Tag: North 24 Parganas

North 24 Parganas

  • BSF: মানবিক বিএসএফ! সীমান্তের জিরো পয়েন্টে বাবাকে শেষ শ্রদ্ধা জানালেন মেয়ে

    BSF: মানবিক বিএসএফ! সীমান্তের জিরো পয়েন্টে বাবাকে শেষ শ্রদ্ধা জানালেন মেয়ে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নাম লিয়াকত মণ্ডল। তাঁর বাড়ি উত্তর ২৪ পরগনার বাগদার হরিহরপুরে। বেশ কয়েকবছর আগে বাংলাদেশের এক যুবকের সঙ্গে মেয়ের বিয়ে দিয়েছিলেন। মেয়ে এখন বাংলাদেশের নাগরিক। অসুস্থতার কারণে লিয়কত সাহেবের মৃত্যু হয়। বিএসএফের (BSF) সহযোগিতায় মৃত বাবাকে শেষ দেখা দেখতে পেলেন সীমান্তের ওপারে থাকা মেয়ে। সাদা কাপড়ে মোড়া বাবার দেহ দেখে কান্নায় ভেঙে পড়লেন তিনি। বিএসএফের মানবিক মুখ দেখলেন সকলে।

    ঠিক কী ঘটেছিল? (BSF)

    বাবার মৃত্যুর খবর বাংলাদেশে থাকা মেয়ের কাছে পৌঁছেছিল। কিন্তু, পাসপোর্ট জটে আটকে কাঁটাতার পেরিয়ে ভারতে আসতে পারেননি বাংলাদেশের বাসিন্দা মেয়ে। আর দ্রুত পাসপোর্ট ভিসা তৈরি করে তাঁর পক্ষে আসা সম্ভব ছিল না। বিজিবি- বিএসএফের (BSF) কাছে তাঁর কাতর আবেদন ছিল, যেন একবার বাবাকে শেষ দেখা দেখতে দেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়। কারণ, বাবার মৃত্যুর খবর পেয়ে মেয়ে আসতে চেয়েছিলেন পৈতৃক ভিটেতে। তাঁর ইচ্ছা ছিল, বাবার মৃতদেহ শেষবার দেখার। লিয়াকত সাহেবের পরিবারের লোকজন হরিহরপুর গ্রামের পঞ্চায়েত সদস্যকে বিষয়টি জানান। পঞ্চায়েত সদস্য মধুপুর ক্যাম্পের বিএসএফ কর্তাদের অনুরোধ করেন, লিয়াকত সাহেবের মেয়েকে যাতে শেষবারের মতো বাবাকে দেখতে দেওয়া হয়। এরপরই বিএসএফের পক্ষ থেকে বিজিবির সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়। বিজিবি-র মাধ্যমে মেয়েকে দু’দেশের জিরো পয়েন্টে আনার কথা বলা হয়। এরপরই সীমান্তের জিরো পয়েন্টে লিয়াকতের মৃতদেহ আনা হয়। ওপার থেকে মেয়েও আসেন। শেষমেশ বিএসএফের (BSF) সহযোগিতায় জিরো পয়েন্টে লিয়াকত সাহেবের দেহ আনা হয়। বাবাকে শেষ দেখার পাশাপাশি শেষ শ্রদ্ধাও জানান মেয়ে।

    বিএসএফ নিয়ে কী বললেন বাংলাদেশের বধূ?

    লিয়াকত সাহেবের মেয়ে বলেন, ‘বাবার মৃত্যুর খবর পেয়ে মন ছটফট করছিল। কিন্তু, দুদেশের আইনি জটে সীমান্ত পেড়িয়ে আসা সম্ভব হচ্ছিল না। কিন্তু, বিএসএফ (BSF) উদ্যোগী হওয়ায় বাবার সঙ্গে শেষ দেখা করতে পারলাম। বিএসএফের কাছে আমি কৃতজ্ঞ।’

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Cow Smuggling: অনুব্রত তিহার জেলে, তারপরেও বঙ্গে ফের শুরু গরু পাচার, শোরগোল

    Cow Smuggling: অনুব্রত তিহার জেলে, তারপরেও বঙ্গে ফের শুরু গরু পাচার, শোরগোল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অনুব্রত তিহার জেলে, তারপরেও বঙ্গে ফের শুরু গরু পাচার, শোরগোল। বেশ কয়েক বছর উত্তর ২৪ পরগনার সীমান্তে গরু পাচার (Cow Smuggling) বন্ধ থাকলেও এবার ফের গরু পাচার হচ্ছে বলে এলাকায় অভিযোগ উঠেছে। সূত্রে জানা গিয়েছে, বাগদার কুলিয়া ভারত-বাংলাদেশ সীমান্ত দিয়ে এই গরু পাচার ফের শুরু হয়েছে। ইতিমধ্যে গ্রামবাসীদের মধ্যে আতঙ্কের সূত্রপাত হয়েছে। অবশ্য বিএসএফের দাবি, গরু পাচার ঠেকাতে সবরকম ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।

    বিএসএফ সূত্রে খবর (Cow Smuggling)

    উত্তর ২৪ পরগনার বাগদার সীমান্ত এলাকায় গরু পাচার (Cow Smuggling) নিয়ে বিএসএফ জানিয়েছেন, পাচার আটকাতে নিরাপত্তা আরও শক্ত করা হয়েছে। তবে গরু রোজ পাচার হচ্ছে না। সীমান্তে যাঁরা গরু পোষেন তাঁদের বাড়িতে টাকা দিয়ে সাময়িক ভাবে রেখে দেওয়া হয়। তারপর সেগুলি পাচার হয়। আবার গ্রামবাসীদের বিক্রি করা গরু পাচারকারীদের কাছে চলে যাচ্ছে। সপ্তাহে এক বা দুই দিন সুযোগ বুঝে পাচারের চেষ্টা করা হয়। এলাকাগুলিকে চিহ্নিত করে সিসিটিভি বসানোর কথাও চলছে বলে জানা গিয়েছে।

    আগেও হয়েছে গরু পাচারের রমরমা

    স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, এই জেলার বনগাঁ, বসিরহাট মহকুমার সীমান্ত দিয়ে রমরমিয়ে গরু পাচার (Cow Smuggling) হত। বেশ কিছু এলাকাকে সেফ করিডর করে পাচারের জন্য ব্যবহার করা হয়। উল্লেখ্য এখনো বেশ কিছু এলাকার সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া নেই। রাতের অন্ধকারে অন্য রাজ্য থেকে ট্রাকে করে গরু এনে ফসলের জমিতে হাঁটিয়ে হাঁটিয়ে নিয়ে গিয়ে পাচার করা হয়। ফলে বিঘা বিঘা জমির ফসল নষ্ট হয়ে যায় এই গরু পাচারের কারণে। অনেক সময় এমন অভিযোগ শোনা গিয়েছে রীতিমতো আগ্নেয় অস্ত্র হাতে নিয়ে বাংলাদেশ থেকে পাচারকারীরা ভারতে ঢুকে গরু নিয়ে যায়। পরিস্থিতির অবনতি হলে স্বয়ং মুখ্যমন্ত্রী গরু পাচার বন্ধের নির্দেশ দিয়েছিলেন। একই ভাবে তৎকালীন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রাজনাথ সিং এই এলাকায় এসে একই কথা বলে গিয়েছিলেন।

    এলাকার মানুষের বক্তব্য

    ভারত-বাংলাদেশের কুলিয়া সীমান্ত এলাকায় চাষি সুভাষ সরকার বলেন, “পাচারকারীরা রাতের অন্ধকারে চাষের জমির মধ্যে দিয়ে গরু নিয়ে যায়। ফলে চাষের ব্যাপক ক্ষতি হচ্ছে। পাচারকারীদের (Cow Smuggling) হাতে দা, কুড়ুল, ভোজালি থাকছে।” আরেক চাষি কালীপদ বিশ্বাস বলেন, “রাত তিনটে থেকে গরু পাচার হচ্ছে। আমরা চাই বিএসএফ এবং পুলিশ কড়া ব্যবস্থা নেক।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: ‘সেবাই বিজেপির মূলমন্ত্র’ রক্তদান শিবিরে কর্মীদের বার্তা দিলেন শুভেন্দু

    Suvendu Adhikari: ‘সেবাই বিজেপির মূলমন্ত্র’ রক্তদান শিবিরে কর্মীদের বার্তা দিলেন শুভেন্দু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিজেপি কলকাতা উত্তর শহরতলী সাংগঠনিক জেলার উদ্যোগে স্বেচ্ছায় রক্তদান শিবির অনুষ্ঠানে আগরপাড়ায় যোগদান করেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। রক্তদান শিবিরে স্বেচ্ছায় আসা রক্তদাতাদের উৎসাহিত করলেন নন্দীগ্রামের বিধায়ক। রক্তদান শিবিরের অনুষ্ঠান মঞ্চে বক্তব্য রাখার পর সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি বলেন, “করোনার সময় ভারত সরকার যা পরিষেবা দিয়েছে সমান্তরাল ভাবে জেপি নাড্ডা সাংগঠনিক ভাবে একই সেবার কাজ করে গিয়েছেন। দলের কর্মীরা সেই কাজে হাতে হাত মিলিয়েছেন। আমাদের কাছে সেবাই হল সংগঠন, তাই বিজেপির মূলমন্ত্র হল মানবসেবা। দলের কাছে ১৭ সেপ্টেম্বর থেকে ২ অক্টোবর সময় পর্বের একটা নির্দিষ্ট সেবার অভিমুখ রয়েছে।” সেই সঙ্গে রক্তদান শিবিরে বিজেপি কর্মীদের সেবামূলক কাজে উৎসাহ দিলেন তিনি।

    সেবা মূলক কাজে উৎসাহ দিলেন শুভেন্দু (Suvendu Adhikari)

    রক্তদান শিবিরে যোগদান করে সেবা কাজে উৎসাহ দিয়ে শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) বলেন, “বিজেপি শুধু ভোট চায় না, কেবল আন্দোলন করে না। মানুষের জন্য রাস্তায় কাজ করে। গাছ লাগায়, ময়লা পরিষ্কার করে, জঙ্গল কাটে আবার দিব্যাঙ্গদের সহায়ক যন্ত্রও বিতরণ করে। এছাড়াও সাফাই স্বচ্ছতার কাজ করে, ড্রেনে ব্লিচিং-ফিনাইল দেয়, এক কথায় মানুষের যথার্থ সেবা কাজ করে বিজেপি। বিজেপি সংগঠনের কেন্দ্রীয় স্তর থেকে বলা হয়েছিল, যুব মোর্চাকে ৫ হাজার বোতল রক্ত দিয়ে সেবা কাজ করতে হবে রাজ্যে। ঠিক যে সময় সারা দেশে রক্ত সরবরাহ কম থাকে, তাই সেই সময় রক্তদান শিবিরের মাধ্যমে মানুষের পাশে থাকার কথা বলা হয়েছে।”

    আর কী বললেন শুভেন্দু?

    রাজ্য সরকারের সমালোচনা করে শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) বলেন, “মুখ্যমন্ত্রী নিজের ঢাক খুব পেটান। কেন্দ্রের রেশনের চাল, আটা, গমের বস্তায় খাদ্য সাথীর ছাপ ব্যবহার করে মানুষের চোখে ধুলো দিচ্ছেন। বিজেপি কখনই ঢাক পেটায় না। আমাদের যুব মোর্চার কর্মীরা রাজ্যের ব্ল্যাড ব্যাঙ্কে ৮ থেকে ১০ হাজার বোতল রক্ত দিয়েছে। ২০২১ সালের নির্বাচনে আমাদের আরও ভাল ফল হতো। কিন্তু কোভিডের কারণে আমাদের প্রচার কম হয়েছে। মোদি জী আমাদের নির্দেশ দিয়েছিলেন মানুষের জীবন আগে তাই আমরা সীমিত পরিসরে প্রচার প্রসার করেছিলাম। ক্ষমতা আমাদের কাছে বড় বিষয় নয় আগে মানুষের জীবন।

    ডায়মন্ড হারবার নিয়ে অভিষেককে তোপ দেগে শুভেন্দু এদিন আরও বলেন, “২০১৮ সাল থেকে পশ্চিমবঙ্গে সবথেকে বেশি গণতন্ত্র লুট হয়েছে ডায়মন্ড হারবারে। পঞ্চায়েত নির্বাচনের একজন বিরোধীরাও মনোনয়ন জমা করতে পারেনি। ২০১৯ সালের লোকসভার ভোটে ১৩০০ বুথ দখল করে ৩ লক্ষ ভোটে জয়ী হয়েছেন কয়লা ভাইপো।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পে।।

  • North 24 Parganas: ডিসেম্বরের শীতেও ডেঙ্গির থাবা! বারাসতে মৃত এক ডাক্তারি পড়ুয়া

    North 24 Parganas: ডিসেম্বরের শীতেও ডেঙ্গির থাবা! বারাসতে মৃত এক ডাক্তারি পড়ুয়া

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে শীতের ডিসেম্বরেও ডেঙ্গির থাবা! মশা বাহিত রোগে প্রাণ গেল এক ডাক্তারি পড়ুয়ার। ঘটনা ঘটেছে উত্তর ২৪ পরগনার (North 24 Parganas) বারাসতে। এই ঘটনায় এলাকায় ফের একবার ডেঙ্গির প্রকোপে আতঙ্ক ছড়িয়েছে। ইতিমধ্যে পুরসভার বিরুদ্ধে এলাকার মানুষ তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করতে দেখা গিয়েছে।

    উল্লেখ্য, বর্ষার পর হেমন্ত হয়ে শীত এসে গেলেও রাজ্যে থামছে না ডেঙ্গির আতঙ্ক। পুজোর পরেও নদিয়া, উত্তর ২৪ পরগনা, দমদম, দক্ষিণ কলকাতায় ডেঙ্গির প্রভাব ছিল ব্যাপক। এপর্যন্ত মৃত্যু হিয়েছে অনেকের। রাজ্যের শাসক বনাম বিরোধীদের এই ডেঙ্গির সংক্রমণ নিয়ে তীব্র শোরগোল পড়ে গিয়েছিল। তবুও ভাঙছে না প্রশাসনের ঘুম।

    মৃতের পরিচয় (North 24 Parganas)

    স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, ডেঙ্গির সংক্রমণে মৃত্যু হয়েছে বারসতের (North 24 Parganas) রথতালার বাসিন্দা পৃথ্বীরাজ দাসের। তিনি ন্যাশনাল মেডিক্যাল কলেজের তৃতীয় বর্ষের পড়ুয়া ছিলেন। জানা গিয়েছে এই পড়ুয়া কয়েকদিন ধরে জ্বরে ভুগছিলেন। এরপর তাঁকে একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। গত বৃহস্পতিবার রাতে ওই হাসপাতালে মৃত্যু হয় ছাত্রের। ওই ছাত্রের মৃত্যুর কারণ হিসাবে ডেঙ্গির শক সিনড্রোমের কথা বলে জানানো হয়েছে। এলাকার প্রতিবেশীরা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলছেন, “এলাকায় প্রচুর মশার উৎপাত। পুরসভা থেকে কোনও ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে না। আমরা আতঙ্কের মধ্যে রয়েছি।”

    স্বাস্থ্য ভবনের বক্তব্য

    স্বাস্থ্য ভবনের তরফ থেকে বলা হয়েছে যে কোনও রোগীদের অকারণে অপ্রয়োজনে প্লেটলেট দেওয়ার কারণে অসংখ্য রোগীদের মধ্যে সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়েছে। আর এর ফলে রোগীদের প্রাণ সঙ্কটাপন্ন হচ্ছে। আরও জানা গিয়েছে, এর প্রভাবে রোগীদের মধ্যে অনেকের হার্টে অ্যাটাক হচ্ছে। সেই সঙ্গে ফুসফুসে জল জমে মারাও যাচ্ছে অনেক মানুষ। উল্লেখ্য, স্বাস্থ্য ভবন আরও জানিয়েছে ঘটনাগুলির বেশির ভাগটাই বেসরকারি হাসপাতালেই ঘটছে।

    বিশেজ্ঞদের বক্তব্য

    চিকিৎসক বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, ডেঙ্গি রোগীদের ক্ষেত্রে শরীরে জল শূন্যতা একটি প্রধান সমস্যা। ডেঙ্গিতে রক্তের মধ্যে অণুচক্রিকা প্রবল হারে কমে যায়। রক্ত বাহিকা থেকে রক্তরস বা প্লাজমা লিক করে বের হলে রক্ত আরও ঘন হয়ে যায়। আর ফলে রোগীকে স্যালাইন দিতে হয়। তবে রোগীকে কখন প্লেটলেট দিতে হবে এই বিষয়ে বেসরকারি হাসপাতালের পক্ষ থেকে সরকারি নির্দেশিকাকে মান্যতা দেওয়া হচ্ছে না বলে মন্তব্য করেন জেলার জনস্বাস্থ্য আধিকারিক। বারসতের (North 24 Parganas) রোগীর ক্ষেত্রে তাই ঘটতে পারে বলে জানান তিনি।  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • North 24 Parganas: মানব পাচারের অভিযোগে এনআইএ-র হাতে গ্রেফতার বারাসতের ব্যবসায়ী

    North 24 Parganas: মানব পাচারের অভিযোগে এনআইএ-র হাতে গ্রেফতার বারাসতের ব্যবসায়ী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মানব পাচারের অভিযোগে বারাসতে (North 24 Parganas) এনআইএ-র হানা। ঘটনায় গ্রফতার করা হয়েছে ১ জন এবং অপর আরও ২ জনকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ চালাচ্ছে তদন্তকারী আধিকারিকরা। বাংলা ছাড়াও এদিন ত্রিপুরা, অসম, কর্ণাটক, তামিলনাড়ু, রাজস্থান সহ ১০ রাজ্যে তল্লাশি চালিয়েছে এনআইএ। এই ঘটনায় তীব্র উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে জেলা জুড়ে।

    মানব পাচার তদন্তে এনআইএ (North 24 Parganas)

    মানব পাচারের অভিযোগের ভিত্তিতে উত্তর ২৪ পরগনার (North 24 Parganas) বারাসতেও এদিন অভিযান চালানো হয়। পর্যটন ব্যবসার আড়ালে চলত মানব পাচার। আর এই অভিযোগে বারাসতে ব্যবসায়ীর ফ্ল্যাটে মধ্যরাতে হানা দেয় এনআইএ। ভারত থেকে বাংলাদেশে এই মানব পাচারের করা হতো বলে অভিযোগ উঠেছে ওই ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে। তবে এনআইএ-র অফিসাররা তদন্তের স্বার্থে এখনও পর্যন্ত কিছু বলতে চাননি।

    অভিযুক্ত ব্যবসায়ী কে?

    স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, বারাসতে ট্যুর ট্রাভেলসের ব্যবসা করেন সঞ্জীব দেব। তাঁর বাড়ি বারাসতের (North 24 Parganas) নবপল্লির ১১ নম্বর রেলগেট সংলগ্ন রমেশ পল্লি ছায়ানট অ্যাপার্টমেন্টে। তাঁর সাজানো গোছানো বিশাল বাড়ি। মধ্যরাতে সেই বাড়ির সামনেই আসে গাড়ি। সেই গাড়ি থেকে নামেন কয়েকজন আধিকারিক। এলাকাবাসীরা জানান, অফিসাররা বাড়ির দরজায় বেল টেপেন। এরপর সঞ্জীবকে একটা কাগজ দেখান এনআইএ-র অফিসাররা। তারপর অফিসাররা বাড়ির ভিতর ঢুকে পড়েন। তখনও পর্যন্ত স্থানীয় বাসিন্দারা কিছু বুঝে উঠতে পারেননি ঠিক কী হচ্ছে ওই ব্যবসায়ীর বাড়িতে। পরে জানতে পারেন ওই ব্যবসায়ী নাকি পাচারের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। পাশাপাশি একই দিনে বারাসতের নবপল্লিতে আরও এক ব্যবসায়ীর বাড়িতে তল্লাশি চালায় এনআইএ-র আধিকারিকরা।

    এনআইএ সূত্রে কী জানা গেলো?

    এনআইএ সূত্র মারফত জানা গিয়েছে, ভারত-বাংলাদেশের মধ্যে মানব পাচারের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন সঞ্জীব দেব। তাঁর স্ত্রী জানিয়েছেন, বাড়ির (North 24 Parganas) বিভিন্ন জায়গা তল্লাশি চালিয়েছেন তদন্তকারী আধিকারিকরা। বাড়ি থেকে বেশ কয়েক লক্ষ টাকা উদ্ধার হয়েছে। বাড়ি থেকে সামান্য কিছুটা দূরেই তাঁদের অফিস। আধিকারিকরা ওই ব্যবসায়ীকে সঙ্গে করে নিয়ে তাঁর অফিসেও তল্লাশি চালান। অপর দিকে ভারত–বাংলাদেশ সীমান্তে পাচার এবং নাশকতা রুখতে বিশেষ পদক্ষেপ করেছেন ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফ। পাচার রুখতে কড়া পদক্ষেপ করেছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকও।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের , Twitter এবং Google News পেজ।

  • North 24 Parganas: প্রচার দূরের কথা এলাকায় ঢুকতেই পারছেন না বিজেপি প্রার্থী, কী বলছে তৃণমূল?

    North 24 Parganas: প্রচার দূরের কথা এলাকায় ঢুকতেই পারছেন না বিজেপি প্রার্থী, কী বলছে তৃণমূল?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বারাসতে (North 24 Parganas) বাম আমলে মুচলেকা দিয়ে বাড়ি ছাড়তে হয়েছিল তাঁকে। সেই যে ঘরছাড়া হয়েছিলেন তারপর ২২ বছর পরও ফিরতে পারেননি গ্রামের বাড়িতে। সন্ত্রাসের জেরে লাগাতার হুমকির মুখে পড়েতে হয়েছে তাঁকে। স্ত্রী, সন্তান নিয়ে আজ বসবাস করতে হচ্ছে ভাড়া বাড়িতে। তাও পরিবার ছেড়ে শত যোজন দূরে! ঘরছাড়া হয়েও তিনি এবারের পঞ্চায়েত ভোটে গেরুয়া শিবিরের হয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন জেলা পরিষদ আসনে।

    কোথায় লড়াই করছেন (North 24 Parganas)?

    সূত্রে জানা গিয়েছে দীপঙ্কর হালদার নামে ওই বিজেপি নেতা বারাসত (North 24 Parganas) জেলা পরিষদের ৩৮ নম্বর আসন থেকে লড়াই করছেন। আরও জানা যায়, একদা এই শাসনের বারাসত ২ নম্বর ব্লকের বেতাজ বাদশা ছিলেন মজিদ মাস্টার। তবে, বহু বাধা, বিপত্তি অতিক্রম করে ভোটে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করলেও সন্ত্রাসের জেরে এখনও এলাকায় ঢুকতেই পারেননি এই বিজেপি প্রার্থী। প্রচার তো দুরের কথা! এলাকা ছাড়া হয়ে আছেন এই প্রার্থী। ফলে, এই নিয়ে রাজনৈতিক চাপানউতোরে সরগরম হয়ে উঠেছে শাসন অঞ্চল।

    জেলা বিজেপির বক্তব্য

    বিজেপি (North 24 Parganas) জেলা সভাপতি তাপস মিত্র বলেন, এলাকায় ভোটের প্রচার করতে গেলে শাসক দলের দুষ্কৃতীরা হুমকি দেয়। এই এলাকায় শাসক দলের সন্ত্রাস চলছে। বিজেপি প্রার্থীর পোস্টার, ব্যানার লাগাতে দেওয়া হচ্ছে না। বিজেপি প্রার্থী এবং কর্মীদের বাড়িতে বাড়িতে গিয়ে হুমিক দেওয়া হচ্ছে বলে বিশেষ অভিযোগ করেন বিজেপির এই জেলা সভাপতি। এই এলাকাকে বিরোধী শূন্য করে শাসক দল একতরফা জয়ী হতে চাইছে। সকল অভিযোগ পত্র নিয়ে নির্বাচন কমিশনকে জানানো হবে বলে জানান এই বিজেপি নেতা।

    তৃণমূলের বক্তব্য

    শাসক দলের খাদ্যমন্ত্রী রথীন ঘোষকে (North 24 Parganas) জেলা পরিষদের বিজেপি প্রার্থীর প্রচার করতে না পারার বিষয়ে জানতে চাহিলে সাংবাদিকদের উত্তরে তিনি বলেন, আমার কাছে এমন কোনও অভিযোগ নেই। তাছাড়া ওই এলাকা আমার বিধানসভার মধ্যে পড়ছে না, হাড়োয়া বিধানসভার মধ্যে পড়ছে। এখানে বিরোধী প্রার্থীদের প্রচারে আটকানোর কোনও ঘটনা ঘটছে না। ওই প্রার্থীর সমস্যা হলে নির্বাচন কমিশনের কাছে অভিযোগ জানাতে পারেন বলে উল্লেখ করেন তৃণমূল শাসক দলের এই মন্ত্রী।  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • North 24 Parganas: মধ্যরাতে বিজেপির বুথ সভাপতির বাড়িতে বোমাবাজি, অভিযোগ তৃণমূলের বিরুদ্ধে

    North 24 Parganas: মধ্যরাতে বিজেপির বুথ সভাপতির বাড়িতে বোমাবাজি, অভিযোগ তৃণমূলের বিরুদ্ধে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিজেপি বুথ সভাপতির বাড়ি লক্ষ্য করে বোমা মারার অভিযোগ তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে। ঘটনাস্থলে গেলেন বনগাঁ (North 24 Parganas) উত্তরের বিজেপি বিধায়ক অশোক কীর্তনিয়া। এই রাজ্যে বিরোধীরা কতটা সুরক্ষিত? তাই নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন বিজেপি বিধায়ক।

    কোথায় ঘটেছে? (North 24 Parganas)

    উত্তর ২৪ পরগনার (North 24 Parganas) বনগাঁ ব্লকের ধর্মপুকুরিয়া গ্রাম পঞ্চায়েতের সভাইপুর গ্রামের ৬৮ নম্বর বুথের সভাপতি দিলীপ মজুমদারের বাড়ি লক্ষ্য করে গতকাল গভীর রাতে বোমা মারার অভিযোগ উঠেছে। বুথ সভাপতি দিলীপ মজুমদারের বাড়িতে গতকাল রাতে হঠাৎ করে বিকট আওয়াজে ঘুম ভাঙ্গে তাঁদের পরিবারের, এরপর বাইরে বেরিয়ে ধোঁয়া দেখতে পান। এরপরে লক্ষ করেন যে বাড়ির পিছনের দিকে বোমের আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। তাঁর অভিযোগ তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরাই বোম মেরেছে। পরবর্তীতে ঘটনাস্থলে আসে বনগাঁ থানার পুলিশ।

    বিজেপি বিধায়কের বক্তব্য

    এই বিষয়ে বনগাঁ উত্তরের (North 24 Parganas) বিজেপি বিধায়ক অশোক কীর্তনিয়া বলেন, তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা এই ঘটনা ঘটিয়েছে। এই সব অন্যায়ের বিরুদ্ধে গণতান্ত্রিক ভাবে মোকাবেলা করা হবে বলে জানান তিনি। রাত্রি সাড়ে ১২ টার সময় এই বোমাবাজি হয়েছে বলে জানান তিনি। তারপর সঙ্গে সঙ্গে পুলিশকে খবর দিলে ঘটনার ২ ঘণ্টা পর ঘটনাস্থলে পৌঁছায় পুলিশ বলে জানান অশোকবাবু। বিধায়ক বলেন, এই রাজ্যে বিরোধীরা কতটা সুরক্ষিত? মুখ্যমন্ত্রী একজন রক্ত পিপাসু মহিলা, তিনি রাজ্যের নির্বাচন কমিশনার হিসাবে একজন মাতালকে বসিয়েছেন। রাজ্য জুড়ে বিরোধীদের রক্ত নিয়ে খেলায় মেতেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বিধায়ক আরও বলেন যে কোনও প্রাণহানি ঘটলে তার দায়িত্ব নিতে হবে কমিশন এবং রাজ্যের শাসক দলকেই। এই এলাকায় বিজেপির মনোনয়নের ফলে তৃণমূল ভয় পেয়েছে আর তাই আমাদের বুথ সভাপতিদের বাড়িতে গিয়ে বোমাবাজি করে হুমকি দেওয়া হচ্ছে। এই ধর্মপুকুরিয়া গ্রাম পঞ্চায়েতে বিজেপি বিপুল ভোটে জয়ী হবে বলে মত প্রকাশ করেন বিধায়ক অশোক কীর্তনিয়া।

    কতটা সুরক্ষিত নির্বাচন?

    রাজ্যজুড়ে নির্বাচনে শাসক দলের দুষ্কৃতীদের দ্বারা বারবার আক্রান্ত হচ্ছেন বলে বিরোধীরা বারবার অভিযোগ করছেন। ব্যারাকপুরে মনোনয়নের পর থেকে কোলের সন্তান নিয়ে ঘরছাড়া হয়েছেন বিজেপির মহিলা প্রার্থীরা। মেদিনীপুরের দাসপুরে বিরোধী প্রার্থীর বাড়িতে পাঠানো হয়েছে সাদা থান। হুমকি দেওয়া হয়েছে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়াতে। এবার অভিযোগ উঠেছে উত্তর ২৪ পরগণার (North 24 Parganas) বনগাঁয় বোমাবাজির। বিজেপি কোনও প্রার্থী, কর্মী, নেতা কেউ নির্বাচনকে ঘিরে সুরক্ষিত নয় বলে দাবি করেন বিজেপি জেলা নেতৃত্ব। ৮ই জুলাই, একদফা পঞ্চায়েত নির্বাচনের দিন, রাজ্যের নির্বাচন কমিশন কতটা শান্তিপূর্ণ এবং অবাধ নির্বাচন করাতে পারে, সেটাই এখন দেখার।   

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: একজন সাংসদের জন্য কেন প্রতিদিন কোটি কোটি সরকারি টাকা খরচ? প্রশ্ন শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: একজন সাংসদের জন্য কেন প্রতিদিন কোটি কোটি সরকারি টাকা খরচ? প্রশ্ন শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তৃণমূলের নবজোয়ার কর্মসূচিকে ঘিরে গত রবিবার উত্তপ্ত হয়ে উঠেছিল ঠাকুরনগর। তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee) সেখানে পৌঁছতেই শুরু হয়ে যায় বিক্ষোভ। তিনি ঠাকুরনগর থেকে বেরিয়ে আসার পর মতুয়াদের দুই গোষ্ঠীর মধ্যে সংঘর্ষ বাধে। সেই ঘটনায় বেশ কয়েকজন আহত হন। আহতদের সঙ্গে দেখা করতেই মঙ্গলবার ঠাকুরনগরে যান বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। এর পর কেন্দ্রীয় মন্ত্রী শান্তনু ঠাকুর ও বিজেপি নেতাদের সঙ্গে বৈঠকও করেন তিনি।

    কী বললেন শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)?

    ঠাকুরনগরে শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) তৃণমূল সম্পর্কে ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “মন্দিরে প্রবেশ করার আগে তাদের ঠাকুরবাড়ি থেকে লিখিত অনুমোদন নেওয়া উচিত ছিল”। তিনি আরও বলেন, “একজন লোকসভার সাংসদের গায়ে হাত তোলা হয়েছে। তার কী পরিণতি, তা পুলিশ বুঝতে পারবে”। অন্যদিকে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় যে শান্তনু ঠাকুরকে নির্বাচনে হারিয়ে দেবেন বলে মন্তব্য করেছেন, এই ব্যাপারে শুভেন্দু অধিকারী বলেন, “উনি আজ পর্যন্ত যাঁকে যাঁকে হারিয়ে দেবেন বলেছেন, তাঁরা সকলেই জিতেছেন”।

    নবজোয়ার সম্পর্কে বক্তব্য

    শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) আরও অভিযোগ করেন, তৃণমূলের নবজোয়ার কর্মসূচির জেরেই বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল ঠাকুরবাড়িতে। এর ফলে ঠাকুরবাড়ির পবিত্র মাটিকে অপমান করা হয়েছে। এই প্রসঙ্গে তিনি জানিয়েছেন, এদিন পুরো ঘটনা সবিস্তারে শুনেছেন। ঘটনার দিন মতুয়া সম্প্রদায়ের যে তিনজন আহত হয়েছেন, তাঁদের মধ্যে ২ জন মহিলাও ছিলেন। তাঁদের সঙ্গে দেখা করে তাঁদের শারীরিক পরিস্থিতির খবর নেন শুভেন্দু। মতুয়াদের ভাবাবেগে আঘাত করা হয়েছে বলে তৃণমূলের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলেছেন তিনি। শুভেন্দু সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে আরও বলেন, সাগরদিঘির মতো যদি পঞ্চায়েত ভোট হয়, তাহলে তৃণমূল কংগ্রেসকে খুঁজে পাওয়া যাবে না। এরপর বলেন, আমি আগের দিন হাওড়া জেলা হাসপাতালে গিয়েছিলাম। সেখানকার অবস্থা খুবই খারাপ। গন্ধময় চারদিক। পরিকাঠামো নেই, অথচ একজন সাংসদের জন্য রাজ্যের কোষাগার থেকে প্রতিদিন কোটি কোটি টাকা খরচ করা হচ্ছে।

    ঠাকুরবাড়িতে ঘটনার দিনই তীব্র নিন্দা করে ট্যুইট করেছিলেন শুভেন্দু অধিকারী। এই বিষয়ে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের কাছে বিশেষ দৃষ্টি আকর্ষণের আবেদন জানিয়েছিলেন তিনি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Sexual Harassment: তিলজলায় তরুণীকে গণধর্ষণ! অভিযুক্ত দুই বিদেশি ফুটবলার

    Sexual Harassment: তিলজলায় তরুণীকে গণধর্ষণ! অভিযুক্ত দুই বিদেশি ফুটবলার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এক তরুণীকে ধর্ষণের (Sexual Harassment) অভিযোগে এক মহিলা ও দুই বিদেশি ফুটবলার সহ তিনজনকে গ্রেফতার করল নিউটাউন থানার পুলিশ। অভিযুক্ত দুই ফুটবলার দক্ষিণ আফ্রিকার ঘানার বাসিন্দা। কলকাতায় তারা বিভিন্ন ফুটবল টুর্নামেন্টে টাকার বিনিময়ে ফুটবল খেলে। পুলিশ জিজ্ঞাসাবাদে জানতে পারে অভিযুক্ত মহিলা মিজোরামের বাসিন্দা। রবিবার তিনজনকেই বারাসত জেলা আদালতে তোলা হলে বিচারক অভিযুক্তদের জেল হেফাজতে রাখার নির্দেশ দেন।

    টাকা চাইতে গিয়েই বিপদ

    পুলিশ সূত্রে খবর, এক তরুণী নিউটাউন থানায় এসে অভিযোগ করেন যে তাঁর সঙ্গে পূর্ব পরিচিত এক মহিলার কাছে টাকা চাইতে যান তিনি। ওই মহিলা জানান, তাঁর কাছে টাকা নেই। কিন্তু তাঁর সঙ্গে গেলে তিনি টাকার ব্যবস্থা করে দিতে পারবেন। সেই বিশ্বাসে তাঁর সঙ্গে সাহায্যপ্রার্থী তরুণী গিয়েছিলেন দুই বিদেশি ফুটবলারের কাছে। অভিযোগ, তারা নিজেদের ফ্ল্যাটে টাকা দেওয়ার অছিলায় ধর্ষণ (Sexual Harassment) করে ওই তরুণীকে। পাঁচ দিন আগের এই ঘটনায় শনিবার রাতে তিলজলা ও নিউটাউন থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে এক মহিলা-সহ তিন অভিযুক্তকে। নিউটাউন থানা এলাকার বাসিন্দা ওই তরুণী পুলিশে অভিযোগ দায়ের করেছিলেন গত ১৯ মে। তার ভিত্তিতে এই ধরপাকড় চালায় পুলিশ। 

    আরও পড়ুন: এগরার পর বজবজ! বিস্ফোরণে বাজি কারখানার মালিকের স্ত্রী, মেয়েসহ তিনজনের মৃত্যু

    ধৃতদের পরিচয়

    বিধাননগর কমিশনারেট সূত্রের খবর, ধৃত দুই ফুটবলারের নাম ক্রিস জোসেফ ও মোজেস জুটা। কলকাতার তিলজলায় একটি ফ্ল্যাটে তাঁরা থাকেন। ধৃতদের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ করে পুলিশ জেনেছে, ঘানার ওই দুই ফুটবলার চুক্তির বিনিময়ে খেলে থাকেন। তবে কলকাতার কোনও নামী ক্লাবের সঙ্গে তাঁদের এখনও কোনও যোগসূত্র পাওয়া যায়নি বলেই দাবি করেছে পুলিশ। তদন্তকারীরা জানাচ্ছেন, দুই ফুটবলার ২০১৯ সালে কলকাতায় এসেছিলেন। কোভিডের সময়ে তাঁরা ঘানায় ফিরে যান। ফের ২০২১ সালে তাঁরা কলকাতায় আসেন। ময়দান সূত্রের খবর, দক্ষিণ শহরতলিতে এই ধরনের বিদেশি ফুটবলারদের বসবাস রয়েছে। তাঁদের বেশির ভাগই নামী ক্লাবের সঙ্গে জড়িত নন। ধৃত তরুণী লিজার প্রসঙ্গে পুলিশের দাবি, ওই তরুণী নানা ধরনের কাজ করে থাকেন। অনেক বিদেশির সঙ্গেই তাঁর বন্ধুত্ব রয়েছে। লিজার কাজকর্ম নিয়েও সন্দেহ রয়েছে পুলিশের। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • N 24 Parganas Rape: নরেন্দ্রপুরে গণধর্ষণের শিকার তরুণী, অভিযুক্ত হবু স্বামী ও দেওর

    N 24 Parganas Rape: নরেন্দ্রপুরে গণধর্ষণের শিকার তরুণী, অভিযুক্ত হবু স্বামী ও দেওর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মুর্শিদাবাদের তরুণীকে নরেন্দ্রপুরে (N 24 Parganas Rape) এনে ধর্ষণ। অভিযুক্ত হবু স্বামী ও দেওর। নরেন্দ্রপুরের নতুনহাট এলাকায় ওই তরুণীকে গতকাল বিবস্ত্র ও সংজ্ঞাহীন অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখেন স্থানীয় বাসিন্দারা। নরেন্দ্রপুর থানার পুলিশ তাঁকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করে। পলাতক দুই অভিযুক্ত। জানা গিয়েছে মুর্শিদাবাদ থেকে এনে তাঁকে মাদক খাইয়ে বেহুঁশ করে দুষ্কৃতিরা। মৃত্যু নিশ্চিত করতে সিগারেটের ছেঁকাও দেয় তারা।

    কী ঘটেছিল? 

    তরুণীর অভিযোগ, বিয়ের আগেই তাঁর নামে বিভিন্ন জায়গা থেকে লক্ষাধিক টাকার ঋণ নেয় হবু স্বামী। সেই কারণেই খুনের চেষ্টা করে ওই দুই যুবক। মোট চার জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ করেছেন তরুণী। প্রাথমিক ভাবে জানা গিয়েছে, তরুণীর নামে বিয়ের আগেই যে ঋণ নেওয়া হয়েছিল। তার প্রতিবাদ করে ওই তরুণী (N 24 Parganas Rape)। সেই টাকা শোধ দিতে না পারাতেই এই হামলা। ইতিমধ্যে নরেন্দ্রপুর থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। তবে এখনও কাউকে গ্রেফতার করা যায়নি।

    আরও পড়ুন: ধর্ষণ ও খুনের মতো গুরুতর অপরাধে সাজাপ্রাপ্তদের মেয়াদ শেষের আগেই মুক্তির সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা…

    জানা গিয়েছে, বিয়ের আগে হবু স্ত্রীর সঙ্গে আলাপ করানোর নাম করে বাড়িতে ডেকে ধর্ষণ করা হয় ওই তরুণীকে। ধর্ষণ করে হবু স্বামী ও তার ভাই। সারা শরীরে সিগারেটের ছ্যাঁকা দিয়ে চলে অকথ্য অত্যাচার। তারপরে খুনের (N 24 Parganas Rape) চেষ্টাও করা হয়। পুলিশ সূত্রে খবর, আর্থিক প্রতারণার পরিকল্পনাতেই এমন কাজ। বিয়ের আগেই হবু স্ত্রীয়ের নামে বিভিন্ন জায়গা থেকে লক্ষাধিক টাকার লোন নিয়েছিলেন ওই অভিযুক্ত। সেই লক্ষাধিক টাকা গায়েব করার পরিকল্পনাতেই হবু স্ত্রীকেই পৃথিবী থেকে সরিয়ে দেওয়ার ফাঁদ পাতে সে। হবু স্ত্রীকে মেরে ফেললে সেই ঋণ আর শোধ করতে হবে না এই ভেবে খুনের ছক কষে।

    পুলিশের দাবি, নির্যাতিতার বাড়ি মুর্শিদাবাদ (N 24 Parganas Rape) জেলায়। তার সঙ্গে বিয়ে ঠিক হয় সাবীর শেখ নামে এক যুবকের। ওই তরুণী পুলিশকে জানান, তাঁকে প্রথমে বাড়ি থেকে ডাকা হয় তারপর ঘুরতে যাওয়ার নাম করে ট্রেনে তুলে খাবারের মধ্যে কিছু মিশিয়ে বেহুঁশ করা হয়। শিয়ালদহতে ট্রেন ঢোকার পর তার জ্ঞান ফিরলে আবার তাকে বেঁহুশ করা হয়। অচেতন অবস্থাতেই তাঁকে বার বার ধর্ষণ করেছেন হবু স্বামী সাবীর ও তাঁর ভাই। সে মারা গিয়েছে ভেবে বেঁহুশ ও নগ্ন অবস্থায় নরেন্দ্রপুর থানা এলাকার নতুনহাটে রাস্তার পাশে তাঁকে ফেলে পালায় অভিযুক্তরা। স্থানীয় বাসিন্দারা তরুনীকে উদ্ধার করে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

LinkedIn
Share