Tag: NIA

NIA

  • NIA: উদয়পুর দরজি খুন নিয়ে চার্জশিট পেশ এনআইএ- র, পাক যোগ?

    NIA: উদয়পুর দরজি খুন নিয়ে চার্জশিট পেশ এনআইএ- র, পাক যোগ?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জুন মাসে এক মর্মান্তিক ঘটনায় কেঁপে ওঠে গোটা দেশ। রাজস্থানের উদয়পুরে কানহাইয়ালাল নামে এক দরজিকে নির্মমভাবে খুন হতে হয় মৌলবাদীদের হাতে। বৃহস্পতিবার ন্যাশনাল ইনভেস্টিগেশন এজেন্সি (NIA) এই মামলার দুই প্রধান আসামী, মহম্মদ রিয়াজ আত্রি এবং মহম্মদ গৌস সহ ১১ জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট পেশ করেছে। চার্জশিটে নাম রয়েছে দুই পাকিস্তানি নাগরিকেরও।  

    আরও পড়ুন: “যত তাড়াতাড়ি হয় ততই ভালো”, ইউক্রেন যুদ্ধ ইতি টানতে চায় পুতিন

    চলতি বছর জুন মাসে রাজস্থানের উদয়পুরের দরজি কানহাইয়ালালকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে খুন করা হয়। এমনকী আতঙ্কের পরিবেশ তৈরি করতে কানহাইয়ালালের মাথা কেটে নেওয়া হয়। এই ঘটনায় অভিযুক্ত মহম্মদ গাউস ও রিয়াজ মহম্মদকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

    কী জানিয়েছে এনআইএ?   

    কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থার (NIA) মুখপাত্র এ বিষয়ে বলেন, “হত্যার ভিডিও সারা দেশে জনসাধারণের মধ্যে আতঙ্ক তৈরি করতে ছড়িয়ে দেওয়া হয়েছিল।” হত্যার ঘটনাটি প্রথমে রাজস্থানের উদয়পুর জেলার ধানমন্ডি থানায় নথিভুক্ত করা হয়েছিল এবং পরে এনআইএ এই মামলার তদন্তভার কাঁধে তুলে নেয়। ভারতীয় দণ্ডবিধি, বেআইনি কার্যকলাপ আইন এবং অস্ত্র আইনের বিভিন্ন ধারায় জয়পুরের একটি বিশেষ এনআইএ আদালতে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে চার্জশিট পেশ করেছে ওই গোয়েন্দা সংস্থা। 

    এনআইএ- র (NIA) মুখপাত্র আরও বলেন, “তদন্তে জানা গিয়েছে যে অভিযুক্ত ব্যক্তিরা, সন্ত্রাসী গ্যাং-মডিউল হিসাবে কাজ করে। প্রাক্তন বিজেপি মুখপাত্র নূপুর শর্মার বিরুদ্ধে প্রতিশোধ নেওয়ার ষড়যন্ত্র করা হয়েছিল। নূপুর শর্মার পয়গম্বরকে নিয়ে করা মন্তব্যের জেরেই এই ষড়যন্ত্র।”  

    তিনি (NIA) আরও বলেন, “অভিযুক্তরা উগ্রপন্থী কার্যকলাপ থেকে এবং ভারতের ভিতরে এবং বাইরে প্রচারিত অডিও- ভিডিও বার্তা থেকে অনুপ্রেরণা পেয়েছিল। অভিযুক্তরা পুরো পরিকল্পনা মাফিক হত্যাকাণ্ড ঘটায়। ফেসবুক পোস্টের প্রতিক্রিয়া হিসাবে প্রকাশ্য দিবালোকে হত্যা করা কানহাইয়ালালকে এবং তাঁর দোকানে এক সহকর্মীকেও খুনের পরিকল্পনা ছিল আততায়ীদের।” 

    এনআইএ (NIA) চার্জশিটে অভিযুক্ত হিসেবে যাদের নাম রয়েছে তারা হল, মোহাম্মদ রিয়াজ আত্তারি, গাউস মহম্মদ, মহসিন খান, আসিফ হুসেন, মহাম্মদ মহসিন, ওয়াসিম আলী, ফরহাদ মহম্মদ শেখ, মহম্মদ জাভেদ, মুসলিম খান ওরফে মুসলিম রাজা এবং পাকিস্তানি নাগরিক সালমান ও আবু ইব্রাহিম। দুজনই করাচির বাসিন্দা। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Calcutta High Court: মিনাখাঁ, কেশপুর বিস্ফোরণে এনআইএ? সিদ্ধান্ত নেবে কেন্দ্র, জানাল হাইকোর্ট

    Calcutta High Court: মিনাখাঁ, কেশপুর বিস্ফোরণে এনআইএ? সিদ্ধান্ত নেবে কেন্দ্র, জানাল হাইকোর্ট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মিনাখাঁ (Minakhan) ও কেশপুরে (Keshpur) বোমা বিস্ফোরণের (Bomb Blast) ঘটনায় এনআইএ তদন্তভার নেবে কিনা, সে ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেবে কেন্দ্রীয় সরকার। মঙ্গলবার এমনই নির্দেশ দিয়েছে কলকাতা হাইকোর্টের (Calcutta High Court) প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চ।

    রাজ্য সরকার জানিয়েছে…

    এদিন আদালতে রাজ্য সরকার জানিয়েছে, ইতিমধ্যেই মিনাখাঁ নিয়ে কেন্দ্রকে রিপোর্ট পাঠিয়েছে রাজ্য সরকার। কেশপুর নিয়েও দ্রুত রিপোর্ট পাঠানো হবে। সব শুনে হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি প্রকাশ শ্রীবাস্তব ও বিচারপতি রাজর্ষি ভরদ্বাজের ডিভিশন বেঞ্চ জানায় রিপোর্ট খতিয়ে দেখে সিদ্ধান্ত নেবে কেন্দ্র।

    গত ১৬ নভেম্বর উত্তর ২৪ পরগনার মিনাখাঁয় মামার বাড়িতে এসেছিল এক নাবালিকা। বল ভেবে মামার বাড়িতে বোমা নিয়ে খেলতে গিয়েছিল সে। আচমকাই সশব্দে ফেটে যায় বোমাটি। বসিরহাট জেলার মিনাখাঁ থানার চাপালি গ্রাম পঞ্চায়েতের গাইন পাড়ার ওই ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়ায়। যার বাড়িতে বিস্ফোরণের ঘটনাটি ঘটেছিল, তিনি তৃণমূলের সক্রিয় কর্মী। নাম আবুল হোসেন গায়েন। ঘটনার পরে পরেই ঝুমা খাতুন নামে ওই নাবালিকাকে নিয়ে যাওয়া হয় মিনাখাঁ গ্রামীণ হাসপাতালে। সেখানে তাকে মৃত ঘোষণা করা হয়। ঘটনার পরে পরে আবুল হোসেন গায়েনের বাড়িতে যায় বম্ব স্কোয়াডের চারজনের এক প্রতিনিধি দল। তল্লাশি চালানো হয় তাঁর বাড়ির বিভিন্ন ঘরে। পরে গ্রেফতার করা হয় তৃণমূলের ওই সক্রিয় কর্মীকে। অভিযোগ ওঠে, এই প্রথম নয়, এর আগেও অস্ত্র আইনে গ্রেফতার হয়েছিলেন আবুল হোসেন গায়েন।

    আরও পড়ুন: ১.৩ লক্ষের র‌্যাঙ্ক নিয়ে পড়ছে আরজিকরে! ‘মেধাবী’ মেয়ের হয়ে সওয়াল শান্তনু সেনের

    ওই ঘটনার পরের দিনই তৃণমূলের দুই গোষ্ঠীর কোন্দলের জেরে ব্যাপক বোমাবাজি হয় পশ্চিম মেদিনীপুরের কেশপুরে। ঘটনায় জখম হন শেখ রফিক। তিনি প্রাক্তন ব্লক সভাপতির অনুগামী বলে এলাকায় পরিচিত। ওই ঘটনায় রফিকের ডান হাতের আঙুল উড়ে যায়। ঘটনায় নাম জড়ায় রাজ্যের মন্ত্রী শিউলি সাহার। যদিও শিউলি ঘটনার দায় চাপান সিপিএমের ওপর।

    তবে এই প্রথম নয়, দিন কয়েক আগে কলকাতা হাইকোর্ট (Calcutta High Court) জানিয়েছিল, সাঁইথিয়া বিস্ফোরণের ঘটনায় এনআইএ তদন্ত করবে কিনা, সে ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেবে কেন্দ্র। এদিকে, বীরভূমের মহম্মদবাজারের বিস্ফোরক পাচার ও বেলডাঙা বিস্ফোরণকাণ্ডের ঘটনার তদন্তভারও ইতিমধ্যেই নিয়েছে এনআইএ।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।  

     

  • Anti Terror Agency: রাজস্থানে নতুন রেল লাইনে বিস্ফোরণ, তদন্তে এনআইএ

    Anti Terror Agency: রাজস্থানে নতুন রেল লাইনে বিস্ফোরণ, তদন্তে এনআইএ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উদয়পুরে (Udaipur) রেল লাইনে বিস্ফোরণের (Railway Track Explosion) ঘটনায় এবার তদন্তে নামল কেন্দ্রীয় তদন্ত সংস্থা এনআইএ (NIA)। প্রধানমন্ত্রীর উদ্বোধন করা রেল ট্র্যাকে গত রবিবার রাতে বিস্ফোরণ ঘটে। ক্ষতিগ্রস্ত হয় রেললাইনের একাংশ। জানা গিয়েছে, স্থানীয়রাই বিস্ফোরণের খবর দিয়েছিল রেলকে। কিছুক্ষণ পরেই ওই লাইন দিয়ে যাওয়ার কথা ছিল আসারওয়া-উদয়পুর এক্সপ্রেসের। তার আগেই ঘটে বিস্ফোরণ। এর পরেই ওই রুটের সব ট্রেন চলাচল বন্ধ করে দেওয়া হয়।

    আরও পড়ুন: আপনি প্রি-ডায়াবেটিক হলে কোন কোন খাবার এড়িয়ে চলবেন?

    গতকালই নাশকতার বিষয়ে জানার পরেই তদন্তের নির্দেশ দেন রাজস্থানের মুখ্যমন্ত্রী মুখ্যমন্ত্রী অশোক গেহলট (CM Ashok Gehlot)। এরপরেই তদন্তের ভার নেয় এনআইএ। এর আগে তদন্তের দায়িত্ব ছিল রাজস্থানের পুলিশের ওপর।

    রাজস্থান সরকারের বিরুদ্ধে নিরাপত্তায় গাফিলতির অভিযোগ তুলেছে বিজেপি। প্রসঙ্গত, কিছুদিন আগেই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Narendra Modi) এই ব্রডগেজ রেললাইনের (Broad-gauge Railway Track)  উদ্বোধন করেছিলেন। তারপরই রবিবার রাতে এই বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। তাই অনেকেই একে নাশকতার ঘটনা বলেই মনে করছেন।

    কী ঘটেছে?

    রাজস্থান পুলিশের তরফে জানানো হয়েছে, গতকাল উদয়পুর থেকে ৩৫ কিলোমিটার দূরে ওধা ব্রিজের উপরে বিস্ফোরণ ঘটে। পরে ঘটনাস্থলে পৌঁছে রেললাইনে থেকে বিস্ফোরক উদ্ধার করে পুলিশ। ঘটনার পরে ট্রেন চলচাল বন্ধ হয় যায় ওই রুটে। ঘটনার তদন্তে নামে পুলিশ। পরবর্তীতে রাজস্থান পুলিশের পাশাপাশি তদন্তের দায়িত্ব দেওয়া এনআইকেও। 

    রাজস্থান পুলিশের প্রাথমিক তদন্ত থেকে জানা গিয়েছে, এই বিস্ফোরণ ঘটাতে খনিতে ব্যবহৃত ‘সুপারপাওয়ার ৯০’ ব্যবহার করা হয়েছিল। স্থানীয়রা পুলিশকে জানিয়েছেন, রবিবার রাতে বিকট শব্দ পান। তাঁরাই রেলের নিরাপত্তারক্ষীদের বিষয়টি জানান। তারপরে সেখানে পৌঁছায় ফরেন্সিক ও সন্ত্রাসদমন স্কোয়াডের সদস্যরা। একযোগে তদন্ত শুরু করে এটিএস (ATS), এনআইএ ও আরপিএফ (RPF)। উদয়পুরে বিস্ফোরণে নাশকতার ছক উড়িয়ে দিচ্ছে না এনআইএ ও অন্য তদন্তকারীরা। তাঁদের বক্তব্য, রীতিমতো পরিকল্পনা করে বিস্ফোরণ ঘটানো হয়েছিল। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।  
     
     

     

     
  • Sudhir Suri: পাঞ্জাবে শিবসেনা নেতা খুনের তদন্তভার নিতে পারে এনআইএ, আইন-শৃঙ্খলা অবনতির অভিযোগ বিজেপির

    Sudhir Suri: পাঞ্জাবে শিবসেনা নেতা খুনের তদন্তভার নিতে পারে এনআইএ, আইন-শৃঙ্খলা অবনতির অভিযোগ বিজেপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শিবসেনা (Shiv Sena) নেতা সুধীর সুরি (Sudhir Suri) হত্যাকাণ্ডের তদন্তভার নিতে পারে এনআইএ (NIA)। শুক্রবার বিকেলে পাঞ্জাবের অমৃতসরে একটি মন্দিরের সামনে প্রকাশ্য দিবালোকে সুধীরকে লক্ষ্য করে গুলি চালায় দুষ্কৃতীরা। ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় তাঁর। ঘটনায় খালিস্তানি জঙ্গি গোষ্ঠীর হাত থাকতে পারে বলে অনুমান পুলিশের। এদিকে, ঘটনার দায় স্বীকার করে বিবৃতি দিয়েছে কানাডা-বেসড গ্যাংস্টার লখবীর সিং লান্ডা। রাজ্যে আইন-শৃঙ্খলার অবনতির দাবিতে সোচ্চার হয়েছে বিজেপি (BJP)।

    এদিন অমৃতসরের এক মন্দিরে চূড়ান্ত অব্যবস্থার অভিযোগ তুলে বিক্ষোভ দেখাচ্ছিলেন কয়েকজন। তাঁদের মধ্যে ছিলেন সুধীরও (Sudhir Suri)। বস্তুত, ওই প্রতিবাদী মঞ্চের নেতা তিনিই। এলাকায় সুধীর হিন্দুত্ববাদী দল শিবসেনা তাকসিলার সদস্য হিসেবে পরিচিত। এদিন দুপুরে তিনি যখন মন্দিরের সামনে ধর্নায় বসেছিলেন, তখন আচমকাই স্থানীয় এক দোকানদার তাঁকে লক্ষ্য করে গুলি চালায় বলে অভিযোগ। ওই দোকানদার পরপর পাঁচটি গুলি চালায়। পুলিশ জানিয়েছে, গুলি লাগার সঙ্গে সঙ্গেই মাটিতে লুটিয়ে পড়েন সুধীর। স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন। অভিযুক্তকে গ্রেফতার করা হয়েছে। বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে পিস্তলটিও।

    সুধীর (Sudhir Suri) খুনের ঘটনায় খালিস্তানি জঙ্গি গোষ্ঠীর যোগ থাকতে পারে বলে অনুমান। সেই কারণে তদন্তভার তুলে দেওয়া হতে পারে এনআইএর হাতে। জাতীয় তদন্তকারী সংস্থার হাতে গেলেই জানা যাবে খুনের প্রকৃত উদ্দেশ্য। খুনের ঘটনার জেরে অমৃতসর জুড়ে করা হয়েছে কঠোর নিরাপত্তার ব্যবস্থা। এদিকে, খুনের ঘটনার দায় স্বীকার করে সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করেছে কানাডা-বেসড গ্যাংস্টার লখবীর সিং লান্ডা। পুলিশ জানিয়েছে, ওই পোস্টের সত্যতা যাচাই করা হচ্ছে।

    আরও পড়ুন: চরম আর্থিক সংকটের মুখে পাঞ্জাব? দাবি আপের শ্বেতপত্রে

    ঘটনায় কড়া প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে গেরুয়া শিবির। বিজেপি নেতা তাজিন্দর পাল সিং বাগ্গা নিশানা করেছেন রাজ্যের শাসক দল আম আদমি পার্টিকে। পাঞ্জাবে আইন-শৃঙ্খলার অবনতির অভিযোগ তুলেছেন তিনি। ট্যুইট-বাণে এই বিজেপি নেতা লিখেছেন, আপের শাসনে পাঞ্জাবে আইন-শৃঙ্খলা ভেঙে পড়েছে। তিনি (অরবিন্দ কেজরিওয়াল) এখন গুজরাটে এই মডেল প্রয়োগ করতে চান?  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • Coimbatore Blast Case: কোয়েম্বাতুর বিস্ফোরণকাণ্ডে গ্রেফতার আরও ১, তদন্তভার এনআইএ-র হাতে

    Coimbatore Blast Case: কোয়েম্বাতুর বিস্ফোরণকাণ্ডে গ্রেফতার আরও ১, তদন্তভার এনআইএ-র হাতে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কোয়েম্বাতুর বিস্ফোরণ (Coimbatore Blast) কাণ্ডের তদন্তভার গেল এনআইএর (NIA) হাতে। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের তরফে বৃহস্পতিবার তদন্তভার তুলে দেওয়া হয় জাতীয় তদন্তকারী সংস্থার হাতে। এর ঠিক একদিন আগেই তামিলনাড়ুর (Tamil Nadu) মুখ্যমন্ত্রী এমকে স্ট্যালিন তদন্তভার এনআইএর হাতে তুলে দেওয়ার প্রস্তাব দিয়েছিলেন। সেই মতো তদন্তভার দেওয়া হল এনআইএর হাতে। এ প্রসঙ্গে এক প্রবীণ সরকারি আধিকারিক বলেন, কোয়েম্বাতুর বিস্ফোরণকাণ্ডের তদন্তভার তুলে দেওয়া হয়েছে এনআইএর হাতে। এই সংস্থা নতুন করে এফআইআর করবে।

    গত রবিবার সকালে তামিলনাড়ুর কোয়েম্বাতুরের কোট্টাই ঈশ্বরান মন্দিরের কাছে একটি গাড়িতে বিস্ফোরণ (Coimbatore Blast) ঘটে। মৃত্যু হয় গাড়িতে থাকা বছর পঁচিশের যুবক জামেজা মুবিনের। তিনি ইঞ্জিনিয়ার ছিলেন। ওই ঘটনার পরে পরেই মুবিনের বাড়িতে হানা দেয় পুলিশ। বাজেয়াপ্ত হয় প্রচুর বিস্ফোরক। তদন্তকারীদের অনুমান, ভবিষ্যতে বড় ধরনের নাশকতার ছক ছিল। বছর কয়েক আগেও একবার মুবিনকে জেরা করেছিল এনআইএ।

    বিস্ফোরণের (Coimbatore Blast) ঘটনায় পাঁচজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এঁরা হলেন মহম্মদ তালকা, মহম্মদ আজহারউদ্দিন, মহম্মদ রিয়াজ, ফিরোজ ইসমাইল এবং মহম্মদ নওয়াজ ইসমাইল। প্রত্যেকেরই বয়স কুড়ির কোঠায়। জানা গিয়েছে, এঁদের মধ্যে কয়েকজনকে ২০১৯ সালে একবার জেরা করেছিল এনআইএ। ধৃতদের বিরুদ্ধে ইউএপিএ ধারায় মামলা রুজু করে পুলিশ।

    আরও পড়ুন: সন্ত্রাসবাদী সংগঠনের সঙ্গে সংযোগকারীদের খুঁজতে তল্লাশি এনআইএ-র, আইনজীবী সহ গ্রেফতার ২

    এদিকে, কোয়েম্বাতুর বিস্ফোরণ (Coimbatore Blast)-কাণ্ডে বৃহস্পতিবার আরও একজনকে গ্রেফতার করেছে তামিলনাড়ু পুলিশ। বিস্ফরণে নিহত মুবিনের আত্মীয় তিনি। বছর আঠাশের ওই যুবকের নাম আফসার খান। ভিনসেন্ট রোডের বাসিন্দা তিনি। জানা গিয়েছে, পুরো ষড়যন্ত্রে আফসার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিলেন। বিস্ফোরক তৈরিতে প্রয়োজনীয় কাঁচামাল সরবরাহ করেছিলেন তিনি। ই-কমার্স ওয়েবসাইটগুলি থেকে তিনি সেগুলি সংগ্রহ করেছিলেন বলে অভিযোগ। এক প্রবীণ পুলিশ আধিকারিক বলেন, আফসার মুবিনকে কাঁচামালগুলো মেশাতেও সাহায্য করেছিল। পরে সেই মিশ্রণ নিয়ে যাওয়া হয় গাড়িতে। ছোট ছোট তিনটে পাত্রে ভরে তা নিয়ে যাওয়া হয়। সঙ্গে নিয়ে যাওয়া হয় পেরেক এবং মার্বেল। এনআইএর এক আধিকারিক বলেন, সংস্থা প্রয়োজনীয় অর্ডার পেয়েছে। অকুস্থল খতিয়ে দেখতে একটি দল গিয়েছে কোয়েম্বাতুরে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • Coimbatore Blast: কোয়েম্বাতুর গাড়ি বিস্ফোরণকাণ্ডে কেরল লিংক?

    Coimbatore Blast: কোয়েম্বাতুর গাড়ি বিস্ফোরণকাণ্ডে কেরল লিংক?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তামিলনাড়ুর (Tamil Nadu) কোয়েম্বাতুরে মন্দিরের সামনে গাড়ি বিস্ফোরণকাণ্ডের (Coimbatore Blast) তদন্ত শুরু করেছে জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা এএনআই (NIA)। তারা ওই বিস্ফোরণের সঙ্গে কেরালা লিংকের দিকে ইঙ্গিত করেছে। তার পরেই গাড়িগুলিতে নাকাচেকিং শুরু করেছে রাজ্য পুলিশ। কোয়েম্বাতুরে যে ধরনের বিস্ফোরণ ঘটেছে, সেই ধরনের ঘটনা ঘটতে পারে অন্যান্য রাজ্যেও। এই মর্মে রাজ্যগুলিকে সতর্কও করে দিয়েছে জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা।

    রবিবার সকালে কোয়েম্বাতুরের কোট্টাই ঈশ্বরান মন্দিরের কাছে একটি গাড়িতে বিস্ফোরণ (Coimbatore Blast) হয়। মৃত্যু হয় গাড়িতে থাকা বছর পঁচিশের যুবক জামেজা মুবিনের। ওই ঘটনার পরে পরেই তাঁর বাড়িতে হানা দেয় পুলিশ। বাজেয়াপ্ত হয় প্রচুর বিস্ফোরক। তদন্তকারীদের অনুমান, ভবিষ্যতে বড় ধরনের নাশকতার ছক ছিল। বছর কয়েক আগেও একবার মুবিনকে জেরা করেছিল এনআইএ। ওই ঘটনায় পাঁচজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এঁরা হলেন মহম্মদ তালকা, মহম্মদ আজহারউদ্দিন, মহম্মদ রিয়াজ, ফিরোজ ইসমাইল এবং মহম্মদ নওয়াজ ইসমাইল। প্রত্যেকেরই বয়স কুড়ির কোঠায়। জানা গিয়েছে, এঁদের মধ্যে কয়েকজনকে ২০১৯ সালে একবার জেরা করেছিল এনআইএ। গাড়ি বিস্ফোরণকাণ্ডেরও তদন্তে নেমেছে এনআইএ।  

    এক প্রবীণ তদন্তকারী আধিকারিক বলেন, এনআইএ নিশ্চিত করেছে কোয়েম্বাতুর বিস্ফোরণ (Coimbatore Blast) কোনও বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়। অন্যান্য রাজ্যেও জনবহুল এলাকাগুলিতে এরকম হামলা হতে পারে। এনআইএর তরফে এ ব্যাপারে রাজ্যগুলিকে সতর্ক করে দেওয়া হয়েছে। বাড়াতে বলা হয়েছে পুলিশি নজরদারি। ওই আধিকারিক বলেন, রাজ্যের সন্দেহভাজন বিভিন্ন গোষ্ঠীর ওপর নজর রাখছি আমরা। তার মধ্যে কয়েকটি গোষ্ঠীর ওপর আমরা কড়া নজরদারি চালাচ্ছি।

    আরও পড়ুন: কোয়েম্বাতুর বিস্ফোরণ কাণ্ডে এবার ইউএপিএ ধারায় মামলা পুলিশের

    কোয়েম্বাতুর বিস্ফোরণকাণ্ডের (Coimbatore Blast) পর রাজ্যের গাড়িগুলিতে ব্যাপক তল্লাশি চালাচ্ছে পুলিশ। তামিলনাড়ুর এক প্রবীণ পুলিশ আধিকারিক বলেন, গত কয়েকদিন ধরে গাড়িগুলিতে চেকিং চালানো হচ্ছে। হঠাৎ করে গাড়ি পরীক্ষার জন্যও স্পেশাল টিম মোতায়েন করা হয়েছে। নজরদারি চালাতে আরও কিছু ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে, তবে সেগুলি এই মুহূর্তে প্রকাশ করা যাবে না।

    কোয়েম্বাতুর বিস্ফোরণকাণ্ডে (Coimbatore Blast) গ্রেফতার করা হয়েছে ফিরোজ ইসমাইল নামে একজনকে। তিনি সংযুক্ত আরব আমিরশাহি থেকে বিতাড়িত হয়ে এসেছেন। এক আধিকারিক বলেন, কেরালার কয়েকজন যুবককে সংযুক্ত আরব আমিরশাহি থেকে তাড়ানো হয়েছে। আইএস কাজের সঙ্গে তারা জড়িত বলে সন্দেহ। ঘটনা প্রবাহের ওপর আমরা কড়া নজর রাখছি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • Coimbatore Blast: কোয়েম্বাতুর বিস্ফোরণ কাণ্ডে এবার ইউএপিএ ধারায় মামলা পুলিশের

    Coimbatore Blast: কোয়েম্বাতুর বিস্ফোরণ কাণ্ডে এবার ইউএপিএ ধারায় মামলা পুলিশের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তামিলনাড়ুর কোয়েম্বাতুর বিস্ফোরণ (Coimbatore Blast)-কাণ্ডে এবার ইউএপিএ (UAPA) ধারায় মামলা করল পুলিশ। স্বাভাবিকভাবেই এর পর তামিলনাড়ু (Tamil Nadu) পুলিশের হাত থেকে এই তদন্তের ভার নিতে পারবে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা এনআইএ (NIA)। রবিবার সকালে কোয়েম্বাতুরের কোট্টাই ঈশ্বরান মন্দিরের কাছে একটি গাড়িতে বিস্ফোরণ হয়। মৃত্যু হয় গাড়িতে থাকা বছর পঁচিশের যুবক জামেজা মুবিনের। ওই ঘটনার পরে পরেই তাঁর বাড়িতে হানা দেয় পুলিশ। বাজেয়াপ্ত হয় প্রচুর বিস্ফোরক। তদন্তকারীদের অনুমান, ভবিষ্যতে বড় ধরনের নাশকতার ছক ছিল। বছর কয়েক আগেও একবার মুবিনকে জেরা করেছিল এনআইএ।

    গাড়ি বিস্ফোরণের (Coimbatore Blast) ঘটনায় পাঁচজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এঁরা হলেন মহম্মদ তালকা, মহম্মদ আজহারউদ্দিন, মহম্মদ রিয়াজ, ফিরোজ ইসমাইল এবং মহম্মদ নওয়াজ ইসমাইল। প্রত্যেকেরই বয়স কুড়ির কোঠায়। জানা গিয়েছে, এঁদের মধ্যে কয়েকজনকে ২০১৯ সালে একবার জেরা করেছিল এনআইএ। তামিলনাড়ুর সিটি পুলিশ কমিশনার ভি বালাকৃষ্ণণ জানান, ধৃতদের কাজকর্ম খতিয়ে দেখছে পুলিশ। তিনি জানান, ইউএপিএ, ষড়যন্ত্র সহ আইপিসি সেকশনে মামলা করা হয়েছে। এর আগে তামিলনাড়ু বিজেপি নেতৃত্ব পুলিশকে জিজ্ঞাসা করেছিল, ধৃত পাঁচজন সম্পর্কে পুলিশ কেন কোনও নির্দিষ্ট কারণ দর্শাচ্ছে না, কোনও ধারায় তাঁদের গ্রেফতার করা হয়েছে, তা বলছে না কেন?

    আরও পড়ুন: কোয়েম্বাতুরে মন্দিরের সামনে গাড়ি বিস্ফোরণে যুবকের মৃত্যু, নেপথ্যে জঙ্গি-যোগ?

    জানা গিয়েছে, বিস্ফোরণে (Coimbatore Blast) মৃত মুবিনের সঙ্গে আজহারউদ্দিনের কোনও সংযোগ ছিল কিনা, তাও খতিয়ে দেখছে পুলিশ। শ্রীলঙ্কার চার্চে ইস্টার সানডে বোমা বিস্ফোরণ হয়েছিল ২০১৯ সালে। বিস্ফোরণে মৃত্যু হয়েছিল ২৫০রও বেশি মানুষের। ওই ঘটনায় আজহারউদ্দিনের নাম জড়িয়েছিল। তাই তার সঙ্গে মুবিনের যোগ কতটা তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ। বালাকৃষ্ণণ বলেন, যেহেতু বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে, তাই ইউএপিএ ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।

    পুলিশ কমিশনার জানান, সিসিটিভির ফুটেজে স্পষ্ট দেখা গিয়েছে ঘটনার আগে আগে মুবিন দুটি এলপিজি সিলিন্ডার, দুটি ছোট ড্রাম বয়ে নিয়ে যাচ্ছিল। এই ড্রামের মধ্যে থাকা পদার্থই ফরেনসিক তদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। তিনি জানান, এই জিনিসগুলি মুবিনকে নিয়ে যেতে সাহায্য করেছিল যে তিনজন, তাদের গ্রেফতার করা হয়েছে। মুবিনকে গাড়ি দেওয়ায় গ্রেফতার করা হয়েছে আরও একজনকে। বিস্ফোরণের কারণ জানতে সম্ভাব্য সমস্ত দিক খতিয়ে দেখা হচ্ছে, জানান তিনি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • Coimbatore: কোয়েম্বাতুরে মন্দিরের সামনে গাড়ি বিস্ফোরণে যুবকের মৃত্যু, নেপথ্যে জঙ্গি-যোগ?

    Coimbatore: কোয়েম্বাতুরে মন্দিরের সামনে গাড়ি বিস্ফোরণে যুবকের মৃত্যু, নেপথ্যে জঙ্গি-যোগ?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তামিলনাডুর (Tamil Nadu) কোয়েম্বাতুরের (Coimbatore) উক্কাদমে গাড়ি বিস্ফোরণে মৃত্যু হয়েছে বছর পঁচিশের এক যুবকের। মৃতের নাম জেমিশা মুবিন। ২০১৯ সালে তাঁকে জেরা করে জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা এনআইএ (NIA)। শ্রীলঙ্কায় (Sri Lanka) ইস্টার সানডে বিস্ফোরণে মূল চক্রী জাহারান হাসিমের সঙ্গে তাঁর যোগ নিয়ে জেরা করা হয় মুবিনকে। মন্দিরের সামনে গাড়ি বিস্ফোরণের ঘটনায় জঙ্গি-যোগের সম্পর্ক থাকতে পারে বলে দাবি বিজেপির।

    পুলিশ সূত্রে খবর, রবিবার ভোর চারটে নাগাদ একটি গাড়িতে করে দুটি এলপিজি সিলিন্ডার ও পেরেকের মতো কিছু জিনিস যাচ্ছিলেন ওই যুবক। কোয়েম্বাতুরে (Coimbatore) একটি মন্দিরের সামনে আচমকাই কান ফাটানো আওয়াজে বিস্ফোরণ হয় গাড়িটিতে। ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় মুবিনের। তাঁর বাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে পটাশিয়াম নাইট্রেট, অ্যালুমিনিয়াম পাউডার, সালফার ও কাঠকয়লার মতো বিস্ফোরক তৈরির উপাদান বাজেয়াপ্ত করে পুলিশ। মন্দিরে হামলার পরিকল্পনা রূপায়ণ করতে ব্যর্থ হয়েই কি বিস্ফোরণ? উঠছে প্রশ্ন। যদিও তদন্তকারী এক আধিকারিকের দাবি, এ ব্যাপারে এখনও কোনও প্রমাণ নেই। ঘটনাস্থল মন্দিরের কাছেই, শুধু এই টুকুই। তামিলনাড়ু পুলিশের ডিজি সি শৈলেন্দ্র বাবু জানান, তাঁরা সমস্ত সম্ভাবনা খতিয়ে দেখছেন। কারণ মুবিনের বাড়ি থেকে বাজেয়াপ্ত হওয়া বিস্ফোরক তৈরির উপাদান থেকে এটা স্পষ্ট ভবিষ্যৎ কোনও পরিকল্পনা থাকলেও থাকতে পারে।

    আরও পড়ুন: সন্ত্রাসবাদী সংগঠনের সঙ্গে সংযোগকারীদের খুঁজতে তল্লাশি এনআইএ-র, আইনজীবী সহ গ্রেফতার ২

    জানা গিয়েছে, শ্রীলঙ্কা ইস্টার সানডে বিস্ফোরণের পর কোয়েম্বাতুরের (Coimbatore) একটি মসজিদে তামিলনাড়ু তৌহিদ জামাতের প্রার্থনা শিবিরে যোগদানের কথা বলে যে পাঁচজনকে জিজ্ঞাসাবাস করা হয়েছিল, তাঁদের মধ্যে ছিলেন জুবিনও। শিবিরটিতে আজহারউদ্দিনও ছিলেন। তদন্তকারী এক আধিকারিকের দাবি, প্রার্থনা শিবিরে যাওয়া নিয়ে এনআইএ তদন্ত ছাড়া মুবিনের বিরুদ্ধে আর কোনও মামলা নেই।

    এদিকে, কোয়েম্বাতুরের (Coimbatore) ওই গাড়ি বিস্ফোরণের ঘটনায় পাঁচজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। বাড়তি সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে কোয়েম্বাতুরে মোতায়েন করা হয়েছে র‌্যাফ। তল্লাশি চালানো হচ্ছে বিভিন্ন গাড়িতে। ঘটনার পরে পরে ট্যুইট করেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি কে আন্নামালাই। ট্যুইটবার্তায় তিনি লেখেন, এটা স্পষ্ট সন্ত্রাস। আইএসের যোগ রয়েছে। তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী কি প্রকাশ্যে মেনে নেবেন? তামিলনাড়ু সরকার তথ্য গোপন করছে। ঘটনায় এনআইএ তদন্ত দাবি করেছে পদ্ম শিবির।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • NIA Raid: সন্ত্রাসবাদী সংগঠনের সঙ্গে সংযোগকারীদের খুঁজতে তল্লাশি এনআইএ-র, আইনজীবী সহ গ্রেফতার ২

    NIA Raid: সন্ত্রাসবাদী সংগঠনের সঙ্গে সংযোগকারীদের খুঁজতে তল্লাশি এনআইএ-র, আইনজীবী সহ গ্রেফতার ২

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লক্ষ্য উত্তর ভারতের বিভিন্ন অংশে ঘাঁটি গেড়ে থাকা অপরাধী এবং সন্ত্রাসবাদী সংগঠনের সঙ্গে সংযোগকারীদের (Gangster Nexus) খুঁজে বের করা। তা করতে গিয়ে মঙ্গলবার একই সঙ্গে অন্তত ৫০টি জায়গায় অভিযান চালাল জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা (NIA Raid)। সূত্রের খবর, মঙ্গলবার অভিযান চলেছে পাঞ্জাব, হরিয়ানা, রাজস্থান, দিল্লি সহ উত্তর ভারতের (India) পাঁচ রাজ্যে। এনআইয়ের (NIA) এক পদস্থ কর্তা বলেন, ভারত থেকে পালানো বেশ কয়েকজন গ্যাংস্টার এখন পাকিস্তান, কানাডা, মালয়েশিয়া, অষ্ট্রেলিয়া ইত্যাদি দেশে থেকে ছক কষছে। তাদের সঙ্গে সম্পর্কযুক্তদের খোঁজে নেমেছে এনআইএ।

    এনআইএ সূত্রে খবর, এদিন জাতীয় তদন্তকারী সংস্থার গোয়েন্দাদের হাতে গ্রেফতার হয়েছেন দুজন। একজন আইনজীবী আশিফ খান। তিনি দিল্লির (Delhi) বাসিন্দা। অন্যজন রাজেশ ওরফে রাজু মোটা। তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে হরিয়ানা থেকে। এনআইএ-র এক মুখপাত্র জানান, চারটি অস্ত্র এবং গুলি সহ কয়েকটি পিস্তল বাজেয়াপ্ত হয়েছে ধৃত আইনজীবীর বাড়ি থেকে। তিনি জানান, তদন্ত (NIA Raid) চালানোর সময় এটা জানা গিয়েছে যে আইনজীবী আশিফ খান গ্যাংস্টারদের সংস্পর্শে ছিলেন। যেসব গ্যাংস্টার জেলে বন্দি রয়েছে কিংবা জেলের বাইরে রয়েছে, তাদের সঙ্গে যোগ রয়েছে তাঁর। বিভিন্ন অবৈধ কাজকর্ম করতে অপরাধীদের সক্রিয়ভাবে সহযোগিতা করতেন ওই আইনজীবী। এনআইএ-র মুখপাত্র জানান, রাজেশের ক্রিমিনাল ব্যাকগ্রাউন্ড রয়েছে। তার নামে প্রচুর ক্রিমিনাল কেস রয়েছে।

    ওই আধিকারিক আরও জানান, রাজু অবৈধভাবে মদ-মাফিয়া নেটওয়ার্কও চালায় তার মহল্লায়। কয়েকজন সাগরেদকে নিয়ে এই কারবার চালায় সে। সে হরিয়ানার কুখ্যাত গ্যাংস্টার সন্দীপ ওরফে কালা জাঠেদির সহযোগী। এনআইএ সূত্রে খবর, মদের ব্যবসায় রাজু মোটা অঙ্কের টাকা বিনিয়োগ করেছে। অবৈধ নানা উপায়েও রোজগার করে সে।

    আরও পড়ুন: সন্ত্রাসবাদে অর্থ জোগানোর অভিযোগের তদন্তে জম্মু-কাশ্মীরে তল্লাশি এনআইএ-র, গ্রেফতার ১

    এনআইএ এদিন তল্লাশি চালিয়েছে রাজস্থানের চুরুর সম্পত নেহ্রা চত্বরে। হরিয়ানার কুখ্যাত গ্যাংস্টার নরেশ শেঠীর ডেরাও তল্লাশি চালিয়েছে। হরিয়ানারই সুরেন্দর ওরফে চিকুর ডেরায়ও এদিন চালানো হয়েচছে তল্লাশি। উত্তর পূর্ব দিল্লির সন্দীপ ওরফে বান্দার এবং সেলিম ওরফে পিস্তলের বাড়িতেও হানা দেন এনআইএ-র গোয়েন্দারা। পাঞ্জাবের ভাতিন্দায়ও এক আইনজীবীর বাড়িতে হানা দেন গোয়েন্দারা। গুরপ্রীত সিং সিধু নামে ওই আইনজীবী তা স্বীকারও করেছেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • Mominpur Violence: অস্বস্তিতে রাজ্য সরকার! মোমিনপুর-কাণ্ডের সমস্ত নথি কলকাতা পুলিশের থেকে চাইল এনআইএ

    Mominpur Violence: অস্বস্তিতে রাজ্য সরকার! মোমিনপুর-কাণ্ডের সমস্ত নথি কলকাতা পুলিশের থেকে চাইল এনআইএ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: একবালপুর-মোমিনপুর কাণ্ড (Mominpur Violence) নিয়ে চরম অস্বস্তিতে রাজ্য সরকার। একবালপুর-মোমিনপুর সংঘর্ষের জেরে কেন্দ্রীয় বাহিনীর মোতায়েন করা নিয়ে আগেই আর্জি জানিয়েছিলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। দাবি উঠেছিল এনআইএ তদন্তের। রাজ্য সরকারের অস্বস্তি বাড়িয়ে এবার মোমিনপুরে তদন্ত শুরু করল এনআইএ (NIA)। সূত্রের খবর, মোমিনপুর মামলার সমস্ত নথি চেয়ে বুধবার এনআইএ-এর স্পেশ্যাল কোর্টে আবেদন করল এনআইএ (NIA)। কলকাতা পুলিশের থেকে সমস্ত কেস ডায়েরি ও নথি চেয়ে আবেদন করা হয়েছে বলে জানা যাচ্ছে। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের নির্দেশে এই মামলা পুনরায় দাখিল করা হয়েছে। মামলা দায়ের নথিও কোর্টে জমা দেওয়া হয়েছে। জানা গিয়েছে, ১৪৭, ১৪৮, ১৪৯, ১৫২, ৩০৭, ৩৩২, ৩৫৩, ৪২৭, ৪৩৬, ও ৪,৫,৬, ২৪, ২৭ ধারায় মামলা রুজু করা হয়েছে।

    আরও পড়ুন: হাত রয়েছে আল কায়দা ও আইসিসের! মোমিনপুরের ঘটনায় বিস্ফোরক শুভেন্দু

    প্রসঙ্গত, একবালপুর-মোমিনপুর কাণ্ডে রাজ্যের পুলিশের নিষ্ক্রিয়তার অভিযোগও আগেই উঠেছিল। এমনকি অভিযোগ উঠেছিল, সেখানকার ঘটনা ঠেকাতে ও নিয়ন্ত্রণে আনতে ব্যর্থ হয়েছে কলকাতা পুলিশ (Kolkata police)। লক্ষ্মী পুজোর আগের রাত থেকে এই হিংসা শুরু হয়েছে বলে অভিযোগ। এই ঘটনাকে ঘিরে পুলিশ প্রশাসনের দিকে বারবার ব্যর্থতার আঙুল তুলেছে বিজেপি। এই ঘটনায় পরিস্থিতি ভয়াবহ আকার নেওয়ায় বিজেপি ট্যুইটে বারবার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে আক্রমণ করেছে ও এই পরিস্থিতির জন্য মুখ্যমন্ত্রীকেই দায়ী করা হয়েছে। কিন্তু রাজ্যের শাসক দল এই ঘটনাকে খুব একটা গুরুত্ব দেয়নি। ভোট ব্যাংক বাঁচাতে মরিয়া শাসকদল কোনওভাবে এই মামলা শেষ করতে চেয়েছিল, এমনই ধারণা বিশেষজ্ঞদের।

    আরও পড়ুন: একবালপুর-মোমিনপুর কাণ্ডের জেরে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনের আর্জি, জনস্বার্থ মামলা কলকাতা হাইকোর্টে

    রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি হাতের বাইরে চলে গিয়েছে এমনটা অভিযোগ করে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও রাজ্যপালের কাছে চিঠি পাঠিয়েছিলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা।  হাইকোর্টও এই ঘটনায় কলকাতা পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিল। কলকাতা পুলিশ সূত্রে খবর, মোমিনপুরের ঘটনায় পাঁচটি মামলা দায়ের হয়েছে। তার মধ্যে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের তরফে একটি মামলা দায়ের করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এনআইএ সূত্রের খবর, আইনি প্রক্রিয়া সাড়া হয়েছে এবার কলকাতা পুলিশের সঙ্গে এ বিষয়ে কথা বলবে তদন্তকারী অফিসাররা। এরপরই দ্রুত কেস ডায়েরি হস্তান্তরের সম্ভাবনা রয়েছে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

     

LinkedIn
Share