Tag: PM Modi

PM Modi

  • Trump Visit India: ভারত সফরে আসতে পারেন ট্রাম্প, মোদির কাছেও আসবে হোয়াইট হাউজের আমন্ত্রণ!

    Trump Visit India: ভারত সফরে আসতে পারেন ট্রাম্প, মোদির কাছেও আসবে হোয়াইট হাউজের আমন্ত্রণ!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রেসিডেন্ট হিসেবে ডোনাল্ড ট্রাম্প (Trump Visit India) ২০ জানুয়ারি শপথ গ্রহণ করতে চলেছেন। জানা গিয়েছে, প্রেসিডেন্ট পদে বসার পর খুব শীঘ্রই ভারত সফরে আসতে পারেন তিনি। এই নিয়ে নাকি তিনি তাঁর ঘনিষ্ঠ পরামর্শদাতাদের সঙ্গে আলোচনাও করেছেন। গত ডিসেম্বরে ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর যখন ওয়াশিংটনে গিয়েছিলেন, তখন এই নিয়ে প্রাথমিক আলোচনা হয়েছিল। উল্লেখ্য, ট্রাম্পের শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে ভারত সরকারের হয়ে উপস্থিত থাকবেন জয়শঙ্কর। এমনকী ট্রাম্প নাকি চিন সফরেও যেতে চাইছেন।

    কবে ভারতে আসছেন ট্রাম্প? (Trump Visit India)

    রিপোর্ট অনুযায়ী, ট্রাম্প ভারত সফরে আসতে পারেন এপ্রিলেই। আর সেই সময় যদি তা সম্ভব না হয়, তাহলে চলতি বছরের শেষের দিকে শীতকালে ভারতে আসতে পারেন তিনি। অন্যদিকে, এর আগে নিজের নির্বাচনী প্রচারের সময় চিনের ওপর শুল্কের বোঝা চাপানোর হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। নিজের প্রথম কার্যকালে চিনকে বারংবর বিভিন্ন ইস্যুতে আক্রমণ শানিয়েছিলেন ট্রাম্প (Trump Visit India) । কোভিডকে ‘চিনা ভাইরাস’ নাম দিয়েছিলেন তিনি। তবে এরই মাঝে এবার চিনের সঙ্গে সম্পর্ক মেরামত করতে আগ্রহ প্রকাশ করেছেন তিনি। 

    আরও পড়ুন: দলিত পরিবারকে ইসলামে ধর্মান্তরিত করার চেষ্টা! ৫ জন গ্রেফতার

    মোদিকে আমন্ত্রণ জানাতে পারে ট্রাম্প প্রশাসন

    রিপোর্টে আরও দাবি করা হয়েছে, এই বসন্তেই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে (Narendra Modi) হোয়াইট হাউজে আমন্ত্রণ জানাতে পারে ট্রাম্প প্রশাসন। জানা গিয়েছে, গত ডিসেম্বরে ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর যখন ওয়াশিংটনে গিয়েছিলেন, তখন এই নিয়ে প্রাথমিক আলোচনা হয়েছিল। উল্লেখ্য, ট্রাম্পের (Trump Visit India) শপথ অনুষ্ঠানে ভারত সরকারের হয়ে উপস্থিত থাকবেন জয়শঙ্কর। এদিকে চিনের তরফ থেকে ট্রাম্পের শপথ অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন সে দেশের ভাইস প্রেসিডেন্ট হান ঝেং। একদিন আগেই অবশ্য চিনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ে সঙ্গে ট্রাম্পের কথা হয় ফোনে। সেই ফোনালাপেই জিনপিংকে ব্যক্তিগত ভাবে শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন ট্রাম্প। তবে জিনপিং বিদেশি কোনও রাষ্ট্রনায়কের শপথ অনুষ্ঠানে যোগ দেন না বলে জানান। অবশ্য ট্রাম্প পরে জানান, ফোনে তাঁদের কথাবার্তা ‘ইতিবাচক’ ছিল। ট্রাম্পের কথায়, “আমি আশা করি একসঙ্গে আমরা অনেক সমস্যার সমাধান করব। প্রেসিডেন্ট শি এবং আমি এমন সব কিছুই করব যাতে বিশ্ব শান্তি বজায় থাকে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • PM Modi: “মোদির নেতৃত্বে ভারত হবে এক বা দু’নম্বর অর্থনীতির দেশ”, বললেন চন্দ্রবাবু

    PM Modi: “মোদির নেতৃত্বে ভারত হবে এক বা দু’নম্বর অর্থনীতির দেশ”, বললেন চন্দ্রবাবু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এখন আর শুধু ভারতের নেতা নন, তিনি এখন বিশ্বের নেতা।” দিন দশেক আগে কথাগুলি বলেছিলেন অন্ধ্রপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী চন্দ্রবাবু নাইডু (Chandrababu Naidu)। আর শনিবার সেই চন্দ্রবাবুই জানিয়ে দিলেন, মোদির নেতৃত্বে ২০৪৭ সালের মধ্যে বৃহত্তম অর্থনীতির দেশের তালিকায় ভারতের ঠাঁই হবে এক কিংবা দু’নম্বরে।

    মোদির নেতৃত্ব (PM Modi)

    এদিন কড়াপা জেলার মাইডুকুরে একটি সভায় ভাষণ দিতে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “রাজ্যে এনডিএ ২৫টির মধ্যে ২১টি লোকসভা আসন জিতেছে, তা যেন ‘সঞ্জীবনী’ হয়ে উঠেছে। যদিও তেলেগু দেশম পার্টি এক কোটি সদস্যসহ একটি আঞ্চলিক দল, তবুও এটি সব সময় একটি জাতীয় দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে কাজ করে এসেছে।” তিনি বলেন, “আমরা আগেও ২০১৪ থেকে ২০১৯ সালের মধ্যে এনডিএর সঙ্গে কাজ করেছি।” এর পরেই তিনি বলেন, “আমার কোনও সন্দেহ নেই যে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর নেতৃত্বে ২০৪৭ সালের মধ্যে ভারত এক নম্বর বা দু’নম্বর অর্থনীতির দেশ হয়ে উঠবে। আমার লক্ষ্য হল তেলেগু জনগণকে বিশ্বব্যাপী এক নম্বর স্থানে দেখতে পাওয়া।”

    ‘ডবল ইঞ্জিন সরকারে’র প্রশস্তি

    এদিন চন্দ্রবাবুর মুখেও ‘ডবল ইঞ্জিন সরকারে’র (PM Modi)  প্রশস্তি শোনা যায়। অন্ধ্রপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “উন্নয়ন নিশ্চিত করা সম্ভব কেবলমাত্র ‘ডবল ইঞ্জিন সরকার’ থাকার মাধ্যমে, যা রাজ্য এবং কেন্দ্রীয় স্তরে দ্বিগুণ উন্নয়ন হার নিয়ে আসবে। তিনি জানান, কেন্দ্রীয় সরকার পোলভারম সেচ প্রকল্পসহ একাধিক প্রকল্পের জন্য সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছে। বিশাখাপত্তনম স্টিল প্ল্যান্টের জন্য একটি প্যাকেজ ঘোষণা করেছে। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “আমরা আপনাদের এই বলে আশ্বস্ত করছি যে পোলভারম সেচ প্রকল্প আগামী দু’বছরের মধ্যে সম্পন্ন হবে। কেন্দ্রীয় সরকার ইতিমধ্যেই প্রকল্পের প্রথম পর্যায়ের জন্য ১২,২০০ কোটি টাকা বরাদ্দ করেছে। ডায়াফ্রাম ওয়াল নির্মাণের কাজ শুরু হয়ে গিয়েছে।”

    আরও পড়ুন: ভুয়ো নথি ব্যবহার করে মুসিবুল হল প্রদীপ, একত্রবাস হিন্দু মেয়ের সঙ্গে, গ্রেফতার

    চন্দ্রবাবুর মুখে মোদি-স্তুতি শোনা গিয়েছে আগেও। কিছুদিন আগেই তিনি (Chandrababu Naidu) বলেছিলেন, “আমি সব সময় আপনার কাছ থেকে কিছু না কিছু অনুপ্রেরণা পাই। আপনার কাছ থেকে শিখি। আপনার নেতৃত্বে ভারত উন্নতির শিখরে পৌঁছবে। আমরা সবাই আপনার জন্য গর্বিত (PM Modi)।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • PM Modi: একদিনে ৬৫ লাখের বেশি সম্পত্তি কার্ড বিলি, অভিনব রেকর্ড গড়লেন প্রধানমন্ত্রী মোদি

    PM Modi: একদিনে ৬৫ লাখের বেশি সম্পত্তি কার্ড বিলি, অভিনব রেকর্ড গড়লেন প্রধানমন্ত্রী মোদি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: একদিনে ৬৫ লাখের বেশি সম্পত্তি কার্ড (SVAMITVA Scheme) বিলি করে রেকর্ড গড়লেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। দেশের দশটি রাজ্য ও দুটি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে এই কার্ড বিলি করা হল। অনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালি যোগ দিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী। সম্পত্তি কার্ড বা জমির পাট্টা দেওয়া হল যে প্রকল্পে, তার নাম ‘স্বমিত্ব’।

    কী বললেন প্রধানমন্ত্রী? (PM Modi)

    এদিনের অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আজকের দিনটা গ্রামীণ নাগরিকদের জন্য যথেষ্ট গুরুত্বপূর্ণ। বিভিন্ন রাজ্যে এই সম্পত্তি কার্ডের বিভিন্ন নাম, তবে কাজ একটাই। গত এক বছরে ১ কোটি সম্পত্তি কার্ড বিলি করা হয়েছে কেন্দ্রীয় সরকারের তরফে।” তিনি বলেন, “আজ দেশের গ্রামগুলি এবং দেশের গ্রামীণ অর্থনীতির জন্য একটি ঐতিহাসিক দিন। এই অনুষ্ঠানে অনেক রাজ্যের রাজ্যপাল যোগদান করেছেন। ওডিশা, ছত্তিশগড়, মধ্যপ্রদেশ, রাজস্থান, উত্তরপ্রদেশ, মহারাষ্ট্র এবং গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রীরাও আমাদের সঙ্গে যোগ দিয়েছেন। স্বত্ব প্রকল্পের সঙ্গে যুক্ত হাজার হাজার গ্রাম পঞ্চায়েতের সহকর্মী এবং লক্ষ লক্ষ উপভোক্তা এই উদ্যোগের শরিক হয়েছেন। এটি নিজের মধ্যেই একটি বিশাল এবং বিস্তৃত প্রকল্প এবং আপনারা সবাই এতে বড় উৎসাহের সঙ্গে যোগ দিয়েছেন। আমি আপনাদের সবাইকে অভিনন্দন জানাই।”

    জাতীয় পঞ্চায়েত দিবসে সূচনা

    ২০২০ সালে জাতীয় পঞ্চায়েত দিবসে গ্রামীণ নাগরিকদের জন্য এই প্রকল্পের সূচনা করে কেন্দ্রের মোদি সরকার (PM Modi)।লপ্রথম দফায় মহারাষ্ট্রের পুণে জেলায় সোনারি গ্রামে পাইলট প্রকল্প হিসেবে সূচনা হয়েছিল এই প্রকল্পের। পরে তা ছড়িয়ে দেওয়া হয় গোটা দেশে।

    আরও পড়ুন: সীমান্তের নিরাপত্তা নিয়ে আপস নয়, ইউনূস প্রশাসনকে সাফ জানিয়ে দিল ভারত

    এই প্রকল্পের আওতায় ড্রোনের মাধ্যমে গ্রামীণ নাগরিকদের জমি-জিরেতের সম্পূর্ণ মানচিত্র তৈরি করা হয়। সেই মানচিত্রের ভিত্তিতেই দেওয়া হয় সম্পত্তি কার্ড। জমি-বাড়ি বিক্রি কিংবা কার্ড (SVAMITVA Scheme) বন্ধক রেখে ঋণ নেওয়ার ক্ষেত্রে এই কার্ড খুবই গুরুত্বপূর্ণ (PM Modi)।

       

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Narendra Modi: গাড়ি মেলার উদ্বোধনে মোদি,  দিলেন পরিবেশবান্ধব উন্নয়ন ও কর্মসংস্থানের বার্তা

    Narendra Modi: গাড়ি মেলার উদ্বোধনে মোদি, দিলেন পরিবেশবান্ধব উন্নয়ন ও কর্মসংস্থানের বার্তা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নয়া দিল্লিতে ‘ভারত মোবিলিটি গ্লোবাল এক্সপো ২০২৫’ – শুক্রবার থেকে শুরু হল। উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Narendra Modi)। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন একাধিক কেন্দ্রীয় মন্ত্রী। প্রগতি ময়দান, দ্বারকা, গ্রেটার নয়ডা এই তিন জায়গায় অনুষ্ঠিত হচ্ছে গাড়ি মেলা। ইন্ডিয়া এক্সপো সেন্টার এবং মার্টে আয়োজিত এই মেগা ইভেন্টে (BMGE 2025) ভারত-সহ বিভিন্ন দেশ-বিদেশের প্রথম সারির অটোমোবাইল কোম্পানি অংশগ্রহণ করছে। আগামী ২২ জানুয়ারি পর্যন্ত চলবে এই গাড়ি মেলা।

    পরিকাঠামোগত উন্নয়নে ১১ লক্ষ কোটি টাকা বরাদ্দ (Narendra Modi)

    এদিন উদ্বোধন মঞ্চ থেকেই দেশের পরিকাঠামো উন্নয়নে কেন্দ্রীয় সরকারের ভূমিকা তুলে ধরলেন তিনি। মোদি (Narendra Modi) উল্লেখ করেন, গতবারের কেন্দ্রীয় বাজেটে শুধুমাত্র পরিকাঠামোগত উন্নয়নের জন্যই সরকার ১১ লক্ষ কোটি টাকা বরাদ্দ করেছে। পিএম গতিশক্তি জাতীয় মাস্টার প্ল্যান এবং জাতীয় লজিস্টিক নীতির মতো নতুন ধরনের উদ্যোগ শুরু করেছে। প্রসঙ্গত, এই অনুষ্ঠানের ব্যানারেই দিল্লি-এনসিআর অঞ্চলের দ্বারকা যশভূমি এবং গ্রেটার নয়ডার ইন্ডিয়া এক্সপো মার্টে আগামী পাঁচদিন ধরে নানা কর্মসূচি পালন করা হবে। যার মধ্যে রয়েছে পণ্য ও পরিষেবা সংক্রান্ত একাধিক উদ্বোধনী অনুষ্ঠান। আশা করা হচ্ছে, এই পাঁচদিনে অন্তত ৫ লক্ষ মানুষ এই এক্সপো বা মেলা দেখতে আসবেন। জানা গিয়েছে, প্রথম দিনটি কেবলমাত্র মিডিয়া কভারেজের জন্য এবং দ্বিতীয় দিনটি ডিলারদের জন্য বিশেষ ভাবে সংরক্ষিত করা হয়েছে। এরপর, ১৯ জানুয়ারি থেকে আম জনতা প্রবেশ করতে পারবেন। প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত চলবে এই মেলা । বিনামূল্যে এই মেলায় প্রবেশ করতে পারেবন। http://www.bharat-mobility.com ওয়েবসাইটে গিয়ে রেজিস্ট্রার করতে হবে।

    আরও পড়ুন: লক্ষ্য ছিল সইফের ছোট ছেলে জেহ্! পুলিশকে দেওয়া পরিচারকের বয়ানে হাড়হিম করা তথ্য

    কোন কোন গাড়ি কোম্পানি অংশগ্রহণ করেছে

    জানা গিয়েছে, হিরো মোটোকর্প, সুজুকি, মোটরসাইকেল ইন্ডিয়ার মতো কোম্পানিগুলি যারা বাইক ও স্কুটি উৎপাদন করে থাকে, এখানে অংশগ্রহণ করেছে। পাশাপাশি মারুতি সুজুকি, হুন্ডাই মোটর ইন্ডিয়া, টাটা মোটরস, কিয়া ইন্ডিয়া, এমজি মোটর ইন্ডিয়া এবং স্কোডা অটো ভক্সওয়াগেন ইন্ডিয়ার মতো ব্র্যান্ডগুলিও রয়েছে। সংস্থাগুলির বিভিন্ন গাড়ির নতুন এবং অত্যাধুনিক মডেল রয়েছে ডিসপ্লেতে।

    বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম গাড়ির বাজার ভারত

    এদিনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের মঞ্চ থেকে ফের একবার প্রধানমন্ত্রী (Narendra Modi) উল্লেখ করেন, “ভারত বর্তমানে বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম গাড়ির বাজার।” তাঁর যুক্তি, “দেশের বিপুল যুব জনসংখ্যা, ক্রমবর্ধমান মধ্যবিত্ত, দ্রুত নগরায়ন, আধুনিক পরিকাঠামো উন্নয়ন করা হয়েছে। একইসঙ্গে মেক ইন ইন্ডিয়া উদ্যোগের মাধ্যমে সাশ্রয়ী মূল্যে গাড়ি উৎপাদন করার ফলে আগামী দিনে ভারতের গাড়ির বাজার এক অভূতপূর্ব রূপান্তর ও সম্প্রসারণের সাক্ষী থাকবে।” মোদি আরও দাবি করেন, “গত এক দশকে প্রায় ২৫ কোটি ভারতীয় দারিদ্র্য থেকে মুক্তি পেয়েছেন এবং একটি নতুন মধ্যবিত্ত শ্রেণি গঠিত হয়েছে। যাঁরা আগামী দিনে তাঁদের প্রথম গাড়ি কিনবেন।”

    বিদেশি বিনিয়োগ কত?

    এদিনের এই মঞ্চ থেকে মোদি (Narendra Modi) আরও বলেন, “মেক ইন ইন্ডিয়া উদ্যোগ এবং উৎপাদনের সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত উদ্যোগ (পিএলআই)-সমূহের ফলে গাড়ির উৎপাদন ক্ষেত্রে প্রায় ২.৫ লক্ষ কোটি টাকারও বেশি বিকিকিনি হয়েছে এবং সামগ্রিকভাবে অটো মোবাইল সেক্টরে ১,৫০,০০০ প্রত্যক্ষ কর্মসংস্থান তৈরি হয়েছে।” তিনি আরও জানান, “গত চার বছরে এই ক্ষেত্রটিতে ৩,৬০০ কোটি মার্কিন ডলারের প্রত্যক্ষ বিদেশি বিনিয়োগ করা হয়েছে, যা অটোমোবাইল সেক্টরের একটি উল্লেখযোগ্য চালিকাশক্তি হিসেবে কাজ করেছে।” এদিন আর্থিক ও প্রযুক্তি উন্নয়নের পাশাপাশি পরিবেশ সচেতনতা ও পরিবেশ রক্ষারও পাঠ দেন মোদি। বলেন, “অর্থনীতি ও বাস্তুতন্ত্রের মধ্যে ভারসাম্য বজায় রাখতে পরিবেশবান্ধব যানবাহন তৈরিতে আরও জোর দিতে হবে।”

    সাতটি ‘সি’-র গুরুত্ব উল্লেখ

    এই প্রসঙ্গেই সাতটি ‘সি’-র গুরুত্ব উল্লেখ করেন মোদি। এগুলি হল – কমন (সাধারণ), কানেকটেড (সংযুক্ত থাকা), কনভেনিয়েন্ট (সুবিধাজনক), কনজেশন-ফ্রি (যানজট মুক্ত), চার্জড (চার্জ থাকা), ক্লিন (স্বচ্ছ) এবং কাটিং-এজ (অত্যাধুনিক)। অর্থাৎ, মোদির (Narendra Modi) বার্তা এখানে একেবারেই স্পষ্ট। তা হল – অত্যাধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে এমন এক যানজটমুক্ত এবং সাশ্রয়ী গতিশীলতা সৃষ্টি করতে হবে, যা কোনওভাবেই পরিবেশের ভারসাম্য নষ্ট করবে না।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • ISRO: বিশ্বের চতুর্থ দেশ হিসেবে মহাকাশে দুই উপগ্রহকে জুড়ল ভারত, ইসরোকে অভিনন্দন মোদির

    ISRO: বিশ্বের চতুর্থ দেশ হিসেবে মহাকাশে দুই উপগ্রহকে জুড়ল ভারত, ইসরোকে অভিনন্দন মোদির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মহাকাশ গবেষণায় ইসরোর (ISRO) মুকুটে জুড়ল নয়া পালক। মহাকাশে দুই কৃত্রিম উপগ্রহকে সংযুক্ত (ডকিং) করে ইতিহাস রচনা করল দেশের মহাকাশ গবেষণা সংস্থা। রাশিয়া, আমেরিকা এবং চিনের পর চতুর্থ দেশ হিসেবে এই সাফল্য অর্জন করল ভারত। চতুর্থবারের প্রয়াসে এমন সাফল্য পেল ভারত। বৃহস্পতিবার, ১৬ জানুয়ারি, সকাল ১০টা নাগাদ সোশ্যাল মিডিয়ায় দেশের এমন সাফল্যের ঘোষণা করে ইসরো। এরপরেই এক্স মাধ্যমে ইসরোকে অভিনন্দন জানান প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।

    সমাজমাধ্যমে কী লিখল ইসরো (ISRO)?

    সমাজমাধ্যমে লেখা হয়, ‘‘দুই কৃত্রিম উপগ্রহকে সংযুক্ত করার কাজ সফল। এটি একটি ঐতিহাসিক মুহূর্ত। ১৫ থেকে তিন মিটার দূরত্বে এনে শুরু হয় প্রক্রিয়া। নির্ভুল পদ্ধতিতে সংযুক্ত করার কাজ সফল হয়। সবকিছু মসৃণভাবেই মিটেছে। সবকিছু স্থিতিশীল।’’

    শুভেচ্ছা জানালেন মোদি

    প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিও ইসরোর এমন সাফল্যে উচ্ছ্বসিত এবং তিনি এক্স মাধ্যমে পোস্ট করেছেন এবিষয়ে। নিজের এক্স মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী লেখেন, ‘‘ইসরোর সমস্ত বিজ্ঞানীদের জানাই অভিনন্দন। অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এই সাফল্য। দেশের মহাকাশ গবেষণার ক্ষেত্রে এটি একটি মাইলস্টোন।’’

    শুভেচ্ছা কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর

    ইসরোর এই সাফল্যে অভিনন্দন জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জিতেন্দ্র সিং-ও। নিজের এক্স মাধ্যমে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী লেখেন, ‘‘ডকিং সম্পূর্ণ হল। ভবিষ্যতে মহাকাশ গবেষণার অনেক দিক খুলে গেল।’’

    কেন এই ডকিং পরীক্ষা গুরুত্বপূর্ণ?

    প্রসঙ্গত, ২০২৪ সালের ৩০ ডিসেম্বর কৃত্রিম উপগ্রহ সংযুক্তিকরণ অভিযানের সূচনা ঘটে। এই অভিযানে দু’টি কৃত্রিম উপগ্রহকে মহাকাশে পাঠায় ইসরো (ISRO)। একটি হল, ‘SDX01 (Chaser)’ এবং অপরটি হল ‘SDX02 (Target)’. ইসরো সূত্রে তখনই জানা যায়, প্রতিটি কৃত্রিম উপগ্রহের ওজন ২২০ কেজি করে। পিএসএলভি-সি৬০ রকেটে চাপিয়ে সেগুলিকে উৎক্ষেপণ করা হয়। প্রসঙ্গত, এই অভিযানের মাধ্যমে অনেক কিছুরই দরজা খুলে গেল মনে করছেন বিজ্ঞানীরা। ইসরোর পরবর্তী চন্দ্রযান অভিযান বা গগনযান অভিযান অথবা ভারতের নিজস্ব স্পেস স্টেশন নির্মাণের সময় এই পদ্ধতি কাজে আসবে। এই ডকিং প্রক্রিয়া ছিল তারই ট্রায়াল। চন্দ্রযান ৪ অভিযানে চাঁদের মাটি পৃথিবীতে নিয়ে আসা, চাঁদের মাটিতে মানুষ নামানো, মহাকাশচারীদের জন্য রসদ সরবরাহের ক্ষেত্রে এই অভিযান ছিল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

    দেশীয় প্রযুক্তিকেই কাজে লাগানো হয়

    বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, দুটি কৃত্রিম উপগ্রহকে মহাকাশে সংযুক্তিকরণ করার কাজ মোটেও সহজ নয়। জানা গিয়েছে, এই অভিযানকে সফল করতে দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি ভারতীয় ডকিং সিস্টেমকেই ব্যবহার করে ভারতের মহাকাশ গবেষণা সংস্থা ইসরো (ISRO)। গত ১২ ডিসেম্বর ৩ মিটার দূরত্ব পর্যন্ত কাছাকাছি হয় দুই উপগ্রহ, এরপরে পিছু হটে তারা। খুব কাছাকাছি পৌঁছে গেলেও, দুই কৃত্রিম উপগ্রহকে নিরাপদ দূরত্বে সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়। এরপর গত ৭ এবং ৯ জানুয়ারি ইসরোর তরফ থেকে দু’বার ডকিংয়ের চেষ্টা চালানো হয়েছিল। তবে প্রযুক্তিগত ত্রুটির কারণে সম্ভব হয়নি ডকিং। আজ ১৬ জানুয়ারি সেই কাজেই মিলল সাফল্য।

    মহাকাশ গবেষণায় প্রথম সারিতেই ভারত

    মহাকাশ বিজয়ের লক্ষ্যে এই মুহূর্তে সক্রিয় হয়ে রয়েছে বিশ্বের বিভিন্ন দেশ। ভারতও মহাকাশ গবেষণায় (ISRO) একেবারে প্রথম সারিতেই চলে এসেছে। জোর কদমে চলছে মহাকাশ গবেষণা। সৃষ্টিতত্ত্বের বিশ্লেষণ, মহাজাগতিক সম্পদকে পৃথিবীর কাজে লাগানোর প্রয়াস চলছেই। বিপদে পড়লে দুই মহাকাশযান যাতে সংযুক্ত হতে পারে, প্রয়োজনীয় রসদ যাতে আদান প্রদান করতে পারে, সেক্ষেত্রে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হল এই ডকিং বা সংযুক্ত প্রক্রিয়া।

    প্রকল্পের দায়িত্বে থাকা এন সুরেন্দ্রণ কী বললেন সংবাদমাধ্যমকে?

    ডকিং প্রকল্পের দায়িত্বে ছিলেন ডিরেক্টর এন সুরেন্দ্রণ। মহাকাশে দুই উপগ্রহের সংযুক্তিকরণ সফল হতে, তাঁর বিবৃতিও সামনে আসে। সংবাদমাধ্যমকে তিনি জানান, আজকের এই সাফল্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ভবিষ্যতে মহাকাশে স্পেস স্টেশন গড়তে এবং চন্দ্রযান ৪ মিশনের জন্য অত্যন্ত কার্যকরী হতে চলেছে এই ডকিং পদ্ধতি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • PM Modi: নৌসেনায় অন্তর্ভুক্ত ২ যুদ্ধজাহাজ ও সাবমেরিন, ‘‘সাগরে শক্তি বাড়াচ্ছে ভারত’’, বললেন মোদি

    PM Modi: নৌসেনায় অন্তর্ভুক্ত ২ যুদ্ধজাহাজ ও সাবমেরিন, ‘‘সাগরে শক্তি বাড়াচ্ছে ভারত’’, বললেন মোদি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বৃহত্তম নৌশক্তি হিসেবে উঠে আসছে ভারত। বুধবার সেনাবাহিনী দিবসে মুম্বইয়ে নৌসেনার তিনটি যুদ্ধজাহাজকে অন্তর্ভুক্ত করে এমনই দাবি করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। চিনের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে ক্রমশ সাগরে (Indian Navy শক্তি বাড়াচ্ছে আত্মনির্ভর ভারত।  এদিন ‘আইএনএস সুরাট’, ‘আইএনএস নীলগিরি’ এবং ‘আইএনএস ভাগশির’ ওরফে ‘হান্টার কিলার’ সাবমেরিনকে দেশের মানুষের জন্য উৎসর্গ করলেন মোদি।

    ভারত বৃহত্তম নৌশক্তিতে পরিণত হবে

    এদিন তিন রণতরীকে নৌসেনায় অন্তর্ভুক্তির পর মোদি (PM Modi) বলেন, “ছত্রপতি শিবাজি মহারাজ ভারতীয় বাহিনীকে নতুন শক্তি ও নতুন দৃষ্টি দিয়েছিলেন। আজ তার পবিত্র ভূমিতে আমরা একবিংশ শতাব্দীর নৌবাহিনীকে শক্তিশালী করার জন্য অনেক বড় পদক্ষেপ করছি। এই প্রথম একটি ডেস্ট্রয়ার, একটি ফ্রিগেট এবং একটি সাবমেরিন একসঙ্গে কার্যকর হচ্ছে।” প্রধানমন্ত্রী যোগ করেন, “ভারত বৃহত্তম নৌশক্তি হিসেবে উঠে আসছে। গতি আসছে জাহাজ নির্মাণ শিল্পে, যা আত্মনির্ভর ভারতের প্রতীক।” এদিন অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখার সময় প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আজ ভারতের সামুদ্রিক ঐতিহ্য, নৌবাহিনীর গৌরবময় ইতিহাসের জন্য এবং আত্মনির্ভর ভারত অভিযানের জন্য বড় একটা দিন। এই প্রথমবার একইসঙ্গে ডেস্ট্রয়ার (একটি দ্রুতগতির যুদ্ধজাহাজ, হরেক রকম মারণ ক্ষেপণাস্ত্র বহনে সক্ষম, বিশেষ করে সাবমেরিন এবং বিমানের বিরুদ্ধে প্রতিরক্ষামূলক ভূমিকার জন্য সজ্জিত), একটি ফ্রিগেট (মিশ্র অস্ত্রের যুদ্ধজাহাজ, সাধারণত একটি ডেস্ট্রয়ারের চেয়ে হালকা) এবং একটি সাবমেরিনের অন্তর্ভুক্তি হল ভারতীয় নৌবাহিনীতে।” 

    ভারতীয় নৌবাহিনীর দাপট

    দেশের সামুদ্রিক নিরাপত্তায় কার্যত বিপ্লব আনতে চলেছে এই তিন অত্যাধুনিক প্রযুক্তির যুদ্ধ জাহাজ।  তিন যুদ্ধ জাহাজ ভারতের হাতে এসে যাওয়ায় গোটা বিশ্বেই ভারতের নৌসেনার দাপট আরও বেশ কিছুটা যে বাড়ছে তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না। এদিন প্রধানমন্ত্রী বলেন, “ভারত সমগ্র ভারত মহাসাগর অঞ্চল জুড়ে প্রথম প্রতিক্রিয়াকারী হিসাবেও আবির্ভূত হয়েছে। সাম্প্রতিক মাসগুলিতে আমাদের নৌবাহিনী শত শত জীবন এবং হাজার হাজার কোটি টাকার জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পণ্যসম্ভার রক্ষা করেছে। এটি ভারতের প্রতি বিশ্ববাসীর আস্থা বাড়িয়েছে, আপনাদের প্রচেষ্টার কারণে একটি বিশ্বাস তৈরি হয়েছে। ভারতীয় নৌবাহিনী এবং উপকূলরক্ষী বাহিনীর প্রতি আস্থা ক্রমাগত বৃদ্ধি পাচ্ছে। আজ, এটা স্পষ্ট যে আশিয়ান, অস্ট্রেলিয়া, উপসাগরীয় দেশগুলি এবং আফ্রিকান দেশগুলির সঙ্গে ভারতের অর্থনৈতিক সহযোগিতা জোরদার হচ্ছে ।” 

    এই দুই যুদ্ধজাহাজ ও সাবমেরিনের গুরুত্বের কথা তুলে ধরেন নৌবাহিনীর (Indian Navy) চিফ অ্যাডমিরাল দীনেশ কে ত্রিপাঠী। তিনি বলেন,  “এই প্ল্যাটফর্মগুলি নৌবাহিনীর অপারেশনাল সক্ষমতাকে শক্তিশালী করবে। আমাদের সামুদ্রিক স্বার্থের নিরাপত্তা নিশ্চিত করবে এবং প্রধানমন্ত্রীর সাগরের প্রতি দৃষ্টিভঙ্গি অর্থাৎ এই অঞ্চলে সবার জন্য নিরাপত্তা ও বৃদ্ধির চিন্তাকে এগিয়ে নিয়ে যাবে।”

    আইএনএস সুরাটের বিশেষত্ব

    • পি-১৫বি স্টেলথ গাইডেড মিসাইল ডেস্ট্রয়ার প্রকল্পের চতুর্থ এবং শেষ যুদ্ধজাহাজ
    • দৈর্ঘ্যে ১৬৪ মিটার এবং ৭০,০০০ টন ভার বহন করতে পারে
    • সমুদ্রে গতিবেগ ৩০ নট (প্রায় ৫৫ কিলোমিটার) গতিবেগ
    • বিশ্বের বৃহত্তম এবং সবচেয়ে উন্নত ডেস্ট্রয়ারগুলির মধ্যে একটি।
    • এই জাহাজে ৭৫% দেশীয় উপাদান ব্যবহার করা হয়েছে।
    • অত্যাধুনিক অস্ত্র-সেন্সর শত্রুপক্ষকে খুঁজে বের করতে থাকতে আরও উন্নত নেটওয়ার্ক
    • আইএনএস সুরাটের নির্মাণ কাজ ২০১৯ সালের নভেম্বরে শুরু হয়েছিল। ২০২২ সালের মে মাসে উদ্বোধন হয়।

    আইএনএস নীলগিরি-র বিশেষত্ব

    • পি-১৭এ স্টেলথ ফ্রিগেট প্রকল্পের প্রথম জাহাজ
    • ১৪৯ মিটার দৈর্ঘ্য এবং ৬৬৭০ টন ভার বহন ক্ষমতা
    • সমুদ্রে দীর্ঘমেয়াদী অভিযান পরিচালনার ক্ষমতা।
    • দেশীয় পরবর্তী প্রজন্মের ফ্রিগেটের একটি ক্লাসিক উদাহরণ
    • দেশের সামুদ্রিক নিরাপত্তা আরও জোরদার করবে
    • ভারী ক্ষেপণাস্ত্র বহন ক্ষমতা এবং মাঝারি পাল্লার ভূমি থেকে আকাশে নিক্ষেপযোগ্য ক্ষমতার ক্ষেপণাস্ত্র বহন ক্ষমতা। 
    • আইএনএস নীলগিরির নির্মাণ কাজ শুরু হয় ২০১৭ সালের ডিসেম্বরে। এটি ২০১৯ সালের সেপ্টেম্বরে চালু হয়।

    আইএনএস ভাগশির-এর বিশেষত্ব

    • পি-৭৫ স্করপিন প্রকল্পের ষষ্ঠ এবং শেষ সাবমেরিন।
    • ৬৭ মিটার লম্বা এবং ১৫৫০ টন ওজন বহন ক্ষমতা। 
    • ফরাসি নৌবাহিনীর সহযোগিতায় নির্মিত হয়েছে এই অত্যাধুনিক ক্ষেপণাস্ত্র। 
    • এটি দেশকে আরও স্বনির্ভর করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • PM Modi: লোহরি-মকর সংক্রান্তি-পোঙ্গল উৎসবে সামিল হলেন মোদি, জানালেন দেশবাসীকে শুভেচ্ছা

    PM Modi: লোহরি-মকর সংক্রান্তি-পোঙ্গল উৎসবে সামিল হলেন মোদি, জানালেন দেশবাসীকে শুভেচ্ছা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সাধারণ মানুষের সঙ্গে মিশে যান তিনি। মেতে ওঠেন উৎসবে। বারবার এমন চিত্র দেখা গিয়েছে। সোমবারও সেই ছবিই দেখা গেল দিল্লিতে। দিল্লির নারাইনা গ্রামে লোহরি (Lohri) উৎসবে সামিল হলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। একইসঙ্গে কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার সদস্য জি কিষাণ রেড্ডির বাড়িতে সামিল হন পোঙ্গল উৎসবে। দুই উৎসবে সামিল হয়ে দেশের মানুষকে শুভেচ্ছা জানিয়ে তাঁদের সুস্বাস্থ্য কামনাও করেন প্রধানমন্ত্রী।

    নারাইনা গ্রামে প্রধানমন্ত্রীকে (PM Modi) দেখে ‘মোদি, মোদি’ স্লোগান

    বুধবার সন্ধ্যায় নারাইনা গ্রামে প্রধানমন্ত্রীকে (PM Modi) দেখে ‘মোদি, মোদি’ স্লোগান দিতে থাকেন স্থানীয় বাসিন্দারা। প্রধানমন্ত্রী তাঁদের গ্রামে আসায়, ব্যাপক উদ্দীপনা ছড়ায় বাসিন্দাদের মধ্যে। কারও কারও চোখে আনন্দাশ্রু দেখা যায়। এক নাবালকের মাথায় হাত বুলিয়ে দেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তার সঙ্গে ছবিও তোলেন। এরপর লোহরি উৎসবে অংশ নেন প্রধানমন্ত্রী।

    সকলকে লোহরির শুভেচ্ছা জানান মোদি (PM Modi)

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘‘উত্তর ভারত-সহ বহু জায়গার মানুষের কাছে লোহরির বিশেষ তাৎপর্য রয়েছে। এটা আশার প্রতীক। কৃষি ও কৃষকদের সঙ্গে যোগ রয়েছে এই উৎসবের।’’ সবাইকে লোহরির শুভেচ্ছা জানান মোদি।

    কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর বাড়িতে সামিল হন পোঙ্গল উৎসবে

    নারাইনা গ্রামে যাওয়ার আগে এদিন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জি কিষাণ রেড্ডির দিল্লির বাড়িতে পোঙ্গল এবং সংক্রান্তি পালনেও অংশ নেন প্রধানমন্ত্রী। সে নিয়েই তিনি এক্স মাধ্যমে লেখেন, ‘‘পোঙ্গল উৎসবে সামিল হলাম মন্ত্রিসভার আমার সহকর্মী জি কিষাণ রেড্ডির বাড়িতে। এখানে সাক্ষী থাকলাম দূর্দান্ত সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের। সারা দেশে আজকে (সোমবার) পালিত হচ্ছে সংক্রান্তি ও পোঙ্গল উৎসব।’’ সকলকে শুভেচ্ছাও জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। এর পাশাপাশি, তিনি প্রত্যেকের সুস্বাস্থ্য, সুখ ও সমৃদ্ধি কামনা করেছেন। পোঙ্গল উৎসবে সামিল হয়ে রীতি অনুযায়ী, প্রধানমন্ত্রী (PM Modi) নরেন্দ্র মোদি ভোগী অগ্নি প্রজ্জ্বলিত করেন। শিখ সম্প্রদায়ের সবচেয়ে বড় উৎসব বলেই মানা হয় লোহরিকে। এটি মূলত পাঞ্জাব ও হরিয়ানাতেই পালন করা হয়। শীতের শেষের দিকে রবিশস্য কাটার সময় তা পালিত হয়। অন্যদিকে, পোঙ্গল উৎসব সূর্যকে উৎসর্গ করে পালন করা হয়।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Mahakumbha Mela 2025: মহাকুম্ভে শাহি স্নান সারলেন ৬০ লক্ষ ভক্ত, পুণ্যার্থীদের বার্তা মোদি-যোগীর

    Mahakumbha Mela 2025: মহাকুম্ভে শাহি স্নান সারলেন ৬০ লক্ষ ভক্ত, পুণ্যার্থীদের বার্তা মোদি-যোগীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মহাকুম্ভে প্রথম শাহি স্নান নিয়ে গত কয়েকদিন ধরে সোশ্যাল মিডিয়া তোলপাড় হয়ে উঠেছে। সোমবার প্রবল শৈত্যপ্রবাহ এবং ঠান্ডা উপেক্ষা করেই মহাকুম্ভে শাহি স্নান সারলেন লক্ষ লক্ষ ভক্ত। দেশ-বিদেশ থেকে আসা বহু পুণ্যার্থী দলে দলে প্রয়াগরাজে (Mahakumbh Mela 2025) পৌঁছেছেন। আজ সোমবার থেকে এই মেলা শুরু হয়েছে। চলবে ২৬ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত। মেলার শুরুর দিন অন্তত ৬০ লক্ষ মানুষ ত্রিবেণী সঙ্গমে শাহি স্নান সেরেছেন বলে উত্তরপ্রদেশ প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে।

    ভক্তদের শুভেচ্ছা জানালেন মোদি (Mahakumbh Mela 2025)

    পবিত্র এই সময় (Mahakumbh Mela 2025) পুণ্যার্থীদের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Prime Minister Narendra Modi)। সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে তিনি লেখেন, “পৌষ পূর্ণিমায় পবিত্র স্নানের মধ্য দিয়ে প্রয়াগরাজের পবিত্র স্থানে মহাকুম্ভ শুরু হয়েছে। বিশ্বাস এবং সংস্কৃতির সঙ্গে যুক্ত এই অনুষ্ঠানে আমি সমস্ত ভক্তকে আন্তরিকভাবে অভিনন্দন জানাই। ভারতীয় আধ্যাত্মিক ঐতিহ্যের সঙ্গে যুক্ত এই উৎসব সকলের জীবনে নতুন শক্তি ও উদ্দীপনা জোগাবে।” শুধু তাই নয়, প্রয়াগরাজে পুণ্যার্থীরা যেভাবে ভিড় জমাচ্ছেন, স্নান সারছেন তা দেখে তিনি যে আপ্লুত এবং আবেগপ্রবণ তাও এদিন সোশ্যাল মিডিয়ায় উল্লেখ করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।

    শুভেচ্ছা বার্তা যোগীর

    শাহি স্নান নিয়ে বার্তা দিয়েছেন উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ। শুভেচ্ছা (Mahakumbh Mela 2025) জানিয়েছেন পৌষ পূর্ণিমার। তিনি লিখছেন, “সোমবার থেকে তীর্থরাজ প্রয়াগরাজে শুরু হচ্ছে বিশ্বের সবচেয়ে বড় আধ্যাত্মিক ও সাংস্কৃতিক সমাবেশ ‘মহাকুম্ভ’। মেলায় আসা সমস্ত ভক্ত এবং পুণ্যার্থীদের শুভেচ্ছা জানাই।” এদিকে কুম্ভমেলা উপলক্ষে কড়া নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হয়েছে প্রয়াগরাজজুড়ে। লক্ষ লক্ষ ভক্তের নিরাপত্তায় কয়েকশো পুলিশ কর্মী মোতায়েন করা হয়েছে ত্রিবেণী সঙ্গমে। প্রসঙ্গত, সোমবার প্রথম শাহি (Mahakumbh Mela 2025) স্নান। এরপর ধাপে ধাপে আরও কয়েকটি স্নান আছে। ১৪ জানুয়ারি রয়েছে মকর সংক্রান্তির স্নান। সেদিন আরও মানুষ আসবেন বলে মনে করা হচ্ছে। প্রায় এক কোটি মানুষ মকর সংক্রান্তিতে স্নান করবেন বলে প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে। সেই মতো সব রকম ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে বলেও প্রশাসনের তরফে জানা গিয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • PM Modi: প্রধানমন্ত্রী মোদির হাত ধরে ‘স্বপ্ন সফল’ কাশ্মীরের, খুলে গেল জেড-মোড় সুড়ঙ্গ

    PM Modi: প্রধানমন্ত্রী মোদির হাত ধরে ‘স্বপ্ন সফল’ কাশ্মীরের, খুলে গেল জেড-মোড় সুড়ঙ্গ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের প্রমাণ হল যে, মোদি (PM Modi) হ্যায় তো মুমকিন হ্যায়। বহু বাধা বিপত্তি পেরিয়ে অবশেষে খুলে গেল শ্রীনগর-লাদাখের সংযোগ পথ জেড-মোড় টানেল (Z Morh Tunnel in Sonamarg)। এই টানেলকে ঘিরে উপত্যকায় উৎসবের আমেজ। সাধারণের সঙ্গে সেই উৎসবে পা মিলিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিও। সোনমার্গের এই সুড়ঙ্গের হাত ধরে কাশ্মীরে বদলের হাওয়া। এর ফলে সব ঋতুতেই কাশ্মীর ও লাদাখের যোগাযোগ খুলে যাবে। বাড়বে পর্যটন। উন্নত হবে প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা। খুব সহজেই বাধা বিপত্তিকে এড়িয়ে লাদাখের একাধিক সেনাঘাঁটিতে প্রতিরক্ষা সামগ্রী-সহ সেনাদের জন্য খাবার ও ওষুধপত্র পৌঁছানো সহজ হয়ে যাবে।

    টানেল পরিদর্শনে প্রধানমন্ত্রী

    সোমবার সোনমার্গে জেড মোড় টানেলের (Z Morh Tunnel in Sonamarg) উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তাঁর সঙ্গে ছিলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী নিতিন গড়করি এবং জিতেন্দ্র সিং, জম্মু ও কাশ্মীরের লেফটেন্যান্ট গভর্নর মনোজ সিনহা, মুখ্যমন্ত্রী ওমর আবদুল্লাহ এবং অন্যান্য আধিকারিকরা৷ উদ্বোধনী অনুষ্ঠানটি টানেলের পূর্ব পোর্টালে অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠান শেষে প্রধানমন্ত্রী টানেল পরিদর্শন করেন। রুটম্যাপ এবং নির্মাণকাজ নিয়ে বিস্তারিতভাবে জানতে চান। নির্মাণকারী সংস্থার আধিকারিক এবং নির্মাণকাজে যুক্ত থাকা কর্মীদের সঙ্গে কথা বলেন। যাঁরা চূড়ান্ত প্রতিকূল পরিস্থিতিতেও টানেল তৈরির কাজ করে গিয়েছেন। আজ টানেল উদ্বোধনের পরে তাঁদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন প্রধানমন্ত্রী। 

    সারা বছর সোনমার্গ

    জোজিলা টানেল প্রকল্পের প্রথম ধাপ হিসেবে জেড-মোর টানেলটি নির্মিত হচ্ছে। ৬.৫ কিলোমিটার দীর্ঘ এই টানেলটি শ্রীনগর ও সোনমার্গের মধ্যে সারা বছর যোগাযোগ রাখতে সাহায্য করবে। শীতকালে প্রবল তুষারপাতের জন্য বাকি উপত্যকার সঙ্গে কার্যত বিচ্ছিন্ন হয়ে যায় সোনমার্গ। সেই সমস্যার স্থায়ী সমাধান হবে এই টানেলের মাধ্যমে। জেড-মোড় টানেলের উদ্বোধনের সঙ্গে সঙ্গে সোনমার্গ সারা বছর পর্যটনের জন্য উন্মুক্ত থাকবে। সোনমার্গ এখন একটি দুর্দান্ত স্কি রিসর্টে পরিণত হতে চলেছে। স্থানীয় লোকজনকে শীত উপভোগ করতে আর বাইরে কোথাও যেতে হবে না। 

    কমবে শ্রীনগর থেকে কার্গিল-লেহ ভ্রমণের সময়

    সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ৮ হাজার ৬৫০ ফুট উচ্চতায় অবস্থিত এই সুড়ঙ্গ পথ তৈরিতে ২ হাজার ৭০০ কোটি টাকা খরচ করেছে কেন্দ্র। আগামী কয়েক বছরের মধ্যে খুলে যাবে কাশ্মীরের জোজিলা পাসও। যার মাধ্যমে লাদাখের সঙ্গে শ্রীনগরের পথের দূরত্ব ৪৯ কিলোমিটার থেকে কমে নেমে আসবে ৪৩ কিলোমিটারে। এর ফলে শ্রীনগর থেকে কার্গিল-লেহ ভ্রমণের সময়ও আগের তুলনায় অনেকটা কমে যাবে। সড়ক পথে যোগাযোগ ব্যবস্থাকে আরও উন্নত করার ক্ষেত্রে এই টানেলের উদ্বোধন একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।

    উপত্যকায় উন্নয়নযজ্ঞ

    উপত্যকায় উন্নয়নযজ্ঞ দেখে আবেগে ভাসছেন সেখানকার বাসিন্দারাও। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির হাত ধরেই জম্মু-কাশ্মীরের স্বপ্ন সফল হয়েছে, বলে দাবি করেন এক বাসিন্দা। তাঁর কথায়, ‘আজ বিরাট খুশির দিন। এই সুড়ঙ্গের হাত ধরে ভোল বদলে যাবে কাশ্মীরের। লাদাখ যাওয়ার রাস্তা আরও সহজ হবে। বাড়তি শক্তি পাবে প্রতিরক্ষাও।’ ইতিমধ্যে এই সুড়ঙ্গের উদ্বোধন ঘিরে বদলে গিয়েছে কাশ্মীরের রাজনৈতিক আবহাওয়াও। এদিন উপত্যকায় সুড়ঙ্গ উদ্বোধন করতে আসেন প্রধানমন্ত্রী মোদি। আর তার আগেই উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের প্রস্তুতি পর্ব সরেজমিনে পর্যবেক্ষণ করে আসেন কাশ্মীরের মুখ্যমন্ত্রী ওমর আবদুল্লাহ। দিল্লির সঙ্গে যে সহযোগিতার সমীকরণেই নেমেছেন তিনি, এমনটাই দাবি রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের।

    কবে খুলবে টানেল

    জানা গিয়েছে, টেস্ট রান এবং প্রযুক্তিগত সিস্টেম ইনস্টলেশনের কাজ চলছে। খুব শিগগিরই এই টানেল সাধারণের জন্য খুলে দেওয়া হবে। জেড-মোড় টানেল জোজিলা টানেলের জন্য এক বড় পদক্ষেপ। এই টানেল তৈরিতে ব্যবহার করা হয়েছে নিউ অস্ট্রিয়ান টানেলিং মেথড।  ২০১৫ সালে শুরু হয়েছিল টানেলের নির্মাণকাজ। গান্দেরবল জেলায় নির্মিত এই টানেল কৌশলগত ও অর্থনৈতিক দিক থেকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ২০১২ সালে সীমান্ত সড়ক সংস্থা (বিআরও) এই সুড়ঙ্গের কাজ শুরু করে। প্রকল্পটি টানেলওয়ে লিমিটেডকে দেওয়া হয়েছিল। পরে এটি জাতীয় মহাসড়ক ও পরিকাঠামো উন্নয়ন কর্পোরেশন লিমিটেড কর্তৃক অধিগ্রহণ করা হয়। এটি জরুরি অবস্থার জন্য একটি সমান্তরাল ৭.৫-মিটার-প্রশস্ত এস্কেপ প্যাসেজ দিয়ে সজ্জিত।

    আরও পড়ুন: পুজো দিলেন কাশী বিশ্বনাথ মন্দিরে, মহাকুম্ভে স্টিভ জোবসের স্ত্রী লরেন এখন কমলা

    পর্যটনের জন্য গুরুত্বপূর্ণ

    যেখানে জেড-মোড় টানেল তৈরি করা হয়েছে, সেখানে শীতকালে প্রবল তুষারপাত হয়ে থাকে। আশঙ্কা থাকে তুষারঝড়েরও। ফলে বছরের একটা বড় সময় সোনমার্গ যাওয়ার রাস্তা বন্ধ থাকত। এখন টানেল তৈরি হয়ে যাওয়ার ফলে যে কোনও আবহাওয়া, প্রবল তুষারপাত সত্ত্বেও সোনমার্গে পৌঁছানো যাবে। তাতে সবদিক থেকে লাভ হবে। সোনমার্গের অর্থনীতির মূল ভিত্তি হল পর্যটন। আর নয়া টানেলের ফলে সারা বছর সোনমার্গে আসতে পারবেন পর্যটকরা। স্থানীয় মানুষের আয় আরও বাড়বে। টানেল উদ্বোধনের দিন অনেক আশা নিয়ে শ্রীনগরের এক ট্যুর অপারেটর বলেন, “সোনমার্গ আমাদের পর্যটন প্যাকেজের অন্যতম আকর্ষণ। জেড-মোড় টানেল চালু হলে শীতকালেও পর্যটকদের নিয়ে যাওয়ার সুযোগ পাব। কাশ্মীরের পর্যটন শিল্পে এটা বিপ্লব আনবে।”

    প্রতিরক্ষা-সামরিক দিক থেকে গুরুত্ব

    মূলত সীমান্ত এলাকায় পরিকাঠামো উন্নতির লক্ষ্যে এই টানেল তৈরি হয়েছে। এর ফলে লাদাখের সঙ্গে সংযোগ আরও দৃঢ় হবে। এই টানেলের ফলে শীতকালেও সহজেই পৌঁছানো যাবে কার্গিল, লেহ্-এর মতো সীমান্তবর্তী গুরুত্বপূর্ণ স্থানে। ২০২৮ সালের মধ্যেই জোজিলা টানেলের কাজ শেষ হয়ে যাবে বলে আশা করা হচ্ছে। আর তারপরই কাশ্মীরের সোনমার্গ থেকে লাদাখের দ্রাসে অনায়াসে পৌঁছানো যাবে। পাকিস্তান এবং চিনের সঙ্গে সীমান্ত আছে লাদাখের। সেখানে বছরভর সামরিক সরঞ্জাম, দৈনন্দিন জিনিসপত্র পৌঁছে দেওয়ার ক্ষেত্রে ওই দুটি টানেলকে ব্যবহার করা হবে। সহজেই লাদাখে পৌঁছে যেতে পারবেন জওয়ানরা। ওই অঞ্চলে পৌঁছানোর জন্য যে আকাশপথের উপরে অনেকটা নির্ভর করতে হত, সেটা কমে যাবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • PM Modi: প্রধানমন্ত্রীর সোনমার্গ সফরের প্রস্তুতি খতিয়ে দেখলেন ওমর, ‘অপেক্ষায় আছি’, বললেন মোদি

    PM Modi: প্রধানমন্ত্রীর সোনমার্গ সফরের প্রস্তুতি খতিয়ে দেখলেন ওমর, ‘অপেক্ষায় আছি’, বললেন মোদি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সোমবারই জম্মু-কাশ্মীর সফরে যাবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। উদ্বোধন করবেন শ্রীনগর-লাদাখ জাতীয় সড়ক প্রকল্পের আওতায় সোনমার্গের জেডমোরহ সুড়ঙ্গের। প্রধানমন্ত্রীর আগমন ঘিরে তুঙ্গে প্রস্তুতি। চারিদিকে সাজোসাজো রব। প্রস্তুতি-পর্ব খতিয়ে দেখতে ময়দানে স্বয়ং কাশ্মীরের মুখ্যমন্ত্রী ওমর আবদুল্লা (Omar Abdullah)। প্রধানমন্ত্রীর তত্ত্বাবধানে কাশ্মীরে চলা উন্নয়নকেও সাধুবাদ জানিয়েছেন জম্মু-কাশ্মীরের মুখ্যমন্ত্রী। কাশ্মীরে মুখ্যমন্ত্রীর এহেন পোস্টের উত্তরও দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। জানিয়েছেন, আকূল আগ্রহে তিনি অপেক্ষা করছেন সোনমার্গে যাওয়ার জন্য।

    মোদির (PM Modi) এক্স হ্যান্ডলের পোস্ট 

    এক্স মাধ্যমে ওমর আবদুল্লার পোস্ট শেয়ার করে প্রধানমন্ত্রী মোদি (PM Modi) লেখেন, ‘‘সোনমার্গ যাওয়ার জন্য আকূল আগ্রহে অপেক্ষা করছি। আর আপনি এই সুড়ঙ্গের মাধ্যমে সেখানকার স্থানীয় অর্থনীতি ও পর্যটনের বিষয়ে একদম ঠিক দিকটিই তুলে ধরেছেন।’’ প্রসঙ্গত, তিন মাস আগেই এই সুড়ঙ্গ তৈরি হয়ে গিয়েছে। অবশেষে এবার হতে চলেছে উদ্বোধন। জানা গিয়েছে, কাশ্মীরের আরও একটি অন্যতম সুড়ঙ্গ প্রকল্প জোজিলা টানেল তৈরি হয়ে যাবে আগামী বছরের মধ্যেই।

    কেন্দ্রের প্রকল্পে উন্নয়ন হবে এলাকার, মনে করেন জম্মু-কাশ্মীরের মুখ্যমন্ত্রী

    প্রসঙ্গত, এদিনই সোনমার্গের জেডমোরহ সুড়ঙ্গের কাছে পৌঁছে যান ওমর। রাজনৈতিক বিভেদ ভুলে প্রধানমন্ত্রীর (PM Modi) আগমনের প্রস্তুতি কেমন চলছে, সেই বিষয়টিও খতিয়ে দেখেন তিনি। পরে এক্স হ্যান্ডলে তাঁর সোনমার্গের কিছু মুহূর্তের ছবি পোস্ট করে ওমর লেখেন, ‘‘প্রধানমন্ত্রীর আগমন ঘিরে সোনমার্গ কতটা তৈরি তা খতিয়ে দেখতেই সেখানে গিয়েছিলাম। জেডমোরহ সুড়ঙ্গের উদ্বোধনের মাধ্যমে সোনমার্গে গোটা বছরই এবার ভিড় বাড়বে পর্যটকদের। উন্নয়ন হবে এলাকার। যার জেরে আর স্থানীয় মানুষজনদেরও এলাকা ছেড়ে চলে যেতে হবে না। এছাড়াও, এবার কার্গিল ও লেহ-তে যাওয়ার ঝক্কি অনেকটাই কমবে।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share