Tag: PM Modi

PM Modi

  • PM Modi: সেশেলসের সর্বোচ্চ পরিবেশ সম্মান ‘গার্ডিয়ান অব দ্য ব্লু হরাইজন’ পেলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি

    PM Modi: সেশেলসের সর্বোচ্চ পরিবেশ সম্মান ‘গার্ডিয়ান অব দ্য ব্লু হরাইজন’ পেলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সেশেলসের সর্বোচ্চ পরিবেশ ও টেকসই উন্নয়নবিষয়ক সম্মান ‘গার্ডিয়ান অফ দ্য ব্লু হোরাইজনে’ (Guardian of the Blue Horizon) ভূষিত হলেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। সেশেলসে (Seychelles) তাঁর তিন দিনের রাষ্ট্রীয় সফরে গিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। সেখানেই দ্বীপরাষ্ট্রের তরফে এই সম্মান দেওয়া হয় তাঁকে। এই পুরস্কার ভারতের প্রধানমন্ত্রীর টেকসই উন্নয়ন, সবুজ অর্থনীতি, জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলা এবং সমুদ্রসম্পদের দায়িত্বশীল ব্যবহারে দীর্ঘদিনের অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ দেওয়া হয়েছে। সেশেলসের স্বাধীনতার ৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষে আয়োজিত জাতীয় দিবসের সুবর্ণজয়ন্তী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে যোগ দেন প্রধানমন্ত্রী। সেশেলসের প্রেসিডেন্ট প্যাট্রিক হারমিনির আমন্ত্রণে সে দেশে গিয়েছেন তিনি।

    মোদির নেতৃত্বের ভূয়সী প্রশংসা (PM Modi)

    সেশেলসের প্রেসিডেন্টের কার্যালয়ের প্রকাশিত আনুষ্ঠানিক শংসাপত্রে প্রধানমন্ত্রী মোদির টেকসই উন্নয়ন, জলবায়ু সহনশীলতা, ব্লু ইকোনমি এবং আন্তর্জাতিক সহযোগিতা জোরদারে তাঁর নেতৃত্বের ভূয়সী প্রশংসা করা হয়েছে। পাশাপাশি ক্ষুদ্র দ্বীপরাষ্ট্রগুলির (Small Island Developing States) উন্নয়ন-আকাঙ্ক্ষার প্রতি ভারতের সমর্থন এবং পরিবেশ সংরক্ষণ, উদ্ভাবন, টেকসই অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও সমুদ্রসম্পদের সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনায় তাঁর উদ্যোগের কথাও উল্লেখ করা হয়েছে। ভারত এবং সেশেলসের মধ্যে বন্ধুত্ব, পারস্পরিক শ্রদ্ধা এবং শান্তি-সমৃদ্ধির অভিন্ন অঙ্গীকার আরও দৃঢ় করার ক্ষেত্রে তাঁর অবদানেরও স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে।

    আরও একটি আন্তর্জাতিক সম্মান পেলেন মোদি

    এটি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (PM Modi) ঝুলিতে যুক্ত হওয়া আরও একটি আন্তর্জাতিক সম্মান। গত মে মাসে খাদ্য নিরাপত্তা, কৃষি সংস্কার এবং টেকসই কৃষি ব্যবস্থার উন্নয়নে অবদানের জন্য রাষ্ট্রসঙ্ঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থা (FAO) তাঁকে এগ্রিকোলা মেডেল (Agricola Medal) দেয়। ২০১৮ সালে তিনি সিওল পিস প্রাইজ (Seoul Peace Prize) পান। ওই বছরই রাষ্ট্রসঙ্ঘের সর্বোচ্চ পরিবেশ সম্মান চ্যাম্পিয়নস অফ দ্য আর্থ অ্যাওয়ার্ডে (Champions of the Earth Award) ভূষিত হন। প্রসঙ্গত, ২৭ থেকে ২৯ জুন পর্যন্ত চলা এই রাষ্ট্রীয় সফরে প্রধানমন্ত্রী ভারত ও সেশেলসের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও জোরদারের লক্ষ্যে একাধিক বৈঠক করছেন। বিশেষ করে ভারত মহাসাগরীয় অঞ্চলে সামুদ্রিক নিরাপত্তা ও সহযোগিতা এবং ভারতের ‘ভিশন সাগর’ (Vision SAGAR) উদ্যোগ এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার বিষয়টি (Seychelles) আলোচনার ফোকাসে রয়েছে।

    সেশেলসকে উপহার ভারতের প্রধানমন্ত্রীর

    চলতি সফরে প্রধানমন্ত্রী সেশেলসের প্রেসিডেন্টের হাতে ভারতের তৈরি অত্যাধুনিক ফাস্ট প্যাট্রোল ভেসেল পিএস লেপসওয়্যার (Fast Patrol Vessel PS Lespwar), ছ’টি ফোর্স অ্যাম্বুলেন্স, ১০টি ইউটিলিটি গাড়ি এবং পাঁচটি লেজার রেডিয়াল নৌকা তুলে দেন। এই উদ্যোগকে দুই দেশের ক্রমবর্ধমান কৌশলগত অংশীদারিত্বের প্রতীক হিসেবেই দেখা হচ্ছে। এদিকে, সেশেলসের স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উদ্‌যাপনে ভারতীয় সশস্ত্র বাহিনীর একটি কুচকাওয়াজ দল (Seychelles) এবং ভারতীয় নৌবাহিনীর দু’টি যুদ্ধজাহাজও অংশগ্রহণ করছে (PM Modi)।

     

  • PM Modi: সেশেলসে রাষ্ট্রীয় সফর শুরু প্রধানমন্ত্রীর, নিজে হাতে খাওয়ালেন ‘জোনাথন’কে

    PM Modi: সেশেলসে রাষ্ট্রীয় সফর শুরু প্রধানমন্ত্রীর, নিজে হাতে খাওয়ালেন ‘জোনাথন’কে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তিন দিনের রাষ্ট্রীয় সফরে শনিবার সেশেলসে পৌঁছেই একাধিক গুরুত্বপূর্ণ কর্মসূচিতে অংশ নিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। সেশেলসের (Seychelles) প্রেসিডেন্ট প্যাট্রিক হারমিনির সঙ্গে রাজধানী ভিক্টোরিয়ার ন্যাশনাল বোটানিক্যাল গার্ডেন পরিদর্শন করেন তিনি।

    ‘জোনাথন’কে খাওয়ালেন নিজে হাতে (PM Modi)

    সেখানে প্রধানমন্ত্রী বিশ্বের প্রবীণতম জীবিত স্থলচরপ্রাণী হিসেবে স্বীকৃত ১৯৪ বছর বয়সী বিশালাকার কচ্ছপ ‘জোনাথন’-সহ একাধিক দৈত্যাকার কচ্ছপকে নিজের হাতে খাবার খাওয়ান। এই মুহূর্তের ছবি এবং ভিডিও ইতিমধ্যেই ব্যাপক সাড়া ফেলেছে। বোটানিক্যাল গার্ডেন সফরে প্রধানমন্ত্রী মোদি এবং প্রেসিডেন্ট হারমিনি একটি স্মারক চারা গাছও রোপণ করেন। উদ্যানের আধিকারিকদের সঙ্গে কথা বলে সেখানকার বিরল উদ্ভিদ ও প্রাণিজগত সম্পর্কে বিস্তারিত খোঁজখবর নেন। শনিবার বিকেলে সেশেলসের রাজধানী ভিক্টোরিয়ায় পৌঁছন প্রধানমন্ত্রী। দ্বীপরাষ্ট্রটির স্বাধীনতার ৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষে আয়োজিত জাতীয় দিবসের সুবর্ণজয়ন্তী অনুষ্ঠানে তিনি প্রধান অতিথি হিসেবে যোগ দেবেন। প্রসঙ্গত, ১৯৭৬ সালে ব্রিটেনের কাছ থেকে স্বাধীনতা লাভ করেছিল সেশেলস। ভারত-সেশেলসের ঘনিষ্ঠ কূটনৈতিক সম্পর্কের নিদর্শন হিসেবে প্রেসিডেন্ট হারমিনি নিজে মন্ত্রিসভার সদস্য ও শীর্ষ আধিকারিকদের সঙ্গে বিমানবন্দরে উপস্থিত থেকে প্রধানমন্ত্রী মোদিকে স্বাগত জানান (PM Modi)।

    কী বললেন প্রধানমন্ত্রী

    বিমানবন্দরে মোদির অভ্যর্থনায় ছিল বর্ণাঢ্য সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। বিশেষ আকর্ষণ ছিল গুজরাটের কচ্ছ অঞ্চলের ঐতিহ্যবাহী নৃত্য পরিবেশনা। এই সাংস্কৃতিক উপস্থাপনার প্রশংসা করে এক্স হ্যান্ডেলে প্রধানমন্ত্রী লেখেন, “অসাধারণ সাংস্কৃতিক যোগসূত্র! সেশেলস বিমানবন্দরে কচ্ছের নৃত্য পরিবেশিত হয়েছে। ভারতের বিভিন্ন প্রান্তের সংস্কৃতিকে যেভাবে প্রবাসী ভারতীয়রা সংরক্ষণ ও উদ্‌যাপন করছেন, তা সত্যিই প্রশংসনীয়।” উষ্ণ অভ্যর্থনার জন্য প্রবাসী ভারতীয়দের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন (Seychelles) প্রধানমন্ত্রী। এক্স হ্যান্ডেলে লেখেন, “সেশেলসে পৌঁছেছি। বিমানবন্দরে প্রেসিডেন্ট ড. প্যাট্রিক হারমিনির আন্তরিক অভ্যর্থনার জন্য কৃতজ্ঞ। ভারত মহাসাগরীয় অঞ্চলে সেশেলস ভারতের এক গুরুত্বপূর্ণ সামুদ্রিক অংশীদার ও ঘনিষ্ঠ বন্ধু। এই সফরের মাধ্যমে দুই দেশের দীর্ঘদিনের সম্পর্ক আরও মজবুত হবে এবং পারস্পরিক সহযোগিতা নতুন (PM Modi) উচ্চতায় পৌঁছবে বলেই আশা করছি।” পরে প্রেসিডেন্ট হারমিনির সঙ্গে বোটানিক্যাল গার্ডেনে যাওয়ার পথে তোলা একটি (Seychelles) ছবি শেয়ার করে প্রধানমন্ত্রী লেখেন, “প্রেসিডেন্ট ড. প্যাট্রিক হারমিনির সঙ্গে সেশেলস ন্যাশনাল বোটানিক্যাল গার্ডেনের পথে (PM Modi)।”

     

  • PM Modi: মোদির সফরে নয়া মাত্রা পাবে ভারত-সেশেলস সম্পর্ক, পর্যটন-সামুদ্রিক নিরাপত্তায় একাধিক চুক্তির সম্ভাবনা

    PM Modi: মোদির সফরে নয়া মাত্রা পাবে ভারত-সেশেলস সম্পর্ক, পর্যটন-সামুদ্রিক নিরাপত্তায় একাধিক চুক্তির সম্ভাবনা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দু’দিনের রাষ্ট্রীয় সফরে পূর্ব আফ্রিকার দ্বীপরাষ্ট্র সেশেলসে গিয়েছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। তাঁর দুদিনের এই রাষ্ট্রীয় সফরকে ঘিরে আশাবাদী পূর্ব আফ্রিকার দ্বীপরাষ্ট্র সেশেলস। দেশটির বিদেশমন্ত্রী ব্যারি ফাউরে (Barry Faure) জানিয়েছেন, এই (Cyber Security Pacts) সফরের মাধ্যমে ভারত ও সেশেলসের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও শক্তিশালী হবে এবং পর্যটন, সামুদ্রিক নিরাপত্তা, মহাকাশ, সাইবার নিরাপত্তা ও আইনি সহযোগিতা-সহ একাধিক ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ চুক্তি স্বাক্ষরিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

    সেশেলসের বিদেশমন্ত্রীর বক্তব্য (PM Modi)

    ২৭ জুন থেকে ২৯ জুন পর্যন্ত সেশেলসে রাষ্ট্রীয় সফরে রয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। সেশেলসের প্রেসিডেন্ট প্যাট্রিক হারমিনির (Patrick Herminie) আমন্ত্রণে তিনি সে দেশের জাতীয় দিবসের সুবর্ণজয়ন্তী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে অংশ নিচ্ছেন। সংবাদ মাধ্যমে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ফাউরে বলেন, “বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ চুক্তি স্বাক্ষরিত হবে বলেই আশা। শুধু সামুদ্রিক নিরাপত্তাই নয়, মহাকাশ সহযোগিতা, সাইবার নিরাপত্তা এবং পারস্পরিক আইনি সাহায্যের মতো নতুন ক্ষেত্রেও দুই দেশের সহযোগিতা আরও সম্প্রসারিত হবে।” তিনি জানান, ভারত ও সেশেলসের মধ্যে বাণিজ্য এবং পর্যটনের ক্ষেত্রে বিপুল সম্ভাবনা রয়েছে। সেশেলসের প্রাকৃতিক সম্পদ ও রফতানি সক্ষমতা যেমন ভারতের জন্য গুরুত্বপূর্ণ, তেমনি ভারতের বিশাল পর্যটন বাজার ও ভোক্তা অর্থনীতিও সেশেলসের জন্য নয়া সুযোগ সৃষ্টি করতে পারে (PM Modi)।

    মোদির আন্তর্জাতিক গ্রহণযোগ্যতা

    পর্যটনকে সেশেলসের অর্থনীতির অন্যতম প্রধান ভিত্তি উল্লেখ করে ফাউরে জানান, দেশটির মোট ডিডিপির(GDP) প্রায় ৩০ শতাংশই পর্যটন শিল্প থেকে আসে। বর্তমানে ভারতের মুম্বই থেকে ইন্ডিগো এয়ারলাইন্স সপ্তাহে চারটি ফ্লাইট চালাচ্ছে। তবে ভবিষ্যতে দিল্লি-সহ ভারতের আরও বিভিন্ন শহর থেকে সরাসরি বিমান পরিষেবা চালুর বিষয়েও আলোচনা চলছে। তিনি বলেন, “প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির আন্তর্জাতিক গ্রহণযোগ্যতা ও প্রভাবের কারণে তাঁর এই সফর সেশেলসকে বিশ্ব পর্যটন মানচিত্রে আরও বেশি পরিচিত করে তুলবে। আমরা আশা করছি, ভারত থেকে পর্যটকের সংখ্যাও উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পাবে (PM Modi)।”

    বৈশ্বিক বাণিজ্য প্রতিযোগিতার অন্যতম কেন্দ্র

    সেশেলসের বিদেশমন্ত্রী জানান, দুই দেশের মধ্যে সরাসরি সমুদ্রপথে পণ্য পরিবহণ চালুর বিষয়েও আলোচনা শুরু হয়েছে। চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি মাসে প্রেসিডেন্ট প্যাট্রিক হারমিনির ভারত সফরের সময় এই উদ্যোগের সূচনা হয়েছিল। এই যোগাযোগ চালু হলে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য আরও সহজ ও গতিশীল হবে বলেই আশা সংশ্লিষ্টমহলের (Cyber Security Pacts)। ভারত মহাসাগরীয় অঞ্চলের বর্তমান কৌশলগত পরিস্থিতি নিয়ে মন্তব্য করতে গিয়ে ফাউরে জানান, এই অঞ্চল এখন বৈশ্বিক বাণিজ্য প্রতিযোগিতার অন্যতম কেন্দ্র হয়ে উঠেছে। প্রত্যাশিতভাবেই জলদস্যুদের উপদ্রব এবং আঞ্চলিক নিরাপত্তা ঝুঁকিও ক্রমশ বাড়ছে।

    জলদস্যুদের উপদ্রব

    তিনি বলেন, “অতীতে আমরা জলদস্যুদের উপদ্রবের জেরে ব্যাপক সমস্যার মুখোমুখি হয়েছি। এখনও হরমুজ প্রণালী, ওমান উপসাগর এবং আরব সাগরের বিভিন্ন ঘটনাবলি সরাসরি সেশেলসের অর্থনীতি ও নিরাপত্তার ওপর প্রভাব ফেলে। তাই ভারত-সেশেলসের মধ্যে সামুদ্রিক নিরাপত্তা সহযোগিতা আরও জোরদার হওয়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।” বিশ্লেষকদের মতে, প্রধানমন্ত্রীর এই সফর ভারত (PM Modi) মহাসাগরীয় অঞ্চলে ভারতের কৌশলগত উপস্থিতি আরও শক্তিশালী করবে। একই সঙ্গে বাণিজ্য, পর্যটন, সংযোগ ব্যবস্থা এবং (Cyber Security Pacts) সামুদ্রিক নিরাপত্তার মতো গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রে দুই দেশের অংশীদারিত্ব পৌঁছতে পারে নয়া উচ্চতায়।

     

  • Iran: খামেনেইর অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ায় যোগ দিতে প্রধানমন্ত্রী মোদিকে আমন্ত্রণ ইরানের প্রেসিডেন্টের

    Iran: খামেনেইর অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ায় যোগ দিতে প্রধানমন্ত্রী মোদিকে আমন্ত্রণ ইরানের প্রেসিডেন্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইরানের (Iran) প্রয়াত সর্বোচ্চ নেতা আয়াতোল্লাহ্ সৈয়দ আলি খামেনেইর রাষ্ট্রীয় অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া ও দাফন অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়ার জন্য ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে (PM Modi) আনুষ্ঠানিক আমন্ত্রণ জানালেন ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান। সংবাদ মাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, খামেনেইর অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া ও দাফনের অনুষ্ঠান প্রথমে মার্চ মাসে আয়োজনের পরিকল্পনা করা হয়েছিল। তবে ইরান-ইজরায়েল এবং আমেরিকাকে ঘিরে সাম্প্রতিক সংঘাতের কারণে সেই কর্মসূচি স্থগিত করা হয়। পরে ইরানি কর্তৃপক্ষ ৪ জুলাই থেকে ৯ জুলাই পর্যন্ত বিভিন্ন শহরে একাধিক অনুষ্ঠানের সূচি নির্ধারণ করে।

    খামেনেইর অন্ত্যেষ্টিতে আমন্ত্রণ ভারতের (Iran)

    অনুষ্ঠানের সূচনা হবে ৪ জুলাই তেহরানের গ্র্যান্ড মোসাল্লা কমপ্লেক্সে। সেখানে খামেনেইর মরদেহ জনসাধারণের শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য রাখা হবে। দেশজুড়ে লাখো মানুষের উপস্থিতিতে শোকানুষ্ঠান ও বিভিন্ন ধর্মীয় কর্মসূচি পালনের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। তেহরান এবং পবিত্র নগরী কোমে বিশাল শোকমিছিলের আয়োজন করা হয়েছে। পাশাপাশি ইরাকের নাজাফ ও কারবালা শহরেও বিশেষ দোয়া ও প্রার্থনার ব্যবস্থা করা হয়েছে। অনুষ্ঠানের শেষ পর্বে ৯ জুলাই উত্তর-পূর্ব ইরানের মাশহাদ শহরে ইমাম রেজা মাজারে খামেনেইকে দাফন দেওয়া হবে। মাশহাদই ছিল খামেনেইর জন্মস্থান। সপ্তাহব্যাপী এই শোকানুষ্ঠানে লক্ষাধিক নয়, বরং কয়েক মিলিয়ন মানুষ অংশ নেবেন বলে আশা ইরানি প্রশাসনের (Iran)।

    ভারত-ইরান সম্পর্ক

    প্রসঙ্গত, ভারত এবং ইরানের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরেই কূটনৈতিক যোগাযোগ ও সহযোগিতা বজায় রয়েছে। সাম্প্রতিক পশ্চিম এশিয়া সঙ্কটকালেও প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর একাধিকবার ইরানের শীর্ষ নেতৃত্বের সঙ্গে আলোচনা করেছেন। এর আগে ইরানের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানেও ভারতের প্রতিনিধিত্ব দেখা গিয়েছে। ২০২৪ সালে তৎকালীন প্রেসিডেন্ট ইব্রাহিম রাইসির অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ায় ভারতের প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দিয়েছিলেন প্রাক্তন উপরাষ্ট্রপতি জগদীপ ধনখড়। একই বছরে প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ানের শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী নিতিন গডকরি।

    সম্প্রতি ব্রিকসভুক্ত দেশগুলির বিদেশমন্ত্রীদের বৈঠকে যোগ দিতে ইরানের বিদেশমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি নয়াদিল্লি সফরে এসেছিলেন। ওই সফরে তিনি ভারতের বিদেশমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক করেন, সাক্ষাৎ করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গেও (Iran)। ইরানের এই (PM Modi) রাষ্ট্রীয় শোকের অনুষ্ঠানে ইরাক, পাকিস্তান, রাশিয়া, চিন-সহ একাধিক আঞ্চলিক দেশের প্রতিনিধিদল উপস্থিত থাকতে পারে বলেও খবর।

     

  • Shyama Prasad Mukherjee: শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের মৃত্যুবার্ষিকীতে শ্রদ্ধা প্রধানমন্ত্রীর, জনসঙ্ঘের প্রতিষ্ঠাতাকে স্মরণ বিজেপি নেতৃত্বের

    Shyama Prasad Mukherjee: শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের মৃত্যুবার্ষিকীতে শ্রদ্ধা প্রধানমন্ত্রীর, জনসঙ্ঘের প্রতিষ্ঠাতাকে স্মরণ বিজেপি নেতৃত্বের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতীয় জনসঙ্ঘের প্রতিষ্ঠাতা তথা বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ড. শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের (Shyama Prasad Mukherjee) মৃত্যুবার্ষিকীতে শ্রদ্ধা জানালেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি-সহ বিজেপির শীর্ষ নেতৃত্ব (PM Modi)। রবিবার ছিল তাঁর ৭৩তম মৃত্যুবার্ষিকী। সেই উপলক্ষে বিভিন্ন কর্মসূচির মাধ্যমে তাঁকে স্মরণ করেন পদ্ম নেতৃত্ব।

    শ্রদ্ধা প্রধানমন্ত্রীর (Shyama Prasad Mukherjee)

    এক্স হ্যান্ডেলে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি লেখেন, “দেশের মহান সন্তান, বিশিষ্ট চিন্তাবিদ এবং শিক্ষাবিদ ড. শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের শাহাদত দিবসে তাঁকে শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করছি। তিনি মাতৃভূমির সেবায় নিজের জীবন উৎসর্গ করেছিলেন। তাঁর গতিশীল ব্যক্তিত্ব দেশের প্রতিটি প্রজন্মকে অনুপ্রাণিত করে যাবে।”

    শাহি স্মরণে শ্যামাপ্রসাদ

    কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহও শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করে বলেন, “দেশের ঐক্য, অখণ্ডতা ও আত্মমর্যাদার জন্য তিনি আজীবন সংগ্রাম করেছেন।” তাঁর দাবি, ‘এক নিশান, এক বিধান, এক প্রধান’ স্লোগান তুলে জম্মু-কাশ্মীরকে ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের ভূমিকা ছিল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। পশ্চিমবঙ্গকে ভারতের অংশ হিসেবে ধরে রাখার লড়াইয়েও তাঁর অবদান উল্লেখযোগ্য। শাহ বলেন, “সংবিধান সভার সদস্য হিসেবে ভাষা ও সংস্কৃতি সংক্রান্ত একাধিক গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শ দিয়েছিলেন শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়। ভারতীয় জনসঙ্ঘ প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে তিনি দেশের মানুষের সামনে একটি বিকল্প রাজনৈতিক দর্শন তুলে ধরেছিলেন।”

    শ্রদ্ধা জানালেন নাড্ডাও

    শ্যামাপ্রসাদকে শ্রদ্ধা জানিয়েছেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডাও। দিল্লিতে দলের সদর দফতরে শ্যামাপ্রসাদের প্রতিকৃতিতে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ করেন তিনি। দলীয় কর্মীদের মধ্যে গাছের চারাও বিলি করেন নাড্ডা। তিনি বলেন, “সাংস্কৃতিক জাতীয়তাবাদ ও জাতীয় ঐক্যের স্থপতি ড. শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের ত্যাগ ও আদর্শ আগামিদিনেও দেশবাসীকে অনুপ্রাণিত করবে (Shyama Prasad Mukherjee)।”

    জনসঙ্ঘের প্রতিষ্ঠাতা

    প্রসঙ্গত, শ্যামাপ্রসাদ ছিলেন ভারতীয় জনসঙ্ঘের প্রতিষ্ঠাতা, যা পরবর্তীকালে বিজেপির আদর্শগত ভিত্তি হিসেবে পরিচিত হয়। স্বাধীনতার পর তিনি প্রধানমন্ত্রী জওহরলাল নেহরুর মন্ত্রিসভায় শিল্প ও সরবরাহ মন্ত্রীর দায়িত্বও পালন করেছিলেন। ১৯৫০ সালে দিল্লি চুক্তি নিয়ে মতবিরোধের জেরে মন্ত্রিসভা থেকে পদত্যাগ করেন তিনি। ১৯৫১ সালের ২১ অক্টোবর দিল্লিতে ভারতীয় জনসঙ্ঘ প্রতিষ্ঠা করেন তিনি। দলের প্রথম সভাপতি হন শ্যামাপ্রসাদই। ১৯৫৩ সালে (PM Modi) জম্মু-কাশ্মীর সফরে গিয়েছিলেন তিনি। ১১ মে গ্রেফতার করা হয় তাঁকে। বন্দি ছিলেন জেলে। সেখানেই ওই বছরেরই ২৩ জুন মৃত্যু হয় তাঁর। শ্যামাপ্রসাদের মৃত্যু নিয়ে আজও রাজনৈতিক মহলে নানা আলোচনা ও বিতর্ক রয়েছে (Shyama Prasad Mukherjee)।

     

  • PM Modi: “সামুদ্রিক শক্তি ছাড়া কোনও দেশ মহাশক্তিধর হতে পারে না”, বললেন প্রধানমন্ত্রী

    PM Modi: “সামুদ্রিক শক্তি ছাড়া কোনও দেশ মহাশক্তিধর হতে পারে না”, বললেন প্রধানমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “সমুদ্রভিত্তিক সক্ষমতা ছাড়া কোনও দেশ কখনও মহাশক্তিধর হয়ে উঠতে পারে না”, বললেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। তাঁর কথায়, “উন্নয়ন, নিরাপত্তা ও সমৃদ্ধি—এই তিনটি ক্ষেত্রই সমুদ্রের সঙ্গে অঙ্গাঙ্গিভাবে জড়িত (Maritime Co-operation)।” রবিবার কলকাতায় ভারতীয় নৌবাহিনীর জন্য নির্মিত তিনটি অত্যাধুনিক দেশীয় যুদ্ধজাহাজ—আইএনএস দুনাগিরি (INS Dunagiri), আইএনএস সংশোধক (INS Sanshodhak) এবং আইএনএস আগ্রয় (INS Agray)-এর কমিশনিং অনুষ্ঠানে এই মন্তব্য করেন তিনি।

    ভারতের দৃষ্টিতে সমুদ্র (PM Modi)

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, “ভারত বরাবরই সমুদ্রকে সহযোগিতার মাধ্যম হিসেবে দেখেছে। তবে শান্তি রক্ষা ও জাতীয় স্বার্থ সুরক্ষিত রাখতে শক্তিশালী প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাও সমানভাবে জরুরি।” তাঁর মতে, সমৃদ্ধির পূর্বশর্ত হল নিরাপত্তা এবং আত্মনির্ভরতা ভবিষ্যৎ গঠনের ভিত্তি। এই ভাবনার প্রতীক হিসেবেই তিনটি নতুন যুদ্ধজাহাজ ভারতীয় নৌবাহিনীতে অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। এর আগে কলকাতায় আন্তর্জাতিক যোগ দিবসের অনুষ্ঠানে অংশ নেন প্রধানমন্ত্রী। সেখান থেকে এসে যোগ দেন এই কমিশনিং অনুষ্ঠানে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, “পশ্চিমবঙ্গ ভারতের নবজাগরণ ও চিন্তাধারাকে নতুন দিশা দিয়েছে এবং সমুদ্রপথে ভারতকে বিশ্বের সঙ্গে যুক্ত করেছে।”

    বিশ্ব হাইড্রোগ্রাফি দিবস

    তিনি মনে করিয়ে দেন, ২১ জুন বিশ্ব হাইড্রোগ্রাফি দিবস হিসেবেও পালিত হয়। এমন দিনে ভারতের অন্যতম আধুনিক হাইড্রোগ্রাফিক জাহাজ আইএনএস সংশোধককে নৌবাহিনীতে অন্তর্ভুক্ত করা বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ। তিনি জানান, বর্তমানে বিশ্বের অধিকাংশ বাণিজ্য সমুদ্রপথেই হয়। আন্তর্জাতিক তথ্য আদান-প্রদানের গুরুত্বপূর্ণ ডেটা নেটওয়ার্কও সমুদ্রের তলদেশ দিয়ে বিস্তৃত। ভবিষ্যতে গুরুত্বপূর্ণ খনিজ, গভীর সমুদ্রের সম্পদ এবং নতুন শক্তির উৎসও সমুদ্রকেন্দ্রিক হবে। ফলে যে দেশ সমুদ্রশক্তিতে এগিয়ে থাকবে, তার অর্থনৈতিক ও কৌশলগত প্রভাবও তত বেশি হবে (PM Modi)।

    আত্মনির্ভর ভারতের পথে আরও একধাপ

    তিনি বলেন, “ভারত ইতিমধ্যেই নিজের নৌ-ক্ষমতা বৃদ্ধির পথে দ্রুত এগিয়ে চলেছে। আইএনএস বিক্রান্তকে দেশের উদ্দেশে উৎসর্গ করার মাধ্যমে ভারতের সামুদ্রিক শক্তির নয়া অধ্যায়ের সূচনা হয়েছিল। সেই যাত্রার ধারাবাহিকতায় আইএনএস আগ্রয়, আইএনএস দুনাগিরি এবং আইএনএস সংশোধক ভারতকে আরও আত্মনির্ভর এবং শক্তিশালী করে তুলবে।” জানা গিয়েছে (Maritime Co-operation), ভারতীয় নৌবাহিনীর যুদ্ধজাহাজ নকশা ব্যুরো এবং কলকাতার গার্ডেন রিচ শিপবিল্ডার্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ার্সের তৈরি এই তিন জাহাজ সমুদ্রযুদ্ধ, হাইড্রোগ্রাফিক সমীক্ষা এবং সাবমেরিন-বিরোধী অভিযানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। সংশ্লিষ্ট মহলের মতে, প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে দেশীয় প্রযুক্তি ও উৎপাদন ক্ষমতার কংক্রিট উদাহরণই হল এই তিন জাহাজ (PM Modi)।

     

  • PM Modi: আন্তর্জাতিক যোগ দিবসে ‘সুস্থ বার্ধক্যের’ বার্তা, যোগচর্চার মাধ্যমে মানব সম্ভাবনা ধরে রাখার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

    PM Modi: আন্তর্জাতিক যোগ দিবসে ‘সুস্থ বার্ধক্যের’ বার্তা, যোগচর্চার মাধ্যমে মানব সম্ভাবনা ধরে রাখার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২১ জুন, আন্তর্জাতিক যোগ দিবস (Yoga Day)। এই উপলক্ষে কলকাতার রেড রোডে অনুষ্ঠিত ১২তম আন্তর্জাতিক যোগ দিবসের মূল অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi) বলেন, যোগ শুধু শরীরচর্চা নয়, এটি মানুষের শারীরিক সক্ষমতা, মানসিক শক্তি এবং জীবনধারাজনিত রোগের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলার অন্যতম কার্যকর উপায়। তিনি বলেন, “বয়স বাড়লেও যেন মানুষের সম্ভাবনা ও কর্মক্ষমতা কমে না যায়, সেই লক্ষ্যেই যোগচর্চাকে জীবনের অংশ করে তুলতে হবে।”

    আন্তর্জাতিক যোগ দিবসে প্রধানমন্ত্রীর বার্তা (PM Modi)

    এবারের আন্তর্জাতিক যোগ দিবসের থিম ছিল ‘যোগা ফর হেল্দি এজিং’ (Yoga for Healthy Ageing) । এ প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী জানান, এই থিমকে শুধুমাত্র প্রবীণদের জন্য সীমাবদ্ধ ভাবা উচিত নয়। বরং সব বয়সের মানুষের জন্যই এটি আজীবন সুস্থতা ও স্বাস্থ্যের অনুপ্রেরণা হওয়া উচিত। তিনি বলেন, “আমাদের লক্ষ্য হওয়া উচিত ৪০ বছর বয়সে ২০ বছরের তুলনায় আরও বেশি নমনীয় হওয়া, ৫০ বছরে ৩০ বছরের তুলনায় আরও বেশি উদ্যমী থাকা এবং ৭০ বছরে ৫০ বছরের তুলনায় জীবনধারাজনিত রোগের বিরুদ্ধে আরও বেশি করে প্রতিরোধ গড়ে তোলা। এই লক্ষ্য পূরণে যোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে।” তিনি (PM Modi) এও বলেন, “নিয়মিত যোগচর্চা শরীরকে নমনীয় রাখে, শক্তির মাত্রা বাড়ায় এবং মানসিক চাপমুক্ত জীবনযাপনে সহায়তা করে। পাশাপাশি এটি মানুষকে নিজের শরীর ও মনের প্রতি আরও সচেতন হতে শেখায়, যা সুস্থ জীবনযাপনের ভিত তৈরি করে।”

    একতার বার্তা

    প্রধানমন্ত্রী মনে করিয়ে দেন, বর্তমানে যোগ বিশ্বজুড়ে মানুষের মধ্যে একতার বার্তা ছড়িয়ে দিচ্ছে। ভৌগোলিক সীমারেখা ও সাংস্কৃতিক পার্থক্য অতিক্রম করে যোগ আজ একটি বৈশ্বিক আন্দোলনে পরিণত হয়েছে। তিনি বলেন, “হিমালয় থেকে ভারত মহাসাগর, উত্তর-পূর্ব ভারত ও বাংলা থেকে সৌরাষ্ট্র—আজ গোটা দেশ যেন যোগের শক্তিতে উজ্জীবিত।” ২১ জুন বিশ্বের দীর্ঘতম দিনগুলির একটি হিসেবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, “আন্তর্জাতিক যোগ দিবসের কারণে এই দিনটি এখন বিশ্বের বৃহত্তম সম্মিলিত উদযাপনের দিনে পরিণত হয়েছে।” বিশ্ববাসীকে শুভেচ্ছা জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “যোগ মানুষের মধ্যে সংযোগ স্থাপন করে (Yoga Day), সবাইকে একসূত্রে বাঁধে। আন্তর্জাতিক যোগ দিবস উপলক্ষে আমি সমগ্র মানবজাতিকে আন্তরিক শুভেচ্ছা জানাই।”

    অনন্য আধ্যাত্মিক অভিজ্ঞতা

    পশ্চিমবঙ্গে যোগ দিবসের অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকতে পেরে নিজেকে সৌভাগ্যবান বলে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “এই রাজ্য শ্রীরামকৃষ্ণ পরমহংস, স্বামী বিবেকানন্দ এবং মহান যোগসাধক লাহিড়ী (শ্যামাচরণ লাহিড়ী) মহাশয়ের মতো আধ্যাত্মিক ব্যক্তিত্বদের স্মৃতিবিজড়িত। তাঁদের সাধনাভূমিতে সম্মিলিত যোগাভ্যাস এক অনন্য আধ্যাত্মিক অভিজ্ঞতা।” আন্তর্জাতিক যোগ দিবস উপলক্ষে পশ্চিমবঙ্গজুড়ে পরিচালিত পরিচ্ছন্নতা অভিযানেরও প্রশংসা করেন প্রধানমন্ত্রী (PM Modi)। বলেন, “আজ যোগ দিবসে পশ্চিমবঙ্গের মানুষের পরিচালিত পরিচ্ছন্নতা অভিযান সত্যিই প্রশংসনীয় এবং অনুকরণীয় উদ্যোগ।”

     

  • PM Modi: “পশ্চিমবঙ্গ ভারতে থেকে গিয়েছিল শ্যামাপ্রসাদের জন্যই”, তারকেশ্বরে বললেন প্রধানমন্ত্রী

    PM Modi: “পশ্চিমবঙ্গ ভারতে থেকে গিয়েছিল শ্যামাপ্রসাদের জন্যই”, তারকেশ্বরে বললেন প্রধানমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পশ্চিমবঙ্গ ভারতের অংশ হিসেবে থেকে যাওয়ার নেপথ্যে শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের ঐতিহাসিক ভূমিকার কথা মনে করিয়ে দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী (PM Modi)। শনিবার, ২০ জুন পশ্চিমবঙ্গ দিবস (Paschim Banga Divas) উপলক্ষে হুগলির তারকেশ্বরে আয়োজিত অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি দাবি করেন, ‘দেশভাগের সময় পশ্চিমবঙ্গকে পাকিস্তানের অন্তর্ভুক্ত করার ষড়যন্ত্র চলছিল। সেই পরিস্থিতিতে কংগ্রেস নেতৃত্ব হাল ছেড়ে দিলেও, শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় দৃঢ়ভাবে তার বিরোধিতা করেছিলেন, এবং পশ্চিমবঙ্গকে ভারতের সঙ্গে রাখার আন্দোলনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়েছিলেন।’ শনিবার বিকেলে তারকেশ্বরে পশ্চিমবঙ্গ দিবসের অনুষ্ঠানে পৌঁছন প্রধানমন্ত্রী। সভামঞ্চে তাঁকে ডোকরার দুর্গামূর্তি, তারকনাথের ছবি, রসগোল্লা এবং জলভরা সন্দেশ উপহার দিয়ে স্বাগত জানান রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন রাজ্যপাল আর এন রবিও।

    কী বললেন প্রধানমন্ত্রী? (PM Modi)

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, “২০ জুন পশ্চিমবঙ্গের ইতিহাসে এক স্মরণীয় দিন। ১৯৪৭ সালের এই দিনেই বাংলার প্রাদেশিক আইনসভায় পশ্চিমবঙ্গকে পৃথক করে ভারতের অন্তর্ভুক্ত করার প্রস্তাব গৃহীত হয়েছিল। সেই ঐতিহাসিক সিদ্ধান্তের নেপথ্যে শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের অবদান ছিল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।” এদিন সকালে কলকাতায় আসার আগে এক্স হ্যান্ডেলে প্রধানমন্ত্রী লিখেছিলেন, ‘‘পশ্চিমবঙ্গে আমার বোন ও ভাইদের জানাই আন্তরিক শুভেচ্ছা। এই রাজ্য সাহিত্য, সঙ্গীত, শিল্প, আধ্যাত্মিকতা, বিজ্ঞান, বাণিজ্য ও ব্যবসা, সমাজ সংস্কার এবং আরও অনেক বৈচিত্র্যময় ক্ষেত্রে তার অবদানের মাধ্যমে ভারতের ইতিহাসকে রূপদান করেছে। ভারতের জাতীয় চেতনাকে সমৃদ্ধ করেছে।’’ পশ্চিমবঙ্গ দিবসের গুরুত্ব বোঝাতে গিয়ে তিনি লিখেছিলেন, ‘‘পশ্চিমবঙ্গের ইতিহাসে ২০ জুন দিনটি অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। এই দিনেই নিশ্চিত করা হয়েছিল যে, পশ্চিমবঙ্গ ভারতের একটি অংশ হিসাবে থাকবে। এর নেপথ্যে শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের অমূল্য অবদান ছিল। ২০২৬ সালে আমরা তাঁর ১২৫তম জন্মজয়ন্তী পালন করছি (PM Modi)।’’

    পশ্চিমবঙ্গ দিবস

    প্রসঙ্গত, পশ্চিমবঙ্গ দিবস পালন নিয়ে অতীতে ঢের রাজনৈতিক বিতর্ক হয়েছে। তবে রাজ্যের প্রথম বিজেপি সরকার ২০ জুনকেই সরকারিভাবে পশ্চিমবঙ্গ দিবস হিসেবে পালন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। সেই উপলক্ষেই তারকেশ্বরে বিশেষ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছিল। এই অনুষ্ঠানেই শ্যামাপ্রসাদের অবদান স্মরণ করা হয় বিশেষভাবে। প্রধানমন্ত্রীর সফরকে ঘিরে তারকেশ্বরজুড়ে ছিল কড়া নিরাপত্তার ব্যবস্থা। সভাস্থল পশ্চিমবঙ্গের ঐতিহ্যের নানা প্রতীক দিয়ে সাজানো হয়েছিল (Paschim Banga Divas)। কলকাতার হলুদ ট্যাক্সি, হাতে টানা রিকশা, দক্ষিণেশ্বর মন্দির, বেলুড় মঠের প্রতিরূপের পাশাপাশি দেশ-বিদেশের নানা ফুল দিয়ে সাজানো হয়েছিল (PM Modi) মঞ্চ।

     

  • India-UK Free Trade: ১৫ জুলাই থেকে কার্যকর ভারত-ব্রিটেন মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি! ‘ঐতিহাসিক’ আখ্যা প্রধানমন্ত্রীর

    India-UK Free Trade: ১৫ জুলাই থেকে কার্যকর ভারত-ব্রিটেন মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি! ‘ঐতিহাসিক’ আখ্যা প্রধানমন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গত বছর ২৪ জুলাই সই হয়েছিল ভারত-ব্রিটেন অবাধ বাণিজ্য চুক্তি (FTA)। বুধবার এক বিবৃতিতে কেন্দ্রীয় বাণিজ্য মন্ত্রক জানাল, স্বাক্ষরিত হওয়ার এক বছরের মাথায় ১৫ জুলাই থেকে এই চুক্তি (India-UK Free Trade) কার্যকর হতে চলেছে। এর ফলে ‘কম্প্রিহেনসিভ ইকোনমিক অ্যান্ড ট্রেড এগ্রিমেন্ট’(CETA)-এর অধীনে দুই দেশে একে অপরের পণ্য কম বা বিনা শুল্কে রফতানির সুযোগ পাবে সংশ্লিষ্ট শিল্প। পাশাপাশি, ১৫ জুলাই থেকে দু’দেশের মধ্যে সামাজিক নিরাপত্তা সংক্রান্ত চুক্তিও (ডব্‌ল কন্ট্রিবিউশন কনভেনশন) কার্যকর হবে বলে জানানো হয়েছে। ব্রিটেনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে,চুক্তি কার্যকরের আগে ব্যবসায়ী ও শিল্পমহলকে প্রস্তুতির জন্য ২৮ দিনের সময় দেওয়া হল।

    ভারত-ব্রিটেন সম্পর্কের নতুন অধ্যায়

    দুই দেশের মধ্যে দীর্ঘদিনের আলোচনার পর চূড়ান্ত হওয়া এই চুক্তিকে ভারত-ব্রিটেন সম্পর্কের এক নতুন অধ্যায় হিসেবে দেখা হচ্ছে। বাণিজ্য, বিনিয়োগ এবং অর্থনৈতিক সহযোগিতা বৃদ্ধির ক্ষেত্রে এটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে বলে মনে করা হচ্ছে। ইউকে-এর দাবি, এই চুক্তির ফলে দীর্ঘমেয়াদে ব্রিটেনের জিডিপি প্রায় ৪.৮ বিলিয়ন পাউন্ড বৃদ্ধি পাবে, প্রকৃত মজুরি বাড়বে ২.২ বিলিয়ন পাউন্ড, এবং দুই দেশের দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য বছরে প্রায় ২৫.৫ বিলিয়ন পাউন্ড পর্যন্ত বৃদ্ধি পেতে পারে।

    চুক্তির আওতায় কী কী

    চুক্তির আওতায় ভারতের বাজারে ব্রিটিশ পণ্যের উপর শুল্ক উল্লেখযোগ্যভাবে কমানো হবে। এর মধ্যে স্কচ হুইস্কির উপর ১৫০ শতাংশ শুল্ক কমে ৪০ শতাংশে নামানো হবে। নির্দিষ্ট কোটার আওতায় গাড়ির উপর শুল্ক ১০০ শতাংশ থেকে ১০ শতাংশে নামানো হবে। প্রসাধনী সামগ্রীর উপর সর্বোচ্চ ২২ শতাংশ পর্যন্ত শুল্ক প্রত্যাহার করা হবে। অন্যদিকে, ভারতীয় বস্ত্র, জুতো, খাদ্যপণ্যসহ একাধিক পণ্যের উপর যুক্তরাজ্য শুল্ক কমাবে। ফলে ব্রিটিশ বাজারে ভারতীয় পণ্যের প্রতিযোগিতামূলক অবস্থান আরও শক্তিশালী হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

    ডাবল কনট্রিবিউশন কনভেনশন কী

    চুক্তিতে অন্তর্ভুক্ত ডাবল কনট্রিবিউশন কনভেনশন-এর মাধ্যমে দুই দেশের মধ্যে কর্মসূত্রে যাতায়াতকারী পেশাদারদের সামাজিক সুরক্ষা সংক্রান্ত অবদান ও পেনশন সুবিধা সহজতর হবে। বিশেষজ্ঞদের মতে, ১৫ জুলাই থেকে কার্যকর হতে চলা এই মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি শুধু দুই দেশের অর্থনীতিকেই শক্তিশালী করবে না, বরং কর্মসংস্থান বৃদ্ধি, বিনিয়োগ সম্প্রসারণ এবং দীর্ঘমেয়াদি কৌশলগত অংশীদারিত্বের ক্ষেত্রেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

    ‘ইউকে-ইন্ডিয়া রোডশো’

    যুক্তরাজ্যের ব্যবসা ও বাণিজ্যমন্ত্রী পিটার কাইল জানিয়েছেন, চুক্তি কার্যকরের প্রথম বছরেই প্রায় ৪০০ মিলিয়ন পাউন্ড মূল্যের শুল্ক হ্রাসের সুবিধা পাবেন ব্রিটিশ ব্যবসায়ীরা। একইসঙ্গে ভারতের বিশাল বাজারে প্রবেশের নতুন সুযোগ তৈরি হবে। এই উপলক্ষে যুক্তরাজ্যের চারটি অঞ্চলে ‘ইউকে-ইন্ডিয়া রোডশো’-ও আয়োজন করা হবে।

    ব্যবসা ও সাধারণ মানুষের জন্য সুবিধা

    এই চুক্তির ফলে উৎপাদন, প্রযুক্তি, পরিষেবা, ওষুধ শিল্প এবং আর্থিক পরিষেবা-সহ একাধিক ক্ষেত্রে অর্থনৈতিক সহযোগিতা আরও জোরদার হবে। এই মুক্ত বাণিজ্য চুক্তির ফলে দুই দেশের ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানগুলির জন্য বাণিজ্যিক বাধা কমবে এবং বিভিন্ন নিয়ন্ত্রক প্রক্রিয়া সহজ হবে। ফলে সীমান্ত পেরিয়ে ব্যবসা পরিচালনা আরও সহজ হবে। এছাড়া ধাপে ধাপে শুল্ক কমার ফলে দুই দেশের ভোক্তারাও আমদানি করা বিভিন্ন পণ্যে তুলনামূলক কম দাম পাওয়ার সুবিধা পেতে পারেন।

    ‘বিকশিত ভারত ২০৪৭’-এর লক্ষ্য পূরণে সহায়ক

    সামাজিক মাধ্যম ‘এক্স’-এ প্রধানমন্ত্রী মোদি এই চুক্তিকে “ভারত-যুক্তরাজ্য সম্পর্কের এক ঐতিহাসিক মাইলফলক” বলে উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, “ভারত-যুক্তরাজ্য সম্পর্কের জন্য এটি একটি ঐতিহাসিক মুহূর্ত। ১৫ জুলাই ২০২৬ থেকে ভারত-যুক্তরাজ্য কমপ্রিহেনসিভ ইকোনমিক অ্যান্ড ট্রেড অ্যাগ্রিমেন্ট কার্যকর হবে জেনে আমি আনন্দিত।”মোদির মতে, এই চুক্তির ফলে দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পাবে। পাশাপাশি ভারতীয় কৃষক, শ্রমিক, ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প (এমএসএমই), স্টার্টআপ এবং উদ্ভাবকদের জন্য নতুন সুযোগের দরজা খুলে যাবে। তিনি বলেন, “এই চুক্তি বিকশিত ভারত ২০৪৭-এর লক্ষ্যে পৌঁছানোর পথেও গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে।”প্রধানমন্ত্রী আরও জানান, এই বাণিজ্য চুক্তি নয়াদিল্লি ও লন্ডনের অর্থনৈতিক সম্পর্ককে নতুন গতি দেবে এবং দুই দেশের কৌশলগত অংশীদারিত্বকে আরও গভীর করবে।

    মোদি ও স্টারমার দ্বিপাক্ষিক বৈঠক

    জি-৭ সম্মেলনের ফাঁকে মোদি ও স্টারমারের দ্বিপাক্ষিক বৈঠকেও বাণিজ্য, বিনিয়োগ, প্রযুক্তি এবং কৌশলগত সহযোগিতা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। উভয় নেতা গত এক বছরে ভারত-যুক্তরাজ্য সম্পর্কের অগ্রগতিকে অত্যন্ত ইতিবাচক বলে উল্লেখ করেন। উল্লেখ্য, ব্রিটেন ২০২০ সালে ইউরোপীয় ইউনিয়ন ছেড়ে বেরিয়ে আসার পর এটিই হল কোনও দেশের সঙ্গে ব্রিটেনের সবচেয়ে বড় বাণিজ্যিক চুক্তি। যার পোশাকি নাম ‘কম্প্রিহেনসিভ ইকোনমিক অ্যান্ড ট্রেড এগ্রিমেন্ট’ (সিইটিএ)। বুধবার বাণিজ্য মন্ত্রক বিবৃতিতে বলেছে, “ভারত এবং ব্রিটেন আজ ঘোষণা করছে, আগামী ১৫ জুলাই থেকে সিইটিএ কার্যকর হবে। বিশ্ব অর্থনীতিতে এটি ভারতের একটি বড় পদক্ষেপ।”

    দু’দেশেরই অর্থনীতিতে গতি

    দিল্লিতে ব্রিটিশ হাই কমিশনার লিন্ডি ক্যামেরনও পৃথক ভাবে এই বাণিজ্যচুক্তির কথা ঘোষণা করেছেন বুধবার। দিনক্ষণ ঘোষণা করে তিনি সমাজমাধ্যমে লিখেছেন, “এ বার প্রহর গোনা শুরু! ব্রিটেন এবং ভারত আগামী ১৫ জুলাই থেকে মুক্ত বাণিজ্যচুক্তি কার্যকর করতে সম্মত হয়েছে।” এই পদক্ষেপকে দু’দেশের সম্পর্কের এক ‘ঐতিহাসিক মুহূর্ত’ বলে অভিহিত করেছেন ব্রিটিশ হাই কমিশনার। তাঁর মতে, এই চুক্তি কার্যকর হওয়ার ফলে দু’দেশেরই অর্থনীতিতে গতি আসবে। এই চুক্তির ফলে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য ৩,৪০০ কোটি ডলার বৃদ্ধি পাবে বলে আশাবাদী প্রধানমন্ত্রী মোদি।

  • Donald Trump: হামলার মুখে পড়লে ভারতের পাশে থাকার আশ্বাস ট্রাম্পের, মার্কিন প্রেসিডেন্টের হলটা কী?

    Donald Trump: হামলার মুখে পড়লে ভারতের পাশে থাকার আশ্বাস ট্রাম্পের, মার্কিন প্রেসিডেন্টের হলটা কী?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “ভারত যদি কখনও হামলার শিকার হয়, তাহলে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র তার পাশে দাঁড়াবে”, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (PM Modi) সঙ্গে বৈঠকের পর এমনই আশ্বাস দিলেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প (Donald Trump)। জি-৭ শীর্ষ সম্মেলনের ফাঁকে ভারতের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক করেন ৪৭তম মার্কিন প্রেসিডেন্ট। পরে করেন যৌথ সাংবাদিক সম্মেলন। সেখানেই ভারতের প্রতি দৃঢ় সমর্থনের বার্তা দেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। ট্রাম্পের এহেন বার্তা থেকেই স্পষ্ট, ভারত-মার্কিন সম্পর্কের বরফ ফের গলছে। আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশেষজ্ঞদের একাংশের মতে, সাম্প্রতিক কূটনৈতিক টানাপোড়েনের আবহে ট্রাম্পের এই মন্তব্য ভারত-আমেরিকা সম্পর্ককে নতুন করে মজবুত করারই ইঙ্গিত।

    ভারতের পাশে থাকার বার্তা (Donald Trump)

    সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের উত্তরে ট্রাম্প জানান, ভারত ও আমেরিকা এই দুই দেশের মধ্যে কোনও আনুষ্ঠানিক প্রতিরক্ষা চুক্তি নেই। তা সত্ত্বেও ভারতের নিরাপত্তার প্রশ্নে আমেরিকা সাহায্য করতে প্রস্তুত। মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেন, “আমাদের মধ্যে কোনও প্রতিরক্ষা চুক্তি নেই। কিন্তু ভারত আক্রান্ত হলে আমরা অবশ্যই সাহায্য করতে এগিয়ে আসব।” তাঁর এই মন্তব্যকে ভারতের প্রতি মার্কিন প্রশাসনের অন্যতম শক্তিশালী প্রকাশ্য নিরাপত্তা আশ্বাস হিসেবেই দেখা হচ্ছে। ভারতের প্রধানমন্ত্রীর ভূয়সী প্রশংসাও করেন ট্রাম্প। তিনি জানান, মোদি বিশ্বের অন্যতম কঠিনতম নেতা এবং সবসময় ভারতের স্বার্থকেই অগ্রাধিকার দেন।

    ‘উনি দেবদূতের মতো’

    ট্রাম্পের (Donald Trump) কথায়, “উনি খুবই ভদ্র মানুষ। কিন্তু অত্যন্ত কঠোর এক নেতা, যিনি সব সময় নিজের দেশের মানুষের জন্য লড়াই করেন।” তিনি বলেন, “মোদি যেমন ধীরস্থির, শান্ত এবং একই সঙ্গে কঠোর…আমি কিন্তু ওরকম নই!” ‘দেখতে দেবদূতের মতো’ এই যৌথ সাংবাদিক সম্মেলনে ট্রাম্পের গলায় বারবার শোনা গিয়েছে মোদি-প্রশস্তি। কথা প্রসঙ্গে এক সময় রসিকতার সুরে মার্কিন প্রেসিডেন্ট জানান, মোদির শান্ত ও নম্র চেহারার আড়ালে লুকিয়ে রয়েছে অত্যন্ত দৃঢ় এক নেতৃত্বের গুণ।তিনি বলেন, “উনি (প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি) দেখতে খুবই ভালো। দেখতে দারুণ লাগে, যেন সাক্ষাৎ দেবদূত। তবে, প্রয়োজনে কড়া পদক্ষেপ করতে পিছপা হন না। কিন্তু এত সুন্দর দেখতে যে সবাই চমকে যান। এমন মানুষ খুব কমই দেখা যায়। উনি ভারতীয়দের যেমন ভালবাসেন, আমেরিকাকেও ভালবাসেন। হিউস্টনে ‘হাউডি মোদি’ অনুষ্ঠান হয়েছিল। কানায় কানায় পূর্ণ হয়ে গিয়েছিল স্টেডিয়াম। সুযোগ পেলে ভবিষ্যতে ফের ভারত সফরে যাব কখনও”।

    স্মৃতির সুখসাগরে ডুব ট্রাম্পের

    এর পরেই স্মৃতির সুখসাগরে ডুব দেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। তাঁর (Donald Trump) ভারত সফরের কথা স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে প্রেসিডেন্ট জানান, সেই সফরে লাখ লাখ মানুষের উপস্থিতিই প্রমাণ করে দিয়েছিল দুই নেতার ব্যক্তিগত সম্পর্কের গভীরতা (PM Modi)। আবারও একবার মোদির প্রশংসা করতে গিয়ে ট্রাম্প বলেন, “উনি বেশ কঠোর।…তবে, একবার মানুষটির দিকে তাকান। অত্যন্ত সুন্দর দেখতে।” ট্রাম্পের (Donald Trump) এই মন্তব্যে উপস্থিত সাংবাদিকদের মধ্যেও হাসির রোল পড়ে যায়।

    উষ্ণ বার্তা

    সম্প্রতি উপসাগরীয় অঞ্চলে মার্কিন সামরিক অভিযানে একটি বাণিজ্যিক জাহাজে হামলার ঘটনায় তিন ভারতীয় নাবিকের মৃত্যু হয়েছে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে ভারত এবং আমেরিকা দুই দেশের সম্পর্কে কিছুটা অস্বস্তিকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছিল। ভারত সরকার ওই ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করে এবং আন্তর্জাতিক জলপথে অসামরিক নৌযান ও নাবিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি জানায়। এই ঘটনার পর ভারতকে ট্রাম্পের প্রকাশ্য সমর্থন এবং বন্ধুত্বপূর্ণ বার্তা দুই দেশের কৌশলগত সম্পর্ককে আরও মজবুত করার চেষ্টা বলেই মত বিশ্লেষকদের।

    সহযোগিতা বাড়ানোর আলোচনা

    দুই দেশের শীর্ষ নেতার বৈঠকে প্রতিরক্ষা সহযোগিতা, প্রযুক্তি হস্তান্তর, সরবরাহ শৃঙ্খল, গুরুত্বপূর্ণ খনিজ সম্পদ, প্রতিরক্ষা উৎপাদন এবং উদীয়মান প্রযুক্তি নিয়ে বিস্তৃত আলোচনা হয়েছে বলেই খবর। এছাড়াও, ভারত-আমেরিকার মধ্যে একটি বৃহত্তর বাণিজ্য চুক্তি নিয়েও আলোচনা এগোচ্ছে বলে ইঙ্গিত দিয়েছেন ট্রাম্প (PM Modi)।

    হরমুজ প্রণালীর নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ

    এদিকে, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি পশ্চিম এশিয়ার সামুদ্রিক নিরাপত্তা নিয়ে ভারতের উদ্বেগের কথা জানিয়ে দেন। তিনি বলেন, “আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের স্বার্থে হরমুজ প্রণালী সবসময় নিরাপদ ও উন্মুক্ত রাখা জরুরি।” প্রধানমন্ত্রী জানান, বিশ্বের সামুদ্রিক খাতে কর্মরত নাবিকদের প্রায় ১০ শতাংশই (Donald Trump) ভারতীয় এবং তাঁদের নিরাপত্তা ভারতের কাছে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।

    আমেরিকায় ভারতের লগ্নিরও প্রশংসা

    ট্রাম্প ভারতের অর্থনৈতিক ভূমিকারও প্রশংসা করেন। তিনি জানান, প্রধানমন্ত্রী মোদির নেতৃত্বে ভারত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে বিপুল পরিমাণ বিনিয়োগ করছে, যা দুই দেশেরই অর্থনৈতিক সম্পর্ককে আরও শক্তিশালী করছে। তিনি বলেন, “প্রধানমন্ত্রী মোদি দীর্ঘদিনের বন্ধু। তাঁর সঙ্গে আবার দেখা হওয়া খুবই আনন্দের।”

    প্রসঙ্গত, ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারিতে হোয়াইট হাউসে দুই নেতার মধ্যে শেষ দ্বিপাক্ষিক বৈঠক (PM Modi) হয়েছিল। পরবর্তীকালে শুল্কনীতি ও ভারত-পাকিস্তান ইস্যুতে কিছু মতপার্থক্য তৈরি হলেও, সাম্প্রতিক এই বৈঠক দুই দেশের কৌশলগত অংশীদারিত্বকে (Donald Trump) আরও এগিয়ে নেওয়ারই বার্তা দিয়েছে বলেই ধারণা আন্তর্জাতিক মহলের।

     

LinkedIn
Share