Tag: pakistan

pakistan

  • Expensive City: বিশ্বের সবচেয়ে দামি শহর হংকং, সব থেকে সস্তা ইসলামাবাদ, কলকাতা কত নম্বরে?

    Expensive City: বিশ্বের সবচেয়ে দামি শহর হংকং, সব থেকে সস্তা ইসলামাবাদ, কলকাতা কত নম্বরে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: একটি আর্থিক সমীক্ষায় জানা গিয়েছে বিশ্বের সবচেয়ে দামি শহর (Expensive City) হল হংকং। সবচেয়ে সস্তার শহর হল পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদ। মোট ২২৬টি মহানগরীর জীবন ধারণের খরচের তুলনামূলক হিসেব তুলে ধরা হয়েছে এই রিপোর্টে। আবার ভারতের সব থেকে সস্তার শহর বলা হয়েছে কলকাতাকে (Kolkata)। সমীক্ষায় কী বলছে আসুন জেনে নিই।

    বিশ্বের কোন শহর কোথায় (Expensive City)?

    আর্থিক সমীক্ষা সংস্থা মারসর প্রকাশিত ‘কস্ট অব লিভিং সিটি র‍্যাঙ্কিং ২০২৪’ রিপোর্টে বলা হয়েছে, ২০০টি প্রয়োজনীয় পণ্যের দাম এবং চারটি আরও মাপকাঠির বিচারে সবথেকে বেশি খরচ করতে হয় চিনের হংকং শহরে। এরপর দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে দক্ষিণ—পূর্ব এশিয়ার সিঙ্গাপুর এবং তৃতীয় স্থানে রয়েছে ইউরোপের দেশ সুইৎজারল্যান্ডের জুরিখ। এরপর ক্রমে রয়েছে জেনেভা, বাসেল, বার্ন, নিউ ইয়র্ক, লন্ডন, বাহামাসের নাসাউ এবং লস অ্যাঞ্জেলেস। খরচের তুলনামূলক পরিসংখ্যান তুলে ধরে রিপোর্টে জানা গিয়েছে বিশ্বের সব থেকে সস্তার শহর ইসলামাবাদ। তার উপরে রয়েছে আফ্রিকার দেশ নাইজিরিয়ার দুটি শহর লাগোস এবং আবুজা। পাকিস্তানের বেহাল আর্থিক পরিস্থিতির জন্য এই অবস্থা এসে দাঁড়িয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে।

    আরও পড়ুনঃ বাজেটের প্রশংসায় পঞ্চমুখ মোদি, ভাষণে নিলেন যাদের নাম

    কলকাতা শহর ২০৭ নম্বরে

    আবার ‘কস্ট অব লিভিং সিটি র‍্যাঙ্কিং ২০২৪’ অনুযায়ী ভারতের সবচেয়ে দামি শহর (Expensive City) মুম্বই। এই শহর হল ভারতের আর্থিক রাজধানী। বিশ্বের মোট ২২৬টি শহরের তালিকায় মহারাষ্ট্রের রাজধানীর স্থান রয়েছে ১৩৬ নম্বরে। তারপরে দেশের রাজধানী দিল্লি ১৬৫ নম্বর স্থানে। এছাড়াও, চেন্নাই শহর রয়েছে ১৮৯ নম্বরে, বেঙ্গালুরু রয়েছে ১৯৫ নম্বরে, হায়দরাবাদ রয়েছে ২০২ নম্বরে এবং পুণের স্থান ২০৫ নম্বরে। তালিকায় ভারতের মধ্যে সবচেয়ে কম খরচের শহর হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে কলকাতাকে (Kolkata)। বিশ্বের ২২৬টি শহরের মধ্যে পশ্চিমবঙ্গের এই রাজধানীর স্থান রয়েছে ২০৭ নম্বরে। তবে এই মান বিচার করা হয়েছে শহরের আবাসন, পরিবহণ, খাদ্য, পোশাক এবং বিনোদনকে মাথায় রেখে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Jammu And Kashmir: ভূস্বর্গে ঢুকেছে পাক জঙ্গি, ব্যবস্থা নিতে মোতায়েন ৫০০ কমান্ডো

    Jammu And Kashmir: ভূস্বর্গে ঢুকেছে পাক জঙ্গি, ব্যবস্থা নিতে মোতায়েন ৫০০ কমান্ডো

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জম্মু-কাশ্মীরে (Jammu And Kashmir) অনুপ্রবেশ করেছে প্রশিক্ষিত পাকিস্তানি জঙ্গি। সেই কারণেই আরও আঁটসাঁট করা হল ভূস্বর্গের নিরাপত্তা ব্যবস্থা। প্রতিরক্ষা মন্ত্রক সূত্রে খবর (Indian Army), প্রায় ৫০০ প্যারা স্পেশাল ফোর্স কমান্ডো মোতায়েন করা হয়েছে। জানা গিয়েছে, সম্প্রতি পাকিস্তান থেকে ভারতে অনুপ্রবেশ করেছে ৫০ থেকে ৫৫ জন প্রশিক্ষিত জঙ্গি। এলাকায় অশান্তির ছক কষেছে তারা। এদেরই দমন করতে মোতায়েন করা হচ্ছে ওই কমান্ডোদের।

    গোয়েন্দা তৎপরতা তুঙ্গে (Jammu And Kashmir)

    অভিযান চালানোর আগে জঙ্গিদের অবস্থান সম্পর্কে জানতে তথ্য সংগ্রহ করছেন গোয়েন্দা দফতরের আধিকারিকরা। এই অঞ্চলে বাড়ানো হয়েছে গোয়েন্দাদের তৎপরতাও। এই জঙ্গিদের কারা সাহায্য করছে, কোথা থেকেই বা রসদ জোগাড় করছে, সেসবও জানার চেষ্টা করছেন গোয়েন্দারা। ভারতীয় সেনার তরফে টহলদারির জন্য অতিরিক্ত বাহিনীও মোতায়েন করা হয়েছে। এই বাহিনীতে রয়েছেন সাড়ে ৩ থেকে ৪ হাজার দক্ষ সেনা। জঙ্গি দমনের ছকও কষে নিয়েছে নিরাপত্তা বাহিনী।

    জঙ্গি মোকাবিলায় গুচ্ছ ব্যবস্থা

    জানা গিয়েছে, অত্যাধুনিক অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত ও উন্নত কমিউনিকেশন ডিভাইস রয়েছে এই জঙ্গিদের হাতে। তাদের হাতে চলে এসেছে আফগানিস্তানে নেটো ও মার্কিন সেনার ফেলে যাওয়া অত্যাধুনিক সব অস্ত্র (Jammu And Kashmir)। জঙ্গিদের সেই অস্ত্রচালনার প্রশিক্ষণ দিচ্ছেন পাকিস্তানের প্রাক্তন সেনাকর্তারা। এদের মোকাবিলায় তাই মোতায়েন করা হয়েছে দক্ষ সেনা। এই এলাকায় সন্ত্রাস-বিরোধী পরিকাঠামোও সম্প্রতি গড়ে তুলেছে ভারতীয় সেনা। যাতে রয়েছে রাষ্ট্রীয় রাইফেলসের দুটি ব্যাটেলিয়ন – রোমিও এবং ডেল্টা ফোর্স। এর পাশাপাশি রয়েছে বিভিন্ন রেগুলার ইনফ্যান্ট্রি ডিভিশনও।

    আরও পড়ুন: ‘‘জনজাতিদের জমি ও অধিকার রক্ষা করবে বিজেপি’’, ঝাড়খণ্ডে বললেন অমিত শাহ

    জম্মু-কাশ্মীরে শুরু হয়েছে উন্নয়ন যজ্ঞ। জঙ্গি কার্যকলাপ ছড়িয়ে দিয়ে সেই উন্নয়ন যজ্ঞই ব্যাহত করতে চাইছে পাকিস্তান। আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশেষজ্ঞদের মতে, সেই কারণেই ভারতে জঙ্গি ঢুকিয়ে অশান্তি জিইয়ে রাখতে চায় পাক সরকার। এতে লাভ হয় দু’দিক থেকে। এক, ‘হা-ভাতে’র দেশ পাকিস্তানে অনায়াসেই মেলে জঙ্গি হওয়ার জন্য তাজা রক্ত। আর দুই, ‘যুদ্ধ যুদ্ধ খেলা’ চালিয়ে গেলে দেশে বয়ে যায় দেশপ্রেমের বন্যা। তখন আর অনাহার-অপুষ্টি নিয়ে (Indian Army) বিশেষ মাথা ঘামায় না কেউ। তাই ভূস্বর্গে (Jammu And Kashmir) নিরন্তর জ্বলতে থাকে অশান্তির গনগনে আগুন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Pakistan 2023 Census: পাকিস্তানে বাড়ল হিন্দু জনসংখ্যা, জানেন কত? 

    Pakistan 2023 Census: পাকিস্তানে বাড়ল হিন্দু জনসংখ্যা, জানেন কত? 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বহুদিন পর পাকিস্তানে (Pakistan 2023 Census) বাড়ল হিন্দু জনসংখ্যা। এছাড়াও শিখ, খ্রীষ্টানসহ অন্যান্য সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের জনসংখ্যাও বেড়েছে প্রতিবেশী দেশে। পাকিস্তান প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে গত ২০১৭ থেকে ২০২৩ সাল  এই ছয় বছরে পাকিস্তানে হিন্দু জনসংখ্যা ৩৫ লাখ থেকে বৃদ্ধি পেয়ে ৩৮ লাখ হয়েছে। হিন্দুরা (Hindus) সংখ্যায় বৃদ্ধি পেলেও শতাংশের হিসাবে ২০১৭-র তুলনায় ২০২৩-এ সামান্য হলেও কমেছে। ২০১৭-তে পাকিস্তানের মোট জনসংখ্যার ১.৭৩ শতাংশ ছিল হিন্দুরা। গত বছর তা কমে হয়েছে, ১.৬১ শতাংশ।

    বাড়ছে জনসংখ্যা (Pakistan 2023 Census)

    পাকিস্তানের জনসংখ্যা (Pakistan 2023 Census) এখন বেড়ে হয়েছে ২৪ কোটির সামান্য বেশি। পরিসংখ্যানবিদেরা বলেছেন, পড়শি এই দেশে জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার এখন ২.৫৫ শতাংশ, যা ভারত ও বাংলাদেশের থেকে অনেকটাই বেশি। পাকিস্তান জনসংখ্যা বৃদ্ধির হারে হ্রাস টানতে না পারলে ২০৫০ সালে দেশটির জনসংখ্যা দ্বিগুণ হয়ে যেতে পারে, অভিমত বিশেষজ্ঞদের। শতাংশের হারে জনসংখ্যা সামান্য কমেছে সংখ্যাগুরু মুসলিমরা। ২০১৭ সালে মুসলিমরা ছিল জনসংখ্যার ৯৬.৪৭ শতাংশ যা ২০২৩-এ কমে হয়েছে ৯৬.৩৫ শতাংশ। ওই দেশে হিন্দু ও খ্রিস্টান জনসংখ্যায় খুব ফারাক নেই। ২৬ লাখ থেকে বৃদ্ধি পেয়ে খ্রিস্টান জনসংখ্যা হয়েছে ৩৩ লাখ। তুলনায় শিখরা সংখ্যায় খুবই কম। মাত্র ১৫ হাজার ৯৯৮জন।

    আরও পড়ুন: বালিকা বধূ রূপা এখন ডাক্তার! মাত্র ৮ বছরে বিয়ে, দুই সন্তানের মা অবশেষে স্বপ্নপূরণ

    অভিযোগ খণ্ডনের চেষ্টা (Pakistan 2023 Census)

    দীর্ঘদিন ধরেই পাকিস্তানে (Pakistan 2023 Census) সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ওপর নির্যাতনের অভিযোগ তুলেছে ভারত। বিশেষ করে হিন্দুদের (Hindus) ওপর সেদেশে অত্যাচার নিয়ে আন্তর্জাতিকস্তরে সরব হয়েছে নয়াদিল্লি। একাধিক সংবাদমাধ্যমেও প্রতিবেশী দেশের হিন্দু সংখ্যালঘুদের ওপর অপহরণ ও ধর্মান্তকরণের একাধিক ঘটনা তুলে ধরা হয়েছে। কিন্তু এই নতুন পরিসংখ্যান সামনে আসায় সেদেশে মানবাধিকার ক্ষেত্রে নতুন আশার সঞ্চার হতে পারে বলে মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল। তাঁদের অনুমান, হিন্দুদের সংখ্যাবৃদ্ধির পরিসংখ্যান হাজির করে পাকিস্তান সরকার আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নিপীড়নের অভিযোগ খণ্ডন করার চেষ্টা করতে পারে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Jammu And Kashmir Clash: জঙ্গিদের অস্ত্র প্রশিক্ষণ দিচ্ছে পাকিস্তানের প্রাক্তন এসএসজি কমান্ডোরা!

    Jammu And Kashmir Clash: জঙ্গিদের অস্ত্র প্রশিক্ষণ দিচ্ছে পাকিস্তানের প্রাক্তন এসএসজি কমান্ডোরা!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতের ভূস্বর্গে অশান্তি জিইয়ে রাখতে চাইছে পাকিস্তান (Pakistan)! গোয়েন্দা রিপোর্টেই জানা গিয়েছে, পাক সেনার প্রাক্তন অফিসারদের মদতেই জম্মু-কাশ্মীরে (Jammu And Kashmir Clash) ঘটছে একের পর এক জঙ্গি হানার ঘটনা। পাকিস্তানের এলিট কমান্ডো বাহিনী স্পেশাল সার্ভিস গ্রুপের প্রাক্তন আধিকারিকরাই জঙ্গিদের শেখাচ্ছেন দূরপাল্লার এম৪ কার্বাইনের মতো অত্যাধুনিক আগ্নেয়াস্ত্র কীভাবে চালাতে হয়, কীভাবেই বা ব্যবহার করতে হয় বিস্ফোরক। সেনার ওপর চিনা স্টিল কোর বুলেট ব্যবহার করে কীভাবে গেরিলা হানা চালানো যায়, সেই কৌশলও শেখানো হচ্ছে জঙ্গিদের।

    মার্কিন সেনার ফেলে যাওয়া অস্ত্র (Jammu And Kashmir Clash)

    জানা গিয়েছে, ২০২১ সালে আফগানিস্তান ছেড়ে চলে যাওয়ার সময় প্রচুর অস্ত্র ফেলে যায় মার্কিন সেনা। নেটো এবং আমেরিকার সেনাদের ফেলে যাওয়া সেই আগ্নেয়াস্ত্রই হাতফের হয়ে চলে আসছে জম্মু-কাশ্মীরের জঙ্গিদের কাছে। প্রমাণ হিসেবে রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে চলতি জুলাই মাসেই জম্মু-কাশ্মীরের কাঠুয়ায় নিহত জঙ্গিদের কাছে মিলেছিল আমেরিকায় তৈরি এম৪ কার্বাইন। কেন্দ্রীয় একাধিক গোয়েন্দা সংস্থাও জানিয়েছিল, পুঞ্চ হামলায় ব্যবহৃত অস্ত্র ও রসদের জোগান দিয়েছিল পাক সেনা। তদন্তের পরে স্থানীয় প্রশাসনও জানিয়েছিল, ২০২১ সালে আমেরিকা যেসব বুলেট আফগানিস্তানে ফেলে গিয়েছিল, তারই কয়েকটা ব্যবহার করা হয়েছিল পুঞ্চ হামলার সময়।

    জঙ্গিদের প্রশিক্ষণ দিচ্ছেন পাকিস্তানের প্রাক্তন সেনাকর্তারা!

    এক নিরাপত্তা আধিকারিক জানান, ২০২১ সালে আফগানিস্তান থেকে পালানোর সময় মার্কিন সেনার ফেলে যাওয়া বিপুল অস্ত্রভান্ডারই এখন রয়েছে তালিবানের হাতে। তালিবানের সাহায্য নিয়ে সেই অস্ত্র ব্যবহার করে উপত্যকায় (Jammu And Kashmir Clash) অশান্তি জিইয়ে রাখতে চাইছে পাক জঙ্গিরা। অত্যাধুনিক এই সব অস্ত্র ব্যবহার কীভাবে করা হবে, কোন কৌশলে বধ করা যাবে শত্রুপক্ষকে, এসবেরই প্রশিক্ষণ দিচ্ছেন পাকিস্তানের প্রাক্তন সেনাকর্তারা।

    আরও পড়ুন: “সনাতন ধর্ম বিশ্বাস করে মানব কল্যাণে”, বললেন মোহন ভাগবত

    বিএসএফ সূত্রে খবর, ২০২১ সাল থেকে উপত্যকায় বেড়েছে একে সিরিজের রাইফেল, আইইডি-সহ অত্যাধুনিক অস্ত্র উদ্ধারের পরিমাণ। এগুলির বেশিরভাগই আফগানিস্তানে ফেলে যাওয়া নেটো ও মার্কিন সেনার অস্ত্র। উপত্যকায় অশান্তি সৃষ্টি করতে পাক জঙ্গিদের পাশাপাশি তালিবানদের এই অস্ত্র সরবরাহকারীদের ভূমিকা উদ্বেগ বাড়িয়েছে কেন্দ্রের। ভূস্বর্গে শান্তি ফেরাতে এবং উপত্যকাবাসীকে সুরক্ষা (Pakistan) দিতে বেশ কিছু বৈঠক করেছে নিরাপত্তা বাহিনী। বাড়ানো হয়েছে টহলদারিও (Jammu And Kashmir Clash)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Champions Trophy: চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি খেলতে পাকিস্তানে দল পাঠাতে নারাজ বিসিসিআই! পেল ২ সমর্থকও

    Champions Trophy: চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি খেলতে পাকিস্তানে দল পাঠাতে নারাজ বিসিসিআই! পেল ২ সমর্থকও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি নিয়ে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড এখন বিসিসিআই ও আইসিসি-র সঙ্গে লড়াইয়ে নেমেছে। কারণ ২০২৫ সালের চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি (Champions Trophy) খেলতে পাকিস্তানে দল পাঠাতে নারাজ বিসিসিআই। আর ভারতীয় দল (India) পাক মুলুকে খেলতে না গেলে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি সরতে পারে পাকিস্তান থেকে। আগামী বছর ১৯ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হচ্ছে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি। ৫ মার্চ পর্যন্ত চলবে টুর্নামেন্ট। ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ হওয়ার কথা ১ মার্চ। ইতিমধ্যেই পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডও ক্রীড়াসূচির খসড়া আইসিসি-কে পাঠিয়ে দিয়েছে বলে সূত্রের খবর। 
    আইসিসি-র এই প্রতিযোগিতাটি পাকিস্তানে হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু সে দেশে গিয়ে খেলতে রাজি না-ও হতে পারে ভারত। গত বছর এশিয়া কাপ খেলতে পাকিস্তানে যায়নি তারা। ফলে আগামী বছর চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি (Champions Trophy) খেলতে যেতে রাজি হবে বলেও মনে করা হচ্ছে না। ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড আগেই জানিয়েছিল কেন্দ্রীয় সরকার অনুমতি দিলে তবেই পাকিস্তানে পাঠানো হবে রোহিত শর্মাদের। 

    কোথায় হতে পারে টুর্নামেন্ট? (Champions Trophy)

    জানা গিয়েছে, ভারতীয় দল পাক মুলুকে খেলতে না গেলে পাকিস্তান থেকে সরিয়ে শ্রীলঙ্কা বা দুবাইয়ে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি আয়োজন করা হতে পারে। ভেতরের খবর অনুযায়ী, ইংল্যান্ড ও অস্ট্রেলিয়াও ভারতীয় ক্রিকেট কন্ট্রোল বোর্ডকে সমর্থন করবে। তারাও পাকিস্তানে যেতে আপত্তি জানিয়েছে। 
    উল্লেখ্য, ৮ বছর পরে ক্রিকেট ক্যালেন্ডারে প্রত্যাবর্তন হচ্ছে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির। ভারতীয় দল পাকিস্তানে খেলতে যাবে, এমনটা ধরে নিয়েই সূচি তৈরি করেছিল পিসিবি। নিরাপত্তার কারণে একটি মাত্র মাঠেই ভারতের ম্যাচ আয়োজন করার কথা ভাবা হয়েছিল। সেই অনুযায়ী লাহোরের গদ্দাফি স্টেডিয়ামে সব ম্যাচ খেলার কথা ছিল মেন ইন ব্লু’র। কিন্তু ভারত আপত্তি  জানানোয় এখন এই ম্যাচ (Champions Trophy) কোথায় অনুষ্ঠিত হবে সেটাই দেখার। 

    আরও পড়ুন: বিমানবন্দরে ফিরল পুরনো স্মৃতি, যাত্রীরা পেলেন হাতে লেখা বোর্ডিং পাস

    ভারতের ওয়ানডে দলে অনিশ্চিত হার্দিক পান্ড্য

    অন্যদিকে জানা গিয়েছে, ২০২৫ সালের চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির জন্য ভারতীয় ক্রিকেট দলের (India) ওডিআই স্কোয়াডের জন্য নিশ্চিত নয় হার্দিক পান্ড্য। রিপোর্টে বলা হয়েছে যে, যার বারবার খেলার মাঠে আহত হওয়ার ইতিহাস রয়েছে, তাকে আগে ঘরোয়া সার্কিটে নিজেকে প্রমাণ করতে হবে। ম্যানেজমেন্ট তার অন্তর্ভুক্তির বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে তাঁকে আরও ভালো করে যাচাই করে নিতে চায়। ভারতীয় টিম ম্যানেজমেন্ট চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে (Champions Trophy) অলরাউন্ডারদের ক্ষেত্রে প্রাথমিক বাছাই-এ ওয়াশিংটন সুন্দর এবং অক্ষর প্যাটেলকে অগ্রাধিকার দিতে পারে বলে এমনটাই খবর মিলেছে। 

     

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • PTI Banned In Pakistan: নিষিদ্ধ করা হবে ইমরানের দলকে, ঘোষণা পাক সরকারের, অথঃ কিম?

    PTI Banned In Pakistan: নিষিদ্ধ করা হবে ইমরানের দলকে, ঘোষণা পাক সরকারের, অথঃ কিম?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পাকিস্তানে নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হতে পারে প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের পার্টি পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফকে (PTI Banned In Pakistan)। যার জেরে আরও গাড্ডায় পড়বেন পাকিস্তানের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান। বছর একাত্তরের ইমরান পিটিআই গঠন করেছিলেন ১৯৯৬ সালে। ২০১৮ সালে পাকিস্তানের (Shahbaz Government) মসনদে বসে পিটিআই সরকার, যার নেতৃত্ব দেন ক্রিকেটার-রাজনীতিক ইমরান স্বয়ং।

    ইমরানের দলের বিরুদ্ধে অভিযোগ (PTI Banned In Pakistan)

    ইমরানের সরকারের বিরুদ্ধে আনা অনাস্থা প্রস্তাবে হারের জেরে প্রধানমন্ত্রীর কুর্সি খোয়াতে হয় ইমরানকে। ২০২২ সালের এপ্রিল মাসে পতন ঘটে ইমরান সরকারের। তার পরেই তাঁর বিরুদ্ধে দায়ের হয় একাধিক মামলা। যার জেরে এখনও বন্দিদশা কাটাচ্ছেন পাকিস্তানের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী। বর্তমানে তিনি রয়েছেন রাওয়ালপিন্ডি কারাগারে। ইমরানের দলকে যে নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হতে পারে, তার আঁচ মিলেছিল গত বছরই, মে মাসে। সেই সময়ই পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী খাজা আশিস জানিয়েছিলেন, পাক সরকার ইমরানের পার্টি তেহরিক-ই-ইনসাফকে নিষিদ্ধ করার কথা ভাবনাচিন্তা করছে। তিনি এ-ও বলেছিলেন, ৯ই মে (২০২৩) পিটিআই সমর্থকরা দেশে যে ধ্বংসযজ্ঞ চালিয়েছে, তারপর তাদের রাজনৈতিক দলের স্বীকৃতি থাকতে পারে না।

    কেন নিষিদ্ধ করা হবে পিটিআইকে?

    পিটিআইকে নিষিদ্ধ ঘোষণার (PTI Banned In Pakistan) সিদ্ধান্ত প্রসঙ্গে পাকিস্তানের তথ্য বিষয়ক মন্ত্রী আতাউল্লাহ তারার জানান, গত মে মাসের ওই ঘটনায়  প্রাক্তন ক্ষমতাসীন দলের জড়িত থাকার অভিযোগ এবং আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের সঙ্গে পাকিস্তানের চুক্তিতে অন্তরায় হয়ে দাঁড়ানোয় পিটিআইয়ের প্রাক্তন বা বর্তমান নেতাদের প্রচেষ্টার প্রেক্ষিতে এই দলকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে। পাকিস্তানের অর্থনীতির হাঁড়ির হাল। এহেন আবহে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে হাত পেতেছে শাহবাজ খানের সরকার। তারপরেও সাহায্য মেলেনি।

    আরও পড়ুন: বাড়িতে তৃণমূলের ঝান্ডা পুঁতে বিজেপি কর্মীদের সামাজিক বয়কটের ডাক! শোরগোল

    পরিস্থিতি সামাল দিতে ফের একবার আন্তর্জাতিক মুদ্রা ভান্ডারের সঙ্গে চুক্তি করতে চলেছে পাকিস্তানের সরকার। সেই প্রক্রিয়ায় পিটিআই নেতারা বাগড়া দিচ্ছে বলে অভিযোগ। তার জেরেই ইমরানের দলকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হতে পারে বলে ধারণা পাক রাজনৈতিক মহলের। তারার জানান, ফেডারেল গভর্নমেন্ট পিটিআইকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করার বিষয়টি সুপ্রিম কোর্টে জানাবে।প্রসঙ্গত, এই মুহূর্তে পাকিস্তানের ন্যাশনাল অ্যাসেম্বলিতে সবচেয়ে বড় দল ইমরানের পার্টি তেহরিক-ই-ইনসাফই। পাক সুপ্রিম কোর্টেরও সাম্প্রতিক (Shahbaz Government) একাধিক নির্দেশ গিয়েছে পিটিআইয়ের (PTI Banned In Pakistan) ফেভারে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

     

  • Team India: পাকিস্তানকে পিছনে ফেলে শীর্ষে ভারত! জিম্বাবোয়েকে ৪-১ সিরিজ হারিয়ে রেকর্ড গিলদের

    Team India: পাকিস্তানকে পিছনে ফেলে শীর্ষে ভারত! জিম্বাবোয়েকে ৪-১ সিরিজ হারিয়ে রেকর্ড গিলদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিদেশের মাটিতে আয়োজক দেশের বিরুদ্ধে সর্বাধিক টি-টোয়েন্টি ম্যাচ জয়ের নজির গড়ল ভারত (Team India)। এক্ষেত্রে পাকিস্তানকে পিছনে ফেলে শীর্ষস্থান দখল করল টিম ইন্ডিয়া। জিম্বাবোয়ের (India vs Zimbabwe) বিপক্ষে পাঁচ ম্যাচের সিরিজ আগেই জিতে নিয়েছিল ভারত। রবিবারের জিম্বাবোয়ের বিরুদ্ধে ম্যাচটা ছিল ভারতের কাছে নিয়মরক্ষার। সেই নিয়মরক্ষার ম্যাচেও ভারত শেষ হাসি হাসল। জিম্বাবোয়েকে হারাল ৪২ রানে। 

    ভারতের নজির (Team India)

    এতদিন বিদেশে, আয়োজক দেশের বিপক্ষে সবচেয়ে বেশি টি-টোয়েন্টি জয়ের নজির ছিল পাকিস্তানের। ৫০টি ম্যাচ জিতেছিল প্রতিবেশীরা। কিন্তু জিম্বাবোয়ে সফরে ৪টি টি-টোয়েন্টি ম্যাচ জিতে এক্ষেত্রে ৫১টি ম্যাচ জয়ের নজির গড়ল ভারত (Team India)। আয়োজক দেশের বিরুদ্ধে ৩৯টি ম্যাচ জিতে তৃতীয় স্থানে রয়েছে অস্ট্রেলিয়া।

    ভবিষ্যৎ সুরক্ষিত (Team India)

    হারের আশঙ্কা দিয়ে জিম্বাবোয়ে  সফর শুরু করেছিল ভারত। ব্যাটিং ফ্লপ শোয়ে সমালোচনার মুখে পড়ে যায় শুভমান গিলের ইয়াং ব্রিগেড। চাপ সামলে বাকি চার ম্যাচে দুরন্ত প্রত্যাবর্তন। তারুণ্যের তেজে জিম্বাবোয়েকে উড়িয়ে দিয়ে গিলরা বুঝিয়ে দিলেন বিশ্ব জয়ের মঞ্চে দাঁড়িয়ে কিং কোহলি ঠিকই বলেছেন। ভারতীয় ক্রিকেটের ভবিষ্যৎ সুরক্ষিতই। বিরাট কোহলি, রোহিত শর্মা, রবীন্দ্র জাদেজা-একাধিক জায়গা পূরণের দৌড়টা যে আকর্ষণীয় হতে চলেছে তা পরিষ্কার। ২৭ জুলাই থেকে ভারতের পরবর্তী সিরিজ। শ্রীলঙ্কা সফরে সাদা বলের ফর্ম্যাটে জোড়া সিরিজ। হার্দিক পান্ডিয়া, সূর্যকুমার যাদবদের পাশে কে বা কারা জায়গা করে নেন, সেটাই দেখার। 

    ম্যাচ আপডেট

    জয়ের হ্যাটট্রিকে শনিবারই সিরিজ জয় নিশ্চিত করে নেয় তরুণ ভারত (India vs Zimbabwe)। রবিবার জয়ের মেজাজেই সফরে ইতি টানল টিম ইন্ডিয়া। মুকেশ কুমারের বলে রিচার্ড এনগারাভার উইকেট ছিটকে যেতেই ৪-১ ব্যবধানে সিরিজ জয় সম্পন্ন হয় ‘মেন ইন ব্লু’-র। ভারতের ১৬৭/৬ স্কোরের জবাবে ১২৫ রানেই শেষ প্রতিপক্ষ। বল হাতে প্রতিপক্ষকে ১২৫ রানে গুটিয়ে দেওয়ার কারিগর মুকেশ কুমার। ৪ ওভারে ২২ রান দিয়ে ৪ টি উইকেট নেন তিনি। টি২০ কেরিয়ারের এখনও পর্যন্ত সেরা পারফরম্যান্স বাংলা রনজি ট্রফি দলের পেস তারকার। প্রথম স্পেলেই জিম্বাবোয়েকে চাপে ফেলে দিয়েছিলেন মুকেশ। শেষ স্পেলেও তা বজায় রেখে বাজিমাত। ব্যাটিংয়ের পর বোলিং-সাফল্যের সুবাদে এদিন অবশ্য ম্যাচের সেরা হন শিবম দুবে। সিরিজ সেরার পুরস্কার জেতেন ওয়াশিংটন সুন্দর।

    ভারতের লেজেন্ডদের কাছেও হার পাকিস্তানের

    ভারতের লেজেন্ডদের হাতেও বধ পাকিস্তান, ওয়ার্ল্ড চ্যাম্পিয়ানশিপের শিরোপা জিতে ইতিহাস যুবিদের। সম্প্রতি বিশ্বকাপ জিতেছে টিম ইন্ডিয়া। তার রেশ এখনও ফুরিয়ে যায়নি। তার মধ্যেই ফের ক্রিকেটে বিশ্বজয়ের স্বাদ। শনিবার বার্মিংহ্যামে পাকিস্তান চ্যাম্পিয়ন্স দলকে দাপটের সঙ্গে হারিয়ে কিংবদন্তিদের বিশ্বচ্যাম্পিয়নশিপের খেতাব জিতে নেয় ইন্ডিয়া চ্যাম্পিয়ন্স দল। লিগের ম্যাচে এই পাকিস্তানের কাছেই হারের মুখ দেখতে হয়েছিল যুবরাজ সিংদের। সেদিক থেকে লেজেন্ডস লিগের খেতাবি লড়াইয়ে শাহিদ আফ্রিদিদের ৫ উইকেটে হারিয়ে ভারতীয় দল হিসাব সুদে-আসলে মিটিয়ে নিল বলা যায়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Pakistani cook Minhaj Hussain: দিল্লিতে ভারতীয় পরিচারিকার শ্লীলতাহানির চেষ্টায় অভিযুক্ত পাকিস্তানি কুক

    Pakistani cook Minhaj Hussain: দিল্লিতে ভারতীয় পরিচারিকার শ্লীলতাহানির চেষ্টায় অভিযুক্ত পাকিস্তানি কুক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এবার ভারতীয় এক মহিলাকে শ্লীলতাহানির (Attempt to Molest) চেষ্টার অভিযোগ উঠল পাকিস্তানি কূটনৈতিকের রাঁধুনির বিরুদ্ধে। ওই কূটনৈতিক সাদ আহমেদ ওয়ারাইচের দিল্লির বাসভবনের এক পরিচারিকার সঙ্গে রাঁধুনি অশ্লীল ব্যবহার করার ঘটনায় ইতিমধ্যেই চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে রাজধানীতে। দিল্লি পুলিশের কাছে দায়ের হয়েছে অভিযোগও। ৫৪ বছর বয়সী ওই পাকিস্তানি নাগরিকের নাম মিনহাজ হুসেন (Pakistani cook Minhaj Hussain)। পুলিশ সূত্রে খবর, মধ্য দিল্লির তিলক মার্গ এলাকায় ওই রাঁধুনি পাকিস্তানি এক কূটনীতিবিদের জন্য রান্না করতেন। সেই বাড়িতেই গৃহ পরিচারিকা হিসেবে কাজ করত ওই নির্যাতিতা। সেই বাড়িতেই শ্লীলতাহানির চেষ্টা করা হয় বলে অভিযোগ। 

    নির্যাতিতার অভিযোগ  

    নির্যাতিতার অভিযোগ, সেই বাড়িতেই তাঁর সঙ্গে বার বার দুর্ব্যবহার করতেন মিনহাজ (Pakistani cook Minhaj Hussain)। এমনকি, একা থাকার সুযোগ নিয়ে শ্লীলতাহানির চেষ্টাও করেন। বার বার একই ঘটনা ঘটায় নির্যাতিতা আহমেদকে বিষয়টি জানান। কিন্তু আহমেদ তেমন পাত্তা দেননি বলেই অভিযোগ। উল্টে অভিযুক্তকে ইদের সময় পাকিস্তানে ফেরত পাঠিয়ে দেন। পরে আহমেদ নির্যাতিতাকেই কাজ ছেড়ে দেওয়ার জন্য চাপ দেন। ৩০ জুনের মধ্যে তাঁর বাড়ি ছেড়ে চলে যাওয়ার নির্দেশ দেন। তার মধ্যেই মিনহাজ আবার ফিরে আসেন ওই পাকিস্তানি কূটনৈতিকের বাড়িতে। যা দেখে ভয়েই থানায় যান নির্যাতিতা।

    আরও পড়ুন: ভারী বৃষ্টিতে ভয়াবহ ধস নেপালে! রাস্তা থেকে নদীতে পড়ল ২টি বাস, নিখোঁজ ৬৩ জন

    রাঁধুনির বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ (Pakistani cook Minhaj Hussain) 

    এরপর গত ২৮ জুন তিলক মার্গ থানায় অভিযুক্তের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন নির্যাতিতা। অভিযোগ পাওয়ার পর ঘটনার তদন্তে নেমে দিল্লি পুলিশ ওই ব্যক্তির বিরুদ্ধে ৩৫৪ ধারায় মামলা দায়ের করেছে। এটা হল মূলত কোনও মহিলার মর্যাদাহানি (Attempt to Molest) করার জন্য তার উপর অত্যাচার করা। তবে এরই মধ্যে খবর পাওয়া গিয়েছে, গত ৩০ জুন মিনহাজকে আবারও পাকিস্তানে ফেরত পাঠিয়ে দিয়েছেন আহমেদ। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Pakistan: ভিক্ষের ঝুলি নিয়ে ঘুরছে পাকিস্তান, অথচ ভিক্ষুকদের পাসপোর্ট বাতিলের সিদ্ধান্ত!

    Pakistan: ভিক্ষের ঝুলি নিয়ে ঘুরছে পাকিস্তান, অথচ ভিক্ষুকদের পাসপোর্ট বাতিলের সিদ্ধান্ত!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশবাসীর মুখে দু’মুঠো অন্ন জোগাতে নিজেই ভিক্ষের ঝুলি নিয়ে বিশ্বের দরবারে ঘুরছে পাকিস্তান (Pakistan)। সেই পাকিস্তান সরকারই কিনা এবার বাতিল করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে দু’হাজারেরও বেশি ভিক্ষুকের (Beggars) পাসপোর্ট। পুণ্যার্থীর ছদ্মবেশে পাকিস্তানের বহু মানুষে ছোটেন সৌদি আরব, ইরান এবং ইরাকের মতো ইসলামিক রাষ্ট্রগুলিতে। সেখানে গিয়েই খুলে ফেলেন তীর্থযাত্রীর মুখোশ।

    ‘বেওসা’ বন্ধে পাসপোর্ট বাতিলের সিদ্ধান্ত (Pakistan)

    পুণ্যার্থীর বেশে যিনি এসেছিলেন এই সব দেশে, সে-ই তিনিই কিনা মুখোশ সরিয়ে রেখে হয়ে পড়েন ভিখিরি! এতে বিশ্বের দরবার কলঙ্কিত হচ্ছে পাকিস্তানের ভাবমূর্তি। সেই কারণেই দু’হাজারেরও বেশি ভিক্ষুকের পাসপোর্ট বাতিল করতে চলেছে পাক সরকার। পাকিস্তানের ‘ডন’ সংবাদ মাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, আগামী সাত বছরের জন্য বাতিল করা হবে এই পাসপোর্টগুলি। জানা গিয়েছে, পাকিস্তানে এরকম একাধিক চক্র রয়েছে। এই চক্রের মাধ্যমেই পুণ্যার্থীর বেশে বিদেশে নিয়ে যাওয়া হয় ভিক্ষুকদের। তার পরেই দিব্যি চলে ‘বেওসা’। পাক সংবাদ মাধ্যমের খবর, এই এজেন্টদেরও পাসপোর্ট বাতিল করার সিদ্ধান্ত নিতে চলেছে সরকার।

    তীর্থে যাওয়ার নাম করে গিয়ে ভিক্ষে!

    সৌদি আরব, ইরাক এবং ইরানে রয়েছে ইসলামিক একাধিক তীর্থক্ষেত্র। সেই তীর্থ দর্শনে যাওয়ার নাম করে গিয়ে তীর্থক্ষেত্রগুলিতে ভিক্ষে করতে বসে যান এজেন্টের মাধ্যমে পাকিস্তান থেকে যাওয়া লোকজন (Pakistan)। পাক সংবাদ মাধ্যম সূত্রেই খবর, সৌদি আরব, ইরাক এবং ইরানের শতকরা ৯০ শতাংশ ভিক্ষুকই পাকিস্তানি নাগরিক। এদের অনেকের কাছেই বৈধ কাগজপত্র না থাকায় প্রায়ই ঠাঁই হয় বিভুঁইয়ের জেলে। ফলে ওই দেশগুলিতে ক্রমেই বাড়ছে ভিনদেশি বন্দির সংখ্যা।

    গেল অক্টোবরে মুলতান বিমানবন্দরে বিমান থেকে নামিয়ে দেওয়া হয় ১৬ জন পাকস্তানিকে। এঁদের মধ্যে নারীদের পাশাপাশি ছিল কয়েকজন শিশুও। তীর্থযাত্রার নাম করে এঁদের ভিক্ষে করতে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল বলে অভিযোগ। গত ডিসেম্বরেও মুলতান বিমানবন্দর থেকে বের করে দেওয়া হয় ন’জন ভিক্ষুককে।

    আর পড়ুন: গাড়ি চালাচ্ছেন পুতিন, সওয়ার মোদি, রাশিয়ায় ‘দুই হুজুরের গপ্পো’

    পাকিস্তানের অর্থনীতির ভিত নড়বড়ে। সৌদি আরব, চিন মায় আন্তর্জাতিক অর্থ ভান্ডারের দুয়ারেও বারংবার হাত পেতেছে পাকিস্তানের সরকার। কেউ বাড়িয়ে দেয়নি সাহায্যের হাত। রাজনৈতিক অস্থিরতা, ইসলামি সন্ত্রাসবাদ, ভারতের সঙ্গে বাণিজ্য বন্ধ হয়ে যাওয়ার পাশাপাশি ভুল অর্থনৈতিক সিদ্ধান্ত পাকিস্তানকে ঠেলে দিয়েছে খাদের কিনারে। তা সত্ত্বেও বিদেশে দেশের সম্মান বাঁচাতে মরিয়া পাক (Pakistan) সরকার। সেই কারণেই পাসপোর্ট বাতিলের সিদ্ধান্ত ভিক্ষুকদের (Beggars)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Shyama Prasad Mukherjee: শ্যামাপ্রসাদ না থাকলে পশ্চিমবঙ্গ যেত পাকিস্তানে, জানুন সেই ইতিহাস

    Shyama Prasad Mukherjee: শ্যামাপ্রসাদ না থাকলে পশ্চিমবঙ্গ যেত পাকিস্তানে, জানুন সেই ইতিহাস

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ১৯০১ সালের ৬ জুলাই জন্মগ্রহণ করেন শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় (Shyama Prasad Mukherjee)। তাঁকে ‘ভারত কেশরী’ বলেও সম্বোধন করা হয়। ঐতিহাসিকদের মতে, তিনিই ছিলেন পশ্চিমবঙ্গের জনক। মুসলিম লিগের পাতা ফাঁদ থেকে তিনি উদ্ধার করতে সমর্থ হয়েছিলেন বাঙালি হিন্দুদের। মূলত তাঁর প্রচেষ্টাতেই অখণ্ড বাংলার হিন্দু সংখ্যাগরিষ্ঠ পশ্চিমাংশ থেকে যায় ভারতে। মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ অখণ্ড বাংলাকে নিয়ে স্বাধীন রাষ্ট্র গঠনে সুরাবর্দীর প্রস্তাবও ব্যর্থ করেন তিনি। আজ শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের জন্মদিনে আমরা জানব কীভাবে তিনি পশ্চিমবঙ্গকে (West Bengal) ভারতে রাখতে সমর্থ হলেন!

    পাকিস্তানের দাবিতে ‘গ্রেট ক্যালকাটা কিলিং’ ও নোয়াখালি গণহত্যা

    ১৯৪৬ সালের ১৬ অগাস্ট দিনটি ছিল শুক্রবার। বাঙালি হিন্দুর জীবনে সেদিন নেমে আসে এক ভয়ঙ্কর বিপর্যয়। ‘প্রত্যক্ষ সংগ্রাম দিবসে’র নামে, পাকিস্তানের দাবিতে মুসলিম লিগ শুরু করল হিন্দু নিধনযজ্ঞ। অবিভক্ত বাংলায় তখন ছিল সুরাবর্দীর নেতৃত্বাধীন মুসলিম লিগের সরকার। মুসলিম লিগের গুন্ডারা হিন্দুদের ওপর ভয়াবহ সম্প্রদায়িক হামলা শুরু করে। পুলিশকে নিষ্ক্রিয় করে রাখা হয়। কয়েক হাজার হিন্দুকে হত্যা করা হয়। হাজার হাজার হিন্দু নারী ধর্ষিতা হন। লুট করা হয় সম্পত্তি। ‘গ্রেট ক্যালকাটা কিলিং’-এর পরেই নোয়াখালিতে মুসলিম লিগ শুরু করে ফের এক হিন্দু নিধনযজ্ঞ। উদ্দেশ্য একটাই, পাকিস্তান। বর্তমান বাংলাদেশের নোয়াখালি, লক্ষ্মীপুর, ফেনী জেলা নিয়ে মেঘনার বাম তীরে অবস্থিত ছিল ব্রিটিশ আমলের নোয়াখালি জেলা। এই জেলাতে তৎকালীন সময়ে হিন্দুদের জনসংখ্যা ছিল ১৮ শতাংশ। ১৯৪৬ সালের ১০ অক্টোবর ছিল কোজাগরী লক্ষ্মী পুজো। স্থানীয় হিন্দু বাড়িগুলিতে ঝাঁপিয়ে পড়ে লিগের গুন্ডারা। গণহত্যা, লুট, গৃহে অগ্নিসংযোগ, অপহরণ ,নারী ধর্ষণ-এই সমস্ত কিছুই চলতে থাকে মুসলিম লিগের নেতা মওলানা গোলাম সারোয়ারের নেতৃত্বে। বিশেষজ্ঞদের মতে, এক নোয়াখালিতেই হত্যা করা হয়েছিল ১০ হাজার হিন্দু বাঙালিকে। এর থেকেও বেশি সংখ্যক মানুষকে জোরপূর্বক ধর্মান্তরিত করা হয়। অগণিত মহিলাকে ধর্ষিতা হতে হয়।

    হিন্দু বাঙালির অস্তিত্ব বিপন্ন করতে মুসলিম লিগের ফাঁদ 

    অবিভক্ত বাংলায় তখন মুসলিমরা সংখ্যাগরিষ্ঠ। মুসলিম লিগ নেতৃত্বের দাবি, কলকাতা সহ সমগ্র বাংলাকেই পাকিস্তানের অন্তর্ভুক্ত করতে হবে। সেই দাবিতেই ‘গ্রেট ক্যালকাটা কিলিং’ ও ‘নোয়াখালি গণহত্যা’। এদিকে সমগ্র বাংলাকে পাকিস্তানের অন্তর্ভুক্তিকরণের বিরুদ্ধে হিন্দু বাঙালিদের মধ্যেও গড়ে উঠেছে প্রবল জনমত। মুসলিম লিগের নেতা তথা ‘গ্রেট ক্যালকাটা কিলিং’- এর খলনায়ক সুরাবর্দী তখন এক ফাঁদ পাতলেন। দুই বাংলাকে নিয়ে অখণ্ড স্বাধীন রাষ্ট্র তৈরি করার প্রস্তাব রাখলেন তিনি। অর্থাৎ অখণ্ড বাংলা, না হবে ভারতের, না পাকিস্তানের। কিন্তু এরপরেও বাংলাতে হিন্দুরা সংখ্যালঘু হয়ে যেত। আশ্চর্যজনকভাবে অখণ্ড বাংলা রাষ্ট্রের দাবিতে সম্মতি দিলেন মহম্মদ আলি জিন্না। অর্থাৎ যেনতেন প্রকারেন তৎকালীন অখণ্ড বঙ্গের পশ্চিমাংশ যা বর্তমানের পশ্চিমবাংলা, যেখানে হিন্দুরা সংখ্যাগরিষ্ঠ, সেটিকে ভারত থেকে আলাদা করতেই হবে। সুরাবর্দীর এমন পাতা ফাঁদে পা দেন কংগ্রেসের দুই নেতা শরৎচন্দ্র বসু ও কিরণশঙ্কর রায়। এমন সময়ে শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় বুঝতে পারলেন যে হিন্দু বাঙালির অস্তিত্ব বিপন্ন করতে ফাঁদ পেতেছে মুসলিম লিগ। হয়তো পাকিস্তানে নিয়ে যেতে চাইছে অথবা স্বাধীন রাষ্ট্রের নামে একটি ইসলামিক রাষ্ট্রে হিন্দুদের তারা সংখ্যালঘু করে রাখতে চাইছে।

    আন্দোলনে শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় (Shyama Prasad Mukherjee) 

    সেই সময় থেকেই শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় তাঁর সমস্ত শক্তিকে নিয়োজিত করলেন হিন্দু সংখ্যাগরিষ্ঠ পশ্চিমবঙ্গকে ভারতে রাখার জন্য। ১৯৪৭ সালের ফেব্রুয়ারি মাসেই হিন্দু মহাসভার নেতৃত্বে তিনি একটি কমিটি গঠন করেন এবং সারা বাংলা জুড়ে সফর শুরু করেন। বড় বড় জনসভাগুলিতে বক্তব্য রাখেন। মানুষকে বাংলা ভাগের প্রয়োজনীয়তা তিনি বোঝাতে থাকেন। কংগ্রেসের নেতাদের কাছেও শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় (Shyama Prasad Mukherjee) আবেদন রাখেন যে তাঁরা যেন বাংলা ভাগের দাবিকে সমর্থন জানান। ১৯৪৭ সালের ১৫ মার্চ কলকাতায় হিন্দু মহাসভা একটি দু-দিনব্যাপী আলোচনাসভার আয়োজন করে। এতে হাজির ছিলেন ঐতিহাসিক রমেশচন্দ্র মজুমদার, ভাষাবিদ সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়, হেমেন্দ্রচন্দ্র ঘোষ প্রমুখ। এই সভায় সর্বসম্মতিক্রমে একটি প্রস্তাব গ্রহণ করে হিন্দু মহাসভা। অখণ্ড বাংলার হিন্দু সংখ্যাগরিষ্ঠ অঞ্চলগুলিকে নিয়ে একটি আলাদা প্রদেশ গঠন করার কথা লেখা হয় প্রস্তাবে। অন্তর্বর্তী সরকারের কাছে ওই প্রস্তাব পেশও করে হিন্দু মহাসভা। ঠিক এমন আবহে তৎকালীন জনপ্রিয় দৈনিক ‘অমৃতবাজার পত্রিকা’ ১৯৪৭ সালের ২৩ মার্চ থেকে ১৫ এপ্রিল পর্যন্ত একটি সমীক্ষা করে। বিষয় ছিল, বাংলা ভাগ করা উচিত কিনা। এই সমীক্ষার ফলাফল ঘোষণা করা হয় ১৯৪৭ সালের ২৩ এপ্রিল। জানা যায়, এতে মোট ৫ লাখ ৩৪ হাজার ২৪৯ জন মানুষ নিজেদের মতামত রাখেন। ৯৮. ৩ শতাংশ মানুষই বাংলা ভাগের পক্ষে কথা বলেন। অন্যদিকে, বাংলা ভাগের বিপক্ষে কথা বলেন ০.৬ শতাংশ মানুষ। ১.১ শতাংশ মানুষের মতামত বাতিল হয়।

    মাউন্টব্যাটেন-শ্যামাপ্রসাদ বৈঠক

    এমন সময় ১৯৪৭ সালের ২৩ এপ্রিল শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের (Shyama Prasad Mukherjee) সঙ্গে বড়লাট মাউন্টব্যাটেনের একটি বৈঠক হয়। সেখানে ভারত কেশরী শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় লর্ড মাউন্টব্যাটেনকে বোঝান, ‘কেন বাংলা ভাগ করা প্রয়োজন’। আবার ১৯৪৭ সালের ২ মে শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় মাউন্টব্যাটেনকে বাংলা ভাগের প্রয়োজনীয়তার কথা উল্লেখ করে একটি দীর্ঘ পত্র লেখেন। শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের এমন আন্দোলন সে সময় খবরের শিরোনামেও আসে। তৎকালীন কলকাতার দৈনিক ‘দ্য স্টেটসম্যান’ ১৯৪৭ সালের ২৪ এপ্রিল একটি খবর প্রকাশ করে। ওই প্রতিবেদনে তারা জানায়, বাংলা ভাগ করার আন্দোলন একটি বিশাল ঝড়ে পরিণত হয়েছে। এই ঝড় আরম্ভ করেছিল হিন্দু মহাসভা। ঝড়ের কেন্দ্রভূমি হচ্ছে কলকাতা। ১৯৪৭ সালের মে মাসের প্রথম দিকে ভারত কেশরী শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়, বাংলা ভাগের প্রয়োজনীয়তার কথা মহাত্মা গান্ধী ও জওহরলাল নেহরুকেও বলেন। তবে তাঁরা এ বিষয়টি খুব একটা আমল দেননি বলেই জানা যায়। ১৯৪৭ সালের ১৩ মে শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় সোদপুরে মহাত্মা গান্ধীর সঙ্গে দেখা করেন। সেখানেও তাঁকে একই কথা বলেন।

    বল্লভভাই প্যাটেলের চিঠি

    তৎকালীন কংগ্রেস নেতা সর্দার বল্লভভাই প্যাটেল শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়কে চিঠি লেখেন এবং সেখানে তিনি বলেন, ‘‘শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের দুশ্চিন্তার কোনও কারণ নেই। বাংলার হিন্দুরা যতদিন নিজেদের স্বার্থ বুঝছে এবং নিজেদের অবস্থান থেকে না সরছে, ততদিন ভয়ের কোনও কারণও নেই। স্বাধীন সার্বভৌম বাংলার ডাক মুসলিম লিগের পাতা ফাঁদ ছাড়া কিছু নয়। বাংলাকে কখনই ভারত থেকে বিচ্ছিন্ন করা যাবে না।’’ এই সময়ে বাংলা ভাগের দাবিতে বারোটিরও বেশি জনসভা করেন শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়। পাঁচটি করেন কংগ্রেসের সঙ্গে যৌথভাবে। কংগ্রেস বাংলা ভাগের দাবিকে শেষ মুহূর্তে সমর্থন জানায়। তার কারণ ছিল একটাই যে তাদের হিন্দু ভোটাররা যেন না সরে যায়।

    শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের প্রয়াসে পশ্চিমবঙ্গ (West Bengal) গঠন

    দীর্ঘ আন্দোলন এবং শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের প্রয়াসের পরে ১৯৪৭ সালের ২০ জুন বঙ্গীয় আইন পরিষদের পশ্চিমাংশের সদস্যরা বাংলার দ্বিখণ্ডীকরণের প্রস্তাব বা পশ্চিমবঙ্গের (West Bengal) প্রস্তাব ৫৮-২১ ভোটে পাশ করান। শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় মুসলিম লিগের পাতা ফাঁদ থেকে বের করে আনেন হিন্দু বাঙালিকে। হিন্দু বাঙালি পায় তার নিজস্ব হোমল্যান্ড। ‘গ্রেট ক্যালকাটা কিলিং’ ও নোয়াখালির দাঙ্গার পরেও মুসলিম লিগ সমগ্র বাংলাকে পাকিস্তানের অন্তর্ভুক্ত করতে ব্যর্থ হয়। ব্যর্থ হয় স্বাধীন বাংলা রাষ্ট্র গঠনের নামে হিন্দু বাঙালিকে দাস করে রাখার পরিকল্পনা। মুসলিম লিগের যাবতীয় চক্রান্তকে প্রতিহত করতে সমর্থ হন শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share