Tag: PM Modi

PM Modi

  • Kirti Azad: প্রধানমন্ত্রীর পোশাক নিয়ে বিরূপ মন্তব্য, চাপে পড়ে ক্ষমা চাইলেন তৃণমূলের কীর্তি আজাদ

    Kirti Azad: প্রধানমন্ত্রীর পোশাক নিয়ে বিরূপ মন্তব্য, চাপে পড়ে ক্ষমা চাইলেন তৃণমূলের কীর্তি আজাদ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশজুড়ে প্রবল সমালোচনার মুখে পড়ে শেষমেশ ক্ষমা চাইলেন তৃণমূল (TMC) নেতা কীর্তি আজাদ (Kirti Azad)। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (PM Modi) পোশাক নিয়ে বিরূপ মন্তব্য করেছিলেন এই ক্রিকেটার কাম রাজনীতিক। তা নিয়ে দেশজুড়ে বয়ে গিয়েছিল সমালোচনার ঝড়। শেষমেশ এক প্রকার বাধ্য হয়েই ক্ষমা চাইলেন তৃণমূলের কীর্তি। ট্যুইটবার্তায় এই তৃণমূল নেতা লিখেছেন, আমি ভারতের বৈচিত্রের সংস্কৃতিকে সমর্থন করি। আমার বক্তব্যের ভুল ব্যাখ্যা হয়েছিল। যাঁদের সেন্টিমেন্টকে আমার কথা আঘাত করেছে, আমি তাঁদের কাছে ক্ষমাপ্রার্থী।

    ট্র্যাডিশনাল খাসি পোশাক…

    প্রসঙ্গত, মেঘালয়ের শিলংয়ে এক অনুষ্ঠানে গিয়ে সেখানকার ট্র্যাডিশনাল খাসি পোশাক পরেছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সেই ছবি পোস্টও করেছিলেন তিনি। তৃণমূল নেতা কীর্তি আজাদ সেই ছবির পাশে অনলাইনে বিক্রি হওয়া একই রকম পোশাক পরিহিত এক মহিলার ছবি পোস্ট করেন। তার পরেই লেখেন, ‘না নর, না নারী, তিনি কেবল ফ্যাশনের পূজারি!’ তার জেরে বিজেপির নিশানায় এই ক্রিকেটার-রাজনীতিক। দেশজুড়েও শুরু হয় প্রবল সমালোচনা।

    প্রাক্তন ক্রিকেটার কীর্তি আজাদ (Kirti Azad) নিজেকে তৃণমূলের সৈনিক বলে দাবি করেন। তিনি বলেছিলেন, তিনি সব সময় সংবিধানের পথ অনুসরণ করেন। যে সংবিধান ভারতের বৈচিত্রকে সম্মান করতে শেখায়। সেই আজাদের মুখেই প্রধানমন্ত্রীর পোশাক নিয়ে বিরূপ মন্তব্যে তাঁর পাশ থেকে সরে দাঁড়ায় তৃণমূলও। ঘরে-বাইরে চাপের মুখে পড়ে বাধ্য হয়ে ক্ষমা চান ক্রিকেটার রাজনীতিক কীর্তি আজাদ।

    আরও পড়ুন: নববর্ষের উপহার! ২০২৩-এর ডিসেম্বর পর্যন্ত বিনামূল্যে রেশন দেবে কেন্দ্র

    এদিকে, বিজেপির জাতীয় মুখপাত্র শেহজাদ পুন্নাওয়ালা কীর্তির মন্তব্য নিয়ে সিডিউল ট্রাইব কমিশনকে ব্যবস্থা নেওয়ার অনুরোধ জানিয়েছেন। সংবাদ মাধ্যমকে তিনি বলেন, মেঘালয়ে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী যে ট্র্যাডিশনাল পোশাক পরেছিলেন সেই পোশাক ট্রাইবাল সম্প্রদায়ের বড় গর্বের। বিশেষত মেঘালয় এবং উত্তর-পূর্বে। একে উপহাস করছেন, কারণ আপনি একজনকে ঘৃণা করছেন, আপনি গোটা উত্তর-পূর্বের সংস্কৃতিকে ঘৃণা করতে শুরু করেছেন, ঘৃণা করতে শুরু করেছেন উত্তর-পূ্র্বের সমগ্র ট্রাইবাল সম্প্রদায়কে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।       

  • Zelensky: ইটের বদলে পাটকেল! ডনেৎস্কে প্রত্যাঘাত ইউক্রেনের, গোলায় জখম ২ রুশ আধিকারিক

    Zelensky: ইটের বদলে পাটকেল! ডনেৎস্কে প্রত্যাঘাত ইউক্রেনের, গোলায় জখম ২ রুশ আধিকারিক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাশিয়াকে (Russia) ইটের জবাব পাটকেলে দিল ইউক্রেন (Ukraine)! ভ্লাদিমির পুতিন বাহিনীর হাত থেকে অধিকৃত অঞ্চল ছিনিয়ে নিতে ডনেৎস্কে প্রত্যাঘাত করল ভলোদিমির জেলেনস্কির বাহিনী। দিন কয়েক ধরে ইউক্রেনের রাজধানী কিভে ব্যাপক হামলা চালাচ্ছে রুশ ফৌজ। বুধবার তারই জবাব দিল ইউক্রেন (Zelensky)। জেলেনস্কির বাহিনীর গোলাবর্ষণে গুরুতর জখম হয়েছেন রুশ প্রশাসনের দুই পদস্থ আধিকারিক। এঁরা হলেন, পুতিনের অন্যতম উপদেষ্টা তথা রাশিয়ার প্রাক্তন উপপ্রধানমন্ত্রী দিমিত্রি রোগোজিন এবং মস্কো স্বীকৃত সার্বভৌম ডনেৎস্ক পিপলস রিপাবলিকের মুখ্য প্রশাসক ভিতালি খোটসেঙ্কো। রুশ সংবাদমাধ্যম সূত্রে খবর, ডনেৎস্কের একটি হোটেলে বৈঠক করছিলেন রুশ প্রশাসনের এই দুই আধিকারিক। আচমকাই হোটেলে আছড়ে পড়ে গোলা। গুরুতর জখম হন দুজনেই।

    ডনেৎস্ক ও লুহানস্ক…

    গত ২৪ ফেব্রুয়ারি ইউক্রেনের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণার আগেই ডনেৎস্ক ও লুহানস্ক অঞ্চলকে স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছিল মস্কো। গত কয়েক বছর ধরে ওই দুই অঞ্চলে সক্রিয় মস্কোপন্থী সশস্ত্র মিলিশিয়া গোষ্ঠীগুলি। যদিও ওই অঞ্চলে নিরঙ্কুশ আধিপত্য প্রতিষ্ঠা করতে পারেনি রাশিয়া। ২০১৪ সালে দক্ষিণ ইউক্রেনের ক্রাইমিয়ায় গণভোট করিয়ে দখল নিয়েছিল মস্কো। সেই একই কায়দায় চলতি বছর সেপ্টেম্বরের গোড়ায় ইউক্রেনের ডনেৎস্ক ও লুহানস্কের পাশাপাশি জাপোরিজিয়া ও খেরসনের অধিকৃত অঞ্চলে গণভোট করিয়ে সেগুলিকে রাশিয়ার সঙ্গে সংযুক্তির কথা ঘোষণা করেছিল পুতিন সরকার। তাদের দাবি, ডনেৎস্ক, লুহানস্ক, জাপোরিজিয়া ও খেরসন এই চার অঞ্চলের ৮০ শতাংশেরও বেশি অধিবাসী রাশিয়ার সঙ্গে সংযুক্তিকরণের পক্ষে মত দিয়েছিলেন।

    আরও পড়ুন: ৭০টিরও বেশি মিসাইল হামলা রাশিয়ার! মৃত ৪, ইউক্রেন জুড়ে ‘ব্ল্যাকআউট’

    এদিকে, বুধবারই রাশিয়ার বিরুদ্ধে যুদ্ধে আন্তর্জাতিক দুনিয়ার কাছে অস্ত্র সাহায্যের আবেদন জানাতে আমেরিকা সফরে গিয়েছেন জেলেনস্কি (Zelensky)। এদিন তিনি মার্কিন কংগ্রেসের যৌথ অধিবেশনে ভাষণও দেন। জেলেনস্কি বলেন, ইউক্রেন বেঁচে রয়েছে এবং লাথি মারছে। তিনি বলেন, ইউক্রেন তার লাইনেই রয়েছে। এবং আমরা কখনও আত্মসমর্পণ করব না। প্রসঙ্গত, চলতি বছরের ২৪ ফেব্রুয়ারি শুরু হয় রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ। তার জেরে মৃত্যু হয়েছে কয়েক হাজার মানুষের। ব্যাপক প্রভাব পড়েছে বিশ্ব অর্থনীতিতে। যদিও এটা যুদ্ধের যুগ নয় বলে পুতিনকে বার্তা দিয়েছিলেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

     

  • Sundar Pichai: ভারত হবে ডিজিটাল ইকনমির সফল রফতানিকারী দেশ, বললেন সুন্দর পিচাই

    Sundar Pichai: ভারত হবে ডিজিটাল ইকনমির সফল রফতানিকারী দেশ, বললেন সুন্দর পিচাই

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রযুক্তিকে কাজে লাগিয়ে দ্রুত উন্নতি করছে ভারত (India)। গোটা বিশ্বের কাছে এটি একটি উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। সরকারি উদ্যোগে ইউনিফায়েড পেমেন্টস ইন্টারফেস (UPI) এবং আধারের (AADHAAR) মতো জিনিস তৈরি করা হয়েছে। কথাগুলি বললেন গুগল এবং অ্যালফাবেট সিইও সুন্দর পিচাই (Sundar Pichai)।

    সুন্দর পিচাই বলেন…

    সম্প্রতি এক সংবাদ সংস্থাকে সাক্ষাৎকার দিতে গিয়ে খড়্গপুর আইআইটির এই প্রাক্তনী বলেন, দেখুন ভারত কীভাবে  ইউনিফায়েড পেমেন্টস ইন্টারফেস, আধার এবং পেমেন্টস স্ট্যাক করেছে। এবং আপনি দেখতে পাবেন একটা খোলামেলা কানেক্টেড স্ট্যাক কীভাবে কাজ করছে। তিনি বলেন, এটাই হল ইন্টারনেট। গুগল এবং অ্যালফাবেট সিইও সুন্দর পিচাইয়ের ভবিষ্যদ্বাণী, অদূর ভবিষ্যতে ভারত হবে ডিজিটাল ইকনমির সফল রফতানিকারী দেশ। তিনি আরও বলেন, ভারত সরকারের সঙ্গে গুগলের পার্টনারশিপ একটি গঠনমূলক উদ্যোগ হবে। কেন্দ্রের টেলিকম বিল, নিউ ডেটা বিল এবং রিভিশন অফ দ্য আইটি অ্যক্টের ভূয়সী প্রশংসাও করেন সুন্দর পিচাই। তিনি বলেন, প্রযুক্তিকে কাজে লাগিয়ে তামাম বিশ্বের সরকার তার দেশের নাগরিকদের নিরাপত্তা ও প্রাইভেসি বজায় রাখতে পারে।

    আরও পড়ুন: হয় কোভিড-বিধি মানুন, নয়তো ভারত জোড় যাত্রা বন্ধ করুন, রাহুলকে চিঠি মাণ্ডব্যর

    প্রসঙ্গত, গুগল এবং অ্যালফাবেট সিইও (Sundar Pichai) যখন এই কথাগুলি বলছেন, তার ঠিক আগে আগেই রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব জানান ডেটা প্রোটেকশন বিল, টেলিকম বিল এবং ডিজিটাল ইন্ডিয়া বিল সংসদে পেশ হতে পারে চলতি অধিবেশনেই। রেলমন্ত্রী জানান, ডেটা প্রোটেকশন বিল এবং ডিজিটাল ইন্ডিয়া বিল কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সেরা সুযোগ নিতে পারবে। অন্যদিকে টেলিকম বিল গ্রাহকের নিরাপত্তার ওপর আলোকপাত করবে।

    প্রসঙ্গত, এর আগে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন সুন্দর পিচাই (Sundar Pichai)। জি-২০ রাষ্ট্রগোষ্ঠীর সভাপতির আসন পাওয়ায় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে অভিনন্দন জানান তিনি। পরে বলেন, আমরা এমন একটি মুক্ত এবং সম্পৃক্ত ইন্টারনেট ব্যবস্থা গড়ে তুলতে চাই, যা সকলের জন্য কাজ করবে। এর পর একটি ট্যুইট করেন সুন্দর পিচাই। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ডিজিটাল ইন্ডিয়া কর্মসূচি অগ্রগতির পথে এক উল্লেখযোগ্য পদক্ষেপ।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Covid-19: লোকসভায় ফিরে এল মাস্ক! করোনা রুখতে সচেষ্ট কেন্দ্র

    Covid-19: লোকসভায় ফিরে এল মাস্ক! করোনা রুখতে সচেষ্ট কেন্দ্র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চিনে দাপট দেখাচ্ছে ওমিক্রনের সাব ভ্যারিয়েন্ট বিএফ.৭। লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে করোনা সংক্রমিতের সংখ্যা। চিনের করোনা পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বিগ্ন ভারতও। চিন থেকে ভারতেও যাতে করোনা সংক্রমণ ছড়িয়ে না পড়ে, তার জন্য অতি তৎপর কেন্দ্র। করোনা পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ বাড়তেই তাই সংসদেও দেখা গেল সচেতনতা। রাজ্যসভায় মাস্ক পরে এলেন চেয়ারম্যান জগদীপ ধনকর (Jagdeep Dhankar)। একই সঙ্গে মাস্ক পরে থাকতে দেখা গেল লোকসভার অধ্যক্ষ ওম বিড়লাকেও (Om Birla)। উভয় কক্ষের বহু সাংসদ ও কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর মুখেও দেখা গেল মাস্ক। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, বস্ত্রমন্ত্রী পীযূষ গয়াল-সহ অনেক মন্ত্রী, সাংসদকেই মাস্ক পরে অধিবেশনে অংশ নিতে দেখা গিয়েছে।

    সকলকে মাস্ক পরার আর্জি

    বৃহস্পতিবার করোনার (Corona) পুনঃ প্রাদুর্ভাবের আশঙ্কায় সকল সাংসদকে মাস্ক পরে থাকা ও কোভিডবিধি মেনে চলার পরামর্শ দেন উপরাষ্ট্রপতি ধনকড় ও লোকসভা অধ্যক্ষ ওম বিড়লা। সকলকে সাবধানতা অবলম্বন করার কথাও বলেন তাঁরা।  ভারতেও যাতে সংক্রমণের পুরনো ছবি আর ফিরে না আসে, তা নিশ্চিত করতে বুধবারই বিকেলে বৈঠকে বসেছিলেন কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী মনসুখ মাণ্ডব্য, কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যসচিব রাজেশ ভূষণ, নীতি আয়োগের সদস্য (স্বাস্থ্য) বি কে পল-সহ স্বাস্থ্য মন্ত্রকের উচ্চপদস্থ আধিকারিকেরা। তাঁদের সকলেরই মুখে ছিল মাস্ক। বৈঠকের শেষেও সাধারণ মানুষকে মাস্ক পরা ও করোনাবিধি অনুসরণ করে চলার পরামর্শ দেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী।

    আরও পড়ুন: দেশে ফের কোভিড-হানার আশঙ্কা, রুখতে তৎপর কেন্দ্র, উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে মোদি

    বুধবার কংগ্রেসের ধর্নামঞ্চেও মাস্ক পরে থাকতে দেখা গিয়েছে কংগ্রেস সংসদীয় দলনেত্রী সোনিয়া গান্ধীকেও (Sonia Gandhi)। তবে এখনও বহু সাংসদকেই বিনা মাস্কে দেখা গিয়েছে সংসদ চত্বরে। তাঁদেরও করোনা প্রতিরোধী মাস্ক পরার জন্য আর্জি জানিয়েছেন সংসদ ভবনের দুই কক্ষের সভাধ্যক্ষরা। এদিন কংগ্রেস সভাপতি তথা রাজ্য়সভায় বিরোধী দলনেতা মল্লিকার্জুন খাড়্গের ঘরে যে বিরোধী দলের বৈঠক বসেছিল, তাতে অধিকাংশ সাংসদেরই অরক্ষিত মুখ দেখা যায়। মাস্ক ছিল না কেন্দ্রীয় মন্ত্রী স্মৃতি ইরানি, অভিনেতা পরেশ রাওয়ালের মুখেও।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • National Ganga Council: কলকাতায় আসছেন মোদি, হাওড়ায় করবেন জনসভা, রয়েছে গুচ্ছ কর্মসূচিও

    National Ganga Council: কলকাতায় আসছেন মোদি, হাওড়ায় করবেন জনসভা, রয়েছে গুচ্ছ কর্মসূচিও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বছর শেষের আগেই কলকাতায় আসছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। ৩০ ডিসেম্বর জাতীয় গঙ্গা কাউন্সিলের (National Ganga Council) বৈঠক হবে কলকাতায়। এই বৈঠকে যোগ দিতেই কলকাতায় আসছেন প্রধানমন্ত্রী। এদিনই হাওড়ার ডুমুরজলা স্টেডিয়ামে এক জনসভায় যোগ দেবেন প্রধানমন্ত্রী। একুশের বিধানসভা নির্বাচনের পর এই প্রথমবার বাংলায় সভা করবেন তিনি। তার আগে সূচনা করতে পারেন হাওড়া-নিউ জলপাইগুড়ি বন্দে ভারত এক্সপ্রেসের। এদিন, জোকা মেট্রোর যাত্রার সূচনাও করতে পারেন তিনি।

    নরেন্দ্র মোদি…

    জাতীয় গঙ্গা কাউন্সিলের সভাপতি স্বয়ং প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এর সদস্য পশ্চিমবঙ্গ। পশ্চিমবঙ্গ ছাড়াও গঙ্গা কাউন্সিলের সদস্য রাজ্য হল উত্তর প্রদেশ, বিহার, উত্তরাখণ্ড ও ঝাড়খণ্ড। জাতীয় গঙ্গা কাউন্সিলের বৈঠকের পর বারাণসী এক্সপ্রেসওয়ে নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণা করতে পারেন প্রধানমন্ত্রী। ৩০ তারিখের বৈঠকে এনিয়ে আলোচনাও হতে পারে। প্রকল্প রূপায়নে কেন্দ্র-রাজ্য সমন্বয়ের বিষয়টিকেও বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হতে পারে।

    ৩০ তারিখের ওই বৈঠকে যোগ দেবেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এর  আগে চলতি মাসেরই পাঁচ তারিখে জি ২০ সম্মেলনের প্রস্তুতি বৈঠকে এক মঞ্চে হাজির ছিলেন মোদি-মমতা। কলকাতা থেকেও জি ২০র একটি প্রস্তুতি বৈঠকে যোগ দিয়েছিলেন মমতা। ভার্চুয়ালি সেই বৈঠকে অংশ নিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিও। এদিকে, গত সপ্তাহে পূর্বাঞ্চলীয় পরিষদের বৈঠকের পর নবান্নের চোদ্দতলায় মুখোমুখি হয়েছিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ ও মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এর পর ৩০ তারিখের বৈঠকে ফের একবার প্রধানমন্ত্রীর মুখোমুখি হতে চলেছেন মমতা। 

    আরও পড়ুন: দেশে ফের কোভিড-হানার আশঙ্কা, রুখতে তৎপর কেন্দ্র, উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে মোদি

    এদিকে, এদিনই হাওড়া নিউ জলপাইগুড়ি বন্দে এক্সপ্রেস ট্রেনের যাত্রার সূচনা করতে পারেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। ট্রেনটি চালু হলে হাওড়া থেকে নিউ জলপাইগুড়ি পৌঁছতে সময় লাগবে ৫ থেকে ৬ ঘণ্টা। যেটা এখন লাগে ৮ থেকে ১০ ঘণ্টা। রেলমন্ত্রক সূত্রে খবর, পূর্ব ভারতে অন্তত পাঁচটি রুটে চলবে বন্দে ভারত এক্সপ্রেস। এগুলি হল, হাওড়া রাঁচি, হাওড়া ঝাড়সুগুদা, হাওড়া ভুবনেশ্বর, হাওড়া পাটনা এবং হাওড়া নিউ জলপাইগুড়ি। মন্ত্রকের এক কর্তার মতে, মূলত পর্যটক ও সময় বাঁচাতে চাওয়া ব্যবসায়ীদের কথা মাথায় রেখেই চালু হবে এই পরিষেবা। অন্যদিকে, এদিন হাওড়ার ডুমুরজলা স্টেডিয়ামে এক জনসভায় যোগ দেবেন প্রধানমন্ত্রী। ২০২১ সালে লোকসভা নির্বাচনের পর এটাই হবে বঙ্গে তাঁর প্রথম জনসভা। এদিনই জোকা মেট্রোর উদ্বোধনও করতে পারেন প্রধানমন্ত্রী। প্রধানমন্ত্রীর সফরের দিন পূর্ব রেল ও উত্তর সীমান্ত রেলের একাধিক প্রকল্পের সঙ্গেই যাত্রী পরিবহণের জন্য খুলে দেওয়া হতে পারে ওই মেট্রোপথ। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • PM Modi: ফের একবার প্রধানমন্ত্রীর মুখোমুখি হতে পারেন মমতা, কেন জানেন?

    PM Modi: ফের একবার প্রধানমন্ত্রীর মুখোমুখি হতে পারেন মমতা, কেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তিনি দীর্ঘদিন সচেতনভাবে এড়িয়ে গিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে (PM Modi)। তবে সম্প্রতি জি ২০ (G20) প্রস্তুতি বৈঠকে দিল্লিতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির মুখোমুখি হয়েছিলেন তিনি। তারপর এবার বছর শেষে ফের একবার প্রধানমন্ত্রীর মুখোমুখি হতে চলেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। চলতি বছরের ৩০ ডিসেম্বর কলকাতায় হতে চলেছে জাতীয় গঙ্গা পরিষদের বৈঠক। ওই বৈঠকে যোগ দিতে কলকাতায় আসতে পারেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তিনি ওই পরিষদের সভাপতি। সেখানেই ফের একবার মুখোমুখি হতে পারেন মোদি-মমতা। জাতীয় গঙ্গা পরিষদের সদস্য হিসেবে ওই বৈঠকে থাকতে পারেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও।

    গঙ্গা পরিষদ…

    গঙ্গা পরিষদের সদস্য কেন্দ্রের প্রায় ১০টি মন্ত্রক। এছাড়া যে রাজ্যগুলির ওপর দিয়ে বয়ে গিয়েছে গঙ্গা, তারাও ওই পরিষদের সদস্য। রাজ্যগুলির মধ্যে পশ্চিমবঙ্গ ছাড়াও রয়েছে উত্তর প্রদেশ, উত্তরাখণ্ড, ঝাড়খণ্ড ও বিহার। ৩০ তারিখে উচ্চ পর্যায়ের ওই বৈঠকের প্রস্তুতি শুরু করে দিয়েছে নবান্ন। ওই দিন সারাদিন ধরে নানা কর্মসূচি পালিত হওয়ার কথা। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (PM Modi) উপস্থিতিতে আলোচনা যেমন হবে, তেমনি হতে পারে গঙ্গাবক্ষে ক্রুজভ্রমণও। প্রসঙ্গত, এর আগে ২০১৯ সালে শেষবার গঙ্গা পরিষদের বৈঠক হয়েছিল উত্তর প্রদেশের কানপুরে। ওই বৈঠকে যোগ দেননি মমতা। অনুপস্থিত ছিল ঝাড়খণ্ডও। তবে এবার সম্ভবত ফের একবার মুখোমুখি হতে চলেছেন মোদি-মমতা।

    আরও পড়ুন: আজ শাহী দরবারে শুভেন্দু, সুকান্তরা! দেখা হতে পারে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী গিরিরাজ সিংয়ের সঙ্গেও

    দুর্নীতির অভিযোগ ওঠায় বিভিন্ন কেন্দ্রীয় প্রকল্পে রাজ্যকে টাকা দেওয়া বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। ওই টাকা পেতে দিল্লিতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছিলেন মমতা। তার পরে জট কাটে। কিছু প্রকল্পের বরাদ্দ রাজ্যকে দেয় কেন্দ্র। এর পর দিল্লিতে হয় জি ২০-র প্রস্তুতি বৈঠক। সেই বৈঠকেও হাজির হন মমতা। সেখানেও মোদির সঙ্গে মুখোমুখি হন তিনি। সম্প্রতি কলকাতায় এসেছিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। পূ্র্বাঞ্চলীয় পরিষদের বৈঠকে যোগ দিয়েছিলেন তিনি। দীর্ঘ দিন পরে এই বৈঠকে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর মুখোমুখি হন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। পরে নবান্নের চোদ্দতলায় হয় একান্তে বৈঠক। তখনও বকেয়া বরাদ্দের প্রসঙ্গ তোলেন মমতা। এবার ফের প্রধানমন্ত্রীর (PM Modi) মুখোমুখি হচ্ছেন তিনি। এখন দেখার, প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে মমতার একান্তে বৈঠক হয় কিনা!

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Tawang Monastery: মোদি সরকারের উপর আস্থা! ভারতীয় সেনার পাশে তাওয়াং মঠ

    Tawang Monastery: মোদি সরকারের উপর আস্থা! ভারতীয় সেনার পাশে তাওয়াং মঠ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এটা ১৯৬২ সাল নয়, ২০২২। দেশে নরেন্দ্র মোদির সরকার। এই সরকার দেশের নিরাপত্তার স্বার্থে সবাইকে কড়া জবাব দেয়। চিনকে সতর্ক করলেন তাওয়াং বৌদ্ধমঠের সন্ন্যাসীরা। তাওয়াংয়ে চিনের আগ্রাসনে চিন্তিত দেশ। কয়েকদিন আগেই প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখা সংলগ্ন এলাকায় চিনা সেনার অনুপ্রবেশ রুখে দেয় ভারতীয় সেনা বাহিনী। গালওয়ান থেকে শিক্ষা নিয়ে এবার পিপলস লিবারেশন আর্মির ষড়যন্ত্র শুরুতেই ধরে ফেলেন সীমান্তের প্রহরীরা।

    লামার কথায়

    তাওয়াংয়ে চিনের আগ্রাসন প্রসঙ্গে  লামা ইয়েশি খাও বলেন, “প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি কাউকে ছাড় দেবেন না। আমরা মোদি সরকার এবং ভারতীয় সেনাবাহিনীকে সমর্থন করি।” প্রাচীন তাওয়াং মঠ ১৯৬২ সালের যুদ্ধেরও সাক্ষী বলে জানান খাও। তিনি বলেন, “পৃথিবীতে শান্তি চাইলে অন্যের জমি আগ্রাসন করা উচিত নয়। চিনা সরকার সবসময় অন্যের সীমান্তে নজর দেয়। এটা সম্পূর্ণ ভুল। চিন ভারতের জমির দিকে হাত ওঠাচ্ছে। তারা ভুল করছে। চিন যদি সত্যি শান্তি চায়, তাহলে এটা তাদের করা উচিত নয়। অন্যের ক্ষতি করা কখনওই কাম্য নয়।”

    অরুণাচলপ্রদেশ (Arunachal Pradesh)সীমান্তে চীনকে নিয়ে সদাসতর্ক ভারত। যে কোনও পরিস্থিতি মোকাবিলায় তৈরি ভারতীয় সেনা। তবে, শীতের সময় বরফ ঢাকা সেলা পাস ( Sela Pass) পার করে দুর্গম তাওয়াং (Tawang) এলাকায় পৌঁছনো রীতিমতো চ্যালেঞ্জের। সেই বাধাও এবার দূর করে ফেলছে ভারত। এবার যে কোনও আবহাওয়ায় তাওয়াং পৌঁছতে সেলা পাসে নতুন টানেল তৈরি করা হচ্ছে। তাওয়াং মঠের লামা খাও জানান, বর্তমান ভারত সরকার এবং ভারতীয় সেনাবাহিনীর উপর তার পূর্ণ আস্থা রয়েছে, যারা তাওয়াংকে সুরক্ষিত রাখবে। তিনি বলেন, “১৯৬২ সালের যুদ্ধের সময়, এই মঠের সন্ন্যাসীরা ভারতীয় সেনাবাহিনীকে সাহায্য করেছিলেন। চিনা সেনাবাহিনীও মঠে প্রবেশ করেছিল, কিন্তু তারা কাউকে আঘাত করেনি। এর আগে তাওয়াং তিব্বতের অংশ ছিল এবং চিন সরকার তিব্বতের জমি দখল করে নিয়েছিল। চিন সরকারের দাবি, তাওয়াংও তিব্বতের অংশ। কিন্তু তাওয়াং ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ। আমরা চিন্তা করি না কারণ ভারতীয় সেনাবাহিনী সীমান্তে রয়েছে। সীমান্তে ঘটে যাওয়া ঘটনাগুলো নিয়ে আমরা চিন্তিত নই এবং আমরা এখানে শান্তিপূর্ণভাবে বসবাস করছি।”

    আরও পড়ুন: তাওয়াং সীমান্তে প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখা লঙ্ঘন করল চিন! জবাব ভারতীয় সেনার

    ১৬৮১ সালে পঞ্চম দলাই লামার অনুমোদনের পর তৈরি হয়েছিল তাওয়াং মঠ।  এশিয়ার দ্বিতীয় বৃহত্তম এবং প্রাচীনতম মঠ এটি। তাওয়াংয়েই জন্মগ্রহণ করেছিলেন ষষ্ঠ দলাই লামা। বর্তমানে এই মঠে প্রায় ৫০০ সন্ন্যাসী রয়েছেন। বৌদ্ধ দর্শনের পাশাপাশি সাধারণ শিক্ষাও দেওয়া হয় এই মঠে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Nuclear Threat: ভারতের বিরুদ্ধে পরমাণু যুদ্ধের হুমকি পাক মন্ত্রীর, জানুন কারণ

    Nuclear Threat: ভারতের বিরুদ্ধে পরমাণু যুদ্ধের হুমকি পাক মন্ত্রীর, জানুন কারণ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতের বিরুদ্ধে পরমাণু যুদ্ধের হুমকি (Nuclear Threat) পাকিস্তানের মন্ত্রীর! দিন কয়েক আগে ভারতের (India) প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে(PM Modi) নিয়ে আপত্তিকর মন্তব্য করেছিলেন পাকিস্তান পিপলস পার্টির (PPP) নেতা বিলাওয়াল ভুট্টো জারদারি। রাষ্ট্রসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে তিনি ওই মন্তব্য করেছিলেন। এবার তাঁরই দলের এক নেত্রী শাজিয়া মারি দিলেন পরমাণু যুদ্ধের (Nuclear Threat) হুমকি। বিলাওয়াল ভুট্টো জারদারির মন্তব্যের সমর্থনে আয়োজিত এক সভায় পাকিস্তানের মন্ত্রী শাজিয়া মারি বলেন, ভারতের ভুলে গেলে চলবে না যে পাকিস্তানের কাছেও পরমাণু বোমা আছে। চুপ করে বসে থাকার জন্য আমরা পরমাণু বোমা বানাইনি। প্রয়োজনে আমরা পিছপা হব না। 

    নেপথ্য কাহিনি…

    রাষ্ট্রসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের আলোচনায় যোগ দেন ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর। সেই সময় তিনি পাকিস্তানকে সন্ত্রাসের এপিসেন্টার বলে অভিহিত করেন। আন্তর্জাতিক মঞ্চে পাকিস্তানের মুখোশ খুলে দিয়ে ভারতের বিদেশমন্ত্রী বলেন, যে দেশ ওসামা বিন লাদেন ও পড়শি দেশের সংসদে হামলাকারীদের আশ্রয় দেয়, অন্যদের উপদেশ দেওয়ার বিশ্বাসযোগ্যতাই তাদের নেই। এর পরেই বক্তৃতা দিতে উঠে পাকিস্তানের বিদেশমন্ত্রী বিলাওয়াল ভুট্টো জারদারি নিশানা করেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে। তিনি বলেন, ওসামা বিন লাদেন মারা গিয়েছেন। কিন্তু গুজরাটের কসাই বেঁচে আছেন। তিনি ভারতের প্রধানমন্ত্রী।

    আরও পড়ুন: অগ্নি-৫ এর পাল্লা বাড়িয়ে করা যেতে পারে ৭ হাজার কিমি!

    বিলাওয়ালের এহেন মন্তব্যের জেরে কড়া প্রতিক্রিয়া দেয় ভারত। পাকিস্তানের বিদেশমন্ত্রীর এই মন্তব্য পাকিস্তানের হীনমন্যতার পরিচায়ক বলে মন্তব্য করে ভারতের বিদেশমন্ত্রক। বিলাওয়ালের মন্তব্যের প্রতিবাদে শুক্রবার দিল্লিতে পাক দূতাবাসের সামনে বিক্ষোভ দেখায় বিজেপি। শনিবার দেশের সমস্ত রাজ্য ও কেন্দ্র শাসিত অঞ্চলে প্রতিবাদ কর্মসূচি পালন করেন পদ্ম নেতৃত্ব। পাকিস্তান ও বিলাওয়ালের কুশপুতুলও দাহ করে বিজেপি। পাক সংবাদ মাধ্যম সূত্রে খবর, বিলাবল ভুট্টো জারদারির মন্তব্যের সমর্থনে বলতে গিয়েই পরমাণু যুদ্ধের প্রসঙ্গ টানেন তাঁরই দল পিপিপির নেত্রী শাজিয়া। শাজিয়া কিংবা তাঁর দলের নেতা বিলাওয়ালের ‘অভব্য’ মন্তব্য তাঁদের দেশের মানসিকতারই পরিচায়ক বলে মনে করেন সিংহভাগ ভারতবাসী।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Facebook এবং Twitter পেজ। 

     

  • PM Modi: ‘যারা উন্নয়নের বিপক্ষে, তাদের লালকার্ড দেখানো উচিত’, শিলংয়ে বললেন মোদি

    PM Modi: ‘যারা উন্নয়নের বিপক্ষে, তাদের লালকার্ড দেখানো উচিত’, শিলংয়ে বললেন মোদি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: যারা উন্নয়নের পক্ষে বাধার প্রাচীর হয়ে দাঁড়াবে, তাদের লালকার্ড (Red Card) দেখানো উচিত আমাদের। পূবে তাকাও (Look East) এবং পূবে কাজ কর (Act East)-এর বদলে নয়া নীতি হল পূবে কাজ কর এবং প্রথমে কর উত্তর পূর্বে। রবিবার মেঘালয়ের শিলংয়ে (Shillong) এই কথাগুলি বললেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এদিন নর্থ-ইস্টার্ন কাউন্সিলের একটি বৈঠকে যোগ দেন প্রধানমন্ত্রী। সেখানেই তিনি ভাষণ দেন। সেই সময়ই তিনি উত্তর পূর্ব ভারতের দিকে বেশি করে নজর দেওয়ার ওপর জোর দেন। প্রসঙ্গত, ১৯৭২ সালে উদ্বোধন হয়েছিল নর্থ ইস্টার্ন কাউন্সিলের। এই কাউন্সিলের এবার সুবর্ণ জয়ন্তী উৎসব। সেই উৎসবে প্রধান অতিথি ছিলেন প্রধানমন্ত্রী। প্রধানমন্ত্রী ছাড়াও এদিনের অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ, কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জি কিষান রেড্ডি এবং নর্থ-ইস্টার্ন রাজ্যগুলির মুখ্যমন্ত্রীরা।

    মোদি উবাচ…

    এদিন ওই অনুষ্ঠানে বক্তৃতা দিতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, নর্থ ইস্টার্ন কাউন্সিলের যখন সুবর্ণ জয়ন্তী চলছে, তখন দেশে চলছে আজাদি কা অমৃত মহোৎসব। নর্থ ইস্টার্ন অঞ্চলের আটটি রাজ্যকে প্রধানমন্ত্রী অষ্টলক্ষ্মী বলে উল্লেখ করেন প্রায়ই। এদিন তিনি বলেন, সরকারের উচিত এই অঞ্চলে আটটি ফাউন্ডেশন পিলার তৈরি করা। এই আটটি পিলার কী, তা নিজেই ব্যাখ্যা করেন প্রধানমন্ত্রী। বলেন, এই আটটি পিলার হল শান্তি, ক্ষমতা, পর্যটন, ৫ জি কানেক্টিভিটি, সংস্কৃতি, প্রাকৃতিক আবাদ, স্পোর্টস ও পোটেনসিয়াল।

    আরও পড়ুন: “অনার কিলিং- এর নামে প্রতিবছর এ দেশে শয়ে শয়ে মানুষ খুন হয়”, উদ্বেগ প্রকাশ প্রধান বিচারপতির

    উত্তর-পূর্বের রাজ্যগুলি যে তাঁর কাছে অবহেলিত নয়, এদিন তাও স্পষ্ট করে দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, আমার সরকারের কাছে উত্তর-পূর্ব ও তার সীমান্ত এলাকা দেশের শেষ এলাকা নয়। এটা প্রতিরক্ষা ও সমৃদ্ধির গেটওয়ে। এই রাজ্যগুলি থেকে যে অন্যান্য দেশের সঙ্গে ভারতের ব্যবসা হয় এবং নিরাপত্তা বজায় থাকে, তাও এদিন মনে করিয়ে দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, নর্থ-ইস্টে উন্নয়নের করিডর বানানোর ওপর জোর দিচ্ছি আমরা, সীমান্ত নিয়ে দ্বন্দ্বের জন্য নয়। মোদি বলেন, চলতি বছর উত্তর-পূর্বে পরিকাঠামো গড়ে তুলতে কেন্দ্র ৭ লক্ষ কোটি টাকা ব্যয় করছে। আট বছর আগে এর পরিমাণ ছিল ২ লক্ষ কোটি টাকারও কম।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Bangladesh: বাংলাদেশের অর্থনীতির হাঁড়ির হাল, কেন হল জানেন?

    Bangladesh: বাংলাদেশের অর্থনীতির হাঁড়ির হাল, কেন হল জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: করোনা অতিমারি পরিস্থিতিতেও দ্রুত গতিতে উন্নতি করছিল ভারতের প্রতিবেশী দেশ বাংলাদেশ (Bangladesh)। করোনা (Covid-19) পরিস্থিতির উন্নতি হলেও অব্যাহত ছিল বৃদ্ধির হার। পরে বাঁধে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ (Russia Eukraine war)। এদিন নয়া একটি বিবৃতি জারি করে সরকার। সেখানেই বলা হয়, ইউক্রেন যুদ্ধের জেরে মার খাচ্ছে বাংলাদেশের (Bangladesh) রফতানি। মার খেয়েছে দেশের ফোরেক্স রিজার্ভসও।

    বাংলাদেশের অর্থনীতি…

    সম্প্রতি হাঁড়ির হাল হয়েছে বাংলাদেশের অর্থনীতির। জানা গিয়েছে, গত মাসে আর্থিক সাহায্যের জন্য বাংলাদেশ দ্বারস্থ হয়েছিল আন্তর্জাতিক মুদ্রা ভাণ্ডারের। আন্তর্জাতিক মুদ্রা ভাণ্ডারের প্রেস বিজ্ঞপ্তি থেকে জানা গিয়েছে, বাংলাদেশ ৪.৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার মূল্যের অর্থ সাহায্য পাবে। দেশের অর্থনীতির হাল তলানিতে ঠেকে যাওয়ায় কড়া সমালোচনা করেছিল বাংলাদেশের প্রধান বিরোধী দল বাংলাদেশ ন্যাশনালিস্ট পার্টি, সংক্ষেপে বিএনপি। ঘটনার প্রতিবাদে দেশজুড়ে প্রতিবাদ আন্দোলনে শামিল হয়েছিল তারা। লক্ষ্য ছিল, দেশের শাসক দল আওয়ামি লিগ এবং ওই দলের প্রধান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে কোণঠাসা করা। প্রসঙ্গত, এক দশকেরও বেশি সময় ধরে বাংলাদেশের ক্ষমতায় রয়েছে হাসিনার নেতৃত্বাধীন সরকার।

    কী কারণে হাঁড়ির হাল হল বাংলাদেশের অর্থনীতির? আইএমএফ জানিয়েছে, বাংলাদেশের শক্তপোক্ত অর্থনীতি সম্প্রতি জোর ধাক্কা খেয়েছে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের জেরে। এই যুদ্ধের জেরে নগদের জোগানে টান পড়েছে। দ্রুত কমতে শুরু করে বিদেশি মুদ্রার ভাণ্ডার। এর ফলে মুদ্রাস্ফীতি বেড়েছে, কমেছে বৃদ্ধি।

    আরও জানা গিয়েছে, মার্কিন ডলারের তুলনায় বাংলাদেশের মুদ্রা টাকার দর গত কয়েক মাসে পড়েছে হু হু করে। এর ফলে বেড়েছে আমদানি খরচ। ২০২১ সালের ডিসেম্বরে যেখানে বাংলাদেশি টাকায় এক মার্কিন ডলারের মূল্য ছিল ৮৬টাকা, সেখানে বর্তমানে এক মার্কিন ডলারের মূল্য দাঁড়িয়েছে ১০৫ টাকায়। বিদেশি মুদ্রার ভাঁড়ারেও পড়েছে টান। গত বছর ডিসেম্বরে দেশে বৈদেশিক মুদ্রার পরিমাণ ছিল ৪৬ হাজার ১৫৪ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। সেটাই এখন কমে দাঁড়িয়েছে, ৩৩ হাজার ৭৯০ মিলিয়ন মার্কিন ডলারে।

     

     

LinkedIn
Share