Tag: PM Narendra Modi

PM Narendra Modi

  • PM Narendra Modi: মহাকুম্ভের প্রস্তুতি উপলক্ষে প্রয়াগরাজে একাধিক প্রকল্পের উদ্বোধন করলেন মোদি

    PM Narendra Modi: মহাকুম্ভের প্রস্তুতি উপলক্ষে প্রয়াগরাজে একাধিক প্রকল্পের উদ্বোধন করলেন মোদি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শুক্রবার প্রধানমন্ত্রী নেরেন্দ্র মোদি (PM Narendra Modi) প্রয়াগরাজের সফরে এসেছেন। সেখানে নদী সঙ্গমে মন্দির দর্শন করেন এবং সেই সঙ্গে পুজো করেন। একই ভাবে অক্ষয় ভাতা বৃক্ষে পুজো করেন। এরপর হনুমান মন্দির এবং সরস্বতী কূপ দর্শন ও পুজো করেন। আগামী ২০২৫ সালের জানুয়ারির মকর সংক্রান্তি থেকে মহাকুম্ভ মেলার (Mahakumbh 2025) শুরু হতে চলেছে এবং মেলা চলবে ২৬ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত। এই মেলাকে কেন্দ্র করে একাধিক উন্নয়ন মূলক প্রকল্পের উদ্বোধন করেন মোদি। এদিন তাঁর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ এবং রাজ্যপাল আনন্দীবেন প্যাটেল।

    ১০টি নতুন রাস্তা, ফ্লাইওভার উদ্বোধন মোদির (PM Narendra Modi)

    মহাকুম্ভ মেলার (Mahakumbh 2025) আনুষ্ঠানিক প্রস্তুতি এবং একাধিক বিষয়কে পরিদর্শন করতে উদ্যোগী হয়েছেন প্রধানমন্ত্রী মোদি (PM Narendra Modi)। তিনি যে প্রকল্পগুলিকে উদ্বোধন করলেন তার মধ্যে রয়েছে, রেল এবং সড়ক ব্যবস্থার একাধিক প্রকল্প। ১০টি নতুন রাস্তা, ফ্লাইওভার, নদীর স্থায়ী ঘাট এবং নদীর পাড় বরাবর রাস্তার কাজ খতিয়ে দেখেন। তবে মেলায় আগত ভক্তদের নিরাপত্তা, সুরক্ষা এবং একাধিক সুবিধাকে উপলব্ধি করতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা এবং সিসিটিভির ব্যবহার করা হবে।

    একাধিক মন্দির কাঠামোর দিকে বিশেষ নজর

    গঙ্গার স্বচ্ছতা এবং নির্মল ধারার বিষয় নজরে রেখে এদিন গঙ্গা নদীর দিকে যাওয়ার ছোট ছোট ড্রেনগুলি এবং নিকাশি ব্যবস্থার উপর বিশেষ নজর দিয়ে একাধিক প্রকল্পের উদ্বোধন করেছেন মোদি (PM Narendra Modi)। জলে যাতে দূষণ কম হয় সেই দিকেও বিশেষ নজর দিয়েছেন। একই ভাবে মেলায় পানীয় জল এবং বিদ্যুৎ সরবরাহের পরিকাঠামোর ওপর নজরে রেখেছেন। একই সঙ্গে একাধিক মন্দির করিডোরগুলিকে উদ্বোধন করেন। ভরদ্বাজ আশ্রম, শ্রিংভারপুর ধাম, অক্ষয়বত ধাম, হনুমান মন্দির করিডর সহ একাধিক মন্দিরের পরিকাঠামোর উপর আধ্যাত্মিক পরিমণ্ডলকে আরও আকর্ষণীয় করতে বিশেষ প্রকল্পের উদ্বোধন করেন। একই সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী এদিন মেলার আয়োজনের সঙ্গে কৃত্রিম মেধা নির্ভর ‘কুম্ভ সহায়িক চ্যাটবট’ চালু করেছেন। মেলায় ভক্তদের সাক্ষাৎকার এবং নির্দেশাবলী এতে থাকবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • PAN Card QR Code: প্যান কার্ডে জুড়ছে কিউআর কোড, সিদ্ধান্ত মোদি সরকারের, আরও বাড়বে সুরক্ষা

    PAN Card QR Code: প্যান কার্ডে জুড়ছে কিউআর কোড, সিদ্ধান্ত মোদি সরকারের, আরও বাড়বে সুরক্ষা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্যান কার্ড (Pan Card) কার্যত এখন দেশের প্রতিটি নাগরিকের জীবনের অন্যতম অঙ্গ হয়ে গিয়েছে। এবার সেই প্যান কার্ডে বড় বদল আসতে চলেছে। প্যান কার্ডকে আরও আধুনিক, আরও স্মার্ট করার লক্ষ্যে আয়কর বিভাগের বিশেষ প্রকল্প অনুমোদন করল মোদি মন্ত্রিসভা (Modi Cabinet)। এই প্রকল্প অনুযায়ী, এবার থেকে প্যান কার্ডে কিউআর কোড যুক্ত হবে (PAN Card QR Code)। সোমবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সভাপতিত্বে অর্থনৈতিক বিষয় সম্পর্কিত ক্যাবিনেট কমিটির (সিসিইএ) বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে। এই প্রকল্পের নাম দেওয়া হয়েছে ‘প্যান ২.০’ (PAN 2.0)। এই প্রকল্পের জন্য কেন্দ্রীয় সরকারের তরফে বরাদ্দ করা হয়েছে ১৪৩৫ কোটি টাকা।

    নতুন প্রকল্পে কী কী সুবিধা

    প্যান কার্ডে কিউআর কোড (PAN Card QR Code) ছাড়া আর কী কী সুবিধা থাকবে তা নিয়ে একটি বিবৃতি দিয়েছেন কেন্দ্রীয় তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব (Modi Cabinet)। প্যান কার্ডে কিউআর কোড  থাকার ফলে আয়করদাতাদের আর্থিক লেনদেন অনেক সহজ এবং স্বচ্ছ হয়ে উঠবে। পাশাপাশি, উন্নত মানের এবং দ্রুত পরিষেবা পাওয়া যাবে। ব্যক্তিগত তথ্য এবং অ্যাকাউন্ট সুরক্ষিত থাকবে। আর্থিক জালিয়াতির ভয় কিছুটা হলেও কমবে। এই প্রকল্পের ফলে সাধারণ মানুষের আর্থিক সুরক্ষা ও নিরাপত্তা আরও উন্নত হবে বলেও দাবি করা হচ্ছে। গ্রাহকেরা একেবারে বিনাপয়সা আপগ্রেড করে নিতে পারবেন এই প্যান কার্ডের। এই নতুন সিস্টেম (PAN Card QR Code) হবে একেবারে পেপারবিহীন। এর মাধ্যমে কিউআর কোড স্ক্যানিংয়ের সুবিধা মিলবে।

    স্বচ্ছ, সহজ, উন্নত পরিষেবা 

    কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ এক্স হ্যন্ডলে লেখেন, “প্যান ২.০ প্রকল্পের মাধ্যমে আয়করদাতাদের অনেক সুবিধা হবে। তাঁরা নতুন প্রযুক্তির সাহায্যে স্বচ্ছ, সহজ এবং উন্নত পরিষেবা পাবেন।” তবে, কবে থেকে নতুন প্যান কার্ডের (PAN Card QR Code) এই পরিষেবা চালু হবে তা নিয়ে এখনও কিছু জানায়নি কেন্দ্রীয় সরকার (Modi Cabinet)।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • PM Modi: ‘‘এটা ১৪০ কোটি ভারতীয়র প্রাপ্য’’, গায়ানা, ডমিনিকার সর্বোচ্চ সম্মান পেয়ে আপ্লুত মোদি

    PM Modi: ‘‘এটা ১৪০ কোটি ভারতীয়র প্রাপ্য’’, গায়ানা, ডমিনিকার সর্বোচ্চ সম্মান পেয়ে আপ্লুত মোদি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: করোনা মহামারীর সময়ে বিশ্ববাসীর কাছে ত্রাতা হয়ে উঠেছিল ভারত। এগিয়ে দিয়েছিল সাহায্যের হাত। ভারতের কাছ থেকে সে সময় যে সহযোগিতা পেয়েছিল তার কৃতজ্ঞতা স্বরূপ নরেন্দ্র মোদির (PM Modi) হাতে সর্বোচ্চ সম্মান তুলে দিলেন ‘কমনওয়েলথ অব ডমিনিকা’র প্রেসিডেন্ট সিলভানি বার্টন। ডমিনিকার (Dominica) পর মোদির হাতে দেশের সর্বোচ্চ সম্মান তুলে দিল গায়ানাও (Guyana)।

    ডমিনিকার কৃতজ্ঞতা

    ‘ডমিনিকা’-র সর্বোচ্চ জাতীয় সম্মানে সম্মানিত হলেন প্রধানমন্ত্রী মোদি (PM Modi)। এক বিবৃতিতে ডমিনিকা জানিয়েছে, ‘‘প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে যে সম্মান প্রদান করা হল তা কেবল ভারত এবং ডোমিনিকা-র মধ্যে বন্ধুত্ব এবং সহযোগিতার প্রতীক নয়, বিশ্ব অতিমারির কঠিন সময়ে ভারতের সাহায্যের স্বীকৃতিও।’’

    ১৪০ কোটি ভারতীয়র সম্মান

    বুধবার প্রধানমন্ত্রী মোদিকে ‘দ্য অর্ডার অব এক্সিলেন্স’ (The Order Of Excellence) সম্মানে ভূষিত করে গায়ানা। এদিন এই সম্মানটি মোদির হাতে তুলে দেন গায়ানার প্রেসিডেন্ট ডঃ ইরফান আলি। গায়ানার সর্বোচ্চ সম্মান পেয়ে আপ্লুত মোদি এদিন মঞ্চে দাঁড়িয়ে বলেন, ‘‘গায়ানার সর্বোচ্চ সম্মান আমার হাতে তুলে দেওয়ার জন্য বন্ধু ইরফান আলিকে অসংখ্য ধন্যবাদ। এই সম্মান শুধু আমার একার নয়। এটা ১৪০ কোটি ভারতীয়র প্রাপ্য। ভারত এবং গায়ানার অভ্যন্তরীণ বন্ধন এভাবেই দৃঢ় হোক। দুই দেশের ইতিহাস প্রমাণ করে যে কীভাবে তারা ঐতিহ্য এবং বিশ্বাসের বন্ধনে বারেবারে মিশে গিয়েছে।’’

    নেতাদের মধ্যে চ্যাম্পিয়ন

    ব্রাজিলের রিও ডি জেনিরোতে জি২০ শীর্ষ সম্মেলনে যোগদানের পর প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি গায়ানায় পোঁছান, এখানে তিনি জর্জটাউনে ভারত-ক্যারিকম শীর্ষ সম্মেলনে অংশ নেন। এ সময় প্রধানমন্ত্রী মোদি বলেন যে গায়ানার জনগণের দক্ষতা বিকাশ এবং সক্ষমতা বৃদ্ধিতে ভারত অনেক বড় অবদান রেখেছে। অন্যদিকে, গায়ানার রাষ্ট্রপতি মহম্মদ ইরফান আলি প্রধানমন্ত্রী মোদির প্রশংসা করে তাঁকে তাঁর প্রভাবশালী নেতৃত্ব এবং উন্নয়নশীল দেশগুলিতে অবদানের জন্য ‘নেতাদের মধ্যে চ্যাম্পিয়ন’ হিসেবে উল্লেখ করেন। গায়ানার রাষ্ট্রপতি ইরফান আলি মোদির শাসনব্যবস্থার প্রশংসা করে বলেছেন যে গায়ানা এবং অন্যান্য দেশও তাঁর কার্যপদ্ধতি গ্রহণের দিকে মনোযোগ দিয়েছে।

     

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • PM Modi: বন্ধু মাক্রঁ ও স্টারমারের সঙ্গে সাক্ষাত মোদির, জি-২০ বৈঠকের ফাঁকে কী নিয়ে আলোচনা?

    PM Modi: বন্ধু মাক্রঁ ও স্টারমারের সঙ্গে সাক্ষাত মোদির, জি-২০ বৈঠকের ফাঁকে কী নিয়ে আলোচনা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মহাকাশ গবেষণা, শক্তির ব্যবহার, এআই-এর প্রয়োগ-সহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে ভারতের সঙ্গে একযোগে কাজ করার কথা বললেন ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল মাক্রঁ ও ইউকে-এর প্রধানমন্ত্রী কির স্টারমার। জি২০ সম্মেলনের (G20 Summit) ফাঁকে দুই রাষ্ট্রনেতার সঙ্গে কথা হয় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (PM Modi)। দুই নেতাই ভারতের সঙ্গে বন্ধুত্বের অঙ্গীকারে আবদ্ধ হন। বাণিজ্য ও বিনিয়োগ, প্রযুক্তি, এআই এবং ডিজিটাল পাবলিক ইনফ্রাস্ট্রাকচার (DPI) সহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে ভারত-ফ্রান্স সম্পর্ক আরও মজবুত করার উপর জোর দিয়েছেন মাক্রঁ।

    মোদি-মাক্রঁ বৈঠক

    জি২০ শীর্ষ সম্মেলনের ফাঁকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi) মঙ্গলবার ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল মাক্রঁর সঙ্গে বৈঠক করেছেন। দুজনেই স্পেস, শক্তি এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) সহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে আরও ঘনিষ্ঠ সহযোগিতার ওপর জোর দেন। প্রধানমন্ত্রী মোদি ফরাসি প্রেসিডেন্টকে প্যারিসে অলিম্পিক এবং প্যারালিম্পিক গেমস সফলভাবে আয়োজনের জন্য অভিনন্দন জানান। এদিন একটি পোস্টে মোদি বলেন, “প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল মাক্রঁর সঙ্গে দেখা করে আনন্দিত। ভারত এবং ফ্রান্স কীভাবে স্পেস, শক্তি, এআই এবং অন্যান্য খাতে একসঙ্গে কাজ করতে পারে তা নিয়ে আমরা আলোচনা করেছি। দুই দেশের মানুষের মধ্যেও যাতে গভীর সম্পর্ক স্থাপন হয়, তার দিকে নজর দেব আমরা।” বিদেশমন্ত্রক মোদি-মাক্রঁ এই বৈঠকটিকে “ভারত-ফ্রান্স কৌশলগত অংশীদারিত্বের অগ্রগতি” হিসেবে বর্ণনা করেছে।

    মোদি-স্টারমার সাক্ষাৎ

    জি২০ সম্মেলন চালাকালীন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi) যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী কির স্টারমারের সঙ্গেও সাক্ষাৎ করেছেন। যেখানে তারা প্রযুক্তি, সবুজ শক্তি, নিরাপত্তা, উদ্ভাবন এবং প্রযুক্তি ক্ষেত্রগুলোতে একত্রে কাজ করার ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন। মোদি তাঁর এক্স পোস্টে বলেছেন, “রিও ডি জেনেইরোতে প্রধানমন্ত্রী কির স্টারমারের সঙ্গে আমার অত্যন্ত ফলপ্রসূ বৈঠক হয়েছে। ভারতের জন্য যুক্তরাজ্যের সঙ্গে সামগ্রিক কৌশলগত অংশীদারিত্ব অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আমরা বাণিজ্য এবং সাংস্কৃতিক সম্পর্ক শক্তিশালী করতে চাই।” জি২০ বৈঠকে (G20 Summit) যোগ দিতে সোমবারই ব্রাজিলে পৌঁছেছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সোমবার থেকে ব্রাজিলের রিও ডি জেনেইরোতে শুরু হয়েছে দু’দিনের এই বৈঠক।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • PM Narendra Modi: ‘‘নোবেল শান্তি পুরস্কার পাওয়ার যোগ্য নরেন্দ্র মোদি’’, দাবি জার্মান বিনিয়োগকারীর

    PM Narendra Modi: ‘‘নোবেল শান্তি পুরস্কার পাওয়ার যোগ্য নরেন্দ্র মোদি’’, দাবি জার্মান বিনিয়োগকারীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নরেন্দ্র মোদি (PM Narendra Modi) কি নোবেল শান্তি পুরস্কার (Nobel Peace Prize) পাবেন? এই প্রশ্নকে ঘিরে এখন জোর জল্পনা চলছে। সংবাদ সংস্থা আইএএনএস-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তাঁকে নিয়ে প্রশংসায় পঞ্চমুখ হন ৮৮ বছরের জার্মান বিনিয়োগকারী মার্ক মোবিয়াস। সেখানেই তিনি মোদির নোবেল পুরস্কার পাওয়ার পক্ষে জোরদার সওয়াল করেন। উল্লেখ্য, ২০১৪ সাল থেকে ভারতের প্রধানমন্ত্রীর পদে লাগাতার নির্বাচিত হয়ে আসছেন মোদি। তাঁকে নিয়ে একাধিক দেশের রাষ্ট্রনেতাদের মুখেও এই প্রশংসার বাণী শোনা গিয়েছে। আন্তর্জাতিক বিশ্বে এক সেতু বন্ধনের কাজ করছেন মোদি।

    সব পক্ষের সঙ্গে আলোচনা চালাতে পারেন মোদি (PM Narendra Modi)

    জার্মান বিনিয়োগকারী মার্ক একটি সাক্ষাৎকারে বলেন, “প্রধানমন্ত্রী মোদি (PM Narendra Modi) একজন মহান নেতার পাশপাশি একজন অসাধারণ ব্যক্তি। আন্তর্জাতিক মঞ্চে তিনি শান্তির মধ্যস্থতাকারী হওয়ার অপার সম্ভাবনা রয়েছে। সব পক্ষের সঙ্গে আলোচনা চালাতে পারেন মোদি। নোবেল শান্তি পুরস্কার (Nobel Peace Prize) পাওয়ার যোগ্য ভারতের প্রধানমন্ত্রী। আন্তর্জাতিক এই পুরস্কারের জন্য নিজেকে প্রমাণ করেছেন মোদি।”

    রাশিয়া-ইউক্রেনের যুদ্ধে শান্তির বার্তা

    উল্লেখ্য, গত আড়াই বছরের বেশি সময় ধরে রাশিয়া-ইউক্রেনের যুদ্ধ চলছে। ইতিমধ্যে ফুলের মতো সুন্দর এক একটি জনপদ কার্যত যুদ্ধের বলি হয়েছে। আলোচনা এবং কূটনীতির মাধ্যমে শান্তিপূর্ণ সমাধানের জন্য ভারত দুই দেশের কাছেই আবেদন করেছে। দুই দেশের রাষ্ট্রপ্রধানের সঙ্গেই বৈঠক করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Narendra Modi)। ১৯৯২ সালে ভারত-ইউক্রেনের কূটনৈতিক বন্ধনের পর দেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রী হিসেবে চলতি বছরের অগাস্টে ইউক্রেন সফরে গিয়েছিলেন তিনি। মিত্র দেশ রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট পুতিন এবং ইউক্রেনের রাষ্ট্রপ্রধান জেলেনস্কির সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। উভয় পক্ষের সঙ্গে যুদ্ধ নিয়ে শান্তির বার্তা দেন মোদি। ফলে এই পরিস্থিতিতে নোবেল শান্তি পুরস্কার নিয়ে তীব্র জল্পনা শুরু হয়েছে।  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Vidyalaxmi Scheme: উচ্চশিক্ষায় ১ লক্ষ মেধাবী পড়ুয়াকে ১০ লক্ষ টাকা পর্যন্ত ঋণ, বিদ্যালক্ষ্মী প্রকল্প আনল কেন্দ্র

    Vidyalaxmi Scheme: উচ্চশিক্ষায় ১ লক্ষ মেধাবী পড়ুয়াকে ১০ লক্ষ টাকা পর্যন্ত ঋণ, বিদ্যালক্ষ্মী প্রকল্প আনল কেন্দ্র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার অনুমোদন পেল পিএম বিদ্যালক্ষ্মী প্রকল্প (Vidyalaxmi Scheme)। এই কর্মসূচিতে মূলত নিম্নমধ্যবিত্ত পরিবারের মেধাবী পড়ুয়াদের উচ্চশিক্ষায় আর্থিক ঋণ দেবে নরেন্দ্র মোদি সরকার। পাশাপাশি, পড়ুয়ারা বিভিন্ন ধরনের বৃত্তিমূলক ক্ষেত্রে শিক্ষাগ্রহণে আর্থিক সহায়তা পাবে। ভারত হোক অথবা বিদেশ, কোনও বিশেষ বিষয় নিয় উচ্চ শিক্ষা করতে যাওয়া মানেই তা একটি ব্যয়বহুল ব্যাপার। কলেজ বা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার জন্য অনেক অভিভাবক তাদের সন্তানদের সমর্থন করার জন্য আর্থিক ভাবে ততটাও সক্ষম নন। কেন্দ্রীয় সরকার সেই জায়গাতেই ছাত্রছাত্রীর সমস্যা সমাধানের জন্য বিদ্যালক্ষ্মী এডুকেশন লোনের ঘোষণা করেছে। এর জন্য সরকারের বরাদ্দ ৩ হাজার ৬০০ কোটি টাকা। ২০২৪-২৫ থেকে ২০৩০-৩১ সালের মধ্যে ৭ লক্ষ নতুন ছাত্রছাত্রীকে এই প্রকল্পের আওতায় আনতে চাইছে সরকার।

    কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রকের ঘোষণা

    কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রক সূত্রের খবর, বিভিন্ন রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্ক (Vidyalaxmi Scheme) থেকে মিলবে এডুকেশন লোন। প্রায় ৭০টি বিভিন্ন আর্থিক সহায়তা কর্মসূচি থাকবে প্রধানমন্ত্রী বিদ্যালক্ষ্মী প্রকল্পের আওতায়। বুধবার কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার বৈঠকের পরে কেন্দ্রীয় তথ্যমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব বলেন, ‘‘এই প্রকল্পে ঋণ পেতে গেলে কোনও জামিনদার বা গ্যারেন্টার লাগবে না। প্রধানমন্ত্রী মোদির লক্ষ্য, কোনও মেধাবী পড়ুয়া যাতে বঞ্চিত না হন।’’ অর্থ মন্ত্রক, উচ্চ শিক্ষা বিভাগ এবং ভারতীয় ব্যাঙ্ক অ্যাসোসিয়েশন বিদ্যালক্ষ্মী প্রকল্পের অধীনে আগ্রহী এবং যোগ্য প্রার্থীদের শিক্ষা ঋণ দেওয়ার জন্য একত্রিত হয়েছে। প্রার্থীরা এই ঋণ প্রকল্পগুলির জন্য আবেদন করতে সরাসরি নিজেরাই বিদ্যালক্ষ্মী এডুকেশন লোনের পোর্টালে লগ ইন করতে পারেন। 

    বিদ্যা লক্ষ্মী এডুকেশন লোনের মূল বৈশিষ্ট্য:

    ১) শিক্ষার্থীদের উচ্চ শিক্ষার ব্যাপারে উৎসাহিত করা। পোর্টাল ভিত্তিক বিদ্যালক্ষ্মী এডুকেশন লোনের সহায়তায় কেন্দ্রীয় সরকার উচ্চ শিক্ষা অর্জন করতে ইচ্ছুক কিন্তু আর্থিক সীমাবদ্ধতা রয়েছে, এমন সমস্ত ছাত্রদের আর্থিক সহায়তা প্রদান করতে চায়৷ ফলে স্বাভাবিক ভাবেই উচ্চ শিক্ষা অর্জনে উৎসাহিত হবে ছেলেমেয়েরা।

    ২) ঋণ এবং বৃত্তির জন্য আবেদন করতে সক্ষম হওয়া। অ্যাকাডেমিক কোর্সের জন্য আর্থিক প্রয়োজনীয়তা পূরণের জন্য ঋণ বা সরকারি স্পনসরড স্কলারশিপ পাওয়ার জন্য পোর্টাল চালু করা হয়েছে। এর মাধ্যমে বৃত্তির জন্য আবেদন করা যাবে সহজে।

    ৩) নানা ধরনের কোর্স করার সুযোগ রয়েছে। এই বিদ্যালক্ষ্মী এডুকেশন লোনের পোর্টালের সহায়তায় আগ্রহী প্রার্থীরা নানা ধরনের কোর্সের অধীনে শিক্ষা গ্রহণের জন্য আর্থিক সহায়তা পেতে সক্ষম হবে। প্রায় ৭০টি বিভিন্ন স্কিম এই প্রকল্পের আওতায় থাকবে।

    ৪) একটি মাত্র আবেদনপত্রেই হবে কাজ। আবেদনকারী প্রার্থীরা শুধু মাত্র একটি ফর্ম পূরণ করে নির্দিষ্ট ঋণ বা বৃত্তি বেছে নেওয়ার সুযোগ পাবেন। সাধারণ শিক্ষাগত ঋণের আবেদনপত্র বা সিইএলএএফ হল আবেদনপত্রের ধরন।

    ৫) প্রত্যেক শিক্ষার্থী সাধারণ আবেদনপত্রের সহায়তায় সর্বাধিক তিনটি ব্যাঙ্কে আবেদন করতে সক্ষম হবেন। ব্যাঙ্কের পছন্দ প্রার্থীর পছন্দের উপর নির্ভর করবে।

    ৬) আবেদনের হার্ড কপির প্রয়োজনীয়তা নেই। যখন আগ্রহী প্রার্থীরা বিদ্যা লক্ষ্মী এডুকেশন লোনের এই অনলাইন পোর্টালের মাধ্যমে কোনও ব্যাঙ্কে ঋণ সংক্রান্ত কোনও আবেদন করেন, তখন ব্যাঙ্কগুলিতে সেই আবেদনপত্রের হার্ড কপি জমা দেওয়ার দরকার নেই। ভবিষ্যতের রেফারেন্সের জন্য এটি বরং সহজ ভাবে ডাউনলোড করে কম্পিউটারে, ট্যাবে বা মোবাইলে রেখে দেওয়া যেতে পারে।

    ৭) ব্যাঙ্ক এবং ঋণ প্রকল্প সম্পর্কে বিশদ তথ্য ছাড়াও শিক্ষার্থীরা সরকারি বৃত্তি কর্মসূচি সম্পর্কেও নানা ধরনের তথ্য পাবেন। কারণ সরকারি বৃত্তি পোর্টালগুলি বিদ্যালক্ষ্মী এডুকেশন লোনের পোর্টালের সঙ্গে যুক্ত।

    ৮) আবেদনকারীর ফর্মের বর্তমান অবস্থা বা স্টেটাস সম্পর্কে আবেদনকারীদের অবহিত রাখা প্রতিটি ব্যাঙ্কের দায়িত্ব৷ এই বিশদ বিবরণ সংশ্লিষ্ট আবেদনকারী শুধু মাত্র লগ ইন করার মাধ্যমে অর্জন করতে পারেন বা জানতে পারেন।

    ৯) উপরে উল্লিখিত এই সমস্ত বৈশিষ্ট্যগুলি ছাড়াও, প্রার্থীরা যে কোনও রকমের সমস্যা এবং অভিযোগ জমা দেওয়ার জন্য এই পোর্টালেই রেজিস্টার করার সুযোগ পাবেন।

    ১০ লক্ষ টাকা পর্যন্ত শিক্ষাঋণ

    প্রতি বছর সর্বোচ্চ এক লক্ষ শিক্ষার্থী এই প্রকল্পে ঋণ পাবেন বলে জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব। তিনি বলেন, ‘‘আট লক্ষ টাকা পর্যন্ত বার্ষিক পারিবারিক আয়ের একজন পড়ুয়া ১০ লক্ষ টাকা পর্যন্ত শিক্ষাঋণ পাবেন পিএম বিদ্যালক্ষ্মী প্রকল্পে (Vidyalaxmi Scheme)। সুদের হার হবে ৩ শতাংশ।’’ ছাত্রছাত্রীদের পরীক্ষার ফলের ভিত্তিতে এই ঋণ মঞ্জুর হবে। প্রসঙ্গত, এর আগে বার্ষিক সাড়ে চার লক্ষ টাকা পর্যন্ত আয়ের পরিবারের পড়ুয়ারা উচ্চশিক্ষায় কেন্দ্রীয় ঋণ পেতেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Jharkhand Assembly Election 2024: “এই জোট অনুপ্রবেশকারীদের জোট”, ঝাড়খণ্ডে নির্বাচনী সভায় তোপ মোদির

    Jharkhand Assembly Election 2024: “এই জোট অনুপ্রবেশকারীদের জোট”, ঝাড়খণ্ডে নির্বাচনী সভায় তোপ মোদির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ঝাড়খণ্ডের অধিবাসীদের নিরাপত্তা, নারীর সুরক্ষা এবং জমি বাঁচানোর জন্য সেখানে বিজেপি সরকার গঠনের আহ্বান জানালেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। ঝাড়খণ্ডে নির্বাচনী প্রচারে (Jharkhand Assembly Election 2024) এসে ঝাড়খণ্ড মুক্তি মোর্চার নেতৃত্বাধীন জোটকে তীব্র আক্রমণ করলেন প্রধানমন্ত্রী। জেএমএম, কংগ্রেস এবং আরজেডিকে আক্রমণ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “এই জোট অনুপ্রবেশকারীদের জোট।” একইসঙ্গে এই তিন দলের জোটকে ‘মাফিয়াদের গোলাম’ বলেও কটাক্ষ করেন তিনি। সোমবার গাড়োয়া জেলায় নির্বাচনী প্রচারে এসে দুর্নীতি ইস্যুতেও বিরোধীদের আক্রমণ করেন মোদি। 

    তোষণের রাজনীতি

    আদিবাসী সমাজের জন্য ঝাড়খণ্ডে অনুপ্রবেশ বন্ধ হওয়া উচিত বলে মনে করেন মোদি। তিনি বলেন, ‘‘তোষণের রাজনীতিকে চূড়ান্ত পর্যায়ে নিয়ে গিয়েছে ঝাড়খণ্ড মুক্তি মোর্চা, কংগ্রেস এবং আরজেডি। এই তিনটি দলই অনুপ্রবেশকারীদের সমর্থন করে। বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীদের ভোট পাওয়ার জন্য এদের গোটা ঝাড়খণ্ডে বসবাসের জায়গা করে দিচ্ছে এই তিনটি দল।’’ এর পরেই তাঁর মন্তব্য, ‘‘পরিস্থিতি এখানে এমন হয়ে গিয়েছে যে সরস্বতী বন্দনার উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করা হচ্ছে। এখান থেকেই বোঝা যাচ্ছে যে বিপদ কতটা গুরুতর। যখন উৎসবে পাথর ছোড়া হয়, দুর্গামাকেও আটকে দেওয়া হয়, যখন কার্ফু জারি করা হয়, তখন জানা যায়, যে পরিস্থিতি কতটা ভয়াবহ। মেয়েদের সঙ্গে বিয়ের নাম করে যখন প্রতারণা হচ্ছে, তখন বুঝতে হবে জল কোথায় পৌঁছেছে। এটা চলতে থাকলে, এই রাজ্যে আদিবাসী সম্প্রদায় ক্রমশ হারিয়ে যাবে।’’ 

    বিজেপির গ্যারান্টি

    প্রসঙ্গত, ঝাড়খণ্ডে (Jharkhand Assembly Election 2024) মোট ৮১টি আসনে দুই দফায় ভোটগ্রহণ হবে। ১৩ নভেম্বর প্রথম দফা। ও দ্বিতীয় দফা ২০ নভেম্বর। এর মধ্যেই রয়েছে ছট পুজো। ঝাড়খণ্ডবাসীকে ছট পুজোর শুভেচ্ছাও জানান প্রধানমন্ত্রী। তিনি ঝাড়খণ্ডের আসন্ন নির্বাচনে রাজ্যে বিজেপি সরকার গঠনের আর্জি জানান। বিজেপিই রাজ্যের সমৃদ্ধি করতে পারবে বলে ‘গ্যারান্টি’ দেন প্রধানমন্ত্রী। সঙ্কল্প পত্রের প্রশংসা করে মোদি জানান, বিজেপি একমাত্র দল যারা ভোটের আগে দেওয়া প্রতিশ্রুতি রক্ষা করে। তাই রাজ্যে নারী নিরাপত্তা রক্ষার্থে, নিজের জমি নিজের রাখতে বিজেপি তথা এনডিএ-র সরকার গঠনের কথা বলেন। 
      

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • India-Canada Relation: ভারতের সঙ্গে সু-সম্পর্কের দাবি, কানাডার অভ্যন্তরে চড়ছে ট্রুডো-বিরোধী সুর

    India-Canada Relation: ভারতের সঙ্গে সু-সম্পর্কের দাবি, কানাডার অভ্যন্তরে চড়ছে ট্রুডো-বিরোধী সুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশের অভ্যন্তরে (India-Canada Relation) তীব্র সমালোচনার মুখে পড়লেন কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো (Justin Trudeau)। ভারতের সঙ্গে কানাডার কূটনৈতিক সম্পর্ক ক্রমশ তলানিতে ঠেকেছে। এই আবহে ট্রুডোর বিপক্ষে বিস্ফোরক অভিযোগ এনেছেন তাঁর প্রধান প্রতিপক্ষ, কনজারভেটিভ পার্টির নেতা পিয়ের পোয়ালিয়েভ্রে। তাঁর দাবি, চিনের সহায়তায় দুটি নির্বাচন জিতেছেন ট্রুডো। ভারত সরকারের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ করে বিভ্রান্তিকর প্রচার করছেন কানাডার বর্তমান প্রধানমন্ত্রী।

    চিনের সঙ্গে ট্রুডোর সম্পর্ক

    সম্প্রতি ট্রুডো অভিযোগ করেছিলেন যে, কনজারভেটিভ পার্টির সাংসদরা বিদেশি শক্তির সঙ্গে সম্পর্ক রাখছেন। এই অভিযোগের জবাবে পোয়ালিয়েভ্রে বলেন, “প্রধানমন্ত্রীর কাছে আমি জানতে চেয়েছিলাম, কোন কোন এমপি বিদেশি শক্তির সঙ্গে সম্পর্ক রাখছেন, প্রকাশ করতে। কিন্তু উনি তাঁদের নাম বলতে পারেননি। মিথ্যা প্রচার করাই ওনার লক্ষ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। বাস্তবে লিবারেল পার্টি তথা ট্রুডোর দল সর্বদা চিনের সহায়তা নিয়ে চলে। তাঁরা চিনের সাহায্যেই দুটো নির্বাচন জিতেছে। এইবিষয়টি সামনে আসতেই নানা রকম মিথ্যা দাবি করছেন ট্রুডো।”

    ভারতের বিরুদ্ধে প্রমাণ কই?

    পোয়ালিয়েভ্রে আরও জানান নিজ্জর হত্যাকাণ্ড প্রসঙ্গে ভারতের যুক্ত থাকার যে দাবি ট্রুডো এনেছিলেন তারও কোনও প্রমাণ তিনি দিতে পারেননি। প্রসঙ্গত, বুধবার তদন্ত কমিশনের কাছে জমা দেওয়া বিবৃতিতে ক্যানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো নিজেই জানিয়েছিলেন, গত বছর সেপ্টেম্বরে ভারতের বিরুদ্ধে এই অভিযোগ তোলার সময়ে তাঁর কাছে শুধুমাত্র গোয়েন্দাসূত্রে পাওয়া খবর ছিল, হাতে-কলমে কোনও তথ্যপ্রমাণ ছিল না। পোয়ালিয়েভ্রে বলেন, “আমি ১৪ অক্টোবর ন্যাশনাল সিকিউরিটি এবং ইন্টেলিজেন্স উপদেষ্টা নাথালি ড্রুইন, গ্লোবাল অ্যাফেয়ার্স কানাডার ডেপুটি মন্ত্রী ডেভিড মরিসন, এবং সিএসআইএস পরিচালক ড্যানিয়েল রজার্সের কাছ থেকে ব্রিফিং পেয়েছিলাম ভারতের হস্তক্ষেপ সম্পর্কে। কিন্তু ট্রুডোর দল তখনও কোনও বিস্তারিত তথ্য শেয়ার করেনি।” পোয়ালিয়েভ্রে বলেন, “যদি ট্রুডোর কাছে ভারতের বিরুদ্ধে কোনও প্রমাণ থাকে, তবে তিনি তা জনসমক্ষে প্রকাশ করুন। কিন্তু তিনি তা করবেন না, কারণ তিনি এগুলো তৈরি করছেন।”

    ট্রুডো সরকারের অপপ্রচার

    পোয়ালিয়েভ্রে ছাড়াও পিপলস পার্টি অব কানাডার নেতা ম্যাক্সিম বার্নিয়ার বৃহস্পতিবার বলেছেন, রয়্যাল কানাডিয়ান মাউন্টেড পুলিশ (RCMP) এবং লিবারেল সরকার ভারতের (India-Canada Relation) বিরুদ্ধে যে অভিযোগ তুলেছে, তা অত্যন্ত গুরুতর। কিন্তু ভারতীয় কূটনীতিকদের বিপক্ষে এখনও কোনও প্রমাণ পেশ করতে পারেনি ট্রুডোর সরকার। আসলে ট্রুডো এবং লিবারেল পার্টি তাঁদের বিরুদ্ধে ওঠা নানা অভিযোগ থেকে নজর ঘোরাতেই এই সব মিথ্যা দাবি তুলছেন। বার্নিয়ার আরও দাবি করেন যে, গত বছর নিহত খলিস্তানি সন্ত্রাসী হরদীপ সিং নিজ্জর কানাডিয়ান ছিলেন না। বার্নিয়ার বলেন, “একটি ভুল ধারণা ভেঙে দেওয়া উচিত। সত্য হল, এই বিতর্কের কেন্দ্রবিন্দুতে থাকা খলিস্তানি নেতা হরদীপ সিং নিজ্জর আসলে একজন বিদেশি সন্ত্রাসবাদী। যিনি ১৯৯৭ সাল থেকে একাধিকবার ভুয়া নথি ব্যবহার করে কানাডায় আশ্রয়ের আবেদন করেছিলেন। তাঁর আবেদনগুলি প্রত্যাখ্যাত হলেও, তাকে এই দেশে থাকতে দেওয়া হয়েছিল এবং ২০০৭ সালে তাঁকে কোনওভাবে নাগরিকত্ব প্রদান করা হয়।”

    ভারতের সঙ্গে সুসম্পর্ক কাম্য

    বার্নিয়ার বলেন, এই পরিস্থিতি কানাডার দীর্ঘদিনের ভুলের ফল, যেখানে বিদেশিদের এবং তাদের অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্বকে আমন্ত্রণ জানানো হয়। তিনি ভারতের (India-Canada Relation) সঙ্গে ফের সু-সম্পর্ক স্থাপন করার আহ্বান জানান। বার্নিয়ার দাবি করেন, গুরুত্বপূর্ণ মিত্রের সঙ্গে সম্পর্ক খারাপ করা উচিত নয়। এই পরিস্থিতির সমাধান খুঁজতে ভারতের সরকারের সঙ্গে শীঘ্রই কথা বলা উচিত। বিশ্বের একটি ক্রমবর্ধমান শক্তির সঙ্গে সম্পর্ক খারাপ করা কখনওই কাম্য নয়।

    আরও পড়ুন: উচ্ছ্বাস ইজরায়েলে, হামাস প্রধান সিনওয়ারের মৃত্যু নিশ্চিত ডিএনএ পরীক্ষায়

    দিল্লির দাবি

    ইতিমধ্যেই নিজ্জর হত্যাকাণ্ড প্রসঙ্গে ট্রুডো সরকারের অভিযোগকে ‘রাজনৈতিক লাভের জন্য ভারতকে অপমান করার একটি ইচ্ছাকৃত অপপ্রচার’ বলে জানিয়েছে সাউথ ব্লক। ভারতীয় বিদেশ মন্ত্রকের অভিযোগ, কানাডার আসন্ন পার্লামেন্ট নির্বাচনে কট্টরপন্থী খলিস্তানি গোষ্ঠীগুলির সমর্থন পাওয়ার জন্য ট্রুডো সরকার নতুন করে নিজ্জর বিতর্ক সামনে নিয়ে আসছে। খলিস্তানি নেতা নিজ্জরকে ২০২০ সালে ‘সন্ত্রাসবাদী’ বলে ঘোষণা করেছিল ভারত। তিন বছর পর ২০২৩ সালের ১৮ জুন কানাডার ব্রিটিশ কলাম্বিয়া প্রদেশের সারের একটি গুরুদ্বারের সামনে তাঁকে হত্যা করা হয়। এর পরে নিজ্জর হত্যাকাণ্ডে ভারতের ‘ভূমিকা’ রয়েছে বলে অভিযোগ করেছিলেন ট্রুডো।  তার পর থেকেই দু’দেশের সম্পর্কে চিড় ধরে। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • PM Modi: পশ্চিম এশিয়ার উত্তপ্ত পরিস্থিতি নিয়ে জরুরি নিরাপত্তা বৈঠক প্রধানমন্ত্রী মোদির

    PM Modi: পশ্চিম এশিয়ার উত্তপ্ত পরিস্থিতি নিয়ে জরুরি নিরাপত্তা বৈঠক প্রধানমন্ত্রী মোদির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উত্তপ্ত পশ্চিম এশিয়া (West Asia Crisis)। গাজায় ইজরায়েল ও প্যালেস্তাইনের সশস্ত্র সংগঠন হামাসের মধ্যে সংঘাতের জেরে গত এক বছর ধরে অশান্ত এই অঞ্চল। ইজরায়েল-লেবানন সংঘাত তাতে নতুন মাত্রা যোগ করেছে। তার ওপর, ইজরায়েল ও ইরানের মধ্যে যুদ্ধ পরিস্থিতি তৈরি হওয়ায় আশঙ্কার কালো মেঘ ঘনাচ্ছে পশ্চিম এশিয়ার আকাশে। এর প্রভাব পড়ছে ওই অঞ্চলের বাণিজ্যের ওপর। মূলত ভারতে তেল আমদানি-রফতানির উপর। এই পরিস্থিতিতে শুক্রবার নিরাপত্তা সংক্রান্ত জরুরি বৈঠকে বসছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)।

    বৈঠকে থাকছেন কারা

    পশ্চিম এশিয়ার চলতি নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে ইতিমধ্যেই উদ্বেগ প্রকাশ করেছে ভারত। বুধবার বিদেশ মন্ত্রকের তরফে একটি বিবৃতি দিয়ে যুযুধান সব পক্ষকে সংযত থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে এদিনের বৈঠকে উপস্থিত থাকার কথা নিরাপত্তা সংক্রান্ত ক্যাবিনেট কমিটির সদস্যদের। নিরাপত্তা সংক্রান্ত ক্যাবিনেট কমিটিতে প্রধানমন্ত্রী মোদি (PM Modi) ছাড়াও রয়েছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ, প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং, বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর, অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন এবং জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত ডোভাল।

    আরও পড়ুন: ধ্রুপদী ভাষার তকমা পেল বাংলা, আপামর বাঙালিকে পুজোর উপহার মোদি মন্ত্রিসভার

    কেন চিন্তা

    বিদেশ মন্ত্রকের তরফে সম্প্রতি যে বিবৃতি দেওয়া হয়েছে, তাতে বলা হয়েছে, ‘‘পশ্চিম এশিয়ায় (West Asia Crisis) ক্রমবর্ধমান নিরাপত্তার সঙ্কট নিয়ে আমরা গভীর ভাবে উদ্বিগ্ন। সাধারণ নাগরিকদের সুরক্ষার স্বার্থে সংশ্লিষ্ট সব পক্ষকে সংযম প্রদর্শনের অনুরোধ করছি। এই সংঘাত যেন বৃহত্তর এলাকায় ছড়িয়ে না পড়ে, সেটা দেখতে হবে। আমাদের অনুরোধ, সমস্ত সমস্যা আলোচনা এবং কূটনীতির মাধ্যমে সমাধান করা হোক।’’ দিল্লির মতে, একটি সংঘাত শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলিকে প্রভাবিত করে না, এটি পুরো অঞ্চল, এমনকী বিশ্বের ওপরও প্রভাব ফেলে।

    ইরান ও ইজরায়েলের মধ্যে তীব্র উত্তেজনা বৃদ্ধির কারণে লোহিত সাগর এবং এডেন প্রণালী (গালফ অব এডেন) রুটে বাণিজ্য বিঘ্নিত হচ্ছে। গত বছরের অক্টোবরে ইরান-সমর্থিত হুথি মিলিশিয়া এই অঞ্চলে বিশ্ব বাণিজ্য ব্যাহত করতে শুরু করে। শুধু ভারতেই এর ফলে পেট্রোলিয়াম রফতানি ৩৭.৫৬ শতাংশ কমে গেছে, যা গত বছর একই মাসে ৯.৫৪ বিলিয়ন ডলার থেকে এ বছরের আগস্টে ৫.৯৬ বিলিয়ন ডলারে নেমে এসেছে। এখন আবার, ইরান-ইজরায়েলের যুদ্ধের জেরে দেশের জ্বালানি সরবরাহে প্রভাব পড়তে পারে। দাম বাড়তে পারে তেলের। সমুদ্র পথে বাণিজ্য সুনিশ্চিত করতে বিশেষ ব্যবস্থা নিচ্ছে ভারত।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • PM Modi: আমেরিকার পথে প্রধানমন্ত্রী মোদি, যোগ দেবেন কোয়াড বৈঠকে, সাক্ষাৎ ট্রাম্পের সঙ্গেও

    PM Modi: আমেরিকার পথে প্রধানমন্ত্রী মোদি, যোগ দেবেন কোয়াড বৈঠকে, সাক্ষাৎ ট্রাম্পের সঙ্গেও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তিন দিনের জন্য আমেরিকা উড়ে গেলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। কোয়াড সামিটে যোগদান, মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের সঙ্গে বৈঠক, রাষ্ট্রসঙ্ঘের সাধারণ সভায় বিশেষ সম্মেলনে ভাষণ, প্রবাসী ভারতীয়দের সঙ্গে আলাপচারিতা-সহ ঠাসা কর্মসূচি রয়েছে প্রধানমন্ত্রীর। শনিবার সকালে আমেরিকা সফরের জন্য রওনা দেন মোদি। মোদিকে স্বাগত জানাতে আমেরিকায় প্রস্তুতি তুঙ্গে। সেজে উঠেছে নিউ ইয়র্ক।

    কোথায় কখন প্রধানমন্ত্রী মোদি

    এএনআই সূত্রে খবর, ২১ থেকে ২৩ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত আমেরিকায় থাকবেন প্রধানমন্ত্রী মোদি। সফরসূচি অনুযায়ী আজ, ২১ সেপ্টেম্বর তিনি ষষ্ঠ কোয়াড সামিটে অংশ নেবেন। ২২ সেপ্টেম্বর আমেরিকায় ভারতীয় সম্প্রদায়ের উদ্দেশে ভাষণ দেবেন। যার জন্য বিশেষ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। এই অনুষ্ঠান নিয়ে উদগ্রীব মোদি নিজে। তিনি বলেছেন, ‘‘আমেরিকায় ভারতীয় প্রবাসীদের সঙ্গে দেখা করার জন্য আমি মুখিয়ে আছি। সেই সঙ্গে সে দেশের ব্যবসায়ীদের সঙ্গেও দেখা হবে আমার। তাঁরাই দুই দেশের মধ্যেকার সম্পর্কে স্বচ্ছতা প্রদান করেন।’’ এর পর ২৩ সেপ্টেম্বর নিউইয়র্কে রাষ্ট্রসঙ্ঘের সাধারণ সভায় বিশেষ সম্মেলনে বক্তব্য রাখবেন মোদি। এই বৈঠকের নাম ‘সামিট অফ দ্য ফিউচার’। 

    কোয়াড বৈঠকে যোগদান

    আমেরিকায় গিয়ে তিনি চতুর্দেশীয় কোয়াড বৈঠকে অংশগ্রহণ করবেন। বৈঠকে থাকবেন কোয়াডের অন্য সদস্য দেশগুলির রাষ্ট্রপ্রধানেরাও। ভারত ছাড়াও কোয়াডে রয়েছে আমেরিকা, জাপান এবং অস্ট্রেলিয়া। এ বছর কোয়াডের চতুর্থ বৈঠক আয়োজন করেছে আমেরিকা। ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে চিনের চোখ রাঙানি রুখতে হাতে হাত রেখেছে এই দেশগুলো। নিজের শহর উইলমিংটনে কোয়াড বৈঠকের আয়োজন করেছেন বাইডেন। তবে শুধু বাইডেনই নয় মোদি সাক্ষাৎ করবেন প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গেও। ‘বন্ধু’ মোদির (PM Modi) সঙ্গে দেখা করতে উচ্ছ্বসিত রিপাবলিকান নেতা। 

    রওনার সময় কী বললেন মোদি?

    আমেরিকার উদ্দেশে রওনা দেওয়ার আগে এদিন মোদি (PM Modi) বলেন, ‘‘আমেরিকার প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন, অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী অ্যান্টনি অ্যালবানিজ এবং জাপানের প্রধানমন্ত্রী ফুমিয়ো কিশিদার সঙ্গে দেখা করতে যাচ্ছি। যোগ দেব কোয়াড সামিটে। ভারত-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে শান্তি, সংহতি এবং অগ্রগতির কথা চিন্তা করে, চার দেশের সংগঠন হিসাবে কোয়াড উঠে এসেছে। বাইডেনের সঙ্গে আমার বৈঠকে আমেরিকা এবং ভারতের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও দৃঢ় হবে বলে আমি আশা করছি।’’ 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

LinkedIn
Share