Tag: PM Modi

PM Modi

  • PM Modi in Indonesia: ‘সোনালি অধ্যায়ের’ সূচনা! সর্বোচ্চ নাগরিক সম্মান পেলেন মোদি, ভারত-ইন্দোনেশিয়া সম্পর্কে নতুন দিগন্ত

    PM Modi in Indonesia: ‘সোনালি অধ্যায়ের’ সূচনা! সর্বোচ্চ নাগরিক সম্মান পেলেন মোদি, ভারত-ইন্দোনেশিয়া সম্পর্কে নতুন দিগন্ত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারত ও ইন্দোনেশিয়ার সম্পর্ক নতুন উচ্চতায় পৌঁছেছে। দুই দেশের কৌশলগত অংশীদারিত্বকে আরও শক্তিশালী করতে প্রতিরক্ষা, সামুদ্রিক নিরাপত্তা, স্বাস্থ্য, বাণিজ্য, ব্লু ইকোনমি এবং প্রযুক্তি-সহ একাধিক গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রে সহযোগিতা বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিল নয়াদিল্লি ও জাকার্তা। ইন্দোনেশিয়ার প্রেসিডেন্ট প্রাবয়ো সুবিয়ান্তোর সঙ্গে যৌথ সাংবাদিক বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বলেন, ভারত-ইন্দোনেশিয়া সম্পর্কের ক্ষেত্রে ‘সোনালি অধ্যায়’-এর সূচনা হল। তাঁর দাবি, এই নতুন অধ্যায় শুধু দুই দেশের জন্যই নয়, ২১ শতকের বিশ্ব ও মানবতার জন্যও ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে। মোদির কথায়, দুই দেশের মধ্যে পারস্পরিক বিশ্বাস যত বাড়ছে, ততই প্রতিরক্ষা, নিরাপত্তা ও সামুদ্রিক সহযোগিতার নতুন দিগন্ত খুলে যাচ্ছে।

    প্রতিরক্ষা ও সামুদ্রিক নিরাপত্তায় জোর

    বৈঠকের পর প্রধানমন্ত্রী জানান, প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে বিনিময় কর্মসূচি, দুর্যোগ মোকাবিলা এবং প্রতিরক্ষা শিল্পে সহযোগিতা আরও বাড়ানো হবে। পাশাপাশি ভারত মহাসাগরে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে দুই দেশের কোস্ট গার্ড যৌথভাবে কাজ করবে। এর পাশাপাশি ব্লু ইকোনমি, বন্দর উন্নয়ন এবং সামুদ্রিক বাণিজ্য সম্প্রসারণেও একসঙ্গে এগিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানান তিনি।

    মোদিকে ইন্দোনেশিয়ার সর্বোচ্চ নাগরিক সম্মান

    এই সফরের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা ছিল প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে ইন্দোনেশিয়ার সর্বোচ্চ নাগরিক সম্মান ‘বিনতাং আদিপূর্ণা মেডেল অব অনার’ প্রদান। সম্মান গ্রহণের পর মোদি বলেন, এই স্বীকৃতি তাঁর ব্যক্তিগত নয়, ১৪০ কোটিরও বেশি ভারতীয়র সম্মান। একই সঙ্গে এটি দুই দেশের দীর্ঘদিনের ঐতিহাসিক ও বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের প্রতিফলন বলেও উল্লেখ করেন তিনি। প্রেসিডেন্ট প্রাবোও সুবিয়ান্তো, ইন্দোনেশিয়া সরকার এবং সে দেশের জনগণের প্রতিও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী।

    ২০১৮ সালের অংশীদারিত্ব আরও শক্তিশালী

    মোদি জানান, ২০১৮ সালে গঠিত ভারত-ইন্দোনেশিয়ার কমপ্রিহেনসিভ স্ট্র্যাটেজিক পার্টনারশিপ এখন আরও শক্ত ভিতের উপর দাঁড়িয়েছে। উন্নয়ন, নিরাপত্তা, প্রযুক্তি, শিক্ষা ও সংস্কৃতির মতো বিভিন্ন ক্ষেত্রে দুই দেশের সহযোগিতা দ্রুত বিস্তৃত হচ্ছে।

    স্বাস্থ্যক্ষেত্রেও নতুন সহযোগিতা

    দুই দেশের আলোচনায় স্বাস্থ্য পরিষেবাও বিশেষ গুরুত্ব পেয়েছে। প্রধানমন্ত্রী জানান, ভারতের সাশ্রয়ী ও উন্নত মানের ওষুধ ইন্দোনেশিয়ার নাগরিকদের কাছে আরও সহজলভ্য করা হবে। শুধু তাই নয়, ইন্দোনেশিয়ার চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের দক্ষতা বৃদ্ধিতেও ভারত সহযোগিতা করবে। পাশাপাশি জনকল্যাণমূলক প্রকল্প, মিড-ডে মিল এবং গণবণ্টন ব্যবস্থার অভিজ্ঞতাও ভাগ করে নেওয়ার কথা জানিয়েছেন তিনি।

    একাধিক ক্ষেত্রে সহযোগিতা বাড়ানোর অঙ্গীকার

    দুই দেশের শীর্ষ নেতৃত্ব বৈঠকের শেষে প্রতিরক্ষা, দুর্যোগ মোকাবিলা, সামুদ্রিক নিরাপত্তা, ব্লু ইকোনমি, স্বাস্থ্য, প্রযুক্তি, শিক্ষা ও বাণিজ্য-সহ একাধিক ক্ষেত্রে সহযোগিতা আরও সম্প্রসারণের প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই সফর ভারত-ইন্দোনেশিয়া সম্পর্ককে আরও কৌশলগত গুরুত্ব দেবে এবং ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে দুই দেশের সমন্বয়কে নতুন মাত্রা দেবে।

  • PM Modi: শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের ১২৫তম জন্মবার্ষিকীতে শ্রদ্ধা মোদির, কী লিখলেন প্রধানমন্ত্রী?

    PM Modi: শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের ১২৫তম জন্মবার্ষিকীতে শ্রদ্ধা মোদির, কী লিখলেন প্রধানমন্ত্রী?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের ১২৫তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে তাঁকে শ্রদ্ধা জানিয়ে ব্লগ লিখলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। সেখানে তিনি জানান, শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় (Syamaprasad Mukherjee) ভারতের ঐক্য ও অগ্রগতির জন্য নিজের জীবন উৎসর্গ করেছিলেন। তাঁর জীবন আজও সাহস, আদর্শ এবং মাতৃভূমির প্রতি অটল নিষ্ঠার এক চিরন্তন উদাহরণ। ভারতীয় জনসঙ্ঘের প্রতিষ্ঠাতা শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়কে স্মরণ করে প্রধানমন্ত্রী লেখেন, ‘তিনি সচ্ছল পরিবারে জন্মগ্রহণ করলেও দেশের স্বার্থে আত্মত্যাগ ও জনসেবার পথই বেছে নিয়েছিলেন। তাঁর বিশ্বাস ছিল, ঔপনিবেশিক শাসন, সাম্প্রদায়িকতা কিংবা মানবিক সঙ্কট— কোনও ক্ষেত্রেই তিনি নীরব দর্শক হয়ে থাকতে পারেন না।’

    ব্লগে শ্যামাপ্রসাদ স্মরণ প্রধানমন্ত্রীর (PM Modi)

    ব্লগে প্রধানমন্ত্রী উল্লেখ করেন, শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের জনজীবনের অন্যতম প্রধান আদর্শ ছিল ভারতের অখণ্ডতা। তাঁর কথায়, “দেশভাগের অস্থির সময়ে তিনি দৃঢ়তার সঙ্গে লড়াই করেছিলেন যাতে পশ্চিমবঙ্গ ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে থেকে যায়। কয়েক বছর পর সেই একই বিশ্বাস তাঁকে জম্মু ও কাশ্মীরে নিয়ে যায়। কারাবাস তাঁকে দমাতে পারেনি, বিচ্ছিন্নতাও তাঁর মনোবল ভাঙতে পারেনি। অসংখ্য মানুষের অধিকারের জন্য লড়াই করতে গিয়েই বন্দি অবস্থায় তাঁর জীবনের আকস্মিক অবসান ঘটে।” প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের প্রতি সবচেয়ে উপযুক্ত শ্রদ্ধাঞ্জলি ছিল তাঁর সরকারের নেওয়া সিদ্ধান্ত, যার মাধ্যমে ২০১৯ সালে সংবিধানের ৩৭০ ও ৩৫(ক) অনুচ্ছেদ বাতিল করা হয় এবং জম্মু ও কাশ্মীরের বিশেষ মর্যাদা প্রত্যাহার করা হয় (PM Modi)।

    ভারতীয় জনসঙ্ঘ প্রতিষ্ঠার লক্ষ্য

    প্রধানমন্ত্রী মনে করিয়ে দেন, কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বকনিষ্ঠ উপাচার্য হিসেবে শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় গ্রন্থাগারের পরিকাঠামো উন্নয়ন, গবেষণার প্রসার এবং প্রত্নবস্তুর অধ্যয়নে বিশেষ গুরুত্ব দিয়েছিলেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, “ভারতের উন্নয়নের জন্য একটি বিকল্প রাজনৈতিক কণ্ঠস্বর গড়ে তোলার লক্ষ্যেই শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় ভারতীয় জনসঙ্ঘ প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। একই সঙ্গে দেশের সাংস্কৃতিক শেকড়ের সঙ্গেও তিনি দৃঢ়ভাবে যুক্ত ছিলেন।” তিনি আরও উল্লেখ করেন, স্বাধীন ভারতের প্রথম শিল্পমন্ত্রী হিসেবে শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় শিল্পকে দেশের মর্যাদা, কর্মসংস্থান এবং আত্মবিশ্বাস পুনর্গঠনের অন্যতম মাধ্যম হিসেবে দেখেছিলেন। দামোদর ভ্যালি কর্পোরেশন এবং সিন্দ্রি সার কারখানার মতো গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্প বাস্তবায়নে তাঁর ভূমিকার কথাও তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী।

    শ্যামাপ্রসাদের দূরদর্শিতা

    ব্লগে প্রধানমন্ত্রী নেহরু সরকারের আনা প্রথম সংবিধান সংশোধনীর বিরোধিতায় শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের (Syamaprasad Mukherjee) অবস্থানের কথাও উল্লেখ করেন। তাঁর দাবি, কংগ্রেসের নীতির বিরুদ্ধে শ্যামাপ্রসাদ যে সতর্কবার্তা দিয়েছিলেন, ১৯৭৫ সালে জরুরি অবস্থা জারির মাধ্যমে তা (PM Modi) পরবর্তীকালে সত্য বলে প্রমাণিত হয়।

  • PM Modi: প্রয়াত প্রখ্যাত পাণ্ডবাণী শিল্পী তীজন বাই, শোকস্তব্ধ ভারত, কী লিখলেন প্রধানমন্ত্রী?

    PM Modi: প্রয়াত প্রখ্যাত পাণ্ডবাণী শিল্পী তীজন বাই, শোকস্তব্ধ ভারত, কী লিখলেন প্রধানমন্ত্রী?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রখ্যাত পাণ্ডবাণী শিল্পী তীজন বাইয়ের (Teejan Bai) প্রয়াণে শোকস্তব্ধ ভারত (PM Modi)। দীর্ঘদিন অসুস্থ থাকার পর আজ, রবিবার রায়পুরের একটি হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। পাণ্ডবাণী শিল্পকলার অন্যতম শ্রেষ্ঠ সাধক হিসেবে সুপরিচিত ছিলেন তীজন বাই। ছত্তীসগঢ়ের এই ঐতিহ্যবাহী লোকশিল্পকে দেশ-বিদেশের দর্শকের কাছে পৌঁছে দেওয়ার ক্ষেত্রে তাঁর অবদান ছিল অনন্য।

    তীজন বাইয়ের প্রয়াণে শোক প্রকাশ প্রধানমন্ত্রীর (PM Modi)

    তীজন বাইয়ের প্রয়াণে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সোশ্যাল মিডিয়ায় করা এক বার্তায় তিনি বলেন, “প্রখ্যাত পাণ্ডবাণী শিল্পী তীজন বাইজির প্রয়াণে আমি গভীরভাবে শোকাহত। তাঁর অসাধারণ পরিবেশনার মাধ্যমে ছত্তীসগঢ়ের এই লোকশিল্প বিশ্বজুড়ে স্বতন্ত্র পরিচিতি লাভ করেছে। তাঁর প্রয়াণ শিল্প ও সংস্কৃতির জগতে অপূরণীয় ক্ষতি। এই শোকের মুহূর্তে তাঁর পরিবার ও অসংখ্য অনুরাগীর প্রতি আমার আন্তরিক সমবেদনা। ওঁ শান্তি!” ছত্তীসগঢ়ের মুখ্যমন্ত্রী বিষ্ণু দেও সাই বলেন, “তীজন বাইয়ের অবদান রাজ্যকে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক স্তরে বিশেষ সম্মান এনে দিয়েছে। তাঁর সাফল্য ছত্তীসগঢ়ের সাংস্কৃতিক পরিচিতিকে আরও উজ্জ্বল করেছে এবং নতুন প্রজন্মের শিল্পীদের অনুপ্রাণিত করেছে।” রাজ্যের মন্ত্রী কেদার কাশ্যপ শোকপ্রকাশ করতে গিয়ে বলেন, তাঁর প্রয়াণ শুধু ছত্তীসগঢ় নয়, গোটা দেশের জন্যই বড় ক্ষতি। তিনি রাজ্যের মর্যাদা অক্ষুণ্ণ রেখে দেশের অন্যতম সম্মানিত সাংস্কৃতিক দূত হিসেবে পরিচিতি লাভ করেছিলেন।

    কী এই পাণ্ডবাণী শিল্প?

    শতাব্দীপ্রাচীন পাণ্ডবাণী মহাভারতের বিভিন্ন পর্ব অবলম্বনে গড়ে ওঠা একটি মৌখিক কাহিনি পরিবেশনার ধারা। তীজন বাই তাঁর শক্তিশালী কণ্ঠ, আবেগঘন বর্ণনা ও মঞ্চে অসাধারণ উপস্থিতির মাধ্যমে এই শিল্পকে বিশ্বব্যাপী পরিচিত করে তোলেন। কয়েক দশকের দীর্ঘ কর্মজীবনে (PM Modi) তিনি পদ্মশ্রী, পদ্মভূষণ এবং দেশের অন্যতম সর্বোচ্চ অসামরিক সম্মান পদ্মবিভূষণে ভূষিত হন। তাঁর (Teejan Bai) প্রয়াণে ভারত এক অসামান্য লোকশিল্পীকে হারালেও, পাণ্ডবাণীকে সংরক্ষণ ও জনপ্রিয় করে তোলার তাঁর অবদান আগামী প্রজন্মের কাছে হয়ে (PM Modi) থাকবে চিরস্মরণীয়।

     

  • PM Modi: ছ’দিনে তিন দেশ সফর করবেন প্রধানমন্ত্রী, ইন্দোনেশিয়া দিয়ে শুরু, আর কোথায় যাবেন?

    PM Modi: ছ’দিনে তিন দেশ সফর করবেন প্রধানমন্ত্রী, ইন্দোনেশিয়া দিয়ে শুরু, আর কোথায় যাবেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi) আগামী ৬ থেকে ১১ জুলাই—ছ’দিনের সফরে (Six Day Tour) যাচ্ছেন ইন্দোনেশিয়া, অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ডে। এই সফরকে ভারতের পূর্বমুখী নীতির অংশ হিসেবে কৌশলগত, অর্থনৈতিক ও সামুদ্রিক সহযোগিতা আরও জোরদারের উদ্যোগ হিসেবে দেখা হচ্ছে। পরিবর্তিত ভূরাজনৈতিক পরিস্থিতিতে ভারত-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার দেশগুলির সঙ্গে সম্পর্ক আরও গভীর করাই এই সফরের অন্যতম লক্ষ্য বলে কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।

    ইন্দোনেশিয়া দিয়ে শুরু সফর (PM Modi)

    সফরের প্রথম গন্তব্য ইন্দোনেশিয়ার রাজধানী জাকার্তা। ৬ থেকে ৮ জুলাই সেখানে থাকবেন প্রধানমন্ত্রী। ইন্দোনেশিয়ার প্রেসিডেন্ট প্রাবোও সুবিয়ান্তোর সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে প্রতিরক্ষা সহযোগিতা, সামুদ্রিক নিরাপত্তা, ডিজিটাল সংযোগ-সহ বিভিন্ন বিষয় গুরুত্ব পাবে। এর পাশাপাশি ব্রহ্মোস অতিধ্বনিত গতির ক্ষেপণাস্ত্র রফতানি এবং সাবমেরিন প্রযুক্তি সহযোগিতা নিয়েও আলোচনা হতে পারে বলে একাধিক সূত্রের খবর। ২০১৮ সালে ভারত ও ইন্দোনেশিয়া সম্পর্ককে সমন্বিত কৌশলগত অংশীদারত্বের পর্যায়ে উন্নীত করার পর এটি মোদির (PM Modi) প্রথম ইন্দোনেশিয়া সফর। একই সঙ্গে এটি ইন্দোনেশিয়ায় তাঁর চতুর্থ সফর। সফরকালে তিনি জাকার্তায় অবস্থিত ইউনেস্কো ঘোষিত বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী প্রামবানান মন্দির দর্শন করবেন। প্রবাসী ভারতীয়দের একটি অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখবেন প্রধানমন্ত্রী।

    ভারত দ্রুততম বর্ধনশীল প্রধান অর্থনীতির দেশ

    ইন্দোনেশিয়া সফর শেষে প্রধানমন্ত্রী যাবেন অস্ট্রেলিয়ার মেলবোর্নে। সেখানে অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী অ্যান্থনি অ্যালবানিজের সঙ্গে বার্ষিক শীর্ষ বৈঠকে অংশ নেবেন তিনি। ২০২২ সালের পর দুই নেতার এটি হবে ষষ্ঠ বৈঠক। ২০২৫ সালের নভেম্বরে দক্ষিণ আফ্রিকার জোহানেসবার্গে অনুষ্ঠিত বিশের জোট শীর্ষ সম্মেলনের ফাঁকে তাঁদের সাক্ষাৎ হয়েছিল। প্রধানমন্ত্রী হিসেবে এটি (Six Day Tour) হবে মোদির তৃতীয় অস্ট্রেলিয়া সফর। এর আগে তিনি ২০১৪ ও ২০২৩ সালে অস্ট্রেলিয়া গিয়েছিলেন। ২০২০ সালে দুই দেশ তাদের সম্পর্ককে সমন্বিত কৌশলগত অংশীদারত্বে উন্নীত করে। অস্ট্রেলিয়ার পক্ষ থেকে ভারতকে বিশ্বের চতুর্থ বৃহত্তম এবং দ্রুততম বর্ধনশীল প্রধান অর্থনীতির দেশ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য, প্রতিরক্ষা, নিরাপত্তা, প্রযুক্তি ও বিনিয়োগ-সহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতা ধারাবাহিকভাবে বাড়ছে।

    আপ্লুত অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী

    মোদির সফরের কথা ঘোষণা করে অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী (PM Modi) বলেন, “আমার বন্ধু নরেন্দ্র মোদিকে অস্ট্রেলিয়ায় স্বাগত জানাতে পেরে আমি সম্মানিত।” তিনি এও বলেন, “দুই দেশের সম্পর্ক এখন আগের যে কোনও সময়ের তুলনায় বেশি গুরুত্বপূর্ণ। এই অংশীদারিত্ব ভারত-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে শান্তি, স্থিতিশীলতা ও সমৃদ্ধি নিশ্চিত করতে ভূমিকা রাখছে।” দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে প্রতিরক্ষা ও নিরাপত্তা সহযোগিতা, গুরুত্বপূর্ণ খনিজ সম্পদ, স্থিতিশীল সরবরাহ ব্যবস্থা, বাণিজ্য, শিক্ষা এবং পরিচ্ছন্ন জ্বালানি খাতে সহযোগিতা সম্প্রসারণ নিয়ে আলোচনা হবে (Six Day Tour)। পাশাপাশি ভারত-অস্ট্রেলিয়া প্রধান নির্বাহীদের ফোরামের যৌথ অধিবেশনে অংশ নিয়ে দুই দেশের শীর্ষ ব্যবসায়ী নেতাদের উদ্দেশে উৎপাদন, পরিচ্ছন্ন জ্বালানি ও প্রযুক্তি খাতে বিনিয়োগের সম্ভাবনা তুলে ধরবেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী।

    প্রধানমন্ত্রীর সফর সূচি

    অস্ট্রেলিয়া সফরকালে তিনি দেশটির গভর্নর-জেনারেল স্যাম মোস্টিনের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করবেন। এছাড়া প্রবাসী ভারতীয়দের এক বড় সমাবেশেও ভাষণ দেবেন। ভারতের বিদেশমন্ত্রকের মতে, প্রবাসী ভারতীয় সম্প্রদায় দুই দেশের সম্পর্কের অন্যতম ভিত্তি। অস্ট্রেলিয়ার ভিক্টোরিয়ায় প্রচুর ভারতীয় বংশোদ্ভূত মানুষের বসবাস। ৯ জুলাই মেলবোর্নের মার্ভেল স্টেডিয়ামে “মেলবোর্ন মিটস মোদি” নামে একটি বড় কমিউনিটি অনুষ্ঠানেরও আয়োজন করা হয়েছে (PM Modi)। সফরের শেষ ধাপে ১০ থেকে ১১ জুলাই নিউজিল্যান্ডের অকল্যান্ড সফর করবেন নরেন্দ্র মোদি। দেশটির প্রধানমন্ত্রী ক্রিস্টোফার লাক্সনের আমন্ত্রণে অনুষ্ঠিত এই রাষ্ট্রীয় সফর বিশেষ তাৎপর্য বহন করছে। প্রায় চার দশক পর কোনও ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী নিউজিল্যান্ড সফরে যাচ্ছেন। এর আগে ১৯৮৬ সালে রাজীব গান্ধী পা রেখেছিলেন এই দ্বীপরাষ্ট্রে।

    মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি

    অকল্যান্ডে দুই দেশের মধ্যে সম্প্রতি সম্পন্ন হওয়া মুক্ত বাণিজ্য চুক্তির অগ্রগতি পর্যালোচনা করা হবে। পাশাপাশি কৃষি, শিক্ষা ও প্রযুক্তি খাতে সহযোগিতা আরও সম্প্রসারণের বিষয়েও আলোচনা হবে। ভারতের শীর্ষকর্তাদের মতে, এই তিন দেশের সফর পূর্ব ভারত মহাসাগর এবং বৃহত্তর ভারত-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে ভারতের ক্রমবর্ধমান কৌশলগত গুরুত্বের প্রতিফলন। সাম্প্রতিক সময়ে দ্বীপরাষ্ট্রগুলি এবং জাপানের সঙ্গে ধারাবাহিক কূটনৈতিক তৎপরতার পর এই সফরকে সেই প্রচেষ্টারই ধারাবাহিকতা হিসেবে দেখা হচ্ছে। একই সঙ্গে ভারত, অস্ট্রেলিয়া, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও জাপানকে নিয়ে গঠিত (Six Day Tour) চার দেশের নিরাপত্তাভিত্তিক জোটও আঞ্চলিক নিরাপত্তা আলোচনায় গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হিসেবে উঠে আসবে বলেই (PM Modi) অনুমান আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশেষজ্ঞদের।

     

  • PM Modi on Amarnath Yatra: অমরনাথ যাত্রার পুণ্যার্থীদের পাঁচ সংকল্প নেওয়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রী মোদির, কী কী?

    PM Modi on Amarnath Yatra: অমরনাথ যাত্রার পুণ্যার্থীদের পাঁচ সংকল্প নেওয়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রী মোদির, কী কী?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অমরনাথ যাত্রার প্রথম দিনেই তীর্থযাত্রীদের শুভেচ্ছা জানিয়ে চিঠি লিখলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi on Amarnath Yatra)। এই যাত্রাকে তিনি এক ‘মহা সৌভাগ্যের বিষয়’ বলে বর্ণনা করেছেন। একইসঙ্গে ভক্তি, শৃঙ্খলা এবং জাতীয়তাবোধ নিয়ে এই পবিত্র যাত্রা সম্পন্ন করার জন্য পুণ্যার্থীদের কাছে আর্জি জানিয়েছেন। অমরনাথ যাত্রায় অংশগ্রহণকারী ভক্তদের শুভেচ্ছা জানিয়ে পাঁচটি গুরুত্বপূর্ণ সংকল্প গ্রহণের আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী মোদি (Narendra Modi)। একইসঙ্গে যাত্রাপথে নিরাপত্তা ও পরিষেবা নিশ্চিত করতে নিয়োজিত ভারতীয় সেনা, বিভিন্ন নিরাপত্তা বাহিনী, চিকিৎসক, স্বাস্থ্যকর্মী এবং প্রশাসনের ভূমিকারও প্রশংসা করেছেন।

    অমরনাথ যাত্রীদের উদ্দেশ্যে মোদির চিঠি

    শিবভক্তদের উদ্দেশে লেখা চিঠিতে প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, “জম্মু ও কাশ্মীরে পবিত্র অমরনাথ যাত্রায় অংশ নেওয়াটা একটা বিরাট সৌভাগ্যের ব্যাপার। প্রতি বছর বাবা বরফানির সরাসরি দর্শন পাওয়ার এই সুযোগ লক্ষ লক্ষ শিবভক্তের জন্য এক অত্যন্ত শুভ ও অবিস্মরণীয় অভিজ্ঞতা। এই বছরের যাত্রার শুরুতে আমি আপনাদের, সকল শিবভক্তদের, আন্তরিক শুভেচ্ছা জানাই।” উল্লেখ্য, শুক্রবার থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়েছে ৫৭ দিনব্যাপী বার্ষিক অমরনাথ যাত্রা। প্রথম দিন প্রায় ১০ হাজার তীর্থযাত্রী পবিত্র অমরনাথ গুহার উদ্দেশে যাত্রা শুরু করেছেন।

    ভারতের আধ্যাত্মিক ঐতিহ্যের এক চিরন্তন অধ্যায়

    এই তীর্থযাত্রাকে ভারতের আধ্যাত্মিক ঐতিহ্যের এক চিরন্তন অধ্যায় বলে উল্লেখ করে মোদি বলেন, “বাবা অমরনাথের আশীর্বাদ পাওয়ার এই যাত্রা ভারতের আধ্যাত্মিক যাত্রার ঐতিহ্যে এক চিরন্তন অধ্যায়। প্রতি বছর সনাতন সংস্কৃতি মেনে চলা বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে লক্ষ লক্ষ ভক্ত এই যাত্রায় অংশ নিতে জম্মু ও কাশ্মীরে পৌঁছন। ভিন্ন ভিন্ন অঞ্চল থেকে আসা, ভিন্ন ভাষায় কথা বলা এবং বিভিন্ন রীতিনীতি পালন করা মানুষ মহাদেবের আশীর্বাদ পাওয়ার একই সংকল্প নিয়ে এই যাত্রা সম্পন্ন করেন।” যাত্রা যাতে সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন হয়, তার জন্য প্রধানমন্ত্রী ভারতীয় সেনা, সিআরপিএফ, জম্মু ও কাশ্মীর পুলিশ, আইটিবিপি, বিএসএফ, এনডিআরএফ-এর জওয়ানদের ধন্যবাদ জানিয়েছেন। একইসঙ্গে স্বাস্থ্যকর্মী, প্রশাসনিক আধিকারিক, সাফাইকর্মী এবং স্বেচ্ছাসেবকদেরও কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন তিনি। তিনি বলেন, “এই দু’মাস ধরে বাবা বরফানির পবিত্র ধামে ভারতের ‘বৈচিত্র্যের মধ্যে ঐক্য’-এর এক অসাধারণ ছবি দেখা যায়।”

    ভক্তদের পাঁচটি সংকল্প গ্রহণের আহ্বান

    অমরনাথ যাত্রাকে আরও সুশৃঙ্খল ও অর্থবহ করে তুলতে প্রধানমন্ত্রী ভক্তদের পাঁচটি সংকল্প গ্রহণের আহ্বান জানিয়েছেন। প্রথমত, যাত্রাপথে পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা এবং গোটা তীর্থপথ পরিষ্কার রাখার দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানান তিনি। দ্বিতীয়ত, প্রশাসনের সমস্ত নির্দেশ, ট্রাফিক বিধি এবং নিরাপত্তা সংক্রান্ত নিয়ম কঠোরভাবে মেনে চলার পরামর্শ দেন। বর্ষাকালে পিচ্ছিল রাস্তা ও তীব্র ঠান্ডার কারণে বিশেষ সতর্ক থাকার কথাও উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী। তৃতীয়ত, ‘ভোকাল ফর লোকাল’-এর ভাবনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে যাত্রার মোট ব্যয়ের অন্তত ১০ শতাংশ জম্মু ও কাশ্মীরের স্থানীয়ভাবে তৈরি পণ্য কেনার জন্য ব্যয় করার আহ্বান জানান তিনি। এতে স্থানীয় পরিবার ও যুবকদের জীবিকা আরও শক্তিশালী হবে বলে তাঁর মত। চতুর্থত, অমরনাথ যাত্রার সমাপনী দিন, যা এ বছর রাখিবন্ধন উৎসবের সঙ্গে মিলেছে, সেই উপলক্ষে ভাই বা বোনকে একটি গাছের চারা উপহার দেওয়ার এবং ‘এক পেড় মা কে নাম’ অভিযানে অংশগ্রহণের আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রী। পঞ্চমত, ‘নেশন ফার্স্ট’-এর আদর্শে উদ্বুদ্ধ হয়ে সারা বছর সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে নিজের দায়িত্ব পালন এবং উন্নত ভারত বা ‘বিকশিত ভারত’ গঠনের লক্ষ্যে সক্রিয় ভূমিকা নেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

    অমরনাথ যাত্রায় কড়া নিরাপত্তা

    অমরনাথ যাত্রার জন্য জম্মু ও কাশ্মীরে নিয়ন্ত্রণরেখা ও আন্তর্জাতিক সীমান্তে নজরদারি বাড়াচ্ছে নিরাপত্তা বাহিনী। সরকারি সূত্রে খবর, উত্তর কাশ্মীরে গুরেজ, কেরান, উরি সহ বিভিন্ন অঞ্চলে অতিরিক্ত বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। অন্যদিকে, জম্মুতে কাঠুয়া, পুঞ্চ-রাজৌরি বেল্ট সহ একাধিক সীমান্তবর্তী এলাকায় নজরদারি চালানো হচ্ছে। বাহিনীর এক অফিসার বলেন, ‘তীর্থযাত্রার রুটের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় অতিরিক্ত বাহিনী মজুত রয়েছে।’ জম্মুর সীমান্ত লাগোয়া গ্রামগুলিতে নিয়মিত অভিযান চালাচ্ছে পুলিশ ও সশস্ত্র বাহিনী। বাসিন্দাদের প্রতি মুহূর্তে সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে। গাড়িতে নাকা তল্লাশি চালানো হচ্ছে। সন্দেহ হলেই পরিচয়পত্র সহ যাবতীয় নথি খতিয়ে দেখছে বাহিনী। জম্মু-শ্রীনগর জাতীয় হাইওয়েতেও নিয়মিত তল্লাশি অভিযান চলছে।

    নিরাপত্তায় বহু-স্তরীয় সুরক্ষা ব্যবস্থা

    বার্ষিক অমরনাথ যাত্রার নিরাপত্তায় বহু-স্তরীয় সুরক্ষা ব্যবস্থাও রয়েছে। রয়েছে নো-ফ্লাই জোন (বিমান চলাচলে নিষিদ্ধ এলাকা), পর্যবেক্ষণ টাওয়ার, ইলেকট্রনিক নজরদারি এবং যানবাহনের চলাচলের ওপর রিয়েল-টাইম পর্যবেক্ষণ। জম্মু ও কাশ্মীরে প্রতি বছর যেসব ব্যাপক কার্যক্রম বা আয়োজন করা হয়ে থাকে, তার মধ্যে অমরনাথ যাত্রা সংক্রান্ত নিরাপত্তা পরিকল্পনা অন্যতম। অমরনাথ যাত্রার সময় উন্নত নিরাপত্তা ব্যবস্থার অংশ হিসেবে, জম্মু ও কাশ্মীর পুলিশ ‘পহেচান’ (Pehchaan) নামে একটি মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন চালু করেছে। এর মাধ্যমে তীর্থযাত্রী ও নিরাপত্তা কর্মীরা স্থানীয় পরিষেবা প্রদানকারীদের পরিচয় ও নথিপত্র সঙ্গে সঙ্গে যাচাই করতে পারবেন। এই অমরনাথ যাত্রার সঙ্গে যুক্ত ছোট ঘোড়ার মালিক, কুলি, পরিবহন অপারেটর, গাইড এবং বিক্রেতাদের রেজিস্টার ও নিয়ন্ত্রণের লক্ষ্যে এই অ্যাপটি তৈরি করা হয়েছে। এটি অনুমোদিত কর্মীদের একটি ডিজিটাল ডেটাবেস তৈরি করেছে। যার ফলে পুলিশ তীর্থযাত্রার পথে কর্মরত ব্যক্তিদের ওপর নজর রাখতে পারবে। একইভাবে যাচাই-বাছাইহীন যেসব মানুষ থাকবেন তাঁদের শনাক্ত করতে এবং প্রতারণা রোধ করতে সক্ষম হবে। অমরনাথ যাত্রার সময় যাতে জঙ্গিরা ছোট ঘোড়ার মালিক, পালকি বাহক বা অন্যান্য পরিষেবা প্রদানকারীর ছদ্মবেশ ধারণ করতে না পারে, সেই লক্ষ্যে এই তীর্থযাত্রার সঙ্গে যুক্ত সকল অনুমোদিত কর্মীর জন্য কিউআর কোড-ভিত্তিক ও টেম্পার-প্রুফ (যা সহজে বিকৃত বা পরিবর্তন করা যায় না) পরিচয়পত্র চালু করল জম্মু ও কাশ্মীর পুলিশ।

  • PM Modi: খামেনেইয়ের শেষকৃত্যে ভারতের প্রতিনিধিত্ব করবেন বিহারের রাজ্যপাল-কেন্দ্রীয় মন্ত্রী, কী বার্তা দিতে চায় কেন্দ্র?

    PM Modi: খামেনেইয়ের শেষকৃত্যে ভারতের প্রতিনিধিত্ব করবেন বিহারের রাজ্যপাল-কেন্দ্রীয় মন্ত্রী, কী বার্তা দিতে চায় কেন্দ্র?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতোল্লা সৈয়দ আলি খামেনেইয়ের রাষ্ট্রীয় শেষকৃত্য এবং দাফন অনুষ্ঠানে (Khamenei State Funeral) উপস্থিত থাকতে পারবেন না ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। পূর্বনির্ধারিত আন্তর্জাতিক সফরের কারণে ওই শোকের অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ পেয়েও যেতে পারছেন না তিনি। তাই ভারতের পক্ষ থেকে ওই অনুষ্ঠানে যাচ্ছেন বিহারের রাজ্যপাল লেফটেন্যান্ট জেনারেল সৈয়দ আতা হাসনাইন এবং বিদেশমন্ত্রকের প্রতিমন্ত্রী পবিত্র মার্ঘেরিটা। সরকারি প্রতিনিধি হিসেবে মনোনীত করা হয়েছে এঁদের।

    খামেনেইয়ের শেষকৃত্যে প্রতিনিধি দল (PM Modi)

    ইরানের রাষ্ট্রপতি মাসুদ পেজেশকিয়ান প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে খামেনেইয়ের শেষকৃত্যে যোগ দেওয়ার জন্য আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন। তবে সরকারি সূত্রের খবর, ওই সময় প্রধানমন্ত্রী ইন্দোনেশিয়া, নিউজিল্যান্ড ও অস্ট্রেলিয়া সফরে থাকবেন। আগে থেকেই নির্ধারিত এই বিদেশ সফরের সূচির কারণে তাঁর পক্ষে ইরান সফর সম্ভব হচ্ছে না। এরপরই নয়াদিল্লির পক্ষ থেকে বিহারের রাজ্যপাল এবং বিদেশমন্ত্রকের প্রতিমন্ত্রীকে ভারতের প্রতিনিধি মনোনীত করা হয়েছে। তাঁরাই যাবেন। প্রসঙ্গত, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইজরায়েলের যৌথ বিমান হামলায় খামেনেই নিহত হন বলে খবর। প্রথমে মার্চ মাসে তাঁর শেষকৃত্যের আয়োজনের পরিকল্পনা থাকলেও, পশ্চিম এশিয়ার নিরাপত্তা পরিস্থিতির কারণে তা স্থগিত করা হয়। পরে ইরান সরকার জুলাই মাসে নতুন করে অনুষ্ঠানের দিনক্ষণ নির্ধারণ করে (PM Modi)।

    ভারতের বার্তা

    আগামী ৪ জুলাই তেহরানের গ্র্যান্ড মোসাল্লা প্রাঙ্গণে রাষ্ট্রীয় শেষকৃত্য শুরু হবে। সেখানে সাধারণ মানুষের শেষ শ্রদ্ধা জানানোর জন্য রাখা হবে খামেনেইয়ের দেহ। এরপর তেহরান ও পবিত্র শহর কোমে শোকযাত্রার আয়োজন করা হবে। ইরাকের নাজাফ ও কারবালা শহরেও বিশেষ প্রার্থনা সভার আয়োজনের কথা জানানো হয়েছে। শিয়া মুসলিমদের কাছে এই দু’টি শহরের বিশেষ ধর্মীয় গুরুত্ব রয়েছে। ৯ জুলাই খামেনেইয়ের নিজের শহর মাশহাদের ইমাম রেজা মাজার প্রাঙ্গণে তাঁর দাফনের মধ্য দিয়ে সম্পন্ন হবে শেষকৃত্য পর্ব। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, প্রধানমন্ত্রীর অনুপস্থিতিতেও উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধি দল পাঠানোর সিদ্ধান্ত ভারতের সঙ্গে (Khamenei State Funeral) ইরানের কূটনৈতিক সম্পর্কের গুরুত্বকেই তুলে ধরে। যদিও, সরকারি সূত্রের খবর, প্রধানমন্ত্রীর অনুপস্থিতির একমাত্র কারণ পূর্বনির্ধারিত বিদেশ সফরের সূচি (PM Modi)।

     

  • India-Seychelles MoU: ভারত ও সেশেলস মউ স্বাক্ষর, এবার এই দ্বীপরাষ্ট্রে ঘুরতে গেলে সহজেই ইউপিআই পেমেন্ট

    India-Seychelles MoU: ভারত ও সেশেলস মউ স্বাক্ষর, এবার এই দ্বীপরাষ্ট্রে ঘুরতে গেলে সহজেই ইউপিআই পেমেন্ট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সেশেলস সফরে গিয়ে ইউপিআই নিয়ে মউ স্বাক্ষর করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এবার থেকে এই দ্বীপ রাষ্ট্রে ঘুরতে গিয়ে ভারতীয়রা ইউপিআইয়ের মাধ্যমে লেনদেনের সুবিধা পাবেন। অনলাইনেই পেমেন্ট করতে পারবেন সব কিছুর খরচ। ভারত ও সেশেলসের মধ্যে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হওয়ায় প্রধানমন্ত্রী মোদি সন্তোষ প্রকাশ করেছেন । প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আমি আনন্দিত যে ইউপিআই-এর জন্য ভারত ও সেশেলসের মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়েছে। আমরা বিশ্বাস করি যে, দুই দেশের মধ্যকার দূরত্ব ঘোচাতে ডিজিটাল প্রযুক্তি একটি কার্যকর মাধ্যম। আমরা ডিজিটাল গণপরিবহণে ভারতের সফল অভিজ্ঞতা সেশেলসের সঙ্গে ভাগ করে নেব।”

    ‘গার্ডিয়ান অফ দ্য ব্লু হরাইজন’ পুরস্কার মোদিকে

    এদিন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি সেশেলসের প্রেসিডেন্টকে ধন্যবাদ জানান তাঁর উষ্ণ অভর্থ্যনার জন্য। ‘গার্ডিয়ান অব দ্য ব্লু হরিজন’ সম্মানে ভূষিত করার জন্য তিনি কৃতজ্ঞতাও প্রকাশ করেন। দুই দেশের মধ্যে খুব ভালো দ্বিপাক্ষিক আলোচনা হয়েছে বলেও উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী মোদি। তিনি বলেন, “আমাদের অর্থনৈতিক সহযোগিতাকে আরও কার্যকর ও ভবিষ্যতের জন্য প্রস্তুত করার জন্য আলোচনা হয়েছে। দুই দেশেই শিল্পের জন্য নতুন নতুন সুযোগ খোঁজা হবে। ভারত ও সেশেলসের মধ্যে যোগাযোগ ব্যবস্থা উন্নত করার প্রচেষ্টাও চলছে।” সেশেলস সফরকে ঐতিহাসিক আখ্যা দিয়ে প্রধানমন্ত্রী মোদি উল্লেখ করেন যে, এই সফরটি দুটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলকের সঙ্গে মিলে গেছে: সেশেলসের স্বাধীনতার ৫০ বছর পূর্তি এবং দুই দেশের কূটনৈতিক সম্পর্কের পাঁচ দশক পূর্তি। তিনি বলেন, “আমি এক ঐতিহাসিক মুহূর্তে সেশেলস সফর করছি, যখন দেশটি স্বাধীনতার ৫০ বছর পূর্তি উদযাপন করছে এবং আমরা ভারত ও সেশেলসের মধ্যে কূটনৈতিক সম্পর্কের ৫০ বছর পূর্তি উদযাপন করছি। এই পাঁচ দশকে আমরা বন্ধুত্বকে আস্থায়, আস্থাকে সহযোগিতায় এবং সহযোগিতাকে জনগণের কল্যাণে রূপান্তরিত করেছি।”

    ডিজিটাল কো-অপারেশনের উল্লেখ

    দুই দেশের মধ্যে ডিজিটাল কো-অপারেশনের উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী মোদি বলেন যে প্রযুক্তি বা টেকনোলজি দুই দেশের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে মজবুত করতে আরও সাহায্য করবে। তিনি বলেন, “আমরা ভারতের ডিজিটাল পাবলিক ইনফ্রাস্টাকচারের অভিজ্ঞতা সেশেলসের সঙ্গে ভাগ করে নিয়েছি। আমি অত্যন্ত আনন্দের সঙ্গে ঘোষণা করছি যে সেশেলসে ইউপিআই চালু করার জন্য মউ স্বাক্ষর হয়েছে।” উল্লেখ্য, ইতিমধ্যেই একাধিক দেশে ভারতের ইউপিআই চালু হয়েছে। ভুটান, সিঙ্গাপুর, সংযুক্ত আরব আমিরশাহি, ফ্রান্স, মরিশাস, নেপাল, শ্রীলঙ্কা, কাতার ও কম্বোডিয়ায় ইউপিআই চালু রয়েছে।

  • PM Modi: সেশেলসের সর্বোচ্চ পরিবেশ সম্মান ‘গার্ডিয়ান অব দ্য ব্লু হরাইজন’ পেলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি

    PM Modi: সেশেলসের সর্বোচ্চ পরিবেশ সম্মান ‘গার্ডিয়ান অব দ্য ব্লু হরাইজন’ পেলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সেশেলসের সর্বোচ্চ পরিবেশ ও টেকসই উন্নয়নবিষয়ক সম্মান ‘গার্ডিয়ান অফ দ্য ব্লু হোরাইজনে’ (Guardian of the Blue Horizon) ভূষিত হলেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। সেশেলসে (Seychelles) তাঁর তিন দিনের রাষ্ট্রীয় সফরে গিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। সেখানেই দ্বীপরাষ্ট্রের তরফে এই সম্মান দেওয়া হয় তাঁকে। এই পুরস্কার ভারতের প্রধানমন্ত্রীর টেকসই উন্নয়ন, সবুজ অর্থনীতি, জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলা এবং সমুদ্রসম্পদের দায়িত্বশীল ব্যবহারে দীর্ঘদিনের অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ দেওয়া হয়েছে। সেশেলসের স্বাধীনতার ৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষে আয়োজিত জাতীয় দিবসের সুবর্ণজয়ন্তী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে যোগ দেন প্রধানমন্ত্রী। সেশেলসের প্রেসিডেন্ট প্যাট্রিক হারমিনির আমন্ত্রণে সে দেশে গিয়েছেন তিনি।

    মোদির নেতৃত্বের ভূয়সী প্রশংসা (PM Modi)

    সেশেলসের প্রেসিডেন্টের কার্যালয়ের প্রকাশিত আনুষ্ঠানিক শংসাপত্রে প্রধানমন্ত্রী মোদির টেকসই উন্নয়ন, জলবায়ু সহনশীলতা, ব্লু ইকোনমি এবং আন্তর্জাতিক সহযোগিতা জোরদারে তাঁর নেতৃত্বের ভূয়সী প্রশংসা করা হয়েছে। পাশাপাশি ক্ষুদ্র দ্বীপরাষ্ট্রগুলির (Small Island Developing States) উন্নয়ন-আকাঙ্ক্ষার প্রতি ভারতের সমর্থন এবং পরিবেশ সংরক্ষণ, উদ্ভাবন, টেকসই অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও সমুদ্রসম্পদের সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনায় তাঁর উদ্যোগের কথাও উল্লেখ করা হয়েছে। ভারত এবং সেশেলসের মধ্যে বন্ধুত্ব, পারস্পরিক শ্রদ্ধা এবং শান্তি-সমৃদ্ধির অভিন্ন অঙ্গীকার আরও দৃঢ় করার ক্ষেত্রে তাঁর অবদানেরও স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে।

    আরও একটি আন্তর্জাতিক সম্মান পেলেন মোদি

    এটি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (PM Modi) ঝুলিতে যুক্ত হওয়া আরও একটি আন্তর্জাতিক সম্মান। গত মে মাসে খাদ্য নিরাপত্তা, কৃষি সংস্কার এবং টেকসই কৃষি ব্যবস্থার উন্নয়নে অবদানের জন্য রাষ্ট্রসঙ্ঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থা (FAO) তাঁকে এগ্রিকোলা মেডেল (Agricola Medal) দেয়। ২০১৮ সালে তিনি সিওল পিস প্রাইজ (Seoul Peace Prize) পান। ওই বছরই রাষ্ট্রসঙ্ঘের সর্বোচ্চ পরিবেশ সম্মান চ্যাম্পিয়নস অফ দ্য আর্থ অ্যাওয়ার্ডে (Champions of the Earth Award) ভূষিত হন। প্রসঙ্গত, ২৭ থেকে ২৯ জুন পর্যন্ত চলা এই রাষ্ট্রীয় সফরে প্রধানমন্ত্রী ভারত ও সেশেলসের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও জোরদারের লক্ষ্যে একাধিক বৈঠক করছেন। বিশেষ করে ভারত মহাসাগরীয় অঞ্চলে সামুদ্রিক নিরাপত্তা ও সহযোগিতা এবং ভারতের ‘ভিশন সাগর’ (Vision SAGAR) উদ্যোগ এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার বিষয়টি (Seychelles) আলোচনার ফোকাসে রয়েছে।

    সেশেলসকে উপহার ভারতের প্রধানমন্ত্রীর

    চলতি সফরে প্রধানমন্ত্রী সেশেলসের প্রেসিডেন্টের হাতে ভারতের তৈরি অত্যাধুনিক ফাস্ট প্যাট্রোল ভেসেল পিএস লেপসওয়্যার (Fast Patrol Vessel PS Lespwar), ছ’টি ফোর্স অ্যাম্বুলেন্স, ১০টি ইউটিলিটি গাড়ি এবং পাঁচটি লেজার রেডিয়াল নৌকা তুলে দেন। এই উদ্যোগকে দুই দেশের ক্রমবর্ধমান কৌশলগত অংশীদারিত্বের প্রতীক হিসেবেই দেখা হচ্ছে। এদিকে, সেশেলসের স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উদ্‌যাপনে ভারতীয় সশস্ত্র বাহিনীর একটি কুচকাওয়াজ দল (Seychelles) এবং ভারতীয় নৌবাহিনীর দু’টি যুদ্ধজাহাজও অংশগ্রহণ করছে (PM Modi)।

     

  • PM Modi: সেশেলসে রাষ্ট্রীয় সফর শুরু প্রধানমন্ত্রীর, নিজে হাতে খাওয়ালেন ‘জোনাথন’কে

    PM Modi: সেশেলসে রাষ্ট্রীয় সফর শুরু প্রধানমন্ত্রীর, নিজে হাতে খাওয়ালেন ‘জোনাথন’কে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তিন দিনের রাষ্ট্রীয় সফরে শনিবার সেশেলসে পৌঁছেই একাধিক গুরুত্বপূর্ণ কর্মসূচিতে অংশ নিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। সেশেলসের (Seychelles) প্রেসিডেন্ট প্যাট্রিক হারমিনির সঙ্গে রাজধানী ভিক্টোরিয়ার ন্যাশনাল বোটানিক্যাল গার্ডেন পরিদর্শন করেন তিনি।

    ‘জোনাথন’কে খাওয়ালেন নিজে হাতে (PM Modi)

    সেখানে প্রধানমন্ত্রী বিশ্বের প্রবীণতম জীবিত স্থলচরপ্রাণী হিসেবে স্বীকৃত ১৯৪ বছর বয়সী বিশালাকার কচ্ছপ ‘জোনাথন’-সহ একাধিক দৈত্যাকার কচ্ছপকে নিজের হাতে খাবার খাওয়ান। এই মুহূর্তের ছবি এবং ভিডিও ইতিমধ্যেই ব্যাপক সাড়া ফেলেছে। বোটানিক্যাল গার্ডেন সফরে প্রধানমন্ত্রী মোদি এবং প্রেসিডেন্ট হারমিনি একটি স্মারক চারা গাছও রোপণ করেন। উদ্যানের আধিকারিকদের সঙ্গে কথা বলে সেখানকার বিরল উদ্ভিদ ও প্রাণিজগত সম্পর্কে বিস্তারিত খোঁজখবর নেন। শনিবার বিকেলে সেশেলসের রাজধানী ভিক্টোরিয়ায় পৌঁছন প্রধানমন্ত্রী। দ্বীপরাষ্ট্রটির স্বাধীনতার ৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষে আয়োজিত জাতীয় দিবসের সুবর্ণজয়ন্তী অনুষ্ঠানে তিনি প্রধান অতিথি হিসেবে যোগ দেবেন। প্রসঙ্গত, ১৯৭৬ সালে ব্রিটেনের কাছ থেকে স্বাধীনতা লাভ করেছিল সেশেলস। ভারত-সেশেলসের ঘনিষ্ঠ কূটনৈতিক সম্পর্কের নিদর্শন হিসেবে প্রেসিডেন্ট হারমিনি নিজে মন্ত্রিসভার সদস্য ও শীর্ষ আধিকারিকদের সঙ্গে বিমানবন্দরে উপস্থিত থেকে প্রধানমন্ত্রী মোদিকে স্বাগত জানান (PM Modi)।

    কী বললেন প্রধানমন্ত্রী

    বিমানবন্দরে মোদির অভ্যর্থনায় ছিল বর্ণাঢ্য সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। বিশেষ আকর্ষণ ছিল গুজরাটের কচ্ছ অঞ্চলের ঐতিহ্যবাহী নৃত্য পরিবেশনা। এই সাংস্কৃতিক উপস্থাপনার প্রশংসা করে এক্স হ্যান্ডেলে প্রধানমন্ত্রী লেখেন, “অসাধারণ সাংস্কৃতিক যোগসূত্র! সেশেলস বিমানবন্দরে কচ্ছের নৃত্য পরিবেশিত হয়েছে। ভারতের বিভিন্ন প্রান্তের সংস্কৃতিকে যেভাবে প্রবাসী ভারতীয়রা সংরক্ষণ ও উদ্‌যাপন করছেন, তা সত্যিই প্রশংসনীয়।” উষ্ণ অভ্যর্থনার জন্য প্রবাসী ভারতীয়দের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন (Seychelles) প্রধানমন্ত্রী। এক্স হ্যান্ডেলে লেখেন, “সেশেলসে পৌঁছেছি। বিমানবন্দরে প্রেসিডেন্ট ড. প্যাট্রিক হারমিনির আন্তরিক অভ্যর্থনার জন্য কৃতজ্ঞ। ভারত মহাসাগরীয় অঞ্চলে সেশেলস ভারতের এক গুরুত্বপূর্ণ সামুদ্রিক অংশীদার ও ঘনিষ্ঠ বন্ধু। এই সফরের মাধ্যমে দুই দেশের দীর্ঘদিনের সম্পর্ক আরও মজবুত হবে এবং পারস্পরিক সহযোগিতা নতুন (PM Modi) উচ্চতায় পৌঁছবে বলেই আশা করছি।” পরে প্রেসিডেন্ট হারমিনির সঙ্গে বোটানিক্যাল গার্ডেনে যাওয়ার পথে তোলা একটি (Seychelles) ছবি শেয়ার করে প্রধানমন্ত্রী লেখেন, “প্রেসিডেন্ট ড. প্যাট্রিক হারমিনির সঙ্গে সেশেলস ন্যাশনাল বোটানিক্যাল গার্ডেনের পথে (PM Modi)।”

     

  • PM Modi: মোদির সফরে নয়া মাত্রা পাবে ভারত-সেশেলস সম্পর্ক, পর্যটন-সামুদ্রিক নিরাপত্তায় একাধিক চুক্তির সম্ভাবনা

    PM Modi: মোদির সফরে নয়া মাত্রা পাবে ভারত-সেশেলস সম্পর্ক, পর্যটন-সামুদ্রিক নিরাপত্তায় একাধিক চুক্তির সম্ভাবনা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দু’দিনের রাষ্ট্রীয় সফরে পূর্ব আফ্রিকার দ্বীপরাষ্ট্র সেশেলসে গিয়েছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। তাঁর দুদিনের এই রাষ্ট্রীয় সফরকে ঘিরে আশাবাদী পূর্ব আফ্রিকার দ্বীপরাষ্ট্র সেশেলস। দেশটির বিদেশমন্ত্রী ব্যারি ফাউরে (Barry Faure) জানিয়েছেন, এই (Cyber Security Pacts) সফরের মাধ্যমে ভারত ও সেশেলসের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও শক্তিশালী হবে এবং পর্যটন, সামুদ্রিক নিরাপত্তা, মহাকাশ, সাইবার নিরাপত্তা ও আইনি সহযোগিতা-সহ একাধিক ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ চুক্তি স্বাক্ষরিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

    সেশেলসের বিদেশমন্ত্রীর বক্তব্য (PM Modi)

    ২৭ জুন থেকে ২৯ জুন পর্যন্ত সেশেলসে রাষ্ট্রীয় সফরে রয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। সেশেলসের প্রেসিডেন্ট প্যাট্রিক হারমিনির (Patrick Herminie) আমন্ত্রণে তিনি সে দেশের জাতীয় দিবসের সুবর্ণজয়ন্তী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে অংশ নিচ্ছেন। সংবাদ মাধ্যমে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ফাউরে বলেন, “বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ চুক্তি স্বাক্ষরিত হবে বলেই আশা। শুধু সামুদ্রিক নিরাপত্তাই নয়, মহাকাশ সহযোগিতা, সাইবার নিরাপত্তা এবং পারস্পরিক আইনি সাহায্যের মতো নতুন ক্ষেত্রেও দুই দেশের সহযোগিতা আরও সম্প্রসারিত হবে।” তিনি জানান, ভারত ও সেশেলসের মধ্যে বাণিজ্য এবং পর্যটনের ক্ষেত্রে বিপুল সম্ভাবনা রয়েছে। সেশেলসের প্রাকৃতিক সম্পদ ও রফতানি সক্ষমতা যেমন ভারতের জন্য গুরুত্বপূর্ণ, তেমনি ভারতের বিশাল পর্যটন বাজার ও ভোক্তা অর্থনীতিও সেশেলসের জন্য নয়া সুযোগ সৃষ্টি করতে পারে (PM Modi)।

    মোদির আন্তর্জাতিক গ্রহণযোগ্যতা

    পর্যটনকে সেশেলসের অর্থনীতির অন্যতম প্রধান ভিত্তি উল্লেখ করে ফাউরে জানান, দেশটির মোট ডিডিপির(GDP) প্রায় ৩০ শতাংশই পর্যটন শিল্প থেকে আসে। বর্তমানে ভারতের মুম্বই থেকে ইন্ডিগো এয়ারলাইন্স সপ্তাহে চারটি ফ্লাইট চালাচ্ছে। তবে ভবিষ্যতে দিল্লি-সহ ভারতের আরও বিভিন্ন শহর থেকে সরাসরি বিমান পরিষেবা চালুর বিষয়েও আলোচনা চলছে। তিনি বলেন, “প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির আন্তর্জাতিক গ্রহণযোগ্যতা ও প্রভাবের কারণে তাঁর এই সফর সেশেলসকে বিশ্ব পর্যটন মানচিত্রে আরও বেশি পরিচিত করে তুলবে। আমরা আশা করছি, ভারত থেকে পর্যটকের সংখ্যাও উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পাবে (PM Modi)।”

    বৈশ্বিক বাণিজ্য প্রতিযোগিতার অন্যতম কেন্দ্র

    সেশেলসের বিদেশমন্ত্রী জানান, দুই দেশের মধ্যে সরাসরি সমুদ্রপথে পণ্য পরিবহণ চালুর বিষয়েও আলোচনা শুরু হয়েছে। চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি মাসে প্রেসিডেন্ট প্যাট্রিক হারমিনির ভারত সফরের সময় এই উদ্যোগের সূচনা হয়েছিল। এই যোগাযোগ চালু হলে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য আরও সহজ ও গতিশীল হবে বলেই আশা সংশ্লিষ্টমহলের (Cyber Security Pacts)। ভারত মহাসাগরীয় অঞ্চলের বর্তমান কৌশলগত পরিস্থিতি নিয়ে মন্তব্য করতে গিয়ে ফাউরে জানান, এই অঞ্চল এখন বৈশ্বিক বাণিজ্য প্রতিযোগিতার অন্যতম কেন্দ্র হয়ে উঠেছে। প্রত্যাশিতভাবেই জলদস্যুদের উপদ্রব এবং আঞ্চলিক নিরাপত্তা ঝুঁকিও ক্রমশ বাড়ছে।

    জলদস্যুদের উপদ্রব

    তিনি বলেন, “অতীতে আমরা জলদস্যুদের উপদ্রবের জেরে ব্যাপক সমস্যার মুখোমুখি হয়েছি। এখনও হরমুজ প্রণালী, ওমান উপসাগর এবং আরব সাগরের বিভিন্ন ঘটনাবলি সরাসরি সেশেলসের অর্থনীতি ও নিরাপত্তার ওপর প্রভাব ফেলে। তাই ভারত-সেশেলসের মধ্যে সামুদ্রিক নিরাপত্তা সহযোগিতা আরও জোরদার হওয়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।” বিশ্লেষকদের মতে, প্রধানমন্ত্রীর এই সফর ভারত (PM Modi) মহাসাগরীয় অঞ্চলে ভারতের কৌশলগত উপস্থিতি আরও শক্তিশালী করবে। একই সঙ্গে বাণিজ্য, পর্যটন, সংযোগ ব্যবস্থা এবং (Cyber Security Pacts) সামুদ্রিক নিরাপত্তার মতো গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রে দুই দেশের অংশীদারিত্ব পৌঁছতে পারে নয়া উচ্চতায়।

     

LinkedIn
Share