Tag: pakistan

pakistan

  • Pakistan Air Strike: আফগানিস্তানে পাক বিমান হামলা! মৃত অন্তত ১৫, কড়া হুঁশিয়ারি তালিবানের

    Pakistan Air Strike: আফগানিস্তানে পাক বিমান হামলা! মৃত অন্তত ১৫, কড়া হুঁশিয়ারি তালিবানের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আফগানিস্তানের মাটিতে বিধ্বংসী বিমান হামলা চালাল পাকিস্তান। মঙ্গলবার রাতে আফগানিস্তানের (Air Strike on Afghanistan) পাকতিয়া প্রদেশের বারমাল জেলায় এই হামলা চালায় পাক বায়ুসেনা (Pakistan Air Strike)। এই ঘটনায় কমপক্ষে ১৫ জন প্রাণ হারিয়েছেন। পাশাপাশি আহত হয়েছেন আরও অনেকে। ফলে মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে জানা যাচ্ছে। পাক সেনার অতর্কিত এই হামলার পালটা জবাবের হুঁশিয়ারি দিয়েছে তালিবান।

    ৭ গ্রামের উপর বিমান হামলা 

    স্থানীয় সূত্রে খবর, ২৪ ডিসেম্বর গভীর রাতে লমান সহ ৭ গ্রামের উপর এই বিমান হামলা চালানো হয়েছে। এই ঘটনায় একই পরিবারের ৫ সদস্য মারা গিয়েছেন। এই বিমান হামলার তদন্ত ইতিমধ্যে শুরু করা হয়েছে। এই হামলার পিছনে আসলে দায় কার, তা খুঁজে বের করা হচ্ছে। তালিবান প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এই হামলার তীব্র প্রতিবাদ করা হচ্ছে।  পাকিস্তানের (Pakistan Air Strike) পক্ষ থেকে এখনও পর্যন্ত এই হামলার দায় স্বীকার করা হয়নি। তবে মনে করা হচ্ছে, পাকিস্তান এবং আফগানিস্তানের (Air Strike on Afghanistan) মধ্যে ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার কারণেই এই হামলা চালানো হয়েছে। জানা গিয়েছে, সীমান্তবর্তী তালিবান আস্তানাগুলো লক্ষ্য করেই পাক বায়ুসেনার এই আক্রমণ।

    আরও পড়ুন: বসের সঙ্গে সহবাস করতে রাজি না হওয়ায় স্ত্রীকে তালাক ইঞ্জিনিয়ার স্বামীর

    তালিবানের নিন্দা

    ইসলামাবাদের সূত্র দাবি করছে, মঙ্গলবার আফগানিস্তানে অবস্থিত একটি জঙ্গি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে অভিযান চালায় পাকিস্তানি বায়ুসেনা (Pakistan Air Strike)। সেই অভিযানে পাক তালিবানের (Air Strike on Afghanistan) প্রশিক্ষণ কেন্দ্রটি ধ্বংস হয়েছে। সেই অভিযানে কয়েকজন জঙ্গিও মারা গিয়েছে বলে দাবি করে পাকিস্তানি সরকারি সূত্র। যদিও এই নিয়ে কোনও সরকারি আধিকারিক প্রকাশ্যে কিছু বলেননি। পাকতিকায় বিমান হামলার পর পাল্টা জবাব দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে তালিবান প্রতিরক্ষা মন্ত্রক। এই হামলার তীব্র নিন্দা জানানো হয়েছে তালিবানের তরফ থেকে। এই নিয়ে বলা হয়েছে, দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষা করার বৈধ অধিকার রয়েছে তাদের। এদিকে দাবি করা হয়েছে, হামলায় ক্ষতিগ্রস্তরা ‘ওয়াজিরিস্তানি শরণার্থী’। উল্লেখ্য, বিগত কয়েকদিন ধরেই পাকিস্তানি সেনার ওপরে তেহরিক-ই-তালেবান পাকিস্তানের হামলা বেড়েছে। আফগান প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় বলেছে, পাকিস্তানি পক্ষের জানা উচিত যে, এ ধরনের একতরফা পদক্ষেপ কোনও সমস্যার সমাধান নয়। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Champions Trophy 2025: নতিস্বীকার পাকিস্তানের! চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে ভারত খেলবে নিরপেক্ষ দেশে

    Champions Trophy 2025: নতিস্বীকার পাকিস্তানের! চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে ভারত খেলবে নিরপেক্ষ দেশে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি (Champions Trophy 2025) নিয়ে ভারতের চাপের কাছে নতিস্বীকার করতে হল পাকিস্তানকে। তবে, কিছুটা পিছু হটতে হয়েছে ভারতকেও। আগামী তিন বছর ভারতে আইসিসির কোনও প্রতিযোগিতা হলে পাকিস্তানও এ দেশে খেলতে আসবে না। বলা বাহুল্য, এই ‘যুদ্ধে’ পাকিস্তানের বিরুদ্ধে ভারতেরই জয় হল।

    ‘হাইব্রিড মডেল’ কী?(Champions Trophy 2025)

    ‘হাইব্রিড মডেল’-এই হবে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি। অর্থাৎ, প্রতিযোগিতা (Champions Trophy 2025) হবে পাকিস্তানে। কিন্তু ভারতের ম্যাচগুলি হবে নিরপেক্ষ দেশে। তবে হাইব্রিড মডেলে প্রতিযোগিতা হলে তা মানবে না বলে প্রথমে জানিয়েছিল পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড। কিন্তু তাদের সেই দাবি ধোপে টিকল না। পিছু হটতে হল পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডকে। আইসিসির সিদ্ধান্ত মেনে নিলেন মহসিন নকভিরা। পাকিস্তানে খেলতে যাবে না বলে প্রথম থেকেই আপত্তি জানিয়েছিল ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড। ভারতের চাপে আইসিসি পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডকে জানিয়েছিল, হাইব্রিড মডেল ছাড়া কোনও উপায় নেই। বাধ্য হয়ে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড আইসিসিকে পাল্টা শর্ত দিয়ে জানিয়েছিল, হাইব্রিড মডেল মেনে নিতে তাদের কোনও সমস্যা নেই। তবে এর পর ভারতে কোনও আইসিসি প্রতিযোগিতা হলে তারাও নিরপেক্ষ দেশে খেলবে। সেই দাবিও মেনে নিয়েছে আইসিসি।

    আরও পড়ুন: লোকসভায় ধস্তাধস্তি! ‘‘রাহুল গান্ধী ধাক্কা মেরেছেন”, বললেন রক্তাক্ত বিজেপি সাংসদ

    আইসিসির বৈঠক কী সিদ্ধান্ত নেওয়া হল?

    বৃহস্পতিবার আইসিসির বৈঠক ছিল। সেখানেই সিদ্ধান্ত হয়েছে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি (Champions Trophy 2025) নিয়ে। ক্রিকেটের সর্বোচ্চ নিয়ামক সংস্থা সিদ্ধান্ত নিয়েছে, ২০২৭ সাল পর্যন্ত ভারত বা পাকিস্তানে যে যে আইসিসি প্রতিযোগিতা হবে, সেখানে এই দুই দেশ নিরপেক্ষ দেশে খেলবে। অর্থাৎ, পাকিস্তানে কোনও প্রতিযোগিতা হলে যেমন ভারত নিরপেক্ষ দেশে খেলবে, তেমনই ভারতে কোনও প্রতিযোগিতা হলে পাকিস্তান খেলবে নিরপেক্ষ দেশে।

    হাইব্রিড মডেলের নিয়মে কোন কোন প্রতিযোগিতা?

    আগামী বছর ফেব্রুয়ারি-মার্চ মাসে পাকিস্তানে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি (Champions Trophy 2025) হওয়ার কথা। আগামী বছরই ভারতে মহিলাদের এক দিনের ক্রিকেট বিশ্বকাপ রয়েছে। ২০২৬ সালে ভারত ও শ্রীলঙ্কায় হবে পুরুষদের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ। এই তিনটি প্রতিযোগিতায় হাইব্রিড মডেলের নিয়ম মানা হবে। আইসিসি আরও জানিয়েছে, ২০২৮ সালে পাকিস্তানে মহিলাদের টি- টোয়েন্টি বিশ্বকাপ হবে। সেই প্রতিযোগিতাতেও এই নিয়ম মানা হবে। চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির আয়োজন ঘিরে সমস্যা মিটলেও এখনও প্রতিযোগিতার সূচি প্রকাশিত হয়নি। জানা গিয়েছে, খুব শীঘ্রই সূচি ঘোষণা করে দেবে আইসিসি। তখনই বোঝা যাবে, নিরপেক্ষ দেশ হিসেবে কোন দেশে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির ম্যাচ খেলবে ভারত।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • India Bangladesh Relation: সরাসরি যুদ্ধের ডাক বিএনপি নেতার! বাংলাদেশে আরও তীব্র ভারত-বিদ্বেষের বিষ

    India Bangladesh Relation: সরাসরি যুদ্ধের ডাক বিএনপি নেতার! বাংলাদেশে আরও তীব্র ভারত-বিদ্বেষের বিষ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশের রাজনীতির আঙিনায় এখন ভারত বিরোধিতার প্রতিযোগিতা চলছে। কখনও মানচিত্র বদলের হুঁশিয়ারি, কখনও কলকাতা তো কখনও সেভেন সিস্টার্স দখলের ডাক। সীমান্ত ডিঙিয়ে আগরতলা অভিযানের ডাকও দিয়েছে এখন বাংলাদেশের প্রধান রাজনৈতিক দল বিএনপি। এবার সরাসরি যুদ্ধের ডাক দিলেন বিএনপি নেতা হাফিজউদ্দিন আহমেদ। তাঁর কথায়, ‘প্রত্যেক বাংলাদেশি নাগরিককে সামরিক প্রশিক্ষণ দিয়ে যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত করা হবে। প্রত্যেক ছাত্রকে রাইফেল চালানো শিখতে হবে।’ বৃহস্পতিবার ঢাকার এক সভায় এমনই মন্তব্য করতে দেখা যায় বিএনপি নেতাকে।

    ভারতের বিরুদ্ধে যুদ্ধ!

    নানা ঘটনায় অভ্যন্তরীণ কোন্দলে বাংলাদেশ এখন উত্তাল। বাংলাদেশের এই অস্থিরতায় বারবার সেদেশের মৌলবাদীরা ভারতের দিকে আঙুল তুলছে। বাংলাদেশে ক্রমে ভারত বিরোধিতার সুর জোরালো হচ্ছে। যে দেশ স্বাধীন করার জন্য ভারতের অনেক যোদ্ধা রক্ত দিয়েছিলেন। মুক্তিযুদ্ধ আন্দোলনে যোগ দিয়ে প্রাণ হারিয়েছিলেন বহু ভারতীয়। ভারত না থাকলে একদা বাংলাদেশের জন্মই হতো না, সেই বাংলাদেশেই ভারত বিরোধিতার স্লোগান উঠছে। বঙ্গবন্ধুকে যারা অপমান করে, তারাই পাকিস্তানের মদতে ঢাকার বাতাসে ভারত বিদ্বেষ ছড়াচ্ছে বলে মত কূটনৈতিক মহলের। 

    কট্টরপন্থী নেতাদের হুঙ্কার

    ভারতের জন্য হুমকির তো অন্ত নেই। বিগত কয়েকদিনে বাংলাদেশের একের পর এক কট্টরপন্থী নেতাদের হুঙ্কারে চিন্তিত আন্তর্জাতিক মহলও। এবার বিএনপি নেতা হাফিজউদ্দিন আহমেদকে বলতে শোনা যায়, “প্রত্যেক ছাত্রকে বেসিক মিলিটারি ট্রেনিং আমরা দেব। আমাদের দিকে যাতে কেউ রক্তচক্ষু না দেখাতে পারে তাই এটা দরকার। আমরা যুদ্ধ করে তৈরি হয়েছি। চিরকাল জয়ী হবে বাংলাদেশের মানুষ।” এর আগে চার ঘণ্টায় কলকাতা দখলের ডাক দিতে দেখা গিয়েছিল সে দেশের প্রাক্তন সেনা কর্তাকে। 

    ভারতীয়দের উৎখাতের ডাক

    হিন্দুদের উপরে হামলা-অত্যাচারের পর পরিবর্তনের বাংলাদেশে ভারতীয়দের উৎখাত করার হুমকিও উঠেছে। ‘ভারতীয়দের লাথি মেরে তাড়ানোর’ হুমকি দিয়েছে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম মুখ তথা গণ অধিকার পরিষদের যুগ্ম সদস্য সচিব তারেক রহমান। সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল বাংলাদেশি নেতাদের হুমকির ভিডিও। একটি ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে ভারতীয়দের লাথি মেরে তাড়ানোর হুমকি দিচ্ছেন তারেক রহমান। ভারতের বিরুদ্ধে হিংসা, ক্ষোভ উগরে দিয়ে তিনি বলেন, “রাঙামাটি থেকে সিলেট পর্যন্ত ৪৫ কিমি রাস্তা ভারত আমাদের দেয়নি। ৪০০ কিমি ঘুরে যেতে হয়। তাহলে কেন ভারতকে ১৫০০ কিমি বাঁচানোর জন্য ৪০০ কিমি ট্রানজিট দেওয়া হল?”

    সীমা ছাড়াচ্ছে ভারত-বিদ্বেষ

    তারেক রহমানের প্রশ্ন, “ফেণী, চট্টগ্রামে ইকোনমিক জোন দিয়েছেন শেখ হাসিনা। আমি প্রশ্ন করছি, আপনি কি বাংলাদেশের সন্তান? এরকম সাঙ্ঘাতিক কাজ করলেন কী করে। আমরা কি পারব ভারতে চিকেন নেকে ইকোনমিক জোন তৈরি করতে? এখান নেপাল-ভুটান যাওয়ার রাস্তাটুকু আমরা পাইনি। এভাবে হবে না। আমাদের ওই অর্থনৈতিক অঞ্চলে যেতে হবে। একটা একটা করে ভারতীয়কে লাথি মেরে ভারত সীমান্তে ঢুকিয়ে দিয়ে আসতে হবে।” তারেক আরও বিষোদগার করে বলেন, “ভারত নিজের সুবিধার জন্য চট্টগ্রাম, মঙ্গলা বন্দর ব্যবহার করে। কিন্তু নেপাল-ভুটানের মতো ছোট দেশ যখন বন্দর ব্যবহার করতে চাইল, ভারত অনুমোদন দেয়নি। এবার সোজাসুজি হিসেব করার সময় এসেছে।”

    বাংলাদেশ সরকারের ভূমিকা 

    হিন্দুদের ওপর হামলার মধ্যেই ভারতের বিরোধিতায় ঢাকায় মিছিল হচ্ছে প্রতিদিন। ঢাকায় প্রাক্তন সেনাকর্মীদের মিছিলে ভারতের প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধে স্লোগানও উঠেছে। বলা হচ্ছে, বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে আশ্রয় দিয়ে ঢাকার সঙ্গে বিরোধিতা করছে দিল্লি। ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) সদস্যদের সঙ্গে বৈঠকে বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা মহম্মদ ইউনূস অনুরোধ জানিয়েছেন, ইইউ ভিসা সেন্টার যেন দিল্লি থেকে অন্য দেশে স্থানান্তর করা হয়। তাঁর অনুরোধেই স্পষ্ট, ভারতের সঙ্গে দূরত্ব বাড়ানোরই চেষ্টা করছে বাংলাদেশ। বিগত কয়েকদিনে একের পর এক বিএনপি নেতাকে লাগাতার ভারত-বিরোধী মন্তব্য করতে দেখা গিয়েছে। এমনকী ভারতীয় পণ্য বয়কটেরও ডাক দিতে দেখা গিয়েছে। এবার তাতে নবতম সংযোজন হাফিজউদ্দিন, তারেক রহমানদের মন্তব্য। 

    আরও পড়ুন: নিশানায় হিন্দু পুলিশ অফিসাররাও, সংখ্যালঘু পুলিশকর্তাদের বিরুদ্ধে একাধিক খুনের মামলা!

    সক্রিয় পাকিস্তান

    বাংলাদেশের ভারত-বিরোধিতার মধ্যেই পাকিস্তান প্রীতিও প্রকাশ্যে এসেছে। পাকিস্তানের আরও কাছাকাছি এসেছে ইউনূস সরকার। পাক নাগরিকদের ভিসা পাওয়া আরও সহজ করেছে ঢাকা। নৈরাজ্যের বাংলাদেশে, ফায়দা তুলতে আসরে নেমেছ পাকিস্তান-চিনও। জামাত প্রধানের সঙ্গে চিনা রাষ্ট্রদূতের বৈঠক হয়েছে। খালেদা জিয়ার বাড়িতে পৌঁছেছেন পাক হাই কমিশনার। যে ভারতের দয়ায় মাত্র ৫৩ বছর আগে পাকিস্তান সেনা বাহিনীর হাত থেকে স্বাধীনতা পেয়েছিল বাংলাদশ, সেই বাংলাদেশ এবার ভারতের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করার প্রস্তুতি শুরু করে দিল। শেখ হাসিনার পতনের পর থেকেই বাংলাদেশে মৌলবাদী সংগঠনগুলির রমরমা বাড়ছে। পাশাপাশি মাথা চাড়া দিয়েছে জামাতের মতো জঙ্গি সংগঠন। সেখান হিন্দু -সহ একাধিক সংখ্যালঘুদের ওপর নির্যাতন ক্রমশই বাড়ছে। এই অবস্থায় মৌলবাদী, জামাত আর পাকিস্তানের হাতে কাঠের পুতুল হয়ে পড়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান মহম্মদ ইউনূস।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Pakistan: পাকিস্তানে প্রকাশ্যে ভাষণ দিচ্ছে জইশ প্রধান মাসুদ! দ্বিচারিতার অভিযোগ এনে কড়া হুঁশিয়ারি ভারতের

    Pakistan: পাকিস্তানে প্রকাশ্যে ভাষণ দিচ্ছে জইশ প্রধান মাসুদ! দ্বিচারিতার অভিযোগ এনে কড়া হুঁশিয়ারি ভারতের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পাকিস্তানের রাস্তায় প্রকাশ্যে ভাষণ দিচ্ছে কান্দাহারে বিমান অপহরণকাণ্ড থেকে সংসদ ভবনে হামলা থেকে পুলওয়ামা হামলার মাথা জইশ-ই-মহম্মদ প্রধান মাসুদ আজহার। সম্প্রতি এমনই কিছু রিপোর্ট প্রকাশ্যে এসেছে, যা নিয়ে ক্ষুব্ধ ভারত। মাসুদ আন্তর্জাতিক পর্যায়ের সন্ত্রাসবাদী। তাঁকে ‘সন্ত্রাসবাদী’ হিসেবে চিহ্নিত করেছে রাষ্ট্রপুঞ্জও। ভারতে একাধিক জঙ্গি হামলার নেপথ্যে মাসুদের হাত রয়েছে বলে অভিযোগ। ভারত বরাবরই অভিযোগ করেছে, মাসুদ গা ঢাকা দিয়ে আছে পাকিস্তানে। কিন্তু পাকিস্তান অভিযোগ অস্বীকার করেছে বার বার। সম্প্রতি প্রকাশ্যে আসা রিপোর্ট যদি সত্য হয়, তবে তা আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে পাকিস্তানের (Pakistan) ‘দ্বিচারিতা’ ফাঁস করল বলে মনে করছে নয়াদিল্লি। সেই সঙ্গে মাসুদের বিরুদ্ধে পদক্ষেপের দাবিও জানিয়েছে তারা।

    ঠিক কী অভিযোগ? (Pakistan)

    সম্প্রতি প্রকাশ্যে আসা একটি রিপোর্টে দাবি, পাকিস্তানের (Pakistan) বাহাওয়ালপুর শহরে প্রকাশ্যে ভাষণ দিয়েছে জইশ প্রধান। এছাড়া পাক সরকার তাকে ‘পলাতক’ বলে ঘোষণা করলেও, গত মঙ্গলবার, জইশ পরিচালিত এক ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে মাসুদ আজহারের একটি বক্তৃতা দেওয়ার ভিডিও প্রকাশ করা হয়। ১৯২৪ সালে তুর্কি খিলাফতের বিলুপ্তি ঘটেছিল। তার শতবর্ষ উপলক্ষে ওই জনসভার আয়োজন করা হয়েছিল। আজহার সেখানে তার বক্তৃতায় ভারত ও ইজরায়েলের বিরুদ্ধে নতুন করে জেহাদি অভিযান শুরুর প্রতিশ্রুতি দেয়। দাবি করে, এর থেকেই বিশ্বব্যাপী একটি নতুন ইসলামী ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠিত হবে। খিলাফত পুনরুদ্ধারের জন্য শ্রোতাদের সে তার নিষিদ্ধ সন্ত্রাসবাদী গোষ্ঠীতে যোগ দেওয়ার আহ্বান জানায়। শ্রোতাদের করতালির মধ্যে, তাকে বারবার চিৎকার করে বলতে শোনা যায়, ‘ভারত, তোমার মৃত্যু আসন্ন’।

    আরও পড়ুন: এবার বাংলাদেশের স্কুল পাঠ্যবই থেকে বাদ যাচ্ছে বঙ্গবন্ধুর জীবনী!

    মাসুদের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপের দাবি জানাল ভারত

    বিশ্বের তাবড় তদন্তকারী সংস্থা তাকে খুঁজছে। এই অবস্থায় কী করে পাকিস্তানের (Pakistan) রাস্তায় প্রশাসনের চোখ এড়িয়ে সে প্রকাশ্যে ভাষণ দিল, সেই প্রশ্ন তুলেছে ভারত। প্রশাসনের মদত ছাড়া তা সম্ভব কি না, তোলা হয়েছে সেই প্রশ্নও। শুক্রবার এ প্রসঙ্গে কড়া বিবৃতি দিয়েছে ভারতের (India) বিদেশ মন্ত্রক। বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল বলেন, ‘‘আমরা ওর (মাসুদের) বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপের দাবি জানাচ্ছি। অবিলম্বে ওকে আইনের আওতায় এনে সাজা দেওয়া উচিত। মাসুদ যে পাকিস্তানে আছে, তা বার বার অস্বীকার করেছে ইসলামাবাদ।” জয়সওয়াল আরও বলেন, ‘‘রিপোর্ট যদি সঠিক হয়, তবে তা নিঃসন্দেহে পাকিস্তানের দ্বিচারিতার পর্দাফাঁস করল। মাসুদ ভারতের সীমান্তে একাধিক জঙ্গিহানা ঘটিয়েছে। আমরা তার শাস্তি চাই।”

    মাসুদের বিরুদ্ধে কী কী অভিযোগ রয়েছে?

    রাষ্ট্রপুঞ্জের নিরাপত্তা পরিষদে ২০১৯ সালের মে মাসে মাসুদকে আন্তর্জাতিক সন্ত্রাসবাদী হিসেবে চিহ্নিত এবং তালিকাভুক্ত করা হয়। ওই বছরের সেপ্টেম্বরে তাকে সন্ত্রাসবাদী হিসেবে তালিকাভুক্ত করে ভারত। ১৯৯৯ সালে কান্দাহারের ভারতীয় বিমান অপহরণকাণ্ড থেকে শুরু করে ভারতে ২০০১ সালের সংসদ হানা, ২০১৯ সালে পুলওয়ামা জঙ্গিহানা, ২০১৬ সালের পাঠানকোট হামলা, ২০০১ সালে জম্মু ও কাশ্মীরের বিধানসভা চত্বরে জঙ্গি হামলার ঘটনার সঙ্গে জড়িত এই মাসুদ। ১৯৯৪ সালে ভারত তাকে গ্রেফতারও করেছিল। কিন্তু ১৯৯৯ সালে তাকে মুক্ত করতে ভারতের একটি বিমান অপহরণ করা হয়। সেই সময়ে বন্দিদের বাঁচাতে মাসুদকে মুক্তি দিতে বাধ্য হয়েছিল নয়াদিল্লি। জেল থেকে বেরিয়ে তিনি জইশ-ই-মহম্মদ নামের জঙ্গিগোষ্ঠী তৈরি করে। ২০০৩ সালে পাকিস্তানের (Pakistan) প্রাক্তন সামরিক শাসক জেনারেল পারভেজ মুশারফের প্রাণনাশের চেষ্টা করেছিল মাসুদ আজহার। তার পর থেকে তাকে আর জনসমক্ষে দেখা যায়নি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Bangladesh: ইসলামাবাদের জন্য অবাধ বাংলাদেশ! পাকিস্তানি হলেই মিলবে ভিসা, নয়া নির্দেশিকা ইউনূসের

    Bangladesh: ইসলামাবাদের জন্য অবাধ বাংলাদেশ! পাকিস্তানি হলেই মিলবে ভিসা, নয়া নির্দেশিকা ইউনূসের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লাগাতার অত্যাচারে চালিয়ে বাংলাদেশকে (Bangladesh) হিন্দুশূন্য করার ছক কষছে মৌলবাদীরা। এই আবহের মধ্যে পাক নাগরিকদের সহজে ভিসা দেওয়ার উদ্যোগ নিল ইউনূস প্রশাসন। বাংলাদেশের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের সিকিউরিটি সার্ভিস ডিভিশন থেকে বিদেশ মন্ত্রকের কাছে চিঠি দিয়ে স্পষ্ট জানিয়েছে, বিশ্বের যে কোনও প্রান্তে থাকা পাকিস্তানের নাগরিক ও পাকিস্তানি বংশোদ্ভূতরাও যাতে সহজে বাংলাদেশের ভিসা পান, তা নিশ্চিত করতে হবে।

    ঢাকা পাক জঙ্গিদের আখড়া! (Bangladesh)

    ইউনূসের এই নির্দেশিকা সমস্ত বাংলাদেশি (Bangladesh) দূতাবাস এবং ডেপুটি হাই কমিশনগুলির জন্যও জারি করা হয়েছে। পাকিস্তানিরা যাতে অনায়াসে বাংলাদেশে প্রবেশ করতে পারেন, সেই লক্ষ্যেই ঢাকার এই পদক্ষেপ। বিষয়টি নিয়ে উদ্বিগ্ন ভারত। ইউনূস সরকারের এই পদক্ষেপে বাংলাদেশ ফের পাক জঙ্গিদের আখড়া হয়ে উঠবে, আশঙ্কা দিল্লির। বাংলাদেশে শেখ হাসিনা সরকারের অপসারণের পর থেকেই প্রভাব বিস্তার করতে মরিয়া পাকিস্তান। আর অন্তর্বর্তী সরকার গঠনের পর থেকেই পাকিস্তানের সঙ্গে বন্ধুত্ব বাড়াতে শুরু করেছেন ইউনূসও। ১৯৭১ সালের পর করাচি থেকে পণ্যবাহী জাহাজ বাংলাদেশে আসেনি। সম্প্রতি করাচি থেকে চট্টগ্রামে এসেছে একটি পণ্যবাহী জাহাজ। পাকিস্তানের সঙ্গে কতটা ঘনিষ্ঠতা বেড়েছে বাংলাদেশের, এতেই তা স্পষ্ট।

    এছাড়া, গত কয়েক মাস ধরে খালেদা জিয়ার বিএনপি’র সঙ্গেও বন্ধুত্ব বাড়াতে শুরু করেছে পাকিস্তান। সম্প্রতি বিএনপি’র চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়ার সঙ্গে দেখা করেছেন পাকিস্তানের রাষ্ট্রদূত সৈয়দ আহমেদ মারুফ। দীর্ঘক্ষণ বৈঠক করেছেন তাঁরা। স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠছে, খালেদা প্রধানমন্ত্রী থাকাকালীন বাংলাদেশ যেভাবে পাক জঙ্গিদের আখড়া হয়ে উঠেছিল, সেই দিন কি আবার ফিরে আসছে? সব মিলিয়ে এটা পরিষ্কার, বাংলাদেশজুড়ে যে অস্থির পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে, সেটাকে কাজে লাগিয়ে ঘোলা জলে মাছ ধরতে চাইছে ইসলামাবাদ।

    আরও পড়ুন: বাংলাদেশে আক্রান্ত সংখ্যালঘুরা, হিন্দুদের জেগে ওঠার ডাক দিলেন শুভেন্দু

    কূটনৈতিক মহলের মতে, বাংলাদেশের (Bangladesh) অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা মহম্মদ ইউনূস হলেও, তাঁর হাত-পা বাঁধা রয়েছে জামাত-ই-ইসলাম, হেফাজতে ইসলামের মতো মৌলবাদী দলগুলির হাতে। এই মৌলবাদী দলগুলি দীর্ঘদিন ধরে মদত দিয়ে আসছে পাকিস্তানকে। তাই বর্তমান পরিস্থিতিতে ঢাকা-ইসলামাবাদের সম্পর্ক যেভাবে গভীর হতে শুরু করেছে, তাতে পরিস্থিতির আরও অবনতি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। তাই এটা পরিষ্কার, বাংলাদেশের মাটিকে কাজে লাগিয়ে ভারতকে উত্তেজিত করার চেষ্টা করবে পাকিস্তান। একই ভাবে সেই চেষ্টা করতে পারে চিনও।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Bangladesh Crisis: খালেদার সঙ্গে বৈঠক পাক কূটনীতিকের, ফের জঙ্গি আখড়া হবে বাংলাদেশ?

    Bangladesh Crisis: খালেদার সঙ্গে বৈঠক পাক কূটনীতিকের, ফের জঙ্গি আখড়া হবে বাংলাদেশ?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশ (Bangladesh Crisis) কি ফের আখড়া হয়ে উঠবে জঙ্গিদের? অন্তত এমনই প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছে বিভিন্ন মহলে। এহেন প্রশ্নের কারণ, সম্প্রতি ঢাকায় পাকিস্তানের কূটনীতিবিদদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন বিএনপি সুপ্রিমো বেগম খালেদা জিয়া (Khaleda Zia)। তার পরেই উঠছে প্রশ্ন, খালেদা জমানায় যেভাবে পাক-জঙ্গিদের আখড়া হয়ে উঠেছিল বাংলাদেশ, ফের কি তেমন অবস্থায় ফিরতে চলেছে ইউনূসের দেশ?

    মাথাচাড়া দিয়েছে মৌলবাদীরা (Bangladesh Crisis)

    হাসিনা সরকারের পতনের পর বাংলাদেশে মাথাচাড়া দিয়েছে মৌলবাদীরা। হিন্দুদের ঘর-বাড়ি জ্বালিয়ে, মেরেধরে, মেয়ে-বউদের তুলে নিয়ে গিয়ে অত্যাচার করছে মৌলবাদীরা। এমতাবস্থায় মঙ্গলবার রাতে খালেদার সঙ্গে দেখা করেন ঢাকায় নিযুক্ত পাক হাইকমিশনার সৈয়দ আহমেদ মারুফ। বৈঠক চলে ঘণ্টাখানেক। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, বাংলাদেশে অশান্তির পরিবেশে সূচ হয়ে ঢুকতে চাইছে পাকিস্তান। সেই কারণেই খালেদার সঙ্গে বৈঠক। প্রসঙ্গত, হাসিনার সঙ্গে যেমন ভারতের সম্পর্ক, খালেদার সঙ্গে পাকিস্তানের সম্পর্কও ঠিক তেমনই। প্রত্যাশিতভাবেই পাকিস্তান যে বাংলাদেশের টালমাটাল পরিস্থিতির সুযোগ নেবে, তা বলাই বাহুল্য।

    খালেদা জমানা

    ২০০১ সাল থেকে ২০০৬ পর্যন্ত বাংলাদেশের মসনদে ছিলেন খালেদা। তাঁর প্রধানমন্ত্রিত্বের এই পাঁচ বছরে বাংলাদেশে ঘাঁটি গেড়েছিল ভারত-বিরোধী নানা শক্তি। এই পর্বে ঢাকায় সক্রিয় হয়ে উঠেছিল পাক গুপ্তচর সংস্থা আইএসআই। আইএসআই মদতপুষ্ট জঙ্গিরা ভায়া বাংলাদেশ হয়ে ভারতে ঢুকে নাশকতা চালিয়ে ফিরে যেত বাংলাদেশে। হাসিনা সরকারের পতনের পর মহম্মদ ইউনূসের অন্তর্বর্তী সরকার মুক্তি দেয় খালেদাকে। তার পরেই (Bangladesh Crisis) সক্রিয় হয়েছেন খালেদা।

    আরও পড়ুন: চলছে হিন্দু নির্যাতন, ঢাকায় যাচ্ছেন ভারতের বিদেশ সচিব, সুর নরম বাংলাদেশের

    সক্রিয় হয়েছে পাকিস্তানও। তার সব চেয়ে বড় প্রমাণ গত ১৩ নভেম্বর পাকিস্তানের করাচি বন্দর থেকে পণ্যবাহী জাহাজ আসে চট্টগ্রাম বন্দরে। ১৯৭১ সালের পর এই প্রথম কোনও পণ্যবাহী জাহাজ পাকিস্তান থেকে এল বাংলাদেশে। কেবল পাকিস্তান নয়, চিনও বাংলাদেশে শক্ত করছে পায়ের নীচের মাটি। হাসিনা দেশ ছেড়ে পালানোর পর খালেদার দল বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আগমগীরের সঙ্গে বৈঠক (Khaleda Zia) করেন চিনা রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন (Bangladesh Crisis)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

  • Sambhal Violence: সম্ভল হিংসায় উদ্ধার হওয়া কার্তুজে পাকিস্তান, আমেরিকা যোগ! বলছে ফরেনসিক রিপোর্ট

    Sambhal Violence: সম্ভল হিংসায় উদ্ধার হওয়া কার্তুজে পাকিস্তান, আমেরিকা যোগ! বলছে ফরেনসিক রিপোর্ট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উত্তরপ্রদেশের সম্ভলে (Sambhal Violence) কট্টর মুসলমানদের দ্বারা সংগঠিত হিংসার ঘটনায় ফরেনসিক দল তদন্ত করে জানিয়েছে, সেদিনের হামলায় পাকিস্তান এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে তৈরি কার্তুজ ব্যবহার করা হয়েছিল। পুলিশ সবরকম যোগসূত্রের পূর্ণাঙ্গ তদন্ত শুরু করেছে। জানা গিয়েছে, ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার কার্তুজগুলিকে পরীক্ষা করে দেখা গিয়েছে সেগুলি পাকিস্তান (Pakistan) অর্ডন্যান্স ফ্যাক্টরিতে তৈরি হয়েছে। ফলে সম্ভলে মসজিদ বিতর্ক এবং হিংসার পিছনে আন্তর্জাতিক চক্রের সম্ভাবনা প্রবল হয়ে উঠেছে। উল্লেখ্য, হিন্দু পক্ষের দাবি, এই সম্ভলের জামা মসজিদ আদতে ভগবান বিষ্ণুর কল্কির মন্দির। মন্দির ভেঙে মসজিদ নির্মাণ করা হয়েছিল মুঘল আমলে।

    রাস্তার ড্রেন থেকে উদ্ধার কার্তুজ (Sambhal Violence)!

    ফরেনসিক রিপোর্টের তথ্য তুলে ধরে ঘটনায় যে পরিকল্পিত এবং বৃহৎ ষড়যন্ত্র জড়িত রয়েছে তা তুলে ধরে উত্তরপ্রদেশ পুলিশ। অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (এএসপি) শ্রীশ চন্দ্র বলেন, “মঙ্গলবার ফরেনসিক দল কোট গারভি (Sambhal Violence) পাড়ায় পৌঁছেছিল। এখানেই গত ২৪ নভেম্বর শাহি জামা মসজিদদের জরিপ চলাকালীন হিংসার ঘটনা ঘটেছিল। একটি বিশেষ দুষ্কৃতীর দল ইট-পাথর বর্ষণ করেছিল। তদন্তকারী দল রাস্তার পাশের ড্রেন থেকে ছয়টি কার্তুজ উদ্ধার করেছে। এই খালি কার্তুজের মধ্যে একটি পাকিস্তান অর্ডন্যান্স ফ্যাক্টরিতে তৈরি করা হয়েছে।” এই তথ্য প্রকাশিত হওয়ার পর থেকেই এলাকার মধ্যে তীব্র চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে। 

    মেটাল ডিটেক্টর ব্যবহার করে তল্লাশি অভিযান চলছে

    পরিষ্কার বোঝা যাচ্ছে, পাকিস্তানের তৈরি হওয়া অস্ত্র ভারতের মধ্যে ব্যবহার করে এদেশের শান্তি-শৃঙ্খলাকে বিঘ্নিত করা হচ্ছে।  ভারতের বাইরে থেকে পাচার হয়ে আসা অস্ত্র দিয়ে ভারতের ক্ষতি সাধনের জন্য ব্যবহার করা হচ্ছে। এতে আন্তর্জাতিক ষড়যন্ত্র আরও প্রকট হয়েছে। ইতিমধ্যে দেশের নিরপাত্তায় থাকা বাহিনী এবং সংস্থাগুলিকে সতর্ক থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এই এলাকার (Sambhal Violence) বিভাগীয় কমিশনার অঞ্জনেয়া সিং বলেন, “একটি কার্তুজের গায়ে ‘পিওএফ’ (অর্থাৎ পাকিস্তান অর্ডন্যান্স ফ্যাক্টরি) লেখা রয়েছে। এটি একটি ৯ মিমি কার্তুজ। বুলেটটি বন্দুক থেকে নিক্ষিপ্ত। অর্থাৎ এটি ফায়ার করা হয়েছিল। এটি সম্ভবত পাকিস্তানে (Pakistan) তৈরি। ‘টু স্টার উইথ এফএল’ সহ আরেকটি ৯ মিমি কার্তুজ সম্ভবত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে তৈরি। এছাড়াও, দুটি ১২-বোরের এবং দুটি ৩২-বোরের খোল পাওয়া গিয়েছে। পুলিশের দল এখনও মেটাল ডিটেক্টর ব্যবহার করে তল্লাশি অভিযান চালাচ্ছে। অভিযানে আমরা পুর নিগমের সহায়তা নিচ্ছি।”

    দুটি তদন্ত দল গঠন করা হয়েছে

    সম্ভল (Sambhal Violence) মসজিদ জরিপের কাজে সরকারী কর্মীদের উপর হামলা করার পর ব্যাপক হিংসার ঘটনাকে কেন্দ্র করে যোগী সরকার দুটি বিশেষ তদন্ত দল এসআইটি গঠন করেছে। সম্ভলের পুলিশ সুপার কৃষাণ কুমার বলেন, “আন্তর্জাতিক কার্তুজ উদ্ধার পুলিশের জন্য চমকপ্রদ ঘটনা এবং তদন্ত সংস্থার সহায়তায় এটি পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে তদন্ত করা হবে। অতীতে, এনআইএ দেশবিরোধী কার্যকলাপে জড়িত অপরাধীদের সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহ করতে স্থানীয় পুলিশের সহায়তা নিয়েছিল। আমরা সন্ত্রাসবাদের সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত সব অপরাধীর ইতিহাস খতিয়ে দেখব এবং হিংসার সঙ্গে জড়িত কিনা তা পরীক্ষা করে দেখা হবে। এমনকী, পাকিস্তানে (Pakistan) তৈরি কার্তুজগুলি হিংসাকে উস্কে দেওয়ার জন্য ইচ্ছাকৃতভাবে ব্যবহার করা হয়েছিল কিনা, তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।”

    আরও পড়ুনঃ স্বর্ণমন্দিরে অকালি প্রধান সুখবীর সিং বাদলকে লক্ষ্য করে চলল গুলি, ধৃত হামলাকারী

    সংঘর্ষে ৪ বন্দুকবাজের মৃত্যু হয়েছিল

    গত ১৯ নভেম্বর উত্তর প্রদেশের সম্ভলে (Sambhal Violence) জামা মসজিদে আদালতের নির্দেশে জরিপের কাজ শুরু হয়েছিল। সুপ্রিম কোর্টে বিষ্ণু শঙ্কর জৈন এবং সাতজন বাদী পক্ষের দায়ের করা মামলার পিটিশনের জবাবে মসজিদ জরিপের নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। তাঁদের দাবি, আদতে এই মসজিদ হল ভগবান বিষ্ণুর হরিহর দেবতার মন্দির। মুসলমান শাসক বাবর এই মন্দির ভেঙে মসজিদ তৈরি করেন। মসজিদ কাঠামোটি বেআইনি, এই নিয়ে হিন্দু পক্ষ তীব্র আপত্তি জানায়। কিন্তু ২৪ অগাস্ট সম্ভলে দ্বিতীয়বার জরিপের কাজ করতে গেলে উত্তেজিত মুসলিম দুষ্কৃতীরা আক্রমণ করে। ইট-পাথর বর্ষণ করে হত্যা করতে পরিকল্পনা করা হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নামানো হয় বিশাল পুলিশ বাহিনী। এতে ২০ জন পুলিশ কর্মী গুরুতর আহত হন। একই ভাবে দুষ্কৃতীদের বন্দুক থেকে গুলির আঘাতে ৩ জন মানুষের মৃত্যু হয়। আবার পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে ৪ বন্দুকবাজের মৃত্যু হয়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • ICC Champions Trophy: হাইব্রিড মডেলেই চ্যাম্পিয়ন্স  ট্রফি! কবে, কোথায় ভারত-পাক ম্যাচ?

    ICC Champions Trophy: হাইব্রিড মডেলেই চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি! কবে, কোথায় ভারত-পাক ম্যাচ?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হাইব্রিড মডেলেই আয়োজিত হতে চলেছে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি (ICC Champions Trophy)। রবিবার আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিলের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব নিয়েছেন জয় শাহ। চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি আয়োজন নিয়ে এবার পাকিস্তানের সঙ্গে তিনিই কথা বলবেন। এই অবস্থায় কিছুটা হলেও নিজেদের অনড় অবস্থান থেকে সরে আসতে বাধ্য হয়েছে পিসিবি। শোনা যাচ্ছে ভারতের ম্যাচগুলি দুবাইতে আয়োজনের কথা ভাবছে তারা। সেই মতো ভারত-পাকিস্তান মহারণও হবে মরু শহরে।

    পিসিবির শর্ত

    হাইব্রিড মডেলে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি (ICC Champions Trophy) আয়োজন করতে রাজি হলেও আইসিসি সূত্রে খবর, একগুচ্ছ শর্ত দিয়েছে পিসিবি। তার মধ্যে অন্যতম হল ২০২৭ অবধি কোনো বহুদেশীয় টুর্নামেন্টের কোনো ম্যাচ ভারতে এসে যাতে না খেলতে হয় সে বিষয়ে আইসিসি’র সবুজ সংকেত চেয়েছে পাক বোর্ড (PCB)। আসন্ন টুর্নামেন্ট গুলির মধ্যে ২০২৬-এর টি-২০ বিশ্বকাপ (T20 World Cup 2026) রয়েছে ভারতের মাটিতে। যদিও সেখানে কো-হোস্ট হিসেবে থাকার কথা শ্রীলঙ্কার। ফলে পাকিস্তান চাইলে দ্বীপরাষ্ট্রে খেলতেই পারে ম্যাচগুলি। সমস্যা দেখা যেতে পারে আগামী বছরে মহিলাদের ওডিআই বিশ্বকাপ (Women’s World Cup 2025) ও পুরুষদের এশিয়া কাপ (Asia Cup 2025) নিয়ে। দুটি টুর্নামেন্টেরই একমাত্র হোস্ট ভারত। পাকিস্তান না এলে তাদের ম্যাচগুলি মধ্যপ্রাচ্য বা অন্য কোথাও আয়োজনের কথা ভাবতে হবে বিসিসিআই-কে। শোনা যাচ্ছে প্রতিটি টুর্নামেন্টের ফাইনালের জন্যও নাকি নিরপেক্ষ ভেন্যু চেয়েছে পিসিবি, তা আদৌ মানা হবে কিনা তা নিয়ে যদিও সংশয় রয়েছে। আইসিসি সূত্রে খবর, সোমবার চেয়ারম্যান হিসেবে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি নিয়ে আইসিসির সদস্য দেশগুলির সঙ্গে ভার্চুয়াল বৈঠক করেন জয় শাহ। তবে আইসিসি-র তরফে এখনও চূড়ান্ত কিছু জানানো হয়নি।

    ভারত-পাক ম্যাচ 

    আইসিসি সূত্রে খবর, সব ঠিক থাকলে দুবাইয়ে খেলা হবে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির (ICC Champions Trophy) ভারত-পাক হাইভোল্টেজ ম্যাচ। সাধারণত মেগা টুর্নামেন্ট শুরু হওয়ার প্রথম সপ্তাহের রবিবার ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ রাখা হয়। সম্প্রচারের কথা মাথায় রেখেই এই সিদ্ধান্ত নেয় আইসিসি। আসন্ন চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির ক্ষেত্রেও সেই প্রথাই মানা হবে। সম্ভবত ২৩ ফেব্রুয়ারি মুখোমুখি হতে চলেছে দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Champions Trophy: পাকিস্তানকে ছাড়াই চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি! পিসিবিকে কড়া সতর্কতা আইসিসির

    Champions Trophy: পাকিস্তানকে ছাড়াই চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি! পিসিবিকে কড়া সতর্কতা আইসিসির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পাকিস্তানকে ছাড়াই চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির (Champions Trophy) কথা ভাবছে আইসিসি (ICC)। হাইব্রিড মডেলে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি আয়োজনে রাজি না হলে পাকভূমি থেকে সরবে প্রতিযোগিতা। আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল সূত্রে খবর, পাকিস্তান যদি হাইব্রিড মডেলের জন্য প্রস্তুত না হয় তবে অন্য কোনও দেশে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি আয়োজনের সিদ্ধান্ত নেওয়া যেতে পারে। মনে করা হচ্ছে সংযুক্ত আরব আমিরশাহিতেও এই টুর্নামেন্ট হতে পারে। সেক্ষেত্রে পাকিস্তান না খেলার সম্ভাবনা বেশি। আইসিসি, পিসিবি ও বিসিসিআই-এর বৈঠক হওয়ার কথা শনিবার, ৩০ নভেম্বর।

    হাইব্রিড মডেলেই চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি

    ২০২৫ সালের চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির (Champions Trophy) আয়োজক পাকিস্তান। ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড (BCCI) আইসিসিকে (ICC) জানিয়ে দিয়েছে, পাকিস্তানে দল পাঠানো হবে না। জয় শাহেরা হাইব্রিড মডেলে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি আয়োজনের কথা বলেছেন। ভারতের ম্যাচগুলি সংযুক্ত আরব আমিরশাহিতে আয়োজনের প্রস্তাবও দেওয়া হয়েছে। অন্যদিকে, পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড প্রতিযোগিতা আয়োজনের অধিকার ছাড়তে নারাজ। হাইব্রিড মডেল মানবেন না বলে জানিয়ে দিয়েছেন পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের (পিসিবি) কর্তারা।  পিসিবি-র তরফ থেকে নাকি বলা হয়েছিল যে যদি ভারত পাকিস্তানে না যায় তাহলে তারা কখনই অন্য কোথাও এই টুর্নামেন্টের আয়োজন করবে না। আইসিসি তাদের উপর চাপ দিলে তারা চ্যাম্পিয়নস ট্রফি আয়োজন করবে না এবং খেলবেও না। এমন অবস্থায় এবার আইসিসি পিসিবি-র উপর চাপ দিতে তৈরি করল।

    চাপে পাকিস্তান

    আগামী বছর ফেব্রুয়ারি-মার্চ মাসে পাকিস্তানে হওয়ার কথা চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি (Champions Trophy)। ২০০৮ সালে মুম্বইয়ে জঙ্গি হামলার পর থেকে ভারত-পাকিস্তান দ্বিপাক্ষিক ক্রিকেট সম্পর্ক বন্ধ। কোনও বহুদলীয় প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণের জন্যও পাকিস্তানে যায় না ভারতীয় ক্রিকেট দল। গত বছর এশিয়া কাপের সময়ও রোহিত শর্মা, বিরাট কোহলিদের পাকিস্তানে পাঠায়নি বিসিসিআই। ভারতের ম্যাচ-সহ বেশ কিছু খেলা হয়েছিল শ্রীলঙ্কায়। সে ভাবেই যাতে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি আয়োজন করা যায়, তা ভাবছে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল। কিন্তু পাকিস্তান সায় না দেওয়ায় এবার পিসিবিকে কড়া ভাষায় জাবাব দিল আইসিসি। সূত্রের খবর, পিসিবিকে বলা হয়েছে তারা যদি হাইব্রিড মডেলে না খেলে তাহলে পাকিস্তানকে ছাড়াই হবে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি। উল্লেখ্য আগামী কাল রবিবার, ১ ডিসেম্বর জয় শাহ আইসিসির সর্বোচ্চ পদের দায়িত্ব নেবেন। এরপরই চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি নিয়ে চূড়ান্ত বৈঠকে বসবে আইসিসি, এমনই খবর। বৈঠকে থাকার কথা আইসিসির পূর্ণ সদস্য ১২টি বোর্ডের প্রতিনিধি, তিনটি সহযোগী সদস্য বোর্ডের প্রতিনিধি, এক জন নিরপেক্ষ পর্যবেক্ষক, আইসিসির চেয়ারম্যান এবং সিইও-র। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • NIA: লস্কর জঙ্গি সলমন রহমনকে আফ্রিকা থেকে ভারতে ফেরাল এনআইএ, রয়েছে পাকিস্তান যোগ

    NIA: লস্কর জঙ্গি সলমন রহমনকে আফ্রিকা থেকে ভারতে ফেরাল এনআইএ, রয়েছে পাকিস্তান যোগ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লস্কর-ই-তৈবা জঙ্গি সলমন রহমন খানকে ভারতে ফেরাল কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। জানা গিয়েছে, নিরাপত্তা ও গোপনীয়তা বজায় রেখে তাকে আফ্রিকার রোয়ান্ডা থেকে ভারতে আনা হয়েছে। যৌথভাবে এই প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ করেছে ভারতের জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা এনআইএ (NIA) এবং কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা সিবিআই। এ কাজে সাহায্য করে ইন্টারপোলও।

    ঠিক কী অভিযোগ রয়েছে? (NIA)

    পাকিস্তানের লস্কর-ই-তৈবার মদতে বেঙ্গালুরুতে নাশকতার কাজে যুক্ত ছিল সলমন। বেঙ্গালুরুতে (NIA) বিশাল পরিমাণ অস্ত্র উদ্ধারের পর তার নাম উঠে আসে। তদন্তে নেমে জানা যায়, টি নাসির নামে এক লস্কর-ই-তৈবা জঙ্গি, যে যাবজ্জীবনের সাজা কাটার জন্য ওই সংশোধনাগারে বন্দি, সে-ই আবাসিকদের মধ্যে জঙ্গি প্রচার চালানোর ষড়যন্ত্র করেছিল। এনআইএ-র দাবি, একটি পকসো মামলায় বেঙ্গালুরু কেন্দ্রীয় সংশোধনাগারে বন্দি ছিল সলমন রহমান খানও। সেখানে সে নাসিরের সংস্পর্শ আসে। পরে নাসিরের নির্দেশে সন্ত্রাস ছড়ানোর জন্য বিস্ফোরক ও অস্ত্র হামলাকারীদের মধ্যে বিতরণের দায়িত্ব নেয়। বেঙ্গালুরুতে অস্ত্র সরবরাহের সঙ্গে যুক্ত ছিল সে। এছাড়া তার বিরুদ্ধে বেঙ্গালুরুর সংশোধনাগারে মৌলবাদী ভাবধারা প্রচার এবং মৌলবাদীদের নিয়োগের ষড়যন্ত্র করার অভিযোগ রয়েছে। পারাপ্পানা অগ্রহর সেন্ট্রাল প্রিজন অর্থাৎ জেল থেকে সাতটি পিস্তল, চারটি হ্যান্ড গ্রেনেড, একটি ম্যাগাজিন ও ৪৫ রাউন্ড গুলি উদ্ধার হয়েছিল। চারটি ওয়াকিটকিও উদ্ধার হয় সেসময়। তারপরই অস্ত্র সরবরাহ-সহ একাধিক অভিযোগ ওঠে তার বিরুদ্ধে। ২০২৩ সালে এনআইএ-র অপরাধী তালিকায় যুক্ত হয় তার নাম। অস্ত্র আইনে মামলা রুজু হয়। তার খোঁজে তল্লাশি চলছিলই।

    আরও পড়ুন: বাংলাদেশে হিন্দুদের সুরক্ষা নিয়ে উদ্বিগ্ন কেন্দ্র, আজ সংসদে বিবৃতি দেবেন জয়শঙ্কর

    এনআইএ কী জানাল?

    এই ইস্যুতে একটি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে এনআইএ-এর (NIA) তরফে জানানো হয়েছে – ‘‘বেঙ্গালুরু কেন্দ্রীয় সংশোধনাগারে সন্ত্রাসী মৌলবাদী ভাবধারার প্রচার এবং সন্ত্রাস চালানোর জন্য পরবর্তীতে মৌলবাদীদের নিয়োগ সংক্রান্ত ষড়যন্ত্রে লিপ্ত থাকার অভিযোগে অভিযুক্ত সলমনকে নিজেদের হেফাজতে নিয়েছে এনআইএ। এই প্রক্রিয়ায় সহযোগিতা করেছে রোয়ান্ডা ইনভেস্টিগেশন ব্যুরো (আরআইবি), ইন্টারপোল এবং ন্যাশনাল সেন্ট্রাল ব্যুরো (এনসিবি)। ওই ব্যক্তিকে ২৭ নভেম্বর হেফাজতে নেওয়া হয় এবং পরে তাকে ভারতে নিয়ে আসা হয়।’’ এনআইএ-র তরফ থেকে আরও জানানো হয়েছে, ‘‘২০২০ সাল থেকে এখনও পর্যন্ত কোনও না কোনও গুরুতর মামলায় যুক্ত মোট ১৭ জন অভিযুক্ত সন্ত্রাসবাদীকে অন্য কোনও দেশ থেকে ভারতে নিয়ে আসা হয়েছে।’’

    জঙ্গি গ্রেফতার প্রসঙ্গে কী বলল সিবিআই?

    সিবিআই-এর পক্ষ থেকেও আলাদা একটি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। তাতে বলা হয়, ‘‘এনআইএ-র অনুরোধ অনুসারে গত ২ অগাস্ট সিবিআই-এর পক্ষ থেকে ইন্টারপোলের মাধ্যমে সলমন খানের (Militant) নামে একটি রেড নোটিশ জারি করা হয়। ওই ওয়ান্টেড অপরাধীকে শনাক্ত করতে সারা বিশ্বের আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী সংস্থাগুলিকে সেই অ্যালার্ট পাঠিয়ে দেওয়া হয়। শেষমেশ রোয়ান্ডায় সলমন রহমান খানের হদিশ পাওয়া যায়। এরপরই সিবিআই-এর তরফ থেকে রোয়ান্ডার রাজধানী এবং সবথেকে বড় শহর কিগালিতে অবস্থিত ইন্টারপোল-এর ন্যাশনাল সেন্ট্রাল ব্যুরোর কাছে সলমন খানকে ধরার জন্য সাহায্য চাওয়া হয়।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share