Tag: PM Modi

PM Modi

  • Modi 3.0: জুন মাসে তৃতীয় মোদি সরকারের প্রথম বর্ষপূর্তি, দেশজুড়ে পদযাত্রা করবে বিজেপি

    Modi 3.0: জুন মাসে তৃতীয় মোদি সরকারের প্রথম বর্ষপূর্তি, দেশজুড়ে পদযাত্রা করবে বিজেপি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তৃতীয় মোদি সরকারের (Modi 3.0) এক বছর পূর্তি হতে চলেছে আগামী মাসেই। ২০১৪ সালে প্রথমবারের জন্য মোদি সরকার ক্ষমতায় আসে। ২০১৯ সালে আবারও নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে জেতে বিজেপি। ২০২৪ সালের ৪ জুন ফলাফল প্রকাশিত হয়। তৃতীয়বারের জন্য ফের ক্ষমতায় আসে মোদি সরকার। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির জনপ্রিয়তার সামনে উড়ে যায় বিরোধী দলগুলি। ২০২৪ সালের ৯ জুন প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন মোদি। তৃতীয় মোদি সরকারের প্রথম বছরে অনেক কর্মসূচির সিদ্ধান্ত নিয়েছে গেরুয়া শিবির। বিভিন্ন সর্বভারতীয় সংবাদ মাধ্যম সূত্রে জানা গিয়েছে, ইতিমধ্যে কর্মসূচি চূড়ান্ত করার জন্য বিজেপি দলীয় কর্মী এবং মন্ত্রীদের নিয়ে একটি কমিটিও গঠন করেছে। নরেন্দ্র মোদির জমানায় দেশে কী কী উন্নয়ন হয়েছে, ভারতের অর্থনৈতিক বিকাশ, এই বার্তা পৌঁছে দেবেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রীরা। তাঁদের নিজেদের সংসদীয় এলাকায় প্রতি সপ্তাহে দুইদিন করে তাঁরা অন্তত কুড়ি কিলোমিটার পদযাত্রা করবেন।

    মোদি সরকারের (Modi 3.0) সাফল্যগাথা তুলে ধরবে বিজেপি

    এই পদযাত্রায় বিজেপি (BJP) নেতা-কর্মীরাও যোগ দেবেন বলে জানানো হয়েছে গেরুয়া শিবিরের তরফ থেকে। ২০২৫ সালে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে ১১ বছর পূর্ণ করছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Modi 3.0)। এই সময়ে দেশের জনগণের কল্যাণের জন্য তাঁর করা একাধিক প্রকল্প তুলে ধরবেন বিজেপি নেতাকর্মীরা। সাম্প্রতিক অপারেশন সিঁদুরের সাফল্য সম্পর্কেও জনগণকে বোঝাবেন গেরুয়া শিবিরের কর্মীরা। কীভাবে মোদির নেতৃত্বে ভারত শক্তিশালী হয়েছে এবং পাকিস্তানকে যোগ্য জবাব দেওয়া গিয়েছে, সেই বার্তা ছড়িয়ে দেওয়া হবে।

    ৯ জুন ‘জ্ঞান ভারত মিশন’ চালু করবেন প্রধানমন্ত্রী

    একই সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর নরেন্দ্র মোদি আগামী ৯ জুন ‘জ্ঞান ভারত মিশন’ চালু করবেন। এর ফলে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে থাকা এক কোটিরও বেশি পান্ডুলিপির সংরক্ষণ করা হবে ডিজিটাল মাধ্যমে। প্রসঙ্গত, ২০২৪ সালের সাধারণ নির্বাচনে ৫৪৩টির মধ্যে নরেন্দ্র মোদি নেতৃত্বে এনডিএ জোট যেতে ২৯৩টি আসনে। অন্যদিকে বিরোধী ইন্ডিয়া ব্লক জেতে ২৩৪টি আসনে। বিজেপি (BJP) একাই পায় ২৪০টি আসন। কংগ্রেস পায় ৯৯টি আসন। ২০২৪ সালের ৯ জুন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Modi 3.0) তৃতীয়বারের জন্য শপথ গ্রহণ করেন। এক্ষেত্রে উল্লেখ করা দরকার, ২০১৪ সালে প্রথমবার প্রধানমন্ত্রী হওয়ার আগে নরেন্দ্র মোদি গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন। ২০০১ সাল থেকে ২০১৪ সাল পর্যন্ত টানা মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব সামলেছেন তিনি।

  • Operation Sindoor: “সিঁদুর এখন বারুদে পরিণত,” রাজস্থানের সভায় বললেন প্রধানমন্ত্রী মোদি

    Operation Sindoor: “সিঁদুর এখন বারুদে পরিণত,” রাজস্থানের সভায় বললেন প্রধানমন্ত্রী মোদি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “আমরা যে সিঁদুর ব্যবহার করি, তা এখন বারুদে পরিণত হয়েছে। আমাদের সেনাবাহিনী পাকিস্তানের সন্ত্রাসবাদী শিবিরগুলি ধ্বংস করে দিয়েছে।” রাজস্থানের বিকানেরে বৃহস্পতিবার এক জনসমাবেশে ভাষণ দেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। সেখানে প্রত্যাশিতভাবেই আসে অপারেশন সিঁদুরের (Operation Sindoor) প্রসঙ্গ। তার আগে আসে ২২ এপ্রিল দক্ষিণ কাশ্মীরের পহেলগাঁও হত্যাকাণ্ডের প্রসঙ্গও। ওই দিন বেছে বেছে ২৭ জন হিন্দু পর্যটককে হত্যা করেছিল পাক মদতপুষ্ট জঙ্গিরা। এর ঠিক পক্ষকাল পরেই পাকিস্তান ও পাক অধিকৃত কাশ্মীরে অপারেশন সিঁদুর চালায় ভারত। ভেঙে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয় জঙ্গিদের ঘাঁটি।

    সিঁথির সিঁদুর (Operation Sindoor)

    এদিন সে প্রসঙ্গ টেনে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “যারা সেদিন সিঁথির সিঁদুর মুছে দিতে এসেছিল, তাদের আমরা মাটির সঙ্গে মিশিয়ে দিয়েছি।” তিনি বলেন, “সেদিন জঙ্গিরা পর্যটকদের ধর্ম জিজ্ঞেস করে মেরেছিল, মুছে দিয়েছিল মহিলাদের সিঁথির সিঁদুর। জঙ্গিদের ছোড়া সেই গুলি কেবল পহেলগাঁওয়ের মাটিতেই লাগেনি, লেগেছিল ১৪০ কোটির হৃদয়ে। কিন্তু যারা ভেবেছিল ভারত চুপ করে থাকবে, তারা আজ নিজেদের ঘরে লুকিয়ে আছে, আর যারা অস্ত্রে ভরসা করত, তারা আজ নিজেদের ঘরে লুকিয়ে রয়েছে, তারা আজ তাদেরই ধ্বংসস্তূপের নীচে। প্রতিটি রক্তফোঁটার দাম আদায় করে নিয়েছে ভারত।” তিনি বলেন, “পহেলগাঁও হত্যাকাণ্ডের পরে আমরা ঐক্যবদ্ধভাবে সঙ্কল্প নিয়েছিলাম যে আমরা সন্ত্রাসবাদীদের নির্মূল করব। আমরা তাদের কল্পনার চেয়েও বড় শাস্তি দেব। সন্ত্রাসবাদীদের মাটিতে মিশিয়ে দেওয়া হবে। আজ, আপনাদের আশীর্বাদ এবং দেশের সেনাবাহিনীর সাহসিকতায় আমরা সকলেই তা পূরণ করতে পেরেছি। আমাদের সরকার তিন সেনাকে ফ্রি হ্যান্ড দিয়েছিল। তিন সেনা মিলে ওদের নাস্তানাবুদ করেছে।” এর পরেই তিনি বলেন, “তিন বাহিনী মিলে এমন একটি চক্রব্যূহ তৈরি করেছে যে পাকিস্তানকে নতজানু হতে বাধ্য করা হয়েছে।”

    এই ভারত আগের ভারত নয়

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, “এই ভারত আগের ভারত নয়। এখনকার ভারত প্রতিশোধ নিতে জানে – তা যেমন কূটনৈতিকভাবে, সেমনই সামরিকভাবেও।” তিনি বলেন, “মাত্র ২২ মিনিটের মাথায় সন্ত্রাসবাদী ঘাঁটিগুলিকে ধ্বংস করে দেয় আমাদের সেনা। যার জেরে মাথা নোয়াতে বাধ্য হয়েছে পাকিস্তান। এটাই নতুন ভারতের জবাব। এটাই অপারেশন সিঁদুর।” জাতীয় নিরাপত্তা নিয়ে মোদি সরকার যে জিরো টলারেন্স নীতি নিয়েছে, এদিন সে প্রসঙ্গ তুলে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “সেনাকে সম্পূর্ণ ফ্রি হ্যান্ড দেওয়া হয়েছে। তিন বাহিনী এমন একটা চক্রব্যূহ তৈরি করেছিল যে পাকিস্তান পিছু হঠতে বাধ্য হয়েছে। যারা আগুন জ্বালাতে এসেছিল, তারাই এখন ছাইয়ের নীচে।”

    ২২ তারিখের হামলার জবাবে ২২ মিনিটে

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, “২২ তারিখের হামলার জবাবে ২২ মিনিটে আমরা জঙ্গিদের ৯টি ঘাঁটি ধ্বংস করে দিয়েছি (Operation Sindoor)। ২২ তারিখে ধর্ম বেছে বেছে খুন করা হয়েছে। দেশের শত্রুরা দেখে নিয়েছে, সিঁদুর যখন বারুদে পরিণত হয়, তখন ফল কী হয়!” প্রধানমন্ত্রী বলেন, “এটা প্রতিশোধ নয়, এটা ন্যায়ের নয়া রূপ (PM Modi)। এটা আক্রোশ নয়, এটা সমগ্র ভারতের প্রত্যয়। এটাই ভারতের নয়া স্বরূপ। আগে ঘরে ঢুকে আঘাত করেছিলাম। এখন সোজা বুকে আঘাত করেছি। এরপর আর ভারতে কোনও হামলা হলে আরও কড়া জবাব দেওয়া হবে। এর পরেও সময় ঠিক করবে সেনা, আঘাতের উপায়ও ঠিক করবে তারাই।” পাকিস্তানের পারমাণবিক বোমার ভয় দেখানো প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “পারমাণবিক বোমার এই ভুয়ো ভয়ে ভারত আর ভীত হবে না। আতঙ্কের গুরু এবং সন্ত্রাসকে সাহায্য করা সরকারকে আমরা আলাদা আলাদা করে দেখব না। আমরা তাদের একই হিসেবে দেখব। তাদের এই স্টেট, নন-স্টেটের খেলা আর চলবে না। গোটা বিশ্বে তাদের মুখোশ খোলার জন্য আমরা দল পাঠিয়েছি। আমরা এখন গোটা বিশ্বকে পাকিস্তানের আসল চেহারা দেখাব।”

    বীরভূমি রাজস্থান

    তিনি (PM Modi) বলেন, “পাঁচ বছর আগে যখন বালাকোটে এয়ারস্ট্রাইক হয়েছিল, তখন আমার প্রথম জনসভা হয়েছিল রাজস্থানে। এটা বীরভূমি। অপারেশন সিঁদুরের পরেও আমার প্রথম জনসভা হল বীরভূমি রাজস্থানের বিকানেরে (Operation Sindoor)।” এদিন বিকানের সফরে প্রধানমন্ত্রী গিয়েছিলেন নাল এয়ার ফোর্স স্টেশনে। অপারেশন সিঁদুর চলাকালীন এখানেই হামলা চালানোর চেষ্টা করেছিল পাকিস্তান। সেই হামলা সফলভাবে প্রতিহত করে ভারতীয় বাহিনী। সেখানে সেনাদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন প্রধানমন্ত্রী, প্রশংসা করেন ভারতীয় বাহিনীর মনোবলের। এদিন, প্রধানমন্ত্রী উদ্বোধন করেন অমৃত ভারত স্টেশন প্রকল্পের আওতায় পুনর্নির্মিত দেশনোক স্টেশন। এর পাশাপাশি, তিনি উদ্বোধন ও সূচনা করেন ২৬ হাজার কোটি টাকার একাধিক রেল প্রকল্পের (PM Modi)। এর মধ্যে রয়েছে চুরু-সাদুলপুর নয়া রেললাইন এবং পাঁচটি রেলপথের বিদ্যুদয়নও (Operation Sindoor)।

  • PM Modi: ২৯ মে রাজ্যে প্রধানমন্ত্রী, আলিপুরদুয়ারে জোড়া কর্মসূচিতে যোগ দিতে আসছেন মোদি

    PM Modi: ২৯ মে রাজ্যে প্রধানমন্ত্রী, আলিপুরদুয়ারে জোড়া কর্মসূচিতে যোগ দিতে আসছেন মোদি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বছর ঘুরলেই পশ্চিমবঙ্গে (West Bengal) বিধানসভা নির্বাচন। তাই সোমবার তিনদিনের সফরে উত্তরবঙ্গে গিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (PM Modi)। নামে প্রশাসনিক সফর হলেও, আদতে এর নেপথ্যে ছিল রাজনীতির গভীর অঙ্ক।

    আলিপুরদুয়ারে জোড়া কর্মসূচিতে (PM Modi)

    মুখ্যমন্ত্রী যখন রাজনীতির আঁক কষতে ব্যস্ত, তখন সেই উত্তরবঙ্গেরই আলিপুরদুয়ারে জোড়া কর্মসূচিতে যোগ দিতে ২৯ মে আসছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। প্রশাসনিক সভায় যোগ দেওয়ার পাশাপাশি আলিপুরদুয়ার প্যারেড গ্রাউন্ডে একটি জনসভাও করবেন। বৃহস্পতিবার সকালে সভাস্থল ঘুরে দেখেন রাজ্য বিজেপির সাধারণ সম্পাদক (সংগঠন) অমিতাভ চক্রবর্তী, সাধারণ সম্পাদক তথা ফালাকাটার বিধায়ক দীপক বর্মণ এবং আলিপুরদুয়ারের সাংসদ মনোজ টিগ্গা। সঙ্গে ছিলেন বিজেপির অন্য নেতারাও। বিজেপি সূত্রে খবর, প্রশাসনিক সভা থেকে প্রধানমন্ত্রী পশ্চিমবঙ্গ তো বটেই, দেশের বিভিন্ন রাজ্যের জন্য একাধিক প্রকল্পের সূচনা করবেন। তবে প্রশাসনিক সভাটি কোথায় হবে, তা স্পষ্ট নয়। প্রধানমন্ত্রীর জনসভার প্রস্তুতিতে কোনও খামতি রাখতে চাইছে না পদ্ম শিবির। বিজেপি নেতা তথা ফালাকাটার বিধায়ক বলেন, “অপারেশন সিঁদুর পরবর্তী পরিস্থিতিতে প্রধানমন্ত্রী নিজেই এখানে একটি প্রশাসনিক ও রাজনৈতিক সভা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। রাজনৈতিক সভাটির প্রস্তুতির দায়িত্বে আমরা রয়েছি। সেই প্রস্তুতি আমরা আজ থেকেই শুরু করে দিলাম।”

    কেন আলিপুরদুয়ারই?

    প্রশ্ন হল, কেন আলিপুরদুয়ারকেই বেছে নিলেন প্রধানমন্ত্রী (PM Modi)? দীপক বলেন, “আলিপুরদুয়ারের এক দিকে সেভেন সিস্টার্স অর্থাৎ উত্তর-পূর্ব ভারতের সাতটি রাজ্য রয়েছে। অন্যদিকে, গুরুত্বপূর্ণ চিকেন’স নেকও এই অঞ্চলেই। আলিপুরদুয়ারই উত্তর-পূর্ব ভারতের প্রবেশ পথ। তাই আন্তর্জাতিকভাবে এই অঞ্চল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সে কথা মাথায় রেখেই সম্ভবত প্রধানমন্ত্রী এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বলে মনে হয়।” মনোজ বলেন, “অপারেশন সিঁদুরের সাফল্যের পর সেনাকে সম্মান জানাতে আগামী ২৯ মে উত্তরবঙ্গে জনসভা করবেন প্রধানমন্ত্রী। সেই জন্যই আমরা মাঠ দেখতে এসেছিলাম। কোন জায়গায় মঞ্চ করা যায়, সেই সব খতিয়ে দেখা হয়েছে।” তিনি জানান, অপারেশন সিঁদুরের পর দেশের একাধিক জায়গায় জনসভা করবেন প্রধানমন্ত্রী (West Bengal)। সেই কর্মসূচির অংশ হিসেবেই উত্তরবঙ্গের আলিপুরদুয়ারে সভা করবেন তিনি (PM Modi)।

  • India Pakistan Conflicts: জ্যোতিকে জেরা করেই সন্ধান! আরও এক পাক কুটনীতিককে বহিষ্কার ভারতের

    India Pakistan Conflicts: জ্যোতিকে জেরা করেই সন্ধান! আরও এক পাক কুটনীতিককে বহিষ্কার ভারতের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পাকিস্তান (India Pakistan Conflicts) হাই-কমিশনের আরও এক আধিকারিককে ফের বহিষ্কার করল কেন্দ্রের মোদি সরকার৷ এক সপ্তাহের মধ্যে দ্বিতীয় পাক আধিকারিককে ‘পার্সোনা নন গ্রাটা’ অর্থাৎ অবাঞ্ছিত ঘোষণা করল ভারত ৷ ২৪ ঘণ্টার মধ্যে তাকে ভারত ত্যাগ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বিদেশ মন্ত্রক জানিয়েছে, ‘তাঁর সরকারি মর্যাদার সঙ্গে অসঙ্গতিপূর্ণ কর্মকাণ্ডে জড়িত ছিল ওই পাক কর্তা।’ সেই কারণেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

    ‘চার্জ দ্য’অ্যাফেয়ার্স’কে সতর্ক-বার্তা

    বিদেশ মন্ত্রক সূত্রে জানা গিয়েছে, এদিন পাক হাইকমিশনের ‘চার্জ দ্যাফেয়ার’কে তলব করা হয় এবং তাঁর হাতে সরকারি ভাবে একটি ডিমার্শে ধরানো হয়। তাঁকে নয়াদিল্লির পক্ষ থেকে সতর্কও করা হয়েছে। যাতে আর কোনও পাকিস্তানি কূটনীতিক ভারতে থাকাকালীন তাঁদের কূটনৈতিক পরিচয়ের সুবিধার অপব্যবহার না করেন, তা নিশ্চিত করতে বলা হয়েছে পাকিস্তান হাইকমিশনের ‘চার্জ দ্যাফেয়ার’কে। এই নিয়ে গত দশদিনে পাক হাইকমিশনের দু’জন কর্তাকে তাদের কূটনৈতিক পরিচয়ের সুবিধা নিয়ে ভারত-বিরোধী (India Pakistan Conflicts) কাজে জড়িত থাকার দায়ে পার্সোনা নন গ্রাটা ঘোষণা করা হল। এর আগে গত ১৩ মে পাক হাই-কমিশনের আরেক আধিকারিক দানিশকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করে কেন্দ্রীয় সরকার ৷

    জ্যোতিকে জেরা করেই মিলল হদিশ!

    গত ১৩ মে পাক কূটনীতিকে বহিষ্কারের তিন দিন পরে ১৭ মে হরিয়ানার হিসার থেকে গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগে গ্রেফতার করা হয় ইউটিউবার জ্যোতি মালহোত্রাকে৷ তার সঙ্গে পাক হাই কমিশনের আধিকারিক আহসান-উর-রহিম ওরফে দানিশের যোগাযোগের বিষয়টি সামনে আসে৷ অভিযোগ, ইউটিউবার জ্যোতি তার চ্যানেলের জন্য ভিডিও তৈরির অছিলায় পাকিস্তানে (India Pakistan Conflicts) গিয়েছিল৷ সেখানে পাক আধিকারিক দানিশের সূত্রে পাকিস্তানের গোয়েন্দা আধিকারিকদের সঙ্গে তার যোগাযোগ হয়৷ জ্যোতি ভারতের সংবেদশীল গোপন তথ্য পাকিস্তানে পাচার করত বলে অভিযোগ করেছেন তদন্তকারীরা৷ জ্যোতি মালহোত্রাকে বর্তমানে জেরা করছে হরিয়ানা পুলিশ। তাকে জেরা করেই কি পাকিস্তানি হাইকমিশনে কূটনীতিকের পোশাক পরে বসে থাকা আরও গুপ্তচরের সন্ধান পাওয়া গেল? এই নিয়ে জল্পনা তৈরি হয়েছে। অভিযোগ পাক হাই কমিশনে বসেই ভারতের নানা প্রান্তে গুপ্তচর নিয়োগ করত আইএসআই এজেন্টরা।

  • World Health Assembly: “একটি সুস্থ বিশ্বের ভবিষ্যৎ নির্ভর করে অন্তর্ভুক্তিকরণ, সমন্বিত দৃষ্টিভঙ্গি এবং সহযোগিতার ওপর”, বললেন প্রধানমন্ত্রী

    World Health Assembly: “একটি সুস্থ বিশ্বের ভবিষ্যৎ নির্ভর করে অন্তর্ভুক্তিকরণ, সমন্বিত দৃষ্টিভঙ্গি এবং সহযোগিতার ওপর”, বললেন প্রধানমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “একটি সুস্থ বিশ্বের ভবিষ্যৎ নির্ভর করে অন্তর্ভুক্তিকরণ, সমন্বিত দৃষ্টিভঙ্গি এবং সহযোগিতার ওপর। ভারতের স্বাস্থ্য সংস্কারে অন্তর্ভুক্তিকরণ প্রধান নীতি। আমরা আয়ুষ্মান ভারত চালাচ্ছি—বিশ্বের বৃহত্তম স্বাস্থ্যবিমা প্রকল্প।” মঙ্গলবার এমনই মন্তব্য করেন (World Health Assembly) প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এদিন নয়াদিল্লি থেকে ভার্চুয়ালি জেনেভায় অনুষ্ঠিত ৭৮তম বিশ্ব স্বাস্থ্য সম্মেলনে ভাষণ দেন তিনি (PM Modi)। ‘এক বিশ্ব, এক স্বাস্থ্য’ এই ঐক্যবদ্ধ মূলভাবের আওতায় বিশ্ব স্বাস্থ্য উদ্যোগে ভারতের অবদানের কথা তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী।

    আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্প (World Health Assembly)

    এদিন তাঁর ভাষণে অবধারিতভাবেই আসে আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্পের কথা। তিনি বলেন, “আমরা আয়ুষ্মান ভারত চালাচ্ছি—বিশ্বের বৃহত্তম স্বাস্থ্যবিমা প্রকল্প। এটি ৫৮ কোটি মানুষকে অন্তর্ভুক্ত করে এবং বিনামূল্যে চিকিৎসা প্রদান করে। সম্প্রতি এই কর্মসূচি সম্প্রসারিত হয়ে ৭০ বছরের ঊর্ধ্বে সব ভারতীয়কেও আওতায় এনেছে।” প্রধানমন্ত্রী ভারতের হেলথ অ্যান্ড ওয়েলনেস সেন্টার নেটওয়ার্কের গুরুত্বও তুলে ধরেন, যা ক্যানসার, ডায়াবেটিস ও হাইপারটেনশনের মতো রোগ চিহ্নিত ও নির্ণয়ে কাজ করে।

    হেলথ অ্যান্ড ওয়েলনেস সেন্টারের বিশাল নেটওয়ার্ক

    তিনি বলেন, “আমাদের কাছে হাজার হাজার হেলথ অ্যান্ড ওয়েলনেস সেন্টারের একটি বিশাল নেটওয়ার্ক রয়েছে। এরা ক্যানসার, ডায়াবেটিস এবং হাইপারটেনশনের মতো রোগ নির্ণয় ও চিহ্নিত করে। হাজার হাজার সরকারি ফার্মাসিস্ট বাজারদরের তুলনায় অনেক কম দামে উচ্চ মানের ওষুধ সরবরাহ করে।” এদিনের বক্তৃতায় প্রধানমন্ত্রী ভারতের স্বাস্থ্য পরিকাঠামো, উদ্ভাবন ও বৈশ্বিক সহযোগিতার প্রতিশ্রুতি ফের মনে করিয়ে দেন।

    প্রধানমন্ত্রী এ বছর আন্তর্জাতিক যোগ দিবসে অংশগ্রহণের জন্য দেশগুলোকে আমন্ত্রণ জানিয়েছেন। এবার যোগ দিবসের থিম “এক পৃথিবী, এক স্বাস্থ্য-এর জন্য যোগ” (World Health Assembly)।

    তিনি বলেন, জুন মাসে ১১তম আন্তর্জাতিক যোগ দিবস অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। এ বছরের থিম হল ‘এক পৃথিবী, এক স্বাস্থ্য-এর জন্য যোগ’। যে দেশ থেকে যোগ বিশ্বকে উপহার দেওয়া হয়েছে, সেই দেশের একজন নাগরিক হিসেবে আমি সকল দেশকে এতে অংশগ্রহণের আমন্ত্রণ জানাই।” প্রধানমন্ত্রী ডব্লিউএইচও (WHO) -র সদস্য দেশগুলোকে ভবিষ্যৎ মহামারির বিরুদ্ধে আরও শক্তিশালী সহযোগিতার লক্ষ্যে আইএনবি চুক্তি সফলভাবে আলোচনার জন্য অভিনন্দনও জানিয়েছেন।

    তিনি (PM Modi) বলেন, “আমি ডব্লিউএইচও এবং সমস্ত সদস্য দেশকে আইএনবি চুক্তির সফল আলোচনার জন্য অভিনন্দন জানাই। এটি একটি যৌথ অঙ্গীকার, যার মাধ্যমে আমরা ভবিষ্যতের মহামারির বিরুদ্ধে বৃহত্তর সহযোগিতার সঙ্গে লড়াই করতে পারব এবং একটি সুস্থ পৃথিবী গড়ে তুলতে পারব। আসুন আমরা নিশ্চিত করি, যেন কেউ পিছিয়ে না পড়ে (World Health Assembly)।”

  • PM Modi: “বেতন বন্ধ, খাবারও নেই, প্রধানমন্ত্রী কিছু করুন”, করুণ আবেদন সৌদিতে আটকে পড়া শ্রমিকদের

    PM Modi: “বেতন বন্ধ, খাবারও নেই, প্রধানমন্ত্রী কিছু করুন”, করুণ আবেদন সৌদিতে আটকে পড়া শ্রমিকদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ত্রাতা সেই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)! বিদেশে বিপদে পড়ে তাই তাঁরই শরণ নিলেন কয়েকশো ভারতীয় শ্রমিক। তাঁরা প্রধানমন্ত্রী ও নিজের নিজের রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীদের কাছে নিরাপদে দেশে ফেরানোর আবেদন জানিয়েছেন (Saudi Arabia)।

    বন্ধ বেতন (PM Modi)

    সৌদি আরবে সেনদান ইন্টারন্যাশনাল কোম্পানি লিমিটেডে কাজ করতে গিয়েছিলেন কয়েকশো ভারতীয়। এঁদের বেশিরভাগই বিহার এবং উত্তরপ্রদেশের বাসিন্দা। এই শ্রমিকদের অভিযোগ, গত আট মাস ধরে কোম্পানি তাঁদের বেতন দেয়নি। তাই তাঁরা খাদ্য এবং বাসস্থানের মতো ন্যূনতম প্রয়োজনীয়তা থেকেও বঞ্চিত। জুবাইলের কিং ফয়সাল ওয়েস্ট রোডে অবস্থিত কোম্পানির হাউজিং ক্যাম্পে কোনওক্রমে বসবাস করছেন তাঁরা। বেতন না পাওয়ায় অমানবিক পরিবেশে দিন কাটাতে বাধ্য হচ্ছেন। বেঁচে রয়েছেন পর্যাপ্ত খাবার, পানীয় জল এবং চিকিৎসার সুবিধা ছাড়াই।

    কী বলছেন আটকে পড়া শ্রমিকরা

    বিপদে পড়ে তাঁরা প্রথমে দ্বারস্থ হয়েছিলেন রিয়াধে থাকা ভারতীয় দূতাবাসের। অভিযোগ, সেখান থেকে কোনও সাহায্য মেলেনি। এই বিপন্ন শ্রমিক দলটির একজন শৈলেশ কুমার চৌহান। তিনি বলেন, “আমরা মেল ও ফোনের মাধ্যমে একাধিকবার ভারতীয় দূতাবাসের সঙ্গে যোগাযোগ করেছি। কিন্তু এখনও পর্যন্ত ইতিবাচক কোনও সাড়া পাইনি।” তিনি বলেন, “যদি শীঘ্রই সাহায্য না পাওয়া যায়, তাহলে আমাদের পরিস্থিতি আরও খারাপ হয়ে যাবে।”

    ভারতীয় দূতাবাসের কাছ থেকে কোনও সাহায্য না পেয়ে ওই শ্রমিকরা সরাসরি আবেদন জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর কাছে। তাঁদের পরিবারের সদস্যরা জেলাশাসক ও গোপালগঞ্জের সাংসদ অলক কুমার সুমনের কাছেও আবেদন করেছেন। সুমন যোগাযোগ করেন ভারতীয় দূতাবাসের সঙ্গে (PM Modi)। খুব শীঘ্রই সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে বলেও আশ্বাস দিয়েছেন তিনি।

    প্রসঙ্গত, রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ শুরু হতেই বিপাকে পড়েন সে দেশে পড়াশোনা করতে যাওয়া ভারতীয়রা। কেবল ইউক্রেন নয়, তার প্রতিবেশী দেশগুলিতে আটকে যাওয়া ভারতীয়দের উদ্ধার করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এই অভিযানের নাম দেওয়া হয়েছিল ‘অপারেশন গঙ্গা’। এই অপারেশনের মাধ্যমে ভারতীয় তো বটেই বিপন্ন কয়েকজন পাকিস্তানি পড়ুয়া এবং প্রতিবেশী অন্যান্য কয়েকটি দেশের নাগরিকদেরও উদ্ধার করা হয়। পরে তাঁরা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (PM Modi) প্রতি কৃতজ্ঞতাও ব্যক্ত করেন।

    এবারও প্রধানমন্ত্রী ঠিক কিছু একটা করবেন, এই আশায় বুক বেঁধেছেন বিপন্ন (Saudi Arabia) ওই ভারতীয় শ্রমিকরা।

  • PM Modi: ৭৭ কোটি মার্কিন ডলার! ইউনূসের চিন-প্রীতির জন্য ব্যাপক ক্ষতির মুখে বাংলাদেশ

    PM Modi: ৭৭ কোটি মার্কিন ডলার! ইউনূসের চিন-প্রীতির জন্য ব্যাপক ক্ষতির মুখে বাংলাদেশ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দিন কয়েক আগে কলকাতা দখলের হুমকি দিয়েছিলেন বাংলাদেশের (Bangladesh) এক মৌলবী। তার আগে চিনের সঙ্গে সখ্যতা গড়ে ভারতকে চমকাতে চেয়েছিলেন বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান মহম্মদ ইউনূস। ইউনূসের বাংলাদেশকে সবক শেখাতে একাধিক পদক্ষেপ করেছে ভারত। তার মধ্যে রয়েছে রেডিমেড পোশাক-সহ বেশ কিছু পণ্য স্থলপথে বাংলাদেশ থেকে আমদানির ওপর ভারতের নিষেধাজ্ঞা জারিও। এই বিষয়ে (PM Modi) দেশের শিল্প ও বাণিজ্যমন্ত্রক শনিবার এক বিজ্ঞপ্তি জারি করেছে। কেবলমাত্র মুম্বইয়ের নভাশেভা ও কলকাতা সমুদ্র বন্দর দিয়ে বাংলাদেশ থেকে রেডিমেড পোশাক আমদানি করতে পারবেন সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ী। বাংলাদেশ থেকে রেডিমেড পোশাক আমদানির ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা জারি হওয়ায় পেট্রাপোল সীমান্তে বাণিজ্যে প্রভাব পড়েছে। বন্দর সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রতিদিন প্রায় ১৫টি পণ্য বোঝাই ট্রাক বাংলাদেশ থেকে ভারতে আসে। সেটি বন্ধ হয়ে যাওয়ায় লোকসানের মুখে পড়েছেন ব্যবসায়ীরা।

    রেডিমেড পোশাক আমদানি বন্ধের নির্দেশিকা (PM Modi)

    রেডিমেড পোশাক আমদানি বন্ধের নির্দেশিকা জারি হওয়ায় প্রভাব পড়েছে পেট্রাপোল স্থল বন্দরে। সমুদ্র বন্দরের মাধ্যমে পোশাক আমদানিতে যেমন খরচ বাড়বে, তেমনি সময়ও বেশি লাগবে। পেট্রাপোল এক্সপোর্ট ইমপোর্ট ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশনের সম্পাদক প্রদীপ দে বলেন, “পেট্রাপোল বন্দর দিয়ে রেডিমেড পোশাক আমদানি বন্ধ হওয়ায় সমস্যায় পড়বেন বাংলাদেশের রফতানিকারীরা।” বাংলাদেশের রফতানিকারীদেরও দাবি, ভারতের এই নিষেধাজ্ঞার জেরে দেশের রফতানি ক্ষতিগ্রস্ত হবে। বেনাপোল বন্দর সূত্রে খবর, সেখানে রেডিমেড পোশাক বোঝাই ৩৬টি ট্রাক দাঁড়িয়ে রয়েছে। এগুলি ভারতে রফতানি করতে না পারলে বিরাট ক্ষতির মুখে পড়বেন বাংলাদেশের রফতানিকারীরা।

    গড়ে ৫০ কোটি মার্কিন ডলারের পণ্য রফতানি

    বাংলাদেশ প্রতি বছর গড়ে ৫০ কোটি মার্কিন ডলারের পণ্য রফতানি করে ভারতে। বাংলাদেশ রেডিমেড ও রফতানিকারী সমিতির প্রাক্তন পরিচালক মহিউদ্দিন রুবেল বলেন, “এখন বাংলাদেশের পোশাক ভারতে পৌঁছতে আগের চেয়ে বেশি সময় লাগবে। এতে খরচও বাড়বে। ভারতে পোশাক রফতানিও কমে যাবে।” তিনি বলেন, “বিশ্ব বাণিজ্য যখন নানা সমস্যায় জর্জরিত, তখন এমন সিদ্ধান্তে ক্ষতির পরিমাণ বাড়বে।” রুবেল বলেন, “ভারত বাংলাদেশের বড় ক্রেতা দেশ। সেখানে ক্রমেই বাংলাদেশের রেডিমেড পোশাকের বাজার বিস্তার লাভ করছিল। এখন ভারতের এই সিদ্ধান্ত নতুন করে আমাদের জন্য উদ্বেগের (Bangladesh) কারণ হয়ে দাঁড়াল। ভারতের এই নিষেধাজ্ঞার সিদ্ধান্তে ভুটান বা নেপালের ট্রানজিট পণ্য প্রভাবিত না হলেও, সামগ্রিকভাবে ব্যবসায়িক সম্পর্কের ওপর এটি একটি নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে (PM Modi)।” রফতানিকারীরা জানান, শুধু রেডিমেড পোশাকই নয়, ফলমূল, কার্বনেটেড বেভারেজ, প্লাস্টিক ও পিভিসি পণ্য, কাঠের আসবাবপত্র-সহ বেশ কিছু পণ্যের ওপরও ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় স্থলবন্দরগুলিতে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করায় সার্বিকভাবে ব্যবসা ও আর্থিক ক্ষতির আশঙ্কা থাকছেই।

    বাংলাদেশকে পাল্টা চাল ভারতের

    যেসব পোশাকের বার্ষিক মূল্য ৬১৮ মিলিয়ন মার্কিন ডলার (ভারতীয় মুদ্রায় ৫২,৭৭,৩৩,৩৭,৫০০ টাকা), সেগুলি এখন কেবলমাত্র কলকাতা ও নভাশেভা সমুদ্রবন্দর দিয়ে পরিবহণ করা যাবে, যার ফলে বাংলাদেশ প্রবেশাধিকার হারাল গুরুত্বপূর্ণ স্থল বাণিজ্য পথগুলিতে। প্রসঙ্গত, ২০২৪ সালের শেষের দিকে বাংলাদেশের ইউনূস সরকার ভারতীয় পণ্যের ওপর বাণিজ্যিক নিষেধাজ্ঞা বাড়িয়েছে। ২০২৫ সালের এপ্রিল মাসে বাংলাদেশ পাঁচটি গুরুত্বপূ্র্ণ স্থলবন্দর দিয়ে ভারতীয় সুতা আমদানির ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে। একই সঙ্গে চাল রফতানির ওপরও কঠোর নিয়ন্ত্রণ আরোপ করে। তামাক, মাছ, গুঁড়ো দুধ-সহ আরও অনেক ভারতীয় পণ্যের প্রবেশ বন্ধ করে দেয়।

    বাংলাদেশের ক্ষতির পরিমাণ 

    গ্লোবাল ট্রেড রিসার্চ ইনিশিয়েটিভের মতে, বাংলাদেশের বেশ কিছু আমদানির ওপর ভারতের পাল্টা নিষেধাজ্ঞা প্রয়োগের ফলে দেশটি বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়বে। ক্ষতির পরিমাণ প্রায় ৭৭ কোটি মার্কিন ডলার (ভারতীয় মুদ্রায় প্রায় ৬,৫৮১ কোটি টাকা, বা ৯,৩৬৭ কোটি বাংলাদেশি টাকা)। এটি দ্বিপাক্ষিক (Bangladesh) আমদানির প্রায় ৪২ শতাংশ। গ্লোবাল ট্রেড রিসার্চ ইনিশিয়েটিভ জানিয়েছে (PM Modi), ভারতের সাম্প্রতিক বাণিজ্যিক নিষেধাজ্ঞাগুলি মোটেই ইচ্ছে মতো বা অকারণে নয়। তাদের মতে, এই নিষেধাজ্ঞাগুলি মনে হচ্ছে ভারতের তরফে বাংলাদেশের প্রতি প্রতিক্রিয়া। কারণ ঢাকা ভারতের বহু পণ্যের আমদানি সীমিত করেছে এবং কূটনৈতিকভাবে চিনের দিকে ঝুঁকেছে। প্রসঙ্গত, ভারতের অসম, মেঘালয়, ত্রিপুরা ও মিজোরাম ল্যান্ড কাস্টমস স্টেশন/ইন্টিগ্রেটেড চেকপোস্ট এবং পশ্চিমবঙ্গের চ্যাংড়াবান্ধা ও ফুলবাড়ি শুল্ক স্টেশন দিয়ে ফল ও ফলের স্বাদযুক্ত পানীয়, প্রক্রিয়াজাত খাদ্য, প্লাস্টিক পণ্য ইত্যাদি রফতানি করা যাবে না।

    চিনের মতো ভারতে আগ্রাসন শুরু বাংলাদেশেরও!

    এদিকে, চিনের মতো ভারতে আগ্রাসন শুরু করেছে বাংলাদেশও! ‘গ্রেটার বাংলা’, ‘সুলতানেট বাংলা’ নাম দিয়ে এখন বাংলাদেশের কিছু চক্র মানচিত্রে ভারতের একাধিক রাজ্যকে নিজেদের বলে দাবি করছে। উত্তর-পূর্ব ভারতের রাজ্য, এমনকি বিহার-ঝাড়খণ্ডকেও এই কাল্পনিক মানচিত্রে ঢুকিয়ে দিচ্ছে তারা। ভারতের বিদেশনীতি বিশ্লেষক রবিন্দর সচদেব বলেন, “বাংলাদেশ যেভাবে এগোচ্ছে, তাতে ভারতের তরফে এখনই (Bangladesh) কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া একান্ত প্রয়োজনীয় হয়ে উঠেছে (PM Modi)।”

  • India: ইউনূসের দাদাগিরি! বাংলাদেশকে এড়িয়ে কলকাতা থেকে উত্তর-পূর্বের নয়া পথ তৈরি করছে ভারত

    India: ইউনূসের দাদাগিরি! বাংলাদেশকে এড়িয়ে কলকাতা থেকে উত্তর-পূর্বের নয়া পথ তৈরি করছে ভারত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হাসিনা জমানায় ট্রানজিট রুট নিয়ে সমঝোতার ক্ষেত্রে দ্বিপাক্ষিক আলোচনায় (India) অগ্রগতি হয়েছিল। গত ৫ অগাস্ট প্রধানমন্ত্রী পদে ইস্তফা দিয়ে (Myanmar) বাংলাদেশ ছাড়েন আওয়ামি লিগ সুপ্রিমো শেখ হাসিনা। তার পরেই বদলে যায় ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্কের রসায়ন। এই আবহে সমুদ্র ও মায়ানমারের সড়কপথ ব্যবহার করে উত্তর-পূর্বাঞ্চলের সংযোগরক্ষাকারী বিকল্প পথের রূপরেখা চূড়ান্ত করা হয়েছে বলে সংবাদ মাধ্যমের দাবি। জানা গিয়েছে, ন্যাশনাল হাইওয়েজ অ্যান্ড ইনফ্রাস্ট্রাকচার ডেভেলপমেন্ট কর্পোরেশন লিমিটেডের এক কর্তা ওই প্রকল্পের কথা জানিয়েছেন। তিনি বলেছেন, মেঘালয়ের রাজধানী শিলং থেকে অসমের বরাক উপত্যকার প্রাণকেন্দ্র শিলচর পর্যন্ত প্রায় ১৬৭ কিলোমিটার দীর্ঘ একটি চার লেনের জাতীয় সড়ক নির্মাণের প্রস্তাব করেছে ভারত সরকার। ৬ নম্বর জাতীয় সড়ক প্রকল্পের এই রাস্তা যাবে মায়ানমার সীমান্তের অদূরের পাঁচগ্রাম পর্যন্ত। নির্মাণের দায়িত্বে থাকবে এনএইচআইডিসিএল।

    বিকল্প পথ (India)

    এই বিকল্প পথের সমুদ্র যোগাযোগ হবে কলকাতা থেকে মায়ানমারের রাখাইন প্রদেশের সিট্টে বন্দর পর্যন্ত। সিট্টে থেকে বঙ্গোপসাগর ছেড়ে মায়ানমারের কালাদান নদীপথে সে দেশের পালেটয়া যাবে ওই জলপথ। এর পরে সড়কপথে মিজোরামের জোরিনপুই পর্যন্ত যোগাযোগ স্থাপন করা হবে। নতুন শিলং-শিলচর জাতীয় সড়ক এই যোগাযোগ ব্যবস্থাকে সম্প্রসারিত করবে। পরবর্তী পর্যায়ে জোরিনপুই থেকে লুংলেই হয়ে আইজল পর্যন্ত সংযুক্ত হবে। বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান মহম্মদ ইউনূস গত মার্চ মাসে চিন সফরে গিয়ে বলেছিলেন, উত্তর-পূর্ব ভারতে স্থলবেষ্টিত এবং ঢাকা এই অঞ্চলের জন্য সমুদ্রের একমাত্র অভিভাবক। তার পরেই যুদ্ধকালীন তৎপরতায় নয়া প্রকল্পের রূপরেখা তৈরি হয়েছে বলে সূত্রের খবর।

    রাখাইন প্রদেশের জল ও স্থলপথ ব্যবহার

    তবে মায়ানমারের সঙ্গে কালাদান মাল্টিমোডাল ট্রানজিট ট্রান্সপোর্ট প্রকল্প ২০৩০ সালের মধ্যে বাস্তবায়িত করার লক্ষ্য স্থির হলেও, তা পূরণ হবে কি না, তা নিয়ে সংশয় রয়েছে (India)। কারণ, গৃহযুদ্ধ বিধ্বস্ত মায়ানমারের বড় অংশই সে দেশের সামরিক জুন্টা সরকারের হাতছাড়া। যে রাখাইন প্রদেশের জল ও স্থলপথ ব্যবহার করে নয়াদিল্লি বিকল্প পথে উত্তর-পূর্বাঞ্চলের সঙ্গে যোগাযোগ স্থাপন করতে চাইছে, তার ৮০ শতাংশেরও বেশি বিদ্রোহী সশস্ত্র গোষ্ঠী আরাকান আর্মির দখলে। সেখানে রোহিঙ্গা মুসলমানদের কয়েকটি জঙ্গিগোষ্ঠীও সক্রিয়। গত ৩০ এপ্রিল প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির মন্ত্রিসভা অনুমোদন দেয় কালাদান মাল্টিমোডাল ট্রানজিট ট্রান্সপোর্ট প্রকল্পে। ইতিমধ্যেই মায়ানমারের সঙ্গে এ বিষয়ে আলোচনাও চূড়ান্ত হয়েছে। প্রকল্পটি চালু হলে শিলং থেকে শিলচরের যাত্রাপথ কমে হবে পাঁচ ঘণ্টা। পণ্য পরিবহণের পাশাপাশি (Myanmar) উত্তর-পূর্বাঞ্চলে চিনের মোকাবিলায় আরও দৃঢ় হবে ভারতীয় সেনার অবস্থান (India)।

  • PM Modi: বাংলাদেশি পণ্যের আমদানির ওপর বন্দর সংক্রান্ত নিষেধাজ্ঞা জারি ভারতের

    PM Modi: বাংলাদেশি পণ্যের আমদানির ওপর বন্দর সংক্রান্ত নিষেধাজ্ঞা জারি ভারতের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মাসখানেক আগে বাংলাদেশকে (Bangladesh) দেওয়া ট্রান্সশিপমেন্ট প্রত্যাহার করেছিল ভারত (PM Modi)। এবার বাংলাদেশের কিছু পণ্যের আমদানির ওপর বন্দর সংক্রান্ত নিষেধাজ্ঞা জারি করল নয়াদিল্লি। ১৭ মে বাণিজ্য ও শিল্প মন্ত্রকের অধীনে বাণিজ্য বিভাগের ডিরেক্টর জেনারেল অফ ফরেন ট্রেড এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এই নিষেধাজ্ঞা জারি করে। এই নিষেধাজ্ঞা বাংলাদেশের তৈরি পোশাক, প্রক্রিয়াজত খাদ্যদ্রব্য, ফল এবং ফল-স্বাদযুক্ত ও কার্বোনেটেড পানীয়, তুলা ও তুলার সুতো বর্জ্য, প্লাস্টিক ও পিভিসি প্রস্তুত সামগ্রী ও কাঠের আসবাবপত্রের আমদানির ওপর প্রযোজ্য।

    যেসব পণ্যের ওপর নিষেধাজ্ঞা (PM Modi)

    বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, বাংলাদেশের তৈরি সমস্ত ধরনের রেডিমেড পোশাক কোনও স্থলবন্দর দিয়ে আমদানি করা যাবে না। তবে এই পণ্যগুলি শুধুমাত্র নাভাশেভা এবং কলকাতা সমুদ্রবন্দর দিয়ে আমদানি করা যাবে। ফল ও ফল স্বাদযুক্ত ও কার্বোনেটেড পানীয়, প্রক্রিয়াজাত খাদ্যদ্রব্য, তুলা ও তুলার সুতা বর্জ্য, প্লাস্টিক ও পিভিসি প্রস্তুত সামগ্রী এবং কাঠের আসবাবপত্রের আমদানি অসম, মেঘালয়, ত্রিপুরা ও মিজোরামের কোনও ল্যান্ড কাস্টমস স্টেশনস ইন্টিগ্রেটেড চেক পোস্ট দিয়ে এবং পশ্চিমবঙ্গের চ্যাংড়াবান্ধা ও ফুলবাড়ি স্থল শুল্ক চেকপোস্ট দিয়ে করা যাবে না। তবে নিজস্ব শিল্পক্ষেত্রের জন্য কাঁচামাল হিসেবে ব্যবহৃত রঞ্জক, রং, প্লাস্টিসাইজার এবং দানাদার পণ্যের আমদানি অনুমোদিত থাকবে। এছাড়া, বাংলাদেশের কাছ থেকে মাছ, এলপিজি, ভোজ্যতেল এবং পাথর গুঁড়ো আমদানির ক্ষেত্রে বন্দর সংক্রান্ত নিষেধাজ্ঞা প্রযোজ্য হবে না। একইভাবে, বাংলাদেশ থেকে নেপাল ও ভুটানে রফতানি হওয়া পণ্যের ভারত হয়ে ট্রানজিটেও এই বন্দর নিষেধাজ্ঞা প্রযোজ্য হবে না।

    ট্রান্সশিপমেন্টের সুবিধা প্রত্যাহার আগেই

    গত ৯ এপ্রিল ভারত সরকার বাংলাদেশের জন্য আগের যে ট্রান্সশিপমেন্ট সুবিধা দেওয়া হয়েছে, তা প্রত্যাহার করার কথা ঘোষণা করে। যুক্তি হিসেবে নয়াদিল্লির তরফে বলা হয়েছিল, ভারতের বন্দর ও বিমানবন্দরগুলিতে সরবরাহ সংক্রান্ত সমস্যা ও ভিড় (PM Modi)। এই সুবিধার অধীনে বাংলাদেশকে ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে অবস্থিত দক্ষিণ এশিয়ার বৃহত্তম স্থলবন্দর পেট্রাপোল ল্যান্ড পোর্ট থেকে কন্টেনার ট্রাক পাঠানোর অনুমতি দেওয়া হয়েছিল কলকাতা (Bangladesh) বন্দর ও কলকাতা বিমানবন্দরের এয়ার কার্গো কমপ্লেক্স, মহারাষ্ট্রের নাভাশেভা বন্দর ও দিল্লি বিমানবন্দরে (PM Modi)।

  • Indian Army: “পাকিস্তানের ভিতরে ১০০ কিলোমিটার ঢুকে জঙ্গিদের উপযুক্ত জবাব দিয়েছে ভারত,” বললেন শাহ

    Indian Army: “পাকিস্তানের ভিতরে ১০০ কিলোমিটার ঢুকে জঙ্গিদের উপযুক্ত জবাব দিয়েছে ভারত,” বললেন শাহ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘অপারেশন সিঁদুরে’র ভূয়সী প্রশংসা করলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। শনিবার তিনি বলেন, “স্বাধীনতার পর এই প্রথমবার ভারতীয় সশস্ত্র বাহিনী (Indian Army) পাকিস্তানের ভিতরে ১০০ কিলোমিটার ঢুকে জঙ্গিদের উপযুক্ত জবাব দিয়েছে।” গুজরাটের গান্ধীনগর জেলার কোলাভাডা গ্রামে আয়োজিত এক সমাবেশে ভাষণ দিতে গিয়ে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “গোটা বিশ্ব আজ ভারতীয় সেনাবাহিনীর দক্ষতা এবং প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির দৃঢ় সংকল্পের প্রশংসা করছে।”

    ১০০ জন সন্ত্রাসবাদী নির্মূল

    তিনি বলেন, “ভারতীয় সশস্ত্র বাহিনী প্রায় ১০০ জন সন্ত্রাসবাদীকে নির্মূল করেছে। জঙ্গি সংগঠনগুলির সদর দফতর ধ্বংস করেছে এবং ১৫টি সামরিক ঘাঁটি গুঁড়িয়ে দিয়েছে, যার ফলে পাকিস্তানের বিমানবাহিনীর পাল্টা আঘাত হানার ক্ষমতা অনেকটাই কমে গিয়েছে।” তিনি বলেন, “প্রধানমন্ত্রী দেশের নারীদের সম্মান জানিয়ে ‘অপারেশন সিঁদুর’ নামকরণ করেছেন। মোদি প্রধানমন্ত্রী হওয়ার আগে কয়েক বছর ধরে নিয়মিত জঙ্গি হামলা ঘটত, এখন আর তা ঘটছে না (Indian Army)।”

    মোদি জমানায় খেলা ঘুরেছে

    গান্ধীনগরের লোকসভার সাংসদ বলেন, “আগে সন্ত্রাসবাদীরা পাকিস্তান থেকে আসত, আমাদের সেনা ও সাধারণ মানুষকে হত্যা করত এবং পালিয়ে যেত। তারা বোমা বিস্ফোরণ ঘটিয়ে ভারতের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করত। কিন্তু তখন তাদের কোনও জবাব দেওয়া হত না।” তিনি বলেন, “মোদি দায়িত্ব নেওয়ার পর ভারতে তিনটি বড় জঙ্গি হামলা হয়েছে—উরি, পুলওয়ামা এবং গত মাসে পহেলগাঁও।প্রধানমন্ত্রী মোদি সবগুলির উপযুক্ত জবাব দিয়েছেন এবং গোটা বিশ্ব বিস্ময়ের সঙ্গে তা দেখছে, আর পাকিস্তান তা আতঙ্কের সঙ্গে অনুভব করছে।”

    কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “তারা (পাক মদতপুষ্ট জঙ্গিরা) অতীতে ভারতের প্রতিক্রিয়া থেকে কোনও শিক্ষাই নেয়নি এবং ফের পহেলগাঁওয়ে জঙ্গি হামলা চালিয়েছে। এবার ‘অপারেশন সিঁদুরে’র আওতায় আমরা জঙ্গি সংগঠনগুলির সদর দফতর ধ্বংস করে দিয়েছি।” তিনি বলেন, “আজ আমি গর্বের সঙ্গে বলতে এসেছি যে, আমরা পহেলগাঁও হামলার প্রতিশোধ নিয়েছি—জইশ-ই-মহম্মদ ও লস্কর-ই-তৈবার সদর দফতর সম্পূর্ণরূপে গুঁড়িয়ে দিয়েছি। পাকিস্তানি জঙ্গিরা নিরস্ত্র ভারতীয় নাগরিকদের ধর্ম জিজ্ঞাসা করে, তাদের পরিবারগুলোর সামনে নির্মমভাবে হত্যা করেছিল (Indian Army)।”

LinkedIn
Share