Tag: PM Modi

PM Modi

  • PM Modi: উজবেকিস্তানে যোগ অনুষ্ঠানে মোদি, দুই দেশের বন্ধুত্ব আরও মজবুত করার বার্তা

    PM Modi: উজবেকিস্তানে যোগ অনুষ্ঠানে মোদি, দুই দেশের বন্ধুত্ব আরও মজবুত করার বার্তা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উজবেকিস্তানের (Uzbekistan) রাজধানী তাশখন্দে ‘যোগ ফেডারেশন অব উজবেকিস্তান’ আয়োজিত একটি যোগ অনুষ্ঠানে আজ, রবিবার অংশ নেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। উজবেকিস্তানে দু’দিনের রাষ্ট্রীয় সফরে রয়েছেন তিনি। ২৯ অগাস্ট তাশখন্দে পৌঁছনোর পর এটি ছিল মধ্য এশিয়ার এই দেশে তাঁর চতুর্থ সফর। চলতি সফরে উজবেকিস্তানের প্রেসিডেন্ট শওকত মিরজিয়য়েভের সঙ্গে বৈঠকে বসবেন প্রধানমন্ত্রী। দুই দেশের কৌশলগত অংশীদারিত্ব আরও শক্তিশালী করার পাশাপাশি বাণিজ্য ও বিনিয়োগ, প্রতিরক্ষা, ডিজিটাল যোগাযোগ, জ্বালানি, শিক্ষা এবং দুই দেশের মানুষের মধ্যে যোগাযোগের মতো একাধিক ক্ষেত্রে সহযোগিতা নিয়ে আলোচনা করবেন দুই নেতা। ভবিষ্যৎ সহযোগিতার রূপরেখাও নির্ধারণ করা হবে।

    ভারত-ময় উজবেকিস্তান (PM Modi)

    প্রধানমন্ত্রীর সফর উপলক্ষে উজবেকিস্তানের রাজধানীর একাধিক গুরুত্বপূর্ণ ভবন ভারতীয় জাতীয় পতাকার তেরঙ্গা রঙে সেজে ওঠে। এর মধ্যে ছিল তাশখন্দের অন্যতম পরিচিত হিলটন হোটেলও। যোগ অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণকারীদের পাশাপাশি তাশখন্দের বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী। যোগপ্রেমীদের সঙ্গে দলীয় ছবিতেও অংশ নেন তিনি। মধ্য এশিয়ার একটি দেশে প্রধানমন্ত্রীর যোগ অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ ভারতের সাংস্কৃতিক প্রভাবের শক্তিকেই তুলে ধরেছে। একই সঙ্গে স্বাস্থ্য ও সুস্থতার ক্ষেত্রে যোগের গুরুত্ব যে গোটা বিশ্ব স্বীকার করেছে, তারও প্রতিফলন ঘটেছে এই অনুষ্ঠানে।

    দুই দেশের সেতু

    তাশখন্দের বাসিন্দারা প্রধানমন্ত্রীর যোগ অনুষ্ঠানের প্রশংসা করেছেন। তাঁদের মতে, ভারত ও উজবেকিস্তানের সম্পর্ক আরও গভীর করতে যোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে।

    অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়ার পর তাশখন্দের বাসিন্দা ক্রিস্টিনা বলেন, “এটি দারুণ একটি অভিজ্ঞতা ছিল। বিশেষ করে এত বড় একজন ব্যক্তি উজবেকিস্তানে এসেছেন, তাঁর সঙ্গে এই অনুষ্ঠানে থাকা সত্যিই অসাধারণ অভিজ্ঞতা। আমার মনে হয়, যোগ দুই দেশের সম্পর্ককে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাবে। এটি দুই দেশকে আরও কাছাকাছি আনবে এবং বন্ধুত্বকে আরও শক্তিশালী করবে (PM Modi)।”

    আর এক বাসিন্দা মারিয়ামও অনুষ্ঠানের অংশ হতে পেরে আনন্দ প্রকাশ করেন। সংবাদ মাধ্যমে তিনি বলেন, “এটি খুবই সুন্দর একটি অনুভূতি। এখানে এসে আমি সুস্থ ও অত্যন্ত আনন্দিত বোধ করছি। এ বছর আন্তর্জাতিক যোগ দিবস-সহ আমরা অনেক অনুষ্ঠানে অংশ নিয়েছি। আজকের অনুষ্ঠানটিও খুব ভালো হয়েছে। এখানে আমন্ত্রিত হয়ে এই অনুষ্ঠানের অংশ হতে পেরে আমি অত্যন্ত আনন্দিত। আমরা ভারতীয় যোগকেন্দ্রে আমাদের দলের সঙ্গে প্রশিক্ষণ নিয়েছি।”

    ভারতের সফট পাওয়ারের গুরুত্বপূর্ণ স্তম্ভ যোগ

    ১৫ অগাস্ট স্বাধীনতা দিবসের ভাষণে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বলেছিলেন, ভারতের ‘সফট পাওয়ার’ সপ্তধারার সপ্তম শক্তি। যোগের পাশাপাশি হস্তশিল্প, চলচ্চিত্র, অ্যানিমেশন, খেলাধুলা ও ডিজিটাল বিষয়বস্তু এবং বৃহত্তর সৃজনশীল ক্ষেত্রকে ভারতের গুরুত্বপূর্ণ শক্তি হিসেবে তুলে ধরেছিলেন তিনি।

    উজবেকিস্তানের প্রেসিডেন্ট শওকত মিরজিয়য়েভের সঙ্গে প্রতিনিধি পর্যায়ের বৈঠকে দুই দেশের কৌশলগত অংশীদারিত্ব আরও জোরদার করার জন্য একাধিক পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে। বাণিজ্য ও বিনিয়োগ থেকে শুরু করে প্রতিরক্ষা, ডিজিটাল যোগাযোগ, জ্বালানি, শিক্ষা এবং দুই দেশের মানুষের পারস্পরিক যোগাযোগ—বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতার অগ্রগতি পর্যালোচনা করবেন দুই নেতা।

    গত কয়েক বছরে নয়াদিল্লি ও তাশখন্দের দ্বিপাক্ষিক এবং বহুপাক্ষিক সহযোগিতা ধারাবাহিকভাবে বিস্তৃত হয়েছে। ২০১৮ সালে প্রেসিডেন্ট মিরজিয়য়েভের ভারত সফর এবং ২০১৯ সালে ভাইব্র্যান্ট গুজরাট বিশ্ব সম্মেলনে তাঁর অংশগ্রহণ দুই দেশের সম্পর্ককে আরও এগিয়ে নিয়ে যায়।

    উজবেকিস্তান সফর শেষ করে কিরগিজ প্রজাতন্ত্রের প্রেসিডেন্ট সাদির জাপারভের আমন্ত্রণে (Uzbekistan) বিশকেকে যাবেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী। সেখানে তিনি অংশ নেবেন সাংহাই সহযোগিতা সংস্থার ২৬তম শীর্ষ সম্মেলনে (PM Modi)।

     

  • PM Modi Central Asia Tour: চার দিনের মধ্য এশিয়া সফরে মোদি, নজরে এসসিও সম্মেলনে পুতিনের সঙ্গে বৈঠক

    PM Modi Central Asia Tour: চার দিনের মধ্য এশিয়া সফরে মোদি, নজরে এসসিও সম্মেলনে পুতিনের সঙ্গে বৈঠক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চার দিনের মধ্য এশিয়া সফরে গেলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi Central Asia Tour)। শনিবার থেকে শুরু এই সফরে তিনি উজবেকিস্তান ও কিরঘিজস্তান যাবেন এবং সাংহাই কো-অপারেশন অর্গানাইজেশন (SCO)-এর শীর্ষ সম্মেলনে যোগ দেবেন। পাশাপাশি রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠকও করবেন মোদি। উজবেকিস্তানের প্রেসিডেন্ট শাভকাত মিরজিয়োয়েভের আমন্ত্রণে ২৯ ও ৩০ অগাস্ট উজবেকিস্তান সফর করবেন প্রধানমন্ত্রী। এরপর ৩১ অগাস্ট কিরঘিজস্তানের রাজধানী বিশকেকে এসসিও (SCO Summit) সম্মেলনে যোগ দেবেন তিনি।

    মোদি-পুতিন সাক্ষাৎ

    বিদেশ মন্ত্রকের তরফে জানানো হয়েছে, এসসিও সম্মেলনের ফাঁকে পুতিনের (PM Modi Meet Putin) সঙ্গে মোদির বৈঠক হবে। বিদেশ মন্ত্রকের পশ্চিম বিভাগের সচিব সিবি জর্জ বৃহস্পতিবার সাংবাদিক বৈঠকে বলেন, “সম্মেলনের পার্শ্ববৈঠকে ভারত ও রাশিয়ার দুই নেতার মধ্যে একটি বৈঠক নির্ধারিত হয়েছে।” তাঁর কথায়, বৈঠকে ভারত-রাশিয়া সম্পর্কের সামগ্রিক পরিসর নিয়ে পর্যালোচনা হতে পারে। সম্মেলনের ফাঁকে মোদির আরও কয়েকটি দ্বিপাক্ষিক বৈঠক হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। সেগুলির সূচি চূড়ান্ত হলে বিস্তারিত জানানো হবে। মোদি পুতিন বৈঠকের আগে চলতি সপ্তাহেই রাশিয়া সফর করেছেন বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর। মস্কো সফরে তিনি পুতিনের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন এবং ভারত-রাশিয়া আন্তঃসরকারি কমিশনের বাণিজ্য, অর্থনৈতিক, বৈজ্ঞানিক, প্রযুক্তিগত ও সাংস্কৃতিক সহযোগিতা সংক্রান্ত বৈঠকে যৌথভাবে সভাপতিত্ব করেন।

    এসসিও সম্মেলনের গুরুত্ব

    এবারের এসসিও সম্মেলন বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ। সংগঠনটির ২৫ বছর পূর্তি উপলক্ষে আয়োজিত এই সম্মেলনে আঞ্চলিক নিরাপত্তা পরিস্থিতির পরিবর্তন এবং ভবিষ্যৎ চ্যালেঞ্জ নিয়ে আলোচনা হতে পারে। সম্মেলনে চিনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং, রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন এবং পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ-সহ একাধিক রাষ্ট্রনেতার উপস্থিত থাকার কথা। সম্মেলনে বক্তব্য রাখার সময় প্রধানমন্ত্রী মোদি নিরাপত্তা, যোগাযোগ ব্যবস্থা এবং অর্থনৈতিক সুযোগ—এই বিষয়গুলির উপর ভারতের অগ্রাধিকার তুলে ধরবেন বলে বিদেশ মন্ত্রক জানিয়েছে। সিবি জর্জ বলেন, সন্ত্রাসবাদ, বিচ্ছিন্নতাবাদ এবং উগ্রপন্থার মোকাবিলা করাই এসসিও প্রতিষ্ঠার অন্যতম প্রধান লক্ষ্য ছিল। বর্তমানেও এই সমস্যাগুলি আঞ্চলিক ক্ষেত্রে বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে রয়েছে। ২০১৭ সালে ভারত এসসিও-র পূর্ণ সদস্য হয়।

    ভারতের কৌশলগত দিক থেকে মধ্য এশিয়ার গুরুত্ব

    ভারতের কৌশলগত হিসেব-নিকাশে মধ্য এশিয়ার একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ স্থান রয়েছে। স্থলবেষ্টিত হলেও সম্পদে সমৃদ্ধ এই পাঁচটি প্রজাতন্ত্র দক্ষিণ এশিয়া, পশ্চিম এশিয়া, রাশিয়া এবং চিনের সংযোগস্থলে অবস্থিত। তাদের কাছে তেল, প্রাকৃতিক গ্যাস, ইউরেনিয়াম এবং ক্রমবর্ধমানভাবে কাঙ্ক্ষিত গুরুত্বপূর্ণ খনিজ ও দুর্লভ মৃত্তিকার বিপুল মজুদ রয়েছে। শিল্প আধুনিকীকরণ এবং সরবরাহ শৃঙ্খলের স্থিতিশীলতা অর্জনে সচেষ্ট জ্বালানি-আমদানিকারী ভারতের জন্য এই সম্পদগুলো মূল্যবান বৈচিত্র্য আনার সুযোগ করে দেয়। আফগানিস্তান পাকিস্তান অঞ্চল থেকে উদ্ভূত সন্ত্রাসবাদ, চরমপন্থা এবং অস্থিতিশীলতা নিয়ে এই অঞ্চলটিও ভারতের উদ্বেগের অংশীদার। কিন্তু ভারতের ভৌগোলিক অবস্থান দীর্ঘদিন ধরে এই সম্পৃক্ততাকে সীমাবদ্ধ করে রেখেছে। পাকিস্তান সরাসরি স্থলপথে প্রবেশাধিকার বন্ধ করে দেওয়ায়, ইরানের চাবাহার বন্দর এবং আন্তর্জাতিক উত্তর-দক্ষিণ পরিবহণ করিডর (INSTC)-এর মাধ্যমে দীর্ঘতর বহুমুখী সংযোগ পথের উপর নির্ভর করতে বাধ্য হতে হয়।

    ভারতের সঙ্গে সখ্যতা-প্রধানমন্ত্রী মোদির রাজনৈতিক সদিচ্ছা

    চিন ক্রমান্বয়ে প্রভাবশালী অর্থনৈতিক শক্তিতে পরিণত হয়েছে, অন্যদিকে ইউক্রেন সংঘাত রাশিয়ার সক্ষমতাকে সংকুচিত করলেও দেশটি তার অবশিষ্ট নিরাপত্তা প্রভাব বজায় রেখেছে। তুরস্ক, যুক্তরাষ্ট্র এবং ইউরোপীয় অংশীদাররা তাদের নিজস্ব বহুমুখী যোগাযোগ প্রসারিত করেছে। মধ্য এশিয়ার রাষ্ট্রগুলো নিজেরা ভারসাম্যপূর্ণ বিদেশনীতি অনুসরণ করে এবং এমন অংশীদার খোঁজে যাদের সাথে আধিপত্যবাদী বোঝা যুক্ত নেই। ভারত এই পছন্দের সঙ্গে খাপ খায়। এর বিরুদ্ধে কোনও ঐতিহাসিক হুমকির আশঙ্কা নেই এবং সভ্যতাগত সখ্যতাও রয়েছে। ভারত নিজেকে একটি বৃহৎ শক্তির প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে নয়, বরং একটি উন্নয়নমূলক অংশীদার হিসেবে তুলে ধরে। ২০১৫ সালে মোদির পাঁচটি প্রজাতন্ত্র সফর, ভারত-মধ্য এশিয়া সংলাপ ও শীর্ষ সম্মেলনের প্রাতিষ্ঠানিকীকরণ এবং ২০১৭ সাল থেকে এসসিও-র পূর্ণ সদস্যপদ—এই সবকিছুই সম্পর্কটিকে ক্রমান্বয়ে উন্নত করেছে। এই সাম্প্রতিক সফরের লক্ষ্য হলো রাজনৈতিক সদিচ্ছাকে আরও বাস্তব কৌশলগত ও অর্থনৈতিক ফলাফলে রূপান্তরিত করা।

    উজবেকিস্তান সফরের উদ্দেশ্য

    উজবেকিস্তানে এটি মোদির চতুর্থ সফর। সেখানে প্রেসিডেন্ট শাভকাত মিরজিয়োয়েভের সঙ্গে বৈঠকে দুই দেশের কৌশলগত অংশীদারিত্ব আরও শক্তিশালী করার বিষয়ে আলোচনা হবে। বাণিজ্য ও বিনিয়োগ, প্রতিরক্ষা, ডিজিটাল যোগাযোগ, জ্বালানি, শিক্ষা এবং দুই দেশের মানুষের মধ্যে যোগাযোগ—সহ একাধিক ক্ষেত্রে সহযোগিতা আরও বাড়ানোর বিষয়েও দুই নেতা আলোচনা করবেন বলে বিদেশ মন্ত্রক জানিয়েছে। তাশখন্দে অনুষ্ঠিত দ্বিপাক্ষিক বৈঠকটি দুই দেশের কাছেই বিশেষ গুরুত্ব বহন করে। উজবেকিস্তান এই অঞ্চলের সবচেয়ে জনবহুল দেশ এবং ভারতের অন্যতম সক্রিয় অংশীদার হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে। কিরঘিজস্তান সফরে মোদি ষষ্ঠ বিশ্ব নোমাড গেমস (World Nomad Games)-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানেও যোগ দেবেন। মধ্য এশিয়ার যাযাবর সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যকে তুলে ধরাই এই আন্তর্জাতিক ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক আয়োজনের অন্যতম উদ্দেশ্য।

  • Nepal Floods: নেপালে ভয়াবহ বন্যা-ধসে মৃত ১৬০, পাশে থাকার আশ্বাস মোদির, ১০ টন ত্রাণসামগ্রী পাঠাল ভারত

    Nepal Floods: নেপালে ভয়াবহ বন্যা-ধসে মৃত ১৬০, পাশে থাকার আশ্বাস মোদির, ১০ টন ত্রাণসামগ্রী পাঠাল ভারত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নেপালে ভয়াবহ বন্যা ও ভূমিধসে মৃতের সংখ্যা ছাড়িয়েছে ১৬০। এখনও নিখোঁজ রয়েছেন কয়েকশো মানুষ। এর (Nepal Floods) মধ্যে রয়েছেন অন্তত ১৩৩ জন ভারতীয় নাগরিকও। পরিস্থিতি মোকাবিলায় নেপালের পাশে থাকার আশ্বাস দিয়েছে ভারত (PM Modi)। উদ্ধার ও ত্রাণকাজে প্রয়োজনীয় সব ধরনের মানবিক সহায়তা দেওয়ার কথা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। ইতিমধ্যেই ভারতীয় বায়ুসেনার একটি সি-১৩০ সুপার হারকিউলিস (C-130 Super Hercules) বিমানে করে নেপালে ১০ টন ত্রাণ ও উদ্ধার সামগ্রী পাঠানো হয়েছে।

    নেপালকে সমবেদনা ভারতের (Nepal Floods)

    ভয়াবহ এই প্রাকৃতিক দুর্যোগের পর নেপালের প্রধানমন্ত্রী বলেন্দ্র শাহ ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে তাঁর সমবেদনা এবং সহায়তার প্রস্তাবের জন্য ধন্যবাদ জানিয়েছেন। নেপালের প্রধানমন্ত্রীর দফতর থেকে সোশ্যাল মিডিয়া এক্সে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, এই সংকটের সময়ে প্রধানমন্ত্রী মোদির “উষ্ণ সংহতির বার্তা” এবং “উদার সহায়তার প্রস্তাবে”র জন্য কাঠমান্ডু গভীরভাবে কৃতজ্ঞ। বলেন্দ্র বলেন, ‘‘এই সংহতির প্রকাশ আমাদের দুই দেশের দীর্ঘস্থায়ী বন্ধুত্বের প্রতিফলন। এই সম্পর্ককে আমরা গভীরভাবে মূল্য দিই।’’

    ‘‘নেপালের বোন ও ভাইদের পাশে ভারত’’

    এর আগে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি নেপালের প্রধানমন্ত্রী বলেন্দ্র শাহের সঙ্গে ফোনে কথা বলেন। ভয়াবহ বন্যায় প্রাণহানির ঘটনায় তিনি গভীর শোক প্রকাশ করেন এবং নেপালের মানুষের পাশে ভারতের থাকার কথা জানান। উদ্ধার ও ত্রাণকাজে ভারত সব ধরনের সম্ভাব্য মানবিক সহায়তা দিতে প্রস্তুত বলেও আশ্বাস দেন তিনি। মোদি বলেন, ‘‘এই কঠিন সময়ে ভারতের মানুষ নেপালের তাঁদের বোন ও ভাইদের পাশে রয়েছে।’’ তিনি আরও জানান, ভারত নেপালকে সম্ভাব্য সব ধরনের মানবিক সহায়তা দিতে প্রস্তুত। দুই দেশের সংশ্লিষ্ট দল উদ্ধার ও ত্রাণকাজ নিয়ে ঘনিষ্ঠভাবে সমন্বয় করছে বলেও জানান তিনি।

    ভোটে কোশি নদীর জলস্ফীতিতে ভয়াবহ বন্যা

    বুধবার নেপালের মধ্যাঞ্চলে আচমকাই ভয়াবহ বন্যা পরিস্থিতি তৈরি হয়। ভোটে কোশি নদীর জলস্তর হঠাৎ বেড়ে যাওয়ার ফলে রসুয়া ও ধাদিং জেলার বিস্তীর্ণ এলাকা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এই অঞ্চলগুলি তিব্বত সীমান্তের কাছে অবস্থিত। পাশাপাশি নুওয়াকোট জেলায়ও বন্যার ব্যাপক প্রভাব পড়েছে।

    প্রবল জলের তোড়ে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বহু বসতি। একাধিক সেতু ভেসে গিয়েছে এবং অন্তত এক ডজন জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের কার্যকলাপ ব্যাহত হয়েছে। পাহাড়ি এলাকায় বন্যার পাশাপাশি ভূমিধস পরিস্থিতিকে আরও ভয়াবহ করে তুলেছে। যোগাযোগ ব্যবস্থা বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ায় দুর্গত এলাকায় উদ্ধার এবং ত্রাণ সামগ্রী পৌঁছনোও কঠিন হয়ে উঠেছে।

    নেপাল-চিন সীমান্তবর্তী বিস্তীর্ণ এলাকায় বন্যা ও ভূমিধসের কারণে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়েছে। নেপালি পুলিশের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, এখনও পর্যন্ত ১৫৭টি মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এদিকে, তিব্বতের সীমান্তবর্তী একটি এলাকায় ভূমিধসের ঘটনায় আরও তিনজনের মৃত্যুর খবর দিয়েছে চিনের সরকারি সংবাদমাধ্যম। সব (Nepal Floods) মিলিয়ে মৃতের সংখ্যা ১৬০-এ পৌঁছেছে।

    তবে মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। কারণ, এখনও কয়েকশো মানুষ নিখোঁজ। উদ্ধারকারী বিভিন্ন দল দুর্গত এলাকাগুলিতে তল্লাশি চালাচ্ছে। ধ্বংসস্তূপ এবং কাদার নীচে আরও মানুষ আটকে থাকতে পারেন বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে (PM Modi)।

    নিখোঁজ ১৩৩ ভারতীয় নাগরিক

    নেপালের এই ভয়াল বন্যায় অন্তত ১৩৩ জন ভারতীয় নাগরিক নিখোঁজ রয়েছেন বলে জানা গিয়েছে। ফলে ভারতীয় প্রশাসনও পরিস্থিতির উপর ঘনিষ্ঠ নজর রাখছে। নিখোঁজ ভারতীয়দের সন্ধান এবং তাঁদের নিরাপদে দেশে ফিরিয়ে আনার জন্য প্রয়োজনীয় পরিকল্পনা তৈরি করা হচ্ছে।

    ভারতের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক এবং বিদেশমন্ত্রক পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে উদ্ধার ও দেশে ফেরাতে জরুরি বিকল্প পরিকল্পনা তৈরি করছে। নেপালের পাশাপাশি চিনা কর্তৃপক্ষের সঙ্গেও যোগাযোগ রাখা হচ্ছে, বিশেষ করে রসুয়াগঢ়ি সীমান্ত এলাকায় ত্রাণ ও উদ্ধার অভিযান পরিচালনার ক্ষেত্রে (Nepal Floods)।

    ১০ টন ত্রাণ সামগ্রী পাঠাল ভারত

    দুর্যোগ মোকাবিলায় দ্রুত পদক্ষেপ করেছে ভারত। ভারতীয় বায়ুসেনার বিমানে করে প্রায় ১০ টন ত্রাণ ও উদ্ধার সামগ্রী নেপালে পাঠানো হয়েছে। এর মধ্যে চিকিৎসা সরঞ্জাম, মেডিক্যাল কিট এবং সৌরচালিত বাতিও রয়েছে। দুর্গত এলাকায় বিদ্যুৎ ও যোগাযোগ ব্যবস্থা ব্যাহত হওয়ায় সৌরবাতি উদ্ধারকাজে বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে। এছাড়াও একটি সি-১৭ (C-17) সামরিক পরিবহণ বিমান প্রস্তুত রাখা হয়েছে। প্রয়োজন অনুযায়ী আরও ত্রাণ ও উদ্ধার সামগ্রী দ্রুত নেপালে পাঠানো হতে পারে। জাতীয় বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী (National Disaster Response Force) এবং বিভিন্ন প্রযুক্তিগত বিশেষজ্ঞকেও প্রস্তুত রাখা হয়েছে। ভারতীয় কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, নেপালে নিখোঁজ ভারতীয় নাগরিকদের বিষয়ে পরিস্থিতির উপর নিয়মিত নজর রাখা হচ্ছে। প্রয়োজনে উদ্ধারকারী দল ও বিশেষ সরঞ্জাম দ্রুত ঘটনাস্থলে পাঠানো হবে।

    সীমান্তজুড়ে যৌথ উদ্ধার অভিযান

    রসুয়াগঢ়ি সীমান্ত অঞ্চল নেপাল ও চিনের মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ যোগাযোগপথ হওয়ায় সেখানে বন্যা ও ভূমিধসের প্রভাব বিশেষভাবে উদ্বেগের কারণ হয়ে উঠেছে। ওই এলাকায় উদ্ধার ও ত্রাণকাজ চালানোর জন্য ভারত নেপাল ও চিন—দুই দেশের কর্তৃপক্ষের সঙ্গেই সমন্বয় রেখে চলেছে। প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে সীমান্তবর্তী এলাকায় যোগাযোগ ব্যবস্থা এবং পরিকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় উদ্ধার অভিযান পরিচালনায় একাধিক চ্যালেঞ্জ তৈরি হয়েছে। রাস্তা ও সেতু ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় দুর্গত এলাকায় দ্রুত পৌঁছনো কঠিন হয়ে পড়েছে। ফলে স্থলপথের পাশাপাশি বিমানপথে ত্রাণ পৌঁছে দেওয়ার উপরও গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

    দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের প্রতিফলন

    এই পরিস্থিতিতে ভারতের দ্রুত সাহায্য শুধু উদ্ধার ও ত্রাণকাজেই নয়, দুই প্রতিবেশী দেশের পারস্পরিক সম্পর্কের ক্ষেত্রেও গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। নেপালের দুর্যোগের সময়ে ভারতের এই সহায়তা দুই দেশের দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের প্রতিফলন বলেই মনে করছে কাঠমান্ডু (নেপালের রাজধানী)। নেপালে উদ্ধার অভিযান এখনও চলছে। নিখোঁজদের সন্ধান, আহতদের চিকিৎসা এবং দুর্গতদের (PM Modi) নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নিয়ে যাওয়াই এখন প্রশাসনের প্রধান লক্ষ্য (Nepal Floods)। মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা থাকায় উদ্ধারকারী দলগুলি ধ্বংসস্তূপ ও ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় তল্লাশি চালিয়ে যাচ্ছে। নিখোঁজ ভারতীয় নাগরিকদের সন্ধান (PM Modi) এবং তাঁদের পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ রাখার কাজও চালিয়ে যাচ্ছেন ভারতীয় কর্তৃপক্ষ (Nepal Floods)।

     

  • UPI: দশ বছর পূর্ণ করল ইউপিআই, লেনদেনের পরিমাণ কত বেড়েছে জানেন?

    UPI: দশ বছর পূর্ণ করল ইউপিআই, লেনদেনের পরিমাণ কত বেড়েছে জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতের ডিজিটাল অর্থপ্রদানের ক্ষেত্রে এক নতুন যুগের সূচনা করেছিল ইউপিআই (UPI)। ২০১৬ সালের ২৫ অগাস্ট ন্যাশনাল পেমেন্টস কর্পোরেশন অব ইন্ডিয়ার উদ্যোগে চালু হওয়া এই ব্যবস্থা ২০২৬ সালে পূর্ণ করল দশ বছর। এক দশকের মধ্যেই ইউপিআই ভারতের ডিজিটাল লেনদেন ব্যবস্থার মেরুদণ্ডে পরিণত হয়েছে (PM Modi)। একই সঙ্গে আর্থিক অন্তর্ভুক্তির ক্ষেত্রেও এটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে বলে জানিয়েছে কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রক। ২০১৬-১৭ অর্থবর্ষে ইউপিআইয়ের মাধ্যমে যেখানে মাত্র ১ কোটি ৭৮ লাখ  লেনদেন হয়েছিল, সেখানে ২০২৫-২৬ অর্থবর্ষে সেই সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২৪ হাজার ১৬২ কোটিরও বেশি। অর্থাৎ মাত্র এক দশকের ব্যবধানে লেনদেনের সংখ্যায় প্রায় ১৩ হাজার গুণ বৃদ্ধি ঘটেছে। ডিজিটাল অর্থপ্রদানের ক্ষেত্রে এই বিপুল সম্প্রসারণ ভারতের প্রযুক্তিনির্ভর আর্থিক ব্যবস্থার দ্রুত পরিবর্তনেরই প্রতিফলন।

    ইউপিআইয়ের মাধ্যমে লেনদেন (UPI)

    শুধু লেনদেনের সংখ্যা নয়, ইউপিআইয়ের মাধ্যমে লেনদেনের মোট আর্থিক মূল্যও গত দশ বছরে নজিরবিহীনভাবে বেড়েছে। ২০১৬-১৭ অর্থবর্ষে ইউপিআইয়ের মাধ্যমে লেনদেনের মূল্য ছিল মাত্র ০.০৭ লাখ  কোটি টাকা। ২০২৫-২৬ অর্থবর্ষে তা বেড়ে প্রায় ৩১৪ লাখ কোটি টাকায় পৌঁছেছে। অর্থাৎ লেনদেনের আর্থিক মূল্যে চার হাজার গুণেরও বেশি বৃদ্ধি ঘটেছে। কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রকের বক্তব্য, ইউপিআই এখন ভারতের ডিজিটাল অর্থপ্রদানের পরিকাঠামোর অন্যতম প্রধান স্তম্ভ। একই সঙ্গে এটি এমন একটি তাৎক্ষণিক ও পারস্পরিক সংযুক্ত অর্থপ্রদানের ব্যবস্থা তৈরি করেছে, যার মাধ্যমে একটি মাত্র প্রয়োগের সাহায্যে ব্যক্তি থেকে ব্যক্তির এবং ব্যক্তি থেকে ব্যবসায়ীর মধ্যে দ্রুত ও নির্বিঘ্নে অর্থ লেনদেন করা সম্ভব হচ্ছে। বর্তমানে দেশের কোটি কোটি মানুষের কাছে ইউপিআই অর্থপ্রদানের অন্যতম পছন্দের মাধ্যম হয়ে উঠেছে। দোকানে কেনাকাটা, পরিষেবার মূল্য মেটানো, ব্যক্তিগতভাবে টাকা পাঠানো থেকে শুরু করে বিভিন্ন ধরনের দৈনন্দিন আর্থিক লেনদেন—সব ক্ষেত্রেই এর ব্যবহার ক্রমশ বেড়েছে। এর ফলে নগদ অর্থের উপর নির্ভরতা কমেছে এবং দ্রুত, সহজ ও তুলনামূলকভাবে সুবিধাজনক ডিজিটাল লেনদেনের সুযোগ তৈরি হয়েছে।

    কী বলছে অর্থমন্ত্রক

    অর্থমন্ত্রকের দাবি, ইউপিআই শুধু শহরাঞ্চলের মানুষের জীবনকে সহজ করেনি, দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলেও ডিজিটাল আর্থিক পরিষেবার সুযোগ বাড়িয়েছে। প্রযুক্তিগত ব্যবধান কমিয়ে এবং আর্থিক অন্তর্ভুক্তি বাড়িয়ে এটি দেশের বিভিন্ন শ্রেণি ও সম্প্রদায়ের মানুষকে আনুষ্ঠানিক আর্থিক ব্যবস্থার সঙ্গে যুক্ত করতে সাহায্য করেছে। এর ফলে অর্থনীতিতে বৃহত্তর মানুষের অংশগ্রহণের পথও আরও প্রশস্ত হয়েছে। ইউপিআইয়ের (UPI) সাফল্য এখন শুধু ভারতের মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই। আন্তঃসীমান্ত ডিজিটাল অর্থপ্রদানের একটি গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক মঞ্চ হিসেবেও এটি আত্মপ্রকাশ করেছে। বর্তমানে ১১টি দেশে ইউপিআই কার্যকর রয়েছে। সংযুক্ত আরব আমিরশাহি, ফ্রান্স, ভুটান, শ্রীলঙ্কা, নেপাল, সিঙ্গাপুর, মরিশাস, কাতার, কম্বোডিয়া, গ্রিস এবং মালদ্বীপে এর ব্যবহার চালু হয়েছে। ফলে ভারতের তৈরি এই ডিজিটাল অর্থপ্রদানের ব্যবস্থা আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রেও ক্রমশ পক্ষ্ম বিস্তার করছে (PM Modi)।

    ইউপিআইয়ের গ্রহণযোগ্যতা

    বিশ্বব্যাপী ইউপিআইয়ের গ্রহণযোগ্যতাও ভারতের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ সাফল্য হিসেবে দেখা হচ্ছে। আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল ইউপিআইকে লেনদেনের পরিমাণের নিরিখে বিশ্বের বৃহত্তম তাৎক্ষণিক অর্থপ্রদানের ব্যবস্থা হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে। এর ফলে ডিজিটাল জনপরিকাঠামো নির্মাণে ভারতের সক্ষমতা আন্তর্জাতিক মহলেও বিশেষ গুরুত্ব পেয়েছে।২০২৫ সালের হিসাব অনুযায়ী, বিশ্বের মোট তাৎক্ষণিক অর্থপ্রদানের লেনদেনের প্রায় ৪৯ শতাংশই ইউপিআইয়ের মাধ্যমে সম্পন্ন হয়েছে। এই পরিসংখ্যান ভারতের ডিজিটাল অর্থপ্রদানের বিস্তার এবং ইউপিআইয়ের আন্তর্জাতিক গুরুত্বের একটি স্পষ্ট চিত্র তুলে ধরে। একই সঙ্গে এটি দেখায়, কীভাবে একটি দেশীয় ডিজিটাল অর্থপ্রদানের ব্যবস্থা অল্প সময়ের মধ্যেই বিপুল সংখ্যক মানুষের দৈনন্দিন আর্থিক লেনদেনের সঙ্গে যুক্ত হয়ে যেতে পারে।

    অর্থমন্ত্রকের বক্তব্য

    আকাশবাণীর এক প্রতিবেদনে অর্থমন্ত্রকের বক্তব্য উদ্ধৃত করে (UPI) জানানো হয়েছে, ২০১৬-১৭ অর্থবর্ষ থেকে ২০২৫-২৬ অর্থবর্ষ পর্যন্ত ইউপিআইয়ের লেনদেনের পরিমাণ এবং আর্থিক মূল্য—দুই ক্ষেত্রেই ব্যাপক বৃদ্ধি ঘটেছে। ২০১৬ সালে চালু হওয়ার সময় যে ব্যবস্থা ছিল সীমিত পরিসরের, দশ বছর পরে সেটিই ভারতের ডিজিটাল অর্থনীতির অন্যতম প্রধান চালিকাশক্তিতে পরিণত হয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, ইউপিআইয়ের সাফল্যের অন্যতম কারণ হল এর সহজ ব্যবহারযোগ্যতা। সাধারণ মানুষ মোবাইল ফোনের মাধ্যমে দ্রুত অর্থ পাঠাতে বা গ্রহণ করতে পারছেন। ছোট ব্যবসায়ী থেকে বড় প্রতিষ্ঠান—বিভিন্ন স্তরের ব্যবহারকারীর কাছে এই ব্যবস্থা পৌঁছে যাওয়ায় ডিজিটাল লেনদেনের পরিধিও দ্রুত বেড়েছে (PM Modi)।

    ডিজিটাল লেনদেন

    ইউপিআইয়ের (UPI) বিস্তার ভারতের আর্থিক ব্যবস্থায় আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন এনেছে। আগে ব্যাংকিং পরিষেবা থেকে দূরে থাকা বহু মানুষ এখন মোবাইলভিত্তিক ডিজিটাল লেনদেনের সঙ্গে যুক্ত হতে পারছেন। ফলে আর্থিক অন্তর্ভুক্তির পরিধি বাড়ছে। একই সঙ্গে ছোট ব্যবসা, খুচরো বিক্রি এবং দৈনন্দিন পরিষেবার ক্ষেত্রে ডিজিটাল অর্থপ্রদানের ব্যবহার বাড়ায় অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের একটি বড় অংশের আনুষ্ঠানিক ব্যবস্থার মধ্যে আসার সুযোগ তৈরি হয়েছে। কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রকের মতে, ইউপিআইয়ের ব্যাপক পরিসর, নির্ভরযোগ্যতা এবং বিভিন্ন ব্যবস্থার সঙ্গে সংযোগ স্থাপনের সক্ষমতা আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি অর্জন করেছে। ভারতের ডিজিটাল জনপরিকাঠামো গড়ে তোলার ক্ষেত্রে এটি অন্যতম সফল উদাহরণ হিসেবে উঠে এসেছে। একদিকে যেমন এটি কোটি কোটি মানুষের দৈনন্দিন লেনদেনকে সহজ করেছে, অন্যদিকে তেমনই ডিজিটাল আর্থিক পরিষেবার সুযোগকে আরও বিস্তৃত করেছে।

    ইউপিআইয়ের উত্থান

    দশ বছর আগে যে ব্যবস্থা পরীক্ষামূলক পর্যায়ে যাত্রা শুরু করেছিল, তা এখন দেশের আর্থিক লেনদেনের অভ্যাসই বদলে দিয়েছে। লেনদেনের সংখ্যা থেকে আর্থিক মূল্য, ব্যবহারকারীর পরিধি থেকে আন্তর্জাতিক সম্প্রসারণ—প্রতিটি ক্ষেত্রেই ইউপিআইয়ের (UPI) উত্থান উল্লেখযোগ্য। আগামী দিনে আন্তর্জাতিক সীমান্ত পেরিয়ে এর ব্যবহার আরও বাড়লে ভারতের ডিজিটাল অর্থপ্রদানের এই মডেল বিশ্বের অন্যান্য দেশেও আরও বড় প্রভাব ফেলতে পারে। সব মিলিয়ে, দশ বছরে ইউপিআইয়ের যাত্রা শুধু একটি ডিজিটাল অর্থপ্রদানের ব্যবস্থার সাফল্যের গল্প নয়। এটি ভারতের প্রযুক্তিনির্ভর আর্থিক রূপান্তর, আর্থিক অন্তর্ভুক্তি এবং ডিজিটাল জনপরিকাঠামো নির্মাণেরও একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। ২০১৬-১৭ অর্থবর্ষের ১ কোটি ৭৮ লাখ লেনদেন থেকে ২০২৫-২৬ অর্থবর্ষে ২৪ হাজার ১৬২ কোটিরও বেশি লেনদেনে পৌঁছে যাওয়া সেই (PM Modi) পরিবর্তনেরই পরিসংখ্যানগত প্রমাণ। আর ৩১৪ লাখ কোটি টাকার কাছাকাছি বার্ষিক লেনদেনের মূল্য দেখিয়ে ইউপিআই ইতিমধ্যেই ভারতের ডিজিটাল অর্থনীতির অন্যতম প্রধান ভিত্তি হিসেবে ক্রমশ নিজের অবস্থান পোক্ত করেছে (UPI)।

     

  • Jaishankar Putin Meet: সেপ্টেম্বরেই ভারতে পুতিন! মস্কোয় বৈঠকে রুশ প্রেসিডেন্টকে মোদির বার্তা পৌঁছে দিলেন বিদেশমন্ত্রী জয়শঙ্কর

    Jaishankar Putin Meet: সেপ্টেম্বরেই ভারতে পুতিন! মস্কোয় বৈঠকে রুশ প্রেসিডেন্টকে মোদির বার্তা পৌঁছে দিলেন বিদেশমন্ত্রী জয়শঙ্কর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে বৈঠক করলেন ভারতের বিদেশমন্ত্রী ড. এস জয়শঙ্কর (Jaishankar Putin Meet)। সোমবার ক্রেমলিনে অনুষ্ঠিত এই বৈঠকে তিনি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির শুভেচ্ছা পৌঁছে দেওয়ার পাশাপাশি তাঁর একটি ব্যক্তিগত বার্তাও পুতিনের হাতে তুলে দেন। একই সঙ্গে ভারত-রাশিয়া দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের সাম্প্রতিক অগ্রগতির কথাও রুশ প্রেসিডেন্টকে জানান জয়শঙ্কর। দু’দিনের রাশিয়া সফরের অংশ হিসেবে পুতিনের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন বিদেশমন্ত্রী। এর আগে তিনি রাশিয়ার প্রথম উপ-প্রধানমন্ত্রী ডেনিস মান্তুরভের সঙ্গে ভারত-রাশিয়া আন্তঃসরকারি কমিশনের ২৭তম বৈঠকে যৌথভাবে সভাপতিত্ব করেন। বাণিজ্যচুক্তি নিয়ে আমেরিকার সঙ্গে টানাপড়েনের আবহে পুতিন-জয়শঙ্করের সাক্ষাৎ ‘তাৎপর্যপূর্ণ’ বলে মনে করছেন কূটনীতিবিদদের একাংশ।

    কী কী নিয়ে বৈঠকে আলোচনা

    বৈঠকে জয়শঙ্কর জানান, ভারত-রাশিয়া অর্থনৈতিক সহযোগিতা গত কয়েক বছরে উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। বাণিজ্য, জ্বালানি, সার, পরমাণু শক্তি-সহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে দুই দেশের সহযোগিতা আরও বিস্তৃত হয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন। জয়শঙ্কর বলেন, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি আসন্ন সাংহাই কো-অপারেশন অর্গানাইজেশন (SCO) শীর্ষ সম্মেলনে পুতিনের সঙ্গে সাক্ষাতের জন্য অপেক্ষা করছেন। পাশাপাশি সেপ্টেম্বরে ভারতে অনুষ্ঠিত ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলনে রুশ প্রেসিডেন্টকে স্বাগত জানানোর জন্যও প্রধানমন্ত্রী মোদির আমন্ত্রণ তিনি পৌঁছে দেন। ভবিষ্যতে দুই দেশের বার্ষিক শীর্ষ বৈঠক নিয়েও আলোচনা হবে বলে জানান বিদেশমন্ত্রী।

    পুতিন-জয়শঙ্কর সাক্ষাত

    এর আগে গত বছরের ২১ আগস্ট ক্রেমলিনে গিয়ে পুতিনের সঙ্গে বৈঠক করেছিলেন বিদেশমন্ত্রী জয়শঙ্কর। এক বছর পরে পুতিনের মুখোমুখি হয়ে জয়শঙ্কর সোমবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির পক্ষ থেকে রুশ প্রেসিডেন্টকে শুভেচ্ছা জানান এবং তাঁর লেখা একটি ব্যক্তিগত চিঠি হাতে তুলে দেন। বৈঠকে ২০৩০ সালের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য ১০০ বিলিয়ন ডলারে (প্রায় ৯ লক্ষ ৫৭ হাজার কোটি টাকা) নিয়ে যাওয়ার রোডম্যাপ নিয়ে আলোচনা হয়। গুরুত্ব দেওয়া হয় ওষুধ (ফার্মাসিউটিক্যালস) এবং শিপিং সেক্টরকে (জাহাজ চলাচল)। পাশাপাশি, জ্বালানি ও পরমাণু সহযোগিতা বৃদ্ধি, দ্বিপাক্ষিক সমন্বয় বৃদ্ধির লক্ষ্যে গঠিত আন্তঃসরকারি কমিশনের রিপোর্ট, ইউক্রেন যুদ্ধের মতো বিষয়ও এসেছে আলোচনায়।

    মোদির সঙ্গে সাক্ষাতের আশা পুতিনের

    জয়শঙ্করের সঙ্গে বৈঠকে রুশ প্রেসিডেন্ট পুতিন ভারত-রাশিয়া সম্পর্কের দীর্ঘস্থায়ী বন্ধুত্বের কথা তুলে ধরেন। তিনি বলেন, জয়শঙ্করের সফর গত কয়েক দশকে গড়ে ওঠা দুই দেশের সম্পর্কের গভীরতারই প্রতিফলন। সরকারি ও সংসদীয় যোগাযোগের পাশাপাশি অর্থনৈতিক ক্ষেত্রেও দুই দেশ একসঙ্গে কাজ করে চলেছে বলে জানান তিনি। চলতি বছরে ভারত ও রাশিয়ার মধ্যে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য বৃদ্ধির কথাও উল্লেখ করেন পুতিন। ভারত-রাশিয়া সম্পর্ক উন্নয়নে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ব্যক্তিগত মনোযোগের প্রশংসা করে তিনি তাঁর শুভেচ্ছা মোদির কাছে পৌঁছে দেওয়ার অনুরোধ করেন। পাশাপাশি এসসিও শীর্ষ সম্মেলনের ফাঁকে মোদির সঙ্গে সাক্ষাতের আশাও প্রকাশ করেন রুশ প্রেসিডেন্ট।

    ভারতের পাশে থাকার বার্তা রাশিয়ার

    ফের ভারতের পাশে থাকার বার্তা রাশিয়ার। পশ্চিম এশিয়ায় চলতে থাকা সংঘাতের কারণে যে ব্যাঘাত ঘটেছে তারমধ্যেই ভারতকে জ্বালানি ও সার সরবরাহের আশ্বাস দিয়েছেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। কেন্দ্রীয় বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যে ক্রমবর্ধমান ভারসাম্যহীনতা-যা ৫০ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে, তা নিরসনের প্রয়োজনীয়তার ওপরও জোর দিয়েছেন। পুতিন উল্লেখ করেছেন যে, ২০২৫ সালে কিছুটা কমে যাওয়ার পর এ বছর আবার দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য বৃদ্ধি পেয়েছে । তিনি জানান যে, রাশিয়া ভারতে সার সরবরাহ বাড়াচ্ছে। তিনি আরও উল্লেখ করেন, আইআরআইজিসি-টিইসি (IRIGC-TEC) বৈঠকে গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে। তিনি বলেন, “এর মধ্যে বিষয় কেবল জ্বালানি নয়- অবশ্যই সার সরবরাহও… ভারতীয় কৃষক ও কৃষিখাতের স্বার্থে এই সমস্যা সমাধানের জন্য আমরা সর্বাত্মক প্রচেষ্টা চালাচ্ছি। আমরা এই সরবরাহ বৃদ্ধি করছি এবং ভবিষ্যতেও তা অব্যাহত রাখতে প্রস্তুত।”

    সেপ্টেম্বরে দিল্লিতে ব্রিকস সম্মেলন

    আগামী সেপ্টেম্বরে নয়াদিল্লিতে অনুষ্ঠিত হতে চলেছে ১৮তম ব্রিকস (BRICS) শীর্ষ সম্মেলন। ভারত এই সম্মেলনের আয়োজক দেশ। ব্রাজিল, রাশিয়া, ভারত, চিন, দক্ষিণ আফ্রিকা, মিশর, ইথিওপিয়া, ইন্দোনেশিয়া, ইরান, সৌদি আরব এবং সংযুক্ত আরব আমিরশাহি—এই ১১টি দেশ বর্তমানে ব্রিকস-এর সদস্য। বিশ্ব ও আঞ্চলিক রাজনীতি, অর্থনীতি এবং আন্তর্জাতিক শাসনব্যবস্থার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে সদস্য দেশগুলির মধ্যে আলোচনা ও সহযোগিতার অন্যতম মঞ্চ ব্রিকস। আসন্ন সম্মেলনে পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা এবং সহযোগিতা আরও জোরদার করার সুযোগ তৈরি হবে বলে মনে করা হচ্ছে।

    ভারত-রাশিয়া সহযোগিতায় জোর

    ভারত-রাশিয়া আন্তঃসরকারি কমিশনের বৈঠকে বাণিজ্য, অর্থনীতি, বিজ্ঞান, প্রযুক্তি ও সংস্কৃতি-সহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতা নিয়ে আলোচনা হয়। পাশাপাশি এদিন বৈঠকে পরমাণু সহযোগিতা বৃদ্ধি, দুই দেশের বাণিজ্যপথ সহজ করতে আন্তর্জাতিক উত্তর-দক্ষিণ পরিবহণ করিডর ইত্যাদি বিষয়ে আলোচনা করেন জয়শংকর-পুতিন।ভারতীয় বিদেশ মন্ত্রকের মতে, সমসাময়িক আন্তর্জাতিক পরিস্থিতিতে ভারত-রাশিয়া সম্পর্ক এখনও অত্যন্ত স্থিতিশীল ও গুরুত্বপূর্ণ। প্রতিরক্ষা, পরমাণু শক্তি ও মহাকাশের মতো ঐতিহ্যগত ক্ষেত্রের পাশাপাশি অর্থনীতি, বাণিজ্য, জ্বালানি ও অন্যান্য ক্ষেত্রেও দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক ক্রমশ বিস্তৃত হচ্ছে। পাশাপাশি বহুমেরু বিশ্বব্যবস্থা গড়ে তোলার ক্ষেত্রেও দুই দেশ পারস্পরিক সহযোগিতা অব্যাহত রেখেছে।

  • PM Modi: চন্দ্রযান-৩-এর সাফল্য স্মরণে জাতীয় মহাকাশ দিবস, দেশবাসীকে শুভেচ্ছা মোদি-শাহের

    PM Modi: চন্দ্রযান-৩-এর সাফল্য স্মরণে জাতীয় মহাকাশ দিবস, দেশবাসীকে শুভেচ্ছা মোদি-শাহের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জাতীয় মহাকাশ দিবস উপলক্ষে রবিবার দেশবাসীকে শুভেচ্ছা জানালেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi) এবং কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। ভারতের মহাকাশ গবেষণা ও প্রযুক্তির ক্রমবর্ধমান সাফল্যের কথা তুলে ধরে দেশের বিজ্ঞানী ও তরুণ প্রজন্মকে আরও নতুন উচ্চতায় পৌঁছনোর আহ্বান জানান (National Space Day) তাঁরা। প্রধানমন্ত্রী এক বার্তায় বলেন, “জাতীয় মহাকাশ দিবসের শুভেচ্ছা। আরও বড় স্বপ্ন দেখার, আরও বেশি উদ্ভাবনের এবং নতুন নতুন সীমান্ত অতিক্রম করার প্রত্যয় নিয়ে এগিয়ে চলুন।”

    মহাকাশ দিবসের শুভেচ্ছা (PM Modi)

    স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীও দেশবাসীকে জাতীয় মহাকাশ দিবসের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। তিনি বলেন, “জাতীয় মহাকাশ দিবসে প্রত্যেক দেশবাসীকে আন্তরিক শুভেচ্ছা। আজকের দিনটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই দিনেই ভারতের চন্দ্রযান-৩ চাঁদের দক্ষিণ মেরু অঞ্চলে সফলভাবে অবতরণ করেছিল। সময়ের বুকে নিজেদের প্রতিভার অমোচনীয় ছাপ রেখে দেওয়া ইসরোর বিজ্ঞানীদেরও আজ আমরা অভিনন্দন জানাই।” ২০২৩ সালের ২৩ অগাস্ট চন্দ্রযান-৩-এর সফল অবতরণের ঐতিহাসিক সাফল্যকে স্মরণ করেই জাতীয় মহাকাশ দিবস পালিত হয়। এই অভিযানের মাধ্যমে ভারত চাঁদের দক্ষিণ মেরু অঞ্চলের কাছাকাছি সফলভাবে অবতরণকারী বিশ্বের প্রথম দেশ হিসেবে ইতিহাস গড়ে।

    চন্দ্রযান-৩ অভিযানের অবতরণযান বিক্রম নিয়ন্ত্রিতভাবে চাঁদের পৃষ্ঠে নরম অবতরণ করে। এরপর তার ভিতরে থাকা প্রজ্ঞান নামের চলমান যানটি চাঁদের মাটিতে নেমে বিভিন্ন বৈজ্ঞানিক পরীক্ষা-নিরীক্ষা চালায়। এই সাফল্যের ফলে চাঁদে সফল অবতরণকারী নির্বাচিত দেশগুলির তালিকায় ভারত আরও শক্তিশালী অবস্থান তৈরি করে।

    গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক

    চন্দ্রযান-৩-এর সাফল্য ভারতের আগের চন্দ্রাভিযানগুলির ধারাবাহিকতায় একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হয়। একই সঙ্গে এই সাফল্য দেশের মহাকাশ কর্মসূচিকে আন্তর্জাতিক স্তরে আরও মর্যাদা এনে দেয় (PM Modi)।

    জাতীয় মহাকাশ দিবস পালনের অন্যতম উদ্দেশ্য হল মহাকাশ বিজ্ঞান, প্রযুক্তি ও উদ্ভাবনের বিষয়ে সাধারণ মানুষের আগ্রহ বাড়ানো। বিশেষ করে তরুণ প্রজন্মকে বিজ্ঞান গবেষণা, নতুন প্রযুক্তির উদ্ভাবন এবং উন্নত প্রযুক্তির ক্ষেত্রে (National Space Day) এগিয়ে আসতে উৎসাহিত করাও এই দিবস পালনের অন্যতম লক্ষ্য।

    প্রধানমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর রবিবারের বার্তায় তরুণ ভারতীয়দের বিজ্ঞান গবেষণা ও উদ্ভাবনের সঙ্গে যুক্ত হওয়ার ওপরও বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। ভারতের মহাকাশ গবেষণার ভবিষ্যৎ আরও উজ্জ্বল করতে তরুণ প্রজন্মের মেধা ও সৃজনশীলতাকে কাজে লাগানোর বার্তাই উঠে এসেছে তাঁদের বক্তব্যে (PM Modi)।

     

  • Bastar Victims: “বস্তার ৪০ বছর নকশাল হিংসায় জ্বলেছে, আর সেই দিন চাই না” চিদম্বরমকে জবাব মাও-হিংসার শিকার পরিবারের

    Bastar Victims: “বস্তার ৪০ বছর নকশাল হিংসায় জ্বলেছে, আর সেই দিন চাই না” চিদম্বরমকে জবাব মাও-হিংসার শিকার পরিবারের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কংগ্রেস নেতা তথা প্রাক্তন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী পি চিদম্বরমের ‘দিমাগি নকশাল’ মন্তব্যকে ঘিরে এবার সরব হলেন ছত্তিশগড়ের বস্তারে নকশাল হিংসার শিকার পরিবারগুলি। তাঁদের অভিযোগ, দিল্লিতে বসে এমন মন্তব্য করা অত্যন্ত যন্ত্রণাদায়ক, কারণ বস্তারের বহু মানুষ নকশাল হামলায় তাঁদের প্রিয়জনকে হারিয়েছেন। নকশাল হিংসায় ক্ষতিগ্রস্ত বস্তারের স্থানীয় বাসিন্দাদের সংগঠন ‘বস্তার শান্তি সমিতি’ মঙ্গলবার রাজধানীতে সাংবাদিক বৈঠক করে চিদম্বরমের মন্তব্যের প্রতিবাদ জানায়। তাঁরা জানান, নকশাল হামলা, অ্যামবুশ এবং আইইডি বিস্ফোরণে কেউ পরিবারের সদস্যকে হারিয়েছেন, কেউ আবার নিজের অঙ্গপ্রত্যঙ্গ হারিয়েছেন।

    বস্তারে এসে দেখুন!

    কাঁকেরের বাসিন্দা কামেশ্বর কুমার সিনহার বাবা ১৮ আগস্ট নকশালদের আইইডি বিস্ফোরণে নিহত হন। চিদম্বরমের ‘দিমাগি নকশাল’ সংক্রান্ত পোস্টে ক্ষুব্ধ কামেশ্বর বলেন, “আমি খুবই কষ্ট পেয়েছি। বস্তারে এসে দেখুন, এখানে কেউ এমন মন্তব্য করছে না। মানুষ আক্রান্ত পরিবার এবং জওয়ানদের পাশে দাঁড়াচ্ছে। রাজধানী থেকে এমন কথা শুনে আমি খুবই ব্যথিত। তাই দিল্লিতে এসে তাঁকে প্রশ্ন করতে চেয়েছি, কীভাবে তিনি এমন কথা বলতে পারেন।”

    বহু মহিলা স্বামীকে হারিয়েছেন

    বস্তারের কাঁকেরের বাসিন্দা আরতিও চিদম্বরমের মন্তব্যের বিরোধিতা করেন। তাঁর স্বামী ছিলেন নিরাপত্তাবাহিনীর এসটিএফ জওয়ান। সুকমায় নকশালদের অ্যামবুশে তিনি নিহত হন। আরতি বলেন, “আমার স্বামী নিরাপত্তাবাহিনীতে ছিলেন। সুকমায় নকশালদের হামলায় তিনি নিহত হন। বস্তারে আমার মতো বহু মহিলা রয়েছেন, যাঁরা তাঁদের স্বামীকে হারিয়েছেন। এখন বস্তার শান্তির পথে এগোচ্ছে। কিন্তু দিল্লিতে বসে রাজনৈতিক নেতারা এমন কথা বলছেন। আমরা চাই না অতীতের পরিস্থিতি আবার ফিরে আসুক।”

    ৪০ বছর নকশাল হিংসায় জ্বলেছে বস্তার

    নকশাল হামলায় দুই পা হারানো এবং মেরুদণ্ডে গুরুতর আঘাত পাওয়া কাঁকেরের বাসিন্দা তরুণ কুমারও চিদম্বরমের মন্তব্যের তীব্র সমালোচনা করেন। তাঁর দাবি, এই ধরনের মানসিকতা বস্তারকে ফের কয়েক দশক পিছিয়ে দিতে পারে। তরুণ বলেন, “বস্তার ৪০ বছর নকশাল হিংসায় জ্বলেছে। শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য হাজার হাজার মানুষ প্রাণ দিয়েছেন। আজ যখন বস্তার উন্নতির পথে এগোচ্ছে, তখন কি তাকে আবার সেই নরকের দিকে ঠেলে দিতে চান? এই মানসিকতা বস্তারকে ৪০ বছর পিছিয়ে দেবে। আবার হিংসা, গুলির লড়াই শুরু হবে এবং জওয়ানরা প্রাণ হারাবেন।” বস্তারের আর এক নকশাল-হিংসার শিকার বাসিন্দা সিয়ারাম বলেন, শান্তির পথে এগিয়ে চলা বস্তারের মানুষ এমন মন্তব্যে ব্যথিত। তাঁর কথায়, “আমরা চেয়েছিলাম তিনি আমাদের পাশে দাঁড়ান। কিন্তু তিনি তাঁদের সমর্থনে কথা বলছেন। ‘দিমাগি নকশাল’ নিয়ে এই ধরনের মন্তব্য আমরা পছন্দ করি না। তাই প্রতিবাদ জানাতেই দিল্লিতে এসেছি।”

    কোন প্রসঙ্গে এই মত

    প্রসঙ্গত, স্বাধীনতা দিবসে লালকেল্লার প্রাচীর থেকে দেওয়া ভাষণে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বলেছিলেন, জঙ্গলে অস্ত্র হাতে নেওয়া নকশালদের পরাস্ত করা হয়েছে, তবে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে এখনও ‘দিমাগি নকশাল’ রয়েছে, যাদের “চিহ্নিত করে বিচ্ছিন্ন” করতে হবে। প্রধানমন্ত্রীর এই মন্তব্যের পর বিরোধী দলগুলির একাংশ এর সমালোচনা করে। এরপর চিদম্বরম সমাজমাধ্যমে লেখেন, “দিমাগি নকশাল হিসেবে আমি গর্বিত!” কংগ্রেস এবং চিদম্বরমের বক্তব্য, ‘দিমাগি নকশাল’ শব্দটি রাজনৈতিক অপমানসূচক শব্দ হিসেবে বিজেপি বিরোধীদের বিরুদ্ধে ব্যবহার করছে। তাঁদের মতে, এটি ‘আরবান নকশাল’, ‘আন্দোলনজীবী’ এবং ‘টুকড়ে টুকড়ে গ্যাং’-এর মতোই একটি রাজনৈতিক তকমা।

    কী বলেছিলেন মোদি

    গত শনিবার জাতীয় পতাকা উত্তোলনের পরে ভাষণে মাওবাদীদের বিরুদ্ধে সাফল্যের কথা জানিয়ে মোদী বলেছিলেন, ‘জঙ্গলে অস্ত্র হাতে লড়াই করা মাওবাদীদের অনেকটাই নির্মূল করা সম্ভব হয়েছে। তবে এখনও কিছু দিমাগি নকশাল রয়েছেন। তাঁদের চিহ্নিত করে বিচ্ছিন্ন করা প্রয়োজন।’ ‘দিমাগি নকশাল’-রা নানা ভাবে ভুল বুঝিয়ে সমাজে সমাজে অশান্তি ও বিভাজনের চেষ্টা করছে বলে অভিযোগ করেছিলেন তিনি।মাওবাদী চিন্তাধারার মানুষজন জনজীবনে তো বটেই, এমনকী বিভিন্ন সরকারি কমিটিতেও দীর্ঘদিন ধরে ছিলেন বলেও অভিযোগ করেছিলেন মোদি। তাঁর কথায়, ‘সেই চিন্তাধারা বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও উদ্যোগেও প্রভাব ফেলেছিল।’ এখানেই থামেননি তিনি। ‘দিমাগি নকশালরা’ এখনও সক্রিয় বলে অভিযোগ করে বলেছিলেন, ‘তারা এখন সুযোগের অপেক্ষায় রয়েছে। হিংসার রাস্তা খুঁজছে।’

    কিরেন রিজিজুর দাবি

    বিরোধীদের একাংশের দাবি, সমালোচকদের নিশানা করতে আগেও নানা তকমা ব্যবহার করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং বিজেপি নেতারা। রিজিজুর দাবি, বিরোধীদের উদ্দেশে এমন মন্তব্য করেননি প্রধানমন্ত্রী। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তিনটি শ্রেণির কথা লিখেছেন তিনি। প্রথমত, যাঁরা মাওবাদীদের সমর্থন করার পাশাপাশি ভারতীয় সংবিধানকে মানেন না। দ্বিতীয়ত, বিচ্ছিন্নতাবাদীদের পাশে দাঁড়ান এবং ৩৭০ ধারাকে সমর্থন করেন। তৃতীয়ত, যাঁরা ‘চিকেনস নেক’ কেটে ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলকে দেশের বাকি অংশ থেকে বিচ্ছিন্ন করার কথা বলেন। রিজেজুর কথায়, ‘তাঁরাই দিমাগি নকশাল।’

    কী বলেছিলেন চিদাম্বরম

    তবে বস্তারের নকশাল-হিংসার শিকার পরিবারগুলির বক্তব্য, রাজধানী থেকে রাজনৈতিক মন্তব্য করার আগে তাঁদের দীর্ঘদিনের যন্ত্রণা এবং নকশাল হামলায় প্রাণ হারানো সাধারণ মানুষ ও নিরাপত্তাকর্মীদের অভিজ্ঞতাকেও বিবেচনায় রাখা উচিত। এদিকে, ‘দিমাগি নকশাল’ বিতর্ককে কেন্দ্র করে ১৮ আগস্ট কেন্দ্রীয় সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী কিরেন রিজিজু অভিযোগ করেন, কংগ্রেস ক্রমশ একটি “মাওবাদী দলে” পরিণত হচ্ছে। ফলে চিদম্বরমের মন্তব্য ঘিরে রাজনৈতিক চাপানউতোর আরও তীব্র হয়েছে।

  • Dimagi Naxals: ‘দিমাগি নকশাল’দের চিহ্নিত করে বিচ্ছিন্ন করার ডাক প্রধানমন্ত্রীর, প্রাক্তন নকশাল-অধ্যুষিত এলাকায় উন্নয়নের দাবি

    Dimagi Naxals: ‘দিমাগি নকশাল’দের চিহ্নিত করে বিচ্ছিন্ন করার ডাক প্রধানমন্ত্রীর, প্রাক্তন নকশাল-অধ্যুষিত এলাকায় উন্নয়নের দাবি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লালকেল্লা থেকে স্বাধীনতা দিবসের ভাষণে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi) নকশাল সমস্যার একটি নতুন রূপের কথা তুলে ধরলেন। তিনি এর নাম দিয়েছেন “দিমাগি নকশাল” (Dimagi Naxals)। প্রধানমন্ত্রীর দাবি, জঙ্গলে সক্রিয় সশস্ত্র নকশালদের অনেকটাই নির্মূল করা সম্ভব হয়েছে। তবে নকশালপন্থী মানসিকতায় প্রভাবিত কিছু মানুষ এখনও প্রভাবশালী অবস্থানে রয়েছেন। তাঁদের চিহ্নিত করে বিচ্ছিন্ন করা প্রয়োজন বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

    ‘মাওবাদী হিংসা শেষ নিঃশ্বাস নিচ্ছে’ (Dimagi Naxals)

    নকশাল হিংসার অতীতের কথা স্মরণ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বছরের পর বছর দেশের একাধিক অঞ্চলকে আতঙ্কের মধ্যে রেখেছিল ‘লাল সন্ত্রাস’। মাওবাদী হিংসার বিরুদ্ধে অভিযান চালিয়ে সাধারণ মানুষকে রক্ষা করতে গিয়ে ৩,৫০০-এরও বেশি নিরাপত্তাকর্মী প্রাণ হারিয়েছেন বলেও জানান প্রধানমন্ত্রী। তাঁর বক্তব্য, এই ধরনের অভিযানে নিহত নিরাপত্তাকর্মীর সংখ্যা যুদ্ধের কারণে প্রাণ হারানো মানুষের সংখ্যার থেকেও বেশি। ২০১৪ সালে তাঁর সরকার ক্ষমতায় আসার পরেই দেশ থেকে নকশালবাদ নির্মূলের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল বলেও স্মরণ করিয়ে দেন তিনি। প্রধানমন্ত্রী বলেন, “২০১৪ সালে আমরা ক্ষমতায় আসার পর দেশকে নকশালমুক্ত করার শপথ নিয়েছিলাম। আমি খুশি যে মাওবাদী হিংসা এখন তার শেষ নিঃশ্বাস নিচ্ছে।”

    ক্ষমতার অলিন্দে ‘দিমাগি নকশাল’

    প্রধানমন্ত্রীর দাবি, একাধিক জঙ্গল এলাকা থেকে সশস্ত্র নকশালদের হটাতে সরকার সফল হয়েছে। তবে তাঁর অভিযোগ, মাওবাদী চিন্তাধারায় প্রভাবিত কিছু মানুষ অতীতে সরকারি কমিটি এবং ক্ষমতার অলিন্দে জায়গা করে নিয়েছিলেন।প্রধানমন্ত্রী বলেন, “বছরের পর বছর নকশাল মানসিকতার মানুষ ক্ষমতার অলিন্দে জায়গা করে নিয়েছিলেন। তাঁরা সরকারি কমিটিতে উপদেষ্টা হিসেবে ছিলেন। মাওবাদী চিন্তাধারা নীতিনির্ধারণেও প্রভাব ফেলেছিল।” প্রধানমন্ত্রীর দাবি, এই ‘দিমাগি নকশাল’রা এখন হিংসা ও অশান্তি তৈরির সুযোগ খুঁজছে এবং সমাজকে ভুল পথে চালিত করার চেষ্টা করছে। তিনি বলেন, “এই ‘দিমাগি নকশাল’দের চিহ্নিত করে বিচ্ছিন্ন করতে হবে এবং যুবসমাজকে মূলস্রোতের সঙ্গে যুক্ত করতে হবে (Dimagi Naxals)।”

    প্রাক্তন নকশাল-অধ্যুষিত এলাকায় উন্নয়নের দাবি

    নকশাল হিংসায় একসময় ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলিতে উন্নয়নের কথাও তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী। তাঁর দাবি, মাওবাদীদের উপস্থিতির কারণে যে প্রত্যন্ত অঞ্চলগুলিকে একসময় উন্নয়নের পক্ষে অত্যন্ত কঠিন বলে মনে করা হত, সেখানেও এখন অগ্রগতি হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, হিংসার কারণে যে অঞ্চলগুলি দীর্ঘদিন পিছিয়ে ছিল, সেখানে এখন উন্নয়নের গতি বেড়েছে এবং রাষ্ট্রের উপস্থিতিও আরও শক্তিশালী হয়েছে। তাঁর বক্তব্য, এই পরিবর্তন দেখিয়ে দিচ্ছে যে দেশ একসময় যেখানে বন্দুকের নলের সামনে দাঁড়িয়েছিল, সেখানেই এখন উন্নয়নের ধ্বজা উড়ছে (PM Modi)। একসময় নকশাল হিংসায় ক্ষতিগ্রস্ত সেই অঞ্চলগুলিতেই এখন উন্নয়নের নতুন ছবি দেখা যাচ্ছে বলেও দাবি করেন প্রধানমন্ত্রী (Dimagi Naxals)।

     

  • PM Modi in Red Fort: তরুণ প্রজন্মের হাত ধরেই বিকশিত ভারত-এর স্বপ্নপূরণ! লাল কেল্লায় ‘আত্মনির্ভর ভারত’ গঠনে জোর প্রধানমন্ত্রীর

    PM Modi in Red Fort: তরুণ প্রজন্মের হাত ধরেই বিকশিত ভারত-এর স্বপ্নপূরণ! লাল কেল্লায় ‘আত্মনির্ভর ভারত’ গঠনে জোর প্রধানমন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশের তরুণ প্রজন্মই ২০৪৭ সালের মধ্যে ‘বিকশিত ভারত’ সম্ভব করে তুলতে পারে। ৮০তম স্বাধীনতা দিবসে দিল্লির লালকেল্লা থেকে দেশের তরুণ প্রজন্মকেই বিশেষ বার্তা দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi in Red Fort)। তিনি জানান, দেশকে নিয়ে তিনি যে স্বপ্ন দেখেছেন, তা সত্যি করার জন্য তরুণ প্রজন্মের উপর ভরসা রাখা হয়েছে।

    তরুণ প্রজন্মের উপস্থিতিও চোখে পড়ল

    স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে লালকেল্লায় দর্শকাসনে তরুণ প্রজন্মের উপস্থিতিও ছিল চোখে পড়ার মতো। কিছু দিন আগে এই লালকেল্লাতেই নিটের প্রশ্নফাঁস এবং শিক্ষায় দুর্নীতির অভিযোগে সরকারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদে শামিল হয়েছিল তরুণ প্রজন্ম। কিছু দিন আগে দিল্লির যন্তর মন্তরে নিট-সহ বিভিন্ন পরীক্ষায় অনিয়ম ও প্রশ্নফাঁসের অভিযোগে সরকারের বিরুদ্ধে বিক্ষোভে শামিল হয়েছিল তরুণ প্রজন্ম। সংসদ ভবন অভিযানেও বহু তরুণ-তরুণী যোগ দিয়েছিলেন। সেই সময়ে বার বার সমাজমাধ্যমে ভিডিয়োবার্তার মাধ্যমে যুবসমাজের পাশে থাকার কথা বলেছিলেন মোদি। স্বাধীনতা দিবসের উদ্‌যাপনের কেন্দ্রেও রাখা হল সেই প্রজন্মকেই। শনিবার প্রথমে রাজঘাটে মহাত্মা গান্ধীর সমাধিস্থলে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন মোদি। তার পর লালকেল্লায় জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন।

    ‘আত্মনির্ভর ভারত’ গঠনে জোর

    শনিবার দেশ জুড়ে ভারতের ৮০তম স্বাধীনতা দিবস পালিত হচ্ছে। এ বারের লালকেল্লার অনুষ্ঠানে ‘যুবশক্তি’ এবং ২০৪৭-এর ‘বিকশিত ভারত’-এর লক্ষ্যে বিশেষ জোর দেওয়া হয়েছে। অর্থাৎ, তরুণ প্রজন্মকে প্রাধান্য দিয়েই স্বাধীনতা দিবসের অনুষ্ঠান পরিকল্পনা করা হয়েছে। সেখান থেকে মোদি (PM Modi On Independence Day) বলেন, ‘‘আমাদের দেশের তরুণ প্রজন্মের উপর আমার ভরসা আছে।’’ বিকশিত ভারতের স্বপ্ন সফল করার জন্য দেশের নারীশক্তি, কৃষক, শ্রমিক সকলের সহযোগিতাই চেয়েছেন তিনি। তবেই ২০৪৭ সালের মধ্যে দেশকে ভিন্ন উচ্চতায় পৌঁছে দেওয়া যাবে। দ্রুত অগ্রগতি এবং ‘আত্মনির্ভর ভারত’ পরিকল্পনার উপরেও প্রধানমন্ত্রী জোর দিয়েছেন। “দ্রুত পালটাচ্ছে আধুনিক যুদ্ধক্ষেত্র। রকেট গতিতে বদলাচ্ছে প্রযুক্তি। ভারত শুধু বাজার হয়ে থাকবে না। প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে আত্মনির্ভর হবে। ড্রোন থেকে শুরু করে কাউন্টার ড্রোন সিস্টেম, হাইপারসোনিক মিসাইল টেকনোলজিতে আত্মনির্ভর হবে দেশ”, শনিবার লালকেল্লায় বার্তা মোদির। মোদি বলেন, “আমাদের কর্ম সংস্কৃতি বদল ঘটানোর সময় এসেছে। ছোট কলকবজা থেকে বড় পণ্য তৈরি করতে হবে। পণ্য়ের গুণমানে কোনও আপস নয়। ৫ দশকে যা হয়নি তা ৫ বছরে হয়েছে। উৎপাদন ক্ষেত্রের উন্নতি করতে হবে। শক্তির সপ্তধারার আহ্বান জানাচ্ছি।”

    বিশেষ এআই প্রশিক্ষণ

    যুবসমাজের জন্য নতুন প্রকল্প ঘোষণা করতে গিয়ে মোদি জানান, বিশ্ব জুড়ে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ঝড়ের গতিতে চলছে। তাই দেশের এক কোটি যুবক-যুবতীকে প্রতি বছর বিশেষ এআই প্রশিক্ষণ দেওয়ার ব্যবস্থা করছে সরকার। প্রধানমন্ত্রী জানান, দেশ গঠনে তরুণ প্রজন্মের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাঁদের শক্তি উন্নয়নের প্রক্রিয়ায় কাজে লাগানো হবে। দেশের উচ্চাকাঙ্ক্ষাকে একমাত্র তরুণরাই সফল করতে পারেন বলে মনে করেন প্রধানমন্ত্রী।

    তরুণদের সহযোগিতার আর্জি মোদির

    তরুণদের বিশেষ বার্তা মোদির, “দেশের উন্নতিতে নেতৃত্ব দিন তরুণরা। আপনাদের দেওয়া ১-২ ঘণ্টা সময়ে আরও এগিয়ে যাবে দেশ। আপনার মনে হতে পারে এই ১-২ ঘণ্টা সময়ে কী-ই বা হবে। দেশে জনগণনার কাজ চলছে। সেনসাসের কাজে অংশ নিন।” মহিলা সংরক্ষণ বিলের পক্ষে সওয়াল করে মোদি বলেন, “মহিলা সংরক্ষণ বিল আনা হয়েছে। বিল পাশ করাতে সহযোগিতা করুন। বিকশিত ভারত তখনই হবে যখন মহিলারাও বিধানসভা, লোকসভায় আসার সুযোগ পাবেন।”

    কংগ্রেস-সহ বিরোধীদের বার্তা মোদির

    মোদি বলেন, “অনেকে বলছেন ইউক্রেনে যুদ্ধ হচ্ছে। গ্যাস পাবেন না। পেট্রল পাম্পে তেল পাবেন না। কিছু লোকের আনন্দ হচ্ছিল দেশবাসীকে ভয় দেখিয়ে। চাষিদের ভয় দেখানো হচ্ছে ইউরিয়া পাবেন না। তবে যাতে কারও কোনও সমস্যা না হয় ভারত প্রস্তুত ছিল। করোনা থেকে জ্বালানি নিয়ে অপপ্রচার করেছেন বিরোধীরা।” প্রধানমন্ত্রী বলেন, ২০১৪ সালে দেশের মাত্র ৭০টি শহরে পাইপলাইনের মাধ্যমে গ্যাস সরবরাহ করা হতো। বর্তমানে সেই পরিষেবা প্রায় ৭০০টি শহরে পৌঁছে গিয়েছে। রেলপথের বৈদ্যুতিকরণের কাজও সম্পূর্ণ হয়েছে । দেশে হাইড্রোজেনচালিত ট্রেন চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।  তিনি বলেন, ‘বিশ্বমাণের উৎপাদন করতে হবে। রফতানিতে নজর দিতে হবে। গ্লোবাল ব্র্যান্ড তৈরি করতে হবে।

    পরমাণু পথে ভারত

    মোদি বলেন, “ভারতে ৩ সেমি কন্ডাক্টর প্লান্ট কাজ করছে। ভারতে তৈরি সেমি কন্ডাক্টর রপ্তানি হচ্ছে। আগামী দিনে ৮টি সেমি কন্ডাক্টর প্লান্ট হবে। ৫টি নতুন পরমাণু চুল্লি এবং ২০৪৭ সালের মধ্যে ১০০ গিগাওয়াট পরমাণু শক্তি উৎপাদনের লক্ষ্যে এগিয়ে চলেছে ভারত। আমাদের নিজেদের ক্ষমতাবৃদ্ধি করতে হবে। নিজের স্বার্থ নিজেকে রক্ষা করতে হবে।” যুদ্ধের আবহে আত্মনির্ভর ভারতের বার্তা প্রধানমন্ত্রীর। বলেন, “নিজেদের স্বার্থ নিজেদের রক্ষা করতে হবে। অন্যের উপর ভরসা করে দেশ গড়া যায় না।”

    মোদির মুখে নেহরু-শ্যামাপ্রসাদ

    মাও সন্ত্রাস দমন প্রসঙ্গে মোদি বলেন, “অস্ত্রধারী মাওবাদীদের নিমূল করার লক্ষ্যে দেশ। মাও সন্ত্রাসে শহিদ হয়েছেন ৩ হাজার পুলিশ। মাওবাদী মানসিকতার মানুষ সব জায়গায় রয়েছে। জঙ্গলে যারা বন্দুক হাতে লড়াই করে তাদের চেয়েও বেশি ভয়ংকর ‘মস্তিষ্ক নকশাল’। তাদের নির্মূল করা এখনও বাকি।” ‘মিশন সুদর্শন চক্র’ দ্রুত কাজ করছে। নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু, জওহরলাল নেহরু, শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের নাম দিয়ে লালকেল্লায় স্বাধীনতা দিবসে ভাষণ শেষ করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।

  • Partition Horrors Remembrance Day: ‘‘মানুষ শূন্য থেকে নিজেদের জীবন নতুন করে গড়ে তুলেছিল’’ দেশভাগের ‘বিভীষিকা’কে স্মরণ প্রধানমন্ত্রীর

    Partition Horrors Remembrance Day: ‘‘মানুষ শূন্য থেকে নিজেদের জীবন নতুন করে গড়ে তুলেছিল’’ দেশভাগের ‘বিভীষিকা’কে স্মরণ প্রধানমন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: স্বাধীনতা দিবসের আগে শুক্রবার দেশভাগের কথা স্মরণ করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ৷ সেই ভয়াবহ স্মৃতিকে মনে করে শুক্রবার ‘পার্টিশন হররস রিমেমব্রেন্স ডে’ (Partition Horrors Remembrance Day) বা দেশভাগের ভয়াবহতা স্মরণ দিবস উপলক্ষে দেশভাগের শিকার মানুষদের প্রতি শ্রদ্ধা জানালেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi on Partition)। তিনি বলেন, ১৯৪৭ সালের দেশভাগ বহু মানুষের জীবন ছিন্নভিন্ন করে দিয়েছিল, পরিবারকে বাস্তুচ্যুত করেছিল এবং অসীম দুর্ভোগের কারণ হয়েছিল। সমাজমাধ্যমে এক বার্তায় প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশভাগের সময় ভয়াবহ পরিস্থিতির মধ্যেও সাধারণ মানুষ অসীম সাহস ও দৃঢ়তার পরিচয় দিয়েছিলেন। ঘরবাড়ি, সম্পদ ও প্রিয়জন হারিয়েও তাঁরা নতুন করে জীবন শুরু করেন এবং পরবর্তীকালে দেশের অগ্রগতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন।

    দেশভাগের ভয়ঙ্কর স্মৃতিচারণা প্রধানমন্ত্রীর

    দেশভাগের পরবর্তী দাঙ্গা ও ব্যাপক হিংসাত্মক ঘটনায় যাঁরা প্রাণ হারিয়েছিলেন, তাঁদের স্মরণে মোদি সরকার ২০২॥ সাল থেকে ১৪ অগাস্ট দিনটিকে ‘বিভাজন বিভীষিকা স্মৃতি দিবস’ (Partition Horrors Remembrance Day) হিসেবে পালন করে আসছে। এদিন এক্স হ্যান্ডেলে প্রধানমন্ত্রী লিখেছেন, “আজ আমরা ‘বিভাজন বিভীষিকা স্মৃতি দিবস’ পালন করছি। দেশভাগের ফলে যাঁরা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিলেন, তাঁদের সকলের সাহসিকতাকে আমরা স্মরণ করছি। ইতিহাসের সেই মুহূর্তটি বহু মানুষের জীবন ছিন্নভিন্ন করে দিয়েছিল, বহু পরিবার নিজেদের ভিটেমাটি ও প্রিয়জনদের হারিয়েছিল এবং অকথ্য যন্ত্রণা সহ্য করতে হয়েছিল মানুষকে।”

    দেশে সম্প্রীতি, ভ্রাতৃত্ববোধ ও ঐক্যকে সুদৃঢ় করার আহ্বান

    প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, “সেই চরম প্রতিকূলতার মধ্যেও মানুষ শূন্য থেকে নিজেদের জীবন নতুন করে গড়ে তুলেছিল ৷ প্রতিকূলতাকে সাফল্যে পরিণত করেছিল ৷ দেশের অগ্রগতিতে উল্লেখযোগ্য অবদানও রেখেছেন তাঁরা।” তাঁর মতে, সেইসব মানুষদের জীবনগাথা সকলকে অদম্য মানসিক শক্তির কথা মনে করিয়ে দেয় । মোদি বলেন, “এই দিনটি যেন আমাদের দেশে সম্প্রীতি ও ভ্রাতৃত্ববোধ বজায় রাখার সংকল্পকে আরও দৃঢ় করে ৷ প্রধানমন্ত্রী লেখেন, দেশভাগের স্মৃতি আমাদের মানুষের অসীম মানসিক শক্তির কথা মনে করিয়ে দেয়। এই দিনটি দেশে সম্প্রীতি, ভ্রাতৃত্ববোধ ও ঐক্য আরও সুদৃঢ় করার সংকল্পকে গভীর করুক এবং একটি ‘বিকশিত ভারত’ গড়ে তুলতে সবাইকে একসঙ্গে কাজ করার প্রেরণা দিক।

    গভীর বেদনা ও স্মৃতির প্রতীক

    ১৯৪৭ সালের ১৫ আগস্ট ব্রিটিশ শাসন থেকে স্বাধীনতা অর্জন করে ভারত। স্বাধীনতার সেই ঐতিহাসিক মুহূর্তের পাশাপাশি দেশভাগের যন্ত্রণা ভারতীয় ইতিহাসে এক গভীর ক্ষত তৈরি করে। দেশভাগের ফলে ব্যাপক সাম্প্রদায়িক হিংসা, প্রাণহানি ও উদ্বাস্তু সংকট দেখা দেয়। ইতিহাসের অন্যতম বৃহত্তম গণ-অভিবাসনের ঘটনা ছিল ১৯৪৭-এর দেশভাগ। প্রায় ২ কোটি মানুষ এর ফলে প্রত্যক্ষভাবে প্রভাবিত হন বলে বিভিন্ন ঐতিহাসিক হিসাব থেকে জানা যায়। লক্ষ লক্ষ পরিবারকে তাঁদের পূর্বপুরুষের ভিটে, গ্রাম, শহর ও সম্পত্তি ছেড়ে অজানা জায়গায় নতুন করে জীবন শুরু করতে হয়েছিল। দেশভাগের সেই ভয়াবহ অধ্যায় আজও ভারতীয় উপমহাদেশের ইতিহাসে গভীর বেদনা ও স্মৃতির প্রতীক। তবে সেই অন্ধকার সময় পেরিয়ে উদ্বাস্তু মানুষের ঘুরে দাঁড়ানোর সংগ্রাম ও সাফল্যও দেশের ইতিহাসের এক গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়।

LinkedIn
Share