Tag: Prayagraj

Prayagraj

  • Mahakumbh 2025: বিগত ১০০ বছরে সব’কটি কুম্ভে হাজির হয়েছেন শিবানন্দ বাবা, দাবি শিষ্যদের

    Mahakumbh 2025: বিগত ১০০ বছরে সব’কটি কুম্ভে হাজির হয়েছেন শিবানন্দ বাবা, দাবি শিষ্যদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পদ্মশ্রী প্রাপক যোগ প্রশিক্ষক স্বামী শিবানন্দ। তাঁর শিষ্যদের দাবি, বিগত ১০০ বছরে প্রয়াগরাজ, নাসিক, উজ্জয়িনী এবং হরিদ্বারে যতগুলি কুম্ভ মেলা অনুষ্ঠিত হয়েছে, প্রত্যেকটিতেই অংশগ্রহণ করেছেন শিবানন্দ বাবা (Mahakumbh 2025)। প্রসঙ্গত ২০২২ সালের ২১ মার্চ তৎকালীন রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দের কাছ থেকে পদ্মশ্রী পুরস্কার নেন স্বামী শিবানন্দ। রাষ্ট্রপতি ভবন সূত্রে তখনই জানানো হয়, তাঁর বয়স ১২৫ বছর।

    জন্ম ১৮৯৬ সালে (Mahakumbh 2025)

    জানা গিয়েছে, ১৮৯৬ সালের ৮ অগাস্ট তাঁর জন্ম হয়। এখনও পর্যন্ত স্বামী শিবানন্দ যোগ-প্রাণায়াম-ধ্যানের মাধ্যমে নিজেকে তরতাজা রেখেছেন। প্রতিদিন সকালে তিনি এর অনুশীলন করেন। প্রতি সকালে তাঁর শিষ্যরা গুরুদেবের দর্শনের জন্য হাজির হন। ১২৮ বছর বয়সি বাবার পূর্বতন জীবন সম্পর্কে বলতে গিয়ে আবেগপ্রবণ হয়ে পড়লেন বেঙ্গালুরুর বাসিন্দা ফাল্গুন ভট্টাচার্য। তিনি জানিয়েছেন, বাবা খুবই গরিব পরিবারের জন্মগ্রহণ করেছিলেন। বাবার যখন চার বছর বয়স, তখনই তাঁকে হস্তান্তর করা হয় ওমকারানন্দ গোস্বামীর হাতে। তারপরে সেই সাধুর নির্দেশেই স্বামী শিবানন্দ তাঁর পরিবারকে দেখতে আসেন। তখন তাঁর বয়স ছয় বছর। ছোটবেলাতেই স্বামী শিবানন্দের বোন এবং পিতামাতা মারা যান বলেও জানান ফাল্গুন ভট্টাচার্য।

    যুবদের প্রতি কী বার্তা দেন স্বামী শিবানন্দ ?

    তাঁর শিষ্যদের মধ্যে অন্যতম হলেন হিরামন বিশ্বাস। তিনি জানালেন যে পদ্মশ্রী পাওয়ার জন্য তিনি কোথাও আবেদন পত্র জমা করেননি। মোদি সরকারকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন তাঁর শিষ্য, তাঁর গুরুকে পদ্মশ্রী দেওয়ার জন্য জানিয়েছেন। বর্তমানে বাবা বারাণসীর দুর্গাকুণ্ডে থাকেন বলে জানিয়েছেন তাঁর শিষ্যরা। সম্প্রতি তিনি মহাকুম্ভের (Mahakumbh 2025) শিবির থেকে ফিরেছেন। যুবদের প্রতি বার্তা হিসেবে স্বামী শিবানন্দ প্রায় বলেন, ‘‘প্রতিদিন খুব সকালে তোমরা ঘুম থেকে ওঠো এবং অন্তত আধঘণ্টা সময় দাও যোগ ও প্রাণায়ামের জন্য। সঠিকভাবে জীবন পদ্ধতি মেনে চলো এবং যা কিছু অস্বাস্থ্যকর অভ্যাস সেগুলিকে ছেড়ে দাও।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Mahakumbh 2025: প্রথম কোনও কুম্ভে হাজারেরও বেশি মহিলা সন্ন্যাস ধর্মে দীক্ষা নিতে চলেছেন

    Mahakumbh 2025: প্রথম কোনও কুম্ভে হাজারেরও বেশি মহিলা সন্ন্যাস ধর্মে দীক্ষা নিতে চলেছেন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ১৪৪ বছর পরে অনুষ্ঠিত হচ্ছে মহাকুম্ভ (Mahakumbh 2025)। প্রয়াগরাজে দেখা যাচ্ছে, নারী সশক্তিকরণের প্রতিফলন। জানা গিয়েছে, মহাকুম্ভে হাজারেরও বেশি মহিলা তপস্বী দীক্ষা গ্রহণ করবেন এবং সন্ন্যাস ধর্ম পালনের ব্রত নেবেন। মৌনী অমাবস্যার অমৃত স্নানের বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে। সেই সময়তেই অসংখ্য মহিলাকে দীক্ষা নিতে দেখা যাবে।

    সন্ন্যাসিনী শ্রী পঞ্চদশনাম জুনা আখড়ার তপস্বিনী কী বলছেন? 

    ইতিমধ্যেই বিভিন্ন আখড়া সন্ন্যাস ধর্মে (Mahakumbh 2025) দীক্ষা গ্রহণ অনুষ্ঠানের জন্য প্রস্তুতিও শুরু করেছে। মনে করা হচ্ছে চলতি মহাকুম্ভে একদম রেকর্ড স্থাপন হতে পারে। সবচেয়ে বেশি সংখ্যক মহিলা তপস্বী সন্ন্যাস ধর্মে দীক্ষা নিতে পারেন। সন্ন্যাসিনী শ্রী পঞ্চদশনাম জুনা আখড়ার তপস্বিনী দিব্যা গিরি সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন, তাঁদের আখড়ার অধীনে ২০০-রও বেশি মহিলা তপস্বী সন্ন্যাসধর্মে দীক্ষা (Diksha) নেবেন। অন্যদিকে, অন্যান্য আখড়াগুলিকে জুড়লে, সংখ্যাটা হাজার ছাড়িয়ে যাওয়া সম্ভাবনা। তিনি আরও জানিয়েছেন, আগামী ২৭ জানুয়ারি তাঁরা দীক্ষাদান করবেন।

    গুজরাতে সংস্কৃত বিষয়ের ছাত্রী দীক্ষা নিচ্ছেন সন্ন্যাস ধর্মে

    সন্ন্যাস ধর্মে (Mahakumbh 2025) দীক্ষা নিচ্ছেন এমনই একজন এসেছেন গুজরাট থেকে। তিনি রাধেনন্দ ভারতী। পিএইচডির এই ছাত্রীর বিষয় হল সংস্কৃত। গুজরাটের কালিদাস রামেটক বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রী তিনি। জানা গিয়েছে, আধ্যাত্মিকতার অনুশীলনের জন্য তিনি সংসার ধর্ম ত্যাগ করছেন এবং সন্ন্যাস ধর্ম গ্রহণ করতে চলেছেন। বিগত ১২ বছর ধরে তিনি তাঁর গুরু সেবায় নিযুক্ত থেকেছেন এবং বর্তমানে সন্ন্যাস ধর্ম গ্রহণ করছেন। প্রসঙ্গত, শ্রী পঞ্চদশনাম জুনা আখড়া ইতিমধ্যে সন্ন্যাসিনীদের জন্য নতুন একটি শাখাও তৈরি করেছে এবং যার নাম দিয়েছে সন্ন্যাসিনী শ্রী পঞ্চদশনাম জুনা আখড়া। এই সিদ্ধান্তেই বোঝা যাচ্ছে যে হিন্দু ধর্মে (Mahakumbh 2025) আধ্যাত্মিকতাতে পুরুষদের সমান মহিলারাও অংশগ্রহণ করতে পারেন। সনাতন ধর্মে আধ্যাত্মিকতার অনুশীলনে কোনও লিঙ্গবৈষম্য নেই।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Naga sadhus: মহাকুম্ভ নাকি অন্ধবিশ্বাস! মেলা প্রাঙ্গণে হিন্দু-বিরোধী পোস্টার ছিঁড়ে জ্বালিয়ে দিলেন নাগা সাধুরা

    Naga sadhus: মহাকুম্ভ নাকি অন্ধবিশ্বাস! মেলা প্রাঙ্গণে হিন্দু-বিরোধী পোস্টার ছিঁড়ে জ্বালিয়ে দিলেন নাগা সাধুরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মহাকুম্ভ নাকি কুসংস্কার এবং অন্ধবিশ্বাস! এমনই পোস্টার সাঁটিয়ে বেশ কয়েকজন প্রচার করতে থাকে মেলা প্রাঙ্গণে। এই ঘটনায় নাগা সন্ন্যাসীদের (Naga sadhus) মধ্যে ব্যাপক ক্ষোভ দেখা যায়। তাঁরা সেখানে জমায়েত করেন ও হিন্দু-বিরোধী প্রচারের পুরো সেট-আপটি গুটিয়ে দেন। হিন্দু-বিরোধী পোস্টার ছিঁড়ে পুড়িয়ে দেন তাঁরা (Naga sadhus)। এ নিয়ে একটি ভিডিও ব্যাপকভাবে ভাইরাল হয়েছে সমাজ মাধ্যমে। তিন মিনিটের ওই ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে পোস্টারটি। সেখানে লেখা রয়েছে, ‘‘কুম্ভ হল কুসংস্কারের মেলা। যদি স্বাধীনতা চাও, তাহলে নিজের বুদ্ধিকে জাগ্রত করো।’’

    আচার্য প্রশান্তর বইয়ের দোকানের কাছেই ঘটে এমন ঘটনা

    প্রসঙ্গত, আচার্য প্রশান্তর একটি বইয়ের দোকানের কাছেই এমন কাজ শুরু করে বেশ কিছু লোকজন। হিন্দু-বিরোধী এমন প্রচার সভায় সঙ্গে সঙ্গে হাজির হয়ে যান নাগা সাধুরা (Naga sadhus) এবং পোস্টারে লেখা ওই কথাগুলি দেখে তাঁরা রেগে যান।

    যথাযোগ্য ব্যবস্থা নেওয়ার আর্জি

    এই ঘটনা সামনে আসতে অনেকেই প্রশ্ন তুলছেন। বিশ্বের বৃহত্তম ইভেন্টে পরিণত হয়েছে যে মহাকুম্ভ মেলা তাকে কুসংস্কার বলে আসলে হিন্দু বিরোধী মানসিকতার (Anti Hindu Activists) প্রতিফলন ঘটানো হচ্ছে। এ ধরনের কাজ যারা করছে, তাদের বিরুদ্ধে যথাযোগ্য ব্যবস্থা নেওয়ারও আবেদন জানিয়েছেন হিন্দু সমাজের একাংশ।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Laurene Powell Jobs: বসন্ত পঞ্চমীতে ফের ফিরবেন মহাকুম্ভে, অমৃত স্নানের অপেক্ষায় সনাতন ধর্মে দীক্ষিত লরেন

    Laurene Powell Jobs: বসন্ত পঞ্চমীতে ফের ফিরবেন মহাকুম্ভে, অমৃত স্নানের অপেক্ষায় সনাতন ধর্মে দীক্ষিত লরেন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সনাতন ধর্মের প্রতি অনেকের মনেই ক্রমশ আস্থা জাগছে। বিদেশিরাও সনাতন ধর্মের প্রতি আকৃষ্ট হচ্ছেন। এই তালিকায় এবার নাম লেখালেন বিশ্বের ধনী মহিলাদের মধ্যে অন্যতম অ্যাপল কোম্পানির সহ-প্রতিষ্ঠাতা প্রয়াত স্টিভ ডোবসের স্ত্রী লরেন পাওয়েল। মহাকুম্ভে প্রয়াগরাজে উপস্থিত ছিলেন তিনি। সেখানেই মকর সংক্রান্তি উপলক্ষে স্বামী কৈলাশানন্দ গিরির শিবিরে সমস্ত নিয়ম মেনে পূজার্চনা করার পর তাঁকে দীক্ষা দেওয়া হয়। তবে অসুস্থতার কারণে লরেন সঙ্গমে মকর সংক্রান্তির দিন অমৃত স্নান করতে পারেননি। এখন তিনি ভুটানে রয়েছেন। তবে বসন্ত পঞ্চমীতে ফের ভারতে আসতে পারেন লরেন। সেই সময় তিনি প্রয়াগে সারবেন অমৃত-স্নান। 

    সনাতন ধর্মে আকৃষ্ট লরেন

    আগামী, ৩ ফেব্রুয়ারি বসন্ত পঞ্চমী, স্বরস্বতী পুজো সেদিন অমৃত স্নান মহাকুম্ভে। ১৪ জানুয়ারি মহাকুম্ভে পুণ্যস্নান করতে পারেননি লরেন। কুম্ভের ভিড়ে লরেনের অ্যালার্জির সমস্যা দেখা দেয়। এত জনাকীর্ণ জায়গায় থাকার অভ্যাস নেই পৃথিবীর অন্যতম ধনী মহিলার। তবে শারীরিক সমস্যা থাকলেও তিনি পুণ্যস্নান করবেন বলে শোনা যাচ্ছে। জানা গিয়েছে, সনাতন ধর্মের প্রতি গভীর আস্থা রয়েছে জোব্‌‌স-জায়ার। এর আগেও তিনি স্বামীর সঙ্গে ভারতে এসেছিলেন। কুম্ভ তথা ভারতে এটি তাঁর দ্বিতীয় সফর। এবার স্বামী কৈলাশানন্দ গিরির কাছে তিনি দীক্ষা নেন। কৈলাশানন্দ সঙ্গমের জল ছিটিয়ে লরেনকে পুণ্য প্রদান করেন। পাশাপাশি সঙ্গমে স্নানের মাহাত্ম্য ব্যাখ্যা করেন।

    আরও পড়ুন: আগামী বছর থেকেই অষ্টম বেতন কমিশন, কত মাইনে বাড়বে কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মীদের?

    হিন্দু রীতি নীতির প্রতি টান

    সনাতন ধর্মে দীক্ষিত হওয়ার পর লরেন গলায় রুদ্রাক্ষের মালা ধারণ করার সংকল্পও নেন। নতুন নামে ভূষিত হন তিনি। পাশাপাশি হিন্দু রীতি-নীতি মেনে নতুন গোত্র দেওয়া হয় তাঁকে। মকর সংক্রান্তি থেকে লরেন পাওয়েল পরিচিত হন কমলা নামে। তাঁকে অচ্যুত গোত্র দেওয়া হয়েছে। উল্লেখ্য, ভারতের হিন্দু ঐতিহ্যের সঙ্গে লরেনের প্রথম পরিচয় ঘটে তাঁর স্বর্গীয় স্বামী স্টিভ জোবসের হাত ধরে। ১৯৭৪ সালে স্টিভ জোবস যখন বাবা নিম করোলি দরবারে আসেন। সেই সময় স্টিভের সঙ্গী ছিলেন স্ত্রী লরেন। এই সফরে স্টিভ জবসের সঙ্গে তিনি বেশ কয়েকদিন ছিলেন নিম করোলির আশ্রমে। সেই থেকে হিন্দু রীতি নীতির প্রতি টান বাড়ে লরেন পাওয়েলের।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Maha Kumbh: বিশ্বের বৃহত্তম ইভেন্ট, মহাকুম্ভ পরিদর্শন করলেন ১০ দেশের ২১ জনের প্রতিনিধি দল

    Maha Kumbh: বিশ্বের বৃহত্তম ইভেন্ট, মহাকুম্ভ পরিদর্শন করলেন ১০ দেশের ২১ জনের প্রতিনিধি দল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিশ্বের একটি বৃহত্তম ইভেন্টে পরিণত হয়েছে মহাকুম্ভ। ১৩ জানুয়ারি উত্তরপ্রদেশের প্রয়াগ্ররাজে (Prayagraj) শুরু হয়েছে মহাকুম্ভ (Maha Kumbh)। বৃহস্পতিবারই দশটি বিভিন্ন দেশের ২১ জনের একটি প্রতিনিধিদল প্রয়াগরাজের (Prayagraj) সঙ্গমস্থলকে পরিদর্শন করেন। তাঁরা এএনআই-কে সাক্ষাৎকারও দেন। এখানে উপস্থিত ছিলেন গায়ানার দিনেশ পারসাউদ। তিনি সংবাদমাধ্যমকে বলেন, ‘‘আমার একটি স্বপ্ন সত্যি হয়েছে। আমি এখানে গঙ্গা নদীতে পবিত্র স্নান করতে চেয়েছিলাম। সেই ইচ্ছা আমার পূরণ হয়েছে। আমি সকলকে এই অনুষ্ঠানে এসে পবিত্র গঙ্গা নদীতে স্নান করতে বলছি।’’

    চতুর্থ দিন পর্যন্ত ৬ কোটিরও বেশি ভক্তের অংশগ্রহণ

    অন্যদিকে সংযুক্ত আরব আমিরশাহি থেকে এসেছিলেন এল আজাব। তিনি বলেন, ‘‘আমি মধ্যপ্রাচ্য থেকে আসছি। (Maha Kumbh) এটি একটি চমৎকার অনুষ্ঠান। এটি পৃথিবীর মধ্যে সবথেকে বৃহত্তম ধর্মীয় সমাবেশ। সুসংগঠিতভাবে এই সমাবেশকে আয়োজন করা হয়েছে। নিরাপত্তার জন্য পর্যাপ্ত পরিমাণে পুলিশও রয়েছে। সরকার সবকিছু খুব সুন্দরভাবে সাজিয়েছে।’’ প্রসঙ্গত, এখনও পর্যন্ত বিভিন্ন রিপোর্ট বলছে যে এই সমাবেশে ৬ কোটিরও বেশি ভক্ত অংশগ্রহণ করেছেন।

    আরও পড়ুনঃ মনের শান্তির খোঁজে নিয়েছিলেন সন্ন্যাস! মহাকুম্ভে হাজির ‘আইআইটি বাবা’

    কোন কোন দেশের প্রতিনিধিরা ছিলেন

    আন্তর্জাতিক প্রতিনিধিদলটিতে ফিজি, ফিনল্যান্ড, গায়ানা, মালয়েশিয়া, মরিশাস, সিঙ্গাপুর, দক্ষিণ আফ্রিকা, শ্রীলঙ্কা, ত্রিনিদাদ ও টোবাগো এবং সংযুক্ত আরব আমিরাশাহির (ইউএই) প্রতিনিধিরা ছিলেন। ১৩ জানুয়ারি শুরু হয়েছিল মহাকুম্ভ (Maha Kumbh) চলবে ২৬ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত। মহাকুম্ভের পরবর্তী শাহি স্নানের তারিখগুলির মধ্যে রয়েছে ২৯ জানুয়ারি (মৌনী অমাবস্যা – দ্বিতীয় শাহি স্নান), ৩ ফেব্রুয়ারি (বসন্ত পঞ্চমী – তৃতীয় শাহি স্নান), ১২ ফেব্রুয়ারি (মাঘী পূর্ণিমা চতুর্থ শাহি স্নান) এবং ২৬ ফেব্রুয়ারি (মহা শিবরাত্রি পঞ্চম শাহি স্নান)। প্রসঙ্গত, ১৪৪ বছর পর পূর্ণ মহাকুম্ভের আসর বসেছে প্রয়াগরাজে। এর বিরাট আয়োজন, ব্যবস্থাপনা, নিরাপত্তা ও অসাধারণ পরিষেবা প্রদানের জন্য প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথের ভূয়সী প্রশংসা করেছেন সাধুসন্ত, মুনিঋষি ও যোগী-সন্ন্যাসীরা। তাঁরা জানিয়েছেন, এই মেলা ব্যাতিক্রমী, আধ্যাত্মিক উদ্দীপনার আকর্ষণীয় মোক্ষধাম।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Kumbh Mela: কুম্ভে আসতে চেয়েছিলেন স্টিভ জোবস, বন্ধুকে জানিয়েছিলেন, সেই চিঠি বিক্রি হল ৪.৩২ কোটিতে

    Kumbh Mela: কুম্ভে আসতে চেয়েছিলেন স্টিভ জোবস, বন্ধুকে জানিয়েছিলেন, সেই চিঠি বিক্রি হল ৪.৩২ কোটিতে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অ্যাপল-এর সহ প্রতিষ্ঠাতা প্রয়াত স্টিভ জোবসের (Steve Jobs) হাতে লেখা একটি চিঠি বিক্রি হল ভারতীয় মুদ্রায় প্রায় ৪.৩২ কোটি টাকায়। চিঠিটি লেখা হয়েছিল ১৯৭৪ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি। ১৯তম জন্মদিনে তিনি চিঠিটি লিখেছিলেন তাঁর ছোটবেলার বন্ধু টিম ব্রাউনকে। চিঠিটিতে তিনি হিন্দু ও বৌদ্ধ ধর্ম সম্পর্কে তাঁর চিন্তাভাবনা এবং কুম্ভ মেলায় (Kumbh Mela) যোগ দেওয়ার ইচ্ছের কথা জানিয়েছিলেন।

    জোবসের চিঠি (Kumbh Mela)

    জোবস (Steve Jobs) লিখেছিলেন, ‘‘আমি কুম্ভ মেলায় যোগ দেওয়ার জন্য ভারতে যেতে চাই, যা এপ্রিল মাসে শুরু হবে। আমি মার্চ মাসে কোনও এক সময়ে রওনা দেব, তবে এখনও নিশ্চিত নই।’’ তিনি উত্তরাখণ্ডে নিম করোলি বাবার সঙ্গেও দেখা করতে চেয়েছিলেন। সেই টানে তিনি নৈনিতালে পৌঁছেওছিলেন। পরে জানতে পারেন তার আগের বছরই প্রয়াত হয়েছেন নিম করোলি বাবা। সেবার সাত মাস ধরে ভারতে ছিলেন জোবস। এই পর্বে তিনি আত্তীকরণ করেছিলেন ভারতীয় আধ্যাত্মিকতা এবং সংস্কৃতিকে। নেড়া মাথা, রোদে পোড়া চেহারা নিয়ে দেশে ফিরেছিলেন তিনি। তাঁর পরিবারও তাঁকে দেখে চিনতে পারেননি। ২০১১ সালের ৫ অক্টোবর অকালে প্রয়াত হন জোবস (Steve Jobs)। তাঁর চিঠিটি নিলাম হল বুধবার।

    আরও পড়ুন: যুদ্ধের মেঘ কাটল মধ্য প্রাচ্যের আকাশে, যুদ্ধবিরতি ইজরায়েল-হামাসের

    কুম্ভ মেলা দর্শনে জোবসের স্ত্রী

    অকালে প্রয়াত হওয়ায় কুম্ভ মেলায় যোগ দেওয়া হয়নি জোবসের (Steve Jobs)। এ বছর কুম্ভ মেলা দর্শনে এসেছেন তাঁর স্ত্রী লরেন পাওয়েল জোবস। লরেনের গুরু স্বামী কৈলাসানন্দ গিরি। লরেনের নতুন (Kumbh Mela) নাম দিয়েছেন ‘কমলা’। ৪০ সদস্যের একটি দলের সঙ্গে ভারতে এসেছেন তিনি। ধ্যান, ক্রিয়া যোগ ও প্রণায়াম-সহ আধ্যাত্মিক অনুশীলনে অংশগ্রহণও করছেন। প্রসঙ্গত, প্রয়াগরাজে গঙ্গা-যমুনা-সরস্বতীর সঙ্গমে প্রতি ১২ বছর অন্তর হয় পূর্ণ কুম্ভ। ১২টি পূর্ণ কুম্ভ শেষে হয় মহাকুম্ভ। ১৪৪ বছর পরে এবার এসেছে সেই মহাকুম্ভ যোগ (Kumbh Mela)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Mahakumbh Mela 2025: কুম্ভমেলায় ৫০০০ কোটি টাকার বিনিয়োগ, ১৩০০০ ট্রেনের মহা আয়োজন ভারতীয় রেলের

    Mahakumbh Mela 2025: কুম্ভমেলায় ৫০০০ কোটি টাকার বিনিয়োগ, ১৩০০০ ট্রেনের মহা আয়োজন ভারতীয় রেলের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পূর্ণ মহাকুম্ভ মেলায় (Mahakumbh Mela 2025) ভারতীয় রেল যেন কল্পতরু। উত্তর প্রদেশ সরকার আগেই ঘোষণা করেছিল মেলায় ৪০-৪৫ কোটি মানুষের সমাগম হবে। তাই ভারতীয় রেল তীর্থযাত্রীদের পরিষেবায় ৫০০০ কোটি টাকার বিনিয়োগ করেছে বলে জানা গিয়েছে। সেই সঙ্গে ১৩০০০ ট্রেন এবং ৫৫০টি টিকিট কাউন্টার সহ আরও একাধিক ব্যবস্থা করেছে রেল। ত্রিবেণী সঙ্গমের স্নানের আয়োজনকে আরও নিরাপদ এবং সুরক্ষার কথা মাথায় রেখে এই ব্যবস্থা বলে জানিয়েছে ভারতীয় রেল। ১৪ জানুয়ারি পৌষ পূর্ণিমার দিন থেকে মেলার পুণ্যস্নান শুরু হয়েছে, চলবে ২৬ ফেব্রুয়ারি মহাশিবরাত্রি পর্যন্ত। দেশ এবং বিদেশের প্রচুর সাধু-সন্ত, সন্ন্যাসী, মুনিঋষি, যোগী, তান্ত্রিক এবং সাধারণ ভক্ত প্রতিদিন গঙ্গায় ডুব দিয়ে মোক্ষলাভের বাসনা চরিতার্থ করতে সমবেত হচ্ছেন।

    ১৮৬৯টি ট্রেন স্বল্প-দূরত্বের ট্রেন চলছে (Mahakumbh Mela 2025)

    পৃথিবীর সর্ববৃহৎ মহামিলন মেলার (Mahakumbh Mela 2025) যোগাযোগ ব্যবস্থায় রেলের একটি বড় ভূমিকা রয়েছে। জানা গিয়েছে, আগের কুম্ভমেলা থেকে এবারের মহাকুম্ভে প্রায় ৪-৫ গুণ বেশি ভক্ত সমাগম হবে। তাই জাতীয় পরিবহণ ব্যবস্থা হিসেবে মেলার জন্য ১৩,০০০টি ট্রেন চালানোর কথা বলা হয়েছে। এর মধ্যে ১০,০০০টি ট্রেন নিয়মিত চলবে এবং ৩১৩৪টি ট্রেন বিশেষ ট্রেন হিসবে চালানো হবে। ভারতীয় রেল ১৮৬৯টি ট্রেন স্বল্প-দূরত্বে চালাবে এবং ৫৫৯ রিং ট্রেন চালানো হবে। এই কুম্ভে তীর্থযাত্রীদের যাতে যাওয়া-আসায় সমস্যা না হয় তাই মালবাহী ট্রেনগুলিকে ডেডিকেটেড ফ্রেইট করিডর হয়ে ঘুরপথে চালানোর কথা জানানো হয়েছে। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, ভব্য মহাকুম্ভকে দিব্য মহাকুম্ভ করতে রেল যে কোনও রকম খামতি রাখতে চাইছে না, এসব ব্যবস্থাই তার বড় প্রমাণ। 

    ৩৭০০ কোটি টাকার দুটি বড় প্রকল্পের বাস্তবায়ন করেছে রেল

    ভারতীয় রেল মহাকুম্ভে (Mahakumbh Mela 2025) পরিষেবা দেওয়ার কাজে ৩৭০০ কোটি টাকা দুটি বড় প্রকল্পে খরচ করেছে। তার মধ্যে রয়েছে বারাণসী থেকে প্রয়াগরাজ গঙ্গা সেতু এবং ফাফামাউ থেকে জাংহাই প্রকল্পের জন্য খরচ দ্বিগুণ করে কাজ করার কথা জানিয়েছে রেল। যেহেতু মেলায় প্রায় ৫০ কোটি মানুষের আয়োজনের লক্ষ্য মাত্রা রয়েছে, তাই বিশেষ ভাবে যোগাযোগ ব্যবস্থা এবং পরিবহণের ওপর স্বভাবিক ভাবেই নজর দিতে হয়েছে। ব্যাপক ভিড়কে সঠিক ভাবে পরিচালনার জন্য রেলের সময়সূচির ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। তীর্থযাত্রীদের সুরক্ষা এবং নিরাপদে পুণ্য স্নানের জন্য আরও একাধিক পরিকল্পনা করা হয়েছে।

    আরও পড়ুনঃ সাম্প্রদায়িক হিংসায় হারিয়েছিল ভিটে, ৪৭ বছর পর তিন হিন্দু পরিবারকে জমি ফেরালেন যোগী

    রেলের কর্মীদের ২৪ ঘণ্টা সজাগ রাখা হয়েছে

    রেল সূত্রে জানা গিয়েছে, মহাকুম্ভমেলায় (Mahakumbh Mela 2025) প্রয়াগরাজ অঞ্চলে মোট ১১৭৬টি সিসিটিভি ক্যামেরা লাগানো হয়েছে। ২৩টি কেন্দ্রে ১ লক্ষ মানুষের থাকার জন্য শিবির নির্মাণ করা হয়েছে। ভিড়ের মধ্যে যাত্রীদের দ্রুত রেলের টিকিট দিতে রঙিন টিকিট এবং বারকোড যুক্ত ইউটিএস মেশিনে টিকিট পরিষেবার ব্যবস্থা করা হয়েছে। মেলায় তীর্থযাত্রীদের সব রকম সুবিধা দিতে রেলওয়ে পুলিশ, নিরাপত্তা কর্মী, যন্ত্রচালক, ইঞ্জিনিয়র, বিদ্যুৎ পরিচালনার কর্মী, এবং আরও একাধিক বিভাগের কর্মীদের ২৪ ঘণ্টা সজাগ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সমস্ত ব্যবস্থায় আপতকালীন পরিস্থিতির মোকাবিলায় মেডিক্যাল পরিষেবা, অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থার মতো জরুরি পরিষেবা কেন্দ্র এবং বিপর্যয় মোকাবিলা কেন্দ্র গড়া হয়েছে।

    ২২টি ভাষায় একটি পথ নির্দেশিকা

    প্রয়াগরাজ শহরে যাত্রীদের পরিষেবা আরও বাড়ানোর লক্ষ্যে রেলওয়ে ৪৮টি প্ল্যাটফর্ম এবং ২১টি ফুট ওভার ব্রিজের অতরিক্ত সুবিধা সম্প্রসারণ করা হয়েছে। এখনও পর্যন্ত মোট ১৫১টি মোবাইল ইউটিএস কাউন্টার খোলা হয়েছে। আরও ৫৫৪টি টিকিট কাউন্টারে সরাসরি টিকিট দেওয়ার ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। সড়ক ও রেলের মধ্যে যোগাযোগকে সরল করতে ২১টি আরওবি নির্মাণ করেছে রেল। ন’টি প্রধান স্টেশনে মোট ১২টি ভাষায় রেল ঘোষণার ব্যবস্থা করেছে। মোট ২২টি ভাষায় একটি পথ নির্দেশিকা বিষয়ক পুস্তিকাও চালু করা হয়েছে। তীর্থযাত্রীদের জন্য প্রয়োজনীয় তথ্য সেখানে দেওয়া হয়েছে। পুণ্যার্থীদের পুণ্যস্নানকে সুরক্ষিত (Mahakumbh Mela 2025) এবং আরও নিরাপদ করতে রেলের এই বিরাট আয়োজন এখন রেকর্ড গড়ার পথে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Maha Kumbh Mela 2025: বিশ্বের সাংস্কৃতিক রাজধানী ভারত! মহাকুম্ভে যোগ দিয়ে আবেগে ভাসলেন বিদেশিরা

    Maha Kumbh Mela 2025: বিশ্বের সাংস্কৃতিক রাজধানী ভারত! মহাকুম্ভে যোগ দিয়ে আবেগে ভাসলেন বিদেশিরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রয়াগরাজে শুরু হয়েছে কুম্ভমেলা। শুধু ভারত নয়, সারা বিশ্ব থেকে লাখো ভক্ত, পুণ্যার্থী, সাধুসন্ত এবং পর্যটকেরা পাড়ি জমাচ্ছেন এই মেলায়। পৃথিবীর অন্যতম বড় আয়োজন, বড় সমাবেশ মহাকুম্ভ। ভারতে এখন বহু বিদেশিরই গন্তব্য প্রয়াগরাজ। পৌষ পূর্ণিমা উপলক্ষ্যে শাহী স্নান সারতে সোমবারই ঘাটে ঘাটে উপচে পড়ছে ভিড়। সরকারি হিসেব অনুযায়ী, মেলার প্রথম দিন সকাল আটটায় ত্রিবেণী সঙ্গমে জলে ডুব দিয়েছেন প্রায় ৬০ লাখ পুণ্যার্থী। এই মহাযজ্ঞ চলবে ২৬ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত। 

    বিদেশ থেকে ভক্ত সমাগম

    শুধুমাত্র ভারতের বিভিন্ন রাজ্য থেকে নয়, বিদেশ থেকেও বহু ভক্ত এসেছেন প্রয়াগরাজে। কুম্ভমেলার শুরুর দিন থেকেই তাঁরা শাহী স্নানে মন দিয়েছেন। ইতিমধ্যে একাধিক বিদেশি নাগরিকের ত্রিবেণী সঙ্গমে ডুব দেওয়ার ছবি, ভিডিও প্রকাশ্যে এসেছে। এই সময়টা অত্যধিক ঠান্ডা থাকে। স্বভাবতই জলও মারাত্মক ঠান্ডা। তবে শাহী স্নানে কোনও রকম কার্পণ্য করছেন না কেউই। স্পেন থেকে আসা এক ভক্ত ১২ বছর আগে পূর্ণকুম্ভে ৪দিনের জন্য এসেছিলেন। স্বল্প সময়ে তাঁর মন ভরেনি, তাই এবার এসেছেন এক মাস সময় নিয়ে। মহাকুম্ভের রঙ, জৌলুস, অবাক করেছে ইটালির এক ভক্তকেও। তাঁর কথায় নানা আবেগের মিলনস্থল মহাকুম্ভ।

    মোক্ষের লক্ষ্যে কুম্ভে

    ‘জল ঠান্ডা তো কী হয়েছে, এখানে এসে হৃদয় উষ্ণতায় ভরে গেছে…’ এই ভাষায়ই মনের ভাব প্রকাশ করছেন বিদেশিরা। কুম্ভে এসে এক ব্রাজিলিয় ভক্তের বক্তব্য, মোক্ষ খুঁজতে তিনি ভারতে এসেছেন। আর কুম্ভমেলায় এসে তাঁর মন ভরে গেছে। তিনি প্রথমবার ভারতে এসেই কুম্ভমেলায় গেছেন। বলছেন, ভারত তো বিশ্বের সাংস্কৃতিক রাজধানী। তাই এখানে এই পরিবেশ পেয়ে তিনি ধন্য। 

    সুষ্ঠ ব্যবস্থাপনা

    ব্রাজিল ছাড়াও স্পেন, পর্তুগাল, রাশিয়া, জার্মানি, দক্ষিণ আফ্রিকা-সহ একাধিক দেশ থেকে ভক্তরা এসেছেন কুম্ভমেলায়। প্রয়াগরাজে গঙ্গা, যমুনা, সরস্বতীর মিলনস্থলই হয়ে উঠেছে সবকিছুর কেন্দ্রবিন্দু। সাধু-সন্ন্যাসী, সাধারণ মানুষ তো বটেই, মহাকুম্ভ যজ্ঞে বহু হেভিওয়েটও অংশ নিয়েছেন। সেই তালিকায় রয়েছেন ‘অ্যাপল’ সংস্থার সহ-প্রতিষ্ঠাতা তথা প্রাক্তন সিইও, স্টিভ জোবসের স্ত্রী লরেন পাওয়েল। তবে বিপুল এই ভক্ত সমাগমকে সুন্দরভাবে সাজিয়ে তুলেছে উত্তরপ্রদেশ এমনই অভিমত ইটালি থেকে আসা এক পুণ্যার্থীর।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Maha Kumbh 2025: দিতে হয় ৫ ডুব! আজ মকর সংক্রান্তিতে মহাকুম্ভের দ্বিতীয় শাহি স্নান

    Maha Kumbh 2025: দিতে হয় ৫ ডুব! আজ মকর সংক্রান্তিতে মহাকুম্ভের দ্বিতীয় শাহি স্নান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সোমবার, পৌষ পূর্ণিমার তিথিতে শুরু হয়েছে মহাকুম্ভ (Maha Kumbh 2025)। সকাল থেকেই শাহি স্নানে ভক্তদের ভিড় দেখা গিয়েছে। হয়েছে প্রথম শাহি (রাজকীয়) স্নানও। আজ, মঙ্গলবার ১৪ জানুয়ারি মকর সংক্রান্তির দিন দ্বিতীয় শাহি স্নান হচ্ছে, যা অনেকক্ষেত্রে অমৃত স্নান বলেও উল্লেখ করা হচ্ছে। প্রসঙ্গত, ১৩ জানুয়ারি শুরু হওয়া মহাকুম্ভ শেষ হতে চলেছে আগামী ২৬ ফেব্রুয়ারি। সেদিন রয়েছে মহাশিবরাত্রি এবং ওই দিনেই মহাকুম্ভের সমাপন হবে। হিন্দু ধর্মে মতে, মহাকুম্ভের (Maha Kumbh 2025) স্নানকে অত্যন্ত পবিত্র ও গুরুত্বপূর্ণ মানা হয়। মনে করা হয় মহাকুম্ভে স্নান করলে ভক্তদের সকল প্রকার কষ্ট দূর হয় এবং পাপ থেকে মুক্তিলাভ করা যায়। 

    প্রথম দুটি বাদ দিয়ে শাহি স্নানের অন্যান্য তারিখগুলিও আমরা জেনে নেব

    তৃতীয় শাহি স্নান (Shahi Snan) সম্পন্ন হবে মৌনী অমাবস্যায় দিনটি পড়েছে ২৯ জানুয়ারি ২০২৫

    চতুর্থ শাহি স্নান (Maha Kumbh 2025) সম্পন্ন হবে বসন্ত পঞ্চমীতে বাংলায় যেদিন সরস্বতী পুজো অনুষ্ঠিত হবে অর্থাৎ ২০২৫ সালের ৩ ফেব্রুয়ারি

    পঞ্চম শাহি স্নান সম্পন্ন হবে মাঘী পূর্ণিমায় ১২ ফেব্রুয়ারি

    ষষ্ঠ শাহি স্নান (Maha Kumbh 2025) অনুষ্ঠিত হবে ২০২৫ সালের ২৬ ফেব্রুয়ারি। ওইদিন মহা শিবরাত্রি

    প্রথম স্নান করবেন নাগা সন্ন্যাসীরা (Maha Kumbh 2025)

    মহাকুম্ভে শাহি স্নানের বিশেষ কিছু নিয়ম রয়েছে। মহাকুম্ভে প্রথমে স্নান করেন নাগা সন্ন্যাসীরা। বহু শতাব্দী ধরে এই প্রথা চলে আসছে। অন্যদিকে, সাংসারিক মানুষদের জন্য মহাকুম্ভ স্নানের নিয়ম কিছুটা আলাদা। ধর্মীয় বিশ্বাস মতে, নাগা সাধুদের স্নানের পরই গৃহস্থদের স্নান করা উচিত। স্নান করার সময় ৫টি ডুব দিতে বলছেন বলছেন শাস্ত্র বিশেষজ্ঞরা। আবার স্নানের সময় সাবান বা শ্যাম্পু ইত্যাদি ব্যবহার করতেও নিষেধ করা হচ্ছে। কারণ এই ধরনের উপাদান জলকে দূষিত করে। শাস্ত্র বিশেষজ্ঞরা আরও জানিয়েছেন যে মহাকুম্ভে শাহিস্নান করার পরে দান করতে হয় এবং এর পরেই হনুমানজি ও বাসুকিনাগের দর্শন করা উচিত। মনে করা হয় স্নানের পরে যদি কোনও ভক্ত, এই দুটির মধ্যে একটি মন্দিরেও না যান তাহলে তাঁর স্নানকে অসম্পূর্ণ বলে মনে করা হয়।

    মহাকুম্ভে ভক্তদের কিছু নিয়ম মেনে চলা উচিত

    মহাকুম্ভে শামিল হওয়া ভক্তদের শুদ্ধ ও পবিত্র থাকা উচিত এবং সাধুদের স্নান করার পরেই সাধারণ মানুষদের স্নানে নামা উচিত।
     
    মহাকুম্ভের স্নানের জন্য একটি নির্দিষ্ট সময় রয়েছে। সেটা অনুসরণ করা প্রয়োজন।
     
    মহাকুম্ভ মেলায় অহিংসা নীতি মেনে চলা প্রয়োজন।
     
    মহাকুম্ভে যে কোনও মাদকদ্রব্য সেবন করাও নিষেধ।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Maha Kumbh 2025: মার্কিন সেনার প্রাক্তন সদস্য মাইকেল, বর্তমানে বাবা মোক্ষপুরী, সামিল মহাকুম্ভে

    Maha Kumbh 2025: মার্কিন সেনার প্রাক্তন সদস্য মাইকেল, বর্তমানে বাবা মোক্ষপুরী, সামিল মহাকুম্ভে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মহাকুম্ভে (Maha Kumbh 2025) যোগ দিতে প্রয়াগরাজে ব্যাপক ভিড় সাধু-সন্তদের। এর মধ্যেই সবার নজর কাড়ছেন বাবা মোক্ষপুরী। বাবা মোক্ষপুরীর (Baba Mokshpuri) আসল নাম মাইকেল। আদতে তিনি ছিলেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বাসিন্দা। জানা যায়, এক সময় মার্কিন সেনাবাহিনীর সদস্যও ছিলেন তিনি! বর্তমানে নিজের জীবন সনাতন ধর্মের উদ্দেশে উৎসর্গ করেছেন তিনি। বর্তমানে তিনি জুনা আখারার অন্যতম সদস্য। সংবাদমাধ্যমকে তিনি জানিয়েছেন, হিন্দু ধর্মের প্রচারই এখন তাঁর জীবনের মূল লক্ষ্য।

    বাবা মোক্ষপুরী কী বললেন?

    মার্কিন সেনা থেকে একেবারে হিন্দু সাধু (Maha Kumbh 2025)? কীভাবে সম্ভব হল এমন যাত্রা? এনিয়ে বাবা মোক্ষপুরী সংবাদমাধ্যমকে বলেন, ‘‘একটা সময় ছিল, যখন আমিও আর পাঁচজনের মতো অতি সাধারণ ছিলাম। আমি পরিবারের সঙ্গে, আমার স্ত্রীর সঙ্গে সময় কাটাতে ভালোবাসতাম। বেড়াতে ভালোবাসতাম। আমি সেনাবাহিনীতেও যোগ দিয়েছিলাম। কিন্তু, তারপর একদিন আমি অনুভব করলাম, জীবনে কোনও কিছুই চিরস্থায়ী নয়। আর তখন থেকেই শুরু হল আমার মুক্তিলাভের পথ অনুসন্ধানের প্রয়াস।’’ জানা গিয়েছে, ২০০০ সালে প্রথমবার ভারতে আসেন তিনি। সঙ্গে ছিলেন তাঁর স্ত্রী এবং তাঁদের ছেলেও।

    ছেলের মৃত্যু ঘুরিয়ে দেয় জীবনের মোড় (Maha Kumbh 2025)

    মাইকেল থেকে বাবা মোক্ষপুরী (Maha Kumbh 2025) হয়ে যাওয়া সাধু বলেন, ‘‘সেই ভারতে আসাটা আমার জীবনের সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা ছিল। সেই সময়েই আমি প্রথম যোগাভ্যাস ও ধ্যান সম্পর্কে অবগত হই। প্রথমবার জানতে পারি সনাতন ধর্মের কথা। ভারতীয় সংস্কৃতি এবং ঐতিহ্য আমাকে গভীরভাবে অনুপ্রাণিত করে। আর এভাবেই আমার জীবনের আধ্যাত্মিক যাত্রা শুরু হয়। এখন আমার মনে হয়, আসলে ওটাই ছিল আমার প্রতি ঈশ্বরের ডাক।’’ তবে মাইকেলের জীবনে ঘটেছিল অতি দুর্ভাগ্যজনক ঘটনা। তাঁর একমাত্র সন্তানের অকালমৃত্যু হয়। এই ঘটনা তাঁর জীবনের মোড় ঘুরিয়ে দিয়েছিল বলে জানিয়েছেন তিনি। তিনি বলেন, ‘‘ওই মর্মান্তিক ঘটনাটাই আমাকে শিখিয়ে দিয়েছিল, জীবনে কোনও কিছুই চিরস্থায়ী নয়। সেই সময়ে আমি যোগাভ্যাস এবং ধ্যান করা শুরু করি। তাতে কঠিন সময়টা পার করতে কিছুটা সুবিধা হয়।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share