Tag: North 24 Parganas

North 24 Parganas

  • North 24 Parganas: বিজেপি করাটাই অপরাধ! স্ট্যান্ডে ট্রেকার ঢোকা নিষিদ্ধ করলেন তৃণমূল নেতা

    North 24 Parganas: বিজেপি করাটাই অপরাধ! স্ট্যান্ডে ট্রেকার ঢোকা নিষিদ্ধ করলেন তৃণমূল নেতা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রীতিমতো ফতোয়া দিয়ে দুই বিজেপি কর্মীর ‘ট্রেকার’ অনির্দিষ্ট কাল স্ট‍্যান্ডে ঢোকা নিষিদ্ধ করলেন তৃণমূল নেতা। ঘটনায় আবার নাম জড়িয়েছে তৃণমূল শ্রমিক সংগঠনের বারাসত জেলার (North 24 Parganas) সভাপতি তথা স্থানীয় পৌরসভার উপ-পৌরপ্রধান তাপস দাশগুপ্তের। তিনি দুই বিজেপি কর্মীকে তাঁর কার্যালয়ে ডেকে সকলের সামনে হুমকি দিয়ে বলেন, “ট্রেকার স্ট্যান্ডে নিষিদ্ধ থাকবে অনির্দিষ্টকালের জন্য!”। এমনটাই অভিযোগ। আর তাকে ঘিরেই ভোটের মুখে কার্যত সরগরম হয়ে উঠেছে উত্তর ২৪ পরগনার দেগঙ্গা অঞ্চল।

    কী ঘটেছে ঘটনা (North 24 Parganas)?

    সূত্রের খবর, বারাসতের (North 24 Parganas) দুই চালকের মধ্যে কুমারেশ সাধু খাঁ এবারের ভোটে বিজেপির হয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন গ্রাম সংসদের আসন থেকে। অন‍্যজন অবশ্য নিজে ভোটে প্রতিদ্বন্দ্বিতা না করলেও তাঁর স্ত্রী বিজেপির হয়ে লড়ছেন অন্য একটি গ্রাম সংসদের আসন থেকে। এটাই ছিল ওই দুই বিজেপি কর্মীর অপরাধ! যার জেরেই ‘নিষিদ্ধ’ করে দেওয়া হয়েছে দুই বিজেপি কর্মীর ট্রেকার। এদিকে, শাসকের এই তুঘলকি ‘শাসন’-এর জেরে অসহায় অবস্থা ভুক্তভোগী দুই বিজেপি কর্মীর। পেশা বন্ধ হয়ে যাওয়ায় কার্যত এখন পরিবার নিয়ে অনাহারে দিন কাটাতে হচ্ছে তাঁদের। ইতিমধ্যে প্রশাসনের সর্বস্তরে অভিযোগও জানিয়েছেন তাঁরা দু’জনে। কিন্তু কোনও সুরাহা মেলেনি বলে অভিযোগ। তাই, সুবিচার পেতে দলের জেলা নেতৃত্বের মাধ্যমে রাজ‍্যপালের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে চাইছেন ভুক্তভোগী দুই বিজেপি কর্মী। যদিও, যাবতীয় অভিযোগ খণ্ডন করে পাল্টা গেরুয়া শিবিরকেই নিশানা করেছে শাসক শিবির।

    কোন জায়গা থেকে ভোটে বিজেপির প্রার্থী হয়েছেন?

    জানা গিয়েছে, বেড়াচাঁপা-বারাসত (North 24 Parganas) রুটে ট্রেকার চালিয়ে সংসার নির্বাহ করেন দুই বিজেপি কর্মী কুমারেশ সাধু খাঁ এবং হারান ঘোষ। কুমারেশের বাড়ি দেগঙ্গার বেড়াচাঁপা দু’নম্বর পঞ্চায়েতের সাধু খাঁ পাড়ায়। অন্যদিকে, হারানের বাড়ি দেগঙ্গার নূরনগর পঞ্চায়েতের ফাজিলপুর ঘোষপাড়ায়। দু’জনেই বিজেপির সক্রিয় কর্মী। দীর্ঘদিন ধরেই স্থানীয় রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত তাঁরা। সেই সুবাদে কুমারেশকে টিকিটও দিয়েছে বিজেপি। তিনি দেগঙ্গার ১৫৫ নম্বর বুথে পঞ্চায়েত আসনে লড়াই করছেন বিজেপির প্রতীকে। তবে, হারান ভোটে প্রার্থী না হলেও তাঁর স্ত্রী সুজাতা ঘোষ প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন গ্রাম সংসদের ৯৩ নম্বর আসন থেকে ।

    তৃণমূলের বিরুদ্ধে অভিযোগ কী ছিল?

    অভিযোগ, প্রথম থেকেই এলাকায় (North 24 Parganas) এই দুই বিজেপি কর্মীর ওপর চাপ তৈরি করে মনোনয়ন প্রত্যাহার করানোর চেষ্টা চালানো হয়েছিল তৃণমূলের তরফে। কিন্তু, চাপের কাছে নতিস্বীকার করেননি তাঁরা। এর পরেই জব্দ করতে শাসকদল এই পন্থা বেছে নেয় বলে অভিযোগ করেছেন দুই বিজেপি কর্মী। এই বিজেপি কর্মীর জীবিকা নির্বাহের একমাত্র অবলম্বনই হল এই ট্রেকার। দীর্ঘদিনের সেই পেশা বন্ধ হয়ে যাওয়ায় এখন টান পড়েছে রুটি-রুজিতে। কীভাবে সংসার চলবে? আর কীভাবেই বা এর থেকে সুরাহা মিলবে? তা ভেবেই অস্থির দুই বিজেপি কর্মী।

    তৃণমূলের বক্তব্য

    তৃণমূলের শ্রমিক সংগঠনের বারাসত জেলে সভাপতি তাপস দাশগুপ্ত বলেন, এমন কোনও বিষয় নেই! আমার বিরুদ্ধে এই অভিযোগ অত্যন্ত মিথ্যা। বিজেপি প্রার্থী হয়েছেন এমন কাউকে আমি চিনিনা। ট্রেকার কোনও ব্যাক্তির বন্ধ হয় নি। তবে সিপিএমের কেউ কেউ এসেছেন আমার কাছে। তিনি হুমকির স্বরে আরও বলেন, বন্ধ না করেও যদি বন্ধের অভিযোগ করে থাকে কেউ! তাহলে এবার বন্ধ করে দেবো।   

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Shantanu Thakur: লাগু হয়েছে সিএএ, নাগরিকত্বের জন্য আবেদন করবেন কেন্দ্রীয়মন্ত্রী শান্তনু ঠাকুর

    Shantanu Thakur: লাগু হয়েছে সিএএ, নাগরিকত্বের জন্য আবেদন করবেন কেন্দ্রীয়মন্ত্রী শান্তনু ঠাকুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লাগু হয়ে গিয়েছে সিএএ, এবার নাগরিকত্বের জন্য আবেদন করবেন কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী তথা বনগাঁ লোকসভার সাংসদ শান্তনু ঠাকুর (Shantanu Thakur)। উল্লেখ্য সারা দেশে নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন কার্যকর হতেই তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোয়াপধ্যায় আইনের ব্যাখ্যা নিয়ে অপপ্রচার করছেন বলে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ আগেই অভিযোগ করেছেন। এবার তৃণমূলের অপপ্রচারের বিরুদ্ধে একাধাপ গিয়ে নিজেই সিএএ আইনে নাগরিকত্বের জন্য আবেদন করবেন বলে জানান মতুয়া সংঘের নেতা শান্তনু ঠাকুর।

    কী বললেন শান্তনু (Shantanu Thakur)

    লোকসভার ভোটে এই রাজ্যে বিজেপি ২২ জন প্রার্থীর নাম ঘোষণা করে দিয়েছে। ইতিমধ্যে ভোটের প্রচার শুরু হয়ে গিয়েছে। নাগরিকত্ব সংশোধনী আইনের সুফল পেতে ঠাকুর নগরের ঠাকুর বাড়িতে মতুয়া সমাজের উচ্ছ্বাস ছিল চোখে পরবার মতো। বনগাঁ লোকসভার বিজেপি প্রার্থী শান্তনু ঠাকুর (Shantanu Thakur) গতকাল বাগদার হেলেঞ্চা এলাকায় বিজেপি কর্মীদের একটি সমাবেশ করেন। সেখানে সাংবাদিকদের বলেন, “বাংলাদেশের নথি বাধ্যতামূলক নয়, যদি কারও কাছে নথি নাও থাকে তাহলে যে কোনও রেজিস্টার্ড সংস্থা থেকে লিখিত কপি জমা দিতে পারেন। অত্যন্ত বিচক্ষণতার সঙ্গে এই গেজেট তৈরি হয়েছে। আগামী প্রজন্মের মানুষকে ভারতে সুরক্ষিত করতেই এই আইন ব্যাপক কার্যকরী হবে। ভারতের মানুষের আভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা এবং দেশের প্রগতির জন্য আইন ভীষণ গুরুত্বপূর্ণ।”

    নাগরিকত্ব আবেদন করবেন

    নাগরিকত্ব সংশোধনী আইনের কার্যকর প্রসঙ্গে তৃণমূলের অপপ্রচারকে সমালোচনা করে শান্তনু (Shantanu Thakur) বলেন, “আমি আবশ্যই নাগরিকত্বের জন্য আবেদন করব। আমার না করলেও কিছু হবে না। কারণ আমার ঠাকুর দাদার নিজস্ব সিটিজেনশিপ কার্ড রয়েছে এদেশের। কিন্তু আমি তবুও আবেদন করব। কারণ তৃণমূল বিভ্রান্তি তৈরি করছে। আমি নাগরিকত্বে আবেদন করে দেখেব আমার কিছু বাদ হয় কি না।”

    সিএএ কি বলা হয়েছে?

    নাগরিকত্ব সংশোধনী আইনে বলা হয়েছে ভারতের প্রতিবেশী মুসলমান রাষ্ট্র বাংলাদেশ, পাকিস্তান এবং আফগানিস্তান থেকে হিন্দু, শিখ, জৈন, পার্সি, খ্রিষ্টান, বৌদ্ধ ধর্মের মানুষদের মধ্যে যাঁরা ধর্মীয় অত্যাচারের শিকার হয়েছেন তাঁদের সকলকে নাগরিকত্ব দেওয়া হবে। কিন্তু এই রাজ্যে হিন্দু উদ্বাস্তু শরণার্থীদের জন্য এই আইন সম্মানের সঙ্গে বাঁচার অধিকারকে সুরক্ষিত করবে। অপর দিকে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী নিজের জনসভায় প্রচার করছেন সিএএ-তে আবেদন করলে নাগরিকত্ব চলে যাবে। পাল্টা রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু চ্যালেঞ্জ জানিয়ে বলেছেন, ‘নাগরিকত্ব গেলে বিধায়কপদ থেকে ইস্তফা দেবো’। এর মধ্যে সিএএ-তে শান্তনুর (Shantanu Thakur) নাগরিকত্বের আবেদনের কথায় শোরগোল পড়েছে।     

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Lok Sabha Election 2024: শুধু উত্তর ২৪ পরগনাতেই ২১ কোম্পানি, রাজ্যের কোন জেলায় রয়েছে কত বাহিনী?

    Lok Sabha Election 2024: শুধু উত্তর ২৪ পরগনাতেই ২১ কোম্পানি, রাজ্যের কোন জেলায় রয়েছে কত বাহিনী?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজনৈতিক দলগুলির পক্ষ থেকে প্রার্থী ঘোষণার পর্ব শুরু হলেও ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনের (Lok Sabha Election 2024) দিনক্ষণ আনুষ্ঠানিকভাবে এখনও ঘোষণা করেনি নির্বাচন কমিশন। বাংলায় নির্বাচনের সময় যা পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়, সেই অভিজ্ঞতাকে মাথায় রেখে এবং ভোটারদের আস্থা ফেরাতে মার্চ মাসের প্রথম থেকেই কেন্দ্রীয় বাহিনী নিয়ে আসা হয়েছে এ রাজ্যে। 

    এই মর্মে, পশ্চিমবঙ্গে এখনও পর্যন্ত মোট ১৫০ কোম্পানি বাহিনী পৌঁছে গিয়েছে এবং বিভিন্ন জেলায় তাদের মোতায়েন করা হয়েছে (Lok Sabha Election 2024)। জেলায় জেলায় টহল শুরু করেছে কেন্দ্রীয় বাহিনী। এলাকার রাস্তা ধরে রুট মার্চ করছেন জওয়ানরা। এই বাহিনীর মধ্যে কোন কোন জেলায় কত কোম্পানি মোতায়েন করা হয়েছে তার তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে কমিশনের পক্ষ থেকে। দেখা যাচ্ছে, সবচেয়ে বেশি বাহিনী মোতায়েন রয়েছে উত্তর ২৪ পরগনাতে।

    উত্তর ২৪ পরগনায় কত (Lok Sabha Election 2024)?

    উত্তর ২৪ পরগনায় এখনও পর্যন্ত ২১ কোম্পানি বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। শুধুমাত্র বসিরহাটেই মোতায়েন রয়েছে ৫ কোম্পানি। এছাড়া, বারাসতে ৩, বনগাঁয় ৩, বারাকপুরে ৬, বিধাননগরে ৪ কোম্পানি বাহিনী রাখা হয়েছে। এই জেলার সব জায়গায় বিএসএফ বাহিনী থাকবে। কেবলমাত্র বিধাননগরে সিআরপিএফ রাখা হবে।

    দক্ষিণবঙ্গে আর কোথায় কত?

    অন্যদিকে, দক্ষিণ ২৪ পরগনার বারুইপুর, ডায়মন্ডহারবাড়, সুন্দরবনে মোট ৯ কোম্পানি বাহিনী রাখা হবে। একই সঙ্গে বাঁকুড়ায় ৪, বীরভূমে ৪, পূর্ব মেদিনীপুরে ৭, পশ্চিম মেদিনীপুরের ৫ কোম্পানি মোতায়েন রয়েছে। আবার নদিয়া জেলায় ৮ কোম্পানি, মুর্শিদাবাদ জেলায় ৮, পশ্চিম বর্ধমানে ৬, পূর্ব বর্ধমানে ৪, পুরুলিয়ায় ৪  এবং ঝাড়গ্রামে ৩ কোম্পানি বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে।

    কলকাতায় কত বাহিনী (Lok Sabha Election 2024)

    কমিশন সূত্রে জানা গিয়েছে, কলকাতায় মোট ১০ কোম্পানি বাহিনী রাখা হয়েছে। তার মধ্যে ৮ কোম্পানি বিএসএফ এবং দুই কোম্পানি সিআরপিএফ। হাওড়া, হুগলি ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলায় মোতায়েন করা হয়েছে ৯ কোম্পানি করে কেন্দ্রীয় বাহিনী। এর মধ্যে হুগলির চন্দননগরেই রয়েছে ৫ কোম্পানি বাহিনী।

    উত্তরবঙ্গে কত (Lok Sabha Election 2024)?

    দক্ষিণবঙ্গের সঙ্গে উত্তরবঙ্গেও বাহিনী মোতায়েন হয়েছে। এর মধ্যে দার্জিলিঙে ৭ কোম্পানি, কোচবিহারে ৫ কোম্পানি, আলিপুরদুয়ারে ৩ কোম্পানি, জলপাইগুড়িতে চার কোম্পানি, কালিম্পঙে ২ কোম্পানি বাহিনী মোতায়েন করা হবে। উত্তর-দক্ষিণ দুই দিনাজপুরে থাকবে মোট ৭ এবং ৪ কোম্পানি। মালদায় মোতায়েন করা হবে ৭ কোম্পানি বাহিনী।

     

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: সন্দেশখালিতে এবার ঘরভাড়া নিয়ে ‘সেবাকেন্দ্র’ শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: সন্দেশখালিতে এবার ঘরভাড়া নিয়ে ‘সেবাকেন্দ্র’ শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সন্দেশখালিতে এবার ঘরভাড়া নিলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। তাঁর অবশ্য বক্তব্য ওটা ‘সেবাকেন্দ্র’। এলাকায় মানুষের বক্তব্য, “আমাদের অভাব, অভিযোগ এবং সমস্যার কথা জানাবো ওই কেন্দ্রে।” তৃণমূল নেতাদের অত্যাচারে জনজীবন বিপন্ন সন্দেশখালির মানুষের। তৃণমূল সরকারের বিরুদ্ধে জনরোষ তীব্র হয়েছে। এবার মানুষের এই আন্দোলনের রাশকে ধরে রাখতে এই ঘর ভাড়া নেওয়া হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে।

    উল্লেখ্য সন্দেশখালির যে যে মানুষের জমি জোর করে কেড়ে নেওয়া হয়েছে সেই জমিকে ফেরানোর কাজ শুরু করেছে তৃণমূল প্রশাসন। তাই লোকসভা ভোটের আবহে বিরোধী দলনেতা তিন মাস ঘর ভাড়া নিয়ে এলাকায় থাকবেন বলে জানা গিয়েছে। এই এলাকায় এখন বিজেপির সংগঠনকে মজবুত করাই একমাত্র লক্ষ্য।

    এলাকাবাসীর বক্তব্য (Suvendu Adhikari)

    সন্দেশখালির স্থানীয় মানুষ জানিয়েছেন, “শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) আমাদের প্রতিবেশী হলে আমরা খুব খুশি হবো। আমাদের আতঙ্ক অনেকটাই কম হবে। আমাদের সকল সুবিধা অসুবিধার কথা তাঁকে জানাতে পারব। তাঁর এই পদক্ষেপ শুনে আমরা অনেকটাই আশ্বস্ত হয়েছি।” জানা গিয়েছে এই এলাকার পুকুরপাড়া এলাকায় থাকবেন শুভেন্দু। আবার সন্দেশখালির বিজেপি নেতা গঙ্গাধর কয়াল বলেন, “সন্দেশখালির মাটিতে বিজেপিকে আরও শক্তিশালী করতে শুভেন্দু অধিকারী এই পরিকল্পনা নিয়েছেন। আমরা তিন মাসের জন্য বাড়িটি নিচ্ছি।”

    শুভেন্দুর বক্তব্য

    সন্দেশখালিতে ঘরভাড়া প্রসঙ্গে শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) বলেন, “ওখানে বাদল দাসের বাড়িতে সেবাকেন্দ্র করা হয়েছে। আমরা ভাড়া নিয়েছি। নিপীড়িত মানুষের পাশে থাকা এবং তাঁদের আইনি সহযোগিতা করার জন্য এই সেবাকেন্দ্র খোলা হয়েছে।” অপর দিকে ঘর ভাড়া নিয়ে আদি তৃণমূল নেতা বাদল দাস বলেন, “আমি এক সময় এলাকায় তৃণমূল করতাম। সেই সঙ্গে একটি ভয় কাজ করছে। তবে এখন আমরা ভয়কে জয় করেছি। আমাদের একটাই সুর ছিল, পার্টি যে যাই করি, আন্দোলন সবাইকার। আমি এলাকার মানুষের চাহিদা বুঝে বাড়ি ভাড়া দিচ্ছি।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: “এটা গ্রেফতার নয়, মিউচুয়াল অ্যাডজাস্টমেন্ট”, শাহজাহান প্রসঙ্গে তোপ শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: “এটা গ্রেফতার নয়, মিউচুয়াল অ্যাডজাস্টমেন্ট”, শাহজাহান প্রসঙ্গে তোপ শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সন্দেশখালির জেলিয়াখালি যাওয়ার পথে দলীয় কর্মী ও সমর্থকদের সঙ্গে সাধারণ মানুষের কাছ থেকে স্বাগত এবং সংবর্ধনা গ্রহণ করেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। উল্লেখ্য কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার অফিসারদের উপর আক্রমণের ৫৬ দিনের মাথায় মিনাখাঁ থেকে পলাতক তৃণমূল নেতা শেখ শাহজাহানকে আজ গ্রেফতার করেছে পুলিশ। মানুষের আন্দোলন, জনরোষের কাছে প্রশাসন নতি স্বীকার করে কার্যত গ্রেফতার করেছে বলে মনে করছে বিজেপি। শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) এদিন বলেন, “শাহজাহানের বিরুদ্ধে অ্যাকশান হওয়া উচিত। এখানে একটা বিরাট চক্র রয়েছে সিরাজ, জিয়াউদ্দিন, আলমগীরে সকলকে গ্রেফতার করতে হবে। ২০১৮ সালের ৩ জনকে খুনের মামলা নিয়ে হাইকোর্টে আবেদন করেছি। আমরা চাই মামলায় সিবিআই তদন্ত করুক।”

    কী বললেন শুভেন্দু (Suvendu Adhikari)?

    জেলিয়াখালি যাওয়ার পথে শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) তৃণমূল নেতা শেখ শাহজাহান সম্পর্কে বলেন, “এডিজি সুপ্রতীম সরকার মিথ্যা বলেছেন। হাইকোর্টের কোনও রকম স্থগিতাদেশ ছিল না। ২০০৬-০৭ সালে সিপিএমের আমলে সিঙ্গুরের বিরাট অপকর্ম করেছেন। ওঁর সম্পর্কে যত কম বলা যায় তত ভালো। তিনি তৃণমূলের শেখানো কথা বলছেন। পশ্চিমবঙ্গের পুলিশের ১০০ শতাংশ রাজনীতিকরণ হয়েছে। তৃণমূলের শাখা সংগঠন হল পুলিশ। সাংবাদিকদের বাড়িতে গিয়ে ভয় দেখানো হচ্ছে। এতে ড্যামেজ কন্ট্রোল হবে না। শাহজাহানকে ধরার আগে ডিআইজি ভাস্কর মুখার্জির গাড়িতে করে পুলিশ প্রথমে ফলতায় নিয়ে যায়, এরপর মিনাখাঁয় এনে বাড়ির পরিবারের সঙ্গে দেখা করানো হয়। সেখানে বাড়ির লোকজনের সঙ্গে কথা বলে আশ্বাস দেন যে কয়েক দিনের মধ্যেই ফিরে আসবেন। পুলিশের দলের মধ্যে আমার লোক রয়েছে। সূত্রে আমি আগেই জেনে গিয়েছি। মমতার পাশে কেউ নেই। আপনি যা যা পরিকল্পনা করবেন আপনার লোকেরা আমাকে খবর দিয়ে আপনার সমস্ত পরিকল্পনাকে ভঙ্গ করবেন।”

    আর কী বললেন?

    শাহজাহানের গ্রেফতার প্রসঙ্গে শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) আরও বলেন, “এটা কোনও গ্রেফতার নয় মিউচুয়াল অ্যাডজাস্টমেন্ট। তাঁকে ফাইভ স্টারে রাখা হবে, মোবাইল ফোন সঙ্গে থাকবে। সবকিছুকে পুলিশি নিরাপত্তার মধ্যে থেকে কন্ট্রোল করবেন শাহজাহান। তাই আমাদের দাবি ওঁকে ইডির হেফাজতে চাই। সিবিআই অবিলম্বে মামলাকে হস্তক্ষেপ করুক। মানুষ চাইছে তাঁদের প্রতি অন্যায়ের বিচার হোক। কড়া শাস্তি চাই আমরা। ইডি আক্রান্ত হওয়ার পর পুলিশে কেস করেছে, তাই সবটাই পুলিশের দায়িত্ব ছিল। এই সব কিছুর সাফল্য ইডির। ইডি যদি না যেতো আর মূর্খ শাহজাহান যদি মারপিট না করত তাহলে এই কুকর্মের কথা মানুষ জানতেই পারতো না।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • North 24 Parganas: সন্দেশখালিকাণ্ডে গ্রেফতার আরও তিন, এখনও অধরা শাহজাহান

    North 24 Parganas: সন্দেশখালিকাণ্ডে গ্রেফতার আরও তিন, এখনও অধরা শাহজাহান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উত্তর ২৪ পরগনার (North 24 Parganas) সন্দেশখালিকাণ্ডে গ্রেফতার আরও তিন জন। এখনও পর্যন্ত কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা ইডির উপর আক্রমণের ঘটনায় মোট গ্রেফতারে সংখ্যা দাঁড়াল সাত। তবে যাঁকে কেন্দ্র করে ইডির রেশন দুর্নীতি তদন্তের তল্লাশি অভিযান হয়েছিল সেই তৃণমূল নেতা শাহজাহানকে এখনও পর্যন্ত পুলিশ গ্রেফতার করতে পারেনি। এই নিয়ে পুলিশ প্রশাসন এবং মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছে বিরোধী দল বিজেপি।

    শাহজাহানের অনুগামীরা আক্রমণ করেছিল (North 24 Parganas)

    গত ৫ জানুয়ারি সন্দেশখালির (North 24 Parganas) সরবেড়িয়ায় তৃণমূল নেতা শেখ শাহজাহানের বাড়িতে ইডি রেশন দুর্নীতি নিয়ে তদন্ত করতে যায়। উল্লেখ্য রাজ্যের রেশন দুর্নীতিকাণ্ডে প্রথমে বাকিবুর রহমান এবং এরপর তৃণমূলের প্রাক্তন খাদ্যমন্ত্রী তথা বর্তমান বনমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিককে গ্রেফতার করেছে ইডি। সূত্রে জানা গিয়েছে, এই প্রাক্তন মন্ত্রীর সঙ্গে তৃণমূল নেতা শাহজাহানের সঙ্গে খুব ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক ছিল। আর্থিক লেনদেনের গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পেয়েছে ইডি। আর এই নিয়ে তদন্তে করতে গেলে সরবেড়িয়ায় আক্রান্ত হতে হয় তদন্তকারী অফিসারদের। তাঁদের সঙ্গে থাকা কেন্দ্রীয় বাহিনীকে মার খেতে হয়। ভাঙা হয় গাড়ি এবং সংবাদ মাধ্যমকেও করা হয় মারধর। এলাকায় ৮০০ থেকে ১০০০ লোক যারা শাহজাহানের অনুগামী বলে পরিচিত তারা হামলা চালায়। এরপর ঘটনায় প্রতিক্রিয়তা স্বরূপ রাজ্যপাল সি ভি আনন্দ বোস বলেন ‘রাজ্যে জঙ্গল রাজত্ব’ চলেছে। একই ভাবে রাজ্যের ডিজি রাজীব কুমার, শাহজাহানকে গ্রেফতারের প্রসঙ্গে আশ্বাস দিলেও বাস্তবে তা দেখা যায়নি। ঘটনায় নেজাট থানায় ইডি প্রথম একটি এফআইআর দায়ের করে। এরপর পুলিশ নিজে থেকে অপর আরেকটি মামলা করে এবং ইডির তদন্তকারী অফিসারদের বিরুদ্ধে এলাকার মহিলা ও শিশুদের উপর অত্যাচারের অভিযোগ জানিয়ে অতিরিক্ত আরও একটি এফআইআর করা হয়। এই ঘটনায় মোট এখনও পর্যন্ত তিনটি মামলা করা হয়েছে।

    ইডি সূত্রে দাবি

    সন্দেশখালি (North 24 Parganas) ঘটনার পর থেকে শাহজাহানের কোনও রকম সন্ধান না পাওয়া গেলেও কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা ইডি জানিয়েছে, আক্রমণের দিনে তৃণমূল নেতা নিজের বাড়িতে ছিলেন। ইডির তদন্ত থেকে বাঁচতে বিক্ষোভ-হামলার ঘটনা ঘটিয়ে বাড়ির পেছনের দরজা দিয়ে পালিয়ে গিয়েছেন। যদিও আইনজীবীর মাধ্যেম এই তৃণমূল নেতা কলকাতা হাইকোর্টে দ্বারস্থ হয়েছেন তিনি। সেই সঙ্গে সন্দেশখালি মামলায় যুক্ত হতে চান বলে আবেদন করেছেন তিনি। এই মামলায় তাঁর বক্তব্য কোর্ট যেন শোনে, একথাও আবেদনে উল্লেখ করেন। এই মামলায় সিসিটিভির ফুটেজ দেখে অভিযুক্তদের গ্রেফতার করা হয়েছে। বিজেপির বিধায়ক এবং রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর দাবি, “শাহজাহান পুলিশের সংরক্ষণেই রয়েছেন।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • North 24 Parganas: মহিলাকে ব্যাপক বাঁশপেটা করলেন  তৃণমূলের পঞ্চায়েত সদস্য! মারধরের ভিডিও ভাইরাল

    North 24 Parganas: মহিলাকে ব্যাপক বাঁশপেটা করলেন তৃণমূলের পঞ্চায়েত সদস্য! মারধরের ভিডিও ভাইরাল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের প্রকাশ্যে তৃণমূল নেতার দাদাগিরি। জমি সংক্রান্ত বিবাদের মীমাংসা করতে গিয়ে খোদ শাসকদলের পঞ্চায়েত সদস্যের বিরুদ্ধেই উঠল মহিলাকে বাঁশপেটানোর অভিযোগ। চলল সেই সঙ্গে লাথি এবং ঘুষিও। মহিলাকে বাঁচাতে গিয়ে আক্রান্ত হয়েছেন তাঁর মেয়েও। তৃণমূল নেতার মারধরের সেই ভিডিয়ো ইতিমধ্যে ভাইরাল হয়েছে সোশ্যাল মিডিয়ায়। ঘটনা ঘটেছে উত্তর ২৪ পরগনার (North 24 Parganas) দত্তপুকুরে।

    বাঁশ তুলে মার মহিলাকে (North 24 Parganas)

    দত্তপুকুর (North 24 Parganas) দু’নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েতের জয়পুল মেঠোপাড়া এলাকার ২৪২ নম্বর পার্টির তৃণমূল পঞ্চায়েত মেম্বারকে দেখা যায়, এই তৃণমূল নেতা কীভাবে তেড়ে গিয়ে মহিলাকে ধাক্কা মারতে মারতে নিয়ে যাচ্ছেন জমির মধ্যে। এরপর রেগেমেগে জমির মধ্যে পড়ে থাকা একটি বাঁশও তুলে নিয়ে কার্যত নিজের হাতেই মহিলাকে ব্যাপক মারধর শুরু করেন। আর সেই ভিডিয়ো সামনে আসতেই শোরগোল পড়ে গিয়েছে রাজ্য রাজনীতিতে।

    কে এই তৃণমূল নেতা?

    স্থানীয় (North 24 Parganas) সূত্রে জানা গিয়েছে, ভিডিয়োয় মহিলাকে প্রকাশ্যে মারধর করছেন যে তৃণমূল নেতা, তিনি হলেন তাজউদ্দিন। তিনি দত্তপুকুরের জয়পুল মেঠোপাড়ার বাসিন্দা। তিনি শাসকদলের নির্বাচিত পঞ্চায়েত সদস্য। সূত্রের আরও খবর, মোসলেমা বিবির স্বামী নাসিরউদ্দিন মণ্ডলের সঙ্গে তাঁর ভাইদের জমি সংক্রান্ত বিবাদ চলছিল দীর্ঘদিন ধরে। পৈতৃক জমি নাসিরউদ্দিনকে না জানিয়ে সেই জমির বিক্রি বাবদ অগ্রিম টাকা নিয়ে নেয় তাঁর ভাইয়েরা। সেই কথা জানতে পেরে জমি ঘিরতে বাঁধা দেয় নাসিরউদ্দিনের পরিবার। এরপর বিবাদের উত্তাপ পৌঁছায় স্থানীয় পঞ্চায়েত এবং থানাতেও।

    বিরোধী দলনেতার তীব্র আক্রমণ

    স্থানীয় (North 24 Parganas) তৃণমূল নেতার এই দাদাগিরির ভিডিয়ো নিজের এক্স হ্যান্ডেলে শেয়ার করে শাসকদলকে রীতিমতো বিঁধেছেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। তিনি টুইট করে লিখেছেন, “ওরাই তৃণমূলের রত্ন। দত্তপুকুর ২ নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েতের তৃণমূলের নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি তাজউদ্দিন কীভাবে একজন মহিলাকে মারধর করছে দেখুন! এটা ভাবাই যায় না। ঘটনার পরেও আক্রান্ত মহিলা মোসলেমা বিবিকে প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে যাচ্ছে অভিযুক্ত তৃণমূল নেতা। তারপরও দত্তপুকুর থানার পুলিশ কোনও ব্যবস্থা নেয়নি এখনও পর্যন্ত। যার জেরে ভয়ে ভিটেমাটি ছেড়ে এখন অন্যত্র আশ্রয় নিতে বাধ্য হয়েছেন মহিলার পরিবারের সদস্যরা।”

    আক্রান্তের বক্তব্য

    ঘটনায় অভিযোগ করেছেন আক্রান্ত মোসলেমা বিবি ও তাঁর মেয়ে হাসিনা বেগম। তাঁরা বলেন, “মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রতি দৃষ্টি আকর্ষণ করে এই ঘটনার সুবিচার চাই আমরা।” পালটা যদিও মারধরের ঘটনা স্বীকার করেও গোটা পরিস্থিতির জন্য ওই মহিলাকেই দায়ী করেছেন অভিযুক্ত তৃণমূল নেতা তাজউদ্দিন। ঘটনার পরেও এখনও পর্যন্ত কোনও পদক্ষেপ নেয়নি ওই তৃণমূল নেতার বিরুদ্ধে। ফলে মহিলাকে মারধরের পরেও সে বুক ফুলিয়ে ঘুরে বেড়াচ্ছে এলাকায় (North 24 Parganas)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • CV Ananda Bose: “শাহজাহান কোথায়, উত্তর আছে মা গঙ্গার কাছে”, ফের রাজ্যপালের মন্তব্য

    CV Ananda Bose: “শাহজাহান কোথায়, উত্তর আছে মা গঙ্গার কাছে”, ফের রাজ্যপালের মন্তব্য

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “শাহজাহান কোথায়, উত্তর আছে মা গঙ্গার কাছে” মন্তব্যে করলেন রাজ্যপাল। শাহজাহান কোথায়? মা গঙ্গা কী সত্যই জানেন? এই প্রশ্নে ফের গ্রেফতার নিয়ে সরব হলেন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস (CV Ananda Bose)। গতকাল রবিবার ভাটপাড়ায় গঙ্গা আরতি করতে গিয়ে গঙ্গার কাছে উত্তর খুঁজলেন তিনি। উল্লেখ্য, আগেও রাজ্যপাল রাজ্য পুলিশকে গ্রেফতার প্রসঙ্গে কড়া বার্তা দিয়েছিলেন। রাজ্য পুলিশের ডিজি রাজীব কুমারও গ্রেফতারের আশ্বাস দিয়েছিলেন কিন্তু ঘটনার ১৫ দিন কেটে গেলেও অধরা এই তৃণমূল নেতা। এইদিন গঙ্গায় আরতির এক অনুষ্ঠানে ফের রাজ্যপাল সরব হলেন পুলিশের বিরুদ্ধে।

    কী বললেন রাজ্যপাল (CV Ananda Bose)?

    মকর সংক্রান্তির ঠিক আগের দিন উত্তর ২৪ পরগনার ভাটপাড়ার হিন্দু জাগরণ মঞ্চের আয়োজিত একটি অনুষ্ঠানে যোগদান করেছিলেন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস (CV Ananda Bose)। তিনি গঙ্গার ঘাটে আরতি করেন। আরতি শেষ করে সংবাদ মাধ্যমকে বলেন, “গঙ্গা গোটা দেশের সম্প্রীতি রক্ষা করছে। এখন এই শাহজাহান কোথায় তা মা গঙ্গাই জানেন। উত্তর আছে মা গঙ্গার কাছে।” এই মন্তব্যে রাজ্য প্রশাসনের উপর ফের চাপ বৃদ্ধি করলেন রাজ্যপাল। এখন এই মা গঙ্গা বলতে কাকে ইঙ্গিত করেছেন সেটাও একটা প্রশ্ন। ইতিমধ্যে বিজেপির নেতারা বার বার শাহজাহানের গ্রেফতার নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। প্রথম থেকেই বিরোধীরা শাহজাহান বাংলাদেশে পালিয়ে গিয়েছেন বলে মন্তব্য করলেও এরপর স্থানীয়রা এই তৃণমূল নেতাকে এলাকায় ঘোরাঘুরি করতে দেখা গিয়েছে বলে মন্তব্য করেন। কিন্তু এখনও শাহজাহানকে কেন পুলিশ গ্রেফতার করছে না তা নিয়েও মানুষের ক্ষোভ দিন দিন বাড়ছে বলে জানা গিয়েছে।

    ৫ জানুইয়ারি থেকেই নিখোঁজ

    গত ৫ জানুয়ারি রেশন দুর্নীতিকাণ্ডে অভিযুক্ত তৃণমূলের নেতা শেখ শাহজাহানের উত্তর ২৪ পরগনার সন্দেশখালির সরবেড়িয়ার বাড়িতে তদন্ত করতে গেলে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা ইডি আক্রান্ত হয়। তিনজন তদন্তকারী অফিসারের মাথা ফাটিয়ে দেয় দুষ্কৃতীরা। সেই সঙ্গে নিরাপত্তা বাহিনীর কেন্দ্রীয় জওয়ানদের মারধর করা হয়। এমনকী তাঁদের গাড়িতে ব্যাপক ভাংচুর করা হয়। এরপর থেকেই তৃণমূল নেতা শাহজাহান পলাতক। ঠিক তার পরেই রাজ্যপাল (CV Ananda Bose) বাংলায় ‘জঙ্গল রাজত্ব’ চলছে বলে মন্তব্য করেন। পুলিশকে আইনের শাসন প্রয়োগের কথা বলেন। এখনও পর্যন্ত মাত্র ৪ জনকে গ্রেফতার হলেও আসল অভিযুক্ত শেখ শাহজাহানকে গ্রেফতার করিনি পুলিশ। প্রশাসন কবে এখন গ্রেফতার করে তাই এখন দেখার।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • North 24 Parganas: চাকরি দেওয়ার নামে আর্থিক প্রতারণা, দেগঙ্গায় গ্রেফতার ভুয়ো পুলিশ!

    North 24 Parganas: চাকরি দেওয়ার নামে আর্থিক প্রতারণা, দেগঙ্গায় গ্রেফতার ভুয়ো পুলিশ!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রীতিমতো পুলিশ অফিসার সেজে সোজা চাকরি দেওয়ার নাম করে এলাকায় টাকা তুলে প্রতারণা চলছিল। নিজেকে এক উচ্চপদস্থ পুলিশ আধিকারিকের পরিচয় দিয়ে এলাকার মানুষের কাছে টাকা তুলত এই যুবক। সোমবার অভিযোগ পেয়েই উত্তর ২৪ পরগনার (North 24 Parganas) দেগঙ্গার কার্তিকপুর থেকে গ্রেফতার করে পুলিশ। উল্লেখ্য গ্রেফতার করার সময় পরনে ছিলেন পুলিশেরই পোশাক।

    উল্লেখ্য এই রাজ্যে আগেও ভুয়ো ডাক্তার, ভুয়ো সিআইডিঅফিসার, ভুয়ো সরকারি আমলা, ভুয়ো শিক্ষক, ভুয়ো সেনার পরিচয় দিয়ে একাধিক বার আর্থিক প্রতারণার ঘটনায় রাজ্যে ব্যাপক তোলপাড়ের ঘটনা ঘটেছিল। সরকারের বিরুদ্ধে এই নিয়ে বিরোধীরা তীব্র নিশানা করেছিল। রাজ্যে ফের একবার ভুয়ো পুলিশ কর্মী গ্রেফতার হওয়ায় চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে।

    কে এই যুবক (North 24 Parganas)?

    স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, ধৃত এই ভুয়ো পুলিশ আধিকারিক যুবকের নাম নাদিম হোসেন। তার বাড়ি উত্তর ২৪ পরগণার (North 24 Parganas) খড়দায়। দেগঙ্গা এলাকায় বেশ কিছু দিন ধরে বসবাস করছিল। এলাকায় পরিচয় দিত বারাসত পুলিশের ওসি ট্রাফিক যুবক। আর এই পরিচয়ের নাম করেই স্থানীয়দের কাছ থেকে চাকরি দেওয়ার কথা বলে টাকা তুলত।

    কীভাবে ধরা পড়ল?

    স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, দেগঙ্গার (North 24 Parganas) এক বাসিন্দা নরুন ইসলাম নামক এক ব্যক্তি এই ভুয়ো পুলিশ কর্মীকে ছেলের চাকরির জন্য ৪০ হাজার টাকা দিয়েছিলেন। কিন্তু এখানেই থেমে থাকেনি আরও টাকা চেয়েছিল যুবক। এরপর হাতেহাতে টাকা দেওয়ার কথা বললে কার্তিকপুরে আসতে বলা হয় যুবককে। যুবক নকল পুলিশ সেজে পুলিশের পোশাক পরে এসে উপস্থিত হয়। পাশাপাশি এখানে দেগঙ্গা থানার পুলিশ উপস্থিত ছিলেন ঘটনাস্থলে। পুলিশ পরিচয় পত্র জানতে চাইলে নিজের অপরাধ স্বীকার করে নেয় যুবক। এরপর তাকে গ্রেফতার করে নিয়ে যায় পুলিশ।

    পুলিশের বক্তব্য

    ধৃত ভুয়ো পুলিশ কর্মী নাদিম হোসেন সম্পর্কে দেগঙ্গা পুলিশ জানায় যে বাজার থেকে পুলিশের পোশাক কিনে ছিল। সাধারণত সিনেমার কাজের জন্য এই ধরনের পোশাক খোলা বাজারে ব্যবহার করা হয়। জেরায় জানিয়েছে, ছেলেবেলা থেকেই পুলিশ হওয়ার খুব ইচ্ছে ছিল তার। স্বপ্নপূরণ না হওয়ায় পুলিশের অভিনয় করে যুবক। তবে পুলিশ তার কথা মানতে নারাজ। চাকরি দেওয়ার নাম করে প্রতারণা করার জন্যই এই ধরনের কাজ করছে বলে পুলিশের বক্তব্য।    

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Sandeshkhali Incident: ইডির উপর হামলায় যুক্ত কারা? ছবি দেখিয়ে তিন জনকে ‘শনাক্ত’ করলেন শুভেন্দু

    Sandeshkhali Incident: ইডির উপর হামলায় যুক্ত কারা? ছবি দেখিয়ে তিন জনকে ‘শনাক্ত’ করলেন শুভেন্দু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সন্দেশখালিতে (Sandeshkhali Incident) ইডি আধিকারিক এবং কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানদের উপর ‘হামলা’র ঘটনায় তিন জনকে ‘শনাক্ত’ করেছেন বলে দাবি রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর। শুক্রবার সকালে দুর্নীতির তদন্তে গিয়ে আক্রান্ত হলেন ইডির অফিসাররাই। একটি ন্যক্কারজনক ঘটনার সাক্ষী থাকল বাংলা।  এই ঘটনায় এখনও পর্যন্ত কেউ আটক হননি। 

    শুভেন্দুর দাবি

    শুক্রবারের ঘটনায় জড়িত সন্দেহে তিন জনের ছবি ও নাম নিজের এক্স হ্যান্ডলে পোস্ট করেছেন নন্দীগ্রামের বিজেপি বিধায়ক তথা বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। শুভেন্দুর চিহ্নিত করা তিন জনের মধ্যে রয়েছেন তৃণমূল নেতা শেখ শাহজাহানের ভাই শেখ আলমগীর এবং শেখ সিরাজুদ্দিন। বাকি এক জনের পরিচয় জানিয়েছেন শুভেন্দুই। তাঁর নাম জিয়াউদ্দিন। নামের সঙ্গে শুভেন্দু তাঁর পরিচয় দিয়ে লেখেন, “ইনি নাম করা অস্ত্র পাচারকারী, খুনি এবং বর্তমানে সরবেড়িয়া-অগরহাটি গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান।” তার পরেই মুখ্যমন্ত্রীকে তোপ দেগে শুভেন্দু বলেন, “মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আশ্বাস এবং উৎসাহে ভর করে শেখ শাহজাহানের মতো দুষ্কৃতীরা রোহিঙ্গাদের একজোট করে সন্ত্রাসের রাজত্ব তৈরি করতে চাইছে।”

    আরও পড়ুন: “বাংলার আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি ভয়ঙ্কর”, সন্দেশখালিকাণ্ডে শাহকে ফোন শুভেন্দুর

    এনআইএ তদন্তের আর্জি

    উত্তর ২৪ পরগনার সন্দেশখালির (Sandeshkhali Incident) ঘটনায় হইচই পড়ে গিয়েছে গোটা রাজ্যে। এদিন ইডি, কেন্দ্রীয় বাহিনী ও সংবাদমাধ্যমের উপর হামলার ঘটনায় কারা কারা জড়িত ছিল, নাম উল্লেখ করে এনআইএ-র দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। ‘দেশবিরোধী শক্তি’র বিরুদ্ধে দ্রুত পদক্ষেপ করার জন্য জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা (এনআইএ)-র কাছে আর্জি জানিয়েছেন শুভেন্দু। শুক্রবার সকালেই সন্দেশখালির ঘটনা নিয়ে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকে নিজের এক্স হ্যান্ডলের একটি পোস্টে ট্যাগ করেন শুভেন্দু। সেই এক্স বার্তায় কেন্দ্রীয় পদক্ষেপের আর্জি জানানোর পাশাপাশি তিনি জুড়ে দেন পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যপাল, ইডির অধিকর্তা এবং সিআরপিএফকেও।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share