Tag: PM Modi

PM Modi

  • Ganga Expressway: মিরাট থেকে প্রয়াগরাজ মাত্র ৬ ঘণ্টায়, গঙ্গা এক্সপ্রেসওয়ের উদ্বোধন প্রধানমন্ত্রীর

    Ganga Expressway: মিরাট থেকে প্রয়াগরাজ মাত্র ৬ ঘণ্টায়, গঙ্গা এক্সপ্রেসওয়ের উদ্বোধন প্রধানমন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উত্তরপ্রদেশের যোগাযোগ ব্যবস্থায় এক নতুন দিগন্তের সূচনা হল। আজ, ২৯ এপ্রিল প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi) উদ্বোধন করলেন রাজ্যের উচ্চাভিলাষী প্রকল্প ‘গঙ্গা এক্সপ্রেসওয়ে’র (Ganga Expressway)। প্রায় ৩৬,২৩০ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত ৫৯৪ কিলোমিটার দীর্ঘ এই এক্সপ্রেসওয়েটি পশ্চিম উত্তরপ্রদেশের মিরাটকে পূর্বের প্রয়াগরাজের সঙ্গে সরাসরি যুক্ত করবে। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথও।

    অর্থনৈতিক ও সামাজিক প্রভাব (Ganga Expressway)

    উদ্বোধনী ভাষণে প্রধানমন্ত্রী (PM Modi) বলেন, “এই এক্সপ্রেসওয়েটি (Ganga Expressway) উত্তরপ্রদেশের অর্থনীতির মেরুদণ্ড হয়ে উঠবে। এটি কেবল একটি রাস্তা নয়,এটি একটি শিল্প করিডর হিসেবেও কাজ করবে। রাস্তার দুপাশে বড় বড় লজিস্টিক পার্ক এবং শিল্পাঞ্চল তৈরির পরিকল্পনাও রয়েছে, যা লাখ লাখ মানুষের কর্মসংস্থান নিশ্চিত করবে। বিশেষ করে কৃষকদের জন্য এটি একটি বড় আশীর্বাদ হয়ে আসবে। দ্রুত যোগাযোগ ব্যবস্থার ফলে চাষিরা তাদের ফসল কম সময়ে এবং কম খরচে বড় বাজারে পৌঁছে দিতে পারবেন। প্রয়াগরাজে তীর্থযাত্রীদের যাতায়াত আরও সহজ ও নিরাপদ হবে।”

    এক নজরে গঙ্গা এক্সপ্রেসওয়ে

    দ্রুত যাত্রা

    আগে মিরাট থেকে প্রয়াগরাজে পৌঁছতে যেখানে ১০ থেকে ১২ ঘণ্টা সময় লাগত, এখন এই এক্সপ্রেসওয়ের (Ganga Expressway) মাধ্যমে সেই দূরত্ব অতিক্রম করা যাবে মাত্র ৬ ঘণ্টায়।

    ১২টি জেলা সরাসরি যুক্ত

    নয়া এক্সপ্রেসওয়েটি (Ganga Expressway) মিরাট থেকে শুরু হয়ে হাপুড়, বুলন্দশহর, আমরোহা, সম্ভল, বদায়ু, শাহজাহানপুর, হারদোই, উন্নাও, রায়বেরেলি এবং প্রতাপগড় হয়ে প্রয়াগরাজে গিয়ে শেষ হয়েছে। এর ফলে উপকৃত হবে ৫১৯টিরও বেশি গ্রাম।

    যুদ্ধবিমানের রানওয়ে

    শাহজাহানপুরে একটি ৩.৫ কিলোমিটার দীর্ঘ জরুরি বিমান অবতরণ কেন্দ্র (Air Strip) তৈরি করা হয়েছে। জরুরি অবস্থায় বা যুদ্ধের সময় এখানে ভারতীয় বায়ুসেনার ফাইটার জেট অনায়াসেই ওঠানামা করতে পারবে।

    অত্যাধুনিক নিরাপত্তা

    এক্সপ্রেসওয়ের (Ganga Expressway) নিরাপত্তার জন্য প্রতি কিলোমিটারে সোলার-চালিত হাই-ডেফিনিশন এআই (AI) ক্যামেরা বসানো হয়েছে। মাল্টি-লেন ফ্রি-ফ্লো টোল সিস্টেমের কারণে যানবাহনকে টোল দেওয়ার জন্য সারিবদ্ধভাবে দাঁড়িয়ে থাকতে হবে না। গঙ্গা এক্সপ্রেসওয়ের (Ganga Expressway) উদ্বোধনের ফলে ভারতের মোট এক্সপ্রেসওয়ে নেটওয়ার্কের প্রায় ৬০ শতাংশই এখন উত্তরপ্রদেশের দখলে, যা রাজ্যটিকে দেশের অন্যতম আধুনিক পরিকাঠামো সমৃদ্ধ অঞ্চলে পরিণত করেছে। উত্তরপ্রদেশের উন্নয়ন এখন দেশজুড়ে পরিণত হয়েছে বিশেষ মডেলে।

  • Grok: ‘পরিবারতন্ত্র নয়, তথ্যই শেষ কথা’; এলন মাস্কের ‘গ্রক’ এআই-এর তথ্যে রাহুল গান্ধীর চেয়ে অনেক এগিয়ে প্রধানমন্ত্রী মোদি

    Grok: ‘পরিবারতন্ত্র নয়, তথ্যই শেষ কথা’; এলন মাস্কের ‘গ্রক’ এআই-এর তথ্যে রাহুল গান্ধীর চেয়ে অনেক এগিয়ে প্রধানমন্ত্রী মোদি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতের রাজনীতিতে পরিবারতন্ত্র বনাম কাজের নিরিখে শ্রেষ্ঠত্বের লড়াইয়ে এবার প্রবেশ করল কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই। এলন মাস্কের মালিকানাধীন মাইক্রোব্লগিং প্ল্যাটফর্ম ‘এক্স’ (সাবেক টুইটার)-এর নিজস্ব এআই চ্যাটবট ‘গ্রক’-এর (Grok) একটি উত্তর বর্তমানে সামাজিক মাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধীর মধ্যে তুলনামূলক এক প্রশ্নের উত্তরে মোদিকেই এগিয়ে রেখেছে গ্রকের তথ্য ভিত্তি।

    ঘটনাটি ঠিক কী (Grok)?

    সম্প্রতি একজন ব্যবহারকারী গ্রক-এর (Grok) কাছে জানতে চেয়েছিলেন যে, ভারতের প্রগতি এবং নেতৃত্বের ক্ষেত্রে নরেন্দ্র মোদি এবং রাহুল গান্ধীর মধ্যে কার অবদান বা গ্রহণযোগ্যতা বেশি? এর উত্তরে গ্রক (Grok) কোনও ব্যক্তিগত মতামত না দিয়ে বিভিন্ন ডেটা বা তথ্যের বিশ্লেষণ তুলে ধরেছে।

    Grok-এর বিশ্লেষণে যা উঠে এসেছে

    উন্নয়ন ও অর্থনীতি

    গ্রক (Grok) তার উত্তরে উল্লেখ করেছে যে, গত এক দশকে ভারতের পরিকাঠামোগত উন্নয়ন, ডিজিটাল ইন্ডিয়া অভিযান এবং অর্থনৈতিক সংস্কারের ক্ষেত্রে মোদি সরকারের সাফল্য পরিসংখ্যানগতভাবে প্রমাণিত।

    পরিবারতন্ত্র বনাম যোগ্যতা

    প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে যে, গ্রক (Grok) রাহুল গান্ধীকে ‘পরিবারতান্ত্রিক রাজনীতির’ (Dynastic Politics) উত্তরাধিকারী হিসেবে চিহ্নিত করার পাশাপাশি মোদিকে একজন ‘স্বনির্ভর’ এবং ‘ডেটা-নির্ভর’ নেতা হিসেবে তুলে ধরেছে।

    গ্রক-এর জনপ্রিয়তা ও জনমত

    সামাজিক মাধ্যমে সক্রিয়তা এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে সংযোগের নিরিখেও তথ্যের ভিত্তিতে মোদিকে অনেক বেশি রেটিং দিয়েছে এই এআই (AI)।

    রাজনৈতিক মহলে প্রতিক্রিয়া

    বিজেপি এই প্রতিবেদনটিকে তাদের প্রচারের হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করছে। গেরুয়া শিবিরের দাবি, যেখানে আধুনিক প্রযুক্তির নিরপেক্ষ ডেটাও মোদিকে শ্রেষ্ঠ বলছে, সেখানে বিরোধীদের পরিবারতন্ত্রের রাজনীতি অপ্রাসঙ্গিক হয়ে পড়েছে। অন্যদিকে, কংগ্রেসের পক্ষ থেকে এই ধরণের এআই (AI) মডেলের নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়েছে। তাদের দাবি, অ্যালগরিদম বা ডেটা অনেক সময় পক্ষপাতদুষ্ট হতে পারে।

    প্রযুক্তির যুগে রাজনীতির লড়াই আর কেবল জনসভায় সীমাবদ্ধ নেই, তা এখন এআই (AI)-এর ল্যাবেও পৌঁছে গেছে। এলন মাস্কের গ্রক (Grok) যেভাবে তথ্যের ওপর ভিত্তি করে প্রধানমন্ত্রী মোদির নেতৃত্বের প্রশংসা করেছে, তা আগামী নির্বাচনে এবং রাজনৈতিক বিতর্কে এক নতুন মাত্রা যোগ করল।

  • Raghav Chadha: আপ ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দিতে চলেছেন সাংসদ রাঘব চাড্ডা, সঙ্গে কারা?

    Raghav Chadha: আপ ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দিতে চলেছেন সাংসদ রাঘব চাড্ডা, সঙ্গে কারা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অরবিন্দ কেজরিওয়ালের নেতৃত্বাধীন আম আদমি পার্টি ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দিতে চলেছেন সাংসদ রাঘব চাড্ডা (Raghav Chadha)। রাজ্যসভায় ডেপুটি লিডারের পদ থেকে অপসারণকে কেন্দ্র করে আম আদমি পার্টির সঙ্গে প্রকাশ্যে বিরোধ বাঁধে রাঘবের। তার (PM Modi) পরেই শুক্রবার তিনি ঘোষণা করেন, পদ্মশিবিরে যাচ্ছেন তিনি।

    চাড্ডার বক্তব্য (Raghav Chadha)

    দিল্লিতে সন্দীপ পাঠক এবং অশোক মিত্তলের সঙ্গে এক সাংবাদিক সম্মেলনে বক্তব্য রাখতে গিয়ে চাড্ডা বলেন, “আপের রাজ্যসভার দুই-তৃতীয়াংশ সাংসদ সাংবিধানিক বিধান প্রয়োগ করে বিজেপির সঙ্গে একীভূত হওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি যে, রাজ্যসভায় আপের দুই-তৃতীয়াংশ সদস্য হিসেবে আমরা ভারতের সংবিধানের বিধান প্রয়োগ করে নিজেদের বিজেপির সঙ্গে একীভূত করছি।” সন্দীপ পাঠক এবং অশোক মিত্তলও আপ ছাড়ার কথা ঘোষণা করেন। তাঁরাও জানিয়ে দেন, বিজেপিতে যোগ দিচ্ছেন তাঁরা।

    মূল নীতি থেকে সরে গিয়েছে আপ

    নিজের সিদ্ধান্তের ব্যাখ্যা দিতে গিয়ে চাড্ডা বলেন, “যে দলটিকে আমি রক্ত-ঘামে গড়ে তুলেছিলাম, সেটি তার মূল নীতি থেকে সরে গিয়েছে। তিনি বলেন, যে দলে আমি আমার যৌবনের ১৫ বছর দিয়েছি, তা তার নীতি, মূল্যবোধ এবং মূল আদর্শ থেকে বিচ্যুত হয়েছে। এখন এই দল দেশবাসীর স্বার্থে কাজ না করে ব্যক্তিগত লাভের জন্য কাজ করছে… গত কয়েক বছর ধরে আমি অনুভব করছিলাম যে আমি ভুল দলে সঠিক মানুষ (PM Modi)। তাই আজ আমরা ঘোষণা করছি যে আমি আপ থেকে নিজেকে দূরে সরিয়ে জনতার কাছাকাছি যাচ্ছি (Raghav Chadha)।”

    চাড্ডা বলেন, “সংবিধান অনুযায়ী, একটি দলের মোট সাংসদের দুই-তৃতীয়াংশ অন্য দলে যোগ দিতে পারেন। আমরা আজ এই বিষয়ে রাজ্যসভার চেয়ারম্যান সিপি রাধাকৃষ্ণনের কাছে চিঠি জমা দিয়েছি এবং প্রয়োজনীয় সমস্ত নথিও দিয়েছি।” প্রবীণ এই নেতা বলেন, “আমি আপনাদের আসল কারণ বলছি কেন আমি দলীয় কার্যকলাপ থেকে দূরে সরে গিয়েছিলাম। আমি তাদের অপরাধের অংশ হতে চাইনি। আমি তাদের বন্ধুত্বের যোগ্য ছিলাম না, কারণ আমি তাদের অপরাধে অংশ নিইনি। আমাদের সামনে দুটি পথ ছিল—একটি হল রাজনীতি ছেড়ে দেওয়া এবং গত ১৫-১৬ বছরের জনসেবামূলক কাজ ত্যাগ করা, অথবা আমাদের শক্তি ও অভিজ্ঞতা দিয়ে ইতিবাচক রাজনীতি করা। তাই আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি যে রাজ্যসভায় আপের দুই-তৃতীয়াংশ সদস্য হিসেবে আমরা ভারতীয় সংবিধানের বিধান মেনে বিজেপিতে যোগ দেব (Raghav Chadha)।”

    চাড্ডা বলেন (Raghav Chadha), “রাজ্যসভায় আপের মোট ১০ জন সাংসদ রয়েছেন, এর মধ্যে দুই-তৃতীয়াংশেরও বেশি আমাদের সঙ্গে রয়েছেন। তাঁরা স্বাক্ষর করেছেন এবং আজ সকালে আমরা সেই স্বাক্ষরিত চিঠি ও নথি রাজ্যসভার চেয়ারম্যানের কাছে জমা দিয়েছি। এখানে উপস্থিত তিনজন ছাড়াও হরভজন সিং, রাজিন্দর গুপ্তা, বিক্রম সাহনি এবং স্বাতী মালিওয়াল আমাদের সঙ্গে আছেন।” প্রসঙ্গত, চলতি মাসের শুরুতে রাঘব ইনস্টাগ্রামে ‘ভয়েস রেজড, প্রাইস পেড’ শিরোনামে একটি ভিডিও শেয়ার করেন। সেখানে সংসদে বিভিন্ন বিষয় উত্থাপন করার তাঁর ক্লিপগুলোর সংকলন দেখানো হয়েছে। এটি তাঁর দলের সঙ্গে চলা বিরোধের মধ্যেই প্রকাশ করা হয়। পোস্টে তিনি বলেন, “যাঁরা আমার সংসদীয় কাজকর্ম নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন, তাঁদের প্রতি যথাযথ সম্মান রেখেই বলছি—আমার কাজই আমার হয়ে কথা বলবে (PM Modi)।”

    গত ২ এপ্রিল রাজ্যসভার ডেপুটি লিডার পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয় চাড্ডাকে। অভিযোগ, তিনি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও কেন্দ্রীয় সরকারের বিরুদ্ধে সংসদে জোরালোভাবে কথা বলা থেকে বিরত থাকছেন এবং তার বদলে ‘সফ্ট পিআরে’ যুক্ত হচ্ছেন। চাড্ডা এই অভিযোগগুলিকে ‘মিথ্যা’ বলে উড়িয়ে দেন। তিনি বলেন, “আমি সংসদে মানুষের সমস্যাগুলি তুলে ধরতেই যাই, অশান্তি সৃষ্টি করতে নয়।” প্রসঙ্গত, উচ্চকক্ষ থেকে ডেপুটি লিডার পদ থেকে অপসারণের পর থেকে চাড্ডা সোশ্যাল মিডিয়ায় একাধিক ভিডিও এবং পোস্ট শেয়ার করেছেন (Raghav Chadha)। সেখানে তিনি স্পষ্ট করে দিয়েছেন যে এই পদাবনতি তিনি চুপচাপ মেনে নেবেন না ((PM Modi))।

     

  • Assembly Election 2026: ‘গণতন্ত্রের উৎসবে সামিল হোন, বিপুল সংখ্যায় ভোট দিন’, বাংলার মহিলা ও যুবসমাজকে আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

    Assembly Election 2026: ‘গণতন্ত্রের উৎসবে সামিল হোন, বিপুল সংখ্যায় ভোট দিন’, বাংলার মহিলা ও যুবসমাজকে আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যের প্রথম দফার ভোটের (Assembly Election 2026) দিন বাংলার মহিলা ভোটারদের বিপুল সংখ্যায় ভোট দেওয়ার আহ্বান জানালেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। সেটাও আবার বাংলা ভাষায়। একই সঙ্গে ভোট দিতে এগিয়ে আসতে অনুরোধ জানালেন যুবসমাজকেও। আজ, বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল প্রথম দফায় ১৬ জেলার ১৫২ আসনে নির্বাচন। মোদি লিখলেন,‘সমস্ত নাগরিককে পূর্ণ উদ্যমে গণতন্ত্রের এই উৎসবে অংশগ্রহণ করার আহ্বান জানাই। বিশেষ ভাবে তরুণ বন্ধুদের এবং পশ্চিমবঙ্গের মহিলাদের বিপুল সংখ্যায় ভোট দেওয়ার অনুরোধ করছি।’

    ভোটকেন্দ্রে গিয়ে নিজের ভোটাধিকার প্রয়োগ করুন

    আজ প্রথম দফার ভোটের (Assembly Election 2026) দিনই রাজ্যে আসছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। দ্বিতীয় দফার নির্বাচনের প্রচারে কৃষ্ণনগর এবং মথুরাপুরে দু’টি জনসভা করার কথা নরেন্দ্র মোদির। তার পরে হাওড়ায় একটি রোড শো-ও করার কথাও রয়েছে প্রধানমন্ত্রীর। তার আগে ভোর হতেই বাংলার মানুষকে গণতন্ত্রের উৎসবে সামিল হতে আহ্বান জানিয়েছেন। ভোটকেন্দ্রে গিয়ে নিজের ভোটাধিকার প্রয়োগ করার জন্য প্রধানমন্ত্রী সকলকে উৎসাহিত করেছেন। এ দিন প্রথম দফার ভোটগ্রহণ শুরু হয়েছে সকাল ৭টায়। অতিরিক্ত গরমে বেলা বাড়ার আগেই ভোটের লাইনে দাঁড়িয়েছেন মানুষ। কমিশন সূত্রে জানা গিয়েছে, মোট ৪৪ হাজার ৩৭৬টি বুথ খোলা হয়েছে। প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন মোট ১,৪৭৮ জন প্রার্থী। এর মধ্যে মহিলা প্রার্থীর সংখ্যা ১৬৭ জন। নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, আয়তনের নিরিখে সবচেয়ে ছোট বিধানসভা কেন্দ্র হলো শিলিগুড়ি (৪১.৯ বর্গ কিলোমিটার)। সবচেয়ে বড় কালিম্পং। ভোটার সংখ্যার নিরিখে সবচেয়ে ছোট কেন্দ্র মুর্শিদাবাদের সামশেরগঞ্জ (১ লক্ষ ৬১ হাজার ভোটার) এবং সবচেয়ে বড় পশ্চিম মেদিনীপুরের দাসপুর (২ লক্ষ ৯৬ হাজারের বেশি ভোটার)। আজ পশ্চিমবঙ্গের পাশাপাশি বিধানসভা ভোট রয়েছে তামিলনাড়ুতেও। দক্ষিণের এই রাজ্যটিতে এক দফাতেই ভোট হচ্ছে। সে রাজ্যের ২৩৪ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ৪,০২৩ জন প্রার্থী।

    সুরক্ষিত বাংলা গড়তে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর আহ্বান

    পশ্চিমবঙ্গে ভোট (Assembly Election 2026) শুরু হতেই এক্স হ্যান্ডলে পোস্ট করেছেন অমিত শাহও (Amit Shah)। আজ বাংলায় প্রথম দফার ভোটগ্রহণ চলছে। এবারের নির্বাচন রাজ্যের বর্তমানের পাশাপাশি ভবিষ্যতের জন্যও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। একটি শক্তিশালী নেতৃত্বের সরকারই বাংলার ডেমোগ্রাফি পরিবর্তনকারী অনুপ্রবেশকারী, সিন্ডিকেট ও কাটমানি রাজ থেকে রাজ্যকে মুক্তি দিতে পারে। বাংলার মা ও বোনেদের জন্য একটি সুরক্ষিত বাংলা গড়তে উৎসাহের সঙ্গে ভোট দিতে আহ্বান অমিত শাহের। সকল ভোটার, বিশেষ করে যুবসমাজ, একটি সমৃদ্ধ ও উন্নত বাংলা গড়ার লক্ষ্যে ভোট দিয়ে, জলপান করতে অনুরোধ করেছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। জনসভা থেকে ঘোষণা করেছিলেন আগেই। সত্যি সত্যিই ২৭ এপ্রিল পর্যন্ত পশ্চিমবঙ্গেই থাকছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। প্রথম দফার ভোটে দলের ওয়ার রুমে থাকবেন তিনি। সল্টলেকে বিজেপির দফতরে বসেই নজর রাখবেন ভোটে।

  • Pahalgam Terror Attack: ‘সন্ত্রাসের সামনে মাথা নোয়াবে না ভারত’, পহেলগাঁও হামলার বর্ষপূর্তিতে কড়া বার্তা মোদির

    Pahalgam Terror Attack: ‘সন্ত্রাসের সামনে মাথা নোয়াবে না ভারত’, পহেলগাঁও হামলার বর্ষপূর্তিতে কড়া বার্তা মোদির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারত কখনওই কোনও ধরনের সন্ত্রাসের সামনে মাথা নত করবে না। সন্ত্রাসবাদীদের জঘন্য পরিকল্পনা কখনওই সফল হবে না। পহেলগাঁও সন্ত্রাসের বর্ষপূর্তিতে দেশবাসীকে বার্তা দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। পাকিস্তানের মদতপুষ্ট সন্ত্রাসবাদীদের হামলার নিহত পর্যটকদের স্মরণ করে বুধবার সমাজমাধ্যমে তিনি লিখেছেন, ‘‘গত বছর এই দিনে পহেলাগাঁওয়ে সন্ত্রাসবাদী হামলায় হারিয়ে যাওয়া নিরীহ প্রাণগুলিকে স্মরণ করছি। তাঁদের কখনওই ভোলা যাবে না। এই যন্ত্রণার সঙ্গে লড়াই করা শোকসন্তপ্ত পরিবারগুলির কথা ভাবছি, কী ভীষণ ক্ষতির সঙ্গে যুঝছেন তাঁরা।’’ বুধবার বৈসরণ উপত্যকার একাংশ-সহ জম্মু ও কাশ্মীরের ৩৯টি পর্যটনক্ষেত্র খুলে দেওয়া হয়েছে। পহেলগাঁও সন্ত্রাসের পর থেকে সেগুলি বন্ধ ছিল।

    শোক ও দৃঢ় সংকল্পে ঐক্যবদ্ধ

    নয় নয় করে এক বছর পার পহেলগাঁও হামলার। ২০২৫ সালে ২২ এপ্রিল জম্মু-কাশ্মীরের পহেলগাঁওয়ের বৈসরণ উপত্যকায় পাক সন্ত্রাসবাদীদের হামলায় ২৬ জন হিন্দু পর্যটক ও স্থানীয় বাসিন্দার মৃত্যু হয়েছিল। পহেলগাঁও হামলার পর ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে যুদ্ধ বেঁধেছিল, আড়াআড়ি দ্বিধাবিভক্ত হয়ে গিয়েছিল আন্তর্জাতিক মহলও। এতদিন পরও সেই দিনটি স্মরণ করে শিউড়ে ওঠেন সকলে। সেই প্রসঙ্গের উল্লেখ করে মোদি লিখেছেন, ‘‘একটি জাতি হিসেবে, আমরা শোক ও দৃঢ় সংকল্পে ঐক্যবদ্ধ। ভারত কোনও রকমের সন্ত্রাসের সামনে মাথা নোয়াবে না। জঙ্গিদের চক্রান্ত সফল হবে না কখনও।’’ একইসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে ভারতের ‘জিরো টলারেন্স’ নীতির কথা পুনরায় স্পষ্ট করেন।

    ৩৯টি পর্যটনক্ষেত্র খুলে দেওয়া হল

    অনন্তনাগ জেলার পহেলগাঁও শহর থেকে প্রায় ৭ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত এই সবুজ বিস্তীর্ণ তৃণভূমি বৈসরনে শুধু পায়ে হেঁটে বা ঘোড়ায় চড়ে পৌঁছোনো যায়। যাকে ভালবেসে ভ্রমণপিপাসুরা ‘মিনি সুই‌ৎজারল্যান্ড’ বলে থাকেন। গত বছর ২২ এপ্রিল সন্ত্রাসবাদী হামলার পরে উপত্যকার প্রায় ৫০টির বেশি পর্যটনস্থল বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল। ২০২৬ সালের মার্চে কড়া নিরাপত্তার ঘেরাটোপে টিউলিপ বাগান-সহ ১২টি পর্যটনস্থল খুলে দেওয়া হয়েছিল। বুধবার আরও ৩৯টি পর্যটনক্ষেত্র উন্মুক্ত করা হল ভ্রমণার্থীদের জন্য। পহেলগাঁও থেকে বৈসরণ উপত্যকাগামী হাঁটাপথে বুধবার কিছু পর্যটক গিয়েছিলেন। তাঁদের সুরক্ষার জন্য গোটা এলাকা জুড়ে নিরাপত্তা বেষ্টনী তৈরি করেছিল কেন্দ্রীয় আধাসেনা। চিহ্নিত এলাকার বাইরে পর্যটকদের যাওয়ার উপর ছিল কড়া বিধিনিষেধ।

    পাকিস্তানকে হুঁশিয়ারি ভারতীয় সেনার

    পহেলগাঁও হামলা এবং পরবর্তী সিঁদুর অভিযানকে স্মরণ করে মঙ্গলবার এক্স হ্যান্ডেলে পোস্ট করেছিল ভারতীয় সেনা। সেনার পোস্টে প্রতিবেশী দেশকে মনে করিয়ে দেওয়া হয়— কিছু সীমা কখনওই লঙ্ঘন করা উচিত নয়। তার পরিণতি হয় ভয়ানক। পহেলগাঁওয়ের বর্ষপূর্তিতে পাকিস্তানের নাম না করেই সেনার তরফে দেওয়া হয় কঠোর বার্তা। এদিন এক্স হ্যান্ডেলে একটি কার্ড পোস্ট করেছে ভারতীয় সেনা। সেখানে লেখা হয়েছে— “কিছু সীমা লঙ্ঘন করা উচিত নয়।” তার ঠিক নিচেই লেখা, “ভারত কখনও ভুলবে না।” এইসঙ্গে পোস্টের ক্য়াপশানে লেখা হয়েছে— “যখন মানবতার সীমা লঙ্ঘন করা হয়, তার পরিণতি হয় ভয়ানক। তাই কিছু সীমা কখনওই লঙ্ঘন করা উচিত নয়। বিচার অবশ্যই পাওয়া যায়। ভারত ঐক্যবদ্ধ।”

    সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের প্রতীক

    পহেলগাঁও হামলায় নিহতদের স্মরণে লিডার নদীর তীরে কালো মার্বেল দিয়ে একটি স্মৃতিসৌধ তৈরি করা হয়েছে। সেই স্মৃতিসৌধে হামলায় নিহতদের নাম খোদাই করা রয়েছে। বুধবার স্থানীয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে একটি বিশেষ শ্রদ্ধার্ঘ্য সভার আয়োজন করা হয়। পর্যটকরাও নিহতদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়েছেন সেখানে। হামলার বার্ষিকী উপলক্ষে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে সর্বত্র। লিডার নদীর তীরে দাঁড়িয়ে থাকা এই স্মৃতিস্তম্ভ আজ দেশের কাছে এক বেদনাদায়ক স্মৃতি এবং একই সঙ্গে সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের প্রতীক।

    ভারতীয় সেনার হামলায় বিপর্যস্ত জঙ্গিরা

    ২০২৫ সালে ২২ এপ্রিল পহেলগাঁওয়ের বৈসরণ উপত্যকায় পাক মদতপুষ্ট জঙ্গিরা হামলা চালায়। ধর্ম জিজ্ঞেস করে করে পর্যটকদের খুন করা হয়েছিল পয়েন্ট ব্ল্যাঙ্ক রেঞ্জ থেকে। এই হামলায় ২৬ জন নিহত হয়েছিলেন। এর মধ্যে ২৫ জন পর্যটক। একজন স্থানীয় ব্যবসায়ী টাট্টুঘোড়াওলা। এই হামলার জবাবে সিঁদুর অভিযানে চালায় ভারতীয় সেনা। পাক ভূখণ্ডে ঢুকে জঙ্গিঘাঁটিগুলিকে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়। এর পরেই ভারত-পাক যুদ্ধ শুরু হয়। এই জঙ্গি হামলার জবাবে ভারত ৬ মে গভীর রাতে বাহাওয়ালপুর, মুরিদকে সহ পাকিস্তানের ৯টি জঙ্গি ঘাঁটি ধ্বংস করে দেয়। সেই অভিযানে প্রায় ১০০ জন জঙ্গিকে খতম করে ভারত। আর এরপর থেকেই পাকিস্তানের তরফ থেকে শেলিং শুরু হয় ভারতের ওপর। অপারেশন সিঁদুর পরবর্তী সময়ে পাকিস্তানের শেলিংয়ে ভারতের অন্তত ১৬ জন নাগরিকের মৃত্যু ঘটে। এরপর সংঘাত বাড়তে থাকে দুই দেশের। ১০ মে-র ভোররাতে এরপর ভারতীয় বায়ুসেনা হামলা চালিয়ে পাকিস্তানের ১১টি সামরিক ঘাঁটি অকেজো করে দেয়।

    অপারেশন মহাদেব

    হামলার পর ভারতীয় সেনা শুরু করে ‘অপারেশন মহাদেব’। দাচিগাম ও মহাদেব রিজ সংলগ্ন দুর্গম পার্বত্য এলাকায় টানা ৯৩ দিন ধরে তল্লাশি চালিয়ে প্রায় ৩০০ বর্গকিলোমিটার এলাকা খতিয়ে দেখা হয়। শেষ পর্যন্ত হামলার মূল তিন জঙ্গিকে খতম করতে সক্ষম হয় সেনা। ভারতীয় সেনা জানায়, “ভারতের বিরুদ্ধে যে কোনও হামলার জবাব নিশ্চিত। ন্যায়বিচার হবেই।” পহেলগাঁও হামলার পর ‘অপারেশন মহাদেব’ ও ‘অপারেশন সিঁদুর’—দুটি পদক্ষেপই দেখিয়েছে, সন্ত্রাসবাদ মোকাবিলায় ভারতের কৌশল স্পষ্ট, দ্রুত প্রতিক্রিয়া, নিখুঁত আঘাত এবং কোনওরকম আপস নয়। ভারত সরকার ও সেনার বার্তা স্পষ্ট,“ভারত ঐক্যবদ্ধ, মানবতার সীমা লঙ্ঘিত হলে জবাব হবে নির্ণায়ক।”

  • BJP: প্রধানমন্ত্রীকে ‘সন্ত্রাসবাদী’ আখ্যা! খাড়্গের বিরুদ্ধে খড়্গহস্ত বিজেপি, কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়ে কমিশনে চিঠি

    BJP: প্রধানমন্ত্রীকে ‘সন্ত্রাসবাদী’ আখ্যা! খাড়্গের বিরুদ্ধে খড়্গহস্ত বিজেপি, কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়ে কমিশনে চিঠি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নির্বাচন কমিশনকে চিঠি লিখে মল্লিকার্জুন খাড়্গের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানাল বিজেপি (BJP)। মঙ্গলবার এই দাবি জানানো হয় পদ্মশিবিরের তরফে। কারণ তিনি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে “সন্ত্রাসবাদী” আখ্যা দিয়েছিলেন। গৈরিক শিবিরের দাবি, কংগ্রেস নেতার এহেন মন্তব্য অত্যন্ত অবমাননাকর এবং আদর্শ আচরণ বিধি লঙ্ঘন।

    বিজেপির অভিযোগ (BJP)

    নির্বাচনী সংস্থার কাছে দায়ের করা অভিযোগে বিজেপি লিখেছে, “বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, মল্লিকার্জুন খাড়্গে একটি সম্মেলনে ভাষণ দেওয়ার সময় মাননীয় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে ‘তিনি একজন সন্ত্রাসবাদী’ বলে উল্লেখ করেছেন। এই মন্তব্যটি প্রিন্ট, টেলিভিশন এবং ডিজিটাল মাধ্যমে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়েছে, যা নির্বাচনী পরিবেশকে প্রভাবিত করতে পারে।”  বিজেপির যুক্তি, এই ধরনের মন্তব্য চরম ব্যক্তিগত আক্রমণ এবং এমসিসি অনুযায়ী নির্ধারিত প্রচারের শালীনতার মানদণ্ড লঙ্ঘন করে, যা বর্তমানে ভোটমুখী তামিলনাড়ুতে কার্যকর রয়েছে।

    প্রধানমন্ত্রীকে ‘সন্ত্রাসবাদী’ আক্রমণ

    এর আগেও খাড়গে একটি সাংবাদিক সম্মেলনে তামিলনাড়ুতে এআইএডিএমকে-বিজেপি জোটের সমালোচনা করতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী মোদিকে ‘সন্ত্রাসবাদী’ বলে মন্তব্য করে বিতর্কের সৃষ্টি করেছিলেন। যদিও পরে তিনি ব্যাখ্যা করেন, তিনি বলতে চেয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী মানুষ ও রাজনৈতিক দলগুলিকে ভীত করছেন। তিনি আক্ষরিক অর্থে তাঁকে সন্ত্রাসবাদী বলেননি (BJP)।

    ক্ষমা প্রার্থনার দাবি

    এরপরেই বিজেপি তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়ে পাঁচ দফা দাবি-সহ নির্বাচন কমিশনের কাছে আবেদন করে। পদ্ম-শিবির নির্বাচন কমিশনের কাছে অনুরোধ করেছে “এই মন্তব্য এমসিসি লঙ্ঘনের প্রাথমিক প্রমাণ হিসেবে বিবেচনা করে অবিলম্বে ব্যবস্থা নিতে” এবং খাড়গেকে “সর্বসমক্ষে ক্ষমা প্রার্থনা বা বক্তব্য প্রত্যাহার” করার নির্দেশ দিতে, নচেৎ তাঁর প্রচার কর্মসূচিতে নিষেধাজ্ঞা জারি করতে। বিজেপি ভারতীয় ন্যায় সংহিতার বিভিন্ন ধারা অনুযায়ী শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানায়। তাদের সাফ কথা, “একজন প্রতিদ্বন্দ্বী রাজনৈতিক নেতাকে ‘সন্ত্রাসবাদী’ বলা শুধু নীতিগত সমালোচনা নয়, এটি তাঁর ব্যক্তিগত চরিত্রের ওপর গুরুতর আঘাত।”

    কমিশনের কাছে বিজেপির অনুরোধ

    বিজেপির আরও অনুরোধ, নির্বাচন কমিশন যেন এই বিতর্কিত মন্তব্যের প্রচার অবিলম্বে বন্ধ করার নির্দেশ দেয় এবং মিডিয়া ও সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মগুলিকে এমন বিষয়বস্তু সরিয়ে নিতে বলে (BJP)। কমিশনের কাছে তাদের অনুরোধ, “নির্বাচনী প্রক্রিয়ার মর্যাদা রক্ষা এবং একটি মুক্ত, নিরপেক্ষ ও শান্তিপূর্ণ, বিষয়ভিত্তিক প্রচার নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে।” চিঠিতে বলা হয়েছে, “এই ধরনের বক্তব্য প্রচারের মান কমিয়ে দেয়, উত্তেজনা বাড়ায় এবং অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনকে দুর্বল করে।” পদ্ম শিবিরের আরও দাবি, “ভোটারদের সামনে কোনও রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বীকে অপরাধমূলক বা সন্ত্রাসবাদী হিসেবে উপস্থাপন করা ভয়, অপপ্রচার এবং ব্যক্তিগত অপমানের মাধ্যমে ভোটারদের সিদ্ধান্তকে প্রভাবিত করার চেষ্টা (BJP)।” এই অভিযোগটি তামিলনাড়ুতে নির্বাচনী প্রচার শেষ হওয়ার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই করা হয়েছে। যদিও কমিশনের তরফে এখনও কোনও প্রতিক্রিয়া মেলেনি।

  • Mohan Bhagwat: “সংস্কৃত ভাষা আমাদের ভারতকে বুঝতে সাহায্য করে”, বললেন ভাগবত

    Mohan Bhagwat: “সংস্কৃত ভাষা আমাদের ভারতকে বুঝতে সাহায্য করে”, বললেন ভাগবত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “সংস্কৃত (Sanskrit) ভাষা জানা আমাদের ভারতকে বুঝতে সাহায্য করে”, বললেন আরএসএসের সরসংঘচালক মোহন ভাগবত (Mohan Bhagwat)। আজ, ২০ এপ্রিল ২০২৬-এ ডিডিইউ মার্গে সংস্কৃত ভারতীর কার্যালয় ‘প্রণবে’র উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে কথাগুলি বলেন তিনি। ভাগবত বলেন, “‘প্রণব’ নামে নতুন কার্যালয়ের এই উদ্বোধন একটি শুভ মুহূর্তে হচ্ছে। এটি আমাদের সবার জন্য আনন্দ ও উৎসাহের বিষয়। বিশ্বাস করা হয় যে অক্ষয় তৃতীয়ায় শুরু করা যে কোনও কাজ স্থায়ী ও সফল হয়।”

    সংস্কৃত ভারতের প্রাণশক্তি (Mohan Bhagwat)

    তিনি বলেন, “সংস্কৃত ভারতের প্রাণশক্তি, কারণ চিন্তা, জীবন ও সংস্কৃতির প্রাচীনতম জীবন্ত ঐতিহ্য এখনও এর মাধ্যমে বিদ্যমান। ভারতের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য এমন এক ধারার প্রতিনিধিত্ব করে যা জীবিত ও জড়—সমগ্র বিশ্বব্রহ্মাণ্ডকে ধারণ করে। এই কর্তব্য পালন করতে হলে ভারতকে জানতে, গ্রহণ করতে এবং নিজেকে ভারতের অংশ হিসেবে গড়ে তুলতে হবে।” সমবেত শ্রোতাদের উদ্দেশে বক্তব্য রাখতে গিয়ে ভাগবত বলেন, “সংস্কৃত একটি ভাষা হলেও, এটি শুধু ভাষা নয়। আপনি যদি সংস্কৃত জানেন, তবে যে কোনও ভারতীয় ভাষা বোঝা সম্ভব। ভারতে সংস্কৃত জাতির আত্মা, কারণ এটি চিন্তা, জীবন ও সংস্কৃতির প্রাচীনতম ঐতিহ্য, যা আজও জীবন্ত (Sanskrit)।”

    ভারত একটি জীবন্ত ঐতিহ্য

    তিনি ভারতের দার্শনিক ধারণা ব্যাখ্যা করে বলেন, “ভারতের অস্তিত্ব শুধু ভৌগোলিক নয়, এটি কেবল রাজনৈতিক বা অর্থনৈতিক সত্তাও নয়। ভারত একটি জীবন্ত ঐতিহ্য, যার ওপর জীবনের ধারাবাহিকতা নির্ভর করে।” সরসংঘচালক বলেন, “শৈশবে স্কুলে সংস্কৃত শেখা কঠিন মনে হত। পাঠ্যক্রমে ‘শ্লোক’ মুখস্থ করতে হত, যা ভাষাটিকে কঠিন বলেই মনে করাত। কিন্তু বাড়িতে যখন সেই একই শ্লোক শুনতাম, তখন তা আর কঠিন বলে মনে হত না।” আরএসএস কর্তা বলেন, “আজও এই সমস্যাটি রয়ে গিয়েছে। শিক্ষার্থীরা সংস্কৃতকে কঠিন মনে করে। কিন্তু প্রশ্ন হল, কেন? বাস্তবে ভাষা শেখার সবচেয়ে সহজ ও কার্যকর উপায় হল কথোপকথন, বই নয় (Sanskrit)।”

    কথোপকথনই ভাষা শেখার সেরা উপায়

    তিনি বলেন, “কথোপকথনই ভাষা শেখার সেরা উপায়, ব্যাকরণ নয়। আমি যখন ভারতের বিভিন্ন স্থানে ভ্রমণ করি, স্থানীয় ভাষার সব শব্দ না জানলেও মূল ভাব বুঝতে পারি। নিয়মিত শোনা ও বলার মাধ্যমে ভাষা স্বাভাবিকভাবে শেখা যায়। তাই ভাষা শেখার সর্বোত্তম উপায় হল সেই ভাষাভাষীদের মধ্যে থাকা, তাদের কথা শোনা এবং নিজেও বলা (Mohan Bhagwat)।” সংস্কৃত ভারতীর প্রশংসা করে ভাগবত বলেন, “এই সংগঠন অল্প সময়ের মধ্যে সারা দেশে সংস্কৃতের প্রতি আগ্রহ বাড়াতে সক্ষম হয়েছে এবং কথোপকথন পদ্ধতিতে ভাষাটিকে জনপ্রিয় করেছে।” তিনি আরও বলেন, “গত ১৫ বছরে সমাজে সংস্কৃতের প্রতি দৃষ্টিভঙ্গির বড় পরিবর্তন দেখা গিয়েছে। পরিবর্তিত পরিস্থিতি মানুষকে তাদের সাংস্কৃতিক শেকড়ের সঙ্গে ফের যুক্ত করছে, ফলে সংস্কৃত শেখা ও বোঝার সুযোগ তৈরি করা গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।” তিনি বলেন, “নতুন কার্যালয় নির্মাণ অবশ্যই আনন্দের বিষয়। তবে মনে রাখতে হবে, কার্যালয় কাজের কারণ নয়, বরং কাজের বিস্তারের ফল।”

    সংস্কৃত সংরক্ষণ

    এই উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিও শুভেচ্ছা জানান। তিনি বলেন, “অক্ষয় তৃতীয়ার পবিত্র দিবসে ‘প্রণব’ নামে সংস্কৃত ভারতীর নতুন কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের উদ্বোধনের খবর জেনে আমি অত্যন্ত আনন্দিত। এটি ভারতের জ্ঞান, সংস্কৃতি ও আধ্যাত্মিকতার পুনর্জাগরণের একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ (Mohan Bhagwat)।” তিনি এও বলেন, “সংস্কৃত আমাদের প্রাচীন ও সমৃদ্ধ ঐতিহ্যের বাহক। এর মধ্যে বিজ্ঞান, দর্শন-সহ নানা জ্ঞানের ধারাবাহিক প্রবাহ রয়েছে, যা মানবতার পক্ষে আশীর্বাদস্বরূপ। সংস্কৃতের (Sanskrit) মহিমা অসীম।” প্রধানমন্ত্রী মনে করিয়ে দেন, গত ১১ বছরে সংস্কৃত সংরক্ষণ ও প্রচারে নানা উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে এবং নতুন শিক্ষা নীতিতে ভারতীয় ভাষার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

    সংস্কৃত ভবিষ্যতেরও ভাষা

    তিনি বলেন, “সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে আমি ‘সুভাষিত’ শেয়ার করে শাস্ত্রের জ্ঞান মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়ার চেষ্টা করছি। তরুণদের মধ্যে এ বিষয়ে আগ্রহ বাড়ছে। সংস্কৃত শুধু অতীতের ভাষা নয়, বর্তমান এবং ভবিষ্যতেরও ভাষা।” প্রধানমন্ত্রী বলেন, “ভাষার শিক্ষা ও প্রসারের মাধ্যমে ভারতের সাংস্কৃতিক (Sanskrit) আত্মা নতুন শক্তি লাভ করবে। সংস্কৃত ভারতীর সকল কর্মীদের নিষ্ঠা এবং সংস্কৃত ভাষার উন্নয়নে তাঁদের প্রচেষ্টা প্রশংসনীয় (Mohan Bhagwat)।” তাঁর আশা, ‘প্রণব’ কার্যালয়ের উদ্বোধন এই যাত্রায় একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হবে।

     

  • India South Korea: ভারতের সঙ্গে এআই-সহ ১৫টি ক্ষেত্রে চুক্তি স্বাক্ষর করল দক্ষিণ কোরিয়া

    India South Korea: ভারতের সঙ্গে এআই-সহ ১৫টি ক্ষেত্রে চুক্তি স্বাক্ষর করল দক্ষিণ কোরিয়া

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বর্তমানে ভারত সফরে রয়েছেন দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট লি জেই মাইয়াং (India South Korea)। সোমবার তিনি জানান, দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য ২০৩০ সালের মধ্যে ৫০ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে উন্নীত করার লক্ষ্যমাত্রা ধার্য করা হয়েছে। তিনি অর্থনৈতিক সম্পর্ক আরও জোরদার করার জন্য একটি রূপরেখাও তুলে ধরেন।

    ১৫টি চুক্তিতে স্বাক্ষর (India South Korea)

    ভারত ও দক্ষিণ কোরিয়া মোট ১৫টি চুক্তিতে স্বাক্ষর করেছে। বাণিজ্য, বিনিয়োগ, জাহাজ নির্মাণ এবং এআই (AI)-সহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতা বাড়ানোর লক্ষ্যেই স্বাক্ষরিত হয়েছে এই চুক্তিগুলি। অর্থনৈতিক সহযোগিতার জন্য মন্ত্রিস্তরের একটি শিল্প সহযোগিতা কমিটিও গঠন করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে যৌথ সংবাদ সম্মেলনে দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট বলেন, “বর্তমানে বার্ষিক ২৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের বাণিজ্যকে আমরা ২০৩০ সালের মধ্যে প্রায় ৫০ বিলিয়ন ডলারে নিয়ে যেতে চাই।” দুই দেশের মধ্যে ক্রমবর্ধমান সম্পর্কের ওপর জোর দিয়ে তিনি বলেন, “এখন এই বিশেষ কৌশলগত অংশীদারিত্ব নতুন এক দশকে প্রবেশ করছে।” দুই নেতা বিভিন্ন খাতে সহযোগিতা বাড়ানো এবং আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক বিষয় নিয়েও আলোচনা করেছেন।

    ভারত ‘গ্লোবাল সাউথে’র নেতা

    দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট ভারতকে ‘গ্লোবাল সাউথে’র নেতা হিসেবে বর্ণনা করেন (India South Korea)। “বিকশিত ভারত ২০৪৭” ভিশনের অধীনে দেশের দ্রুত উন্নয়নের প্রশংসাও করেন তিনি। অভ্যর্থনার জন্য ভারতকে কৃতজ্ঞতা জানিয়ে তিনি বলেন, “আমায় এবং আমার প্রতিনিধিদলকে যে উষ্ণ আতিথেয়তা দেওয়া হয়েছে, তার জন্য আমি আন্তরিক ধন্যবাদ জানাই (India South Korea)।” প্রেসিডেন্ট বলেন, “ভারত বিশ্বের বৃহত্তম গণতন্ত্র এবং দ্রুততম বর্ধনশীল অর্থনীতিগুলির একটি দেশ। আট বছর পর এই প্রথম রাষ্ট্রীয় সফরে আসতে পেরে আমি অত্যন্ত আনন্দিত।”

    প্রেসিডেন্টের বক্তব্য

    তিনি বলেন, “আমরা একটি শিল্প সহযোগিতা কমিটি গঠন করব, যা আমাদের দুই দেশের মধ্যে অর্থনৈতিক সহযোগিতার প্রথম মন্ত্রিস্তরের প্ল্যাটফর্ম হবে।” এই কমিটি বাণিজ্য, বিনিয়োগ এবং গুরুত্বপূর্ণ খাতে সম্পর্ক শক্তিশালী করার ওপর জোর দেবে (India South Korea)। প্রেসিডেন্ট লি এও বলেন, “আমরা গুরুত্বপূর্ণ খাত যেমন— গুরুত্বপূর্ণ খনিজ, পারমাণবিক শক্তি এবং ক্লিয়ার এনার্জিতে সহযোগিতা বাড়াব।” এই খাতগুলি দীর্ঘমেয়াদী অর্থনৈতিক নিরাপত্তা ও মজবুত উন্নয়নের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বিশ্বব্যাপী অনিশ্চয়তা, বিশেষ করে মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতির প্রেক্ষিতে জ্বালানি নিরাপত্তাও আলোচনায় গুরুত্ব পেয়েছে। তিনি বলেন, “আমরা জ্বালানি সম্পদ ও ন্যাফথার মতো গুরুত্বপূর্ণ পণ্যের সরবরাহ স্থিতিশীল রাখতে সহযোগিতা অব্যাহত রাখব।”

    প্রেসিডেন্ট বলেন, “আমরা সিইপিএ (CEPA) চুক্তি আপগ্রেড করার আলোচনা দ্রুত এগিয়ে নিয়ে যেতে রাজি হয়েছি, যাতে বাণিজ্য ও বিনিয়োগের জন্য আরও অনুকূল পরিবেশ তৈরি হয় (India South Korea)।” ছোট ও মাঝারি ব্যবসার সহায়তাও একটি গুরুত্বপূর্ণ (India South Korea) দিক। তিনি বলেন, “আমরা এসএমই খাতে সহযোগিতার জন্য এমওইউ সংশোধন করব।” বক্তৃতার একেবারে শেষে তিনি আবারও বলেন, “এই সব প্রচেষ্টার মাধ্যমে আমরা ২০৩০ সালের মধ্যে বাণিজ্য ৫০ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে উন্নীত করতে চাই (India South Korea)।”

     

  • Dinesh Trivedi: বাংলাদেশে ভারতের নয়া হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী! সিদ্ধান্ত মোদি সরকারের, কেন তাৎপর্যপূর্ণ?

    Dinesh Trivedi: বাংলাদেশে ভারতের নয়া হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী! সিদ্ধান্ত মোদি সরকারের, কেন তাৎপর্যপূর্ণ?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী তথা ব্যারাকপুরের সাংসদ বিজেপি নেতা দীনেশ ত্রিবেদীকে (Dinesh Trivedi) বাংলাদেশে (Bangladesh) পাঠানো হচ্ছে ভারতের হাইকমিশনার হিসেবে। দীর্ঘ সময় পর প্রতিবেশী দেশে এই প্রথম রাজনৈতিক নিয়োগ হিসেবে ত্রিবেদী দায়িত্ব নেবেন। তিনি পেশাদার কূটনীতিক প্রণয় ভার্মার স্থলাভিষিক্ত হচ্ছেন। প্রণয়কে পাঠানো হচ্ছে ব্রাসেলসে ইউরোপীয় ইউনিয়নে ভারতের রাষ্ট্রদূত হিসেবে। ঢাকার তারেক রহমান সরকারের কাছ থেকে ত্রিবেদীর জন্য সম্মতি চাওয়া হবে। বছর পঁচাত্তরের অভিজ্ঞ রাজনীতিবিদ ত্রিবেদীকে বাংলাদেশে পাঠানোর এই সিদ্ধান্ত বিদেশমন্ত্রকের কূটনীতিকদের জন্যও একটি বার্তা দেয়।

    ত্রিবেদীর অভিজ্ঞতা (Dinesh Trivedi)

    ইউপিএ আমলে ত্রিবেদী রেলমন্ত্রী এবং স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন। তখন তিনি তৃণমূল কংগ্রেসের সদস্য ছিলেন। ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২১ সালে তিনি তৃণমূল ছাড়েন, যোগ দেন বিজেপিতে। বস্তুত, ত্রিবেদীর এই নিয়োগ এমন একটা সময়ে হচ্ছে, যখন ভারত ও বাংলাদেশ মহঃ ইউনূস জমানার সঙ্কটের পর সম্পর্ক পুনর্গঠনের চেষ্টা করছে। শেখ হাসিনার অপসারণের পর সংঘটিত অভ্যুত্থানের প্রেক্ষাপটে, সেনাবাহিনী ও পুলিশ আন্দোলনকারীদের (Dinesh Trivedi) ওপর গুলি চালাতে অস্বীকার করেছিল।

    ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্ক

    মার্কিন সমর্থিত ইউনূসের সময় ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্কের অবনতি ঘটে। সংখ্যালঘুদের (হিন্দু-সহ আরও কয়েকটি ধর্ম) বিরুদ্ধে সাম্প্রদায়িক হিংসায় লাগাম টানতে ব্যর্থ হয় তাঁর সরকার। দীনেশ ত্রিবেদীর নিয়োগ থেকে এটা স্পষ্ট যে, মোদি সরকার গুরুত্বপূর্ণ দেশগুলিতে রাজনৈতিক নেতাদের রাষ্ট্রদূত হিসেবে পাঠাতে আপত্তি করছে না, এবং এই গুরুত্বপূর্ণ পদগুলি আর শুধুমাত্র ভারতীয় বিদেশ পরিষেবার কর্তাদের জন্য সংরক্ষিত নয় (Bangladesh)। এর আগে প্রাক্তন সেনাপ্রধান দলবীর সিং সুহাগ ২০১৯ থেকে ২০২২ সাল পর্যন্ত সেশেলসে ভারতের হাইকমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন। ত্রিবেদীর ঢাকায় নিয়োগ এই ইঙ্গিত দেয় যে, ভারত এখন প্রতিবেশী দেশগুলিতে প্রভাবশালী ব্যক্তিত্বদের দূত হিসেবে পাঠাবে। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, এর ফলে অন্তত ভারতীয় উপমহাদেশে শুধু ভালো সময়ের রাষ্ট্রদূত পাঠানোর যুগ শেষ হয়ে এসেছে (Dinesh Trivedi)।

  • PM Modi: “নারীদের স্বপ্ন-আকাঙ্ক্ষা চূর্ণ হয়েছে, ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে নারী শক্তি”, মহিলা সংরক্ষণ বিল পাস না হওয়ায় বিরোধীদের নিশানা প্রধানমন্ত্রীর

    PM Modi: “নারীদের স্বপ্ন-আকাঙ্ক্ষা চূর্ণ হয়েছে, ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে নারী শক্তি”, মহিলা সংরক্ষণ বিল পাস না হওয়ায় বিরোধীদের নিশানা প্রধানমন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “নারীদের স্বপ্ন ও আকাঙ্ক্ষা চূর্ণ হয়েছে, ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে নারী শক্তি (Womens Bill) ও দেশের অগ্রগতি—উভয়ই।” ১৮ এপ্রিল, শনিবার জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে কথাগুলি বললেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। সংসদে মহিলা সংরক্ষণ বিল পাস না হওয়ায় এদিন বিরোধী দলগুলিকে তীব্র আক্রমণ করেন তিনি। বিরোধীরা সংবিধান এবং মহিলাদের আকাঙ্ক্ষা—উভয়ের সঙ্গেই বিশ্বাসঘাতকতা করেছে বলেও তোপ দাগেন প্রধানমন্ত্রী।

    বিরোধীদের তোপ প্রধানমন্ত্রীর (PM Modi)

    অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়নের জন্য এই আইনকে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “এই বিলটি একবিংশ শতাব্দীর মহিলাদের জন্য ন্যায়বিচার ও ক্ষমতায়ন নিশ্চিত করার উদ্দেশ্যে আনা হয়েছিল।” প্রধানমন্ত্রী একে ‘সময়ের দাবি’ বলেও বর্ণনা করেন। তিনি এও বলেন, “ভারতের উন্নয়নের যাত্রায় নারীদের সমান অংশীদার করার জন্য এটি (বিলটি) একটি পরিষ্কার ও সৎ উদ্দেশ্যে নিয়ে আসা হয়েছিল।” লোকসভায় বিলটি পাশ না হওয়ায় হতাশা প্রকাশ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “দেশ দেখছে কীভাবে নারীদের স্বপ্ন ও আকাঙ্ক্ষা চূর্ণ হয়েছে, ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে নারী শক্তি ও দেশের অগ্রগতি—উভয়ই।” সংসদে বিরোধীদের প্রতিক্রিয়া জানানোরও সমালোচনা করেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, “তাঁরা যা করেছেন, তা শুধু ডেস্কে আঘাত করা নয়, বরং মহিলাদের আত্মসম্মানের ওপর আক্রমণ।”

    বিরোধীদের আসল চেহারা প্রকাশ

    কংগ্রেস, ডিএমকে, তৃণমূল কংগ্রেস এবং সমাজবাদী পার্টির মতো দলগুলিকে নিশানা করে প্রধানমন্ত্রী তাদের সংবিধান ও নারী ক্ষমতায়নের বিরোধী বলে অভিহিত করেন। তাঁর অভিযোগ, তারা (বিরোধীরা) ঐতিহাসিকভাবে নারীদের সংরক্ষণ আনার প্রচেষ্টায় বাধা সৃষ্টি করেছে (PM Modi)। তিনি বলেন, “কংগ্রেস মহিলাদের সংরক্ষণের ধারণাকে ঘৃণা করে এবং সবসময় বাধা সৃষ্টি করেছে (Womens Bill)। বিরোধীরা দেশের সামনে তাদের আসল চেহারাও প্রকাশ করেছে।” প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, “আমি আশা করেছিলাম কংগ্রেস তাদের দীর্ঘদিনের ভুল সংশোধন করবে, মহিলাদের সমর্থনে দাঁড়াবে, কিন্তু তারা ইতিহাস গড়ার সুযোগ হারিয়েছে।” বিরোধীদের বিরুদ্ধে জনসাধারণকে বিভ্রান্ত করার অভিযোগ তুলে তিনি জানান, তাদের কাজ আবারও প্রমাণ করেছে যে তাদের রাজনৈতিক অগ্রাধিকার জাতীয় স্বার্থের ওপরে (PM Modi)।

     

LinkedIn
Share