রাম।

    আলাইমান্নার

    শ্রীলঙ্কায় রয়েছে আলাইমান্নার সমুদ্র সৈকত। এখানেই ভয়ঙ্কর যুদ্ধ হয়েছিল রাম-রাবণের। ব্রহ্মাস্ত্র দিয়ে এই জায়গায়ই দশানন বধ করেন রাম। দুষ্ট দমন শেষে শিষ্ট পালন করতে পুরুষোত্তম অযোধ্যায় প্রতিষ্ঠা করেন রামরাজ্য। সোমবার তাঁর শৈশব-বাল্য-কৈশোরের সেই লীলাভূমিতেই প্রতিষ্ঠিত (Ram Temple) হবেন রামলালা। আবারও প্রতিষ্ঠা হবে রামরাজ্য। যে রাজ্যে সুখে কাল কাটাবেন ভারতবাসী। মন দেবেন রাম-নাম জপে। অস্ফুটে বলবেন, ‘মন জপ নাম…’।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Amit Shah: “ভারতের সাংস্কৃতিক ঐক্য তুলে ধরে বাথৌ ধর্ম”, বললেন শাহ

    Amit Shah: “ভারতের সাংস্কৃতিক ঐক্য তুলে ধরে বাথৌ ধর্ম”, বললেন শাহ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “ভারতের সাংস্কৃতিক ঐক্য তুলে ধরে বাথৌ ধর্ম।” কথাগুলি বললেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah)। তিন দিনের অসম, মেঘালয় সফরে গিয়েছেন শাহ। অসমের শোনিতপুরে ১৩তম ট্রেন্নিয়াল বাথৌ মহাসভা কনফারেন্সে যোগ দেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। সেখানে ভাষণ দিতে গিয়ে বোড়োল্যান্ড সমস্যার সমাধানে প্রধানমন্ত্রীর উদ্যোগের ভূয়সী প্রশংশা করেন শাহ।

    শাহের মুখে মোদি-স্তুতি

    প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির জন্যই যে উত্তর-পূর্বে হিংসা দমন সম্ভব হয়েছে, তাও জানান তিনি। এর পরেই কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী চলে যান বাথৌনিজমের অন্তর্নিহিত দর্শনের আলোচনায়। এই ধর্মের মধ্যে যে নৈতিকতা রয়েছে, তাও তুলে ধরেন তিনি। ১৯৬২ সালে গুয়াহাটিতে প্রতিষ্ঠিত হয় দুলারাই বাথৌ গৌথাম। এই প্রতিষ্ঠান বোড়ো সম্প্রদায়কে বাথৌ ধর্মে দীক্ষিত করতে নিরলস চেষ্টা করে চলেছে। মহাসভা যে বাস্তব ও বৈজ্ঞানিক উপায়ে (Amit Shah) বোড়ো সম্প্রদায়ের মধ্যে যেভাবে বাথৌইজমের বীজ প্রোথিত করছে, তারও প্রশস্তি শোনা যায় কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর মুখে।

    বাথৌ ধর্মের তাৎপর্য 

    মাঘ মাসের দ্বিতীয় মঙ্গলবার বাথৌ পুজো উপলক্ষে ছুটি ঘোষণা করেছেন অসমের হিমন্ত বিশ্বশর্মার সরকার। এদিন সে প্রসঙ্গের উল্লেখ করে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, সরকার বিভিন্ন ধর্মের মানুষকে তাঁর ধর্ম পালনে সুযোগ দিয়েছে। বাথৌ ধর্ম সম্পর্কে বলতে গিয়ে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “ ‘বা’ শব্দের অর্থ হল ‘পাঁচ’। ‘থৌ’ শব্দ ব্যবহার করা হয় ‘গভীর’ বোঝাতে। সুতরাং ‘বাথৌ’ শব্দের অর্থ হল, ‘মহাবিশ্বের পাঁচটি উপাদান’ (পঞ্চভূত) এবং তাদের মধ্যে লুক্কায়িত পারস্পরিক সম্পর্ক। বাথৌবাদের মূল কথা হল, এই পাঁচটি উপাদানের অন্তর্নিহিত ঐক্য। প্রকৃতির পুজোর ক্ষেত্রে লুকিয়ে থাকা দর্শন বুঝতেও সাহায্য করে এই ধর্ম।”

    আরও পড়ুুন: ‘ডাকাত আর চোরের যুগলবন্দি পিসি-ভাইপো,’ তীব্র কটাক্ষ শুভেন্দুর

    বাথৌবাদের মধ্যে যে পাঁচটি নীতি রয়েছে, ভাষণ দিতে গিয়ে তার ওপরও আলোকপাত করেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। বাথৌবাদের মূল নীতি হল দয়া, সত্য, এবং ঘৃণা পরিত্যাগ। শাহ বলেন, “বোড়ো সম্প্রদায়ের মানুষ তাঁদের সংস্কৃতি রক্ষা করছেন। চ্যালেঞ্জ উপেক্ষা করেও তাঁরা তাঁদের সংস্কৃতি রক্ষা করে চলেছেন।” প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে যে বোড়ো চুক্তি হয়েছে, উত্তর-পূর্বের বিভিন্ন রাজ্যে যে কাঙ্খিত শান্তি ফিরে এসেছে, তারও উল্লেখ করেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী (Amit Shah)।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     
     
  • Maldives India Row: ভারতীয় বিমান ব্যবহারে না মুইজ্জু সরকারের, মলদ্বীপে বেঘোরে মৃত্যু কিশোরের

    Maldives India Row: ভারতীয় বিমান ব্যবহারে না মুইজ্জু সরকারের, মলদ্বীপে বেঘোরে মৃত্যু কিশোরের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মলদ্বীপের চিনপন্থী প্রেসিডেন্টের একগুঁয়ে মনোভাবের বলি কিশোর! শনিবার দ্বীপরাষ্ট্রে মৃত্যু হয়েছে বছর চোদ্দর ওই কিশোরের (Maldives India Row)। তাকে এয়ারলিফ্টের জন্য ভারতের দেওয়া ডর্নিয়ার বিমান ব্যবহার করার অনুমতি দেয়নি মহম্মদ মুইজু প্রশাসন। তার জেরেই অসুস্থ ওই কিশোরটির মৃত্যু হয়েছে বলে দাবি পরিবারের।

    মুইজ্জু সরকার

    গত নির্বাচনে দ্বীপরাষ্ট্রের ক্ষমতায় আসে চিনপন্থী মুইজ্জুর সরকার। তার পর থেকে পরম মিত্র ভারতের সঙ্গে দূরত্ব তৈরি হতে শুরু করে মলদ্বীপের। দুই দেশের সম্পর্ক যখন প্রায় তলানিতে, তখন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে কটাক্ষ করে বসে মলদ্বীপের তিন জুনিয়র মন্ত্রী। তার পরে ভারত-মলদ্বীপের সম্পর্কে আক্ষরিক অর্থেই ফাটল ধরে। বিশ্ব নেতা মোদিকে কক্ষাট করায় ঘরে-বাইরে চাপের মুখে পড়ে যায় মুইজ্জু প্রশাসন। বাধ্য হয়ে (Maldives India Row) সাসপেন্ড করে অভিযুক্ত তিন মন্ত্রীকে। তার পরেও অবশ্য উন্নতি হয়নি দুই দেশের সম্পর্কের। এহেন আবহে অসুস্থ বালককে ভারতীয় বিমান ব্যবহারের অনুমতি না দিয়ে ব্যাপক সমালোচনার মুখে পড়েছে মুইজ্জুর সরকার।

    বেঘোরে মৃত্যু কিশোরের

    জানা গিয়েছে, ওই কিশোরের ব্রেন টিউমার ছিল। স্ট্রোক হওয়ার পর অবস্থা আশঙ্কাজনক হয়ে পড়ে। তার পরিবারের তরফে বাড়ি গাফ আলিফ ভিলিংগিলি থেকে রাজধানী মলে নিয়ে যাওয়ার জন্য এয়ার অ্যাম্বুলেন্সের অনুরোধ করা হয়। অভিযোগ, অসুস্থ কিশোরের পরিবারের অনুরোধে কান দেয়নি মুইজ্জু সরকার। যার জেরে কার্যত বেঘোরে মৃত্যু হয় ওই কিশোরের। ঘটনার জেরে শোকে মুহ্যমান মৃতের পরিবার। কান্না সামলে কোনওরকমে ওই কিশোরের বাবা বলেন, “ছেলের স্ট্রোকের পরেই আমরা তাকে মালেতে নিয়ে যাওয়ার জন্য আইল্যান্ড অ্যাভিয়েশনকে কল করেছিলাম। কিন্তু তারা আমাদের কলের উত্তর দেয়নি।”

    আরও পড়ুুন: বাঙালি শিল্পীর কণ্ঠে গাওয়া, নজরুলের লেখা ‘রাম বন্দনা’ ট্যুইট করলেন প্রধানমন্ত্রী

    মেডিক্যাল ইভাকুয়েশনের দায়িত্বে থাকা সংস্থা আসান্ধা কোম্পানি লিমিটেডের তরফে জারি করা বিবৃতিতে বলা হয়েছে, “গভীর দুঃখের সঙ্গে আমরা জানাচ্ছি কিশোরটির অকাল প্রয়াণ দুর্ভাগ্যজনক। ১৮ জানুয়ারি ছেলেটিকে জরুরি ভিত্তিতে মেডিকেল ইভাকুয়েশন দেওয়া হয়েছিল। তার পরেও শেষ রক্ষা হয়নি। আসান্ধা কোম্পানির ম্যানেজমেন্ট ও স্টাফেরা শোকন্তপ্ত পরিবারকে সমবেদনা জানাচ্ছে। তাঁদের সঙ্গে সঙ্গে আমরাও আল্লার কাছে কিশোরটির আত্মার শান্তি কামনা করি (Maldives India Row)।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Atal PensionYojana: অটল পেনশন যোজনায় বাড়তে পারে টাকার পরিমাণ, বাজেটে ঘোষণা করবে কেন্দ্র

    Atal PensionYojana: অটল পেনশন যোজনায় বাড়তে পারে টাকার পরিমাণ, বাজেটে ঘোষণা করবে কেন্দ্র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দোরগোড়ায় বাজেট। এই বাজেটে অসংগঠিত ক্ষেত্রের শ্রমিকদের বড় উপহার দিতে পারে কেন্দ্রীয় সরকার। অসংগঠিত ক্ষেত্রের শ্রমিকদের জন্য রয়েছে অটল পেনশন যোজনা (Atal PensionYojana)। আসন্ন বাজেটে এই যোজনার আওতায় পেনশনের পরিমাণ বাড়াতে পারে নরেন্দ্র মোদির সরকার। এ বছরই রয়েছে লোকসভা নির্বাচন। তাই ১ ফেব্রুয়ারি যে বাজেট পেশ হবে, তা পূর্ণাঙ্গ বাজেট নয়। পেশ হবে ভোট অন অ্যাকাউন্ট। এই ভোট অন অ্যাকাউন্টেই অসংগঠিত ক্ষেত্রের শ্রমিকদের জন্য বড় ঘোষণা করতে পারেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামণ।

    কত টাকা বাড়তে পারে?

    পেনশন ফান্ড রেগুলেটরি অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট অথরিটির চেয়ারম্যান দীপক মোহান্তি বলেন, “সরকারকে ইতিমধ্যেই প্রকল্পের পরিমাণ (Atal PensionYojana) বাড়ানোর জন্য অনুরোধ করা হয়েছে। সেক্ষেত্রে লোকসভা নির্বাচনের আগে জনগণকে খুশি করতে সরকার মাসিক সর্বোচ্চ পেনশনের পরিমাণ পাঁচ হাজার থেকে বাড়িয়ে করতে পারে সাত হাজার।” তিনি জানান, দেশে যেভাবে মুদ্রাস্ফীতি বাড়ছে, তাতে পাঁচ হাজার টাকার পেনশনে কিছুই হয় না। এই বিষয়টি মাথায় রেখেই পেনশনের সর্বোচ্চ পরিমাণ বাড়ানোর আর্জি জানানো হয়েছে। প্রসঙ্গত, বর্তমানে অটল পেনশন যোজনার শেয়ারহোল্ডার রয়েছেন ৫.৩ কোটিরও বেশি মানুষ।

    অটল পেনশন যোজনা

    অটল পেনশন যোজনায় প্রতি মাসে এক হাজার থেকে পাঁচ হাজার টাকা পর্যন্ত পেনশন পাওয়া যায়। এই প্রকল্পে ভারত সরকারের গ্যারান্টিও থাকে। এই পেনশন স্কিমের সুবিধা পেতে হলে আবেদনকারীর বয়স হতে হবে আঠারো থেকে চল্লিশ বছরের মধ্যে। অসংগঠিত ক্ষেত্রের শ্রমিকরা যাতে বার্ধক্যে পৌঁছে আর্থিক কষ্টে না পড়েন, তাই ২০১৫-১৬ সালের বাজেটে অটল পেনশন যোজনা চালু করেছিল নরেন্দ্র মোদির সরকার। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বেড়েছে এই প্রকল্পের জনপ্রিয়তা। এই যোজনার সুবিধা ভোগ করতে গেলে বেসরকরারি কিংবা অসংগঠিত ক্ষেত্রের কোনও শ্রমিক যদি মাসে পাঁচ হাজার টাকা পেনশন পেতে চান, তাহলে তাঁকে প্রতিদিন সাত টাকা করে জমা দিতে হয়। ভারতের যে কোনও নাগরিকই এই প্রকল্পের (Atal PensionYojana) সুবিধা নিতে পারেন। তবে যাঁরা আয়কর দেন, তাঁরা এই প্রকল্পে বিনিয়োগ করতে পারবেন না।

    আরও পড়ুুন: রাম মন্দির উদ্বোধনের আগে নজরুলগীতির ভিডিও পোস্ট প্রধানমন্ত্রীর!

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Nusrat Jahan: আদালতের নির্দেশ মেনে সশরীরে হাজিরা তৃণমূলের নুসরতের, সঙ্গে ছিলেন যশও

    Nusrat Jahan: আদালতের নির্দেশ মেনে সশরীরে হাজিরা তৃণমূলের নুসরতের, সঙ্গে ছিলেন যশও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আদালতের নির্দেশ মেনে শনিবার সশরীরে হাজিরা দিলেন সাংসদ তৃণমূলের নুসরত জাহান (Nusrat Jahan)। এদিন আলিপুর আদালতে হাজিরা দেন তিনি। ১৬ জানুয়ারি আলিপুর জজ কোর্ট নির্দেশ দিয়েছিল, আদালতে নুসরতকে হাজিরা দিতে হবে সশরীরে।

    সশরীরে হাজিরার নির্দেশ

    আলিপুর আদালত তাঁকে সশরীরে হাজিরা দেওযার নির্দেশ দিয়েছিল। নিম্ন আদালতের সেই নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে আলিপুর জজ কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন তৃণমূলের তারকা সাংসদ। সেখানে নিম্ন আদালতের রায়ই বহাল রাখে জজ কোর্ট। সেই নির্দেশ মেনেই এদিন আদালতে হাজিরা দেন তৃণমূল নেত্রী। তাঁর সঙ্গে আদালতে গিয়েছিলেন অভিনেতা যশ দাশগুপ্তও। যশকে পাশে নিয়েই আদালতে আইনজীবী মারফত বন্ড দেন নুসরত।

    প্রতারণায় অভিযুক্ত নুসরত

    টাকা নিয়েও রাজারহাটে ফ্ল্যাট না দেওয়ার অভিযোগ ওঠে তৃণমূল নেত্রী নুসরতের (Nusrat Jahan) বিরুদ্ধে। একটি ব্যাঙ্কের কর্মীদের কাছ থেকে ফ্ল্যাট দেওয়ার নামে টাকা নেয় সেভেন সেন্স ইনফ্রাস্ট্রাকচার প্রাইভেট লিমিটেড। এই সংস্থার ডিরেক্টর ছিলেন নুসরত। ২০১৩-১৪ সালে ৪২৯ জনের কাছ থেকে পাঁচ লক্ষ পঞ্চান্ন হাজার টাকা করে নেয় ওই সংস্থা। সব মিলিয়ে সংস্থার আয়ের অঙ্ক দাঁড়ায় ২৩ কোটি ৮০ লক্ষ ৯৫ হাজার টাকা। অভিযোগ, টাকা দেওয়ার পরেও গত ন’ বছরে কেউ ফ্ল্যাট পাননি। তাঁদের টাকায় নুসরত নিজে একটি ফ্ল্যাট কেনেন বলে অভিযোগ। তার পরেই আদালতের দ্বারস্থ হন প্রতারিতরা।

    আরও পড়ুুন: রাম মন্দির উদ্বোধনের আগে নজরুলগীতির ভিডিও পোস্ট প্রধানমন্ত্রীর!

    অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত শুরু করে কলকাতা পুলিশ ও ইডির গোয়েন্দারা। নুসরতকে তলব করে ইডি। গত সেপ্টেম্বরে সিজিও কমপ্লেক্সে তৃণমূলের তারকা নেত্রীকে প্রায় সাড়ে ছ’ ঘণ্টা ধরে জিজ্ঞাসাবাদ করে ইডি। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার প্রশ্ন-বাণ সামলে বেরিয়ে সাংবাদিক বৈঠকে নুসরত জানান, অভিযোগ যখন করা হয়, তার ঢের আগেই সংশ্লিষ্ট সংস্থা ছেড়ে দেন নুসরত। তাঁর দাবি, ওই কোম্পানি থেকে ঋণ বাবদ টাকা নিয়েছিলেন তিনি। পরে শোধ করে দিয়েছেন ঋণের টাকা। ব্যাঙ্কের সব নথিও তাঁর কাছে রয়েছে বলে জানিয়েছিলেন তৃণমূল নেত্রী। যদিও সংস্থার ডিরেক্টর রাকেশ সিংহ জানান, নুসরতকে (Nusrat Jahan) কোনও ঋণ দেননি তাঁরা।

     

LinkedIn
Share