Tag: North 24 Parganas

North 24 Parganas

  • North 24 Parganas: বাইকে করে পাচারের চেষ্টা রুখে দিল বিএসএফ, মিলল ২৩ কেজি সোনা

    North 24 Parganas: বাইকে করে পাচারের চেষ্টা রুখে দিল বিএসএফ, মিলল ২৩ কেজি সোনা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বড় মাপের সোনা পাচারের রহস্য ফাঁস করল সীমান্ত রক্ষী বাহিনী। উত্তর ২৪ পরগনার (North 24 Parganas) বাগদায় ১৪ কোটি টাকার সোনা উদ্ধার করল বিএসএফ। ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে ২৩ কেজি বিদেশি সোনা আটক করেছে বিএসএফ। সেই সঙ্গে একজন পাচারকারীকেও আটক করা হয়েছে বলে জানা গেছে। এই ঘটনায় এলাকায় তীব্র শোরগোল পড়েছে। চোরাচালান আটকাতে বিএসএফ ভীষণ তৎপর বলে মনে করছেন এলাকার মানুষ। 

    কীভাবে ধরা পড়ল সোনা পাচারকারী (North 24 Parganas)?

    ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তের উত্তর ২৪ পরগনার (North 24 Parganas) রণঘাট এলাকায়, বিএসএফ সোনা পাচারের প্রচেষ্টাকে আটকে দিল। সূত্রে জানা গেছে, সোমবার রাতে পাচারকারীরা বাইকের এয়ার ফিল্টারের মধ্যে লুকিয়ে সোনা নিয়ে যাচ্ছিল। ৫০টি সোনার বিস্কুট এবং ১৬ টি সোনার বার সহ একজন চোরাকারবারিকে ধরা হয়েছে। মোট উদ্ধারকৃত সোনার পরিমাণ হল ২৩ কেজি। যার বাজারমূল্য হল ১৪ কোটি টাকা। ধৃতের কাছ থেকে জানা গেছে, অবৈধভাবে ভারত থেকে বাংলাদেশে পাচার করা হচ্ছিল এই সোনা। এই অভিযুক্তকে ধরার পর সীমান্ত সুরক্ষা বাহিনী্র বাগদা কাস্টম অফিসে হস্তান্তর করা হয়েছে।

    গোপন সূত্রে মিলেছিল খবর

    গোপন সূত্রে বিএসএফ খবর পায়, ভ্যান মোড় (North 24 Parganas) দিয়ে সোনা পাচার হবে। এরপর কমান্ডোদের নেতৃত্বে শুরু হয় নজরদারি। ইতিমধ্যে এক বাইক আরোহীকে সন্দেহ হলে থামিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করে তারা। কিন্তু আরোহী ভয় পেয়ে বাইক ফেলে পালিয়ে যেতে চাইলে, তাকে ধরে ফেলে সীমান্ত সুরক্ষা বাহিনী। এরপর তাকে ধরে সীমান্ত চৌকিতে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে নিয়ে গিয়ে তল্লাশি শুরু হলে, বাইকের এয়ার ফিল্টার থেকে সোনা উদ্ধার হয়। ধৃত ব্যক্তির নাম ইন্দ্রজিৎ পাত্র। বাড়ি উত্তর ২৪ পরগনার কুলিয়াতে। ইন্দ্রজিতের দাদার সোনার দোকান রয়েছে। রণঘাট থেকে সোনা বনগাঁয় পৌঁছে দেওয়ার জন্য ১৫ হাজার টাকা চুক্তি হয়েছিল বলে জানা গেছে। এই কাজ করতে গিয়েই সে ধরা পড়ে। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের , Twitter এবং Google News পেজ।

  • North 24 Parganas: চাকরি নেই রাজ্যে! ক্যাফে খুলেছেন গোল্ড মেডালিস্ট গাইঘাটার রাজু

    North 24 Parganas: চাকরি নেই রাজ্যে! ক্যাফে খুলেছেন গোল্ড মেডালিস্ট গাইঘাটার রাজু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অধ্যাপক হওয়ার স্বপ্ন নিয়ে একের পর এক উচ্চশিক্ষার গন্ডী পেরোলেও চাকরি জোটেনি। এক একটা করে সমস্ত আশার দরজা বন্ধ হতে, অধ্যাপক হওয়ার স্বপ্ন জলাঞ্জলি দেন তিনি। শেষ পর্যন্ত নিজের চেষ্টায় মোমো, চাউমিন বানানোর ক্যাফে খুলে বসলেন গোল্ড মেডালিস্ট উত্তর ২৪ পরগনার (North 24 Parganas) গাইঘাটার রাজু মণ্ডল। নিজের স্ট্যাটাস অনুযায়ীই ক্যাফের নাম রাখলেন ‘শিক্ষিত বেকার ক্যাফে’। দুদিন আগেই দক্ষিণ দিনাজপুরের তপনের একটি কলেজে ১০০ টাকায় গেস্ট লেকচারার নিয়োগের সিদ্ধান্ত নিয়েছিল কর্তৃপক্ষ। যা নিয়ে রাজ্যজু়ড়ে চর্চা বিষয় হয়ে উঠেছিল। যদিও পরে কর্তৃপক্ষ তা প্রত্যাহার করে নেয়। বাংলার শিক্ষা ব্যবস্থার হাল কতটা খারাপ তা এই ঘটনায় সামনে এসেছে। এই ঘটনা ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা হলেও শিক্ষিত বেকারদের নিয়ে যে রাজ্য সরকারের কোনও মাথাব্যাথা নেই তা গাইঘাটার রাজু মণ্ডল তার জ্বলন্ত প্রমাণ। কল্যাণী বিশ্ববিদ্যালয়ে তিনি গোল্ড মেডালিস্ট পেয়েছেন। কিন্তু, হাতে কাজ নেই। বাধ্য হয়ে মোমো, চাউমিনের দোকান দিয়েছেন রাজু।

    কী বললেন ‘শিক্ষিত বেকার ক্যাফে’-র মালিক? (North 24 Parganas)  

    জানা গিয়েছে, উত্তর ২৪ পরগনা (North 24 Parganas) জেলার গাইঘাটার ঠাকুরনগরের যুবক রাজু মণ্ডল ছোট থেকেই মেধাবী। উচ্চমাধ্যমিকে গাইঘাটা ব্লকে সবচেয়ে বেশি নম্বর পেয়েছিলেন তিনি। এরপর এডুকেশনে অনার্স নিয়ে হরিণঘাটা কলেজ স্নাতক হয়ে তিনি কল্যাণী বিশ্ববিদ্যালয়ে তিনি এমএ পাশ করেন। রাজু তাঁর বিষয়ে প্রথম হয়ে গোল্ড মেডেলও পান। রাজ্যস্তরের একাধিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েও আজও কোনও চাকরির ডাক আসেনি বলেই জানান তিনি। কিন্তু অন্ন সংস্থানের তাগিদে সময় নষ্ট না করে নিজের ছোট ব্যবসা শুরু করে তিনি। রাজুর বাবা রাজমিস্ত্রি, মা ঘরের কাজ সামলান। বাড়িতে রয়েছে ছোট বোন। পড়াশোনা করছে সেও। বাড়িতে টিউশন করে রাজু অনেককে ফ্রিতে পড়ান। এমনকী কিছু বইও লিখেছেন রাজু। এমন মেধাবী পড়ুয়া বেকার তকমা ঘুচিয়ে সংসারে সহযোগিতা করার লক্ষ্য নিয়েই তাঁর ক্যাফের পরিকল্পনা। তাঁর মা নিজে একটি বেসরকারি ব্যাঙ্ক থেকে কিছু টাকা লোন নেন। সেই লোনের টাকা দিয়েই চাঁদপাড়া স্টেশনের পাশে জায়গা ভাড়া নিয়ে, এই ক্যাফে শুরু করেন রাজু। রাজু বলেন, অধ্যাপক হওয়ার স্বপ্ন ছিল। এখন আর সেই স্বপ্ন নেই। এখন অন্ন জোগাড় করতেই এই ক্যাফে শুরু করেছি। লক্ষ্য স্থির রয়েছে। একদিন স্বপ্নপূরণ হবে।

    ক্যাফেতে কী কী পাওয়া যায়, জানেন?

    স্বনির্ভর হতে উদ্যোগী রাজুর এই ক্যাফেতে বিভিন্ন রকমের মুখরোচক খাবার সহ বন্ধুবান্ধব পরিবার নিয়ে বসে আড্ডা মারার ও মনোরম পরিবেশ রয়েছে। চা, কফি, বিস্কুট, এগরোল, মোমো, বিরিয়ানি সহ আরও অনেক কিছুই পাওয়া যায়। সাধ্যের মধ্যেই রাখা হয়েছে সমস্ত খাবারের দামও। ইতিমধ্যেই ব্যাপক সাড়া ফেলেছে এই ক্যাফে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • North 24 Parganas: চেম্বারে অসুস্থ যুবতীকে শ্লীলতাহানি, অভিযুক্ত চিকিৎসক তৃণমূল নেতা

    North 24 Parganas: চেম্বারে অসুস্থ যুবতীকে শ্লীলতাহানি, অভিযুক্ত চিকিৎসক তৃণমূল নেতা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অসুস্থ যুবতীকে শ্লীলতাহানি করার অভিযোগ উঠল তৃণমূলের এক নেতার বিরুদ্ধে। ঘটনাটি ঘটেছে উত্তর ২৪ পরগনার (North 24 Parganas) বনগাঁর গাইঘাটা এলাকায়। অভিযুক্ত তৃণমূল নেতার নাম সুব্রত সরকার। তিনি স্থানীয় পঞ্চায়েত সমিতির প্রাক্তন সভাপতি ছিলেন। ইতিমধ্যেই ওই নির্যাতিতা থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (North 24 Parganas)  

    শনিবার সন্ধ্যায় জ্বরে আক্রান্ত এক যুবতী তাঁকে চেম্বারে দেখাতে যান। অভিযোগ, সেখানে ওই যুবতীর অসুস্থতার সুযোগ নিয়ে তাঁকে শ্লীলতাহানি করেন তৃণমূল নেতা তথা এলাকার হাতুড়ে চিকিৎসক। ওই যুবতী কোনওরকমে তাঁর চেম্বার থেকে ছুটে পালিয়ে যান। বাড়িতে এসে সকলকে তৃণমূল নেতার কুকীর্তির কথা তুলে ধরে। বিষয়টি জানাজানি হতেই স্বভাবতই এই ঘটনা ঘিরে শোরগোল পড়ে গিয়েছে এলাকায়। শনিবার রাতেই উত্তর ২৪ পরগনার (North 24 Parganas) গাইঘাটা থানায় অভিযোগ দায়ের করেন ওই নির্যাতিতা যুবতী। খবর পেয়ে সুব্রত সরকারের চেম্বারের সামনে ভিড় করে গ্রামের লোকেরা। তাঁর শাস্তির দাবিতে এলাকাবাসী বিক্ষোভ দেখান।

    কী বললেন  নির্যাতিতা?

    নির্যাতিতা যুবতীর অভিযোগ, কয়েকদিন ধরে মাঝে মধ্যে জ্বর আসছিল। সন্ধেয় ওই চিকিৎসকের কাছে আমি গিয়েছিলাম। সেই সময় চেম্বারে কেউ ছিল না। দেখানোর পর আমি টাকা দিতে যাই। তিনি টাকা না নিয়ে আমার সঙ্গে অভব্য আচরণ করেন। বাধা দিতে গেলে জোর করে আমার হাত ধরে নিজের দিকে টানার চেষ্টা করেন। কোনওভাবে বেরিয়ে এসে বাড়িতে সমস্ত ঘটনা জানাই।

    যুবতীর পরিবার ও প্রতিবেশীদের কী বক্তব্য?

    যুবতীর পরিবার ও প্রতিবেশীদের বক্তব্য, ‘অভিযুক্ত সুব্রত সরকার এর আগেও এমন বেশ কিছু ঘটনা ঘটিয়েছেন। অর্থের জোরে ক্ষমতা জোরে ঘটনাগুলো ধামাচাপা দিয়েছে। এবার তাঁর শাস্তি চাই। নাহলে আরও অনেকের তিনি এভাবে সর্বনাশ করবেন।’

    কী বললেন অভিযুক্ত চিকিৎসকের পরিবারের লোকজন?

    এদিকে অভিযুক্তের পরিবারের লোকজনের বক্তব্য, তৃণমূল নেতা বলেই তাকে ফাঁসানো হচ্ছে। এইসব ঘটনার সঙ্গে তিনি কোনওভাবেই যুক্ত নন। তাঁকে বদনাম করার জন্য এসব মিথ্যা অভিযোগ করা হচ্ছে।

    এই ঘটনা নিয়ে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা

    এই ঘটনা সামনে আসতেই শুরু হয়েছে রাজনৈতিক চাপানউতোর শুরু হয়ে গিয়েছে। স্থানীয় বিজেপির বনগাঁ সাংগঠনিক জেলার সভাপতি দেবদাস মণ্ডল বলেন, ওই অভিযুক্ত এলাকায় দাপুটে তৃণমূলে নেতা হিসেবেই পরিচিত। এটাই তৃণমূলের সংস্কৃতি। আমরা অভিযুক্তের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই। এদিকে বনগাঁর এক তৃণমূল নেতা বলেন, কারও বিরুদ্ধে শ্লীলতাহানি করার অভিযোগ উঠলে, পুলিশ তাঁর বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নেবে। আইন আইনের পথে চলবে। দল এই ধরনের কাজকে সমর্থন করে না।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

  • North 24 Parganas: মিনাখাঁ থেকে ১৬ বছর আগে হারিয়ে যাওয়া যুবতীর খোঁজ মিলল, কীভাবে?

    North 24 Parganas: মিনাখাঁ থেকে ১৬ বছর আগে হারিয়ে যাওয়া যুবতীর খোঁজ মিলল, কীভাবে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নাজবুল্লা খাতুন মারা গিয়েছে। ১১ বছর বয়সে সে এক আত্মীয়ের হাত ধরে মিনাখাঁ থেকে দিল্লি পাড়ি দিয়েছিল। আর সে বাড়ি ফেরেনি। বহু খোঁজ করেছেন বাড়ির লোকজন। কিন্তু, আর হদিশ পাননি নাজবুল্লার। এরপর ১৬ বছর পেরিয়ে গিয়েছে। অবশেষে বাড়ির লোকজনের পাশাপাশি প্রতিবেশীরাও ধরে নিয়েছিলেন আর নাজবুল্লা আর বেঁচে নেই। সেই ১৬ বছর আগে উত্তর ২৪ পরগনার (North 24 Parganas) মিনাখাঁ থেকে হারিয়ে যাওয়া  যুবতীর হদিশ করল হ্যাম রেডিও।

    কী করে খোঁজ মিলল?

    ১১ বছর বয়সে কাজের খোঁজে সে এক আত্মীয়ের হাত ধরে উত্তর ২৪ পরগনার (North 24 Parganas) মিনাখাঁ থেকে দিল্লি পাড়ি দিয়েছিল। তারপর আর তার কোনও খোঁজ পাওয়া যায়নি। বাড়ির লোকজন বহুবার দিল্লি গিয়েছেন তার খোঁজে। কিন্তু, খালি হাতেই বার বার তাঁদের ফিরতে হয়েছে। হ্যাম রেডিও সূত্রে জানা গিয়েছে, একটি অচেনা নম্বর থেকে ফোন আসে হ্যাম রেডিওর এক কর্মকর্তার কাছে। সেই ফোনে কথা বলেই  নাজবুল্লার হদিশ পাওয়া যায়। জানা যায়, ১১ বছরের ছোট্ট নাজবুল্লার বয়স এখন ২৭ বছর। এখন তিনি রাজস্থানে থাকেন। তিনি তিন সন্তানের মা। তাঁর নাম এখন রূপা মণ্ডল। তিনি এক জাঠ সম্প্রদায় যুবককে বিয়ে করেছেন। নাজবুল্লার স্বামী বলেন, বহু বছর আগে দিল্লি থেকে রাজস্থান ফেরার পথে  নিউ দিল্লি স্টেশনে হাউ হাউ করে কাঁদছিল নাজবুল্লা খাতুন নামে ওই মেয়েটি। একটি অসহায় মেয়েকে বাড়িতে স্থান দেব ভেবেই বাড়িতে নিয়ে এসে মার হাতে তুলে দিয়েছিলাম। পরবর্তীকালে মা মারা যাওয়ার পর মার কথা মতনই বিয়ে করলাম ওকে। তখন রেজিস্ট্রি করার জন্য আধার কার্ডের প্রয়োজন হয়ে পড়ল। একেকবার এক নাম বলছে দেখে আমি ঠিক করি রূপা মন্ডলই ওর নাম দেওয়া থাক। তাই ছোটবেলার নাজবুল্লা আজ রুপা। ওর বাড়়ির লোকজনের সঙ্গে কথা বলেছি। খুব শীঘ্রই আমরা যাব। আর নাজবুল্লা বলেন, ১৬ বছর পর বাড়ি ফিরব জেনেই খুবই আনন্দ লাগবে।

    কী বললেন হ্যাম রেডিও ওয়েস্ট বেঙ্গল ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক?

    হ্যাম রেডিও ওয়েস্ট বেঙ্গল ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক অম্বরীশ নাগবিশ্বাস বলেন, নাজবুল্লার সঙ্গে কথা বলে ওর একজন আত্মীয়ের নামের কথা জানতে পারি। এরপর হ্যাম রেডিওর সদস্যদের সাহায্যে উত্তর ২৪ পরগনার (North 24 Parganas) মিনাখাঁয় ওর বাড়ির হদিশ পাই। বাড়ির লোকজন জানেন নাজবুল্লা বেঁচে নেই। ১৬ বছর পর মোবাইল ভিডিও কলে কথা বলতে পেরে ফোনের ওপারে রাজস্থানে বসে নাজবুল্লা আর মিনাখাঁর বাড়িতে বসে পরিবারের লোকজন কান্নায় ভেঙে পড়েন। খুব শীঘ্রই দুই পরিবার এক হবে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • North 24 Parganas: চন্দ্রযান ৩ অবতরণে মাহেন্দ্রক্ষণের প্রহর গুনছে বাঙালি গবেষকের পরিবার

    North 24 Parganas: চন্দ্রযান ৩ অবতরণে মাহেন্দ্রক্ষণের প্রহর গুনছে বাঙালি গবেষকের পরিবার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ছেলে ইসরোর বাঙালি গবেষক। বাবা-মা তাই গর্বিত। সফল ভাবে চাঁদে পা রাখুক চন্দ্রযান ৩। অবতরণের শুভ মুহূর্তের প্রহর গুনছে এই বাঙালি গবেষকের পরিবার। উত্তর চব্বিশ পরগনার বসিরহাট মহকুমার বসিরহাট পৌরসভার পাঁচ নম্বর ওয়ার্ডের নৈহাটি এলাকায় ইসরো বাঙালি গবেষক মানস সরকারের বাড়ি।

    চন্দ্রযান ৩ অবতরণে বাঙালি গবেষক

    বাঙালি গবেষক মানস সরকার ২০০৬ সাল থেকে ইসরোতে গবেষণার কাজে নিযুক্ত হন। ২০১৯ সালে চন্দ্রযান ২ সফলভাবে উৎক্ষেপণ হলেও শেষ মুহূর্তে চাঁদের মাটি ছুঁতে পারেনি। সেই দিনের ঘটনা আজও ভুলতে পারেনি বাঙালি গবেষকের পরিবার। বাবা শচীন্দ্রনাথ সরকার, মা রঞ্জিতা সরকার সে কথা আজও বলেন। তাই সফল অবতরণের আশায় প্রহর গুনছেন সেকেন্ড, মিনিট, ঘন্টা। তাঁদের কাছে যেমন আবেগ, অন্যদিকে একটু ভয়ও কাজ করছে। শেষ মুহূর্তে চাঁদে পা রাখার ব্যাপারে ছেলের সাফল্য কামনা করছেন তাঁরা। একদিকে টিভির পর্দায় চোখ রেখেছেন, অন্যদিকে প্রার্থনা করছেন যাতে গোটা ভারতবর্ষের কাছে এই সাফল্য তুলে দেওয়া যায়। সব মিলিয়ে বাঙালি গবেষকের পরিবার তাকিয়ে রয়েছে শুধু সময়ের দিকে।

    পরিবারের বক্তব্য

    চন্দ্রযান ৩ -এ রয়েছে ছেলের মেধা-পরিশ্রম। মা রঞ্জিতা দেবী জানান, বসিরহাট গাছা আঁখারপুর ভারত ও বাংলাদেশ সীমান্তের কলাপোতা গ্রামে ছিল তাঁদের পরিবারের আদি বাড়ি। ছোটবেলা থেকে ইসরোর গবেষক মানসের সেখানেই বেড়ে ওঠা। সীমান্তের ইডিন্ডা ইউনিয়ন হাইস্কুল থেকে পড়াশোনার পর যাদবপুর, রাজাবাজার এবং হলদিয়া ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজের পাঠ শেষের পর প্রফেসর হিসেবে কর্মজীবন শুরু করেন মানস। মেধাবী এই বাঙালি বিজ্ঞানী গোল্ড মেডেলও পেয়েছেন রাজ্যপালের কাছ থেকে। ২০০৬ সালের আগেই হলদিয়ায় ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজে প্রফেসর হিসেবে নিযুক্ত হন মানস। সেই সময় অ্যামেরিকা থেকে ডাক পেলেও, তিনি দেশের হয়ে কাজ করবেন বলে, সেই অনুরোধ ফিরিয়ে দেন। এরপরই ২০০৬ সালে ইসরো গবেষণা কেন্দ্রে কারিগরি বিভাগে নিযুক্ত হন বসিরহাটের মানস। আজ চন্দ্রযান ৩-এর সাফল্য কামনার সঙ্গে সঙ্গে ছেলের জন্য গর্ব অনুভব করছে গোটা সরকার পরিবার।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • North 24 Parganas: যাদবপুরের পর এবার র‍্যাগিংয়ের অভিযোগ অশোকনগরে, কাঠগড়ায় টিএমসিপি

    North 24 Parganas: যাদবপুরের পর এবার র‍্যাগিংয়ের অভিযোগ অশোকনগরে, কাঠগড়ায় টিএমসিপি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম বর্ষের পড়ুয়ার মৃত্যুর ঘটনায় তোলপাড় রাজ্য। ঘটনায় গ্রেফতার করা হয়েছে প্রাক্তনী এবং পড়ুয়া মিলিয়ে মোট ৯ জনকে। ইতিমধ্যেই অভ্যন্তরীণ তদন্ত কমিটি প্রাথমিক রিপোর্ট পেশ করেছে। সেই ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই এবার ফের র‍্যাগিংয়ের অভিযোগে সরগরম অশোকনগরের নেতাজি শতবার্ষিকী মহাবিদ্যালয়ে (North 24 Parganas)। এই কলেজের ইউনিয়ন রুমের মধ্যেই প্রথম বর্ষের পড়ুয়াকে র‍্যাগিং এবং মারধরের অভিযোগ উঠেছে। আক্রান্ত ওই পড়ুয়া এসএফআইয়ের সদস্য বলে জানা গিয়েছে।

    কেন অভিযোগ (North 24 Parganas)?

    প্রথম বর্ষের এই ছাত্রের অভিযোগ, কলেজের ইউনিয়ন (North 24 Parganas) রুমে তাঁকে ডেকে নিয়ে গিয়ে মারধর করে কয়েকজন ছাত্রনেতা। অভিযুক্তরা সকলে তৃণমূলের সমর্থক। যদিও র‍্যাগিংয়ের অভিযোগ অস্বীকার করেছে তৃণমূল ছাত্র পরিষদ। পাশাপাশি ওই ছাত্রের আরও অভিযোগ, তাঁকে বাঁচাতে গিয়ে আরও একজন ছাত্র প্রহৃত হয়েছেন। ঘটনায় উত্তেজনা ছড়িয়েছে ওই কলেজে। এই নিয়ে তীব্র বাগযুদ্ধে জড়িয়েছে এসএফআই এবং টিএমসিপি।

    আক্রান্ত ছাত্রের বক্তব্য

    অশোকনগরের নেতাজি শতবার্ষিকী মহাবিদ্যালয়ের (North 24 Parganas) আক্রান্ত ছাত্র জানিয়েছেন, বৃহস্পতিবার কলেজে যাওয়ার পরে তাঁকে ইউনিয়ন রুমে ডেকে নিয়ে গিয়ে চড়, থাপ্পড়, কিল, ঘুষি মারা হয়। সেই সঙ্গে বলা হয়, ফেসবুক থেকে এসএফআই-এর যাবতীয় পোস্ট মুছে ফেলতে হবে। আর যদি তা না করেন, তাহলে পরীক্ষায় বসতে দেওয়া হবে না।

    এসএফআই-এর বক্তব্য

    উত্তর ২৪ পরগনার (North 24 Parganas) এসএফআই জেলা সম্পাদক আকাশ করের বক্তব্য, “র‌্যাগিংয়ের এই ঘটনাকে ধিক্কার জানাচ্ছি। এসএফআই করার অপরাধে, বাবার বয়সি নেতারা যেভাবে একজন ছাত্রকে মারধর করল, এই অসভ্যতা মেনে নেওয়া যায় না। এর শেষ দেখে ছাড়বো আমরাও।”

    টিএমসিপি’র বক্তব্য

    এই বিষয়ে সাংগঠনিক জেলা (North 24 Parganas) তৃণমূল ছাত্র পরিষদের সহ-সভাপতি সোহম পাল বলেন, “মারধরের অভিযোগ মিথ্যা। তবে কী ঘটনা ঘটেছে তা খোঁজ না নিয়ে বলতে পারবো না।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • North 24 Parganas: ছেলের হাতে বাবা খুন! ঘটনায় শিহরিত গোটা দত্তপুকুর

    North 24 Parganas: ছেলের হাতে বাবা খুন! ঘটনায় শিহরিত গোটা দত্তপুকুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দত্তপুকুর (North 24 Parganas) থানার অন্তর্গত বামনগাছির মালিয়াপুর এলাকায় ছেলের হাতে খুন হলেন বাবা। স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে খবর, বাবা রঘুনাথ শিকদার, বয়স ৫৫। বাড়িতে বসে তিনি পুজো করছিলেন। আর ঠিক সেই সময় ছেলে হৃদয় শিকদার পিছন থেকে গিয়ে ধারালো বঁটি দিয়ে গলায় কোপ বসায়। এরপর দত্তপুকুর থানায় খবর দিলে, পুলিশ এসে রঘুনাথ শিকদারকে বারাসত হসপিটালে নিয়ে যায় এবং সেখানে চিকিৎসকরা তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। স্থানীয় সূত্রে খবর, ছেলে মানসিক ভারসাম্যহীন। আর এই কারণে বাবাকে ধারালো বঁটি দিয়ে কোপ মারে। পুলিশ মানসিক ভাবে বিকারগ্রস্ত হৃদয়কে আটক করে দত্তপুকুর থানায় নিয়ে যায় বলে জানা গেছে।

    কীভাবে করা হল খুন (North 24 Parganas)?

    হৃদয় শিকদারের মা কাঁদতে কাঁদতে বললেন, হৃদয়ের বাবা ঠাকুর ঘরে (North 24 Parganas) পুজো করছিলেন। হঠাৎ তীব্র চিৎকার শুনে গিয়ে দেখি, ওর বাবা মাটিতে পড়ে রয়েছেন। পিছন থেকে বঁটি দিয়ে কোপ দেয় হৃদয়। ঘর রক্তাক্ত হয়ে যায়। মা আরও বলেন, ছেলের মাথায় অনেক দিন ধরেই সমস্যা ছিল। মা আরও বলেন, আগে নেশা করত, তবে মাস কয়েক ধরে ঠিক ছিল হৃদয়। তেমন কিছুর জন্য দাবিদাওয়াও করেনি। তবে কেন যে এমন কাজ করল, বুঝতেই পারছি না।

    প্রতিবেশীর বক্তব্য

    প্রতিবেশী (North 24 Parganas) দীপালী দে বলেন, একসময় পড়াশুনায় বেশ ভালো ছাত্র ছিল হৃদয়। কিন্তু নেশায় আচ্ছন্ন হয়ে বাড়িতে রোজই টাকার জন্য অশান্তি, ঝামেলা করত। টাকা না দিলে রোজ বাড়িতে বাবা-মায়ের সঙ্গে অস্বাভাবিক আচরণ করত। প্রায় পাগালের মতো হয়ে গিয়েছিল হৃদয়। অনেক জায়গায় ডাক্তার দেখানো হয়েছিল। কিন্তু তাঁর মানসিক রোগ নিরাময় হয়নি। হৃদয় কয়েকদিন যাবত সব সময় ঘরেই থাকত, বাড়ির বাইরেও বের হত না। আজ সকাল ৬ টায় চিৎকার শুনতে পেয়ে দেখি এই ঘটনা ঘটছে। পুলিশ ধরে নিয়ে গেছে হৃদয়কে। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • North 24 Parganas: পাঁচ মাসের সন্তান বিক্রি দম্পতির, তীব্র উত্তেজনা খড়দায়

    North 24 Parganas: পাঁচ মাসের সন্তান বিক্রি দম্পতির, তীব্র উত্তেজনা খড়দায়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পানিহাটি (North 24 Parganas) পৌরসভার ১১ নম্বর ওয়ার্ডের গান্ধীনগর অঞ্চলে নিজের পাঁচ মাসের শিশুপুত্রকে বিক্রি করে দেওয়ার অভিযোগ উঠল বাবা ও মায়ের বিরুদ্ধে। খড়দা থানার পুলিশ তাদের গ্রেফতার করেছে। অভিযুক্ত বাবা জয়দেব চৌধুরী, মা সাথী চৌধুরী ও ঠাকুরদা কানাই চৌধুরী বর্তমানে পুলিশি হেফাজতে। ঘটনার কথা এলাকায় জানাজানি হতেই সাধারণ মানুষ ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন। এলাকার মানুষের দাবি, এই ধরনের দম্পতিকে অঞ্চলে রাখা যাবে না।

    এলাকাবাসীর বক্তব্য (North 24 Parganas)

    সন্তান বিক্রির ঘটনায় এলাকায় তীব্র উত্তেজনার সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয় (North 24 Parganas) বাসিন্দা পম্পা বিশ্বাস বলেন, অভিযুক্ত জয়দেবের স্ত্রীকে আগেও বলেছি বাড়িতে অচেনা, অপরিচিত মানুষের আনাগোনা চলে! পাড়ায় থাকো, এমন কাজ বন্ধ করো! কেন এইভাবে বাড়িতে ঘণ্টার পর ঘণ্টা কম বয়সী ছেলেমেয়েরা আসে! উত্তর মেলেনি। তবে পরিবার যে আর্থিক ভাবে খুব একটা স্বচ্ছল ছিল না তাও স্পষ্ট। নানান অসামাজিক কাজকর্মও চলত বলে জানিয়েছেন তিনি । তিনি আরও বলেন, গতকালই  শুনেছি টাকার জন্য নিজের সন্তানকে বিক্রি করে দিয়েছে। পুলিশ এসে গ্রেফতার করেছে। আরেক বাসিন্দা কৃষ্ণা দত্ত বলেন, শুনে খুব খারাপ লেগেছে! কিন্তু নিজের কোলের বাচ্চাকে বিক্রি করে টাকা নিয়ে জীবন চালাতে হচ্ছে কেন? আমরাও গরীব মানুষ, কাজকর্ম করেই নিজেদের পেট চালাই। তাই বলে নিজের সন্তান বিক্রি! অত্যন্ত নিম্নরুচির কাজ। শাস্তি চাই। এলাকার প্রবীণ বৃদ্ধ সুকান্ত দে বলেন, এই ঘটনা দেখা তো দূরের কথা শোনাই পাপ। সন্তানের বাবা একটা কুলাঙ্গার। বাচ্চার বাবা-মা দুই জনেই দোষী। তিনি আরও বলেন, অভিযুক্তের বাবা স্টেশন থেকে কষ্ট করে খাবার জোগাড় করে আনেন, আর ছেলে-বৌমা অপকর্ম করেন। অত্যন্ত লজ্জার ঘটনা। এলাকা থেকে চলে গেলেই ভালো।

    স্থানীয় পৌরপিতার বক্তব্য

    স্থানীয় (North 24 Parganas) পৌরপিতা তারক গুহ জানালেন, আর্থিকভাবে পিছিয়ে পড়া এই পরিবারটির পাশে সব সময় দাঁড়িয়েছেন। তিনি আরও বলেন আমি এবং আমার পৌরসভা সব সময় সরকারি সাহায্য করতে প্রস্তুত। কিন্তু নিজের সন্তান বিক্রি করার মতো জঘন্য ঘটনার প্রতিবাদ জানিয়ে দোষীদের উপযুক্ত শাস্তি চাই।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • North 24 Parganas: ব্যাপক বোমাবাজি দেগঙ্গা-আমডাঙা-অশোকনগরে, আতঙ্কিত সাধারণ ভোটাররা!

    North 24 Parganas: ব্যাপক বোমাবাজি দেগঙ্গা-আমডাঙা-অশোকনগরে, আতঙ্কিত সাধারণ ভোটাররা!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পঞ্চায়েত ভোটের দিনে উত্তর ২৪ পরগনা জেলা জুড়ে ব্যাপক সন্ত্রাস। ভোট কেন্দ্রে বুথ দখল, ছাপ্পা, বোমাবাজি এবং হত্যার ঘটনায় উত্তাল রাজ্যের পঞ্চায়েত নির্বাচন। শাসকদলের দৌরাত্ম্যের বিরুদ্ধে বিরোধীরা সরব সর্বত্র। এই জেলার দেগঙ্গা, আমডাঙা, অশোকনগরে চলে ব্যাপক বোমাবাজি। শাসক বনাম আইএসএফ কর্মীদের মধ্যে চলে প্রত্যক্ষ লড়াই।

    দেগঙ্গায় বোমাবাজি

    বেড়াচাঁপা (North 24 Parganas) ১ নং পঞ্চায়েতের বেলপুর বেলডাঙা এফপি হাইস্কুলে দেগঙ্গা বেলডাঙা ১২৪ নম্বর বুথে ভোট চলাকালীন ব্যাপক বোমাবাজির অভিযোগ শাসকদলের বিরুদ্ধে। পরিস্থিতি এমনই হয় যে, ভোট বন্ধ করে দেওয়া হয়। ভাঙচুর চালানোর পাশাপাশি ব্যালট পেপার পুড়িয়ে জলে ফেলে দেওয়ার অভিযোগ উঠছে শাসক দলের বিরুদ্ধে। এরপরই ভোটকেন্দ্রের ভেতরে ঢুকে ব্যালট বাক্স সহ ভোটের যাবতীয় কাগজপত্র ফেলে দেওয়া হয়। প্রাণ বাঁচাতে বুথ ছেড়ে পালিয়ে যান ভোট কর্মীরা। ১৩৬ নম্বর বুথে ভোটের লাইনে দাঁড়ানো এক মহিলা ভোটার জানান, ভোটের লাইনে ছিলাম আমরা। হঠাৎই দেখতে পাই বোমাবাজি শুরু করে শাসক দলের বহিরাগতরা। কিছু বুঝে ওঠার আগেই চারিদিকে বোম মারে তারা। প্রাণ বাঁচাতে পালাই সবাই। আমডাঙার রাহানা ৮০, ৮১, ৮২, নম্বর বুথে ভোটারদের ঢুকতে বাধা দেওয়া হয়। অভিযোগের তীর তৃণমূলের দিকে। ঘটনার জেরে রাহানায় ৩৪ নম্বর জাতীয় সড়ক অবরোধ করে আইএসএফ কর্মী-সমর্থকরা।

    আমডাঙায় বোমাবাজি

    চন্ডীপুর (North 24 Parganas) পঞ্চায়েতের প্রভাকরহাটি গ্রামের ৬৩ নম্বর বুথে তৃণমূল-আইএসএফ সংঘর্ষ হয়। ব্যাপক বোমাবাজি হয় বলে খবর হয়। প্রথমে তৃণমূল বুথে ঢুকে ব্যালট ছিনতাই করে ছাপ্পা ভোট দেয়। এরপর প্রতিরোধ করে পাল্টা বোমাবাজি করে আইএসএফ। বুথের ভিতরে ব্যালট বক্সের সামনে বোম রেখে ছাপ্পা দেয় সশস্ত্র শাসক দল।

    অশোকনগরে ব্যাপক বোমাবাজি

    অশোকনগর (North 24 Parganas) থানার সুলেমানপুর এলাকায় এক বাই ৭৩ নম্বর বুথে আইএসএফ ও তৃণমূলের মধ্যে চলে ব্যাপক বোমাবাজি। হাবড়া এসডিপিও রোহিত শেখের নেতৃত্বে পুলিশ বাহিনী পাঁচজনকে অশোকনগর থানায় নিয়ে যায়। আপাতত সুলেমানপুর এলাকা থমথম।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • North 24 Parganas: “দুষ্কৃতীরা বন্দুক-বোমা নিয়ে নির্বাচনকে রক্তাক্ত করেছে!” হতাশ রাজ্যপাল

    North 24 Parganas: “দুষ্কৃতীরা বন্দুক-বোমা নিয়ে নির্বাচনকে রক্তাক্ত করেছে!” হতাশ রাজ্যপাল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পঞ্চায়েত ভোটের দিন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস পৌঁছালেন উত্তর ২৪ পরগনার (North 24 Parganas) কদম্বগাছিতে। ভোটের দিন মৃত্যু হয়েছে নির্দল প্রার্থীর। পঞ্চায়েত নির্বাচন শুরুর পর থেকেই সারা রাজ্য জুড়ে সন্ত্রাসের আবহ শুরু হয়েছে। নির্বাচনের দিনই এখনও পর্যন্ত প্রায় ১২ জনের প্রাণ গেছে। ব্যালট লুট, ছাপ্পা, বুথ দখল, ব্যালট বাক্স ছিনতাই সবটাই ঘটল অবাধে। নির্বাচন কমিশনের সক্রিয়তা চোখে পড়েনি বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা। রাজ্যপাল আক্রান্ত এলাকায় গিয়ে বুলেটে নয়, ব্যালটে গণতন্ত্র রক্ষার কথা বললেন। ভোটের দিন রাজ্যে ভোট চলাকালীন সময়ে হিংসার বিষয়ে স্পষ্ট মন্তব্য করলেন রাজ্যপাল।

    রাজ্যপাল কী বললেন (North 24 Parganas)? 

    ভোটের দিন কদম্বগাছিতে হিংসায় নিহত নির্দল প্রার্থীর বাড়িতে আব্দুল্লাহের স্ত্রী-কন্যার সঙ্গে দেখা করে সব রকম সাহায্যের আশ্বাস দেন সিভি আনন্দ বোস। রাজ্যপাল (North 24 Parganas) ভোটের দিন সাংবাদিকদের উদ্দেশে বলেন, আমি ভেবেছিলাম নির্বাচন অনেক শান্তিপূর্ণ হবে। সাধারণ মানুষ নিজের অধিকার এবং পছন্দকে ভোটের মাধ্যমে প্রতিফলন ঘটাবে। কিন্তু দুঃখজনক! দুষ্কৃতীরা বন্দুক, বোমা নিয়ে নির্বাচনকে রক্তাক্ত করেছে। তিনি আরও বলেন, নির্বাচন অবশ্যই বুলেটে নয় ব্যালটে হতে হবে। মানুষ নিজের মত প্রকাশ করুক ভোটদানের মাধ্যমে। সরকার, রাজ্য নির্বাচন কমিশনের উচিত সাধারণ মানুষের জন্য ভোট প্রদানের পরিবেশ তৈরি করা। মানুষের অধিকারকে প্রয়োগ করার ব্যাপারে প্রশাসনকে আরও সক্রিয় হতে হবে। ভারতীয় সমাজের কাছে আমাদের দায়বদ্ধতা রয়েছে।

    কেন গেলেন উত্তর ২৪ পরগনায় (North 24 Parganas)?

    শনিবার পঞ্চায়েত নির্বাচন প্রক্রিয়া শুরুর সময় থেকেই উত্তপ্ত হয়ে ওঠে উত্তর ২৪ পরগনার (North 24 Parganas) কদম্বগাছি এলাকা। ভোট প্রক্রিয়া শুরু হতেই  শাসক ও নির্দলের মধ্যে গোষ্ঠী সংঘর্ষ বেড়ে যায়। দুই পক্ষ হাতাহাতিতে জড়িয়ে পড়ে। এর জেরে ঘটনাস্থলেই প্রাণ হারান নির্দল প্রার্থী আব্দুল্লাহ। অভিযোগের তীর শাসক দলের বিরুদ্ধে। এর পরই উত্তেজিত জনতা ভোট কেন্দ্রে তালা লাগিয়ে দেয়। ভোট প্রক্রিয়া শুরুর এক ঘন্টা পর্যন্ত ভোটদান বন্ধ থাকে। পরে ঘটনাস্থলে এসে পৌঁছায় সেনাবাহিনী। তার পরে উত্তপ্ত এবং হিংসা কবলিত এলাকায় এসে পৌঁছান রাজ্যপাল। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share