Tag: PM Modi

PM Modi

  • PM Modi: ভারতেই মার্কিন মুলুকের মতো পড়াশোনা! কী ভাবছেন মোদি-ট্রাম্প?

    PM Modi: ভারতেই মার্কিন মুলুকের মতো পড়াশোনা! কী ভাবছেন মোদি-ট্রাম্প?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আমেরিকার বিশ্ববিদ্যালয়গুলিকে ভারতেও ক্যাম্পাস খুলতে আমন্ত্রণ জানালেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। বৃহস্পতিবার হোয়াইট হাউসে প্রধানমন্ত্রী মোদি ও ট্রাম্পের সঙ্গে বৈঠকে দুই রাষ্ট্রনেতাই উভয় দেশের মধ্যে প্রতিভার চলাচল এবং শিক্ষার্থী, গবেষক ও কর্মীদের গতিবিধি সম্পর্কে সন্তোষ জ্ঞাপন করেছেন। দুই দেশের মানুষের স্বার্থে শিক্ষাক্ষেত্রে ভারত-মার্কিন আদান প্রদানের উপর জোড় দিয়েছেন মোদি ও ট্রাম্প।

    মার্কিন মুলুকে ভারতীয় শিক্ষার্থী

    ২০৩০ সালের মধ্যে ভারত ও আমেরিকার মধ্যে বাণিজ্য দ্বিগুণ হতে চলেছে। যা ৫০০ বিলিয়ন ডলার হবে। আমেরিকায় ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে বৈঠকের পর যৌথ সাংবাদিক বৈঠকে শুক্রবার এমনই বললেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এই বৈঠকের পর ট্রাম্প জানান, বিশ্বের সব থেকে পুরনো গণতন্ত্র আমেরিকা। বিশ্বের সব থেকে বৃহত্তম গণতন্ত্র ভারত। তিনি বলেন, “আমি ও প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ঘোষণা করছি, যা একবিংশ শতাব্দীতে প্রত্যেক ক্ষেত্রে আমাদের অংশীদারিত্ব আমাদের অর্থনৈতিক চুক্তিগুলিকে আরও শক্তিশালী করবে।” এই প্রেক্ষাপটে তারা উল্লেখ করেছেন যে, ৩০০,০০০-এর বেশি ভারতীয় শিক্ষার্থী যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনীতিতে প্রতি বছর ৮ বিলিয়ন ডলার অবদান রাখে এবং বহু সরাসরি ও পরোক্ষ চাকরি করে।

    ভারতেই মার্কিন বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাস

    উল্লেখ্য, ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষে যুক্তরাষ্ট্রে পড়াশোনা করা ভারতীয় শিক্ষার্থীর সংখ্যা ৩,৩১,৬০২। এই শিক্ষাবর্ষে ২০২২-২৩ সালের তুলনায় ২৩ শতাংশ শিক্ষার্থী বৃদ্ধি পেয়েছে, তখন সংখ্যা ছিল ২,৬৮,৯২৩। এদিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প এবং প্রধানমন্ত্রী মোদি দুই দেশের মধ্যে জনগণ-জনগণের সম্পর্ক উন্নত করার গুরুত্ব সম্পর্কে আলোচনা করেছেন। এক্ষেত্রে শিক্ষা জগতের ভূমিকা প্রচুর। প্রধানমন্ত্রী মোদি, আমেরিকার শীর্ষস্থানীয় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলির অফশোর ক্যাম্পাস ভারতেও প্রতিষ্ঠার দিকে নজর দেওয়ার কথা বলেন। প্রধানমন্ত্রী মোদি আরও বলেন, “আমেরিকায় ভারতীয় কমিউনিটি আমাদের সম্পর্কের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। আমাদের জনগণ-জনগণের সম্পর্ক আরও গভীর করতে আমরা শীঘ্রই লস অ্যাঞ্জেলেস এবং বোস্টনে নতুন ভারতীয় কনস্যুলেট খুলবো।” তিনি আরও বলেন, “আমরা আমেরিকান বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর কাছে ভারতেই অফশোর ক্যাম্পাস খুলতে আমন্ত্রণ জানিয়েছি।”

    ক্যাম্পাস খুলতে গেলে গাইডলাইন

    সম্প্রতি ইউনিভার্সিটি গ্রান্ট কমিশন জানিয়েছে, বিদেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলি (Foreign Universities) ভারতে তাদের ক্যাম্পাস তৈরি করতে পারবে। শুধু তাই নয় এই ক্যাম্পাস পরিচালনার ব্যাপারে তারা স্বশাসিত সিদ্ধান্তও নিতে পারবে। ভর্তির প্রক্রিয়া, খরচের পরিকাঠামো – এইসব ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষই সিদ্ধান্ত নিতে পারবে। জাতীয় শিক্ষা নীতি ২০২০ অনুসারে এই নয়া নোটিফিকেশনের গাইডলাইন তৈরি করা হয়েছে। এর সাহায্যে বিশ্বের বিভিন্ন সেরা বিশ্ববিদ্যালয় ভারতে কাজ করার সুযোগ পেয়েছে।

    বিশ্বমানের পড়াশোনা

    বিশেষজ্ঞদের একাংশের মতে ভারতীয়দের কিছু সংখ্যকের মধ্যে মার্কিন মুলুকে পড়াশোনা করতে যাওয়ার যে হিড়িক রয়েছে, ভারতে মার্কিন বিশ্ববিদ্যালয়গুলি ক্যাম্পাস খুললে তা হয়তো কিছুটা কমতেও পারে। আমেরিকার যেসব প্রতিষ্ঠান ভারতের মাটিতে ক্যাম্পাস তৈরি করবে। সেখানে যেন বিদেশের ক্যাম্পাসের মতোই পড়ুয়াদের পঠনপাঠন চলে, সেদিকেও দৃষ্টি রাখবে মোদি সরকার। সমস্ত নিয়ম-কানুন মেনেই চালু থাকবে বিশ্বমানের পড়াশোনা। ভারতে যে সমস্ত আমেরিকার শিক্ষাকেন্দ্র প্রতিষ্ঠান গড়তে ইচ্ছুক তাদের বিশ্বব্যাপী র‍্যাঙ্কিংয়ের নিরিখে প্রথম ৫০০-র মধ্যে থাকতে হবে। অথবা বিষয় ভিত্তিক ক্যাটেগরির নিরিখে প্রথম ৫০০- র মধ্যে থাকতে হবে এইসব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে। যেসমস্ত মার্কিন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ভারতে তাদের বিশ্ববিদ্যালয় বা ক্যাম্পাস তৈরি করবে সেখানে তারা একাধিক কোর্স চালু করতে পারবে। এই তালিকায় থাকছে স্নাতক, স্নাতকোত্তর, ডক্টরাল, পোস্ট-ডক্টরাল, ডিপ্লোম ডিগ্রি, রিসার্চ বা গবেষণা, বিভিন্ন সার্টিফিকেট কোর্স। সমস্ত প্রোগ্রামের ১০ শতাংশ লেকচার বা পঠনপাঠন অনলাইনে হতে পারে, তবে তার বেশি নয়।

    একাধিক ক্যাম্পাস 

    জানা গিয়েছে, একটি মার্কিন বিশ্ববিদ্যালয় একাধিক ক্যাম্পাস তৈরি করতে পারবে ভারতে। তবে প্রতিটির জন্য আলাদা করে আবেদন জানাতে হবে। মার্কিন বিশ্ববিদ্যালয় ভারতে ক্যাম্পাস গঠন করলেও ইউজিসিকে বার্ষিক কোনও ফি দিতে হবে না। কেবলমাত্র একটি এককালীন অ্যাপ্লিকেশন ফি দিতে হবে ইউজিসিকে। নিজেদের পরিকাঠামো, ফিজিক্যাল এবং হিউম্যান রিসোর্স, জমির উপর ভিত্তি করেই ক্যাম্পাস তৈরি করতে পারবে মার্কিন বিশ্ববিদ্যালয়গুলি। এছাড়াও পড়ুয়াদের জন্য বৃত্তি অর্থাৎ স্কলারশিপ এবং কনসেশন অর্থাৎ ছাড়ের ব্যবস্থাও করতে পারবে তারা।

     

  • Pulwama Attack: পুলওয়ামা হামলার ৬ বছর, শহিদ জওয়ানদের শ্রদ্ধা জানালেন মোদি

    Pulwama Attack: পুলওয়ামা হামলার ৬ বছর, শহিদ জওয়ানদের শ্রদ্ধা জানালেন মোদি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ১৪ ফেব্রুয়ারি বিশ্বজুড়ে ভালোবাসা দিবস বা ভ্যালেন্টাইন্স ডে হিসেবে উদযাপিত হয়। তবে ভারতবাসীর ক্ষেত্রে এই দিনটি এক গভীর শোক ও শ্রদ্ধার প্রতীক। ছয় বছর আগে আজকের দিনেই, ২০১৯ সালে জম্মু ও কাশ্মীরের পুলওয়ামায় (Pulwama Attack) এক ভয়াবহ সন্ত্রাসী হামলায় ৪০ জন বীর সিআরপিএফ জওয়ান শহিদ হন। সেই কারণে, আমাদের দেশে এই দিনটি ‘কালো দিবস’ হিসেবেও পালন করা হয়ে থাকে। আজকের দিনে সেই পুলওয়ামায় নিহত জওয়ানদের স্মরণ করে শহিদদের স্মরণ করে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi) এক্স হ্যান্ডেলে লেখেন, ‘‘২০১৯ সালে পুলওয়ামায় যে সাহসী বীরদের হারিয়েছি, তাঁদের প্রতি শ্রদ্ধা। তাঁদের আত্মত্যাগ এবং জাতির প্রতি তাঁদের অটল নিবেদন আগামী প্রজন্ম কখনও ভুলবে না।’’

    ২০১৯ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারি (Pulwama Attack)

    প্রসঙ্গত, ২০১৯ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারি, জম্মু থেকে শ্রীনগরগামী সেন্ট্রাল রিজার্ভ পুলিশ ফোর্স (সিআরপিএফ)-এর কনভয়ে হামলা চালায় পাকিস্তানের মদতে চলা জঙ্গি সংগঠন জইশ-ই-মোহাম্মদ। ওই জঙ্গি সংগঠন আত্মঘাতী হামলা চালায়। কনভয়ে ৭৮টি গাড়ি ছিল এবং ২,৫০০-এর বেশি সিআরপিএফ সদস্য ছিলেন বলে জানা যায়। বিস্ফোরণে ৪০ জন জওয়ান শহিদ হন এবং আরও অনেকেই আহত হন। এই হামলা গোটা দেশকে নাড়িয়ে দেয়।

    প্রত্যেক নাগরিক প্রতিবছর শ্রদ্ধা জানান এই দিনটিতে

    প্রসঙ্গত, প্রতিবছর এই দিনেই প্রত্যেক দেশবাসী শহিদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে দেশবাসী তাঁদের আত্মত্যাগ স্মরণ করে (Pulwama Attack)। ভালোবাসার এই দিনে, দেশের রক্ষাকর্তাদের প্রতি সম্মান ও শ্রদ্ধা জানানোই প্রকৃত দেশপ্রেমের প্রতিফলন বলে মনে করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। পুলওয়ামার ঘটনার প্রতিশোধ নিতে ভারতীয় সেনাবাহিনী সেই বছরের ২৬ ফেব্রুয়ারি পাকিস্তানের বালাকোটে বিমান হামলা চালায়। এই এয়ার স্ট্রাইকে বহু জঙ্গি ঘাঁটি ধ্বংস হয়। মারা যায় শয়ে শয়ে জঙ্গি। যদিও এই অভিযানে সাফল্যের পরও পুলওয়ামার (Pulwama Attack) ক্ষত আজও রয়ে গিয়েছে দেশবাসীর মনে।

  • Rajiv kumar: সরে যাচ্ছেন রাজীব কুমার, নয়া মুখ্য নির্বাচন কমিশনার কে? বৈঠক সোমবার

    Rajiv kumar: সরে যাচ্ছেন রাজীব কুমার, নয়া মুখ্য নির্বাচন কমিশনার কে? বৈঠক সোমবার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মুখ্য নির্বাচন কমিশনার পদ থেকে সরে যাচ্ছেন রাজীব কুমার (Rajiv kumar)। যদিও নয়া মুখ্য নির্বাচন কমিশনার (New Chief Election Commissioner) কে হবেন, তা এখনও ঘোষণা করা হয়নি। প্রসঙ্গত, চলতি বছরেই বিধানসভা নির্বাচন রয়েছে বিহারে। পরের বছর, অর্থাৎ ২০২৬ সালে ভোট হবে পশ্চিমবঙ্গ, তামিলনাড়ু, অসম ও কেরলে। সেই প্রস্তুতি ইতিমধ্যে শুরু হবে খুব শীঘ্রই। গোটা নির্বাচন সামলাবেন কোন ব্যক্তি তা নিয়েই জল্পনা শুরু হয়েছে।

    সোমবার বৈঠকে বসবে কমিটি, উপস্থিত থাকবেন মোদি

    এ দিনই খবর সামনে আসে, মুখ্য নির্বাচন কমিশনার পদ থেকে সরে যাচ্ছেন রাজীব কুমার (Rajiv kumar)। আগামী মঙ্গলবার তাঁর মেয়াদ শেষ হচ্ছে। সূত্র মারফত জানা যাচ্ছে, পরবর্তী নির্বাচন কমিশনার কে হবেন, তা নিয়ে আগামী সোমবারই বৈঠক বসতে চলেছে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, কেন্দ্রীয় আইন মন্ত্রী অর্জুনরাম মেঘওয়াল, লোকসভার বিরোধী দলনেতা তথা কংগ্রেস সাংসদ রাহুল গান্ধী এই বৈঠকে উপস্থিত থাকবেন বলে জানা যাচ্ছে। জানা গিয়েছে, গত ২৭ জানুয়ারি পরবর্তী মুখ্য নির্বাচন কমিশনারের নাম বাছাইয়ের জন্য তিন সদস্যের কমিটি গড়েছিল প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সরকার।

    ২০২২ সালের মে মাসে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার পদে দায়িত্ব গ্রহণ করেন রাজীব কুমার (Rajiv kumar)

    প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, ২০২২ সালের মে মাসে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার পদে দায়িত্ব গ্রহণ করেন রাজীব কুমার (Rajiv kumar)। গত বছর অর্থাৎ ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচন থেকে শুরু করে জম্মু-কাশ্মীরে বিধানসভা নির্বাচনের তত্ত্বাবধানে (New Chief Election Commissioner) ছিলেন তিনি। এছাড়াও ২০২৩ সালের শেষের দিকে কর্নাটক, তেলঙ্গানা, মধ্য প্রদেশ, রাজস্থান বিধানসভা নির্বাচনের ব্যবস্থাপনাও তিনি করেছিলেন। গত ৮ ফেব্রুয়ারি দিল্লি বিধানসভা নির্বাচনের ফল প্রকাশ হয়। সেই ভোট পর্ব মিটতেই নিজের দায়িত্ব শেষ করলেন নির্বাচন কমিশনার। প্রসঙ্গত, গত জানুয়ারি মাসেই দিল্লি বিধানসভা নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা করেন রাজীব কুমার। সে সময়ই তিনি বলেছিলেন যে অবসর গ্রহণের পর ৪-৫ মাস হিমালয়ে কাটাবেন।

  • PM Modi: বিশ্বের বহু সমস্যার সমাধান করতে পারে বুদ্ধের দর্শন, বললেন মোদি

    PM Modi: বিশ্বের বহু সমস্যার সমাধান করতে পারে বুদ্ধের দর্শন, বললেন মোদি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “বুদ্ধের মধ্যম পথ অনুসরণের শিক্ষা এবং চরমপন্থা পরিহার করার দর্শন বিশ্বব্যাপী বহু সমস্যার সমাধান করতে পারে।” শুক্রবার কথাগুলি বললেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। তিনি বলেন, “বিশ্বের অনেক সংঘাতের মূল কারণ হল চরমপন্থী অবস্থান গ্রহণ করা। এর পরিবর্তে উচিত একটি ভারসাম্যপূর্ণ দৃষ্টিভঙ্গি গ্রহণ করা।”

    বুদ্ধের শরণ (Samvad Programme)

    বর্তমানে দুদিনের (Samvad Programme) সফরে আমেরিকায় রয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সেখান থেকেই থাইল্যান্ডে আয়োজিত সংঘাত পরিহারের লক্ষ্যে বৈশ্বিক হিন্দু-বৌদ্ধ উদ্যোগ ‘সংবাদ’-এর চতুর্থ সংস্করণের ভিডিও ভাষণ দেন প্রধানমন্ত্রী। সেখানেই তিনি ফের শরণ নিলেন বুদ্ধের। তিনি বলেন, “এশিয়ার ধম্ম-ভিত্তিক ঐতিহ্য পরিবেশগত সংকটের সমাধান দিতে পারে যা বর্তমানে বিশ্বকে বিপর্যস্ত করছে। হিন্দুধর্ম, বৌদ্ধধর্ম, শিন্তোবাদ এবং অন্যান্য এশীয় ঐতিহ্য মানুষকে প্রকৃতির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণভাবে বসবাস করতে শেখায়। এগুলি নিজেকে প্রকৃতি থেকে আলাদা কিছু মনে করে না, বরং প্রকৃতিরই অংশ হিসেবে দেখে।”

    থাইল্যান্ড প্রশস্তি

    থাইল্যান্ডের আতিথেয়তা, সমৃদ্ধ সংস্কৃতি, ইতিহাস ও ঐতিহ্যের প্রশংসা করে মোদি (PM Modi) বলেন, “এটি এশিয়ার যৌথ দার্শনিক ও আধ্যাত্মিক ঐতিহ্যের এক সুন্দর উদাহরণ।” ভারত ও থাইল্যান্ডের দুহাজার বছরেরও বেশি সময় ধরে বিদ্যমান গভীর সাংস্কৃতিক সম্পর্কের কথার উল্লেখ করে তিনি বলেন, “রামায়ণ ও রামাকিয়েন উভয় দেশকে সংযুক্ত করে এবং ভগবান বুদ্ধের প্রতি তাদের সম্মিলিত শ্রদ্ধা তাদের একত্রিত করে।”

    বুদ্ধের উদ্ধৃতি দিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “সংযমের নীতি আজও প্রাসঙ্গিক, যা বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় দিকনির্দেশনা দেয়।” তিনি দুই দেশের মধ্যে বহুমুখী খাতে প্রাণবন্ত অংশীদারিত্বের কথার উল্লেখ করেন। বলেন, “ভারতের ‘অ্যাক্ট ইস্ট’ নীতি ও থাইল্যান্ডের ‘অ্যাক্ট ওয়েস্ট’ নীতি পরস্পরের পরিপূরক।” প্রধানমন্ত্রী বলেন, “সংঘাতের আর একটি কারণ হল অন্যদের মৌলিকভাবে ভিন্ন হিসেবে দেখা। এই পার্থক্য দূরত্ব সৃষ্টি করে। আর এই দূরত্ব বিভেদের রূপ নিতে পারে। এর প্রতিকারে, তিনি ধম্মপদ থেকে একটি শ্লোক উদ্ধৃত করেন, যেখানে বলা হয়েছে যে সবাই যন্ত্রণা ও মৃত্যুকে ভয় (Samvad Programme) পায়।” তিনি বলেন, “ভগবান বুদ্ধের প্রতি আমাদের শ্রদ্ধা ভারত সরকারের নীতিগুলির প্রতিফলনে দেখা যায় (PM Modi)।”

  • Donald Trump: ‘বন্ধু’ মোদিতেই ভরসা ট্রাম্পের, বাংলাদেশের বিষয় ছাড়লেন নরেন্দ্রর ওপর

    Donald Trump: ‘বন্ধু’ মোদিতেই ভরসা ট্রাম্পের, বাংলাদেশের বিষয় ছাড়লেন নরেন্দ্রর ওপর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ক্রমেই বিশ্বনেতা হয়ে উঠছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি! বন্ধু মোদির (PM Modi) ওপর নির্ভরতাও বাড়ছে ৪৭তম মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের (Donald Trump)। তার প্রমাণ মিলল মোদি-ট্রাম্পের বৈঠকে। প্রত্যাশিতভাবেই ওই বৈঠকে উঠেছে বাংলাদেশের পরিস্থিতি। পড়শি দেশের ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী। তার পরেই মার্কিন প্রেসিডেন্ট জানিয়ে দেন, বাংলাদেশের বিষয়টি তিনি ছাড়ছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ওপরেই। বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ পরিস্থিতিতে যে আমেরিকার কোনও গোপন ভূমিকা নেই, তাও জানিয়ে দেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।

    আমেরিকা সফরে মোদি (Donald Trump)

    ফ্রান্স সফর সেরে দুদিনের মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সফরে গিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। বৃহস্পতিবার বিকেল ৪টে নাগাদ হোয়াইট হাউসে আসেন মোদি (Donald Trump)। সেখানেই হয় দ্বিপাক্ষিক বৈঠক। প্রত্যাশিতভাবেই সেই বৈঠকে ওঠে বাংলাদেশের প্রসঙ্গ। ওই বৈঠকেই ট্রাম্প বলেন, “দীর্ঘ দিন ধরে ভারতের প্রধানমন্ত্রী এই সমস্যার সমাধানের চেষ্টা করছেন। বহু বছর ধরে এই চেষ্টা চলছে। আমি এ সংক্রান্ত খবরাখবর পড়ছি। তবে বাংলাদেশের ব্যাপারটা আমি মোদির ওপরই ছাড়তে চাই।”

    কী বললেন ভারতের বিদেশ সচিব

    মোদি-ট্রাম্প বৈঠক প্রসঙ্গে ভারতের বিদেশ সচিব বিক্রম মিস্রি বলেন, “বাংলাদেশ নিয়ে মোদি ও ট্রাম্পের মধ্যে আলোচনা হয়েছে। বাংলাদেশের সাম্প্রতিক ঘটনাপ্রবাহ নিয়ে ভারতের দৃষ্টিভঙ্গী, অবস্থান ট্রাম্পকে জানিয়েছেন মোদি। নিজের উদ্বেগও ব্যক্ত করেছেন। আমরা আশা করছি, বাংলাদেশে পরিস্থিতির উন্নতি হবে। আমরা ওদের সঙ্গে গঠনমূলক এবং স্থিতিশীল আলোচনা করতে পারব। কিন্তু আপাতত ওখানকার পরিস্থিতিতে আমরা উদ্বিগ্ন। ট্রাম্পের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী সে বিষয়ে কথা বলছেন।”

    গত ৫ অগাস্ট বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী পদে ইস্তফা দিয়ে ভারতে চলে আসেন আওয়ামি লিগ সুপ্রিমো শেখ হাসিনা। তার পর বাংলাদেশের ক্ষমতায় আসে মহম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকার। তারা হাসিনার প্রত্যর্পণ চেয়ে চিঠি দিয়েছে নয়াদিল্লিকে। হাসিনা সংক্রান্ত নথিপত্রও ঢাকা থেকে পাঠানো হয়েছে ভারতে। এর পরেই বাংলাদেশের সংখ্যালঘুদের ওপর অত্যাচার বেড়ে গিয়েছে বলে অভিযোগ। দিন কয়েক আগে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমানের ৩২ ধানমন্ডির বাড়ির বেশ খানিকটা অংশ ভেঙে দেয় উন্মত্ত জনতা। আগুন লাগিয়ে দেওয়া হয় ধানমন্ডিতে হাসিনার সুধা সদনেও। হাসিনার কাকার বাড়িতেও হামলা চালায় জনতার একাংশ। ইউনূস ও তাঁর সরকারের উপদেষ্টারা অবশ্য বারবার দাবি করছেন, বাংলাদেশের পরিস্থিতি শান্ত। কয়েকটা জায়গায় অশান্তি হলেও, আইনশৃঙ্খলারক্ষী বাহিনী পরিস্থিতি সমাল দিচ্ছে। ভারতের উদ্বেগপ্রকাশকে অনভিপ্রেত বলছে ঢাকা। এই পরিস্থিতিতে বাংলাদেশ নিয়ে সিদ্ধান্তের ভার মোদির (PM Modi) ওপরই ছাড়লেন ট্রাম্প (Donald Trump)।

  • PM Modi: ‘‘মোদি ভালো বন্ধু, দরকষাকষিতে আমার থেকেও টাফ’’, দ্বিপাক্ষিক বৈঠক শেষে মত ট্রাম্পের

    PM Modi: ‘‘মোদি ভালো বন্ধু, দরকষাকষিতে আমার থেকেও টাফ’’, দ্বিপাক্ষিক বৈঠক শেষে মত ট্রাম্পের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মার্কিন সফরে ট্রাম্পের সঙ্গে বৈঠক সম্পন্ন হল প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (PM Modi)। দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ভূয়সী প্রশংসা করলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। মোদির সঙ্গে যৌথ সাংবাদিক বৈঠকে মার্কিন প্রেসিডেন্টের দাবি, ‘‘আলোচনার টেবিলে দরকষাকষির ক্ষেত্রে আমার থেকেও ‘টাফ’ হলেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী। দরকষাকষির ক্ষেত্রে তাঁর সঙ্গে টেক্কা দিতে পারেন না। কারণ এক ইঞ্চিও জমি ছাড়েন না মোদি।’’ এদিন মোদিকে নিজের বই ‘আওয়ার জার্নি টুগেদার’-ও উপহার দেন ট্রাম্প (Donald Trump)। এই বইতে রয়েছে ‘হাউডি মোদি’ (আমেরিকায় মোদি ও ট্রাম্পের সভা) এবং ‘নমস্তে ট্রাম্প’-র (ভারতে মোদি ও ট্রাম্পের সভা) ছবি ও বর্ণনা। একইসঙ্গে ২০২০ সালে ভারত সফরে তাজমহলে যাওয়ার ছবিও মোদিকে (PM Modi) উপহার দিয়েছেন ট্রাম্প।

    ‘মোদি খুব ভালো বন্ধু’, বললেন ট্রাম্প

    একইসঙ্গে ট্রাম্প দাবি করেন, ‘‘জো বাইডেনের প্রশাসনের সঙ্গে ভারতের সম্পর্ক তেমন ভালো ছিল না।’’ কিন্তু তাঁর আমলে ভারতের সঙ্গে আমেরিকার সম্পর্ক আরও মজবুত হবে বলে জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। ট্রাম্পের কথায়, ‘‘ভারতের প্রধানমন্ত্রী মোদি (PM Modi) আমেরিকায় এসেছেন এটা দুর্দান্ত ব্যাপার। দীর্ঘদিন ধরেই উনি আমার খুব ভালো বন্ধু। আমাদের দারুণ সম্পর্ক ছিল। ওই চার বছরে (আমেরিকার প্রেসিডেন্ট হিসেবে ট্রাম্পের প্রথম শাসনকাল – ২০১৬ সাল থেকে ২০২০ সাল) আমরা সেই দারুণ সম্পর্কটা বজায় রেখেছিলাম। আর আমরা ফের সেটা শুরু করেছি।’’

    কী বললেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)

    প্রধানমন্ত্রী মোদী জানান ভারত এবং আমেরিকার মধ্যে সম্পর্ক আরও মজবুত হবে। আরও সমৃদ্ধির পথে এগিয়ে যাবে দুই দেশ। মোদির (PM Modi) কথায়, ‘‘আমেরিকার মানুষ তো খুব ভালোভাবেই MAGA-র কথা জানেন – মেক আমেরিকা গ্রেট এগেন (ট্রাম্পের নির্বাচনী প্রচারের স্লোগান)। আর ভারতীয়রা বিকশিত ভারত ২০৪৭ (মিশনের) দিকে এগিয়ে চলেছেন। আমেরিকার ভাষায় সেটা হল – মেক ইন্ডিয়া গ্রেট এগেন (MIGA)। যখন আমেরিকা এবং ভারত একইসঙ্গে কাজ করে, তখন এই MAGA এবং MIGA জুড়ে হয়ে যায় সমৃদ্ধির জন্য মেগা জোট।’’

  • Trump Modi Meets: ট্রাম্প-মোদি বৈঠকে সাফল্য, মুম্বই হামলার অভিযুক্ত রানাকে ভারতে ফেরাতে রাজি আমেরিকা

    Trump Modi Meets: ট্রাম্প-মোদি বৈঠকে সাফল্য, মুম্বই হামলার অভিযুক্ত রানাকে ভারতে ফেরাতে রাজি আমেরিকা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মুম্বই হামলার অন্যতম অভিযুক্ত তাহাউর রানাকে ভারতে প্রত্যর্পণ করার কথা ঘোষণা করলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প (Trump Modi Meets)। বৃহস্পতিবার হোয়াইট হাউসে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে দীর্ঘক্ষণ বৈঠক হয় ট্রাম্পের। তারপরই রানাকে প্রত্যর্পণের কথা জানান ট্রাম্প। ভারত বহু বছর ধরেই তাহাউরের প্রত্যর্পণের দাবি জানিয়ে আসছিল। আমেরিকার এই সিদ্ধান্তে ভারতের বড় কূটনৈতিক জয় বলেই মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

    ট্রাম্প-মোদি বৈঠকের পর ঘোষণা

    বর্তমানে আমেরিকার উচ্চ সুরক্ষা সম্পন্ন জেলে রয়েছেন রানা। গত কয়েক বছর ধরে বারবার তাঁর প্রত্যর্পণের আর্জি জানিয়েছে ভারত। দীর্ঘ আইনি লড়াই লড়েছেন রানাও। তাই মোদির (Trump Modi Meets) সঙ্গে বৈঠকের পর ট্রাম্প (Donald Trump) যে ঘোষণা করেছেন, তা ভারতের জন্য অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। বৈঠক শেষে ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, “২৬/১১ মুম্বই হামলার অন্যতম অভিযুক্ত, এক দুষ্কৃতীকে আমরা ভারতে প্রত্যর্পণ করছি। আমরা এক ভয়ঙ্কর অপরাধীকে ভারতের হাতে তুলে দিচ্ছি।” এদিন ট্রাম্প যে ঘোষণা করেছেন তার প্রশংসা করেন প্রধানমন্ত্রী মোদি। মুম্বই হামলার অভিযুক্তকে প্রত্যর্পণ করার জন্য মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থানের প্রশংসা করে ট্রাম্পকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন তিনি।

    তাহাউর রানাকে প্রত্যর্পণের সিদ্ধান্ত

    সম্প্রতি মার্কিন সুপ্রিম কোর্ট তাহাউর রানাকে ভারতের হাতে প্রত্যর্পণের সিদ্ধান্তে সিলমোহর দেয়। ভারত-মার্কিন (Trump Modi Meets) বন্দি প্রত্যর্পণ চুক্তি অনুযায়ী এই পদক্ষেপ করা হয়। এর আগে একাধিক ফেডারাল কোর্টে আইনি লড়াইতে হেরে গিয়েছিলেন রানা। গত বছরের ১৩ নভেম্বর মার্কিন সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হন তিনি। ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রেসিডেন্ট পদে শপথ নেওয়ার ঠিক পরের দিন অর্থাৎ গত ২১ জানুয়ারি রানার সেই আর্জি খারিজ হয়ে যায়। পাকিস্তানের নাগরিক তাহাউর রানা পেশায় ব্যবসায়ী বলেই জানা যায়। ২০০৮ সালে তাজ হোটেলে যে জঙ্গি হামলায় ১৬৪ জনের মৃত্যু হয়, সেই ঘটনায় জড়িত হিসেবে রানার নাম উঠে আসে। এবার সেই রানাকে ভারতে এনে জেরা করতে পারবেন গোয়েন্দারা। জানা গিয়েছে, রানাকে ভারতে ফিরিয়ে এনে জাতীয় তদন্ত সংস্থা (NIA), মুম্বই পুলিশ এবং অন্যান্য গোয়েন্দা সংস্থা জিজ্ঞাসাবাদ করবে। তাঁকে বিচারের মুখোমুখি হতে হবে এবং ২৬/১১ হামলায় ভূমিকার কথা মাথায় রেখে কড়া শাস্তির মুখে পড়বেন তিনি।

  • PM Modi: ‘‘মহাকাশ ও প্রযুক্তি নিয়ে ফলপ্রসূ আলোচনা’’, মাস্কের সঙ্গে বৈঠকের পর লিখলেন মোদি

    PM Modi: ‘‘মহাকাশ ও প্রযুক্তি নিয়ে ফলপ্রসূ আলোচনা’’, মাস্কের সঙ্গে বৈঠকের পর লিখলেন মোদি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মার্কিন সফরে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। তাঁর সঙ্গে বৈঠক হল টেসলার সিইও ইলন মাস্কের। এই বৈঠক ফলপ্রসূ হয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। এদিন প্রধানমন্ত্রী মোদির সঙ্গে সপরিবারে দেখা করেন মাস্ক। তাঁর স্ত্রী ও তিন সন্তানও হাজির ছিল। দীর্ঘক্ষণ ধরে কথা হয় দু’জনের। সূত্রের খবর, বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে আলোচনা সম্পন্ন হয়েছে মাস্ক-মোদি বৈঠকে। ভারতে ‘স্টারলিংক’-এর ব্যবসা শুরু করার বিষয়েও আলোচনা সম্পন্ন হয়েছে হয়েছে বলে জানা যাচ্ছে। জানা গিয়েছে, স্টারলিংক শীঘ্রই ভারতে তাদের ব্রডব্যান্ড পরিষেবা চালু করতে পারে। বৈঠকের পরে মোদি এক্স মাধ্যমে পোস্ট করেন। সেখানে তিনি জানিয়েছেন, মহাকাশ ও প্রযুক্তি নিয়ে ফলপ্রসূ আলোচনা হয়েছে।

    ব্লেয়ার হাউসে সম্পন্ন হয় বৈঠক

    গতকাল বৃহস্পতিবার, টেসলার সিইও ও স্পেস এক্স-এর মালিক, ইলন মাস্ক প্রধানমন্ত্রী মোদির সঙ্গে দেখা করতে ব্লেয়ার হাউসে পৌঁছন। মাস্ক ও মোদির এই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর, জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত ডোভাল সহ অন্যান্য আধিকারিকরাও। প্রায় ৫৫ মিনিট ধরে এই বৈঠক সম্পন্ন হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। বৈঠক যে ভালো হয়েছে, সে কথা উল্লেখ করেছেন দুজনেই। প্রসঙ্গত, এদিন মার্কিন জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা মাইকেল ওয়াল্টসের সঙ্গেও দেখা করেছেন প্রধানমন্ত্রী মোদি। সেই বৈঠক ফলপ্রসূ হয়েছে বলে এক্স মাধ্যমে জানিয়েছেন মোদি (PM Modi)। আলোচনা হয়েছে প্রতিরক্ষা, প্রযুক্তি এবং নিরাপত্তা সম্পর্কিত বিষয়ে।

    বৈঠক নিয়ে কী লিখলেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী (PM Modi)?

    প্রসঙ্গত, অনেকদিন ধরেই মাস্কের (Elon Musk) সংস্থা স্টারলিংক ভারতে প্রবেশ করার চেষ্টা করছে। ওই সংস্থার লাইসেন্স অ্যাপ্লিকেশন খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলেও জানা গিয়েছে। প্রসঙ্গত, স্টারলিংক হল স্পেস এক্স-এর অধীন একটি টেলিকম সংস্থা। বিশ্বের অন্তত ১০০টি দেশে এই সংস্থা পরিষেবা দেয়। মাস্কের সঙ্গে বৈঠকের কথা এক্স মাধ্যমে উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী। মোদি (PM Modi) লেখেন, ‘‘ওয়াশিংটনে এলন মাস্কের সঙ্গে অত্যন্ত চমৎকার একটি বৈঠক হয়েছে। নানা বিষয়ে কথা হয়েছে আমাদের। এর মধ্যে যেগুলি সম্পর্কে ওঁর প্যাশন রয়েছে, যেমন মহাকাশ, প্রযুক্তি, আবিষ্কার। আমি কথা বললাম ‘ন্যূনতম সরকার, সর্বোচ্চ শাসন’ প্রতিষ্ঠায় ভারতের প্রচেষ্টা সম্পর্কে।’’

  • Modi Trump Meeting: আজই বৈঠকে মোদি-ট্রাম্প, আলোচনায় উঠতে পারে কোন কোন প্রসঙ্গ?

    Modi Trump Meeting: আজই বৈঠকে মোদি-ট্রাম্প, আলোচনায় উঠতে পারে কোন কোন প্রসঙ্গ?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফ্রান্স সফর শেষ করে আমেরিকা পৌঁছেছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। বৃহস্পতিবারই তিনি বৈঠকে বসবেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে। বিমানবন্দরে মোদিকে স্বাগত জানান মার্কিন আধিকারিক ও আমেরিকায় নিযুক্ত ভারতের রাষ্ট্রদূত বিনয়মোহন কোয়াত্রা। দ্বিতীয়বার হোয়াইট হাউসে প্রবেশ করার পর এই প্রথম ট্রাম্পের সঙ্গে বৈঠক করতে চলেছেন মোদি (Modi Trump Meeting)। অনাবাসী ভারতীয়দের ফেরত পাঠানো এবং শুল্ক চাপানোর হুঁশিয়ারির মাঝে ট্রাম্পের সঙ্গে মোদির এই সাক্ষাৎ অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ।

    প্রধানমন্ত্রী মোদিকে স্বাগত

    দু’‌দিনের আমেরিকা সফরে ওয়াশিংটনের ব্লেয়ার হাউসে থাকবেন মোদি। এদিকে, মোদি ব্লেয়ার হাউসে যাচ্ছেন শুনে বহু অনাবাসী ভারতীয় সেখানে জড়ো হন। তাঁদের হাতে ধরা ছিল আমেরিকা এবং ভারতের পতাকা। মোদি তাঁদের সঙ্গে দেখা করেন। এদিকে, ওয়াশিংটনে পৌঁছেই আমেরিকার জাতীয় গোয়েন্দা সংস্থার ডিরেক্টর তুলসী গাবার্ডের সঙ্গে দেখা করেন মোদি।

    ট্রাম্প-মোদি বৈঠকে গুরুত্ব

    এদিন ট্রাম্প ও মোদির বৈঠকে (Modi Trump Meeting) বাণিজ্য, প্রতিরক্ষা, সুরক্ষা, প্রযুক্তিগত উন্নতি ও অংশীদারিত্ব নিয়ে আলোচনা হতে পারে। উঠে আসতে পারে বাংলাদেশ ইস্যুও। ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রেসিডেন্ট পদে ফেরার পরে নরেন্দ্র মোদির প্রথম ওয়াশিংটন সফরে আমেরিকা থেকে সি-১৩০ হারকিউলিস সামরিক পরিবহণ বিমান, পি-এআইটআই সামুদ্রিক নজরদারি বিমান কেনার চুক্তি করতে পারে দিল্লি। পরমাণু ক্ষেত্রে বিনিয়োগ নিয়েও আলোচনা হবে। জিই এবং ওয়েস্টিংহাউসসংস্থা থেকে পরমাণু চুল্লি কেনার বিষয়েও কথা হতে পারে। কূটনীতিকরা মনে করছেন, ট্রাম্প ক্ষমতায় আসার পরে মোদির প্রথম সফরে প্রতিরক্ষা চুক্তি নিয়ে নতুন ঘোষণা হতে পারে।

    সদর্থক বার্তা নিয়েই ওয়াশিংটনে মোদি

    দু’দেশের বৈঠকে এ বার মূলত শুল্ক, বাণিজ্য ও প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রই প্রধান বিষয় হয়ে উঠবে বলে কূটনীতিকরা মনে করছেন। প্রধানমন্ত্রীর এই সফরের আগে গত ১ ফেব্রুয়ারির বাজেটে মোদি (PM Modi) সরকার ২০টি আমেরিকা থেকে আমদানি করা পণ্যে শুল্ক কমিয়েছে। আমেরিকার সংস্থাগুলি যাতে ভারতের পরমাণু বিদ্যুৎ ক্ষেত্রে লগ্নি করতে পারে, তার জন্য পরমাণু দুর্ঘটনা দায়বদ্ধতা আইন সংশোধন করার ঘোষণা করা হয়েছে। ডোনাল্ড ট্রাম্প দ্বিতীয়বার আমেরিকার প্রেসিডেন্ট পদে বসার পরে এই দুই সদর্থক বার্তা নিয়েই ওয়াশিংটন পৌঁছচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী।

  • PM Modi: মার্কিন গোয়েন্দা প্রধান ‘বন্ধু’ তুলসী গাবার্ডের সঙ্গে সাক্ষাৎ মোদির

    PM Modi: মার্কিন গোয়েন্দা প্রধান ‘বন্ধু’ তুলসী গাবার্ডের সঙ্গে সাক্ষাৎ মোদির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আমেরিকার জাতীয় গোয়েন্দা প্রধান হয়েছেন তুলসী গাবার্ড (Tulsi Gabbard)। প্রসঙ্গত, আমেরিকার আইনসভায় মার্কিন কংগ্রেসের প্রথম হিন্দু সদস্যও ছিলেন তুলসি। সেসময় তিনি ভগবত গীতায় হাত রেখে শপথগ্রহণ করেছিলেন বলে জানা যায়। তুলসী ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (PM Modi) বন্ধু বলেই পরিচিত। ক্ষমতায় ফিরে গোয়েন্দা প্রধান হিসেবে তুলসীকে মনোনীত করেছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। আমেরিকা সফরে গিয়ে সেই তুলসীর সঙ্গে দেখা করে শুভেচ্ছা জানালেন প্রধানমন্ত্রী। এর পাশাপাশি দুজনের বৈঠকেই ভারত-আমেরিকার সম্পর্ক আরও মজবুত করার বার্তা দেওয়া হয়েছে। জানা যায়, প্রধানমন্ত্রী মোদির সঙ্গে তুলসীর পরিচয় বহুদিনের। আমেরিকায় অনুষ্ঠিত হাউডি মোদি অনুষ্ঠানের সময়ই ভারতের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ হয়েছিল তুলসীর। তুলসী এরপর থেকেই ‘হিন্দু জাতীয়তাবাদী’ হিসেবে বিশেষ পরিচিতি পান আমেরিকায়। এবার আমেরিকার গোয়েন্দা প্রধান হয়েই ‘বন্ধু’ মোদির সঙ্গে সাক্ষাৎ করলেন তুলসি।

    সাক্ষাৎ নিয়ে কী লিখলেন মোদি (PM Modi)?

    তুলসীর সঙ্গে সাক্ষাৎ নিয়ে এক্স হ্যান্ডেলে প্রধানমন্ত্রী (PM Modi) লেখেন, ‘‘আমেরিকার গোয়েন্দা বিভাগের ডিরেক্টর তুলসী গাবার্ডের সঙ্গে দেখা হল। এই গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব গ্রহণের জন্য তাঁকে অভিনন্দন। ওয়াশিংটন ডিসিতে আমরা আলোচনায় বসেছিলাম। ভারত-আমেরিকার মজবুত বন্ধুত্ব নিয়ে কথা হয়েছে আমাদের মধ্যে। আগামী দিনে যাতে এই বন্ধন আরও মজবুত হয় সেনিয়ে আমরা একমত হয়েছি। তুলসী সব সময়ই দুদেশের বন্ধুত্বের পক্ষেই কথা বলেছেন।’’

    এক সময়ে ডেমোক্র্যাটিক পার্টিতেই ছিলেন তুলসী

    জানা যায়, এক সময়ে ডেমোক্র্যাটিক পার্টিতেই ছিলেন তুলসী। ২০২০ সালে আমেরিকার প্রেসিডেন্ট পদের দৌড়ে সামিলও হয়েছিলেন তিনি। কিন্তু শেষ পর্যন্ত প্রতিযোগিতা থেকে ছিটকে যান। তার পর বাইডেন সরকার ও দলীয় সহকর্মীদের বিরুদ্ধে একাধিক গুরুতর অভিযোগ সামনে আনেন তিনি। বাইডেনের বিরুদ্ধে তাঁর অভিযোগ ছিল, বর্তমান সরকার প্রতিটি ইস্যুতে বর্ণ বিচার করে কাজ করে। শ্বেতাঙ্গ-বিরোধী প্রতিবাদ, বিক্ষোভকে ইন্ধন জোগায়। ডেমোক্র্যাটিক পার্টিকে ‘যুদ্ধবাজ ও বর্ণবিদ্বেষী’ বলেও তোপ দেগেছিলেন।

LinkedIn
Share