Tag: PM Modi

PM Modi

  • TMC Leader Shamim Ahmed: অরূপ রায়-ঘনিষ্ঠ তৃণমূল নেতার বাড়িতে গোপন সুড়ঙ্গ! শোয়ার ঘরে রাজ-পালঙ্ক, তল্লাশিতে গিয়ে পুলিশ থ

    TMC Leader Shamim Ahmed: অরূপ রায়-ঘনিষ্ঠ তৃণমূল নেতার বাড়িতে গোপন সুড়ঙ্গ! শোয়ার ঘরে রাজ-পালঙ্ক, তল্লাশিতে গিয়ে পুলিশ থ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তৃণমূলের শাসনে এই রকম উন্নয়ন অকল্পনীয়। তবে তৃণমূল নেতাদের আর্থিক সমৃদ্ধির দৃশ্য খোদ তদন্তকারী পুলিশ অফিসারদেরকেই রীতিমতো চমকে দিয়েছে। ঘিঞ্জি জনবসতিপূর্ণ এলাকায় এমন স্থাপত্যের অস্তিত্ব থাকতে পারে, তা কল্পনাও করতে পারেননি তদন্তকারীরা। হাওড়ার (Howrah) শিবপুরের চওড়াবস্তি এলাকায় পলাতক তৃণমূল নেতা শামিম আহমেদ ওরফে ‘বড়ে’-র বাসভবনে তল্লাশি চালাতে গিয়ে কার্যত স্তম্ভিত হয়ে গেলেন পুলিশ আধিকারিকরা। কেবল বহুমূল্য আসবাব বা মুঘল ঘরানার স্থাপত্য নয়, বাড়ির অন্দরে মাটির নিচে আবিষ্কৃত হয়েছে এক রহস্যময় গোপন সুড়ঙ্গ। প্রশাসনিক মহলের ধারণা, বিপদের সময় আইন-শৃঙ্খলার নজর এড়িয়ে পলায়নের উদ্দেশ্যেই এই বিশেষ অবৈধ নির্মাণ করা হয়েছিল। তবে এই আলিশান রাজমহল (TMC Leader Shamim Ahmed) নির্মাণের টাকা কোথা থেকে আসতো? আসুন দেখে নিই কুখ্যত শামিম আহমেদের কুকীর্তি।

    আভিজাত্যের আড়ালে রহস্যের জাল (Howrah)

    নির্বাচন-পরবর্তী হিংসা এবং বিজেপি সংখ্যালঘু সেলের এক নেতার বাড়িতে হামলার অভিযোগে অভিযুক্ত শামিম আহমেদ (TMC Leader Shamim Ahmed) বর্তমানে পলাতক। তাঁর খোঁজে শিবপুরের ওই প্রাসাদে হানা দেয় পুলিশ। বাড়ির ভেতরে প্রবেশ করতেই আধিকারিকদের চোখ চড়কগাছ হয়ে যায়। সুড়ঙ্গ পেরলেই ‘সিংহদুয়ার’। নেমপ্লেটে লেখা শামিম আহম্মেদ নাম। দরজা খুললেই ভিতরে এলাহি ব্যবস্থা। গোটা বাড়ির সিসিটিভি মনিটরিং চলছে ওই ঘর থেকে।

    হাওড়ার তৃণমূল (TMC) নেতা শামিম আহমেদের সেই বাড়ির ছবি ইতিমধ্যেই সামনে এসেছে। দামি আসবাবপত্র, সিনেমার সেটের মতো সজ্জা এবং কারুকার্যমণ্ডিত ঘরগুলি আভিজাত্যের চরম নিদর্শন। তবে তল্লাশি চলাকালীন মাটির নিচে সুড়ঙ্গের সন্ধান মিলতেই পুরো পরিস্থিতি ভিন্ন মাত্রা পায়। সংবাদমাধ্যমের ক্যামেরায় ধরা পড়েছে সেই রহস্যময় সুড়ঙ্গ এবং নেমপ্লেট সম্বলিত শামিমের ঘরের চিত্র। এই সুড়ঙ্গ পথটি ঠিক কোথায় গিয়ে মিশেছে এবং এর মাধ্যমে কোনও অপরাধমূলক কারসাজি চলত কি না, তা নিয়ে ইতিপূর্বেই তদন্ত শুরু হয়েছে।

    সাধারণ জীবন থেকে ক্ষমতার শিখরে: শামিমের উত্থান

    মধ্য হাওড়ার (Howrah) রাজনৈতিক অলিন্দে কান পাতলে শামিম আহমেদের উল্কাসম উত্থানের কাহিনী শোনা যায়। জানা যায়, একসময় শপিং মলের সাধারণ কর্মচারী হিসেবে কাজ করা এই ব্যক্তি সময়ের ব্যবধানে এলাকার বেতাজ বাদশা হয়ে ওঠেন। ৩৬ নম্বর ওয়ার্ডের প্রাক্তন কাউন্সিলরের স্বামী এবং প্রাক্তন মন্ত্রী অরূপ রায়ের ছায়াসঙ্গী (TMC Leader Shamim Ahmed) হিসেবে পরিচিত হওয়ার পর থেকেই তাঁর প্রভাব-প্রতিপত্তি বাড়তে থাকে। স্থানীয়দের কাছে তিনি ‘বড়ে’ বা কেউ কেউ ‘ডন’ হিসেবেও পরিচিত। তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে, প্রশাসনিক ও রাজনৈতিক প্রশ্রয়ে তিনি ওই এলাকায় আধিপত্য বিস্তার করেছিলেন।

    রাজনৈতিক উত্তাপ ও অভিযোগের আঙুল

    শামিমের (TMC Leader Shamim Ahmed) বাড়িতে (Howrah) এই গোপন সুড়ঙ্গের সন্ধান পাওয়ার ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসতেই রাজ্যে রাজনৈতিক চাপানউতোর তুঙ্গে উঠেছে। বিজেপি নেতৃত্ব এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে শাসকদলের বিরুদ্ধে কড়া সমালোচনা শুরু করেছে।

    রাজ্যের নবনিযুক্ত মন্ত্রী দিলীপ ঘোষ কটাক্ষ করে বলেন, “তদন্ত যত এগোবে, সুড়ঙ্গ বা গুহার পাশাপাশি টাকার পাহাড়ও বেরিয়ে আসবে।” অন্যদিকে, শিবপুরের বিধায়ক রুদ্রনীল ঘোষ সরাসরি প্রাক্তন মন্ত্রী অরূপ রায়ের দিকে আঙুল তুলেছেন। তাঁর দাবি, “হাওড়ার মতো প্রাচীন শহরকে জমি প্রোমোটিং, মাদক ব্যবসা এবং লুটের রাজত্বে পরিণত করার নেপথ্যে এই নেতারাই মদতদাতা হিসেবে কাজ করেছেন। অপরাধীদের সুরক্ষা দিতে পুলিশকেও ঢাল হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে।”

    প্রশাসনিক তৎপরতা

    তদন্তকারীদের প্রাথমিক অনুমান, এই শামিমের (TMC Leader Shamim Ahmed)  সুড়ঙ্গ পথটি জরুরি অবস্থায় আত্মগোপন করার জন্য সুপরিকল্পিতভাবে তৈরি করা হয়েছিল। তৃণমূল নেতার এই ‘অপারেশনাল স্টাইল’ কোনও অন্ধকার জগতের অপরাধীদের কর্মপদ্ধতির সঙ্গে তুলনীয় বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। ঘটনার পর থেকে এলাকায় তীব্র চাঞ্চল্য বিরাজ করছে। পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এই সুড়ঙ্গের বিস্তৃতি এবং এর সঙ্গে অন্য কোনো গোপন কার্যকলাপের যোগসূত্র খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

    এনআইএ-ও গ্রেফতার করেছিল শামিমকে

    এই প্রথমবার শামিমের (TMC Leader Shamim Ahmed) বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠল, তা নয়। আগেও তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে। হাওড়ায় (Howrah) রামনবমীর শোভাযাত্রায় হামলা চালানোর অভিযোগে যখন এনআইএ তদন্তভার নিয়ে গ্রেফতার করা হয়েছিল এই বড়েকে। যদিও সেই সময় তদন্তে ভাইরাল ভিডিয়ো সম্পর্কে হাওড়া সিটি পুলিশের কর্তারা কিছু জানাতে চাননি। তৃণমূলের শাসনে তোষণ নীতির কারণে শামিম রক্ষা পেলেও বিজেপি সরকারের দুর্নীতি এবং সিন্ডিকেট রাজের বিরুদ্ধে জিরো টোলারেন্স নীতি গ্রহণ করার সক্রিয় ভূমিকা পালন করতে দেখা গিয়েছে। রাজ্যে প্রশাসনিক রদবদল এবং নতুন সরকারের কড়া অবস্থানের মাঝেই এই ধরণের ঘটনা শাসকদলের ভাবমূর্তিকে নতুন করে চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলেছে। এখন দেখার, এই সুড়ঙ্গের রহস্য উদ্ঘাটনে তদন্ত কোন পথে এগোয়।

  • PM Modi: বঙ্গবিজয়ে মোদিকে অভিনন্দন ত্রিনিদাদ ও টোবাগোর প্রধানমন্ত্রীর, শীঘ্রই সফরে যাবেন বিদেশমন্ত্রী জয়শঙ্কর

    PM Modi: বঙ্গবিজয়ে মোদিকে অভিনন্দন ত্রিনিদাদ ও টোবাগোর প্রধানমন্ত্রীর, শীঘ্রই সফরে যাবেন বিদেশমন্ত্রী জয়শঙ্কর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনে ভারতীয় জনতা পার্টির (BJP) ঐতিহাসিক জয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে (PM Modi) আন্তরিক অভিনন্দন জানালেন ত্রিনিদাদ ও টোবাগোর (Trinidad-Tobago) প্রধানমন্ত্রী কমলা প্রসাদ-বিসেশ্বর। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ‘এক্স’-এ হ্যান্ডলে একটি বার্তার মাধ্যমে তিনি এই শুভেচ্ছা জানান।

    বঙ্গ জয়কে ‘ঐতিহাসিক মাইলফলক’ হিসেবে বর্ণনা (PM Modi)

    নিজের এক্স হ্যান্ডলে কমলা প্রসাদ-বিসেশ্বর (Trinidad-Tobago) তাঁর বার্তায় বলেন, “পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনে ভারতীয় জনতা পার্টির এই বিপুল ও ঐতিহাসিক জয়ে আমি ভারত প্রজাতন্ত্রের প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi) এবং বিজেপি-কে ত্রিনিদাদ ও টোবাগো সরকারের পক্ষ থেকে অভিনন্দন জানাচ্ছি।” তিনি আরও উল্লেখ করেন করেন, “১০ কোটিরও বেশি মানুষের রাজ্য পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির এই প্রথম জয় ভারতের গণতান্ত্রিক কাঠামোর শক্তিকেই প্রতিফলিত করে। এই রাজনৈতিক জয় ভারতের রাজনৈতিক ইতিহাসে একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক।”

    মোদির নেতৃত্বের প্রশংসা

    ভারতের গণতন্ত্রের ভূয়সী প্রশংসা করে কমলা প্রসাদ-বিসেশ্বর (Trinidad-Tobago) বলেন, “ভারত আজ বিশ্বের বৃহত্তম গণতন্ত্র হিসেবে গর্বের সঙ্গে দাঁড়িয়ে আছে। বৈশ্বিক পরিবর্তন ও সম্ভাবনার এই সন্ধিক্ষণে প্রধানমন্ত্রী মোদির (PM Modi) শান্ত, সুশৃঙ্খল এবং দৃঢ় নেতৃত্ব ভারতীয় জনগণের আস্থা বজায় রাখতে সক্ষম হয়েছে।”

    দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক ও জয়শঙ্করের সফর

    শুভেচ্ছা বার্তার পাশাপাশি ত্রিনিদাদ ও টোবাগোর প্রধানমন্ত্রী জানান যে, তাঁরা ভারতের বিদেশমন্ত্রী ডঃ এস জয়শঙ্করের আসন্ন সফরের অপেক্ষায় রয়েছেন। চলতি সপ্তাহেই জয়শঙ্করের সেখানে পৌঁছানোর কথা রয়েছে। এই সফরের মাধ্যমে দুই দেশের পারস্পরিক গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ, দীর্ঘদিনের অংশীদারিত্ব এবং উন্নয়নমূলক সহযোগিতা আরও সুদৃঢ় হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

    কৃতজ্ঞতা প্রকাশ বিদেশমন্ত্রীর

    প্রধানমন্ত্রী কমলা প্রসাদ-বিসেশ্বরের (Trinidad-Tobago) এই উষ্ণ অভ্যর্থনার জবাবে বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর তাঁকে ধন্যবাদ জানিয়ে লেখেন, “আপনার সুন্দর শব্দ চয়ন  এবং উষ্ণ অভ্যর্থনার জন্য ধন্যবাদ। আমি খুব শীঘ্রই ত্রিনিদাদ ও টোবাগো সফরে আসার এবং দুই দেশের সম্পর্ককে আরও শক্তিশালী করতে আপনার ও আপনার টিমের সঙ্গে কাজ করার অপেক্ষায় রয়েছি।”

  • Annapurna Bhandar: কবে পাবেন ‘অন্নপূর্ণা ভান্ডারের’ টাকা? কী জানালেন নয়া মুখ্যমন্ত্রী?

    Annapurna Bhandar: কবে পাবেন ‘অন্নপূর্ণা ভান্ডারের’ টাকা? কী জানালেন নয়া মুখ্যমন্ত্রী?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ১ জুন থেকেই মহিলাদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে ঢুকতে শুরু করবে ‘অন্নপূর্ণা ভান্ডারের’ টাকা। সোমবার নবান্নে বিজেপি-শাসিত সরকারের মন্ত্রিসভার প্রথম বৈঠক ছিল। সেই বৈঠকের পরেই ‘অন্নপূর্ণা ভান্ডার’ (Annapurna Bhandar) চালুর দিনক্ষণ ঘোষণা করে দিল রাজ্য সরকার। এদিন থেকেই সরকারি বাসে চড়লে (WB Govt) মহিলাদের আর ভাড়া দিতে হবে না বলেও জানিয়ে দেওয়া হয়েছে।

    ‘অন্নপূর্ণা ভান্ডারে’র প্রতিশ্রুতি পূরণ (Annapurna Bhandar)

    প্রসঙ্গত, নির্বাচনী প্রচারে পশ্চিমবঙ্গে এসে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি থেকে শুরু করে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ পর্যন্ত বিজেপির হেভিওয়েট নেতারা বার বার মহিলাদের জন্য অন্নপূর্ণা ভান্ডারের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। নয়া সরকারের প্রথম কর্মদিবসেই একে একে সেই প্রতিশ্রুতিগুলি পূরণ করা শুরু করলেন নয়া মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু। প্রশাসন সূত্রে খবর, লক্ষ্মীর ভান্ডার যাঁরা পেতেন, তাঁরাই অন্নপূর্ণা ভান্ডারের আওতায় মাসে মাসে তিন হাজার টাকা পাবেন। আপাতত নতুন করে অন্নপূর্ণা ভান্ডারের জন্য আবেদন করার প্রয়োজন নেই। পরবর্তী সময়ে যদি কোনও নথি কিংবা তথ্যের প্রয়োজন হয়, তা জানিয়ে দেওয়া হবে সরকারের তরফে।

    শুভেন্দুর মন্ত্রিসভায় কে, কোন দফতর পেলেন

    এদিকে, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির উপস্থিতিতে শনিবার মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দুর সঙ্গেই ব্রিগেড ময়দানে শপথ নিয়েছিলেন বাকি পাঁচ মন্ত্রীও। এদিন তাঁদের দফতর বণ্টন করেন মুখ্যমন্ত্রী। জানা গিয়েছে, পঞ্চায়েত, কৃষি বিপণন ও প্রাণিসম্পদ দফতরের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে দিলীপ ঘোষকে (Annapurna Bhandar)। অগ্নিমিত্রা পাল পেয়েছেন নারী, শিশু ও সমাজকল্যাণ দফতর এবং পুর ও নগরোন্নয়ন দফতরের দায়িত্ব (WB Govt)। প্রাক্তন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী নিশীথ প্রামাণিক সামলাবেন ক্রীড়া ও উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন দফতর। খাদ‍্য ও সরবরাহ দফতরের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে অশোক কীর্তনিয়াকে। আদিবাসী উন্নয়ন দফতরের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে ক্ষুদিরাম টুডুকে। বাকি সব দফতর আপাতত থাকবে মুখ্যমন্ত্রীর হাতে। বিজেপি-শাসিত বাংলার মন্ত্রিসভার প্রথম বৈঠক শেষে শুভেন্দু জানান, তাঁর মন্ত্রিসভা চলবে সুশাসন ও সুরক্ষার পথে। তিনি এও জানান, বিজেপিশাসিত রাজ্যগুলিতে ‘ডবল ইঞ্জিন সরকার’ যে পথে এগোচ্ছে, পশ্চিমবাংলায়ও সরকার সেই পথেই এগোবে (Annapurna Bhandar)।

     

  • PM Modi: পুনর্নির্মিত সোমনাথ মন্দির প্রতিষ্ঠার ৭৫ বছর পূর্তিতে গুজরাটে প্রধানমন্ত্রী

    PM Modi: পুনর্নির্মিত সোমনাথ মন্দির প্রতিষ্ঠার ৭৫ বছর পূর্তিতে গুজরাটে প্রধানমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পুনর্নির্মিত সোমনাথ মন্দিরের প্রতিষ্ঠার ৭৫ বছর পূর্তি উপলক্ষে সোমবার গুজরাটের প্রভাস পাটানে এক বিরাট (Kumbhabhishek) রোডশোয়ের সূচনা করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। এই মন্দিরটি ভারতের সভ্যতার স্থিতিশীলতা, আধ্যাত্মিক ধারাবাহিকতা এবং সাংস্কৃতিক আত্মবিশ্বাসের প্রতীক হিসেবে পরিচিত।

    ‘সোমনাথ অমৃত মহোৎসব’ (PM Modi)

    প্রধানমন্ত্রীর এই সফর ছিল ‘সোমনাথ অমৃত মহোৎসবে’র অংশ। স্বাধীনতার পর ১৯৫১ সালে ভারতের প্রথম রাষ্ট্রপতি রাজেন্দ্র প্রসাদ কর্তৃক পুনরুদ্ধার করা মন্দিরের উদ্বোধনের ৭৫ বছর পূর্তি উপলক্ষে আয়োজন করা হয়েছিল এই রোড-শোয়ের। অনুষ্ঠানটি এ বছরের শুরুতে পালিত ‘সোমনাথ স্বাভিমান পর্বে’র সঙ্গেও যুক্ত। ১০২৬ সালে গজনির মামুদ প্রথম আক্রমণের হাজার বছর স্মরণে পালিত হয়েছিল এই ‘পর্ব’। এদিন হাজার হাজার ভক্ত ও স্থানীয় বাসিন্দা হেলিপ্যাড থেকে মন্দির প্রাঙ্গনের নিকটবর্তী বীর হামিরজি সার্কেল পর্যন্ত প্রায় দেড় কিলোমিটার পথে হাজির হয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানাতে। গেরুয়া পতাকা নাড়িয়ে এবং স্লোগান দিতে দিতে মানুষ রাস্তার দু’পাশে সারিবদ্ধভাবে দাঁড়িয়েছিলেন। কড়া নিরাপত্তার মধ্যে প্রধানমন্ত্রীর কনভয় ধীরে ধীরে অতিক্রম করে উপকূলীয় শহরটি।

    বর্ণময় উৎসব

    উৎসবকে আরও বর্ণময় করতে রোডশোয়ের বিভিন্ন অংশে লোকনৃত্য ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পরিবেশন করেন পশ্চিমবঙ্গ-সহ বিভিন্ন রাজ্যের শিল্পীরা। ফলে অনুষ্ঠানটি আদতে পরিণত হয় ভারতের বৈচিত্র্যময় সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের এক অনন্য প্রদর্শনীতে (Kumbhabhishek)। রোডশোয়ের পর প্রধানমন্ত্রী সোমনাথ মন্দিরে যান, অংশগ্রহণ করেন একাধিক বিশেষ ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠানে। প্রধানমন্ত্রী ‘বিশেষ মহাপূজা’, ‘কুম্ভাভিষেক’ এবং ‘ধ্বজারোহণ’ অনুষ্ঠানেও অংশ নেন। আচার চলাকালীন হেলিকপ্টার থেকে মন্দিরের ওপর ফুলের পাপড়ি বৃষ্টি করা হয়, যা হিন্দুধর্মের অন্যতম পবিত্র জ্যোতির্লিঙ্গকে ঘিরে এক মনোমুগ্ধকর দৃশ্যের সৃষ্টি করে।

    একাধিকবার নিশানায় সোমনাথ মন্দির

    ভারতীয় সভ্যতায় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ স্থান অধিকার করে রয়েছে গুজরাটের সোমনাথ মন্দির। একাধিকবার আক্রমণ ও ধ্বংসের পর বারবার পুনর্নির্মিত এই মন্দির দীর্ঘদিন ধরে হিন্দু ধর্মবিশ্বাস ও ভারতের সাংস্কৃতিক পরিচয়ের স্থায়িত্বের প্রতীক হিসেবে বিবেচিত হয়ে আসছে। স্বাধীনতার পরে পুনর্নির্মাণের চেষ্টা, যা সর্দার বল্লভ ভাই প্যাটেল এবং কেএম মুন্সির মতো নেতাদের ব্যাপক সমর্থন পেয়েছিল, হয়ে ওঠে ভারতের ঐতিহ্য পুনরুদ্ধারের এক বৃহত্তর জাতীয় সংকল্পের প্রতীক। এদিন সদ্ভাবনা ময়দানে আয়োজিত এক জনসভায় ভাষণ দেওয়া এবং ৭৫ বছর পূর্তি উপলক্ষে একটি স্মারক ৭৫ টাকার মুদ্রা প্রকাশ করার কথা রয়েছে প্রধানমন্ত্রীর। ৮ মে জারি করা (Kumbhabhishek) এক সরকারি বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, মুদ্রার এক পাশে সোমনাথ মন্দিরের ছবি থাকবে, তার সঙ্গে লেখা থাকবে: “ভারতের অটল বিশ্বাস ও ভক্তির ১০০০ বছরের উদ্‌যাপন”, এর পাশাপাশি উল্লেখ থাকবে ২০২৬ সালও। এই মুদ্রা তৈরি করা হবে কলকাতার সরকারি টাঁকশালে।

    ‘সর্দার ধাম ভবন-৩’

    প্রধানমন্ত্রী (PM Modi) ভাদোদরায় ‘সর্দার ধাম ভবন-৩’, যা ‘শ্রী দুষ্যন্ত ও দক্ষ প্যাটেল কমপ্লেক্স’ নামে পরিচিত, তার উদ্বোধনও করবেন। প্রায় ৪.৭৫ লাখ বর্গফুট এলাকায় ১৫০ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত এই কমপ্লেক্সে আবাসন কক্ষ, এনআরআই অতিথিশালা, ই-লাইব্রেরি, কেরিয়ার গাইডেন্স ও প্রশিক্ষণ কেন্দ্র এবং ১,০০০ আসনের অডিটোরিয়াম রয়েছে। দু’দিনের গুজরাট সফরের শুরুতে রবিবার রাতে মোদি জামনগরে পৌঁছন। হাই-প্রোফাইল অনুষ্ঠানগুলিকে সামনে রেখে জামনগর, সোমনাথ ও ভাদোদরায় ব্যাপক প্রস্তুতি (PM Modi) ও স্বাগত কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে (Kumbhabhishek)।

     

  • PM Modi: ‘আবার ঘর থেকে কাজ করুন, পেট্রোল-ডিজেল-গ্যাস ব্যাবহারে সংযত হন’, দেশবাসীকে বার্তা প্রধানমন্ত্রীর

    PM Modi: ‘আবার ঘর থেকে কাজ করুন, পেট্রোল-ডিজেল-গ্যাস ব্যাবহারে সংযত হন’, দেশবাসীকে বার্তা প্রধানমন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পশ্চিম এশিয়ার অস্থিরতা, আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত তেলের মূল্যবৃদ্ধি এবং বিশ্বজুড়ে সরবরাহ শৃঙ্খলের অনিশ্চয়তার আবহে দেশবাসীর উদ্দেশে এক বছরের “নাগরিক সত্যাগ্রহ”-এর (Civic Satyagraha) ডাক দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Narendra Modi)। সোমবার তেলঙ্গানার হায়দরাবাদের প্যারেড গ্রাউন্ডে প্রায় ৯,৪০০ কোটি টাকার বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের উদ্বোধন ও শিলান্যাস অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি দেশবাসীকে বিদেশি মুদ্রা সাশ্রয়ে সচেতন হওয়ার আহ্বান জানান। দেশবাসীকে পেট্রোল, ডিজেল ও গ্যাসের মতো জ্বালানি পণ্য সংযতভাবে ব্যবহারের কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী মোদি। দেশের আর্থিক স্বাস্থ্য রক্ষা করার জন্য তিনি নাগরিকদের দৈনন্দিন অভ্যাস পরিবর্তনের আহ্বান জানান।

    দেশের অর্থনীতিকে আরও শক্তিশালী করার বার্তা

    পশ্চিম এশিয়ার চলমান অস্থিরতা এবং বিশ্ববাজারে জ্বালানি সঙ্কটের কথা মাথায় রেখে জ্বালানি ব্যবহার যথাসম্ভব সীমিত রাখা জরুরি বলে মনে করেন প্রধানমন্ত্রী। রবিবার তেলঙ্গনায় একাধিক উন্নয়নমূলক প্রকল্পের উদ্বোধন করতে গিয়ে দেশবাসীর উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “দেশের জন্য প্রাণ দেওয়া যেমন দেশপ্রেম, তেমনই দেশের জন্য বাঁচাও সমান গুরুত্বপূর্ণ।” তাঁর কথায়, বর্তমান বৈশ্বিক পরিস্থিতিতে প্রতিটি ভারতীয়কে “রুপির রক্ষক” হিসেবে দায়িত্ব নিতে হবে। দৈনন্দিন জীবনে ছোট ছোট পরিবর্তনের মাধ্যমেই দেশের অর্থনীতিকে আরও শক্তিশালী করা সম্ভব বলে মত প্রধানমন্ত্রীর।

    পেট্রোল ও ডিজেলের ব্যবহার কমানোর উপর জোর

    বর্তমানে আমেরিকা এবং ইরানের মধ্যে যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে তেল সরবরাহের মূল পথ হরমুজ প্রণালীটি অবরুদ্ধ। তাই আমদানিনির্ভর জ্বালানি সরবরাহে বিঘ্ন ঘটতে পারে, রবিবার হায়দরাবাদের অনুষ্ঠান থেকে এমন আশঙ্কার কথাই জানান নরেন্দ্র মোদি। একইসঙ্গে এ কথা মাথায় রেখে দেশবাসীকে আরও সাশ্রয়ী হওয়ার আহ্বান জানান। বক্তৃতায় তিনি বলেন, “সময়ের দাবি মেনে পেট্রোল, গ্যাস এবং ডিজেলের মতো জ্বালানি অত্যন্ত সংযমের সঙ্গে ব্যবহার করতে হবে। আমাদের মনে রাখতে হবে যে ভারতের জ্বালানির অধিকাংশই আমদানি নির্ভর। তাই এর সঠিক ব্যবহার যেমন বৈদেশিক মুদ্রা সাশ্রয়ে সাহায্য করবে, তেমনি যুদ্ধের প্রভাব থেকেও দেশকে রক্ষা করবে।” মোদি যাতায়াতের পদ্ধতিতে বদল আনার কথা বলেন। তিনি বলেন, প্রয়োজন ছাড়া জ্বালানি অপচয় করা উচিত নয়। যেখানে সম্ভব, সেখানে মেট্রো রেল ও গণপরিবহণ ব্যবহার, ব্যক্তিগত গাড়ির ক্ষেত্রে কার-পুলিং, পণ্য পরিবহণে রেলের ব্যবহার এবং ধীরে ধীরে বৈদ্যুতিক যানবাহনের দিকে ঝোঁকার পরামর্শ দেন তিনি।

    ‘ওয়ার্ক ফ্রম হোম’ কেন

    কোভিড-১৯-এর সময়কার দক্ষতার কথা মনে করিয়ে দিয়ে, প্রধানমন্ত্রী দেশের কার্বন ফুটপ্রিন্ট এবং শক্তির খরচ কমাতে ভার্চুয়াল পরিকাঠামো পুনরায় চালুর আহ্বান জানান। করোনা কালের অভিজ্ঞতার কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, অনেক ক্ষেত্রেই ‘ওয়ার্ক ফ্রম হোম’, অনলাইন বৈঠক ও ভার্চুয়াল কনফারেন্স ফের চালু করা যেতে পারে। এতে জ্বালানি খরচ যেমন কমবে, তেমনই কার্বন নিঃসরণও নিয়ন্ত্রণে থাকবে।

    বিদেশ সফর নিয়ে সতর্ক বার্তা

    বিদেশ সফর নিয়েও সতর্ক বার্তা দেন মোদি। তাঁর কথায়, “আজকাল বিদেশে বিয়ে করা, বিদেশে বেড়াতে যাওয়া, ছুটি কাটাতে যাওয়ার সংস্কৃতি বাড়ছে মধ্যবিত্তদের মধ্যে। আমাদের ঠিক করতে হবে, সঙ্কটকালে, দেশের খাতিরে অন্তত এক বছর বিদেশযাত্রা বন্ধ রাখব আমরা। আগামী এক বছর অপ্রয়োজনীয় বিদেশ ভ্রমণ, বিদেশে বিয়ে বা বিলাসবহুল অনুষ্ঠান এড়িয়ে চলা উচিত আমাদের।” তার বদলে দেশীয় পর্যটনকে উৎসাহিত করার পরামর্শ দেন তিনি। মোদি নাগরিকদের বৈদেশিক মুদ্রার বহির্গমন সম্পর্কে সচেতন থেকে “টাকার পাহারাদার” হিসেবে কাজ করতে বলেন।

    অপ্রয়োজনীয় সোনা কেনা এখন নয়

    সোনার গয়না বা অপ্রয়োজনীয় সোনা কেনাকাটাও এক বছরের জন্য কমানোর আবেদন জানান প্রধানমন্ত্রী। তাঁর বক্তব্য, এতে দেশের বৈদেশিক মুদ্রার উপর চাপ কমবে। মোদি বলেন, “বিদেশি মুদ্রা বাঁচানোর সব উপায় দেখতে হবে। সোনা কেনার ক্ষেত্রেও বিদেশি মুদ্রা বেশি খরচ হয়। এককালে সঙ্কটের সময়, যুদ্ধের সময় দেশের স্বার্থে সোনা দান করতেন মানুষ। আজ দানের প্রয়োজন নেই। কিন্তু দেশের স্বার্থে আমাদের সিদ্ধান্ত নিতে হবে, অন্তত এক বছর, যে অনুষ্ঠানই হোক না কেন, সোনার গয়না কিনব না আমরা। সোনা কিনব না। বিদেশি মুদ্রা বাঁচাতে, আমাদের দেশপ্রেম চ্যালেঞ্জের মুখে। বিদেশি মুদ্রা বাঁচাতে হবে।”

    ‘মেড ইন ইন্ডিয়া’ পণ্য ব্যবহারের গুরুত্ব

    ‘মেড ইন ইন্ডিয়া’ পণ্য ব্যবহারের উপরও জোর দেন তিনি। জুতো, ব্যাগ, আনুষঙ্গিক সামগ্রী-সহ দৈনন্দিন ব্যবহারের ক্ষেত্রে দেশীয় পণ্যকে অগ্রাধিকার দেওয়ার আহ্বান জানান। খাদ্যাভ্যাসের প্রসঙ্গ টেনে প্রধানমন্ত্রী বলেন, পরিবারগুলিকে ভোজ্য তেলের ব্যবহারও কমাতে হবে। এতে যেমন দেশের আমদানি ব্যয় কমবে, তেমনই ব্যক্তিগত স্বাস্থ্যও ভালো থাকবে।

    প্রাকৃতিক চাষের দিকে নজর

    কৃষকদের উদ্দেশে তিনি প্রাকৃতিক চাষের দিকে ঝোঁকার এবং রাসায়নিক সারের ব্যবহার অন্তত ৫০ শতাংশ কমানোর পরামর্শ দেন। তিনি ভারতীয় কৃষককে পরিবেশগত স্থায়িত্ব এবং অর্থনৈতিক স্বাধীনতার লড়াইয়ে এক জন প্রথম সারির সৈনিক হিসেবে তুলে ধরেন। কৃষিক্ষেত্রে ডিজেলচালিত পাম্পের বদলে সৌরশক্তিচালিত পাম্প ব্যবহারের আহ্বান জানান। অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী দেশের পুনর্নবীকরণযোগ্য শক্তির কথা তুলে ধরেন। তিনি জানান, সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনে ভারত এখন বিশ্বের প্রথম সারির দেশগুলির মধ্যে অন্যতম। পাশাপাশি আমদানিকৃত জ্বালানির উপর নির্ভরতা কমাতে পেট্রোলের সঙ্গে ইথানল মিশ্রণের ক্ষেত্রেও দেশ উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি করেছে বলে তাঁর দাবি।

    দেশপ্রেমের এক নতুন সংজ্ঞা

    এদিন দেশপ্রেমের এক নতুন সংজ্ঞা দেন প্রধানমন্ত্রী মোদি। তিনি প্রত্যেক ভারতীয় নাগরিককে দেশের অর্থনীতিকে মজবুত করতে এক সম্মিলিত আন্দোলনের ডাক দিয়েছেন। বিশ্বজুড়ে সাপ্লাই চেনের সমস্যা এবং আন্তর্জাতিক সংঘাতের কারণে জিনিসপত্রের দাম বাড়ছে। এই প্রেক্ষাপটে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বর্তমান সংকট শুধু সরকারের একার চ্যালেঞ্জ নয়, বরং এটি জাতির চরিত্রের পরীক্ষা। প্রধানমন্ত্রীর কথায়, “শুধু সীমান্তে জীবন উৎসর্গ করাই দেশপ্রেম নয়। এই সময়ে, আমাদের দৈনন্দিন জীবনে দায়িত্বশীলভাবে বেঁচে থাকা এবং দেশের প্রতি আমাদের কর্তব্য পালন করাই আসল দেশপ্রেম। এগুলি কোনও ত্যাগ নয়, বরং দেশের প্রতি নাগরিক দায়িত্ব।” তিনি দাবি করেন, ১৪০ কোটির বেশি ভারতীয় যদি এই ক্ষুদ্র প্রচেষ্টাগুলি একসঙ্গে করেন, তবে আন্তর্জাতিক অস্থিরতার প্রভাব অনেকটাই কমিয়ে ভারতকে আরও আত্মনির্ভর করে তোলা সম্ভব হবে।

  • PM Modi: তামিলনাড়ুর নয়া মুখ্যমন্ত্রী বিজয়কে অভিনন্দন প্রধানমন্ত্রীর, ধুয়ে দিলেন কংগ্রেসকে

    PM Modi: তামিলনাড়ুর নয়া মুখ্যমন্ত্রী বিজয়কে অভিনন্দন প্রধানমন্ত্রীর, ধুয়ে দিলেন কংগ্রেসকে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তামিলনাড়ুর নয়া মুখ্যমন্ত্রী সি জোসেফ বিজয়কে শপথ নেওয়ার জন্য অভিনন্দন জানালেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। আশ্বাস দেন, কেন্দ্রীয় সরকার রাজ্যের মানুষের জীবনযাত্রার মান উন্নত করতে আগের মতোই কাজ চালিয়ে যাবে (Congress)। এর পাশাপাশি কংগ্রেসকেও নিশানা করেন প্রধানমন্ত্রী। বিজয়ের টিভিকে-র মিত্র দল কংগ্রেসের বিরুদ্ধে ‘পিঠে ছুরি মারা’র অভিযোগও করেন। শতাব্দী প্রাচীন কংগ্রেসকে ‘পরজীবী’ দল বলেও আক্রমণ শানান প্রধানমন্ত্রী।

    কংগ্রেসকে নিশানা প্রধানমন্ত্রীর (PM Modi)

    তাঁর অভিযোগ, কংগ্রেস তাদের দীর্ঘদিনের বন্ধু ডিএমকে-কে ছেড়ে দিয়েছে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, “তামিলনাড়ুর বর্তমান পরিস্থিতি দেখুন। গত ২৫-৩০ বছর ধরে কংগ্রেস এবং ডিএমকের মধ্যে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক ছিল। বারবার ডিএমকের সঙ্গে জোট করে কংগ্রেস সঙ্কট কাটিয়ে উঠেছে।” তিনি বলেন, “আসলে ২০১৪ সালের আগে যে ১০ বছর কংগ্রেস নেতৃত্বাধীন সরকার ছিল, তা মূলত ডিএমকের সমর্থনের ওপরই টিকে ছিল। অথচ রাজনৈতিক পরিস্থিতি বদলাতেই কংগ্রেস সেই ডিএমকের সঙ্গেই বিশ্বাসঘাতকতা করল। অথচ ডিএমকে সবসময় তাদের পাশে ছিল।” প্রধানমন্ত্রী বলেন, “ক্ষমতার লোভে অন্ধ কংগ্রেস প্রথম সুযোগেই ডিএমকের পিঠে ছুরি মেরেছে। এখন রাজনৈতিকভাবে টিকে থাকতে তাদের (PM Modi) আবার নতুন একটি দলের কাঁধে ভর করতে হচ্ছে।”

    নয়া মন্ত্রিসভায় কারা

    বিজয়ের নয়া মন্ত্রিসভায় মোট ৯ জন মন্ত্রী রয়েছেন। সেখানে তরুণ ও অভিজ্ঞ নেতাদের ঠাঁই দেওয়া হয়েছে (Congress)। টিভিকে প্রধানের ঘনিষ্ঠ সহযোগীরাও মন্ত্রিসভায় জায়গা পেয়েছেন। তবে সমর্থন করা সত্ত্বেও কংগ্রেসের ভাগ্যে ছেঁড়েনি মন্ত্রিত্বের শিকে। রাহুল গান্ধীর দলের কোনও নেতাই জায়গা পাননি তামিলনাড়ু মন্ত্রিসভায়। অথচ নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জনের জন্য টিভিকে-কে প্রথমে সমর্থন করার কথা জানিয়েছিল কংগ্রেসই। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, নির্বাচনী প্রচারের সময় থেকেই বোঝা যাচ্ছিল যে কংগ্রেস বিজয়ের দলের দিকে বিশেষ নজর রাখছে। শোনা যাচ্ছে, রাহুল বিজয়ের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ নিয়ে এতটাই আশাবাদী ছিলেন যে, ডিএমকে-র ডাকা একাধিক বৈঠকে যোগ দেয়নি কংগ্রেস।

    ডিএমকের অভিযোগ

    প্রসঙ্গত, আজ প্রধানমন্ত্রী কংগ্রেস সম্পর্কে যা বলেছেন, তা অনেক আগেই জানিয়েছিল ডিএমকে। তারা যখন জানতে পারে কংগ্রেস বিজয়ের টিভিকে-কে সমর্থন করছে, তখনই উঠেছিল ‘পিঠে ছুরি মারা’র অভিযোগ। ডিএমকের এক প্রস্তাবে, যা প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী এমকে স্ট্যালিনের উপস্থিতিতে গৃহীত হয়েছিল, তাতে বলা হয়, “তামিলনাড়ুতে কংগ্রেস আমাদের সঙ্গে ঠিক সেই কাজটাই করেছে, যা বিজেপি অন্য অনেক রাজ্যে করে।” ডিএমকের আরও অভিযোগ, “আমাদের দলনেতার পিঠে ছুরি মেরে কংগ্রেস বিশ্বাসঘাতকতা করেছে। জয়ের জন্য ধন্যবাদ জানাতেও তারা ব্যক্তিগতভাবে আসেনি। তবুও স্ট্যালিন সহনশীলতা ও দায়িত্বশীলতার পরিচয় দিয়েছেন।” ডিএমকের দাবি, কংগ্রেসের পুরনো চরিত্র এখনও বদলায়নি। ওই প্রস্তাবে বলা হয়েছে, “আমাদের জোটে কংগ্রেসকে একটি রাজ্যসভা আসন এবং ২৮টি বিধানসভা আসন দেওয়া হয়েছিল। অথচ মাত্র তিন দিনের মধ্যে তারা অন্য একটি (PM Modi) দলে চলে গেল, যা জোট-কর্মীদের কঠোর (Congress) পরিশ্রমে পাওয়া জয়কে ঝুঁকির মুখে ফেলেছে।”

     

  • PM Modi: শ্যামাপ্রসাদের সহযোগী মাখনলাল সরকারকে প্রণাম প্রধানমন্ত্রীর, জানুন তাঁর অবদানের কথা

    PM Modi: শ্যামাপ্রসাদের সহযোগী মাখনলাল সরকারকে প্রণাম প্রধানমন্ত্রীর, জানুন তাঁর অবদানের কথা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বন্দে মাতরমের ১৫০ বছরে পূরণ হল শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের স্বপ্ন! পশ্চিমবঙ্গের কুর্সিতে বসল বিজেপি। আজ, শনিবার শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান হল ব্রিগেডে। মুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ নিলেন শুভেন্দু অধিকারী। এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। ছিলেন আরও অনেকে। এই ভিড়েই ছিলেন শ্যামাপ্রসাদের সহযোগী মাখনলাল সরকারও। তাঁকে শ্রদ্ধা জানালেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। করলেন প্রণামও। নবতিপর মাখনলালের চোখেমুখে তখন স্পষ্ট আত্মতুষ্টির ছাপ (BJP History)।

    শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় (PM Modi)

    ভারতীয় জনসঙ্ঘের প্রতিষ্ঠাতা শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়। পরে এই সংগঠনই বিজেপি হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে। এই শ্যামাপ্রসাদের অন্যতম ঘনিষ্ঠ সহযোগী ছিলেন মাখনলাল। ১৯৫২ সালে যখন শ্যামাপ্রসাদ কাশ্মীরে ভারতীয় ত্রিবর্ণ রঞ্জিত পতাকা উত্তোলনের আন্দোলন করছিলেন, তখনও তাঁর সঙ্গে ছিলেন মাখনলাল। তার  জেরে গ্রেফতার হন তিনি। দেশাত্মবোধক গান গাওয়ায় তাঁকে গ্রেফতার করা হয়েছিল। সেই সময় দেশে রাজ করছে কংগ্রেস। আদালতে তোলা হয় মাখনলালকে। বিচারপতি তাঁকে ক্ষমা চাইতে বলেন।

    মাখনলালের সাফ কথা 

    মাখনলাল সাফ জানিয়ে দেন, “ক্ষমা চাইব না, কারণ কোনও অপরাধ করিনি (PM Modi)।” বিচারপতি তাঁকে সেই গানটি গাইতে বলেন। মাখনলাল গানটি গেয়ে শোনান বিচারপতিকে। তারপরেই পুলিশকে বিচারপতির নির্দেশ, এঁকে ফার্স্ট ক্লাসের টিকিট কেটে দিন, সঙ্গে দিন ১০০ টাকাও। বঙ্গ বিজেপির সবচেয়ে প্রবীণ কর্মীদের মধ্যে অন্যতম মাখনলাল। এই প্রথম বঙ্গে প্রতিষ্ঠিত হল বিজেপি শাসন। সেখানেই তাঁকে বিশেষভাবে সম্মানিত করেন প্রধানমন্ত্রী।

    শ্যামাপ্রসাদের শেষ সময়ের সঙ্গী মাখনলাল

    মাখনলাল বিজেপি-অনুগত প্রাণ। শ্যামাপ্রসাদের জীবনের শেষের দিনগুলিতেও তাঁর সঙ্গে ছিলেন মাখনলাল। কাশ্মীরে রহস্যজনকভাবে মৃত্যু হয় শ্যামাপ্রসাদের। তাঁর শেষ সময়েও সঙ্গী ছিলেন এই মাখনলাল। ২০২৫ সালের জুলাই মাসে বিজেপির তৎকালীন রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার মাখনলালের শিলিগুড়ির বাসভবনে গিয়ে সাক্ষাৎ করেছিলেন। প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে (BJP History) এ পর্যন্ত কীভাবে বিজেপিতে অবদান রেখেছেন মাখনলাল, এদিনের অনুষ্ঠানে তা স্মরণ করেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য (PM Modi)।

     

  • Central Welfare Schemes: সরকার গড়ছে বিজেপি, বঙ্গে দ্রুত চালু হতে পারে আটকে থাকা বহু কেন্দ্রীয় প্রকল্প

    Central Welfare Schemes: সরকার গড়ছে বিজেপি, বঙ্গে দ্রুত চালু হতে পারে আটকে থাকা বহু কেন্দ্রীয় প্রকল্প

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বঙ্গের ২০৬টি আসনে জয়ী হয়েছে বিজেপি (BJP Bengal Win)। তৃণমূলের ঝুলিতে গিয়েছে প্রায় ৮০টি আসন। বিজেপির (BJP) এই বিপুল জয় এখন কেন্দ্রীয় সরকারের বহু গুরুত্বপূর্ণ কল্যাণমূলক প্রকল্পের (Central Welfare Schemes) অর্থ বরাদ্দ ও বাস্তবায়নের পথ খুলে দিতে পারে। এই প্রকল্পগুলি দীর্ঘদিন ধরে আটকে ছিল নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বাধীন কেন্দ্রীয় সরকার ও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন রাজ্য সরকারের রাজনৈতিক দ্বন্দ্বের কারণে। জানা গিয়েছে, বিজেপির ঐতিহাসিক জয়ের পর অন্তত সাতটি কেন্দ্রীয় প্রকল্প পশ্চিমবঙ্গে আরও কার্যকরভাবে বাস্তবায়িত হতে পারে।

    আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্প (Ayushman Bharat)

    এই তালিকায় প্রথমেই রয়েছে কেন্দ্রের স্বাস্থ্যবিমা প্রকল্প আয়ুষ্মান ভারত-প্রধানমন্ত্রী জন আরোগ্য যোজনা (AB-PMJAY)। এবার পশ্চিমবঙ্গে চালু হতে চলেছে এই যোজনা। এই প্রকল্পে পরিবার পিছু বছরে ৫ লাখ টাকা পর্যন্ত ক্যাশলেস চিকিৎসার সুবিধা মিলবে। দিল্লিতে বিজেপি সদর দফতরে বিজয় ভাষণে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি পশ্চিমবঙ্গে এই প্রকল্প চালুর (Central Welfare Schemes) কথা ঘোষণা করেন। তিনি বলেন, “বাংলায় মহিলারা নিরাপত্তার পরিবেশ পাবেন, যুবসমাজ কর্মসংস্থান পাবে। রাজ্য থেকে কাজের খোঁজে ভিন রাজ্যে যাওয়া বন্ধ হবে। প্রথম মন্ত্রিসভার বৈঠকেই আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্পকে অনুমোদন দেওয়া হবে।” পশ্চিমবঙ্গ ছাড়া দেশের ৩৫টি রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে এই সরকারি স্বাস্থ্যবিমা প্রকল্প চালু রয়েছে। যদিও এটি কেন্দ্রীয়ভাবে পৃষ্ঠপোষকতাপ্রাপ্ত প্রকল্প, এর ব্যয় কেন্দ্র ও রাজ্য সরকার যৌথভাবে বহন করে। পশ্চিমবঙ্গে এই প্রকল্পের প্রায় ৭৫ শতাংশ কাজ সম্পন্ন হয়েছে এবং কেন্দ্রের ৪.৫৬ মিলিয়ন বাড়ি নির্মাণের লক্ষ্যের কাছাকাছি পৌঁছেছে। তবে উপভোক্তা নির্বাচনে অনিয়ম ও প্রকল্পের নাম পরিবর্তনের অভিযোগে বারবার বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে, কেন্দ্রীয় সংস্থার তরফে তদন্তও হয়েছে। গ্রামীণ ও শহুরে আবাসন প্রকল্প দ্রুত বাস্তবায়িত হওয়ার সম্ভাবনাও রয়েছে (BJP)।

    প্রসঙ্গত, সারা দেশে প্রকল্পটির নাম ‘আয়ুষ্মান ভারত’। যদিও পশ্চিমবঙ্গে ‘স্বাস্থ্যসাথী’ নামেই চলেছে প্রধানমন্ত্রীর জন আরোগ্য যোজনার কাজ। ২০১৮ সালে কেন্দ্রের এই প্রকল্পে যোগ দিয়েছিল মমতা বন্দ্যোপাধ্য়ায়ের সরকার। সেই সময় স্বাস্থ্য ভবন সূত্রে জানা গিয়েছিল,  ‘আয়ুষ্মান ভারত’ (Ayushman Bharat) প্রকল্পে সারা দেশে যে দশ কোটি পরিবারকে চিকিৎসা ভাতার অধীনে আনা হচ্ছিল, তার মধ্যে ছিল পশ্চিমবঙ্গের এক কোটি ১২ লক্ষ পরিবারও। আর্থ-সামাজিক জাতি গণনা অনুযায়ী এই এক কোটি ১২ লাখ পরিবারকে চিহ্নিত করেছিল কেন্দ্রীয় সরকার। রাজ্যে স্বাস্থ্যসাথী প্রকল্পে দেড় লাখ টাকার বিমার সুবিধা পায় লাখ চল্লিশেক পরিবার। ‘আয়ুষ্মান ভারত’ প্রকল্পটি ‘স্বাস্থ্যসাথী’র সঙ্গে মিলিয়ে দেওয়ায় রাজ্যে দেড় কোটিরও বেশি পরিবার চিকিৎসা বিমার সুবিধা পাবে বলে সেই সময় (BJP) জানিয়েছিল রাজ্য।

    স্বাস্থ্য দফতরের এক কর্তা জানিয়েছিলেন, মূলত ‘হাইব্রিড’ পদ্ধতিতে এই প্রকল্পটি পরিচালনা করা হবে। স্বাস্থ্য দফতর নিজেরাই ট্রাস্ট তৈরি করে চিকিৎসা বিমার খরচ মেটাবে (Central Welfare Schemes)। বেসরকারি বিমা কোম্পানির সঙ্গে চুক্তি শেষ হওয়ার আগে পর্যন্ত তাদের মাধ্যমেও একাংশের বিমার প্রিমিয়াম মেটানো হবে। পরে সকলের চিকিৎসা খরচই মেটানো হবে রাজ্যের ট্রাস্ট থেকে। এত দিন ৪০ লাখের কিছু বেশি পরিবারের বার্ষিক প্রিমিয়ামের পুরো টাকাটাই রাজ্য সরকারকে মেটাতে হত। গড়ে এক-এক জনের প্রিমিয়াম বাবদ দিতে হত ৫৮০ টাকা। কেন্দ্রীয় প্রকল্পে যোগ দেওয়ায় প্রায় সওয়া কোটি পরিবারের স্বাস্থ্য বিমার ৬০ শতাংশ টাকা (Central Welfare Schemes) দেবে কেন্দ্র। রাজ্য সরকার দেবে বাকি ৪০ শতাংশ। ফলে রাজ্যেও অনেক কম খরচে জেলা হাসপাতাল থেকে মেডিক্যাল কলেজগুলিতে বেশি মানুষকে চিকিৎসা বিমার সুবিধা দেওয়া যাবে। বেসরকারি ক্ষেত্রেও এই সুবিধা মিলবে। যদিও বাংলায় এই প্রকল্পের নাম ছিল স্বাস্থ্যসাথী। সর্বত্র সুবিধা মিলত না বলেও অভিযোগ। বিজেপি (BJP) জমানায় এবার ফের শুরু হবে থমকে থাকা আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্পের কাজ।

    প্রধানমন্ত্রী মৎস্য সম্পদ যোজনা

    পশ্চিমবঙ্গের মৎস্যজীবী সম্প্রদায়ের জন্য কার্যকর হতে পারে প্রধানমন্ত্রী মৎস্য সম্পদ যোজনা। এর মাধ্যমে আর্থিক সহায়তা, বিমা এবং আধুনিক সরঞ্জাম দেওয়া হবে (Central Welfare Schemes)। পশ্চিমবঙ্গে জল জীবন মিশনের অগ্রগতি উল্লেখযোগ্য নয়। পরিসংখ্যান বলছে, ২০২৫ সালের ১৫ ডিসেম্বর পর্যন্ত গ্রামীণ এলাকার ৫৬.৪৬ শতাংশ পরিবার পাইপলাইনের পানীয় জলের সংযোগ পেয়েছে। সংসদে দেওয়া এক প্রশ্নের উত্তরে কেন্দ্রের তরফে জানানো হয়েছে, ২০১৯-২০ থেকে ২০২৩-২৪ পর্যন্ত কেন্দ্রের বরাদ্দ ২৪,৬৪৫ কোটি টাকার মধ্যে রাজ্য মাত্র ৫৩ শতাংশ ব্যবহার করতে পেরেছে। কারণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে প্রস্তাব জমা ও নথিপত্র সংক্রান্ত দেরিকে।

    পিএম শ্রী স্কুল প্রকল্প

    পশ্চিমবঙ্গে স্থগিত রয়েছে পিএম শ্রী স্কুল প্রকল্পের কাজ। কেন্দ্রের পয়সায় চলা এই মডেল স্কুলগুলি এবার চালু হতে পারে। এতে উন্নত হবে শিক্ষার পরিকাঠামো। পশ্চিমবঙ্গ কেন্দ্রীয় ফসল বিমা প্রকল্প থেকে বেরিয়ে গিয়েছিল। এখন প্রধানমন্ত্রী ফসল বিমা যোজনার মাধ্যমে প্রাকৃতিক দুর্যোগে ফসলের ক্ষতির বিরুদ্ধে কৃষকরা সুরক্ষা পাবেন এবং সময়মতো ক্ষতিপূরণও পাবেন (Central Welfare Schemes)। প্রথাগত কারিগর ও শিল্পীদের সাহায্যের উদ্দেশ্যে চালু হয়েছে পিএম বিশ্বকর্মা যোজনা। এই প্রকল্পের মাধ্যমে তাঁতি, কুমোর, কামার-সহ দক্ষ শ্রমিকরা প্রশিক্ষণ, আধুনিক সরঞ্জাম এবং জিরো ব্যালেন্স অ্যাকাউন্টেও ঋণের সুবিধা পাবেন, যা তাঁরা আগে পেতেন না (BJP)।

    প্রসঙ্গত, সদ্য সমাপ্ত বিধানসভা নির্বাচনে ঐতিহাসিক জয় পেয়েছে বিজেপি (BJP Bengal Win)। রাজ্যের ২০৬টি আসন জিতে দুই-তৃতীয়াংশেরও বেশি সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়েছে পদ্মশিবির। উৎখাত করেছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন তৃণমূল কংগ্রেসের শাসনকে। যে শাসনের গেরোয় (Central Welfare Schemes) গত ১৫ বছর ধরে হাঁসফাঁস করছিলেন বঙ্গবাসী!

     

  • Operation Sindoor Anniversary: ‘দেশের জন্য সর্বদা প্রস্তুত’, অপারেশন সিঁদুর’-এর বর্ষপূর্তিতে সেনাকে কুর্নিশ মোদির

    Operation Sindoor Anniversary: ‘দেশের জন্য সর্বদা প্রস্তুত’, অপারেশন সিঁদুর’-এর বর্ষপূর্তিতে সেনাকে কুর্নিশ মোদির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘অপারেশন সিঁদুর’-এর বর্ষপূর্তিতে ভারতীয় সশস্ত্র বাহিনীর সাহস ও বীরত্বকে সম্মান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বুধবার নিজের এক্স (সাবেক টুইটার) প্রোফাইলের ডিসপ্লে ছবি পরিবর্তন করলেন। নতুন ডিসপ্লেতে স্থান পেয়েছে ‘অপারেশন সিঁদুর’-এর প্রতীকী ছবি, যা দেশের নিরাপত্তা রক্ষায় সেনাবাহিনীর ভূমিকার প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন হিসেবে দেখা হচ্ছে। ২০২৫ সালের ৭ মে পহেলগাঁও জঙ্গি হামলার পর ভারত শুরু করেছিল ‘অপারেশন সিঁদুর’ (Operation Sindoor Anniversary)। ভারতীয় সেনাবাহিনী পাকিস্তান ও পাকিস্তান অধিকৃত জম্মু-কাশ্মীর (PoJK)-এ অবস্থিত একাধিক জঙ্গি ঘাঁটিতে নিশানা করে অভিযান চালায়। সরকারি সূত্র অনুযায়ী, এই অভিযানে লস্কর-ই-তইবা, জইশ-ই-মহম্মদ এবং হিজবুল মুজাহিদিনের মোট ৯টি বড় জঙ্গি লঞ্চপ্যাড ধ্বংস করা হয়। অভিযানে ১০০-রও বেশি জঙ্গি নিহত হয়েছিল বলে দাবি ভারতের।

    সেনাবাহিনীকে স্যালুট প্রধানমন্ত্রী মোদির

    পহেলগাঁও হামলার বদলা নিতে গত বছর ৭ মে অপারেশন সিঁদুর অভিযান চালায় ভারত। বৃহস্পতিবার তার বর্ষপূর্তি উপলক্ষে সেনাবাহিনীর জয়গান গাইলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। একইসঙ্গে তাঁর বার্তা, “সন্ত্রাসবাদকে ধ্বংস করার সংকল্পে অটল ভারত।” বৃহস্পতিবার মোদি তাঁর এক্স হ্যান্ডলে লেখেন, ‘এই অভিযানে ভারতের সশস্ত্র বাহিনী অতুলনীয় সাহস, নির্ভুলতা এবং দৃঢ় সংকল্পের প্রদর্শন করেছে। অপারেশন সিঁদুর সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে ভারতের দৃঢ় অবস্থান এবং জাতীয় নিরাপত্তার প্রতি অবিচল অঙ্গীকারকে প্রতিফলিত করেছে।’ প্রধানমন্ত্রী বলেন, “এই অভিযান ভারতের সশস্ত্র বাহিনীর পেশাদারিত্ব, প্রস্তুতি এবং তিন বাহিনীর সম্মিলিত শক্তির পরিচয় দিয়েছে। গোটা দেশ সেনাবাহিনীকে স্যালুট জানায়। সন্ত্রাসবাদকে ধ্বংস করতে করতে ভারত নিজের সংকল্পে অটল রয়েছে।”

    আত্মনির্ভর ভারতের প্রতিরক্ষা সক্ষমতার প্রমাণ

    অন্যদিকে, এদিন সকালে সেনাবাহিনীর তরফেও ভিডিও প্রকাশ করে বিশেষ বার্তা দেওয়া হয়। বলা হয়, “সন্ত্রাসবাদীদের রেহাই নেই। জঙ্গিদের খুঁজে খুঁজে শাস্তি দেবে ভারত।” এদিন অপারেশন সিঁদুরের বর্ষপূর্তিতে প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিংও ভারতীয় সশস্ত্র বাহিনীর বীরত্ব ও আত্মত্যাগকে কুর্নিশ জানান। এক্সে করা পোস্টে তিনি লেখেন, “অপারেশন সিঁদুর আমাদের জাতীয় সংকল্প ও প্রস্তুতির শক্তিশালী প্রতীক। এই অভিযানে ভারতীয় সেনাবাহিনী যে নিখুঁত সমন্বয়, আধুনিক কৌশল ও দৃঢ়তা দেখিয়েছে, তা ভবিষ্যতের সামরিক অভিযানের জন্যও এক নতুন মানদণ্ড স্থাপন করেছে।” তিনি আরও বলেন, “দেশের নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করতে ভারতীয় সশস্ত্র বাহিনী সবসময় প্রস্তুত। একই সঙ্গে এই অভিযান আত্মনির্ভর ভারতের প্রতিরক্ষা সক্ষমতারও প্রমাণ বহন করে।”

  • Shamik Bhattacharya: বিজেপিতে ‘তৃণমূলীকরণ’ চলবে না! পঁচিশে বৈশাখ ব্রিগেডে শপথ নতুন মুখ্যমন্ত্রীর, ঘোষণা করেই নবান্নে শমীক

    Shamik Bhattacharya: বিজেপিতে ‘তৃণমূলীকরণ’ চলবে না! পঁচিশে বৈশাখ ব্রিগেডে শপথ নতুন মুখ্যমন্ত্রীর, ঘোষণা করেই নবান্নে শমীক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিজেপিতে ‘তৃণমূলীকরণ’ চলবে না, হুঁশিয়ারি দলের রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্যের (Shamik Bhattacharya)। আগামী ৯ মে, পঁচিশে বৈশাখ ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডে হবে রাজ্যের নয়া মুখ্যমন্ত্রীর শপথগ্রহণ অনুষ্ঠান। এ নিয়ে রাজ্যের মুখ্যসচিবের সঙ্গে আলোচনার জন্য বুধবার বিকেলে নবান্নে গেলেন শমীক ভট্টাচার্য। রাজ্য প্রশাসনের সদর দফতরে ঢোকার আগে বিজেপির রাজ্য সভাপতি বলে যান, ভোট-পরবর্তী হিংসা বরদাস্ত করা হবে না। এ নিয়ে রাজ্যের মুখ্যসচিবের সঙ্গে আলোচনাও করবেন তিনি।

    কেন নবান্নে গেলেন শমীক

    বুধবার বিকেল ৩টে নাগাদ শমীক নবান্নে প্রবেশ করেন। তাঁর সঙ্গে ছিলেন বিজেপির কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক তথা পশ্চিমবঙ্গের বিজেপি পর্যবেক্ষক সুনীল বনশল। ছিলেন রাজ্য বিজেপির সাধারণ সম্পাদক জ্যোতির্ময় মাহাতো এবং সৌমিত্র খাঁ। উদ্দেশ্য, ব্রিগেডে শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানের প্রস্তুতি সংক্রান্ত বিষয়ে রাজ্যের মুখ্যসচিব দুষ্মন্ত নারিওয়ালার সঙ্গে আলোচনা করা। আগামী শুক্রবার, ৮ মে সন্ধেয় নবনির্বাচিত বিজেপি বিধায়কদের একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক ডাকা হয়েছে। সেই বৈঠকেই আনুষ্ঠানিকভাবে পরিষদীয় দলনেতা নির্বাচন করা হবে। তার ঠিক পরদিনই, অর্থাৎ ৯ মে শনিবার পঁচিশে বৈশাখের সকালে ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডে আয়োজিত হবে রাজকীয় শপথগ্রহণ অনুষ্ঠান। এই অনুষ্ঠানের রূপরেখা তৈরি করতেই এদিন বিকেলে রাজ্য প্রশাসনের সদর দফতর নবান্নে পৌঁছন শমীক ভট্টাচার্য (Shamik Bhattacharya)।

    শপথগ্রহণে থাকবেন মোদি-শাহ

    বিজেপি সূত্রে খবর, আগামী শনিবার মুখ্যমন্ত্রীর শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ উপস্থিত থাকবেন। তবে মুখ্যমন্ত্রী কে হবেন, তা নিয়ে জল্পনা তৈরি হলেও সরকারি ভাবে নাম বলতে নারাজ বিজেপি নেতৃত্ব। এগারো সালে বাংলায় বিধানসভা ভোটে পরিবর্তনের মুখ ছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এবার ‘পাল্টানো দরকার’ ক্যাম্পেনে বিজেপি কোনও একজনকে মুখ করেনি। তৃণমূলকেও এ ব্যাপারে কোনও ন্যারেটিভ তৈরির সুযোগ দেয়নি। দল লড়েছিল সমষ্টিগত লড়াই দিয়ে।

    ভোট-পরবর্তী হিংসা নিয়ে কঠোর

    নবান্নে যাওয়ার পথে শমীক আবার ভোট-পরবর্তী হিংসা নিয়ে মন্তব্য করেন। তিনি বলেন, ‘‘বিজেপির পতাকা নিয়ে কেউ যদি তৃণমূল কংগ্রেসকে আক্রমণ করে, তার দায় এই মুহূর্তে বিজেপি নেবে না। কারণ, এখনও আমরা ক্ষমতায় আসিনি।’’ তাঁর সংযোজন, ‘‘আমি ছ’মাস আগে থেকে বলে আসছি, তৃণমূল চলে গিয়েছে, তৃণমূল চলে যাবে এবং তৃণমল চলে যাওয়ার পরে যে ‘ব্রিদিং টাইম’ থাকে, সেখানে রাজ্যপাল এবং নির্বাচন কমিশনকে দায়িত্ব নিতে হবে— তৃণমূলকে তৃণমূলের হাত থেকে বাঁচানোর দায়িত্ব।’’

    দলে তৃণমূলীকরণ নয়

    শমীকের দাবি, রাজ্যে ভোট-পরবর্তী হিংসার নামে যা হচ্ছে, তা আদতে তৃণমূল বনাম তৃণমূলের লড়াই। আর যাঁরা ক্ষমতার রদবদল হচ্ছে দেখে তৃণমূল ছেড়ে বিজেপি হয়েছেন, তাঁদের প্রত্যেককে দল থেকে বিদায় জানানো হবে। বস্তুত, ২০২১ সালের বিধানসভা ভোটের আগে এবং পর দলবদলের রাজনীতি সবচেয়ে বেশি প্রত্যক্ষ করেছে পশ্চিমবঙ্গ। তৃণমূল তৃতীয় বার ক্ষমতায় আসার পর দল পাল্টানোর হুড়োহুড়ি পড়ে গিয়েছিল। শমীক জানাচ্ছেন, তাঁর দলে ওই দৃশ্য দেখা যাবে না। বিজেপির রাজ্য সভাপতির কথায়, ‘‘কিছু নব্য বিজেপি দেখা যাচ্ছে। এঁদের আমরা বিজেপিতে ঢুকতে দেব না। বিজেপিতে তৃণমূলীকরণ হতে দেব না। অনেকে নিজেদের রক্ত-ঘাম দিয়ে বিজেপিকে তৈরি করেছেন। ’৮০-’৯০ সাল থেকে বিজেপির যখন কিচ্ছু ছিল না, ওই ব্যক্তিদের রক্ত-ঘামে বিজেপি তৈরি। এই পার্টির তৃণমূলীকরণ আমি হতে দেব না। যেখানে যেখানে হামলা হচ্ছে… প্রয়োজনে আমি রাস্তায় নামব।’’

    রক্ত ঝড়ছে বিজেপি কর্মীদের

    শমীকের এ-ও দাবি, রাজ্যে প্রথম বার বিজেপি ক্ষমতা দখল করার পরেও রক্ত ঝরেছে তাঁদেরই। ইতিমধ্যে বিজেপির দু’জন কর্মী মারা গিয়েছেন। তিনি বলেন, ‘‘আজ নির্বাচনের ফল যদি উল্টো হত, এখনই বিজেপির ২০০ কর্মী খুন হয়ে যেতেন। ১০০০ মহিলা গণধর্ষিতা হতেন। কিন্তু আমরা কোনও অবস্থায় হিংসা চাই না। আমি আগেও রাজ্যের ডিজি, কলকাতার সিপি-কে বলেছি, লাঠিচার্জ করতে।’’বিজেপির রাজ্য সভাপতি দাবি করেছেন, এই মুহূর্তে যাঁরা রাজ্যনৈতিক হিংসা ঘটাচ্ছেন, তাঁরা প্রত্যেকে বিজেপি ‘সেজেছেন’। তার পরেও বিজেপির যদি কোনও নেতা উস্কানিতে প্ররোচনা দেন, হিংসায় প্রশ্রয় দেন, তাঁর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। শমীকের কথায়, ‘‘বিজেপির যত বড় নেতাই হোন, কেউ এ রকম করলে তাঁকে আমরা অ্যারেস্ট করাব। ছবি দিন, নাম দিন। আমি কথা দিচ্ছি ব্যবস্থা নেব। নইলে আমি সভাপতির পদ থেকে চলে যাব।’’

    নবান্ন না মহাকরণ!

    বাংলার রাজনৈতিক পালাবদল (West Bengal Election Result 2026) ঘটে গেলেও প্রশাসনিক সদর দফতর নিয়ে জল্পনা চলছেই। রাজ্য বিজেপি সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য (Shamik Bhattacharya) অনেক আগে থেকেই ঘোষণা করেছিলেন যে তাঁরা ক্ষমতায় এলে প্রশাসনকে আবার গঙ্গার এপারে মহাকরণে ফিরিয়ে আনবেন। অর্থাৎ নবান্ন (Nabanna) থেকে নয়, রাইটার্স বিল্ডিং বা মহাকরণ (Writers’ Building) থেকেই সরকার চলবে। কিন্তু বাস্তব পরিস্থিতি বলছে, ২০১৩ সালে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নবান্নে সরে যাওয়ার পর থেকে রাইটার্স বিল্ডিংয়ের যে সংস্কার কাজ শুরু হয়েছিল, তা আজও সম্পূর্ণ হয়নি। ফলে নতুন সরকারের প্রথম মন্ত্রিসভার বৈঠক নবান্ন না কি মহাকরণ – কোথায় হবে, তা নিয়ে এখনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছনো যায়নি।

    বিধানসভার অ্যানেক্স বিল্ডিংয়ে প্রথম বৈঠক!

    রাজ্য বিজেপির সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য বুধবার জানিয়েছেন, প্রথম ক্যাবিনেট বৈঠকের স্থান এখনও স্থির হয়নি। মহাকরণের মেইন ব্লকসহ একাধিক ব্লকের সংস্কারের কাজ এখনও বাকি। এই অবস্থায় বৈঠক কোথায় হতে পারে তা নিয়ে বিভিন্ন স্তরে আলোচনা চলছে। বিকল্প হিসেবে নবান্ন বা বিধানসভার অ্যানেক্স বিল্ডিংয়ের নাম উঠে আসছে। তবে সূত্রে খবর, বুধবার রাজ্যের মুখ্যসচিব বিধানসভার সচিবের সঙ্গে একটি বৈঠক করেছেন। এর ফলে রাজনৈতিক মহলে প্রবল জল্পনা তৈরি হয়েছে যে, নবনির্বাচিত সরকারের প্রথম মন্ত্রিসভার বৈঠক হয়তো বিধানসভার অ্যানেক্স বিল্ডিংয়ে আয়োজিত হতে পারে।

     

     

     

     

     

LinkedIn
Share