Tag: PM Modi

PM Modi

  • Operation Sindoor: সফল অপারেশন সিঁদুর! প্রতিরক্ষা খাতে ৫০ হাজার কোটি বরাদ্দ বাড়াচ্ছে মোদি সরকার

    Operation Sindoor: সফল অপারেশন সিঁদুর! প্রতিরক্ষা খাতে ৫০ হাজার কোটি বরাদ্দ বাড়াচ্ছে মোদি সরকার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অপারেশন সিঁদুরের (Operation Sindoor) সাফল্যে প্রতিরক্ষা খাতে বরাদ্দ আরও ৫০ হাজার কোটি বাড়তে চলেছে। এমনটাই জানা গিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার সূত্রে। পাক আক্রমণ প্রতিহত করতে এস-৪০০ সহ অত্যাধুনিক অস্ত্রশস্ত্রের ভূমিকাও (Indian Defence Budget) দেখেছে সারা বিশ্ব। ভারতের একাধিক শহরকে পাকিস্তানের সেনা টার্গেট করলেও এদেশের দুর্ভেদ্য এয়ার ডিফেন্স সিস্টেমের কাছে মুখ থুবড়ে পড়ে তাদের আক্রমণ। এই আবহে ভারতীয় সেনাকে আরও শক্তিশালী করতে চায় মোদি সরকার। সেই লক্ষ্যে প্রতিরক্ষা খাতে বাড়তি ৫০ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ করা হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।

    সেনার আধুনিকীকরণ, গবেষণা এবং আধুনিক অস্ত্রশস্ত্র কেনার কাজে ব্যবহার হবে বরাদ্দ

    বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত খবর অনুযায়ী, ইতিমধ্যেই মন্ত্রিসভায় এসংক্রান্ত প্রস্তাব পাশ হয়েছে। সংসদের আসন্ন অধিবেশনে এটা নিয়ে বিল আনা হবে (Indian Defence Budget)। জানা যাচ্ছে, প্রতিরক্ষা খাতে বরাদ্দ অতিরিক্ত ৫০ হাজার কোটি টাকা সেনার আধুনিকীকরণ (Operation Sindoor), গবেষণা এবং আধুনিক অস্ত্রশস্ত্র কেনার কাজে ব্যবহার করা হবে।

    চলতি বছরেই প্রতিরক্ষা বাজেট বাড়ানো হয়েছিল ৯.২ শতাংশ

    চলতি বছরেই প্রতিরক্ষা বাজেট বাড়ানো হয়েছিল ৯.২ শতাংশ। ২০২৪ সালে প্রতিরক্ষা বাজেটে মোদি সরকার বরাদ্দ করেছিল ৬ লক্ষ ২২ হাজার কোটি। ২০২৫ সালে তা বাড়িয়ে ৬.৮১ লক্ষ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে। এই অর্থ মূল বাজেটের ১৩ শতাংশ বলে জানা যাচ্ছে। এবার সেটা আরও বাড়তে চলেছে খবর। ২০১৪ সালে ক্ষমতায় আসার পর থেকেই প্রতিরক্ষা খাতে (Operation Sindoor) বাড়তি নজর দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। ২০১৪-১৫ সালে প্রতিরক্ষা খাতে বরাদ্দ ছিল ২.২৯ লক্ষ কোটি টাকা। বর্তমান বরাদ্দ তার প্রায় তিনগুণ।

    অপারেশন সিঁদুর (Operation Sindoor)

    ২২ এপ্রিল পহেলগাঁও হামলার পরেই অপারেশন সিঁদুর শুরু করে ভারত। এই অভিযানে পাকিস্তান ও পাক অধিকৃত কাশ্মীরের ৯টি জঙ্গিঘাঁটি গুঁড়িয়ে দেয় ভারতের সেনাবাহিনী। খতম হয় শতাধিক জঙ্গি। এরপরে সন্ত্রাসের বুকে আঘাত হানতেই সক্রিয় হয় জঙ্গিদের মদতদাতা পাকিস্তান। পালটা হামলা চালানোর চেষ্টা হয় ভারতের উপর। কিন্তু ভারতের উন্নত প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সেই হামলা রুখে দেয়। অন্যদিকে, ভারতের পাল্টা হামলায় পাকিস্তানের বায়ুসেনা ঘাঁটি-সহ অন্তত ১১টি সেনাঘাঁটি ধ্বংস হয়।

  • India Pakistan Conflict: “ঘরে ঢুকে মারব, বাঁচার কোনও সুযোগই দেব না,” জঙ্গিদের হুঙ্কার প্রধানমন্ত্রীর

    India Pakistan Conflict: “ঘরে ঢুকে মারব, বাঁচার কোনও সুযোগই দেব না,” জঙ্গিদের হুঙ্কার প্রধানমন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “ঘরে ঢুকে মারব। বাঁচার কোনও সুযোগই দেব না।” মঙ্গলবার আদমপুর বায়ুসেনা ঘাঁটিতে বক্তব্য রাখতে গিয়ে এই ভাষায়ই পাক মদতপুষ্ট (India Pakistan Conflict) জঙ্গিদের উদ্দেশে হুঙ্কার ছাড়লেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। সোমবার রাতে জাতির উদ্দেশ্যে ভাষণ দিয়েছিলেন তিনি। তখনও সাফ জানিয়ে দিয়েছিলেন, জঙ্গি হামলা হলে কোনও ছাড় নেই। যে সরকার জঙ্গিদের মদত দেবে, তাদেরও একই চোখে দেখবে ভারত। এদিন প্রধানমন্ত্রী বলেন, “যে পাকিস্তানি সেনার ভরসায় এই জঙ্গিরা বসেছিল, ভারতের সেনা-বায়ুসেনা-নৌসেনা পাকিস্তানি সেনাকে ছারখার করে দিয়েছে। আপনারা পাকিস্তানি সেনাকে বুঝিয়ে দিয়েছেন, পাকিস্তানে এমন কোনও ঠিকানা নেই, যেখানে জঙ্গিরা স্বস্তিতে থাকতে পারবে।” এর পরেই তিনি বলেন, “ঘরে ঢুকে মারব। বাঁচার কোনও সুযোগই দেব না। আমাদের ড্রোন, মিসাইলের কথা ভেবেই কয়েকদিন ঘুম হয়নি পাকিস্তানের।”

    নিরাপত্তাবাহিনীর উচ্ছ্বসিত প্রশংসা (India Pakistan Conflict)

    পাকিস্তানকে উপযুক্ত জবাব দেওয়ায় ভারতীয় নিরাপত্তাবাহিনীর উচ্ছ্বসিত প্রশংসাও করেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, “আজ আমাদের নতুন ও অত্যাধুনিক প্রযুক্তির সক্ষমতা রয়েছে, যার মোকাবিলা করতে পারবে না পাকিস্তান। গত দশকে বিশ্বের সেরা প্রযুক্তি পৌঁছেছে ভারতীয় বায়ুসেনা ও আমাদের অন্যান্য বাহিনীতে। কিন্তু আমরা সকলেই জানি যে, নয়া প্রযুক্তির সঙ্গে সঙ্গে বড় চ্যালেঞ্জও আসে। একটি জটিল ও উন্নত সিস্টেমের ভারসাম্য বজায় রাখা, দক্ষতার সঙ্গে তা পরিচালনা করার জন্য বিশেষ দক্ষতার প্রয়োজন। আপনারা প্রযুক্তিকে কৌশলের সঙ্গে জুড়ে দিয়েছেন। আপনারা প্রমাণ করে দিয়েছেন যে এই খেলায় আপনারাই সেরা।” প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আপনারা সব ভারতীয়ের ছাতি ফুলিয়ে দিয়েছেন। মাথা উঁচু করে দিয়েছেন। সম্মান বাড়িয়ে দিয়েছেন। তাই বীরদের প্রণাম করতে এসেছি। আপনারা দেশকে গর্বিত করেছেন। আজ থেকে বহু বছর পরেও যখন এই পরাক্রম নিয়ে আলোচনা হবে, তখন মনে থাকবে আপনাদের কাজের কথা। আপনারা এখন দেশবাসীর প্রেরণা। সেনা, বায়ুসেনা, নৌসেনা এবং বিএসএফকে আমি স্যালুট জানাই (India Pakistan Conflict)।”

    ‘অপারেশন সিঁদুর’

    পহেলগাঁওকাণ্ডের পক্ষকাল পরে পাকিস্তানে ‘অপারেশন সিঁদুর’ চালায় ভারত। তার পর এদিনই তিনি গেলেন পাঞ্জাবের আদমপুরের বায়ুসেনাঘাঁটিতে। সেখানে বায়ুসেনার জওয়ানদের সঙ্গে বেশ কিছুক্ষণ কথাও বলেন তিনি। প্রধানমন্ত্রী বলেন, “মান-মর্যাদা রক্ষায় আপনারা প্রাণ বলিদান দেন। দেশের জন্য যাঁরা বাচতে চান, কিছু করতে চান, আমি তাঁদের কথাই বলছি।” তিনি বলেন, “ভারতের সৈনিক যখন ভারত মাতা কি জয় বলেন, তখন আমাদের শত্রুদের কলিজা কেঁপে যায়। আমাদের ড্রোন আর মিসাইল যখন শত্রুর ঠিকানায় পৌঁছে যায়, তখন বলা হয় ভারত মাতা কি জয়। আমাদের সেনা পরমাণু বোমার ব্ল্যাকমেল অগ্রাহ্য করে বলে ভারত মাতা কি জয় (PM Modi)।”

    ইতিহাস রচনা করেছেন

    ‘অপারেশন সিঁদুর’ সম্পর্কে এদিন আদমপুরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আপনাদের কারণেই ‘অপারেশন সিঁদুরে’র বীরগাথা সবাই শুনতে পাচ্ছে (India Pakistan Conflict)। সব ভারতীয়র প্রার্থনা আপনাদের সঙ্গে রয়েছে। আপনারা ইতিহাস রচনা করেছেন। এটা কোনও সামান্য একটা অপারেশন নয়। এটা ভারতের নীতি, নির্ণয় করেছে।” তিনি বলেন, “ভারত বুদ্ধের মাটি, আবার গুরু গোবিন্দ সিংয়ের মাটিও। ওরা আমাদের বোন-কন্যার সিঁদুর ছিনিয়ে নিয়েছিল। তাই ওদের শিক্ষা দিতে ওদের ঘরে ঢুকে ওদের নিকেশ করেছি।”

    সব ছিন্নভিন্ন হয়ে গিয়েছে

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আপনারা ওদের সামনে থেকে আক্রমণ করে মেরেছেন। জঙ্গিদের ঠিকানা গুঁড়িয়ে দিয়েছেন। ভারতের দিকে তাকালে তার কঠোর সাজা হবে। একটাই মন্ত্র হবে বিনাশ ও মহাবিনাশ। ভারতের সেনা, বায়ুসেনা ও নৌসেনা পাকিস্তানের সেনাকেও ধুলোয় মিশিয়ে দিয়েছে (India Pakistan Conflict)। আপনারা ওদের সেনাদের এও বুঝিয়ে দিয়েছেন যে পাকিস্তানের এমন কোনও জায়গা নেই, যেখানে বসে সন্ত্রাসবাদীরা নিশ্চিন্তে নিঃশ্বাস নেবে।” তিনি বলেন, “অপারেশন সিঁদুরের মাধ্যমে দেশের একতার সূত্র রচিত হয়েছে। আর আপনারা দেশের সীমা রক্ষা করেছেন। সম্মান আরও উঁচু করেছেন। আমাদের বায়ুসেনা যেভাবে ২০-২৫ মিনিটের মধ্যে সীমা পেরিয়ে পিন পয়েন্ট টার্গেট করে ওদের গভীরে গিয়ে ক্ষতি করেছেন, সেটা একমাত্র পেশাদাররাই করতে পারেন। ওরা বুঝতেই পারেনি যে ওদের বুকের ওপর কী হয়েছে। সব ছিন্নভিন্ন হয়ে গিয়েছে।” প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আপনারা যা করেছেন, তা অভূতপূর্ব, অকল্পনীয় এবং ভাবনার অতীত। ‘অপারেশন সিঁদুর’ একটা পরিষ্কার লক্ষ্মণ রেখা টেনে দিয়েছে (PM Modi)।”

    প্রসঙ্গত, আদমপুর ভারতের দ্বিতীয় বৃহত্তম বায়ুসেনা ঘাঁটি। এখানে রাফাল এবং মিগ-২০ যুদ্ধবিমান রয়েছে। ১৯৬৯ এবং ১৯৭১ সালের যুদ্ধে এই সেনাঘাঁটির ভূমিকা ছিল গুরুত্বপূর্ণ (India Pakistan Conflict)।

  • PM Modi: বিশ্বের সামরিক মানচিত্রে ভারত একটি শক্তিশালী দেশ, প্রতিফলিত হল মোদির ভাষণে

    PM Modi: বিশ্বের সামরিক মানচিত্রে ভারত একটি শক্তিশালী দেশ, প্রতিফলিত হল মোদির ভাষণে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সোমবারই জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। পাকিস্তানকে ব্যাপকভাবে প্রত্যাঘাত করার পরে দেশের প্রধানমন্ত্রীর এমন ভাষণ যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল। প্রধানমন্ত্রীর এমন ভাষণে নয়া দিল্লির অবস্থান স্পষ্ট হল গোটা পৃথিবীর সামনে। পাকিস্তানের পরমাণু বোমের ব্ল্যাকমেলিং যে তাদের সন্ত্রাস তোষণকে কোনওভাবেই বাঁচাতে পারবে না তাও স্পষ্ট হয়ে উঠল। সোমবারের দেওয়া প্রধানমন্ত্রীর ভাষণে বিশ্বের সামরিক মানচিত্রে ভারতের অবস্থান আরও শক্তিশালী হয়ে উঠল। বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, পাক ভূখণ্ডের এতটা অভ্যন্তরে গিয়ে এই ব্যাপক সামরিক অভিযান স্বাধীনতার পরে এই প্রথমবার। ভারতীয় বিমান বাহিনীর এমন দুঃসাহসিক অভিযান মোদির নেতৃত্বে শক্তিশালী ভারতকেই বিশ্বের সামনে প্রতিষ্ঠিত করল। ভারতীয় সেনা সাংবাদিক সম্মেলনে আগেই জানিয়েছে মাত্র ৯০ মিনিটেরও কম সময়ে পাকিস্তানের অভ্যন্তরে ১১টি বিমান ঘাঁটিতে নিখুঁত আঘাত হানতে সক্ষম হয় তারা। দেশের সামরিক ইতিহাসে অত্যন্ত অভূতপূর্ব এই ঘটনা।

    পরমাণু হুমকি ফাঁকা আওয়াজ

    সোমবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (PM Modi) ভাষণেও উঠে এল সেই নতুন ও শক্তিশালী ভারতের কথাই। অপারেশন সিঁদুরের হওয়ার আগেই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি দেশে সেনাবাহিনীকে পূর্ণ স্বাধীনতা দিয়েছিলেন। এতেই বোঝা গিয়েছিল ভারত এখন পাকিস্তানের পরমাণু বোমের ব্ল্যাকমেইলকে একেবারেই পাত্তা দেয় না। মোদির ভাষণেও ধরা পড়ল সেই একই কথা। প্রসঙ্গত, পাকিস্তানের এই ব্ল্যাকমেলিং বিগত কয়েক দশক ধরে সফল হলেও প্রধানমন্ত্রী মোদির (PM Modi) আমলে তা একেবারেই ভেঙে গিয়েছে। তাদের পরমাণু বোমা যে ফাঁকা আওয়াজ ছাড়া কিছু নয় তা প্রমাণিত হয়েছে। ঠিক এই কারণে রাওয়ালপিন্ডি পর্যন্ত শোনা গিয়েছে ভারতীয় সেনার গর্জন।

    আগে এমন হুমকি দিয়ে সফল হলেও, মোদি জমানায় বদলাল চিত্র

    বিগত দশকগুলিতেও এদেশে সন্ত্রাসবাদী কার্যকলাপ চলেছে। পাকিস্তানের মাটিকে ব্যবহার করে এবং সেদেশের প্রত্যক্ষ মদতে সবচেয়ে বড় সন্ত্রাসী হামলা হয় এদেশে ২০০৮ সালে মুম্বইতে। ভয়ঙ্কর সেই সন্ত্রাসী হামলায় ১৭১ জন মানুষের মৃত্যু হলেও কোনও রকমের পাল্টা প্রত্যাঘাত থেকে বিরত থাকে মনমোহন সরকার। কারণ ছিল একটাই, পাকিস্তানের পরমাণু বোমের ব্ল্যাকমেলিং। ওয়াকিবহাল মহল বলছে, মোদি (PM Modi) জমানায় অপারেশন সিঁদুর (Operation Sindoor) পাকিস্তানের পরমাণু বোমের ব্ল্যাকমেলিংকে একেবারে ভেঙে তছনছ করে দিয়েছে। অনেকেই তাই বলছেন, পরমাণু ব্ল্যাকমেলিং নয়, পাকিস্তানের এই ফাঁকা আওয়াজ আসলে পরমাণু বোকামি।

  • PM Modi: “বাঁচতে হলে পাকিস্তানকে নির্মূল করতে হবে ওদের সন্ত্রাসের পরিকাঠামো”, বললেন প্রধানমন্ত্রী

    PM Modi: “বাঁচতে হলে পাকিস্তানকে নির্মূল করতে হবে ওদের সন্ত্রাসের পরিকাঠামো”, বললেন প্রধানমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “পাকিস্তানকে যদি বাঁচতে হয়, তাহলে ওদের সন্ত্রাসের পরিকাঠামো নির্মূল করতে হবে।” সোম-সন্ধ্যায় (India Pakistan Ceasefire) জাতির উদ্দেশ্যে ভাষণ দিতে গিয়ে একথাই বললেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। তিনি বলেন, “ভারত আর সন্ত্রাসবাদীদের চোখরাঙানি সহ্য করবে না।” এর পরেই তিনি বলেন, “পাকিস্তানকে যদি বাঁচতে হয় ওদের সন্ত্রাসের পরিকাঠামো নির্মূল করতে হবে। ‘টেরর’ ও ‘টক’ (সন্ত্রাস ও আলোচনা) এক সঙ্গে চলতে পারে না। জল এবং রক্ত একই সঙ্গে বইতে পারে না।”

    স্টেট স্পনসর্ড টেররিজম (PM Modi)

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, “স্টেট স্পনসর্ড টেররিজমের বড় উদাহরণ হল পহেলগাঁওকাণ্ড। প্রতিটি যুদ্ধের ময়দানে আমরা পাকিস্তানকে পর্যুদস্ত করেছি। ‘অপারেশন সিঁদুরে’ও আমরা সেই শ্রেষ্ঠত্ব প্রমাণ করেছি। ‘মেড ইন ইন্ডিয়া’ হাতিয়ার তার শ্রেষ্ঠত্ব প্রমাণ করেছে।” সেনাবাহিনীর প্রশংসা করে তিনি বলেন, “আমাদের সেনাবাহিনী সর্বদা সতর্ক। আকাশ, জল থেকে মাটি – সর্বত্র আমরা প্রস্তুত থেকেছি। ‘নয়া নর্মাল’ তৈরি করেছে সেনা। ভবিষ্যতে প্রয়োজন হলে আবারও জবাব দেওয়া হবে। ভারত আর কোনও নিউক্লিয়ার ব্ল্যাকমেল সহ্য করবে না।”

    পাকিস্তান ব্যর্থ

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, “পাকিস্তান আমাদের স্কুল-কলেজ, সাধারণ নাগরিকের বাড়িঘর, মন্দিরকে নিশানা করল। এখানেও ওরা ব্যর্থ হল। দুনিয়া দেখল, কীভাবে পাকিস্তানের ড্রোন, মিসাইল ভারতের কাছে ধুলিসাৎ হল। আকাশেই নষ্ট করে দেওয়া হল।” তিনি বলেন, “তিনদিনে পাকিস্তানের যা হাল করা হয়েছে, তা ওরা ভাবতেই পারেনি। এখন ওরা বাঁচার রাস্তা খুঁজছে। গোহারা হেরে যাওয়ার পর ১০ মে পাকিস্তানি সেনা আমাদের ডিজিএমও-র দ্বরস্থ হন। তার আগেই আমরা পাকিস্তানের মাটিতে থাকা সন্ত্রাসবাদীদের ঘাঁটি গুঁড়িয়ে দিয়েছি।”

    প্রধানমন্ত্রী (PM Modi) বলেন, “পৃথিবীতে বড় বড় সব সন্ত্রাসবাদী হামলা একই সুতোয় বাঁধা। তাই ভারতের হামলায় সন্ত্রাসবাদের হেড কোয়ার্টার ভেঙে দেওয়া হয়েছে। পাকিস্তান হতাশ। এই অবস্থায় ওরা আরও একটা ভুল করেছে। ভারতকে সঙ্গ দেওয়ার বদলে ভারতের ওপরই হামলা করল।” তিনি বলেন, “অপারেশন সিঁদুরের প্রাপ্তির জন্য, সেনার পরাক্রমকে আমরা উৎসর্গ করেছি দেশের সব মা, সকল মহিলাদের। স্ত্রী, সন্তানের সামনে ধর্ম জিজ্ঞাসা করে নৃশংসভাবে খুন করা হয়েছে পহেলগাঁওয়ে। আমার কাছে এটা ক্রূরতা। জঙ্গিরা বুঝে গিয়েছে, মা-বোনেদের সিঁদুর মোছার পরিণাম কী।”

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, “এবার পাকিস্তানের সঙ্গে কথা হলে (India Pakistan Ceasefire) সন্ত্রাসবাদ নিয়েই কথা হবে। পাকিস্তানের সঙ্গে কথা হলে এবার পাক-অধিকৃত কাশ্মীর নিয়েই কথা হবে।” তিনি (PM Modi) বলেন, “আজ বুদ্ধপূর্ণিমা, শান্তির পথও যুদ্ধ দিয়েই হয়।”

  • Yogi Adityanath: ‘‘পাকিস্তানকে যোগ্য জবাব দিয়েছে অপারেশন সিঁদুর’’, বললেন যোগী আদিত্যনাথ

    Yogi Adityanath: ‘‘পাকিস্তানকে যোগ্য জবাব দিয়েছে অপারেশন সিঁদুর’’, বললেন যোগী আদিত্যনাথ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘‘অপারেশন সিঁদুর (Operation Sindoor) পাকিস্তানকে যোগ্য জবাব দিয়েছে, সময় এসে গিয়েছে প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে আমাদের একসঙ্গে জোটবদ্ধ হওয়ার।’’ রবিবার উত্তরপ্রদেশের লখনউয়েও ব্রহ্মস ক্ষেপণাস্ত্র তৈরির নতুন কারখানার উদ্বোধন হয়। সেখানে এসেই ‘অপারেশন সিঁদুর’ নিয়ে এমন মন্তব্য করেন যোগী আদিত্যনাথ (Yogi Adityanath)।

    কী বললেন যোগী আদিত্যনাথ?

    যোগী আদিত্যনাথ (Yogi Adityanath) বলেন, ‘‘যতক্ষণ আমরা সন্ত্রাসবাদকে দমন না করতে পারব, ততক্ষণ সমস্যার সমাধান হবে না। সময় এসে গিয়েছে। আমাদের একসঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর নেতৃ্ত্বে জোট হতে হবে। সন্ত্রাসবাদীদের ভাষায় তাদের জবাব দেওয়ার জন্য তৈরি হতে হবে। অপারেশন সিঁদুর পাকিস্তানকে যোগ্য জবাব দিয়েছে।’’ একইসঙ্গে সন্ত্রাসবাদকে কুকুরের লেজের সঙ্গে তুলনা করেছেন যোগী আদিত্যনাথ। তাঁর দাবি, এই লেজ কখনওই সোজা হয় না। উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রীর (Yogi Adityanath) কথায়, ‘‘প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ঘোষণা করেছেন যে ভবিষ্যতে যে কোনও জঙ্গি কার্যকলাপকে যুদ্ধ হিসাবে বিবেচনা করা হবে। সন্ত্রাসবাদকে সম্পূর্ণরূপে ধ্বংস করা না গেলে কখনওই এই সমস্যার সমাধান সম্ভব নয়।’’

    অপারেশন সিঁদুর (Operation Sindoor)

    প্রসঙ্গত, গত ২২ এপ্রিল জম্মুর পহেলগাঁওয়ের বৈসরন উপত্যকায় জঙ্গি হামলায় ২৬ জনের মৃত্যু হয়। ধর্ম বেছে বেছে হিন্দু পর্যটকদের হত্যা করে জঙ্গিরা। তার পর থেকেই অ্যাকশন মোডে নামে মোদি সরকার। প্রত্যাঘাত হিসাবে গত ৭ মে রাতে পাকিস্তান এবং পাক অধিকৃত কাশ্মীরে অপারেশন সিঁদুর প্রয়োগ করে ৯টি জঙ্গিঘাঁটি উড়িয়ে দেয় ভারত। এই আবহে রবিবার সকালেই অপারেশন সিঁদুর এখনও চলছে বলে জানিয়ে দেয় বায়ুসেনা। তারা জানিয়েছে, জাতীয় উদ্দেশ্যপূরণে নির্দিষ্ট লক্ষ্যে গোপনীয়তার সঙ্গে অপারেশন চলছে। বেছে বেছে নির্দিষ্ট লক্ষ্যে আঘাত হানা হচ্ছে বলেও জানিয়েছে বায়ুসেনা।প্রসঙ্গত, শনিবার সংঘর্ষবিরতি সমঝোতার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই সীমান্তে লাগাতার হামলা চালায় পাক-বাহিনী। এর পরেই ইসলামাবাদকে কড়া বার্তা দেয় ভারত। ভারতের বিদেশমন্ত্রক জানায়, যে কোনও পরিস্থিতিতে জবাব দেওয়ার জন্য তৈরি আছে সেনা।

  • Operation Sindoor: পাকিস্তানের গোলাবর্ষণের যোগ্য জবাব দেবে ভারত, বৈঠকে কড়া বার্তা মোদির

    Operation Sindoor: পাকিস্তানের গোলাবর্ষণের যোগ্য জবাব দেবে ভারত, বৈঠকে কড়া বার্তা মোদির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শনিবার বিকাল ৫টায় ভারত-পাক সংঘর্ষবিরতি ঘোষণা করা হয়। তবে অপারেশন সিঁদুর (Operation Sindoor) যে থামেনি রবিবারই দিল্লিতে প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনে উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে স্পষ্ট জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। সূত্রের খবর, তিনি নির্দেশ দিয়েছেন, সীমান্তে পাকিস্তানের যে কোনওরকম গোলাবর্ষণের যোগ্য জবাব দেবে ভারত।

    রবিবার প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনে উচ্চ পর্যায়ের বৈঠক

    রবিবার প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনে আয়োজিত ওই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর, প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং, জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত ডোভাল, চিফ অফ ডিফেন্স স্টাফ জেনারেল অনিল চৌহান, বায়ুসেনা প্রধান এ পি সিং, নৌসেনা প্রধান অ্যাডমিরাল দীনেশ কুমার ত্রিপাঠী এবং সেনাপ্রধান জেনারেল উপেন্দ্র দ্বিবেদী। প্রসঙ্গত, গত ৭ মে পাকিস্তান অধীকৃত কাশ্মীরে অপারেশন সিঁদুর প্রয়োগ করে নয় জঙ্গি ঘাঁটি গুঁড়িয়ে দেয় ভারতীয় সেনা। সেই হামলার পরে ভারতের অবস্থান একেবারে স্পষ্ট। পাকিস্তান গুলি চালালে (Operation Sindoor) ভারত পাল্টা আরও জোরালো হামলা চালাবে।

    অপারেশন সিঁদুর’ (Operation Sindoor) এখনও শেষ হয়নি

    সূত্রের মাধ্যমে জানা যাচ্ছে, অপারেশন সিঁদুর’ (Operation Sindoor) এখনও শেষ হয়নি। এদিন এক্স হ্যান্ডেলে ভারতীয় বায়ুসেনার তরফে লেখা হয়েছে, “অপারেশন সিঁদুরে নিজের দায়িত্ব সফলভাবে পালন করেছে ভারতীয় বায়ুসেনা। দেশের স্বার্থে নিখুঁতভাবে পেশাদারিত্বের সঙ্গে সেই কাজ করেছে তারা। সতর্কতা এবং বিচক্ষণতার সঙ্গে সেই অভিযান করা হয়েছে।” ওই পোস্টেই বায়ুসেনা জানিয়েছে, ‘‘এই অভিযান চলছে। সময়মতো সেই বিষয়ে তথ্য দেওয়া হবে। জল্পনা এবং ভুয়ো তথ্যে কান না দেওয়ার জন্য সকলকে অনুরোধ করছে আইএএফ।’’

    সীমান্ত পেরিয়ে সন্ত্রাস ছড়ালে তার খেসারত অবশ্যই দিতে হবে পাকিস্তানকে

    এছাড়াও, পাকিস্তানকে কড়া বার্তা দিয়ে ভারত জানিয়েছে, সীমান্ত পেরিয়ে সন্ত্রাস ছড়ালে তার খেসারত অবশ্যই দিতে হবে পাকিস্তানকে। পাকিস্তান একদিকে জঙ্গি কার্যকলাপ চালিয়ে যাবে, আর অন্যদিকে ভারতের সঙ্গে জলবণ্টন বা বাণিজ্যে সহযোগিতা পাবে, এই দুটো একসঙ্গে চলবে না। অর্থাৎ এটা একদম স্পষ্ট হয়ে উঠেছে যে, সন্ত্রাসবাদ নিয়ে ভারত জিরো টলারেন্স নীতি মেনেই চলছে। অপারেশন সিঁদুর (Operation Sindoor) শুধু প্রতিরক্ষা নয়, কূটনৈতিক ও কৌশলগত দিক থেকেও পাকিস্তানকে একাধিক বার্তা দিচ্ছে।

  • India Pakistan War: যুদ্ধ ভয়ানক তীব্র হয়ে ওঠার ইঙ্গিত পেয়েই মোদিকে ফোন করেন ভ্যান্স

    India Pakistan War: যুদ্ধ ভয়ানক তীব্র হয়ে ওঠার ইঙ্গিত পেয়েই মোদিকে ফোন করেন ভ্যান্স

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারত-পাকিস্তান (India Pakistan War) যুদ্ধ বিরতি ইস্যুতে সামনে এসেছে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম সিএনএন-র এক প্রতিবেদন। ওই রিপোর্টে দাবি করা হয়েছে, মার্কিন গোয়েন্দা সূত্র থেকে এক ‘উদ্বেগজনক ও গোপন তথ্য’ পায়। এর ভিত্তিতেই মার্কিন প্রশাসনের শীর্ষ কর্তারা শুক্রবারই আলোচনায় বসেন। তার ঠিক একদিন পরেই মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স শুক্রবার দুপুরে সরাসরি ফোন করেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে (PM Modi)।

    সিএনএনের প্রতিবেদনে কী বলা হয়েছে

    সিএনএনের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ‘‘শুক্রবার সকালে ভারত-পাক পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনায় বসেছিলেন মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স, বিদেশ সচিব ও অস্থায়ী জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা মার্কো রুবিও এবং হোয়াইট হাউসের চিফ অফ স্টাফ সুজি ওয়াইলস। সেখানেই গুরুতর গোয়েন্দা তথ্য নিয়ে আলোচনা করে আমেরিকা। সেই গোয়েন্দা তথ্য মোতাবেক, ভারত ও পাকিস্তানের (India Pakistan War) মধ্যে যুদ্ধ পরিস্থিতি ভয়ানক তীব্র হয়ে ওঠার ইঙ্গিত ছিল।’’ সিএনএনের বক্তব্য অনুযায়ী সেই তথ্যের প্রকৃতি এখনও পর্যন্ত কেমন ছিল তারা তা জানতে পারেনি তারা। কারণ মার্কিন প্রশাসন গোপনীয়তার স্বার্থে তা জানায়নি। তবে মার্কিন প্রশাসনিক কর্তারা সিএনএন-কে জানিয়েছে, এই গোপন তথ্যই ছিল হস্তক্ষেপের একেবারে ‘টার্নিং পয়েন্ট’।

    কয়েকদিনেই ভয়ঙ্কর রূপ নিতে পারত যুদ্ধ পরিস্থিতি

    প্রসঙ্গত, মার্কিন উপরাষ্ট্রপতি ভ্যান্স ফোনালাপে ভারতের প্রধানমন্ত্রীকে জানান, ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে যুদ্ধবিগ্রহ আশঙ্কাজনকভাবে বাড়ছে এবং কয়েকদিনেই ভয়ঙ্কর রূপ নিতে পারে। এরপরেই অবিলম্বে পাকিস্তানের সঙ্গে সরাসরি আলোচনায় বসার জন্য অনুরোধ করেন তিনি। মোদির সঙ্গে এই কথোপকথনের পরে মার্কিন বিদেশ সচিব মার্কো রুবিও ভারত ও পাকিস্তানের সঙ্গে রাতভর (India Pakistan War) কথা বলেন। রুবিও ফোন করেন পাক সেনাপ্রধান জেনারেল আসিম মুনিরকে। তবে মার্কিন প্রশাসন সিএনএন-কে জানিয়েছে, তারা যুদ্ধবিরতির চুক্তির খসড়া প্রস্তুত করেনি, শুধু আলোচনা শুরু করিয়ে দেওয়াটাই ছিল তাদের মূল উদ্দেশ্য।মার্কিন প্রশাসন জানিয়েছে, মোদি-ভ্যান্স ফোনালাপই ছিল পরিস্থিতি বদলের প্রধান মুহূর্ত।

  • Kanthapuram: সন্ত্রাসবাদ ও মৌলবাদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে দেশের পাশে আছি, মোদিকে বললেন শেখ আবুবকর আহমেদ

    Kanthapuram: সন্ত্রাসবাদ ও মৌলবাদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে দেশের পাশে আছি, মোদিকে বললেন শেখ আবুবকর আহমেদ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে (PM Modi) চিঠি লিখলেন কান্তাপুরম এপি আবু বকর মুসালিয়ার (Kanthapuram)। চিঠি লিখেছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকেও। দুজনকেই পাঠানো চিঠিতে তিনি জানায়েছেন, সন্ত্রাসবাদ ও মৌলবাদের বিরুদ্ধে দেশ যে লড়ছে, সেই লড়াইয়ের পাশে রয়েছেন তিনিও। ভারত সরকারের গৃহীত কঠোর অবস্থানকে নিঃসংশয়ে সমর্থন করেন তিনি। দেশের নিরাপত্তা রক্ষায় সশস্ত্র বাহিনীর সাহসিক প্রচেষ্টারও প্রশংসা করেন তিনি। আবু বকর মুসালিয়ারের মতে, পাকিস্তানের বিরুদ্ধে যেসব পদক্ষেপ করা হয়েছে, তা কেবলমাত্র জাতীয় অখণ্ডতার জন্যই গুরুত্বপূর্ণ নয়, বরং আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক শান্তির জন্যও এক গুরুত্ব অবদান।

    কী লিখেছেন চিঠিতে (Kanthapuram)

    প্রধানমন্ত্রী ও কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে লেখা চিঠিতে তিনি জানিয়েছেন, “সন্ত্রাসবাদ শুধু জাতীয় স্থিতিশীলতার জন্যই নয়, বৈশ্বিক শান্তি ও মানব মর্যাদার জন্যও একটি গুরুতর হুমকি। উগ্রপন্থী শক্তির কার্যকলাপ দমন করতে ভারতের সক্রিয় পদক্ষেপগুলি নিরীহ প্রাণ রক্ষায় এবং ন্যায় ও মানবতার মূল্যবোধ সমুন্নত রাখতে সরকারের দৃঢ় অঙ্গীকারকে প্রতিফলিত করে। চরমপন্থী মতাদর্শের মোকাবিলায় ও দক্ষিণ এশিয়াজুড়ে স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠায় ভারতের কৌশলগত হস্তক্ষেপ ও কূটনৈতিক নেতৃত্ব একটি রূপান্তরমূলক ভূমিকা পালন করতে পারে। নীতিনিষ্ঠ (Kanthapuram) কূটনীতিক দৃঢ় সংকল্প ও অন্তর্ভুক্তিমূলক প্রচেষ্টার মাধ্যমে আমাদের দেশ এক অস্থির বিশ্বে স্থিতিশীলতার একটি বাতিঘর হিসেবে আবির্ভূত হতে পারে।”

    দেশবাসীকে আহ্বান

    তিনি দেশের সকল নাগরিককে ধর্ম বা পটভূমি নির্বিশেষে এই জাতীয় উদ্যোগগুলির সমর্থনে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানান। চিঠিতে তিনি লিখেছেন, “আমি সকল নাগরিকের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি – এই জাতীয় প্রচেষ্টার পক্ষে ঐক্যবদ্ধভাবে দাঁড়ান। আমরা সবাই বিশ্বাস বা পটভূমি নির্বিশেষে এমন মূল্যবোধের রক্ষক হিসেবে কাজ করব, যা আমাদের একটি বৈচিত্র্যপূর্ণ অথচ সঙ্গতিপূর্ণ জাতি হিসেবে একত্রিত করে। মহান সৃষ্টিকর্তা ভারতের নেতৃত্বকে শান্তি ও নিরাপত্তার এই মহৎ প্রচেষ্টায় দিকনির্দেশনা ও শক্তি দান করুন।”

    প্রসঙ্গত, মুসালিয়ার শেখ আবুবকর আহমেদ নামেও পরিচিত। তিনি ভারতের দশম ও বর্তমান গ্র্যান্ড মুফতি এবং সর্বভারতীয় সুন্নি জামিয়্যাতুল উলেমার সাধারণ সম্পাদক। তিনি এপি সুন্নিদের সামস্থ কেরলের (PM Modi) জেম আইয়্যাতুল উলেমার সাধারণ সম্পাদকও (Kanthapuram)।

  • India Pakistan Conflict: যুদ্ধ বিরতিতে সায় ভারত-পাকিস্তানের, ট্রাম্পের মধ্যস্থতায় খুলল জট!

    India Pakistan Conflict: যুদ্ধ বিরতিতে সায় ভারত-পাকিস্তানের, ট্রাম্পের মধ্যস্থতায় খুলল জট!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পাকিস্তানের আর্তনাদে মার্কিন হস্তক্ষেপ (India Pakistan Conflict)! তার জেরেই ভারত-পাক সংঘর্ষ বিরতি। দাবি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের। শনিবারই পাক সেনা প্রধানের সঙ্গে কথা হয় মার্কিন বিদেশ সচিব মার্কো রুবেয়ার। রাতভর আলোচনার পরে সংঘর্ষ বিরতিতে রাজি হয় দুই দেশ, দাবি আমেরিকার ৪৭তম প্রেসিডেন্টের। সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করে জানালেনও সে কথা। ট্রুথ সোশ্যাল প্ল্যাটফর্মে একটি পোস্টে তিনি লেখেন, “আমি আনন্দের সঙ্গে ঘোষণা করছি, যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় দীর্ঘ আলোচনার পর ভারত ও পাকিস্তান পূর্ণ যুদ্ধ বিরতিতে রাজি হয়েছে। উভয় দেশকে অভিনন্দন।”

    সংঘর্ষ বিরতি (India Pakistan Conflict)

    এদিন বিকেল ৫টা থেকে সংঘর্ষ বিরতি কার্যকর হয়েছে। সংঘর্ষ বিরতির কথা জানিয়েছে পাকিস্তানও। জল, স্থল কিংবা আকাশপথে আক্রমণ করবে না দুই দেশই। এদিন বিকেলে দুই দেশের মধ্যে সংঘর্ষ বিরতি নিয়ে ভারতের বিদেশ সচিব বিক্রম মিস্রি বলেন, “দুপুর ৩টে ৩৫ মিনিট নাগাদ পাকিস্তানের ডিজিএমও-র তরফে ফোন করা হয় ভারতের ডিজিএমওকে। তখনই ভারতের কাছে সংঘর্ষ বিরতির আর্জি জানায় পাকিস্তান।” তাতে সম্মতি জানায় ভারত। এর পরেই সিদ্ধান্ত হয় এদিন বিকেল ৫টা থেকে জল, স্থল, আকাশ সমস্ত পথে সংঘর্ষ থেকে বিরত থাকার সিদ্ধান্ত নিয়েছে দুই দেশ। সোমবার দুপুর ১২টা নাগাদ ফের ফোনে কথা বলবেন দুই দেশের ডিজিএমও-রা (India Pakistan Conflict)।

    জঙ্গি হামলাকে এবার যুদ্ধ হিসেবেই দেখবে ভারত

    এদিকে, জঙ্গি হামলাকে এবার যুদ্ধ হিসেবেই দেখবে ভারত। পাক সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে আরও বড় লড়াইয়ের হুঙ্কার ভারতের। ভারতে যে কোনও জঙ্গি কার্যকলাপই ভারতের বিরুদ্ধে যুদ্ধ হিসেবে গণ্য হবে। পাকিস্তানকে এবার সবক শেখানোর কড়া বার্তাও দেওয়া হল ভারতের তরফে। এদিন তিন বাহিনীর প্রধানের সঙ্গে ফের বৈঠকে বসেন প্রধানমন্ত্রী। তার পরেই ভারতের তরফে জানিয়ে দেওয়া হয় এ কথা। অন্যদিকে, এদিন সকালে সেনার তরফে সাংবাদিক বৈঠক করেন কর্নেল সোফিয়া কুরেশি। বৈঠকে বিদেশ সচিব জানান, পাকিস্তান যে হামলা করছে, তারই জবাব দিচ্ছে ভারত। কর্নেল সোফিয়া কুরেশি বলেন, “২৬ জায়গায় হামলার চেষ্টা হয়েছে। বেশিরভাগ জায়গায় তা প্রতিহত করেছে ভারত। তবে উধমপুর, পাঠানকোট, ভাতিন্ডায় জখম হয়েছেন কয়েকজন সেনা (India Pakistan Conflict)।”

  • Pakistan: ‘‘ভারতের ড্রোন হামলা ইচ্ছে করেই আটকাইনি’’! আজব যুক্তি দিলেন পাক প্রতিরক্ষামন্ত্রী

    Pakistan: ‘‘ভারতের ড্রোন হামলা ইচ্ছে করেই আটকাইনি’’! আজব যুক্তি দিলেন পাক প্রতিরক্ষামন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বৃহস্পতিবার ভারতের হাতে মার খেয়ে আপাতত নানা আজব যুক্তি সাজাতে ব্যস্ত পাকিস্তান (India Pakistan War)। পাক প্রতিরক্ষা মন্ত্রী খোয়াজা আসিফ (Pakistan) বলেছেন, তাঁরা চাইলেই নাকি এই ড্রোন হামলা ঠেকাতে পারতেন। কিন্তু চেষ্টা করেননি! কেন, সেই ব্যাখ্যাও দিয়েছেন আসিফ। তাঁর মতে, ইন্টারসেপ্টর কোথায় রাখা আছে এর ফলে জেনে যেত ভারত, তাই ইচ্ছে ভারতের ড্রোন হামলা আটকায়নি পাকিস্তান! এমন আজব যুক্তি শুনে স্তম্ভিত সব মহলই।

    কী বললেন আসিফ?

    পাক সংসদে (Pakistan) বক্তব্য রাখার সময়ে আসিফ দাবি করেন, ‘‘পাকিস্তান চাইলেই ভারতের ড্রোন হামলা ঠেকাতে পারত। কিন্তু তা করতে গেলে পাক সেনার নানা ক্যাম্পের হদিশ পেয়ে যেত ভারত। তাই প্রতিঘাত করা হয়নি!’’ তিনি আরও বলেন, ‘‘আমরা আমাদের লোকেশন জানাতে চাইনি ভারতকে। তাই ইচ্ছে করেই ড্রোন হামলা করতে দিয়েছি। তা প্রতিহত করার চেষ্টা করিনি। পাক এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম কোথায় আছে, তা খুঁজতেই ড্রোনগুলি পাঠিয়েছিল ভারত।’’ আসিফের এমন বক্তব্য ছড়িয়ে পড়েছে সমাজমাধ্যমে এবং তা কার্যত অবাক করেছে সকলকে। তবে এটাই প্রথম নয়, এর আগেও পাকিস্তান (Pakistan) এই যুদ্ধ পরিস্থিতির মধ্যে নানা রকম ভুয়ো খবর ছড়িয়েছে। ভারতের ‘অপারেশন সিঁদুর’ নিয়ে পাকিস্তান খবর রটিয়ে দিয়েছিল ৫টি রাফাল যুদ্ধবিমান নাকি পাকিস্তান ধ্বংস করে দিয়েছে। পরে স্পষ্ট করা হয়, সেই খবর নাকি ভুয়ো। খোদ পাক প্রতিরক্ষা মন্ত্রী বিদেশি সংবাদমাধ্যমে এই দাবি করে তার পক্ষে কোনও প্রমাণ দিতে পারেননি।

    কাপুরুষ শেহবাজ শরিফ মোদির নামও উচ্চারণ করতে পারেন না

    কাপুরুষ শেহবাজ শরিফ মোদির নামও উচ্চারণ করতে পারেন না, কোনও ভারতীয় নয়, এবার এমন মন্তব্য করতে শোনা গেল পাকিস্তানের (Pakistan) সাংসদকেই। ভারত-পাক উত্তেজনামূলক পরিস্থিতির মাঝেই নিজের দেশের প্রধানমন্ত্রীকে একেবারে ‘কাপুরুষ’ বলে আক্রমণ করলেন পাক রাজনৈতিক নেতা সৈয়দ আহমেদ। পাকিস্তানের (India Pakistan War) সংবাদমাধ‍্যমে ইতিম্যমে ভাইরাল সেই ভিডিও। ইমরান খানের দলের সাংসদকে বলতে শোনা যায়, ‘‘ভারতের বিরুদ্ধে একটি বিবৃতিও আসেনি। সীমান্তে দাঁড়িয়ে থাকা পাকিস্তানি সৈন্যরা আশা করে যে সরকার সাহসিকতার সাথে লড়াই করবে। যখন আপনার নেতা একজন কাপুরুষ যিনি মোদির নামও উচ্চারণ করতে পারেন না, আপনি সীমান্তে লড়াই করা সৈন্যকে কী বার্তা দিচ্ছেন?’’

LinkedIn
Share