Tag: pakistan

pakistan

  • Pakistan: “৩৭০ ধারা নিয়ে কংগ্রেস-এনসি জোট একই পৃষ্ঠায়”, পাক মন্ত্রীর মন্তব্যে বিতর্ক

    Pakistan: “৩৭০ ধারা নিয়ে কংগ্রেস-এনসি জোট একই পৃষ্ঠায়”, পাক মন্ত্রীর মন্তব্যে বিতর্ক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “জম্মু-কাশ্মীরে ৩৭০ ধারা (Article 370) পুনর্বহালের বিষয়ে পাকিস্তান ও সেখানকার কংগ্রেস-এনসি জোট একই পৃষ্ঠায় রয়েছে।” কথাগুলি বলেছেন পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী খাজা আসিফ। তাঁর এই মন্তব্যে দেশজুড়ে উঠেছে প্রতিবাদের ঢেউ।

    অমিত মালব্যের তোপ (Pakistan)

    বিজেপি নেতা অমিত মালব্য এক্স হ্যান্ডেলে বলেন, “সন্ত্রাসবাদী রাষ্ট্র পাকিস্তান কাশ্মীর নিয়ে কংগ্রেস ও ন্যাশনাল কনফারেন্সের (এনসি) অবস্থানকে সমর্থন করছে। পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী খাজা আসিফ হামিদ মিরের ক্যাপিটাল টক অনুষ্ঠানে বলেছেন, কাশ্মীরে ৩৭০ এবং ৩৫এ অনুচ্ছেদ পুনর্বহালের বিষয়ে পাকিস্তান ও ন্যাশনাল কনফারেন্স জোট একই পৃষ্ঠায় রয়েছে। কীভাবে পান্নুন থেকে পাকিস্তান পর্যন্ত, রাহুল গান্ধী ও তার কংগ্রেসকে সর্বদা ভারতের স্বার্থের বিরোধী পক্ষের সঙ্গে থাকতে দেখা যায়?”

    পাক প্রতিরক্ষামন্ত্রীর বক্তব্য

    ক্যাপিটেল টকের অন্য একটি অনুষ্ঠানেও ভূস্বর্গে ৩৭০ ধারা ফেরানো প্রসঙ্গে পাক প্রতিরক্ষামন্ত্রী বলেছিলেন, “আমাদের দাবিও একই।” জম্মু-কাশ্মীরের ক্ষমতায় কংগ্রেস-এনসি জোট ফিরলেই ৩৭০ ধারা পুনর্বহাল হবে (Pakistan) বলেও আশাবাদী পাকিস্তানের এই মন্ত্রী। জিও নিউজের একটি অনুষ্ঠানে তিনি এও বলেছিলেন, “আমি মনে করি এটা (জম্মু-কাশ্মীরে ৩৭০ ধারা ফেরানো) সম্ভব। বর্তমানে এনসি এবং কংগ্রেসের সেখানে খুব বড় গুরুত্ব রয়েছে। উপত্যকার জনসংখ্যাকে এই বিষয়ে অনেকটাই অনুপ্রাণিত করা হয়েছে। আমি এ-ও বিশ্বাস করি, এনসি-র ক্ষমতায় আসার সুযোগ রয়েছে।” তিনি বলেন, “তারা এটিকে নির্বাচনী ইস্যু করেছে যে জম্মু ও কাশ্মীরের মর্যাদা পুনরুদ্ধার করা উচিত।”

    আরও পড়ুন: বাংলাদেশের অনুরোধ ফেরাল ভারত, মার্কিন মুলুকে হচ্ছে না মোদি-ইউনূস বৈঠক

    প্রসঙ্গত, এর আগে এনসি সুপ্রিমো ফারুক আবদুল্লা ও তাঁর ছেলে তথা জম্মু-কাশ্মীরের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী ওমর আবদুল্লাও কাশ্মীরে ৩৭০ ধারা ফেরানোর আশ্বাস দিয়েছিলেন। ফারুক বলেছিলেন, “বিজেপি কত বছর সময় নিয়েছিল এটি (৩৭০ ধারা) বাতিল করতে। আল্লাহ চাইলে আমরাও একে (Article 370) পুনরুদ্ধার করব। এটি জম্মু-কাশ্মীরের মানুষের হৃদস্পন্দন। এর পরেই তিনি বলেছিলেন, ধারা ৩৭০ ও ৩৫ এ পুনরুদ্ধার করা হবে।”

    প্রসঙ্গত, দীর্ঘ দিন পরে জম্মু-কাশ্মীরে হচ্ছে বিধানসভা নির্বাচন (Pakistan)। ভোট হবে তিন দফায়। প্রথম দফার নির্বাচন হয়েছে ১৮ সেপ্টেম্বর। আর দ্বিতীয় দফার নির্বাচন হবে ২৫ তারিখে। তৃতীয় দফার নির্বাচন হবে ১ অক্টোবর। অক্টোবরের ৮ তারিখে হবে ফল ঘোষণা (Article 370)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Bangladesh Nuclear Treaty: ভারত বিরোধিতা! পাকিস্তানের সঙ্গে পরমাণু চুক্তির আহ্বান ঢাকার অধ্যাপকের

    Bangladesh Nuclear Treaty: ভারত বিরোধিতা! পাকিস্তানের সঙ্গে পরমাণু চুক্তির আহ্বান ঢাকার অধ্যাপকের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পাকিস্তানের অত্যাচার থেকে মুক্তি দিতে এবং স্বাধীন বাংলাদেশ গড়ার ক্ষেত্রে ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিল ভারত। ৫০ বছর পর সেই ভারতের বিরুদ্ধে গিয়ে এবার পাকিস্তানের সঙ্গেই পরমাণু চুক্তির (Bangladesh Nuclear Treaty) দাবি করলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক। বাংলাদেশকে পারমাণবিক সক্ষম করার দাবি তুললেন অধ্যাপক শাহিদুজ্জামান। হাসিনা সরকারের পতনের পর থেকেই ভারত বিরোধিতা এবং জামাত প্রভাবিত ইসলামি গোঁড়ামি দিনে দিনে বাড়ছে পদ্মাপারে। ভারতের সহায়তা ছাড়া যে স্বাধীন বাংলাদেশ সম্ভবই ছিল না, তা ভুলতে বসেছে ঢাকা। তাঁকে এও দাবি করতে শোনা গিয়েছে যে, পাকিস্তান নাকি বাংলাদেশের সবচেয়ে বিশ্বস্ত নিরাপত্তা সহযোগী! বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমানের মূর্তি যারা ভাঙতে পারে তাদের থেকে এর বেশি কিছুই প্রত্যাশা করা যায় না, এমনই অভিমত কূটনীতিকদের। 

    পাকিস্তানের সঙ্গে পারমাণবিক চুক্তি

    শেখ হাসিনার সরকারের পতনের পর বাংলাদেশে ভারতের প্রতি বিরূপ মনোভাব বাড়ছে এবং পাকিস্তানের সঙ্গে সম্পর্কের দিকে আরও ঝোঁক দেখা যাচ্ছে। বাংলাদেশে হিন্দুদের উপর অত্যাচার, সংখ্যালঘুদের উপর আক্রমণ নিত্য-ঘটনা। ভারত-বিরোধিতায় কোনও কসুর করছে না জামাতের মতো সংগঠন। এমন পরিস্থিতিতে, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক শাহিদুজ্জামান সম্প্রতি পাকিস্তানের সঙ্গে একটি পারমাণবিক চুক্তি (Bangladesh Nuclear Treaty) করার আহ্বান জানালেন। তাঁর মতে, এই চুক্তি ভারতের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে সাহায্য করবে। অধ্যাপক শাহিদুজ্জামান বলেন, “ভারতের সাধারণ ধারণা পরিবর্তনের জন্য সঠিক উত্তর হবে আমাদের পারমাণবিক সক্ষম হওয়া। পারমাণবিক সক্ষম হওয়া মানে পারমাণবিক শক্তিধর হওয়া নয়, বরং পাকিস্তানের সঙ্গে একটি পারমাণবিক চুক্তিতে প্রবেশ করা।” 

    ভারতকে ঠেকাতে পাক সহায়তা

    শাহিদুজ্জামান আরও বলেন, পাকিস্তানের কারিগরি সহায়তা (Bangladesh Nuclear Treaty) ছাড়া ভারতকে প্রতিহত করা সম্ভব নয়। তাঁর কথায়, “পাকিস্তান সবসময়ই বাংলাদেশের সবচেয়ে বিশ্বস্ত নিরাপত্তা সহযোগী ছিল। কিন্তু ভারতীয়রা চায় না আমরা এটা বিশ্বাস করি। আওয়ামি লিগও চায় না আমরা এটা বিশ্বাস করি। কিন্তু এটাই সত্য। বাংলাদেশকে পাকিস্তানের দিকে ঝুঁকতে হবে।” তিনি আরও বলেন, “পাকিস্তানিরা আমাদের কাছে ক্ষমা চাওয়ার প্রয়োজন মনে করে না, তবে তারা চায় না আমরা ভারতের সঙ্গে থাকি। তারা আমাদের রক্ষা করতে যে কোনও কিছু করতে প্রস্তুত।”

    জামাত পন্থী অধ্যাপক

    অধ্যাপক শাহিদুজ্জামান পাকিস্তান থেকে পারমাণবিক ক্ষেপণাস্ত্র (Bangladesh Nuclear Treaty) সংগ্রহ করে উত্তরবঙ্গ ও চট্টগ্রাম পার্বত্য অঞ্চলে মোতায়েন করার প্রস্তাব দেন। এর ফলে ভারতের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়া সহজ হবে বলে তিনি মনে করেন। তাঁর দাবি, বাংলাদেশের কিছু অংশ দখল করে এটিকে উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্যের অংশ হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করতে চায় ভারত এবং পাকিস্তানের পারমাণবিক চুক্তি ও ক্ষেপণাস্ত্র সাহায্য ভারতের এই পরিকল্পনা প্রতিহত করতে পারে। তিনি পাকিস্তানকে “বাংলাদেশের নির্ভরযোগ্য এবং বিশ্বস্ত নিরাপত্তা মিত্র” হিসেবে অভিহিত করেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এই অধ্যাপক জামায়াত-ই-ইসলামীপন্থী মন্তব্যের জন্য কুখ্যাত। 

    বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের আহ্বান

    সম্প্রতি, বাংলাদেশের অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূস ভারতের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের কথা বলেছিলেন। টেলিভিশনে প্রচারিত এক ভাষণে ইউনূস বলেন, দায়িত্ব গ্রহণের পর ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ সহ বেশ কয়েকটি দেশের নেতারা তাঁকে অভিনন্দন জানিয়েছেন। তিনি আরও বলেন, “আমরা ভারতের সঙ্গে এবং অন্যান্য প্রতিবেশী দেশের সঙ্গে ভালো সম্পর্ক রাখতে চাই, তবে এই সম্পর্কগুলো ন্যায্যতা এবং সমতার ভিত্তিতে হওয়া উচিত।” যদিও বাংলাদেশের বর্তমান পরিস্থিতি ইউনূসের মতকে মান্যতা দেয় না।

    আরও পড়ুন: ফের হত্যার চেষ্টা ট্রাম্পকে! গল্ফ ক্লাবে চলল গুলি, অল্পের জন্য বাঁচলেন প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট

    বাংলাদেশের ঐতিহ্য বিলুপ্তপ্রায়

    জামাত-পন্থী ইসলামি শক্তিগুলি শেখ হাসিনার পতনের পর থেকে বাংলাদেশকে পাকিস্তানের (Bangladesh Nuclear Treaty) দিকে টেনে নিয়ে যাচ্ছে। এর অংশ হিসেবে, সম্প্রতি ঢাকার জাতীয় প্রেসক্লাবে জিন্নার ৭৬তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে উর্দু গান, কবিতা এবং সঙ্গীতানুষ্ঠান আয়োজন করা হয়, যা বাংলাদেশের ইতিহাসে প্রথমবার ঘটেছে। ইসলামপন্থী বক্তারা অনুষ্ঠানে বলেন, পাকিস্তান ছাড়া বাংলাদেশও অস্তিত্ব লাভ করতে পারত না। বক্তারা জিন্নাকে বাংলাদেশের সৃষ্টিকর্তা এবং পিতা হিসেবে অভিহিত করেন। উল্লেখ্য, বাংলাদেশ (সাবেক পূর্ব পাকিস্তান) একটি রক্তাক্ত মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে উর্দু চাপিয়ে দেওয়া জিন্নার বাহিনীর বিরুদ্ধে যুদ্ধ করে স্বাধীনতা অর্জন করেছিল। যেখানে বাংলা ভাষাই ছিল বাংলাদেশের স্বাধীনতা আন্দোলনের কেন্দ্রবিন্দু। তবে, জামাত-সহ প্রতিক্রিয়াশীল ইসলামী শক্তিগুলি শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর থেকে বাংলাদেশকে সেই উর্দু ভাষার দিকে ঠেলে দিচ্ছে, যেটি শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে তারা তীব্রভাবে বর্জন করেছে। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Pakistani Arrested: মার্কিন মুলুকে হামলার ষড়ষন্ত্র, গণহত্যার পরিকল্পনা, গ্রেফতার পাক তরুণ

    Pakistani Arrested: মার্কিন মুলুকে হামলার ষড়ষন্ত্র, গণহত্যার পরিকল্পনা, গ্রেফতার পাক তরুণ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মার্কিন মুলুকে (New York Terror Plot) হামলা চালানোর ষড়ষন্ত্র করার অভিযোগে গ্রেফতার পাক তরুণ (Pakistani Arrested)। বর্তমানে কানাডায় বাস করে বছর কুড়ির ওই তরুণ। ইসলামিক স্টেটের সমর্থনে নিউ ইয়র্কের ব্রুকলিনে একটি ইহুদি কেন্দ্রে গণহত্যার পরিকল্পনা করার অভিযোগে গ্রেফতার করা হয় ওই পাকিস্তানি নাগরিককে। জানা গিয়েছে, ইজরায়েলের ওপর হামাসের হামলার বর্ষপূর্তিতে ওই হামলার পরিকল্পনা করেছিল ওই পাকিস্তানি তরুণ।

    কানাডায় গ্রেফতার পাক তরুণ (Pakistani Arrested)

    অভিযুক্ত তরুণের নাম শাহজেব খান ওরফে শাহজেব জাদুন। তার বিরুদ্ধে যত বেশি সম্ভব ইহুদিকে হত্যা করার জন্য স্বয়ংক্রিয় ও আধা-স্বয়ংক্রিয় অস্ত্র ব্যবহার করার ষড়যন্ত্রের অভিযোগ রয়েছে। মার্কিন বিচার বিভাগের দাবি, শাহজেব সীমান্ত পেরিয়ে কানাডা থেকে আমেরিকায় যাওয়ার চেষ্টা করছিল। সেই সময় কুইবেকের ওরমসটাউন এলাকা থেকে রয়্যাল কানাডিয়ান মাউন্টেড পুলিশ তাকে গ্রেফতার করে।

    কী বলছে পুলিশ

    পুলিশ জানিয়েছে, ধৃত তরুণ ইসলামিক স্টেট সমর্থকদের একটি অফলাইন সেল তৈরির ইচ্ছে প্রকাশ করেছিল। প্রশাসনের কর্তাদের আক্রমণ করতে অ্যাসল্ট রাইফেল, গোলাবারুদ এবং অন্য উপকরণ জোগাড়ের নির্দেশ দিয়েছিল সে। নিউইয়র্ক শহরে প্রচুর ইহুদি বাস করেন। তাই ওই পাক তরুণ টার্গেট করেছিল নিউইয়র্ককে।

    জানা গিয়েছে, ২০২৩ সালের নভেম্বরে আইএসআইএসের প্রতি অনলাইনে সে সমর্থন প্রকাশ করে (Pakistani Arrested)। পরে বিলি করতে থাকে প্রচার সামগ্রী। এনক্রিপ্ট করা মেসেজ অ্যাপ্লিকেশনগুলোয় অন্যদের সঙ্গে জড়িত ছিল সে। পরে সে প্রশাসনের দুই কর্তার সঙ্গে যোগাযোগ করে। সীমান্ত পেরিয়ে হামলা চালানোর পরিকল্পনা সম্পর্কে তাদের জানায়। ওই পাক তরুণ ইহুদিদের ওপর হামলা চালানোর জন্য বেছে নিয়েছিল ৭ ও ১১ অক্টোবর।

    আরও পড়ুন: “এনআরসি’তে আবেদন না করলে মিলবে না আধার”, বড় ঘোষণা অসমের মুখ্যমন্ত্রীর

    এই দু দিনের একটি হামাসদের ওপর আক্রমণের বার্ষিকী, অন্যটি ইয়োম কিপ্পুরের। ওই তরুণের বিরুদ্ধে একটি নির্দিষ্ট বিদেশি সন্ত্রাসী সংগঠনকে মেটিরিয়াল সাপোর্ট দেওয়া এবং সম্পদ দেওয়ার দেওয়ার চেষ্টা করার অভিযোগ আনা হয়েছে (New York Terror Plot)। দোষী সাব্যস্ত হলে তার সর্বোচ্চ ২০ বছর কারাদণ্ড হতে পারে (Pakistani Arrested)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

  • Rajnath Singh: পাকিস্তানি অস্ত্রে ছেয়েছে বাংলাদেশ! সেনাকে তৈরি থাকার বার্তা রাজনাথের

    Rajnath Singh: পাকিস্তানি অস্ত্রে ছেয়েছে বাংলাদেশ! সেনাকে তৈরি থাকার বার্তা রাজনাথের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পাকিস্তান থেকে বিশাল পরিমাণ গোলাবারুদ এবং বিস্ফোরক আমদানি করতে চলেছে বাংলাদেশ (Bangladesh)। যার ফলে সেনাকে সদা সতর্ক থাকার কথা বললেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং (Rajnath Singh)। তাঁর কথায় ভারত শান্তি চায়, কিন্তু নিজের দেশের এক ইঞ্চি জমিও ছাড়তে রাজি নয়। ভারতকে যে কোনও ঘটনার জন্য প্রস্তুত থাকতে হবে, কারণ প্রতিবেশী দেশগুলি অস্থিতিশীল। এতে আঞ্চলিক শান্তি বিঘ্নিত হতে পারে। ভারতের জাতীয় নিরাপত্তার জন্যও চ্যালেঞ্জ তৈরি হতে পারে। 

    সেনাকে বার্তা প্রতিরক্ষামন্ত্রীর (Rajnath Singh)

    লখনউয়ে ‘সশক্ত ও সুরক্ষিত ভারত: দ্য ট্রান্সফর্মেশন অফ দ্য আর্মড ফোর্সেস’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে রাজনাথ  সেনার জয়েন্ট কমান্ডারদের উদ্দেশে বলেন, ‘‘রাশিয়া-ইউক্রেন, ইজরায়েল-হামাসের মধ্যে যুদ্ধ চলছে। পড়শি বাংলাদেশেও (Bangladesh) এখন স্থিতিশীলতা নেই। কাজেই আমাদের সব সময়েই সজাগ দৃষ্টি রাখতে হবে।’’ তাঁর সংযোজন, ‘‘আমরা বেশ শান্তিতেই আছি। তবে এই ঘটনাগুলো বিশ্লেষণ করে যেতে হবে। নিজেদের সুরক্ষিত রাখতে কী কী স্ট্র্যাটেজি নেওয়া যেতে পারে, তা যেন সব সময়ই ভাবনার মধ্যে থাকে।’’ সেনার শীর্ষ স্তরের কর্তাদের প্রতি রাজনাথ সিংয়ের (Rajnath Singh) অনুরোধ, ‘‘আপনারা আত্মনির্ভর ভারতের সঙ্গে সাযুজ্য রেখে বাহিনীতে আধুনিক অস্ত্র (মেড ইন ইন্ডিয়া) ও প্রথাগত পুরোনো অস্ত্র রাখুন। নতুন প্রযুক্তির ব্যবহার করুন।’’

    বাংলাদেশের প্রতি নজর (Bangladesh)

    সূত্রের খবর, হাসিনা বিদায়ের পর নয়া নীতি নিয়েছে বাংলাদেশ সেনা (Bangladesh Army)। পাকিস্তানের অর্ডন্যান্স ফ্যাক্টরিকে ৪০,০০০ রাউন্ড গুলি কেনার বরাত দিয়েছে বাংলাদেশ। সেই সঙ্গে ২০০০টি ট্যাঙ্কের গোলা, ৪০ টন আরডিএক্স বিস্ফোরক এবং ২,৯০০ রকেটেরও অর্ডার দিয়েছে ঢাকা। অথচ, গত বছর তারা পাকিস্তান থেকে শুধুমাত্র ১২,০০০ রাউন্ড গুলি কিনেছিল। চলতি বছরের সেপ্টেম্বর থেকে ডিসেম্বরের মধ্যে, তিনটি ধাপে বাংলাদেশকে (Bangladesh) এই গোলাগুলি দেবে পাকিস্তান। ঢাকায় এখন মহম্মদ ইউনুসের নেতৃত্বে এক নতুন সরকারের আগমন ঘটেছে। তারা ভারতের বদলে, চিন-পাকিস্তানের সঙ্গে সম্পর্ক জোরদার করতে বেশি আগ্রহী বলে মনে করছে নয়াদিল্লি। বিশেষ করে, বাংলাদেশে এই মুহূর্তে ভারত-বিরোধী মনোভাব ক্রমে বাড়ছে। বাংলাদেশের এই সকল ঘটনাকে যথেষ্ট গুরুত্ব দিয়ে দেখছে ভারত। প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং, (Rajnath Singh) সেনাবাহিনীকে বাংলাদেশের পরিস্থিতি বিশ্লেষণ করার নির্দেশ দিয়েছেন। বাংলাদেশের উপর নজর রাখতে বলেছেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Champions Trophy: “ভারতীয় দলের পাকিস্তানে যাওয়া উচিত নয়”, বলছেন প্রাক্তন পাক ক্রিকেটারই!

    Champions Trophy: “ভারতীয় দলের পাকিস্তানে যাওয়া উচিত নয়”, বলছেন প্রাক্তন পাক ক্রিকেটারই!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২০২৫ সালে পাকিস্তানে হবে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি (Champions Trophy)। ভারত এই ট্রফিতে যোগ দেবে কিনা, তা নিয়ে তৈরি হয়েছে অনিশ্চয়তা। এমতাবস্থায় পাক ক্রিকেট বোর্ডকে হাইব্রিড মডেলে খেলার প্রস্তাব দিলেন পাকিস্তানেরই এক প্রাক্তন ক্রিকেটার (ExPakistan Star)। ২০১৩ সাল থেকে বন্ধ হয়েছে ভারত-পাকিস্তানের দেশের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক ক্রিকেট খেলা। তবে ২০২৩ সালের ওডিআই বিশ্বকাপ খেলতে ভারত সফরে এসেছিল পাকিস্তানের ক্রিকেট দল। তবে আগামী বছরের চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে ভারত যোগ দেবে কিনা, তা নিয়ে তৈরি হয়েছে অনিশ্চয়তা।

    হাইব্রিড মডেলের প্রস্তাব (Champions Trophy)

    ভারত যদি ওই ট্রফিতে যোগ দেয়, তবে তাদের খেলতে হবে লাহোরে। জায়গাটি সীমান্তের কাছাকাছি। জানা গিয়েছে, বর্তমান রাজনৈতিক উত্তেজনা এবং নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করে বিসিসিআই টিম ইন্ডিয়াকে পাকিস্তানে পাঠাতে রাজি নয়। তার বদলে গত বছর এশিয়া কাপে যে হাইব্রিড মডেল ব্যবহৃত হয়েছিল, তার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। এই মডেল অনুযায়ী, কিছু ম্যাচ পাকিস্তানে আয়োজন করা হবে। ভারতের ম্যাচগুলো হবে দুবাইয়ের মতো নিরপেক্ষ কোনও ভেন্যুতে। পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডকে এই প্রস্তাব দিয়েছেন সে দেশের স্পিনার দানিশ কানেরিয়া।

    পাকিস্তানের পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ

    পাকিস্তানের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন তিনি। তাঁর পরামর্শ মেনে নিলে পাকিস্তান সফরে না গিয়েও চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে অংশ নিতে পারবে টিম ইন্ডিয়া। পাক ক্রিকেট বোর্ডকে তিনি এই অনুরোধও করেছেন, যে কোনও সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত করার আগে সম্ভাব্য প্রভাব এবং আইসিসির সঙ্গে পরামর্শ করা উচিত। কানেরিয়া (Champions Trophy) বলেন, “পাকিস্তানের বর্তমান পরিস্থিতি বিবেচনা করে আমি বলতে পারি, ভারতীয় দলের পাকিস্তানে যাওয়া উচিত নয়। পাকিস্তানেরও উচিত বিষয়টি নিয়ে ভাবনাচিন্তা করা। তারপর আইসিসি সিদ্ধান্ত নেবে। সম্ভবত, এটি একটি হাইব্রিড মডেল হবে। খেলা (Champions Trophy) হবে দুবাইতে।” তিনি বলেন, “খেলোয়াড়দের নিরাপত্তাকে অগ্রাধিকার দিতে হবে। দ্বিতীয় অগ্রাধিকারের তালিকায় রয়েছে সম্মান। এছাড়া আরও অনেক কিছু রয়েছে। আমি মনে করি, বিসিসিআই একটি দুর্দান্ত কাজ করছে। সব দেশ মিলেই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে বলেই মনে হয়। আমার মনে হয়, এটা একটা হাইব্রিড মডেল হবে।”

    আরও পড়ুন: হিন্দু-নির্যাতনের নয়া ভিডিও ভাইরাল, মৌলবীর কীর্তিতে অবাক দুনিয়া

    প্রসঙ্গত, বর্তমানে টিম ইন্ডিয়ায় যাঁরা রয়েছেন, তাঁদের কেউই পাকিস্তানে খেলেননি। তবে ওয়ানাডে দলে থাকা বিরাট কোহলি, রোহিত শর্মা এবং রবীন্দ্র জাদেজা পাকিস্তানের (ExPakistan Star) বিরুদ্ধে খেলেছিলেন ২০১২-১৩ সালে (Champions Trophy)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • S Jaishankar: “পাকিস্তানের সঙ্গে নিরবচ্ছিন্ন আলোচনার যুগ শেষ”, সোজাসাপটা জয়শঙ্কর

    S Jaishankar: “পাকিস্তানের সঙ্গে নিরবচ্ছিন্ন আলোচনার যুগ শেষ”, সোজাসাপটা জয়শঙ্কর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “পাকিস্তানের (Pakistan) সঙ্গে নিরবচ্ছিন্ন আলোচনার যুগ শেষ।” পাকিস্তানের প্রতি ভারতের বর্তমান অবস্থান বোঝাতে গিয়ে এ কথাই বললেন বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর (S Jaishankar)। তিনি বলেন, “কর্মের ফল ভোগ করতে হবে।” পাকিস্তান স্পনসর্ড সন্ত্রাসবাদের প্রতি ইঙ্গিত করে নয়াদিল্লির অবস্থান ফের স্পষ্ট করে দিলেন তিনি। বললেন, “সন্ত্রাস এবং আলোচনা এক সঙ্গে চলতে পারে না।”

    কী বললেন জয়শঙ্কর? (S Jaishankar)

    এর পরেই ভারতের বিদেশমন্ত্রী বলেন, “পাকিস্তানের সঙ্গে নিরবচ্ছিন্ন আলোচনার যুগ শেষ। কর্মের ফল আছে।” শুক্রবার দিল্লিতে একটি বই প্রকাশ অনুষ্ঠানে যোগ দিতে গিয়ে পাকিস্তান সম্পর্কে ভারতের অবস্থান ব্যাখ্যা করলেন বিদেশমন্ত্রী। এই অনুষ্ঠানেই তিনি বলেন, “যেহেতু জম্মু-কাশ্মীর এর সঙ্গে সম্পৃক্ত, তাই বাতিল করা হয়েছে ৩৭০ ধারা। তাই এখন ইস্যু হল, আমরা পাকিস্তানের সঙ্গে কীরকম সম্পর্ক স্থাপন করব।” সন্ত্রাসবাদ এবং আলোচনা যে এক সঙ্গে চলতে পারে না, এবং ভারত যে এর সঙ্গে কোনও কম্প্রোমাইজ করবে না, তা-ও স্পষ্ট করে দেন ভারতের বিদেশমন্ত্রী (S Jaishankar)। 

    সন্ত্রাসের সঙ্গে আপোস নয়

    একইভাবে, পাকিস্তানের সঙ্গে ডিল করার ক্ষেত্রে ভারত যে নিষ্ক্রিয় হয়ে বসে থাকবে না, এদিন তাও স্পষ্ট করে দিয়েছেন জয়শঙ্কর। বলেন, “আমি আপনাদের এটা বলতে চাই যে, আমরা নিষ্ক্রিয় নই। ইতিবাচক বা নেতিবাচক, ঘটনাপ্রবাহ যেদিকেই গড়াক না কেন, আমরা প্রতিক্রিয়া দেব।” এর আগে ভারতের বিদেশমন্ত্রী (S Jaishankar) বলেছিলেন, “পাকিস্তানের সঙ্গে সম্পর্ক উন্নত করার প্রচেষ্টায় কেন্দ্র সন্ত্রাসবাদকে উপেক্ষা করতে পারে না।” তিনি বলেন, “পাকিস্তানে সন্ত্রাসবাদ শিল্পের পর্যায়ে চলে গিয়েছে।” ভারত আর এসব সহ্য করবে না বলেও জানান তিনি। ভারতের বিদেশমন্ত্রী বলেন, “পাকিস্তানের কৌশল হল ভারতকে আলোচনার টেবিলে আনতে গেলে হাতিয়ার করতে হবে আন্তঃসীমান্ত সন্ত্রাসকে। কিন্তু ভারত এই শর্তে রাজি নয়। ভারত ওই নীতিকে বর্তমানে বাতিল করে দিয়েছে।”

    আরও পড়ুন: পাকিস্তানে এসসিও সম্মেলন, মোদিকে আমন্ত্রণ শরিফের, যোগ দেবেন কি প্রধানমন্ত্রী?

    এই অনুষ্ঠানেই বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ক নিয়েও মুখ খুলেছেন জয়শঙ্কর। বলেন, “বর্তমানে সে দেশে যে সরকার রয়েছে, আমরা তার সঙ্গেই ডিল করব।” দুই পড়শি দেশের মধ্যে পারস্পরিক সমঝোতা ও সহযোগিতার ওপরও জোর দেন তিনি। বলেন, “প্রতিবেশীরা সব সময়ই প্রহেলিকা। আমায় এমন একটা দেশের উদাহরণ আপনারা (Pakistan) দিতে পারেন, যেখানে দুই পড়শি দেশের মধ্যে চ্যালেঞ্জ নেই (S Jaishankar)?”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

  • PM Modi: পাকিস্তানে এসসিও সম্মেলন, মোদিকে আমন্ত্রণ শরিফের, যোগ দেবেন কি প্রধানমন্ত্রী?

    PM Modi: পাকিস্তানে এসসিও সম্মেলন, মোদিকে আমন্ত্রণ শরিফের, যোগ দেবেন কি প্রধানমন্ত্রী?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এবার কি তবে পাকিস্তান সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)? অন্তত এমনই জল্পনা দানা বেঁধেছে। কারণ ভারতের প্রধানমন্ত্রীকে সরকারিভাবে পাকিস্তানে যাওয়ার আমন্ত্রণ জানিয়েছে শেহবাজ শরিফের সরকার। জানা গিয়েছে, এ বছর সাংহাই কো-অপারেশন অর্গানাইজেশন (SCO) সম্মেলনের আয়োজক দেশ পাকিস্তান। সম্মেলন হবে অক্টোবরের মাঝামাঝি। এই সম্মেলনেই (SCO Summit) যোগ দেওয়ার জন্য ভারতের প্রধানমন্ত্রীকে আমন্ত্রণ জানিয়েছে পাকিস্তানের সরকার।

    কী বলছে পাকিস্তান? (PM Modi)

    পাকিস্তানের বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র মুমতাজ জাহরা বালোচ বলেন, “এসসিও সম্মেলনে যোগ দিতে সব সদস্য দেশের সরকারকেই আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকেও। ইসলামাবাদে এসসিও-র সদস্য দেশগুলোর সরকারের প্রধানদের নিয়ে কাউন্সিল অফ হেডস অফ গভর্নমেন্টের বৈঠক হবে।” এসসিও সম্মেলনে যে ভারতের প্রধানমন্ত্রীকে আমন্ত্রণ জানানো হবে, দিন দুই আগেই তা জানিয়েছিলেন পাকিস্তানের প্রতিরক্ষা মন্ত্রী খোয়াজা আসিফ। তিনি বলেছিলেন, “পাকিস্তান অবশ্যই এই আঞ্চলিক বৈঠকে (ভারতের) প্রধানমন্ত্রীকে (PM Modi) আমন্ত্রণ জানাবে।” অক্টোবরের ১৫ ও ১৬ এই দুদিন ধরে সম্মেলন হবে ইসলামাবাদে।

    কী বলছে ভারত?

    গত বছর এসসিও সম্মেলনের আয়োজক দেশ ছিল ভারত। সম্মেলন হয় জুলাই মাসে। সেবার ভারত আমন্ত্রণ জানিয়েছিল পাকিস্তানকে। তার আগে মে মাসে গোয়ায় বৈঠকে বসেন এসসিও-র সদস্য রাষ্ট্রগুলির বিদেশমন্ত্রীরা। এই বৈঠকে যোগ দিতে ভারতে এসেছিলেন পাকিস্তানের তৎকালীন বিদেশমন্ত্রী বিলওয়াল জারদারি ভুট্টো। ভুট্টো এলেও, এসসিও-র মূল সম্মেলনে আসেননি পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী। এখন ভারতের প্রধানমন্ত্রী পাকিস্তানে যান কিনা, সেটাই দেখার। যদিও বিদেশমন্ত্রকের তরফে জারি করা বিবৃতিতে বলা হয়েছে, বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমে একটি খবর ঘুরে বেড়াচ্ছে, ‘পাকিস্তানে এসসিও-র বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী যোগ দেবেন না। বা বিদেশমন্ত্রক পাকিস্তানে এই এসসিও বৈঠকে যাবে। স্পষ্ট করে দেওয়া ভালো যে, বিদেশমন্ত্রক এ বিষয়ে কোনও মন্তব্য করেনি। এই জাতীয় খবরগুলো উপেক্ষা করা উচিত।’

    আরও পড়ুন: নবান্ন অভিযান-বন‍্ধে পুলিশি অত্যাচার, পুলিশকে নোটিশ মানবাধিকার কমিশনের

    প্রসঙ্গত, ২০০১ সালের ১৫ জুন প্রাণপ্রতিষ্ঠা হয় এসসিও-র। প্রথমে সদস্য দেশ ছিল পাঁচটি। বর্তমানে সদস্য দেশ ৯টি। এগুলি হল, ভারত, পাকিস্তান, উজবেকিস্তান, তাজিকিস্তান, কাজাখস্তান, কিরগিজস্তান, চিন, রাশিয়া এবং ইরান। ফি বছর একটি করে (PM Modi) দেশ আয়োজন করে সম্মেলনের (SCO Summit)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Pakistan: বাস থেকে যাত্রীদের নামিয়ে দাঁড় করিয়ে গুলি, পাকিস্তানে নিহত ২৩

    Pakistan: বাস থেকে যাত্রীদের নামিয়ে দাঁড় করিয়ে গুলি, পাকিস্তানে নিহত ২৩

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দিনের বেলায় জাতীয় সড়কের ওপর সন্ত্রাসবাদীদের অতর্কিত হামলা। ট্রাক ও বাস (Bus Attack) থেকে যাত্রী নামিয়ে পরিচয় যাচাই করে পরপর গুলি করে ২৩ জনকে খুন করা হল পাকিস্তানে (Pakistan)। সোমবার সকালে বালুচিস্তান প্রদেশের মুসাখাইল জেলায় এ ঘটনা ঘটে। প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ এই হামলার নিন্দা করে গভীর দুঃখ প্রকাশ করেছেন। এই অঞ্চলে হিংসা মোকাবিলার অঙ্গীকার করেছেন তিনি।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Pakistan)

    পাকিস্তানের (Pakistan) সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানা গিয়েছে, বালুচিস্তানের মুসাখেলে রারাশামের কাছে আগে থেকেই হাইওয়ে আটকে দাঁড়িয়েছিল জঙ্গিরা। এই পথে আসা সমস্ত বাস ও ট্রাক থেকে যাত্রীদের নামতে বাধ্য করে তারা। এরপর এক এক করে সকলের পরিচয়পত্র খতিয়ে দেখে বেছে বেছে ২৩ জন যাত্রীকে গুলি করে মারা হয়। নিহতেরা সকলেই পাকিস্তানের পাঞ্জাব প্রদেশের বাসিন্দা। এর পর আগুন লাগিয়ে দেওয়া হয় বাস ও ট্রাকগুলিতে। জ্বালিয়ে দেওয়া হয়েছে কমপক্ষে ১০টি গাড়ি। বালুচ লিবারেশন আর্মি (বিএলএ) এর দায় স্বীকার করেছে। তাদের দাবি, নিহতরা সাধারণ পোশাকে সামরিক কর্মী ছিল। নিহতদের মধ্যে অধিকাংশই পাঞ্জাবি শ্রমিক এবং দুই আধাসামরিক বাহিনীর সদস্য রয়েছেন। সহকারি কমিশনার মুসাখাইল নজিব কাকারের বলেন, সশস্ত্র দুষ্কৃতীরা মুসাখেলের রারাশাম জেলার হাইওয়ে অবরোধ করে। বাস থেকে যাত্রীদের নামিয়ে দেয়। ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যাওয়ার আগে দুষ্কৃতীরা ১০টি গাড়িতে আগুনও দেয়।

    আরও পড়ুন: বঙ্গোপসাগরে ক্রমশ ঘনাচ্ছে নিম্নচাপ, জন্মাষ্টমীতে ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস দক্ষিণবঙ্গে

    আগেও হামলা!

    বালুচিস্তানের (Pakistan) বিচ্ছিন্নতাবাদীরা প্রায়ই পাকিস্তানের পূর্ব পাঞ্জাব অঞ্চলের শ্রমিক ও অন্যদের দেশ ত্যাগ করতে বাধ্য করার প্ররোচণা দেয় দেয় বলে অভিযোগ। এদিনের এই হত্যালীলা তারই অংশ বলেই ধরা হচ্ছে। পাক পাঞ্জাবের মানুষদের লক্ষ্য করে একই ধরনের হামলা আগেও হয়েছে। প্রায় চার মাস আগে মুসাখেলে একই ধরনের হামলা হয়েছিল। এপ্রিলে নোশাকির কাছে ১১ জন পাঞ্জাবি শ্রমিককে হত্যা করা হয়েছিল। তার আগে, ২০২৩ সালের অক্টোবরে তুরবাতে ছয়জন পাঞ্জাবি শ্রমিককে হত্যা করা হয়েছিল। অভ্যন্তরীণ মন্ত্রী মহসিন নকভি এই হামলাকে “বর্বর” বলে অভিহিত করেছেন। যে বা যারা এর পিছনে রয়েছে, তাদের বিচার হবে বলে তিনি প্রতিশ্রুতি দেন। পাক তথ্যমন্ত্রী আতাউল্লাহ তারার সন্ত্রাসবাদীদের বর্বরতার তীব্র নিন্দা করেছেন। প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন অপরাধীদের সাজা হবেই।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Pakistan News: পাকিস্তানে পুলিশের কনভয়ে রকেট হামলা জঙ্গিদের, নিহত ১১, পণবন্দি বেশ কয়েকজন

    Pakistan News: পাকিস্তানে পুলিশের কনভয়ে রকেট হামলা জঙ্গিদের, নিহত ১১, পণবন্দি বেশ কয়েকজন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পাকিস্তানের (Pakistan News) পাঞ্জাব প্রদেশে পুলিশের গাড়ি লক্ষ্য করে জঙ্গিদের ছোড়া রকেটে অন্তত ১১ জনের মৃত্যু হয়েছে (Terrorist Attack)। আরও, ৭ জন গুরুতর অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি বলে জানা গিয়েছে। এই হামলার ঘটনায় স্থানীয় দুষ্কৃতীদের হাত রয়েছে বলে মনে করছে পাক প্রশাসন। লাহোর থেকে ৪০০ কিমি দূরে এই ঘটনা ঘটেছে। পাকিস্তান প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ হামলার তীব্র নিন্দা করেছেন। কড়া হাতে দুষ্কৃতীদের দমন করার ইঙ্গিতও দিয়েছেন তিনি।

    এখনও বেশি কিছু পুলিশকর্মী পণবন্দি (Pakistan News)!

    পাকিস্তানের সংবাদপত্র ‘ডন’-এর একটি প্রতিবেদন সূত্রে জানা গিয়েছে, বৃহস্পতিবার পাঞ্জাব প্রদেশের মচকা এলাকায় তল্লাশি অভিযানে বের হয়েছিল পুলিশের একটি কনভয়। কনভয়ে থাকা দুটি পুলিশভ্যান রহিম ইয়ার খান জেলা থেকে ফিরছিল। কিন্তু সেগুলি কাদায় আটকে খারাপ হয়ে যাওয়ায় রাস্তায় দাঁড়িয়ে পড়েছিল। সেই সময় আচমকা রকেট হামলার শিকার হয় (Terrorist Attack)। কয়েকজন পুলিশকর্মী ঘটনাস্থলেই মারা যান। আরও বেশ কয়েকজনকে পুলিশকে পণবন্দি করা হয় বলে জানা যায় (Pakistan News)। পাক পাঞ্জাব পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, হতাহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে। তবে হামলা চালিয়েই পালিয়ে যায় দুষ্কৃতীরা। পুলিশের আইজি উসমান আনারওয়ারাকে ঘটনাস্থলে যাওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন পাঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রী মরিয়ম। একই সঙ্গে অপহৃত পুলিশকর্মীদেরন মুক্তির বিষয়টি সুনিশ্চিত করার নির্দেশ দিয়েছেন।

    আরও পড়ুনঃ ‘‘যুদ্ধে কোনও সমস্যার উত্তর মেলে না’’, ইউক্রেন সফরের আগেই বার্তা মোদির

    ডাকাতি এবং লুটপাটের ঘটনা মাঝে মাঝেই ঘটে

    উল্লেখ্য, পাকিস্তানের (Pakistan News) পূর্ব পাঞ্জাব, দক্ষিণ সিন্ধু অঞ্চল এবং পাখতুনখোয়া প্রদেশে দুষ্কৃতী ও  জঙ্গিদের ব্যাপক বাড়বাড়ন্ত। এই দুষ্কৃতীরা জঙ্গলে আত্মগোপন করে থাকে বলে জানা গিয়েছে। তবে প্রশাসনের তেমন কোনও মাথাব্যথা নেই বলে অভিযোগ। এই এলাকায় ডাকাতি এবং লুটপাটের ঘটনা মাঝে মাঝেই ঘটে থাকে। একই ভাবে এই এলাকায় ওই দেশের সেনাবাহিনীর ওপর একাধিক হামলার ঘটনা আগেও ঘটেছিল। তবে একসঙ্গে এত পুলিশের মৃত্যু এই প্রথম ঘটেছে (Terrorist Attack)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Jana Gana Mana: ব্রিটিশ-ভূমে ভারতের জাতীয় সঙ্গীত গাইলেন পাকিস্তানিরাও!

    Jana Gana Mana: ব্রিটিশ-ভূমে ভারতের জাতীয় সঙ্গীত গাইলেন পাকিস্তানিরাও!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ১৫ অগাস্ট, বৃহস্পতিবার। ব্রিটেনের রাস্তায় দাঁড়িয়ে জাতীয় সঙ্গীত জন-গণ-মন (Jana Gana Mana) গাইছেন এক দল ভারতীয়। তাঁদের সঙ্গে যোগ দিয়েছেন কয়েকজন পাকিস্তানিও (Pakistanis)। ভারতের জাতীয় সঙ্গীত গাইছেন তাঁরাও। এঁদের মধ্যে কয়েকজনের হাতে ধরা পাকিস্তানের জাতীয় পতাকা। ভাইরাল ভিডিওয় শোরগোল।

    ভারতের স্বাধীনতা দিবস (Jana Gana Mana)

    বৃহস্পতিবারই স্বাধীনতার ৭৮তম বর্ষ উদযাপন করেছে ভারত। দেশজুড়ে ভারতবাসী কেমনভাবে স্বাধীনতা দিবস পালন করছে, সেই ছবি সম্বলিত নানা ভিডিও ছড়িয়ে পড়েছে সোশ্যাল মিডিয়ায়। এমনই একটা ভিডিওই নজর কেড়েছে সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারীদের। ভাইরাল হওয়া ভিডিওয় দেখা যাচ্ছে, স্বাধীনতা দিবসে ব্রিটেনের পিকাডেলি সার্কাস এলাকায় জড়ো হয়েছেন অনেক ভারতীয়। স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে তাঁরা গাইছেন জন-গণ-মন। এই অনুষ্ঠানেই পাকিস্তানের জাতীয় পতাকা হাতে যোগ দিয়েছেন কয়েকজন। জাতীয় পতাকা ছাড়াও যোগ দিয়েছেন আরও কয়েকজন পাকিস্তানি। জন-গণ-মন-র সঙ্গে গলা মিলিয়েছেন তাঁরাও। ভারতীয়দের মতোই মাথা নিচু করে ভারতের জাতীয় সঙ্গীত গাইছেন তাঁরা (Jana Gana Mana)।

     
     
     
     
     
    View this post on Instagram
     
     
     
     
     
     
     
     
     
     
     

    A post shared by Farid Qureshi (@faridqureshi_uk)

    কী বললেন পাক সাংবাদিক

    পাকিস্তানের একটি সংবাদ মাধ্যমের এক সাংবাদিক ইনস্টাগ্রামে ভিডিওটি পোস্ট করে লিখেছেন, “ব্রিটেন আলাদা করেছিল। আবার ব্রিটেনেই তাঁরা একত্রিত হয়েছেন।” ফরিদ কুরেশি নামের ওই সাংবাদিক আরও লিখেছেন, “পাকিস্তানি ও ভারতীয়রা এক সঙ্গে স্বাধীনতা দিবস উদযাপন করছে। এই ভিডিওয় শ্রোতারা ভারতের জাতীয় সঙ্গীতের প্রতি সম্মান প্রদর্শন করছেন। আগের ভিডিওটি পিকাডলি সার্কাসে পাকিস্তানি ও ভারতীয় উভয় সম্প্রদায়কেই সমানভাবে পাকিস্তানের জাতীয় সঙ্গীতকে সম্মান করার। এর কৃতিত্ব গায়ক আমির হাশমির।”

    ইতিমধ্যেই ভিডিওটি দেখে ফেলেছেন তিন লাখেরও বেশি মানুষ। একজন সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারী লিখেছেন, “শিক্ষিত মানুষরা এমনটাই করেন।”

    ১৯৪৭ সালে স্বাধীন হয় ভারত ও পাকিস্তান। ব্রিটিশ শাসন থেকে একই সঙ্গে মুক্তি পেলেও, পাকিস্তান স্বাধীনতা দিবস উদযাপন করে ১৪ অগাস্ট, ভারতের স্বাধীনতা দিবসের একদিন আগে (Pakistanis)। ভারতের জাতীয় সঙ্গীত জন-গণ-মন। কবিগুরু রচিত সেই সঙ্গীতই গাইলেন পাকিস্তানিরাও (Jana Gana Mana)।

     

      

LinkedIn
Share