Tag: PM Modi

PM Modi

  • Modi At G7: জি৭-এর মঞ্চে ট্রাম্প-মাক্রঁর সঙ্গে প্রথম সারিতে মোদি, বিশ্ব রাজনীতিতে ভারতের উত্থানের স্পষ্ট বার্তা

    Modi At G7: জি৭-এর মঞ্চে ট্রাম্প-মাক্রঁর সঙ্গে প্রথম সারিতে মোদি, বিশ্ব রাজনীতিতে ভারতের উত্থানের স্পষ্ট বার্তা

    সুশান্ত দাস 

    ফ্রান্সের এভিয়ঁ-লে-ব্যাঁ (সংক্ষেপে এভিয়ঁ) শহরে অনুষ্ঠিত জি৭ শীর্ষ সম্মেলনে বিশ্বের প্রভাবশালী নেতাদের সঙ্গে এক মঞ্চে দেখা গেল ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে। সম্মেলনের আনুষ্ঠানিক ‘লিডার্স ফটোগ্রাফ’-এ মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল মাক্রঁর পাশে প্রথম সারিতে মোদির উপস্থিতি আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক মহলে বিশেষ তাৎপর্য বহন করছে। পর্যবেক্ষকদের মতে, এই অবস্থান শুধু প্রোটোকলের বিষয় নয়, বরং বর্তমান বিশ্ব রাজনীতিতে ভারতের ক্রমবর্ধমান গুরুত্বের প্রতীক।

    সদস্য নয়, তাও ভারতকে আমন্ত্রণ

    বিশ্বের সাতটি প্রধান শিল্পোন্নত অর্থনীতির এই ফোরামে ভারত সদস্য না হলেও সাম্প্রতিক বছরগুলোতে দেশটির গুরুত্ব ধারাবাহিকভাবে বেড়েছে। অর্থনীতি, প্রযুক্তি, বাণিজ্য, জলবায়ু পরিবর্তন এবং ভূ-রাজনৈতিক নানা ইস্যুতে ভারতের অবস্থান এখন বৈশ্বিক আলোচনার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অংশ হয়ে উঠেছে। সেই বাস্তবতাই যেন প্রতিফলিত হয়েছে জি৭ নেতাদের এই ঐতিহাসিক ছবিতে।

    মাক্রঁর বিশেষ অভ্যর্থনা, ভারত-ফ্রান্স সম্পর্কের নতুন বার্তা

    সম্মেলনের শুরুতেই ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল মাক্রঁ ব্যক্তিগতভাবে প্রধানমন্ত্রী মোদিকে স্বাগত জানান। তিনি সেই মুহূর্তের একটি ভিডিও সামাজিক মাধ্যমেও শেয়ার করেন। কূটনৈতিক বিশেষজ্ঞদের মতে, এই পদক্ষেপ ভারত-ফ্রান্স কৌশলগত সম্পর্কের গভীরতা এবং আন্তর্জাতিক পরিসরে ভারতের গুরুত্বকেই তুলে ধরে। প্রতিরক্ষা, মহাকাশ গবেষণা, পারমাণবিক শক্তি এবং ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে সহযোগিতার ক্ষেত্রে নয়াদিল্লি ও প্যারিসের সম্পর্ক গত কয়েক বছরে উল্লেখযোগ্যভাবে শক্তিশালী হয়েছে। ইউরোপীয় ইউনিয়নের অন্যতম প্রভাবশালী দেশ হিসেবে ফ্রান্স বর্তমানে ভারতের একটি গুরুত্বপূর্ণ কৌশলগত অংশীদার।

    ১৬ মাস পর মুখোমুখি মোদি ও ট্রাম্প

    জি৭ সম্মেলনের অন্যতম আলোচিত ঘটনা ছিল প্রধানমন্ত্রী মোদি এবং মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বৈঠক। প্রায় ১৬ মাস পর দুই নেতা সরাসরি মুখোমুখি হলেন। শুধু তাই নয়, সম্মেলনের মূল অধিবেশনেও তাঁদের পাশাপাশি বসতে দেখা যায়। এই বৈঠক এমন এক সময়ে অনুষ্ঠিত হচ্ছে, যখন ভারত ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে বাণিজ্য, প্রতিরক্ষা, সেমিকন্ডাক্টর, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, গুরুত্বপূর্ণ প্রযুক্তি এবং সরবরাহ শৃঙ্খলকে আরও শক্তিশালী করার প্রচেষ্টা চলছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, ট্রাম্পের দ্বিতীয় দফার প্রশাসনের অধীনে দুই দেশের কৌশলগত সম্পর্ক আরও গভীর হতে পারে। চিনকে কেন্দ্র করে পরিবর্তিত বৈশ্বিক শক্তির ভারসাম্য, ইন্দো-প্যাসিফিক নিরাপত্তা এবং প্রযুক্তিগত প্রতিযোগিতার প্রেক্ষাপটে ভারত-আমেরিকা সম্পর্ক আগামী দিনে আন্তর্জাতিক রাজনীতির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অক্ষ হয়ে উঠতে পারে বলেও মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

    কেন বারবার জি৭-এ আমন্ত্রিত হচ্ছেন মোদি?

    এবারের সম্মেলন ছিল প্রধানমন্ত্রী মোদির সপ্তম ধারাবাহিক জি৭ অংশগ্রহণ। জি৭-এর সদস্য না হয়েও এতবার আমন্ত্রিত হওয়ার ঘটনা অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ।

    এর পেছনে রয়েছে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ কারণ—

    • ● বিশ্বের দ্রুততম বর্ধনশীল বৃহৎ অর্থনীতিগুলোর অন্যতম ভারত।
    • ● বৈশ্বিক সরবরাহ ব্যবস্থায় ভারতের ভূমিকা দ্রুত বাড়ছে।
    • ● প্রযুক্তি, ডিজিটাল অর্থনীতি এবং সবুজ শক্তি ক্ষেত্রে ভারতের অগ্রগতি বিশ্বজুড়ে নজর কেড়েছে।
    • ● উন্নয়নশীল দেশগুলোর স্বার্থের প্রতিনিধিত্বকারী শক্তিশালী কণ্ঠস্বর হিসেবে ভারতের গ্রহণযোগ্যতা বেড়েছে।

    বিশেষজ্ঞদের মতে, বিশ্বের বড় অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক প্রশ্নগুলোর সমাধানে ভারতের অংশগ্রহণ এখন প্রায় অপরিহার্য হয়ে উঠেছে। ফলে জি৭-এর মতো গুরুত্বপূর্ণ মঞ্চে ভারতের উপস্থিতি ক্রমশ স্থায়ী চরিত্র ধারণ করছে।

    ‘গ্লোবাল সাউথ’-এর মুখপাত্র হিসেবে ভারতের অবস্থান

    গত কয়েক বছরে প্রধানমন্ত্রী মোদি বিভিন্ন আন্তর্জাতিক মঞ্চে উন্নয়নশীল দেশগুলোর প্রতিনিধিত্বের বিষয়টি জোরালোভাবে তুলে ধরেছেন। জলবায়ু অর্থায়ন, খাদ্য নিরাপত্তা, জ্বালানি সংকট, ডিজিটাল বৈষম্য এবং টেকসই উন্নয়নের মতো বিষয়গুলোতে ভারতের অবস্থান আন্তর্জাতিক মহলে গুরুত্ব পেয়েছে। জি২০-র সভাপতিত্বের সময়ও ভারত ‘গ্লোবাল সাউথ’-এর উদ্বেগ ও প্রত্যাশাকে বৈশ্বিক আলোচনার কেন্দ্রে নিয়ে আসার চেষ্টা করেছিল। জি৭ সম্মেলনেও সেই অবস্থানের ধারাবাহিকতা বজায় রাখছেন মোদি।

    একাধিক গুরুত্বপূর্ণ দ্বিপাক্ষিক বৈঠকের সূচি

    সম্মেলনের ফাঁকে প্রধানমন্ত্রী মোদির একাধিক গুরুত্বপূর্ণ দ্বিপাক্ষিক বৈঠকেরও কর্মসূচি রয়েছে। কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নি, ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার এবং সংযুক্ত আরব আমিরশাহির প্রেসিডেন্ট শেখ মোহাম্মদ বিন জায়েদ আল নাহিয়ানের সঙ্গে তাঁর বৈঠক হওয়ার কথা। বাণিজ্য, বিনিয়োগ, প্রতিরক্ষা সহযোগিতা, জ্বালানি নিরাপত্তা এবং আন্তর্জাতিক কৌশলগত সহযোগিতা এসব বৈঠকের মূল আলোচ্য বিষয় হতে পারে বলে কূটনৈতিক সূত্রের অনুমান।

    আন্তর্জাতিক মঞ্চে ভারতের উত্থানের প্রতীকী বার্তা

    এভিয়ানের জি৭ সম্মেলনে ট্রাম্প ও মাক্রঁর পাশে প্রথম সারিতে নরেন্দ্র মোদির উপস্থিতি নিছক একটি আনুষ্ঠানিক ছবি নয়। এটি এমন এক ভারতের প্রতিচ্ছবি, যা আজ বিশ্বের অর্থনৈতিক ও কৌশলগত আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে ক্রমশ আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে। বিশ্বের প্রভাবশালী শক্তিগুলোর সঙ্গে সমান গুরুত্বে আলোচনায় অংশগ্রহণ, বৈশ্বিক নীতি নির্ধারণে সক্রিয় ভূমিকা এবং উন্নয়নশীল বিশ্বের কণ্ঠস্বর হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করার পথে ভারত যে আরও একধাপ এগিয়ে গেল, জি৭ সম্মেলনের এই দৃশ্য যেন সেই বার্তাই স্পষ্ট করে দিল।

  • PM Narendra Modi: জি৭ সম্মেলনে যোগ দিতে ফের ফ্রান্সে পৌঁছলেন প্রধানমন্ত্রী, যোগ দেবেন একাধিক দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে

    PM Narendra Modi: জি৭ সম্মেলনে যোগ দিতে ফের ফ্রান্সে পৌঁছলেন প্রধানমন্ত্রী, যোগ দেবেন একাধিক দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জি৭ সম্মেলনে (G7 Summit) অংশ নিতে মঙ্গলবার ফ্রান্সের এভিয়াঁয় পৌঁছলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Narendra Modi)। এক্স হ্যান্ডেলে তিনি লিখেছেন, “জি৭ সম্মেলনে অংশ নিতে ফ্রান্সের এভিয়াঁয় পৌঁছেছি। বিশ্বের নেতাদের সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ বৈশ্বিক ইস্যু নিয়ে মতবিনিময়ের অপেক্ষায় রয়েছি। আরও টেকসই ও সমৃদ্ধ পৃথিবী গড়তে সম্মিলিত প্রচেষ্টায় ভারত প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।”

    ‘ভারত ইনোভেটস’ কনক্লেভের উদ্বোধন (PM Narendra Modi)

    ইউরোপ সফরের অংশ হিসেবে প্রধানমন্ত্রী প্রথমে ফ্রান্সের নিস শহরে গিয়ে ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল মাক্রঁর সঙ্গে যৌথভাবে ‘ভারত ইনোভেটস’ কনক্লেভের উদ্বোধন করেন। পরে তিনি সরকারি সফরে যান স্লোভাকিয়ায়। সেখানে স্লোভাক প্রধানমন্ত্রী রবার্ট ফিকোর সঙ্গে প্রতিনিধি পর্যায়ের বৈঠকে অংশ নেন। এই সফরে ভারত ও স্লোভাকিয়া একাধিক মউ (MoU) স্বাক্ষর করে, এবং দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে ‘কমপ্রিহেনসিভ পার্টনারশিপে’ উন্নীত করার সিদ্ধান্ত নেয়। স্লোভাকিয়া ভারতের প্রধানমন্ত্রীকে সে দেশের সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় সম্মান ‘অর্ডার অব দ্য হোয়াইট ডবল ক্রস (ফার্স্ট ক্লাস)’ দেয়।

    মোদিকে স্বাগত জেনেভার প্রেসিডেন্টের 

    এর আগে মঙ্গলবার সকালে প্রধানমন্ত্রী সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় পৌঁছালে তাঁকে বিমানবন্দরে স্বাগত জানান সে দেশের প্রেসিডেন্ট গাই পারমেলিন। ভারতের বিদেশমন্ত্রকের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল জানান, দুই নেতা উষ্ণ শুভেচ্ছা বিনিময়ের পাশাপাশি ভারত-সুইজারল্যান্ড দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও জোরদার করার প্রতিশ্রুতিও দিয়েছেন। এভিয়াঁয় অনুষ্ঠিত শীর্ষ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী মোদি জি৭ সদস্য দেশগুলির নেতা, আমন্ত্রিত অংশীদার রাষ্ট্র এবং আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রতিনিধিদের সঙ্গে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে অংশ নেবেন। এসব বৈঠকে নতুন অংশীদারিত্ব গঠন, আন্তর্জাতিক সংহতি পুনর্গঠন, ভারসাম্যপূর্ণ ও টেকসই অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি এবং নিরাপদ ও দ্রুত এআই (AI) বাস্তবায়ন-সহ বিভিন্ন বৈশ্বিক বিষয়ে আলোচনা হবে (PM Narendra Modi)।

    একাধিক দ্বিপাক্ষিক বৈঠকের সম্ভাবনা 

    সম্মেলনের ফাঁকে বিশ্বের বিভিন্ন নেতার সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠকও করবেন প্রধানমন্ত্রী। বুধবার, ১৭ জুন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে তাঁর বৈঠক হতে পারে। এভিয়াঁর কর্মসূচি শেষে বৃহস্পতিবার প্রধানমন্ত্রী যাবেন প্যারিসে। সেখানে তিনি দ্বিপাক্ষিক বৈঠকের পাশাপাশি ইউরোপের বৃহত্তম (G7 Summit) প্রযুক্তি ও স্টার্টআপ সম্মেলন ‘ভিভাটেক সামিটে’ যোগ দেবেন। প্যারিসে প্রবাসী ভারতীয় সম্প্রদায়ের সদস্যদের উদ্দেশেও ভাষণ দেওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে তাঁর (PM Narendra Modi)।

     

  • India-Slovakia Relation: ভারত-স্লোভাকিয়া সম্পর্ক ‘পূর্ণাঙ্গ অংশীদারিত্ব’-এ উন্নীত, স্বাক্ষরিত ১১টি গুরুত্বপূর্ণ চুক্তি

    India-Slovakia Relation: ভারত-স্লোভাকিয়া সম্পর্ক ‘পূর্ণাঙ্গ অংশীদারিত্ব’-এ উন্নীত, স্বাক্ষরিত ১১টি গুরুত্বপূর্ণ চুক্তি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির স্লোভাকিয়া (PM Modi in Slovakia) সফরে দুই দেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক নতুন উচ্চতায় পৌঁছল। সোমবার স্লোভাকিয়ার প্রধানমন্ত্রী রবার্ট ফিকোর সঙ্গে বৈঠকের পর ভারত ও স্লোভাকিয়া (India-Slovakia Relation) তাদের সম্পর্ককে ‘কমপ্রিহেনসিভ পার্টনারশিপ’ বা পূর্ণাঙ্গ অংশীদারিত্বে উন্নীত করার কথা ঘোষণা করেছে। পাশাপাশি শ্রম অভিবাসন, প্রতিরক্ষা, ডিজিটাল প্রযুক্তি, উচ্চশিক্ষা ও কোয়ান্টাম যোগাযোগ-সহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতা বাড়াতে ১১টি চুক্তি ও সমঝোতা স্মারকে স্বাক্ষর করেছে দুই দেশ। সোমবার স্লোভাকিয়ার রাষ্ট্রপতি পিটার পেলেগ্রিনির সঙ্গেও দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করেন প্রধানমন্ত্রী মোদি। দুই দেশের মধ্যে কৌশলগত অংশীদারিত্ব আরও জোরদার করার বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে।

    অভিন্ন বিশ্বাস, অগ্রাধিকার এবং ভবিষ্যতের প্রতীক

    ইউরোপ সফরের অংশ হিসেবে ব্রাতিস্লাভায় পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী মোদি। এটি স্লোভাকিয়ায় কোনও ভারতীয় প্রধানমন্ত্রীর প্রথম সফর। স্লোভাকিয়ার প্রধানমন্ত্রী রবার্ট ফিকোর সঙ্গে যৌথ সাংবাদিক বৈঠকে মোদি বলেন, “আমরা আমাদের সম্পর্ককে কমপ্রিহেনসিভ পার্টনারশিপের মর্যাদা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। এটি আমাদের অভিন্ন বিশ্বাস, অগ্রাধিকার এবং ভবিষ্যতের প্রতীক।” ভারত-ইউরোপীয় ইউনিয়ন মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্তকরণে সহায়তার জন্য প্রধানমন্ত্রী মোদি ফিকো-রও প্রশংসা করেন। দুদিনের এই সফরে স্লোভাকিয়ার প্রেসিডেন্ট পিটার পেলেগ্রিনি (President Peter Pellegrini) এবং প্রধানমন্ত্রী রবার্ট ফিকোর (Prime Minister Robert Fico) সঙ্গে উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে বসেন নরেন্দ্র মোদি। পাশাপাশি শিল্প ও বাণিজ্য জগতের শীর্ষ প্রতিনিধিদের সঙ্গেও তাঁর আলোচনা হয়। দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে আরও শক্তিশালী করতে বাণিজ্য, বিনিয়োগ, অটোমোবাইল শিল্প, রেল উৎপাদন, অত্যাধুনিক প্রযুক্তি, কৃত্রিম মেধা ও উদ্ভাবনের মতো গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রে সহযোগিতা বাড়ানোর ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়।

    ভারত-ইইউ মুক্ত বাণিজ্য চুক্তির দ্রুত বাস্তবায়নে জোর

    দুই নেতার বৈঠকে ভারত-ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি (FTA)-র দ্রুত বাস্তবায়নের বিষয়েও আলোচনা হয়। প্রধানমন্ত্রী মোদি জানান, এই চুক্তি কার্যকর হলে দুই দেশের শিল্প, স্টার্টআপ ও ব্যবসায়ীরা উল্লেখযোগ্যভাবে উপকৃত হবে। স্লোভাকিয়ার প্রধানমন্ত্রী রবার্ট ফিকোও এই চুক্তিকে বিশ্বের অন্যতম উচ্চাকাঙ্ক্ষী বাণিজ্য চুক্তি হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, এর বাস্তবায়নের জন্য প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ গ্রহণ করবে তাঁর দেশ।

    জ্বালানি, প্রতিরক্ষা ও প্রযুক্তি ক্ষেত্রে নতুন সম্ভাবনা

    দুই দেশের মধ্যে জ্বালানি নিরাপত্তা, স্থায়িত্ব ও স্থিতিস্থাপকতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে সহযোগিতা বাড়ানোর সিদ্ধান্ত হয়েছে। বিশেষ করে পারমাণবিক শক্তি ও ভূ-তাপীয় শক্তি ক্ষেত্রে যৌথ উদ্যোগের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী মোদি বলেন, “অটোমোবাইল, রেলওয়ে, উন্নত উৎপাদন প্রযুক্তি এবং সবুজ প্রযুক্তি আমাদের সহযোগিতার গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্র।” প্রতিরক্ষা সহযোগিতা জোরদার করতে দুই দেশ একটি লেটার অফ ইনটেন্ট (LOI) চূড়ান্ত করেছে। মোদির মতে, এটি দুই দেশের প্রতিরক্ষা শিল্পের মধ্যে সহযোগিতায় নতুন গতি আনবে এবং পারস্পরিক আস্থা আরও সুদৃঢ় করবে।

    ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে সহযোগিতা বাড়ানোর অঙ্গীকার

    যৌথ বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলের ক্রমবর্ধমান ভূ-রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও প্রযুক্তিগত গুরুত্বের কথা বিবেচনা করে ভারত ও স্লোভাকিয়া আঞ্চলিক সংযোগ, মুক্ত আন্তর্জাতিক বাণিজ্য, নৌ-চলাচলের স্বাধীনতা এবং বিরোধের শান্তিপূর্ণ সমাধানে একসঙ্গে কাজ করবে।

    দক্ষ কর্মীদের চলাচল সহজ করতে সমঝোতা

    দুই দেশ দক্ষ পেশাজীবীদের নিরাপদ ও বৈধ চলাচলকে উৎসাহিত করার লক্ষ্যে শ্রম অভিবাসন সংক্রান্ত সমঝোতা স্মারক (MoU) স্বাক্ষর করেছে। পাশাপাশি কর্মরত পেশাজীবীদের সামাজিক সুরক্ষা নিশ্চিত করতে দ্রুত একটি সোশ্যাল সিকিউরিটি অ্যাগ্রিমেন্ট চূড়ান্ত করার বিষয়েও একমত হয়েছে উভয় পক্ষ।

    রাষ্ট্রসংঘ নিরাপত্তা পরিষদে ভারতের স্থায়ী সদস্যপদের সমর্থন

    বহুপাক্ষিক প্রতিষ্ঠানগুলির সংস্কারের প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দিয়ে দুই নেতা রাষ্ট্রসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের সংস্কারকে সমর্থন করেছেন। এই প্রেক্ষিতে, সংস্কারিত ও সম্প্রসারিত নিরাপত্তা পরিষদে ভারতের স্থায়ী সদস্যপদের দাবিতে স্লোভাকিয়ার ধারাবাহিক সমর্থনের জন্য ভারত কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছে।

    সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে যৌথ অবস্থান

    মোদি ও ফিকো সব ধরনের সন্ত্রাসবাদের, বিশেষ করে সীমান্তপারের সন্ত্রাসবাদের তীব্র নিন্দা করেন। পহেলগাঁও জঙ্গি হামলারও কড়া নিন্দা জানান ফিকো। সন্ত্রাস দমনে সহযোগিতা বাড়াতে দুই দেশ একটি যৌথ সন্ত্রাসবিরোধী কর্মগোষ্ঠী (Joint Working Group on Counter-Terrorism) গঠনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। পাশাপাশি রাষ্ট্রসংঘের কাঠামোর আওতায় সন্ত্রাসবিরোধী সহযোগিতা আরও জোরদার করার অঙ্গীকার করেছে দুই দেশ। দুই নেতা সন্ত্রাসী হামলার পরিকল্পনাকারী, অর্থদাতা ও মদতদাতাদের জবাবদিহির আওতায় আনার ওপর গুরুত্ব আরোপ করেন।

    ভারত-স্লোভাকিয়া সম্পর্ক

    ভারত-স্লোভাকিয়া বৈঠকের এই সিদ্ধান্তগুলি দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে নতুন মাত্রা দেওয়ার পাশাপাশি ইউরোপে ভারতের কৌশলগত ও অর্থনৈতিক উপস্থিতি আরও শক্তিশালী করবে বলে মনে করছেন কূটনৈতিক মহল। বিদেশ মন্ত্রকের (Ministry of External Affairs) মতে, গত কয়েক বছরে দুই দেশের মধ্যে উচ্চপর্যায়ের যোগাযোগ যে নতুন গতি পেয়েছে, মোদির এই সফর সেই সম্পর্ককে আরও গভীর ও সুসংহত করার দিকেই বড় পদক্ষেপ। উল্লেখ্য, ২০২৫ সালে ভারতের রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর (President Droupadi Murmu) স্লোভাকিয়া সফর এবং এবছর স্লোভাকিয়ার রাষ্ট্রপতি পেলেগ্রিনির ভারত সফরের পর মোদির এই সফর দুই দেশের ক্রমবর্ধমান কূটনৈতিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে এক নতুন মাত্রা যোগ করল। ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শংকর, জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত ডোভাল সহ শীর্ষস্থানীয় প্রতিনিধিরা এই সফরে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গী হয়েছেন। প্রধানমন্ত্রীর এই সফর ভারত ও স্লোভাকিয়ার সম্পর্কের (India-Slovakia relations) ইতিহাসে একটি উল্লেখযোগ্য মাইলফলক হিসেবে চিহ্নিত হয়ে থাকবে।

  • PM Modi: মোদির উপহার দেওয়া জ্যাকেট পরেই বৈঠকে স্লোভাক প্রধানমন্ত্রী ফিকো, মিলল দু’জনের পোশাকের রঙও

    PM Modi: মোদির উপহার দেওয়া জ্যাকেট পরেই বৈঠকে স্লোভাক প্রধানমন্ত্রী ফিকো, মিলল দু’জনের পোশাকের রঙও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi) এবং স্লোভাকিয়ার প্রধানমন্ত্রী রবার্ট ফিকোর জ্যাকেটের রঙ এক! এহেন কাকতালীয় ঘটনায় যারপরনাই বিস্মিত মোদি। সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল (Viral Video) হয়েছে দুই রাষ্ট্রনেতার এমন এক আন্তরিক ও হাস্যরসাত্মক মুহূর্ত।  ইনস্টাগ্রামে শেয়ার করা এক ভিডিওতে দেখা যায়, দু’জনেই প্রায় একই রঙের বেইজ জ্যাকেট পরে বৈঠকে অংশ নিয়েছেন।

    রঙ মিলান্তি (PM Modi)

    ভিডিওতে ভারতের প্রধানমন্ত্রীকে বলতে শোনা যায়, “কী আশ্চর্য কাকতালীয় ঘটনা, আমাদের দু’জনের পোশাকের রঙ একেবারে মিলে গিয়েছে।” তিনি জানান, রবার্ট ফিকো যে জ্যাকেটটি পরেছেন, সেটি তিনিই তাঁকে উপহার দিয়েছিলেন। ভিডিওর ক্যাপশনেও লেখা হয়েছে, “প্রধানমন্ত্রী ফিকো আমার দেওয়া জ্যাকেটটি পরেছেন এবং কাকতালীয়ভাবে আজ আমাদের দু’জনের জ্যাকেটের রঙও একই হয়েছে।” ভিডিওতে দেখা যায়, ফিকো নীল শার্ট ও প্যান্টের সঙ্গে ভারতের ঐতিহ্যবাহী হাতাকাটা জ্যাকেট বা ‘মোদি জ্যাকেট’ স্টাইলের পোশাক পরেছেন। এই দৃশ্য নেটিজেনদের নজর কাড়ে এবং মুহূর্তেই ভিডিওটি ভাইরাল হয়।

    সোশ্যাল মিডিয়া ইউজারদের মন্তব্য

    এক সোশ্যাল মিডিয়া ইউজারের মন্তব্য, “দুই দেশের সম্পর্কের জন্য এটি অত্যন্ত ইতিবাচক বার্তা।” আর একজন লিখেছেন, “ফিকোকে দারুণ দেশি স্মার্ট লাগছে।” অন্য এক নেটিজেনের মন্তব্য, “আগে ভারতীয় নেতারা পশ্চিমী পোশাক পরে বিদেশ সফরে যেতেন, এখন পশ্চিমী নেতারাই ভারতীয় পোশাকের (PM Modi) ধাঁচ অনুসরণ করছেন।” প্রসঙ্গত, ভারতের প্রধানমন্ত্রী বর্তমানে সরকারি সফরে স্লোভাকিয়ায় রয়েছেন। ১৯৯৩ সালে চেকোস্লোভাকিয়া ভেঙে স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে স্লোভাকিয়া। তার পর এই প্রথম কোনও ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী ওই দেশ সফরে গিয়েছেন।

    ‘কমপ্রিহেনসিভ পার্টনারশিপ’

    এই সফরে ভারত ও স্লোভাকিয়া তাদের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে ‘কমপ্রিহেনসিভ পার্টনারশিপে’ উন্নীত করেছে। পাশাপাশি অভিবাসন, ডিজিটাল প্রযুক্তি, প্রতিরক্ষা-সহ একাধিক ক্ষেত্রে সহযোগিতা জোরদার করতে ১১টি গুরুত্বপূর্ণ চুক্তিও স্বাক্ষর করেছে দুই দেশ (Viral Video)। বৈঠক শেষে মোদি বলেন, “আন্তর্জাতিক স্তরেও ভারত ও স্লোভাকিয়া ঘনিষ্ঠ সমন্বয়ের মাধ্যমে কাজ করছে এবং (PM Modi) সব ধরনের বিরোধ ও উত্তেজনার শান্তিপূর্ণ সমাধানের পক্ষেই সহমত উভয় দেশ।”

     

  • PM Modi: ঐতিহাসিক সফরে মোদিকে বিশেষ সম্মান, ভারতীয় তেরঙায় আলোকিত স্লোভাকিয়ার ব্রাতিস্লাভা দুর্গ

    PM Modi: ঐতিহাসিক সফরে মোদিকে বিশেষ সম্মান, ভারতীয় তেরঙায় আলোকিত স্লোভাকিয়ার ব্রাতিস্লাভা দুর্গ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (PM Modi) ঐতিহাসিক স্লোভাকিয়া সফর স্মরণীয় করে রাখতে ভারতীয় জাতীয় পতাকার রঙে আলোকিত করা হল ঐতিহাসিক ব্রাতিস্লাভা দুর্গকে (Bratislava Castle)। ১৯৯৩ সালে স্বাধীনতার পর এই প্রথম কোনও ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী স্লোভাকিয়া সফরে যাওয়ায় বিশেষ কূটনৈতিক গুরুত্ব পেয়েছে এই সফর।

    তেরঙায় আলোকিত স্লোভাকিয়ার ক্যাসেল (PM Modi)

    ভারতের বিদেশমন্ত্রকের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল এক্স হ্যান্ডেলে ব্রাতিস্লাভা ক্যাসেলের আলোকসজ্জার ছবি শেয়ার করে একে “ইতিহাসের ছোঁয়ায় উদযাপিত এক ঐতিহাসিক সফর” বলে উল্লেখ করেন। দানিউব নদীর তীরে পাহাড়চূড়ায় অবস্থিত এই বিখ্যাত দুর্গকে গেরুয়া, সাদা ও সবুজ রঙে সাজিয়ে ভারত-স্লোভাকিয়া বন্ধুত্বের উষ্ণ বার্তা তুলে ধরা হয়েছে। এই সফরে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও স্লোভাকিয়ার প্রধানমন্ত্রী রবার্ট ফিকোর মধ্যে ব্রাতিস্লাভা ক্যাসেলেই দ্বিপাক্ষিক বৈঠক হয়। প্রায় সাড়ে পাঁচ হাজার বছরের ইতিহাস বহনকারী এই দুর্গ বর্তমানে স্লোভাক ন্যাশনাল মিউজিয়ামের অংশ এবং রাষ্ট্রীয় গুরুত্বপূর্ণ অনুষ্ঠানের অন্যতম প্রধান কেন্দ্র।

    কূটনৈতিক মহলের বক্তব্য

    কূটনৈতিক মহলের মতে, ভারতের জাতীয় পতাকার রঙে ক্যাসেলকে আলোকিত করার সিদ্ধান্ত শুধু আনুষ্ঠানিক সম্মান নয়, বরং ভারত-স্লোভাকিয়া সম্পর্ককে আরও গভীর করার রাজনৈতিক ও কৌশলগত বার্তাও দেয় (PM Modi)। প্রসঙ্গত, ২০২৪ সালে দুই দেশের দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য প্রথমবার ১.৩ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের চৌকাঠ পেরোয়। পরের বছর সেই পরিমাণ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১.৮ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে, যার মধ্যে ভারতের রফতানি ১.৫২ বিলিয়ন মার্কিন ডলার এবং আমদানি ২৮৪ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। বর্তমানে স্লোভাকিয়ায় প্রায় ১১ হাজার ভারতীয় বসবাস করেন, যা ইউক্রেনীয়দের পর দ্বিতীয় বৃহত্তম প্রবাসী সম্প্রদায়। ব্রাতিস্লাভা, কোশিচে ও নিত্রার বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রায় ৫০০ ভারতীয় ছাত্রছাত্রী চিকিৎসা, টেকনোলজি ও কমার্স নিয়ে পড়াশোনা করে।

    ভারত-স্লোভাকিয়ার সম্পর্ক

    এই সফরে ভারত ও স্লোভাকিয়া তাদের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে ‘কমপ্রিহেনসিভ পার্টনারশিপে’ উন্নীত করেছে। প্রতিরক্ষা সহযোগিতা সংক্রান্ত একটি লেটার অব ইনটেন্ট সই এবং সন্ত্রাসবাদ দমনে যৌথ ওয়ার্কিং গ্রুপ গঠনের সিদ্ধান্তও নেওয়া হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, ন্যাটো সদস্য এবং ইউরোপের গুরুত্বপূর্ণ শিল্পোন্নত দেশ স্লোভাকিয়ার সঙ্গে ভারতের সম্পর্ক আগামী দিনে আরও বেশি করে কৌশলগত গুরুত্ব পাবে (Bratislava Castle)। উল্লেখ্য, রাষ্ট্রসঙ্ঘের নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্যপদ এবং নিউক্লিয়ার সাপ্লায়ার্স গ্রুপে ভারতের সদস্যপদের দাবিতে স্লোভাকিয়া দীর্ঘদিন ধরেই ইতিবাচক অবস্থান (PM Modi) বজায় রেখেছে।

     

  • PM Modi: মোদির মুকুটে নয়া পালক, স্লোভাকিয়ার সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় সম্মানে ভূষিত ভারতের প্রধানমন্ত্রী

    PM Modi: মোদির মুকুটে নয়া পালক, স্লোভাকিয়ার সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় সম্মানে ভূষিত ভারতের প্রধানমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: স্লোভাকিয়ার সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় সম্মান (National Honour) ‘দ্য অর্ডার অব দ্য হোয়াইট ডাবল ক্রস (ফার্স্ট ক্লাস)’ দেওয়া হল ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে (PM Modi)। সোমবার স্লোভাকিয়ার রাজধানী ব্রাতিস্লাভায় এক বিশেষ অনুষ্ঠানে সে দেশের প্রেসিডেন্ট পিটার পেলেগ্রিনি এই সম্মান তুলে দেন প্রধানমন্ত্রীর হাতে।

    মোদির পাওয়া ৩৩তম আন্তর্জাতিক সম্মান (PM Modi)

    এটি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির পাওয়া ৩৩তম আন্তর্জাতিক সম্মান, যা বিশ্বমঞ্চে ভারতের ক্রমবর্ধমান কূটনৈতিক গুরুত্বের প্রতিফলন বলেই দাবি কূটনৈতিক মহলের। সম্মান গ্রহণের পর প্রধানমন্ত্রী সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করা এক বার্তায় বলেন, এই সম্মান ভারতের ১৪০ কোটি মানুষের প্রতি উৎসর্গীকৃত এবং ভারত-স্লোভাকিয়া বন্ধুত্বের দীর্ঘস্থায়ী সম্পর্কের প্রতীক। তিনি স্লোভাকিয়ার জনগণ এবং সরকারের প্রতি কৃতজ্ঞতাও প্রকাশ করেন। ভারতের বিদেশমন্ত্রকের তরফে জানানো হয়েছে, এই সম্মান ভারত ও স্লোভাকিয়ার জনগণের মধ্যে পারস্পরিক আস্থা, উষ্ণতা ও বন্ধুত্বের স্বীকৃতি। ভবিষ্যৎ প্রজন্মের মধ্যে দুই দেশের সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় করতে এই সম্মান অনুপ্রেরণা জোগাবে বলেও আশা প্রকাশ করা হয়েছে।

    স্লোভাকিয়ার সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় সম্মান

    উল্লেখ্য, ‘দ্য অর্ডার অব দ্য হোয়াইট ডাবল ক্রস (ফার্স্ট ক্লাস)’ স্লোভাকিয়ার সর্বোচ্চ অসামরিক ও সামরিক রাষ্ট্রীয় সম্মান, যা শুধুমাত্র বিদেশি নাগরিকদের দেওয়া হয়। বর্তমানে ছ’দিনের সফরে প্রধানমন্ত্রী রয়েছেন ইউরোপ সফরে। এই সফরের অংশ হিসেবেই তিনি স্লোভাকিয়ায় যান। এটি কোনও ভারতীয় প্রধানমন্ত্রীর প্রথম স্লোভাকিয়া সফর। চলতি সফরে ভারত ও স্লোভাকিয়া দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে ‘কমপ্রিহেনসিভ পার্টনারশিপে’ উন্নীত করেছে। সহযোগিতা বাড়াতে সই করেছে অভিবাসন, ডিজিটাল প্রযুক্তি, প্রতিরক্ষা-সহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে ১১টি গুরুত্বপূর্ণ চুক্তি (PM Modi)।

    রুটি ও নুন দিয়ে স্বাগত প্রধানমন্ত্রীকে

    প্রসঙ্গত, দু’দিনের সফরে স্লোভাকিয়ায় গিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। প্রেসিডেন্সিয়াল প্যালেসে পৌঁছানোর পর তাঁকে রুটি ও নুন দিয়ে স্বাগত জানান প্রেসিডেন্ট পিটার পেলেগ্রিনি। সে দেশের রীতি অনুযায়ী অতিথিদের রুটি এবং নুন দিয়ে স্বাগত জানানো হয়। স্লোভাকিয়ায় দুই রাষ্ট্রনেতার মধ্যে বাণিজ্য, প্রযুক্তি, প্রতিরক্ষা, কৌশলগত সহযোগিতা-সহ একাধিক গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে আলোচনা হয় (National Honour)। প্রধানমন্ত্রীর এই সফরে সঙ্গে ছিলেন বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর, জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত ডোভাল, বিদেশ সচিব বিক্রম মিস্ত্রি এবং অন্য শীর্ষ আধিকারিকরা। আন্তর্জাতিক যোগ দিবস উপলক্ষে স্লোভাকিয়ার প্রেসিডেন্সিয়াল প্যালেসে আয়োজিত একটি বিশেষ যোগাভ্যাস কর্মসূচিতেও অংশ নেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী (PM Modi) এবং সে দেশের প্রেসিডেন্ট।

     

  • PM Modi: ‘ভারত ইনোভেটস ২০২৬’-এর মঞ্চে তরুণ উদ্ভাবকদের প্রশংসায় পঞ্চমুখ প্রধানমন্ত্রী, জোর দিলেন ভারত-ফ্রান্স প্রযুক্তি অংশীদারিত্বেও

    PM Modi: ‘ভারত ইনোভেটস ২০২৬’-এর মঞ্চে তরুণ উদ্ভাবকদের প্রশংসায় পঞ্চমুখ প্রধানমন্ত্রী, জোর দিলেন ভারত-ফ্রান্স প্রযুক্তি অংশীদারিত্বেও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফ্রান্সের (France) নিস শহরে অনুষ্ঠিত ‘ভারত ইনোভেটস ২০২৬’-এর মঞ্চে দেশের তরুণ উদ্ভাবকদের ভূয়সী প্রশংসা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (PM Modi) মুখে। তিনি জানান, আধুনিক যুগে উদ্ভাবনী সমাধান তুলে ধরার জন্য ‘ভারত ইনোভেটস ২০২৬’ একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ প্ল্যাটফর্ম হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেছে।

    ‘ভারত ইনোভেটস ২০২৬’-এর সূচনা

    অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “ভারত ও ফ্রান্স দীর্ঘদিন ধরেই একসঙ্গে বিভিন্ন ক্ষেত্রে এগিয়ে চলেছে। চলতি বছর শুরু হওয়া ‘ইন্ডিয়া-ফ্রান্স ইয়ার অব ইনোভেশনে’র ধারাবাহিকতায় ‘ভারত ইনোভেটস ২০২৬’-এর সূচনা হয়েছে।” অনুষ্ঠানে ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রঁর উপস্থিতির জন্যও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন প্রধানমন্ত্রী। অনুষ্ঠানে উপস্থিত বিপুল সংখ্যক তরুণ উদ্যোক্তার উচ্ছ্বসিত অংশগ্রহণের কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী জানান, তাঁদের মধ্যে আত্মবিশ্বাসী ও উদ্যমী নয়া  ভারতের প্রতিচ্ছবি দেখা যায়। তাঁর কথায়, “বর্তমান ভারত শুধু প্রযুক্তিগত সমাধানের ভোক্তা নয়, বরং বিশ্বকে নতুন সমাধান উপহার দেওয়ার অন্যতম অংশীদার। কেউ এআই (AI) ব্যবহার করে গ্রামীণ ভারতের উন্নয়নে কাজ করছেন, আবার কেউ স্যাটেলাইট প্রযুক্তির মাধ্যমে কৃষকদের সাহায্য করছেন।

    টেকসই ভবিষ্যৎ গড়ে তোলা

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, “ভারত দ্রুতগতিতে এবং বৃহৎ পরিসরে উদ্ভাবন করছে। একই সঙ্গে টেকসই ভবিষ্যৎ গড়ে তোলা এবং বিশ্বকল্যাণে প্রযুক্তির ব্যবহার নিশ্চিত করাই দেশের লক্ষ্য।” তিনি জানান, একবিংশ শতাব্দীতে ভারত বড় ধরনের পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে এবং তথ্যপ্রযুক্তি বিপ্লবের হাত ধরে দেশ এখন স্টার্টআপ বিপ্লবের দোরগোড়ায় পৌঁছে গিয়েছে। নতুন প্রজন্মের ভারতীয় যুবক-যুবতীরা মানবকল্যাণে জটিল সমস্যার উদ্ভাবনী সমাধান তৈরি করছেন, যা বিশ্বব্যাপী সমাদৃত হচ্ছে। তাঁর মতে, ‘ভারত ইনোভেটস ২০২৬’ সেই বিশ্বমানের উদ্ভাবনগুলিকে আন্তর্জাতিক মঞ্চে তুলে ধরার একটি গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ।

    অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছেন যাঁরা

    প্রধানমন্ত্রীর ফ্রান্স সফরের সূচনা হয়েছে এই অনুষ্ঠানের মাধ্যমে। সফরের অংশ হিসেবে তিনি এভিয়াঁ এবং প্যারিসেও বিভিন্ন দ্বিপাক্ষিক ও বহুপাক্ষিক বৈঠকে অংশ নেবেন, যার লক্ষ্য ভারত-ফ্রান্স সহযোগিতা আরও শক্তিশালী করা (PM Modi)। ‘ভারত ইনোভেটস ২০২৬’-এ প্রায় ১২০ জন ভারতীয় উদ্ভাবক, ১৫টির মতো উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং ৫০০-রও বেশি বিনিয়োগকারী অংশ নিয়েছেন। উপস্থিত রয়েছেন বিভিন্ন আন্তর্জাতিক কর্পোরেট সংস্থা, ভেঞ্চার ক্যাপিটাল ফার্মের প্রতিনিধি, বিশ্বখ্যাত সিইও এবং শিল্পক্ষেত্রের নেতারা। অনুষ্ঠানে অ্যাডভান্সড কম্পিউটিং, সেমিকন্ডাক্টর, মহাকাশ প্রযুক্তি, বায়োটেকনোলজি, জ্বালানি, স্বাস্থ্য পরিষেবা ও উৎপাদন শিল্প-সহ মোট ১৩টি গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। ভারতের ডিপ টেক ও স্টার্টআপ ইকোসিস্টেমকে বিশ্ববাজারের সামনে তুলে ধরাই এই (France) অনুষ্ঠানের প্রধান উদ্দেশ্য। এই অনুষ্ঠানের মাধ্যমে ডিপ টেক, গবেষণা ও উন্নয়ন, স্টার্টআপ সম্প্রসারণ এবং সীমান্ত-পার বিনিয়োগ সহযোগিতা বৃদ্ধির ক্ষেত্রে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণা ও অংশীদারিত্বের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে বলেও ধারণা সংশ্লিষ্ট মহলের (PM Modi)।

     

  • PM Modi: কূটনৈতিক সফরে ইউরোপের উদ্দেশে রওনা দিলেন প্রধানমন্ত্রী, বৈঠক করবেন মাক্রঁর সঙ্গেও

    PM Modi: কূটনৈতিক সফরে ইউরোপের উদ্দেশে রওনা দিলেন প্রধানমন্ত্রী, বৈঠক করবেন মাক্রঁর সঙ্গেও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক সফরে ইউরোপের উদ্দেশে রওনা দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। ১৩ থেকে ১৯ জুন পর্যন্ত চলা এই সফরে তিনি ফ্রান্স ও স্লোভাকিয়া সফরের পাশাপাশি জি-৭ শীর্ষ সম্মেলনেও (G7 Summit) অংশ নেবেন। ভারতের কৌশলগত অংশীদারিত্ব আরও জোরদার করা, প্রযুক্তি এবং উদ্ভাবন খাতে সহযোগিতা বৃদ্ধি এবং বৈশ্বিক নানা ইস্যুতে ভারতের ভূমিকা তুলে ধরাই প্রধানমন্ত্রীর এই সফরের মূল লক্ষ্য।

    মাক্রঁর সঙ্গে বৈঠক (PM Modi)

    সফরের প্রথম পর্যায়ে ফ্রান্সের নিস শহরে ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল মাক্রঁর সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে বসবেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী। দুই রাষ্ট্রপ্রধান ভারত-ফ্রান্স বিশেষ বৈশ্বিক কৌশলগত অংশীদারিত্বের বিভিন্ন দিক পর্যালোচনা করবেন। এর পাশাপাশি যৌথভাবে উদ্বোধন করবেন ‘ভারত ইনোভেটস’ কর্মসূচি, যেখানে ভারত ও ফ্রান্সের পাশাপাশি অন্যান্য দেশের স্টার্টআপ এবং ভেঞ্চার ক্যাপিটাল সংস্থাগুলি অংশ নেবে। উদীয়মান প্রযুক্তি ও উদ্যোক্তা খাতে দুই দেশের সহযোগিতা আরও বাড়ানোর লক্ষ্যেই এই উদ্যোগ।

    মোদি যাবেন স্লোভাকিয়ায়

    ফ্রান্স সফরের পর প্রধানমন্ত্রী যাবেন স্লোভাকিয়ায়। সেখানকার প্রধানমন্ত্রী রবার্ট ফিকোর আমন্ত্রণে ওই দেশে যাবেন মোদি। ১৯৯৩ সালে স্বাধীনতার পর এই প্রথম কোনও ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী স্লোভাকিয়া সফরে যাচ্ছেন, যা দুই দেশের সম্পর্কের ক্ষেত্রে ঐতিহাসিক গুরুত্ব বহন করছে। সফরে তিনি প্রধানমন্ত্রী রবার্ট ফিকো এবং প্রেসিডেন্ট পিটার পেলেগ্রিনির সঙ্গে বৈঠক করবেন। বাণিজ্য, বিনিয়োগ, অটোমোবাইল শিল্প এবং রেলওয়ে উৎপাদন-সহ একাধিক ক্ষেত্রে সহযোগিতা বাড়ানোর বিষয়টি আলোচনায় গুরুত্ব পাবে। ভারত ও স্লোভাকিয়ার মধ্যে সাম্প্রতিক উচ্চপর্যায়ের কূটনৈতিক যোগাযোগের ধারাবাহিকতায় এই সফরকে বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। এর আগে রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু ২০২৫ সালের এপ্রিলে স্লোভাকিয়া সফর করেন। ওই বছরই স্লোভাক প্রেসিডেন্ট পিটার পেলেগ্রিনি ভারতের এআই ইমপ্যাক্ট সামিটে অংশ নিতে ভারত সফর করেন (PM Modi)।

    জি-৭ শীর্ষ সম্মেলনে অংশ নেবেন প্রধানমন্ত্রী

    সফরের তৃতীয় পর্যায়ে ১৬ ও ১৭ জুন ফ্রান্সের এভিয়ানে অনুষ্ঠিত জি-৭ শীর্ষ সম্মেলনে অংশ নেবেন মোদি। সেখানে জি-৭ সদস্য দেশ, আমন্ত্রিত অংশীদার রাষ্ট্র এবং আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রতিনিধিদের সঙ্গে আন্তর্জাতিক সংহতি পুনর্গঠন, ভারসাম্যপূর্ণ ও স্থিতিশীল অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি এবং এআইয়ের নিরাপদ ও কার্যকর ব্যবহারের মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে মতবিনিময় করবেন তিনি। এর পাশাপাশি বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রনেতাদের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠকের সম্ভাবনাও রয়েছে (G7 Summit)। সফরের শেষে ১৮ জুন প্যারিসে অনুষ্ঠিত ইউরোপের বৃহত্তম প্রযুক্তি ও স্টার্টআপ সম্মেলন ‘ভিভাটেক’-এ যোগ দেবেন প্রধানমন্ত্রী। মত বিনিময় করবেন ফ্রান্সে বসবাসকারী প্রবাসী ভারতীয়দের সঙ্গেও। ভারত সরকারের মতে, ‘ভারত ইনোভেটস’ এবং ‘ভিভাটেক’-এ প্রধানমন্ত্রীর অংশগ্রহণ ভারতের উদ্ভাবন, ডিজিটাল রূপান্তর এবং স্টার্টআপ ইকোসিস্টেমের বৈশ্বিক অবস্থানকে আরও শক্তিশালী করবে এবং ইউরোপের সঙ্গে প্রযুক্তিগত সহযোগিতার নতুন দিগন্ত খুলে দেবে।

    ভারত-ফ্রান্স সম্পর্ক

    বিশ্লেষকদের মতে, ভারত ও ফ্রান্সের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে প্রতিরক্ষা, প্রযুক্তি, বাণিজ্য এবং জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় ঘনিষ্ঠ সহযোগিতা রয়েছে (PM Modi)। এবারের বৈঠকে দুই দেশের অংশীদারিত্ব আরও বাড়ানোর পাশাপাশি নতুন কৌশলগত সহযোগিতার ক্ষেত্র নিয়েও আলোচনা হতে পারে। এর ফলে দুই দেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক নতুন উচ্চতায় পৌঁছানোর সম্ভাবনা রয়েছে (G7 Summit)। বিদেশমন্ত্রকের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ১৯৯৩ সালে স্লোভাকিয়ার স্বাধীনতার পর এই প্রথম কোনও ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী যাচ্ছেন সেই দেশ সফরে। তাই এই সফরকে দুই দেশের কূটনৈতিক ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবেই বিবেচনা করা হচ্ছে। বিশ্লেষকদের ধারণা, ইউরোপের এই দেশের সঙ্গে ভারতের অর্থনৈতিক ও কৌশলগত অংশীদারিত্ব শক্তিশালী করার দিকেও বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হবে।

    নয়া সহযোগিতার দোর খুলবে

    সফর শুরুর আগে এক বিবৃতিতে প্রধানমন্ত্রী জানান, ইউরোপ এবং জি-৭ এর সদস্য দেশগুলির সঙ্গে ভারতের ক্রমবর্ধমান সম্পৃক্ততা এই সফরের মাধ্যমে আরও সুদৃঢ় হবে। এর পাশাপাশি ইউরোপীয় দেশগুলির সঙ্গে বহুমাত্রিক অংশীদারিত্ব সম্প্রসারণে ভারতের প্রতিশ্রুতির কথাও মনে করিয়ে দেন তিনি (PM Modi)। বিদেশমন্ত্রকের তরফে জানানো হয়েছে, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির এই সফরে ফ্রান্স, স্লোভাকিয়া এবং জি-৭ এর সদস্য  দেশগুলির সঙ্গে সহযোগিতার নয়া ক্ষেত্র তৈরি হবে। বিশেষ করে বৈশ্বিক অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা, প্রযুক্তিগত উদ্ভাবন, কৌশলগত নিরাপত্তা এবং আন্তর্জাতিক সহযোগিতার বিভিন্ন বিষয়ে যৌথ উদ্যোগ বাড়ানোর সুযোগ সৃষ্টি হবে। আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশেষজ্ঞদের মতে, বর্তমান বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে ইউরোপীয় দেশগুলির সঙ্গে ভারতের সম্পর্ক ক্রমেই আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে। তাঁদের মতে, এই সফর শুধু দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে আরও শক্তিশালী করবে না, বরং (G7 Summit) আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক প্রাঙ্গনেও ভারতের ভূমিকা আরও দৃঢ় করবে এবং ভবিষ্যতে নয়া সহযোগিতার দোর খুলে দেবে। সব মিলিয়ে, প্রধানমন্ত্রীর (PM Modi) এই ইউরোপ সফরকে ভারতীয় কূটনীতির একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় হিসেবেই দেখা হচ্ছে।

     

  • Narendra Modi: ২০ জুন রাজ্যে আসছেন প্রধানমন্ত্রী, প্রতিটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ‘পশ্চিমবঙ্গ দিবস’ উদযাপনের নির্দেশ নবান্নের

    Narendra Modi: ২০ জুন রাজ্যে আসছেন প্রধানমন্ত্রী, প্রতিটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ‘পশ্চিমবঙ্গ দিবস’ উদযাপনের নির্দেশ নবান্নের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আগামী ২০ জুন রাজ্যে (Paschimbanga Diwas 20 June) আসছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Narendra Modi)। পশ্চিমবঙ্গ দিবস এবং আন্তর্জাতিক যোগ দিবসে যোগদান করবেন বলে জানা গিয়েছে। রাজ্যের তরুণ প্রজন্মের হৃদয়ে বাংলার নিজস্ব সংস্কৃতি, সুদীর্ঘ ইতিহাস এবং ঐতিহ্যগত গৌরবকে নতুন করে উজ্জীবিত করতে এক যুগান্তকারী প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ করল রাজ্য সরকার। স্কুল, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয় সহ রাজ্যের সমস্ত স্তরের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে যথাযোগ্য মর্যাদার সঙ্গে ‘পশ্চিমবঙ্গ দিবস’ উদযাপনের জন্য নবান্নের পক্ষ থেকে একটি সুনির্দিষ্ট নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে। রাজ্য স্বরাষ্ট্র দফতর এবং শিক্ষা দফতরের যৌথ সমন্বয়ে প্রস্তুত এই নির্দেশিকাটি ইতিমধ্যেই প্রতিটি জেলার শিক্ষা আধিকারিকদের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান প্রধানদের কাছে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে। এই উৎসবের মূল উদ্দেশ্য হলো, শিক্ষার্থীদের মধ্যে সুস্থ গঠনমূলক ইতিহাস চেতনা জাগ্রত করা এবং রাজ্যের নিজস্ব আত্মপরিচয়কে সুদৃঢ় করা।

    প্রশাসনিক নির্দেশিকার মূল রূপরেখা (Paschimbanga Diwas 20 June)

    নবান্ন সূত্রে প্রাপ্ত তথ্যানুযায়ী, এই বিশেষ দিনে রাজ্যের প্রতিটি সরকারি, সরকার-পোষিত এবং বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে বাধ্যতামূলকভাবে বিশেষ কর্মসূচির (Paschimbanga Diwas 20 June) আয়োজন করতে হবে। নির্দেশিকায় স্পষ্ট করে বলা হয়েছে যে, উদযাপনটি যেন কেবল একটি আনুষ্ঠানিক নিয়মরক্ষার মধ্যে সীমাবদ্ধ না থাকে, বরং তা যেন হয়ে ওঠে ছাত্রছাত্রীদের জন্য এক অনুপ্রেরণামূলক অভিজ্ঞতা। এই লক্ষ্যে প্রতিটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে বিশেষ প্রার্থনা সভা, জাতীয় পতাকা উত্তোলন এবং সঙ্গীতের মাধ্যমে দিনটির সূচনা করার কথা বলা হয়েছে। পাশাপাশি, বাংলার সমাজ গঠনে এবং ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রামে পশ্চিমবঙ্গের যে অবিস্মরণীয় অবদান রয়েছে, তা শিক্ষার্থীদের সামনে সহজ ও আকর্ষণীয় উপায়ে তুলে ধরার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ২০ শে জুন বঙ্গবাসীর কাছে একটি ঐতিহাসিক দিন। এদিনে উপস্থিত থাকবেন দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Narendra Modi)।

    শিক্ষামূলক ও সাংস্কৃতিক কর্মসূচির পরিধি

    রাজ্যের উচ্চ শিক্ষামন্ত্রী জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায় বলেছেন, “২০ জুন (Paschimbanga Diwas 20 June) প্রধানমন্ত্রী আসছেন। যেহেতু তারকেশ্বরের সম্মেলন থেকেই শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় বাংলা ভাগ নিয়ে এই প্রস্তাব গ্রহণ করেছিলেন, তাই তারকেশ্বরকে বেছে নিয়ে সেখানেই পশ্চিমবঙ্গ দিবস পালিত হবে। অত্যন্ত সুচারুভাবে পশ্চিমবঙ্গ দিবসের মাহাত্ম্য, কীভাবে পশ্চিমবঙ্গ তৈরি হলো, হিন্দু-বাঙালির শেষ হোমল্যান্ড হিসেবে ১৯৪৭-এ কীভাবে পশ্চিমবঙ্গের ক্রিয়েশন হয়েছিল—তা নিয়ে আলোচনা হবে।”

    শিক্ষার্থীদের সৃজনশীলতা ও বৌদ্ধিক বিকাশকে (Paschimbanga Diwas 20 June) উৎসাহিত করতে এই দিনটিতে নানাবিধ প্রতিযোগিতামূলক অনুষ্ঠানের রূপরেখা তৈরি করেছে শিক্ষা দফতর। নির্দেশিকা অনুযায়ী, স্কুল ও কলেজগুলিতে নিম্নলিখিত কর্মসূচিগুলি অন্তর্ভুক্ত করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে:

    • আলোচনা সভা ও সেমিনার: বাংলার ইতিহাসবিদ এবং বিশিষ্ট শিক্ষাবিদদের উপস্থিতিতে পশ্চিমবঙ্গের গঠন, সংস্কৃতি এবং ঐতিহ্যবাহী বিবর্তনের ওপর বিশেষ আলোচনা সভার আয়োজন।
    • প্রবন্ধ ও কুইজ প্রতিযোগিতা: রাজ্যের ভৌগোলিক বৈচিত্র্য, ঐতিহাসিক স্থাপত্য এবং মনীষীদের জীবনীর ওপর ভিত্তি করে ছাত্রছাত্রীদের মধ্যে প্রবন্ধ লিখন এবং কুইজ প্রতিযোগিতার আয়োজন করা।
    • সাংস্কৃতিক প্রদর্শনী: বাংলার লোকসংস্কৃতি, যেমন— বাউল গান, ছৌ নাচ, এবং রবীন্দ্র-নজরুল- সৃষ্টিকে কেন্দ্র করে বিশেষ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন, যা শিক্ষার্থীদের মাটির কাছাকাছি নিয়ে যেতে সাহায্য করবে।

    মনীষীদের অবদান স্মরণ ও চেতনার বিকাশ

    নবান্নের আধিকারিকদের (Paschimbanga Diwas 20 June) মতে, রাজা রামমোহন রায়, ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর, স্বামী বিবেকানন্দ, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু, এবং কাজী নজরুল ইসলামের মতো যুগপুরুষদের জন্মভূমি এই বাংলা। বর্তমান যুগে বিশ্বায়নের আবহে তরুণ প্রজন্ম যাতে নিজেদের এই সমৃদ্ধ শিকড়কে ভুলে না যায়, তা নিশ্চিত করাই এই নির্দেশিকার অন্যতম প্রধান লক্ষ্য। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এই ধরনের উৎসব উদযাপনের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের মধ্যে পারস্পরিক সৌহার্দ্য, সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি এবং গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের বিকাশ ঘটবে বলে আশা করছে ওয়াকিবহাল মহল।

    পরিকাঠামো ও বাস্তবায়নের প্রস্তুতি

    এই বিশাল কর্মযজ্ঞকে সফল করতে প্রতিটি জেলার জেলাশাসক (DM) এবং স্কুল পরিদর্শকদের (DI) বিশেষ দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলি যাতে এই অনুষ্ঠান আয়োজনে কোনো আর্থিক বা পরিকাঠামোগত সমস্যার সম্মুখীন না হয়, তার জন্য প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় সহায়তার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে। প্রতিটি প্রতিষ্ঠানে এই দিনটিতে ঠিক কী কী কর্মসূচি রূপায়িত হলো, তার একটি সংক্ষিপ্ত বিবরণী ও আলোকচিত্র পরবর্তী সময়ে শিক্ষা দফতরের নির্দিষ্ট পোর্টালে জমা দেওয়ার নির্দেশও দেওয়া হয়েছে।

    রাজ্য সরকারের এই দূরদর্শী ও ইতিবাচক সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছে রাজ্যের শিক্ষাবিদ ও বুদ্ধিজীবী মহলের সিংহভাগ। তাঁদের মতে, প্রাতিষ্ঠানিক স্তরে এই ধরণের উদ্যোগ শিক্ষার্থীদের মনে দেশপ্রেম ও রাজ্যপ্রেমের এক সুস্থ সমন্বয় ঘটায়, যা একটি আদর্শ সমাজ গঠনে অত্যন্ত জরুরি। নবান্নের এই নির্দেশিকাকে কেন্দ্র করে ইতিমধ্যেই রাজ্যের শিক্ষা ক্ষেত্রগুলিতে এক ব্যাপক প্রস্তুতি ও উদ্দীপনার (Paschimbanga Diwas 20 June) পরিবেশ তৈরি হয়েছে।

  • PM Modi: “নরেন্দ্র মোদি বিশ্বের সর্বশ্রেষ্ঠ রাষ্ট্রপ্রধান”, দ্বাদশ বর্ষপূর্তির অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর প্রশংসায় মুখ্যমন্ত্রী, দিলেন রাজ্য বাজেটে বড় চমকের ইঙ্গিত

    PM Modi: “নরেন্দ্র মোদি বিশ্বের সর্বশ্রেষ্ঠ রাষ্ট্রপ্রধান”, দ্বাদশ বর্ষপূর্তির অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর প্রশংসায় মুখ্যমন্ত্রী, দিলেন রাজ্য বাজেটে বড় চমকের ইঙ্গিত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (PM Modi) কেন্দ্রীয় সরকারের গৌরবময় ১২ বছর পূর্তি উপলক্ষে আয়োজিত একটি বিশেষ অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে তাঁর ভূয়সী প্রশংসা করলেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। মোদিকে ‘বিশ্বের সর্বশ্রেষ্ঠ প্রধানমন্ত্রী’ হিসেবে অভিহিত করার পাশাপাশি রাজ্যের আসন্ন বাজেট নিয়ে সাধারণ মানুষকে এক বড়সড় সুখবরের ইঙ্গিত দিয়েছেন তিনি।

    ভারত ‘বিশ্বগুরু’ হয়ে ওঠার পথে (PM Modi)

    কলকাতার নিউটাউনের বিশ্ববাংলা কনভেনশেন হলে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রী (Suvendu Adhikari) বলেন, “প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi) কেবল ভারতের নন, এই মুহূর্তে গোটা বিশ্বের দরবারে সর্বশ্রেষ্ঠ রাষ্ট্রপ্রধান। বিগত ১২ বছর ধরে তিনি দেশের আমূল পরিবর্তন ও প্রতিটি নাগরিকের ক্ষমতায়নে নিরলস কাজ করে চলেছেন। নিজেকে দেশের প্রধানমন্ত্রী নয়, বরং প্রধান জনসেবক হিসেবে প্রতিষ্ঠা করেছেন।” তিনি আরও যোগ করে বলেন, “প্রধানমন্ত্রীর দূরদর্শী নেতৃত্বেই আজ ভারত ‘বিশ্বগুরু’ হয়ে ওঠার পথে আরও কয়েক ধাপ এগিয়ে গিয়েছে এবং ২০৪৭ সালের মধ্যে ‘বিকশিত ভারত’ গড়ার যে লক্ষ্যমাত্রা নেওয়া হয়েছে, দেশবাসী ঐক্যবদ্ধভাবে তা সফল করবে।”

    রাজ্য বড় আর্থিক বরাদ্দ পেতে শুরু করেছে

    রাজ্যে ‘ডবল ইঞ্জিন’ সরকার প্রতিষ্ঠার সুফলের কথা উল্লেখ করে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “দীর্ঘদিন ধরে বঞ্চিত থাকা পশ্চিমবঙ্গ এখন থেকে দেশের অন্য উন্নত রাজ্যগুলির মতোই সমস্ত কেন্দ্রীয় প্রকল্পের সম্পূর্ণ সুবিধা পাবে। প্রধানমন্ত্রী (PM Modi) বাংলার সার্বিক রূপান্তর ও উন্নয়নে অত্যন্ত ইতিবাচক পদক্ষেপ নিচ্ছেন।” উদাহরণ হিসেবে তিনি জানান, জল জীবন মিশন সহ একাধিক কেন্দ্রীয় প্রকল্পে ইতিমধ্যেই রাজ্য বড় আর্থিক বরাদ্দ পেতে শুরু করেছে। একই সঙ্গে সাধারণ মানুষের দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা পূরণ করে মুখ্যমন্ত্রী (Suvendu Adhikari) ইঙ্গিত দেন যে, রাজ্যের আসন্ন বাজেটে সর্বস্তরের নাগরিকদের জন্য অত্যন্ত ইতিবাচক ও কল্যাণমুখী কিছু বড় ঘোষণা আসতে চলেছে। কেন্দ্রের সহযোগিতায় রাজ্য সরকারের এই বাজেট বাংলার অর্থনৈতিক পরিকাঠামো বদলে দিতে এবং সাধারণ মানুষকে সরাসরি স্বস্তি দিতে বড় ভূমিকা নেবে বলে রাজনৈতিক মহল মনে করছে।

LinkedIn
Share