Tag: NIA

NIA

  • Dawood Ibrahim: মুম্বইজুড়ে দাউদ-সঙ্গীদের খোঁজে হানা এনআইএ-র, গ্রেফতার ছোটা শাকিলের ভগ্নিপতি

    Dawood Ibrahim: মুম্বইজুড়ে দাউদ-সঙ্গীদের খোঁজে হানা এনআইএ-র, গ্রেফতার ছোটা শাকিলের ভগ্নিপতি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গ্যাংস্টার(gangster) ছোটা শাকিলের(Chota Shakeel) এক সাগরেদকে আটক করেছে জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা এনআইএ (NIA)। পলাতক গ্যাংস্টার দাউদ ইব্রাহিমের (Dawood Ibrahim) সঙ্গীদের খোঁজে সোমবার সকালে মুম্বইয়ের (Mumbai) একাধিক জায়গায় তল্লাশি চালায় এনআইএ। সেই সময়ই আটক করা হয় ছোটা শাকিলের সাগরেদ সালিম কুরেশি ওরফে সালিম ফ্রুটকে। সালিম ছোটা শাকিলের বোনের স্বামী। এদিন দক্ষিণ মুম্বইয়ের ভেন্ডি বাজার এলাকা থেকে আটক করা হয় তাকে।

    দাউদের সঙ্গীদের খোঁজে মুম্বইয়ের অন্তত ২০টি জায়গায় এদিন দুপুর পর্যন্ত তল্লাশি করেছে জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা। এর মধ্যে রয়েছে বান্দ্রা, নাগাপোড়া, বোরিভেলি, গোরেগাঁও, পারেল, সান্তাক্রুজের মতো অভিজাত এলাকাগুলি। কুখ্যাত ওই গ্যাংস্টারের চক্রের খোঁজের নাগাল পেতে তল্লাশি চালানো হয়েছে মাদক পাচারকারী, হাওয়ালা অপারেটর, রিয়েল এস্টেট ম্যানেজার সহ দাউদের একাধিক সাগরেদের বাড়িতে। তল্লাশির ব্যাপারে এদিন বিবৃতি জারি করে এনআইএ। বিবৃতিতে বলা হয়, বেশ কয়েকটি হাওয়ালা অপারেটর এবং মাদক ব্যবসায়ী দাউদ ইব্রাহিমের (Dawood Ibrahim) সঙ্গে যুক্ত ছিল। এনআইএ ফেব্রুয়ারিতে এ ব্যাপারে একটি মামলা নথিভুক্ত করেছিল। সোমবার থেকে অভিযান শুরু হয়েছে।

    দেশে নানা অপরাধ ও অশান্তি সৃষ্টি করার চেষ্টার অভিযোগে মামলা দায়ের হয়েছে দাউদের সাগরেদদের বিরুদ্ধে। মামলা দায়ের হয় বেআইনি কার্যকলাপ প্রতিরোধ আইনেও (UAPA)। দাউদ গোষ্ঠীর অপরাধ চক্রের জাল কতদূর বিস্তৃত, তা জানতে এবং অপরাধীদের নাগাল পেতে তদন্ত শুরু করে এনআইএ। তবে কেবল দাউদ নয়, ছোটা শাকিল, জাভেদ চিকনা, টাইগার মেনন, ইকবাল মির্চিদের বিরুদ্ধেও তদন্ত শুরু করেছে জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা এনআইএ। প্রথমে দাউদের হাওয়ালা নেটওয়ার্ক ও সম্পত্তির লেনদেন খতিয়ে দেখার কাজ শুরু করে ইডি। ১৫ ফেব্রুয়ারি ইডি-র আধিকারিকরা মুম্বই ও আশপাশের এলাকার ১০ জায়গায় তল্লাশি অভিযান চালায়। 

    এদিকে, আর্থিক জালিয়াতিকাণ্ডে দাউদের ভাই ইকবাল কাসকারকে (Iqbal Kaskar) হেফাজতে নিয়েছে ইডি (ED)। ১৯৯৩ সালে মুম্বই হামলার (1993 Mumbai blasts) নেপথ্যে থাকায় ভারতের মোস্ট ওয়ান্টেড সন্ত্রাসবাদীর তালিকায় রয়েছে দাউদ। ভারত থেকে পালিয়ে এই কুখ্যাত দুষ্কৃতী আশ্রয় নেয় পাকিস্তানে। দাউদ যে সে দেশে রয়েছে ২০২০ সালের অগাস্টে তা স্বীকারও করে পাক সরকার।

     

  • Terror funding case: জঙ্গি দমনে কঠোর এনআইএ, উপত্যকার বিভিন্ন জায়গায় তল্লাশি 

    Terror funding case: জঙ্গি দমনে কঠোর এনআইএ, উপত্যকার বিভিন্ন জায়গায় তল্লাশি 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জঙ্গি দমনে উপত্যকার বিভিন্ন জায়গায় তল্লাশি অভিযান চালাল জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা এনআইএ (NIA)। উত্তর কাশ্মীরে ক্রমবর্ধমান সন্ত্রাস ঠেকাতেই এদিন জম্মু-কাশ্মীর পুলিশ এবং এনআইএ শ্রীনগরের বেশ কিছু অঞ্চলে যৌথ অভিযান চালায়।  সন্ত্রাসে অর্থ যোগানো মামলার জেরেই এই তল্লাশি চলছে বলে আধিকারিক সূত্রে খবর।

    এদিন এনআইএ  শ্রীনগরের ৩টি জায়গায় তল্লাশি চালিয়েছে। বুধবারও তল্লাশি অভিযান চলেছিল বারামুলা ও হান্দওয়াড়ায়। তল্লাশি অভিযানে প্রচুর তথ্য গোয়েন্দাদের হাতে এসেছে বলে সূত্রের খবর। বেশ কিছু মোবাইল ফোন, ল্যাপটপও আটক করা হয়েছে। তল্লাশি অভিযানে এনআইএ-এর সঙ্গে ছিল সিআরপিএফ (CRPF) এবং রাজ্য পুলিশ। পাক-অধিকৃত কাশ্মীরের (Pakistan Occupied Kashmir) সঙ্গে ব্যবসায়ী যোগ রয়েছে, এমন অনেক জায়গায়  তল্লাশি চালানো হয়।

    আরও পড়ুন: জেএমবি জঙ্গি-যোগের খোঁজে ৩ রাজ্যে হানা এনআইএ-র

    অভিযোগ, সীমান্ত পেরিয়ে অস্ত্র তো ঢুকছেই, উপত্যকার জঙ্গিদের কাছে আর্থিক সাহায্যও পৌঁছে যাচ্ছে সঠিক সময়। সন্ত্রাসে আর্থিক মদত দিচ্ছে কারা বা কোন সংগঠন, খোঁজ করতেই এদিন সকালে জম্মু-কাশ্মীরের একাধিক জায়গায় তল্লাশি অভিযান চালিয়েছে জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা। গোয়েন্দাদের অনুমান, উপত্যকায় অশান্তি জিইয়ে রাখতে টাকা পাঠাচ্ছে পাক জঙ্গিরা। বিশেষত, লস্কর-ই-তৈইবা। ২০০৮ সাল থেকেই এই অভিযোগের তদন্তে নেমেছে এনআইএ।  জম্মু-কাশ্মীরের পাশাপাশি দিল্লি,হরিয়ানা-সহ বিভিন্ন রাজ্যেও  তল্লাশি চালিয়েছে এনআইএ। 

    সূত্রের খবর, উপত্যকা জুড়ে জঙ্গি নিকেশ অভিযানে আগ্রাসী মনোভাব নিয়ে চলছে কেন্দ্র সরকার। জানুয়ারি থেকে জুন। ২০২২-এর প্রথম ছ’মাসেই জম্মু ও কাশ্মীরে শতাধিক জঙ্গিকে খতম করেছে ভারতীয় সেনা। তার মধ্যে অন্তত ৩০ জন পাকিস্তানি জঙ্গি। ভারতীয় সেনা সূত্রে খবর, এখনও কাশ্মীর উপত্যকায় অন্তত ১৫৮ জন জঙ্গি লুকিয়ে আছে। তাদের সন্ধানে চলছে চিরুনি তল্লাশি। সূত্রের খবর, এই মুহূর্তে আত্মগোপন করে থাকা জঙ্গিদের মধ্যে অধিকাংশই লস্কর-ই-তৈবার। তাদের মতে ৮৩ জন লস্কর জঙ্গি উপত্যকায় লুকিয়ে। আসন্ন অমরনাথ যাত্রায় বিঘ্ন ঘটানোই জঙ্গিদের লক্ষ্য বলেও গোয়েন্দা সূত্রে জানা যাচ্ছে।

  • NIA Chief Dinkar Gupta: এনআইএ-র ডিজি পদে নিযুক্ত হলেন আইপিএস দিনকর গুপ্তা

    NIA Chief Dinkar Gupta: এনআইএ-র ডিজি পদে নিযুক্ত হলেন আইপিএস দিনকর গুপ্তা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ন্যাশনাল ইনভেস্টিগেশন এজেন্সি (National Investigation Agency) বা এনআইএ (NIA)-র নতুন ডিরেক্টর জেনারেল বা ডিজি (Director General) হিসেবে দায়িত্ব নিচ্ছেন আইপিএস দিনকর গুপ্তা (IPS Dinkar Gupta)। বৃহস্পতিবার কেন্দ্রীয় সরকার (Central Government) এনআইএ-এর এই দায়িত্ব তুলে দিলেন পাঞ্জাব ক্যাডারের (Punjab Cadre) এই আইপিএস অফিসারের হাতে। প্রশিক্ষণ ও কর্মীবর্গ দফতরের (Department of Personnel & Training) তরফে জানানো হয়েছে, কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার নিয়োগ কমিটি (Appointments Committee) তাঁর নিয়োগে অনুমোদন দিয়েছে। প্রাক্তন ডিরেক্টর জেনারেল যোগেশ চন্দ্র মোদির (Yogesh Chander Modi) অবসরের প্রায় দেড় বছরের পর এনআইএ -র নতুন ডিরেক্টর জেনারেল পদে দিনকর গুপ্তা নিযুক্ত হলেন। ২০২৪ সালের ৩১ মার্চ পর্যন্ত তিনি এনআইএ-র ডিজির দায়িত্বে থাকবেন। 

    আরও পড়ুন: তিন মাসেই পাঞ্জাবে আপ-সরকারের বিরুদ্ধে জমছে ক্ষোভ!

    বর্তমানে দিনকর গুপ্তা পাঞ্জাব পুলিশ হাউজিং কর্পোরেশনের (Punjab Police Housing Corporation) চেয়ারম্যান পদে রয়েছেন। এর আগে দু’বছর সাত মাসের জন্য পাঞ্জাব পুলিশের (Punjab Police) ডিজি পদে ছিলেন ১৯৮৭ ব্যাচের এই আইপিএস অফিসার। গত বছরের অক্টোবর মাসে চরনজিৎ সিং চান্নি (Charanjit Singh Channi) পাঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার পর তিনি পাঞ্জাব পুলিশ হাউজিং কর্পোরেশনের (Punjab Police Housing Corporation) চেয়ারম্যান পদে নিযুক্ত হন। যদিও পরে তিনি এক মাসের জন্য অবসরে গেলে চেয়ারম্যান পদে ১৯৮৮ ব্যাচের ইকবাল প্রীত সিং সাহোটা কে (Iqbal Preet Singh Sahota) চেয়ারম্যান পদে  নিযুক্ত করেন।

    জঙ্গি দমনে কঠোর এনআইএ, উপত্যকার বিভিন্ন জায়গায় তল্লাশি

    এর পাশাপাশি সাগর দাসকে (Swagar Das) স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের (Ministry of Home Affairs) বিশেষ সচিব (অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা) পদে নিয়োগ করা হয়েছে। ইনি ১৯৮৭ ব্যাচের ছত্তিশগড় ক্যাডারের (Chhattisgarh cadre) আইপিএস অফিসার। আর ইনি বর্তমানে কেন্দ্রের প্রধান গোয়েন্দা সংস্থা ইন্টেলিজেন্স ব্যুরোর (Intelligence Bureau) বিশেষ সচিব।  ২০২৪ এর ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত তিনি এই দায়িত্বে থাকবেন।

     

  • Mohali blast: নেপথ্যে জঙ্গি-যোগ? পঞ্জাবে পুলিশের সদর দফতরে গ্রেনেড হামলার তদন্ত পেতে পারে এনআইএ

    Mohali blast: নেপথ্যে জঙ্গি-যোগ? পঞ্জাবে পুলিশের সদর দফতরে গ্রেনেড হামলার তদন্ত পেতে পারে এনআইএ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মোহালিতে পঞ্জাব পুলিশের (Punjab police) গোয়েন্দা বিভাগের সদর দফতরে গ্রেনেড হামলার তদন্তভার বর্তাতে পারে জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা এনআইএ-র(NIA) ওপর। অন্তত এমনই খবর স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের তরফে। যদিও গ্রেনেড হানার ঘটনাটিকে ছোট ঘটনা বলে মনে করছে পঞ্জাব সরকার।

    মোহালির (Mohali) সেক্টর ৭৭-এ রয়েছে পঞ্জাব পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগের সদর দফতর। সোমবার রাত আটটা নাগাদ দফতরের বিল্ডিংয়ে আছড়ে পড়ে গ্রেনেড। প্রাণহানির কোনও ঘটনা না ঘটলেও, গ্রেনেড হামলার জেরে ভেঙে টুকরো টুকরো হয়ে যায় সদর দফতরের কাচের জানালা। এই হামলার আগে পঞ্জাব পুলিশের কাছে হুমকি চিঠি এসেছিল বলে সংবাদ মাধ্যম সূত্রে খবর।

    যদিও ঘটনাটি ছোট ঘটনা বলে জানায় পঞ্জাবের আম আদমি পার্টির (APP) সরকারের প্রধান ভগবন্ত মান। রাজ্য সরকার যতই ঘটনাটি ছোট করে দেখাক না কেন, তবে রকেট হামলার এই ঘটনাটি মোটেই হালকাভাবে নিচ্ছে না কেন্দ্রীয় সরকার। মোহালির এই বিস্ফোরণের সঙ্গে জঙ্গি যোগের সম্ভাবনা উড়িয়ে দিচ্ছে না অমিত শাহের মন্ত্রক। তদন্তের ভার দেওয়া হতে পারে জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা এনআইএ-র হাতে। গোয়েন্দা দফতরের সামনে গ্রেনেড হামলার ঘটনাকে জঙ্গি কার্যকলাপের অংশ হিসেবেই তারা দেখছে বলে সূত্রের খবর।

    কংগ্রেস সরকারকে পরাস্ত করে পঞ্জাবের কুর্সিতে আসে আম আদমি পার্টি। মুখ্যমন্ত্রী হন ভগবন্ত মান। আপ ক্ষমতার আসার পর থেকে প্রায়ই অশান্তির খবর আসছে পঞ্চনদের রাজ্য থেকে। অথচ বিধানসভা নির্বাচনের আগে আম আদমি পার্টির প্রধান তথা দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল দাবি করেছিলেন, পঞ্জাবের ক্ষমতায় আপ এলে বদলে যাবে রাজ্যের আইনশৃঙ্খলার পরিস্থিতি। বিপুল জনসমর্থন নিয়ে ক্ষমতায় এসেছে আপ। তবে ভোল বদলায়নি রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির।

    পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগের সদর দফতরের সামনে গ্রেনেড হামলার ঘটনা প্রসঙ্গে আপ সুপ্রিমো কেজরিওয়াল বলেন, পরিকল্পিতভাবে পঞ্জাবের শান্তি নষ্ট করার চেষ্টা চলছে। মোহালি বিস্ফোরণ একেবারে কাপুরুষোচিত কাজ। আমরা কিছুতেই পঞ্জাবের শান্তি বিঘ্নিত হতে দেব না।

     

  • Arjun Singh: অর্জুন সিংয়ের বাড়ির সামনে বোমা,  এনআইএ-র হাতে গ্রেফতার তৃণমূল কাউন্সিলরের ছেলে

    Arjun Singh: অর্জুন সিংয়ের বাড়ির সামনে বোমা, এনআইএ-র হাতে গ্রেফতার তৃণমূল কাউন্সিলরের ছেলে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এনআইএ-র (NIA) হাতে গ্রেফতার তৃণমূল কাউন্সিলরের ছেলে। বিজেপি সাংসদ অর্জুন সিংয়ের(Arjun singh) বাড়ির সামনে বোমা রাখার অভিযোগে গ্রেফতার করা হয় তাঁকে। ব্যারাকপুরের বিজেপি (BJP) সাংসদ অর্জুন সিংয়ের বাড়ির সামনে থেকে ৪৫টি বোমা উদ্ধার হয়। ওই ঘটনায় তৃণমূল নেতা সুনীল সিংয়ের (Sunil singh) ছেলেকে গ্রেফতার করেছে জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা।

    উনিশের লোকসভা নির্বাচনের আগে আগে তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দেন অর্জুন সিং। তার পর থেকে তাঁকে নানাভাবে হেনস্থা করা হচ্ছে বলে অভিযোগ। বেশ কয়েকবার তাঁর ওপর হামলাও করা হয় বলে অভিযোগ। তৃণমূল নেত্রীর সঙ্গে মতান্তরের জেরে দল ছাড়েন অর্জুন। তাঁর প্রায় সঙ্গে সঙ্গেই দল তৃণমূল সঙ্গ ত্যাগ করেন সুনীলও। একুশের বিধানসভা নির্বাচনে বাংলায় ৭৭টি আসন পায় বিজেপি। রাজ্যের ক্ষমতায় আসে তৃণমূল। এর পরেই বিজেপি সঙ্গ ত্যাগ করে ফের তৃণমূলে যোগ দেন সুনীল। পুরভোটে তৃণমূলের টিকিটে জিতে কাউন্সিলরও হন তিনি।   

    বিজেপিতে যোগ দেওয়ার পর থেকে অর্জুনকে শায়েস্তা করতে উঠেপড়ে লাগে রাজ্যের শাসক দল। একুশের বিধানসভা নির্বাচনের প্রাক্কালে চরমে ওঠে রাজ্যের শাসক দলের অত্যাচার। অর্জুনের বাড়ির সামনে বোমা ছোড়া হয় বলে অভিযোগ। তাঁর বাড়ি লক্ষ্য করেও একবার বোমা ছোড়া হয়। তার পরেও তৃণমূলে ফেরানো যায়নি অর্জুনকে।

    সম্প্রতি অর্জুনের বাড়ির সামনে থেকে উদ্ধার হয় ৪৫টি বোমা। এক সঙ্গে এতগুলি বোমা উদ্ধারের ঘটনায় জঙ্গি যোগের গন্ধ পায় জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা। তদন্ত শুরু হতেই উঠে আসে সুনীলের ছেলের নাম। তার পরেই গ্রেফতার করা হয় তাঁকে। তৃণমূলের দাবি, বিজেপি ছেড়ে শাসক দলে যোগ দিতেই সুনীলকে শায়েস্তা করতে লেগেছে কেন্দ্র। তাই গ্রেফতার করা হয়েছে সুনীলের ছেলেকে। অভিযোগ অস্বীকার করে বিজেপির পাল্টা দাবি, আইনের ঊর্ধ্বে কেউই নন।

    আরও পড়ুন : মুম্বইজুড়ে দাউদ-সঙ্গীদের খোঁজে হানা এনআইএ-র, গ্রেফতার ছোটা শাকিলের ভগ্নিপতি

     

     

     

  • Kerala HC: পাকিস্তানকে বেশি সুন্দর ভাবলে ভুল হবে, অভিমত কেরালা হাইকোর্টের

    Kerala HC: পাকিস্তানকে বেশি সুন্দর ভাবলে ভুল হবে, অভিমত কেরালা হাইকোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক:  ভারতের থেকে পাকিস্তানের ঘাস বেশি সবুজ নয়,বিচ্ছিন্নতাবাদীদের উদ্দেশে এই অভিমত ব্যক্ত করল কেরালা আদালত। কাশ্মীরে সন্ত্রাস প্রসঙ্গে একটি মামলা চলাকালীন এই মত দেয় কে বিনোদ চন্দ্রন এবং সি জয়চন্দ্রনের ডিভিশন বেঞ্চ।
     
    বিচারপতিরা জানান, দেশভাগের পর থেকে পাকিস্তানের সঙ্গে নানা প্রসঙ্গে সমস্যা চলছে ভারতের। তবু ভারতে সংখ্যালঘু  মুসলিমদের বন্দি বানানোর কোনও খবর কখনও শোনা যায়নি। তিনজন বাদে কেরালায় লস্কর-ই-তৈবার কমান্ডার নজির-সহ সবাইকে কাশ্মীরে সন্ত্রাস ছড়ানোর জন্য যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়।

    আদালতের তরফে জঙ্গিদের ধরার জন্য এবং সন্ত্রাস দমনে পদক্ষেপের জন্য কেরালা পুলিশ এবং এনআইএ কে ধন্যবাদ জানানো হয়। একইসঙ্গে বিচ্ছিন্নতাবাদ প্রসঙ্গে আদালতের তরফে বলা হয়  ইতিহাস সাক্ষী রয়েছে, ভারতের থেকে পাকিস্তানের মাটি বেশি সুন্দর নয়। এপার থেকে ওপার প্রসঙ্গে বিচ্ছিন্নতাবাদী মুসলিমরা যা ভাবছেন তা ঠিক নয়।

    কেরলের কোচি এবং কুন্নুরের বিভিন্ন জায়গাতে তল্লাশি শুরু করে এনআইএর আধিকারিকরা বহু জঙ্গি গোষ্ঠীর খোঁজ পায়। মূলত শিক্ষিত যুবকদেরও জঙ্গি প্রশিক্ষণ দেওয়ার জন্য টার্গেট করা হয়। অনলাইনে তাঁদের রেজিস্টার করে পাঠানো হয় সীমান্তের ওপারে। সেখান থেকে প্রশিক্ষণ নিয়ে জঙ্গিরা দেশে সন্ত্রাসাদী কাজ চালায় যা কখনওই কাম্য নয় বলে জানায় আদালত।

  • Gautam Navlakha: যথেষ্ট তথ্য প্রমাণ রয়েছে, এনআইএ আদালতে খারিজ নভলাখার জামিনের আবেদন

    Gautam Navlakha: যথেষ্ট তথ্য প্রমাণ রয়েছে, এনআইএ আদালতে খারিজ নভলাখার জামিনের আবেদন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তাঁর বিরুদ্ধে যথেষ্ট তথ্য প্রমাণ রয়েছে। তাই সমাজকর্মী গৌতম নভলাখার (Gautam Navlakha) জামিনের আবেদন খারিজ করে দিল এনআইএ-র (NIA) বিশেষ আদালত। আদালত জানিয়েছে, প্রাথমিক সাক্ষ্য প্রমাণে তাঁর বিরুদ্ধে ঘটনায় জড়িত থাকার প্রমাণ মিলেছে। প্রকৃতিগতভাবে যা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। শুধু তাই নয়, তাঁর বিরুদ্ধে যথেষ্ট প্রমাণও পাওয়া গিয়েছে। সোমবার এনআইএর বিশেষ আদালতের বিচারক রাজেশ জে কাটারিয়া (Rajesh J Katariya) নভলাখার জামিনের আবেদন খারিজ করে দেন।

    এদিন জামিনের আবেদন খারিজের সময় আদালতের পর্যবেক্ষণ, আবেদনকারীর বিরুদ্ধে যেসব তথ্যপ্রমাণ পাওয়া গিয়েছে, তার ভিত্তিতে এই মামলার সঙ্গে তাঁর যোগের প্রমাণ মিলেছে। চার্জশিট থেকে জানা যাচ্ছে, আবেদনকারীর বিরুদ্ধে যথেষ্ঠ প্রমাণ রয়েছে। প্রাথমিক তদন্তে জানা যাচ্ছে, আবেদনকারী এই ঘটনার সঙ্গে খুব সম্ভবত জড়িত। তিনি জানান, এই অপরাধ প্রকৃতিগতভাবে খুবই সিরিয়াস। অপরাধের গুরুত্ব বিচার করে এবং প্রাথমিক সাক্ষ্য প্রমাণের ভিত্তিতে, তাঁকে জামিন দেওয়া যায় না। 

    ২০১৮ সালে গ্রেফতার করা হয় নভলাখাকে। ইউএপিএ আইনে এনআইএ গ্রেফতার করে তাঁকে। কেবল নাভলাখাকেই নয়, ওই মামলায় মোট ১৬ জনকে গ্রেফতার করেছিল এনআইএ। দেশ বিরোধী কার্যকলাপের অভিযোগে ওই আইনে গ্রেফতার করা হয় তাঁদেরকে। পুলিশের অভিযোগ, ২০১৭ সালের ৩১ ডিসেম্বর পুণের এলগার পরিষদ কনক্লেভে উসকানিমূলক ভাষণ দিয়েছিলেন অভিযুক্তরা। করেছিলেন অর্থ সাহায্যও। পুলিশের আরও অভিযোগ, অভিযুক্তরা মাওবাদী সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত। নাভলাখাদের জ্বালাময়ী ভাষণের জেরেই ভীমা কোরেগাঁও যুদ্ধের দ্বিশত বার্ষিকীতে হিংসার (Bhima Koregaon violence) ঘটনা ঘটেছিল।

    আরও পড়ুন : নতুন আইএসআইএস মডিউলের খোঁজ, ছয় রাজ্যে তল্লাশি চালাল এনআইএ

    জানা গিয়েছে, নভলাখাকে প্রথমে গৃহবন্দি করে রাখা হয়। পরে পাঠানো হয় বিচার বিভাগীয় হেফাজতে। পরে নভি মুম্বইয়ের তালোজা কারাগারে বন্দি করে রাখা হয় এই সমাজকর্মীকে। এদিন নভলাখার হয়ে আদালতে সওয়াল করেন হর্ষবর্ধন আকোলকর এবং ওয়াহাব খান। তাঁদের দাবি, মিথ্যে অভিযোগে গ্রেফতার করা হয়েছে নভলাখাকে। তাঁর বিরুদ্ধে যে অভিযোগ আনা হয়েছে, তার সঙ্গে তাঁর কোনও সম্পর্কই নেই। তাঁদের দাবি, তিনি বৃহত্তর ষড়যন্ত্রের শিকার। যদিও, আদালত গৌতমের জামিন খারিজ করে।
    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • PFI: অসম পুলিশের হাতে দিল্লি থেকে গ্রেফতার পিএফআই পশ্চিমবঙ্গের সভাপতি

    PFI: অসম পুলিশের হাতে দিল্লি থেকে গ্রেফতার পিএফআই পশ্চিমবঙ্গের সভাপতি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গতকাল অসম পুলিশ (Assam Police) ও এনআইএ (NIA) যৌথ অভিযান চালিয়ে সন্ত্রাসবাদে মদত দেওয়ার অভিযোগে ১১ জন পিএফআই (PFI) নেতাকে গ্রেফতার করেছে। দিল্লি থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে সংগঠনের পশ্চিমবঙ্গের সভাপতি মিনারুল শেখকে (Minarul Sheikh)। বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে বারোটা নাগাদ দিল্লিতে (Delhi) গিয়ে অসম পুলিশ গ্রেফতার করে মনিরুলকে। তারপর শুক্রবার তাঁকে গুয়াহাটি (Guwahati) নিয়ে যাওয়া হয়। এছাড়াও করিমগঞ্জ থেকে গ্রেফতার করা হয় পিএফআই-এর বরাক ভ্যালির সাধারণ সম্পাদক বজরুল করিমকে। শুক্রবারই কোর্টে তোলা হয় ১১ জন ধৃতকে। ৫ দিনের পুলিশ হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছে গুয়াহাটি আদালত। তাদের কাছ থেকে প্রচুর ভারত-বিরোধী নথি উদ্ধার হয়েছে বলে দাবি করেছে এনআইএ-র। 

    আরও পড়ুন: পশ্চিমবঙ্গে ১৭টি শাখা খুলে অতিসক্রিয় হয়ে উঠেছে পিএফআই, যোগ মাওবাদীদের সঙ্গেও

    বৃহস্পতিবার সারা ভারতজুড়ে ন্যাশনাল ইনভেস্টিগেশন এজেন্সি মোট ২০ জায়গায় তল্লাশি চালায়। তল্লাশি চলে কলকাতার (Kolkata) তিলজলার এক আবাসনে। জানা গিয়েছে এই আবাসনের চার তলায় ভাড়া নিয়ে পিএফআই একটি অফিস করেছে। ওই অফিস বেশ কয়েক বছর ধরে চলছে বলে দাবি স্থানীয়দের। মহম্মদ আনোয়ার ওই একই তলার বাসিন্দা। তিনি বলেন, “ওই অফিস সারাদিন বন্ধ থাকত। মৌলবী, ইমামরা আসত। সঙ্গে মাথায় টুপি পরে বেশ কিছু যুবক আসত। ওরা কী করত, আমরা জানি না। কোনওদিন ওদের নাম জিজ্ঞাসা করিনি। কারণ ওদের অফিসের দরজা সবসময় ভেতর থেকে লাগানো থাকত।” 

    আরও পড়ুন: এনআইএ হানার প্রতিবাদ, কেরলে পাথর- পেট্রল বোমা ছুড়ে প্রতিবাদ পিএফআই সমর্থকদের

    তদন্তকারী সংস্থা সূত্রের খবর, গত ১০-১১ বছরে তৃণমূল সরকারের আমলে পশ্চিমবঙ্গের (West Bengal) পাঁচ-ছয়টি জেলায় ব্যাপকহারে বেড়েছে পিএফআইয়ের সক্রিয়তা। খোদ কলকাতার বুকেও ট্রেনিং ক্যাম্প করে ক্যাডার নিয়োগ করেছে তারা। তদন্তকারী সংস্থার দাবি, কেরল-কর্নাটক থেকে শুরু হওয়া এই সংগঠন বাংলায় প্রথমে মুর্শিদাবাদে কাজ শুরু করে। ক্রমেই অনুকূল পরিস্থিতি পেয়ে এখন দুই ২৪ পরগনা, মালদহ,নদিয়া, বীরভূম, হাওড়া, কলকাতা এবং উত্তর দিনাজপুরে সব মিলিয়ে কয়েক হাজার ক্যাডার নিয়োগ করেছে তারা।  

    জানা গিয়েছে, ২০০৯ সালে মুর্শিদাবাদে প্রথম পিএফআই কাজ শুরু করে। কলকাতার তপসিয়া এলাকায় রাজ্য দফতর তৈরি হলেও সংগঠনের অধিকাংশ নেতা মুর্শিদাবাদ-মালদহ জেলার। এ রাজ্যে পিএফআইয়ের সভাপতি হলেন হাসিবুল ইসলাম। গত পাঁচ-ছয় বছর পিএফআই কিছুটা অন্তরালে থেকেই কাজ করত। কিন্তু সিএএ-র (CAA) বিষয়টি সামনে আসার পর এ রাজ্যেও পিএফআই প্রকাশ্যে এসে কার্যকলাপ শুরু করে। তদন্তকারী সংস্থার দাবি, কলকাতায় অফিস থাকলেও বহরমপুর থানার অন্তর্গত বাখুরি গ্রামে রয়েছে পিএফআইয়ের সদর দফতর। সেখান থেকে রাজ্যজুড়ে কাজের নিয়ন্ত্রণ হয়ে থাকে।

    বৃহস্পতিবার এনআইএ এবং ইডি উত্তরপ্রদেশ, কেরল, কর্নাটক, অসম, তেলঙ্গানা, মহারাষ্ট্র, অন্ধ্রপ্রদেশ, তামিলনাড়ু, বিহার, পশ্চিমবঙ্গ, মধ্যপ্রদেশে অভিযান চালায়। এখনও পর্যন্ত ১৯৬ জনকে গ্রেফতার করেছে তারা। দেশজুড়ে এই ইসলামিক সংগঠনকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করার দাবি জোড়াল হচ্ছে। বিভিন্ন অসামাজিক ও দেশবিরোধী কার্যকলাপে জড়িত থাকার অভিযোগ উঠেছে ২০০৬ সালে গঠিত, এই সংগঠনটির বিরুদ্ধে। অভিযোগ , সন্ত্রাসে মদত দিচ্ছে পিএফআই। সন্ত্রাসবাদী কার্যকলাপের জন্য অর্থ সংগ্রহ করছে তারা। গোয়েন্দা সূত্রের খবর, কেন্দ্রীয় সরকার খুব শীঘ্রই পপুলার ফ্রন্ট অফ ইন্ডিয়াকে (পিএফআই) নিষিদ্ধ করতে পারে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের কাছে এই দলটিকে বেআইনি ঘোষণা করার জন্য যথেষ্ট প্রমাণও রয়েছে, বলে খবর।  

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • PFI in West Bengal: পশ্চিমবঙ্গে ১৭টি শাখা খুলে অতিসক্রিয় হয়ে উঠেছে পিএফআই, যোগ মাওবাদীদের সঙ্গেও

    PFI in West Bengal: পশ্চিমবঙ্গে ১৭টি শাখা খুলে অতিসক্রিয় হয়ে উঠেছে পিএফআই, যোগ মাওবাদীদের সঙ্গেও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গতকাল সারা দেশজুড়ে পপুলার ফ্রন্ট অব ইন্ডিয়ার (Popular Front of India) বিভিন্ন দফতরে তল্লাশি চালিয়েছে এনআইএ (NIA), ইডি (ED), কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা এবং রাজ্য পুলিশ (West Bengal Police)। সূত্রের খবর, প্রায় শতাধিক পিএফআই (PFI) নেতা-কর্মীকে নির্দিষ্ট অভিযোগে গ্রেফতার করা হয়েছে। আটক হয়েছে দেড়শোর বেশি ফোন, কম্পিউটার অন্যান্য নথি। মূলত দেশজুড়ে উগ্রপন্থা ছড়ানো এবং জঙ্গি কার্যকলাপে (Terror activities) আর্থিক মদতের অভিযোগে পিএফআইয়ের উপর দেশজুড়ে তল্লাশি চলেছে। এনআইএ-র তদন্তে অন্তত চারটি জঙ্গি হানার পিছনে পিএফআইয়ের প্রত্যক্ষ যোগ পাওয়া গিয়েছে। তাতে বাদ যায়নি পশ্চিমবঙ্গও। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থাগুলি পশ্চিমবঙ্গে পিএফআইয়ের সক্রিয়তা দেখেও চমকে উঠেছে।

    বিশেষ করে, গত ১০-১১ বছরে তৃণমূল সরকারের আমলে পশ্চিমবঙ্গের পাঁচ-ছয়টি জেলায় ব্যাপকহারে বেড়েছে পিএফআইয়ের সক্রিয়তা। খোদ কলকাতার বুকেও ট্রেনিং ক্যাম্প করে ক্যাডার নিয়োগ করেছে তারা। তদন্তকারী সংস্থার দাবি, কেরল-কর্নাটক থেকে শুরু হওয়া এই সংগঠন বাংলায় প্রথমে মুর্শিদাবাদে কাজ শুরু করে। ক্রমেই অনুকূল পরিস্থিতি পেয়ে এখন দুই ২৪ পরগনা, মালদহ,নদিয়া, বীরভূম, হাওড়া, কলকাতা এবং উত্তর দিনাজপুরে সব মিলিয়ে কয়েক হাজার ক্যাডার নিয়োগ করেছে তারা। বেশ কিছু হোলটাইমারও পিএফআইয়ের সংগঠন বাড়াতে দিন-রাত কাজ করছে বলে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সূত্রের দাবি।

    আরও পড়ুন: জঙ্গি-যোগ! পিএফআই কে নিষিদ্ধ ঘোষণা করার আর্জি দেশজুড়ে, তল্লাশি চালিয়ে কী পেল এনআইএ?

    জানা গিয়েছে, ২০০৯ সালে মুর্শিদাবাদে প্রথম পিএফআই কাজ শুরু করে। কলকাতার তপসিয়া এলাকায় রাজ্য দফতর তৈরি হলেও সংগঠনের অধিকাংশ নেতা মুর্শিদাবাদ-মালদহ জেলার। এ রাজ্যে পিএফআইয়ের সভাপতি হলেন হাসিবুল ইসলাম। গত পাঁচ-ছয় বছর পিএফআই কিছুটা অন্তরালে থেকেই কাজ করত। কিন্তু সিএএ-র (CAA) বিষয়টি সামনে আসার পর এ রাজ্যেও পিএফআই প্রকাশ্যে এসে কার্যকলাপ শুরু করে। ২০১৯ এর ৯ নভেম্বর রামমন্দির (Ram Mandir) সংক্রান্ত সুপ্রিম কোর্টের (Supreme Court) রায় আসার পর মুর্শিদাবাদে ১৩ নভেম্বর কয়েকশো ক্যাডার নিয়ে প্রতিবাদ মিছিল করে পিএফআই। ইদানীং কলকাতার পার্ক সার্কাস এলাকা, মালদহ, মুর্শিদাবাদ এবং বীরভূমের উত্তরাংশে প্রচার পুস্তিকা এবং লিফলেটও ছড়াচ্ছে তারা।

    কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থাগুলির দাবি, সাংগঠনিক ভাবে পূর্ণিয়া জোনের অধীনে পিএফআইয়ের মুর্শিদাবাদ সাংগঠনিক জেলা পড়ছে। তার মধ্যে পিএফআইয়ের জঙ্গিপুর ডিভিশনের সুতি, সামশেরগঞ্জ, লালগোলা, রঘুনাথগঞ্জ, সাগরদিঘি, বহরমপুর ডিভিশনে ডোমকল, ইসলামপুর, দৌলতাবাদ, বেলডাঙায় শাখা তৈরি হয়েছে। পিএফআইয়ের বেঙ্গল জোনের অধীনে রয়েছে কলকাতা সংলগ্ন এলাকা এবং ওড়িশা। কলকাতা জেলার অধীনে দক্ষিণ ২৪ পরগনা ডিভিশনে মগরহাট ও উস্থিতে শাখা তৈরি হয়েছে পিএফআইয়ের। এছাড়া কলকাতা, হাওড়া, তেলেনিপাড়া, ঘুটিয়ারি শরিফ, সংগ্রামপুর, মল্লিকপুর, বারুইপুরেও পাকাপোক্ত শাখা তৈরি হয়েছে পিএফআইয়ের।

    আরও পড়ুন: পরিকল্পনা করেই পিএফআই-এর বিরুদ্ধে অভিযান! দেশে জঙ্গি-কার্যকলাপ রুখতে সক্রিয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক

    তদন্তকারী সংস্থার দাবি, কলকাতায় অফিস থাকলেও বহরমপুর থানার অন্তর্গত বাখুরি গ্রামে রয়েছে পিএফআইয়ের সদর দফতর। সেখান থেকে রাজ্যজুড়ে কাজের নিয়ন্ত্রণ হয়ে থাকে। কালিকট বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর এক ব্যক্তি রাজ্যে পিএফআইয়ের ক্রমেই অন্যতম মাথা হয়ে উঠছে। এছাড়া রাজ্যে মাওবাদীদের শাখা সংগঠন হিসাবে পরিচিত বেশ কয়েকটি সংস্থার সঙ্গেও পিএফআই নেতৃত্বের ঘনিষ্ঠতার খবর পাওয়া যাচ্ছে। যে ভাবে গত কয়েক বছরে ১৭টি শাখা খুলে পিএফআই বাংলায় তাদের ক্যাডার নিয়োগ এবং জাল বিস্তার করে চলেছে তাতে পরিস্থিতি ঘোরালো হতে পারে বলে জানাচ্ছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। সিএএ বিরোধী আন্দোলনে বহরমপুরে যে দু-তিনটি স্টেশনে ট্রেন জ্বালিয়ে দেওয়া হয়েছিল, সেগুলিতে পিএফআই ক্যাডারদের সক্রিয় ভূমিকা ছিল। দুটি এলাকাতেই পিএফআইয়ের সাংগঠনিক শাখা তৈরি হয়েছে। একইভাবে সিএএ বিরোধী আন্দোলনে কলকাতার পার্ক সার্কাস এলাকা ঘাঁটি তৈরি হলেও নেপথ্যে ছিল পিএফআই। সেই কারণে গত কালের তল্লাশির পর বাংলা নিয়েও বিশেষ পদক্ষেপ করতে চলেছে এনআইএ, ইডি এবং কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থাগুলি।   

LinkedIn
Share