Tag: pakistan

pakistan

  • Germany: আত্মরক্ষার অধিকার রয়েছে সবার! অপারেশন সিঁদুরকে সরাসরি সমর্থন জার্মানির

    Germany: আত্মরক্ষার অধিকার রয়েছে সবার! অপারেশন সিঁদুরকে সরাসরি সমর্থন জার্মানির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পহেলগাঁও হামলা ও অপারেশন সিঁদুর (Operation Sindoor) ইস্যুতে ভারতের পাশে থাকার বার্তা দিল জার্মানি (Germany)। এপ্রসঙ্গে জার্মানির বার্তা, যে কোনও দেশেরই সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে আত্মরক্ষার অধিকার রয়েছে।

    কী বললেন জার্মানির বিদেশমন্ত্রী?

    শুক্রবারই ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্করের সঙ্গে যৌথ সাংবাদিক সম্মেলন করতে দেখা যায় জার্মানির (Germany) বিদেশমন্ত্রী জোহান ওয়াডেফুলকে। সেখানেই তিনি বলেন, ‘‘২২ এপ্রিল ভারতের পহেলগাঁও ভয়ঙ্কর জঙ্গি হামলায় আমরা আতঙ্কিত। সাধারণ বাসিন্দাদের উপর এই হামলার তীব্র নিন্দা করি আমরা। দুই তরফে সামরিক হামলা হয়েছে। সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে নিজেকে রক্ষা করার সবরকম অধিকার রয়েছে ভারতের।’’ একইসঙ্গে দুই দেশের মধ্যে শান্তিরক্ষার জন্যও সওয়াল করেছেন জার্মানির বিদেশমন্ত্রী। তিনি বলেছেন, ‘‘শান্তি যাতে বজায় থাকে, এখন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ এটাই। দ্বিপাক্ষিক সমাধান মেলার জন্য আলোচনা চলতে পারে।’’ তাঁর কথায়, ‘‘সন্ত্রাসবাদের মোকাবিলায় ও পারস্পরিক সহযোগিতা পরিকল্পনায় নিয়মিত আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে ভারত ও জার্মানি।’’ যুদ্ধ বিরতিকেও সমর্থন করেছেন তিনি।

    কী বললেন ভারতের বিদেশমন্ত্রী?

    জার্মানির (Germany) বিদেশমন্ত্রীর সঙ্গে যৌথ সাংবাদিক বৈঠকে জয়শংকর বলেন, ‘‘পহেলগাঁও জঙ্গি হামলায় যে প্রত্যুত্তর দিয়েছে ভারত, তার ঠিক পরেই আমি বার্লিনে এসেছি। আপনাদের জানাতে চাই যে ওই বিষয়টা নিয়ে আমি মিস্টার ওয়েডফুলকে (Operation Sindoor) বিস্তারিতভাবে জানিয়েছি। সন্ত্রাসবাদের প্রতি জিরো টলারেন্স নীতি আছে ভারতের। আর ভারত কখনও পারমাণবিক (অস্ত্র নিয়ে) ব্ল্যাকমেলের কাছে নতিস্বীকার করবে না।’’ প্রসঙ্গত, দিল্লির তরফে বার বারই স্পষ্ট করে জানানো হয়েছে যে কাশ্মীর ইস্যুতে এবং ভারত-পাকিস্তানের সম্পর্কের ক্ষেত্রে একমাত্র দ্বিপাক্ষিক আলোচনার রাস্তাতেই থাকতে চায় ভারত। শুক্রবার জার্মানিতে সাংবাদিক সম্মেলনেও ফের একবার স্পষ্ট করেছেন বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর। প্রসঙ্গত, ত্রিদেশীয় ইউরোপ সফরে গিয়েছেন ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর। সেই সফরের অংশ হিসেবে তাঁর এই জার্মানি সফর। সেখানেই এক সাংবাদিক বৈঠকে সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে ভারতের দৃঢ় অবস্থানের কথা তুলে ধরেন বিদেশমন্ত্রী।

  • India Pakistan Conflicts: “অফিস পরে, আগে নিজের প্রাণ বাঁচাও”, পাক সেনাবাহিনীতে আতঙ্ক ছড়িয়েছে ‘অপারেশন সিঁদুর’

    India Pakistan Conflicts: “অফিস পরে, আগে নিজের প্রাণ বাঁচাও”, পাক সেনাবাহিনীতে আতঙ্ক ছড়িয়েছে ‘অপারেশন সিঁদুর’

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতীয় সেনাবাহিনী পাকিস্তানের ১০০ কিলোমিটার ভিতরে থাকা জঙ্গিদের ঘাঁটি ধ্বংস করেছে ৷ এই আক্রমণে ভয় পেয়েছে পাকিস্তান (India Pakistan Conflicts)। অপারেশন সিঁদুর (Operation Sindoor) করে ভারত জৈশ-ই-মহম্মদ এবং লস্কর-ই-তৈবার মতো জঙ্গি সংগঠনগুলির সদর দফতর ধ্বংস করে দিয়েছে। ভারত পাকিস্তান এবং পাক-অধিকৃত কাশ্মীরের (পিওকে) নয়টি বড় সন্ত্রাসী লঞ্চপ্যাড ধ্বংস করেছে ৷ লস্কর-ই-তৈবা, জৈশ-ই-মহম্মদ এবং হিজবুল মুজাহিদিনের ঘাঁটিগুলিকে নিশানা করা হয়েছে। অভিযানে ১০০ জনেরও বেশি জঙ্গি নিকেশ হয়েছে। ভারতের প্রত্যাঘাত এখানেই শেষ হয়নি। তিনদিন পর, বেছে বেছে ১১ পাক বায়ুসেনা ঘাঁটিতে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালায় ভারত। তাতে, ওই বায়ুঘাঁটিগুলিতে বিশাল ক্ষতি হয়েছে। বহু পাক যুদ্ধবিমান, ড্রোন, এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম ভেঙে পড়়েছে। অকেজো হয়ে গিয়েছে পাকিস্তানের একাধিক সামরিক পরিকাঠামো। এই হামলা পাকিস্তানের সেনাবাহিনীর মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়েছে। গোয়েন্দা তথ্য অনুযায়ী ভারতীয় সেনার অভিযানের সময় চেক পোস্ট ছড়ে পালিয়ে যান বহু পাক সেনা কর্তা।

    “অফিস পরে খুলবে, আগে জীবন বাঁচাও”

    ভারতীয় সেনাবাহিনীর ‘অপারেশন সিঁদুর’ সফলভাবে পরিচালিত হওয়ার পর পাকিস্তান সেনাবাহিনীতে ব্যাপক আতঙ্ক ছড়িয়েছে। সেনা সূত্রে প্রাপ্ত ইন্টারসেপ্ট অনুযায়ী, পাকিস্তান (India Pakistan Conflicts) অধিকৃত কাশ্মীরের (পিওকে) সীমান্তবর্তী অঞ্চলে মোতায়েন পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর ৭৫তম ইনফ্যান্ট্রি ব্রিগেডের একজন কমান্ডার হামলার সময় নিজের পোস্ট ত্যাগ করেন। ভারতীয় সেনা সূত্রে খবর, ওই কমান্ডারকে অফিস পুনরায় খোলার বিষয়ে জিজ্ঞাসা করলে তিনি উত্তর দেন, “অফিস পরে খুলবে, আগে নিজের প্রাণ বাঁচাও।” মুজাফ্‌ফরাবাদ সংলগ্ন অঞ্চলে মোতায়েন ৭৫তম ব্রিগেড ভারতীয় সেনার হামলার অন্যতম প্রধান লক্ষ্য ছিল। অপারেশন চলাকালীন সাওয়াই নালা এবং সৈয়দনা বিলাল ক্যাম্পসহ একাধিক জঙ্গি ঘাঁটি ধ্বংস করা হয়।

    পালিয়ে গেলেন পাক সেনা কমান্ডার

    আরেকটি ইন্টারসেপ্টে শোনা যায়, একজন পাকিস্তানি (India Pakistan Conflicts) জুনিয়র অফিসার বলছেন, “আমাদের কমান্ডার সাহেব কোনও রকমে পালিয়ে গিয়েছেন। উনি এখন এক মসজিদে নামাজ পড়ছেন। বলেছেন পরিস্থিতি শান্ত না হওয়া পর্যন্ত তিনি ফিরবেন না।” এই হামলায় পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর মধ্যে হতাহতের ঘটনা আতঙ্ক আরও বাড়িয়ে তোলে। হাজিক পীর সেক্টরে পাকিস্তানের ১৬তম বালোচ রেজিমেন্টের ক্যাপ্টেন হাসনাইন শাহ নিহত হন। তাঁর দেহ অ্যাবোটাবাদে ফিরিয়ে আনা হয়। ভারতীয় সেনা সূত্রে খবর, এই অভিযানে প্রায় ৬৪ জন পাকিস্তানি সেনা নিহত ও ৯৬ জনেরও বেশি আহত হয়েছেন। উল্লেখ্য, ২২ এপ্রিল জম্মু ও কাশ্মীরের পহেলগাঁওয়ে পাকিস্তান-সমর্থিত জঙ্গিদের হাতে ২৬ জন ভারতীয় পর্যটক নিহত হন। তারই জবাবে ভারতীয় সেনাবাহিনী ‘অপারেশন সিঁদুর’ চালু করে। পাকিস্তান ও পাক অধিকৃত কাশ্মীরের ৯টি জঙ্গি ঘাঁটিতে সুনির্দিষ্ট হামলা চালায় সেনা।

  • India Shreds Pakistan: ‘জঙ্গি আর সাধারণ মানুষের তফাৎ বোঝে না পাকিস্তান’, রাষ্ট্রপুঞ্জে ফের সরব ভারত

    India Shreds Pakistan: ‘জঙ্গি আর সাধারণ মানুষের তফাৎ বোঝে না পাকিস্তান’, রাষ্ট্রপুঞ্জে ফের সরব ভারত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: যে দেশ জঙ্গি এবং সাধারণ নাগরিকদের মধ্যে পার্থক্য করতে পারে না, তাদের নাগরিকদের নিরাপত্তা নিয়ে কথা বলার কোনও অধিকার নেই। রাষ্ট্রপুঞ্জে ফের শুক্রবার পাকিস্তানকে কড়া ভাষায় আক্রমণ করল ভারত (India Shreds Pakistan)। এদিন রাষ্ট্রপুঞ্জে (India at UN) অসামরিক নাগরিকদের সুরক্ষা নিয়ে অনুষ্ঠিত আলোচনায় পাকিস্তানের অংশগ্রহণকে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি ‘‘একটি অপমানজনক আচরণ’’ বলে আখ্যা দিল নয়াদিল্লি। রাষ্ট্রপুঞ্জের নিরাপত্তা পরিষদে ভারতের স্থায়ী প্রতিনিধি পার্বথানেনী হরিশ পুরি বলেন, “যে দেশ সন্ত্রাসী ও অসামরিক নাগরিকদের মধ্যে কোনো পার্থক্য করে না, তাদের এই বিষয়ে কথা বলা ন্যায়সম্মত নয়। বিশ্বকে বুঝতে হবে পাকিস্তানের প্রকৃত সত্য।”

    পাকিস্তানের মদতপুষ্ট জঙ্গি হামলার শিকার ভারত

    অপারেশন সিঁদুরেই ভারত বুঝিয়ে দিয়েছে, পাকিস্তানের (India Shreds Pakistan) ভূখণ্ডে কীভাবে জঙ্গিদের লালন-পালন চলে। এদিন ফের একবার আন্তর্জাতিক মঞ্চে পাকিস্তানের আসল চেহারা তুলে ধরল ভারত। রাষ্ট্রপুঞ্জে ভারতের স্থায়ী প্রতিনিধি পার্বথানেনী হরিশ বলেন যে, ‘‘পাকিস্তানি প্রতিনিধির বিভিন্ন বিষয়ে ভিত্তিহীন অভিযোগের জবাব আমি দেব।’’ এর আগে পাকিস্তানের রাষ্ট্রদূত অসীম ইফতিখার আহমেদ তাঁর বক্তব্যে কাশ্মীর সমস্যা তুলে ধরেন। ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে সাম্প্রতিক সংঘাতের কথাও বলেন তিনি। এরপরই প্রতিক্রিয়ায় ভারতের প্রতিনিধি হরিশ বলেন, “ভারত কয়েক দশক ধরে সীমান্তে পাকিস্তানের মদতপুষ্ট জঙ্গি হামলার শিকার হচ্ছে। ৬৫ বছর আগে সৎ বিশ্বাসে সিন্ধু জল চুক্তিতে স্বাক্ষর করেছিল ভারত। ভারতের উপর তিনটি যুদ্ধ এবং হাজার হাজার সন্ত্রাসী হামলা চালিয়ে তার চেতনা লঙ্ঘন করেছে পাকিস্তান। গত কয়েক দশকে ২০ হাজারেরও বেশি ভারতীয় প্রাণ হারিয়েছেন, যার মধ্যে সবচেয়ে সাম্প্রতিকতমটি হল পহেলগাঁওয়ের সন্ত্রাসী হামলা। ভারত সর্বত্র অসাধারণ ধৈর্য এবং উদারতা দেখিয়েছে। পাকিস্তানের রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতায় সীমান্তবর্তী সন্ত্রাসবাদ অসামরিক নাগরিকদের জীবন এবং অর্থনৈতিক সমৃদ্ধিকে পণবন্দি করতে চায়।”

    কুখ্যাত সন্ত্রাসবাদীরা সকলে পাকিস্তানে

    পাকিস্তানের (India Shreds Pakistan) মাটিতে জঙ্গিদের কার্যকলাপ সে দেশের সরকারের অজানা নয়। হরিশ বলেন, ‘‘রাষ্ট্রপুঞ্জের নিষেধাজ্ঞার তালিকায় থাকা কুখ্যাত সন্ত্রাসবাদীরা সকলে পাকিস্তানেই রয়েছে। দিনের আলোয় তারা বড় শহরগুলিতে সক্রিয়। তাদের ঠিকানা সকলেই জানেন। তাদের কাজকর্মও সকলেই জানেন। ওদের সঙ্গে কাদের যোগ রয়েছে, তা-ও সকলের জানা। তাই পাকিস্তান জড়িত নয়, এটা মনে করার কোনও কারণ নেই। এই রাষ্ট্রও জড়িত। তাদের সেনাও জড়িত।’’ রাষ্ট্রপুঞ্জে ভারত এও উল্লেখ করেছে যে পাকিস্তানি সেনাবাহিনী চলতি মাসের শুরুতে ইচ্ছাকৃতভাবে ভারতের সীমান্তবর্তী গ্রামগুলিতে গোলাবর্ষণ করেছে, সাধারণ মানুষকে হত্যা করেছে। এর ফলে ২০ জনেরও বেশি সাধারণ নাগরিক নিহত এবং ৮০ জনেরও বেশি মানুষ আহত হয়েছে। এমনকী ধর্মীয় স্থান এবং চিকিৎসা কেন্দ্রগুলিকে নিশানা করা হয়েছিল বলেও জানিয়েছে ভারত।

    পাকিস্তানের সন্ত্রাসের শিকার সাধারণ মানুষ

    ২৬/১১-এর ভয়াবহ হামলার কথাও এদিন বলা হয় ভারতের তরফে। হরিশ বলেন,“ কয়েক দশক ধরে পাকিস্তানের মদতে বেড়ে ওঠা জঙ্গিরা ভারতের সীমান্ত পেরিয়ে হামলা চালিয়ে আসছে । এর মধ্যে মুম্বই শহরে ২৬/১১-এর ভয়াবহ হামলা থেকে শুরু করে ২০২৫ সালের এপ্রিলে পহেলগাঁওয়ে নিরীহ পর্যটকদের বর্বর গণহত্যাও রয়েছে। সব ঘটনার পিছনে পাকযোগের প্রমাণ বার বার প্রকাশ্যে এসেছে। মূলত পাকিস্তানের সন্ত্রাসের শিকার হয়েছে নিরীহ সাধারণ মানুষ। কারণ ওদের লক্ষ্য হল আমাদের সমৃদ্ধি, অগ্রগতি এবং মনোবলের উপর আক্রমণ করা। এমন একটি দেশের নাগরিকদের নিরাপত্তার বিষয়ে আলোচনায় অংশগ্রহণ করা আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের জন্য অপমানজনক।” সংঘাতের মাঝে সাধারণ নাগরিকদের লক্ষ্য করে শেলিং থেকে অসামরিক যাত্রিবাহী বিমানকে ঢাল হিসেবে ব্যবহারের সমস্ত কীর্তি নিরাপত্তা পরিষদের সামনে এদিন তুলে ধরে ভারত। একইসঙ্গে ভারতীয় প্রতিনিধি পার্বথানেনি হরিশ জানান, কী ভাবে বার বার সন্ত্রাসবাদীদের সমর্থন করেছে ইসলামাবাদ। এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “আমরা সম্প্রতি পাক উর্ধ্বতন সরকার, পুলিশ এবং সামরিক কর্মকর্তাদের বিখ্যাত জঙ্গিদের শেষকৃত্যে শ্রদ্ধা জানাতে দেখেছি।”

    বিশ্ববাসীর কাছে আর্জি

    একদিকে গোটা বিশ্বে সর্বদলীয় প্রতিনিধি দল অপারেশন সিঁদুর-এর প্রয়োজনীতা, তার সাফল্য ব্যাখ্যার সঙ্গে সঙ্গে পাকিস্তানের শয়তানি তুলে ধরছেন তো অপর দিকে রাষ্ট্রপুঞ্জে (India at UN) ইসলামাবাদকে তুলোধনা করছে ভারত। সম্প্রতি নেদারল্যান্ডসে একটি বিদেশি সংবাদমাধ্যমকে সাক্ষাৎকার দিয়ে পাকিস্তানের জঙ্গি-যোগ নিয়ে সরব হয়েছিলেন বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্করও। পাকিস্তানের শহরে দিনের আলোয় সন্ত্রাসবাদীরা ঘুরে বেড়ায়। সে দেশে সন্ত্রাসবাদীদের ঠিকানা সকলে জানেন। পাকিস্তান সরকারের অজান্তে এটা কি সম্ভব, প্রশ্ন তোলেন বিদেশমন্ত্রী। তিনি স্পষ্ট জানান, পাকিস্তানের মাটিতে জঙ্গিদের কার্যকলাপ সে দেশের সরকারের অজানা নয়। ভারতীয় সেনার ‘অপারেশন সিঁদুর’-এর প্রশংসা করে তিনি বলেন, ‘‘পাকিস্তান সন্ত্রাসবাদের কেন্দ্র। আমি এই নিয়ে পরামর্শ দিচ্ছি না, বিবৃতি দিচ্ছি।’’ আর পাকিস্তানের প্রশাসনও যে এই বিষয়ে অবহিত, তা-ও জানিয়েছেন তিনি। তাঁর কথায়, ‘‘ধরা যাক, আমস্টারডামের মতো শহরের মধ্যভাগে সেনাকেন্দ্র রয়েছে। সেখানে হাজার হাজার মানুষ সেনার প্রশিক্ষণ নিচ্ছেন। আপনার সরকার কিছুই জানে না, এটা কি বলতে পারেন? অবশ্যই নয়।’’ জয়শঙ্করের হুঁশিয়ারি, পাকিস্তান এই সন্ত্রাস হামলা বন্ধ না করলে ‘ফল ভুগতে হবে’। শুক্রবার বিদেশমন্ত্রীর সুরে সুর মিলিয়েই পাকিস্তানকে বার্তা দেন হরিশ। পাকিস্তানকে দু-মুখো সাপের সঙ্গে তুলনা করে একইসঙ্গে বিশ্বের কাছে সন্ত্রাসবাদকে সমূলে বিনষ্ট করারও আর্জি জানান তিনি।

  • Spy Satellites: মহাকাশে ভারতের ৫২টি গোয়েন্দা উপগ্রহ! ২২,৫০০ কোটি টাকার বাজেট, বড় পদক্ষেপ কেন্দ্রের

    Spy Satellites: মহাকাশে ভারতের ৫২টি গোয়েন্দা উপগ্রহ! ২২,৫০০ কোটি টাকার বাজেট, বড় পদক্ষেপ কেন্দ্রের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশের সুরক্ষায় আসছে আরও গতি। ভারত-পাকিস্তান সংঘাতের পর কেন্দ্রের মোদি সরকার দেশের গোয়েন্দা সক্ষমতা জোরদার করতে একটি বৃহৎ স্যাটেলাইট প্রকল্প (Spy Satellites) শুরু করেছে। ‘স্পেস বেসড সার্ভেইল্যান্স (SBS-3)’ নামের এই প্রকল্পটির জন্য ২২,৫০০ কোটি টাকা (প্রায় ৩ বিলিয়ন ডলার) বাজেট বরাদ্দ করা হয়েছে। ২০২৪ সালের অক্টোবরে ক্যাবিনেট কমিটি অন সিকিউরিটি (CCS) প্রকল্পটির অনুমোদন দিয়েছে। এই প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে এই কৃত্রিম উপগ্রহপুঞ্জের (Satellite Constellation) মাধ্যমে নজরদারির ক্ষেত্রে আরও একধাপ এগিয়ে যাবে ভারত।

    কেন এই পদক্ষেপ

    এই প্রকল্পে সরকারকে পথ দেখাতে চলেছে ভারতীয় মহাকাশ গবেষণা সংস্থা (ইসরো)। এমন ৫২টি স্যাটেলাইট (Spy Satellites)  লঞ্চ করতে চলেছে ইসরো, যারা মেঘ ভেদ করেও স্পষ্ট দেখতে পারবে। রাতের আকাশও বাধা হবে না। বর্তমান পরিস্থিতিতে পাকিস্তান সীমান্ত কড়া নজরে রাখতেই এমন পদক্ষেপ করা হচ্ছে। এখন অন্তত ১০টি স্যাটেলাইট সারাক্ষণ দেশের সুরক্ষার জন্য কাজ করে চলেছে।

    নয়া প্রকল্পের হালচাল

    ‘স্পেস বেসড সার্ভেইল্যান্স (SBS-3)’ প্রকল্পের আওতায় ৫২টি গোয়েন্দা স্যাটেলাইটের একটি কনস্টিলেশন (Satellite Constellation) বা নেটওয়ার্ক তৈরি হবে। এর মধ্যে ৩১টি তৈরি করবে তিনটি বেসরকারি সংস্থা — অনন্ত টেকনোলজিস, সেন্টাম ইলেক্ট্রনিক্স, এবং আলফা ডিজাইন টেকনোলজিস, বাকি ২১টি তৈরি করবে ইসরো (ISRO)। আগে এই প্রকল্প শেষ করতে চার বছর সময় নির্ধারিত ছিল, কিন্তু এখন সেই সময়সীমা কমিয়ে ১২ থেকে ১৮ মাস করা হয়েছে। ইলন মাস্কের স্পেসএক্স (SpaceX) এই প্রকল্পে আন্তর্জাতিক সহযোগী হিসেবে যুক্ত হয়েছে। স্যাটেলাইটগুলো (Spy Satellites) ধাপে ধাপে তৈরি ও উৎক্ষেপণ করা হবে। অনন্ত টেকনোলজিসের মতো কোম্পানিগুলো নিজস্বভাবে কিছু স্যাটেলাইটের ডিজাইন ও নির্মাণ করবে, যার জন্য তারা আগেই প্রযুক্তিবিদদের আকৃষ্ট করার প্রচেষ্টা চালিয়েছে। স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণের জন্য ইসরোর সতীশ ধওয়ান স্পেস সেন্টার ব্যবহৃত হবে। উৎক্ষেপণের জন্য দুটি বিকল্প রয়েছে — ইসরোর ভারী রকেট এলভিএম৩ অথবা স্পেসএক্সের রকেট। প্রতিটি উৎক্ষেপণের আগে প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের অনুমোদন আবশ্যক।

    কী কাজে ব্যবহৃত হবে স্যাটেলাইটগুলি

    স্যাটেলাইটগুলি মূলত ভারতের সীমান্ত নজরদারিতে (Spy Satellites) ব্যবহার হবে, বিশেষ করে পাকিস্তানের গতিবিধি পর্যবেক্ষণের জন্য। পাশাপাশি, প্রাকৃতিক দুর্যোগ — যেমন বন্যা ও ভূমিকম্পের সময় — জরুরি সহায়তা প্রদানেও এই স্যাটেলাইটগুলোর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা থাকবে। একজন বিশেষজ্ঞ বলেন, এই প্রকল্প ভারতের জন্য এক বিশাল অগ্রগতি। এটি শুধুমাত্র সীমান্ত নিরাপত্তা উন্নত করবে না, বরং দেশের পরিকাঠামোগত উন্নয়নেও সহায়তা করবে। একইসঙ্গে ভারতের বেসরকারি মহাকাশ সংস্থাগুলোর জন্য এটি এক সুবর্ণ সুযোগ। প্রযুক্তিগত অগ্রগতি ও আন্তর্জাতিক মানের প্রকল্পে অংশগ্রহণের মাধ্যমে ভারতীয় মহাকাশ খাত আরও এগিয়ে যাবে।

    সীমান্ত সতর্কতায় ছদ্ম উপগ্রহ

    এখন পাক সীমান্ত এলাকায় নজরদারি চালাতে ব্যবহৃত হয় রিস্যাট টু বি। অনুপ্রবেশকারীদের ওপর সদা সজাগ দৃষ্টি রাখে এই উপগ্রহ। দীর্ঘ দিন ধরেই জাতীয় নিরাপত্তা এবং নজরদারি বৃদ্ধির জন্য ছদ্ম-উপগ্রহ তৈরিরও চেষ্টা চালাচ্ছেন এ দেশের প্রতিরক্ষা গবেষকেরা। অবশেষে সাফল্যও পেয়েছেন তাঁরা। স্ট্র্যাটোস্ফিয়ারিক এয়ারশিপের প্রথম সফল পরীক্ষা চালিয়েছে ‘ডিফেন্স রিসার্চ ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশন’ বা ডিআরডিও। বিশ্বের গুটিকতক দেশের হাতে রয়েছে এই প্রযুক্তি। সেই তালিকায় এ বার নাম উঠল ভারতের। অত্যাধুনিক এই এয়ারশিপ শত্রুর উপর নজরদারি এবং গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহের ক্ষেত্রে ‘গেম চেঞ্জার’ হতে যাচ্ছে, বলছেন বিশ্লেষকেরা।

    অপারেশন সিঁদুরের সাফল্যের পিছনে ইসরোর উপগ্রহ

    ইসরোর চেয়ারম‌্যান ড. ভি নারায়ণান সম্প্রতি বলেন, “পাকিস্তান-সহ দেশের ১১ হাজার ৫০০ কিলোমিটার সীমান্ত ইসরো মনিটর করছে অনবরত (Spy Satellites) । দেশের সবাই নিরাপদ।” ত্রিস্তরীয় সেনা দেশের নিরাপত্তার মূল পাহারাদার হলে তার সহচর হয়ে ‘অপারেশন সিঁদুর’-কে যারা চূড়ান্ত সাফল‌্য এনে দিয়েছে তারা ইসরো। কারণ জঙ্গিদের ঘরে ঢুকে সাফল্যের সঙ্গে মিসাইল হানা সম্ভব হওয়ার অন‌্যতম নেপথ‌্য কারিগর ছিল দেশের এই মহাকাশ গবেষণা সংস্থা। কারণ জঙ্গিদের সঠিক অবস্থান জেনে দিয়েছিল বিগত দু-তিন বছরে মহাকাশে পাঠানো তাদেরই অন্তত ১০০টি উপগ্রহ (Satellite Constellation), যার মধ্যে ৫৬টি এই মুহূর্তে ঠিক উপর থেকে দেশের কোণায় কোণায় দৃষ্টি রেখে চলেছে।

  • Pakistan: এবার পাকিস্তানে জল বন্ধ করতে চলেছে আফগানিস্তান? বিপুল ক্ষতির মুখে ইসলামাবাদ

    Pakistan: এবার পাকিস্তানে জল বন্ধ করতে চলেছে আফগানিস্তান? বিপুল ক্ষতির মুখে ইসলামাবাদ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এবার নদীর ওপর বাঁধ তৈরি করে পাকিস্তানে জল যাওয়া বন্ধ করতে চাইছে আফগানিস্তানের (Afghanistan) তালিবান সরকার। এই জল বন্ধ হলে পাকিস্তানকে (Pakistan) অতিরিক্ত ২২৫০ কোটি টাকা বহন করতে হবে জানাচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা। প্রসঙ্গত, পহেলগাঁও জঙ্গি হামলার পর থেকে সিন্ধু জলবণ্টন চুক্তি স্থগিত রেখেছে নয়াদিল্লি। এক্ষেত্রে উল্লেখ করা দরকার, আফগানিস্তানের সঙ্গে নদীর জলবণ্টন নিয়ে ইসলামাবাদের কোনও চুক্তি নেই। এর ফলে যে কোনও নদীর ওপর ইচ্ছামতো বাঁধ নির্মাণ করতেই পারে তালিবান সরকার। কোনও চুক্তি না থাকায় এ ক্ষেত্রে কাবুলের উপর আন্তর্জাতিক চাপও পাকিস্তান করতে পারবে না বলেই মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।

    কোন কোন নদীর জলপ্রবাহ বন্ধ হতে পারে পাকিস্তানে?

    ১. কাবুল নদী – এই নদীটি হিন্দুকুশ থেকে উৎপত্তি লাভ করেছে, এর প্রধান উপনদীটি পাকিস্তানের পেশোয়ার এবং নওশেরা অঞ্চলে প্রবাহিত হয়।

    ২. কুনার নদী – আফগানিস্তানের (Afghanistan) এই নদীটি পাকিস্তানের খাইবার পাখতুনখোয়ার অঞ্চলেক কৃষির জন্য গুরুত্বপূর্ণ। প্রসঙ্গত, আফগানিস্তানের অন্যতম বড় নদী হল কুনার। ৪৮০ কিলোমিটার লম্বা এই নদীটির জন্ম হিন্দুকুশের চিয়ানতার হিমবাহ থেকে। কুনার নদী মিশেছে কাবুল নদীতে। এই কুনার নদীর ওপর বাঁধ তৈরির পরিকল্পনা রয়েছে তালিবানের।

    ৩. অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ নদী যেগুলির জলপ্রবাহ বন্ধ হতে পারে সেগুলি হল – গোমাল, পিশিন-লোরা, কান্দাহার-কান্দ।

    সেনাপ্রধান জেনারেল মুবিন খানের কুনার পরিদর্শন

    সূত্রের খবর সম্প্রতি পূর্ব আফগানিস্তানের কুনার প্রদেশের বিশেষ একটি এলাকা পরিদর্শনে যান সেদেশের সেনাপ্রধান জেনারেল মুবিন খান। এর পরই জেনারেল মুবিন সম্ভাব্য বাঁধ নির্মাণের এলাকা ঘুরে দেখেন বলে জানা গিয়েছে। এই আবহে বালোচ আন্দোলনকারী তথা লেখন মীর ইয়াব বালোচের এক্স হ্যান্ডলে একটি পোস্ট করেন। সেখানে তিনি লেখেন, ‘‘পাকিস্তানের শেষের শুরু হল। ভারতের পর এ বার জল বন্ধ করার প্রস্তুতি নিচ্ছে আফগানিস্তান।’’

    জল বন্ধ হলে প্রভাব পড়বে কোন কোন ক্ষেত্রে?

    কৃষিতে জল সরবরাহের ঘাটতি দেখা দেবে।

    শহরগুলিতে (Pakistan) জল সংকট তৈরি হবে। কাবুল নদীর ওপর নির্ভরশীলগ গোটা পেশোয়ার এবং নওশেরার মতো শহর।

    তারবেলা বাঁধের মতো প্রকল্পগুলিতে বিদ্যুৎ উৎপাদন বন্ধ হয়ে যেতে পারে।

    পাক অর্থনীতিও (Pakistan) ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হবে।

  • Agniveer: জীবনের প্রথম অগ্নিপরীক্ষায় সফল ৩ হাজার অগ্নিবীর, পাকিস্তানকে পরাস্ত করতে তাঁদের অবদান কতখানি, জানেন?

    Agniveer: জীবনের প্রথম অগ্নিপরীক্ষায় সফল ৩ হাজার অগ্নিবীর, পাকিস্তানকে পরাস্ত করতে তাঁদের অবদান কতখানি, জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পহেলগাঁও হত্যাকাণ্ডের জেরে পাকিস্তানে অপারেশন সিঁদুর (Operation Sindoor) চালায় ভারত। ভারতীয় সেনা এই অপারেশনে পাকিস্তানকে কাবু করে ফেলে। এই অপারেশনে সেনাদের সঙ্গে যোগ দিয়েছিলেন অন্তত ৩ হাজার অগ্নিবীরও (Agniveer)। এঁদের প্রায় সকলের বয়সই কুড়ির কোঠায়। গত দু’বছরের মধ্যে সশস্ত্র বাহিনীতে নিয়োগ পেয়েছিলেন তাঁরা।

    অগ্নিবীরদের ভূমিকা (Agniveer)

    ৭ থেকে ১০ মে-র মধ্যে একাধিক ভারতীয় সামরিক ঘাঁটি, বিমান ঘাঁটি এবং শহরগুলিতে পাকিস্তান একের পর এক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালালেও অগ্নিবীরদের হাঁটু কাঁপেনি। চার দিনের সামরিক সংঘর্ষের সময়ে বিভিন্ন ভূমিকায় সম্মানের সঙ্গে নিজেদের প্রমাণ করেছেন তাঁরা। এ বার অন্তত অগ্নিপথ প্রকল্প নিয়ে বিতর্কের অবসান হওয়া উচিত বলে মনে করছেন সেনাকর্তারা। জানা গিয়েছে, এয়ার ডিফেন্স ইউনিটে চারটি প্রধান পেশায় বিশেষজ্ঞ অগ্নিবীরদের মোতায়েন করা হয়েছিল – গোলন্দাজ, ফায়ার কন্ট্রোল অপারেটর, রেডিও অপারেটর এবং কামান ও ক্ষেপণাস্ত্র-সহ ভারী সামরিক যানবাহনের চালক। সেনা সূত্রে খবর, প্রতিটি ভূমিকায়ই দক্ষতার পরিচয় দিয়েছেন অগ্নিবীররা।

    অগ্নিবীরদের অবদান

    সেনা সূত্রে খবর, পাকিস্তানি ক্ষেপণাস্ত্র এবং ড্রোন হামলা প্রতিহত করেছিল যে এয়ার ডিফেন্স ইউনিটগুলি তার প্রতিটিতে ১৫০-২০০ জন করে অগ্নিবীর ছিলেন। দেশীয় এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম আকাশতীর পরিচালনার ভার ছিল তাদের হাতে। সংঘর্ষের সময় ভারতের বহুস্তরীয় এয়ার ডিফেন্স ব্যবস্থার কেন্দ্রবিন্দু ছিল এই আকাশতীর। সেনা সূত্রে খবর, অগ্নিবীররা যথারীতি নিয়মিত সৈন্যদের সঙ্গে কাঁধে রেখে চালানো যায় এমন ক্ষেপণাস্ত্র দিয়ে শত্রুপক্ষের টার্গেট ধ্বংস করেছে। এল-৭০ এস, জেডইউ ২৩-২বি’র মতো কামান, পেচোরা, শিলকা, ওসাক, স্ট্রেলা এবং তুঙ্গুস্কা অস্ত্র ব্যবস্থা পরিচালনা করেছে। বিভিন্ন ধরণের রেডার পরিচালনা করেছে। যাঁরা সামরিক যান চালানোর দায়িত্বে ছিলেন, যুদ্ধক্ষেত্রে অস্ত্র ব্যবস্থা মোতায়েন করার পরে তাঁরাও সৈন্য হিসেবে কাজ করেছেন (Agniveer)।

    প্রসঙ্গত, অগ্নিবীর পদে নিয়োগ নিয়ে মোদি সরকারের ব্যাপক সমালোচনা করেছিলেন বিরোধীরা। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, নিজেদের যোগ্যতার প্রমাণ দিয়ে বিরোধীদের মুখের মতো জবাব দিয়েছেন অগ্নিবীররা। সূত্রের খবর, অগ্নিবীররা এই প্রথমবার যুদ্ধের মতো পরিস্থিতির (Operation Sindoor) মুখোমুখি হয়েছিলেন। সৈন্যদের সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে তাঁরা দুরমুশ করে দিয়েছেন পাক সেনাদের (Agniveer)।

  • ATS: দেশের গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাচার, পাকিস্তানের হয়ে গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগে গ্রেফতার আরও ২

    ATS: দেশের গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাচার, পাকিস্তানের হয়ে গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগে গ্রেফতার আরও ২

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পাকিস্তানের (Pakistan) হয়ে গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগে আরও দু’জনকে গ্রেফতার করল উত্তরপ্রদেশের সন্ত্রাস দমন শাখা (ATS)। দিল্লির সিলামপুর থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে মহম্মদ হারুনকে। অন্যদিকে, বারাণসী থেকে তুফায়েল নামের এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করেছেন তদন্তকারীরা। দুজনের বিরুদ্ধেই ভারতীয় ন্যায় সংহিতার বিভিন্ন ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে। ভারতের সার্বভৌমত্ব, ঐক্য এবং অখণ্ডতাতে আঘাত হানা, দেশদ্রোহিতা সহ একাধিক ধারায় মামলা রজ্জু করা হয়েছে।

    পহেলগাঁও হামলার সময় পাকিস্তানেই ছিল হারুন

    দিল্লির সিলামপুর থেকে গ্রেফতার হওয়া হারুন পাকিস্তান দূতাবাসের এক আধিকারিক মোজাম্মেল হোসেনের নির্দেশে গুপ্তচরবৃত্তি করত বলে জানা গিয়েছে। ইতিমধ্যে ওই দূতাবাসের আধিকারিক মোজাম্মেল হোসেনকে অবঞ্ছিত ঘোষণা করে দেশ ছাড়তে বলেছে ভারত। জানা গিয়েছে, গুপ্তচর হারুন মোজাম্মেল হোসেনকে ভারতের অভ্যন্তরীণ সুরক্ষার সঙ্গে জড়িত অনেক গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাচার করেছে (ATS)।

    পাক দূতাবাসের কর্মীর নির্দেশে টাকা তুলত হারুন

    সূত্রের খবর, মোজাম্মেল হোসেনের নির্দেশেই পাকিস্তানের ভিসা পাইয়ে দেওয়ার নাম করে টাকা তুলত হারুন। হারুনের কথায় অনেক লোকই মোজাম্মেলের অ্যাকাউন্টে টাকা জমা করেছে বলে খবর। এই টাকা ভারত বিরোধী কাজে সেইসব টাকা ব্যবহার হত বলে জানা গিয়েছে। আরও চাঞ্চল্য়কর তথ্য হল, হারুনের দু’জন স্ত্রী রয়েছে। একজন থাকে পাকিস্তানে। তার সঙ্গে দেখা করতে প্রায়ই পাকিস্তানে যেত হারুন। পহেলগাঁওয় হামলার সময় সে পাকিস্তানেই ছিল। গোয়েন্দারা জানাচ্ছেন (ATS), ৫ এপ্রিল পাকিস্তানে যায় হারুন, সে ফেরে ২৫ তারিখ।

    ৬০০-এর বেশি পাকিস্তানের নম্বরের সঙ্গে যোগাযোগ ছিল তুফায়েলের

    অন্যদিকে বারাণসী থেকে গ্রেফতার হওয়া তুফায়েল ভারতের অভ্যন্তরীণ সুরক্ষার সঙ্গে জড়িত অনেক গুরুত্বপূর্ণ তথ্যই পাকিস্তানে পাচার করেছে। উত্তরপ্রদেশের সন্ত্রাস দমন (ATS) শাখা বলছে, রাজঘাট, জ্ঞানবাপী মসজিদ, লাল কেল্লা ও দেশের একাধিক রেল স্টেশনের ছবি তুলে পাকিস্তানের নম্বরে পাঠিয়েছে তুফায়েল। শুধু তাই নয়, ৬০০টিরও বেশি পাকিস্তানি নম্বরের সঙ্গে যোগাযোগ ছিল তুফায়েলের। ফেসবুকে এক পাক সেনাকর্তার স্ত্রীর সঙ্গেও পরিচয় ছিল তুফায়েলের। এর পাশাপাশি, পাকিস্তানের (Pakistan) সন্ত্রাসবাদী সংগঠনের প্রচারেও যুক্ত ছিল তুফায়েল।

  • S Jaishankar: “দিনের আলোয় ঘুরে বেড়াচ্ছে জঙ্গিরা, সব জানে পাক সরকার”, বিস্ফোরক জয়শঙ্কর

    S Jaishankar: “দিনের আলোয় ঘুরে বেড়াচ্ছে জঙ্গিরা, সব জানে পাক সরকার”, বিস্ফোরক জয়শঙ্কর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “রাষ্ট্রসংঘের নিষেধাজ্ঞার তালিকায় থাকা কুখ্যাত জঙ্গিরা সকলে পাকিস্তানেই (Pakistan) রয়েছে। দিনের আলোয় তারা বড় শহরগুলিতে সক্রিয়। তাদের ঠিকানা সকলেই জানেন। তাদের কাজকর্মও সকলেই জানেন। ওদের সঙ্গে কাদের যোগ রয়েছে, তাও সকলের জানা। তাই পাকিস্তান জড়িত নয়, এটা বিশ্বাস করার কোনও কারণ নেই। এই রাষ্ট্রও জড়িত। তাদের সেনাও জড়িত।” এক নিঃশ্বাসে কথাগুলি বলে গেলেন ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর (S Jaishankar)। তার পরেই তাঁর হুঁশিয়ারি, “পাকিস্তান এই জঙ্গি হামলা বন্ধ না করলে ফল ভুগতে হবে।”

    জয়শঙ্করের প্রশ্ন (S Jaishankar)

    পাকিস্তান যে সন্ত্রাসবাদে মদত দেয়, বিশ্বের দরবারে তা তুলে ধরতে পৃথিবীর ৩৩টি দেশে ঘুরবে ভারতের ৭টি প্রতিনিধি দল। এহেন আবহে নেদারল্যান্ডসে রয়েছেন জয়শঙ্কর। সেখানকার এক সংবাদমাধ্যমে সাক্ষাৎকার দিতে গিয়ে তিনি বলেন, “পাকিস্তানের শহরে দিনের আলোয় জঙ্গিরা ঘুরে বেড়ায়। সে দেশে জঙ্গিদের ঠিকানা সকলেই জানেন। পাকিস্তান সরকারের অজান্তে এটা কি আদৌ সম্ভব?” ইউরোপীয় ইউনিয়নের যে দেশগুলির সঙ্গে ভারত বাণিজ্য করে, তাদের মধ্যে অন্যতম হল নেদারল্যান্ডস। দুই দেশের সম্পর্ক মজবুত করতেই নেদারল্যান্ডস সফরে গিয়েছেন বিদেশমন্ত্রী। সেখানে ভারতীয় সেনার অপারেশন সিঁদুরের প্রশংসা করে তিনি বলেন, “পাকিস্তান সন্ত্রাসবাদের কেন্দ্র। আমি এ নিয়ে পরামর্শ দিচ্ছি না, বিবৃতি দিচ্ছি।” এ বিষয়ে পাক সরকার যে অবহিত, তাও ফাঁস করে দেন জয়শঙ্কর। তিনি বলেন, ধরা যাক, “আমস্টারডামের মতো শহরের মধ্যভাগে সেনাকেন্দ্র রয়েছে। সেখানে হাজার হাজার মানুষ সেনার প্রশিক্ষণ নিচ্ছেন। আর আপনার সরকার কিছু জানে না, এটা কি বলতে পারেন? অবশ্যই নয়।”

    পহেলগাঁও হামলার কথা

    জয়শঙ্করের সাক্ষাৎকারে অনিবার্যভাবেই উঠে আসে পহেলগাঁও হামলার কথা। তিনি (S Jaishankar) বলেন, “ওই ঘটনায় ২৬ জন প্রাণ হারিয়েছিলেন। বেশিরভাগই পর্যটক। জঙ্গিরা কাশ্মীরের পর্যটন শিল্পকে নিশানা করেছে। নিজেদের স্বার্থে তারা কাশ্মীরের জিনিস ধ্বংস করছে। ইচ্ছা করেই হামলার সঙ্গে ধর্মীয় বিষয়ও জড়িয়ে দিয়েছে। এ ধরনের কাজকে গোটা বিশ্বের মেনে নেওয়া উচিত নয়।”

    তবে সন্ত্রাসবাদের সঙ্গে কাশ্মীর বিষয়ক আলোচনার যে কোনও সম্পর্ক নেই, এদিন তাও মনে করিয়ে দিয়েছেন জয়শঙ্কর। ভারত যে তৃতীয় পক্ষের হস্তক্ষেপ মানবে না, তাও সাফ জানিয়ে দিয়েছেন ভারতের বিদেশমন্ত্রী। তিনি (S Jaishankar) বলেন, “পাকিস্তানের (Pakistan) সঙ্গে বসে আমরাই কথা বলব।”

  • India Pakistan Conflicts: ৮টি এফ-১৬, ৪টি জেএফ-১৭, অ্যাওয়াক্স,… অপারেশন সিঁদুরে পাক বায়ুসেনার কী কী ধ্বংস? তালিকা প্রকাশ্যে

    India Pakistan Conflicts: ৮টি এফ-১৬, ৪টি জেএফ-১৭, অ্যাওয়াক্স,… অপারেশন সিঁদুরে পাক বায়ুসেনার কী কী ধ্বংস? তালিকা প্রকাশ্যে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অপারেশন সিঁদুর-এর পর ভারত ও পাকিস্তানের (India Pakistan Conflicts) মধ্যে চলা সামরিক সংঘাতে প্রতিবেশী রাষ্ট্রের ব্যাপক অর্থনৈতিক ক্ষতি হয়েছে। সম্প্রতি সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি বিস্তৃত রিপোর্টে সেই ক্ষতির পরিমাণ তুলে ধরা হয়েছে। এই অভিযানে পাকিস্তান বিমান বাহিনী (PAF) যে বিপুল কৌশলগত ও আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছে, তা তুলে ধরা হয়েছে রিপোর্টে। তথ্য অনুযায়ী, ৭ মে ২০২৫ তারিখে পরিচালিত অভিযানে ভারতীয় বাহিনী পাকিস্তানের কমপক্ষে ৮টি এফ-১৬ যুদ্ধবিমান ও ৪টি জেএফ-১৭ ধ্বংস করে। এর পাশাপাশি বিভিন্ন উচ্চ-মূল্যের আকাশ ও স্থল সামরিক সম্পদ ধ্বংস করা হয়। স্যাটেলাইট ছবি, গোয়েন্দা তথ্য এবং গোপন বাজেট নথি বিশ্লেষণ করে মোট ক্ষতির পরিমাণ ধরা হয়েছে প্রায় ৩.৩৫৭ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।

    বিমানঘাঁটি ও আকাশপথে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি

    আকাশপথে সরাসরি সংঘর্ষে পাকিস্তান (India Pakistan Conflicts) ৪টি এফ-১৬ ব্লক ৫২ডি হারিয়েছে, প্রতিটির মূল্য ৮৭.৩৮ মিলিয়ন ডলার। মোট ক্ষতির পরিমাণ ৩৪৯.৫২ মিলিয়ন ডলার। এছাড়া পাকিস্তানের একটি সাব ২০০ এরিআই অ্যাওয়াক্স নজরদারি বিমান (মূল্য ৯৩ মিলিয়ন ডলার), একটি আইএল-১৭ রিফুয়েলিং ট্যাঙ্কার (৩৫ মিলিয়ন ডলার), দুইটি সিএম-৪০০একেজি মিসাইল, দুইটি শাহিন ক্ষেপণাস্ত্র ও ছয়টি বায়রাক্তার টিবি২ ড্রোন ধ্বংস হয়েছে। এছাড়াও এই সব সম্পদের মোট ক্ষতির পরিমাণ প্রায় ৫২৪.৭২ মিলিয়ন ডলার। মোট ক্ষতির পরিমাণ ৫২৪.৭ মিলিয়ন মর্কিন ডলার। অন্যদিকে, ১০ তারিখ পাক এয়ারবেসগুলিতে ভারতের প্রত্যাঘাতে আরও চারটি এফ-১৬ ব্লক ৫২ডি যুদ্ধবিমান হারিয়েছে পাকিস্তান। একটি সি১৩০ হারকিউলিস পরিবহণ বিমান (৪০ মিলিয়ন ডলার), একটি এইচকিউ-৯ সাম ব্যাটারি (২০০ মিলিয়ন ডলার), এবং দুটি মোবাইল কমান্ড সেন্টার ধ্বংস হয়েছে (১০ মিলিয়ন ডলার)। এই ক্ষতির পরিমাণ মোট ৫৯৯.৫২ মিলিয়ন ডলার। এই বিশাল ক্ষতির ফলে পাকিস্তানের বিমান যুদ্ধের সক্ষমতা, নজরদারি ক্ষমতা এবং কৌশলগত পরিকাঠামো মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বিশেষ করে, এফ-১৬ ধ্বংস হওয়া পাকিস্তানের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে দুর্বল করেছে বলে মন্তব্য করছেন বিশেষজ্ঞরা।

    এফ-১৬ এর দাম

    এফ-১৬ বিমানটি মূলত মার্কিন প্রতিরক্ষা সংস্থা জেনারেল ডাইনামিক্স (বর্তমানে লকহিড মার্টিন) দ্বারা তৈরি করা হয়েছিল। পাকিস্তান প্রথম ১৯৮১ সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কাছ থেকে ৮০টি এফ-১৬ বিমানের অর্ডার দেয়। চুক্তিটি ‘পিস গেট ১ এবং ২’ প্রোগ্রামের অধীনে করা হয়েছিল এবং তাদের ডেলিভারি ১৯৮৩ থেকে ১৯৮৭ সালের মধ্যে হয়েছিল। বর্তমানে, পাকিস্তানের কাছে প্রায় ৭৫ থেকে ৮৫টি এফ-১৬ বিমান রয়েছে, যার মধ্যে এ, বি, সি এবং ডি ভেরিয়েন্ট রয়েছে। এফ-১৬ এর দাম এর মডেলের উপর নির্ভর করে। একটি নতুন এফ-১৬ এর দাম প্রায় ৪০ থেকে ৭০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার, অর্থাৎ ৩০০ থেকে ৫০০ কোটি টাকার মধ্যে।

    জেএফ-১৭ এর দাম

    জেএফ-১৭ থান্ডার, পাকিস্তান ও চিনের অংশীদারিত্বে নির্মিত একটি মাল্টিরোল যুদ্ধবিমান। এটি যৌথভাবে পাকিস্তান অ্যারোনটিক্যাল কমপ্লেক্স (পিএসি) এবং চেংডু এয়ারক্রাফ্ট কর্পোরেশন (সিএসি) দ্বারা তৈরি করা হয়েছে। ৯০-এর দশকে যখন পাকিস্তানের পারমাণবিক কর্মসূচির কারণে এফ-১৬ সরবরাহ বন্ধ করে দেয় আমেরিকা, তখন এর ভিত্তি স্থাপিত হয়। এরপর, পাকিস্তান ১৯৯২ সালে চিনের সঙ্গে একটি চুক্তি স্বাক্ষর করে এবং ১৯৯৫ সালে জেএফ-১৭ প্রকল্পের কাজ শুরু হয়। প্রথম জেএফ-১৭ ২০০৯ সালে পাকিস্তান বিমানবাহিনীর কাছে হস্তান্তর করা হয় এবং তাদের কাছে এখন ১৫৬টিরও বেশি বিমান রয়েছে। এটি একটি হালকা এবং দ্রুতগতির যুদ্ধবিমান, যার সর্বোচ্চ টেকঅফ ওজন ১৩,৫০০ কেজি। জেএফ-১৭ এর দাম প্রায় ৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলার (১২০ কোটি), যেখানে ব্লক থ্রি-র দাম প্রায় ২৫ থেকে ৩০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।

    যুদ্ধকালীন ব্যয় ও ক্ষতিগ্রস্ত পরিকাঠামো

    ২৯ দিনব্যাপী সংঘাতে পাকিস্তানের যুদ্ধ (India Pakistan Conflicts) ব্যয়ও ছিল বিপুল। প্রতিদিনের বিমান টহল ও হামলা পরিচালনার খরচ ২৫ মিলিয়ন ডলার ধরে মোট ৭২৫ মিলিয়ন ডলার, ড্রোন ও মিসাইল ব্যবহারে ৪৫০ মিলিয়ন ডলার, সীমান্তে মোতায়েন ও প্রতিরক্ষা খাতে ৪৩৫ মিলিয়ন ডলার ব্যয় করে ইসলামাবাদ। যদিও পাকিস্তান সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে ক্ষতির বিষয়টি স্বীকার করেনি। ভারতের আক্রমণে পাকিস্তানের বায়ুসেনা ঘাঁটিরও প্রবল ক্ষতি হয়েছিল৷ ভেঙে পড়েছিল এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম৷ এই দুটি পাকিস্তানের প্রতিরক্ষা ব্যাবস্থার মূল ভিত্তি৷ পাকিস্তান বুঝতে পারে এরপরও সংঘর্ষ চললে আরও বড় ক্ষতির মুখে পড়তে হবে৷ ইসলামাবাদের সমস্যা আরও বাড়বে ৷ তাই সংঘর্ষ বিরতির পথে হাঁটে পাকিস্তান।

  • China: নেপথ্যে চিন, লালমনিরহাট বিমানঘাঁটি সক্রিয় করছে বাংলাদেশ! ভারতের ঘাড়ে নিঃশ্বাস ফেলতে কি?

    China: নেপথ্যে চিন, লালমনিরহাট বিমানঘাঁটি সক্রিয় করছে বাংলাদেশ! ভারতের ঘাড়ে নিঃশ্বাস ফেলতে কি?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতকে জব্দ করতে চিনের (China) সঙ্গে সখ্যতা গড়েছেন বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান মহম্মদ ইউনূস। বাংলাদেশের লালমনিরহাট (Lalmonirhat) জেলায় একটি বিমানঘাঁটি নির্মাণ করছে চিন। বাংলাদেশের এই জেলাটি ভারতের ‘চিকেন’স নেক’ থেকে ১২ থেকে ১৫ কিলোমিটার দূরে। পশ্চিমবঙ্গের কোচবিহার ও জলপাইগুড়ি জেলারও খুব কাছে ওই বিমানঘাঁটি। কৌশলগত দৃষ্টিকোণ থেকে অত্যন্ত সংবেদনশীল এই এলাকা। এহেন পরিস্থিতিতে চিনকে এই এলাকায় বিমানঘাঁটি নির্মাণের অনুমতি দিয়ে ভারতের উদ্বেগ বাড়িয়েছে বাংলাদেশ। জানা গিয়েছে, চিনা কর্তারা সম্প্রতি লালমনিরহাট বিমানঘাঁটি পরিদর্শন করেছেন। ভারতীয় গোয়েন্দা সংস্থাগুলিও বাংলাদেশি বিমানবাহিনীর ঘাঁটিতে চিনা কর্তাদের সফরের খবর পেয়েছে।

    ব্রিটিশ আমলে তৈরি (China)

    লালমনিরহাট বিমানঘাঁটি বাংলাদেশের রংপুরে অবস্থিত। এটি নির্মিত হয়েছিল ১৯৩১ সালে। ব্রিটিশ সরকার একটি সামরিক ঘাঁটি হিসেবে এটি নির্মাণ করেছিল। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় মিত্র বাহিনী পূর্ব ফ্রন্টে তাদের অভিযানের জন্য এটিকে ব্যবহার করেছিল একটি ফরওয়ার্ড বিমানঘাঁটি হিসেবে। এটি মিত্রবাহিনীর জন্য একটি ফরওয়ার্ড বিমানঘাঁটি হিসেবে ব্যবহৃত হত। এই বাহিনীই পূর্ব ফ্রন্টে জাপানি বাহিনীর বিরুদ্ধে অভিযান চালাচ্ছিল।

    অসামরিক বিমানবন্দরে উন্নীত করার চেষ্টা

    তবে বাংলাদেশের অন্তর্বর্তীকালীন সরকার এই বিমানঘাঁটিকে (China) একটি অসামরিক বিমানবন্দরে উন্নীত করার চেষ্টা করেছে। প্রতিবেদন অনুসারে, অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা মহম্মদ ইউনূস চিনকে এটিকে অসামরিক বিমানবন্দরে উন্নীত করার জন্য অনুরোধ করেছেন (Lalmonirhat)। গত মাসে চিন সফরে গিয়ে তিনি এই বিষয়টি তুলে ধরেন। সেই সময় তিনি বিতর্কিত একটি মন্তব্যও করেছিলেন। ইউনূস বলেছিলেন, “বাংলাদেশ ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের সাতটি রাজ্য সহ সমগ্র অঞ্চলের সমুদ্রের একমাত্র অভিভাবক।” বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর নিয়ন্ত্রণাধীন হলেও, দীর্ঘ কয়েক দশক ধরে প্রায় নিষ্ক্রিয় রয়েছে এই বিমানঘাঁটিটি। চিনের সাহায্যে এটাকেই এখন বিমানবন্দরে উন্নীত করতে চাইছে ইউনূস সরকার। কেবল এটিই নয়, ব্রিটিশ আমলের আরও পাঁচটি বিমানবন্দরকে পুনরুজ্জীবিতও করতে চাইছে তারা।

    এয়ারবেসের রাশ

    ১ হাজার ১৬৬ একর জায়গাজুড়ে বিস্তৃত এই এয়ারবেসে ৪ কিলোমিটার দীর্ঘ রানওয়ে রয়েছে। রয়েছে একটি বিশাল টারম্যাকও। এটি দীর্ঘদিন ব্যবহার করা হয়নি। তবে এটিকে একটি গুরুত্বপূর্ণ পরিকাঠামোগত সম্পদ হিসেবে গড়ে তোলা যেতে পারে। ১৯৪৭ সালে দেশভাগের পর এই এয়ারবেসের রাশ চলে যায় পাকিস্তানের হাতে। ১৯৫৮ সালে কিছু সময়ের জন্য এটিকে ফের অসামরিক ব্যবহারের জন্য চালু করা হয়। তার পর এটি আবার পরিত্যক্ত হয়ে পড়ে। ২০১৯ সালে বাংলাদেশের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার শাসন কালে এই বিমানঘাঁটির একটি অংশ বাংলাদেশ অ্যারোস্পেস অ্যান্ড অ্যাভিয়েশন ইউনিভার্সিটি তৈরির জন্য বরাদ্দ করা হয়। বর্তমানে এটি বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর অধীনে পরিচালিত হয়। এই উন্নয়ন সত্ত্বেও বিমানঘাঁটির সামরিক ও কৌশলগত সম্ভাবনা সাম্প্রতিক পুনরুজ্জীবনের প্রস্তাবের আগে পর্যন্ত অনাবিষ্কৃতই থেকে গিয়েছিল। শিলিগুড়ি করিডরের কৌশলগত গুরুত্বকে অবহেলা করা যায় না। এটি একটি সংকীর্ণ এলাকা। তাই যে কোনও ব্যাঘাত ঘটলেই ভারতের উত্তর-পূর্ব রাজ্যগুলির সঙ্গে মূল ভূখণ্ডের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যেতে পারে (Lalmonirhat)।

    কী বলছেন বিশেষজ্ঞরা

    বিশেষজ্ঞদের মতে, এর ফলে চিন (China) ভারতের সামরিক চলাচলের উপর নজরদারি করতে পারে বা শিলিগুড়ি করিডরের কাছে গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহ করতে পারে। চিনের এই ধরনের কাজকর্মের ফলে দুর্বল হয়ে যেতে পারে ভারতের গোপন সামরিক তৎপরতা এবং গতিশীলতা বজায় রাখার ক্ষমতা। বিশেষ করে লাইন অব অ্যাকচুয়াল কন্ট্রোল বরাবর চিন-ভারতের মধ্যে চলা সীমান্ত উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে। অবজারভার রিসার্চ ফাউন্ডেশনের চিন-তাইওয়ান স্টাডিজের গবেষক কল্পিত মানকিকার বলেন, “একটি বিষয় নিশ্চিত যে চিনের ওই অঞ্চলের জন্য সুস্পষ্ট পরিকল্পনা রয়েছে। এতদিন সেই পরিকল্পনাগুলি হয়তো নিষ্ক্রিয় ছিল কারণ বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভারতের স্বার্থের প্রতি সহানুভূতিশীল ছিলেন। কিন্তু এখন, সরকার পরিবর্তনের পর এবং মহম্মদ ইউনূসের খোলাখুলি প্রস্তাব যে বাংলাদেশ ভারতের বিরুদ্ধে একটি ‘ফাউন্টেনহেড’ হতে পারে। এটা যে চিনের জন্য একটি অত্যন্ত লোভনীয় একটি প্রস্তাব হয়ে উঠবে, তা বলাই বাহুল্য।”

    তিনি বলেন, “আমরা এখনও জানি না প্রকল্পটির জন্য চিনের নির্দিষ্ট পরিকল্পনা কী। তবে এটি ভারতের বাকি অংশ থেকে উত্তর-পূর্বাঞ্চলে অসামরিক (China) ও সামরিক চলাচল নজরদারির কাজে ব্যবহৃত হতে পারে।” প্রসঙ্গত, শিলিগুড়ি করিডরের স্থিতিশীলতা বিঘ্নিত হলে তা শুধু ভারতের ভৌগোলিক অখণ্ডতার জন্যই নয়, বরং উত্তর-পূর্বাঞ্চলে ভারতের (Lalmonirhat) অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক স্থিতিশীলতার ওপরও গভীর প্রভাব পড়তে পারে। বস্তুত, এই অঞ্চলটি ইতিমধ্যে জাতিগত ও বিচ্ছিন্নতাবাদী চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি (China)।

LinkedIn
Share